শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
৭ ভাদ্র ১৪৩৩

আলোচনায় না আসা ভয়ংকর নেক্রোফিলিয়া!

নেক্রোফাইলরা মৃতদেহের সঙ্গে যৌন আচরণ করে। প্রতীকী ছবি
আপডেটেড
২৭ মে, ২০২৩ ০৯:২৬
জাকিয়া আহমেদ
প্রকাশিত
জাকিয়া আহমেদ
প্রকাশিত : ২৭ মে, ২০২৩ ০৯:২৬

২০২০ সাল। বিশ্বকে এক নতুন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি করে সে বছর করোনার প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। করোনা টেস্টে পজিটিভ-নেগেটিভ, আইসোলেশন, কোয়ারেন্টিন, লকডাউন, হাসপাতালে বেড না পাওয়া, আইসিইউর জন্য হাহাকার-এসব কিছু নিয়ে মানুষের ভয়ংকর সব নতুন অভিজ্ঞতার সঙ্গে সঙ্গে দেশের মানুষ আরও এক ভয়ংকর খবরের মুখোমুখি হয়।

সে বছরের নভেম্বরে ঢাকার সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্তকে গ্রেপ্তার করে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ-সিআইডি। তার আগে হাসপাতালের মর্গে ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীদের পাঁচটি মরদেহ আসে। সেগুলো ছিল আত্মহত্যা। কিন্তু লাশগুলোর সুরতহাল প্রতিবেদনে না ছিল আঘাতের চিহ্ন, না ছিল ধর্ষণের আলামত। অথচ সিআইডির ল্যাবরেটরিতে চিকিৎসকের পাঠানো প্রতিটি মরদেহের ‘হাই ভেজাইনাল সোয়াবে (এইচভিএস)’ পাওয়া যায় একই পুরুষের শুক্রাণুর উপস্থিতি। সিআইডির ডিএনএ ল্যাবে পাঠানো এইচভিএসেও পাওয়া যায় একই ব্যক্তির শুক্রাণুর উপস্থিতি।

সাধারণত ময়নাতদন্তের জন্য রাতে কোনো মরদেহ মর্গে গেলে ময়নাতদন্ত হয় তার পরদিন। সিআইডির ডিএনএ প্রতিবেদন পাওয়ার পর তদন্তে নামে তারা। কর্মকর্তারা এ সময় জানতে পারেন পরের দিনের জন্য যখন লাশঘরে মরদেহ রাখা হয়, তখন সে লাশঘরের নিরাপত্তায় পাহারায় থাকতেন ডোমের সহযোগী মুন্না ভক্ত। নিরাপত্তায় থাকা ২০ বছরের এই মুন্নাই রাতেরবেলায় মর্গে মরদেহের সঙ্গে যৌনসংসর্গে যেতেন।

হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, হাসপাতালের ডোম যতন কুমারের ভাগনে মুন্না। এই সুবাদেই হাসপাতালের বেতনভুক্ত কর্মচারী না হওয়া সত্ত্বেও মর্গের চাবি তার কাছে থাকত। তিনি মরদেহ গ্রহণ করতেন, রাতে পাহারায় থাকতেন এবং ময়নাতদন্ত শেষে স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করতেন। গ্রেপ্তারের পর মুন্না জবানবন্দিতে সবকিছু স্বীকার করেন। মুন্না এখনো কারাগারে আছেন। তার মামলা বিচারাধীন বলে দৈনিক বাংলাকে জানিয়েছেন শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সেলিম রেজা চৌধুরী।

সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালের ঘটনাটিই এ ধরনের একমাত্র ঘটনা নয়। চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালেও ২০২২ সালে একই ঘটনা ঘটে। হাসপাতালটির মর্গে দুই কিশোরীর মরদেহে ধর্ষণের প্রমাণ পাওয়া যায়, নমুনা পরীক্ষায় একই পুরুষের বীর্য পাওয়া যায়। তার আগেও একই মর্গে আরও নারীর নমুনা পরীক্ষায় একই পুরুষের বীর্য পাওয়া যায়। তদন্তে জানা যায়, এসব ঘটনায় জড়িত মর্গের অস্থায়ী পাহারাদার সেলিম।

সিআইডি জানিয়েছে, মরদেহগুলো লাশকাটা ঘরে আসার পর সেগুলোর সঙ্গে শারীরিক সংসর্গ করেছিলেন মো. সেলিম। সেলিম বর্তমানে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে রয়েছেন।

