বুধবার, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

অধিকৃত ভূখণ্ডের পূর্ণ সুরক্ষা দেবে মস্কো: লাভরফ

রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরফ।
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২২ ০৯:১০

ইউক্রেনের যেসব অঞ্চল গণভোটে রাশিয়ার অংশ হবে তার পূর্ণ সুরক্ষা দেবে মস্কো। রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরফ গত শনিবার জাতিসংঘের অধিবেশনের পর সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তীব্রতা আরও বাড়াবে, এমনকি পারমাণবিক হামলা পর্যন্ত চালাতে পারে বলে পশ্চিমা দেশগুলোর এমন আশঙ্কার মধ্যেই শীর্ষ রুশ কূটনীতিকের এমন বক্তব্য এল।

বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, লাভরফ গত শনিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ এবং নিউইয়র্কে একটি সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন। ইউক্রেন যুদ্ধ ঘিরে এবারের সাধারণ অধিবেশনে সবার নজরের কেন্দ্রে রয়েছে রাশিয়া।

কিয়েভ ও পশ্চিমা দেশগুলোর তীব্র নিন্দা সমালোচনাকে ‍উড়িয়ে দিয়ে রুশ বাহিনীর দখলকৃত ইউক্রেনীয় ভূমি রাশিয়ার অংশ বানাতে গণভোট চলছে। লুগানস্ক, দোনেৎস্ক, জাপোরিঝিয়া ও খেরসন অঞ্চল গণভোটে রাশিয়ার অংশ হলে ইউক্রেন তার ১৫ শতাংশ ভূমি হারাবে। ইউক্রেন সরকার ও তার পশ্চিমা মিত্ররা গণভোটকে রাশিয়ার ধোঁকাবাজি বলে ক্ষোভ প্রকাশ করেছে। তাই রাশিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রীকে সেই গণভোটের সপক্ষে কথা বলতে হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ইউক্রেনে নব্য নাৎসি শাসনে যারা দীর্ঘদিন নিপীড়ন-নির্যাতনের স্বীকার হয়েছেন, গণভোটে তাদের মতামতের সম্মান দেবে রাশিয়া। পারমাণবিক অস্ত্র ব্যবহার করা হবে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে লাভরফ বলেন, রাশিয়ার সংবিধানের আওতায় নিজেদের ভূখণ্ডসহ ভবিষ্যতে সংরক্ষিত অঞ্চলগুলোও রাষ্ট্রের সম্পূর্ণ সুরক্ষার অধীনে রয়েছে। তাই সব অঞ্চলের সুরক্ষায় রাশিয়ার সব আইন, মতবাদ, ধারণা এবং কৌশলগুলো প্রযোজ্য।

যুদ্ধবিরোধী বিক্ষোভে গ্রেপ্তার ৭২৪

রাশিয়া সরকারের আংশিক সেনাসমাবেশের প্রতিবাদে যুদ্ধবিরোধীদের বিক্ষোভ অব্যাহত রয়েছে। অধিকার সংস্থা ওভিডি-ইনফো জানায়, গত শনিবার ৩২টি শহরে ৭২৪ জন বিক্ষোভকারীকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বিবিসি জানায়, রাশিয়ার আইন অনুযায়ী অনুমতি ছাড়া মিছিল করা নিষিদ্ধ। এরপরও রাশিয়ার বিভিন্ন শহরে বিক্ষোভ-সমাবেশ চলছে। ইউক্রেন যুদ্ধের জন্য রাশিয়া সরকারের তিন লাখ রিজার্ভ সেনা তলবের ঘোষণার পর এ পর্যন্ত দুই হাজারের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হলেন। বিবিসি জানায়, রির্জাভ সেনা তলবের ঘোষণার পর থেকে তরুণ-যুবকদের মধ্যে দেশ ছাড়ার হিড়িক লেগেছে। জর্জিয়া সীমান্তে ১৮ মাইল লম্বা গাড়ির সারি দেখা গেছে। তবে ক্রেমলিন এ ধরনের খবরকে ভুয়া বলে মন্তব্য করেছে। রাশিয়ার নতুন নিয়মানুযায়ী, কোনো সেনা যুদ্ধ করতে না চাইলে তাকে ১০ বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড দেয়া হতে পারে।

ইসরায়েলের অস্ত্র পাননি জেলেনস্কি

রাশিয়াকে মোকাবিলায় ইউক্রেনকে অস্ত্র দেয়নি ইসরায়েল। ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি এক সাক্ষাৎকারে বিষয়টি নিয়ে হতাশা প্রকাশ করেন। বার্তা সংস্থা রয়টার্স জানায়, যুদ্ধ শুরু হওয়ায় যুক্তরাষ্ট্রসহ পশ্চিমা দেশগুলো ইউক্রেনে অত্যাধুনিক অস্ত্র সরবরাহ করছে। এ ক্ষেত্রে পশ্চিমাদের অন্যতম প্রধান মিত্র ইসরায়েলকে পাশে পায়নি কিয়েভ। বিষয়টিতে হতবাক হয়েছেন জেলেনস্কি। ফ্রান্সের সাংবাদিকদের কাছে দেয়া সাক্ষাৎকারে জেলেনস্কি বলেন, ‘আমি জানি না ইসরায়েলের কী হয়েছে। আমি সত্যি বলছি, সত্যি বলছি, আমি হতবাক, কারণ আমি বুঝতে পারছি না কেন তারা আমাদের বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দেননি।’

রাশিয়ার উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী বরখাস্ত

ইউক্রেনে রাশিয়ার সেনাবাহিনীর ‘লজিস্টিক অপারেশন’ পরিচালনার দায়িত্বে থাকা জেনারেল দিমিত্রি বুলগাকভকে রসদ ‘সরবরাহে ব্যর্থতা’র কারণে দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে। কর্নেল জেনারেল মিখাইল মিজিনেৎসেভকে তার স্থলাভিষিক্ত করা হয়েছে। রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামের এক পোস্টে এ তথ্য জানায়।

