বৃহস্পতিবার, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

যুক্তরাষ্ট্রে দুর্ঘটনায় দেড় শতাধিক গাড়ি, নিহত ৭

আপডেটেড
২৪ অক্টোবর, ২০২৩ ২০:৪৭
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৪ অক্টোবর, ২০২৩ ২০:৪৭

যুক্তরাষ্ট্রের লুইজিয়ানা অঙ্গরাজ্যে ঘন কুয়াশার কারণে মহাসড়কে দেড় শতাধিক গাড়ির সংঘর্ষ হয়েছে। এতে অন্তত সাতজন নিহত হয়েছে। আহত হয়েছে আরও অন্তত ২৫ জন। স্থানীয় সময় গত সোমবার সকালে এ দুর্ঘটনা ঘটে বলে জানিয়েছে স্থানীয় কর্তৃপক্ষ। খবর বার্তা সংস্থা এপির।

লুইজিয়ানা পুলিশ বিবৃতিতে জানিয়েছে, স্থানীয় জলাভূমিতে আগুন লাগার ফলে সৃষ্ট ধোঁয়া ও ঘন কুয়াশার মিশ্রণে এক ধরনের সুপারফগের সৃষ্টি হয়, যা চালকদের দৃষ্টিপথ মারাত্মকভাবে সীমাবদ্ধ করে দিয়েছিল। ফলে সামনে দেখতে না পেয়ে মহাসড়কের বেশ কয়েকটি স্থানে ১৫৮টি গাড়ির সংঘর্ষ হয়।

পুলিশ আরও জানিয়েছে, ঘটনাস্থলগুলো থেকে অন্তত ২৫ জনকে আহত অবস্থায় হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। তাদের মধ্যে অনেকের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে।

লুইজিয়ানার গভর্নর জন এডওয়ার্ডস আহতের সেবায় রক্তদাতাদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি নিহতদের জন্য প্রার্থনারও আহ্বান জানান।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ধ্বংসাবশেষের ভিডিওগুলো থেকে দেখা গেছে, ম্যানচাক নামক একটি এলাকার ব্যস্ত মহাসড়কের ওপর গাড়িগুলো ভাঙারির মতো পড়ে আছে। অনেকগুলো গাড়ি পিষ্ট হয়ে গেছে। কিছু গাড়ি অপর গাড়ির নিচে চাপা পড়েছে এবং কিছু গাড়ি আগুনে পুড়ে গেছে। আবার অনেক গাড়ি দুর্ঘটনাস্থলে আটকে পড়েছে। সেগুলোতে আটকে পড়া ব্যক্তিরা সাহায্যের জন্য অপেক্ষা করছেন।


পাকিস্তানে সরকার গঠন হতে পারে ২৭ ফেব্রুয়ারি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পাকিস্তানে নতুন জোট সরকারের চূড়ান্ত ঘোষণা আসতে পারে ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারির মধ্যে। পাকিস্তান পিপলস পার্টির (পিপিপি) নেতা কামার জামান কায়রা এ কথা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ২৭-২৮ ফেব্রুয়ারি নতুন জোট সরকারের চূড়ান্ত ঘোষণা হতে পারে। খবর দ্য ডনের।

জিও নিউজের অনুষ্ঠানে গত সোমবার প্রধানমন্ত্রীর সাবেক এ উপদেষ্টা বলেন, জাতীয় পরিষদের অধিবেশন ২৯ ফ্রেব্রুয়ারি হতে হবে। এখনো অনেক দিন বাকি আছে। এর আগেই ২৭ বা ২৮ তারিখে নতুন জোট সরকারের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হতে পারে।

তিনি বলেন, নতুন জোট সরকারকে কীভাবে এগিয়ে যেতে হবে তা নির্ধারণ করছে পিপিপি ও পিএমএল-এন। জোট সরকারের দুই দলের মধ্যে এখন পর্যন্ত চারটি মিটিং হয়েছে। তবে কোন দল কোন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পাবে তা আলোচনার এজেন্ডায় ছিল না।