চিকিৎসা বিজ্ঞানের ভাষায় এই বিকৃত যৌনাচারকে বলা হয় নেক্রোফিলিয়া। এই অসুখে আক্রান্তদের বলা হয় নেক্রোফাইল। নেক্রোফাইলরা মৃতদেহের সঙ্গে যৌন আচরণ করে একধরনের বিকৃত আনন্দ লাভ করে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ১৯৮৯ সালে যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল লাইব্রেরি অব মেডিসিন ১২২ জন নেক্রোফাইল ব্যক্তির তথ্য পর্যালোচনা করে একটি গবেষণার ফলাফল প্রকাশ করে। সেখানে বলা হয়, ‘কোনো বাধা আসবে না এবং প্রত্যাখ্যান করবে না- এমন সঙ্গী পাওয়ার ইচ্ছা থেকে তারা মরদেহের সঙ্গে যৌন সংশ্রব করে থাকে।’

ইংরেজি নেক্রোফিলিয়া শব্দটি গ্রিক শব্দ নেক্রো এবং ফিলিয়া থেকে এসেছে জানিয়ে চিকিৎসকরা বলছেন, এর মধ্যে নেক্রোস শব্দের অর্থ ‘ডেড’ আর ফিলিয়া শব্দের অর্থ ‘এট্রাকশন’। অর্থ্যাৎ মৃত দেহের প্রতি আসক্তি থেকেই ভয়ংকর এই চাহিদা তৈরি হয়। সাধারণত মর্গে, কবরে বা যে কোনো সমাধিতে যারা কাজ করেন তাদের মধ্যে নেক্রোফিলিকদের সংখ্যা বেশি। তবে এর বাইরেও নেক্রোফিলিকরা রয়েছে, এরা প্রয়োজনে মরদেহ চুরিও করে থাকে।

মনোবিজ্ঞানীরা জানাচ্ছেন, নেক্রোফিলিকদের মধ্যেও প্রকারভেদ রয়েছে। তাদের মধ্যে একধরনের আছেন যারা মৃতদেহের সঙ্গে যৌনকামনা কল্পনা করলেও বাস্তবে করে না- একে বলা হয় নেক্রোফিলিয়া ফ্যান্টাসি। আরেক ধরন নেক্রোফিলিক মৃতদেহ খুঁজে বের করে, দরকার হলে তারা মর্গ, কবর বা সমাধিস্থল থেকে চুরিও করে। আরেক ধরন রয়েছে যারা খুন করে হলেও মৃতদেহের সঙ্গে বিকৃত যৌনাকাঙ্ক্ষা পূরণ করে।

দেশে নেক্রোফিলিয়ার তথ্য নতুন হলেও এর ইতিহাস পুরোনো।

গ্রিসের অত্যাচারী রাজা পেরিঅ্যান্ডার স্ত্রীর মৃতদেহ লুকিয়ে মমি বানিয়ে রেখেছিলেন, তবে সেটা ভালোবেসে নয়, বরং বছরের পর বছর বিকৃত যৌন কামনার জন্য। ইতিহাস বলছে, বছরের পর বছর ধরে মমির সঙ্গে এ কাজ করেছেন রাজা হ্যারোড, রাজা ওয়াল্ডিমার এবং রাজা চার্লম্যাগের মতো মানুষ।

২০১৩ সালে সৌদি আরবের আল এরাবিয়া নিউজের এক খবরে বলা হয়, ফেয়ারওয়েল ইন্টারকোর্স আইন নিয়ে মিশরীয় নারীরা বিক্ষোভ করে। এই আইনে বলা হয়েছে, কোনো নারীর মৃত্যু হলে তার স্বামী মৃতদেহের সঙ্গে মৃত্যুর ৬ ঘণ্টা পর্যন্ত শেষ সহবাস করে নিতে পারবেন। আর এই আইনের বিরুদ্ধেই বিক্ষোভে নেমেছিল মিশরীয় নারীরা।

সম্প্রতি পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডেইলি টাইমস জানিয়েছে, পাকিস্তানে নেক্রোফিলিয়া বেড়েছে। যার কারণে বাবা-মা মেয়েদের কবরে পাহারা দিচ্ছে, তালা দিচ্ছে। নারীদের কবরে তালা লাগানোর ঘটনা সেখানে বেশ প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজের ফরেনসিক মেডিসিন বিভাগের প্রধান অধ্যাপক ডা. সেলিম রেজা চৌধুরী দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘এদের দেখে কিছুতেই বোঝা যাবে না, কতটা বিকৃত মানসিকতার এরা।’

