রোববার, ২৩ জুন ২০২৪

তুরস্ক-সিরিয়ায় যাচ্ছে রাশিয়ার উদ্ধারকারীরা

সিরিয়ার আলেপ্পোতে ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত ভবনে উদ্ধার তৎপরতায় ব্যস্ত উদ্ধারকর্মীরা। ছবি: এএফপি
আপডেটেড
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২১:২৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৩ ২১:২৪

স্মরণকালের ভয়াবহ ভূমিকম্পে বিধ্বস্ত তুরস্ক ও সিরিয়ায় উদ্ধার কাজের সাহায্যের জন্য রাশিয়ার উদ্ধারকারীরা যাচ্ছে।

বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে, সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট বাশার আল আসাদ এবং তুরস্কের রাষ্ট্রপ্রধান রিসেপ তাইয়েপ এরদোয়ানের সঙ্গে টেলিফোনে কথা বলেছের রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন।

ক্রেমলিন জানিয়েছে, দ্রুততম সময়ে সিরিয়ার উদ্দেশে রাশিয়ান উদ্ধাকারীরা রওনা হবে। আর তুরস্কের প্রেসিডেন্ট মস্কোর সহযোগিতার প্রস্তাব গ্রহণ করেছে।

এএফপি জানিয়েছে, সিরিয়ার ধ্বংস্তুপ সরাতে রাশিয়ার ৩০০ সেনাসদস্য দেশটিতে কাজ করবে।

যুক্তরাষ্ট্রের ভূতত্ত্ব জরিপ (ইউএসজিএস) জানায়, স্থানীয় সময় সোমবার ভোর ৪টা ১৭ মিনিটে তুরস্কের মধ্য-দক্ষিণাঞ্চলীয় প্রদেশ গাজিয়ানতেপের শহর নুরদায়ির ২৬ কিলোমিটার পূর্বে ভূমিকম্পটি আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৭ দশমিক ৮। এর কেন্দ্রস্থল ছিল সমতলের ১৭ দশমিক ৯ কিলোমিটার গভীরে।

নুরদায়ি শহরটি তুরস্ক ও সিরিয়ার সীমান্ত অঞ্চলে অবস্থিত। এই দুটি দেশ ছাড়াও লেবানন ও সাইপ্রাসে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। ৮০০ কিলোমিটার দূরের গাজা উপত্যকায়ও অনুভূত হয়েছে কম্পন।

তুরস্কে সোমবারের এই ভূমিকম্পকে ১৯৩৯ সালের পর সবচেয়ে শক্তিশালী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে। সেবার একই মাত্রার ভূমিকম্পে অন্তত ৩০ হাজার লোকের মৃত্যু হয়। বিগত ২৫ বছরে সাতবার তুরস্কে ৭ বা তার বেশি মাত্রার ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। তবে এবারের ভূমিকম্প সবচেয়ে শক্তিশালী বলছেন ভূতত্ত্ববিদরা।

কম্পনের তীব্রতা এবারে এতই বেশি ছিল যে মূল ভূমিকম্পের পর অন্তত ৬৬টি পরাঘাত অনুভূত হয়।

ভূমিকম্পে এখন পর্যন্ত দুই হাজার ৩০০ জনের মৃত্যুর খবর দিছে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমগুলো।

বিষয়:

যোগ দিবসের অনুষ্ঠানে শ্রীনগরে মোদি, করলেন যোগব্যায়াম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জম্মু ও কাশ্মীরে দশম আন্তর্জাতিক যোগ দিবস পালন করলেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তৃতীয়বার প্রধানমন্ত্রী পদে শপথ নেওয়ার পর এই প্রথমবার ভূস্বর্গে গেলেন তিনি।

আজ শুক্রবার সেখানেই বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। শ্রীনগর থেকে দেশবাসীর উদ্দেশে বিশেষ বার্তা দিলেন। এদিন শুধু ভারতেই নয়, বিশ্বের নানাপ্রান্তে পালিত হচ্ছে যোগ দিবস।

আজ ১০ বছর পূর্ণ হয়েছে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের। এই বছরের যোগ দিবসের থিম, নিজের ও সমাজের জন্য যোগ। ব্যক্তি মঙ্গল ও সামাজিক সম্প্রীতি উভয়ই বৃদ্ধিতে যোগের গুরুত্বের ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

এ বছরের বিশেষ এই দিনের লক্ষ্য, তরুণ মন ও দেহের ওপর যোগের গভীর প্রভাব তুলে ধরা। হাজার হাজার মানুষকে যোগব্যায়াম অনুশীলনে একত্রিত করা, বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য ও সুস্থতার প্রচার করা।

গতকাল থেকেই এই বিশেষ দিন পালনের তোড়জোড় শুরু হয়েছিল। প্রথমে ঠিক ছিল শ্রীনগরের হৃদয় ডাল লেকের ধারে শুক্রবার ভোর সাড়ে ৬টা থেকে যোগ দিবসের অনুষ্ঠান শুরু হবে। সবার সঙ্গে সেখানে যোগ দেবেন মোদি। কিন্তু বাদ সাধে ভারী বৃষ্টি। তাই পরিকল্পনা বদলে ডাল লেকের তীরে শের-ই-কাশ্মীর আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রের ভেতরে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়।

