রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪

প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে গ্রামগুলো জেগে উঠেছে: পলক

ছবি: সংগৃহীত
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ১৬ জুন, ২০২৪ ১৬:২৮

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী নেতৃত্বে গ্রামগুলো জেগে উঠেছে। শহরের সকল সুবিধা এখন গ্রামেই পাওয়া যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী আজ রোববার নাটোরের সিংড়াতে ৩৪ লাখ টাকা ব্যয়ে মহেষচন্দ্রপুর কমিউনিটি ক্লিনিকের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন উপলক্ষে আয়োজিত সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বপ্নের সোনার বাংলায় বাংলাদেশকে পরিণত করতে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন জননেত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ‘আমার গ্রাম আমার শহর’ কর্মসূচি বাস্তবায়ন করেছেন। ফলে গ্রামে বসেই এখন শহরের সকল সুবিধা পাওয়া যাচ্ছে। শতভাগ বিদ্যুৎ, শিক্ষার প্রসার, বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা, রাস্তাসহ সব অবকাঠামো উন্নয়ন হয়েছে অভূতপূর্ব। দ্রুতগতির ইন্টারনেট সুবিধার সুযোগ গ্রহণ করে বাড়িতে বসেই ফ্রিল্যান্সাররা উপার্জন করতে পারছেন। দুই শতাধিক নাগরিক সেবা অনলাইনে প্রদান করা হচ্ছে।

পলক বলেন, এখন গ্রামের বাড়িতে থেকেই শিক্ষার্থীরা উচ্চ শিক্ষাগ্রহণ করতে পারছে। টেলিমেডিসিন সেবা চালু করায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা সেবা পাওয়া যাচ্ছে। দোর গোড়ায় কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন করে ব্যবস্থাপত্রের সঙ্গে ওষুধ প্রদান করা হচ্ছে। উন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থার কারণে কৃষকরা তাদের উৎপন্ন কৃষিপণ্য বাজারজাত করতে পারছেন। উন্নয়ন এখন দৃশ্যমান। ভবিষ্যতে উন্নয়নের এই ধারা আরো বেগবান হবে।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার হা-মীম তাবাসসুম প্রভা অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন।

প্রতিমন্ত্রী পরে পর্যায়ক্রমে সিংড়া উপজেলার কলম, শোরকোল, হাতিয়ানদহ এবং চামারী ইউনিয়নে সাম্প্রতিক ঘূর্ণিঝড়ে ক্ষতিগ্রস্ত ১৮০টি পরিবারের মধ্যে ১ বান্ডিল করে ঢেউটিন, ৩ হাজার টাকা এবং শুকনো খাবার বিতরণ করেন।


দাম কমল ইনফিনিক্স নোট ৩০ প্রো ফোনের

আপডেটেড ১১ জুলাই, ২০২৪ ১৯:১৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইনিফিনিক্স নোট ৩০ প্রো-তে বিশেষ মূল্যছাড় দিচ্ছে তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড ইনফিনিক্স। তরুণরা যাতে বাজেটের মধ্যে আধুনিক ফিচারসমৃদ্ধ স্মার্টফোনটি কিনতে পারেন, সে কথা মাথায় রেখে বিশেষ এ মূল্যছাড় দিয়েছে ইনফিনিক্স।

ইনিফিনিক্স নোট ৩০ প্রো ডিভাইসের ৮জিবি+২৫৬ জিবি ভ্যারিয়েন্টির দাম তিন হাজার টাকা কমিয়ে এখন হয়েছে ২১ হাজার ৯৯৯ টাকা। যার বাজারমূল্য ছিল ২৪ হাজার ৯৯৯ টাকা। চলতি মাস থেকেই বিশেষ এই মূল্যছাড়ে পাওয়া যাচ্ছে স্মার্টফোনটি। এই ছাড় তরুণদের বিনোদনের পথ সহজ করার পাশাপাশি এবং কর্মমুখর ও উৎপাদনশীল হতে উদ্বুদ্ধ করবে।

গত বছরের জুলাই মাসে বাজারে আসে ইনফিনিক্স নোট ৩০ প্রো। এর উদ্ভাবনী চার্জিং প্রযুক্তি, অলরাউন্ড ফাস্ট-চার্জ ফোনটিকে তরুণদের মাঝে বেশ জনপ্রিয় করে তোলে। এর রিভার্স ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তিও বেশ সাড়া ফেলেছিল। গতিময় জীবনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে এই ফোন তরুণদের চার্জিং সক্ষমতা, স্মার্ট প্রযুক্তি এবং অনন্য এক অভিজ্ঞতা দেয়।

কর্মব্যস্ততার কারণে যারা সব সময় বাইরে থাকেন অথবা যারা ভ্রমণ করেন, তাদের জন্য নোট ৩০ প্রো একটি আশীর্বাদ। ডিভাইসটিতে আছে ৫০০০ এমএএইচ ব্যাটারি এবং ৬৮ ওয়াট ওয়্যারড চার্জিং অ্যাডাপ্টর, যা দিয়ে মাত্র ৩০ মিনিটে ৮০ শতাংশ চার্জ করা সম্ভব। এই ফোনে আরও আছে ১৫ ওয়াটের ওয়্যারলেস চার্জিং প্রযুক্তি। এছাড়া বাইপাস চার্জি প্রযুক্তি অধিক ব্যবহারের সময় স্মার্টফোনটিকে ঠান্ডা রাখে। ফলে ঘণ্টার পর ঘণ্টা মোবাইলে গেম খেলা বা ভিডিও কলে কথা বলার সময় স্মার্টফোনটি গরম হয় না। গেমিং ও ভিডিও দেখার ক্ষেত্রে অনন্য অভিজ্ঞতা দিতে ফোনটিতে আছে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেটের অ্যামলয়েড ডিসপ্লে। ডিভাইসটিতে আছে মিডিয়াটেক হেলিও জি৯৯ প্রসেসর দ্বারা চালিত ভেপার-চেম্বার লিকুইড কুলিং প্রযুক্তি; যা মাল্টি টাস্কিংয়ে অসাধারণ এক অভিজ্ঞতা দেয়। ফোনটি চলে অ্যান্ড্রয়েড ১৩ এর ওপর গঠিত এক্সওএস ১৩ অপারেটিং সিস্টেমে। ফলে তরুণ ব্যবহারকারীরা চমৎকার ইউজার ইন্টারফেস উপভোগ করতে পারেন।

নোট ৩০ প্রো-তে আছে ট্রিপল ক্যামেরা। যার মধ্যে ১০৮ মেগাপিক্সেল আল্ট্রা-হাই-পিক্সেল প্রাইমারি ক্যামেরা এবং ৩২ মেগাপিক্সেল সেলফি ক্যামেরা। যা ছবি তুলতে এবং ভিডিও করতে ব্যবহারকারীদের অনন্য অনুভূতি দেবে। বন্ধুদের সঙ্গে অসাধারণ সব মুহূর্তের ছবি তুলতে, একে অপরের সঙ্গে যোগাযোগ করতে অথবা অনলাইনে গেমিং করতে, তরুণদের মাঝে এটি বিশেষ জনপ্রিয়।