মূলত এটা একধরনের মানসিক বিকৃতি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রধানত যারা ছোটবেলায় নানা ধরনের নির্যাতনের স্বীকার হয়, অবহেলা-অনাদরে বড় হয়, বিভিন্ন তিক্ত অভিজ্ঞতার ভেতরে দিয়ে যায়- তারাই এ ধরনের বিকৃতিতে ভোগে। আবার বিভিন্ন সময়ে মরদেহের কাছাকাছি যারা থাকে, তারাও এই বিকৃতিতে ভোগে।’

তিনি বলেন, ‘পুরো দেশের মর্গ পুরোপুরি অরক্ষিত। অথচ যেকোনো উপায়ে মৃতদেহ সংরক্ষণ করা উচিত। অথচ এর খুবই করুণ অবস্থা।’

বিশ্বের কোথাও ডোম দিয়ে ময়নাতদন্ত হয় না জানিয়ে অধ্যাপক ডা. সেলিম রেজা চৌধুরী বলেন, ‘বাংলাদেশে এখনো অশিক্ষিত, প্রশিক্ষণহীন ডোম দিয়ে ময়নাতদন্ত হচ্ছে। অথচ ময়নাতদন্ত হওয়া উচিত মর্চুয়ারি অ্যাসিসটেন্ট দিয়ে। কিন্তু দেশে এ রকম আইনও নেই। কোনো আইনে কারা ময়নাতদন্তে অংশ নিতে পারে- সে নিয়ে কিছু বলা নাই। ব্রিটিশ আমলে তৈরি হওয়া নিয়ম দিয়েই এখনো চলছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ময়নাতদন্ত। এই নিয়মকে আপডেট কিংবা সংস্কার কিছুই হয়নি।’

যোগাযোগকর্মী শাহানা হুদা রঞ্জনা দৈনিক বাংলাকে বলেন, দুর্বল আত্মবিশ্বাস, নানা ধরনের ক্ষতি, প্রত্যাখ্যান, আত্মবিশ্বাসের অভাব এই মানসিক অবস্থার জন্য দায়ী। বিষয়টি এত ভয়ংকর হলেও এ নিয়ে সচেতনতার অভাব রয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অথচ এ নিয়ে আলোচনা হওয়া উচিত, সচেতনতা বাড়ানো উচিত। আমরা আসলে বিষয়টি জানিই না, চিন্তা ভাবনায়ও ছিল না। অথচ কী ভয়ংকর বিষয়।’

জাতীয় মানসিক স্বাস্থ্য ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের সহযোগী অধ্যাপক ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘এটা একধরনের সেক্চুয়াল পারভারসন। নেক্রোফিলিয়া শুধুমাত্র কারও ভেতরে নেক্রোফিলিয়া হিসেবে থাকে না। এটা পার্সোনালিটি ডিজঅর্ডার, সাইকোসিস, মুড ডিজঅর্ডার-এ ধরনের সমস্যায় আক্রান্তদের নেক্রোফিলিক হওয়ার আশঙ্কা বেশি। সেই সঙ্গে যারা বিশেষ বিশেষ ধরনের মাদকে আসক্ত- তাদের মধ্যে নেক্রোফিলিক থাকতে পারে।’

তিনি বলেন, ‘নেক্রোফিলিকরা মৃতদেহের সঙ্গে যৌনসংসর্গটাকেই স্বাভাবিক মনে করে।’

ডা. হেলাল উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নেক্রোফিলিয়াতে আক্রান্তরা খুব সহজে চিকিৎসকের কাছে আসে না, যখন কেবলমাত্র ধরা পড়ে তখনই সেটা প্রকাশ পায় বা চিকিৎসকের কাছে আসে। তাই হিডেন নেক্রোফিলিয়াতে আক্রান্ত কত মানুষ রয়েছে, সেটাও অমাদের অজানা।’

বিষয়:

নির্বাচিত

ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ৩৫০

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ জুলাই, ২০২৬ ১৯:৪৬
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছর ডেঙ্গুতে মৃত্যু হয়েছে ২৫ জনের। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৩৫০ জন। এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ১৫৮ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ১৭ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ৩১ জন, খুলনা বিভাগে ৭০ জন, বরিশালে বিভাগে ৯৫ জন এবং সিলেট বিভাগে ৪ জন রয়েছেন।

