সোমবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৫
১৬ ভাদ্র ১৪৩২

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনায় পাহাড়ধসের তথ্য সংগ্রহে মোবাইল অ্যাপ

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ১৪ জুলাই, ২০২৫ ১১:৩৭

‘ল্যান্ডস্লাইড ইনভেন্টরি অ্যাপ’ উদ্বোধন ও সেক্টরভিত্তিক আগাম সতর্কতা বার্তাবিষয়ক জাতীয় পর্যায়ে পরামর্শ সভা’ আয়োজন করেছে সেভ দ্য চিলড্রেন ও রাইমস। গতকাল রবিবার (১৩ জুলাই) গুলশানের একটি হোটেলে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদফতর (বিএমডি), সরকারি প্রতিনিধি, কারিগরি বিশেষজ্ঞ, সংশ্লিষ্ট খাতের অংশীজন এবং অ্যান্টিসিপেটরি অ্যাকশন টেকনিক্যাল ওয়ার্কিং গ্রুপের সঙ্গে সমন্বয়ে এই কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

বাংলাদেশে প্রতি বছর গড়ে ১৯টি ভূমিধস ঘটে এবং এ ধরনের দুর্যোগের ঘটনা প্রতি বছর প্রায় ৪ শতাংশ হারে বাড়ছে। অতিবৃষ্টি, দ্রুত নগরায়ন, বন উজাড় ও অপরিকল্পিত পাহাড় কাটার কারণে চট্টগ্রাম পার্বত্য অঞ্চল ও আশপাশের জেলাগুলোতে এসব ঘটনা বেশি ঘটে। ২০০০ সাল থেকে এ পর্যন্ত ৭০০ জনেরও বেশি মানুষ এ ধরনের দুর্যোগে প্রাণ হারিয়েছেন, অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে এবং অনেক মানুষ স্থায়ীভাবে বাস্তুচ্যুতি পরিস্থিতির শিকার হয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তরের সহায়তায়, ইউরোপীয় সিভিল প্রোটেকশন অ্যান্ড হিউম্যানিটারিয়ান এইড এবং জার্মান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে এ উদ্যোগটি নেওয়া হয়েছে। এই মোবাইল এ্যাপটি এটি সরকারের অনুমোদিত ‘ন্যাশনাল আর্লি ওয়ার্নিং রোডম্যাপ’-এর পিলার ২: “ঝুঁকি সম্পর্কিত তথ্য ও আগাম সতর্কতা” অংশের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ, যা বাংলাদেশের ভূমিধসপ্রবণ এলাকায় পূর্বাভাস- ভিত্তিক পদক্ষেপ ও আগাম সতর্কতা সংক্রান্ত তথ্য উন্নয়নে সহায়তা করবে।

অনুষ্ঠানে আনুষ্ঠানিকভাবে ‘ল্যান্ডস্লাইড ইনভেন্টরি অ্যাপ’ উদ্বোধন করা হয়, যা ভূমিধস সংক্রান্ত রিয়েল-টাইম তথ্য সরবরাহ করবে। সেভ দ্য চিলড্রেন ও রাইমস ইতোমধ্যে ইউনিয়ন স্বেচ্ছাসেবক ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যদের এ অ্যাপ ব্যবহারের প্রশিক্ষণ দিয়েছে, যেন ভূমিধসের পরবর্তী সময়ে ক্ষয়ক্ষতিসহ অন্যান্য প্রয়োজনীয় তথ্য তুলে সংগ্রহ করতে পারে। ইতোমধ্যে গত ২৯-৩০ জুন ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে সংগঠিত ভূমিধসের তথ্য জাতীয় তথ্য ভাণ্ডারে পরীক্ষামূলকভাবে সংযুক্ত হয়েছে।

এই অনুষ্ঠানটি সংশ্লিষ্ট সব অংশীজন শিক্ষাখাত, সরকারি মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য খাতের প্রতিনিধিদের একত্রিত করে সেক্টরভিত্তিক আগাম সতর্কতা বার্তা প্রণয়ণ ও যাচাই করার জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম তৈরি করে। এর মাধ্যমে ভূমিধস ঝুঁকি মোকাবিলায় প্রতিষ্ঠানগত সমন্বয় ও প্রস্তুতি আরও জোরদার করার ওপর প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

সেভ দ্য চিল্ড্রেন-এর এই প্রকল্পের আওতায় স্থানীয় প্রশাসন ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটির সদস্যের মাধ্যমে বান্দরবন ও চট্টগ্রামে পূর্বাভাসভিত্তিক আগাম কার্যক্রম পরিচালনা করছে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা অধিদফতরের মহাপরিচালক মহাপরিচালক রেজওয়ানুর রহমান অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল ওয়ার্ড পর্যায় পর্যন্ত দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা কমিটি রয়েছে। তারা দুর্যোগের সময় একত্রিত হয়ে প্রস্তুতিমূলক কাজ করে। তাদের কাজগুলো আরও গতিশীল করতে ল্যান্ডস্লাইড অ্যাপ-এর মতো কার্যকরী যেকোনও ধরনের সহায়তা বা সরবরাহ আমাদের নিশ্চিত করতে হবে।


ফোরজিতে সর্বনিম্ন ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস

আপডেটেড ৩১ আগস্ট, ২০২৫ ১১:৪৯
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

দেশের টেলিযোগাযোগ খাতে সেবার মান উন্নয়নে বিটিআরসি নতুন কোয়ালিটি অব সার্ভিস (কিউওএস) নীতিমালা অনুমোদন করেছে। বিশেষজ্ঞ পরামর্শের ভিত্তিতে তৈরি এই বেঞ্চমার্ক সম্প্রতি কমিশন বৈঠকে মোবাইল অপারেটর, এনটিটিএন এবং আইএসপি সেবাদাতাদের জন্য পাস হয়েছে।

নতুন নীতিমালা অনুযায়ী, ফোরজি নেটওয়ার্কে সর্বনিম্ন ডাউনলোড গতি ১০ এমবিপিএস নির্ধারণ করা হয়েছে। তদারকির জন্য বিটিআরসি প্রতি মাসে নেটওয়ার্ক পারফরম্যান্স ও হেলথ চেক করবে, যা সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হবে।

নতুন কিউওএস নীতিমালায় অপারেটরদের মাসিক রিপোর্ট জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক। এসব সূচক মূলত তিন ভাগে ভাগ করা হয়েছে—অ্যাক্সেসিবিলিটি, রিটেইনেবিলিটি এবং নেটওয়ার্ক ইন্টিগ্রিটি। সবচেয়ে খারাপ পারফর্ম করা ৫০টি সেল আলাদা তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে, যাতে দুর্বল এলাকাগুলো দ্রুত চিহ্নিত ও সমাধান করা যায়।

ফিক্সড ইন্টারনেট ও টেলিফোনি ক্ষেত্রে কলড্রপ সর্বাধিক ১%, কল সেটআপ সাফল্য ৯৯%-এর বেশি এবং সংযোগ সময় ৬ সেকেন্ডের মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখতে হবে।

