বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. মো. শারফুদ্দিন আহমেদ বলেছেন, শিশুদের লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টেশনের জন্য সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটা নিশ্চিত করতে পারলে বিদেশে যাওয়া রোগীর প্রবণতা আরও কমে আসবে এবং বৈদেশিক মুদ্রা সাশ্রয় হবে। গতকাল শনিবার শহীদ ডা. মিলন হলে আয়োজিত শিশুদের লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন ও নতুন জীবনের প্রত্যাশা (হোপ ফর নিউ লাইফ, বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া সারভাইভরস অ্যান্ড স্কপ অব পেডিয়াট্রিক লিভার ট্রান্সপ্ল্যান্টেশন ইন বাংলাদেশ) নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
এতে সভাপতিত্ব করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের পেডিয়াট্রিক সার্জারি (শিশু সার্জারি) বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. এ কে এম জাহিদ হোসেন। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন শিশু সার্জারি বিভাগের অধ্যাপক ডা. সুশংকর কুমার মণ্ডল ও সহকারী অধ্যাপক ডা. এস এম সাইফুল ইসলাম।
সেমিনারে জানানো হয়, দেশের জনসংখ্যার প্রায় তিন ভাগের এক ভাগ শিশু, এই শিশুদের মধ্যে যারা নবজাতক তাদের মধ্যে একটা বৃহৎ অংশ জন্ডিসে ভোগে। পিত্তনালির জন্মগত ত্রুটির কারণে যে জন্ডিস হয় তার একটা বড় অংশ হয় বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়ার কারণে। বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া নাম একটি জন্মগত রোগ। বিলিয়ারি অ্যাট্রেসিয়া রোগের মূল চিকিৎসা লিভার প্রতিস্থাপন। এ রোগে আক্রান্ত শিশুদের জন্মের ৬০-৭০ দিনের মধ্যে কাসাই অপারেশন করতে পারলে লিভার নষ্ট হওয়ার প্রক্রিয়া দীর্ঘায়িত হয়। কাসাই অপারেশন পরবর্তী সময়ে শতকরা ৬০ ভাগ রোগীর ৬ মাসের মধ্যে জন্ডিস কমে যায়। যারা ২ মাসের মধ্যে চিকিৎসা নিতে পারে না অথবা অপারেশন-পরবর্তী যাদের জন্ডিস কমে না, তাদের দ্রুত লিভার ট্রান্সপ্লান্টেশনের প্রয়োজন হয়। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে অতিরিক্ত খরচে দীর্ঘদিন যাবৎ কাসাই অপারেশন সম্পন্ন করে আসছে। যার ফলাফল আশাব্যঞ্জক। বিজ্ঞপ্তি
পাবনায় উদ্যোক্তাদের জন্য মাসব্যাপী বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচি শুরু হয়েছে।
পাবনায় ব্র্যাক লারনিং সেন্টারে সম্প্রতি এ বিশেষ কর্মসূচি যৌথভাবে আয়োজন করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), বাংলাদেশ ব্যাংক ও যমুনা ব্যাংক।
যমুনা ব্যাংক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কর্মসূচি আয়োজনের খবর দিয়ে বলেছে, প্রকল্পটির লক্ষ্য হল নতুন ও বিদ্যমান উদ্যোক্তাদের প্রশিক্ষণ প্রদান ও প্রয়োজনীয় ঋণ সুবিধার মাধ্যমে তাদের ব্যবসায়িক সক্ষমতা বাড়ানো।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, এডিবির অর্থায়নে অর্থ মন্ত্রণালয়ের ব্যবস্থাপনাধীন ‘শিল্পের প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও উদ্ভাবনের জন্য দক্ষতা উন্নয়ন কর্মসূচি’ প্রকল্পটি সফলভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমই অ্যান্ড স্পেশাল প্রোগ্রাম ডিপার্টমেন্টের সার্বিক তত্ত্বাবধানে এ বিশেষ প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
যমুনা ব্যাংকের উপব্যবস্থাপনা পরিচালক নুর মোহাম্মদের সভাপতিত্বে উদ্বোধন অনুষ্ঠানে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিপার্টমেন্ট অব বিজনেস এডমিনিস্ট্রেশনের অধ্যাপক আমিরুল ইসলাম, বাংলাদেশ ব্যাংকের এসএমইএসপিডি বিভাগের যুগ্ম পরিচালক আইয়ুব আলী, যমুনা ব্যাংকের রাজশাহী অঞ্চলের প্রধান ফজলুল হক ও হেড অব এসএমই (মার্কেটিং) এন এইচ এম নুসরাত বক্তব্য রাখেন।