ইনফিনিক্স-এর ৩০০০ টাকার মূল্যছাড় অফার চলবে পরবর্তী ঘোষণা না দেওয়া পর্যন্ত। তাই যারা সাধ্যের মধ্যে কম বাজেটের স্মার্টফোন খুঁজছেন, বিশেষ করে শিক্ষার্থী, তরুণ ও প্রযুক্তিপ্রেমী, তাদের জন্য ইনফিনিক্স নোট ৩০ প্রো এর মূল্যছাড় অফারটি বেশ আকর্ষণীয়।


আন্তর্জাতিক মানের টেলিকম সেবা উপহার দিতে চাই: তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক কক্সবাজার রেলস্টেশন এলাকায় মোবাইল সেবার গুণগতমান পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, দেশে আন্তর্জাতিক মানের টেলিকম সেবা প্রদানে সবরকম ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ‘দেশে কলড্রপ, ব্লাংকসংযোগ বিড়ম্বনা হ্রাস, মোবাইল ইন্টারনেটের যথাযথ গতি এবং সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা গ্রাহকের সন্তুষ্টি অর্জনে দেশে আন্তর্জাতিক মানের টেলিকম সেবা উপহার দিতে চাই। এ লক্ষ্যে মোবাইল অপারেটরসহ সংশ্লিষ্টদের সেবার মান পর্যবেক্ষণে কারিগরি দল গঠন করা হয়েছে।’

প্রতিমন্ত্রী শুক্রবার কক্সবাজার রেলস্টেশন এলাকায় মোবাইল সেবার গুণগতমান পর্যবেক্ষণ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘উন্নত মোবাইল সেবা নিশ্চিত করতে অপারটেরদের সহায়তা দেওয়া হবে। আমরা অপারেটরদের হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলে সাঁতার শেখাব না, আমরা সাঁতার শিখিয়ে সক্ষমতা দিয়ে দেব, যাতে নদীটা পার হওয়া যায়।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গত ১৫ বছরে ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এবং ইন্টারনেট পৌঁছে দিয়েছেন। আমরা এখন চাই এগুলোর মান বৃদ্ধি করতে। এরই ধারাবাহিকতায় সারা দেশে আমরা ড্রাইভ টেস্ট পরিচালনা করছি।’

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘মোবাইল অপারেটরদেরকে গ্রাহকদের প্রতিশ্রুত সেবা প্রদান, গ্রাহক পর্যায়ে সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট প্রদান এবং অপারেটরদের যেসব সুবিধাগুলো দেওয়া হচ্ছে, সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে।’

পলক বলেন, ‘মোবাইল ফোন এখন জীবনের একটা অপরিহার্য অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা দেখছি যে, আমাদের গ্রাহকরা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। কলড্রপ একটা নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। আমাদের মোবাইল গ্রাহকরা যেমন এ বিষয় নিয়ে অসন্তুষ্ট। তেমনি বিটিআরসি যে পরীক্ষাগুলো করেছে, সে রিপোর্ট অনুসারেও কোয়ালিটি অব সার্ভিস খুব একটা সন্তোষজনক নয়।’

‘স্মার্ট টেলিকম ইকোসিস্টেম বাংলাদেশকে উপহার দিতে চাই’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যেভাবেই হোক আমরা গ্লোবাল বেঞ্চমার্কে উন্নীত হতে চাই। কক্সবাজারকে পৃথিবীর দীর্ঘতম বালুকাময় সমুদ্রসৈকত উল্লেখ করে পলক বলেন, প্রতিবছর লাখ-লাখ দেশি-বিদেশি পর্যটক এখানে আসেন। এই পর্যটন কেন্দ্রকে বিশ্বমানের করে গড়ে তোলার জন্যই প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এখানে একটি ট্রেন স্টেশন ও আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর তৈরি করে দিয়েছেন। কক্সবাজারে একটি হাইটেক পার্ক নির্মাণ করার জন্য তিনি ১৭০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন। কক্সবাজারকে বিশ্বমানের আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র হিসেবে গড়ে তোলার জন্য নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ, উচ্চগতির ইন্টারনেট, সড়ক-রেল-আকাশপথের মাধ্যমে যুক্ত করা হয়েছে।


মানা বে ওয়াটার পার্কে যাতায়াতে বিশেষ ছাড় পাবেন উবার যাত্রীরা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গ্রাহকদের এক্সক্লুসিভ প্রোমোশনাল অফারের উদ্দেশ্যে পার্টনারশিপ করেছে শীর্ষস্থানীয় রাইড শেয়ারিং প্ল্যাটফর্ম উবার এবং দেশের প্রথম পলিনেশিয়ান থিমড ওয়াটার পার্ক মানা বে। এর মাধ্যমে দর্শনার্থীরা পার্কটিতে যাতায়াতে স্বাচ্ছন্দ্যময় ভ্রমণ ও উন্নত অভিজ্ঞতার পাশাপাশি পাবেন ছাড়।

উবার যাত্রীরা মানা বে-তে যাতায়াতের ক্ষেত্রে বিশেষ ছাড় উপভোগ করতে পারছেন গত ১১ জুন থেকে। (ICMANABAYRT2024) প্রোমো কোড ব্যবহার করে যাত্রীরা ঢাকা-মানা বে-ঢাকায় পরবর্তী দুটি ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপে ১৪% ছাড় পাবেন। ৪ ঘণ্টা থেকে ২৪ ঘণ্টা সময়ব্যাপী ইন্টারসিটি ট্রিপের ক্ষেত্রে এই ছাড় প্রযোজ্য। প্রত্যেক ব্যবহারকারী অথবা যাত্রী ২টি ট্রিপের ক্ষেত্রে এই ছাড় পাবেন।

ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপ যাত্রীদের জন্য মানা বে’র এন্ট্রি টিকেটে ১৪% ছাড় দেবে প্রতিষ্ঠানটি। এই যাত্রীরা গাড়ি পার্কিংয়ের সময়ও পাবেন ১০% ছাড়। পাশাপাশি, ইন্টারসিটি ওয়ান-ওয়ে চালকরা ২০ মিনিটের জন্য গাড়ি পার্কিং ফিসের ওপর ছাড় পাবেন। এই পার্টনারশিপের লক্ষ্য হলো যাত্রীদের নিজের বাড়ি থেকে গন্তব্য পর্যন্ত পৌঁছানো পর্যন্ত পুরো যাত্রাটি আরামদায়ক করে তোলা। এই প্রিমিয়াম ওয়াটার পার্কটি ভ্রমণে সবাইকে উৎসাহিত করে তোলাও এর আরেকটি উদ্দেশ্য।