ইন্টারনেটে লোকাল ট্র্যাফিক সংযোগ সময় সর্বোচ্চ ২৫ এমএস, ডেটা হারানোর হার ১%-এর মধ্যে এবং নেটওয়ার্কের প্রাপ্যতা ৯৯% বা তার বেশি রাখতে হবে।

গ্রাহকসেবা মানদণ্ডও কঠোর করা হয়েছে। নেটওয়ার্ক-সংক্রান্ত নয় এমন অভিযোগ ২৮ দিনের মধ্যে সমাধান করতে হবে। গ্রাহকসেবা সেন্টারে আসা ৯০% কল ৪০ সেকেন্ডের মধ্যে এবং সব কল ৯০ সেকেন্ডের মধ্যে গ্রহণ করতে হবে।

প্রধান উপদেষ্টা ও তথ্য-প্রযুক্তি ও টেলিযোগাযোগ বিষয়ক বিশেষ সহকারী ফাইজ তাইয়েব আহমেদ তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে আজ এ খবর নিজেই নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, ‘নতুন নীতিমালার মাধ্যমে অপারেটরদের জবাবদিহি নিশ্চিত হবে এবং দেশের গ্রামীণ ও শহরতলিসহ সব অঞ্চলে সেবার মান উন্নয়ন সম্ভব হবে।’


৪৭২.৪১ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতির রেকর্ড স্থাপন করলো বিওয়াইডি’র ইয়াংওয়াং ইউ৯

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নিউ এনার্জি ভেহিকল (এনইভি) উৎপাদক বিওয়াইডি তাদের প্রিমিয়াম সাব-ব্র্যান্ড ইয়াংওয়াংয়ের মাধ্যমে অনন্য মাইলফলক স্থাপন করেছে। আনুষ্ঠানিকভাবে বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ গতির রেকর্ড স্থাপন করেছে ইউ৯ ট্র্যাক সংস্করণ; জার্মানির এটিপি টেস্ট ট্র্যাকে এ মাসের শুরুতে ৪৭২.৪১ কিলোমিটার/ঘণ্টা (২৯৩.৫৪ মাইল/ঘণ্টা) গতির অনন্য মাইলফলক অর্জন কর গাড়িটি।

গাড়িটিতে বিশ্বের প্রথম বহুলভাবে উৎপাদিত ১২০০ ভোল্ট আলট্রা-হাই ভোল্টেজ প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার করা হয়েছে; একইসাথে, ট্র্যাকের এক্সট্রিম অবস্থাতেও পারফরম্যান্স অপ্টিমাইজ রাখতে সক্ষম এমন উদ্ভাবনী ডিজাইনের ভেহিকল থার্মাল ম্যানেজমেন্ট সল্যুশন ব্যবহার করা হয়েছে। গাড়িটির ই৪ পাওয়ারট্রেইন বিশ্বের প্রথম কোয়াড-মোটর প্ল্যাটফর্ম, যেখানে ৩০,০০০ আরপিএম (রেভ্যুলুশনস পার মিনিট) হাই-পারফরম্যান্স মোটর ব্যবহার করা হয়েছে, যার প্রতিটি ৫৫৫ কিলোওয়াট পিক পাওয়ার আউটপুট উৎপন্ন করতে সক্ষম।

মোট ৩,০০০ পিএসের (হর্সপাওয়ার) চেয়েও বেশি পাওয়ার আউটপুট সহ গাড়িটি অসাধারণ পাওয়ার-টু-ওয়েট রেশিও ১,২১৭ পিএস/টি (হর্সপাওয়ার/টন) অর্জন করে, যা এই খাতের সর্বোচ্চ মানদণ্ড নির্ধারণ করে দেয়। এই পাওয়ারট্রেইন গাড়িটিকে ১,২৮৮ হর্সপাওয়ার এবং ১,৬৮০ এনএম (নিউটন-মিটার) অব টর্ক উৎপন্ন করার সক্ষমতা প্রদান করে, যা গাড়িটিকে মাত্র ২.৩৬ সেকেন্ডে ০ থেকে ১০০ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে পৌঁছাতে সক্ষম করে তোলে।

এর আগে গত বছর আগস্টে, ইয়াংওয়াং ইউ৯ ট্র্যাক টেস্টিংয়ের সময় ৩৭৫.১২ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিতে পৌঁছায় এবং অক্টোবর মাসে ৩৯১.৯৪ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতি অর্জন করে। রেকর্ড-ব্রেকিং এই গতিগুলো চীনের উচ্চগতি সম্পন্ন রেলের ৩৫০ কিলোমিটার/ঘণ্টা গতিকেও অতিক্রম করে যায়; দ্রুতগতির ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষের জন্য বিমান ভ্রমণের বাইরে এটিই সবচেয়ে অনবদ্য অভিজ্ঞতা।

অসাধারণ এ অর্জন সম্পর্কে বিওয়াইডি বাংলাদেশের চিফ মার্কেটিং অফিসার ইমতিয়াজ নওশের বলেন, “এটি কেবল গতির বিষয় নয়, এটি আমাদের ভবিষ্যতের দিকেও এগিয়ে যাওয়া। এই অর্জন প্রযুক্তি ও উচ্চগতির পারফরম্যান্সের সীমানা পেরিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে বিওয়াইডি’র প্রতিশ্রুতির বিষয়টি তুলে ধরে; এটি বৈশ্বিক অটোমোটিভ খাতে নতুন মাইলফলক স্থাপন করেছে।”

এ বিষয়ে আরও বিস্তারিত জানতে বিওয়াইডি’র অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ https://www.facebook.com/byd.com.bd ভিজিট করুন।


৬৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন রিয়েলমি নোট ৭০,  একবার চার্জে চলবে দুদিন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি এবার এন্ট্রি-লেভেলের সাশ্রয়ী অথচ পাওয়ারহাউজ স্মার্টফোন নোট ৭০ নিয়ে এসেছে। ডিভাইসটিতে থাকা ৬৩০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি দিচ্ছে মাত্র ১ বার পূর্ণ চার্জে ২ দিন পর্যন্ত ব্যবহারের সুবিধা। গত ২৪ আগস্ট থেকেই স্মার্টফোনটি সারাদেশে পাওয়া যাচ্ছে।

ডিভাইসটির সুবিশাল ব্যাটারির সাথে ১৫ ওয়াট চার্জিং সক্ষমতা ব্যবহার করা হয়েছে, যেন সারাদিন ফোন চার্জের বিষয়ে ব্যবহারকারীদের নিশ্চিন্ত রাখা যায়। রিয়েলমি নোট ৭০ এ মিলিটারি-গ্রেড শক রেজিজট্যান্স ও আইপি৫৪ ডাস্ট অ্যান্ড ওয়াটার রেজিজট্যান্স ব্যবহার করা হয়েছে, যা একই প্রাইস রেঞ্জে থাকা অন্যান্য ফোনের তুলনায় এটিকে আরও বেশি ডিউরেবল করে তুলেছে। শক্তিশালী ব্যাটারির পাশাপাশি, মাত্র ২০১ গ্রাম ওজনের অত্যন্ত হালকা এই ডিভাইসটি ৭.৯৪ মিলিমিটারের আলট্রা-স্লিম ডিজাইনে নিয়ে আসা হয়েছে। এতে এর আগের ভার্সনের চেয়ে উন্নত, ইউনিসক টি৭২৫০ অক্টাকোর চিপসেট ব্যবহার করা হয়েছে। একইসাথে, দেখার অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে নিয়ে আসা হয়েছে অনন্য ৬.৭৪ ইঞ্চির ডিসপ্লে।

