মঙ্গলবার, ১৬ জুলাই ২০২৪

সম্পর্ক ‘মেরামতে’ সৌদি আরবে ব্লিংকেন

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন গতকাল জেদ্দায় সৌদিতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেন।
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৭ জুন, ২০২৩ ২১:১৮

গত কয়েক বছর ধরেই নানা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সৌদি আরবের মতবিরোধ চলছে। সেসব বৈরী মনোভাব মিটিয়ে দুই দেশের সম্পর্ক চলমান অবস্থা থেকে উন্নত করতে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী অ্যান্টনি ব্লিংকেন সৌদি আরব গেছেন।

এএফপি জানায়, ব্লিংকেন লোহিত সাগর তীরবর্তী শহর জেদ্দায় গত মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অবতরণ করেন। উপসাগরীয় সহযোগিতা পরিষদে যোগ দিতে গতকাল বুধবার তিনি রিয়াদে পৌঁছান।

ব্লিংকেন জেদ্দায় সৌদিতে যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমানের সঙ্গে বৈঠক করেছেন। ১ ঘণ্টার ৪০ মিনিটের বৈঠকে ব্লিংকেন সাধারণ ও নির্দিষ্ট উভয় ক্ষেত্রেই মানবাধিকারের বিষয়টি তুলে ধরেন বলে মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

মার্কিন পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বৈঠকে মূলত আর্থিক সহযোগিতা, ক্লিন এনার্জি ও প্রযুক্তিগত বিষয়ে নিয়ে কথা হয়েছে। জানা গেছে, বৈঠকে সৌদি আরবকে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্থাপনের অনুরোধ করেছেন শীর্ষ মার্কিন কূটনীতিক। সৌদি আরব নিজেদের বেসামরিক পারমাণবিক প্রকল্প চালু, এর বাস্তবায়নে মার্কিন সহযোগিতা ও এ-সংক্রান্ত নিরাপত্তা নিশ্চয়তার বিনিময়ে ইসরায়েলের সঙ্গে সম্পর্ক স্বাভাবিক করতে রাজি হয়েছে।

ব্লিংকেন এবার অন্য সৌদি নেতাদের সঙ্গেও দেখা করবেন বলে জানা গেছে।

গত কয়েক বছর ধরে ইরান, আঞ্চলিক নিরাপত্তা, তেলের দাম নিয়ে দুই দেশের মধ্যে মতবিরোধ সামনে এসেছে। সৌদি আরব দিনে ১০ লাখ ব্যারেল কম তেল উৎপাদন করেছে। মূলত, তেলের দাম বাড়ানোর উদ্দেশ্যেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে তারা। কিন্তু রিয়াদের এই সিদ্ধান্তে মোটেও সন্তুষ্ট নয় ওয়াশিংটন। তা ছাড়া সৌদিতে মানবাধিকার লঙ্ঘন নিয়েও জোরালো আওয়াজ তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র।

এএফপি জানায়, চলতি বছর মার্চে আঞ্চলিক দুই প্রভাবশালী দেশ সৌদি আরব ও ইরানের মধ্যে কূটনৈতিক সম্পর্ক পুনঃপ্রতিষ্ঠায় চীন মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করে। মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিদ্বন্দ্বী চীনের প্রভাব দিন দিন বাড়ার প্রেক্ষাপটেও ব্লিংকেন এ সফরে এলেন।

ব্লিংকেনের এই সফরের দুটি উদ্দেশ্য আছে। এক. তেল নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের প্রভাব বজায় রাখা। দুই. মধ্যপ্রাচ্যে চীন ও রাশিয়ার প্রভাব খর্ব করা। তা ছাড়া তাদের আশা, সৌদি ও ইসরায়েলের মধ্যে সম্পর্কও এবার ভালো হবে।

এ ব্যাপারে ওয়াশিংটনের থিংক ট্যাংক ফাউন্ডেশন অব ডিফেন্স অব ডেমোক্রেসিসের পরামর্শদাতা রিচার্ড গোল্ডবার্গ বলেছেন, ‘ব্লিংকেনের এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো, চীন ও সৌদি আরব যাতে খুব কাছাকাছি না আসে তা নিশ্চিত করা। ব্লিংকেন সৌদি আরবকে বোঝাবার চেষ্টা করবেন, চীন কেন সম্পর্ক ঘনিষ্ঠ করতে চাইছে। আর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে থাকলে সৌদির কী লাভ হবে।’

বিষয়:

আমি মারা যেতে পারতাম: ট্রাম্প

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বন্দুক হামলা থেকে বাঁচার পর এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, ‘আমি মারা যেতে পারতাম।’ তিনি তাকে হত্যা করার চেষ্টাকে ‘একটি পরাবাস্তব অভিজ্ঞতা’ হিসেবে বর্ণনা করেন।

উইসকনসিনের শহর মিলওয়াকিতে রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে যাওয়ার পথে বিমানে তিনি বলেন, ‘আমার এখানে থাকার কথা নয়, আমার মরে যাওয়ার কথা ছিল।’

ডান কানে ব্যান্ডেজ বাঁধা ৭৮ বছরের ট্রাম্প হামলার শিকার হওয়ার মুহূর্তটিকে স্মরণ করে বলেন, ‘এটি একটি পরাবাস্তব অভিজ্ঞতা।’ তিনি জানান, চিকিৎসকরা তাকে বলেছেন, তার ফিরে আসা ‘একটি অলৌকিক ঘটনা’।

পত্রিকাটিকে ট্রাম্প বলেন, ‘যখন গুলির ঘটনা ঘটে তখন আমি বক্তব্যের অন্য একটি পার্টের লিখিত অংশ দেখার জন্য পোডিয়ামের দিকে ঝুঁকেছিলাম। মূলত এ কারণেই আমি বেঁচে গেছি বলে আমার ধারণা।’

