রোববার, ২১ এপ্রিল ২০২৪

কমতে কমতে টুইটারে এখন ২৩০০ কর্মী

প্রতীকী অর্থে টুইটারের বর্তমান দশা এই ছবির মতোই। ছবি: আনস্প্ল্যাশ
আপডেটেড
২১ জানুয়ারি, ২০২৩ ২১:১২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২১ জানুয়ারি, ২০২৩ ২১:১১

টুইটারে এখন সক্রিয় কর্মীর সংখ্যা ২ হাজার ৩০০ জন। শনিবার এক টুইটে এ কথা জানান প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ইলন মাস্ক।

টুইটে মার্কিন সংবাদমাধ্যম সিএনবিসির এক প্রতিবেদনের উল্লেখ করেন ইলন মাস্ক। শুক্রবার সংবাদমাধ্যমটি জানায়, টুইটারের পূর্ণকালীন কর্মীসংখ্যা কমে ১ হাজার ৩০০-তে নেমে এসেছে, যাদের মধ্যে ৫৫০ জনের কম প্রকৌশলী।

গোপন প্রাতিষ্ঠানিক নথির বরাত দিয়ে সিএনবিসি আরও জানায়, সেই ১ হাজার ৩০০ কর্মীর প্রায় ৭৫ জন ছুটিতে। ছুটিতে থাকা ওই কর্মীদের ৪০ জন প্রকৌশলী।

সিএনবিসির প্রতিবেদনের উল্লেখ করে ইলন মাস্ক বলেন, সেটি সঠিক নয়। টুইটারে প্রায় ২ হাজার ৩০০ জন সক্রিয় কর্মী কাজ করছেন।

এর পাশাপাশি টুইটারে কয়েক হাজার চুক্তিভিত্তিক কর্মী ও অন্যান্য বিভাগে এখনও শত শত কর্মী কাজ করছেন বলেও উল্লেখ করেন মাস্ক।

গত অক্টোবরে টুইটার কেনার পর প্রতিষ্ঠানে বেশ কিছু পরিবর্তন আনেন ইলন মাস্ক। সে সময় এক ঘোষণায় প্রতিষ্ঠানটির অর্ধেক কর্মী ছাঁটাই করেছিলেন তিনি।

বিষয়:

বন্ধ হচ্ছে অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে একটি অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: পিআইডি
আপডেটেড ২০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:৫০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিবন্ধন ও আবেদনের বাইরে থাকা নিউজ পোর্টালগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। এ জন্য সেগুলোর তালিকা বিটিআরসিতে পাঠানো হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

শনিবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটিতে মিট দ্য রিপোর্টার্স অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, দেশে নিবন্ধিত নিউজ পোর্টালের সংখ্যা ২১৩টি। এ ছাড়া পত্রিকার অনলাইনসহ বর্তমানে ৪২৬টি নিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল রয়েছে। আরও বেশ কিছু নিউজ পোর্টাল নিবন্ধনের জন্য আবেদন করেছে। এর বাইরে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সবগুলো নিউজ পোর্টালের তালিকা করা হয়েছে। নিবন্ধন ও আবেদনের বাইরে থাকা পোর্টালগুলো বন্ধ করে দেওয়ার জন্য তালিকা বিটিআরসিতে পাঠানো হচ্ছে।

চটকদার ও মিথ্যা সংবাদ প্রচার করা নিউজ পোর্টাল বন্ধ করে দেওয়ার জন্য সাংবাদিকদের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়েছিল বলে উল্লেখ করেন তিনি।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটির সভাপতি সৈয়দ শুকুর আলী শুভ, আর সঞ্চালনা করেন ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মো. মিজানুর রহমান।


যেকারণে দেশে ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবলের (সিমিউই-৫) সংযোগ বন্ধ থাকায় ইন্টারনেট সেবা ব্যাহত হচ্ছে। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাত ১২টার পর সমস্যা শুরু হয় বলে জানা গেছে। ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানসহ গ্রাহকেরাও এর ফলে ধীরগতি পাচ্ছেন।

ব্যান্ডউইডথ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ সাবমেরিন কেবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি) জানিয়েছে, সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল ‘ব্রেক’ করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মির্জা কামাল আহমেদ বলেন, ‘সিমিউই-৫ দিয়ে দেশে ১ হাজার ৬০০ জিবিপিএস ব্যান্ডউইডথ সরবরাহ হয়। এর পুরোটাই এখন বন্ধ আছে। আমরা চেষ্টা করছি সিমিউই-৪ (প্রথম সাবমেরিন কেবল) দিয়ে বিকল্প ব্যবস্থা করতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিঙ্গাপুরে ফাইবার কেবল ব্রেক করায় বাংলাদেশের পাশাপাশি আরও কয়েকটি দেশে একই অবস্থা তৈরি হয়েছে। আজ শনিবার বিকেলের মধ্যে জানা যাবে, এটা কবে নাগাদ স্বাভাবিক হবে।’

ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডারস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি) সভাপতি ইমদাদুল হক বলেন, তারা গ্রাহকদের ফোন পাচ্ছেন। গ্রাহকেরা ইন্টারনেট সেবার ধীরগতির অভিযোগ করছেন।


