বৃহস্পতিবার, ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১৪ ফাল্গুন ১৪৩২

বিগ বসে অবাক করা পারিশ্রমিক সালমানের

আপডেটেড
৮ অক্টোবর, ২০২৪ ০০:০৭
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত
বিনোদন ডেস্ক
প্রকাশিত : ৮ অক্টোবর, ২০২৪ ০০:০৬

ভারতের ছোট পর্দার সবচেয়ে জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো হচ্ছে ‘বিগ বস’। আর বিগ বস মানেই বলিউড সুপারস্টার সালমান খান। তাই টিআরপি হাতের মুঠোয় রাখতে কালার্স চ্যানেলের ‘বিগ বস’ও সলমন ছাড়া অসম্পূর্ণ। গত রোববারই টেলিভিশন জগতের অন্যতম জনপ্রিয় শো ‘বিগ বস’-এর ১৮ নম্বর মৌসুমে গ্র্যান্ড প্রিমিয়ার হয়েছে। তার আগে থেকেই অবশ্য এই রিয়েলিটি শো নিয়ে উত্তেজনায় দর্শক। কে কে হবেন বিগ বসের অতিথি, এই নিয়ে প্রতি বছর থাকে নানান জল্পনা-কল্পনা। এবারও তার অন্যথা হয়নি। উন্মাদনার পারদ চড়ছে ক্রমশই।

আর এই সিজনের জন্য নাকি নির্মাতাদের কাছে মোটা পারিশ্রমিক হাঁকিয়েছেন সালমান। এই তারকার পারিশ্রমিক শুনলে হতবাক হতে বাধ্য! অংশীদারী না থাকলে একটা সিনেমা থেকে বলিউডের কোনো তারকা এত মোটা টাকা পারিশ্রমিক পান না। এমনকি গগনচুম্বী বাজেটের সিনেমার সংখ্যাও বলিউডে হাতেগোনা। দক্ষিণী সিনে ইন্ডাস্ট্রিতে তবুও কয়েকটা সিনেমার বাজেট এই অঙ্কে পৌঁছেছে। বলিউড মাধ্যম সূত্রে খবর, ‘বিগ বস ১৮’-এর জন্য প্রতি মাসে ৬০ কোটি টাকা নেবেন সালমান খান। এবার ১৫ সপ্তাহের হিসেব কষে দেখলে এই সিজনে ভাইজানের মোট পারিশ্রমিক গিয়ে দাঁড়ায় ২৫০ কোটি টাকা।

নেটফ্লিক্সের ‘দ্য গ্রেট ইন্ডিয়ান কপিল শর্মা’ সঞ্চালনা করার জন্য কপিল শর্মা ৬০ কোটি টাকা নিয়েছিলেন। অন্যদিকে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’র সঞ্চালনা করার জন্য প্রায় সালমান খানের কাছাকাছি পারিশ্রমিক পান অমিতাভ বচ্চন। এই মৌসুমে ‘বিগ বস’-এর থিম ‘সময়ের তাণ্ডব’। প্রতিযোগীদের মধ্য়ে যারা চূড়ান্ত হয়েছেন, সেই তালিকায় রয়েছেন, ভিভিয়ান দেসনা, ঈষা সিং, করণবীর মেহেরা, নায়রা বন্দ্যোপাধ্যায়, মুসকান বামনে, এলাইস কৌশিক, চাহাত পান্ডে, শিল্পা শিরোদকারসহ অনেকে।

সালমান খান বিগ বস উপস্থাপনা করছেন প্রায় দেড় দশক ধরে। বিভিন্ন কারণে কয়েকটি সিজনে হাজির হতে পারেননি। সেগুলো উপস্থাপনা করেছেন অমিতাভ বচ্চন, আরশাদ ওয়ারসি ও শিল্পা শেঠি। কিন্তু সালমান থাকলে যতটা উন্মাদনা হয় বিগ বস নিয়ে, তারা ততটা আলোড়ন তৈরি করতে পারেননি। ফলে বিগ বস কর্তৃপক্ষ বারবার সালমানের দ্বারস্থ হয়েছে। বেশি পারিশ্রমিক দিয়ে হলেও প্রতিবছর তাকেই নিয়ে এসেছে বিগ বসের ঘরে। বিগ বসের সালমাননির্ভরতার আরেকটি বড় কারণ ছিল সিনেমায় তার সমান্তরাল অবস্থান। প্রতি বছর তুলনামূলক কম সিনেমা করলেও কখনো ম্লান হয়নি তার তারকাখ্যাতি। বিগ বস যখন তিনি শুরু করেন, তখন সিনেমাপ্রতি নিতেন ৫ থেকে ১০ কোটি রুপি। এখন সিনেমায় তার পারিশ্রমিক পৌঁছেছে দেড়শ কোটিতে। তার সঙ্গে মিল রেখে বিগ বসেও তার টাকার অঙ্ক বেড়েছে।

বিষয়:

বিজয়-রাশমিকা মান্দানার আজ বিয়ে, প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছা

আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৩:৪৭
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণ ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম জনপ্রিয় ও চর্চিত জুটি বিজয় দেবরাকোন্ডা এবং রাশমিকা মান্দানা আজ জীবনের নতুন এক অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার রাজস্থানের ঐতিহাসিক শহর উদয়পুরের এক রাজকীয় প্রাসাদে জাঁকজমকপূর্ণ আয়োজনের মধ্য দিয়ে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হচ্ছেন এই দুই তারকা। দীর্ঘদিনের জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে তাঁদের এই পরিণয়কে ঘিরে ভারতজুড়ে ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উন্মাদনা ও উচ্ছ্বাস লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

এই বিশেষ মুহূর্তে নবদম্পতিকে অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে পাঠানো এক বিশেষ বার্তায় তিনি নবদম্পতির সুন্দর ভবিষ্যৎ ও সুখী জীবন কামনা করেছেন। বার্তায় তিনি উল্লেখ করেন, বিজয় ও রাশমিকার এই মিলন যেন তাঁদের জীবনে ভালোবাসার এক নতুন ও সুন্দর সূচনা নিয়ে আসে। পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও দায়িত্ববোধের মধ্য দিয়ে তাঁরা যেন আগামীর পথচলা সফলভাবে এগিয়ে নেন, প্রধানমন্ত্রীর এমন আন্তরিক আশীর্বাদ ও শুভেচ্ছাবার্তাটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর ভক্তদের মাঝে বিয়ের আমেজ আরও বহুগুণ বেড়ে গেছে।