সাক্ষাৎকারে ট্রাম্প তাকে রক্ষা ও বন্দুকধারী থমাস ক্রুকসকে হত্যার জন্য সিক্রেট সার্ভিসের প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘নিরাপত্তা বাহিনীর কর্মীরা দুর্দান্ত কাজ করেছেন।’

ট্রাম্প তার ভাইরাল হওয়া একটি ছবি নিয়েও কথা বলেন। তার সেই ছবিতে দেখা যায়, রক্তাক্ত মুখমণ্ডল নিয়েও ডোনাল্ড ট্রাম্প তার মুষ্টি উঁচিয়ে ধরেছেন এবং বলছেন, ‘ফাইট, ফাইট, ফাইট।’

সেই ছবি প্রসঙ্গে ট্রাম্প বলেন, ‘অনেক লোকেই বলছেন, এই ছবিটি তাদের জীবনে দেখা সেরা আইকনিক ছবি। তারা ঠিক বলেছেন। তবে এই ধরনের ছবি পাওয়ার জন্য প্রাণও দেওয়া লাগতে পারে, কিন্তু আমি মরিনি।’

ট্রাম্প আরও বলেন, ‘অনেক লোক বলছেন, ভাগ্য বা ঈশ্বরের সহায়তায় আজ আমি এখানে উপস্থিত হতে পেরেছি।’

ট্রাম্প জানান, রিপাবলিকান পার্টির সম্মেলনের জন্যে বাইডেনের ভয়ংকর প্রশাসনের বিরুদ্ধে তিনি খুব কড়া ভাষায় তার বক্তব্য তৈরি করেছিলেন। কিন্তু হামলার ঘটনার পর তা আবার লিখেছেন। আগেরটি ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন। কারণ তিনি দেশকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান।

এ সময় তার কাছে জানতে চাওয়া হয়, এ ঘটনা তার নীতি বা দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন করবে কি-না? জবাবে ট্রাম্প বলেন, ‘আমি আমাদের দেশকে একত্রিত করার চেষ্টা করতে চাই। কিন্তু আমি জানি না, এটি সম্ভব কি না। মানুষ খুবই বিভক্ত।’

এদিকে যুক্তরাষ্ট্রের জনগণকে ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেন, ‘এই মুহূর্তে, আমাদের ঐক্যবদ্ধ থাকা এবং আমেরিকান হিসেবে আমাদের প্রকৃত চরিত্র প্রদর্শন করা, দৃঢ় ও সংকল্পবদ্ধ থাকা এবং খারাপকে জয়ী হতে না দেওয়া অন্য যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ।’

গুলিবিদ্ধ হওয়ার পর রোববার নিজের মালিকানাধীন ট্রুথ সোশ্যাল প্ল্যাটফর্মে প্রকাশিত দ্বিতীয় বিবৃতিতে তিনি এ আহ্বান জানান। ট্রাম্প বলেন, চলতি সপ্তাহে উইসকনসিনে রিপাবলিকান ন্যাশনাল কনভেনশনে (আরএনসি) বক্তব্য রাখার অপেক্ষায় আছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, ‘সবার শুভ কামনা ও প্রার্থনার জন্য ধন্যবাদ। কারণ একমাত্র ঈশ্বরই এই অকল্পনীয় ঘটনাটি ঘটতে বাধা দিয়েছেন। আমরা ভয় পাব না, বরং আমাদের বিশ্বাসে দৃঢ় থাকব। আমাদের ভালোবাসা অন্য ভুক্তভোগী এবং তাদের পরিবারের প্রতি। আমরা আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।’

ট্রাম্প বলেন, ‘আমি সত্যিই আমাদের দেশকে ভালোবাসি এবং তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি। আমি উইসকনসিন থেকে আমাদের মহান জাতির সঙ্গে কথা বলার জন্য অপেক্ষায় আছি।

রিপাবলিকানদের কনভেনশন ১৫-১৮ জুলাই উইসকনসিনের মিলওয়াকিতে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

ডোনাল্ড ট্রাম্প রিপাবলিকান দলের এ জাতীয় সম্মেলনে যোগ দিতে ইতোমধ্যে উইসকনসিনের শহর মিলওয়াকিতে পৌঁছেছেন বলে জানা গেছে। হত্যাচেষ্টা থেকে বেঁচে যাওয়ার এক দিন পরই ট্রাম্প মিলওয়াকিতে গেলেন।

মিলওয়াকিতে ১৫ থেকে ১৮ জুলাই রিপাবলিকান পার্টির জাতীয় সম্মেলন হবে। এ সম্মেলনেই ট্রাম্পকে আনুষ্ঠানিকভাবে মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হবে।

চার দিনের এই সম্মেলনে প্রায় ৫০ হাজার মানুষ অংশ নেবেন বলে ধারণা করা হচ্ছে। নভেম্বরের সাধারণ নির্বাচন সামনে রেখে রিপাবলিকান পার্টি ভোটারদের কাছে নিজেদের অবস্থানও তুলে ধরবে এ সম্মেলনে।

রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী ও সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প স্থানীয় সময় শনিবার সন্ধ্যা ৬টা ১৫ মিনিটের দিকে পেনসিলভ্যানিয়ায় একটি নির্বাচনী সমাবেশে অতর্কিত হামলার শিকার হন। হামলাকারীর গুলিতে ট্রাম্পের ডান কানের ওপরের অংশ ফুটো হয়ে যায়।

ট্রাম্পের মঞ্চ থেকে প্রায় ১৩০ গজ দূরের একটি ছাদ থেকে হামলাকারী তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়ে।