কল্যাণমুখী ব্যাংকিংয়ের অগ্রযাত্রায় গড়ি আগামীর বাংলাদেশ এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির ১-৩১ জুলাই ২০২৬ গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে কেশবপুর শাখার উদ্যোগে প্রবাসী গ্রাহকদের বাংলাদেশের অভিভাবকদের নিয়ে এক গ্রাহক সমাবেশ ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে বুধবার (৮ জুলাই) ।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি কেশবপুর শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এভিপি) সেলিম চৌধুরী। প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনার রশীদ বুলবুল। বিশেষ অতিথি ছিলেন শাখার ফার্স্ট অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট (এফএভিপি) আব্দুল ওয়াদুদ। অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন মোঃ হেলাল উদ্দিন।
সভায় প্রবাসী গ্রাহকদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে সভাপতি সেলিম চৌধুরী ব্যাংকের বিভিন্ন গ্রাহকবান্ধব সেবা, আধুনিক ব্যাংকিং কার্যক্রম এবং বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে রেমিট্যান্স পাঠানোর গুরুত্ব তুলে ধরেন। তিনি বলেন, প্রবাসীদের কষ্টার্জিত অর্থ অবশ্যই বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে পাঠাতে হবে। এতে পরিবার যেমন নিরাপদে অর্থ পাবে, তেমনি দেশের অর্থনীতি আরও শক্তিশালী হবে। ইসলামী ব্যাংক সর্বোচ্চ নিরাপত্তা, দ্রুততা ও নির্ভরযোগ্যতার সঙ্গে রেমিট্যান্স সেবা প্রদান করে আসছে।
তিনি আরও জানান, যেসব গ্রাহক ১-৩০ জুন ২০২৬ পর্যন্ত MTDRA, MSB, MMPDS এবং MSSA হিসাব প্রি-ম্যাচিউর অবস্থায় বন্ধ বা নগদায়ন করে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন, তারা ৩১ জুলাই ২০২৬-এর মধ্যে সংশ্লিষ্ট হিসাব পুনরায় চালু করলে ব্যাংক সকল প্রকার চার্জ ও খরচ মওকুফ করে হিসাবগুলোকে চলমান হিসাব হিসেবে গণ্য করবে। এ বিষয়ে আগ্রহী গ্রাহকদের নিজ নিজ শাখায় যোগাযোগ করার আহ্বান জানান তিনি।
প্রধান অতিথি কেশবপুর নিউজ ক্লাবের সাধারণ সম্পাদক মোঃ হারুনার রশীদ বুলবুল বলেন, বর্তমান সময়ে বৈধ পথে রেমিট্যান্স প্রেরণ শুধু একটি ব্যক্তিগত আর্থিক সিদ্ধান্ত নয়, এটি দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী করারও একটি গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব। ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসির এ ধরনের সচেতনতামূলক উদ্যোগ প্রবাসী পরিবারের মধ্যে আস্থা ও সচেতনতা বৃদ্ধি করবে। গ্রাহকদের মতামতকে গুরুত্ব দিয়ে সেবার মান আরও উন্নত করার উদ্যোগ অবশ্যই প্রশংসনীয়।
বিশেষ অতিথি আব্দুল ওয়াদুদ গ্রাহকদের উদ্দেশে বলেন, ব্যাংকের সকল সেবা ও সুবিধা সম্পর্কে নিয়মিত তথ্য জানার পাশাপাশি যে কোনো প্রয়োজনে সরাসরি শাখার সঙ্গে যোগাযোগ করার মাধ্যমে সর্বোত্তম সেবা গ্রহণের আহ্বান জানান।
মতবিনিময় সভায় উপস্থিত গ্রাহকদের অভিভাবকরা বিভিন্ন পরামর্শ ও মতামত তুলে ধরেন। সভাপতি সেলিম চৌধুরী গ্রাহকদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনেন এবং গঠনমূলক পরামর্শগুলো ভবিষ্যতে বাস্তবায়নের আশ্বাস প্রদান করেন।
গ্রাহক সেবা মাস উপলক্ষে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ব্যাংকের কর্মকর্তা, প্রবাসী গ্রাহকদের পরিবারের সদস্য এবং আমন্ত্রিত অতিথিরা উপস্থিত ছিলেন।
বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের (বিআরইবি) আওতাধীন সকল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকেরা এখন থেকে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে সহজেই বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে পারবেন। এ লক্ষ্যে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে।
মঙ্গলবার (৭ জুলাই ২০২৬) অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে কমিউনিটি ব্যাংক বাংলাদেশ পিএলসি-এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক (চলতি দায়িত্ব) জনাব সামসুল হক সুফিয়ানী এবং বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পরিচালক, আর্থিক মনিটরিং (উত্তরাঞ্চল) জনাব মোঃ মাসুদ পারভেজ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন।