‘স্বচ্ছতার সাথে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই হবে’

বৃহস্পতিবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলচ্চিত্র বাছাই কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কথা বলেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:৪৮
বাসস

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেছেন, স্বচ্ছতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে সরকারি অনুদানের চলচ্চিত্র বাছাই করা হবে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভা কক্ষে চলচ্চিত্র বাছাই কার্যক্রমের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, সরকারি অনুদানে চলচ্চিত্র নির্মাণের ক্ষেত্রে সরকার আরও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করতে চায়। স্বচ্ছ ও জবাবদিহিমূলক প্রক্রিয়ায় যাতে চলচ্চিত্র নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদান করা হয়, সে ব্যাপারে সরকার সচেষ্ট।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট দক্ষ ও অভিজ্ঞ ব্যক্তিরা যাতে অনুদানের জন্য বাছাই প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে পারেন, সরকার সেটিও নিশ্চিত করতে চায় সরকার।

সরকারি অনুদান প্রদানের জন্য স্বচ্ছতা ও সর্বোচ্চ পেশাদারিত্বের সঙ্গে চলচ্চিত্র বাছাইয়ের কার্যক্রম শুরু করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

এ লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সামনে প্রস্তাবিত চলচ্চিত্রগুলো নিয়ে পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা শুরু হয়েছে। ২০২৩-২৪ অর্থবছরে অনুদান প্রাপ্তির জন্য আবেদনকৃত মোট ১৯৫ টি পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের মধ্য থেকে প্রাথমিকভাবে বাছাইকৃত ৪৫ টি চলচ্চিত্রের পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা শুরু হয়েছে।

এ দিন পাওয়ার পয়েন্ট উপস্থাপনা দেখে চলচ্চিত্রগুলোকে স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্যরা গোপনীয়ভাবে আলাদা আলাদা নম্বর দিয়েছেন। ওই সময় চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্যরাও পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, বাছাই কমিটির সদস্যরা আন্তর্জাতিকভাবে প্রচলিত বিভিন্ন মানদনদণ্ডের ওপর ভিত্তি করে আবেদনকৃত চলচ্চিত্রের প্রস্তাবনার ওপর আলাদা নম্বর প্রদান করছেন। পরবর্তীতে সব সদস্যদের নম্বরগুলো গড় করে সর্বোচ্চ নম্বর পাওয়া আবেদনগুলো অনুদানের জন্য বিবেচিত হবে। সর্বোচ্চ নিরপেক্ষতা ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার স্বার্থে এ ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার, যুগ্ম সচিব মো. কাউসার আহাম্মদ, উপসচিব মো. সাইফুল ইসলাম, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদানের স্ক্রিপ্ট বাছাই কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টেলিভিশন, ফিল্ম অ্যান্ড ফটোগ্রাফি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক রিফফাত ফেরদৌস, চলচ্চিত্র নির্মাতা মো. মুশফিকুর রহমান গুলজার, অভিনেত্রী ফাল্গুনী হামিদ ও আফসানা মিমি, পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র অনুদান কমিটির সদস্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন অধ্যয়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড.আবু জাফর মো. শফিউল আলম ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের থিয়েটারও পারফরম্যান্স বিভাগের অধ্যাপক ও অভিনেত্রী ওয়াহিদা মল্লিক জলি, স্টামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড মিডিয়া বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ও চলচ্চিত্র নির্মাতা মতিন রহমান, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক সমিতির সভাপতি ও চলচ্চিত্র নির্মাতা কাজী হায়াৎ, চলচ্চিত্র নির্মাতা অমিতাভ রেজা চৌধুরী চলচ্চিত্রের উপস্থাপনায় উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, চলচ্চিত্র শিল্পে মেধা ও সৃজনশীলতাকে উৎসাহিত করা এবং বাংলাদেশের আবহমান সংস্কৃতি সমুন্নত রাখার লক্ষ্যে স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা, মানবীয় মূল্যবোধসম্পন্ন জীবনমুখী, রুচিশীল ও শিল্পমানসমৃদ্ধ চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা দেওয়ার উদ্দেশ্যে চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি অনুদান প্রদান নীতিমালা, ২০২০ (সংশোধিত)–এর ভিত্তিতে সরকারি অনুদান প্রদান করা হয়।


বাংলাদেশ থেকেই দেখা যাবে এই ধূমকেতু

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ ২০:১০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে দেখা যাবে ধূমকেতু ১২পি/পনস-ব্রুকস। প্রায় ৭১ বছর পর সূর্যের সবচেয়ে কাছাকাছি অবস্থান করায় আগামী ২১ এপ্রিল বাংলাদেশ থেকে সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে সাড়ে ৭টার ভেতর দেখা যাবে ধূমকেতুটি। তবে আকাশে মেঘ থাকলে এটি দেখার সম্ভাবনা কমে যাবে।

ধূমকেতু দেখতে পাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছে বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশনের।