উবার বাংলাদেশের কান্ট্রি হেড নাশিদ ফেরদৌস কামাল বলেন, ‘নিজেদের সেবার মান উন্নত করতে উবার সবসময়ই সচেষ্ট। বাংলাদেশের গ্রাহকদের সুবিধাজনক ও সহজলভ্য যাতায়াতব্যবস্থা প্রদানে আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মানা বে’র সঙ্গে এই পার্টনারশিপও আমাদের সেই প্রতিশ্রুতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ। ইন্টারসিটি যাত্রীদের সাশ্রয়ী ভাড়ায় মানা বে-তে যাতায়াত এবং স্বচ্ছন্দে এর রাইডগুলো উপভোগ করার জন্য এটি চমৎকার সুযোগ।’

মানা বে ওয়াটার পার্কের অ্যাসিস্ট্যান্ট ভাইস প্রেসিডেন্ট সেলিম খান সুরাত্তি বলেন, ‘উবারের মতো একটি ব্র্যান্ডের সঙ্গে মিলিতভাবে কাজ করতে পেরে আমরা খুবই আনন্দিত। এই পার্টনারশিপের মাধ্যমে আমরা উবারের গ্রাহকদের জন্য এক্সক্লুসিভ প্রোমোশনাল অফার দিচ্ছি, ফলে মানা বে-তে তাদের ভ্রমণ হয়ে উঠবে আরও আনন্দময়। একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে গ্রাহকদের অসাধারণ সেবা ও সুবিধা প্রদান করাই আমাদের লক্ষ্য। আমরা মানা বে-তে তাদের দারুণ ও অবিস্মরণীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করতে চাই।’

উবারের ইন্টারসিটি রাউন্ড ট্রিপ সার্ভিসের সাহায্যে যাত্রীরা শহরের বাইরেও ভ্রমণের সময় একই গাড়ি ও চালককে এক বা একাধিক দিনের জন্য বুক করতে পারবেন।

যেভাবে এই ছাড় উপভোগ করতে পারবেন

• উবার অ্যাপের অ্যাকাউন্ট সেকশনে যান → পেমেন্ট → অ্যাড প্রোমো কোড

• প্রোমো কোড ICMANABAYRT2024 লিখুন

• অ্যাপের হোম এ গিয়ে ‘হোয়্যার টু’ বক্সটিতে লিখুন ‘মানা বে ওয়াটার পার্ক’ → রাউন্ড ট্রিপ সিলেক্ট করুন

• ট্রিপের ভাড়াসহ অন্যান্য বুকিংয়ের অন্যান্য তথ্য ভালোমতো দেখে নিয়ে ‘কনফার্ম ইন্টারসিটি’ ট্যাপ করুন

• রাইড উপভোগ করুন

বিষয়:

মোবাইল গ্রাহকদের আন্তর্জাতিকমানের সেবা দিতে সরকার বদ্ধপরিকর

আগারগাঁওয়ে বিটিআরসি ভবনের সম্মেলন কক্ষে রোববার মোবাইল অপারেটরদের গ্রাহক সেবার মান সংক্রান্ত সভায় বক্তব্য দেন তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, ‘মোবাইল গ্রাহক সেবার আন্তর্জাতিক মান নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর।’

আজ রোববার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ টেলিকমিউনিকেশন রেগুলেটরি কমিশন (বিটিআরসি) ভবনের সম্মেলন কক্ষে বিটিআরসি আয়োজিত মোবাইল অপারেটরদের গ্রাহক সেবার মান সংক্রান্ত এক সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে বিদ্যমান প্রত্যেকটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানিকে গ্রাহকদের প্রতিশ্রুত সেবা প্রদান, গ্রাহক পর্যায়ে সুলভ মূল্যে ইন্টারনেট প্রদান এবং অপারেটরদের যে সকল সুবিধা আমরা দিচ্ছি সেগুলোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে কাজ করছি। এরই ধারাবাহিকতায় ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগ এবং মোবাইল অপারেটর কোম্পানিগুলোর সম্মিলিত উদ্যোগে দেশে মোবাইল সেবাকে গ্লোবাল স্ট্যান্ডার্ডে উন্নীত করতে সম্ভাব্য সব কিছু করা হবে।’

কোভিডকালে মোবাইল অপারেটরদের ভূমিকার প্রশংসা করে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘মোবাইল ফোন এখন জীবনের একটা অংশ হয়ে গেছে। কিন্তু আমরা দেখছি যে, আমাদের গ্রাহকেরা অনেক ক্ষেত্রেই তাদের সেবা নিয়ে সন্তুষ্ট নন। কলড্রপ নিয়মিত বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। এসব বিষয় নিয়ে আমাদের মোবাইল গ্রাহকেরা যেমন অসন্তুষ্ট, তেমনি বিটিআরসি যে পরীক্ষাগুলো করেছে সে রিপোর্ট অনুসারেও সেবার মান খুব একটা সন্তোষজনক নয়।’

‘আমরা একটা স্মার্ট টেলিকম ইকোসিস্টেম বাংলাদেশকে উপহার দিতে চাই’ উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী ছয় মাসের মধ্যে কলড্রপ নিয়ে মোবাইল অপারেটরগুলো যে তথ্যই দিক না কেন, তা গুরুত্ববহ হবে না। গ্রাহকদের কাছ থেকে যতক্ষণ পর্যন্ত না একটা উল্লেখযোগ্য চিত্র কিংবা না পাব ততক্ষণ পর্যন্ত শুধুমাত্র কাগজে-কলমে বা ডিজিটাল উপস্থাপনায় আমি ব্যক্তিগতভাবে সন্তুষ্ট হব না। যেভাবেই হোক আমরা গ্লোবাল বেঞ্চমার্কে উন্নীত হতে চাই। কারণ, এটা আমাদের দেশের ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রে একটা বড় প্রভাব ফেলে।’

কলড্রপের জন্য গ্রাহকের যে ক্ষতিপূরণ দেওয়ার কথা সেটা আমরা আরও কঠোরভাবে প্রয়োগ করতে যাচ্ছি, উল্লেখ করে তিনি বলেন, মোবাইল ওয়ার্ক অপারেটরগুলো যদি প্রতিশ্রুত সেবা না দেয় তাহলে তাদের গ্রাহককে আর্থিকভাবে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। আমরা মনিটরিং এবং অডিট নিয়মিত করব। কল ড্রপ নিয়ে ঢাকার কয়েকটি এলাকার ড্রাইভ টেস্টের ফলাফল পর্যালোচনা করে পলক বলেন, শহর বা গ্রাম যেখানেই হোক আমরা মিডিয়ার যে রিপোর্ট, সেগুলো আমলে নেব এবং সেখানে আমরা ড্রাইভ দেব।

এ সময় পলক জানান, ফাইন্যান্সিয়াল অডিট এবং টেকনিক্যাল অডিটের ওপরও জোর দেওয়া হবে। ইন্টারনেটের গতি কেন কম হচ্ছে, গ্রাহকদের প্রতিক্রিয়া কী ? সেগুলো আমলে নিয়ে ড্রাইভ দেওয়া হবে। আমরা কারিগরি পরিদর্শন দল গঠন করেছি, তারা সেগুলো টেস্ট করছে বলেও উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