চুক্তির আওতায় বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের অধীন সকল পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির গ্রাহকরা কমিউনিটি ব্যাংকের দেশব্যাপী সকল শাখা ও উপশাখার মাধ্যমে নিরাপদ, দ্রুত ও সহজ উপায়ে বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সুবিধা পাবেন।
অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের সদস্য (অর্থ) ও যুগ্ম সচিব জনাব মিলিয়া শারমিন, নিয়ন্ত্রক (অর্থ ও হিসাব) জনাব মোঃ ইদ্রিস, বোর্ডের সচিব জনাব শারমিন মাহমুদ, পরিচালক (অর্থ) জনাব মোঃ জিয়া উদ্দিন এবং পরিচালক (অর্থ) জনাব হিমেল পাল উপস্থিত ছিলেন।
কমিউনিটি ব্যাংকের পক্ষে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন হেড অব করপোরেট ব্যাংকিং ও হেড অব বিজনেস (ব্রাঞ্চ) ড. মো: আরিফুল ইসলাম; চিফ ইনফরমেশন টেকনোলজি অফিসার জনাব মোঃ তানজীম মোর্শেদ ভূঁইয়া, কর্পোরেট ব্যাংকিং ডিভিশনের ইউনিট হেড জনাব সুজাত হক, চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার জনাব মোঃ শরিফুল ইসলাম কাদির, এফসিএ; হেড অব এডিসি অ্যান্ড হেড অব এমডি’স কো-অর্ডিনেশন টিম জনাব মামুন উর রহমান, ক্যাশ ম্যানেজমেন্ট টিমের তুহিনুল ইসলাম ও নিশিত কান্তি সরকারসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি (এমটিবি) এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেড (এসইএল) গত জুলাই ০৫, ২০২৬ তারিখে ঢাকার ২৯, পশ্চিম পান্থপথের এসইএল সেন্টারে আনুষ্ঠানিকভাবে একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর করেছে। এই চুক্তির আওতায়, দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের গ্রাহকরা এখন থেকে আকর্ষণীয় সুদের হারে এবং দ্রুততম সময়ে এমটিবি থেকে হোম লোন বা গৃহ ঋণ সুবিধা উপভোগ করতে পারবেন।
নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক পিএলসি-এর উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও রিটেল ব্যাংকিং ডিভিশনের প্রধান, মোঃ শাফকাত হোসেন এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক, প্রকৌশলী মো. আব্দুল আউয়াল।
অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে এমটিবি-এর ইভিপি ও রিটেল বিজনেসের প্রধান, তাহসিন শহীদ এবং দি স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার্স লিমিটেডের অতিরিক্ত উপ-ব্যবস্থাপনা পরিচালক, স্থপতি মোহাম্মদ আব্দুর রহমানসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
দিনের মাঝপথেই স্মার্টফোনের চার্জ ফুরিয়ে যাওয়া এখন সবার কাছেই চিন্তার বিষয়। তাই ওয়ালেট ও ইয়ারফোনের পাশাপাশি পাওয়ার ব্যাংকও হয়ে উঠেছে নিত্যসঙ্গী। এই নির্ভরতা কমাতেই বাংলাদেশে লঞ্চ হলো নতুন ভিভো ওয়াই৫০০।
অফিসের কাজ, যাতায়াত, গেমিং কিংবা ভিডিও স্ট্রিমিং দিনজুড়ে নিরবচ্ছিন্ন ব্যবহারের জন্য সেগমেন্টের সবচেয়ে বড় ৮১০০ এমএএইচ ব্লুভোল্ট ব্যাটারি নিয়ে এসেছে ভিভো ওয়াই৫০০। এক চার্জে চলবে সর্বোচ্চ ১০ ঘণ্টা পাবজি গেমিং, ১৩.৫ ঘণ্টা নেভিগেশন এবং ৩৫ ঘণ্টা ভিডিও প্লেব্যাক। এমনকি ১০ ঘণ্টা টানা ব্যবহারের পরও প্রায় ৪০ শতাংশ চার্জ অবশিষ্ট থাকে।
বড় ব্যাটারির পাশাপাশি চার্জিং সুবিধাতেও রয়েছে বাড়তি স্বাচ্ছন্দ্য। আছে রিভার্স চার্জিং ও বাইপাস চার্জিং সুবিধা। পাশাপাশি ৬ বছরের ব্যাটারি হেলথ গ্যারান্টি দীর্ঘদিন নির্ভরযোগ্য ব্যাটারি পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।
লম্বা সময় আরামদায়ক ভিউয়িং অভিজ্ঞতার জন্য এতে রয়েছে ৬.৮৩ ইঞ্চির ১.৫কে ইনফিনিটি অ্যামোলেড ডিসপ্লে। ১.৩৫ মিমি আল্ট্রা-ন্যারো বেজেল, ৯৪.৪৭ শতাংশ স্ক্রিন-টু-বডি রেশিও, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট, সর্বোচ্চ ৫০০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস এবং আই প্রোটেকশন মোড ডিসপ্লের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করে।
মসৃণ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করতে ভিভো ওয়াই৫০০-এ রয়েছে ৬ ন্যানোমিটার আল্ট্রা স্মুথ প্রসেসর, যার আনতুতু স্কোর ৬,৮০,০০০ হাজার। গেমিং সাপোর্ট, কার্যকর হিট ম্যানেজমেন্ট ও ৫০ মাসের স্মুথ এক্সপেরিয়েন্স সার্টিফিকেশন দীর্ঘদিন নিরবচ্ছিন্ন পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে।