বিবিসি জানায়, ২০০৮ সাল থেকে জেনারেল দিমিত্রি বুলগাকভ রুশ সামরিক বাহিনীর রসদ কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছেন। ২০১৫ সালে তিনি সিরিয়ায় মোতায়েন করা রুশ সেনাদের রসদ সরবরাহ পরিচালনার দায়িত্বও পালন করেছিলেন। পর্যবেক্ষকরা মনে করেছেন, ইউক্রেনে যুদ্ধে ৬৭ বছর বয়সী বুলগাকবের ক্ষমতা অনেকটা কমে গেছে। অনেকেই ইউক্রেনে রাশিয়ার সামরিক রসদ সরবরাহ ব্যবস্থার বিশৃঙ্খলার জন্য তাকে দায়ী করেন।

কঠোর শাস্তির বিধান

রুশ সেনারা স্বেচ্ছায় আত্মসমর্পণ করলে কিংবা যুদ্ধ করতে না চাইলে তাদের ১০ বছর পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে। রাশিয়া গত শনিবার কঠিন সাজার বিধান ঘোষণা করেছে। বার্তা সংস্থা এএফপি জানায়, তিন লাখ রিজার্ভ সেনা তলবের কয়েক দিনের মধ্যে রাশিয়া কঠোর শাস্তির আইন পাস করল। আগের আইন অনুযায়ী, এসব অপরাধের জন্য ৫ বছরের সাজার বিধান ছিল।

রাশিয়ার কঠোর শাস্তির আইন পাসের প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি বলেন, ‘রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জেনেশুনে তার দেশের নাগরিকদের মৃত্যুর মুখে পাঠাচ্ছেন।’ তিনি আবারও ইউক্রেনে লড়াইরত রুশ সেনাদের আত্মসমর্পণ করার আহ্বান জানান। তিনি তাদের আশ্বাস দিয়ে বলেন, আপনাদের সঙ্গে সভ্য আচরণ করা হবে। কেউ জানবে না কোন পরিস্থিতিতে আপনারা আত্মসমপর্ণ করেছেন।


পেট্রোল রপ্তানিতে রাশিয়ার নিষেধাজ্ঞা

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অভ্যন্তরীণ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় ছয় মাসের জন্য পেট্রোল রপ্তানি নিষিদ্ধ করল রাশিয়া। আগামী সপ্তাহ থেকে দেশটির এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে। মঙ্গলবার রাশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম তাস এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, বিদেশে রপ্তানিতে নিষেধাজ্ঞায় অনুমোদন দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী মিখাইল মিশুস্তিন, যা ১ মার্চ থেকে কার্যকর হবে। গত বছরের শুরুর দিকেও একই ধরনের পদক্ষেপ নিয়েছিল রাশিয়া।

রাশিয়ার অন্য একটি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, ডেপুটি প্রধানমন্ত্রী অ্যালেকজান্ডার নোভাক এক চিঠির মাধ্যমে নিষেধাজ্ঞার প্রস্তাব করেন। এতে তিনি অভ্যন্তরীণ বাজারের চাহিদার কথাও উল্লেখ করেন।

নোভাক বলেন, পেট্রোলিয়াম পণ্যের চাহিদার কথা মাথায় রেখে দাম নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া উচিত।

এদিকে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ তিন বছরে গড়িয়েছে। কবে থামবে এই রক্তক্ষয়ী যুদ্ধ তার কোনো ইঙ্গিতও মিলছে না। তবে যুদ্ধকে কেন্দ্র করে আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রাশিয়ার ওপর আরোপ করা হয়েছে নিষেধাজ্ঞা।

যুদ্ধে ৩১ হাজার ইউক্রেনীয় সেনা প্রাণ হারিয়েছেন বলে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন। তবে কতজন আহত হয়েছেন তার তথ্য দেবেন না বলে জানিয়েছেন তিনি। কারণ এটি রাশিয়ার সামরিক পরিকল্পনায় সহায়তা করতে পারে।

বিষয়:

আরও এক অপরাধে অভিযুক্ত ইমরান খান

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৯:৫৬
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঘুষ নেওয়ার দায়ে পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে অভিযুক্ত করেছেন দেশটির আদালত। একই অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন তার স্ত্রী বুশরাও।

মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে ইমরান খানের নিজ রাজনৈতিক দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই)।

পিটিআই জানিয়েছে, ঘুষ নেওয়ার নতুন অভিযোগটি করা হয়েছে আল-কাদির ট্রাস্ট নিয়ে। ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী থাকার সময় ইমরান ও তার স্ত্রী বুশরা বিবি মিলে এ ট্রাস্ট গঠন করেন।

এর আগে গত ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের নির্বাচন হয়। এই নির্বাচনের আগে আরও কয়েকটি মামলায় অভিযুক্ত ছিলেন তিনি। তিনটি মামলায় তাকে কারাদণ্ডও দেওয়া হয়। এর পরও ওই নির্বাচনে তার দলের স্বতন্ত্র প্রার্থীরা সর্বোচ্চ আসন পান।

৭১ বছর বয়সী পাকিস্তানের এই কিংবদন্তি ক্রিকেটার গত বছরের আগস্ট থেকে কারাগারে বন্দি রয়েছেন। তার বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত যেসব অভিযোগ আনা হয়েছে সবগুলোই তিনি অস্বীকার করেছেন।

বিষয়:

ইসরায়েল-হামাস যুদ্ধবিরতি শুরু আগামী সপ্তাহে: যুক্তরাষ্ট্র

আপডেটেড ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১১:২৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যথা শিগগির সম্ভব সোমবার থেকে যুদ্ধবিরতি শুরু হতে পারে। মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন এ কথা বলেছেন।

যুদ্ধবিরতির এ চুক্তিতে হামাসের কাছে আটক বেশকিছু সংখ্যক জিম্মি মুক্তির বিনিময়ে ইসরায়েলে থাকা ফিলিস্তিনী বন্দীদের ছেড়ে দেয়ার কথা রয়েছে।