এ পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৮ হাজার ৩২৩ জন। ৭ হাজার ৫৭০ জন ডেঙ্গুরোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। বর্তমানে হাসপাতালে ৭২৮ জন চিকিৎসাধীন আছেন।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয় ১ লাখ ২ হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।


নির্বাচিত

হাম ও উপসর্গে ১১৭ দিনে সারা দেশে ৭৫০ জন শিশুর প্রাণহানি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গত ১৫ মার্চ থেকে শুরু হওয়া হাম ও এর উপসর্গজনিত প্রাদুর্ভাবে গত ১১৭ দিনে সারা দেশে মোট ৭৫০ জন শিশুর প্রাণহানি ঘটেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত বুলেটিন থেকে শুক্রবার এই আশঙ্কাজনক তথ্য পাওয়া গেছে। সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় এই রোগে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই সময়ে নিশ্চিতভাবে হাম শনাক্ত হওয়া কারও মৃত্যু না হলেও ৩ জন মারা গেছে হামের উপসর্গে।

একই সময়ে নতুন করে ১২৮ জনের শরীরে রোগটি নিশ্চিতভাবে ধরা পড়েছে এবং হামের উপসর্গ দেখা দিয়েছে আরও ৯০১ জনের। প্রাদুর্ভাবের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে ১ লাখ ৯ হাজার ৮৯৯ জন শিশু হামের উপসর্গে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানা গেছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে পরিস্থিতির ওপর নিবিড় পর্যবেক্ষণ বজায় রাখা হচ্ছে।


নির্বাচিত

হামে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু প্রাণহানি বেড়ে ৭৪১

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে সোমবার সকাল ৮টা পর্যন্ত আগের ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই নিয়ে দেশে হাম ও হামের উপসর্গে মোট ৭৪১টি শিশু মারা গেছে। সোমবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানায়, দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। একই সময়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১০৬টি শিশু।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারাদেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৬৪৮টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৭৪১টি শিশু মারা গেছে।

বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ১৫৯টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ৯৪৭। এই সময়ে ৮৯০টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৪০টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৬ হাজার ৫৬৫, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১২ হাজার ৭৯১। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৮৯ হাজার ৭৩৪ রোগী, যাদের মধ্যে ৮৬ হাজার ৬২ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।


নির্বাচিত

হাসপাতালে লেবার রুম স্থাপন না করলে লাইসেন্স বাতিলের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের প্রতিটি প্রসূতি মায়ের নিরাপদ প্রসব নিশ্চিত করতে দেশের সকল বেসরকারি ক্লিনিক ও হাসপাতালকে আগামী ১১ জুলাইয়ের মধ্যে বাধ্যতামূলকভাবে লেবার রুম স্থাপনের নির্দেশ দিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন। সোমবার (৬ জুলাই) রাজধানীর বিজয়নগরে বাংলাদেশ মিডওয়াইফারি সোসাইটি আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই গুরুত্বপূর্ণ ঘোষণা দেন। মন্ত্রী হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে লেবার রুম স্থাপনে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। নরমাল ডেলিভারি উৎসাহিত করতে এবং নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে বেসরকারি পর্যায়ের ক্লিনিকগুলোর জন্য এটি একটি চূড়ান্ত নির্দেশনা।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে স্বাস্থ্য খাতের বর্তমান পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি জানান, নিরাপদ মাতৃত্ব নিশ্চিত করতে মিডওয়াইফারি কর্মীদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই স্বাস্থ্য খাতে আসন্ন ১ লাখ নতুন জনবল নিয়োগের মধ্যে ৮০ হাজারই হবে নারী এবং তাঁদের অধিকাংশই হবেন মিডওয়াইফারি কর্মী। ডেঙ্গু পরিস্থিতি নিয়ে মন্ত্রী বলেন, গত দুই মাস ধরে উপজেলা পর্যায়ে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কাজ চলছে। আগামী সাত দিনের মধ্যে মশার লার্ভা ধ্বংস করার প্রয়োজনীয় ট্যাবলেট সরবরাহ করা হবে এবং পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা অভিযান আরও জোরদার করা হবে।