পার্ল হোয়াইট ও মিডনাইট ব্লু- এই দুটি আকর্ষণীয় রঙে পাওয়া যাবে ভিভো ওয়াই৫০০। নেব্যুলা উইন্ডো ক্যামেরা মডিউল ও স্লিম মেটালিক ফ্রেম দিয়েছে প্রিমিয়াম লুক।
নিত্যদিনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখেই তৈরি ভিভো ওয়াই৫০০। এতে রয়েছে আইপি৬৯ আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি এবং অ্যান্টি-ড্রপ আর্মর ডিজাইন, যা বিভিন্ন পরিবেশে বাড়তি সুরক্ষা ও আত্মবিশ্বাস দেবে।
ক্যামেরার দিক থেকেও নতুন ভিভো ওয়াই৫০০ বেশ সমৃদ্ধ। এতে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেল সনি মেইন ক্যামেরা, ৩২ মেগাপিক্সেল ফ্রন্ট ক্যামেরা এবং এআই ইরেজ ২.০, এআই রিটাচ ও চেঞ্জ স্কাই-এর মতো এআই ফিচার। এসব ফিচার ছবিকে আরও আকর্ষণীয় ও সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ারের উপযোগী করে।
অরিজিন ওএস ৬-এর উন্নত অপটিমাইজেশন প্রযুক্তি দীর্ঘ সময় স্মুথ পারফরম্যান্স নিশ্চিত করে, ফলে র্যাম ম্যানেজমেন্ট নিয়ে আর ভাবতে হবে না।
বাংলাদেশে ভিভো ওয়াই৫০০ ৬ জিবি + ১২৮ জিবি এবং ৬ জিবি + ২৫৬ জিবি এই দুটি ভ্যারিয়েন্টে পাওয়া যাবে। দাম যথাক্রমে ৩৬,৯৯৯ টাকা এবং ৪৩,৯৯৯ টাকা। ৮ জুলাই প্রি-অর্ডার শুরু হবে। প্রি-অর্ডার গ্রাহকরা পাবেন ভিভো ও মিনিসোর সহযোগিতায় লিমিটেড এডিশন গিফট সেট, যেখানে থাকবে পেনপেন পুতুল, ফোন কভার, এক্সক্লুসিভ স্টিকার। এছাড়া থাকছে সর্বোচ্চ ৯ মাস পর্যন্ত ০% ইএমআই সুবিধাসহ আরও চমক (প্রযোজ্য শর্তাবলি সাপেক্ষে) ।
দীর্ঘস্থায়ী ব্যাটারি, নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স ও দারুণ বিনোদন অভিজ্ঞতা নিয়ে ভিভো ওয়াই৫০০ হবে সারাদিনের নির্ভরযোগ্য সঙ্গী।
ইউনিভার্সাল কলেজ বাংলাদেশ (ইউসিবিডি)-এর ২০২৬ সালের বার্ষিক সমাবর্তন গতকাল মঙ্গলবার (৭ জুলাই) রাজধানীর লে মেরিডিয়ান, ঢাকায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। সমাবর্তনে মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার (এমইউএফওয়াই) ও মোনাশ কলেজ ডিপ্লোমা (এমসিডি) প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করা ১৭৮ শিক্ষার্থীর হাতে সনদ তুলে দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশনের ভারপ্রাপ্ত হাইকমিশনার নিকোলাস ম্যাকলিন। সদ্য স্নাতকদের অভিনন্দন জানিয়ে তিনি বলেন, “আজকে উপস্থিত সকল স্নাতকদের প্রতি আমার আন্তরিক অভিনন্দন। বর্তমানে, অস্ট্রেলিয়া-বাংলাদেশ বাণিজ্য বৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠেছে শিক্ষা সেবা। বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়ানোর যে লক্ষ্য নিয়ে আমরা কাজ করছি সেখানে উচ্চশিক্ষা ও কারিগরি দক্ষতা উন্নয়ন-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, “যে সকল শিক্ষার্থীরা উচ্চশিক্ষার জন্য অস্ট্রেলিয়াকে বেঁছে নিয়েছেন, আমরা সবসময়ের মতই তাদের পাশে থাকতে চাই। আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।”
এছাড়া, বিশেষ অতিথি হিসেবে ছিলেন অস্ট্রেলিয়ার মোনাশ কলেজের এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর (পাথওয়েজ পার্টনারশিপস) তানিয়া পেরেরা। তিনি বলেন, “আজ এই শিক্ষার্থীদের সামনে দাঁড়িয়ে আমি সত্যিই অনুপ্রাণিত। এ অর্জনের পেছনে তাঁদের যে নিষ্ঠা ও অধ্যবসায় রয়েছে, তা প্রশংসনীয়। তাঁরা প্রমাণ করেছেন, বৈশ্বিক পরিসরে সফল হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় মানসিক প্রস্তুতি ও একাডেমিক সক্ষমতা তাঁদের রয়েছে।”
বাংলাদেশে মোনাশ কলেজের একমাত্র অংশীদার হিসেবে ইউসিবিডি আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত পাথওয়ে প্রোগ্রাম পরিচালনা করছে, যার মাধ্যমে শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশে বসেই অস্ট্রেলিয়ার উচ্চশিক্ষা যাত্রা শুরু করতে পারেন। এসব প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করার পরে তাঁরা মোনাশ ইউনিভার্সিটিসহ বিশ্বের বিভিন্ন শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা চালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পান।