ইসরায়েল ও হামাসের মধ্যে যুদ্ধবিরতির জন্যে মিসর, কাতার, যুক্তরাষ্ট্র ও ফ্রান্সসহ অন্যান্যরা প্রচেষ্টা চালিয়ে আসছে। আলোচনা এখনও চলছে।

তারা ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি এবং হামাসের কাছে থাকা ইসরায়েলী জিম্মিদের মুক্তি নিয়ে কাজ করছেন। একইসঙ্গে ইসরায়েলে আটক শত শত ফিলিস্তিনী বন্দীকেও মুক্তি দেয়া নিয়ে আলোচনা অব্যাহত রয়েছে।

যুদ্ধবিরতি চুক্তি কবে নাগাদ শুরু হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বাইডেন সোমবার বলেছেন, আমি আশা করছি আগামী সোমবার নাগাদ যুদ্ধবিরতি শুরু হবে।

তবে তিনি এও বলেছেন, আমরা চুক্তির কাছাকাছি আছি। এখনও চুক্তির কাজ সম্পন্ন হয়নি।

তবে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইসরায়েলী কর্মকর্তা আলোচনা ইতিবাচক দিকেই যাচ্ছে বলে আভাস দিয়েছেন।

কিন্তু ইসরায়েলী প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু জোর দিয়ে বলেছেন, যে কোন যুদ্ধবিরতিই গাজার দক্ষিণাঞ্চলীয় শহর রাফায় স্থল অভিযানকে বিলম্বিত করবে, কিন্তু প্রতিহত করতে পারবে না। কারণ, হামাসের বিরুদ্ধে পুরো জয়ের জন্যে সেখানে অভিযান চালানো প্রয়োজন।

এদিকে ইসরায়েল গত পাঁচ মাস ধরে গাজার সকল শহর এল্কাায় অভিযান চালিয়ে আসছে। এ প্রেক্ষিতে প্রায় ১৪ লাখ ফিলিস্তিনী এখন রাফায় আশ্রয় নিয়েছে।

নেতানিয়াহুর কার্যালয় থেকে সোমবার বলা হয়েছে, রাফা থেকে বেসামরিক ফিলিস্তিনীদের সরিয়ে নেয়ার পরিকল্পনা ইসরায়েলের সামরিক বাহিনী যুদ্ধকালীন কেবিনেটকে দেখিয়েছে।

তবে বাস্তুচ্যুত এসব লোক কোথায় যাবে তা নিয়ে কিছু বলা হয়নি।


ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রীর পদত্যাগ

ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতায়েহ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অধিকৃত পশ্চিম তীরে ইসরায়েলিদের ক্রমবর্ধমান সহিংসতা এবং গাজায় ইসরায়েলি আগ্রাসনের কারণে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন ফিলিস্তিনের প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতায়েহ। পশ্চিম তীরের কিছু অংশের শাসনকারী সরকারই ফিলিস্তিনের সরকার হিসেবে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। ফিলিস্তিনের অপর অংশ গাজা শাসন করে স্বাধীনতাকামী গোষ্ঠী হামাস। প্রধানমন্ত্রী মোহাম্মদ শতায়েহ প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আব্বাসের কাছে তার পদত্যাগপত্র জমা দিয়েছেন। খবর আল-জাজিরার।

গতকাল সোমবার প্রেসিডেন্টের কাছে জমা দেওয়া পদত্যাগপত্রে মোহাম্মদ শতায়েহ বলেন, ‘পশ্চিম তীর এবং জেরুজালেমে অভূতপূর্ব বৃদ্ধি এবং গাজা উপত্যকায় যুদ্ধ, গণহত্যা এবং অনাহারের পরিস্থিতিতে পদত্যাগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘আমি দেখতে পাচ্ছি যে পরবর্তী পর্যায় এবং এর চ্যালেঞ্জগুলোর জন্য নতুন সরকারি ও রাজনৈতিক ব্যবস্থার প্রয়োজন, যা গাজার নতুন বাস্তবতাকে বিবেচনা করে এবং ফিলিস্তিনি ঐক্যের ওপর ভিত্তি করে সবার ঐকমত্যের প্রয়োজন।’

ফিলিস্তিনি কর্তৃপক্ষকে নাড়াতে এবং যুদ্ধের পর একটি ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রকে শাসন করতে পারে এমন একটি রাজনৈতিক কাঠামোয় কাজ শুরু করার জন্য মাহমুদ আব্বাসের ওপর মার্কিন চাপ বাড়ার পর এমন মন্তব্য করলেন শতায়েহ।

ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় দখলদার ইসরায়েলের নির্বিচারে হামলায় নিহতের সংখ্যা ২৯ হাজার ৬৯২ জনে পৌঁছেছে। রোববার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় এই তথ্য জানিয়েছে। এদিকে কাতারে আলোচনা চালিয়ে যেতে চায় ইসরায়েল। রোববার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় ইসরায়েলের আক্রমণ অব্যাহত থাকায় গত ২৪ ঘণ্টায় অন্তত ৮৬ ফিলিস্তিনি নিহত এবং ১৩১ জন আহত হয়েছেন।

মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, ‘ইসরায়েলি দখলদারিত্ব গাজা উপত্যকায় পরিবারের বিরুদ্ধে সাতটি গণহত্যা করেছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ৮৬ জন শহীদ ও ১৩১ জন আহত হয়েছে।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, ‘অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে এবং রাস্তায় আটকা পড়ে আছে, কারণ উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না।’

এদিকে, জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস বলেছেন, রাফাহতে একটি পূর্ণ মাত্রায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান গাজায় মানবিক সহায়তা কর্মসূচির চূড়ান্ত মৃত্যু ঘটাবে। যেখানে বর্তমান ‘সম্পূর্ণভাবে অপর্যাপ্ত’ সহায়তাও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে বলেও তিনি সতর্ক করেন।

জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সামনে বক্তৃতাকালে গুতেরেস বলেন, গাজার দক্ষিণতম শহরে সর্বাত্মক আক্রমণ ‘সেখানে আশ্রয় নেওয়া এক মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকের জন্য কেবল ভয়ঙ্করই হবে না; এটি আমাদের সাহায্য কর্মসূচির কফিনেও চূড়ান্ত পেরেক ঠুকে দেবে।’


