মঙ্গলবার, আগস্ট ৯, ২০২২

মৃত কচ্ছপ

মৃত কচ্ছপ
জাপানের সৈকতে ভেসে এলো ৩০টি মৃত সামুদ্রিক কচ্ছপ
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

জাপানের প্রত্যন্ত একটি দ্বীপের সৈকতে ভেসে এসেছে অন্তত ৩০টি মৃত সামুদ্রিক কচ্ছপ। গত বৃহস্পতিবার কুমেইজিমা নামে দ্বীপের সৈকতে এই মৃত কচ্ছপগুলো দেখতে পায় স্থানীয়রা। সোমবার ব্রিটিশ গণমাধ্যম বিবিসির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়, এ কচ্ছপগুলোর প্রায় সবগুলোর শরীরে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে স্থানীয় এক জেলে স্বীকার করেছে যে, কচ্ছপগুলোকে মাছ ধরার জাল থেকে সরানোর জন্য ধারালো কিছু দিয়ে আঘাত করা হয়েছে। স্থানীয় গণমাধ্যম মাইনিচি’র কাছে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক ওই জেলে বলে, “জালে ধরা পড়া কিছু কচ্ছপকে আমি বিচ্ছিন্ন করে সমুদ্রে ছেড়ে দিয়েছিলাম। কিন্তু আমি সবগুলোকে মুক্ত করতে পারিনি, তাই তাদের পরিত্রাণের জন্য আমি তাদের ছুরি দিয়ে আঘাত করে সরিয়েছি।"

ভয়াবহ অমানবিক এই কর্মকাণ্ডের তদন্ত পরিচালনা করছে পুলিশ। স্থানীয় গণমাধ্যমগুলো বলছে, পুলিশ গত সপ্তাহেই ঘটনাস্থলে তদন্তকারীদের মোতায়েন করেছিল, তবে কোনও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে কিনা তা স্পষ্ট নয়।

জাপানের সামুদ্রিক প্রাণী বিশারদরা দ্রুত ঘটনাস্থলে গেলেও শেষ রক্ষা হয়নি। বেশিরভাগ কচ্ছপ তখন মৃত। এ বিষয়ে জাদুঘরের একজন কর্মচারী আসাহি শিম্বুন বলেন, "আমি এর আগে এমন ভয়াবহ বিষয় আর দেখিনি।” সবুজ সামুদ্রিক কচ্ছপ জাপানি কর্তৃপক্ষ এবং বিশ্ব সংরক্ষণ গোষ্ঠীর তৈরি বিপন্ন প্রজাতির প্রাণীদের মধ্যে তালিকাভুক্ত। আর এ ধরনের নির্মম ঘটনা কচ্ছপের এই প্রজাতিটিকে আরো বিপন্ন করে তুলছে বলে জানান মেরিন বায়োলজিস্টরা।

বিশ্বব্যাপী খাদ্য-সার সংকটের ৩ কারণ, বাংলাদেশও শঙ্কার বাইরে নয়

বিশ্বব্যাপী খাদ্য-সার সংকটের ৩ কারণ,  বাংলাদেশও শঙ্কার বাইরে নয়
প্রতীকী ছবি
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

মো: ইমরানুর রহমান

বিশ্বব্যাপী খাদ্য সংকটের আশঙ্কা প্রবল হচ্ছে। এর কারণ হিসেবে তিনটি কারণ চিহ্নিত করেছে কানাডাভিত্তিক সংবাদ প্রতিষ্ঠান ভিজ্যুয়াল ক্যাপিটালিস্ট। কারণগুলো হলো- সার ঘাটতি, ইউক্রেনে রুশ আগ্রাসন এবং জলবায়ু পরিবর্তনের ফলে সৃষ্ট প্রতিকূল আবহাওয়া।

সার ঘাটতি

২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক অভিযান শুরু হলে খাদ্য-শস্য উৎপাদনের অপরিহার্য উপাদান সারের বৈশ্বিক চালান ব্যাহত হয়।

বিশ্বে নাইট্রোজেন সারের শীর্ষ রপ্তানিকারক এবং ফসফরাস ও পটাশিয়াম সার রপ্তানিতে দ্বিতীয় রাশিয়া। এ ছাড়া রাশিয়ার মিত্র বেলারুশও গুরুত্বপূর্ণ সার রপ্তানিকারক দেশ। পটাশিয়াম সারের বৈশ্বিক চাহিদার ৪০ শতাংশের বেশি রপ্তানি করে এই দুই দেশ।