ইউসিবিডি’র মোনাশ ইউনিভার্সিটি ফাউন্ডেশন ইয়ার প্রোগ্রামটি স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির ভিত্তি হিসেবে কাজ করে। অন্যদিকে মোনাশ কলেজ ডিপ্লোমা প্রোগ্রামটি মোনাশ ইউনিভার্সিটির নির্ধারিত স্নাতক ডিগ্রির প্রথম বর্ষের সমমান। ফলে এ প্রোগ্রাম সফলভাবে সম্পন্ন করা শিক্ষার্থীরা সরাসরি দ্বিতীয় বর্ষে ভর্তি হওয়ার সুযোগ পান।
অনুষ্ঠানে এসটিএস গ্রুপের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মানাস সিং বলেন, “বিশ্বজুড়ে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের জন্য ভিসানীতি ও অন্যান্য বিধিনিষেধ কঠোর হলেও ইউসিবিডির শিক্ষার্থীরা নির্বিঘ্নে অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষায় অগ্রসর হচ্ছেন। এটি আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে আমাদের অঙ্গীকারেরই প্রতিফলন। বিশ্বমানের একাডেমিক ভিত্তি সব সময়ই শিক্ষার্থীদের জন্য বৈশ্বিক সুযোগের দ্বার খুলে দেয়।”
দেশি ডিলাইটস লিমিটেড ঢাকার গুলশান-২-এ লেকশোর গ্র্যান্ডের লা ভিটা হলে “বাংলাদেশ টু দ্য ওয়ার্ল্ড” থিমে Deshi Delights Global Showcase Evening আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট অতিথি, ব্র্যান্ড পার্টনার, SME, কারিগর, গণমাধ্যম প্রতিনিধি, লজিস্টিকস পার্টনার এবং ব্যবসায়িক স্টেকহোল্ডাররা।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দ্য অনারেবল আফরোজা খানম রিতা এমপি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন এবং বক্তব্য রাখেন সারফরাজ আলী, Founder and Director, Deshi Delights Ltd; মি. কবির আহমেদ, Chairman, Conveyor Group; জেসন ব্যারেট, Director, Deshi Delights and ISE Logistics; এবং আহমেদ জাকী, Director, Deshi Delights।
সন্ধ্যার সূচনা হয় ঐতিহ্যবাহী বাংলা লোকসংগীত পরিবেশনার মাধ্যমে, যা বাংলাদেশের সংস্কৃতি, সৃজনশীলতা, উদ্যোগ এবং বৈশ্বিক বাণিজ্যিক সম্ভাবনাকে তুলে ধরে।
দেশি ডিলাইটসকে একটি বাংলাদেশ-নির্মিত আন্তর্জাতিক B2C মার্কেটপ্লেস এবং অনবোর্ডিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে উপস্থাপন করা হয়, যার লক্ষ্য বাংলাদেশি ব্র্যান্ড, SME, কারিগর, উৎপাদক এবং পণ্যকে সরাসরি বিদেশি ভোক্তাদের সঙ্গে যুক্ত করা।
প্ল্যাটফর্মটি বাংলাদেশি ব্যবসাগুলোকে ব্র্যান্ড অনবোর্ডিং, পণ্য উপস্থাপন, ডিজিটাল কমার্স, লজিস্টিকস সমন্বয়, আন্তর্জাতিক ফুলফিলমেন্ট, মার্কেটিং এবং গ্রাহক ডেলিভারির মাধ্যমে সহায়তা করার জন্য তৈরি। অনুষ্ঠানের অন্যতম মূল বার্তা ছিল—দেশি ডিলাইটস বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে গড়ে ওঠা একটি প্ল্যাটফর্ম, যেখানে বাংলাদেশি ব্র্যান্ড রয়েছে কেন্দ্রে এবং বাংলাদেশে লজিস্টিকস সহায়তা প্রদান করছে বাংলাদেশি লজিস্টিকস সক্ষমতা।
অনুষ্ঠানে সারফরাজ আলী বলেন:
|
“দেশি ডিলাইটস তৈরি করা হয়েছে বাংলাদেশি ব্র্যান্ডকে বিশ্বের দরজায় পৌঁছে দেওয়ার জন্য। বাংলাদেশের অসাধারণ পণ্য, সৃজনশীলতা এবং উদ্যোক্তা প্রতিভা রয়েছে। আমাদের লক্ষ্য হলো ব্র্যান্ড, SME, কারিগর এবং উৎপাদকদের একটি বিশ্বাসযোগ্য পথ তৈরি করে দেওয়া, যাতে তারা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বিদেশি ভোক্তাদের কাছে পৌঁছাতে পারে।” |
দেশি ডিলাইটস প্রথম আন্তর্জাতিক বাজার হিসেবে যুক্তরাজ্য দিয়ে যাত্রা শুরু করছে এবং ভবিষ্যতে মালদ্বীপ, শ্রীলঙ্কা, ইউরোপীয় ইউনিয়ন, যুক্তরাষ্ট্রসহ অন্যান্য বৈশ্বিক বাজারে সম্প্রসারণের পরিকল্পনা রয়েছে।
সিম্বলিক লঞ্চ মোমেন্ট, মিডিয়া এনগেজমেন্ট, ব্র্যান্ড পার্টনার নেটওয়ার্কিং এবং ডিনারের মাধ্যমে অনুষ্ঠান শেষ হয়, যা বাংলাদেশি পণ্য, ব্র্যান্ড এবং গল্পকে বিশ্বের সামনে তুলে ধরার যৌথ অঙ্গীকারকে আরও শক্তিশালী করে।