সেখানে অংশ নিয়ে মোদি বলেন, যোগ দিবসে দেশবাসী ও বিশ্বের প্রতিটি জায়গায় যোগব্যায়াম অনুশীলন করা মানুষকে শুভেচ্ছা জানাই। আন্তর্জাতিক যোগ দিবস আজ ১০ বছরের একটি ঐতিহাসিক যাত্রা পূর্ণ করেছে। ২০১৪ সালে আমি জাতিসংঘে আন্তর্জাতিক যোগ দিবসের প্রস্তাব দিয়েছিলাম। ভারতের এই প্রস্তাবটি ১৭৭টি দেশ সমর্থন করেছিল।

তিনি বলেন, তারপর থেকে যোগ দিবস পালিত হয়ে আসছে। নতুন রেকর্ড গড়ছে। বিশ্ব দেখছে যোগের মাধ্যমে নতুন অর্থনীতির পথ প্রশস্ত হচ্ছে। ভারতে ঋষিকেশ ও কাশী থেকে কেরালা পর্যন্ত যোগের মাধ্যমে পর্যটনের একটি নতুন সংযোগ দেখা যাচ্ছে। সারা বিশ্ব থেকে পর্যটকরা ভারতে আসছেন। কারণ তারা এদেশে সঠিক পদ্ধতিতে যোগব্যায়াম শিখতে চান।

সূত্র: এনডিটিভি


পাঞ্জাবে ১৪৪ ধারা জারি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পাকিস্তানের পাঞ্জাব প্রদেশে সাত দিনের জন্য ১৪৪ ধারা জারি করা হয়েছে। নিরাপত্তা উদ্বেগের কারণে পাঞ্জাব সরকার এ ধারা জারি করেছে।

আজ শুক্রবার জিও নিউজের এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানানো হয়েছে। দ্য নিউজের বরাত দিয়ে খবরে বলা হয়েছে, ভোটের পবিত্রতা রক্ষার জন্য পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ দেশজুড়ে স্থানীয় সময় দুপুর ২টা থেকে বিক্ষোভের ডাক দেয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্র দপ্তর পাঞ্জাবে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

দপ্তরের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, রাজ্যজুড়ে ২১ থেকে আগামী ২৭ জুন পর্যন্ত ১৪৪ ধারা জারি থাকবে। নির্দেশনায় বলা হয়েছে, সকল ধরনের সমাবেশ, র‍্যালি, মিছিল, বিক্ষোভ, বৈঠক এই সময় নিষিদ্ধ। এ ছাড়া দপ্তর আরও জানিয়েছে, রাজ্যের বর্তমান আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা হুমকির কারণে জনসমাগম হলে তা সন্ত্রাসী ও দুর্বৃত্তদের লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।

উল্লেখ্য, পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও তেহরিক-ই-ইনসাফ দলের চেয়ারম্যান সাবেক বিশ্বকাপজয়ী ক্রিকেট অধিনায়ক ইমরান খানকে কারাগারে আটকে রেখে কিছুদিন আগে দেশটিতে যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় তাতে পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) ও পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) কেউ-ই একক সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। বরং ভোটের আগে দলের প্রতীক কেড়ে নেওয়ায় ইমরান খানের দলীয় প্রার্থীরা স্বতন্ত্র হিসেবে প্রতিযোগিতা করে ৯১টি আসনে জয় পান। তবে নানা মারপ্যাঁচে তারাও সরকার গঠন করতে পারেনি। পরে নওয়াজ শরিফ ও তার ভাই শাহবাজ শরিফের সঙ্গে পিপিপি নেতা আসিফ আলী জারদারি ও বিলওয়াল ভুট্টোর বৈঠক ফলপ্রসূ হলে আরও কিছু শরিককে নিয়ে জোট সরকার গঠন করেন তারা। ওই জোটের সিদ্ধান্তে প্রেসিডেন্ট পদ পান আসিফ আলী জারদারি আর প্রধানমন্ত্রীর পদে বসেন শাহবাজ শরিফ। তবে জেলখানায় থেকেও দেশজুড়ে প্রভাব রেখে চলেছেন অন্তরীণ নেতা ইমরান খান। একাধিক মামলায় জামিন পেলেও এখনো বেশ কয়েকটি মামলায় রায় পক্ষে না আসায় কারামুক্ত হতে পারেননি তিনি।


উ. কোরিয়াকে অস্ত্র সরবরাহের ইঙ্গিত পুতিনের, দ. কোরিয়াকে হুমকি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দুই যুগ পর উত্তর কোরিয়া সফরের পর ভিয়েতনামে গিয়ে দুটি বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামের রাজধানী হ্যানয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে করা সামরিক চুক্তির বিষয়ে প্রশ্নের জবাবে দেশটিকে অস্ত্র সরবরাহ করা হতে পার বলে মন্তব্য করেন রুশ প্রেসিডেন্ট। একই সঙ্গে ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করলে দক্ষিণ আফ্রিকাকে দেখে নেওয়ার হুমকিও দেন তিনি।