এক্ষেত্রে অপারেটরদের সহায়তাও দেওয়া হবে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা অপারেটরদের হাত-পা বেঁধে নদীতে ফেলে সাঁতার শেখাব না, আমরা সাঁতার শিখিয়ে সক্ষমতা দিয়ে দেব, যাতে নদীটা পার হওয়া যায়। কলড্রপ যাতে বিশ্বের অন্যতম একটা ভালো বেঞ্চমার্কে পৌঁছাতে পারি। সেটা আমাদের মূল লক্ষ্য। কলড্রপে সময় নষ্ট হয়, এনার্জি নষ্ট হয়, গ্রাহক বিরক্ত হয়। পাশাপাশি আপনাদেরও কিন্তু টেকনিক্যাল ও ফাইন্যান্সিয়াল লস হয়। এসব বিষয় খেয়াল করে সমাধানে যেতে হবে। সমস্যা যত কঠিনই হোক না কেন সমাধান করতে হবে।

পঞ্চম প্রজন্মের মোবাইল সেবা প্রসঙ্গে জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ফাইভজি রোল আউটেরও একটা নির্দিষ্ট টার্গেট বিটিআরসি এবং চারটি মোবাইল অপারেটর কোম্পানিকে দেওয়া হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় প্রথম পর্যায়ে এয়ারপোর্ট, সি পোর্ট এবং কিছু বিজনেস ডিস্ট্রিক্টস, গুরুত্বপূর্ণ কয়েকটি বাণিজ্যিক ও শিল্পাঞ্চলে ফাইভজি রোল আউট করা হবে। তারপর পর্যায়ক্রমে সব জায়গায় রোল আউট করা হবে।

হজরত শাহজালাল (রহ:) আন্তর্জাতিক এয়ারপোর্টের তৃতীয় টার্মিনাল অক্টোবরে উদ্বোধন হতে পারে, উল্লেখ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অক্টোবরকে টার্গেট করে চারটি মোবাইল অপারেটরকে একটা চ্যালেঞ্জ দিতে চাই, যেন অক্টোবরের ৩০ তারিখের মধ্যে ফাইভজি ওখানে নিশ্চিত করতে পারে। পাশাপাশি গুলশান, বনানী, মতিঝিল, আগারগাঁও এলাকায় ফাইভজি এনাবল অনেক স্মার্টফোন ব্যবহার করা হয়। আমার বিশ্বাস সেসব জায়গায়ও এ বিষয়ে কোম্পানিগুলো মনোযোগ দেবে। চট্টগ্রাম বন্দরের ব্যবস্থাপনায় ফাইভজি ও আইওটি কীভাবে ব্যবহার করতে পারি সে বিষয়েও কাজ করছি। আমরা আশা করছি সেখানেও দ্রুত ফাইভজি ব্যবহার করতে পারব।

বিটিআরসির চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মো. মহিউদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে অ্যামটব সভাপতি ও গ্রামীণ ফোনের সিইও ইয়াসির আজমানসহ মোবাইল ফোন কোম্পানিগুলোর শীর্ষ কর্মকর্তারা এ সভায় উপস্থিত ছিলেন।


ডাক বিভাগের কর্মীরা ৫১ কোটি টাকা লোপাট করেছেন: পলক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ডাক বিভাগের কর্মীরা গ্রাহকের অর্থ এবং ডাকের নিজস্ব তহবিল মিলিয়ে মোট ৫১ কোটি টাকা লোপাট করেছেন বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আজ বুধবার রাজধানীর গুলশানে একটি হোটেলে এক কর্মশালায় তিনি এ তথ্য জানান। জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, ‘এ ধরনের ১১টি অনিয়মের সত্যতা পাওয়া গেছে। এসব কাজে জড়িত কর্মীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে দুর্নীতি দমন কমিশনে (দুদক) চিঠি দেওয়া হয়েছে।’

সম্প্রতি তানোর উপজেলা পোস্ট অফিসে পরিবার সঞ্চয়পত্রে পারুল বেগম নামে এক নারীর জমা রাখা দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে পোস্টমাস্টার মোহাম্মদ মোকসেদ আলীর বিরুদ্ধে। টাকা ফেরত না পাওয়ায় আত্মহত্যার চেষ্টা করেন ওই নারী। এ ঘটনার পর আর কোনো গ্রাহক প্রতারিত হয়েছেন কি না তা জানতে তানোরসহ দেশের বিভিন্ন উপজেলায় মাইকিং করে জানানোর উদ্যোগ নেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী।

পলক জানান, শুধু তানোরেই আরও ৫১ গ্রাহক প্রতারণার শিকার হয়েছেন বলে অভিযোগ করেছেন। এতে অনিয়ম বন্ধ করে বছরে ডাক বিভাগের ৭০০ কোটি টাকা লোকসান ঠেকাতে গাড়ি-জমি লিজ দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রণালয়। যাতে ২০টি প্রতিষ্ঠান সাড়া দিয়েছে বলেও জানান তিনি।


দেশে অনলাইন জুয়ায় ৫০ লাখ মানুষ জড়িত: পলক

সচিবালয়ে মন্ত্রণালয় সভাকক্ষে সোমবার ফরাসি রাষ্ট্রদূত মেরি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৪ জুন, ২০২৪ ২০:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা দেশের ৫০ লাখ মানুষ অনলাইন জুয়ার সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছেন বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আজ সোমবার সচিবালয়ে বাংলাদেশে নিযুক্ত ফ্রান্সের রাষ্ট্রদূত ম্যারি মাসদুপুইয়ের সঙ্গে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে প্রতিমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

পলক বলেন, ‘অনলাইন জুয়া থেকে জনগণকে দূরে রাখার জন্য সচেতনতা তৈরিতে সংশ্লিষ্ট সবাইকে নিয়ে সম্মিলিতভাবে প্রচেষ্টা চালানো হচ্ছে।’

অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে টাকা পাচার হচ্ছে, এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘অনলাইন জুয়া নিয়ে আমরা মতবিনিময় করেছি। এটাতে মারাত্মক ঝুঁকির মধ্যে রয়েছে আমাদের বিভিন্ন বয়সের ছেলেমেয়েরা। এমনকি অনেক বয়স্ক ও অবসরপ্রাপ্ত ব্যক্তিও এর মধ্যে জড়িয়ে পড়ছেন। তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে আমরা দেখেছি, ৫০ লাখ মানুষ কীভাবে যেন এই অবৈধ জুয়ার সাইটগুলোর সঙ্গে জড়িয়ে গেছেন।’