রিয়েলমি নোট ৭০ এ রয়েছে ১৩ মেগপিক্সেলের এআই রেয়ার ক্যামেরা ও ৫ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা। এছাড়া, সবসময় আপনাকে মনোযোগের কেন্দ্রে রাখতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে পালস লাইট ফিচার। ডিভাইসে অডিও শোনার অভিজ্ঞতা আরও সমৃদ্ধ করতে এতে ৩০০% আলট্রা ভলিউম ব্যবহার করা হয়েছে। চোখের প্রশান্তি নিশ্চিতে নিয়ে আসা হয়েছে ৯০ হার্জ আই কমফোর্ট ডিসপ্লে। এই সেগমেন্টের বাকি ফোনগুলোর তুলনায় এটির ডিসপ্লেই সবচেয়ে ব্রাইট।

ব্যবহারকারীদের অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে এতে এআই নয়েজ রিডাকশন ২.০, এআই ক্লিয়ার ফেস, এআই ইমেজিং ম্যাটিং ও এআই ইরেজারের মতো সর্বাধুনিক এআই ফিচার যুক্ত করা হয়েছে। এতে করে এখন আরও ক্লিয়ার কল, উন্নত ছবি ও আধুনিক এডিটিং অপশন ব্যবহার করা সম্ভব হবে। রিয়েলমি নোট ৭০ ডিভাইসটি দুইটি ভ্যারিয়েন্টে নিয়ে আসা হয়েছে – ৪ জিবি ও ৬৪ জিবি ডিভাইসটির দাম মাত্র ১১,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য) এবং ৪ জিবি ও ১২৮ জিবি ডিভাইসটির দাম মাত্র ১২,৯৯৯ টাকা (ভ্যাট প্রযোজ্য)


এখন নতুন দামে আরও বেশি সহজলভ্য অপো রেনো১৩ এফ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো দেশের বাজারে এর রেনো১৩ এফ ডিভাইসের নতুন দাম ঘোষণা করেছে। এই সেগমেন্টের স্মার্টফোনগুলোর মধ্যে আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির জন্য ইতোমধ্যে সাড়া জাগানো এই ডিভাইসটির দাম এখন ৩০,৯৯০ টাকা মাত্র, আগে যার দাম ছিলো ৩৪,৯৯০ টাকা।

ব্যবহারকারীদের জন্য সব জায়গায়, এমনকি পানির নিচেও নিখুঁতভাবে ছবি তোলা নিশ্চিত করার উপযোগী করে রেনো১৩ এফ ডিজাইন করা হয়েছে। এর আইপি৬৯-রেটেড ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স পানির ২ মিটার নিচেও ৩০ মিনিট পর্যন্ত নিখুঁত ও ঝকঝকে ফটোগ্রাফি ও ভিডিওগ্রাফির নিশ্চয়তা দেয়। অপোর সর্বাধুনিক এআই কালার ক্যালিব্রেশন প্রযুক্তি প্রতিটি শটেই প্রাণবন্ত টোন, নিখুঁত ফোকাস ও কনট্রাস্ট নিশ্চিত করে; ফলে, এখন অতিরিক্ত কোনো ডিভাইস ছাড়াই পানিতে কাটানো সকল মুহূর্ত স্মৃতিতে ধরে রাখা সম্ভব হবে।

প্রথাগত ফটোগ্রাফিতে যুগান্তকারী পদক্ষেপ হিসেবে এতে এআই লাইভ ফটো ফিচার নিয়ে আসা হয়েছে, যেখানে শাটারের আগে ও পরে টাইম ক্যাপসুল ধারণ করা হয়। এতে এআই ডি-ব্লারিং, ইআইএস ও ভিজ্যুয়াল রিকগনিশনের মাধ্যমে শট স্ট্যাবিলাইজ করা হয় এবং অনাকাঙ্ক্ষিত মোশন বাদ দেয়া হয়; ফলে, ব্যবহারকারীর তোলা প্রতিটি মুহূর্তই হয়ে ওঠে প্রাণবন্ত ও ন্যাচরাল। ডিভাইসটিতে এআই ক্ল্যারিটি এনহান্সার, এআই আনব্লার, এআই রিফ্লেকশন রিমুভার ও এআই ইরেজার ২.০ এর মতো শক্তিশালী টুল সহ এআই এডিটর ২.০ নিয়ে আসা হয়েছে, যা ক্রিয়েটরদের স্মার্টফোনেই পেশাদার পর্যায়ের এডিটিং সক্ষমতা নিশ্চিত করে।

পারফরম্যান্স ও কানেক্টিভিটি নিশ্চিতে অপো রেনো১৩ এফে নাইন ৩৬০ ডিগ্রি এন্টেনা, ডুয়েল-চ্যানেল ওয়াইফাই, ব্লুটুথ অ্যাক্সেলারেশন ও ওয়াইফাই পজিশনিং সহ এআই লিঙ্ক বুস্ট ২.০ নিয়ে আসা হয়েছে, যা জনবহুল বা লো-কাভারেজ এলাকাতেও শক্তিশালী ও নিরবচ্ছিন্ন সিগনাল নিশ্চিত করবে। ব্যবহারকারীরা ডকুমেন্টস অ্যাপের মতো এআই-নির্ভর প্রোডাক্টিভিটি টুল ব্যবহার করে টেক্সট সামারাইজ ও এডিট করার সুযোগ পাবেন, এআই নোটস অ্যাসিসট্যান্ট ব্যবহার করে ফরম্যাট ও এক্সপানশন করতে পারবেন; এছাড়াও, মাল্টিলিঙ্গুয়াল সাপোর্টের জন্য আপগ্রেডেড এআই টুলবক্স ২.০ ব্যবহার করতে পারবেন। একইসাথে, ও+ কানেক্ট ব্যবহার করে অপো ও আইওএস ডিভাইসে ফটো, ভিডিও ও ফাইল নিরবচ্ছিন্নভাবে শেয়ার করতে পারবেন। পাশাপাশি, অপো বিশ্বের সেই দুইটি ব্র্যান্ডের একটি যেখান থেকে ব্যবহারকারীরা টিকটক বা অন্যান্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সরাসরি লাইভ ফটো আপলেড করতে পারেন।