বিরল এই ধূমকেতু পর্যবেক্ষণের যৌথ উদ্যোগ নিয়েছে রাজশাহী অ্যাস্ট্রোনমি সেন্টার এবং বাংলাদেশ অ্যাস্ট্রোনমিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন। যা উন্মুক্ত রাখা হয়েছে আগ্রহী সবার জন্য।

ধূমকেতুটি আগামী ২১ এপ্রিল সূর্যাস্তের সময় থেকে ঘণ্টাখানেক আকাশে অবস্থান করবে। ওই দিন সন্ধ্যা সোয়া ৬টা থেকে সাড়ে ৭টা পর্যন্ত রাজশাহীর পদ্মাপাড়ের টি-বাঁধে ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পের আয়োজন করা হয়েছে। আগ্রহী সবার জন্য ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ ক্যাম্পটি উন্মুক্ত থাকবে। এর পাশাপাশি বৃহস্পতি গ্রহ এবং চাঁদ দেখার আয়োজনও থাকবে।

একাধিক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, জ্যোতির্বিজ্ঞানী ধূমকেতুটিকে নাম দিয়েছেন ১২পি/পনস-ব্রুকস বা ‘ডেভিল কমেট’ যার অর্থ ‘শিংওয়ালা ধূমকেতু’। কারণ, সূর্যের কাছাকাছি ধূমকেতুটি দেখতে কিছুটা শিংয়ের মতো হয়।


কাল বিঘ্ন ঘটতে পারে ইন্টারনেট সেবায়

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১৭ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:৪৭
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য আগামীকাল এক ঘণ্টা বন্ধ থাকবে দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন কেবল (সি-মি-উই-৫)। এর ফলে সাময়িক বিঘ্ন ঘটতে পারে ইন্টারনেট সেবায়। গ্রাহকরা সাময়িকভাবে ইন্টারনেটে ধীরগতির সম্মুখীন হতে পারেন।

আজ বুধবার এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ সাবমেরিন ক্যাবলস পিএলসি (বিএসসিপিএলসি)।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, কুয়াকাটায় স্থাপিত দেশের দ্বিতীয় সাবমেরিন ক্যাবলের (সি-মি-উই-৫) রক্ষণাবেক্ষণ কাজের জন্য বৃহস্পতিবার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাত ৩টা থেকে ৪টা পর্যন্ত এক ঘণ্টা ক্যাবলটির মাধ্যমে ইন্টারনেট ব্যান্ডউইথ পরিষেবা বন্ধ থাকবে।

বিএসসিপিএলসি জানায়, একই সময়ে কক্সবাজার ল্যান্ডিং স্টেশন থেকে (সি-মি-উই-৪) সাবমেরিন ক্যাবলের মাধ্যমে ব্যান্ডউইডথ সেবা যথারীতি চালু থাকবে। গ্রাহকরা সাময়িকভাবে ইন্টারনেটে ধীরগতির সম্মুখীন হতে পারেন বা ইন্টারনেট সেবা বিঘ্নিত হতে পারে।


অনিবন্ধিত নিউজ পোর্টাল বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে

মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ে ওনাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় করছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ এপ্রিল, ২০২৪ ২০:২৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশসহ (ওনাব) অন্যান্য পেশাদার সাংবাদিকদের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে অনিবন্ধিত ও অবৈধ অনলাইন নিউজ পোর্টাল বন্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে ওনাবের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্যদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে প্রতিমন্ত্রী এ কথা জানান।

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণ ও নজরদারি করতে চায় না। তবে সাংবাদিক ও অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশনের দাবির সাথে আমি একাত্মতা প্রকাশ করছি যে, একটা শৃঙ্খলা আনা দরকার। যেহেতু নিবন্ধনের একটি প্রক্রিয়া রয়েছে সে প্রক্রিয়া বাস্তবায়ন করা খুবই জরুরি। দায়িত্বশীল সাংবাদিক ও সাংবাদিকতাকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য নিবন্ধিত অনলাইন গণমাধ্যমকে প্রণোদনা ও সমর্থন দেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে, এ বিষয়ে আমি আপনাদের সাথে একমত।’

তিনি বলেন, সাংবাদিকরাই বলছেন শৃঙ্খলার জন্য নজরদারি দরকার। গণমাধ্যম এতটাই মুক্ত ও স্বাধীন যে নিবন্ধন ছাড়াও তারা চলছে এবং নজরদারি ও নিয়ন্ত্রণের কথা পেশাদার সাংবাদিকরাই বলছেন। এটা প্রমাণ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার মুক্ত গণমাধ্যম এবং গণমাধ্যমের পূর্ণাঙ্গ স্বাধীনতায় বিশ্বাস করে। তবে অবাধ স্বাধীনতার কারণে কিছুটা শৃঙ্খলার অভাবও দেখা দিচ্ছে।

