সোমবার, ৫ অক্টোবর ২০২৬
১৯ আশ্বিন ১৪৩৩

ক্যারিয়ারের ২৫ বছরে কারিনা

বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত : ২০ সেপ্টেম্বর, ২০২৪ ১৮:৪৪

বলিউডের মেধাবী কারিনা কাপুর খান। নিজের মেধাশক্তি দিয়ে ক্যারিয়ারের শুরু থেকেই সুনাম কুড়িয়ে আসছেন বেবোখ্যাত এই অভিনেত্রী। দেখতে দেখতে ক্যারিয়ারের ২৫ বছরে পা রাখলেন তিনি। এই ২৫ বছরে বলিউডে নিজের জায়গা পোক্ত করেছেন। এরই মধ্যে তার বহু সিনেমা ব্যবসাসফল হয়েছে। পেয়েছেন সমালোচকদের প্রশংসা। ব্যক্তিগত জীবনেও একজন সফল গৃহিণী ও মা তিনি। সম্প্রতি কারিনা কাপুর খান জানালেন, বলিউডের অন্যতম বড় বাজেটের সিনেমায় যুক্ত হচ্ছেন তিনি। ভারতীয় বিনোদন গণমাধ্যম পিংকভিলার প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, গত কয়েক মাসে বেশকিছু বড় বাজেটের প্যান ইন্ডিয়ান সিনেমার প্রস্তাব পেয়েছেন কারিনা কাপুর। সিনেমাটি হতে যাচ্ছে বলিউডের এ পর্যন্ত হওয়া বড় বাজেটের সিনেমার মধ্যে একটি। সিনেমা সম্পর্কে জানাতে গিয়ে একটি সূত্র বলেছে, এ রকম চরিত্র আগে কখনো তিনি করেননি। এর নির্মাতা ভারতীয় সিনেমার একজন নামকরা পরিচালক। পরিচালকের কারণে এবং গল্প ও চরিত্র পছন্দ হওয়ায় কারিনা কাপুর এ সিনেমার জন্য রাজি হয়েছেন।

কারিনা কাপুরের আসন্ন এ সিনেমা নিয়ে বেশি তথ্য প্রকাশ করা হচ্ছে না। তবে পিংকভিলা বলছে, ‘নির্মাতার কাছে সিনেমাটির সিনেমাটিক ওয়ার্ল্ডের কথা শুনেই কারিনা কাপুর মোহিত হয়েছেন। তিনি সাধারণত কোনো সিনেমায় রাজি হওয়ার আগে দীর্ঘ সময় নেন। অনেক কিছু বিবেচনা করেন। কিন্তু এবার তিনি নির্মাতার পরিকল্পনা শুনেই সিনেমাটিতে অভিনয় করতে রাজি হয়েছেন। নির্মাতার ভিশনের পাশাপাশি চরিত্রটিও তার জন্য বিশেষ।’

কারিনা কাপুরের বলিউড অভিষেক হয় ২০০০ সালে। তিনি অভিনয় করেছিলেন জেপি দত্ত পরিচালিত ‘রিফিউজি’তে। এ সিনেমার পর তাকে ফিরে তাকাতে হয়নি। ক্যারিয়ারে নানা উত্থান-পতন এসেছে; কিন্তু তিনি এগিয়ে গেছেন নিজের মতো। রোমান্টিক সিনেমার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন কমেডি ও ফ্যামিলি ড্রামায়।

এই অভিনেত্রী গত বছরগুলোয়ও তার অভিনয় প্রতিভা প্রকাশ করেছেন। গ্ল্যামারাস নায়িকা থেকে তিনি হয়ে উঠেছেন পুরোদস্তুর একজন অভিনেত্রী। বড় পর্দার সিনেমার পাশাপাশি অভিনয় করেছেন ওটিটির জন্যও। গত বছর ওটিটিতে মুক্তি পাওয়া সুজয় ঘোষ পরিচালিত ‘জানে জান’ সিনেমায় অভিনয় করেন। ওয়েব ফিল্মটি নির্মিত হয়েছে কেইগো হিগাশিনোর বই ‘দ্য ডিভোশন অব সাসপেক্ট এক্স’ থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। কারিনার সঙ্গে ছিলেন বিজয় বর্মা ও জয়দীপ আহলাওয়াত। আগামী নভেম্বরে মুক্তি পাচ্ছে কারিনা অভিনীত রোহিত শেঠি পরিচালিত ‘সিংহাম অ্যাগেইন’ সিনেমাটি। এ ছাড়া কারিনার হাতে আছে মেঘনা গুলজারের ‘দরিয়া’। এ সিনেমায় তিনি একজন পুলিশ অফিসারের চরিত্রে অভিনয় করবেন বলে জানা গেছে। এর মধ্যে ১৩ সেপ্টেম্বর মুক্তি পেয়েছিল হানসল মেহতা পরিচালিত ‘দ্য বাকিংহাম মার্ডারস’।

বিষয়:

নির্বাচিত

ছাড়পত্র পেল সালমান খানের নতুন সিনেমা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৪ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:৪৮
বিনোদন ডেস্ক

ভারত সরকারের আপত্তি ও আন্তর্জাতিক ভূরাজনৈতিক বিতর্কের মুখে দীর্ঘদিন আটকে থাকা বলিউড তারকা সালমান খানের নতুন সিনেমা ‘মাতৃভূমি’ অবশেষে মুক্তির অনুমতি পেয়েছে। চিত্রনাট্যে নানা পরিবর্তন ও দৃশ্য সংশোধনের পর সম্প্রতি সিনেমাটিকে প্রেক্ষাগৃহে প্রদর্শনের জন্য আনুষ্ঠানিক অনাপত্তিপত্র (এনওসি) দিয়েছে ভারতের তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়। ২০২০ সালে লাদাখের গালওয়ান উপত্যকায় ভারত ও চীনের সামরিক বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত রক্তক্ষয়ী সংঘাতের সত্য ঘটনার পটভূমিতে নির্মিত হয়েছে ছবিটি। এতে ১৬ বিহার রেজিমেন্টের সাহসী কমান্ডার কর্নেল বিক্কুমাল্লা সন্তোষ বাবুর চরিত্রে রূপদান করেছেন সালমান খান; যাঁর নেতৃত্বে ওই ঐতিহাসিক লড়াইয়ে প্রাণ বিসর্জন দিয়েছিলেন ২০ জন ভারতীয় সেনাসদস্য।

চলচ্চিত্রটির প্রাথমিক নাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ‘ব্যাটল অব গালওয়ান’ এবং চলতি বছরের এপ্রিলেই এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির কথা ছিল। তবে ছবিটির প্রথম টিজার প্রকাশের পরপরই চীনের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম ‘গ্লোবাল টাইমস’ তীব্র সমালোচনা করে অভিযোগ তোলে যে চলচ্চিত্রে প্রকৃত তথ্য বিকৃত করে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে চীনবিরোধী মনোভাব উসকে দেওয়া হচ্ছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক কূটনীতিতে স্পর্শকাতর হয়ে উঠলে ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এতে সরাসরি হস্তক্ষেপ করে, যার ফলে সিনেমাটির ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছিল এবং এর আনুষ্ঠানিক মুক্তি স্থগিত হয়ে যায়।