শপথ নিলেন নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী

কে পি শর্মা অলি। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে চতুর্থ মেয়াদে বিশেষ অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে নেপালের প্রধানমন্ত্রীর শপথ নিয়েছেন কে পি শর্মা অলি। আজ সোমবার কাঠমান্ডুর মহারাজগঞ্জের শীতল নিবাসে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে এক অনুষ্ঠানে অলিকে পদ ও গোপনীয়তার শপথ পড়ান প্রেসিডেন্ট রামচন্দ্র পাউদেল।

এর আগে গত শুক্রবারের ফ্লোর টেস্টের সময় বিদায়ী প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দাহাল প্রতিনিধি পরিষদের আস্থা অর্জনে ব্যর্থ হওয়ার পর প্রেসিডেন্ট পাউদেল ওদিন সন্ধ্যায় সংবিধানের ৭৬ (২) অনুচ্ছেদের অধীনে একটি নতুন সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন।

প্রেসিডেন্টের আহ্বানের পরপরই, ৭২ বছর বয়সী অলি তার নতুন জোটের অংশীদার নেপালি কংগ্রেসের সভাপতি শের বাহাদুর দেউবার সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর পদের দাবি জানাতে প্রেসিডেন্টের কার্যালয়ে যান।

অন্য কোনো প্রতিদ্বন্দ্বী ছাড়া অলি তার সমর্থনে ১৬৬ জন আইনপ্রণেতার স্বাক্ষর জমা দিয়েছিলেন (কংগ্রেসের ৮৮ এবং ইউএমএলের ৭৮)। ২৭৫-শক্তিশালী প্রতিনিধি পরিষদে সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ছিল ন্যূনতম ১৩৮টি আসনের।


পিটিআইকে নিষিদ্ধ করবে পাকিস্তান

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৫ জুলাই, ২০২৪ ১৮:২২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফকে (পিটিআই) নিষিদ্ধ করতে যাচ্ছে দেশটির সরকার। তাদের দাবি, পিটিআই প্রতিষ্ঠাতা রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত ছিলেন। খবর আল-জাজিরার। আজ সোমবার পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার এক সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিতে হলে পিটিআইর অস্তিত্ব রাখা যাবে না। বিদেশি তহবিল মামলা, ৯ মে দাঙ্গা এবং সাইফার মামলার পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রে পাস করা প্রস্তাবের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বিশ্বাস করি, পিটিআইকে নিষিদ্ধ করার মতো যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য প্রমাণ রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা পিটিআইর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করতে যাচ্ছি। আমরা বিশ্বাস করি, সংবিধানের ১৭ অনুচ্ছেদ সরকারকে রাজনৈতিক দলগুলো নিষিদ্ধ করার অধিকার দেয়। বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠানো হবে বলেও জানিয়েছেন তথ্যমন্ত্রী।

ইমরান খানকে উদ্দেশ করে তিনি আরও বলেন, আপনি আপনার রাজনৈতিক স্বার্থের জন্য দেশের কূটনৈতিক সম্পর্ক নষ্ট করার চেষ্টা করেছিলেন এবং যুক্তরাষ্ট্রে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে একটি প্রস্তাব পাস করতে গিয়েছিলেন।

এ ঘটনাকে পিটিআইর বিরুদ্ধে নতুন দমন-পীড়নের উদাহরণ হিসেবে উল্লেখ করেছে পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম ডন। তারা লিখেছে, এ পদক্ষেপ কারাবন্দি সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের দলকে জাতীয় পরিষদে একক বৃহত্তম দল হতে বাধা দেওয়ার প্রচেষ্টা বলে মনে হচ্ছে।

পাকিস্তানের সংবিধানের ১৭ (২) অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, সরকারি চাকরিতে না থাকা পাকিস্তানের প্রত্যেক নাগরিকের একটি রাজনৈতিক দল গঠন করার বা সদস্য হওয়ার অধিকার থাকবে। তবে রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার স্বার্থে আইনের মাধ্যমে সেই দলের ওপর যুক্তিসঙ্গত বিধিনিষেধ আরোপ করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, কোনো রাজনৈতিক দল পাকিস্তানের সার্বভৌমত্ব বা অখণ্ডতার জন্য ক্ষতিকর পদ্ধতিতে গঠিত হয়েছে বা এ ধরনের কাজ করছে, কেন্দ্রীয় সরকার এমন ঘোষণা দেওয়ার ১৫ দিনের মধ্যে বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টে পাঠাতে হবে। এক্ষেত্রে সর্বোচ্চ আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে।

বিষয়:

হামলার শিকার যেসব মার্কিন প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্টপ্রার্থী

জন এফ কেনেডি, বারাক ওবামা ও ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৫ জুলাই, ২০২৪ ০০:০৩
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ডোনাল্ড ট্রাম্পের আগেও যুক্তরাষ্ট্রের বেশ কয়েকজন প্রেসিডেন্টের ওপর হামলার ঘটনা ঘটেছিল। হামলা থেকে বাদ যাননি সাবেক প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থীও। এমনকি আততায়ীর গুলিতে নিহত হয়েছেন জন এফ কেনেডিসহ চারজন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। এবার যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে রক্তাক্ত হতে দেখল বিশ্ববাসী। স্থানীয় সময় গত শনিবার সন্ধ্যায় পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলার এলাকায় ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। ওই সময় সেখানে নির্বাচনী প্রচারে গিয়েছিলেন তিনি।

ট্রাম্প বক্তব্য শুরুর পরপরই মঞ্চ বরাবর গুলি করেন আততায়ী। গুলিতে ট্রাম্পের ডান কানের ওপরের অংশে ফুটো হয়ে যায়। দর্শক সারিতে থাকা একজন নিহত এবং আরও দুজন গুরুতর আহত হন। সিক্রেট সার্ভিসের সদস্যদের গুলিতে নিহত হন সন্দেহভাজন হামলাকারীও। একনজরে যেসব প্রেসিডেন্ট ও প্রেসিডেন্ট পদপ্রার্থী হামলার শিকার হন–