‘আমরা অবৈধ জুয়ার সাইটগুলোকে ব্লক করার চেষ্টা করছি। পাশাপাশি একটা সচেতনতা তৈরি করার চেষ্টা করছি। যাতে সাধারণ মানুষ এ ধরনের কোনো প্রলোভনে পড়ে প্রতারিত না হন। আমাদের দেশের মুদ্রা যাতে বিদেশে পাচার না হয়। একটা সচেতনতা আর একটা প্রযুক্তিগত প্রয়োগ। পাশাপাশি কঠোর আইনের প্রয়োগের বিষয়টিও রয়েছে’- যোগ করে বললেন জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, ‘আমরা মোট ২ হাজার ৬০০টি জুয়ার সাইট ব্লক করেছি। এখন আমরা মোবাইল অ্যাপগুলো প্রতিনিয়ত ব্লক করছি। এটি একটি চলমান প্রক্রিয়া। বিষয়টি নিয়ে ডিপার্টমেন্ট অব টেলিকম, ন্যাশনাল টেলিকম মনিটরিং সেন্টার, কম্পিউটার কাউন্সিল, বিটিআরসি ও সাইবার সিকিউরিটি এজেন্সি-সবাইকে নিয়ে বসেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘যার যতটুকু সক্ষমতা আছে, পুলিশ ও ইন্টেলিজেন্স- সবাই মিলে সম্মিলিতভাবে একটা ড্রাইভ দিচ্ছি। আরও উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন প্রযুক্তি প্রয়োগ করে আমরা অবিরাম এটা ব্লক করতে থাকব।‌ মিডিয়াসহ বিভিন্ন সোর্সে আমরা যেটা পাচ্ছি, সেটা ব্লক করার চেষ্টা করছি।’

এদিকে ব্যাটিং সাইটগুলো নিয়ে নিয়মিতই দেশের বিভিন্ন টিভি চ্যানেলে খেলার সময় বিজ্ঞাপন দেখা যায়। এতে করে তরুণরা এই সাইটে আরও বেশি ঝুঁকছেন বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। তাদের মতে, টিভিতে যখন ক্রিকেট খেলা চলে তখন সেখানে দেখা যায় ওয়ান এক্স ব্যাটসহ বিভিন্ন ব্যাটিং সাইটের বিজ্ঞাপন, যা দেখে বিশ্বাসযোগ্যতা মনে করে তরুণরা জুয়ার ব্যাটিং সাইটে প্রবেশ করছে এবং তা নিয়ে ব্যাটিং করে সর্বস্ব হারাচ্ছে। বর্তমানে টি-২০ ওয়ার্ল্ড কাপ খেলা চলায় ক্রিকেট নিয়ে সব বয়সি দর্শক মাতোয়ারা। আর এরই ফাঁকে খেলার মধ্যে ব্যাটিংয়ের বিজ্ঞাপন দেখে তা নিয়ে মাতচ্ছেন তারা। খোয়াচ্ছেন হাজার হাজার টাকা। যা কি না দেশ থেকে হুন্ডি হয়ে দেশের বাইরে চলে যাচ্ছে।

আদালতের যে নির্দেশনা রয়েছে

২০২২ সালের ১১ ডিসেম্বর এ-সংক্রান্ত এক রিট আবেদনে অনলাইন প্ল্যাটফর্মে ইন্টারনেটভিত্তিক জুয়ার বিজ্ঞাপন ও সারোগেট বিজ্ঞাপন অপসারণ ও প্রচার বন্ধের নির্দেশনা চাওয়া হয়। রিটের পরিপ্রেক্ষিতে ১৮ ডিসেম্বর এ বিষয়ে রুল জারি করেন আদালত।

রুলে জানতে চাওয়া হয় অবৈধ অনলাইন বেটিং বা জুয়ার বিজ্ঞাপন সম্প্রচার বন্ধ বা অপসারণে ব্যর্থতা কেন আইনগত কর্তৃত্ববহির্ভূত ঘোষণা করা হবে না এবং অবিলম্বে এসব বিজ্ঞাপনের সম্প্রচার, প্রচার বন্ধ বা অপসারণে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না। রুলের জবাব দিতে বলা হয় ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব, তথ্য সচিব, যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যানকে।

সে ধারাবাহিকতায় ২০২৩ সালের ১১ জুলাই এক আদেশে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও টেলিভিশন; বিশেষ করে খেলার চ্যানেলসহ ডিজিটাল ও অনলাইন প্ল্যাটফর্মে অনলাইন বাজি ও জুয়ার বিজ্ঞাপন বন্ধে বিটিআরসিকে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে যেসব আর্থিক পরিষেবার মাধ্যমে ব্যাটিং ওয়েবসাইটের অর্থ আদান-প্রদান হয়, সেগুলোর গেটওয়ে এবং চ্যানেল বন্ধেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়।

এতকিছুর পরও খেলা চালানো দেশের টেলিভিশন চ্যানেল এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মে বেটিং-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারিত হচ্ছে। বর্তমানে বাংলাদেশের কয়েকটি বেসরকারি টিভি চ্যানেল খেলা দেখায়, আদালতের নিষেধাজ্ঞার পরও টিভিগুলোতে খেলার মধ্যে নিয়মিত এসব বিজ্ঞাপন প্রচার হচ্ছে। বাংলাদেশের ফ্র্যাঞ্চাইজি লিগ বিপিএলই হোক কিংবা ঘরের মাঠের আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অথবা আইপিএলের ম্যাচ; খেলার মধ্যে টেলিভিশনের পর্দায় একটু পরপরই ভেসে উঠছে ব্যাটিং-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এই জুয়ার ব্যাটিংয়ের কারণে দেশে তরুণ সমাজ বিপদগ্রস্ত। অনেক দিনমজুর, কম আয়ের মানুষজন এই ব্যাটিংয়ের কারণে নিঃস্ব। অনেকেই অনলাইন ব্যাটিংয়ে আসক্ত হয়ে সর্বস্বান্ত হচ্ছেন। এ নিয়ে পারিবারিক অশান্তি, মারামারি, এমনকি খুন-খারাবির ঘটনাও ঘটছে।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্যাটিং-সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচার বন্ধ না হলে দেশের কিশোর-তরুণ প্রজন্ম খেলার চেয়েও বেটিংয়ের দিকে বেশি ঝুঁকে যাবে।

অনেকে বলেন, দেশে জুয়া খেলা আগে ক্লাব বা ঘরের মধ্যে সীমিত ছিল। গত কয়েক বছরে ডিজিটাল মাধ্যম এবং খেলার সময় টেলিভিশনেও জুয়া খেলার বিজ্ঞাপন প্রচারিত হচ্ছে। এটা ক্ষতিকর। কারণ, এতে কিশোর-তরুণ সমাজ সেদিকে বেশি ঝুঁকছে।


‘দেশীয় ওয়েবসাইটে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার ব্যবহার বাড়ানো হচ্ছে’

রোববার বিমসটেক আয়োজিত ‘গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট’ শীর্ষক সেমিনারে বক্তব্য দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশীয় ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিনকে আরও স্মার্ট করতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ব্যবহার শিগগিরই বাড়ানো হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

আজ রোববার দ্য বে অফ বেঙ্গল ইনিশিয়েটিভ ফর মাল্টি-সেক্টরাল টেকনিক্যাল অ্যান্ড ইকোনমিক কো-অপারেশন (বিমসটেক) আয়োজিত ‘গ্লোবাল ডিজিটাল কমপ্যাক্ট’ শীর্ষক রিজিওনাল কনসালটেশন সেমিনারে তিনি একথা বলেন।