এর আগে বুধবার উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে যে সামরিক চুক্তি করে রাশিয়া সে বিষয়টি ভালোভাবে নেয়নি বিবদমান প্রতিবেশী দক্ষিণ কোরিয়া। ওই চুক্তির প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধরত ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের ইঙ্গিত দেয় দক্ষিণ কোরিয়া। সেই প্রতিক্রিয়ার পাল্টা প্রতিক্রিয়ায় সিউলকে হুমকি দিয়ে পুতিন বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যদি ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করে দক্ষিণ কোরিয়া তবে তারা একটি বড় ভুল করবে।

গত বৃহস্পতিবার ভিয়েতনামে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় ইউক্রেনে পশ্চিমাদের অস্ত্র সরবরাহের প্রতিক্রিয়ায় পুতিন বলেন, রাশিয়া উত্তর কোরিয়াকে অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে।

পারমাণবিক অস্ত্রধারী দেশ উত্তর কোরিয়া সফরকালে দেশটির নেতা কিম জং উনের সঙ্গে একটি পারস্পরিক প্রতিরক্ষা চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন পুতিন। এর এক দিন পর ভিয়েতনাম সফরে যান তিনি। সেখানে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন তিনি।

জাতিসংঘের নিষেধাজ্ঞা অমান্য করে পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্রের পরীক্ষার কারণে উত্তর কোরিয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়ে আসছে পশ্চিমা দেশগুলো। মস্কো ও পিয়ংইয়ংয়ের মধ্যে ক্রমবর্ধমান সম্পর্ক পশ্চিমাদের উদ্বেগ আরও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এদিকে, পশ্চিমারা ইউক্রেনকে উন্নতমানের অস্ত্র সরবরাহ করছে এবং সেগুলো রাশিয়ার অভ্যন্তরে লক্ষ্যবস্তুতে ব্যবহারের অনুমতি দিচ্ছে। এর প্রতিক্রিয়ায় রাশিয়া পশ্চিমা প্রতিপক্ষকে অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন পুতিন। চলতি মাসের শুরুতে এই হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন তিনি।

সর্বশেষ মন্তব্যে পুতিন বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়াকে রাশিয়া অস্ত্র সরবরাহ করতে পারে। তিনি বলছিলেন, ‘আমি বলেছিলাম, পিয়ংইয়ংসহ বিশ্বের অন্যান্য অঞ্চলে আমরা অস্ত্র সরবরাহ করার অধিকার রাখি। উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে আমাদের চুক্তির কথা বিবেচনায় রেখেই আমি এটিকে বাদ দিচ্ছি না।’

বুধবার পুতিন ও কিম স্বাক্ষরিত প্রতিরক্ষা চুক্তিতে বলা হয়েছে, সশস্ত্র আক্রমণের ক্ষেত্রে উভয় পক্ষ একে অপরকে তাৎক্ষণিকভাবে সামরিক সহায়তা প্রদানে বাধ্য থাকবে।

পুতিন বলেছিলেন, উত্তর কোরিয়ার সঙ্গে মস্কোর সহযোগিতা পশ্চিমের জন্য একটি প্রতিবন্ধক হিসেবে কাজ করবে। তবে ইউক্রেন যুদ্ধে উত্তর কোরিয়ার সেনাদের ব্যবহার করার কোনো প্রয়োজন নেই বলে জানিয়েছেন পুতিন।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইউক্রেনের অভিযোগ, ইতোমধ্যে রাশিয়াকে উল্লেখযোগ্য পরিমাণ গোলাবারুদ ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সরবরাহ করেছে উত্তর কোরিয়া। তাদের এমন অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে মস্কো ও পিয়ংইয়ং।

ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করলে পস্তাতে হবে দক্ষিণ কোরিয়াকে

এ সময় রুশ-ইউক্রেন চলমান যুদ্ধে দক্ষিণ কোরিয়ার কাছ থেকে ইউক্রেন অস্ত্র পেলে রাশিয়া কী করবে সাংবাদিকরা এমন প্রশ্ন করলে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন বলেন, রাশিয়ার বিরুদ্ধে যুদ্ধে যদি ইউক্রেনে অস্ত্র সরবরাহ করে দক্ষিণ কোরিয়া তবে তারা একটি বড় ভুল করবে।

উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যকার প্রতিরক্ষা চুক্তি স্বাক্ষরের পর দক্ষিণ কোরিয়া জানিয়েছিল, তারা ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের বিষয়টি বিবেচনা করছে।

এই খবরের প্রতিক্রিয়ায় গত বৃহস্পতিবার পুতিন সাংবাদিকদের বলেছেন, যদি সিউল কিয়েভকে অস্ত্র সরবরাহের সিদ্ধান্ত নেয় তাহলে মস্কো এমন কিছু সিদ্ধান্ত নেবে, যা দক্ষিণ কোরিয়ার বর্তমান নেতৃত্বের জন্য সুখকর হবে না।