গাজায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯,৭৮২ জনে

ফাইল ছবি
আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৫১
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গাজা উপত্যকার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সোমবার বলেছে, ফিলিস্তিনি যোদ্ধা এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধে অবরুদ্ধ এ উপত্যকায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২৯ হাজার ৭৮২ জন নিহত হয়েছে। খবর এএফপির।

মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৯০ জন নিহত হওয়ায় এ সংখ্যা বেড়ে মোট ২৯,৭৮২ জনে দাঁড়ালো।

এদিকে গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট ৭০ হাজার ৪৩ জন আহত হয়েছে।


রাফাহতে হামলা গাজায় সাহায্যের ‘কফিনে চূড়ান্ত পেরেক’ : জাতিসংঘ প্রধান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাফাহতে একটি পূর্ণ মাত্রায় ইসরায়েলি সামরিক অভিযান গাজায় মানবিক সহায়তা কর্মসূচির চূড়ান্ত মৃত্যু ঘটাবে। যেখানে বর্তমান ‘সম্পূর্ণভাবে অপর্যাপ্ত’ সহায়তাও পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যাবে।

সোমবার জাতিসংঘের প্রধান সতর্ক করে দিয়ে এ কথা বলেছেন।

জেনেভায় জাতিসংঘের মানবাধিকার কাউন্সিলের সামনে বক্তৃতাকালে আন্তোনিও গুতেরেস বলেন, গাজার দক্ষিণতম শহরে সর্বাত্মক আক্রমণ ‘সেখানে আশ্রয় নেওয়া এক মিলিয়নেরও বেশি ফিলিস্তিনি বেসামরিক নাগরিকের জন্য কেবল ভয়ঙ্করই হবে না; এটি আমাদের সাহায্য কর্মসূচির কফিনেও চূড়ান্ত পেরেক ঠুকে দেবে।’


ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসের বাইরে নিজের শরীরে আগুন দিয়েছেন মার্কিন বিমানকর্মী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৩:৩৮
বাসস

গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে মার্কিন বিমান বাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য রোববার ওয়াশিংটনে ইসরায়েলি দূতাবাসের বাইরে নিজের শরীরে অগ্নিসংযোগ করেছেন। কর্মকর্তাদের বরাতে মিডিয়া রিপোর্টে বলা হয়, ‘তিনি গাজা যুদ্ধের প্রতিবাদে নিজের শরীরে অগ্নিসংযোগ করছেন।’

সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ ‘ইসরায়েলি দূতাবাসের বাইরে আগুন লাগার একটি বার্তা’ পেয়ে রাজধানীর ফায়ার ডিপার্টমেন্টের সদস্যরা জরুরি প্রতিক্রিয়ায় দুপুর ১টার দিকে (১৮০০ জিএমটি) আগে ঘটনাস্থলে ছুটে আসেন। এসে দেখেন সিক্রেট সার্ভিসের অফিসাররা ইতিমধ্যেই আগুন নিভিয়ে ফেলেছেন এবং তারা মার্কিন রাজনৈতিক নেতা, সফররত রাষ্ট্রপ্রধান এবং অন্যান্যদের নিরাপত্তার উদ্যোগ নিয়েছেন।

ফায়ার ডিপার্টমেন্ট বলেছে, ‘লোকটিকে গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।’

বিমান বাহিনীর একজন মুখপাত্র এএফপিকে নিশ্চিত করেছেন, তিনি বিমান বাহিনীর একজন সক্রিয় সদস্য ছিলেন, তবে এ সম্পর্কে কোনো বিবরণ দেননি।

ইসরায়েলি দূতাবাসের একজন মুখপাত্র বলেছেন, ‘এই ঘটনায় কোনো কর্মী আহত হয়নি এবং ওই ব্যক্তি তাদের কাছে অজানা ছিলেন।’

ইউএস মিডিয়া জানিয়েছে, ইউনিফর্ম পরিহিত লোকটি এ সময় সামাজিক মাধ্যমে সরাসরি অগ্নিসংযোগ সম্প্রচার করেছে এবং ঘোষণা করেছেন, ‘তিনি ফিলিস্তিনি গণহত্যায় জড়িত হবেন না।’

‘ফিলিস্তিন মুক্ত করুন!’ বলে চিৎকার করতে করতে তিনি নিজের শরীরে আগুন জ্বালিয়ে দেন, যতক্ষণ না তিনি মাটিতে পড়ে যান।


রাশিয়ার সঙ্গে যুদ্ধে ইউক্রেনের ৩১ হাজার সেনা নিহত

জেলেনস্কি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাশিয়ার সঙ্গে গত দুই বছর ধরে চলা যুদ্ধে ইউক্রেনের ৩১ হাজার সেনা নিহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি।

ইউক্রেনে রাশিয়ার হামলার দ্বিতীয় বার্ষিকীর পরের দিন রোববার কিয়েভে ‘ইউক্রেন. ইয়ার ২০২৪’ ফোরামে দেয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান। খবর আল জাজিরার।

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের নির্দেশে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি ইউক্রেনে বিশেষ সামরিক অভিযান শুরু করেন রুশ সেনারা। এ যুদ্ধে উভয় পক্ষেরই অনেক প্রাণহানিসহ ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

জেলেনস্কি বলেন, প্রতিটি মৃত্যুই ইউক্রেনের জন্য মহান আত্মত্যাগ।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘রাশিয়ার দখলকৃত ভূখণ্ডগুলোতে হাজারো বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। যুদ্ধ শেষ হওয়ার আগ পর্যন্ত এ সংক্রান্ত সুনির্দিষ্ট কোনো সংখ্যা পাওয়া যাবে না।’

ইউরোপের দ্বিতীয় বৃহত্তম দেশটিতে পূর্ণমাত্রায় রুশ হামলা শুরুর পর প্রথমবারের মতো নিহত সেনার সংখ্যা জানাল ইউক্রেন।