দেশের শীর্ষস্থানীয় ফ্যাশন ব্র্যান্ড টুয়েলভ ক্লদিং গ্রাহকদের কেনাকাটায় বাড়তি আনন্দ যোগ করতে নিয়ে এসেছে বিশেষ প্রচারণা। এই অফারের আওতায় বাংলাদেশের সব টুয়েলভ আউটলেটে একক ক্রয়ে ৫,০০০ টাকার কেনাকাটা করলেই গ্রাহকরা পাবেন ৫০০ টাকার ইনস্ট্যান্ট ভাউচার ব্যবহারের সুযোগ।
ফ্যাশনে আধুনিকতা, গুণগত মান এবং স্বাচ্ছন্দ্যের সমন্বয়ে টুয়েলভ ক্লদিং দীর্ঘদিন ধরে সব বয়সী ফ্যাশনসচেতন ক্রেতাদের আস্থার নাম। গ্রাহকদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ এবং কেনাকাটার অভিজ্ঞতাকে আরও মূল্যবান করে তুলতেই এই বিশেষ আয়োজন।
প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, অফারটি বাংলাদেশের সব টুয়েলভ আউটলেটে প্রযোজ্য। তবে ভাউচার সীমিত সংখ্যক হওয়ায় ক্রেতাদের বেশ আগ্রহও লক্ষ করা গেছে এই কেনাকাটায়।
স্টাইল, মান এবং সাশ্রয়ের অনন্য সমন্বয়ে টুয়েলভ ক্লদিংয়ের এই আয়োজন ফ্যাশনপ্রেমীদের জন্য হতে পারে ঈর্ষণীয় এক কেনাকাটার সুযোগ।
পরিবেশবান্ধব ও টেকসই প্যাকেজিং শিল্পের বিকাশে নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস। গাজীপুরের টঙ্গী শিল্প এলাকায় চালু হওয়া ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক কারখানার বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেট্রিক টন পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল প্যাকেজিং তৈরির সক্ষমতা রয়েছে। এই কারখানায় উৎপাদিত বায়োডিগ্রেডেবল বা পচনশীল পণ্য মাত্র ছয় মাসের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে যাবে।
আজ ৭ জুলাই ২০২৬, মঙ্গলবার গাজীপুরের টঙ্গীতে ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক কারখানার আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করেন ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক তামারা হাসান আবেদ। তিনি বলেন, ‘ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেস-এ আমরা বিশ্বাস করি, ব্যবসা শুধু অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির মাধ্যম নয়; এটি ইতিবাচক সামাজিক ও পরিবেশগত পরিবর্তনেরও শক্তিশালী চালিকাশক্তি। ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক আমাদের সেই অঙ্গীকারেরই বাস্তব প্রতিফলন। পরিবেশবান্ধব ও বায়োডিগ্রেডেবল প্যাকেজিং সমাধানের মাধ্যমে আমরা প্লাস্টিক দূষণ কমিয়ে একটি টেকসই ভবিষ্যৎ নির্মাণে অবদান রাখতে চাই।’
তামারা হাসান আবেদ বলেন, ‘ব্র্যাক গ্রিনপ্যাক শুধু একটি পণ্য উৎপাদন কারখানা নয়; এটি উদ্ভাবন, দায়িত্বশীল ব্যবসা এবং পরিবেশের প্রতি ব্র্যাকের দীর্ঘমেয়াদি প্রতিশ্রুতির প্রতীক। আমরা বিশ্বাস করি, এ উদ্যোগ প্লাস্টিক দূষণ হ্রাস করে একটি পরিচ্ছন্ন, সবুজ ও টেকসই বাংলাদেশ গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।’
অনুষ্ঠানে ব্র্যাকের চিফ ফাইন্যান্সিয়াল অফিসার সাব্বির আহমেদ ও ব্র্যাক এন্টারপ্রাইজেসের ঊর্ধ্বতন পরিচালক মোহাম্মদ আনিসুর রহমানসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে জানানো হয়, বর্তমানে গ্রিনপ্যাক কারখানাতে প্রতি মাসে ১২ থেকে ১৫ মেট্রিক টন পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং উৎপাদিত হচ্ছে। তবে এই কারখানার বছরে ৩০০ থেকে ৩৫০ মেট্রিক টন পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিং তৈরির সক্ষমতা রয়েছে। এর মাধ্যমে প্রতিবছর সমপরিমাণ প্রচলিত প্লাস্টিক প্যাকেজিংয়ের ব্যবহার প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে, যা পরিবেশে প্লাস্টিক বর্জ্যের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমাতে সহায়ক হবে।
অনুষ্ঠানে বৈশ্বিক প্লাস্টিক দূষণের চ্যালেঞ্জ তুলে ধরে জানানো হয়, বিশ্বে প্রতি বছর ৪০০ মিলিয়ন মেট্রিক টনেরও বেশি প্লাস্টিক উৎপাদিত হয়, যার প্রায় ৪০ শতাংশ প্যাকেজিং খাতে ব্যবহৃত হয়। প্রচলিত প্লাস্টিক যেখানে সম্পূর্ণভাবে পচে যেতে ২০০ থেকে ৫০০ বছর সময় নেয়, সেখানে ব্র্যাক গ্রিনপ্যাকের বায়োডিগ্রেডেবল পণ্য মাত্র ছয় মাসের মধ্যে প্রাকৃতিকভাবে মাটির সঙ্গে মিশে যায়। ফলে এটি পরিবেশবান্ধব প্যাকেজিংয়ের একটি কার্যকর ও টেকসই বিকল্প হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