উত্তর কোরিয়া সফরের পরদিন ভিয়েতনাম সফরে এই হুমকি দিয়েছেন পুতিন। একই সঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র ও দেশটির মিত্ররা যদি ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ অব্যাহত রাখে তাহলে উত্তর কোরিয়াকে অস্ত্র দিতে পারে রাশিয়া।

পুতিন বলেছেন, যারা এসব অস্ত্র সরবরাহ করছে তারা মনে করছে আমাদের তাদের যুদ্ধ চলছে না। আমি বলছি, উত্তর কোরিয়াসহ বিশ্বের সব অঞ্চলে আমরাও অস্ত্র সরবরাহের অধিকার রাখি।

এর আগে রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়ার প্রতিরক্ষা চুক্তির নিন্দা জানিয়েছে সিউল। তারা এই চুক্তিকে দক্ষিণ কোরিয়ার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হিসেবে উল্লেখ করেছে।

পুতিনের হুমকির পর শুক্রবার দক্ষিণ কোরিয়ার প্রেসিডেন্ট কার্যালয় বলেছে, ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহের বিভিন্ন উপায় বিবেচনা করবে সিউল। দক্ষিণ কোরিয়ার অবস্থান নির্ভর করবে রাশিয়া এই ইস্যুতে কীভাবে অগ্রসর হবে সেটির ওপর। বিবিসি


ন্যাটোর প্রধান হচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে

নেদারল্যান্ডসের কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন পশ্চিমা সামরিক জোট ন্যাটোর পরবর্তী সেক্রেটারি জেনারেল হচ্ছেন নেদারল্যান্ডসের কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী মার্ক রুটে। বর্তমান সেক্রেটারি জেনারেল স্টলটেনবার্গের পদে থাকার মেয়াদ আগামী অক্টোবরে শেষ হবে। তারপরেই দায়িত্ব নেবেন রুটে। ন্যাটো শরিকদের মধ্যে দীর্ঘ আলোচনার পরেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

২০২৩ সালের জুলাইতে ১৩ বছর ধরে প্রধানমন্ত্রী থাকার পর রুটে ঘোষণা দেন যে তিনি সক্রিয় রাজনীতি থেকে অবসর নিচ্ছেন। নেদারল্যান্ডসের ইতিহাসে তিনিই সবচেয়ে বেশি সময় ধরে ক্ষমতায় থাকা প্রধানমন্ত্রী।

কিন্তু কেন রুটে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন? জানা যায়, জোটের মধ্যে অভিযোগ উঠেছিল যে রুটে অভিবাসীদের প্রতি নরম মনোভাব দেখাচ্ছেন। এর ফলে চারদলীয় জোটটি ভেঙে যায়। এরপর নির্বাচনে দক্ষিণপন্থিরা সবচেয়ে বেশি আসন পায় ও রুটে তার রাজনৈতিক জীবনের সবচেয়ে বড় হারের মুখে পড়েন।

তারপর থেকে তিনি কার্যকরী প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কাজ করছেন। কারণ দক্ষিণপন্থি দল এখনো সরকার গঠন নিয়ে আলোচনা করে যাচ্ছে।

অবসরের পরিকল্পনা বাতিল

২০২৩ সালে রাজনীতি থেকে অবসর নেওয়ার ঘোষণা দিলেও একই বছরে ৫৭ বছর বয়সি রুটে ন্যাটোর শীর্ষ পদের দায়িত্ব নেওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেন। রুটে ন্যাটো দেশগুলোর প্রধানদের সঙ্গে দেখা করতে শুরু করেন। দীর্ঘদিন ধরে নেদারল্যান্ডসের প্রধানমন্ত্রী থাকার সূত্রে সহজেই সদস্য দেশগুলোর সমর্থন আদায় করে নিতে পারেন তিনি।

এদিকে, রুটে হলেন ইউক্রেনের একনিষ্ঠ সমর্থক। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের সমর্থন পেতেও তার অসুবিধা হয়নি। আর যুক্তরাষ্ট্র সমর্থন দেওয়ার পর ন্যাটোর অন্য সদস্য দেশগুলোও তাকে সমর্থন জানায়।

তবে হাঙ্গেরির দক্ষিণপন্থি জাতীয়তাবাদী প্রধানমন্ত্রী ভিক্টর অরবানের সমর্থন পেতে তার কিছুটা দেরি হয়। অরবানের সঙ্গে রুটের সম্পর্ক আগে খুব একটা ভালো ছিল না। ফলে রুটেকে প্রতিশ্রুতি দিতে হয় যে তিনি যতদিন ন্যাটোর নেতৃত্ব দেবেন, ততদিন হাঙ্গেরিকে ন্যাটোর সীমার বাইরে ইউক্রেনকে সাহায্য করার প্রয়োজন হবে না। হাঙ্গেরির সঙ্গে রাশিয়ার সম্পর্ক খুব ভালো ও দেশটির প্রধানমন্ত্রী ইউক্রেনকে অস্ত্র সরবরাহ করতে ন্যাটোর প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছিলেন।

জানা গেছে, রুটে এমনিতে রসিকতাবোধ সম্পন্ন মানুষ। তিনি সাধারণ বাড়িতেই থাকেন। সাইকেলে করে অফিসে আসেন। মাঝেমধ্যে তিনি হেগ সেন্ট্রাল স্টেশনে পিয়ানোও বাজান।

