মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর

সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আহ্বান বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রীর
বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। ছবি: সংগৃহীত
বাসস ডেস্ক
প্রকাশিত
  • বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

  • বাহ্যিক নিরাপত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও প্রটোকল দ্রুত করা অপরিহার্য উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, সুনির্দিষ্ট নীতিমালার আওতায় সাইবার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।

বাহ্যিক নিরাপত্তার পাশাপাশি সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রেও প্রটোকল দ্রুত করা অপরিহার্য উল্লেখ করে তিনি বলেন, সাইবার নিরাপত্তা সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা বৃদ্ধি করাও আবশ্যক।

প্রতিমন্ত্রী আজ সোমবার রাজধানীর বিদ্যুৎ ভবনে বাংলাদেশ পাওয়ার ম্যানেজমেন্ট ইনস্টিটিউট (বিপিএমআই) আয়োজিত ‘সাইবার সিকিউরিটি ইন পাওয়ার সেক্টর: পলিসি অ্যান্ড অপারেশনাল পারসপেকটিভ’ শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। প্রতিমন্ত্রী বলেন, বিদ্যুৎ খাতে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। সিস্টেম অটোমেশনের বিভিন্ন ডিভাইসকে অনলাইন কমিউনিকেশনের আওতায় রাখতে হয়। তাই সাইবার হুমকির সম্ভাবনাও বাড়ছে।

সাইবার নিরাপত্তায় গবেষণা ও উন্নয়নকে উৎসাহিত করা প্রয়োজন বলে মনে করেন নসরুল হামিদ। এছাড়া সাইবার নিরাপত্তার ক্ষেত্রে মানবসম্পদ উন্নয়নে প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আরো কাজ করতে হবে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

সেমিনারে ‘ফানডামেন্টাল ফিচারস অব সাইবার সিকিউরিটি’ বিষয়ে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) অধ্যাপক কাজী মো. রকিবুল আলম, ‘স্কোপ, নেসেসিটি অ্যান্ড পলিসিস অব সাইবার সিকিউরিটি ইন পাওয়ার সেক্টর’ বিষয়ে ডেসকোর ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. কাওসার আমীর আলী এবং ‘সাইবার সিকিউরিটি ইন পাওয়ার সেক্টর: সাইবার থ্রেটস, ডিজাইন, ইমপ্লিমেনটেশন অ্যান্ড মনিটরিং ডিফেনসিভ জিরো ট্রাস্ট আর্কিটেকচার বিষয়ে মাইক্রোসফটের প্রধান তথ্য-নিরাপত্তা কর্মকর্তা মো. মুসফিকুর রহমান প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন।

বিপিএমআইর রেক্টর মো. মহসিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিদ্যুৎ সচিব মো. হাবিবুর রহমান বক্তৃতা করেন।


ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও ইন্টারনেটের প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহার চায় তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনগুলো

ল্যাপটপ, প্রিন্টার ও ইন্টারনেটের প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহার চায় তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনগুলো
প্রযুক্তিপণ্য এবং ইন্টারনেটের প্রস্তাবিত কর প্রত্যাহার চেয়ে সংবাদ সম্মেলন করেন তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনগুলোর নেতৃবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

২০২২-২৩ অর্থবছরের প্রস্তাবিত বাজেট পাশ হলে ল্যাপটপের দাম ৩১ দশমিক ২৫ শতাংশ বাড়বে। সে সঙ্গে প্রিন্টার, টোনার ও কার্টিজে ১৫ শতাংশ এবং ইন্টারনেটের মূল্য ১০ শতাংশ বৃদ্ধি পাবে। বিভিন্ন তথ্যপ্রযুক্তি সংগঠনের নেতারা যৌথ সংবাদ সম্মেলনে আজ এসব অভিযোগ করেন।