বিয়ের মূল আনুষ্ঠানিকতার আগে অত্যন্ত নান্দনিক ও উৎসবমুখর পরিবেশে এই তারকা জুটির গায়ে হলুদের পর্ব সম্পন্ন হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শেয়ার করা ছবি ও ভিডিওতে দেখা গেছে, খোলা আকাশের নিচে গোলাপ ও গাঁদা ফুলের পাপড়ি দিয়ে সাজানো এক স্বপ্নিল মঞ্চে গায়ে হলুদের অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয়। ঐতিহ্য ও আধুনিকতার মিশেলে তৈরি সেই আয়োজনে হলুদ ও কমলা রঙের প্রাধান্য এবং সোনালি সূর্যাস্তের উষ্ণ আলো এক অপূর্ব দৃশ্যের অবতারণা করেছিল। বিশেষ করে ফুলের নকশায় তৈরি বর-কনের নামফলক এবং নান্দনিক সাজসজ্জা পুরো আয়োজনকে একটি ভিন্ন মাত্রা যোগ করেছে।

এই হাই-প্রোফাইল বিয়েকে ঘিরে উদয়পুরে নেওয়া হয়েছে নজিরবিহীন নিরাপত্তাব্যবস্থা। স্থানীয় প্রশাসনের পাশাপাশি হায়দরাবাদ থেকে আসা বিশেষ নিরাপত্তা দল এবং আন্তর্জাতিক মানের তিন স্তরের সুরক্ষা বলয় তৈরি করা হয়েছে যাতে অনুষ্ঠানটি সম্পূর্ণ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন হয়। আয়োজক সূত্রে জানা গেছে, আমন্ত্রিত অতিথিদের তালিকা অত্যন্ত সীমিত রাখা হয়েছে। শুধুমাত্র দুই পরিবারের ঘনিষ্ঠ সদস্য এবং চলচ্চিত্র জগতের হাতেগোনা কয়েকজন নিকটজনের উপস্থিতিতেই রাজস্থানের এই ঐতিহ্যবাহী প্রাসাদে সম্পন্ন হচ্ছে বিজয় ও রাশমিকার বিয়ের মূল মাহেন্দ্রক্ষণ। সব মিলিয়ে এক রাজকীয় আমেজ আর উৎসবের মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে এই তারকা দম্পতির নতুন পথচলা।


ঈদের দিন থেকে বিশেষ ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’, থাকছে নতুন চরিত্রের চমক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’-এর দর্শকদের জন্য খুশির খবর নিয়ে আসছেন নির্মাতা কাজল আরেফিন অমি। প্রতিবারের মতো এবারও ঈদুল ফিতরকে কেন্দ্র করে সিরিজটির একটি বিশেষ অধ্যায় বা চ্যাপ্টার প্রচারের ঘোষণা দিয়েছেন তিনি। মোট আটটি পর্ব নিয়ে সাজানো এই বিশেষ আয়োজনে থাকছে ঈদের আমেজ ও বড় ধরনের সব চমক। নির্মাতার ভাষ্যমতে, এবারের বিশেষ পর্বে দর্শকদের জন্য বড় একটি সারপ্রাইজের পাশাপাশি নতুন এক চরিত্রের ‘এন্ট্রি’ হতে পারে, যা গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেবে।

পরিচালক কাজল আরেফিন অমি জানিয়েছেন, বিশেষ এই পর্বগুলোর শুটিংয়ের প্রস্তুতি বর্তমানে পুরোদমে চলছে এবং খুব শিগগিরই দৃশ্যধারণের কাজ শুরু হবে। এবারের ঈদের বিশেষ পর্বটির জন্য আলাদা কোনো নামকরণ করা না হলেও পুরো একটি চ্যাপ্টার জুড়েই থাকবে ঈদের আমেজ ও বিশেষ গল্প। তিনি আরও জানান, ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট’ নিয়ে প্রচণ্ড ব্যস্ততার কারণে বর্তমানে অন্য কোনো কাজে সময় দিতে পারছেন না তিনি। এই সিরিজের কাজ পুরোপুরি শেষ করেই তিনি নতুন কোনো প্রজেক্টে হাত দেওয়ার পরিকল্পনা করছেন।

বর্তমানে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ‘বঙ্গ’ এবং ইউটিউবে ‘ব্যাচেলর পয়েন্ট সিজন ৫’-এর সম্প্রচার নিয়মিত চলছে। যেখানে মারজুক রাসেল, জিয়াউল হক পলাশ, চাষী আলম ও তৌসিফ মাহবুবের মতো নিয়মিত মুখগুলোর পাশাপাশি এ সিজনে নতুন করে যুক্ত হয়েছেন অভিনেত্রী অর্চিতা স্পর্শিয়া। ঈদের দিন থেকেই বিশেষ এই পর্বগুলো দর্শকদের বিনোদনের খোরাক জোগাবে বলে আশা করা হচ্ছে। সব মিলিয়ে ব্যাচেলরদের নতুন সব কৌতুক আর ঈদের আনন্দ একসঙ্গে উপভোগ করতে মুখিয়ে আছেন ভক্তরা।


জেন-জি প্রজন্মের জেমস বন্ড কি তবে জ্যাকব এলর্ডি?

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বিশ্বখ্যাত স্পাই ফ্র্যাঞ্চাইজি জেমস বন্ডের পরবর্তী উত্তরসূরি কে হতে যাচ্ছেন—এই রহস্য কয়েক বছর ধরে চলচ্চিত্র প্রেমীদের মাঝে এক বড় কৌতূহল হয়ে রয়েছে। ড্যানিয়েল ক্রেগের বিদায়ের পর বহু তাবড় অভিনেতার নাম শোনা গেলেও এবার কান পাতলে একটি নামই সবচেয়ে জোরালোভাবে শোনা যাচ্ছে; তিনি হলেন ‘ইউফোরিয়া’ ও ‘সল্টবার্ন’ খ্যাত ২৮ বছর বয়সী অস্ট্রেলিয়ান অভিনেতা জ্যাকব এলর্ডি। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম ও গসিপ ওয়েবসাইটগুলোর তথ্য অনুযায়ী, এমজিএম স্টুডিওর পক্ষ থেকে ইতিমধ্যে তাঁকে সরাসরি ‘০০৭’ চরিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। যদি এই জল্পনা সত্যি হয়, তবে জেমস বন্ডের ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা হতে যাচ্ছে।

সিরিজের ২৬তম এই চলচ্চিত্রটি নিয়ে আরও একটি চমকপ্রদ খবর হলো এর সম্ভাব্য পরিচালক। শোনা যাচ্ছে, ‘ডুন’ ও ‘ব্লেড রানার ২০৪৯’-এর মতো সিনেমার প্রখ্যাত নির্মাতা ডেনিস ভিলেনিউভ এবার বন্ডের পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারেন। যদিও স্টুডিওর পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে জ্যাকব এলর্ডির নাম আসার পর ফ্র্যাঞ্চাইজির ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। এলর্ডি যদি এই প্রস্তাব গ্রহণ করেন, তবে তিনি হবেন বন্ডের ইতিহাসের সর্বকনিষ্ঠ অভিনেতা। সাধারণত এই চরিত্রের জন্য বয়স্ক ও ব্রিটিশ অভিনেতাদের প্রাধান্য দেওয়া হলেও, এলর্ডির অন্তর্ভুক্তি ইঙ্গিত দিচ্ছে যে নির্মাতা প্রতিষ্ঠান এবার ‘জেন-জি’ প্রজন্মকে লক্ষ্য করে নতুন ঘরানার এক তরুণ বন্ডকে পর্দায় তুলে ধরতে চায়।