এসমস্ত উদ্ভাবনের পাশাপাশি, রেনো১৩ এফে ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট সহ ৬.৬৭ ইঞ্চি ওএলইডি ডিসপ্লে, ৪৫ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং সুবিধা সহ ৫৮০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি এবং ৮ জিবি র‍্যাম (আরও ৮ জিবি বাড়িয়ে নেয়ার সুযোগ সহ) ও ২৫৬ জিবি রম ব্যবহার করা হয়েছে। শক্তিশালী পারফরম্যান্সের সাথে স্টাইল নিশ্চিত করতে অনন্য এই ডিভাইসটি প্লুম পার্পল ও গ্রাফাইট গ্রে-এর মতো দুইটি অনবদ্য রঙে নিয়ে আসা হয়েছে।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথোরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপো রেনো১৩ এফ সকলের হৃদয় জয় করে নেয়ার পর আমরা এই উদ্ভাবনকে আরও বেশি সহজলভ্য করতে পেরে অত্যন্ত উচ্ছ্বসিত। এর ফলে, আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি থেকে শুরু করে এআই ক্রিয়েটিভিটি, সকল ক্ষেত্রে বাংলাদেশের আরও মানুষের কাছে এই প্রিমিয়াম অভিজ্ঞতা পৌঁছে যাবে। এই সাশ্রয়, প্রযুক্তি সহজলভ্য করা এবং প্রতিযোগিতাপূর্ণ স্মার্টফোন বাজারের প্রতি আমাদের প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।”

যুগান্তকারী আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি, এআই ক্রিয়েটিভিটি ফিচার ও প্রতিদিনের অনবদ্য পারফরম্যান্সের পাশাপাশি, অপো রেনো১৩ এফের মতো ডিভাইস মাত্র ৩০,৯৯০ টাকায় পাওয়া যাওয়ার এই সুযোগ টেক-প্রেমী ও ক্রিয়েটরদের জন্য বাংলাদেশের স্মার্টফোন বাজারে নতুন মানদণ্ড নিশ্চিত করেছে। আরও বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন – https://www.oppo.com/bd/smartphones/series-reno/reno13-f-4g/।


বাংলাদেশে পাওয়া যাচ্ছে ‘আল্টিমেট ডিউরেবিলিটি চ্যাম্পিয়ন’ অপো এ৫

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা

বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় প্রযুক্তি ব্র্যান্ড অপো এর সর্বশেষ ডিউরেবল পাওয়ারহাউজ অপো এ৫ (৬ জিবি + ১২৮ জিবি) বাংলাদেশে নিয়ে আসার ঘোষণা দিয়েছে। মাত্র ১৯,৯৯০ টাকার অবিশ্বাস্য মূল্যের এই ডিভাইসটি সারাদেশে অপোর অনুমোদিত স্টোরগুলোয় পাওয়া যাচ্ছে। যারা একটি ডিভাইসের মধ্যে শক্তিমত্তা, সক্ষমতা ও অসাধারণ পারফরম্যান্স চান, তাদের জন্য এই ডিভাইসটি একদম যথার্থ হবে।

ইন্ডাস্ট্রি-সেরা ডিউরেবিলিটি হচ্ছে অপো এ৫-এর মূল বিষয়। এর পাশাপাশি, হঠাৎ ছিটে আসা পানি বা ধুলাবালি থেকে সুরক্ষিত রাখতে এতে ব্যবহৃত আইপি৬৫ ওয়াটার অ্যান্ড ডাস্ট রেজিজট্যান্স আপনার লাইফস্টাইলকে আরও বেশি সক্রিয় করে তুলবে। এর ১৪-স্টার মিলিটারি-গ্রেড শক রেজিজট্যান্স ফোনটিকে হাত থেকে পড়ে যাওয়া বা কোণায় আঘাত পাওয়া থেকে সুরক্ষিত রাখবে; একইসাথে, মর্যাদাপূর্ণ এসজিএস গোল্ড সার্টিফিকেশন থেকে বোঝা যায় যে, ডিভাইসটি যেকোনো প্রতিকূল পরিবেশের জন্য একদম উপযুক্ত। ফোনটি কেবল জীবনের সবচেয়ে কঠিন মুহূর্তগুলোতে আপনাকে সঙ্গ দিবে না, বরং আপনার পারফরম্যান্সকেও একইসাথে নির্ভুল ও নিশ্চিন্ত রাখবে।

এছাড়াও, ফোনটিতে ৬,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ারের সুবিশাল ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়েছে, যা কেবল ৫ বছরের জন্য ধারাবাহিক পারফরম্যান্স নিশ্চিতই করবে না, এটিকে টানা ধরেও রাখবে। এর সাথে থাকা ৪৫ ওয়াটের সুপারভুক ফ্ল্যাশ চার্জের কারণে ডিভাইসটি মাত্র ১৯ মিনিটে ৩০ শতাংশ ও ৩৬ মিনিটে ৫০ শতাংশ চার্জ গ্রহণ করতে সক্ষম। ফলে, এখন গেমিং হোক বা স্ট্রিমিং, চার্জ ফুরাতে কম সময় লাগবে, অথচ চার্জ হতে সময় লাগবে খুব কম।

পাশাপাশি, এআই ক্যামেরা সিস্টেমের মাধ্যমে অনবদ্য ফটোগ্রাফির সুযোগ নিয়ে এসেছে অপো এ৫। এর ৫০ মেগাপিক্সেলের মেইন ক্যামেরা নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি ধারণ করে, যেখানে ২ মেগাপিক্সেলের ডেপথ ক্যামেরা পোর্ট্রেটে প্রফেশনাল ব্যাকগ্রাউন্ড ব্লার করে। একইসাথে, এর ৫ মেগাপিক্সেলের এআই সেলফি ক্যামেরা প্রতিটি শটকে আরও প্রাণবন্ত করে তোলে; আর এআই ইরেজার ২.০ এর মতো ফিচার, মাত্র কয়েকটি ট্যাপে ছবির অনাকাঙ্ক্ষিত অংশ সরিয়ে মুহূর্তেই এডিট করার সুযোগ দেয়।

মিলিটারি-গ্রেডের টেকসই হলেও, অপো এ৫ দেখতে বেশ স্লিক ও স্টাইলিশ। এর আলট্রা-ব্রাইট ১,০০০ নিট ডিসপ্লে প্রখর সূর্যালোকেও প্রাণবন্ত ভিজ্যুয়াল নিশ্চিত করে। মিস্ট হোয়াইট ও অরোরা গ্রিন, দুইটি অনন্য রঙে পাওয়া যাচ্ছে ডিভাইসটি। শহরে হোক বা ঘরের বাইরে, সারাদিন ব্যবহারের উপযোগী করে তৈরি করা এই স্মার্টফোনটি বেশ হালকা ও হাতে ধরতে আরামদায়ক।

অপো এ৫-এ আরও ব্যবহার করা হয়েছে ৬ জিবি র‍্যাম ও ১২৮ জিবি স্টোরেজ, যা স্মুথ মাল্টিটাস্কিং ও কনটেন্টের জন্য পর্যাপ্ত স্পেস নিশ্চিত করে। অপোর সিস্টেম-লেভেল অপটিমাইজেশনের কারণে এটি এমন একটি ডিভাইস হয়েছে যা একইসাথে, টেকসই ও নির্ভরযোগ্য।