প্রযুক্তিপণ্য এবং ইন্টারনেটের দাম বেড়ে গেলে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষিত স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রগতি অনেকাংশে ব্যহত হবে বলেও মন্তব্য করেন তারা। এজন্য প্রস্তাবিত বাজেটে ল্যাপটপ, প্রিন্টার, টোনার, কার্টিজ এবং ইন্টারনেটের মূল্যের উপর আরোপিত শুল্ক ও কর প্রত্যাহারের আহ্বান নেতৃবৃন্দ।

রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের তোফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে সংবাদ সম্মেলনে অংশ নেন বাংলাদেশ কম্পিউটার সমিতি (বিসিএস), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেস (বেসিস), ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (আইএসপিএবি), বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব কন্টাক্ট সেন্টার অ্যান্ড আউটসোর্সিং (বাক্কো) এবং ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) নেতারা।

ইন্টারনেট, ল্যাপটপ ও প্রিন্টারের উপর অপ্রত্যাশিত ভ্যাট ও ট্যাক্স প্রযুক্তিখাতের উন্নয়নে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে বলে মন্তব্য করেন বেসিস সহসভাপতি (প্রশাসন) আবু দাউদ খান। তিনি বলেন, স্থানীয়ভাবে প্রযুক্তিপণ্য উৎপাদনের ক্ষমতা, চাহিদা পূরণে সক্ষম না হওয়া পর্যন্ত ল্যাপটপ আমদানিতে অতিরিক্ত শুল্ক সাধারণ ব্যবহারকারীদের ল্যাপটপ চাহিদা পূরণে ব্যর্থ হবে। প্রযুক্তিপণ্যের উপর অতিরিক্ত শুল্ক প্রত্যাহার করে ২০৩০ সাল পর্যন্ত কর অব্যাহতি সুবিধা দিতে হবে।

প্রস্তাবিত বাজেটে ব্রডব্যান্ড সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর উপর ১০ শতাংশ অগ্রিম কর আরোপ করা হয়েছে। পাশাপাশি অপটিক্যাল ফাইবার ক্যাবল আমদানিতে সম্পূরক শুল্ক আরোপ করা হয়েছে আরো ১০ শতাংশ। এতে গ্রাহকদের ইন্টারনেট খরচ বাড়াবে বলে উল্লেখ করেন ইন্টারনেট সংযোগদাতাদের সংগঠন আইএসপিএবি সভাপতি মো. ইমদাদুল হক। সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘দেশে যে কেব্‌ল তৈরি হয়, তা মানসম্পন্ন নয়। আমাদের দাবি, ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোকে আইটিএস খাতে অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। পাশাপাশি ইন্টারনেট সেবাদাতা প্রতিষ্ঠানগুলোর ওপর ১০ শতাংশ অগ্রিম কর এবং অপটিক্যাল ফাইবার কেব্‌ল আমদানির করও প্রত্যাহার করতে হবে।’

বাজেটে নতুন উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠানদের প্রণোদনা দেয়ার উদ্যোগ নেয়ায় সরকারকে ধন্যবাদ জানান ই-ক্যাব সভাপতি শমী কায়সার। পাশাপাশি অতিরিক্ত কর আরোপ না করার আহ্বানও জানান। বলেন, আমরা তরুণ উদ্যোক্তাদের নিয়ে এগোতে চাই। এ যাত্রাকে সহজ করার জন্য প্রযুক্তিপণ্যে আরোপিত শুল্ক এবং কর প্রত্যাহার করা উচিৎ।

রুপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে ল্যাপটপ আমদানিতে অতিরিক্ত ১৫ শতাংশ মূল্য সংযোজন কর প্রত্যাহার করার আহ্বান জানান বিসিএস সভাপতি সুব্রত সরকার। তিনি বলেন, ল্যাপটপ, প্রিন্টারের উপর ১৫% এবং ইন্টারনেটের উপর ১০% মূল্য সংযোজন করকে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্তরায় বলে আমরা মনে করি। তাই ল্যাপটপ, প্রিন্টার এবং ইন্টারনেটের উপর অতিরিক্ত করভার স্মার্ট বাংলাদেশের অগ্রযাত্রাকে ব্যাহত করবে বিবেচনায় নিয়ে এর আমদানিতে অতিরিক্ত মূল্য সংযোজন কর থেকে অব্যাহিত প্রদান করা হোক।