পলক বলেন, বিগত ১৫ বছরে দেশের ডিজিটাল খাতে ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে। এক দশকে দেশে ইন্টারনেট ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১৩০ মিলিয়ন। তাই দেশীয় ওয়েবসাইটের সার্চ ইঞ্জিনকে আরও স্মার্ট করতে শিগগিরই এআইয়ের ব্যবহার বাড়ানো হবে।

ইন্টারনেটের দাম কমিয়ে আনা প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ১৫ বছর আগেও এক এমবিপিএস ইন্টারনেটের দাম ছিল এক হাজার ডলার। বর্তমানে প্রতি এমবিপিএসের দাম কমে হয়েছে মাত্র ৬০ টাকা। শুধু শহর নয়, গ্রামেও সর্বত্র ইন্টারনেট সেবা চালু রাখতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ডিজিটাল ডেলিভারি সার্ভিস চালু করা হয়েছে। এর আওতায় বর্তমানে গ্রামের ১০ মিলিয়ন মানুষ সহজে ইন্টারনেট ব্যবহার করতে পারছেন। দেশে বর্তমানে নয় হাজারের মতো ডিজিটাল ডেলিভারি সার্ভিস রয়েছে, যা আগামীতে আরও বাড়ানো হবে বলেও জানান প্রতিমন্ত্রী।

তিনি বলেন, এক দশকে ৫২ হাজার ওয়েবসাইট তৈরি করা হয়েছে। ৯৯৯ থেকে শুরু করে এমন অনেক গুরুত্বপূর্ণ সার্ভিস আইসিটি বিভাগের হাত ধরে যাত্রা শুরু করেছে। প্রতিটি মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আইসিটি বিভাগ বাংলাদেশের ডিজিটালাইজেশনের জন্য কাজ করছে।

নিরাপদ ইন্টারনেট সেবার গুরুত্ব উল্লেখ করে পলক বলেন, শিগগিরই পার্সোনাল ডাটা প্রোটেকশন অ্যাক্ট চালু করা হবে। এর পাশাপাশি পলিসি মেকিংয়ের ক্ষেত্রে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মের বিকাশ নিয়েও আইসিটি বিভাগ কাজ করছে বলে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।


শুল্ক ও বাড়তি কর বিদেশি বিনিয়োগে বড় বাধা: পলক

আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিদেশি বিনিয়োগে শুল্ক ও বাড়তি কর বড় বাধা বলে মন্তব্য করেছেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। সচিবালয়ে বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনা মোহাম্মদ হাসিমের সঙ্গে বৈঠকের পর আজ বৃহস্পতিবার এ কথা বলেন তিনি।

পলক বলেন, বিদেশিরা বিনিয়োগ করতে ও বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। কিন্তু শুল্ক ও অশুল্ক নানা বাধা, বাড়তি কর ও বাড়তি মূসক এ খাতের গতিকে বাধাগ্রস্ত করছে। এ নিয়ে রাজস্ব বোর্ডের সহযোগিতা চাওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আইসিটি খাতে বিনিয়োগে আগ্রহী মালয়েশিয়ান কোম্পানি। নতুন করে রাজস্ব না বাড়িয়ে সেবার মান বাড়ালে আইসিটি সেক্টরে নতুন খাত তৈরি হবে। এতে রাজস্ব আহরণ ও বিনিয়োগ বাড়বে।’

এ সময় হাইকমিশনার হাজনাহ মোহাম্মদ হাশিম বলেন, বাংলাদেশের টেলিযোগাযোগ ও আইসিটি খাতে মালয়েশিয়া বিনিয়োগ বাড়াতে চায়। পারস্পরিকভাবে সে পরিবেশ তৈরিতে দুই দেশ একসঙ্গে কাজ করবে বলে মালয়েশিয়া বিশ্বাস করে।

বিষয়:

এক আইএমইআই নম্বরে দেড় লাখ মোবাইল ফোন!

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মোবাইল ফোনের পরিচয় বহন করে ইন্টারন্যাশনাল মোবাইল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টি তথা আইএমইআই নম্বর। একটি মোবাইল হ্যান্ডসেটে একটি আইএমইআই নম্বর এবং দুটি সিম সংযুক্ত হয় এমন মোবাইলে দুটি আইএমইআই নম্বর থাকে। তবে বিশ্লেষণে দেখা গেছে, দেশে শুধু একটি আইএমইআই নম্বরের নিবন্ধন দিয়ে অন্তত দেড় লাখ মোবাইল ফোন ব্যবহৃত হচ্ছে। নামি-দামি ব্র্যান্ডের মোড়কে গ্রাহকের হাতে চলে গেছে এসব অবৈধ মোবাইল ফোন। এ অভিযোগ করেছেন দেশের মোবাইল উৎপাদকরা।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে আয়োজিত এক সেমিনারে মোবাইল ডেটাবেজের উপাত্ত তুলে ধরে এ তথ্য জানান টেলিকম অপারেটর রবির চিফ করপোরেট অ্যান্ড রেগুলেটরি অফিসার সাহেদ আলম। সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

টেলিকম বিটের সাংবাদিকদের সংগঠন টিআরএনবির আয়োজনে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে টেলিযোগাযোগ অধিদপ্তরে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

এ সময় শাহেদ আলম বলেন, ইন্ডাস্ট্রিতে এখন ৫টি ব্র্যান্ডের মোবাইল ফোন বাংলাদেশে খুবই জনপ্রিয়। এ ফোনগুলোর বিপরীতে একটি আইএমইআই নম্বরে রেজিস্ট্রেশন করা আছে ১ লাখ ৫০ হাজারের ওপর হ্যান্ডসেট। ১ লাখ ৫০ হাজার হ্যান্ডসেটে আছে একটা আইএমইআই নম্বর। সব কপি। ন্যাশনাল ইকুইপমেন্ট আইডেন্টিফিকেশন রেজিস্টার (এনইআইআর) কার্যকর না হওয়া এবং গ্রে-মার্কেটের কারণে আমাদের জন্য একটি মোবাইল ডিভাইস লকিং গাইড লাইন দেওয়া হয়েছে। কিন্তু দুঃখজনকভাবে এই গাইডলাইন কোনো কাজে আসছে না। কেননা এর শর্তগুলো অনেক ক্ষেত্রেই সাংঘর্ষিক। সেটে থাকা দুটি সিম স্লটের মধ্যে একটি বন্ধ রেখে আরেকটা চালু রাখার ক্ষেত্রে এটা কাজ করছে না।

এ তথ্য জেনে চমকে ওঠেন অনুষ্ঠানের অতিথি টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। তিনি বলেন, ‘কী বলেন! এটা কিছুতেই মেনে নেওয়া যায় না।’