সরকারি নির্দেশনা ও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের সংবেদনশীলতার কথা মাথায় রেখে পরবর্তীতে সিনেমাটির চিত্রনাট্যে ব্যাপক রদবদল আনেন পরিচালক অপূর্ব লাখিয়া। এমনকি ছবির গুণগত মান ও কূটনৈতিক ভারসাম্য ঠিক রাখতে প্রায় ৪০ শতাংশ দৃশ্যের নতুনভাবে পুনঃদৃশ্যায়ন করা হয় এবং সিনেমার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘মাতৃভূমি’। পরিমার্জিত এই নতুন সংস্করণে সামরিক আগ্রাসনের চেয়ে দুই প্রতিবেশী দেশের ইতিবাচক সম্পর্ককে প্রাধান্য দেওয়ায় অবশেষে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে ইতিবাচক সবুজ সংকেত পায় সিনেমাটি।

বলিউডবিষয়ক ওয়েবসাইট ‘বলিউড হাঙ্গামা’র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মন্ত্রণালয়ের ছাড়পত্র পাওয়ার পর সিনেমাটি এখন ভারতের কেন্দ্রীয় চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ডে (সিবিএফসি) আনুষ্ঠানিক ছাড়পত্রের জন্য জমা দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসে সেন্সর বোর্ডের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন মিললে অভিনেতা রণবীর কাপুরের বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘রামায়ণ’ মুক্তির ঠিক এক সপ্তাহ পর—আগামী ১৩ নভেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে ‘মাতৃভূমি’। দেশাত্মবোধক এই চলচ্চিত্রে সালমান খানের বিপরীতে কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন অভিনেত্রী চিত্রাঙ্গদা সিং।


নির্বাচিত

স্বামীর পরকীয়া জেনেও ১২ বছর সংসার, বিচ্ছেদ চাননি অভিনেত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের সোনালী যুগের অন্যতম জনপ্রিয় ও সাহসী অভিনেত্রী জিনাত আমানের ব্যক্তিজীবন এবং অভিনেতা মাজহার খানের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘ দাম্পত্য জীবনের নানা টানাপোড়েন আজও ভক্তদের মাঝে গভীর কৌতূহল জাগায়। স্বামীর বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের কথা জানার পরও বিচ্ছেদের পথে না হেঁটে নানা প্রতিকূলতার মধ্যে টানা ১২ বছর সংসার টিকিয়ে রেখেছিলেন এই অভিনেত্রী। প্রখ্যাত সঞ্চালক সিমি গারেওয়ালের সঙ্গে এক পুরনো সাক্ষাৎকারে নিজের ব্যক্তিগত জীবনের এই জটিল ও আবেগঘন অধ্যায়ের নানা অজানা দিক খোলামেলাভাবে তুলে ধরেছিলেন তিনি।

সাক্ষাৎকারে জিনাত আমান জানান, নিজের পরিবারের তীব্র আপত্তি উপেক্ষা করেই তিনি মাজহার খানকে বিয়ে করেছিলেন। তবে বিয়ের মাত্র এক বছরের মাথায় প্রথম সন্তানের অন্তঃসত্ত্বা থাকাকালে তাঁর মনে হয়েছিল যে মাজহারকে জীবনসঙ্গী হিসেবে বেছে নেওয়ার সিদ্ধান্তটি হয়তো ভুল ছিল। ঠিক সেই সময়েই ‘স্টারডাস্ট’ পত্রিকায় মাজহারের অন্য এক নারীর সঙ্গে সম্পর্কের খবর প্রকাশিত হয়, যা জিনাতের কাছেও গোপন ছিল না। তবে পরিবারের অমতে বিয়ে করার কারণে তিনি বিচ্ছেদের পথ বেছে না নিয়ে ব্যক্তিগত সমস্ত যন্ত্রণা সহ্য করে সম্পর্কটি যেকোনো মূল্যে টিকিয়ে রাখার চেষ্টা চালিয়ে যান।

পরবর্তীতে তাঁদের পারিবারিক টানাপোড়েন আরও জটিল রূপ নেয় যখন মাজহার খান মারাত্মক শারীরিক অসুস্থতায় আক্রান্ত হন। পূর্বের সমস্ত তিক্ততা ও দূরত্ব ভুলে জিনাত আমান তখন অসুস্থ স্বামীর চিকিৎসা ও পরিচর্যার পূর্ণ দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নেন। টানা প্রায় পাঁচ বছর তিনি বিভিন্ন হাসপাতালে মাজহারের চিকিৎসার জন্য ছুটে বেড়িয়েছেন, চিকিৎসকদের সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রেখেছেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রোগীকে নিয়ে বিদেশেও পাড়ি জমিয়েছেন। স্বামীর সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে এমনকি বাড়িতেও তিনি সাধারণ নার্সিংয়ের নানা কাজ শিখে নিয়েছিলেন।

সম্পর্কের শুরু থেকেই নানা টানাপোড়েন থাকলেও বিচ্ছেদের কোনো আইনি পদক্ষেপ না নিয়ে প্রায় ১২ বছর একসঙ্গে ছিলেন জিনাত ও মাজহার। স্বামীর জীবনের শেষ কঠিন দিনগুলোতেও সেবাযত্নে নিজেকে নিয়োজিত রেখেছিলেন অভিনেত্রী। ১৯৯৮ সালে মাজহার খানের মৃত্যুর মধ্য দিয়ে এই অধ্যায়ের সমাপ্তি ঘটে। রূপালি পর্দায় আত্মবিশ্বাসী ও আধুনিক নারী চরিত্রে বিপ্লব ঘটানো জিনাত আমানের বাস্তব জীবনের এই দীর্ঘ সংগ্রাম ও মানসিক ত্যাগ বলিউডের ইতিহাসে আজও অত্যন্ত সংবেদনশীল একটি ঘটনা হিসেবে বিবেচিত হয়।


নির্বাচিত

অস্কারে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবে মারাঠি সিনেমা ‘গোনধল’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বক্স অফিসে মাত্র ৯০ লাখ রুপি আয় করে চরম বাণিজ্যিক ব্যর্থতার মুখে পড়া মারাঠি চলচ্চিত্র ‘গোনধল’কে আসন্ন ৯৯তম অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসে (অস্কার ২০২৭) ভারতের আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্বের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। রণবীর সিংয়ের তারকাবহুল ‘ধুরন্ধর’ কিংবা ‘বর্ডার ২’-এর মতো চলতি বছরের বড় বাজেটের ব্লকবাস্টার সিনেমাগুলোকে পেছনে ফেলে ‘সেরা আন্তর্জাতিক ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে জায়গা করে নিয়েছে মাত্র ৫ কোটি রুপি ব্যয়ে নির্মিত এই স্বল্প বাজেটের ছবিটি। ফিল্ম ফেডারেশন অব ইন্ডিয়ার (এফএফআই) ১৪ সদস্যের জুরি বোর্ড বিভিন্ন ভাষার মোট ৩৩টি আলোচিত সিনেমা পুঙ্খানুপুঙ্খ পর্যালোচনার পর সর্বসম্মতভাবে ‘গোনধল’কে অস্কারের মঞ্চে পাঠানোর এই ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে।

