রোববার, ১৪ জুন ২০২৬
৩০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে মরিশাসের প্রতি আরাফাতের আহ্বান

মরিশাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনিশ গোবিনের সঙ্গে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
২৪ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:২৮
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ২৪ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:২৫

বাংলাদেশের বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলে বিনিয়োগ করতে মরিশাসের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত। আজ বুধবার মরিশাসের পররাষ্ট্র ও আঞ্চলিক সংহতি এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যবিষয়ক মন্ত্রী মনিশ গোবিনের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠককালে তিনি এ আহ্বান জানান। বৈঠকটি মরিশাসের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত হয়।

আজ ঢাকায় প্রাপ্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও মরিশাসের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বিষয়ে মরিশাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনা করেন প্রতিমন্ত্রী। নৃতাত্ত্বিক ও সাংস্কৃতিক দিক থেকে বাংলাদেশ ও মরিশাসের মধ্যে অনেক মিল রয়েছে উল্লেখ করে দুই দেশের সম্পর্ককে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেন বলে মরিশাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানান তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

বৈঠকে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী বাংলাদেশ থেকে মরিশাসে আরও বেশি শ্রমিক ও পেশাজীবীদের নিয়োগ দেওয়ার ব্যাপারে সে দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে আলোচনা করেন। এ ছাড়া মরিশাসে কর্মরত বাংলাদেশি শ্রমিকরা যাতে দ্রুত দেশে রেমিটেন্স পাঠাতে পারে সে ব্যাপারে মরিশাস সরকারের সহযোগিতা কামনা করেন।

মরিশাস আফ্রিকা মহাদেশের প্রবেশদ্বার হওয়ায় মরিশাসে বাংলাদেশের বিনিয়োগের মাধ্যমে আফ্রিকা মহাদেশে বাংলাদেশি বিনিয়োগ বৃদ্ধির সম্ভাবনার কথা বৈঠকে তুলে ধরেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী।

পশ্চিম ভারত মহাসাগর অঞ্চলে মাদক পাচার এবং মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার নিয়ে প্রথম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে অংশগ্রহণের জন্য বর্তমানে মরিশাসে অবস্থান করছেন মোহাম্মদ আলী আরাফাত। বৈঠক শেষে মরিশাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী মনিশ গোবিনকে বাংলাদেশ সফরের আমন্ত্রণ জানান প্রতিমন্ত্রী।


নির্বাচিত

বিশ্বজুড়ে ফেসবুক-ম্যাসেঞ্জারের সেবা ব্যাহত হওয়ার অভিযোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ জুন, ২০২৬ ২০:০৮
অনলাইন ডেস্ক

মেটা-র মালিকানাধীন জনপ্রিয় প্ল্যাটফর্ম ফেসবুক কারিগরি সমস্যার সম্মুখীন হয়েছে। শুক্রবার (১২ জুন) সন্ধ্যা থেকেই এই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমটি ব্যবহারে সাধারণ ব্যবহারকারীরা বিভিন্ন জটিলতার কথা জানাচ্ছেন। ইন্টারনেট পরিষেবা ব্যাহত হওয়ার তথ্য প্রদানকারী ওয়েবসাইট ‘ডাউন ডিটেক্টর’ সহ বিভিন্ন মাধ্যমে এই বিভ্রাটের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

ভুক্তভোগী ব্যবহারকারীরা অভিযোগ করেছেন, তারা নিজেদের ফেসবুক আইডিতে লগ-ইন করতে গিয়ে সমস্যার মুখে পড়ছেন। এর পাশাপাশি অ্যাপ বা ওয়েবসাইট লোড হতে দীর্ঘ সময় নেওয়া এবং নিউজফিড স্বয়ংক্রিয়ভাবে আপডেট না হওয়ার মতো বিষয়গুলোও সামনে এসেছে।

ফেসবুকের এই আকস্মিক জটিলতা নিয়ে মেটা কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো দাপ্তরিক বক্তব্য পাওয়া যায়নি। ঠিক কী কারণে এই ত্রুটির সৃষ্টি হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে এই সাময়িক অচলাবস্থার ফলে সামাজিক মাধ্যম ব্যবহারকারীদের মধ্যে উদ্বেগ ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে পড়েছে।


নির্বাচিত

বাংলাদেশের আকাশে বিরল ব্লু মুনের দেখা মিলবে আজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

আজ রাতের আকাশে এক অনন্য ও বিরল মহাজাগতিক আভা ছড়াতে আসছে ‘ব্লু মাইক্রোমুন’। একই পঞ্জিকাবর্ষের এক মাসে দুইবার পূর্ণিমা হওয়ায় একে ‘ব্লু মুন’ এবং পৃথিবী থেকে চাঁদের কক্ষপথের দূরত্ব সবথেকে বেশি হওয়ায় একে ‘মাইক্রোমুন’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। মহাকাশ বিজ্ঞানীদের পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এই বিশেষ পূর্ণিমায় চাঁদকে সাধারণ সময়ের চেয়ে প্রায় ৬ থেকে ১০ শতাংশ ক্ষুদ্র এবং ১০ শতাংশের মতো অনুজ্জ্বল মনে হতে পারে। তবে নীল নাম থাকলেও বাস্তবিকভাবে চাঁদটি তার চিরচেনা সাদা বা মৃদু হলদেটে আভা নিয়েই উদিত হবে।

একটি গণমাধ্যম এই তথ্য প্রকাশ করে জানায় যে, বাংলাদেশসহ বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকরা আজ রাতের পূর্ব আকাশে এই দৃশ্যের দেখা পাবেন। জ্যোতির্বিজ্ঞানীরা বলছেন যে, সাধারণ পূর্ণিমার সাথে খালি চোখে এই আকারের পার্থক্য খুব একটা স্পষ্ট না হলেও দূরবীন ব্যবহার করলে চাঁদের সূক্ষ্ম কারুকার্য ও ম্লান ভাবটি পরিষ্কার ধরা পড়বে। মূলত চাঁদের ২৯.৫ দিনের চক্র আমাদের ক্যালেন্ডার মাসের সাথে হুবহু না মেলার কারণেই প্রতি দুই বা তিন বছর অন্তর একই মাসে দুবার পূর্ণিমার দেখা মেলে।

এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুসারে, পশ্চিমা দেশগুলোতে ৩০ মে এই দৃশ্যের দেখা মিললেও এশিয়া ও ওশেনিয়া অঞ্চলে অর্থাৎ বাংলাদেশ, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের আকাশে রোববার (৩১ মে) রাতভর চাঁদটি তার পূর্ণ অবয়ব নিয়ে উপস্থিত থাকবে। আকাশপ্রেমীদের জন্য এটি এক বিশেষ সুযোগ, কারণ কোনো বিশেষ সুরক্ষা সরঞ্জাম বা চশমা ছাড়াই খালি চোখে মহাকাশের এই মনোরম পরিবর্তন সরাসরি উপভোগ করা সম্ভব হবে। সন্ধ্যা নামার পর থেকেই পূর্ব দিগন্তে এই বিশেষ চাঁদের দেখা মিলবে যা রাত বাড়ার সাথে সাথে আরও স্পষ্ট হয়ে উঠবে।


নির্বাচিত

উদ্ভাবনী কৌশলে এগিয়ে যেতে বিজ্ঞান গবেষণার বিকল্প নেই: হুইপ বকুল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
খুলনা প্রতিনিধি

খুলনায় বিজ্ঞান শিক্ষার প্রসার, সচেতনতা সৃষ্টি এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিকে প্রিয় করতে জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সপ্তাহ এবং মেলা শুরু হয়েছে। শুক্রবার (২২ মে) খুলনা বিভাগীয় কমিশনারের কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে মেলা উদ্বোধন করেন জাতীয় সংসদের হুইপ রকিবুল ইসলাম বকুল।

হুইপ বলেন, ‘বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির নতুন নতুন আবিষ্কারের ফলে আজকের বিশ্বের জীবনযাত্রা দিন দিন আরও আধুনিক ও সমৃদ্ধ হচ্ছে। জ্ঞান, বুদ্ধিমত্তা ও উদ্ভাবনী কৌশলে এগিয়ে থাকতে বিজ্ঞান শিক্ষা ও গবেষণার কোনো বিকল্প নেই।’