তবে সমালোচকরা বলছেন, ন্যাটো প্রধান হিসেবে তাকে আরেকটু ভাবগম্ভীর হতে হবে ও কূটনৈতিক পথে চলতে হবে। ন্যাটোর ৩২টি সদস্য দেশের বিরোধী স্বার্থের মধ্যে ভারসাম্য করে চলতে হবে, যাতে সবাই এক সুরে কথা বলতে পারে।

অন্যদিকে, ন্যাটোর প্রধান হিসেবে রুটেকে এই সম্ভাবনার কথাও মাথায় রাখতে হবে যে আসন্ন মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে জয়ী হতে পারেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। রিপাবলিকান এই নেতা যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখন রুটের সঙ্গে তার সম্পর্ক ভালো ছিল। ট্রাম্প তাকে ‘বন্ধু’ বলে ডাকতেন। তবে রুটে ট্রাম্পের আর্থিক নীতির তীব্র বিরোধী ছিলেন। আরেকটা জায়গায় ট্রাম্পের সঙ্গে তার মতে মেলে না। ট্রাম্প বিরোধী হলেও, রুটে মনে করেন, ইউক্রেনকে অস্ত্র দিয়ে সাহায্য করা উচিত। সূত্র: ডয়চে ভেলে


কেজরিওয়ালের জামিন স্থগিত

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়াল। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী অরবিন্দ কেজরিওয়ালের জামিন স্থগিত করেছে দিল্লির হাইকোর্ট। এতে করে নিম্ন আদালতে জামিন পেয়েও আপাতত জেল থেকে বের হওয়া হচ্ছে না তার। অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে জামিন দেয় রাউস অ্যাভিনিউ আদালত।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৮টা নাগাদ কেজরিওয়ালকে জামিনের নির্দেশ দেন বিচারক। আজ শুক্রবার জেলে থেকে ছাড়া পাওয়ার কথা ছিল কেজরিওয়ালের। এই নির্দেশের বিরুদ্ধে শুক্রবার দিল্লি হাইকোর্টে আবেদন জানায় ইডি। তারপর হাইকোর্ট সাময়িকভাবে এই রায় কার্যকর করা নিয়ে স্থগিতাদেশ জারি করেছে।

বিচারপতিরা জানিয়েছেন, হাইকোর্ট বিষয়টি নিয়ে রায় দেয়া পর্যন্ত নিম্ন আদালতের এই সিদ্ধান্ত রূপায়ণ করা যাবে না।

কেজরিওয়ালের আইনজীবী আদালতে জানান, দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনো প্রমাণ ইডির হাতে নেই। কিছু অভিযুক্ত, যারা পরে রাজসাক্ষী হয়েছে, তাদের বয়ানের ভিত্তিতে কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

কেজরিওয়ালের আইনজীবী বলেন, ‘যারা নিজেদের দোষী বলে স্বীকার করে নিয়েছে, তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। তারা কেউ সাধু নয়। তারা অভিযুক্ত। দেখে মনে হচ্ছে, তাদের জামিন দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, তাদের ক্ষমা করে দেওয়ার প্রতিশ্রুতিও দেয়া হয়েছে।’

গত ২১ মার্চ দিল্লির আবগারি নীতি সংক্রান্ত দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত অভিযোগে কেজরিওয়ালকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। ইডির অভিযোগ ছিল, কেজরিওয়াল মদ বিক্রেতাদের কাছ থেকে টাকা পেয়েছিলেন এবং সেই অর্থ দিয়ে তিনি গোয়ায় প্রচার করেছিলেন।

কেজরিওয়াল এবং আপ প্রথম থেকেই বলেছে, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। লোকসভা নির্বাচনে প্রচার করার জন্য সুপ্রিম কোর্ট কেজরিওয়ালকে জামিন দিয়েছিল। তারপর ২ জুন তাকে আবার তিহার জেলে যেতে হয়।

ইডি-র পক্ষ থেকে আবেদন জানিয়ে বলা হয়েছিল, তারা জামিনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চ আদালতে আবেদন জানাতে চায়। তাই আগামী ৪৮ ঘণ্টা এই জামিন দেওয়ার প্রক্রিয়া যেন শুরু না করা হয়। কিন্তু বিচারক তা খারিজ করে দেন।


ইন্দোনেশিয়ায় ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইন্দোনেশিয়ার পূর্বাঞ্চলীয় হাইল্যান্ড পাপুয়া প্রদেশে ৫ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। আজ শুক্রবার সকালে দেশটির আবহাওয়া, জলবায়ুবিদ্যা ও ভূপদার্থবিদ্যা সংস্থা এ বিষয়ে জানিয়েছে।

সংস্থাটির মতে, স্থানীয় সময় সকাল ৭টা ১১ মিনিটের দিকে কম্পন অনুভূত হয়। এ ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থলটি ইয়ালিমা রিজেন্সি থেকে ৬৮ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব ও ভূপৃষ্ঠ থেকে ৭৮ কিলোমিটার গভীরে অবস্থিত।