ব্লকচেইন স্টার্টআপের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে

ব্লকচেইন স্টার্টআপের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা থাকবে
বাংলাদেশ ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড ২০২২-এর সমাপ্তি অনুষ্ঠানে। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত

যেকোনো সমস্যার ব্লকচেইন প্রযুক্তিনির্ভর সমাধান খুঁজে বের করতে তরুণদের মনোযোগী হওয়ার পরামর্শ দিয়ে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ। তিনি বলেন, ‘আগামীতে ব্লকচেইন স্টার্টআপগুলোর জন্য আর্থিক অনুদান, সহায়তা, মেন্টরিং করার পাশাপাশি হাইটেক পার্কগুলোতে কো-স্পেসের ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।’

গতকাল বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে তিন দিনের ‘বাংলাদেশ ব্লকচেইন অলিম্পিয়াড ২০২২’-এর সমাপনী ও পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠানে ভার্চ্যুয়াল মাধ্যমে যুক্ত হয়ে এমন পরামর্শ দেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। এজন্য সনদমুখী না হয়ে দক্ষতামুখীতাকে গুরুত্ব দিয়ে দেশজুড়ে শেখ রাসেল ডিজিটাল ল্যাব ও শেখ কামাল আইটি ট্রেনিং অ্যান্ড ইনকিউবেশন সেন্টারে প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে বলে জানান তিনি।

প্রযুক্তিতে নিজেদের সক্ষমতা বাড়াতে সরকারিভাবেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম তৈরি করা হচ্ছে, যা প্রথমে সরকারিভাবে ব্যবহার করা হবে। এরপর সবার জন্য উন্মুক্ত করে দেয়া হবে বলে উল্লেখ করেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক ড. মো: আব্দুল মান্নানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের চেয়ারম্যান শিবলী রুবায়েত উল ইসলাম, এফবিসিসিআই পরিচালক এম এ মোমেন, ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক প্রফেসর ড. মো. কায়কোবাদ এবং বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন টেকনোলজিসের (বেসিস) সভাপতি রাসেল টি আহমেদ।

অনুষ্ঠানে বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেয়া হয়। তৃতীয় ব্লক চেইন অলিম্পিয়াডে জামিলুর রেজা চৌধুরী চ্যাম্পিয়ন অ্যাওয়ার্ড জয় করেছে টিম মেসবুক। সিলভার ও ব্রোঞ্জ পদক জিতেছে যথাক্রমে টিম ব্লু-ক্রিস্টাল ও টিম স্পন্দন দল।

প্রফেশনাল ক্যাটাগরিতে লেভার গোল্ড, ইউনিভার্সেল মেশিন সিলভার ও ইউএপি ব্লকচেইন অ্যাপলিকেশন রিসার্চ জিতেছে ব্রোঞ্জ পদক।


অ্যান্ড্রয়েডের নতুন একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ ছাড়ল গুগল

অ্যান্ড্রয়েডের নতুন একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ ছাড়ল গুগল
অ্যান্ড্রয়েড ১৩-এর নতুন একটি সংস্করণ প্রকাশ করেছে গুগল। ছবি: সংগৃহীত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

স্মার্টফোনের অপারেটিং সিস্টেম অ্যান্ড্রয়েডের নতুন একটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ প্রকাশ করেছে গুগল। ‘অ্যান্ড্রয়েড ১৩ বেটা ২.১’ হালনাগাদটি আগের সংস্করণ চালুর এক মাসেরও কম সময়ের মধ্যে এল।