ডেঙ্গু রোগীদের চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পর্যাপ্ত শয্যা ও মোবাইল সেবার ব্যবস্থা নিশ্চিত করা হয়েছে। ওষুধের সরবরাহ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, "কিছুদিন স্যালাইনের ঘাটতি থাকলেও এখন পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত করা হয়েছে।" চিকিৎসকদের প্রতি বিশেষ নির্দেশ দিয়ে তিনি বলেন, রোগীর জ্বর কমে গেলেও চিকিৎসকের চূড়ান্ত সন্তুষ্টি ছাড়া কাউকে ছাড়পত্র দেওয়া যাবে না। বিশেষ করে প্লাজমা লিকেজের মতো জটিলতা মোকাবিলায় নিবিড় নজরদারির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন আরও দাবি করেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর ডেঙ্গু পরিস্থিতি তুলনামূলক ভালো এবং সরকার হাম প্রতিরোধে টিকাদান কর্মসূচিতে অভাবনীয় সাফল্য দেখিয়েছে। স্বাস্থ্য খাতের মানোন্নয়নে সরকারের এই কঠোর পদক্ষেপগুলো সাধারণ মানুষের চিকিৎসা সেবা প্রাপ্তিতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা। নিরাপদ মাতৃত্ব ও শিশু স্বাস্থ্য রক্ষায় বেসরকারি হাসপাতালগুলোকে দ্রুত এই সরকারি নির্দেশনা বাস্তবায়নের আহ্বান জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু, আক্রান্ত আরও ১১০৭

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

সারাদেশে গত এক দিনে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ের মধ্যে নতুন করে ১ হাজার ১০৭ জন এই রোগে আক্রান্ত হয়েছেন। শুক্রবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম সংক্রান্ত নিয়মিত প্রতিবেদনে এই আশঙ্কাজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে নতুন করে ৯৬৮ জন সন্দেহজনক হামের রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত এই সম্ভাব্য রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৩ হাজার ৯৬১ জনে। এর মধ্যে শেষ ২৪ ঘণ্টায় ১৩৯ জনের শরীরে নিশ্চিতভাবে হাম ধরা পড়েছে। ফলে ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিত আক্রান্তের সংখ্যা পৌঁছেছে ১২ হাজার ৪২৫ জনে।

প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়েছে, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সময়কালে সন্দেহজনক হামের লক্ষণ নিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন ৮৭ হাজার ২৬২ জন। তাদের মধ্যে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৮৩ হাজার ৫৪৩ জন।

মৃত্যুর হিসাব অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে মোট ৬৩৬টি শিশুর মৃত্যু হয়েছে। যদিও শেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি, তবে ১৫ মার্চ থেকে ৩ জুলাই পর্যন্ত নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৯৩ জন।


নির্বাচিত

দেশে হাম উপসর্গে আরও ২ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে গত সোমবার সকাল আটটা থেকে মঙ্গলবার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে হামে আক্রান্ত হয়েছেন ১১৪ জন। মঙ্গলবার স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, বর্ণিত গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ৮৬৬ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত হিসেবে সন্দেহভাজন রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ১ হাজার ৭৭ জন। নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১৪ জন এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ৯৬৫ জন।

গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত হাম আক্রান্ত সন্দেহে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ৮৪ হাজার ৬২৭ জন। একই সময় সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছে ৮০ হাজার ৯৭৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় হাম আক্রান্ত সন্দেহে দুজনের মৃত্যু হয়েছে এবং গত ১৫ মার্চ থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত সন্দেহজনক হামে ৬২৫ শিশুর মৃত্যু হয়েছে।

গত ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিত হামে কারো মৃত্যু হয়নি এবং গত ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত নিশ্চিত হামে ৯৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।


নির্বাচিত

রাজশাহী জেলায় এইডস শনাক্ত ১৩৯ জন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাজশাহী ব্যুরো

রাজশাহী বিভাগে বাড়ছে এইডস (এইচআইভি) আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা। গত ৬ বছরে বিভাগের আট জেলায় ৭৯৪ জনের এইচআইভি শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে শুধু রাজশাহী জেলাতেই শনাক্ত হয়েছে ১৩৯ জন, যাদের বেশির ভাগের বয়স ১৮ থেকে ২৬ বছরের মধ্যে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বলছে, বিষয়টি নিয়ে তাদের কার্যক্রম চলছে।

২০১৯ সাল থেকে ২০২৬ সালের মে মাস পর্যন্ত রাজশাহী জেলায় এইচআইভি ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন মোট ১৩৯ জন। রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতাল ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের তথ্য বলছে, আক্রান্তদের মধ্যে ৯২ জন সমকামী, যা মোট আক্রান্তের প্রায় ৬৬ শতাংশ। একই সময়ে রাজশাহী বিভাগের আট জেলায় মোট আক্রান্তের সংখ্যা ৭৯৪। জেলাভিত্তিক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আক্রান্তের দিক থেকে শীর্ষে রয়েছে সিরাজগঞ্জ, এরপরই রাজশাহীর অবস্থান। আর সবচেয়ে কম আক্রান্ত চাঁপাইনবাবগঞ্জে।