গ্রাহকদের জন্য ডিজিটাল পেমেন্ট সেবাকে আরও সহজ, নিরাপদ ও আধুনিক করার লক্ষ্যে জনতা ব্যাংক পিএলসি এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংক পিএলসির মধ্যে নেক্সাস (Nexus) পেমেন্ট গেটওয়ে এবং রকেট (Rocket)-এর মাধ্যমে অনলাইন লেনদেন বিষয়ক এক চুক্তি স্বাক্ষর হয়েছে।
৭ জুলাই’২৬ মঙ্গলবার জনতা ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে জনতা ব্যাংকের চেয়ারম্যান মুহঃ ফজলুর রহমান সিএসপি, এমডি মোঃ মজিবর রহমান, ডিএমডি কাজী আব্দুর রহমান ও মোঃ ফয়েজ আলম এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এমডি এন্ড সিইও মো. এহতেশামুল হক খান, ডিএমডি মোঃ সাহাদাত হোসেনসহ উভয় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন নির্বাহীবৃন্দ উপস্থিতিত ছিলেন। চুক্তিপত্রে জনতা ব্যাংকের আইসিটি ডিভিশনের জিএম মোহাম্মদ আনিস এবং ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের এসইভিপি ও ব্রাঞ্চ অপারেশন এন্ড লায়্যাবিলিটি ডিভিশনের প্রধান আব্দুল্লাহ আল মাসুদ নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে স্বাক্ষর করেন।
এই চুক্তির আওতায় জনতা ব্যাংকের নিজস্ব পেমেন্ট গেটওয়ে ‘জনতা পে (JanataPay) ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের নেক্সাস ডেবিট কার্ড (Nexus Debit Card), রকেট (Rocket), ভিসা কার্ড এবং মাষ্টারকার্ডের মাধ্যমে অনলাইন পেমেন্ট গ্রহণের সুবিধা যুক্ত হবে। এর ফলে ‘জনতা পে’ এর সাথে যুক্ত বিভিন্ন ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান, মার্চেন্ট ও সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের গ্রাহকরা আরও সহজ, দ্রুত ও নিরাপদ উপায়ে অনলাইন লেনদেন সম্পন্ন করতে পারবেন।
এ উদ্যোগ দেশের ডিজিটাল আর্থিক সেবার পরিধি সম্প্রসারণ, ক্যাশলেস লেনদেনকে উৎসাহিত করা এবং গ্রাহকদের জন্য আরও উন্নত, সুরক্ষিত ও নিরবচ্ছিন্ন পেমেন্ট নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।
পূবালী ব্যাংকের ঢাকার ধানমন্ডি শাখা ‘ক্যাশলেস ধানমন্ডি’ শীর্ষক একটি সচেতনতামূলক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে। এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে পূবালী ব্যাংক এ তথ্য জানায়।
ঢাকার ধানমন্ডির রবীন্দ্রসরোবরে আয়োজিত অনুষ্ঠানে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আবদুর রহিম সাকি প্রধান অতিথি এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান ও পূবালী ব্যাংকের সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আবদুল হালিম চৌধুরী বিশেষ অতিথি ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন পূবালী ব্যাংকের এমডি মোহাম্মদ আলী, ডিএমডি মো. শাহনেওয়াজ খান প্রমুখ।
ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে ঢাকা ব্যাংকের ৩১তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদ্যাপিত হয়েছে। এই দীর্ঘ পথচলার মাইলফলক উদ্যাপন উপলক্ষে গত রোববার রাজধানীর প্রধান কার্যালয়ে এক আড়ম্বরপূর্ণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়, যেখানে দোয়া মাহফিল ও কেক কাটার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হয়। অনুষ্ঠানে ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার, ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ওসমান এরশাদ ফয়েজসহ অন্যান্য পরিচালক এবং ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা সশরীরে উপস্থিত ছিলেন। বর্তমানে চিকিৎসার কারণে মালয়েশিয়ায় অবস্থান করা ব্যাংকের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ ভার্চ্যুয়ালি এই আয়োজনে যুক্ত হন।