তিনি আরও বলেন, ‘মোবাইল ফোনকে শুধু যোগাযোগ ও বিনোদনের মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ না রেখে, দেশ গড়ার কার্যকর হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করতে হবে।’

খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মো. আব্দুল্লাহ হারুনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন রেঞ্জ ডিআইজি মো. রেজাউল হক, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মোহাম্মদ রাশিদুল ইসলাম খান ও জেলা প্রশাসক মিজ হুরে জান্নাত। স্বাগত বক্তৃতা করেন অতিরিক্ত বিভাগীয় কমিশনার (শিক্ষা ও আইসিটি) সিফাত মেহনাজ।

তিন দিনব্যাপী মেলায় খুলনা বিভাগের ১০টি জেলার ৬০টি স্টলে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিভিত্তিক উদ্ভাবনী ও আইডিয়া প্রদর্শন করা হচ্ছে। মেলা প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে।


নির্বাচিত

ইনস্টাগ্রামে আসছে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন আয়ের পথ খুঁজছে মেটা। এর অংশ হিসেবে কয়েকটি দেশে প্রিমিয়াম সাবস্ক্রিপশন সেবা পরীক্ষামূলকভাবে চালু করেছে প্রতিষ্ঠানটি। যার নাম ‘ইনস্টাগ্রাম প্লাস’। এই সেবার মাধ্যমে ব্যবহারকারীরা পাবেন কিছু বিশেষ ফিচার। যা সাধারণ ব্যবহারকারীদের জন্য উন্মুক্ত নয়।

প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, ‘ইনস্টাগ্রাম প্লাস’ নামের এই সাবস্ক্রিপশনের আওতায় ব্যবহারকারীরা স্টোরি দেখলেও সেটি পোস্টদাতার কাছে ধরা পড়বে না। অর্থাৎ গোপনে স্টোরি দেখার সুযোগ থাকবে। পাশাপাশি নিজের স্টোরি কতজন একাধিকবার দেখেছেন সেই তথ্যও জানা যাবে।

এছাড়া স্টোরি শেয়ারের ক্ষেত্রে বাড়তি নিয়ন্ত্রণ পাবেন গ্রাহকেরা। এখন পর্যন্ত ‘ক্লোজ ফ্রেন্ডস’ তালিকার বাইরে আলাদা করে দর্শক নির্ধারণের সুযোগ সীমিত ছিল। নতুন এই ফিচারে একাধিক অডিয়েন্স তালিকা তৈরি করা যাবে। ফলে ব্যবহারকারীরা নির্দিষ্ট গ্রুপ বেছে নিয়ে স্টোরি শেয়ার করতে পারবেন।

স্টোরির সময়সীমাও বাড়ানো হয়েছে। সাধারণত ২৪ ঘণ্টা পর স্টোরি মুছে যায়। তবে সাবস্ক্রিপশন নিলে এটি আরও ২৪ ঘণ্টা বাড়ানো যাবে। একই সঙ্গে সপ্তাহে একবার স্টোরিকে ‘স্পটলাইট’ করার সুযোগ থাকবে। যা অনুসারীদের স্টোরি তালিকার শুরুতে প্রদর্শিত হবে।

ইনস্টাগ্রাম প্লাসে আরও যুক্ত হয়েছে ‘সুপারলাইক’ নামের একটি অ্যানিমেটেড প্রতিক্রিয়া। এছাড়া স্টোরি ভিউয়ার তালিকায় নির্দিষ্ট কোনো ব্যবহারকারীকে দ্রুত খুঁজে পাওয়ার সুবিধাও থাকছে।

যদিও মেটা আনুষ্ঠানিকভাবে কোন কোন দেশে এই পরীক্ষা চলছে তা জানায়নি। তবে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে, মেক্সিকো, জাপান এবং ফিলিপাইন-এ এটি পরীক্ষা করা হচ্ছে। দেশভেদে সাবস্ক্রিপশনের মূল্য ভিন্ন। মেক্সিকোতে এর মাসিক খরচ প্রায় ২ ডলার, জাপানে প্রায় একই আর ফিলিপাইনে এর চেয়েও কম।

বিশ্লেষকদের মতে, নতুন এই উদ্যোগ মেটার আয়ের নতুন উৎস তৈরি করতে পারে। তবে একই সঙ্গে ‘সাবস্ক্রিপশন ক্লান্তি’ বা অতিরিক্ত সাবস্ক্রিপশন সেবার কারণে ব্যবহারকারীদের অনাগ্রহও তৈরি হতে পারে।

প্রিমিয়াম ফিচারের মাধ্যমে ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন ব্যবসায়িক সম্ভাবনা যাচাই করছে মেটা। এখন দেখার বিষয়, পরীক্ষার পর এই সেবা কতটা বিস্তৃতভাবে চালু করা হয়।


নির্বাচিত

নিউ মেক্সিকোর আদালতে মেটাকে বড় অঙ্কের জরিমানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামের মূল প্রতিষ্ঠান মেটা ব্যবহারকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রদান এবং শিশুদের অনলাইন ঝুঁকির মুখে ঠেলে দেওয়ার দায়ে বড় অঙ্কের আর্থিক জরিমানার মুখে পড়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউ মেক্সিকো অঙ্গরাজ্যের একটি জুরি বোর্ড দীর্ঘ ছয় সপ্তাহের শুনানি শেষে এই রায় প্রদান করেছে। আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের এই টেক জায়ান্ট তাদের প্ল্যাটফর্মে বিশেষ করে শিশু ও কিশোরদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চরমভাবে ব্যর্থ হয়েছে, যা অনেক ক্ষেত্রে শিশু যৌন শোষণ ও মানবপাচারের মতো ভয়াবহ অপরাধের পথ প্রশস্ত করেছে।

নিউ মেক্সিকোর অ্যাটর্নি জেনারেল রাউল তোরেজ এই মামলাটি দায়ের করেছিলেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, মেটা জেনেশুনে তাদের প্ল্যাটফর্মগুলোতে এমন পরিবেশ বজায় রেখেছে যেখানে শিশুদের ওপর লালসাগ্রস্ত ব্যক্তিদের বা 'প্রিডেটরদের' অবাধ বিচরণ ছিল। জুরি বোর্ড তাদের রায়ে উল্লেখ করেছে যে, মেটা নিউ মেক্সিকোর ভোক্তা সুরক্ষা আইন মোট ৭৫ হাজার বার লঙ্ঘন করেছে। প্রতিটি লঙ্ঘনের বিপরীতে ৫ হাজার ডলার করে জরিমানা নির্ধারণ করা হয়েছে, যার ফলে জরিমানার মোট পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৭ কোটি ৫০ লক্ষ ডলারে। আদালতের এই রায়কে শিশু ও পরিবারগুলোর জন্য একটি 'ঐতিহাসিক জয়' হিসেবে অভিহিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল তোরেজ। তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, কোনো বড় কোম্পানিই আইনের ঊর্ধ্বে নয় এবং জননিরাপত্তার বিষয়ে তাদের অবশ্যই জবাবদিহি করতে হবে।