মোহাম্মদ আলী আরাফাত বলেন, ‘অনিবন্ধিত পোর্টালগুলোর মাধ্যমে বিভিন্ন ধরনের মানহানিকর অপতথ্যের বিস্তার হয়। এ অপতথ্যের বিস্তার অনলাইন নিউজ পোর্টাল অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের ছাড়াও বিভিন্ন পেশাদার সাংবাদিকদের পীড়া দেয় বলে বিভিন্ন সময় তারা জানিয়েছেন। এটা খুব ভালো দিক যে, আমাদের সাংবাদিকরা চাচ্ছেন গণমাধ্যমে একটা শৃঙ্খলা এবং দায়িত্বশীল সাংবাদিকতার বিকাশ। এখানে সরকার পূর্ণাঙ্গভাবে সাংবাদিকদের সাথে একমত।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার গণমাধ্যমের নিয়ন্ত্রণে নয় বরং স্বচ্ছতায় বিশ্বাস করে, নজরদারিতে নয় বরং দায়িত্বশীলতায় বিশ্বাস করে। আমরা মুক্ত গণমাধ্যম ও স্বাধীন সাংবাদিকতায় বিশ্বাস করি। অপতথ্যের বিস্তৃতি, গুজব ও অপপ্রচার সাংবাদিকতা, গণমাধ্যম, গণতন্ত্র সবকিছুকে ক্ষতিগ্রস্ত করে। সকলের স্বার্থে এগুলো রোধ করার জন্য সরকার ও গণমাধ্যমের একটি অংশীদারিত্ব দরকার।’

গণমাধ্যমের বিজ্ঞাপন নীতিমালাসহ অন্যান্য নীতিমালা সময়োপযোগী ও আধুনিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে বলেও জানান তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী।

মতবিনিময় সভায় উপস্থিত ছিলেন ওনাব’র সভাপতি মোল্লাহ এম আমজাদ হোসেন, সহ-সভাপতি লতিফুল বারী হামিম ও সৌমিত্র দেব, যুগ্ম সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান ও আশরাফুল কবির আসিফ, কার্যনির্বাহী সদস্য নজরুল ইসলাম মিঠু, তৌহিদুল ইসলাম মিন্টু, রফিকুল বাসার, হামিদ মো. জসিম, মহসিন হোসেন, অয়ন আহমেদ ও খোকন কুমার রায় প্রমুখ।


সরকারের নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচীর অনুষ্ঠান দুঃখজনক: তথ্য প্রতিমন্ত্রী

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৫ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:২৫
বাসস

জননিরাপত্তার স্বার্থে সরকারের জারি করা নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচীর অনুষ্ঠান করা ও নেতিবাচক বিবৃতি দেওয়া অনাকাঙ্ক্ষিত ও দুঃখজনক বলে উল্লেখ করেছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

সোমবার সচিবালয়ে তার দপ্তর কক্ষে প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকারের নিরাপত্তা বিষয়ক সংস্থা পহেলা বৈশাখের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য যে নির্দেশনা জারি করেছিল সেই নির্দেশনা উপেক্ষা করে উদীচী শিল্পীগোষ্ঠীর অনুষ্ঠান করা ছিল হঠকারী ও দুঃখজনক। তাদের এই আচরণে সরকার খুবই ব্যথিত ও মর্মাহত।

তিনি বলেন, পহেলা বৈশাখে রমনা বটমূলে এবং যশোরের উদীচীর অনুষ্ঠানে বোমা হামলায় অনেক মানুষ প্রাণ হারিয়েছে এবং অনেকে পঙ্গু হয়েছে। হলি আর্টিজান, শোলাকিয়া ময়দান ও সিলেটে ঈদের জামাতের জঙ্গি হামলা প্রতিরোধ করতে গিয়ে পুলিশের কয়েকজন সদস্য জীবন উৎসর্গ করেছেন এবং জনগণের জীবন বাঁচিয়েছেন। প্রতিটি অনুষ্ঠানে সরকার জনগণের জানমালের নিরাপত্তা দিতে সবসময় সতর্ক থাকায় অতীতে মতো বাংলাদেশে কোন জঙ্গি হামলা বা সন্ত্রাসের ঘটনা ঘটতে পারেনি। এই বিষয়ে সরকার সকলের সহযোগিতা কামনা করে।

তথ্য প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘১৯৯৩ সালে ১৪০০ বঙ্গাব্দে, বাংলা শতবর্ষ বরণ করার সময় বেগম খালেদা জিয়া সরকার বাধা দিয়েছিল। তাদের বাধা দেয়ার উদ্দেশ্য ছিল নিরাপত্তাজনিত নয় বরং বাঙালির সার্বজনীন, অসাম্প্রদায়িক এই উৎসবকে নিরুৎসাহিত করা। বঙ্গবন্ধু কন্যার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বিশ্বাসী সকল সংগঠনসহ বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ তথা আমরা সকলে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করেছিলাম।’

তিনি বলেন, নিরাপত্তা দেওয়া সরকারের কর্তব্য। আশা করব এক্ষেত্রে সবাই সবসময় সহযোগিতা করবেন যাতে আনন্দের অনুষ্ঠান বিষাদে পরিণত না হয়ে যায়।