কোনো ধরনের সুনামির সতর্কতা জারি করা হয়নি। কেননা আশা করা হচ্ছে এ ভূমিকম্পের ফলে সমুদ্রে বড় ধরনের ঢেউয়ের সৃষ্টি হওয়ার আশঙ্কা নেই।

প্রাদেশিক আবহাওয়া সংস্থার জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা ক্যারোলিন সিনহুয়াকে জানিয়েছেন, প্রাথমিকভাবে কর্মকর্তারা ভূমিকম্পে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলো থেকে ক্ষয়ক্ষতি বা হতাহতের কোনো খবর পাননি।

ইন্দোনেশিয়া একটি দ্বীপপুঞ্জ। এটি ভূমিকম্পের দিক থেকে সক্রিয় ‘প্যাসিফিক রিং অব ফায়ারে‘র ওপর অবস্থিত; যা এটিকে একটি ভূমিকম্পের ঝুঁকিপূর্ণ অঞ্চলে পরিণত করেছে।


হজযাত্রীদের প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ছাড়াল

ছবি: এএফপি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের সময় তীব্র প্রবাহ ও অসহনীয় গরমে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। এই হজযাত্রীদের অর্ধেকেরও বেশি অনিবন্ধিত ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির টালিতে সৌদি হজযাত্রীদের প্রাণহানির এই সংখ্যা জানানো হয়েছে।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যাগত ওই টালি করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, হজ পালনের সময় নিহতদের তালিকায় বৃহস্পতিবার নতুন করে মিসরের আরও ৫৮ হজযাত্রীর নাম যুক্ত হয়েছে। আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন কূটনীতিক এএফপিকে বলেছেন, হজ পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো সহস্রাধিক হজযাত্রীর মধ্যে কেবল মিসরেরই নাগরিক আছেন ৬৫৮ জন।

তিনি বলেছেন, সৌদিতে মারা যাওয়া মিসরীয়দের প্রায় ৬৩০ জনই অবৈধভাবে হজ করতে গিয়েছিলেন। যে কারণে তারা প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই যাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না।

চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। বুধবারও মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি গেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তা ছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

এ ছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন— এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজের সময় পদদলন, তাঁবুতে অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় গত ৩০ বছরে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যে কারণে হজের আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদে সম্পন্ন ও হজযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে নতুন অবকাঠামো তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে সৌদি সরকার। তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চরম তাপদাহ থেকে হজযাত্রীদের রক্ষা করতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

ট্রাভেল অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালের চলতি বছরের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা তাপ প্রশমনের প্রচলিত কৌশলগুলোকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আর জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সের ২০১৯ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৌদি আরবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হজযাত্রীরা ভবিষ্যতে ‌‌‘‘চরম বিপদের’’ সম্মুখীন হবেন।

সৌদির এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রত্যেক দশকে আঞ্চলিক তাপমাত্রা গড়ে শূন্য দশমিক ৪ সেন্টিগ্রেড হারে বাড়ছে এবং প্রশমন ব্যবস্থা নেওয়ার পরও তাপদাহ পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে খারাপ আকার ধারণ করছে।


তীব্র তাপপ্রবাহে সৌদিতে ৯২২ জন হজযাত্রীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে এখন পর্যন্ত ৯২২ জন হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। নিখোঁজ হজযাত্রীদের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়রা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ছবি আপলোড করে সহায়তা চাইছেন।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের একটি সংখ্যাগত টালি করেছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ তথ্য থেকে মৃত হজযাত্রীদের এই সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানা গেছে, মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। মক্কার প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

মিসর ছাড়াও জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সৌদির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি। আর হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) বলছে, সৌদিতে এখন পর্যন্ত ৩০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ২৭ জনের তথ্য সৌদি সরকার অফিসিয়ালি ঘোষণা করেছে। বাকি তিনজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে পা রাখেন সৌদি আরবে। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই হজযাত্রীরা।

সৌদি প্রশাসন বলছে, যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন।

মক্কার বিভিন্ন হাসপাতালের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, গরমের কারণে শুধু রোববারই হিটস্ট্রোক ও বিভিন্ন তাপজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি হজযাত্রী।

গত ১৪ জুন থেকে শুরু হয় এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা। এর আগেই সৌদির হজ মন্ত্রণালয় এক বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করে জানায়, হজের সময় ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে পারে সেখানকার তাপমাত্রা। সেইসঙ্গে তীব্র এ তাপপ্রবাহ থেকে হজযাত্রীদের নিরাপদ রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপও গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি হজযাত্রী ও তাদের এজেন্সিগুলোর প্রতি জারি করে কিছু নির্দেশনাও।


ভারতে বিষাক্ত মদ পান করে ৩৪ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৪ ১৪:৫৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কাল্লাকুরচি জেলায় বিষাক্ত মদ্যপানে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও শতাধিক ব্যক্তি। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