অ্যান্ড্রু জ্যাকসন: আমেরিকার গৃহযুদ্ধের আগে প্রেসিডেন্ট ছিলেন অ্যান্ড্রু জ্যাকসন। ক্যাপিটলে একটি অন্ত্যেষ্টিক্রিয়ায় যোগ দিয়েছিলেন প্রেসিডেন্ট। সেখানে তাকে লক্ষ্য করে পরপর দুবার গুলি করেন হামলাকারী। কিন্তু একটি গুলিও জ্যাকসনের শরীরে লাগেনি। বেঁচে যান তিনি।

থিওডোর রুজভেল্ট: সময়টা ১৯১২ সাল। ট্রাম্পের মতো আবারও প্রেসিডেন্ট হওয়ার লড়াইয়ে জোর প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন থিওডোর রুজভেল্ট। প্রচার সভায় বক্তব্য দিতে উইসকনসিনের মিলওয়াউকিতে যাচ্ছিলেন তিনি। একজন সেলুন তত্ত্বাবধানকারী তাঁকে গুলি করেন। তবে হামলাটি ব্যর্থ হয়।

ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট: প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর তখনো দায়িত্ব নেননি ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট। ১৯৩৩ সালে মিয়ামিতে তাঁকে লক্ষ্য করে গুলি করেন আততায়ী। রুজভেল্টকে হত্যা করতে ব্যর্থ হন হামলাকারী। তবে গুলিতে নিহত হন পাশে থাকা শিকাগোর মেয়র।

হ্যারি ট্রুম্যান: ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট মারা যাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হয়েছিলেন হ্যারি ট্রুম্যান। ১৯৫০ সালে পুয়ের্তো রিকোর একজন জাতীয়তাবাদী হোয়াইট হাউসের বাইরে তার ওপর হামলা চালান। তবে বেঁচে যান মার্কিন প্রেসিডেন্ট।

জর্জ ওয়ালেস: তখন জর্জ আলাবামা অঙ্গরাজ্যের গভর্নর। ১৯৭২ সালে তৃতীয়বারের মতো প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের জন্য প্রচার চালিয়ে যাচ্ছিলেন। ওয়াশিংটনের বাইরে তাঁর ওপর গুলি করা হয়। এতে প্রাণে বাঁচলেও পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েন এই রাজনীতিক।

জেরাল্ড ফোর্ড: সময়টা ১৯৭৫ সাল। পরপর দুবার হত্যাচেষ্টার মুখোমুখি হন প্রেসিডেন্ট ফোর্ড।

রোনাল্ড রিগ্যান: ওয়াশিংটনের হিলটন হোটেলের বাইরে বক্তব্য দিচ্ছিলেন প্রেসিডেন্ট রোনাল্ড রিগ্যান। হঠাৎ তাকে লক্ষ্য করে গুলি করা হয়। আহত হন প্রেসিডেন্ট। রিগ্যানের চেয়েও গুরুতর আহত হয়েছিলেন তার প্রেস সেক্রেটারি জেমস ব্র্যাডি।

বারাক ওবামা: হোয়াইট হাউসে ২০১১ সালে গুলি করে প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামাকে হত্যা করার চেষ্টা করা হয়েছিল। ওবামাকে হত্যাচেষ্টায় আইডাহোর এক ব্যক্তিকে অভিযুক্ত করা হয়। যুক্তরাষ্ট্রের মোট চারজন প্রেসিডেন্ট আততায়ীর হামলায় নিহত হয়েছেন। তারা হলেন আব্রাহাম লিংকন, জেমস এ গারফিল্ড, উইলিয়াম ম্যাককিনলে এবং জন এফ কেনেডি। ১৯৬৩ সালের ২২ নভেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের ডালাস শহরে রাজনৈতিক সফরে গিয়ে গুলিবিদ্ধ হয়ে নিহত হন কেনেডি।


নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী কেপি শর্মা অলি

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নেপালের নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কেপি শর্মা অলি নিয়োগ পেয়েছেন। আজ রোববার তাকে নিয়োগ দিয়েছেন প্রেসিডেন্ট রাম চন্দ্র পাওডেল। এর মধ্য দিয়ে বর্তমান রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেই নতুন একটি জোট সরকার পেতে যাচ্ছে নেপাল। ভারতীয় সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি এ খবর জানিয়েছে।

দেশের প্রধান নির্বাহী হিসেবে এটি অলির চতুর্থ মেয়াদ। তিনি প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিযুক্ত হন ২০১৫ সালের অক্টোবরে। সেবার তিনি ২০১৬ সালের আগস্ট পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন। এরপর ২০১৮ সালের ফেব্রুয়ারি থেকে ২০২১ সালের মে এবং ২০২১ সালের মে থেকে সে বছরের জুলাই পর্যন্ত নেপাল সরকারের প্রধান ছিলেন।

নেপালি কংগ্রেসের ৮৮ জন, ইউএমএল-এর ৭৮ জনসহ ১৬৬ জন আইন প্রণেতার সমর্থনের পর প্রেসিডেন্ট পাউডেল অলিকে সংবিধানের ৭৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নিয়োগ দিয়েছেন। স্থানীয় সময় আজ সোমবার সকাল ১১টায় নবনিযুক্ত প্রধানমন্ত্রী ও তার মন্ত্রিসভার মন্ত্রীরা শপথ নেবেন।