ড্যানিয়েল ক্রেগের পর বন্ডের জুতোয় পা গলানোর দৌড়ে ইদ্রিস এলবা থেকে শুরু করে অ্যারন টেলর-জনসন, টম হল্যান্ড ও হ্যারিস ডিকিনসনের মতো জনপ্রিয় সব নাম আলোচনায় এসেছিল। ইদ্রিস এলবা তালিকার শীর্ষে থাকলেও বর্ণবৈষম্য সংক্রান্ত বিতর্ক ও ব্যক্তিগত অনিচ্ছায় তিনি শেষ পর্যন্ত সরে দাঁড়ান। এরপর আরও অনেকের নাম শোনা গেলেও শেষ পর্যন্ত জ্যাকব এলর্ডির নাম সামনে আসায় সব সমীকরণ বদলে যাওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, এলর্ডির ব্যক্তিত্বে যে আভিজাত্য ও গভীরতা রয়েছে, তা একজন তুখোড় গোয়েন্দা চরিত্রের জন্য অত্যন্ত উপযুক্ত।

সাম্প্রতিক সময়ে ‘প্রিসিলা’ এবং গিলেরমো দেল তোরোর ‘ফ্রাংকেনস্টাইন’-এ এলর্ডির অভিনয় সমালোচকদের মুগ্ধ করেছে। তাঁর চেহারার গাম্ভীর্য ও অভিনয়ের বৈচিত্র্য তাঁকে বন্ড হিসেবে দেখার দাবিকে আরও জোরালো করেছে। এখন দেখার বিষয়, এমজিএম স্টুডিও শেষ পর্যন্ত আনুষ্ঠানিকভাবে এলর্ডির নাম ঘোষণা করে কি না। নতুন প্রজন্মের এই জেমস বন্ড বড় পর্দায় কতটা সফল হন এবং বিশ্বজুড়ে বন্ড প্রেমীদের প্রত্যাশা কতটা পূরণ করতে পারেন, তা জানার জন্য এখন কেবল সময়ের অপেক্ষা।


সাতটি বিশেষ গান নিয়ে ঈদের আয়োজনে ফিরছে ‘ইমরান শো’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে দর্শকদের জন্য বিশেষ চমক নিয়ে আবারও ছোট পর্দায় ফিরছে জনপ্রিয় সংগীতবিষয়ক বিচিত্রানুষ্ঠান ‘ইমরান শো, বকুল ও চন্দনে গানের বন্ধনে’। কণ্ঠশিল্পী ইমরান মাহমুদুল এর উপস্থাপনায় এটি হতে যাচ্ছে অনুষ্ঠানটির তৃতীয় পর্ব। গীতিকার কবির বকুলের লেখা এবং কণ্ঠশিল্পী চন্দন সিনহার গাওয়া জনপ্রিয় সব গানের ডালি নিয়ে সাজানো হয়েছে এবারের আয়োজন। অনুষ্ঠানটি ঈদের তৃতীয় দিন রাত ১০টা ৩০ মিনিটে এটিএন বাংলায় প্রচারিত হবে।

অনুষ্ঠানটির উপস্থাপক ইমরান মাহমুদুলের মতে, আগের দুটি পর্ব থেকে দর্শকদের প্রচুর ভালোবাসা পাওয়ায় তাঁরা এবারও নতুন আঙ্গিকে অনুষ্ঠানটি নিয়ে আসছেন। কবির বকুল ও চন্দন সিনহার সঙ্গে তাঁর কাজের বোঝাপড়া ও রসায়ন চমৎকার হওয়ায় অত্যন্ত সাবলীলভাবেই তিনি এই শোটি পরিচালনা করেছেন। এবারের আয়োজনে আড্ডার আমেজ দিতে অতিথি হিসেবে যোগ দিয়েছেন অভিনেতা মুকিত জাকারিয়া, নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী এবং গীতিকবি লিটন অধিকারী রিন্টু। অতিথিরা কেবল আড্ডায় অংশ নেননি, বরং তাঁদের পছন্দের গানের অনুরোধও জানিয়েছেন, যা শিল্পীরা তাৎক্ষণিকভাবে গেয়ে শুনিয়েছেন।

এবারের অনুষ্ঠানের প্রধান আকর্ষণ হলো সাতটি গান, যার মধ্যে তিনটি একদম নতুন এবং বাকি চারটি জনপ্রিয় পুরোনো গান। পুরোনো গানগুলোর মধ্যে জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত গান ‘আমি নিঃস্ব হয়ে যাব’ গেয়েছেন ইমরান নিজে। কণ্ঠশিল্পী লিজা শুনিয়েছেন ইমরানের সুরে ‘ঠিকানাহীন তোমাকে’। এছাড়া কনা ও চন্দন সিনহা দ্বৈতকণ্ঠে গেয়েছেন ‘প্রেম করব, প্রেমে পড়ব’ এবং দর্শকদের জন্য বিশেষ চমক হিসেবে কবির বকুল নিজে গেয়ে শুনিয়েছেন ‘আমার পরাণ যাহা চায়’ গানটি।

নতুন গানগুলোর মধ্যে চন্দন সিনহা ও আতিয়া আনিসার দ্বৈতকণ্ঠে ‘কসম’ শিরোনামের একটি গান রয়েছে। এছাড়া চন্দন সিনহা একাকী গেয়েছেন ‘প্রার্থনা’ এবং ‘তোমার ইচ্ছে হলে’ শিরোনামের আরও দুটি গান। উল্লেখ্য, ‘তোমার ইচ্ছে হলে’ গানটি দীর্ঘ ১৭ বছর আগে বিটিভির একটি অনুষ্ঠানে গেয়েছিলেন চন্দন সিনহা, যা এবার নতুন সংগীতায়োজনে দর্শকদের সামনে নিয়ে আসা হচ্ছে। কবির বকুলের গ্রন্থনা, পরিকল্পনা ও পরিচালনায় তৈরি এই সংগীতময় আড্ডাটি ঈদের মৌসুমে দর্শকদের বিনোদনের এক অন্যতম অনুষঙ্গ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


‘ধুরন্ধর ২’-এর রহস্যময় ‘বড় সাহেব’ কি ইমরান হাশমি?