এ বিষয়ে অপো বাংলাদেশ অথরাইজড এক্সক্লুসিভ ডিস্ট্রিবিউটরের ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডেমন ইয়াং বলেন, “অপোতে আমাদের ক্রেতারা সবসময় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পান। অপো এ৫-এর মাধ্যমে, বাংলাদেশের আরও বেশি ব্যবহারকারী ডিউরেবল প্রযুক্তি ব্যবহার করতে পারবেন, পারফরম্যান্স বা মানের সাথে কোনোপ্রকার আপস করা ছাড়াই।”

অপো এ৫ কেবল একটি স্মার্টফোন নয়; এটি শক্তি ও সহনশীলতার সাবলীল প্রতীক। অ্যাডভেঞ্চারার হোক, বা কোনো ব্যস্ত পেশাজীবী বা কনটেন্ট ক্রিয়েটর; আপনার প্রতিদিনের সাথে তালমিলিয়ে চলতেই নিয়ে আসা হয়েছে অনবদ্য এই ফোন। আরও বিস্তারিত জানতে অপো বাংলাদেশের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজ facebook.com/OPPOBangladesh বা ওয়েবসাইট www.oppo.com/bd ভিজিট করুন।


মোবাইল অ্যাপে পশু-পাখির চিকিৎসা এখন হাতের মুঠোয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাকৃবি প্রতিনিধি

বাংলাদেশ একটি কৃষিনির্ভর দেশ, যেখানে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগি পালন করে লক্ষ লক্ষ পরিবার জীবিকা নির্বাহ করে। তবে প্রাণিসম্পদ খাতটি এখনও বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি, বিশেষ করে রোগ নির্ণয়, সঠিক চিকিৎসা, টিকা প্রয়োগ এবং তথ্যের অভাবে খামারিরা প্রায়ই ক্ষতিগ্রস্ত হন।

এই প্রেক্ষাপটে ‘ডিজিটাল খামারি’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ প্রাণিসেবায় এনেছে প্রযুক্তির নতুন বিপ্লব। বাংলাভাষায় নির্মিত এই অ্যাপটি তৈরি করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) প্যারাসাইটোলজি বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. সহিদুজ্জামান।

অ্যাপটি খামারিদের জন্য সহজবোধ্য ও চিত্রসহ তথ্য দিয়ে গবাদিপশু ও হাঁস-মুরগির রোগ সম্পর্কে জানতে সহায়তা করে। এটি একটি সচেতনতামূলক ও শিক্ষামূলক অ্যাপ, যা খামারিদের প্রযুক্তির সহায়তায় নিজের খামারের সমস্যাগুলো দ্রুত চিহ্নিতকরণ ও প্রাথমিকভাবে সমাধানে সক্ষম করে তোলে।

অ্যাপটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য হলো সহজ ভাষা ও চিত্রভিত্তিক ফিচার। যেসব খামারি লেখাপড়ায় দুর্বল, তারাও ছবির মাধ্যমে রোগ শনাক্ত করতে পারবেন। এতে গরু, ছাগল, ভেড়া, হাঁস ও মুরগির সাধারণ ও জটিল রোগের লক্ষণ, প্রতিকার ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থার বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। প্রতিটি রোগের সাধারণ চিকিৎসা পরামর্শ ও টিকা সংক্রান্ত তথ্যও এতে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

অ্যাপটির মাধ্যমে খামারিরা জানতে পারবেন, কোন রোগে কী লক্ষণ দেখা যায়, কোন ওষুধ প্রয়োগ করতে হবে, টিকা দেওয়ার সঠিক সময় ও স্থানীয় ভেটেরিনারি চিকিৎসকের খোঁজ। এতে প্রাণির মৃত্যু হার কমবে, চিকিৎসার খরচ বাঁচবে এবং খামারির আর্থিক ক্ষতিও হ্রাস পাবে।

অ্যাপটির নির্মাতা অধ্যাপক সহিদুজ্জামান বলেন, গ্রামাঞ্চলে পশু চিকিৎসকের অভাব প্রকট। অনেক সময় দূরবর্তী হাসপাতাল পর্যন্ত পৌঁছানো সম্ভব হয় না। ডিজিটাল খামারি অ্যাপে স্থানীয় চিকিৎসকের নাম-ঠিকানাসহ যোগাযোগের তথ্যও রয়েছে, যা খামারিদের জন্য একটি বড় সুবিধা। খামারিরা এখন অ্যাপে জানতে পারেন, গরুর ওলান ফোলা কেন হয়, কৃমিজনিত রোগের লক্ষণ কী কিংবা ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজ প্রতিরোধসহ বিভিন্ন রোগ হলে করণীয় কী।

গুগল প্লে স্টোর হতে ‘Digital Khamari’ নামে অ্যাপটি বিনামূল্যে ডাউনলোড করা যাবে। এরপর ইন্টারনেট ছাড়াই ব্যবহার করা যাবে। এতে আরও যুক্ত করা হয়েছে, সচেতনতামূলক কনটেন্ট, রোগভিত্তিক চিকিৎসা নির্দেশনা এবং খামার ব্যবস্থাপনায় সহায়ক তথ্য।

অ্যাপটির নির্মাতা অধ্যাপক ড. মো. সহিদুজ্জামান আরো জানান, ভবিষ্যতে অ্যাপে লাইভ চ্যাট সাপোর্ট, ভিডিও টিউটোরিয়াল, আরও রোগভিত্তিক তথ্য, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় এবং প্রতিদিনের খামার ব্যবস্থাপনার ক্যালেন্ডার ফিচার যুক্ত করারও পরিকল্পনা রয়েছে।

তিনি বলেন, ব্যবহারকারীদের মতামতের ভিত্তিতে অ্যাপটি নিয়মিত হালনাগাদ করা হচ্ছে যাতে এটি আরও ব্যবহারবান্ধব ও কার্যকর হয়।

বাংলাদেশ সরকারের তথ্য ও প্রযুক্তি বিভাগের অর্থায়নে তৈরি এই অ্যাপ প্রাণিসেবা খাতে প্রযুক্তির সফল প্রয়োগ এবং গ্রামীণ উন্নয়নের বাস্তব উদাহরণ। এটি শুধু তথ্য নয়, একটি আত্মনির্ভর খামারি তৈরির সহায়ক হাতিয়ার। সরকারের সহায়তা ও বেসরকারি অংশীদারিত্বে এমন উদ্যোগ ছড়িয়ে পড়লে তা খাদ্য নিরাপত্তা, কর্মসংস্থান এবং পুষ্টি উন্নয়নে বিশাল ভূমিকা রাখতে পারবে। কারণ, একটি সুস্থ প্রাণি শুধু একটি পরিবারের নয়, একটি জাতিরও সম্পদ।


৭ বছরে বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি ব্যবহারকারীর মাইলফলক অর্জন রিয়েলমির