এর আগে শুক্রবার প্রেসিডেন্ট পাউডেল একজন সংসদ সদস্যকে আজ রোববার বিকেল ৫টার মধ্যে জোট সরকারের নেতৃত্ব দাবি করার আহ্বান জানান। ২৭৫ সদস্য বিশিষ্ট প্রতিনিধি পরিষদে সরকার গঠনের জন্য ন্যূনতম প্রয়োজনীয় আসনের সংখ্যা ১৩৮। সেদিন সন্ধ্যায় পুষ্পকমল দহল প্রচণ্ড প্রধানমন্ত্রীর বালুওয়াটার বাসভবন ত্যাগ করার পর প্রেসিডেন্ট সংবিধানের ৭৬(২) অনুচ্ছেদ অনুসারে নতুন সরকার গঠনের জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে আমন্ত্রণ জানান।

নিম্নকক্ষের আস্থা চেয়ে শুক্রবার হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভসে প্রচণ্ড প্রস্তাব পেশ করেছিলেন। তবে এতে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করতে ব্যর্থ হওয়ায় তাকে সরকার থেকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

অনুচ্ছেদ ৭৬(২) অনুসারে, প্রেসিডেন্ট হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের সেই সদস্যকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে নিয়োগ করবেন, যিনি দুই বা ততোধিক দলের সমর্থনে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করবেন। অলিকে এখন সাংবিধানিক আদেশ অনুযায়ী নিয়োগের ৩০ দিনের মধ্যে পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে জিততে হবে।


আমেরিকায় এমন সহিংসতার স্থান নেই: বাইডেন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমাবেশে হামলার ঘটনায় কঠোর নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন।তিনি বলেন, আমেরিকায় এ ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই। এমনকি এই ধরনের হামলা ক্ষমা করা করা যায় না বলেও জানান তিনি। খবর বিবিসি।

বিবিসি বলছে, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার একটি সমাবেশে ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে এই হামলা হয়। এরপরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানান প্রেসিডেন্ট বাইডেন। তিনি বলেন, আমেরিকাতে এই ধরনের সহিংসতার কোনো স্থান নেই, এটি অসুস্থ, এটি অসুস্থ হামলা।

তিনি আরও বলেন, আমি নিশ্চিত করতে চাই, আমাদের কাছে সমস্ত তথ্য আছে। যুক্তরাষ্ট্রের ফেডারেল এজেন্সিগুলো গুলিবর্ষণের এই ঘটনায় তদন্তে কাজ করছে।

এটি হত্যার প্রচেষ্টা ছিল বলে তিনি বিশ্বাস করেন কিনা তা বাইডেনের কাছে একজন প্রতিবেদক জানাতে চান। জবাবে বাইডেন বলেন, আমি নিশ্চিত করতে চাই যে, আমাদের কাছে সমস্ত তথ্য আছে।

এদিকে ট্রাম্পের ওপর হামলার পরপরই মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন একটি সংক্ষিপ্ত বিবৃতি দেন। সেখানে তিনি বলেন, পেনসিলভেনিয়ায় সহিংস এই হামলার ঘটনায় ‘সবাইকে নিন্দা করতে হবে’।

তিনি বলেন, তিনি আজ (গতকাল) রাতে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার বিষয়ে আশা করছেন। তিনি আরও বলেন, সমাবেশে হামলার সময় যা ঘটেছিল সে সম্পর্কে তাকে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে অবহিত করা হয়েছে। তিনি বলেন, ‘আমি ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করেছি। তিনি এখন তার ডাক্তারদের সাথে আছেন।’

মার্কিন ডেমোক্র্যাটিক এই প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘আমরা এটি (এই ধরনের হামলা) ঘটতে দিতে পারি না। আমরা এমনটা হতে পারি না। আমরা এটি ক্ষমাও করতে পারি না।’

উল্লেখ্য, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের বাটলার শহরে এই হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারী নিজেও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর গুলিতে নিহত হয়েছেন।

গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ট্রাম্পকে লক্ষ্য করেই এ হামলা চালানো হয়েছিল এবং এটি ছিল গুপ্তহত্যার প্রচেষ্টা। মূলত আগামী নভেম্বর মাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচন হবে যুক্তরাষ্ট্রে। সেই নির্বাচনে রিপাবলিকান পার্টির প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন ট্রাম্প। নির্বাচনের প্রচারে শনিবার বাটলার শহরে গিয়েছিলেন তিনি। সেখানে অস্থায়ী মঞ্চে বক্তব্য দিতে ওঠার পরই একপর্যায়ে এই হামলার ঘটনা ঘটে।


ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে হামলা

ছবি: রয়টার্স
আপডেটেড ১৪ জুলাই, ২০২৪ ১০:৩৬
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বিবিসি জানায়, স্থানীয় সময় গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে পেনসিলভানিয়ার বাটলারে ট্রাম্পের নির্বাচনী সমাবেশে এ হামলার ঘটনা ঘটে।

সমাবেশে একটি গুলি ট্রাম্পের ডান কানে লেগে বেরিয়ে যায়। এতে ওই কানের ওপরের অংশ ফুটো হয়ে রক্তপাত শুরু হয়। ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের গোয়েন্দা সংস্থা (সিক্রেট সার্ভিস) এক বিবৃতিতে জানায়, হামলার ঘটনায় বড় ক্ষতি হয়নি, নিরাপদ আছেন ট্রাম্প।

এ হামলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে একথা জানিয়েছেন ট্রাম্প।

বিবিসির খবরে বলা হয়, হামলার পর দেওয়া প্রথম প্রতিক্রিয়ায় আমেরিকার গোয়েন্দা সংস্থা সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন ট্রাম্প।

তিনি বলেন, ‘আমি সমাবেশে নিহত ব্যক্তির পরিবারের প্রতি এবং গুরুতর আহত ব্যক্তিদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানাতে চাই। আমাদের দেশে এমন ঘটনা ঘটতে পারে তা অবিশ্বাস্য।’