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

আদিত্য ধরের আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’-এর দ্বিতীয় পর্ব নিয়ে সিনেপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন জল্পনা। বিশেষ করে প্রথম পর্বে ‘বড় সাহেব’ নামের যে রহস্যময় চরিত্রের ইঙ্গিত দেওয়া হয়েছিল, তার পরিচয় পেতে মুখিয়ে আছেন দর্শকরা। ভারতীয় গণমাধ্যমে জোর গুঞ্জন উঠেছে, এই বহুল প্রতীক্ষিত চরিত্রে বলিউড তারকা ইমরান হাশমিকে দেখা যেতে পারে। যদিও নির্মাতা বা সংশ্লিষ্ট কারও পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসেনি, তবে পর্দার আড়ালের সেই ‘বড় সাহেব’ হিসেবে হাশমির নাম আসায় ভক্তদের মাঝে বাড়তি উত্তেজনা তৈরি হয়েছে।

পরিচালক আদিত্য ধর তাঁর প্রতিটি সিনেমাতেই চমক রাখতে পছন্দ করেন। ‘ধুরন্ধর’-এর প্রথম পর্বে বড় সাহেব চরিত্রটিকে রহস্যের আবরণে ঢেকে রাখা হয়েছিল, যা সিক্যুয়েলের জন্য দর্শকদের কৌতূহল বাড়িয়ে দেয়। যদি গুঞ্জন সত্যি হয়, তবে ইমরান হাশমিকে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী ও প্রভাবশালী চরিত্রে দেখার সুযোগ পাবেন দর্শক। ক্যারিয়ারের এই পর্যায়ে এসে ইমরান হাশমি বেছে বেছে চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করছেন, তাই এই রহস্যময় চরিত্রে তাঁর অন্তর্ভুক্তি সিনেমাটিকে নতুন মাত্রা দেবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

অন্যদিকে, ‘ধুরন্ধর ২’-এ প্রথম পর্বের কেন্দ্রীয় দুই মুখ ভিকি কৌশল ও ইয়ামি গৌতমের ফেরার বিষয়টি প্রায় নিশ্চিত। ভিকি কৌশলকে আবারও তাঁর আইকনিক ‘ভিভান’ চরিত্রে এবং ইয়ামি গৌতমকে ‘পল্লবী’ চরিত্রে দেখা যাবে। অ্যাকশন ও থ্রিলার ঘরানার এই সিনেমাটি বড় পর্দায় দেখার জন্য দর্শকরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন। কাস্টিং নিয়ে নানা জল্পনা চললেও ভক্তদের এখন কেবল অপেক্ষা আনুষ্ঠানিক ঘোষণার, যেখানে নিশ্চিত হওয়া যাবে কে হচ্ছেন শেষ পর্যন্ত সেই কাঙ্ক্ষিত ‘বড় সাহেব’।


পারিবারিক সম্পর্কের গল্পে চরকিতে আসছে নতুন অরিজিনাল ফিল্ম ‘মিউ’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

পারিবারিক বন্ধন, ভালোবাসা, অভিমান আর পোষা প্রাণীর প্রতি নীরব মমতার গল্প নিয়ে ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নতুন অরিজিনাল ফিল্ম ‘মিউ’। একটি মধ্যবিত্ত পরিবারে মানুষের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপড়েন এবং সেখানে একটি বিড়ালের উপস্থিতিকে কেন্দ্র করে আবর্তিত হয়েছে এই সিনেমার কাহিনী। আতিক জামানের পরিচালনায় এই সিনেমাটি আগামী ৪ মার্চ রাত ১২টায় দর্শকদের জন্য উন্মুক্ত করা হবে। নির্মাতা জানিয়েছেন, এটি মূলত একটি পরিবারের গল্প হলেও পোষা প্রাণীর উপস্থিতি এর আবেগকে এক ভিন্ন মাত্রায় নিয়ে গেছে, যা দর্শকদের মনে গভীর এক মানবিক প্রশ্নের জন্ম দেবে।

সিনেমাটিতে একঝাঁক গুণী অভিনয়শিল্পীকে দেখা যাবে, যাদের মধ্যে রয়েছেন আফসানা মিমি, আজিজুল হাকিম, আফজাল হোসেন, সাদিয়া আয়মান ও রাকিব হোসেন ইভন। গল্পে আজিজুল হাকিম ও আফসানা মিমি দম্পতির সন্তান হিসেবে অভিনয় করেছেন সাদিয়া আয়মান ও ইভন। পরিবারের কেন্দ্রবিন্দু বা মায়ের চরিত্রে অভিনয় করা আফসানা মিমি ছবিটিকে বর্ণনা করেছেন একটি ‘রাজনৈতিক চরিত্র’ হিসেবে। তাঁর মতে, পরিবার একটি রাষ্ট্রের মতো যেখানে মা একজন পরিচালকের ভূমিকা পালন করেন; যিনি শাসন ও সোহাগের মধ্য দিয়ে পরিবারকে একসূত্রে গেঁথে রাখেন। অন্যদিকে, বড় ছেলের চরিত্রে অভিনয় করা রাকিব হোসেন ইভন জানিয়েছেন, কোনো বাড়তি রঙ ছাড়া শহুরে নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের দায়িত্ব ও অসহায়ত্বের চিত্র এই গল্পে খুব সুন্দরভাবে ফুটে উঠেছে।

‘মিউ’ সিনেমাটির অন্যতম বিশেষ আকর্ষণ হলো অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানের বাস্তব জীবনের পোষা বিড়াল ‘আলু’। এই বিড়ালটিই সিনেমায় অভিনয় করেছে এবং শুটিং সেটে অত্যন্ত পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়েছে। সাদিয়া আয়মান আবেগাপ্লুত হয়ে জানান, ছোটবেলায় তাঁর একটি প্রিয় বিড়াল ছিল যার নাম ছিল ‘মিউ’, কিন্তু একসময় সেটি হারিয়ে যায়। কাকতালীয়ভাবে সিনেমার গল্প এবং নাম তাঁর বাস্তব জীবনের সেই স্মৃতির সঙ্গে মিলে গেছে। তিনি বিশ্বাস করেন, পোষা প্রাণীর সঙ্গে মানুষের যে গভীর আত্মিক সম্পর্ক, তা এই সিনেমার মাধ্যমে দর্শকদের নতুন করে ভাবাবে।

সিনেমাটির মূল কাহিনী লিখেছেন মো. আলম ভূঁইয়া এবং চিত্রনাট্য ও সংলাপ তৈরি করেছেন পরিচালক ও গল্পকার দুজনে মিলে। পরিচালক আতিক জামানের আশা, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে তৈরি করা এই পারিবারিক ও মানবিক গল্পটি সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক অনুভূতির সঙ্গে মিলে যাবে। একটি পরিবারের ভাঙাগড়া আর নতুন উপলব্ধির মিশেলে তৈরি ‘মিউ’ দর্শকদের হৃদয়ে বিশেষ জায়গা করে নেবে বলেই প্রত্যাশা করা হচ্ছে।