গতকাল বুধবার তামিলনাড়ুর কাল্লাকুরচি জেলায় মদ পানে অসুস্থ হয়ে পড়েন লোকজন। এ ঘটনায় অসুস্থ ব্যক্তিরা একের পর এক মারা যেতে থাকেন। এর জেরে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে তামিলনাড়ুর রাজ্য সরকার। এতো মৃত্যু ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় ও গাফিলতির অভিযোগে কাল্লাকুরচির জেলা প্রশাসককে বদলি করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে জেলার পুলিশ সুপারকে। এছাড়াও একাধিক পুলিশ কর্মকর্তাও সাসপেন্ড হয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধ মদের দোকানে অভিযান চালিয়ে এর মালিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কয়েকশো লিটার মদ জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিন সরকার। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেন, বিষাক্ত মদ খেয়ে মানুষের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি মর্মাহত ও দুঃখিত। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না; শক্ত হাতে তা দমন করা হবে।


এবার হজে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৭৭ জন

 বেশির ভাগেরই মৃত্যু প্রচণ্ড গরমে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে এবারের হজের সময় প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহের মুখোমুখি হয়েছেন হজযাত্রীরা। খোলা আকাশের নিচে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে হজ পালনরত অবস্থায় মারা গেছেন অন্তত ৫৭৭ জন হজযাত্রী। বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে জানানো তথ্য সমন্বয় করে বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি হাজিদের মৃত্যুর এই সংখ্যাটি জানিয়েছে।

দুই আরব কূটনীতিক জানিয়েছেন, মক্কার পার্শ্ববর্তী আল-মুয়াইসেম এলাকার মর্গে ৫৫০ জন হজযাত্রীর মরদেহ রাখা হয়েছে। এটি মক্কার সবচেয়ে বড় মর্গগুলোর অন্যতম। মৃতদের মধ্যে অন্তত ৩২৩ জন মিসরের নাগরিক। তাদের বেশির ভাগই প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।

একজন কূটনীতিক জানান, মিসরের যেসব হজযাত্রী মারা গেছেন, তাদের প্রায় সবাই প্রচণ্ড গরমের কারণে অসুস্থ হয়েছিলেন। একজন সামান্য ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়েছিলেন।

কূটনীতিকরা আরও জানান, মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে জর্ডানের অন্তত ৬০ জন নাগরিক আছেন। এর আগে মঙ্গলবার জর্ডান জানিয়েছিল, এবারের হজে তাদের ৪১ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

সৌদি আরবে এবারের হজের সময় প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহের মুখোমুখি হয়েছেন হজযাত্রীরা। দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, সোমবার মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকার তাপমাত্রা ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল।

গত বছর পবিত্র হজ মৌসুমে সৌদি আরবে অন্তত ২৪০ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। তাদের বেশির ভাগ ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ছিলেন।

এ বছর হজে অংশ নেন প্রায় ১৮ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। তাদের মধ্যে ১৬ লাখই সৌদি আরবের বাইরে থেকে এসেছিলেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। মঙ্গলবার এক কূটনীতিক বার্তা সংস্থাটিকে জানায়, মিসর থেকে অসংখ্য অনিবন্ধিত হজযাত্রী এসেছিলেন। এ কারণে মৃতের সংখ্যা এত বেশি।

মিসরের হজ মিশনের দেখভাল করেন এমন এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘অনিয়মিত ও অনিবন্ধিত হজযাত্রীরা মিসরের হজ ক্যাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। তাদের কারণে সব সেবা মুখ থুবড়ে পড়ে।’

‘হজযাত্রীরা দীর্ঘসময় খাবার, পানি অথবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ছাড়া থাকতে বাধ্য হন’, যোগ করেন তিনি।

কর্মকর্তা আরও জানান, বেশির ভাগ হজযাত্রী তাপের কারণে মৃত্যুবরণ করেন, কারণ তাদের ‘আশ্রয় নেওয়ার জায়গা ছিল না।’


রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ৬

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় ছয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। গত তিন দিনে টাংআপ শহরে চালানো হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। থাইল্যান্ডভিত্তিক বার্মিজ সংবাদমাধ্যম ইরাবতির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরাবতি জানায়, গত মঙ্গলবার পাণ্ডিন দ্বীপের কানসেইক গ্রামে বিমান হামলায় দুই কিশোর ও এক নারী নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হন আরও কয়েকজন। বিমান হামলার পর ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান বহু বাসিন্দা। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এটি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সামরিক জান্তার ইচ্ছাকৃত আক্রমণ। এই হামলায় বেশ কিছু ঘরবাড়িও ধ্বংস হয়েছে। এর আগে আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের পর গত শনিবার রাতে টাংআপ শহর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে থিন কি মেকিং গ্রামে বিমান হামলা চালায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এতে দুই নারী নিহত হন।