রাশিয়া বছরে মোট ১ হাজার ২৫০ কোটি ডলারের সার রপ্তানি করত। প্রধান ক্রেতার তালিকায় ছিল যুক্তরাষ্ট্র, চীন, ভারত ও ব্রাজিল।

এ ছাড়া মঙ্গোলিয়া, হন্ডুরাস, ক্যামেরুন, ঘানা, সেনেগাল এবং গুয়েতেমালাসহ অনেক উন্নয়নশীল দেশ তাদের মোট সার আমদানির পাঁচ ভাগের এক ভাগ রাশিয়ার ওপর নির্ভরশীল।

ইউক্রেনে সামরিক অভিযানের প্রতিবাদে রাশিয়ার ওপর পশ্চিমারা একের পর নিষেধাজ্ঞা দিচ্ছে। এতে সংকটে পড়েছে রাশিয়া থেকে সার আমদানি করা দেশগুলো। বিপদে পড়েছে বাংলাদেশও। অন্যদিকে চীন সার রপ্তানি না করে মজুত করছে।

এমন পরিস্থিতিতে গত মাসেই কানাডার কাছে সহায়তা চেয়েছেন কৃষিমন্ত্রী আব্দুর রাজ্জাক। এক সৌজন্য সাক্ষাতে কানাডার রাষ্ট্রদূত লিলি নিকোলাসের কাছে পটাশিয়াম রপ্তানি অব্যাহত রাখতে আহ্বান জানিয়েছেন তিনি। একই সঙ্গে গ্যাসের দাম বৃদ্ধি প্রভাব ফেলেছে সার উৎপাদনে।

অন্য অনেক দেশের মতো জ্বালানি সংকটে রয়েছে বাংলাদেশও। উল্লেখ্য, গ্যাস সংকটে ২১ জুন থেকে বন্ধ রয়েছে যমুনা সার কারখানার ইউরিয়া উৎপাদন। দীর্ঘ সময় উৎপাদন বন্ধ থাকলে কারখানা কমান্ডিং এরিয়ায় সার সংকটে আগামী মৌসুমে বোরো আবাদ ব্যাহত হওয়ার শঙ্কায় আছেন ব্যবসায়ীরা। গ্যাস সংকটে চট্টগ্রাম ইউরিয়া ফার্টিলাইজার লিমিটেডের (সিইউএফএল) গ্যাস উৎপাদন গত ১৯ জুলাই বন্ধ হয়ে গেছে।

সার রপ্তানিতে দ্বিতীয় অবস্থান চীনের। বছরে দেশটি ১ হাজার কোটি বেশি ডলারের সার রপ্তানি করত। এখন বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে সার রপ্তানি না করে মজুত করছে দেশটি। ফলে সারের বৈশ্বিক সংকট বাড়ছে। ব্যাহত হচ্ছে খাদ্য উৎপাদন।

বৈশ্বিক শস্য রপ্তানি

রুশ কৃষ্ণসাগর নৌবহরের ইউক্রেনীয় বন্দরগুলো অবরোধ, রাশিয়ার ওপর পশ্চিমা নিষেধাজ্ঞা বিশ্বব্যাপী খাদ্য রপ্তানির চেনা চিত্র বদলে দিয়েছে।

বিশ্বে গমের চাহিদার এক-তৃতীয়াংশের জোগান দেয় রাশিয়া ও ইউক্রেন। গম বিশ্বের সর্বাধিক ব্যবহৃত শস্যগুলোর একটি। এছাড়া ইউক্রেন ভুট্টা, বার্লি ও সূর্যমুখী তেলের প্রধান রপ্তানিকারক দেশ। চলমান সংঘাতে দেশটির খাদ্যপণ্য রপ্তানি ব্যাহত হচ্ছে। ইউরোপের বাজারে সূর্যমুখী তেলে পাওয়া যাচ্ছে না বললেই চলে।

সাম্প্রতিক খাদ্য ঘাটতি

রাশিয়া ও ইউক্রেন বৈশ্বিক বাজারে বছরে প্রায় ৮ কোটি ৭০ লাখ টন খাদ্যশস্য জোগান দেয়। জাতিসংঘ বলছে, করোনাভাইরাস মহামারি ও জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে গত বছর প্রায় ১০০ কোটি মানুষ খাদ্যাভাবে ছিল।

সাম্প্রতিককালে তাপ, খরা ও বন্যায় উত্তর ও দক্ষিণ আমেরিকা এবং ভারতেও ফসলের ক্ষতি হয়। ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে গত বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে ব্রাজিলে খরা ও তুষারপাতে ফসল নষ্ট হওয়ায় কফির দাম ৭০ শতাংশ বেড়ে যায়।