এই মামলার মূল ভিত্তি ছিল ২০২৩ সালের একটি অত্যন্ত গোপন ও সংবেদনশীল তদন্ত। সেই সময় তদন্তকারীরা ১৪ বছরের কম বয়সী শিশুদের পরিচয়ে ফেসবুক ও ইনস্টাগ্রামে ছদ্মবেশী অ্যাকাউন্ট খোলেন। অত্যন্ত উদ্বেগজনকভাবে দেখা যায় যে, অ্যাকাউন্ট খোলার পরপরই সেই ছদ্মবেশী শিশুদের কাছে অনাকাঙ্ক্ষিত যৌন বার্তা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের আপত্তিকর যোগাযোগের অনুরোধ আসতে শুরু করে। আদালত মনে করে, মেটা দীর্ঘদিন ধরে শিশুদের সুরক্ষায় প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ না নিয়ে বরং এই ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে এক প্রকার প্রশ্রয় দিয়েছে, যা বাস্তব জীবনেও শিশুদের জন্য মারাত্মক শারীরিক ও মানসিক ক্ষতির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তবে আদালতের এই রায়ের সঙ্গে মেটা কর্তৃপক্ষ একমত হতে পারেনি। প্রতিষ্ঠানটির একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, তাঁরা এই রায়ের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আপিল করবেন। মেটার দাবি, প্ল্যাটফর্মে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা একটি অত্যন্ত জটিল প্রক্রিয়া এবং তাঁরা নিয়মিতভাবে ক্ষতিকর কনটেন্ট শনাক্ত ও অপসারণের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাঁদের আইনজীবীরা আদালতে যুক্তি দিয়েছেন যে, মেটা ব্যবহারকারীদের কাছে ঝুঁকি ও নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে স্বচ্ছ তথ্য প্রদান করেছে এবং ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো তথ্য গোপন করা হয়নি। যদিও জুরি বোর্ড মেটার এই আত্মপক্ষ সমর্থনকে পর্যাপ্ত মনে করেনি।

প্রযুক্তি বিশ্লেষকদের মতে, এই রায় বিশ্বজুড়ে অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম কোম্পানিগুলোর ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি করবে। বিশেষ করে শিশুদের মানসিক স্বাস্থ্য এবং অনলাইন নিরাপত্তা নিয়ে চলমান বৈশ্বিক বিতর্কে এটি একটি নতুন মাত্রা যোগ করল। বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যে মেটার বিরুদ্ধে আরও হাজার হাজার মামলা চলমান রয়েছে, যেখানে প্ল্যাটফর্মের ডিজাইন এমনভাবে করার অভিযোগ আনা হয়েছে যা তরুণ ব্যবহারকারীদের মধ্যে আসক্তি তৈরি করে। আগামী মে মাসে এই মামলার পরবর্তী শুনানিতে আদালত মেটাকে তাদের প্ল্যাটফর্মের অভ্যন্তরীণ ব্যবস্থাপনায় আমূল পরিবর্তন আনার নির্দেশ দিতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এই রায় মূলত ডিজিটাল নিরাপত্তা ও সামাজিক দায়বদ্ধতার প্রশ্নে প্রযুক্তি জায়ান্টদের জন্য একটি কড়া সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।


নির্বাচিত

গাইবান্ধার তরুণ-তরুণীদের আগ্রহ বাড়ছে ফ্রিল্যান্সিংয়ে

* স্মার্টফোনে স্বপ্ন বুননে স্বাবলম্বী রিয়াদ-শাকিলা দম্পতি * ৭ বছরে রিয়াদের প্রশিক্ষণ নেওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৫ হাজার * প্রশিক্ষণে স্বাবলম্বী হয়েছে ৮০০-এর অধিক তরুণ * মোবাইল ফার্স্ট ফ্রিল্যান্সিংয়ের আলোকবর্তিকা গাইবান্ধার রিয়াদ
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
গাইবান্ধা প্রতিনিধি

উত্তরের দরিদ্র জনপদ গাইবান্ধা- যেখানে শিল্পকারখানা নেই, নেই পর্যাপ্ত পার্টটাইম চাকরির সুযোগ। সেখানকার প্রত্যন্ত গ্রামের এক মধ্যবিত্ত কৃষক পরিবারের সন্তান মো. রিয়াদ হোসেন, স্থানীয়ভাবে তিনি ‘রুবান হাসান রিয়াদ’ নামে পরিচিত। জীবনের কঠিন বাস্তবতা আর সীমিত সম্পদের মধ্যেই তিনি গড়ে তুলেছেন এক ব্যতিক্রমী উদ্যোগ-‘মোবাইল ফার্স্ট ফ্রিল্যান্সিং’।

মাত্র একটি স্মার্টফোন বা স্বল্প ক্ষমতার কম্পিউটার দিয়েই প্রযুক্তি দক্ষতা অর্জন ও অনলাইনে আয় সম্ভব- এই বিশ্বাসকে বাস্তবে রূপ দিয়ে তিনি বদলে দিয়েছেন হাজারও তরুণের জীবন। যারা এখন আয় করছেন হাজার থেকে লাখ টাকাও।

জেলার পলাশবাড়ী উপজেলার হরিণাথপুর ইউনিয়নের তালুক-জামিরা গ্রামের কৃষক সেলিম বেপারির ছেলে রিয়াদ হাসান। পরিবারের আর্থিক টানাপোড়নের কারণে লেখাপড়ার পাশাপাশি দেড় বছর ঢাকার একটি গার্মেন্ট কারখানায় পোশাকশ্রমিক হিসেবে কাজ করেন। কিন্তু করোনা মহামারিতে চাকরি হারিয়ে বেকার হয়ে পড়েন তিনি। জীবনের সেই কঠিন সময়ে পাশে দাঁড়ান সহধর্মিণী সাবিয়া সুলতানা শাকিলা। তার উৎসাহে রিয়াদ অনলাইনে আয় করার পথ খুঁজতে শুরু করেন। ইউটিউব SEO ও কনটেন্ট SEO কোর্স করে ধীরে ধীরে দক্ষ হয়ে ওঠেন তিনি। সেখান থেকেই শুরু হয় নতুন জীবনের যাত্রা। নিজের জীবনের কঠিন বাস্তবতা এবং পরিশ্রম ও অদম্য ইচ্ছা-চেষ্টায় যে পরিবর্তন সম্ভব সেটির বিস্তার লাভের প্রথম স্বপ্ন দেখেন গ্রামের দারিদ্র্য আর অবহেলিত পরিবারের যুবকদের নিয়ে। যেখানে প্রথম যাত্রায় রিয়াদ সফল হন।

‘মোবাইল ফার্স্ট ফ্রিল্যান্সিং’-একটি উদ্ভাবনী ধারণা:

২০১৯ সাল থেকেই রিয়াদ উপলব্ধি করেন- গ্রামের অধিকাংশ শিক্ষার্থীর কাছে দামি ল্যাপটপ বা ডেস্কটপ নেই। ফলে তারা প্রযুক্তি শিক্ষা ও ফ্রিল্যান্সিং থেকে পিছিয়ে পড়ছে। এই বাস্তবতা থেকেই তিনি শুরু করেন ‘মোবাইল ফার্স্ট ফ্রিল্যান্সিং’ উদ্যোগ।

তার উদ্ভাবনী ধারণা ছিল- ‘স্মার্টফোন দিয়েও ফ্রিল্যান্সিং শেখা সম্ভব, যদি সঠিক গাইডলাইন ও লো-ডিভাইসবান্ধব কারিকুলাম থাকে।’

নিজের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে তিনি তৈরি করেন একটি সহজ ও বাস্তবমুখী প্রশিক্ষণ কাঠামো, যেখানে শিক্ষার্থীরা শুধু স্মার্টফোন বা সেকেন্ড-হ্যান্ড ডিভাইস দিয়েই ডিজিটাল স্কিল শিখতে পারে।

৭ বছরে তার শিক্ষার্থী ৫ হাজার, স্বাবলম্বী ৮০০-এর অধিক তরুণ:

রিয়াদের দাবি, গত সাত বছরে তার এই উদ্যোগে খণ্ডকালীনভাবে প্রশিক্ষণ নিয়েছে প্রায় ৫,০০০-এর বেশি শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ৮০০ জনের বেশি এখন নিয়মিত ফ্রিল্যান্সিং করে কমবেশি আয় করছে।

রিয়াদের ভাষায়, আমি দেখেছি, দারিদ্র্য নয়-সঠিক দিকনির্দেশনার অভাবই বড় সমস্যা। সঠিক পথ দেখালে গ্রাম থেকেই বিশ্ববাজারে কাজ করা সম্ভব।

এদিকে রিয়াদের প্রশিক্ষণ নিয়ে বদলে গেছে অনেকের জীবন। এর মধ্যে পলাশবাড়ীর সুজন সরকার অন্যতম। স্বল্প বেতনের চাকরি ছেড়ে তিনি রিয়াদের কাছে প্রশিক্ষণ নেন। পরে স্ত্রী ইতিমনিকে সঙ্গে নিয়ে কনটেন্ট ক্রিয়েশনে কাজ শুরু করেন।