শত কোটি রুপির সফল বাণিজ্যিক সিনেমাগুলোকে বাদ দিয়ে মাত্র ৯০ লাখ রুপি আয় করা একটি ছবিকে বেছে নেওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করেছেন এফএফআই জুরি বোর্ডের অন্যতম সদস্য ও প্রযোজক বিবেক ভাসওয়ানি। তিনি স্পষ্ট জানান, অস্কারের মতো আন্তর্জাতিক মঞ্চে লড়াইয়ের জন্য নিছক তারকাখ্যাতি বা বক্স অফিসের টাকার চেয়ে নান্দনিকতা ও সাংস্কৃতিক মৌলিকত্ব থাকা বেশি জরুরি, যা ‘ধুরন্ধর’-এর মতো বিগ বাজেটের চলচ্চিত্রে অনুপস্থিত ছিল। তিনি প্রকাশ করেন যে ১৪ সদস্যের জুরি বোর্ডে ‘ধুরন্ধর’-এর পক্ষে মাত্র চারটি ভোট পড়েছিল। এর বিপরীতে অস্কারের টিকিট পাওয়ার আগেই আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে (ইফি) সেরা পরিচালকের ‘সিলভার পিকক’ এবং ব্যাঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে মর্যাদাপূর্ণ ‘ফিপ্রেসকি’ পুরস্কার অর্জন করে নিজের নির্মাণশৈলীর আন্তর্জাতিক মান প্রমাণ করেছিল ‘গোনধল’।

১১৭ মিনিট দৈর্ঘ্যের এই চলচ্চিত্রটির গল্প রচনা ও পরিচালনা করেছেন সন্তোষ দেবাকর। সিনেমাটির মূল পটভূমি গড়ে উঠেছে গ্রামীণ মহারাষ্ট্রের আবহমানকাল ধরে চলে আসা ঐতিহ্যবাহী রাতভর লোকজ আচার ‘গোনধল’-এর ওপর ভিত্তি করে। দেব-বন্দনা, লোকনৃত্য ও সংগীতের আবহে ঘেরা এক থমথমে রাতের পটভূমিতে মানুষের ভালোবাসা, প্রতারণা ও সমাজে টিকে থাকার জটিল সংগ্রাম নিপুণভাবে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে এতে। আন্তর্জাতিক সাময়িকী ফোর্বসকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নির্মাতা সন্তোষ দেবাকর জানান, বহুত্ববাদী ভারতের খাঁটি লোকসংস্কৃতিকে বিশ্বমঞ্চে বিশ্বস্তভাবে উপস্থাপন করাই ছিল তাঁর মূল লক্ষ্য এবং অস্কারের মঞ্চে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার সুযোগ পেয়ে তিনি অত্যন্ত আশাবাদী।

অস্কারের দীর্ঘ ইতিহাসে এটি চতুর্থ মারাঠি ভাষার চলচ্চিত্র হিসেবে ভারতের হয়ে বিশ্বমঞ্চে লড়ার গৌরব অর্জন করল। অস্কার যাত্রার প্রাক্কালে দেশীয় দর্শকদের মাঝে ছবিটি নিয়ে নতুন আগ্রহ তৈরি করতে আগামী ৯ অক্টোবর থেকে মুম্বাই, দিল্লি ও চেন্নাইসহ ভারতের প্রধান শহরগুলোতে সিনেমাটির বিশেষ ‘পেইড প্রিভিউ’ প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে। উল্লেখ্য, ২০২৭ সালের অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের চূড়ান্ত মনোনয়ন তালিকা আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করা হবে ২১ জানুয়ারি এবং বিশ্ব চলচ্চিত্রের সর্বোচ্চ এই আসরের মূল অনুষ্ঠান আয়োজিত হবে ২০২৭ সালের ১৪ মার্চ।


নির্বাচিত

উপন্যাসের গল্পে সাদিয়া ইসলাম মৌ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৩ অক্টোবর, ২০২৬ ১৩:১৭
বিনোদন ডেস্ক

কথাসাহিত্যিক রাবেয়া খাতুনের জনপ্রিয় উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হয়েছে বিশেষ একক নাটক ‘শঙ্খ সকাল প্রকৃতি’। নাটকটির চিত্রনাট্য রচনা ও পরিচালনা করেছেন প্রখ্যাত নির্মাতা অরুণ চৌধুরী। এতে কেন্দ্রীয় ‘প্রকৃতি’ চরিত্রে অভিনয় করেছেন নন্দিত অভিনেত্রী ও নৃত্যশিল্পী সাদিয়া ইসলাম মৌ। দেশের শীর্ষস্থানীয় স্যাটেলাইট টেলিভিশন চ্যানেল আইয়ের ২৮ বছরে পদার্পণ উপলক্ষে নির্মিত এই বিশেষ নাটকটির দৃশ্যধারণ সম্প্রতি রাজধানীর উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে সম্পন্ন হয়েছে।

নাটকটিতে সাদিয়া ইসলাম মৌয়ের পাশাপাশি কাহিনির অন্য দুই মূল চরিত্র ‘শঙ্খ’ ও ‘সকাল’-এর ভূমিকায় অভিনয় করেছেন যথাক্রমে অভিনেতা আহসান হাবিব নাসিম ও গোলাম কিবরিয়া তানভীর। এ ছাড়া এতে বিশেষ একটি চরিত্রে দেখা যাবে অভিনেত্রী ফারজানা চুমকিকে। নির্মাতা ও অভিনয়শিল্পীদের ভাষ্য অনুযায়ী, সমসাময়িক পারিবারিক আবহের পাশাপাশি গভীর সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধের নানা দিক এই নাটকের গল্পের পরতে পরতে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে।

নতুন এই নাটকে অভিনয় প্রসঙ্গে সাদিয়া ইসলাম মৌ জানান, গল্প ও চরিত্রের গভীর বৈচিত্র্যের কারণেই তিনি কাজটি করতে মূলত আগ্রহী হয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন, সবসময় ভালো গল্পে কাজ করার এবং বৈচিত্র্যময় চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করার যে তাগিদ তাঁর থাকে, এ নাটকের ক্ষেত্রেও তেমনটাই ঘটেছে; নাটকটি দর্শকদের ভালো লাগবে বলে তিনি বেশ আশাবাদী। সহশিল্পী আহসান হাবিব নাসিম জানান, নির্মাতার রুচিশীল নির্দেশনায় তৈরি এই গল্পে সুন্দর একটি নৈতিক বার্তা রয়েছে। অন্যদিকে অভিনেতা গোলাম কিবরিয়া তানভীর ছোটবেলা থেকে যার অভিনয় দেখে বড় হয়েছেন, সেই মৌয়ের বিপরীতে কাজ করাকে দারুণ এক অনুপ্রেরণামূলক অভিজ্ঞতা বলে অভিহিত করেন।

নাটকটির সমস্ত দৃশ্যধারণের কাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং বর্তমানে এটি সম্প্রচারের অপেক্ষায় রয়েছে। প্রযোজনা দল জানিয়েছে, চ্যানেল আইয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বিশেষ অনুষ্ঠানমালার অংশ হিসেবে খুব শীঘ্রই নাটকটি চ্যানেলটির পর্দায় প্রচারিত হবে।


নির্বাচিত

প্রথম দিনেই রেকর্ড গড়ল ‘দৃশ্যম ৩’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির প্রথম দিনেই বক্স অফিসে নজিরবিহীন আয়ের রেকর্ড সৃষ্টি করেছে অজয় দেবগন অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত ক্রাইম থ্রিলার ‘দৃশ্যম ৩: দ্য কনক্লুশন’। ফ্র্যাঞ্চাইজিটির এই শেষ কিস্তিটি গত শুক্রবার (২ অক্টোবর) বিশ্বব্যাপী প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। বক্স অফিস ট্র্যাকিং প্ল্যাটফর্ম স্যাকনিল্কের তথ্য অনুযায়ী, উদ্বোধনী দিনেই ভারতীয় বাজার থেকে সিনেমাটির নিট আয়ের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৬৬ কোটি ৭৫ লাখ রুপি। দেশীয় বাজারে এর গ্রস আয় হয়েছে ৮০ কোটি ১০ লাখ রুপি এবং আন্তর্জাতিক বাজার থেকে এসেছে আরও ১৫ কোটি রুপি; যার ফলে মুক্তির প্রথম দিনেই বিশ্বজুড়ে ছবিটির সর্বমোট গ্রস সংগ্রহ গিয়ে ঠেকেছে ৯৫ কোটি ১০ লাখ রুপিতে।