এ সময় সেমিনারে উপস্থিত পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগের প্রধান হারুন অর রশিদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন প্রতিমন্ত্রী। জবাবে তিনি বলেন, এ নিয়ে যখন অভিযান করি, তখন দেখি আপনাদের মতো এমন অফিস বানিয়ে তারা ব্যবসা করছে এবং হ্যান্ডসেট বানাচ্ছে। এক অভিযানে ৭০০ মোবাইল উদ্ধার করি। চীনসহ বিভিন্ন স্থান থেকে নিম্নমানের যন্ত্রাংশ এনে তারা এ মোবাইলগুলো বানাচ্ছে। দুই-তিন মাস চালানোর পর তা নষ্ট হয়ে যায়। এটা শুধু মোবাইল নয় গাড়ির ক্ষেত্রেও এমনটা দেখেছি। এক নম্বর দিয়ে ২৯টা গাড়ি চলছে।

এ সেমিনারে বিটিআরসি চেয়ারম্যান প্রকৌশলী মহিউদ্দিন আহমেদ, ভোক্তা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ এইচ এম সফিকুজ্জামান, দেশে মোবাইল হ্যান্ডসেট প্রস্তুতকারক কারখানাগুলোর নতুন সংগঠন মোবাইল ফোন ইন্ডাস্ট্রি ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (এমআইওবি) সভাপতি জাকারিয়া শাহিদ, সহসভাপতি রেজওয়ানুল হক, এমটব মহাসচিব লে. কর্নেল মোহাম্মদ জুলফিকার (অব.) প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, এনইআইআর বাস্তবায়ন করে উজবেকিস্তানে ৭০০ শতাংশ রাজস্ব বেড়েছে। আজারবাইজানের ৯৮ শতাংশ হ্যান্ডসেট এখন নিবন্ধিত হয়েছে। নিবন্ধন জটিলতার কারণে বাংলাদেশে এনইআইআর বাস্তবায়ন সম্ভব হচ্ছে না। অথচ মোবাইল অ্যাডাপশন ৪০ শতাংশ বাড়লে জিডিপিতে প্রবৃদ্ধি হয় ৪.৮ শতাংশ। ৬৭ শতাংশ মোবাইল ব্রডব্যান্ড অ্যাডাপশন হলে জিডিপি প্রবৃদ্ধি হবে ১২ শতাংশ।

সেমিনারে স্বাগত বক্তব্য দেন টিআরএনবি সাধারণ সম্পাদক মাসুদ রবিন।

সংগঠনের সভাপতি রাশেদ মেহেদী বলেন, ভার্চুয়াল দুনিয়ায় আমাদের অস্তিত্ব কেবল একটি ডিভাইস। এটা নিজের পরিচিতি ও আবাস। অপারেটর ও ম্যানুফ্যাকচারের মধ্যে পারস্পরিক ব্যবসায়িক সমঝোতা হলে আমরা অনেক দামি সেটও কম দামে পেতে পারি। এ সমন্বয় না থাকায় দেশে গ্রে মার্কেট বাড়ছে।

সেমিনারে মোবাইল উৎপাদকরা দাবি করছেন, লাগেজে আনা কর ফাঁকি দেওয়া মোবাইল ফোন দেশের মার্কেটগুলোতে বাজারজাত বন্ধে সরকারের মন্ত্রণালয় ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে নজরদারি বাড়াতে হবে। তারা বলেন, এসব অবৈধ ফোন বাজারজাতকরণ বন্ধে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সরকারি সংস্থাগুলো ব্যবস্থা না নিলে ফোন কারখানাগুলো থেকে কর্মী ছাঁটাইয়ে বাধ্য হবেন হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা।

হ্যান্ডসেট উৎপাদকরা জানান, হ্যান্ডসেট সংযোজনে বর্তমানে ২ হাজার কোটি টাকা বিনিয়োগ করেছে ১৭টি প্রতিষ্ঠান। ১৬ হাজার কোটি টাকার হ্যান্ডসেটের বাজারের প্রায় ৪০ শতাংশ লাগেজ-ব্যাগেজে আনা অবৈধ মোবাইল ফোনের দখলে। এতে বছরে ১ হাজার কোটি টাকা রাজস্ব হারাচ্ছে সরকার। টিকতে না পেরে স্মার্ট ও ফিচারফোন মিলিয়ে ৪০ লাখ উৎপাদন সক্ষমতার ৩০ শতাংশ অব্যবহৃত থাকছে।

এসব অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে অভিযান জোরদারের কথা জানান ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

অনুষ্ঠানে দাওয়াত দেওয়ার পরও এনবিআরের প্রতিনিধি না আসায় ক্ষোভ প্রকাশ করেন উদ্যোক্তারা। বাধ্য হয়ে এরপর থেকে যেকোনো অনুষ্ঠানে এনবিআরকে নিজেই দাওয়াত দেবেন বলে জানান প্রতিমন্ত্রী।


‘বিটিসিএলের সম্পদের লাভজনক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে’

বৃহস্পতিবার টেলিযোগাযোগ ভবন মিলনায়তনে বিটিসিএলের কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় বক্তব্য দেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: পিআইডি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্মার্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিটিসিএলের সম্পদের লাভজনক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক।

তিনি বলেন, এ লক্ষ্যে সারা দেশে বিটিসিএলের অব্যবহৃত জমির সুষ্ঠু ব্যবহার, কলিং অ্যাপ ‘আলাপ-এর সেবার মান বাড়ানোর মাধ্যমে গ্রাহক বৃদ্ধি, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট ‘জীবন-এর সেবার আওতা সম্প্রসারণের পাশাপাশি অন্যান্য অবকাঠামোর পরিকল্পিত ব্যবহারও নিশ্চিত করতে হবে। দক্ষতার সঙ্গে স্মার্ট ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বিটিসিএলকে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের সুযোগ কাজে লাগানোর জন্য প্রতিমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দিয়েছেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক আজ বৃহস্পতিবার ঢাকায় টেলিযোগাযোগ ভবন মিলনায়তনে বিটিসিএলের কার্যক্রম পর্যালোচনা সভায় এ নির্দেশ দেন।

প্রতিমন্ত্রী চীনের নিজস্ব সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম উইচ্যাট ও দক্ষিণ কোরিয়ার ক্যাকোটকের ন্যায় বাংলাদেশের নিজস্ব একটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন।

তিনি বলেন, ‘কলিং অ্যাপ’আলাপকে জনপ্রিয় করার পাশাপাশি জাতীয় সোশ্যাল প্লাটফর্ম তৈরি করার যথেষ্ট সুযোগ আমাদের রয়েছে। তাই, বিটিসিএলের আলাপ, জীবন এবং অব্যবহৃত ভূমি ও অবকাঠামো কাজে লাগাতে পারলে জাতীয় অর্থনীতিতে অবদান রাখা সম্ভব হবে।’

এ সময় পলক বলেন, ‘আলাপ’-এর অগ্রগতিতে আমি খুশি কিন্তু সন্তুষ্ট নই।’তিনি আলাপের গ্রাহক সংখ্যা বৃদ্ধির জন্য মার্কেটিং ও সার্ভিসিং- এ দুটিরই ঘাটতি রয়েছে বলে উল্লেখ করেন।