শুরুটা ছিল একটি স্মার্টফোন দিয়ে। আজ তারা অনলাইন আয়ের মাধ্যমে মোটরবাইক, আইফোন এমনকি জমিজমাও কিনেছেন।

তাদের সফলতা দেখে এলাকার আরও অনেক তরুণ-তরুণী এখন ফ্রিল্যান্সিংয়ে আগ্রহী হচ্ছেন।

মানবিকতার হাত বাড়িয়ে দেওয়া এক তরুণ উদ্যোক্তা:

শুধু ডিজিটাল দক্ষতা নয়, সামাজিক দায়বদ্ধতাকেও সমান গুরুত্ব দেন রিয়াদ। ব্যক্তিগত আয়ের একটি অংশ দিয়ে তিনি গাইবান্ধার দরিদ্র, এতিম ও সুবিধাবঞ্চিত মানুষের পাশে দাঁড়ান।

তিনি বিশ্বাস করেন, দক্ষতা শেখানোর পাশাপাশি মানবিক মূল্যবোধ গড়ে তোলা জরুরি। তাহলেই সমাজ সত্যিকারের উন্নত হবে।

নিজেদের জীবনেও এসেছে সফলতার আলো। বর্তমানে ঘরে বসেই অনলাইনে লাখ টাকা আয় করছেন তারা। সংগ্রামমুখর শুরু হলেও অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর পরিশ্রমে আজ তারা অনেকের কাছে অনুপ্রেরণার নাম।

শুধু তাই না কর্মদক্ষতায় জেলা প্রশাসন কর্তৃক আয়োজিত ২০২৫ সালের ফ্রিল্যান্সিং কোর্স উপজেলা সমন্বয়কারী ও প্রশিক্ষক হিসেবে কাজ করছেন রিয়াদ, যা এখনো অব্যহত রয়েছে।

একই সাথে একই বছরের (আগস্ট-নভেম্বর) তিন মাসব্যাপী পলাশবাড়ী উপজেলায় কোর্স সমন্বয়কারী ও প্রশিক্ষক হিসেবেও দায়িত্বপালন করেছেন তিনি।

এ ছাড়া গাইবান্ধা জেলার সাত উপজেলায় ও সদর পৌরসভাসহ আটটি ভেনুতে পরিচালিত ফ্রিল্যান্সিং কোর্সেও দায়িত্বপালন করেছেন একজন দক্ষ প্রশিক্ষক হিসেবে।

শূন্য থেকে সাত বছরে এই সফলতার পেছনের মূলমন্ত্র হিসেবে রিয়াদ জানান, আমি কখনো এটাকে পেশা হিসেবে দেখিনি! এটি ছিল আমার আবেগ ও দায়িত্ববোধ।

রিয়াদ বলেন, ‘আমার মূল পরিকল্পনায় ছিল ফ্রিল্যান্সিংয়ে, সব চেয়ে বড় বাধা আধুনিক ও দামি ডিভাইস যেখান থেকে সহজলভ্যতা বা সহজীকরণ। শিক্ষার্থীরা যেন শুধু একটি স্মার্টফোন বা স্বল্প মূল্যে কেনা ডিভাইস ব্যবহার করেই—বেসিক গ্রাফিক্স ডিজাইন (Canva, PixelLab), ডিজিটাল মার্কেটিং, কনটেন্ট ক্রিয়েশন ও কপিরাইটিং, ভিডিও, এডিটিং (CapCut, Kinemaster, Insot, vn), অ্যাফিলিয়েট মার্কেটিং, অনলাইন আয়ের বেসিক ধারণা ও মার্কেটপ্লেস পরিচিতি শিখতে পারে। এমন একটি সম্পূর্ণ কারিকুলাম তৈরি করা। যেটাতে আমি বলা যায় সফল।’

সহধর্মিণী সাবিয়া সুলতানা শাকিলা বলেন, ‘আত্মবিশ্বাস, আন্তরিক প্রচেষ্টা এবং সঠিক গাইডলাইনেই মেলে সফলতা। যা আমি অনেক কাছ থেকে প্রত্যক্ষ করেছি। শুরুটা কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। তরুণদের প্রযুক্তিতে এগিয়ে আসার আহ্বান ছিল তার।’

পলাশবাড়ির বরিশাল ইউনিয়নের পাপুল সরকার বলেন, ‘আমি রিয়াদ স্যারের কাছে তিন মাসের প্রশিক্ষণ নিয়ে এখন সফলভাবে কাজ করচ্ছি। ফাইবারে আয় শুরু হয়েছে আমার নতুন দৃষ্টিভঙ্গি, নতুন গল্পের অঙ্গীকারে যাত্রা শুরু করা ইউটিউব চ্যানেল ‘moyna documentary’ রিয়াদের হাতেই আবিষ্কৃত।’

চ্যানেলটির পরিচালনা পর্ষদের প্রধান কর্মকর্তা নূর আলম আকন্দ বলেন, ‘রিয়াদ সরাসরি প্রশিক্ষক ও মেন্টর, একই সাথে মোটিভেশনার। ফলে তার এত দ্রুত সফলতা। আমি বিশ্বাস করি তার সরলতা, সততা ও অন্যকে জ্ঞান বিলানোর এই প্রবণতা অব্যহত থাকলে সে সফলতার সর্বোচ্চ চূরায় পৌঁছাবেই।’


নির্বাচিত

ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিক্রি বা হস্তান্তরের আগে ডি-রেজিস্ট্রেশন বাধ্যতামূলক: নিয়ম জানাল বিটিআরসি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এখন থেকে ব্যবহৃত মোবাইল ফোন বিক্রি, অন্য কাউকে ব্যবহার করতে দেওয়া কিংবা নিজের নামে নিবন্ধিত সিমকার্ড পরিবর্তন করতে হলে বাধ্যতামূলকভাবে হ্যান্ডসেটটির নিবন্ধন বাতিল বা ‘ডি-রেজিস্ট্রেশন’ করতে হবে। বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি) মঙ্গলবার এক বিশেষ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন নির্দেশনার কথা জানিয়েছে। কমিশনের স্পেকট্রাম বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে যে, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ‘ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিটি রেজিস্টার’ বা এনইআইআর (NEIR) সিস্টেমটি পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করা হয়েছে। এই ব্যবস্থার আওতায় মোবাইল নেটওয়ার্কে সচল থাকা প্রতিটি হ্যান্ডসেট বর্তমানে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ব্যবহারকারীর জাতীয় পরিচয়পত্রের (এনআইডি) সঙ্গে নিবন্ধিত হয়ে আছে। ফলে মোবাইলটি অন্য কোনো মালিকানায় হস্তান্তর করতে হলে দাপ্তরিকভাবে এর পূর্বের নিবন্ধন বাতিল করা জরুরি।

বিটিআরসি জানিয়েছে, নিবন্ধিত মোবাইল ফোন ডি-রেজিস্ট্রেশন করার জন্য প্রধানত দুটি সহজ মাধ্যম ব্যবহার করা যাবে। প্রথমত, সিটিজেন পোর্টালের (neir.btrc.gov.bd) মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা সম্ভব। ব্যবহারকারীকে পোর্টালে লগ-ইন করে তার ড্যাশবোর্ডে গিয়ে তালিকায় থাকা ডিভাইসগুলোর মধ্য থেকে নির্দিষ্ট হ্যান্ডসেটটি নির্বাচন করতে হবে। এরপর ‘ডি-রেজিস্টার’ অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিলেই নিবন্ধন বাতিলের প্রক্রিয়াটি সফলভাবে শেষ হবে। এই পদ্ধতি অনুসরণ করার সময় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সিম কেনার সময় ব্যবহৃত এনআইডি বা পাসপোর্ট নম্বরের শেষ চারটি সংখ্যা প্রদান করতে হবে।