একই দিনে দেশের সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাচ্ছে ‘স্ক্রিম ৭’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের জনপ্রিয় স্ল্যাশার ফ্র্যাঞ্চাইজি ‘স্ক্রিম’-এর ভক্তদের জন্য সুখবর নিয়ে আসছে এর সপ্তম কিস্তি। আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি বিশ্বজুড়ে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল প্রতীক্ষিত ছবি ‘স্ক্রিম ৭’। বিশ্বমুক্তির সাথে তাল মিলিয়ে একই দিনে বাংলাদেশের স্টার সিনেপ্লেক্সেও দর্শকরা ছবিটি দেখার সুযোগ পাবেন। ১৯৯৬ সালে শুরু হওয়া এই সিরিজটি গত কয়েক দশকে হরর-থ্রিলার ঘরানার এক আইকনিক নাম হিসেবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ‘স্ক্রিম ৬’-এর অভাবনীয় সাফল্যের তিন বছর পর এই নতুন কিস্তিটি দর্শকদের মাঝে নতুন করে আতঙ্ক ও রহস্যের রোমাঞ্চ ছড়াতে আসছে।

এবারের কিস্তিটির বিশেষত্ব হলো এর পরিচালনা। সিরিজের মূল স্রষ্টা কেভিন উইলিয়ামসন নিজেই প্রথমবারের মতো পুরো সিনেমাটি পরিচালনার দায়িত্ব পালন করেছেন। ছবির অভিনয়শিল্পী তালিকায় রয়েছেন নেভ ক্যাম্পবেল, জেসমিন স্যাভয় ব্রাউন, ম্যাসন গুডিং, ডেভিড আর্কেট, ম্যাথিউ লিলার্ড এবং কোর্টেনি কক্সের মতো পরিচিত মুখেরা। কাস্টিং ও পরিচালনায় নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে ২০২৫ সালের জানুয়ারিতে শুরু হওয়া এই ছবির চিত্রগ্রহণ শেষ হয় মার্চে।

ছবির গল্পে দেখা যাবে, কেন্দ্রীয় চরিত্র সিডনি প্রেসকট ইন্ডিয়ানার শান্ত শহর পাইন গ্রোভে তাঁর নতুন জীবন গুছিয়ে নিয়েছেন। তবে সেই শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হয় না যখন এক নতুন ‘ঘোস্টফেস কিলার’ তাঁর মেয়ে ট্যাটুমকে টার্গেট করে। নিজের পরিবারকে রক্ষা করতে সিডনিকে আবারও তাঁর সেই ভয়াবহ অতীতের মুখোমুখি হতে হয়। হরর ও রহস্যের মিশেলে তৈরি এই কাহিনী দর্শকদের সিটের কিনারায় বসিয়ে রাখবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, বক্স অফিসে অত্যন্ত শক্তিশালী অবস্থান তৈরি করতে পারে ‘স্ক্রিম ৭’, যা এই সিরিজের সাফল্যের ধারাকে আরও এগিয়ে নেবে। অনেক ভক্ত মনে করছেন এটিই হতে পারে এই ফ্র্যাঞ্চাইজির শেষ অধ্যায়। তবে ছবির ব্যবসায়িক সাফল্য যদি প্রত্যাশা ছাড়িয়ে যায়, তবে ভবিষ্যতে নতুন কোনো কিস্তি আসার সম্ভাবনাও নাকচ করে দিচ্ছেন না সংশ্লিষ্টরা। সব মিলিয়ে ২৭ ফেব্রুয়ারি থেকে বাংলাদেশের দর্শকরা বড় পর্দায় এই নতুন রোমাঞ্চ উপভোগ করতে পারবেন।


পর্দায় আসছে কিংবদন্তি রাহুল দেববর্মনের জীবনী, পরিচালনায় নীরাজ পাণ্ডে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডে বছরজুড়ে অসংখ্য বায়োপিক বা জীবনীভিত্তিক সিনেমা মুক্তি পেলেও সেখানে সাধারণত ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব, যোদ্ধা, খেলোয়াড় কিংবা অপরাধীদের জীবনের গল্পই বেশি প্রাধান্য পায়। সেই তুলনায় সংগীতশিল্পীদের নিয়ে সেখানে কাজের সংখ্যা খুবই কম। কয়েক বছর ধরে নির্মাতা অনুরাগ বসু কিশোর কুমারের বায়োপিক নির্মাণের চেষ্টা করছেন, যেখানে আমির খানের থাকার কথা শোনা গেলেও এখন পর্যন্ত তার কোনো উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি নেই। এর মাঝেই ভারতীয় সংগীতের আরেক কিংবদন্তির জীবনী রুপালি পর্দায় তুলে আনার খবর মিলল। এবার তৈরি হতে যাচ্ছে উপমহাদেশের প্রখ্যাত সংগীত পরিচালক রাহুল দেববর্মনের বায়োপিক।

সর্বস্তরের মানুষের কাছে ‘আর ডি বর্মন’ নামেই বেশি পরিচিত এই সংগীত নক্ষত্রের জীবনের গল্প পর্দায় তুলে আনার উদ্যোগ নিয়েছেন জনপ্রিয় পরিচালক নীরাজ পাণ্ডে। এর আগে ভারতের বিশ্বকাপজয়ী অধিনায়ক মহেন্দ্র সিং ধোনির বায়োপিক ‘এম এস ধোনি: দ্য আনটোল্ড স্টোরি’ নির্মাণ করে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছিলেন তিনি। ভ্যারাইটি ইন্ডিয়ার প্রতিবেদন অনুযায়ী, ইতোমধ্যে আর ডি বর্মনের বায়োপিকের চিত্রনাট্য লেখার কাজ পুরোপুরি শেষ করেছেন নীরাজ। এমনকি শুটিংয়ের জন্য স্কটল্যান্ড ও বুদাপেস্টের বিভিন্ন লোকেশনও চূড়ান্ত করা হয়েছে। এতে ধারণা করা হচ্ছে, ভারতে আর ডি বর্মনের বর্ণিল ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ওই দেশগুলোতে তার বিভিন্ন সংগীত সফরের ঘটনাগুলোও সিনেমায় স্থান পাবে। তবে পর্দায় এই কিংবদন্তির চরিত্রে কে অভিনয় করবেন, তা এখনও নিশ্চিত করা হয়নি। জানা গেছে, বলিউডের প্রথম সারির কোনো অভিনেতাকে এই চরিত্রে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে নির্মাতাদের। সেই অভিনেতার শিডিউল পাওয়ার পরই সিনেমার শুটিংয়ের দিনক্ষণ চূড়ান্ত করা হবে।