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি মাত্র ৭ বছরে বিশ্বজুড়ে ৩০ কোটি ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জন করেছে। অনবদ্য এ অর্জনটি যাচাই করেছে এই খাতের গবেষণা প্রতিষ্ঠান কাউন্টারপয়েন্ট। ২০২১ সালে ১০ কোটি ও ২০২৩ সালে ২০ কোটি ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জনের পর দেখা যাচ্ছে যে, রিয়েলমি এর ‘মেইক ইট রিয়েল’ ধারণায় অবিচল থেকে দ্রুত বর্ধনশীল স্মার্টফোন ব্র্যান্ড হিসেবে বিশ্বব্যাপী নিজেদের অবস্থান আরও দৃঢ় করেছে।

রিয়েলমি ২০১৮ সালে যাত্রা শুরুর পর থেকেই নিজেদের কৌশলগত দর্শনের কেন্দ্রে তরুণদের রেখেছে; একইসাথে, তারা নতুন প্রজন্মের কাছে প্রযুক্তিকে জনপ্রিয় করে তুলতে নেতৃস্থানীয় ব্র্যান্ড হিসেবে কাজ করে যাচ্ছে। গেমিং, ফটোগ্রাফি, আউটডোর কার্যক্রম ও তরুণদের আগ্রহের অন্যান্য নানা কাজে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি নিয়ে আসার মাধ্যমে ব্র্যান্ডটি নিয়মিত ব্যবহারকারীদের প্রত্যাশাকে অতিক্রম করে যাচ্ছে। পাশাপাশি, এর বিস্তৃত প্রোডাক্ট লাইন বাজেট ও লাইফস্টাইলের মধ্যে সমন্বয় করছে। এর বিশেষ ফ্ল্যাগশিপ জিটি সিরিজ থেকে শুরু করে মিড-রেঞ্জের নাম্বার সিরিজ বা সাশ্রয়ী সি সিরিজ; যাই হোক না কেন, প্রত্যেক তরুণ ব্যবহারকারীই নিজের চাহিদা অনুযায়ী উপযুক্ত ডিভাইসটি খুঁজে পাবেন।

তরুণদের সাথে গভীরভাবে সম্পৃক্ত রিয়েলমি সবচেয়ে সেরা ফোন ব্র্যান্ড হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তরুণদের আগ্রহ ও মনোযোগ বাড়াতে ব্র্যান্ডটি ভ্রমণ ও লাইফস্টাইল বিষয়ক লোনলি প্ল্যানেট, অ্যানিমে বিষয়ক ড্রাগন বল অ্যান্ড নারুতো এবং ইস্পোর্টস ফ্রিফায়ারের মতো জনপ্রিয় আইপিগুলোর সাথে নিবিড়ভাবে কাজ করে যাচ্ছে। রিয়েলমির কাছে তাই ৩০ কোটি ব্যবহারকারীর আস্থা অর্জন করা মানে আসলে ৩০ কোটি আলাদা গল্প।

এদিকে, রিয়েলমির তৈরি করা গ্লোবাল কমিউনিটিতে দেড় কোটিরও বেশি ফ্যান রয়েছেন। ব্র্যান্ডটি এই সক্রিয় কমিউনিটির সাথে সম্পৃক্ত হতে নিয়মিত অনুষ্ঠান আয়োজন করে থাকে। প্রতিবছর, রিয়েলমির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ২৮ আগস্ট এই ৮২৮ গ্লোবাল ফ্যান ফেস্টিভাল অনুষ্ঠিত হয়। গতবছর চীনের শেনঝেনে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে ২০০-রও বেশি আন্তর্জাতিক মিডিয়া ও ফ্যান উপস্থিত ছিলেন, যেখানে মাত্র ৪ মিনিটে সম্পূর্ণ চার্জ হতে সক্ষম এমন ৩২০ ওয়াট চার্জিং সল্যুশনের মতো অত্যাধুনিক উদ্ভাবন উন্মোচন করা হয়।


নোডস ডিজিটাল পেলো নেদারল্যান্ডস সরকারের উদ্ভাবনী অনুদান

আপডেটেড ১০ আগস্ট, ২০২৫ ১১:১১

নোডস ডিজিটাল লিমিটেড, বাংলাদেশের একটি উদ্ভাবনী অ্যাগ্রি-টেক স্টার্টআপ, নেদারল্যান্ডস সরকারের পক্ষ থেকে অরেঞ্জ কর্নারস ইনোভেশন ফান্ড (OCIF) এর আওতায় ৪০,০০০ ইউরো’র উদ্ভাবনী অনুদান অর্জন করেছে। এই সম্মাননা প্রতিষ্ঠানটির IoT-ভিত্তিক মাটি ও পানি পর্যবেক্ষণ প্রযুক্তিতে উদ্ভাবনের জন্য প্রদান করা হয়েছে।

এই সম্মাননাপত্রটি নেদারল্যান্ডস দূতাবাসের প্রধান মিশন প্রধান হিজ এক্সেলেন্সি মি. আন্দ্রে কার্স্টেন্স এর হাত দিয়ে প্রদান করা হয়, যিনি ঢাকায় নিযুক্ত রয়েছেন।

অরেঞ্জ কর্নারস বাংলাদেশের দ্বিতীয় কোহর্টে অংশগ্রহণকারী ১৬টি স্টার্টআপের মধ্যে নোডস ডিজিটাল নির্বাচিত হয়। প্রতিষ্ঠানটির স্মার্ট ইরিগেশন সিস্টেমটি IoT সেন্সর এবং AI বিশ্লেষণের মাধ্যমে মাটি ও আবহাওয়ার তথ্য রিয়েল-টাইমে পর্যবেক্ষণ করে। এর ফলে পানি ব্যবহার ৩০% পর্যন্ত হ্রাস পায় এবং প্রতি কেজি ধান উৎপাদনে ৩,০০০–৫,০০০ লিটার পর্যন্ত পানি সাশ্রয় হয়।

“নেদারল্যান্ডস সরকারের কাছ থেকে এই স্বীকৃতি পেয়ে আমরা সম্মানিত,” বলেন নাজমুছ সাকীর আকিব, নোডস ডিজিটালের সহ-প্রতিষ্ঠাতা।

“আমাদের লক্ষ্য হলো বাংলাদেশের কৃষকদের জন্য সাশ্রয়ী ও বুদ্ধিমান সেচ প্রযুক্তি পৌঁছে দেওয়া। এই অনুদান আমাদের প্রযুক্তিকে আরও বিস্তৃত করতে সহায়তা করবে এবং কৃষকদের উৎপাদনশীলতা বাড়াতে ও পানি সংরক্ষণে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।”

এই অনুদানের মাধ্যমে, নোডস ডিজিটাল পাইলট প্রকল্প সম্প্রসারণ, AI মডেল উন্নয়ন, এবং কৃষকদের স্মার্ট কৃষি পদ্ধতির প্রশিক্ষণ প্রদান করবে, যা বাংলাদেশের খাদ্য নিরাপত্তা ও পরিবেশবান্ধব কৃষি ব্যবস্থায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবে।