প্রথম দিনের এই অভাবনীয় বাণিজ্যিক সাফল্যের মধ্য দিয়ে ‘দৃশ্যম’ ফ্র্যাঞ্চাইজির অতীতের সমস্ত নজির ভেঙে গেছে। ২০১৫ সালে মুক্তি পাওয়া এই সিরিজের প্রথম সিনেমা ‘দৃশ্যম’ উদ্বোধনী দিনে ভারতের বাজারে নিট ৫ কোটি ৮৫ লাখ রুপি আয় করেছিল এবং পরবর্তীতে ২০২২ সালের ‘দৃশ্যম ২’ প্রথম দিনে তুলেছিল প্রায় ১৫ কোটি ৩৮ লাখ রুপি। পূর্বের দুটি পর্বের প্রথম দিনের সম্মিলিত আয়কেও অনায়াসে ছাড়িয়ে যাওয়ার পাশাপাশি এই ঐতিহাসিক ওপেনিংয়ের মাধ্যমে অভিনেতা অজয় দেবগন নিজের সুদীর্ঘ ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ উদ্বোধনী আয়ের নতুন ব্যক্তিগত মাইলফলক স্পর্শ করেছেন।

আড়াই ঘণ্টা দৈর্ঘ্যের এই শ্বাসরুদ্ধকর সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অভিষেক পাঠক। পর্দায় বিজয় সালগাঁওকর চরিত্রের উপস্থিতি বরাবরই দর্শকদের মাঝে রহস্য ও তীব্র মনস্তাত্ত্বিক টানাপোড়েন তৈরি করে এসেছে। যেকোনো মূল্যে নিজের পরিবারকে বাঁচাতে আইনি ফাঁকফোকর ও বুদ্ধির লড়াইয়ে নিখুঁত ছক কষে যাওয়ার যে ধারা প্রথম দুই পর্বে তৈরি হয়েছিল, পরিচালক শেষ পর্বেও সেই উত্তেজনাকর আবহ পুরোপুরি বজায় রেখেছেন।

সিনেমার কেন্দ্রীয় চরিত্রে অজয় দেবগনের পাশাপাশি বরাবরের মতো আইজি মীরা দেশমুখের চরিত্রে অভিনেত্রী তাবু তাঁর দৃঢ় অভিনয় ফুটিয়ে তুলেছেন। এ ছাড়া ফ্র্যাঞ্চাইজির এই শেষ পর্বে নতুন সংযোজন হিসেবে এসপি রাজবীর সিংয়ের চরিত্রে অভিনেতা জয়দীপ অহলাওয়াতের বলিষ্ঠ উপস্থিতি ও চরিত্রায়ণ কাহিনিকে আরও গতিশীল ও আকর্ষণীয় করে তুলেছে; যার ফলে মুক্তির শুরুতেই প্রেক্ষাগৃহে দর্শক ও সমালোচকদের ভূয়সী প্রশংসা পাচ্ছে সিনেমাটি।


নির্বাচিত

অস্কারে প্রথমবার তথ্যচিত্র পাঠাচ্ছে পাকিস্তান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

আসন্ন ২০২৭ সালের একাডেমি অ্যাওয়ার্ডসের (অস্কার) ‘বেস্ট ইন্টারন্যাশনাল ফিচার ফিল্ম’ বিভাগে আনুষ্ঠানিক প্রতিনিধিত্ব করার জন্য তথ্যচিত্র ‘হ্যাঙ্গিং বাই আ ওয়্যার’-কে মনোনীত করেছে পাকিস্তান। অস্কারের দীর্ঘ ইতিহাসে এবারই প্রথম কোনো পূর্ণাঙ্গ তথ্যচিত্রকে নিজেদের অফিশিয়াল এন্ট্রি হিসেবে আন্তর্জাতিক ফিচারের লড়াইয়ে পাঠাল দেশটি। এমি পুরস্কারজয়ী প্রখ্যাত পাকিস্তানি নির্মাতা মোহাম্মদ আলী নকভির পরিচালনায় নির্মিত এই তথ্যচিত্রটি বিশ্বমঞ্চে পাঠানোর এই সিদ্ধান্তকে দেশটির চলচ্চিত্র অঙ্গনে একটি ঐতিহাসিক ও ব্যতিক্রমী পদক্ষেপ হিসেবে দেখা হচ্ছে।

চলচ্চিত্রটির মূল কাহিনি আবর্তিত হয়েছে ২০২৩ সালের আগস্ট মাসে পাকিস্তানের উত্তরাঞ্চলীয় পাহাড়ি এলাকা বাট্টাগ্রামে ঘটে যাওয়া এক বাস্তব ও রোমহর্ষক কেব্‌ল কার দুর্ঘটনাকে কেন্দ্র করে। দুর্গম পাহাড়ি অঞ্চলটিতে সাধারণ মানুষের চলাচলের উপযোগী কোনো পাকা সড়ক না থাকায় স্থানীয়দের নদী ও গভীর খাদ পারাপারের একমাত্র ভরসা সেখানকার বিপজ্জনক অস্থায়ী কেব্‌ল কার। এমন একটি কেব্‌ল কারে হঠাৎ তার ছিঁড়ে গিয়ে খরস্রোতা নদীর প্রায় ৯০০ ফুট ওপরে মাঝআকাশে আটকা পড়েছিল ছয় শিশুসহ মোট আটজন যাত্রী। সেই চরম বিপদে পড়া মানুষদের নিরাপদে নামিয়ে আনার শ্বাসরুদ্ধকর উদ্ধার অভিযান এবং এতে অংশ নেওয়া স্থানীয় সাধারণ মানুষের অসীম সাহসিকতার বাস্তব চিত্রই এই তথ্যচিত্রের মূল উপজীব্য। প্রত্যক্ষদর্শীদের মোবাইল ক্যামেরায় ধারণ করা দুর্লভ দৃশ্য, বেঁচে ফেরা যাত্রীদের সরাসরি বয়ান এবং ঘটনার নিখুঁত পুনর্নির্মাণের মাধ্যমে কাজটিকে একটি রুদ্ধশ্বাস ‘ডকু-থ্রিলার’-এর রূপ দেওয়া হয়েছে।

আন্তর্জাতিক বিনোদনবিষয়ক সংবাদমাধ্যম ডেডলাইনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক মোহাম্মদ আলী নকভি জানান, এটি নিছক কোনো বানানো গল্প নয়, বরং একটি বাস্তব মানবিক বিপর্যয়ের নিখুঁত দলিল। তিনি উল্লেখ করেন, চরম সংকটের সময় স্থানীয় বাসিন্দারা নিজেদের জীবনের ঝুঁকি নিয়ে মোবাইল ফোনে সেই মুহূর্তগুলো ধারণ করেছিলেন এবং পরবর্তীতে বিশ্বাস করে সেই অমূল্য ফুটেজগুলো তাঁর হাতে তুলে দেন। সে কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষদেরই এই চলচ্চিত্রের অন্যতম সহনির্মাতা আখ্যা দিয়ে নকভি বলেন, উদ্ধারকাজের জটিল পরিস্থিতিতে সাধারণ মানুষ কতটা সাহসী ও কৌশলী ভূমিকা রেখেছিল, তা আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তুলে ধরাই ছিল এই কাজের মূল লক্ষ্য।

পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যের যৌথ অর্থায়নে নির্মিত এই তথ্যচিত্রটির সঙ্গে আন্তর্জাতিকভাবে যুক্ত রয়েছে বিখ্যাত প্রযোজনা সংস্থা ‘ইউনিভার্সাল পিকচার্স কনটেন্ট গ্রুপ’। অস্কারে মনোনয়ন পাওয়ার আগেই তথ্যচিত্রটি বিশ্ব চলচ্চিত্রের অত্যন্ত মর্যাদাপূর্ণ সানড্যান্স এবং ট্রাইবেকা চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়ে আন্তর্জাতিক সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছে। প্রেক্ষাগৃহ ও উৎসবের পাট চুকিয়ে চলতি মাসের শেষ ভাগে বৈশ্বিক ওটিটি স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম প্যারামাউন্ট প্লাসে ‘হ্যাঙ্গিং বাই আ ওয়্যার’ বাণিজ্যিকভাবে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।


নির্বাচিত

ডিসেম্বরে আসছে চঞ্চল চৌধুরীর নতুন সিরিজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

২০২৪ সালে প্রতিম ডি গুপ্তর ‘চালচিত্র’ সিনেমার মাধ্যমে টালিউডে অভিষেক ঘটেছিল বাংলাদেশি অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর। সেই আলোচিত চলচ্চিত্রের দুই বছর পর এবার বড় পর্দায় নয়, বরং ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জন্য তৈরি হয়েছে সিনেমাটির একটি প্রিকুয়েল ওয়েব সিরিজ। ‘চালচিত্র: দ্য একচালা মার্ডারস’ নামের এই সিরিজে এক রহস্যময় চরিত্রের রূপদান করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। সম্প্রতি সিরিজে চঞ্চলের লুক আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করে জানানো হয়েছে যে আগামী ডিসেম্বর মাসে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ে এটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে।

মূল সিনেমায় ব্রাত্য বসু অভিনীত চরিত্র ‘ভুবন হালদার’-এর তরুণ বয়সের ভূমিকায় পর্দায় হাজির হবেন চঞ্চল। একজন সাধারণ মানুষের ধীরে ধীরে ভয়ংকর সিরিয়াল কিলার হয়ে ওঠার পেছনের মনস্তাত্ত্বিক দ্বন্দ্ব ও অতীত ইতিহাসই এই সিরিজের মূল উপজীব্য। নিজের চরিত্রটি নিয়ে কথা বলতে গিয়ে চঞ্চল চৌধুরী জানান, তিনি ব্রাত্য বসুর চরিত্রটির অতীত রূপে অভিনয় করেছেন, যার ভেতর ব্যক্তিত্বের অনেকগুলো জটিল স্তর রয়েছে। গল্পটি রহস্যে ঘেরা হওয়ায় বিস্তারিত তথ্য এখনই না দিয়ে দর্শকদের কিছুটা সময় অপেক্ষা করার অনুরোধ জানিয়েছেন তিনি। সিরিজটিতে চঞ্চলের পাশাপাশি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন টোটা রায়চৌধুরী, শ্বেতা মিশ্র ও বরুণ চন্দ।

এদিকে কলকাতার ওটিটি সিরিজের পাশাপাশি সেখানকার মূলধারার সিনেমাতেও নিয়মিত কাজ করছেন চঞ্চল চৌধুরী। সম্প্রতি তিনি টালিউডের আরও দুটি নতুন চলচ্চিত্রের কাজ শেষ করেছেন। এর মধ্যে একটি হলো ব্রাত্য বসু পরিচালিত ‘শেকড়’, যাতে অভিনয়ের পাশাপাশি দুটি মৌলিক গানে কণ্ঠও দিয়েছেন এই অভিনেতা। অপরটি হলো সুমন মুখোপাধ্যায়ের পরিচালনায় নির্মিত ‘আজাদি’। দুটি সিনেমাই আগামী বছর পর্যায়ক্রমে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

ভারতের কাজের পাশাপাশি দেশের মাটিতেও মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে চঞ্চল অভিনীত নতুন চলচ্চিত্র ‘আন্ধার’। নির্মাতা রায়হান রাফী পরিচালিত এই ভৌতিক ঘরানার বড় বাজেটের সিনেমাটি চলতি দুর্গাপূজার মৌসুমে মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও কারিগরি মান নিখুঁত রাখার স্বার্থে তা পিছিয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী বছরের ২৬ মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবসে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সিনেমাটি।


নির্বাচিত

জেমসের জন্মদিনে হাসান বললেন 'আপনি আমাদের বটবৃক্ষ'

নগরবাউল খ্যাত তারকা জেমস ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাসান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ২ অক্টোবর, ২০২৬ ২২:৩৬
বিনোদন ডেস্ক

শুক্রবার (২ অক্টোবর) নগরবাউল খ্যাত তারকা জেমস ৬৩-তে পা রেখেছেন। তবে সময়ের স্রোতে পাল্টেছে অনেক কিছুই। পাল্টেছে গান শোনার ধরণ, পরিবর্তন হয়েছে প্রজন্মের রুচি, অথচ মঞ্চে দাঁড়িয়ে গিটার হাতে নিলেই যেন সেই চিরচেনা রূপে ফিরে যান। কিন্তু আজকের এই দিনে জেমসের আগমন ঘটলেও তার শ্রোতা-ভক্ত ও সহশিল্পীদের জন্য দিনটি বিশেষ একটি দিন। তাদের সকলের শুভেচ্ছার সাগরে ভাসছেন বাংলা ব্যান্ডের এই পথপ্রদর্শক।

জেমসের জন্মদিনে সংগীত অঙ্গনের সহকর্মীরা ভেসে যাচ্ছেন নস্টালজিয়ায়। তাদের একজন ব্যান্ড ‘আর্ক’-এর প্রধান ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী হাসান। সামাজিক মাধ্যমে অতীতের স্মৃতি বুলিয়ে জেমসকে সংগীত জগতের ‘বটবৃক্ষ’ বলে আখ্যায়িত করলেন।

হাসানের সেই পোস্টে উঠে আসে আবেগঘন বার্তা। নব্বইয়ের দশকের ব্যান্ড তারকাদের এক ফ্রেমে বাঁধানো একটি ছবি, ও জেমস এর সঙ্গে তখনকার সময়ের আলাদা একটি মুহূর্ত প্রকাশ করেন হাসান। সংগীতের সোনালী দিনের কথা প্রকাশ করে হাসান লিখেছেন, ‘আমাদের দেশের ব্যান্ড সংগীতের জীবন্ত কিংবদন্তি এবং আমাদের সবার প্রিয় জেমস ভাইকে ‘আর্ক’ ব্যান্ডের পক্ষ থেকে জন্মদিনের অনেক অনেক শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা। নব্বইয়ের দশকের সেই সোনালী দিনগুলো থেকে শুরু করে আজ পর্যন্ত আপনার সাথে একই মঞ্চে গান গাইতে পারা এবং বাংলা রক সংগীতের এই দীর্ঘ পথচলা ভাগ করে নিতে পারাটা সবসময়ই ভীষণ আনন্দের এবং গর্বের।’