রামেকে কর্মরত এইডস সংক্রমণ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ইব্রাহিম মোহাম্মদ শারৎ বলেন, ‘প্রতিদিন এই সংখ্যা বাড়ছে। এখানে দুটি বিষয় কাজ করছে। একটা হলো, এরা আগে থেকেই পজিটিভ (আক্রান্ত) ছিল কিন্তু পরীক্ষা করতে আসত না। মনে করত, পরীক্ষা করার পর চিকিৎসা নেই। এর ফলে সংক্রমণটা বৃদ্ধি পেয়েছে।’

রাজশাহী বিভাগীয় পরিচালক (স্বাস্থ্য) চিকিৎসক মো. হাবিবুর রহমান বলেন, ‘অবাধে মেলামেশা, অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন বা সিরিঞ্জের মাধ্যমে এবং মাদকসেবীদের মাধ্যমে রোগীর সংখ্যা বাড়তে পারে। রাজশাহী বিভাগেও সারা দেশের মতো আমাদের এইডস স্ক্রিনিং কার্যক্রম চালু আছে।’


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে  ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশে হামের উপস্বর্গ নিয়ে মৃত্যুর মিছিল থামছে না। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গে আরও ৪ জন প্রাণ হারিয়েছেন বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, এই সময়ের মধ্যে ল্যাবরেটরিতে নিশ্চিত হওয়া হামের কারণে কারো মৃত্যু হয়নি। শুক্রবার (২৬ জুন) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে জারি করা এক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই উদ্বেগজনক তথ্য জানানো হয়েছে।

অধিদপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, গত এক দিনে সারা দেশে নতুন করে ৮৬৯ জন সন্দেহভাজন হাম রোগী শনাক্ত হয়েছেন। এর মধ্যে ১০৭ জনের শরীরে হামের ভাইরাসের উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে। গত ১৫ মার্চ থেকে হামের সংক্রমণ পরিস্থিতি বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এ পর্যন্ত মোট ৮১ হাজার ২৮৩ জন মানুষ সন্দেহজনক হাম নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে যথাযথ চিকিৎসা শেষে ৭৭ হাজার ৬১৩ জন সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরে গেছেন।

তবে মৃত্যুর হার নীতিনির্ধারকদের ভাবিয়ে তুলছে। চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে ২৬ জুন পর্যন্ত সারা দেশে সন্দেহজনক হামে মোট ৬০৯ জন মৃত্যুবরণ করেছেন। এর মধ্যে অন্তত ৯৩ জনের মৃত্যুর কারণ হিসেবে সরাসরি হামকে দায়ী করা হয়েছে। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, হামের এই বিস্তার রোধে দ্রুত টিকাদান কর্মসূচি জোরদার করা এবং সচেতনতা বাড়ানো অপরিহার্য।


নির্বাচিত

জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন ২৮ জুন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে আগামী ২৮ জুন। এবারের ক্যাম্পেইনে দেশের প্রায় ২ কোটি ৪০ লাখ শিশুকে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানোর লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী ড. এমএ মুহিত এ তথ্য জানান।

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ২৮ জুন সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাম্পেইন চলবে। কোনো শিশু যদি ওইদিন বাদ পড়ে, পরদিনও উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে ক্যাপসুল খাওয়ানো যাবে। এ ছাড়া ১২টি জেলার ৫৮টি দুর্গম উপজেলায় ক্যাম্পেইনের পরের চার দিন এই ক্যাপসুল বিতরণ করা হবে।’

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, রাতকানা রোগসহ শিশু অন্ধত্বের বড় কারণ ভিটামিন ‘এ’-র অভাব। এই অভাব দূর করতে ক্যাম্পেইনে ৬ থেকে ১১ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে নীল রঙের এবং ১২ থেকে ৫৯ মাস বয়সি শিশুদের একটি করে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

ক্যাম্পেইনের প্রস্তুতি তুলে ধরে ড. মুহিত বলেন, ‘শিশুদের ক্যাপসুল খাওয়ানোর জন্য দেশজুড়ে ১ লাখ ২০ হাজার স্থায়ী কেন্দ্রের পাশাপাশি জনগুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন স্থানে ৫০০টি অস্থায়ী কেন্দ্র প্রস্তুত করা হয়েছে।’