যুদ্ধে নিহত সেনার সংখ্যা নিয়ে রাশিয়াও আনুষ্ঠানিকভাবে খুব কম তথ্য দিয়েছে।

দেশটির স্বাধীন সংবাদমাধ্যম মিডিয়াজোনা শনিবার জানায়, ২০২২ ও ২০২৩ সালে ইউক্রেনের সঙ্গে যুদ্ধে নিহত হন ৭৫ হাজার রুশ নাগরিক।


মারা গেলেন চীনের সাবেক সেরা ধনী জং কিংহো

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

চীনের সাবেক ধনী জং কিংহো রোববার মারা গেছেন। তার কোম্পানি একথা জানিয়েছে। তার বয়স হয়েছিল ৭৯ বছর। কিংহোর শীর্ষস্থানীয় কোমল পানীয় সংস্থা তাকে একসময় দেশের সবচেয়ে ধনী ব্যক্তি বানিয়েছিল।

কিংহো ছিলেন ওয়াহাহা গ্রুপের প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠানের ছিল বোতলজাত পানি, কোমল পানীয়, চা এবং অন্যান্য পণ্যে।

প্রতিষ্ঠানটি তার ওয়েইবো সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে একটি শোক বার্তায় বলেছে, ‘অসুস্থতার শোক বার্তায় বলা হয়েছে, পূর্বাঞ্চলীয় শহর হ্যাংজুতে কোম্পানির অফিসে বুধবার জং-এর জন্য স্মরণ সভা অনুষ্ঠিত হবে।

রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম চলতি সপ্তাহে জানিয়েছে, জং হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছেন কিন্তু তিনি কী রোগে আক্রান্ত ছিলেন তার কোনো উল্লেখ করা হয়নি।

জং শুধুমাত্র তার ৪০-এর দশকে ব্যবসায় নেমেছিলেন। শিশুদের কাছে কোমল পানীয় বিক্রি করতো এবং কথিত আছে যে, নগদ অর্থের এত অভাব ছিল যে তিনি বেইজিংয়ের একটি সেতুর নীচে শুয়েছিলেন। কারণ, তার হোটেলে থাকার সামর্থ্য ছিল না।

তিনি ১৯৮৭ সালে ওয়াহাহা প্রতিষ্ঠা করেন এবং এটিকে একটি পানীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে গড়ে তোলেন। যার পানীয়গুলো চীন জুড়ে দোকান এবং সুপারমলে বিক্রি হতো।

২০১০ সালে জং ফোর্বস ম্যাগাজিন দ্বারা চীনের সবচেয়ে সেরা ধনী ব্যক্তি হিসেবে তালিকাভুক্ত হয়েছিলেন। তার সম্পদের মূল্য ৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার।

টাইকুন এর আগে বিনিয়োগ বাড়ানোর কৌশল হিসেবে ট্যাক্স কমানোর জন্য সমর্থন জানিয়েছিলেন কিংহো। ২০১৩ সালে সাংবাদিকদের তিনি বলেছিলেন, চীনের ক্রমবর্ধমান সম্পদ বৈষম্য কোনো সমস্যা নয়।

সেই সময়ে জং বলেছিলেন, ‘সম্পদ সৃষ্টিতে মানুষকে উৎসাহিত করাই উত্তম।’

বিষয়:

মিয়ানমারে রোহিঙ্গাদের জোর করে সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দিচ্ছে জান্তা সরকার

মিয়ানমারে পুরুষদের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মিয়ানমারের রোহিঙ্গা পুরুষদের জোরপূর্বক সামরিক বাহিনীতে নিয়োগ দিচ্ছে জান্তা সরকার। সেনাবাহিনীতে যোগ দেওয়া রোহিঙ্গা পুরুষদের নাগরিকত্বের একটি পরিচয়পত্র, জনপ্রতি এক বস্তা চাল এবং মাসিক ১ লাখ ১৫ হাজার কিয়াট বেতন দেওয়ারও প্রস্তাব দিয়েছে তারা।

মিয়ানমারের সংবাদমাধ্যম ইরাবতী এসব তথ্য জানিয়েছে। ইরাবতী জানায়, বিভিন্ন গ্রাম ও শরণার্থীশিবির থেকে অন্তত ৪০০ রোহিঙ্গা পুরুষকে ধরে নিয়ে তাদের দুই সপ্তাহের সামরিক প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে। জান্তা বাহিনী তাদের মানবঢাল হিসেবে ব্যবহার করবে বলে আশঙ্কা করছেন গ্রামবাসী ও রাখাইনের অধিকারকর্মীরা। গত ১০ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমারের ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সি সব নারী-পুরুষের সামরিক বাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে জান্তা সরকার। এর পরই ১৮ থেকে ৩৫ বছর বয়সি পুরুষদের তালিকা তৈরির জন্য বুথিডং, মংডু এবং সিত্তের গ্রাম প্রশাসক ও রোহিঙ্গা নেতাদের চাপ দিচ্ছে জান্তা বাহিনী।

এদিকে মিয়ানমারের গণমাধ্যম নারিনজার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের অস্ত্র হাতে নেওয়ার অনুরোধ জানায় জান্তা সরকার। তবে আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে অস্ত্র হাতে নিতে মিয়ানমারের জান্তা সরকারের আহ্বানকে প্রতারণা বলে মনে করছেন রোহিঙ্গারা। তারা বলছেন, রোহিঙ্গাদের নাগরিকত্ব না দেওয়া, সব সুযোগ-সুবিধা কেড়ে নেওয়া জান্তা সরকারের আহ্বানে সাড়া দেওয়ার প্রশ্নই ওঠে না।

আরাকান রোহিঙ্গা সোসাইটি ফর পিস অ্যান্ড হিউম্যান রাইটসের বর্তমান চেয়ারম্যান মো. জোবায়ের। নিজেদের জনগোষ্ঠীর অধিকার এবং প্রত্যাবাসন নিয়ে বেশ সোচ্চার তিনি। মিয়ানমারে চলমান গৃহযুদ্ধের কারণে রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন অনেকটা অনিশ্চিত বলে মনে করছেন রোহিঙ্গাদের এই নেতা।