নতুন সংস্করণে বেশ কয়েকটি ‘বাগ ফিক্স’ অর্থাৎ সফটওয়্যারের ত্রুটি সারানো হয়েছে বলে জানানো হয়েছে। প্রযুক্তিবিষয়ক ওয়েবসাইট সিনেটের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বাগ ফিক্সের মধ্যে সার্চবারে কিছু খোঁজার পর ফলাফল না আসা, ডিভাইস ক্র্যাশ এবং মোবাইল হটস্পট চালু করলে রিস্টার্ট নেওয়ার মতো বিষয়গুলো নিয়ে কাজ করেছে গুগল।

পিক্সেল ৪ এবং গুগলের পরবর্তী ডিভাইসগুলোতে নতুন এই আপডেট পাওয়া যাবে।

ফেব্রুয়ারিতে অ্যান্ড্রয়েড ১৩-এর ঘোষণা দিয়েছিল গুগল। এখন পর্যন্ত সেটির কয়েকটি পরীক্ষামূলক সংস্করণ ছাড়া হলেও এখনো চূড়ান্ত করা হয়নি। অ্যান্ড্রয়েড ১৩ অপারেটিং সিস্টেমে গোপনীয়তা এবং নিরাপত্তা টুল বাড়ানো হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

ফাইভজি চালু হলেও ফোরজিই ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী

ফাইভজি চালু হলেও ফোরজিই ঠিকমতো পাওয়া যাচ্ছে না: ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী
ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
  • বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ১৭ মে পালন করার কথা থাকলেও তা পালিত হলো ২৯ মে।

  • দেশের বিভিন্ন খাত ডিজিটাল রূপান্তরে বেশ এগোলেও স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত বেশ পিছিয়ে রয়েছে বলে মনে করেন মোস্তাফা জব্বার।

ফাইভজি চালু হলেও দেশের মানুষ এখনো ফোরজি সেবাই ঠিকমতো পাচ্ছে না বলে মন্তব্য করেছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী গতকাল বলেন, ‘আমরা ফাইভজি পর্যন্ত গিয়েছি। পলিসিগত দিক থেকে আমরা হয়তো এটা করেছি, কিন্তু এখনো ফোরজি ঠিকমতো হয়নি। আমাদেরকে ফোরজি কার্যকর করতে হবে। আমাদের জন্য সুখবর, পৃথিবীতে এখন এ প্রযুক্তি আছে। ফোরজি অবকাঠামোতে কিছু ছোটখাটো যন্ত্রপাতি যোগ করলেও তাতে ফাইভজি সুবিধা পাওয়া যাবে। অপারেটরদের বলব আপনারা ফোরজি অবকাঠামো বিস্তার করেন। পরে প্রয়োজন বুঝে সেখানে যন্ত্রপাতি সংযোজন করে ফাইভজি সেবা দিতে পারবেন।’

বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবস ১৭ মে পালন করার কথা থাকলেও তা পালিত হলো গতকাল ২৯ মে। এ উপলক্ষে রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব মো. খলিলুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান শ্যামসুন্দর সিকদার।

দেশের বিভিন্ন খাত ডিজিটাল রূপান্তরে বেশ এগোলেও স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত বেশ পিছিয়ে রয়েছে বলে মনে করেন মোস্তাফা জব্বার। এ বিষয়ে অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘ডিজিটাল বাংলাদেশের পথে আমরা অনেকখানি এগিয়ে গেছি। স্বাস্থ্য খাতে এখন ডিজিটাল প্রযুক্তি ব্যবহার হচ্ছে, অবশ্য এটা একেবারেই কম। সমাজসেবাও ডিজিটালাইজেশনে পিছিয়ে রয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি পিছিয়ে রয়েছে শিক্ষা খাত।’

স্বাস্থ্যসেবার যে প্রযুক্তিগুলো রয়েছে, সেখানে ফোরজি-ফাইভজি সেবা কার্যকরী অবদান রাখতে পারে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। বিশেষ করে তৃণমূল পর্যায়ে যেসব জায়গায় স্বাস্থ্যসেবা পৌঁছানো সম্ভব হয়নি সেখানে এমন প্রযুক্তির মানুষের কাজে লাগানো যেতে পারে বলে মনে করেন তিনি।