উপমহাদেশের প্রখ্যাত গায়ক ও সংগীত পরিচালক শচীন দেববর্মনের একমাত্র সন্তান রাহুল দেববর্মনের জন্ম ১৯৩৯ সালের ২৭ জুন, কলকাতায়। ১৯৬১ সালে অভিনেতা মেহমুদ প্রযোজিত ‘ছোটে নবাব’ সিনেমার মধ্য দিয়ে সংগীত পরিচালক হিসেবে তার বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের সূচনা হয়। এরপর তিনি ‘আজা আজা’, ‘এ চতুর নার’, ‘চুরা লিয়া’, ‘দম মারো দম’, ‘বাঁচনা অ্যায় হাসিনো’, ‘ও হাসিনা জুলফোওয়ালি’, ‘ইয়ে দোস্তি’, ‘ভিগি ভিগি রাতো মে’-এর মতো অসংখ্য কালজয়ী ও জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে তিনি প্রায় সাড়ে তিনশো সিনেমার সংগীত পরিচালনা করেছেন, যার মধ্যে অনেক জনপ্রিয় বাংলা গানও রয়েছে। ভারতীয় সংগীতে নতুন ধারার সুর ও বৈচিত্র্য এনে দেওয়া এই গুণী ব্যক্তিত্বের বায়োপিক নির্মাণের খবরে স্বাভাবিকভাবেই উচ্ছ্বাস প্রকাশ করেছেন অগণিত ভক্ত ও সংগীতপ্রেমীরা।


বিদায় নিলেন ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’ খ্যাত অভিনেতা রবার্ট ক্যারাডাইন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

হলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রবার্ট ক্যারাডাইন আর নেই। ‘রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস’ চলচ্চিত্রে লুইস স্কোলনিক এবং ডিজনি চ্যানেল সিরিজ ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’-এ স্যাম ম্যাকগুয়ার অর্থাৎ লিজির বাবার চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি বিশ্বজুড়ে অগণিত ভক্তের হৃদয় জয় করেছিলেন। ৭১ বছর বয়সে তিনি শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। তাঁর এই আকস্মিক বিদায়ে পুরো হলিউড এবং তাঁর বিশ্বব্যাপী অনুরাগীদের মাঝে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। সিএনএন-এর এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

রবার্টের পরিবারের পক্ষ থেকে দেওয়া এক আবেগঘন শোকবার্তায় জানানো হয়, তাঁরা একজন প্রিয় বাবা, দাদা ও ভাইকে হারিয়ে গভীরভাবে শোকাহত। বিবৃতিতে প্রকাশ করা হয় যে, দীর্ঘ প্রায় দুই দশক ধরে এই গুণী অভিনেতা বাইপোলার ডিসঅর্ডারের মতো জটিল মানসিক রোগের সঙ্গে লড়াই করছিলেন। পরিবারের মতে, তাঁর এই দীর্ঘ লড়াইয়ের কথা প্রকাশ্যে আনার মূল উদ্দেশ্য ছিল মানসিক স্বাস্থ্য নিয়ে সমাজে সচেতনতা তৈরি করা এবং মানুষকে মানসিক রোগ সম্পর্কে আরও সংবেদনশীল হতে উৎসাহিত করা।

অভিনেতার ভাই এবং হলিউডের আরেক পরিচিত মুখ কিথ ক্যারাডাইন তাঁর ভাইয়ের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে বলেন, রবার্ট ছিলেন অত্যন্ত মেধাবী ও সৃজনশীল একজন মানুষ। মানসিক অসুস্থতার কথা লুকিয়ে না রেখে বরং এর বিরুদ্ধে লড়াই করার মধ্যেই বীরত্ব রয়েছে বলে তিনি মন্তব্য করেন। এটি একটি বাস্তব রোগ, যা শেষ পর্যন্ত রবার্টকে হার মানিয়েছে। ১৯৫৪ সালে হলিউডের অন্যতম বিখ্যাত ক্যারাডাইন পরিবারে জন্মগ্রহণ করা রবার্ট ছিলেন কিংবদন্তি অভিনেতা জন ক্যারাডাইন-এর কনিষ্ঠ পুত্র। ১৯৭২ সালে কালজয়ী অভিনেতা জন ওয়েন-এর সঙ্গে ‘দ্য কাউবয়েজ’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় তাঁর অভিষেক ঘটেছিল।

আশির দশকে ‘রিভেঞ্জ অব দ্য নার্ডস’-এ অনবদ্য অভিনয়ের মাধ্যমে রবার্ট ক্যারাডাইন প্রথমবারের মতো বড় তারকাখ্যাতি অর্জন করেন। পরবর্তীতে ২০০০-এর দশকে ডিজনির সুপারহিট ‘লিজি ম্যাকগুয়ার’ সিরিজে হিলারি ডাফ-এর বাবার চরিত্রে অভিনয় করে তিনি নতুন প্রজন্মের কাছেও সমান জনপ্রিয় হয়ে ওঠেন। তাঁর মৃত্যুতে হিলারি ডাফ সামাজিক মাধ্যমে এক আবেগঘন বার্তায় জানান, পুরোনো বন্ধুর এই অকাল বিদায় মেনে নেওয়া তাঁর জন্য খুবই কঠিন। সিরিজের আরেক সহঅভিনেতা জেক থমাস তাঁকে স্মরণ করে বলেন, রবার্ট ছিলেন একজন মজাদার, কিছুটা অদ্ভুত অথচ দারুণ মনের অধিকারী মানুষ। রবার্টের মেয়ে এভার ক্যারাডাইন-ও সামাজিক মাধ্যমে বাবার সঙ্গে কাটানো অমূল্য স্মৃতিচারণ করে তাঁকে শেষ বিদায় জানিয়েছেন।


বিরতি শেষে এক ফ্রেমে অমিতাভ ও কমল হাসান, শুরু হলো ‘কল্কি টু’ এর শুটিং

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

ভারতীয় চলচ্চিত্রের অন্যতম বৃহৎ ও আলোচিত সাই-ফাই সিনেমা ‘কল্কি ২৮৯৮ এডি’র সিক্যুয়েল ‘কল্কি টু’র শুটিং আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়েছে। এই সুসংবাদটি নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে জানিয়েছেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। তিনি শুটিং সেটের কিছু বিহাইন্ড দ্য সিন ছবি শেয়ার করেছেন, যেখানে তাঁকে দক্ষিণী কিংবদন্তি কমল হাসানের সঙ্গে দেখা গেছে। দুই মহারথীর এই একত্র হওয়া ভক্তদের মধ্যে ব্যাপক উচ্ছ্বাস তৈরি করেছে।

অমিতাভ বচ্চন তাঁর ইনস্টাগ্রাম পোস্টে উল্লেখ করেন যে দীর্ঘ প্রায় চার দশক পর তিনি আবারও কমল হাসানের সঙ্গে পর্দা ভাগ করে নিতে যাচ্ছেন। এই দুই তারকাকে সর্বশেষ ১৯৮৫ সালে ‘গ্রেফতার’ সিনেমায় একসাথে দেখা গিয়েছিল। নিজের ব্যক্তিগত ব্লগে বিগ বি জানান, শুটিংয়ের জন্য তিনি বর্তমানে হায়দ্রাবাদে অবস্থান করছেন এবং প্রথম কিস্তির মতো ‘কল্কি টু’-তেও তিনি শক্তিশালী ‘অশ্বত্থামা’ চরিত্রে অভিনয় করবেন। তাঁর এই প্রত্যাবর্তন সিনেমাটির প্রতি দর্শকদের প্রত্যাশা বহুগুণ বাড়িয়ে দিয়েছে।