মো. জোবায়ের বলেন, ‘এখন তারা (জান্তা) আরেকটা নতুন খেলা এনেছে। আমাদের আকিয়াবের মুসলমান রোহিঙ্গা কমিউনিটিকে জান্তার পক্ষে বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। তা না হলে রোহিঙ্গাদের সরাসরি গিয়ে মারতে বেশি সমস্যা সৃষ্টি হচ্ছে। কারণ সাধারণ নাগরিকদের মারলে পৃথিবী জান্তাকে খারাপ বলবে। রোহিঙ্গারা হাতে হাতিয়ার তুলে নিলে তাদের সুবিধা হবে। কয়েকজন যারা আছে তারাও বাংলাদেশে পালিয়ে যাবে। এটা হচ্ছে তাদের নতুন খেলা।’

মিয়ানমারের চলমান গৃহযুদ্ধে দেশটির বেশির ভাগ অঞ্চল দখলে নেয় আরাকান আর্মি। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে বাংলাদেশে আশ্রয় নিয়েছিল দেশটির বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) সদস্যসহ ৩৩০ জন। বিপর্যস্ত মিয়ানমারকে শক্তিশালী করতে জান্তা সরকার দেশের সব যুবক-যুবতীর সেনাবাহিনীতে যোগদান বাধ্যতামূলক করেছে। এর পরপরই জান্তা সরকারের পক্ষ হয়ে বিদ্রোহী আরাকান আর্মির বিরুদ্ধে রোহিঙ্গাদের লড়াই করার আহ্বান জানানো হয়।


কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই ফিলিস্তিনিদের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকার রাফায় বিমান হামলা শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী। মিসরের সীমান্তবর্তী রাফা এলাকায় ইসরায়েলি হামলায় হতাহতের আশঙ্কা করা হচ্ছে। এত দিন রাফাকে নিরাপদ মনে করা হলেও এখন পরিস্থিতি ভয়াবহ হয়ে উঠছে। গাজার বিভিন্ন জায়গা থেকে বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা রাফায় আশ্রয় নিয়েছিল। এদিকে গাজার দেইর এল-বালাহ অঞ্চলে একটি ভবনে হামলা চালিয়েছে ইসরায়েলি বাহিনী। এতে অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। বাস্তুচ্যুত ফিলিস্তিনিরা সেখানে আশ্রয় নিয়েছিল।

৭ অক্টোবরের পর থেকে ইসরায়েলের হামালায় গাজায় ২৯ হাজার ৬০৬ জনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আহত হয়েছেন ৬৯ হাজার ৭৩৭ জন। তা ছাড়া যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন একটি পরিকল্পনা প্রকাশ করেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বৃহস্পতিবার যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার কাছে এ পরিকল্পনা উত্থাপন করেন তিনি।

নেতানিয়াহুর ওই প্রস্তাবে বলা হয়েছে, যত দিন পর্যন্ত হামাস ও ইসলামিক জিহাদের সামরিক সক্ষমতা নির্মূল এবং সব জিম্মিকে ফিরিয়ে আনাসহ অন্যান্য লক্ষ্য অর্জিত না হবে, তত দিন গাজায় যুদ্ধ চলবে। যুদ্ধ শেষে স্থানীয় যেসব কর্মকর্তার সঙ্গে কথিত সন্ত্রাসবাদ সমর্থনকারী দেশ ও গোষ্ঠীর কোনো সম্পর্ক থাকবে না, তারা গাজা পরিচালনা করবেন। তবে ফিলিস্তিন কর্তৃপক্ষকে (পিএ) এতে রাখা হবে কি না, তা এ পরিকল্পনায় স্পষ্ট করা হয়নি।

তবে গাজা উপত্যকার ভবিষ্যৎ নিয়ে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী যে পরিকল্পনা সামনে এনেছেন, তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফিলিস্তিন। ফিলিস্তিনের প্রেসিডেন্টের কার্যালয় সূত্রে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহু যে প্রস্তাব দিয়েছেন, তাতে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে ইসরায়েলের দখলদারিত্ব অব্যাহত থাকবে ও এর মাধ্যমে স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব নয়।

গাজায় শিশু ও নারীর মৃত্যু ৬ গুণ

৭ অক্টোবরের পর থেকে গত সাড়ে চার মাসে ইসরায়েলের একটানা আক্রমণে গাজায় নারী ও শিশুদের মৃত্যুর সংখ্যা দুই বছর ধরে চলমান রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নারী ও শিশুদের মৃত্যুর ছয় গুণ ছাড়িয়ে গেছে। এই পরিসংখ্যান গাজা অঞ্চলে ইসরায়েলের মারাত্মক বর্বরতার বহির্প্রকাশ। এক প্রতিবেদনে এই তথ্য প্রকাশ করেছে তুর্কি সংবাদ সংস্থা আনাদোলু এজেন্সি।

আনাদোলু ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে রাশিয়ান-ইউক্রেনীয় যুদ্ধে বেসামরিক হতাহতের সংখ্যা এবং ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় ইসরায়েলের যুদ্ধে নারী ও শিশুদের মৃত্যুর পরিসংখ্যান তুলনা করেছে। ইসরায়েল প্রায় ২৩ লাখ ফিলিস্তিনির আবাসস্থলে আকাশ, স্থল এবং সমুদ্র থেকে নিরবচ্ছিন্নভাবে বোমাবর্ষণ করছে। ফিলিস্তিনি সূত্রমতে, গাজায় হামলায় ৬৬ হাজার টনেরও বেশি বিস্ফোরক ব্যবহার করেছে ইসরায়েল। যা প্রতি বর্গকিলোমিটারে গড়ে প্রায় ১৮৩ টন। এই আগ্রাসনে ১৯ লাখ ফিলিস্তিনি গৃহহীন হয়েছে।