সরকারি নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে যে অনুষ্ঠান উদীচী করেছে সেখানে যদি কোন দুর্ঘটনা ঘটতো তার দায়-দায়িত্ব কে নিতো এ প্রশ্ন রেখে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘আমরা মনে করি নিয়ম বা নির্দেশ না মেনে অনুষ্ঠান যারা করবেন তাদেরকেই সেই দায়-দায়িত্ব নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ সরকারের উদ্যোগে যথাযথভাবে পহেলা বৈশাখ উদযাপন করা হয় উল্লেখ করে এ সময় আরাফাত আরও যোগ করেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার পহেলা বৈশাখ উদযাপনের জন্য বাংলা নববর্ষ ভাতা ব্যবস্থা করেছে। তাঁর সরকারের সময়ে সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে জাতিসংঘের অঙ্গসংস্থা ইউনেস্কো ২০১৬ সালে বাংলাদেশের ‘মঙ্গল শোভাযাত্রা’-কে বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ অধরা সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।


`প্রধানমন্ত্রী বগুড়াবাসীকে শেখ কামাল আইটি ও জয় স্মার্ট সেন্টার উপহার দিচ্ছেন'

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ এপ্রিল, ২০২৪ ২৩:১৬
বাসস

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বগুড়াবাসীকে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং সেন্টার ও জয় স্মার্ট ডি-সেট সেন্টার উপহার দিবেন বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগ এবং তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। আজ শনিবার বিকেল ৫টার দিকে দুুটি প্রতিষ্ঠানের জন্য জায়গা পরিদর্শনকালে তিনি একথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মতে ‘উন্নয়ন দৃশ্যমান, বাড়বে আরো কর্মসংস্থান’। এই লক্ষ্য নিয়ে তিনি বগুড়ায় একটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হাই টেক পার্ক ও বগুড়া-সিরাজগঞ্জ রেললাইন নির্মাণ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন। তিনি বগুড়ার জন্য আরও দুটি অনন্য সাধারণ উপহার দিবেন, শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার এবং জয় ডি-সেট সেন্টার। এই দুটি শেখ কামাল আইটি প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হলে বগুড়ায় হাজার হাজার হাজার তরুণ, তরুণীর কর্মসংস্থান হবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, শত কোটি টাকা ব্যয়ে তরুণ-তরুনীদের কর্মসংস্থানের ঠিকানা শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার আগামী একনেক বৈঠকে অনুমোদন হবে এবং জয় স্মার্ট ডি ট্রেনিং সেন্টারের কাজ শুরু হবে।

আগামী ৬ মাসের মধ্যে জয় স্মার্ট ডি ট্রেনিং সেন্টার নির্মাণ কাজ শুরু হবে বলে আশা ব্যক্ত করেছেন। আগামী বছরের মধ্যে শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং এন্ড ইনকিউবেশন সেন্টার নির্মাণ শুরু হবে। সেখানে বগুড়ার তরুণ-তরুণীদের কর্মসংস্থান হবে।

এ সময় বগুড়া-৬ আসনের সংসদ সদস্য রাগেবুল আহসান রিপু, বগুড়া জেলা প্রশাসক মো: সাইফুল ইসলাম, বগুড়া সদর উপজেলা চেয়ারম্যান আবু সুফিয়ান সফিক, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফিরোজা পারভীন উপস্থিত ছিলেন।


গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রীর ঈদের নামাজ আদায়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী এবং আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ আলী আরাফাত এমপি আজ সকালে রাজধানীর গুলশান সোসাইটি জামে মসজিদে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করেছেন।

নামাজ আদায়ের পর তিনি মসজিদে মুসল্লিদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করেন বলে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।


দেশে স্মার্টফোন ব্যবহার করেন ৫৬ শতাংশ মানুষ, সিম ১৯ কোটি

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ষষ্ঠ জনশুমারি অনুযায়ী দেশে বর্তমানে জনসংখ্যা প্রায় ১৭ কোটি। দেশের মোট জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশই স্মার্টফোন ব্যবহার করেন। বর্তমানে সিম ব্যবহার হচ্ছে ১৯ কোটিরও বেশি। অর্থাৎ একজন একাধিক সিম ব্যবহার করছেন। অ্যাসোসিয়েশন অব মোবাইল টেলিকম অপারেটরস অব বাংলাদেশ (অ্যামটব) এ তথ্য জানিয়েছে।

২০২৩ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত সময়ে এ তথ্য পেয়েছে মোবাইল অপারেটরদের সংগঠন অ্যামটব। সংগঠনটির প্রতিবেদনের তথ্যানুযায়ী, বাংলাদেশে বর্তমানে সিমের গ্রাহক ১৯ কোটি ১৩ লাখ ৮০ হাজার। সিম ব্যবহারকারীদের মধ্যে মোবাইল ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা ১১ কোটি ৭৪ লাখ।

আর মোট জনসংখ্যার ৯৮ দশমিক ৫ শতাংশ ফোরজির আওতাভুক্ত। এ ছাড়া বর্তমানে মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস (এমএফএস) ব্যবহার করছে ২১ কোটি ৯০ লাখ গ্রাহক। তাছাড়া মোট জনসংখ্যার ৫৬ শতাংশই স্মার্টফোন ব্যবহার করছেন। বিশ্বের অষ্টম সর্বোচ্চ মোবাইল বাজার বাংলাদেশ।