বাংলাদেশে যাত্রা শুরু করলো ভিভোর ফ্ল্যাগশিপ ওয়াই-৪০০

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভিভোর ওয়াই সিরিজের ফ্ল্যাগশিপ স্মার্টফোন ওয়াই৪০০ প্রথমবারের মতো যাত্রা শুরু করলো বাংলাদেশে। তরুণদের অ্যাডভেঞ্চারাস ও ব্যস্ত জীবনধারায় ফটোগ্রাফি এবং স্টাইলের এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে ফোনটি। যা হতে চলেছে ভ্রমণপ্রেমীদের জন্য পারফেক্ট স্মার্টফোন ক্যামেরা সলিউশন।

ওয়াটার ডাইভেও ক্যামেরা অন

ভিভো ওয়াই৪০০ স্মার্টফোনের সবচেয়ে আকর্ষণীয় বৈশিষ্ট্য হলো এর আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফির ক্ষমতা। কক্সবাজার ট্যুর বা ওয়াটার রাইডস এর ফান সবকিছুই ক্যাপচার করা যাবে, একদম নির্ভয়ে। কেননা ফোনটির আইপি ৬৯ রেটিং, আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফিকে করে একদম সুরক্ষিত। তাই শখে হক কিংবা পেশা, সব পরিবেশেই পছন্দের মুহূর্তকে ক্যামেরাবন্দি করতে আর নেই কোনো বাঁধা।

ক্যামেরার যাদুতে রঙিন সব শট

ফোনটির ক্যামেরা সেগমেন্টে রয়েছে ৫০ মেগাপিক্সেলের সনি আইএমএক্স৮৫২ অটোফোকাস মেইন ক্যামেরা, ২ মেগাপিক্সেলের বোকে সেন্সর ও ৮ মেগাপিক্সেলের সেলফি ক্যামেরা।পানির নিচের ছবি তুলতে রয়েছে আন্ডারওয়াটার ফটোগ্রাফি মোড, আর ছবিগুলো ইনহ্যান্স করতে আছে উন্নত এআই ফিচারস।

শেডেড কালারে স্টাইলিশ ডিজাইন

ভিভো ওয়াই৪০০-এর ইউনিক ডিজাইন আর কালার অপশন একে করে তুলেছে নজরকাড়া। বিশেষ করে ডাইনামিক গ্রিন কালারটি আলোয় ঝলমল করে নানা শেডে, যা ফোনটিকে দেয় স্টাইলিশ গ্ল্যামার। সঙ্গে রয়েছে পার্ল হোয়াইট কালার অপশনও।

৬.৬৭ ইঞ্চির অ্যামোলেড ডিসপ্লে ও পাতলা মেটালিক ফ্রেম ফোনটিকে দেয় প্রিমিয়াম লুক ও ফিল। বেজেললেস স্ক্রিন, ১২০ হার্জ রিফ্রেশ রেট আর ১৮০০ নিটস ব্রাইটনেস ফোনটিকে দেয় আরও ক্লিয়ার, আরও ব্রাইট ও ইনটেন্স ভিজ্যুয়াল এক্সপেরিয়েন্স।

ফ্ল্যাগশিপ ডুরাবিলিটি

ভিভো ওয়াই৪০০-এ আছে ফ্ল্যাগশিপ লেভেলের আইপি৬৮ ও আইপি৬৯ রেটিং, যা ধুলাবালি ও পানির সুরক্ষায় একদম নিশ্চিন্ত করে তোলে। ২ মিটার গভীর পানিতেও ৩০ মিনিট পর্যন্ত ফোনটি নিরাপদ থাকে। মিলিটারি-গ্রেড টাফনেস এবং এসজিএস সার্টিফায়েড আই কমফোর্ট প্রযুক্তি নিশ্চিত করে কঠিন পরিবেশেও নির্ভরযোগ্য পারফরম্যান্স আর চোখের সুরক্ষা।

আলট্রা পাওয়ার, আলট্রা ফান

ফোনটিতে আছে ৬০০০ এমএএইচ এর ব্লুভোল্ট ব্যাটারি ও দ্রুত চার্জিং এর জন্য ৪৪ ওয়াটের ফ্ল্যাশ চার্জার। চার বছর পরেও ৮০% ব্যাটারি কর্মক্ষমতা বজায় রাখার গ্যারান্টি থাকায়, ব্যাটারি হেলথ নিয়ে টেনশন গন, ফান অন। স্মুথ পারফরম্যান্সের জন্য রয়েছে স্ন্যাপড্রাগন ৬৮৫ প্রসেসর।

ভিভো ওয়াই৪০০ পাওয়া যাচ্ছে ২ টি স্টোরেজ অপশনে। একটি ৮ জিবি র্যাম ও ৮ জিবি এক্সটেন্ডেড র্যামসহ ১২৮ জিবি রম, যার দাম ২৭,৯৯৯ টাকা। অন্যদিকে একই র্যাম ক্যাপাসিটি নিয়ে ২৫৬ জিবি রমের ভ্যারিয়েন্ট এর মূল্য ২৯,৯৯৯ টাকা। ফোনটি প্রি-অর্ডার করলেই থাকছে – এস৮০ পাওয়ার ব্যাংক, মানা বে টিকিট, ওয়াটার ড্যামেজ ইন্স্যুরেন্স ও ১৮ জিবি বাংলালিংক ডেটা বান্ডেল এর মত ২০,০০০ টাকার এক্সক্লুসিভ গিফট।


এআই নিয়ন্ত্রণে ‘বিশ্বব্যাপী যৌথ উদ্যোগের’ তাগিদ জাতিসংঘের প্রযুক্তি প্রধানের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) প্রযুক্তি দ্রুত অগ্রসর হওয়ায় এর নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাপী একটি সমন্বিত কাঠামো তৈরি করা জরুরি হয়ে পড়েছে বলে তাগিদ দিয়েছেন জাতিসংঘের শীর্ষ প্রযুক্তি কর্মকর্তা ডরিন বগদান-মার্টিন। তিনি বলেছেন, ভিন্ন ভিন্ন ও খণ্ডিত পন্থা গ্রহণ করলে ঝুঁকি এবং বৈষম্য আরও বাড়তে পারে।

জাতিসংঘের ইন্টারন্যাশনাল টেলিকমিউনিকেশন ইউনিয়নের (আইটিইউ) প্রধান জেনেভায় এএফপিকে বলেন, তিনি আশাবাদী যে, এআই মানবজাতির জন্য কল্যাণ বয়ে আনতে পারে।

তবে এই প্রযুক্তিকে ঘিরে ব্যাপক চাকরি হারানোর আশঙ্কা, ভুয়া ভিডিও (ডিপফেইক), ভুল তথ্য ছড়িয়ে দেওয়ার আশঙ্কা এবং সামাজিক অস্থিরতা বৃদ্ধির মতো উদ্বেগের প্রেক্ষাপটে তিনি বলেন, সঠিক নিয়ন্ত্রণ কাঠামো গঠনে এখনই উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

বগদান-মার্টিন বলেন, একটি সঠিক বৈশ্বিক কাঠামো তৈরি করা এখন অত্যন্ত জরুরি হয়ে পড়েছে।