প্রথম কিস্তি মুক্তির পর থেকেই ‘কল্কি’র সিক্যুয়েল নিয়ে দর্শকদের মাঝে তুমুল আগ্রহ ছিল। তবে শুটিং শুরুর আগেই সিনেমাটি একটি বড় ধাক্কা খায়। প্রথম কিস্তিতে গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে থাকা বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা পাড়ুকোন হঠাৎ করেই প্রজেক্ট থেকে সরে দাঁড়ান। জানা গেছে, প্রায় ২০ দিনের শুটিং শেষ করার পর পারিশ্রমিক সংক্রান্ত মতবিরোধের জেরে তিনি এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। তাঁর এই প্রস্থান নিয়ে বিনোদন জগতে নানা চর্চা চলছে।

নাগ অশ্বিন পরিচালিত এই বিশাল বাজেটের সাই-ফাই মহাকাব্যে অমিতাভ বচ্চন ও কমল হাসানের পাশাপাশি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করছেন সুপারস্টার প্রভাস ও দিশা পাটানি। হিন্দু পুরাণ থেকে অনুপ্রাণিত এই গল্পটি মূলত ‘কল্কি সিনেম্যাটিক ইউনিভার্স’-এর অংশ হিসেবে তৈরি হচ্ছে। পোস্ট-অ্যাপোক্যালিপটিক বা ধ্বংস পরবর্তী এক পৃথিবীর প্রেক্ষাপটে একদল মানুষের লড়াইয়ের গল্প এতে ফুটে উঠেছে, যারা বিষ্ণুর দশম অবতার কল্কির জননীকে রক্ষা করতে বদ্ধপরিকর। ‘কল্কি টু’ এর দৃশ্যধারণ শুরুর এই খবর দর্শকদের মনে নতুন করে শিহরণ জাগিয়েছে।


ভূতুড়ে অবতারে হুঁশিয়ারি দিলেন অক্ষয় কুমার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বলিউডের কমেডি ঘরানার সিনেমার ইতিহাসে অক্ষয় কুমার ও পরিচালক প্রিয়দর্শন জুটি এক অনন্য নাম। ‘হেরা ফেরি’, ‘ভুলভুলাইয়া’ কিংবা ‘ভাগম ভাগ’-এর মতো কালজয়ী সব ব্লকবাস্টার উপহার দেওয়া এই জুটি দীর্ঘ ১৪ বছরের বিরতি ভেঙে আবারও এক হতে চলেছেন। তাদের আসন্ন সিনেমা ‘ভূত বাংলো’ নিয়ে ইতিমধ্যেই দর্শকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ তৈরি হয়েছে, যার পারদ আরও চড়ল সম্প্রতি প্রকাশিত অক্ষয়ের নতুন লুক ও মোশন পোস্টারের মাধ্যমে। হরর-কমেডি ঘরানার এই সিনেমায় অক্ষয় কুমারকে এক রহস্যময় ও হুঁশিয়ারি দেওয়া ভঙ্গিমায় দেখা গেছে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শেয়ার করা সিনেমাটির মোশন পোস্টারে অক্ষয় কুমারকে এক অদ্ভুত ও ভূতুড়ে অবতারে উপস্থাপন করা হয়েছে। আলো-আঁধারির গা ছমছমে পরিবেশে একটি রাজকীয় সিংহাসনে বসে আছেন বলিউড ‘খিলাড়ি’। তাঁর হাতে ও গলায় জড়ানো রুদ্রাক্ষের মালা, চোখে কালো সানগ্লাস এবং চারপাশে ঘিরে আছে কয়েকটি বীভৎস ও ভয়ংকর মুখাবয়ব। পোস্টারটি শেয়ার করে অক্ষয় ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘দশজনকে পাল্লা দেব। সবটাই শুধু সময়ের অপেক্ষা।’ তাঁর এই হুঁশিয়ারি এবং ভিন্নধর্মী লুক ভক্তদের মাঝে নতুন করে উন্মাদনার সৃষ্টি করেছে, যা আবারও ‘ভুলভুলাইয়া’র স্মৃতি মনে করিয়ে দিচ্ছে।

সিনেমাটির মুক্তির তারিখ নিয়েও এসেছে নতুন ঘোষণা। শুরুতে ভারতীয় গণমাধ্যমে আগামী ১৫ মে মুক্তির কথা বলা হলেও, নির্মাতারা পরিকল্পনায় পরিবর্তন এনেছেন। নতুন ঘোষণা অনুযায়ী, আগামী ১০ এপ্রিল বড় পর্দায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহু প্রতীক্ষিত এই সিনেমাটি। ইতোমধ্যে রাজস্থানের জয়পুরের বিভিন্ন মনোরম ও ঐতিহাসিক লোকেশনে সিনেমাটির দৃশ্যধারণের কাজ পুরোদমে চলছে।

‘ভূত বাংলো’ সিনেমায় কেবল অক্ষয়-প্রিয়দর্শন জুটিই নয়, কাস্টিংয়েও রয়েছে বড় চমক। এই সিনেমার মাধ্যমে দীর্ঘ ২৫ বছর পর আবারও পর্দায় জুটি বাঁধতে যাচ্ছেন অক্ষয় কুমার ও শক্তিমান অভিনেত্রী তব্বু। এছাড়া সিনেমাটিতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও বৈচিত্র্যময় একটি চরিত্রে দেখা যাবে জনপ্রিয় অভিনেতা যিশু সেনগুপ্তকে। তারকাদের এই মিলনমেলা এবং প্রিয়দর্শনের নির্মাণের মুন্সিয়ানা মিলিয়ে সিনেমাটি বক্স অফিসে আবারও হাসির তুফান তুলবে বলে আশা করছেন চলচ্চিত্র বিশ্লেষকরা।


রাজকীয় আয়োজনে বিয়ের পিঁড়িতে বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

দক্ষিণ ভারতীয় সিনেমার দুই জনপ্রিয় মেগাস্টার বিজয় দেবেরাকোন্ডা ও রাশমিকা মান্দানাকে নিয়ে দীর্ঘদিনের জল্পনা অবশেষে বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে। আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি ভারতের রাজস্থানের উদয়পুরে এই তারকা জুটির বিয়ের রাজকীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে। তাঁদের এই বৈবাহিক যাত্রার সংবাদটি বিনোদন জগতে এক ব্যাপক উদ্দীপনা ও খুশির আমেজ তৈরি করেছে। সিনেমার পর্দার সফল রসায়ন এখন বাস্তব জীবনেও এক পরিণতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে।