এ বছর বিশ্ব টেলিযোগাযোগ ও তথ্য সংঘ দিবসের প্রতিপাদ্য ‘বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তি এবং স্বাস্থ্যসম্মত বার্ধক্যের জন্য ডিজিটাল প্রযুক্তি’। দিবসটি উপলক্ষে গতকাল সকাল ৯টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন থেকে একটি শোভাযাত্রা বের হয়ে নগরীর বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে।

দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার হামলার শিকার

দুই-তৃতীয়াংশ প্রতিষ্ঠান র‍্যানসমওয়্যার হামলার শিকার
র‍্যানসমওয়্যার হামলায় দিন দিন মুক্তিপণ দেয়ার হার বাড়ছে। ছবিটি প্রতীকী। ছবি: আনস্প্ল্যাশ
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
  • সোফোস সম্প্রতি তাদের ‘স্টেট অব র‍্যানসমওয়্যার ২০২২’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।

  • জরিপে অংশ নেয়া ৬৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালে র‍্যানসমওয়্যার হামলার শিকার হয়েছিল।

আন্তর্জাতিক সাইবার নিরাপত্তা পণ্য প্রস্তুতকারক প্রতিষ্ঠান সোফোস সম্প্রতি তাদের ‘স্টেট অব র‍্যানসমওয়্যার ২০২২’ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, জরিপে অংশ নেয়া ৬৬ শতাংশ প্রতিষ্ঠান ২০২১ সালে র‍্যানসমওয়্যার হামলার শিকার হয়েছিল।

প্রতিবেদন তৈরিতে সোফোস এশিয়া-প্যাসিফিক, মধ্য এশিয়া, মধ্যপ্রাচ্য, ইউরোপ, আমেরিকা এবং আফ্রিকার ৩১টি দেশের প্রায় ৫ হাজার ৬০০টি প্রতিষ্ঠান জরিপ করে। সমীক্ষা চলাকালীন ৯৬৫টি প্রতিষ্ঠান তাদের র‍্যানসমওয়্যার পেমেন্টের বিবরণ শেয়ার করেছে।

র‍্যানসমওয়্যার এক ধরনের ক্ষতিকর সফটওয়্যার বা ম্যালওয়্যার। আক্রান্ত কম্পিউটার বা নেটওয়ার্কে ছড়িয়ে দিয়ে ফাইল কব্জা করে হ্যাকার, এরপর মুক্তিপণের বিনিময়ে সেগুলো ফিরিয়ে দেওয়ার দাবী করে।

সোফোসের প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণে ডেটা এনক্রিপ্ট করা প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের ডেটা ফেরত পেতে মোটামুটিভাবে ৮ লাখ ১২ হাজার ৩৬০ ডলার বা প্রায় ৭ কোটি টাকা খেসারত দিয়েছে।

আর ৪৬ শতাংশ ক্ষতিগ্রস্ত প্রতিষ্ঠানের ডেটা এনক্রিপ্টেড ছিল এবং ব্যাকআপসহ অন্য ডেটা পুনরুদ্ধারের পদ্ধতি থাকা সত্ত্বেও তারা মুক্তিপণ পরিশোধ করেছে। দিন দিন মুক্তিপণ দেয়ার হার বাড়ছে, কারণ সময়ের সঙ্গে সঙ্গে ভুক্তভোগীর সংখ্যাও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

এ ছাড়া অনেক বৈশ্বিক সংস্থা র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণ থেকে তাদের ডেটা পুনরুদ্ধার করতে সহায়তা করার জন্য সাইবার বিমার উপর নির্ভর করে।

ক্রমবর্ধমান সাইবার নিরাপত্তা হুমকির পাশাপাশি র‍্যানসমওয়্যার আক্রমণগুলো সংস্থার উপর ব্যাপক প্রভাব ফেলে, যেহেতু সাধারণত ডেটা পুনরুদ্ধার করতে এবং আক্রমণ পরবর্তী জটিলতাগুলো দূর করতে প্রায় এক মাস সময় লাগে ৷