একইদিন ইয়াওয়ার থিট কেল গ্রামে চালানো বিমান হামলায় আহত হন ১৭ বছর বয়সি এক কিশোর। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনিও। এ নিয়ে গত তিন দিনে রাখাইনে বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ছয়ে পৌঁছাল। এর আগে গত ৮ ও ১১ জুন তাংআপের উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ এবং শনিবার সকালে বিমান হামলা চালিয়েছিল জান্তা বাহিনী। শহরটিতে দুপক্ষের মধ্যে ওটাই ছিল প্রথম লড়াই। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওইদিন রাতে তাংআপ ইউনিভার্সিটির কাছে সামরিক জান্তা এবং আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জেরে পরে ব্যাপক গোলাবর্ষণ এবং বিমান হামলা চালায় জান্তা বাহিনী।


দিল্লিতে তীব্র গরম, হিটস্ট্রোকে ৫ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তীব্র গরমে গত দুই দিনে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া কমপক্ষে ১২ জন দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। সেই সঙ্গে দিল্লির অন্যান্য হাসপাতালেও হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকে।

ভারতের রাষ্ট্র-পরিচালিত হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডা. অজয় ​​শুক্লা বলেছেন, সোমবার ও মঙ্গলবার হিটস্ট্রোক করার পরে ২২ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে পাঁচজন রোগী মারা গেছেন ও ১২-১৩ জন রোগী ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন।

গত বেশ কিছুদিন ধরে ভারতের নয়া দিল্লির ওপর দিয়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা বারবার সতর্ক করে দিচ্ছেন যে হিটস্ট্রোকের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার বেশ বেশি, যা প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ। রোগীকে হাসপাতালে দেরি করে আনা হলে, মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আর এই রোগীদের বেশির ভাগই হলেন বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা।

ডা. শুক্লা বলেন, হিটস্ট্রোক সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা ছড়ানো দরকার। হাসপাতালে ছুটে যাওয়ার পরিবর্তে, তাৎক্ষণিক কীভাবে হিটস্ট্রোক করা কোনো ব্যক্তির শরীর ঠাণ্ডা করানো যায়, তা শেখাতে হবে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পানি ও বরফ ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া রোগীকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে আনা হলেও বাঁচানো যেতে পারে।

প্রায় এক মাস ধরে অবিরাম তাপপ্রবাহে ভুগছেন দিল্লির বাসিন্দারা। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে, যা স্বাভাবিকের ‍তুলনায় কয়েক ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এমন পরিস্থিতিতে গভীর নলকূপের পানিও দিনভর গরম থাকছে। এমনকি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রক (এসি) ব্যবহার করেও ঘর শীতল করা যাচ্ছে না।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ভারতের বেশির ভাগ অংশে তাপপ্রবাহের অবস্থা একই রকম থাকতে পারে। এই সময়ের পরে তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

দিল্লিভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের (সিএসই) সাসটেইনেবল হ্যাবিট্যাট প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক রজনীশ সরিন বলেছেন, দিল্লির মতো বড় শহরগুলোতে নির্মাণ ও কংক্রিটকরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কংক্রিটের ভবনগুলো দিনে তাপ শোষণ করে ও রাতে ছেড়ে দেয়। এ কারণেই বড় শহরগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়ছে।

‘এর আগে দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও রাতে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত; কিন্তু আজকাল নির্মাণকাজ বাড়তে থাকা ও সবুজ এলাকা হ্রাস পাওয়ায় সেই স্বস্তিটুকুও মিলছে না। এমনকি, এসিও বিস্ফোরিত হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, উঁচু ভবন নির্মাণও বায়ুর চলাচলে প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের উচিত, কংক্রিটের ব্যবহার হ্রাস করা।’ সূত্র: এনডিটিভি


হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন নোম চমস্কি

মার্কিন ভাষাবিদ ও অধিকারকর্মী নোম চমস্কি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মার্কিন ভাষাবিদ ও অধিকারকর্মী নোম চমস্কি। সেখান থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। এখন থেকে তার চিকিৎসা বাড়িতে চলবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, গতকাল মঙ্গলবার (১৯ জুন) ব্রাজিলের সাও পাওলোর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হন। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে অ্যাম্বুলেন্স জেটে (উড়োজাহাজ) করে ব্রাজিলে নেওয়া হয়।

চমস্কির স্ত্রী ভ্যালেরিয়ার জন্মভূমি ব্রাজিলে। যে কারণে তাকে দেখভালের জন্য ব্রাজিলে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাও পাওলোর হাসপাতালে ভর্তি থাকা ৯৫ বছর বয়সী নোম চমস্কির মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়েছিল। কিন্তু সেটি উড়িয়ে দেন ভ্যালেরিয়া চমস্কি। বার্তা সংস্থা এএফপিকে ই-মেইল করে জানান, চমস্কি ভালো আছেন। তার মৃত্যুর ব্যাপারে যে খবর ছড়িয়েছে সেটি মিথ্যা।

হাসপাতাল ভর্তি থাকা অবস্থায় গত সপ্তাহে ব্রাজিলের সংবাদপত্র ফোলহা দে এস পাওলো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে চমস্কির শারীরিক অবস্থার বর্ণনা করা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, তিনি (চমস্কি) স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তার শরীরের ডান পাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একজন নিউরোলজিস্ট, স্পিচ থেরাপিস্ট ও ফুসফুস বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসাধীন। পরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ভ্যালেরিয়া।


banner close