তিনি আরও বলেন, হঠাৎ আমি শব্দ শুনি; সঙ্গে সঙ্গে বুঝতে পারি অঘটন ঘটেছে। আর তখনই অনুভব করি গুলি আমার চামড়া ফুটো করে দিয়েছে। অনেক রক্ত পড়তে থাকে, আমি তখন বুঝতে পারি কী ঘটেছে। বন্দুকধারী এখন মারা গেছে। তার সম্পর্কে এখনও কিছু জানা যায়নি। ঈশ্বর আমেরিকার সহায় হোক।

এদিকে, হামলার ঘটনার পর এক বিবৃতি দিয়েছেন ট্রাম্পের মেয়ে ইভাঙ্কা ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম মাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে তিনি তার বাবা ও হামলায় হতাহতদের জন্য প্রার্থনা করায় সবাইকে ধন্যবাদ জানান।

পোস্টে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ায় ইভাঙ্কা সিক্রেট সার্ভিস ও অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তাদের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি আমার দেশের জন্য প্রার্থনা করে যাব। বাবা তোমাকে ভালোবাসি, আজ এবং সব সময়।’

ট্রাম্পের ওপর এ হামলার ঘটনার নিন্দা জানিয়েছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, পেনসিলভানিয়ায় সহিংসতার ঘটনায় সবার নিন্দা জানানো উচিত।


নেপালের প্রধানমন্ত্রী হচ্ছেন কেপি শর্মা ওলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নেপালে শুক্রবার (১২ জুলাই) দেশটির পার্লামেন্টে প্রধানমন্ত্রী ও সাবেক মাওবাদী নেতা পুষ্প কমল দহল ওরফে প্রচণ্ড আস্থা ভোটে হেরে গেছেন। এ নিয়ে দেশটিতে নতুন জোট সরকার গঠন হতে যাচ্ছে। নতুন এ সরকারের নেতৃত্ব দেবেন দেশটির সাবেক প্রধানমন্ত্রী কে পি শর্মা ওলি।

২০২২ সালের ডিসেম্বরে সরকার গঠন করেছিলেন পুষ্প কমল দহল। তখন তৃতীয়বারের মতো নেপালের প্রধানমন্ত্রী হন তিনি। এরপর ক্ষমতা টিকিয়ে রাখতে তাকে তিনবার জোট বদলাতে হয়। আর পাঁচবার পার্লামেন্টে অনাস্থা ভোটের মুখোমুখি হতে হয়। তবে শেষমেশ গতকাল পঞ্চমবারের অনাস্থা ভোটে হেরে যান তিনি।

ইউএমএল পার্টির আইনপ্রণেতা যোগেশ ভট্টরাই শুক্রবার বলেন, দেশে রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা ফেরাতে নতুন জোট সরকারের প্রয়োজন ছিল। এর মধ্য দিয়ে নেপালে ২০ মাস ধরে চলমান রাজনৈতিক অচলাবস্থার নিরসন হবে বলে আশা করা হচ্ছে। ২০০৮ সালে নেপালে ২৩৯ বছরের পুরোনো রাজতন্ত্রের অবসান ঘটে। এরপর থেকে গণতান্ত্রিক নেপালে চলছে রাজনৈতিক অস্থিরতা-অনিশ্চয়তা। কে পি শর্মা ওলি নতুন সরকার গঠন করলে সেটা হবে ২০০৮ সালের পর দেশটিতে ১৪তম গণতান্ত্রিক সরকার। নেপালের রাজনীতির গতিপ্রকৃতি সব সময় বড় দুই প্রতিবেশী ভারত ও চীনের কড়া নজরদারিতে থাকে।

হিমালয়ঘেঁষা নেপালে এ দুই দেশের বড় বিনিয়োগ রয়েছে। দিল্লি ও বেইজিং নেপাল ও নেপালের রাজনীতিতে প্রভাব রাখতে চায়। রাজনৈতিক অনিশ্চয়তার মুখে প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহলের সরকারের ওপর থেকে গত সপ্তাহে সমর্থন তুলে নেয় অন্যতম বৃহত্তম জোটসঙ্গী লিবারেল কমিউনিস্ট ইউনিফায়েড মার্ক্সিস্ট লেনিনিস্ট (ইউএমএল) পার্টি। দলটির নেতৃত্বে রয়েছেন কে পি শর্মা ওলি। এরপর পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, ৬৯ বছর বয়সি প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমল দহলের সামনে দুটি বিকল্প খোলা ছিল। হয় তাকে সরকারপ্রধানের পদ ছাড়তে হবে, নতুবা পার্লামেন্টে নিজের সংখ্যাগরিষ্ঠতা প্রমাণ করতে হবে। পুষ্প কমল দ্বিতীয় বিকল্প বেছে নিয়ে ব্যর্থ হন।

কে পি শর্মা ওলি এর আগে দুবার নেপালের প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। গত জুনের শেষদিকে তিনি মধ্যপন্থি দল নেপালি কংগ্রেসের (এনসি) সঙ্গে একটি চুক্তি করেন। ফলে পার্লামেন্টে এই জোটের সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পথ সুগম হয়। তখন থেকেই বোঝা যাচ্ছিল, কে পি শর্মা ওলি নতুন সরকার গড়বেন। তবে গতকাল পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে পুষ্প কমল হেরে যাওয়ার পর কে পি শর্মা ওলির নেতৃত্বে নতুন জোট সরকার কবে নাগাদ দায়িত্ব নেবে সে সম্পর্কে কিছু জানানো হয়নি। ভোটাভুটিতে উতরে যেতে সাবেক মাওবাদী নেতা পুষ্প কমলের ২৭৫ আসনের পার্লামেন্টে ন্যূনতম ১৩৮টি ভোট দরকার ছিল। গতকাল পার্লামেন্টে হাজির ছিলেন ২৫৮ সদস্য। তাদের মধ্যে পুষ্প কমলের পক্ষে ভোট দেন মাত্র ৬৩ জন। আর বিপক্ষে ভোট পড়ে ১৯৪টি। বাকি একজন ভোটদানে বিরত ছিলেন। স্পিকার দেব রাজ ঘিমিরি ভোট গণনা শেষে বলেন, আস্থা ভোটে পার্লামেন্ট সদস্যরা প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কমলকে প্রত্যাখ্যান করেছেন।