তিনি এই মন্তব্য করেন এমন এক সময়ে, যখন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প একটি আগ্রাসী, কম-বিধিনিষেধ নির্ভর এআই কৌশল ঘোষণা করেছেন - যার লক্ষ্য হলো চীনের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে রাখা।

ট্রাম্প প্রশাসনের প্রকাশিত ৯০টির বেশি প্রস্তাবে বলা হয়েছে, এআই উন্নয়নে বেসরকারি খাতের অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হতে পারে, এমন বিধিনিষেধ তুলে নেওয়া হবে।

এই ব্যাপারে মন্তব্য চাইলে বগদান-মার্টিন সরাসরি সমালোচনা না করে বলেন, তিনি এখনো যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পনা ‘হজম’ করার চেষ্টা করছেন।

তিনি বলেন, এখন বিভিন্ন দেশ ভিন্ন ভিন্ন পথে এগোচ্ছে। ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) এক ধরনের পন্থা আছে, চীনের আছে ভিন্ন পথ, এখন যুক্তরাষ্ট্রও তাদের কৌশল দেখাচ্ছে। এখন সময় এসেছে এসব পথ একে অপরের সঙ্গে সংলাপে বসে সমাধান করা।

তিনি আরও জানান, এখনো বিশ্বজুড়ে ৮৫% দেশের এআই নিয়ে কোনো জাতীয় নীতি বা কৌশলই নেই।


বিমান দুর্ঘটনার পর পানি বিক্রি নিয়ে অপপ্রচার শনাক্ত : রিউমার স্ক্যানার

আপডেটেড ২৩ জুলাই, ২০২৫ ১১:২৬
বাসস

উত্তরার বিমান দুর্ঘটনার পর হতাহতের ঘটনার প্রেক্ষাপটে ‘২ লিটার পানির বোতল ৬০০ টাকায় বিক্রি’-এই ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর তথ্য সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। এ ধরনের অপপ্রচার ও অপতথ্য শনাক্ত করেছে ফ্যাক্টচেকিং প্ল্যাটফর্ম রিউমার স্ক্যানার।

বাংলাদেশে চলমান গুজব ও ভুয়া খবর প্রতিরোধ এবং জনগণের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছে দেওয়ার দায়িত্বে নিয়োজিত রিউমার স্ক্যানারের অনুসন্ধানে এসব তথ্য উঠে এসেছে।

অনুসন্ধান টিম ফ্যাক্টচেক করে জানায়, ‘২ লিটার পানির বোতল ৬০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে’ এমন দাবিতে ভাইরাল হওয়া ভিডিওটি পুরোনো ও ভিন্ন ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্ত।

অর্থাৎ, এটি বর্তমান বিমান দুর্ঘটনার ঘটনার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট নয়।

রিউমার স্ক্যানার আরো জানায়, গত বছর থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বাংলাদেশকে জড়িয়ে ভুয়া তথ্য প্রচারের হার ক্রমবর্ধমান, এবং তারা এ বিষয়ে নথিভুক্ত প্রমাণ পেয়েছে।

শুধু চলতি বছরের এপ্রিলেই অনলাইনে ছড়িয়ে পড়া ২৯৬টি ভুয়া তথ্য শনাক্ত করেছে প্রতিষ্ঠানটি।


রিয়েলমি ১২-তে হট অফার, ৩০০০ টাকার অবিশ্বাস্য মূল্যছাড়!

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

তরুণদের পছন্দের স্মার্টফোন ব্র্যান্ড রিয়েলমি তাদের জনপ্রিয় ডিভাইস রিয়েলমি ১২-তে (১৬ জিবি + ২৫৬ জিবি) অবিশ্বাস্য মূল্যছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে। আগের ২৭,৯৯৯ টাকা দামের এই ডিভাইসটি এখন মাত্র ২৪,৯৯৯ টাকায় পাওয়া যাচ্ছে, অর্থাৎ, ক্রেতাদের সাশ্রয় হচ্ছে ৩,০০০ টাকা। অনন্য এই অফারটি রিয়েলমির প্রিমিয়াম ফিচারগুলোকে সাশ্রয়ী দামের নাগালে নিয়ে এসেছে, যা উদ্ভাবনকে সহজলভ্য করতে রিয়েলমির প্রতিশ্রুতিকেই পুনর্ব্যক্ত করে।

রিয়েলমি ১২-তে আধুনিক ব্যবহারকারীদের উপযোগী বেশকিছু অনবদ্য ফিচার নিয়ে আসা হয়েছে। এতে রয়েছে ৬.৬৭ ইঞ্চির ১২০ হার্জ আল্ট্রা-স্মুথ অ্যামোলেড ডিসপ্লে; পাশাপাশি, ২,০০০ নিটস পিক ব্রাইটনেস ও রেইনওয়াটার স্মার্ট টাচ ফিচার যা ভেজা বা যেকোনো অবস্থায় ফোন ব্যবহারকে আরও স্বাচ্ছন্দ্যদায়ক করে তোলে। ডিভাইসটিতে ১৬ জিবি র্যাম (৮ জিবি ফিজিক্যাল + ৮ জিবি ডাইনামিক) ও ২৫৬ জিবি ইন্টারনাল স্টোরেজ রয়েছে; যা মাল্টিটাস্কিং, অ্যাপ বা মিডিয়া পরিচালনার ক্ষেত্রে নিরবচ্ছিন্ন অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে। এতে রয়েছে ৬৭ ওয়াট সুপারভুক ফাস্ট চার্জিং সহ ৫,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারি, যা মাত্র ১৯ মিনিটে ৫০ শতাংশ এবং ৪৭ মিনিটে পুরো চার্জ সম্পন্ন করতে সক্ষম; যা ব্যবহারকারীদের জন্য অনবদ্য অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করে।

গেমিং, ব্রাউজিং ও প্রয়োজনীয় অ্যাপ চালানোর অভিজ্ঞতাকে আরও সমৃদ্ধ করতে এতে ব্যবহার করা হয়েছে স্ন্যাপড্রাগন চিপসেট। ফটোগ্রাফিপ্রেমী মানুষদের জন্য নিয়ে আসা হয়েছে ওআইএস (অপটিক্যাল ইমেজ স্ট্যাবিলাইজেশন) সহ সনি এলওয়াইটি-৬০০ ৫০ মেগাপিক্সেল মেইন ক্যামেরা, যা চলতি অবস্থাতেও নিখুঁত ও ঝকঝকে ছবি তুলতে সক্ষম। এছাড়াও, ডিভাইসটিতে আইপি৫৪ রেটেড ওয়াটার এবং ডাস্ট রেজিস্ট্যান্স এবং ভ্যাপর চেম্বার কুলিং সিস্টেম ব্যবহার করা হয়েছে, যা দীর্ঘ সময় ব্যবহারের ক্ষেত্রে স্মার্টফোনের পারফরম্যান্স স্থিতিশীল রাখে।

রিয়েলমির সকল অনুমোদিত রিটেইলার ও অফিসিয়াল অনলাইন স্টোর থেকে এখনই নতুন দামে স্মার্টফোনটি কেনা যাবে।


banner close