পরে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় টেলিটকের কার্যক্রম-সম্পর্কিত এক পর্যালোচনায় টেলিটককে লাভজনক প্রতিষ্ঠানে রূপান্তরের লক্ষ্যে প্রতিষ্ঠানটির হালনাগাদ বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।


শিগগির প্রাইভেট ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট প্রণয়ন করা হবে: পলক

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেছেন, প্রাইভেট ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট খুব শিগগিরই প্রণয়ন করা হবে যাতে ডেটার ক্ল্যাসিফিকেশনের সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা ও দেশের সার্বভৌমত্ব সুরক্ষিত থাকে।

প্রতিমন্ত্রী আজ মঙ্গলবার রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে দেশের সর্ববৃহৎ ডেটা সায়েন্স প্রতিযোগিতা ‘ডেটাথন-৩.০’ এর তৃতীয় সংস্করণের গ্র্যান্ড ফিনালেতে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স, রোবোটিক্সের জন্য প্রচুর পরিমাণে প্রসেসেবল ডেটার প্রয়োজন। পাশাপাশি ডেটার ক্ল্যাসিফিকেশন প্রয়োজন হবে যাতে ব্যক্তিগত নিরাপত্তা, দেশের সার্বভৌমত্ব হুমকির মুখে না পড়ে। প্রধানমন্ত্রীর আইসিটি বিষয়ক উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয়ের পরামর্শে প্রাইভেট ডেটা প্রটেকশন অ্যাক্ট প্রণয়নের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, দেশের মেধাবীদের মেধা ও প্রযুক্তির সমন্বয় ঘটিয়ে ডেটাগুলোকে যদি সেইফ-ক্লিন-প্রসেসেবল করা যায়, তাহলে ডেটা-ড্রিভেন ডিসিশন মেকিংয়ে ইকোসিস্টেম গড়ে তোলা সম্ভব। বর্তমানে প্রায় ১২ কোটি হেলথ ডেটার পাশাপাশি এডুকেশন ডেটা, মোবাইল অপারেটরদের ডেটাগুলোকে যদি প্রসেসেবল করা যায়, তাহলে সেখান থেকে নতুন নতুন স্টার্টআপ উপহার দেয়া সম্ভব।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঢাকায় নিযুক্ত মালয়েশিয়ার হাইকমিশনার হাজনাহ মো. হাশিম, বাংলাদেশ জাতীয় ক্রিকেট দলের সাবেক অধিনায়ক তামিম ইকবাল খান, রবি আজিয়াটা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীব শেঠি।

প্রতিযোগিতায় দেশের শীর্ষস্থানীয় ফোরজি ও ডিজিটাল সেবাদাতা প্রতিষ্ঠান, রবি আজিয়াটা লিমিটেড আয়োজিত ‘ডেটাথন ৩.০’-এর চ্যাম্পিয়ন হওয়ার গৌরব অর্জন করেছে টিম ‘এসিআই সার্ভার ডাউন’। প্রথম রানার আপ হয়েছে টিম ‘ইয়েলো কিং’ এবং দ্বিতীয় রানার আপ হয়েছে টিম ‘বিগ ডেটা এআই ডেটা সায়েন্স’। এসিআই সার্ভার ডাউন চ্যাম্পিয়ন হিসেবে পেয়েছে ৫ লাখ টাকা সমমূল্যের পুরস্কার। প্রথম রানার আপ ইয়েলো কিং ৩ লাখ টাকা এবং দ্বিতীয় রানার আপ বিগ ডাটা এআই ডাটা সায়েন্স পেয়েছে ২ লাখ টাকার পুরস্কার।

পরে প্রতিমন্ত্রী বিজয়ী ৩ দলের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।


‘জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার ২০২৩’ প্রদানে জুরি বোর্ড গঠন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার-২০২৩ প্রদানের উদ্দেশ্যে ২০২৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্রসমূহ মূল্যায়ন করে পুরস্কারপ্রাপ্তদের নাম সুপারিশ করার জন্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবকে (চলচ্চিত্র) সভাপতি এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সেন্সর বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যানকে সদস্য সচিব করে ১৩ সদস্যের জুরি বোর্ড গঠন করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

আজ সোমবার এক সরকারি তথ্যবিবরণীতে একথা বলা হয়।

জুরি বোর্ডের অন্যান্য সদস্যরা হলেন: ব্যবস্থাপনা পরিচালক (বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন); মহাপরিচালক (বাংলাদেশ ফিল্ম আর্কাইভ); চলচ্চিত্র অধিশাখা প্রধান (তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়); ড. মতিন রহমান (সহযোগী অধ্যাপক ও বিভাগীয় প্রধান ফিল্ম ও মিডিয়া বিভাগ, স্ট্যামফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়); বদরুল আনাম সৌদ (চলচ্চিত্র পরিচালক); মিল্টন খন্দকার (সংগীত পরিচালক); আব্দুল লতিফ বাচ্চু (চিত্রগ্রাহক); খায়রুল আলম সবুজ (অভিনেতা); অঞ্জনা সুলতানা, (অভিনেত্রী); শুভ্র দেব (গায়ক); এবং মঞ্জুরুল আহসান বুলবুল (সাংবাদিক)।

পুরস্কার প্রদানের জন্য যে সকল ক্ষেত্রসমূহ বিবেচনা করা হবে তা হলো: আজীবন সম্মাননা; শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র; শ্রেষ্ঠ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র; শ্রেষ্ঠ প্রামাণ্য চলচ্চিত্র; শ্রেষ্ঠ চলচ্চিত্র পরিচালক; শ্রেষ্ঠ অভিনেতা প্রধান চরিত্রে; শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী প্রধান চরিত্রে; শ্রেষ্ঠ অভিনেতা পার্শ্ব চরিত্রে; শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী পার্শ্ব চরিত্রে; শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী খল চরিত্রে; শ্রেষ্ঠ অভিনেতা/অভিনেত্রী কৌতুক চরিত্রে; শ্রেষ্ঠ শিশু শিল্পী; শিশু শিল্পী শাখায় বিশেষ পুরস্কার; শ্রেষ্ঠ সংগীত পরিচালক; শ্রেষ্ঠ নৃত্য পরিচালক; শ্রেষ্ঠ গায়ক; শ্রেষ্ঠ গায়িকা; শ্রেষ্ঠ গীতিকার; শ্রেষ্ঠ সুরকার; শ্রেষ্ঠ কাহিনিকার; শ্রেষ্ঠ চিত্রনাট্যকার; শ্রেষ্ঠ সংলাপ রচয়িতা; শ্রেষ্ঠ সম্পাদক; শ্রেষ্ঠ শিল্প নির্দেশক; শ্রেষ্ঠ চিত্রগ্রাহক; শ্রেষ্ঠ শব্দগ্রাহক; শ্রেষ্ঠ পোশাক ও সাজ-সজ্জা এবং শ্রেষ্ঠ মেক-আপম্যান।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এ তথ্য জানানো হয়েছে।


banner close