স্বাস্থ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাতকানা রোগ থেকে শুরু করে শিশু অন্ধত্বের একটা প্রধান কারণ হচ্ছে ভিটামিন ‘এ’-র অভাব। বাংলাদেশে দুই দশক আগেও অপুষ্টিজনিত কারণে শিশুদের অন্ধ হয়ে যাওয়ার চিত্র দেখা যেত। তবে নিয়মিত ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ চালু হওয়ার পর এই হার অত্যন্ত দ্রুত কমে এসেছে।’

তীব্র বা জটিল অসুস্থতা ছাড়া সব শিশুই এই ক্যাপসুল খেতে পারবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘খালি পেটে শিশুকে ক্যাপসুল না খাওয়ানোর পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।’

সংবাদ সম্মেলনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস, অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জাহিদ রায়হান প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে মৃত্যু আরও ৩, প্রাণহানি বেড়ে ৬৮৬

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে মঙ্গলবার হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত হয়েছে ১ হাজার ১৩৫টি শিশু। মঙ্গলবার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাম-বিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি।

এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৫৯৩টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৩টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৬৮৬টি শিশু মারা গেছে।

এছাড়া, ২৪ ঘণ্টায় ১২৬টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে, আর হামের উপসর্গ নিয়ে আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা ১,০০৯ জন। এসময়ে ৯৭৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৯৮৬টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে মঙ্গলবারপর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ৯৪ হাজার ৭৬৪, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১১ হাজার ২৯৭। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ৭৮ হাজার ৭১৬ রোগী, যাদের মধ্যে ৭৪ হাজার ৯৭১ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।


নির্বাচিত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের লক্ষ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের সভাপতিত্বে ‘ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধ বিষয়ক জাতীয় কমিটি’র প্রথম সভা মঙ্গলবার সচিবালয়ে স্থানীয় সরকার বিভাগের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম উপস্থিত ছিলেন।

সভায় ডেঙ্গু পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং প্রতিরোধমূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করতে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমের তত্ত্বাবধানে একটি বিশেষ টাস্কফোর্স গঠনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। টাস্কফোর্সটি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রম তদারকি, প্রয়োজনীয় দিক নির্দেশনা প্রদান, বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমন্বয় বৃদ্ধি এবং জরুরি পদক্ষেপ বাস্তবায়নের দায়িত্ব পালন করবে।

সভাপতির বক্তব্যে স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, ডেঙ্গু প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সব প্রতিষ্ঠানকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে। ডেঙ্গু মোকাবিলায় শুধু সরকারি উদ্যোগ নয়, জনগণের সচেতনতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তিনি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের অধীন সিটি কর্পোরেশন, পৌরসভা, জেলা পরিষদসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোকে আরও কার্যকরভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেন।

সভায় ডেঙ্গু ও অন্যান্য মশাবাহিত রোগ প্রতিরোধে বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। সিদ্ধান্তগুলোর মধ্যে রয়েছে—

  • বিভিন্ন দপ্তর ও সংস্থার মাধ্যমে ব্যাপক হারে লিফলেট ও সচেতনতামূলক প্রচারপত্র বিতরণ,

  • স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসায় শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের সম্পৃক্ত করে ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক বিশেষ প্রচারণা কার্যক্রম পরিচালনা,

  • স্থানীয় প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি ও নাগরিক সমাজের সমন্বয়ে পরিচ্ছন্নতা অভিযান জোরদার করা,

  • ফগার মেশিন ও মশক নিধন কার্যক্রমের মান (কোয়ালিটি) নিয়মিত পরীক্ষা ও তদারকি করা,

  • এডিস মশার প্রজননস্থল শনাক্ত ও ধ্বংসে বিশেষ অভিযান পরিচালনা,

  • নির্মাণাধীন ভবন, ছাদবাগান, টায়ারের দোকান, গ্যারেজ এবং জলাবদ্ধ এলাকায় নিয়মিত পরিদর্শন বৃদ্ধি,

  • গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সচেতনতামূলক প্রচার জোরদার করা,

  • ডেঙ্গুর লার্ভা শনাক্ত হওয়া স্থানগুলো চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা গ্রহণ,