এসব সংকটের মুখে বিশ্বব্যাংক সম্প্রতি কৃষি, পুষ্টি, সামাজিক সুরক্ষা, পানি ও সেচের মতো বিষয়গুলোয় ৩ হাজার কোটি ডলার সহায়তার ঘোষণা দিয়েছে।

খাদ্য সংকট সমাধানে জাতিসংঘ ও তুরস্কের মধ্যস্থতায় রাশিয়া ও ইউক্রেনের মধ্যে চুক্তি হয়েছে।

চুক্তির শর্ত অনুযায়ী, কৃষ্ণসাগরে অবরোধ শিথিল করবে রাশিয়া। এতে ইউক্রেন থেকে জাহাজে খাদ্য রপ্তানির পথে আর কোনো বাধা থাকবে না। চুক্তিটি পুরোপুরি বাস্তবায়নে রাশিয়া ও ইউক্রেনের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন জাতিসংঘের মহাসচিব অ্যান্তেনিও গুতেরেস। জাতিসংঘের মতে, বৈশ্বিক খাদ্য সংকট মোকাবিলায় এই চুক্তি বাস্তবায়ন অত্যন্ত জরুরি।


মন্ত্রীত্ব হারালেন পার্থ চট্টপাধ্যায়

মন্ত্রীত্ব হারালেন পার্থ চট্টপাধ্যায়
মন্ত্রীত্ব হারালেন পার্থ চট্টপাধ্যায়
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
  • পার্থর দাবী, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।’

পশ্চিমবঙ্গে শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেফতার করা হলো শিল্পমন্ত্রী পার্থ চট্টপাধ্যায়কে।  এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি) এর হেফাজতে থাকা শিল্পমন্ত্রী পার্থকে মন্ত্রিসভা থেকে সরিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ বিষয়ে বৃহস্পতিবার এক নোটিশে এই নির্দেশনামা মুখ্যমন্ত্রীর কার্যালয় নবান্ন থেকে জানানো হয়।

গ্রেফতার হওয়ার পাঁচ দিন পর বৃহস্পতিবার ক্ষমতাসীন দল তৃণমূলের শৃঙ্খলা কমিটির বৈঠকের আগেই পার্থকে বরখাস্ত করেন মমতা। কলকাতার সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, অভিযুক্ত এই নেতাকে দলে রাখা হবে কিনা, সেই বিষয়ে সিদ্ধান্ত হতে পারে বৈঠকে। রাজ্যের তিনটি মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন পার্থ। এগুলোর মধ্যে ছিল- শিল্প মন্ত্রণালয়, তথ্য-প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়। পার্থকে বরখাস্ত করায় এখন তিনটি মন্ত্রণালয় মুখ্যমন্ত্রীর নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

এদিকে শুক্রবার স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য পার্থকে আবার হাসপাতালে নেয়ার সময় মন্ত্রীত্ব ও দল থেকে সাসপেন্ডের বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে পার্থ বলেন, “আমি ষড়যন্ত্রের শিকার।’

গত ২২ জুলাই পার্থর বাড়িতে অভিযান চালায় ইডি। ওই দিন সন্ধ্যায় পার্থ-ঘনিষ্ঠ অর্পিতা চট্টোপাধ্যায়ের ফ্ল্যাট থেকে ২১ কোটি ৯০ লাখ রুপি উদ্ধার করা হয়। পরদিন গ্রেফতার করা হয় পার্থ ও অর্পিতাকে। পরে ২৭ জুলাই বেলঘরিয়ায় অর্পিতার আরেকটি ফ্ল্যাটে ফের অভিযান চালানো হয়। এদিন উদ্ধার হয় ২৭ কোটি ৯০ লাখ রুপি। সঙ্গে কয়েক কোটি রুপির সোনা। বেশ কিছু সম্পত্তির দলিল, কাগজপত্রসহ অর্পিতার টালিগঞ্জ এবং বেলঘরিয়ার ফ্ল্যাট মিলিয়ে এখন পর্যন্ত প্রায় ৫০ কোটি রুপি উদ্ধার হয়েছে। তবে এতো বিপুল পরিমাণ অর্থ নিজের ফ্ল্যাটে রয়েছে বলে কিছুই জানেনা অর্পিতা।