১৯৬৪ সালের ২ অক্টোবর নওগাঁয় জন্মগ্রহণ করেন মাহফুজ আনাম জেমস। শৈশব ও কৈশোর কেটেছে বন্দরনগরী চট্টগ্রামে। পরিবারের ইচ্ছা বা নিয়মের ছক ভেঙে কেবল গানের টানে খুব অল্প বয়সেই ঘর ছাড়েন তিনি। এরপর চট্টগ্রামের‘আজিজ বোর্ডিং’-এর ছোট্ট একটি কক্ষে শুরু হয় তার নিভৃত সাধনা ও রকস্টার হয়ে ওঠার রূপকথা। সেই আজিজ বোর্ডিং থেকে শুরু করে পরবর্তী সময়ে ‘ফিলিংস’ ও ‘নগরবাউল’ ব্যান্ডের হয়ে তিনি বাংলা সংগীতকে দিয়েছেন একের পর এক কালজয়ী গান।

আশির দশকে ‘স্টেশন রোড’ দিয়ে শুরু করে ‘অনন্যা’, ‘জেল থেকে বলছি’, ‘দুঃখিনী দুঃখ করো না’, ‘গুরু ঘর বানাইলা কি দিয়া’, ‘পাগলা হওয়া, কিংবা বলিউডের ‘ভিগি ভিগি’, ‘আলবিদা’ দিয়ে যুগের পর যুগ শ্রোতাদের মন্ত্রমুগ্ধ করে রেখেছেন তিনি। ষাট পেরোনো এই সংগীত তারকা আজও ভক্তদের হৃদয়ে একই অনুভূতি, উন্মাদনার এক অনন্য নাম।


নির্বাচিত

জীবনের নতুন অধ্যায়ে রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও আন্তর্জাতিক উন্নয়নকর্মী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা পেশাগত জীবনে নতুন এক গৌরবময় অধ্যায়ে পা রেখেছেন। আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা ব্র্যাকের সঙ্গে দীর্ঘ দুই দশকের কর্মজীবনের সমাপ্তি টেনে এবার তিনি উচ্চশিক্ষায় বিশ্বের অন্যতম শীর্ষ প্রতিষ্ঠান যুক্তরাষ্ট্রের কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষক হিসেবে যোগদান করেছেন। সম্প্রতি নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক প্রোফাইলে দেওয়া এক দীর্ঘ পোস্টের মাধ্যমে নতুন এই দায়িত্বের সুখবরটি ভক্ত, শুভাকাঙ্ক্ষী ও সহকর্মীদের সঙ্গে ভাগ করে নেন তিনি।

কলম্বিয়া ইউনিভার্সিটির ‘আর্ভিং ইনস্টিটিউট ফর ক্লিনিক্যাল অ্যান্ড ট্রান্সলেশনাল রিসার্চ’-এ ‘অ্যাসোসিয়েট রিসার্চ সায়েন্টিস্ট’ বা সহযোগী গবেষণা বিজ্ঞানী হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে কাজ শুরু করেছেন মিথিলা। প্রতিষ্ঠানটিতে তিনি মূলত নিউইয়র্কে অবস্থিত ‘আর্লি চাইল্ডহুড অ্যান্ড ফ্যামিলি হাব’ প্রকল্পের কাঠামোগত রূপরেখা প্রণয়ন এবং মূল্যায়নে নেতৃত্ব দেবেন। এই বিশেষ প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো প্রারম্ভিক শৈশব বিকাশ, পারিবারিক সম্পৃক্ততা এবং কমিউনিটি স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করা; যেখানে নবজাতক থেকে শুরু করে পাঁচ বছর বয়স পর্যন্ত শিশুদের পরিবারগুলোকে তাদের বেড়ে ওঠার উপযোগী সুযোগ-সুবিধা ও পরিবেশের সঙ্গে যুক্ত করা হয়। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নিজের দীর্ঘদিনের কর্মঅভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে গবেষণার ডেটা ও বাস্তব প্রমাণের মাধ্যমে তিনি এই কার্যক্রমকে সফলভাবে এগিয়ে নিতে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।

উচ্চপর্যায়ের গবেষণাকাজের পাশাপাশি একই সঙ্গে শিক্ষকতা পেশার সঙ্গেও নিজেকে যুক্ত করেছেন মিথিলা। তিনি জানিয়েছেন, সমান্তরালভাবে তিনি ‘সিটি ইউনিভার্সিটি অব নিউইয়র্ক’-এ (সিইউএনওয়াই) ‘অ্যাডজাঙ্কট অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর’ হিসেবে অ্যাকাডেমিক ক্লাস নেওয়া শুরু করেছেন। সেখানে তিনি শিক্ষার্থীদের ‘ননপ্রফিট ম্যানেজমেন্ট’ বা অলাভজনক প্রতিষ্ঠানের ব্যবস্থাপনা বিষয়ে পাঠদান করছেন এবং বাস্তব জগতে আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর মাঠপর্যায়ের কাজের জটিল অভিজ্ঞতা ও ধারণার সঙ্গে শিক্ষার্থীদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন।

পেশাগত জীবনের এই অনন্য অর্জনের মুহূর্তে দীর্ঘদিনের চেনা কর্মস্থল ব্র্যাকের প্রতি গভীর কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন মিথিলা। তিনি উল্লেখ করেন, বিনোদন জগতের বাইরে উন্নয়ন খাতে কাটানো দুই দশকের মধ্যে প্রায় ১৫ বছরই তিনি ‘ব্র্যাক ইন্টারন্যাশনাল’-এর হয়ে বৈশ্বিক পরিমণ্ডলে কাজ করেছেন, যা তাঁকে আজকের অবস্থানে পৌঁছানোর ক্ষেত্রে গড়ে তুলেছে। কলম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো আন্তর্জাতিক গবেষণা অবকাঠামো ও শীর্ষ মেধাবীদের সঙ্গে কাজ করার সুযোগ পেয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে এই নতুন যাত্রায় সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি। আপাতত ক্যামেরার নিয়মিত গ্ল্যামার থেকে খানিকটা দূরে থেকে নিজের মেধা ও অভিজ্ঞতাকে গবেষণার মতো সৃষ্টিশীল কাজেই নিয়োজিত রাখতে চান এই তারকা।


নির্বাচিত

শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘মহব্বত’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খান এবার অ্যাকশন ঘরানার বাইরে এসে আবারও পুরোদস্তুর প্রেমের চলচ্চিত্রে ফিরছেন। তাঁর নতুন এই রোমান্টিক সিনেমার নাম রাখা হয়েছে ‘মহব্বত’। বিগত কয়েক বছরে ‘তুফান’, ‘তাণ্ডব’, ‘বরবাদ’ কিংবা ‘প্রিন্স’-এর মতো চলচ্চিত্রে মারকুটে অ্যাকশন অবতারে দেখা গেছে তাঁকে এবং সর্বশেষ কোরবানির ঈদে ‘রকস্টার’ সিনেমায় একজন রক সংগীতশিল্পীর চরিত্রে অভিনয় করে দর্শকদের মুগ্ধ করেছিলেন তিনি। তবে এবার সেই ধারা বদলে খাঁটি ভালোবাসার গল্পে দর্শকদের সামনে হাজির হতে যাচ্ছেন এই অভিনেতা। বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) সন্ধ্যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলচ্চিত্রটির আনুষ্ঠানিক টাইটেল অ্যানাউন্সমেন্ট পোস্টার প্রকাশ করে এ খবর নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা হিমেল আশরাফ।