দ্বিতীয় মাধ্যম হিসেবে অত্যন্ত জনপ্রিয় ইউএসএসডি (USSD) কোড ব্যবহারের সুযোগ রাখা হয়েছে। গ্রাহক তার মোবাইল ফোনের কল অপশনে গিয়ে *১৬১৬১# ডায়াল করে সরাসরি এই সেবা গ্রহণ করতে পারবেন। কোডটি ডায়াল করার পর স্ক্রিনে আসা নির্দেশনা অনুযায়ী ডি-রেজিস্ট্রেশন অপশনটি নির্বাচন করতে হবে এবং পরবর্তী ধাপগুলো অনুসরণ করে হ্যান্ডসেটটি অবমুক্ত করা যাবে। তবে কমিশন সতর্ক করে দিয়েছে যে, ডি-রেজিস্ট্রেশনের সময় গ্রাহক তার ফোনে যে সিমটি ব্যবহার করছেন, সেটি অবশ্যই তার নিজের এনআইডি দিয়ে নিবন্ধিত হতে হবে। তা না হলে এই ডিজিটাল প্রক্রিয়ায় নিবন্ধন বাতিল করা সম্ভব হবে না।

বিশেষ ক্ষেত্রে অর্থাৎ ক্লোন বা ডুপ্লিকেট আইএমইআই নম্বর যুক্ত হ্যান্ডসেটের ক্ষেত্রে ডি-রেজিস্ট্রেশন প্রক্রিয়াটি কিছুটা ভিন্ন হবে। এই ধরণের হ্যান্ডসেট অবমুক্ত করার সময় অতিরিক্ত তথ্য হিসেবে পরবর্তী ব্যবহারকারীর সম্ভাব্য সিম নম্বরটি প্রদান করতে হতে পারে। মূলত হ্যান্ডসেট চুরি বা অবৈধ ব্যবহার রোধ এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই বিটিআরসি এই কঠোর ডিজিটাল নিবন্ধন ব্যবস্থা কার্যকর করেছে। ডি-রেজিস্ট্রেশন সংক্রান্ত আরও বিস্তারিত তথ্যের জন্য গ্রাহকদের বিটিআরসি’র অফিসিয়াল ওয়েবসাইট ভিজিট করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এছাড়া যেকোনো ধরণের যান্ত্রিক জটিলতা বা সহায়তার জন্য বিটিআরসি’র কল সেন্টার ‘১০০’ অথবা সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের নিকটস্থ কাস্টমার কেয়ার সেন্টারে যোগাযোগ করা যাবে বলে জানানো হয়েছে। এই নতুন নিয়মের ফলে সেকেন্ড হ্যান্ড মোবাইল কেনা-বেচার বাজারে আরও বেশি স্বচ্ছতা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত হবে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।


নির্বাচিত

জাতীয় ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বাড়াতে ১৯টি নতুন ক্লাউড সেবা চালু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগ দেশের প্রযুক্তিখাতের উন্নয়নে এক উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ হিসেবে জাতীয় ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে আরও ১৯টি নতুন ক্লাউড সেবা চালু করেছে। ন্যাশনাল ডেটা সেন্টার (এনডিসি)-এর ক্লাউড ফ্যাসিলিটির আওতাধীন ভৌত অবকাঠামো, স্টোরেজ, মেমোরি ও প্রসেসিং পাওয়ার, সিকিউরিটি এবং মনিটরিং—এই পাঁচটি মূল কম্পোনেন্টের সক্ষমতা কয়েকগুণ বাড়াতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ দপ্তর থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

নতুন এসব কার্যক্রমের ফলে বর্তমানে জাতীয় ডেটা সেন্টারের ক্লাউড অবকাঠামোর প্রসেসিং সক্ষমতা প্রায় ৪০ হাজার ভার্চুয়াল কোর এবং মেমোরি সক্ষমতা ১৭০ টেরাবাইটে উন্নীত হয়েছে। একইসঙ্গে প্রায় ৪০ পেটাফ্লপ এআই সক্ষমতা অর্জিত হয়েছে, যার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ইতোমধ্যে বাংলা লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল (এলএলএম) উন্নয়নের কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এছাড়া ডেটা স্টোরেজ সক্ষমতা প্রায় ৮ পেটাবাইট সম্প্রসারণ করা হয়েছে, যেখানে গুরুত্বপূর্ণ তথ্যের সুরক্ষায় ফিজিক্যাল আইসোলেশন সুবিধাসহ এন্টি-র্যানসমওয়্যার স্টোরেজ অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। ছোট ও মাঝারি আকারের এআই মডেল প্রশিক্ষণের জন্য এনভিডিয়া ভোল্টা আর্কিটেকচার টেনসর কোর জিপিইউ ভিত্তিক ক্লাউড রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট প্ল্যাটফর্মও স্থাপন করা হয়েছে।

সরকারের ছয় শতাধিক সংস্থার ই-মেইল সিস্টেম এবং ক্লাউড স্টোরেজ হোস্টিং সেবা নিরবচ্ছিন্ন রাখতে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন কম্পিউটিং অবকাঠামো হিসেবে ‘নিউটানিক্স প্রাইভেট ক্লাউড ইনফ্রাস্ট্রাকচার’ স্থাপন করা হয়েছে। আধুনিক জিপিইউ সেবাযুক্ত এই অবকাঠামোর মাধ্যমে সরকারি বিভিন্ন অ্যাপ্লিকেশনের এআই ওয়ার্কলোড পরিচালনার পাশাপাশি জেনারেটিভ এআই এবং লার্জ ল্যাঙ্গুয়েজ মডেল ভিত্তিক উদ্ভাবনী সেবা চালু করা সম্ভব হবে। পাশাপাশি সরকারি ডিজিটাল অ্যাপ্লিকেশনগুলোর আধুনিকায়ন এবং সফটওয়্যার জীবনচক্র ব্যবস্থাপনায় ডেভওপস ও ডেভসেকওপস প্রযুক্তির ব্যবহারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

অন্যদিকে, বর্তমান ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টারের সীমাবদ্ধতা ও অপ্রতুলতা কাটিয়ে উঠতে যশোর সফটওয়্যার টেকনোলজি পার্কে একটি তিনতলা বিশিষ্ট টায়ার-৩ সার্টিফায়েড পূর্ণাঙ্গ ডিজাস্টার রিকভারি ডেটা সেন্টার নির্মাণকাজ চলমান রয়েছে। নতুন এই সেন্টারে উচ্চ বিদ্যুৎ সক্ষমতাসম্পন্ন দুই শতাধিক আইটি কেবিনেট ও রেক স্থাপনের ব্যবস্থা থাকছে, যেখানে সাধারণ কম্পিউটিংয়ের পাশাপাশি এআই ওয়ার্কলোডও হোস্ট করা যাবে। উল্লেখ্য, বর্তমানে এই সক্ষমতা মাত্র ১৬টি সাধারণ রেকে সীমাবদ্ধ। ২০১৯ সালে জাতীয় ডেটা সেন্টারে প্রথমবারের মতো সরকারি ক্লাউড সেবা চালু হলেও তখন মাত্র ১১টি ক্যাটাগরিতে সেবা পাওয়া যেত। ধারাবাহিক উন্নয়নের অংশ হিসেবে সাইবার নিরাপত্তা ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসহ অগ্রাধিকারমূলক খাত বিবেচনায় বর্তমানে সেবার পরিধি ব্যাপকভাবে বাড়ানো হয়েছে।