উদয়পুরের অত্যন্ত বিলাসবহুল ও রাজকীয় ‘মেমেন্টোস বাই আইটিসি হোটেল’-এ এই জমকালো বিয়ের আসর বসতে যাচ্ছে। বিয়ের মূল লগ্ন ঘিরে মোট তিন দিনব্যাপী এক বিশেষ উৎসবের পরিকল্পনা করা হয়েছে। রাজকীয় আভিজাত্য এবং ঐতিহ্যের সংমিশ্রণে সাজানো এই হোটেলে দুই পরিবারের সদস্য ও অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ কিছু বন্ধুবান্ধবদের উপস্থিতিতে তাঁরা বৈবাহিক জীবন শুরু করবেন। ইতোমধ্যে উদয়পুরের ওই হোটেলে কড়া নিরাপত্তা ও অনুষ্ঠানের গোপনীয়তা রক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় সব প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।

বিজয় ও রাশমিকার প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে গত কয়েক বছর ধরে সিনেমাপাড়ায় নানা গুঞ্জন থাকলেও তাঁরা সবসময় বিষয়টি এড়িয়ে গেছেন। বিভিন্ন সময় তাঁদের একসাথে ছুটি কাটাতে কিংবা পারিবারিক অনুষ্ঠানে দেখা গেলেও সম্পর্কের বিষয়ে কখনো কোনো স্পষ্ট মন্তব্য আসেনি। তবে ২৬ ফেব্রুয়ারির এই বিশেষ আয়োজনের মাধ্যমে সব লুকোচুরি ও জল্পনার আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটতে যাচ্ছে। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই বিয়ের অনুষ্ঠানে দুই দক্ষিণী তারকার পাশাপাশি ভারতীয় চলচ্চিত্রের একঝাঁক শীর্ষস্থানীয় তারকা উপস্থিত থাকবেন।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই প্রিয় জুটির বিয়ের খবরে তাঁদের কোটি কোটি ভক্তের মাঝে আনন্দের জোয়ার বইছে। ভক্তরা এই নতুন দম্পতির সুখী ও সুন্দর জীবনের জন্য নিরন্তর শুভকামনা জানাচ্ছেন। অর্জুন রেড্ডি খ্যাত বিজয় এবং ন্যাশনাল ক্রাশ রাশমিকা—উভয়ের ক্যারিয়ারই এখন তুঙ্গে। এমন এক সময়ে তাঁদের ব্যক্তিগত জীবনের এই বড় সিদ্ধান্তটি ভারতীয় শোবিজ জগতের ইতিহাসের অন্যতম আলোচিত ঘটনা হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। রাজকীয় পরিবেশের মাঝে দুই হৃদয়ের এই মহামিলন দেখার অপেক্ষায় প্রহর গুনছেন সারা বিশ্বের অনুরাগীরা।


ভ্যাম্পায়ার সিরিজে সিফাত নুসরাত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিনোদন ডেস্ক

বাংলাদেশের মিডিয়া ইন্ডাস্ট্রির ৫৫ বছরের দীর্ঘ পথচলায় এবার যুক্ত হতে যাচ্ছে এক সম্পূর্ণ নতুন মাত্রা। হলিউড বা বলিউডের পর্দায় ভ্যাম্পায়ার কিংবা ওয়্যারউলফদের রোমাঞ্চকর গল্প দেখা গেলেও, এবার দেশীয় প্রেক্ষাপটে সেই অতিপ্রাকৃত স্বাদ নিয়ে আসছেন অভিনেত্রী ও তরুণ উদ্যোক্তা সিফাত নুসরাত। তার নিজের লেখা অপ্রকাশিত উপন্যাস ‘দ্য রেড মুন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ১০ পর্বের একটি মেগা সিরিজ। এই সিরিজের মাধ্যমে বাংলাদেশের ‘জেন-জি’ প্রজন্মের প্রথম লেখক হিসেবে বই প্রকাশের আগেই পাণ্ডুলিপি বিক্রির এক অনন্য রেকর্ড গড়লেন তিনি। ‘রেড প্রোডাকশনস’-এর ব্যানারে নির্মিতব্য এই প্রজেক্টটি দেশের বিনোদন অঙ্গনে এক বড় ধরনের পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে।

সিরিজটির সবচেয়ে বড় আকর্ষণ এর অভিনয়শিল্পীদের বৈচিত্র্যময় চরিত্র। এতে প্রধান নারী চরিত্রে অর্থাৎ ভ্যাম্পায়ার হিসেবে পর্দায় হাজির হবেন সিফাত নুসরাত। তার বিপরীতে প্রথমবারের মতো নেকড়ে মানব বা ‘ওয়্যারউলফ’ চরিত্রে দেখা যাবে শক্তিমান অভিনেতা শ্যামল মাওলাকে। অতিপ্রাকৃত এই আবহে সাধারণ মানুষের সংঘাত ও আবেগ ফুটিয়ে তুলতে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি। নির্মাতা ও কলাকুশলীরা একে আন্তর্জাতিক মানের একটি সুপারন্যাচারাল প্রজেক্ট হিসেবে দাবি করছেন।

নির্মাণ প্রক্রিয়া সম্পর্কে সিফাত নুসরাত জানান, ২০২৫ সাল থেকেই এই বড় আয়োজনের কাজ শুরু হয়েছে। সিজন ওয়ানের ১০টি পর্বের মধ্যে এরই মধ্যে ৭টির কাজ পুরোপুরি শেষ হয়েছে এবং বাকি ৩টি পর্বের দৃশ্যধারণ বর্তমানে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। এমনকি সম্পন্ন হওয়া পর্বগুলোর ডাবিং কার্যক্রমও শেষ। একটি নিখুঁত কাজ উপহার দেওয়ার লক্ষ্যেই তিনি দীর্ঘ সময় মিডিয়া এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে এক প্রকার বিচ্ছিন্ন ছিলেন। কাজটির শৈল্পিক মান বজায় রাখতে তিনি গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে তাঁর সাময়িক নিরবতার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এমন ভিন্নধর্মী গল্পের উপস্থাপনা দর্শকদের মধ্যে ব্যাপক কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। অতিপ্রাকৃত রহস্য, রোমাঞ্চ ও আধুনিক জীবনের মিশেলে তৈরি এই সিরিজটি অতি দ্রুতই কোনো শীর্ষস্থানীয় ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে। সিফাত নুসরাত মনে করেন, দেশীয় নির্মাতারাও এখন আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন ফ্যান্টাসি ও সুপারন্যাচারাল কনটেন্ট তৈরি করতে সক্ষম এবং ‘দ্য রেড মুন’ তার সার্থকতা প্রমাণ করবে। সব মিলিয়ে বড় বাজেটের এই সিরিজটি ঢালিউডের গতানুগতিক ধারায় এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করছেন।


banner close