৫১ শতাংশ ট্যাক্স দিচ্ছে মোবাইল কোম্পানি

দেশের জাতীয় জিডিপিতে টেলিকম খাত প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ৮ শতাংশ অবদান রাখছে। নানাভাবে নিজেদের মোট আয়ের ৫১ শতাংশ পর্যন্ত ট্যাক্স দেয় মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলো।

প্রতি ১০০ টাকা আয়ের ক্ষেত্রে টেলিকম অপারেটর কোম্পানিগুলোকে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডকে (এনবিআর) দিতে হয় ৩৯ টাকা, বিটিআরসিকে দিতে হয় ১৫ টাকা, ইকোসিস্টেমের জন্য দিতে হয় ১৮ টাকা এবং পরিচালন খরচ রয়েছে ২৬ টাকা। সে ক্ষেত্রে কোম্পানিভেদে এ ব্যয় ৮৪ থেকে ১০৫ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে।

অ্যামটবের মহাসচিব লে. কর্নেল মোহম্মদ জুলফিকার (অব.) বলেন, আমরা মনে করি, সিম বিক্রি থেকে সম্পূর্ণ ট্যাক্স ছাড় দেওয়া উচিত। সিম ও করপোরেট কর প্রত্যাহার করলে স্মার্টফোন ও ডেটা সহজলোভ্য হবে। এতে জিডিপিতে আরও বেশি অবদান রাখতে পারবে টেলিকম খাত।

জানতে চাইলে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, কর কাঠামোতে পরিবর্তন আনতে হলে ইকোসিস্টেমের সঙ্গে জড়িত সবাইকে নিয়ে বসতে হবে। আলোচনার সব কথা যেমন উড়িয়ে দেওয়া যাবে না, আবার সব কথার সঙ্গে একমত নই আমরা। তবে রি-ফর্ম (পুনর্নির্ধারণ) করতে হবে। টেলিকম খাতের টোটাল সিস্টেম রিভিউ করে আরও সিমপ্লিফাই (সহজ) করতে হবে।


বঙ্গবন্ধুর ঐতিহাসিক ফুটেজ সংরক্ষণ করবে গেটি ইমেজ

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধ ও জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সংক্রান্ত ফুটেজ সংগ্রহ ও সংরক্ষণের জন্য তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়াধীন প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইবের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের ভিজ্যুয়াল মিডিয়া সংস্থা গেটি ইমেজের একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর হয়েছে।

আজ সোমবার ঢাকায় প্রাপ্ত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় সময় শুক্রবার নিউইয়র্কে গেটি ইমেজ অফিসে এই সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়। তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকার এই সময় উপস্থিত ছিলেন।

ফিল্ম আর্কাইভের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির ‘দেশি ও বিদেশি উৎস থেকে মুক্তিযুদ্ধের অডিও ভিজ্যুয়াল দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণ এবং বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভের সক্ষমতা বৃদ্ধি’ প্রকল্পের পরিচালক ড. মো. মোফাকখারুল ইকবাল এবং গেটি ইমেজের পক্ষে প্রতিষ্ঠানটির এশিয়া প্যাসিফিক টিভি অ্যান্ড সেলস ডিরেক্টর অ্যারান বার্চেনো সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন। এই সময় ওয়াশিংটন ডিসির বাংলাদেশ দূতাবাস এবং নিউইয়র্কের জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরের আগে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. হুমায়ুন কবীর খোন্দকারের সাথে গেটি ইমেজের উর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

মহান মুক্তিযুদ্ধের সময় বিশেষ করে ২৬ মার্চের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কর্তৃক স্বাধীনতার ঘোষণা দেওয়ার পরপরই বিশ্বের বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমে সংবাদটি প্রচার হয়। এছাড়া, মহান মুক্তিযুদ্ধের দীর্ঘ ৯ মাসে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে নানা ছবি ও সংবাদ প্রকাশ করে। এই সমঝোতা স্মারকের মাধ্যমে গেটি ইমেজ, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভকে এসব অমূল্য দলিল সংগ্রহ ও সংরক্ষণের বিষয়ে সহযোগিতা প্রদান করবে। এরফলে, বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধ এবং জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের প্রকৃত ইতিহাস ভবিষ্যত প্রজন্মের নিকট তুলে ধরার সক্ষমতা অর্জন করবে।

বিষয়:

যুক্তরাষ্ট্রে টিকটক কি নিষিদ্ধ হতে যাচ্ছে?

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
শাহিদ মোবাশ্বের

সাম্প্রতিক মাসগুলিতে বিশ্বব্যাপী অত্যন্ত জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ টিকটকের প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কিছু রাজ্য সরকার এবং রাজধানী ক্যাপিটল হিলে বাইডেন প্রশাসনের কিছু কর্মকর্তাদের মনোভাব কঠোর হয়েছে। সম্ভবত এখন থেকে প্রায় ছয় মাসের মধ্যে কংগ্রেসনাল আইন যুক্তরাষ্ট্রের টিকটক ব্যবহারকারীদের অ্যাক্সেস বন্ধ করে দেবে যা প্রাথমিকভাবে এর তরুণ দর্শকদের হতাশ করবে!