গ্রেপ্তারকৃত অর্পিতা ও পার্থকে ১০ দিন করে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ইডির তদন্তকারীরা বলছেন, জিজ্ঞাসাবাদে অর্পিতাকে অর্থের উৎস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে, তিনি দাবি করেন, এত টাকা ও সোনা তার নয়। তিনি বলেছেন, ‘স্যার! এত টাকা আমার বাড়িতে রাখা হয়েছিল; বিশ্বাস করুন। এত টাকার কথা আমি কিছুই জানতাম না।’

সমুদ্রে জীবন বাঁচালো ড্রোন

সমুদ্রে জীবন বাঁচালো ড্রোন
সমুদ্রে জীবন বাঁচালো ড্রোন
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

বিশ্বের বেশিরভাগ সমুদ্র তীরেই থাকে লাইফগার্ড। বিশেষ পর্যটকের ভীড় যেসব অঞ্চলে বেশি, সেখানে লাইফগার্ডদের দায়িত্বও থাকে বেশি। তবে এবার মানুষের পাশাপাশি সমুদ্রে বিপদে পড়া মানুষকে উদ্ধারের কাজে নেমেছে ড্রোন।

সাগরের প্রবল স্রোতে হাবুডুবু খাওয়া এক কিশোরের জীবন রক্ষা পেলো ড্রোনের কল্যাণে। ডুবন্ত ছেলেটির কাছে ড্রোনের মাধ্যমে লাইফ জ্যাকেট পৌঁছে দেয়ার ঘটনাটি ঘটেছে স্পেনে। সাগরে বিপদে পড়া মানুষকে বাঁচাতে অভিনব এ ড্রোন তৈরি করেছে ভ্যালেন্সিয়া ভিত্তিক একটি প্রতিষ্ঠান।

প্রবল স্রোতের কারণে প্রায় ডুবন্ত কিশোর দায়িত্বরত লাইফগার্ডদের নজরে এলেও তাদের মাঝখানে দূরত্ব ছিল অনেক। ততোক্ষণ ভেসে থাকার শক্তি ফুরিয়ে আসছিলো ছেলেটির। তখনই পাঠানো হয় ড্রোন। ড্রোন থেকে ফেলা লাইফ জ্যাকেটটি  গার্ডরা পৌঁছানো পর্যন্ত ভাসিয়ে রেখেছিল কিশোরটিকে।

এভাবে স্পেনের সমুদ্রসৈকতগুলোয় বিপদে পড়া মানুষের সহায়তায় কাজ করছে ড্রোন লাইফগার্ড সার্ভিস। জেনারেল ড্রোন নামের একটি প্রতিষ্ঠান তৈরি করে মনুষ্যবিহীন এ যান। ভ্যালেন্সিয়া ভিত্তিক প্রতিষ্ঠানটি ২০১৭ সাল থেকেই কাজ করছে স্প্যানিশ লাইফগার্ডদের সাথে।

বাল্যবন্ধুই জেলেনস্কির ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’!

বাল্যবন্ধুই জেলেনস্কির  ‘ঘরের শত্রু বিভীষণ’!
বরখাস্ত হওয়ার পর ইভান বাখানোভ ও ইরিনা ভেনেদিকতোভা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত



রাশিয়ার সঙ্গে গোপন আঁতাত করার অভিযোগে ইউক্রেনের নিরাপত্তা সংস্থা ‘এসবিইউ’র প্রধান ইভান বাখানোভকে বরখাস্ত করেছেন ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।  ইভানের আরেকটি পরিচয় হলো তিনি জেলেনস্কির বাল্যবন্ধু।  শুধু তাই নয়, একই অভিযোগে প্রসিকিউটর জেনারেল ইরিনা ভেনেদিকতোভাকেও সরিয়ে দিয়েছেন জেলেনস্কি। ইরিনা ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধাপরাধ অভিযোগের তদন্ত কার্যক্রম চালানোর নেতৃত্বে ছিলেন। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্টের দপ্তরের ওয়েবসাইটে এ কথা জানানো হয়েছে।

আল জাজিরার প্রতিবেদনে বলা হয়, এক পৃথক টেলিগ্রাম পোস্টে জেলেনস্কি বলেছেন, তিনি দুই শীর্ষ কর্মকর্তাকে বরখাস্ত করেছেন। কারণ তাদের সংস্থাগুলোর বহু সদস্য রাশিয়ার সঙ্গে হাত মিলিয়েছে। এ কারণে শীর্ষ দুই সংস্থার প্রধান ইভান ও ইরিনার প্রতি অভিযোগের  আঙুল উঠেছে। তাই তাদের সরিয়ে দেয়া হয়েছে। এতে রাশিয়ার সঙ্গে আঁতাত করলে জেলেনস্কি যে কাউকে ছাড় দেবেন না, সে মনোবৃত্তিই ফুটে উঠেছে। এদিকে বিবিসি জানিয়েছে, বরখাস্ত হওয়ার পর ইভান ও ইরিনা কোনো প্রতিক্রিয়া জানায়নি।