জাতিসংঘ ইতিমধ্যে সতর্ক করেছে, ইসরায়েলের তীব্র আক্রমণে গাজা উপত্যকায় ২২ লাখ মানুষ দুর্ভিক্ষের সম্মুখীন হচ্ছে। ফিলিস্তিনিরা আক্রমণ থেকে বাঁচার জন্য সংগ্রাম করছে। এই অঞ্চলে সাহায্য আনার ক্ষেত্রে তেল আবিবের বাধার কারণেও ক্ষুধার সম্মুখীন হচ্ছে। উত্তর গাজার ফিলিস্তিনিরা পশুখাদ্য পিষে ময়দা তৈরি করতে বাধ্য হচ্ছে।

অন্যদিকে ইউএন হিউম্যান রাইটস মনিটরিং মিশন (এইচআরএমএমইউ) অনুসারে, রাশিয়ার আগ্রাসনে ইউক্রেনে ২০২২ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে ৫৭৯ শিশু এবং ২ হাজার ৯৯২ জন নারীসহ মোট ১০ হাজার ৩৭৮ জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন ১৯ হাজার ৬৩২ জন। এর মধ্যে মোট ৮ হাজার ৯৫টি মৃত্যুর ঘটনা ঘটেছে ইউক্রেনের ভূখণ্ডে এবং ২ হাজার ২৮৩টি রাশিয়ার দখলকৃত অঞ্চলে। এইচআরএমএমইউ ধারণা করছে, মৃতের সংখ্যা আরও কিছু বেশি হতে পারে। এই পরিসংখ্যানে দেখা যায়, গাজায় সাড়ে চার মাসে ইসরায়েলের হাতে নিহত নারী ও শিশুর সংখ্যা দুই বছরে রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে নিহত নারী ও শিশুর সংখ্যার প্রায় ছয় গুণ ছাড়িয়ে গেছে।

কোথাও যাওয়ার জায়গা নেই ফিলিস্তিনিদের

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে, হামলার কারণে লক্ষাধিক ইউক্রেনীয় নাগরিক, যাদের বেশির ভাগই নারী ও শিশু, দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে এবং প্রতিবেশী দেশগুলোতে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছে। ইউক্রেনকে সমর্থনকারী ইউরোপীয় দেশগুলো ইউক্রেনের বেসামরিক নাগরিকদের স্বাগতও জানিয়েছে। কিন্তু গাজার ২৩ লাখ ফিলিস্তিনি ২০০৭ সাল থেকে ইসরায়েলি স্থল, আকাশ ও সমুদ্র অবরোধের অধীনে মাত্র ৩৬০ বর্গ কিলোমিটার (১৩৯ বর্গ মাইল) এলাকায় আটকা পড়ে আছে। হামলার কারণে গাজায় ফিলিস্তিনিদের আশ্রয় নেওয়ার কোনো নিরাপদ জায়গাও নেই।

উত্তর, মধ্য এবং দক্ষিণ গাজায় ইসরায়েলি আক্রমণের কারণে প্রায় ১৫ লাখ ফিলিস্তিনি রাফাহ শহরের ৬৪ বর্গকিলোমিটার এলাকায় আশ্রয় নিয়েছিল। সেখানেও আক্রমণ শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।


রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দুই বছর পেরোলো, ভবিষ্যৎ কী?

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে বিধ্বস্ত স্থাপনার পাশ দিয়ে হেঁটে যাচ্ছেন সেনারা। ফাইল ছবি: এএফপি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের দুই বছর পেরিয়ে গেল। তবে সহসাই এ যুদ্ধ থামবে এমন কোনো লক্ষণ এখনো দেখা যাচ্ছে না। না ইউক্রেন, না রাশিয়া, না তাদের কোনো মিত্র, কারও পক্ষ থেকেই শান্তি প্রতিষ্ঠার কোনো চিহ্ন নেই। কিয়েভ এ ব্যাপারে একরোখা যে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত তাদের যে সীমানা রয়েছে, রাশিয়ান সেনাদের হটিয়ে তা রক্ষিত রাখতে হবে। অন্যদিকে, ইউক্রেনকে যথাযথ রাষ্ট্র নয় দাবি করে লক্ষ্য অর্জন না হওয়া পর্যন্ত সামরিক অভিযান চালিয়ে যেতে চায় রাশিয়া।

রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে জিতছে কে?

তীব্র মুখোমুখি লড়াইয়ে দুই পক্ষেরই বেশ প্রাণহানির ঘটনা ঘটেছে। যুদ্ধের ফ্রন্টলাইন প্রায় ১০০০ কিলোমিটার জুড়ে ও ২০২২ সালের শরতের পর থেকে এই এলাকায় খুব একটা পরিবর্তন আসেনি। দুই বছর আগে রাশিয়ার পুরো মাত্রার সামরিক অভিযান শুরুর কয়েক মাসের মধ্যেই ইউক্রেনীয়রা রাশিয়ান সেনাদের রাজধানী কিয়েভ ও উত্তরাঞ্চল থেকে হটিয়ে দিতে সক্ষম হয়। ওই বছরের শেষদিকে তারা পূর্ব ও দক্ষিণাঞ্চলেও দখল করা বড় এলাকা উদ্ধার করে; কিন্তু এই মুহূর্তে রাশিয়া শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তুলেছে, আর ইউক্রেনীয়রা বলছে যে তাদের গোলাবারুদ ফুরিয়ে আসছে।

ফেব্রুয়ারির মাঝামাঝিতে দীর্ঘদিন ধরে লড়াই চলা পূর্বাঞ্চলের আভডিভকা শহর থেকে নিজেদের সেনাদের সরিয়ে নেয় ইউক্রেন। যেটাকে একটা বড় বিজয় হিসেবে দেখছে রাশিয়া। কৌশলগতভাবে আভডিভকা শহরটি আরও ভেতরে অভিযানের পথ খুলে দিতে পারে।

কিয়েভ জানায়, তারা সেনাদের জীবন রক্ষা করতেই তাদের সেখান থেকে সরিয়ে নিয়েছে। তা ছাড়া তাদের অস্ত্র ও সেনার সংখ্যা যে সেখানে অনেক কম ছিল সেটাও তারা লুকায়নি। গত বছরের মে মাসে বাখমুত দখলের পর এটাই ছিল রাশিয়ার সবচেয়ে বড় বিজয়; কিন্তু আভডিভকা উত্তর-পশ্চিমের দোনেৎস্ক থেকে মাত্র ২০ কিলোমিটার দূরে, ইউক্রেনের যে শহরটি ২০১৪ সাল থেকেই রাশিয়ার দখলে রয়েছে।

ইউক্রেনের পক্ষে সমর্থন কি কমে আসছে?