সম্প্রতি সিবিএস নিউজ এই মর্মে প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে যে, “আমেরিকানরা আগামী ছয় মাসের মধ্যে টিকটক-এ তাদের অ্যাক্সেস হারাতে পারে যদি বেইজিং-ভিত্তিক মূল কোম্পানি বাইটড্যান্সকে তার অংশীদারিত্ব বিক্রি করতে বাধ্য করতে চাওয়া সংক্রান্ত কোন বিল পাশ হয়। তবে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে জনপ্রিয় ভিডিও-শেয়ারিং অ্যাপটির সম্ভাব্য মৃত্যু নির্ভর করছে এই আইনটি কংগ্রেসের বেশ কয়েকটি বাধা অতিক্রম করে আইনি পরীক্ষায় টিকে থাকতে পারে কিনা তার উপর। চীনের সাথে সম্পর্ক থাকার কারণে আইনপ্রণেতারা দীর্ঘদিন ধরে প্ল্যাটফর্মটিকে নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করছেন। তাদের যুক্তি - এটি জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ! কারণ চীনা সরকার আমেরিকানদের উপর গুপ্তচরবৃত্তি করার জন্য টিকটক ব্যবহার করতে পারে বা কোন বিষয়বস্তুকে প্রসারিত বা দমন করে গোপনে মার্কিন জনগণকে প্রভাবিত করার অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে। গত ১৩ই মার্চ কংগ্রেসের হাউস অব রিপ্রেজেনটেটিভ স্বত:স্ফুর্তভাবে একটি ব্যবস্থা পাস করে বাইটড্যান্সকে একটি পছন্দ দিয়েছে: আগামী ছয় মাসের মধ্যে টিকটক বিক্রি করে দাও অথবা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অ্যাপ স্টোর এবং ওয়েব-হোস্টিং পরিষেবাগুলিতে অ্যাক্সেস হারাও।

অন্যান্য উন্নত দেশগুলোতেও একই ধরনের আশঙ্কা রয়েছে। জার্মানির নেতারা টিকটক সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে এটি নিষিদ্ধ করা যেতে পারে বলে পরামর্শ দিয়েছেন। অন্যান্য ইউরোপীয় নেতারা এই উদ্বেগগুলিই শেয়ার করেছেন। অনেকে সরকার প্রদত্ত মোবাইল ডিভাইস থেকে টিকটক নিষিদ্ধ করাসহ যুক্তরাষ্ট্রের রাজ্য সরকারগুলো ক্রমেই আরও বেশী শঙ্কা প্রকাশ করে আসছিল এবং মন্টানা রাজ্য থেকে টিকটক সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ করার প্রচেষ্টা চালাচ্ছে - এটি একটি নিষেধাজ্ঞা যা ব্যবহারকারীদের প্রথম সংশোধনী অধিকার লঙ্ঘনের যুক্তি দেখিয়ে একজন ফেডারেল বিচারক কর্তৃক অবরুদ্ধ হয় ৷ (এই ফেডারেল নিষেধাজ্ঞা সম্ভবত আদালতে চ্যালেঞ্জ করা হবে।)

অনেক নীতিনির্ধারকদের আশঙ্কা যে, টিকটক এর মূল সংস্থা বাইটড্যান্স, চীনা কমিউনিস্ট পার্টির সাথে যার ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক রয়েছে, তার ব্যবহারকারীদের তথ্য সংগ্রহের জন্য একটি হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করতে পারে (এমনকি যুক্তরাষ্ট্র-ভিত্তিক সোশ্যাল মিডিয়া কোম্পানিগুলো কর্তৃক সংগৃহীত তথ্যের চেয়েও বেশি) এবং বেইজিংয়ের সমালোচনামূলক মন্তব্যকে সেন্সর করতে পারে অথবা বিভ্রান্তি ছড়ানোর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে।

বিষয়টি নিয়ে কতটা চিন্তিত হওয়া উচিত? যেমনটি আমি আমার চীনের তথ্য এবং প্রভাব প্রচেষ্টার উপর দৃষ্টি নিবদ্ধিত সাম্প্রতিক বই "বেইজিংয়ের গ্লোবাল মিডিয়া অফেন্সিভ" - এ উল্লেখ করেছি, “টিকটক, যা ব্যবহারকারীদের বিপুল পরিমাণ ডেটা সংগ্রহ করে, যেমন দাবি করে যে, এটি বেইজিংকে কোনও ব্যবহারকারীর তথ্য দেয়নি; কিন্তু মার্কিন সরকার তদন্ত করছে যে কোম্পানিটি চীনের কাছে বিপুল পরিমাণ ডেটা পাঠিয়েছে কিনা। (বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন আরেকটি অ্যাপ, ডুয়িন - যা মূলত টিকটকের চীনা সংস্করণ, স্পষ্টভাবে সেন্সরশিপ এবং ব্যবহারকারী পর্যবেক্ষণ নিয়োগ করে।)