‘মহব্বত’ পরিচালনার মাধ্যমে দুই বছরেরও বেশি সময় পর আবারও শাকিব খানের সঙ্গে ক্যামেরার পেছনে জুটি বাঁধছেন নির্মাতা হিমেল আশরাফ। ইতিপূর্বে তাঁদের যৌথ কাজের সিনেমা ‘প্রিয়তমা’ ঢাকাই চলচ্চিত্রে অভাবনীয় ইতিহাস সৃষ্টি করেছিল এবং পরবর্তীতে ‘রাজকুমার’ সিনেমাটিও সাফল্য পেয়েছিল। আগের দুটি সিনেমার মতোই এই নতুন প্রজেক্টটিও প্রযোজনা করছেন প্রযোজক আরশাদ আদনান। ফলে সফল এই অভিনেতা, পরিচালক ও প্রযোজক ত্রয়ীর নতুন সমন্বয়ে নির্মিতব্য এই সিনেমাটিকে ঘিরে সিনেমাপ্রেমীদের মাঝে ইতিমধ্যেই বাড়তি প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।

প্রকাশিত ফার্স্ট লুক পোস্টারে দেখা গেছে, কালো রঙের ওভারকোট পরিহিত এক যুবক হেঁটে যাচ্ছেন এবং এক তরুণী তাঁর হাত ধরে দাঁড়িয়ে আছেন; যার ঠিক ওপরে লাল হরফে ফুটে উঠেছে সিনেমার নাম ‘মহব্বত’। পোস্টারটি শেয়ার করে পরিচালক হিমেল আশরাফ লিখেছেন, কখনো কখনো ভালোবাসার জন্য চরম মূল্য চোকাতে হয়, কখনো এটি কেবলই এক প্রতিজ্ঞা কিংবা দীর্ঘ এক লড়াই; আর সেই প্রেক্ষাপট থেকেই এই নতুন যাত্রার সূচনা। সিনেমায় শাকিব খান মূল নায়ক হিসেবে নিশ্চিত হলেও তাঁর বিপরীতে নায়িকা হিসেবে কে অভিনয় করছেন, সে বিষয়ে গোপনীয়তা বজায় রেখেছে প্রযোজনা দল।

সিনেমার নামকরণের পাশাপাশি এর আনুষ্ঠানিক মুক্তির সময়সীমাও ঘোষণা করা হয়েছে। নির্মাতা সূত্রে নিশ্চিত করা হয়েছে যে আগামী বছরের কোরবানির ঈদে দেশজুড়ে প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পাবে ‘মহব্বত’। বড় উৎসবকে লক্ষ্য করে নির্মিতব্য আবেগঘন এই চলচ্চিত্রটি আগের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে আবারও দর্শকদের হৃদয় জয় করবে বলে আশাবাদী চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্টরা।


নির্বাচিত

১৪ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেল ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

নব্বইয়ের দশকের কালজয়ী চলচ্চিত্র ‘হঠাৎ বৃষ্টি’ মুক্তির দীর্ঘ ২৮ বছর পর নতুন প্রজন্মের সামনে বড় পর্দায় এসেছে এর আধুনিক সংস্করণ ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’। তরুণ নির্মাতা কামরুজ্জামান পরিচালিত এই চলচ্চিত্রটি শুক্রবার (২ অক্টোবর) দেশের অন্তত ১৪টি প্রেক্ষাগৃহে একযোগে মুক্তি পেয়েছে। ১৯৯৮ সালে বাসুদেব চ্যাটার্জির পরিচালনায় বাংলাদেশ ও ভারতের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত মূল সিনেমায় অভিনয় করে খ্যাতি পেয়েছিলেন ফেরদৌস আহমেদ ও প্রিয়াঙ্কা ত্রিবেদী। সেই মিষ্টি প্রেমের মূল গল্পকে অক্ষুণ্ণ রেখে বর্তমান সময়ের প্রেক্ষাপটে সিনেমাটি নতুনভাবে তৈরি করা হয়েছে; যেখানে মূল সিনেমার মতো এবারও কেন্দ্রীয় দুই চরিত্রে অভিষেক ঘটছে নতুন দুই অভিনয়শিল্পী আরিয়ান সারোয়ার ও রাদিফা নারমিনের।

ইমপ্রেস টেলিফিল্ম ও আশীর্বাদ চলচ্চিত্রের যৌথ প্রযোজনায় নির্মিত এই নতুন জুটিকে নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পরিচালক। চলচ্চিত্রটিতে নবীন দুই মুখের পাশাপাশি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন আজাদ আবুল কালাম, ফারজানা ছবি, ক্রিস্টিয়ানো তন্ময়, কায়েস আরজু, মৌ খান এবং ঝুনা চৌধুরীসহ একঝাঁক অভিজ্ঞ অভিনয়শিল্পী। মূল চলচ্চিত্রের তুমুল জনপ্রিয়তার বড় কারণ ছিল নচিকেতা চক্রবর্তীর সুর ও কণ্ঠের গানগুলো। সেই নস্টালজিয়া ধরে রাখতে ‘ছোট ছোট স্বপ্নের নীল মেঘ’, ‘একদিন স্বপ্নের দিন’ কিংবা ‘সোনালি প্রান্তরে’র মতো জনপ্রিয় পুরোনো ছয়টি গানের মধ্য থেকে তিনটি কালজয়ী গানের রিমেক করা হয়েছে এবং এর সঙ্গে সমসাময়িক দর্শকের পছন্দ মিলিয়ে যুক্ত হয়েছে আরও দুটি নতুন মৌলিক গান।

রাজধানী ঢাকা ও এর আশপাশের দর্শকদের জন্য বেশ কয়েকটি আধুনিক সিনেপ্লেক্স ও প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটির প্রদর্শনী শুরু হয়েছে। ঢাকার দর্শকেরা বসুন্ধরা সিটির স্টার সিনেপ্লেক্স, মিরপুরের সনি স্কয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্স, ঐতিহ্যবাহী শ্যামলী সিনেমা হল এবং কেরানীগঞ্জের লায়ন সিনেমাসে চলচ্চিত্রটি উপভোগ করতে পারছেন। এর বাইরে রাজধানীর উপকণ্ঠ কাঁচপুরের চাঁদমহল সিনেমা হল এবং নারায়ণগঞ্জের সীমান্ত টাওয়ারের স্টার সিনেপ্লেক্স ও জনপ্রিয় মিনি মাল্টিপ্লেক্স সিনেস্কোপে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি।

ঢাকার বাইরে দেশের বিভিন্ন বিভাগীয় ও গুরুত্বপূর্ণ জেলা শহরের প্রেক্ষাগৃহগুলোতেও প্রদর্শিত হচ্ছে ‘আবার হঠাৎ বৃষ্টি’। বিভাগীয় পর্যায়ের হলগুলোর মধ্যে রয়েছে চট্টগ্রামের সুগন্ধা সিনেমা হল, সিলেটের গ্র্যান্ড সিলেট মুভি থিয়েটার, খুলনার লিবার্টি এবং যশোরের ঐতিহ্যবাহী মণিহার সিনেমা হল। এ ছাড়া ঢাকার বাইরের দর্শকদের জন্য কুমিল্লার কে স্ক্রিন, কুষ্টিয়ার স্বপ্নীল সিনেমা হল এবং বগুড়ার মমইন প্রেক্ষাগৃহে সিনেমাটির নিয়মিত প্রদর্শনী চলছে।


নির্বাচিত

১৭ বছর পর জুটি বাঁধছেন বিদ্যা ও বাল্কি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