  • ডেঙ্গু প্রতিরোধবিষয়ক মনিটরিং ও তদারকি কার্যক্রম আরও শক্তিশালী করা,

  • ডেঙ্গু আক্রান্ত রোগীদের তথ্য দ্রুত সংগ্রহ ও বিশ্লেষণের মাধ্যমে ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ।

সভায় বক্তারা বলেন, বর্ষা মৌসুমে ডেঙ্গুর প্রকোপ বৃদ্ধি পাওয়ার আশঙ্কা থাকায় এখন থেকেই সমন্বিত ও জোরালো প্রস্তুতি গ্রহণ জরুরি। জাতীয় কমিটির গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের পাশাপাশি মাঠপর্যায়ে কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি এবং প্রয়োজনীয় জনবল নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়।

সভায় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, সংস্থা ও সিটি কর্পোরেশনের প্রতিনিধিদের পাশাপাশি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ওয়াসা, এলজিইডি, ডিপিএইচই, রাজউক এবং স্থানীয় সরকার বিভাগের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশগ্রহণ করেন।

উল্লেখ্য, ডেঙ্গুসহ মশাবাহিত অন্যান্য রোগ প্রতিরোধে সরকারের কার্যক্রমকে আরও সমন্বিত ও কার্যকর করতে সম্প্রতি জাতীয় কমিটি পুনর্গঠন করা হয়েছে। স্থানীয় সরকার মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নেতৃত্বাধীন এ কমিটিতে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার প্রতিনিধিরা সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। জাতীয় কমিটির প্রথম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো বাস্তবায়নের মাধ্যমে ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে কার্যকর অগ্রগতি অর্জনের আশা প্রকাশ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে গত শনিবার সকাল আটটা থেকে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৩ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ৬৩ জনের শরীরে হাম ও এর উপসর্গ পাওয়া গেছে। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা বিভাগেই আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। সবমিলিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও উপসর্গে মোট ৬৮০ জনের মৃত্যু হয়েছে।

এদিকে দেশজুড়ে গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে ৬২ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে আরও ১ হাজার একজনের মধ্যে রোগটির উপসর্গ দেখা গেছে। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত মোট ৯২ হাজার ৭৯০ জনের শরীরে হামের উপসর্গ পাওয়া গেছে। সেই সঙ্গে এই সময়ে মোট ১১ হাজার ১১ জনের হাম শনাক্ত হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে রোববার পর্যন্ত সারা দেশে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে মোট ৭৬ হাজার ৮৫৯ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে ৭২ হাজার ৮৪৯ জন ছাড়পত্র পেয়েছেন।


নির্বাচিত

ডেঙ্গুতে ২ জনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ২২০

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে এডিস মশাবাহী রোগ ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর এখন পর্যন্ত মশাবাহিত রোগটিতে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৯ জনে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া গত একদিনে ডেঙ্গু নিয়ে নতুন করে ২২০ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গু বিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে মঙ্গলবার ডেঙ্গুতে একজনের মৃত্যুর হয়েছিল। স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গুতে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে একজনের মৃত্যু হয়েছে। পাশাপাশি এই সময়ে বরিশাল বিভাগে ডেঙ্গুতে আরও একজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বরিশাল বিভাগেই সবচেয়ে বেশি ডেঙ্গুরোগী (৫৪ জন) হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

এছাড়াও গত একদিনে খুলনা বিভাগে ৫২ জন ছাড়াও ঢাকা বিভাগে ৪৪ জন, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনে ২৯ জন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে ২০ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ১৬ জন, সিলেট বিভাগে ৪ জন এবং ময়মনসিংহ বিভাগে একজন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের প্রতিবেদন অনুযায়ী, চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৯ জন মারা গেছেন। এরমধ্যে সবচেয়ে বেশি মৃত্যু (৩ জন) হয়েছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনে। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন ছাড়াও বরিশাল, চট্টগ্রাম, ঢাকা, খুলনা ও রাজশাহী বিভাগে ডেঙ্গুতে একজন করে মোট ৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।

২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ দুই হাজার ৮৬১ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৪১৩ জনের মৃত্যু হয়।

২০২৪ সালের জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়েছে এক লাখ এক হাজার ২১৪ জন এবং ডেঙ্গুতে মোট ৫৭৫ জনের মৃত্যু হয়।

২০২৩ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে মোট এক হাজার ৭০৫ জনের মৃত্যু হয়, পাশাপাশি ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন মোট তিন লাখ ২১ হাজার ১৭৯ জন।


নির্বাচিত

banner close