ইতোমধ্যেই টিকটকের এমন উদাহরণ রয়েছে যে, এই অ্যাপ থেকে অনেক মন্তব্য সরিয়ে ফেলা হয়েছে। যেমন বেইজিংয়ের সমালোচনামূলক মন্তব্য যা চীনের বাইরে থেকে করা। সাম্প্রতিক বছরগুলিতে বেইজিং তার বিভ্রান্তিমূলক কৌশলগুলিতে আরও পরিশীলিত হওয়ার সাথে সাথে - তারা অতীতে খুব আনাড়ি ছিল - একটি সত্যিকারের এক উদ্বেগের বিষয় যে চীনা বিভ্রান্তির অন্যান্য প্ল্যাটফর্মের পাশাপাশি টিকটক এখন আরও পরিশীলিত যার মাধ্যমে অস্ট্রেলিয়ার, কানাডা, ইউরোপ, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র এবং অন্যান্য দেশের ভোটারদের প্রভাবিত করতে ব্যবহার করা হতে পারে। এখন দেখা যাচ্ছে যে, খুব সম্ভবত বেইজিং যদি আমেরিকার একটি ফার্মের কাছে টিকটক ইউএস সাবসিডিয়ারি বিক্রি না করে দৃঢ়ভাবে প্রত্যাখ্যান করেছে - কেননা টিকটককে চীনের একটি মুকুট রত্ন হিসেবে দেখা হয়, তবে বিশাল এই সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাপ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সত্যিই নিষিদ্ধ করা হচ্ছে যা শেষ হয়ে যেতে পারে এদেশে।

মূল: জোসুয়া কারলান্টজিক


এআই ব্যবহার করে ভারতের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে চীন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহার করে ভারত ও যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনে হস্তক্ষেপের চেষ্টা করছে চীন। এমন সতর্কবার্তা দিয়েছে মাইক্রোসফট। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এসব তথ্য জানা যায়। এমন এক সময়ে এই তথ্য সামনে এল যখন আগামী ১৯ এপ্রিল শুরু হচ্ছে লোকসভা নির্বাচন।

চলতি বছরে এআই দিয়ে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র ও দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচন প্রভাবিত করতে চায় বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে মাইক্রোসফট। প্রতিষ্ঠানটির গোয়েন্দা দলের দাবি, এই হস্তক্ষেপে মদদ দিচ্ছে চীনের রাষ্ট্র-সমর্থিত সাইবার গ্রুপ ও উত্তর কোরিয়ার একটি প্রতিষ্ঠান।

মাইক্রোসফটের গোয়েন্দারা বলছেন, চীন নিজের স্বার্থে নির্বাচনের আগে এআই নির্মিত কনটেন্ট ব্যবহার করবে। ডিপফেক ভিডিও প্রকাশের শঙ্কা রয়েছে। এর আগে তাইওয়ানের নির্বাচনেও এভাবে হস্তক্ষেপের চেষ্টা চালিয়েছে চীন। সেটি ছিল ট্রায়াল।

সংস্থাটি বলছে, চীন এআই দিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনেও প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা অব্যাহত রেখেছে। এ সতর্কতা প্রকাশের আগে গত মাসে ভারত সফর করেছেন মাক্রোসফট প্রধান বিল গেটস। ওই সময় তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে এআই নিয়ে আলাপ করেন।

মাইক্রোসফট বলছে, ভারত, আমেরিকা ও দক্ষিণ কোরিয়ার নির্বাচনে হস্তক্ষেপ করার ব্যাপারে কাজ করছে চীনের সরকারি বিশেষ সাইবার গ্রুপ। এতে সহায়তা করছে উত্তর কোরিয়াও। এ বছর আরও কয়েকটি দেশের নির্বাচনে তারা হস্তক্ষেপ করতে পারে।

এক বিবৃতিতে মাইক্রোসফট বলছে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ডিপফেক ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে জনগণকে ভুল বার্তা দেওয়া হতে পারে। এ ছাড়া ভুয়া অডিও মিম ছড়িয়ে দেবে সাইবার দলটি।

গত মাসেই লোকসভা নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে ভারত। এ ঘোষণা করেন দেশটির প্রধান নির্বাচন কমিশনার রাজীব কুমার। তিনি বলেন, মোট সাত দফায় লোকসভা নির্বাচন হবে। প্রথম দফার ভোট হবে ১৯ এপ্রিল। আর সপ্তম দফার ভোট হবে ১ জুন। ৪ জুন ফল প্রকাশ।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (টুইটারের নতুন নাম) রাজীব কুমার এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, লোকসভা নির্বাচনের দ্বিতীয় দফার ভোট হবে ২৬ এপ্রিল। তৃতীয় দফা ৭ মে, চতুর্থ দফা ১৩ মে, পঞ্চম দফা ২০ মে ও ষষ্ঠ দফার ভোট হবে ২৫ মে।


banner close