জেলেনস্কি বলেন, দেশের রুশ নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোতে ‘এসবিইউ’-এর প্রায় ৬০ জন সাবেক কর্মকর্তা মস্কোর হয়ে গুপ্তচরবৃত্তি করছে। সবমিলিয়ে, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর অভিযুক্ত সদস্যদের বিরুদ্ধে ৬৫১টি দেশদ্রোহের মামলা করা হয়েছে। একইভাবে, প্রসিকিউটর জেনারেলের অফিসেরও অনেকে নাকি শত্রুর হয়ে কাজ করছে। জেলেনস্কির বলেন, জাতীয় নিরাপত্তার বিরুদ্ধে এত বড় অপরাধ দুই সংস্থার প্রধানের কাজকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব বের করা হবে। জেলেনস্কি বলেন, রাশিয়ান ফেডারেশনের স্বার্থে যারা তার সঙ্গে কাজ করেছে, যারা দেশের গোপন তথ্য শত্রুদের হাতে তুলে দিয়েছে এবং রাশিয়ার স্পেশাল সার্ভিসের সঙ্গে আঁতাত করেছে, তারা অপরাধী গোষ্ঠীর অংশ। তাদেরও জবাবদিহি করার জন্য ধরা হবে।


শ্রীলংকায় জরুরি অবস্থা জারি

শ্রীলংকায় জরুরি অবস্থা জারি
শ্রীলংকায় জরুরী অবস্থা জারি
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত

চরম অর্থনৈতিক সংকট ও রাজনৈতিক-সামাজিক অস্থিরতার মধ্যে দেশজুড়ে ফের জরুরি অবস্থা জারি করেছেন শ্রীলঙ্কার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট রনিল বিক্রমাসিংহে। রোববার রাতে এক সরকারি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, বিক্রমাসিংহে জননিরাপত্তার স্বার্থে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সরবরাহ ও পরিষেবার রক্ষণাবেক্ষণের স্বার্থে এই পদেক্ষপ নিয়েছেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, সোমবার থেকেই তা কার্যকর হচ্ছে। তবে এই জরুরী অবস্থা কত দিনের জন্য বহাল থাকবে তা বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়নি।

অর্থনৈতিক সংকট নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের ক্রমাগত ঘাটতির জন্য সরকারের ব্যর্থতাকে দায়ী করে জনতা রাস্তায় নেমে আসার পর গত এপ্রিল থেকে দেশটিতে বেশ কয়েকবার জরুরি অবস্থা জারি করেছে শ্রীলঙ্কার বিপর্যস্ত নেতারা। জনগণের প্রয়োজনীয় সেবা সরবরাহ বজায় রাখা, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং জননিরাপত্তার স্বার্থে এটি যুক্তিযুক্ত, তাই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, এমনটি বলা হয়েছে সরকারি ওই নোটিশে।

গেলো শুক্রবার ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেন বিক্রমাসিংহে। তীব্র আন্দোলনের মুখে দেশটির প্রেসিডেন্ট গোটাবায়া রাজাপাকসে দেশ ছেড়ে পালিয়ে সিঙ্গাপুরে চলে যান। পরে লঙ্কান স্পিকারের কাছে পদত্যাগপত্র পাঠালে রনিলকে ভারপ্রাপ্ত প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

শ্রীলঙ্কার আন্দোলন রবিবার শততম দিন পার করেছে। অবস্থায় আগামী পাঁচ বছরের জন্য একটি স্থিতিশীল সরকার গঠনের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। নিয়ে গত শনিবার দেশটির পার্লামেন্টে বৈঠকও হয়েছে। সব দলের সমন্বয়ে একটি নির্বাচন আয়োজনের চেষ্টা চলছে।

এদিকে চলমান সংকটে ভারতের হস্তক্ষেপ চেয়ে আবেদন করেছে তামিল নাড়ু ভিত্তিক কয়েকটি রাজনৈতিক দল। এ বিষয়ে ভারত সরকার জানিয়েছে, শ্রীলংকা ইস্যুতে আগামী মঙ্গলবার সন্ধ্যায় সর্বদলীয় বৈঠক হবে। বৈঠকে ব্রিফিং করবেন কেন্দ্রীয় সরকারের মন্ত্রী নির্মলা সীতারমন . এস জয়শঙ্কর।