গত দুই বছর ধরে মিত্ররা ইউক্রেনকে প্রচুর পরিমাণ সামরিক, আর্থিক ও মানবিক সাহায্য দিয়ে আসছে। কিয়েল ইনস্টিটিউট ফর দ্য ওয়ার্ল্ড ইকোনমির হিসাবে, ২০২৪ সালের জানুয়ারি পর্যন্ত প্রায় ৯২ বিলিয়ন বা ৯ হাজার ২০০ কোটি ডলার এসেছে ইউরোপীয় ইউনিয়নের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান থেকে। আর ৭৩ বিলিয়ন বা ৭ হাজার ৩০০ কোটি ডলার দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। পশ্চিমাদের সরবরাহ করা ট্যাঙ্ক, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ও দূরপাল্লার আর্টিলারি ইউক্রেনকে যুদ্ধ চালিয়ে যেতে ব্যাপকভাবে সাহায্য করেছে; কিন্তু সাম্প্রতিক মাসগুলোতে সহায়তার পরিমাণ অনেক কমে গেছে ও ইউক্রেনকে আদতে কত দিন তাদের মিত্ররা সহায়তা চালিয়ে যেতে পারবে, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

এদিকে এই মুহূর্তে ইউক্রেনের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রও চাপের মধ্যে রয়েছে। সামনেই দেশটির প্রেসিডেন্ট নির্বাচন। তার আগে ইউক্রেনের জন্য বাইডেন সরকারের নতুন ৬০ বিলিয়ন বা ৬ হাজার কোটি ডলারের সহায়তা প্যাকেজ ঘরোয়া রাজনীতির মারপ্যাঁচে পড়ে কংগ্রেসে আটকে রয়েছে। আর ইউক্রেনের সমর্থকদের মধ্যে শঙ্কা ভর করেছে যে যদি নভেম্বরের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডোনাল্ড ট্রাম্প জিতে যান, তাহলে যুক্তরাষ্ট্রের সহায়তা থমকে যাবে।

এদিকে, ইউরোপীয় ইউনিয়ন ফেব্রুয়ারিতে নানা আলোচনা ও হাঙ্গেরির সঙ্গে দর কষাকষির পর ৫৪ বিলিয়ন বা ৫ হাজার ৪০০ কোটি ডলার মূল্যের সহায়তার অনুমোদন দিয়েছে। এ ছাড়া ইইউ মার্চের মধ্যে ইউক্রেনকে যে পরিমাণ আর্টিলারি সরবরাহ করতে চেয়েছে, তার অর্ধেক দিতে পারবে। রাশিয়ার সহযোগী দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে প্রতিবেশী বেলারুশ, যাদের বিভিন্ন এলাকা ও আকাশপথ ব্যবহার করে ইউক্রেনে প্রবেশ করছে রুশ সেনারা। যুক্তরাষ্ট্র ও ইইউ বলছে, ইরান রাশিয়াকে শাহেদ ড্রোন সরবরাহ করছে। যুদ্ধ শুরুর আগে রাশিয়াকে অল্প কিছু ড্রোন দিয়েছে বলে স্বীকার করেছিল ইরান।

আবার পশ্চিমা দেশগুলো যেভাবে চেয়েছিল, তাদের দেওয়া নিষেধাজ্ঞার বহর রাশিয়ার ওপর সেভাবে কাজ করেনি। রাশিয়া এখনো যেমন তেল বিক্রি করতে সমর্থ হচ্ছে, তেমনি তাদের সামরিক শিল্পের জন্য প্রয়োজনীয় যন্ত্রপাতিও অন্য দেশ থেকে আনতে পারছে।

রাশিয়ার লক্ষ্য কি বদলে গেছে?

এখনো বেশির ভাগের বিশ্বাস যে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন পুরো ইউক্রেন পেতে চান। যুক্তরাষ্ট্রের টক শো উপস্থাপক টাকার কার্লসনের সঙ্গে সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এ ব্যাপারে তার মতামত তুলে ধরেন। তার দাবি, ইউক্রেনের সাধারণ জনগণ, বিশেষ করে, পূর্বে দনবাস অঞ্চলের মানুষ রাশিয়ার শাসনে থাকতে চায়। যুদ্ধের আগে পুতিন একটি দীর্ঘ নিবন্ধ লেখেন, যেখানে তিনি ইউক্রেনের সার্বভৌমত্ব অস্বীকার করে বলেন, রাশিয়ান ও ইউক্রেনিয়ানরা আসলে একই জনগোষ্ঠী।


গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯,৬০৬ জনে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গাজায় ইসরাইলি হামলায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৬০৬ জনে। গাজা উপত্যকার হামাস পরিচালিত স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় শনিবার এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপির।

প্রতিবেদনে বলা হয়, ফিলিস্তিনি যোদ্ধা এবং ইসরাইলি বাহিনীর মধ্যে যুদ্ধে অবরুদ্ধ এ উপত্যকায় এ পর্যন্ত কমপক্ষে ২৯ হাজার ৬০৬ জন নিহত হয়েছে।

মন্ত্রণালয়টির এক বিবৃতিতে বলা হয়, গত ২৪ ঘণ্টায় গাজায় ইসরাইলি হামলায় ৯২ জন নিহত হওয়ায় এ সংখ্যা বেড়ে মোট ২৯ হাজার ৬০৬ জনে দাঁড়াল।

এদিকে গত ৭ অক্টোবর যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর থেকে গাজায় মোট ৬৯,৭৩৭ জন আহত হয়েছে।


banner close