ভিয়েতনামে ভূমিধসে ৭ জন নিহত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভিয়েতনামে ভূমিধসের ঘটনায় কমপক্ষে সাতজন নিহত হয়েছে। আজ শনিবার দেশটির রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রবল বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট ভূমিধসের নিচে একটি ভ্যান চাপা পড়ে তাদের মৃত্যু হয়েছে। খবর এএফপির।

উদ্ধারকর্মীরা ঘটনাস্থল থেকে এক শিশুসহ সাতজনের মরদেহ উদ্ধার করেছেন বলে জানা গেছে। এক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, এই ঘটনায় আরও ছয়জন আহত হয়েছে। তাদের কাছাকাছি একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া নিখোঁজদের উদ্ধারে তল্লাশি অভিযান চলছে।

ঘটনাস্থলের বেশ কিছু ফুটেজ এবং ভিডিওতে দেখা গেছে, কর্দমাক্ত পাহাড়ি রাস্তায় কাজ করছেন উদ্ধারকর্মীরা। সেখানে বেশ কিছু অ্যাম্বুলেন্সও দেখা গেছে। বিদেশি পর্যটকদের কাছে মোটরসাইকেলে করে ভ্রমণের জন্য হা জিয়াং প্রদেশ একটি জনপ্রিয় স্থান।

উত্তর ভিয়েতনামে এখন বর্ষাকাল। সে কারণে ভারী বৃষ্টি এবং বন্যায় পাহাড়ি রাস্তা-ঘাটে চলাফেরা করা কঠিন হয়ে পড়েছে। রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে হা গিয়াং প্রদেশের বাক মে জেলার মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ভূমিধসের সময় মাটির নিচে চাপা পড়ে একটি ভ্যান।

জুন থেকে নভেম্বর পর্যন্ত সেখানে বর্ষাকাল থাকে। এ সময়টাই উত্তর ভিয়েতনামে প্রায়ই ভারী বৃষ্টির কারণে বন্যা এবং ভূমিধসের ঘটনা ঘটে থাকে। এর আগে গত জুন মাসে হা গিয়াং প্রদেশে ভারী বৃষ্টির কারণে সৃষ্ট আকস্মিক বন্যায় তিনজনের মৃত্যু হয়। এছাড়া গত বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগে ভিয়েতনামে প্রায় ১৬৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বা নিখোঁজ হয়েছে।


নাইজেরিয়ায় স্কুল ভবন ধসে ২১ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নাইজেরিয়ায় একটি স্কুল ভবন ধসে ২১ জনের মৃত্যু হয়েছে। গতকাল শুক্রবার প্লাতেউ রাজ্যের সেইন্টস অ্যাকাডেমি কলেজে ক্লাস চলাকালীন এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে।

নাইজেরিয়ার জাতীয় জরুরি ব্যবস্থাপনা সংস্থা জানিয়েছে, উদ্ধাকারী, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা উদ্ধার কাজে যোগ দিয়েছে। প্লাতেউর তথ্য কমিশনার মুসা আসোমস এক বিবৃতিতে বলেছেন, প্রায় ১২০ জন আটকা পড়েছিলেন। অনেককে উদ্ধার করা হয়েছে।

রাজ্য কর্তৃপক্ষ এই ঘটনার জন্য স্কুলের ভাবনের কাঠামো হওয়ার বিষয়টিকে দোষারোপ করেছে। যেসব স্কুলের কাঠামো দুর্বল হয়ে পড়েছে সেগুলো বন্ধ করে দিতে আহ্বান জানিয়েছে তারা।

স্কুল কর্তৃপক্ষ এখনো নিশ্চিত করেনি কতজন শিক্ষার্থী এবং শিক্ষক নিহত এবং আহত হয়েছেন। কিন্তু স্থানীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে নিহতদের পাশাপাশি ২৬ জনকে একটি নিকটস্থ হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমগুলো শুক্রবার কমপক্ষে ১২ জনের মৃত্যুর খবর জানালেও, রেড ক্রসের একজন মুখপাত্র একটি আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থাকে জানিয়েছে কমপক্ষে ২১ জন শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। খবর আল জাজিরা


ক্ষমতাচ্যুত হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী

নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প দাহাল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে হেরে ক্ষমতাচ্যুত হলেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী পুষ্প কামাল দাহার। আজ শুক্রবার পার্লামেন্টে আস্থা ভোটে জোট সরকার থেকে দেশটির সবচেয়ে বড় দল নিজেদের গুটিয়ে নিলে এ অবস্থার সৃষ্টি হয়। খবর এপি।

গত ৩ জুলাই প্রধানমন্ত্রী পুষ্প দাহালের জোট সরকারের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে নেয় জোটের সবচেয়ে বড় দল ইউএমএল। ফলে সংবিধান অনুযায়ী বাধ্য হয়ে পুষ্পকে সংসদে আস্থাভোটের আয়োজন করতে হয়।

নেপালের পার্লামেন্টের নিম্নকক্ষে ২৭৫টি আসন রয়েছে। কোনো প্রধানমন্ত্রীকে আস্থাভোটে জিততে কমপক্ষে ১৩৮টি ভোট প্রয়োজন। কিন্তু শুক্রবারের ওই আস্থা ভোটে পুষ্প পেয়েছেন মাত্র ৬৩টি ভোট। তার বিপক্ষে ২৫৮ জন আইনপ্রেণেতার মধ্যে ১৯৪ জন ভোট দিয়েছেন।