অনুষ্ঠানের স্বাগত বক্তব্যে ব্যবস্থাপনা পরিচালক ওসমান এরশাদ ফয়েজ ব্যাংকের গত তিন দশকেরও বেশি সময়ের সফল যাত্রার নানা দিক তুলে ধরেন। এ সময় তিনি উদ্ভাবন, আধুনিক প্রযুক্তি ও গ্রাহককেন্দ্রিক সেবা নিশ্চিত করে টেকসই প্রবৃদ্ধির মাধ্যমে ব্যাংকের ‘ট্রান্সফর্মিং টুগেদার’ নামক প্রতিশ্রুতির বাস্তবায়নে নিজেদের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। অন্যদিকে, ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে প্রতিষ্ঠাতা মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ দেশের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংক হিসেবে ঢাকা ব্যাংকের বিকাশের স্মৃতিচারণা করেন। তিনি পরিচালনা পর্ষদ ও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অভিনন্দন জানিয়ে সবাইকে সততা, পেশাদারত্ব ও উৎকর্ষের সঙ্গে গ্রাহকসেবায় আত্মনিয়োগ করার আহ্বান জানান।
ব্যাংকের চেয়ারম্যান আবদুল হাই সরকার তার বক্তব্যে দীর্ঘ ৩১ বছরের এই সাফল্যের পুরো কৃতিত্ব গ্রাহক, শেয়ারহোল্ডার, নিয়ন্ত্রক সংস্থা ও সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের অব্যাহত আস্থা ও সহযোগিতাকে দেন। পাশাপাশি সুশাসন, টেকসই ব্যাংকিং এবং ডিজিটাল রূপান্তরের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি মূল্য সৃষ্টিতে পরিচালনা পর্ষদের পক্ষ থেকে দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন তিনি। এই আনন্দঘন আয়োজনে ব্যাংকের অন্যান্য পরিচালক এবং স্বতন্ত্র পরিচালকেরাও নিজেদের বক্তব্য তুলে ধরেন এবং ব্যাংকের ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির জন্য শুভকামনা জানান।
কর্মীদের অসাধারণ কর্মদক্ষতা ও সাফল্যের স্বীকৃতি দিতে ‘We Value You’ শীর্ষক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে যমুনা ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড অটোমোবাইলস লিমিটেড। অনুষ্ঠানে দেশের বিভিন্ন যমুনা প্লাজা থেকে নির্বাচিত মাসসেরা সেলস পারফর্মারদের সম্মাননা ক্রেস্ট, সনদপত্র ও বিশেষ পুরস্কার দেওয়া হয়।
প্রতিষ্ঠানটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, কর্মীদের দক্ষতা, নিষ্ঠা, পেশাদারিত্ব এবং গ্রাহকসেবায় অবদানকে মূল্যায়নের ধারাবাহিক উদ্যোগের অংশ হিসেবে এ আয়োজন করা হয়েছে। নির্বাচিত পারফর্মারদের সম্মান জানানোর পাশাপাশি তাদের অন্য সহকর্মীদের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে তুলে ধরা হয়।
এবার মাসসেরা সেলস পারফর্মার হিসেবে নির্বাচিত হয়েছেন যমুনা ফিউচার পার্ক (জেএফপি) প্লাজার এম ডি পলাশ আলী, কসবা প্লাজার এম ডি পারভেজ মিয়া, জিরাবো প্লাজার রিংকু তালুকদার, লাকসাম প্লাজার রফিকুল ইসলাম, গফরগাঁও প্লাজার এস এম আক্তারুজ্জামান এবং গাইবান্ধার পলাশবাড়ী প্লাজার এম ডি রাশিদুল ইসলাম। বিক্রয় দক্ষতা, গ্রাহকসেবায় আন্তরিকতা এবং নির্ধারিত লক্ষ্য অর্জনে সফলতার জন্য তারা এ স্বীকৃতি পান।
অনুষ্ঠানে নির্বাচিত পারফর্মাররা যমুনা গ্রুপের চেয়ারম্যান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও গ্রুপ ডিরেক্টরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ ও ফটোসেশনে অংশ নেন। এ সময় প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা তাদের হাতে সম্মাননা তুলে দেন।
অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, একটি প্রতিষ্ঠানের সাফল্যের পেছনে দক্ষ ও নিবেদিতপ্রাণ কর্মীদের অবদান সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ। কর্মীদের অর্জনের স্বীকৃতি দিলে তাঁদের আত্মবিশ্বাস ও কর্মস্পৃহা বাড়ে, যা প্রতিষ্ঠানের টেকসই প্রবৃদ্ধি এবং গ্রাহকসেবার মানোন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা রাখে।
সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, যমুনা ইলেকট্রনিকস অ্যান্ড অটোমোবাইলস লিমিটেড বিশ্বাস করে প্রতিটি সাফল্যের পেছনে মানুষের আন্তরিক প্রচেষ্টা রয়েছে। তাই কর্মীদের অবদানকে যথাযথ মূল্যায়ন ও সম্মান জানানোর এ উদ্যোগ ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে। প্রতিষ্ঠানটির ভাষ্য, ‘We Value You’ শুধু একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠান নয়, বরং কর্মীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা, সম্মান ও উৎকর্ষের স্বীকৃতি জানানোর একটি বিশেষ উদ্যোগ।