নির্বাচিত

স্মার্ট ফ্রিল্যান্সিংয়ের পথে বাংলাদেশ: জাতীয় ডেটাবেজ ও ডিজিটাল আইডি কার্ড চালু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতকে আরও সুশৃঙ্খল, স্বচ্ছ এবং পেশাদার করার লক্ষ্যে প্রথমবারের মতো সরকারি উদ্যোগে ‘ফ্রিল্যান্সার আইডি ম্যানেজমেন্ট সফটওয়্যার’ উদ্বোধন করা হয়েছে। আজ মঙ্গলবার (১৩ জানুয়ারি) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে আইসিটি বিভাগের সভাকক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই আধুনিক প্ল্যাটফর্মটির যাত্রা শুরু হয়। প্রধান উপদেষ্টার ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব এই সফটওয়্যারটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তিনি তাঁর বক্তব্যে জানান যে, ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় যাচাইয়ের প্রক্রিয়াকে সহজ করতে এবং অতীতের নানা তিক্ত অভিজ্ঞতা ও আর্থিক জালিয়াতি রোধে এই পুরো প্রক্রিয়াটিকে সম্পূর্ণ বিনামূল্যে রাখা হয়েছে। এখন থেকে আবেদন ফি, নবায়ন ফি কিংবা প্রক্রিয়াকরণ ফির নামে কোনো ধরণের অর্থ লেনদেন বা সংশ্লিষ্ট হয়রানির শিকার হতে হবে না ফ্রিল্যান্সারদের।

তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের ২৯ জন দক্ষ প্রকৌশলী এই আইডি যাচাইয়ের কাজে একটি শক্তিশালী রিসোর্স পুল হিসেবে কাজ করবেন এবং কারিগরি সহায়তার জন্য চারজন বিশেষজ্ঞকে সার্বক্ষণিক দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। খুব শীঘ্রই এপিআই (API) ভিত্তিক স্বয়ংক্রিয় যাচাই ব্যবস্থা চালু হবে এবং এ বিষয়ে ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটির সঙ্গে দুই স্তরের যাচাই পদ্ধতি নিয়ে একটি ফলপ্রসূ সমঝোতা সম্পন্ন হয়েছে। ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব জানান যে, ওয়েবসাইটটির প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা পরীক্ষা বা ভিএপিটি সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে এবং আজ থেকেই ফ্রিল্যান্সাররা সাইন-আপ ও ডিজিটাল আইডির জন্য আবেদন করতে পারবেন। ফ্রিল্যান্সারদের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতা উন্নয়নে ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটি লিডার এবং বাংলাদেশ কল সেন্টার অ্যাসোসিয়েশন (বাক্য) একযোগে কাজ করার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে।

নতুন এই ডিজিটাল আইডির সামাজিক ও অর্থনৈতিক গুরুত্ব তুলে ধরে জানানো হয় যে, ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো যাতে এই পরিচয়পত্র গ্রহণ করে এবং গুরুত্ব দেয়, সে বিষয়ে খুব শীঘ্রই বাংলাদেশ ব্যাংকে একটি আনুষ্ঠানিক চিঠি পাঠানো হবে। এর মাধ্যমে প্রচলিত ম্যানুয়াল বা কাগুজে আইডির পরিবর্তে এই ডিজিটাল আইডি ব্যবহার করে ফ্রিল্যান্সাররা খুব সহজেই প্রয়োজনীয় ব্যাংকিং সেবা, ঋণ সুবিধা এবং ক্রেডিট কার্ডের জন্য আবেদন করতে পারবেন। এই প্ল্যাটফর্মটি মূলত একটি জাতীয় ফ্রিল্যান্সার ডেটাবেজ হিসেবে কাজ করবে, যা দেশের ফ্রিল্যান্সারদের প্রকৃত সংখ্যা, তাঁদের অর্জিত দক্ষতা এবং কাজের ধরণ অনুযায়ী সঠিক তথ্য সংরক্ষণ করবে। এই তথ্যভাণ্ডার ভবিষ্যতে ফ্রিল্যান্সিং খাতের উন্নয়নে সঠিক জাতীয় নীতিমালা প্রণয়নে সরকারকে বিশেষভাবে সহায়তা করবে।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি বিভাগের সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, এই উদ্যোগের ফলে ফ্রিল্যান্সারদের পরিচয় যাচাই অনেক বেশি সহজ হবে এবং বিদেশ ভ্রমণের ক্ষেত্রে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতাও অনেকাংশে কমে আসবে। ইতিপূর্বে যারা অর্থের বিনিময়ে আইডি নিতে গিয়ে প্রতারিত হয়েছেন, তাঁদের বিষয়ে তথ্যপ্রযুক্তি অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আবু সাঈদ জানান যে, সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ পাওয়া গেলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে প্রতীকী হিসেবে উপস্থিত একজন ফ্রিল্যান্সারের আইডি কার্ডের আবেদন তাৎক্ষণিকভাবে অনুমোদন করার মাধ্যমে এই নতুন সেবার যাত্রা শুরু করা হয়। অনুষ্ঠানে আইসিটি বিভাগের অতিরিক্ত সচিব, মোবাইল আর্থিক সেবার প্রতিনিধি, বাংলাদেশ ব্যাংকের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন ফ্রিল্যান্সার কমিউনিটির সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন, যা এই খাতের বিকাশে এক নতুন আশার সঞ্চার করেছে।


নির্বাচিত

সাইবার আক্রমণ মোকাবিলায় এসওসি গঠনের পথে এগোচ্ছে করপোরেট বিশ্ব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
করপোরেট ডেস্ক

সাইবার নিরাপত্তা সক্ষমতা শক্তিশালী করা, দ্রুত হুমকি শনাক্ত ও প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করা এবং প্রতিযোগিতামূলক সুবিধা অর্জনের লক্ষ্যে বিশ্বব্যাপী অর্ধেকের বেশি প্রতিষ্ঠান সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার (এসওসি) গঠনের পরিকল্পনা করছে। স্বয়ংক্রিয় সাইবার নিরাপত্তা সলিউশনের চাহিদা বাড়লেও কার্যকর নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে দক্ষ মানবসম্পদের গুরুত্ব এখনো অপরিহার্য বলে মনে করছে ব্যবসা প্রতিষ্ঠানগুলো।

এসওসি বা সিকিউরিটি অপারেশনস সেন্টার হলো একটি বিশেষ দল, যারা কোনো প্রতিষ্ঠানের আইটি সিস্টেম সার্বক্ষণিক নজরদারি করে এবং সাইবার হামলা থেকে সুরক্ষা নিশ্চিত করে। তাদের মূল কাজ হলো সাইবার হুমকি দ্রুত শনাক্ত করা, তা বিশ্লেষণ করা এবং প্রয়োজন অনুযায়ী সঙ্গে সঙ্গে ব্যবস্থা নেওয়া। এসওসি কেন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে এবং এর গুরুত্ব কতটা তা বোঝার জন্য সাইবার নিরাপত্তা প্রতিষ্ঠান ক্যাসপারস্কি একটি বৈশ্বিক গবেষণা চালায়। এতে ৫০০-এর বেশি কর্মী রয়েছে, যাদের এখনো এসওসি নেই তবে ভবিষ্যতে গঠনের পরিকল্পনা করছে এমন প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ আইটি নিরাপত্তা কর্মকর্তারা অংশ নেন।

এপ্যাক, মেটা, ল্যাটাম, ইউরোপ ও রাশিয়ার ১৬টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, ৫০ শতাংশ প্রতিষ্ঠান সাইবার নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে এসওসি গড়তে চায়। ৪৫ শতাংশ প্রতিষ্ঠানের মতে, দিন দিন জটিল হয়ে ওঠা সাইবার হামলাই এর প্রধান কারণ। পাশাপাশি দ্রুত হুমকি শনাক্ত ও প্রতিক্রিয়া জানানো, সঠিকভাবে ব্যবস্থাপনা করা, সম্প্রসারিত আইটি সিস্টেম নিয়ন্ত্রণে রাখা (৪১ শতাংশ), তথ্য সুরক্ষা (৪০ শতাংশ), আইন ও নিয়ম মেনে চলা (৩৯ শতাংশ) এবং প্রতিযোগিতায় এগিয়ে থাকার বিষয়টিও, বিশেষ করে বড় প্রতিষ্ঠানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ কারণ হিসেবে উঠে এসেছে।