পুষ্প দাহালের উপর থেকে সমর্থন প্রত্যাহার করে ইউএমএল হাত মেলায় দেশটির অন্যতম রাজনৈতিক দল নেপালি কংগ্রেসের সঙ্গে। এই জোট এখন দেশটির নতুন প্রধানমন্ত্রী হিসেবে কমিউন্টি পার্টির নেতা খড়গ প্রসাদ অলিকে নির্বাচিত করবেন।

গত বছরের ডিসেম্বরে নেপালে নির্বাচন হয়। এতে পুষ্প কামাল দাহালের দল সংসদে তৃতীয় সর্বোচ্চ আসন পেয়েও প্রধানমন্ত্রী হন। তবে ওই সময় থেকেই তার জোটটি নড়েবড়ে ছিল। শেষ পর্যন্ত এ বছরের জুলাইয়ে এসে তাকে ক্ষমতা হারাতে হয়েছে। সবমিলিয়ে তিনি মাত্র ১৯ মাস প্রধানমন্ত্রী ছিলেন।


কেনিয়ায় সব মন্ত্রীকে বরখাস্ত করলেন প্রেসিডেন্ট

কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মন্ত্রিসভার সব মন্ত্রীকে বরখাস্ত করেছেন কেনিয়ার প্রেসিডেন্ট উইলিয়াম রুটো। কর বৃদ্ধি সংক্রান্ত রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের কয়েক সপ্তাহ পর দেশটির স্থানীয় সময় গতকাল বৃহস্পতিবার তিনি এ ঘোষণা দেন। শুধু ডেপুটি প্রেসিডেন্ট রিগাথি গাচাগুয়া এবং প্রাইম কেবিনেট সেক্রেটারি মুসালিয়া মুদাভাদিকে তাদের স্বপদে বহাল রাখা হয়েছে।

রাজধানী নায়রোবিতে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় প্রেসিডেন্ট রুটো জানান ‘সামগ্রিক মূল্যায়ন এবং পর্যালোচনার’ পর তিনি এ সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘যতটুকু উন্নয়ন আমরা করেছি, আমি খুবই ভালোভাবে জ্ঞাত যে আমার প্রতি কেনিয়ার সাধারণ মানুষের প্রত্যাশা অনেক বেশি। তারা বিশ্বাস করে এ প্রশাসন আমাদের জাতির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন আনতে পারে।’

গত ২৫ জুন কর বৃদ্ধির বিরুদ্ধে দেশটিতে ব্যাপক বিক্ষোভ হয়। এতে অন্তত ২২ জন নিহত হন। ওইদিন বিক্ষোভকারীরা দেশটির সংসদেও ঢুকে পড়েন। বিক্ষোভকারী ও সাধারণ মানুষ এতটাই ক্ষুব্ধ ছিলেন যে, তারা সংসদের ভেতর ভাঙচুর চালান। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পরের দিন ২৬ জুন আইনটি প্রত্যাহার করে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন প্রেসিডেন্ট রুটো।

এত মানুষের মৃত্যু হওয়ার পর আইন প্রত্যাহার করায় বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ কমেনি। পরে তারা সরকারবিরোধী বিক্ষোভ শুরু করেন। এর জেরে মন্ত্রিসভার সব সদস্যকে বরখাস্ত করতে বাধ্য হয়েছেন প্রেসিডেন্ট রুটো।


নেপালে ভূমিধস: নদীতে বাস পড়ে নিখোঁজ ৬৫ জন

ছবি: রয়টার্স
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বৈরী আবহাওয়ায় হিমালয়ের দেশ নেপালে ভূমিধসে দুটি বাস নদীতে পড়ে আনুমানিক ৬৫ জন নিখোঁজ হয়েছেন বলে জানা গেছে। আজ শুক্রবার সকালে ত্রিশূলি নদীতে ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয় পুলিশ প্রশাসন জানায়, একইদিন পৃথক ভূমিধসের ঘটনায় আরও ১০ জন নিহত হয়েছেন। খবর: ব্রিটিশ বার্তা সংস্থা রয়টার্সের।

নিখোঁজদের সন্ধানে সেনাবাহিনী ও পুলিশ মোতায়েন করেছে কর্তৃপক্ষ। এ ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করা একটি বার্তায় শোক প্রকাশ করেছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী পুষ্পা কমল দহল। সুষ্ঠুভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনারও নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

স্থানীয় পুলিশের মুখপাত্র দান বাহাদুর কারকি বলেন, কাঠমন্ডুর ৮৬ কিলোমিটার পশ্চিমে চিতান জেলায় এই ঘটনা ঘটেছে। কাঠমন্ডু থেকে গরের দিকে যাওয়া বাসটিতে ৪৩ জন যাত্রী ছিল এবং বীরগঞ্জ থেকে কাঠমন্ডুর উদ্দেশ্যে রওনা দেওয়া বাসটিতে আরও ২৪ জন। ত্রিশূলি নদীতে উভয় বাস নিখোঁজ হয়েছে।

কারকি আরও বলেন, কাঠমন্ডু থেকে ১৫০ কিলোমিটার (৯৩ মাইল) পশ্চিমের কাসকি জেলায় পৃথক ভূমিধসের ঘটনায় তিনটি বাড়ি ধ্বংস হয়েছে। এতে ১০ জনের প্রাণহানির খবর পাওয়া গেছে।

চলতি বর্ষা মৌসুমের বৃষ্টিতে সৃষ্ট বন্যা ও ভূমিধসে হিমালয়ের এই দেশটিতে কয়েক ডজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। নেপালে জুনের মাঝামাঝি সময় থেকে বন্যা ও ভূমিধসে এখন পর্যন্ত ৯১ জনের মৃত্যু হয়েছে।


banner close