২০০৯ সালের সাড়াজাগানো চলচ্চিত্র ‘পা’ মুক্তির দীর্ঘ ১৭ বছর পর আবারও একসঙ্গে কাজ করতে যাচ্ছেন বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী বিদ্যা বালন এবং খ্যাতনামা নির্মাতা আর বাল্কি। তবে এবার কোনো হিন্দি প্রজেক্টে নয়, সম্পূর্ণ ভিন্ন স্বাদের একটি নতুন তামিল চলচ্চিত্রের মাধ্যমে বড় পর্দায় ফিরছে এই জুটি। সম্প্রতি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে চিত্রনাট্য হাতে দৃশ্যধারণের নেপথ্যের একটি ছবি প্রকাশ করে নতুন এই কাজের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন ৪৭ বছর বয়সী এই অভিনেত্রী।

ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করা ছবিতে বিদ্যাকে চশমা পরা ও পরিপাটি বেণী বাঁধা লুকে গভীর মনোযোগ দিয়ে চিত্রনাট্য পড়তে দেখা গেছে। ছবির ক্যাপশনে বিদ্যা লেখেন, ‘নতুন সূচনা, আর বাল্কির সঙ্গে নতুন তামিল ছবি।’ অভিনেত্রীর এই পোস্টের মাধ্যমে সিনেমাটির শুটিং শুরুর বিষয়ে স্পষ্ট ইঙ্গিত পাওয়া গেলেও এর নাম কিংবা মূল গল্প নিয়ে এখনই কিছু জানাননি নির্মাতারা। উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত ‘পা’ সিনেমায় অমিতাভ বচ্চনের মায়ের চরিত্রে অভিনয় করে সমালোচকদের ব্যাপক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন বিদ্যা। দীর্ঘ দেড় দশকেরও বেশি সময় পর তাঁদের এই নতুন মেলবন্ধন নিয়ে চলচ্চিত্রপ্রেমীদের মাঝে বাড়তি কৌতূহল তৈরি হয়েছে।

চলতি ২০২৬ সালের শেষভাগে বেশ কয়েকটি বিগ বাজেটের বাণিজ্যিক ছবি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন বিদ্যা বালন। তামিল মেগাস্টার রজনীকান্তের বহুল প্রতীক্ষিত ‘জেলার ২’ সিনেমায় ‘কান্থা’ চরিত্রে অভিনয় করছেন তিনি; যেখানে প্রবীণ অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর বড় মেয়ের ভূমিকায় দেখা যাবে তাঁকে। সম্প্রতি চরিত্রটির ফার্স্ট লুক টিজার প্রকাশিত হয়ে দর্শকদের মাঝে বেশ সাড়া ফেলেছে এবং সিনেমাটি আগামী ১৫ অক্টোবর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

এ ছাড়া পরিচালক আনিস বাজমির নাম চূড়ান্ত না হওয়া একটি কমেডি-ড্রামা ছবিতেও অভিনয় করছেন তিনি। চলচ্চিত্রটিতে বলিউড তারকা অক্ষয় কুমার ও অভিনেত্রী রাশি খান্নার সঙ্গে পর্দা ভাগ করবেন বিদ্যা। ইতিমধ্যে ভারতের কেরালায় ছবিটির প্রথম ধাপের শুটিং সফলভাবে শেষ হয়েছে এবং সবকিছু ঠিক থাকলে সিনেমাটি আগামী ৪ ডিসেম্বর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।


নির্বাচিত

হইচইয়ের নতুন সিরিজে তৃণা সাহা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় ভারতীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্ম হইচইয়ের নতুন একটি রহস্য-রোমাঞ্চ ঘরানার ওয়েব সিরিজে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করতে যাচ্ছেন অভিনেত্রী তৃণা সাহা। ‘শলাকা রহস্য’ শিরোনামের এই সিরিজটি পরিচালনা করছেন নির্মাতা অদিতি রায়। সম্প্রতি সিরিজটির আনুষ্ঠানিক ফার্স্টলুক পোস্টার প্রকাশের মাধ্যমে প্রজেক্টটির ঘোষণা দেওয়া হয়। এর আগে হইচইয়ের আলোচিত সিরিজ ‘গভীর জলের মাছ’-এ চার বন্ধুর একজন হিসেবে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন তৃণা। বর্তমানে তিনি স্টার জলসার জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘পরশুরাম’-এ নিয়মিত কাজ করছেন; আর এর মাঝেই নতুন এই ওটিটি কনটেন্টে যুক্ত হওয়ার খবর প্রকাশ্যে এলো।

দর্শক ধরে রাখতে কিছুদিন আগে টেলিভিশন মেগা ধারাবাহিকের আদলে নতুন ফরম্যাটে দীর্ঘস্থায়ী ওয়েব সিরিজ উপহার দেওয়া শুরু করেছে হইচই। সেই ধারাবাহিকতার প্রথম সংযোজন ছিল ‘শাখা প্রশাখা’, যার দ্বিতীয় পর্ব সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে। এ ছাড়া অভিনেত্রী সৌমিতৃষা কুন্ডু অভিনীত একই ঘরানার ‘আতঙ্ক’ সিরিজটিও ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পায় এবং দর্শকেরা এর পরবর্তী পর্বের অপেক্ষায় রয়েছেন। এই সফল ট্রেন্ড ধরে রেখে এবার তৃতীয় টিভি-ধারাবাহিক ধাঁচের ওয়েব সিরিজ হিসেবে ‘শলাকা রহস্য’ নির্মাণের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিল প্ল্যাটফর্মটি।

ইতিমধ্যেই সিরিজটির প্রথম অফিশিয়াল পোস্টার দর্শকদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। পোস্টারে অভিনেত্রী তৃণা সাহাকে এক ঐতিহ্যবাহী রাজবাড়ির নববধূ বা বধূর সাজে বসে থাকতে দেখা গেছে। তাঁর এক হাতে শোভা পাচ্ছে পদ্মফুল এবং অন্য হাতে রয়েছে ছুঁচ-সুতো; তবে তাঁর চোখে-মুখে ফুটে উঠেছে এক অজানা আতঙ্ক ও শঙ্কা। অভিনেত্রীর পেছনের ব্যাকগ্রাউন্ডে বিশালাকার দুর্গা প্রতিমার উপস্থিতি স্পষ্ট করে দেয় যে গল্পটি একটি সম্ভ্রান্ত ও ঐতিহ্যবাহী বনেদি পরিবারের প্রেক্ষাপটে আবর্তিত হয়েছে।

পোস্টারের সঙ্গে প্রকাশিত সংক্ষিপ্ত বিবরণীতেও সিরিজটির রহস্যময় গল্পের কিছুটা আভাস দেওয়া হয়েছে। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে—একটি অচেনা বাড়িতে নতুন এক গৃহবধূর আগমন এবং এরপরই সেখানে একের পর এক ঘটে যাওয়া রহস্যজনক মৃত্যুর ঘটনা। এই রাজবাড়ির লুকিয়ে থাকা অন্ধকার রহস্যের শেষ কোথায় এবং কীভাবে মৃত্যুর এই ফাঁদ থেকে নববধূকে রক্ষা করা যাবে—তা নিয়েই তীব্র মনস্তাত্ত্বিক ও অনুসন্ধানী সাসপেন্স নিয়ে এগিয়ে যাবে পুরো কাহিনি। অদিতি রায়ের দক্ষ পরিচালনায় তৃণা সাহা আবারও দর্শকদের বড় পর্দায় নতুন এক উপভোগ্য থ্রিলার উপহার দেবেন বলে প্রত্যাশা করছেন সিনেমাপ্রেমীরা।


নির্বাচিত

banner close