কাসপারস্কির এসওসি কনসাল্টিং প্রধান রোমান নাজারভ বলেন, “একটি সফল এসওসি গড়তে শুধু আধুনিক প্রযুক্তি থাকলেই হয় না। এর পাশাপাশি কাজের পদ্ধতি আগে থেকেই ঠিক করা, লক্ষ্য পরিষ্কারভাবে নির্ধারণ করা এবং জনবল ও সম্পদ ঠিকভাবে ব্যবহার করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কাজের স্পষ্ট নিয়মকানুন ও ধারাবাহিক উন্নয়নের মাধ্যমে নিরাপত্তা বিশ্লেষকরা আসল ও জরুরি ঝুঁকিগুলোর দিকে বেশি মনোযোগ দিতে পারেন। এভাবেই এসওসি একটি সক্রিয়, সময়োপযোগী এবং কার্যকর সাইবার নিরাপত্তা ব্যবস্থায় পরিণত হতে পারে বলে আমরা বিশ্বাস করি।’


নির্বাচিত

হারানো জিনিস খোঁজা ও স্ক্যাম সতর্কতায় ঝিনাইগাতীর শোভনের ‘অ্যাওয়ার এক্সওয়ান’

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঝিনাইগাতী (শেরপুর) প্রতিনিধি

ডিজিটাল জীবনে হারানো জিনিস কিংবা অনলাইন প্রতারণা এখন নিত্যদিনের বাস্তবতা। এক মুহূর্তের অসতর্কতায় মোবাইলফোন, মানিব্যাগ, ল্যাপটপ কিংবা গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্র হারিয়ে যাওয়ার ঘটনা যেমন বাড়ছে, তেমনি ভুয়া লিংক, প্রতারণামূলক ফোনকল কিংবা মিথ্যা মেসেজে ক্লিক করেই কেউ হারাতে পারেন জীবনের সঞ্চয়। অথচ এমন পরিস্থিতিতে মানুষের ভরসা আজও মূলত ফেসবুক পোস্ট, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ কিংবা পরিচিতজনদের কাছে সাহায্য চাওয়া। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই হারানো জিনিস আর ফিরে আসে না, আর স্ক্যামের তথ্য দেরিতে ছড়ানোর কারণে আরও অনেক মানুষ প্রতারিত হন।

এই বাস্তব সমস্যার কার্যকর ও টেকসই সমাধান খুঁজতেই জন্ম নেয় ‘অ্যাওয়ার এক্সওয়ান (Aware X One)’। দুই বাংলাদেশি শিক্ষার্থীর উদ্যোগে তৈরি এই কমিউনিটি-চালিত ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের লক্ষ্য একটাই—হারানো জিনিস খুঁজে পাওয়ার বাস্তব সুযোগ তৈরি করা এবং প্রতারণা ঘটার আগেই মানুষকে সতর্ক করা।

প্ল্যাটফর্মটির অন্যতম উদ্যোক্তা শেরপুরের ঝিনাইগাতীর মো. শাহরিয়ার শাহনাজ শোভন, যিনি অনলাইনে ‘shuvonsec’ নামে পরিচিত। তিনি নাসা, সনি, মেটা, অ্যামাজন ও গুগলের মতো আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের সিস্টেমে গুরুত্বপূর্ণ সাইবার দুর্বলতা শনাক্ত করে আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি অর্জন করেছেন। বর্তমানে তিনি মালয়েশিয়ার ইউনিভার্সিটি অব সাইবারজায়ায় তথ্যপ্রযুক্তিতে ডিপ্লোমা অধ্যয়নরত।

নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে শাহরিয়ার শাহনাজ শোভন বলেন, “একদিন আমার নিজের একটি পাওয়ার ব্যাংক হারিয়ে যায়। তখন বুঝতে পারি, জিনিস হারালে মানুষ আসলে কোথায় যাবে বা কী করবে—তার কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নেই। সবাই ফেসবুকে পোস্ট দেয়, কিন্তু বেশিরভাগ সময় কিছুই ফিরে আসে না। তখনই উপলব্ধি করি, সমস্যাটা মানুষের নয়, সমস্যাটা পুরো সিস্টেমের। সেই ভাবনাই অ্যাওয়ার এক্সওয়ান-এর জন্ম দেয়।”

এই ভাবনাকে বাস্তবে রূপ দিতে শোভনের সঙ্গে যুক্ত হন একই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী উকাই কিং মারমা জয় (Ukay Khing Marma Joy)। তিনি একজন অভিজ্ঞ সিস্টেমস ও সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, যিনি সফটওয়্যার ও হার্ডওয়্যার—উভয় ক্ষেত্রেই দক্ষ। এমবেডেড সিস্টেম, অটোমোটিভ-গ্রেড লিনাক্স অ্যাপ্লিকেশন, ফুল-স্ট্যাক প্ল্যাটফর্মসহ বাস্তব ব্যবহারের উপযোগী নির্ভরযোগ্য প্রযুক্তি সিস্টেম তৈরিতে রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য অভিজ্ঞতা।

জয়ের মূল দায়িত্ব ছিল এমন একটি প্রযুক্তিগত অবকাঠামো তৈরি করা, যা কেবল ধারণার মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং বাস্তব ব্যবহারে টেকসই হবে। বড় পরিসরে ব্যবহার হলেও যেন সিস্টেম ভেঙে না পড়ে, তথ্য নিরাপদ থাকে এবং ব্যবহারকারীর অভিজ্ঞতা সহজ হয়—এই লক্ষ্যেই অ্যাওয়ার এক্সওয়ান-এর প্রযুক্তিগত ভিত্তি নির্মাণ করা হয়েছে।

বর্তমানে হারানো বা পাওয়া জিনিসের তথ্য ছড়িয়ে থাকে অসংখ্য গ্রুপ ও টাইমলাইনে। এতে যেমন সঠিক তথ্য খুঁজে পাওয়া কঠিন, তেমনি ভুয়া দাবি ও নতুন প্রতারণার ঝুঁকিও তৈরি হয়। অ্যাওয়ার এক্সওয়ান এই সমস্যার সমাধানে চালু করেছে ভেরিফায়েড আইডেন্টিটি সিস্টেম, যেখানে ব্যবহারকারীর পরিচয় যাচাই করা থাকে।

এছাড়া রয়েছে ট্রাস্ট স্কোরিং সিস্টেম, যা ব্যবহারকারীর পূর্ববর্তী আচরণ ও অবদানের ভিত্তিতে নির্ভরযোগ্যতা নির্ধারণ করে। নিয়মিত সঠিক স্ক্যাম রিপোর্ট করা কিংবা হারানো জিনিস ফেরত দিতে সহায়তা করলে ব্যবহারকারীর ট্রাস্ট স্কোর বাড়ে, যা পুরো কমিউনিটিকে আরও বিশ্বাসযোগ্য করে তোলে।

অ্যাওয়ার এক্সওয়ান-এর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হলো রিয়েল-টাইম লোকেশনভিত্তিক অ্যালার্ট ব্যবস্থা। কোনো নির্দিষ্ট এলাকায় হারানো জিনিস বা অনলাইন প্রতারণার ঘটনা রিপোর্ট হলেই আশপাশের ব্যবহারকারীরা সঙ্গে সঙ্গে নোটিফিকেশন পান। এর ফলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হয়।

উদ্যোক্তাদের মতে, অ্যাওয়ার এক্সওয়ান শুধু একটি প্রযুক্তি প্ল্যাটফর্ম নয়; এটি একটি সামাজিক ও মানবিক উদ্যোগ। এখানে কমিউনিটির সদস্যরাই একে অপরের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেন। হারানো জিনিস ফেরত পাওয়া যেমন আনন্দের, তেমনি অপরিচিত কাউকে প্রতারণার হাত থেকে রক্ষা করাও একটি সামাজিক দায়িত্ব—এই মূল্যবোধই প্ল্যাটফর্মটির মূল চালিকাশক্তি।

ইতোমধ্যে অ্যাওয়ার এক্সওয়ান-এর লক্ষ্য ও কার্যক্রম তুলে ধরে একটি সংক্ষিপ্ত তথ্যচিত্র প্রকাশ করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে মালয়েশিয়া ও বাংলাদেশকে কেন্দ্র করে প্ল্যাটফর্মটি বিস্তারের পরিকল্পনা রয়েছে।


নির্বাচিত

অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে ৫টি জরুরি বিষয়

আপডেটেড ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ ১২:০৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অ্যাপার্টমেন্ট কেনা একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত! আপনার স্বপ্নের বাড়িকে নিরাপদ ও সুরক্ষিত বিনিয়োগে পরিণত করতে হলে আপনাকে অবশ্যই খুঁটিনাটি অনেক বিষয়ে নজর দিতে হবে এবং এর সুরক্ষা ও আইনি দিকগুলোতে গভীরভাবে মনোযোগ দিতে হবে। মার্কেটিংয়ের আড়ালে লুকিয়ে থাকা ঝুঁকিগুলো সম্পর্কে জানতে হবে। এখানে আজ আমরা এমন পাঁচটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় নিয়ে আলোচনা করবো যা অ্যাপার্টমেন্ট কেনার আগে আপনার জানা প্রয়োজন:

কাঠামোগত নিরাপত্তা

নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কখনো অনুমান-নির্ভর হবেন না। বিশেষ করে, একটি ভবনের ভিত্তির ওপরেই এর নিরাপত্তা নির্ভর করে। এক্ষেত্রে বাংলাদেশ ন্যাশনাল বিল্ডিং কোডের (বিএনবিসি) নিয়ম অনুযায়ী সয়েল টেস্ট রিপোর্ট, অনুমোদিত স্ট্রাকচারাল ডিজাইন এবং কলাম–বিম রিইনফোর্সমেন্ট ডিটেইলস সম্পর্কে নিশ্চিত হয়ে নিন। বিশেষত, এগুলো ভূমিকম্পের সময় দালানের প্রধান প্রতিরক্ষা হিসেবে কাজ করে। আপনার পরিবারের নিরাপত্তা এই কাঠামোর ওপরেই নির্ভরশীল।

আইনি অনুমোদন

নিশ্চিত করুন যে ডেভেলপারের কাছে রাজউক বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের চূড়ান্ত ও অনুমোদিত নকশা রয়েছে। এই অনুমোদিত নকশার সাথে তৈরি হওয়া কাঠামোটি মিলিয়ে দেখুন। আলো–বাতাস চলাচল ও অগ্নিনিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ বাধ্যতামূলক খোলা জায়গাগুলো রয়েছে কিনা, তা যাচাই করে দেখুন। সঠিক নকশাই অ্যাপার্টমেন্টের ঝামেলাহীন ব্যবহার নিশ্চিত করে।

সম্পত্তির ডকুমেন্ট যাচাই

বিনিয়োগের জন্য নিরঙ্কুশ মালিকানা প্রয়োজন। ভূমি তফসিল, মূল দলিল ও নামজারির মতো গুরুত্বপূর্ণ কাগজগুলো ডেভেলপারের মালিকানায় রয়েছে কিনা এবং সম্পত্তির মালিকানার বৈধতা নিষ্কন্টক কিনা, তা যাচাই করে দেখুন। পরিচ্ছন্ন কাগজপত্র রয়েছে মানেই ওই সম্পত্তিতে বিনিয়োগ নিরাপদ।

বিশেষজ্ঞের মূল্যায়ন

এটি আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ। কেনাকাটার চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে, একজন স্বতন্ত্র সার্টিফাইড স্ট্রাকচারাল ইঞ্জিনিয়ার বা বিশেষজ্ঞের সহায়তায় সম্পত্তির টেকনিক্যাল অডিট করিয়ে নিন। একজন সাধারণ মানুষের কাছে যে ত্রুটিগুলো অদৃশ্য থাকে, তা পেশাদার কারও চোখে খুব সহজেই ধরা পড়বে। এক্ষেত্রে ভবনে সত্যিই কোনো ঝুঁকি রয়েছে কিনা তা বোঝা সম্ভব হবে। সঠিক মূল্যায়নে অদৃশ্য ঝুঁকিও ধরা পড়ে।

নির্মাণের গুণগতমান

নৈতিক ও প্রযুক্তিগত মানদণ্ড মেনে চলে এমন কোনো ডেভেলপারকে বেছে নিতে পারেন। মানসম্মত উপকরণ, নিয়ম মেনে নির্মাণ ও বিশেষজ্ঞ তদারকি নিশ্চিত করুন। যেমন বলা যায়, গুলশান লেক–ড্রাইভের আয়েশা নুরুল লেক সেরেনিটির মতো নান্দনিক ও আধুনিক প্রকল্পগুলোতে নির্মাণের গুণগতমান এবং রেগুলেটরি কমপ্লায়েন্সকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। গুলশান লেক–ড্রাইভের আয়েশা নুরুল লেক সেরেনিটি আধুনিকতা ও নিরাপত্তার উৎকৃষ্ট উদাহরণ।

এক্ষেত্রে, ইউনিমাস হোল্ডিংস লিমিটেডের মতো বিশেষায়িত ও নির্ভরযোগ্য অনেক প্রতিষ্ঠান রয়েছে যারা অ্যাপার্টমেন্টের গুণগতমানের নিশ্চয়তার পাশাপাশি যোগাযোগে স্বচ্ছতা, বিনিয়োগের সুরক্ষা এবং নিরাপদ স্বপ্নের বাড়ি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।


নির্বাচিত

পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা-২০২৫-এর শুভ উদ্বোধন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মাননীয় সচিব মোঃ আনোয়ার হোসেন অদ্য ২৫ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি. মঙ্গলবার সকাল ১০ ঘটিকায়, পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, শাহবাগ, ঢাকায় “পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মেলা- ২০২৫” এর শুভ উদ্বোধন করেন। এ সময় বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোঃ মজিবুর রহমান, বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ-এর চেয়ারম্যান ড. সামিনা আহমেদ, কমিশনের সদস্য (ভৌত বিজ্ঞান) ড. দেবাশীষ পাল এবং কমিশনের পরিচালকবৃন্দ ও বিভিন্ন স্তরের বিজ্ঞানী ও কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
দেশের সার্বিক উন্নয়নে তরুণ প্রজন্মকে পরমাণু প্রযুক্তির শান্তিপূর্ণ প্রয়োগে আগ্রহী করতে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের উদ্যোগে ২৫ ও ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি. রোজ মঙ্গল ও বুধবার ২দিন ব্যাপী পরমাণু শক্তি কেন্দ্র, শাহবাগ, ঢাকা ক্যাম্পাসে “তারুণ্যের উৎসব-২০২৫” উদযাপন উপলক্ষ্যে এ মেলা আয়োজন করা হয়েছে। মেলায় ১১টি স্টলের মাধ্যমে বাংলাদেশ পরমাণু শক্তি কমিশনের বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগ কর্তৃক পরিচালিত গবেষণা, উন্নয়ন কার্যক্রম এবং সেবামূলক উদ্যোগ—যেমন খাদ্য, কৃষি, পরিবেশ, শিল্প, স্বাস্থ্য, চিকিৎসা ও পরমাণু বিদ্যুৎ উৎপাদন এবং প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন তুলে ধরা হয়েছে। যেখানে সাধারণ মানুষ ও বিজ্ঞানানুরাগীরা পরমাণু বিজ্ঞানের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে জানতে পারবেন। এর লক্ষ্য হলো পরমাণু বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির অগ্রগতি, ব্যবহার এবং এর সুবিধা সম্পর্কে তরুণ প্রজন্মকে উদ্বুদ্ধ করা।
উদ্বোধনী পর্বে ঢাকা মহানগরীর বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রায় তিন শতাধিক শিক্ষার্থী উৎসাহ-উদ্দীপনা নিয়ে মেলার বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন। বিজ্ঞানীদের সঙ্গে আলাপচারিতায় তারা তাদের জিজ্ঞাসা ও কৌতূহল আরও সমৃদ্ধ করে তোলেন। মেলায় শিক্ষার্থীদের জন্য বিজ্ঞান বিষয়ক কুইজে অংশগ্রহণেরও সুযোগ রয়েছে। মেলাটি ২৫ ও ২৬ নভেম্বর, ২০২৫ খ্রি. সকাল ১০:০০ টা হতে বিকাল ০৪:০০ টা পর্যন্ত সর্বসাধারণের জন্য উন্মুক্ত থাকবে ।


নির্বাচিত

banner close