গত ৮ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনে কোনো দলই সংখ্যাগরিষ্ঠতা পায়নি। ফলে জোট সরকার গঠনের দিকে হাঁটছে পিএমএল-এন ও পিপিপি। নির্বাচনে ৫৪ আসন পেয়ে তৃতীয় স্থানে থাকা পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) কিছু শর্তে জোট সরকার গঠন করতে চায় ৭৫টি আসনে বিজয়ী দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা পাকিস্তান মুসলিম লিগ- নওয়াজের (পিএমএল-এন) সঙ্গে।

শর্তের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো- নতুন জোট সরকারে প্রধানমন্ত্রী করতে হবে পিপিপি চেয়ারম্যান বিলাওয়াল ভুট্টো জারদারিকে। একই সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ কিছু মন্ত্রণালয়ও দিতে হবে পিপিপিকে। পিএমএল-এনের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠকে এ দাবির কথা জানিয়েছেন বিলাওয়াল ভুট্টোর বাবা সাবেক প্রেসিডেন্ট আসিফ আলী জারদারি।

পিএমএল-এন ও পিপিপি জোট গঠন চূড়ান্ত হলে সরকার গঠন না করে বিরোধী দল হিসেবে থাকতে হতে পারে আসন সংখ্যায় প্রথম অবস্থানে থাকা ইমরানের দল পিটিআইকে। এ ক্ষেত্রে ক্ষমতার মসনদ অধরাই থাকছে ইমরানের।

শাহবাজ শরিফ জানিয়েছেন, জারদারির দাবি অনুযায়ী বিলাওয়ালকে প্রধানমন্ত্রী করা হলে কেন্দ্রের পাশাপাশি পাঞ্জাবেও পিএমএল-এনকে সমর্থন দেবে পিপিপি। এর বিনিময়ে নওয়াজ শরিফের মেয়ে মরিয়ম নওয়াজকে পাঞ্জাবের মুখ্যমন্ত্রী করা হবে। তবে পিএমএল-এন চাইছে, নতুন জোট সরকারের প্রধানমন্ত্রী হবেন শাহবাজ শরিফ।

পাকিস্তান নির্বাচন কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ১০১ আসনে জয় পেয়েছেন ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। এ ছাড়া মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট পাকিস্তান (এমকিউএম) ১৭ আসনে জয়ী হয়েছে। এ ছাড়া অন্যান্য দল পেয়েছে ১৭টি আসন।

পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের ২৬৬ আসনের মধ্যে ২৬৫ আসনে (একটি স্থগিত) ভোট হয়েছে। একটি আসনে ফল স্থগিত থাকার ঘোষণা দেয় নির্বাচন কমিশন। সরকার গঠনে প্রয়োজন হবে ১৩৪ আসন।

পাকিস্তান জাতীয় পরিষদের মোট আসন সংখ্যা ৩৩৬। এর মধ্যে ২৬৬ আসনে সরাসরি ভোট হয়। এ ছাড়া বাকি ৭০টি আসন সংরক্ষিত। এসব আসনের মধ্যে ৬০টি নারীদের ও ১০টি সংখ্যালঘুদের।

বিষয়:

ইইউ’র ২৬টি দেশ অবিলম্বে গাজা যুদ্ধ বন্ধের দাবি জানিয়েছে: বোরেল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

হাঙ্গেরি ব্যতীত সমস্ত ইইউ দেশ সোমবার গাজা যুদ্ধে ‘অবিম্বে মানবিক বিরতির’ আহ্বান জানিয়েছে। ইইউ পররাষ্ট্র নীতি বিষয়ক প্রধান জোসেপ বোরেল এ কথা বলেছেন।

৭ অক্টোবর ইসরায়েলে হামাসের হামলার পর গাজায় ইসরায়েলের ভয়াবহ সামরিক অভিযানের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য ইউরোপীয় ইউনিয়ন জোর প্রচেষ্টা চালিয়েছে।

তবে বোরেল বলেছেন, ২৬টি দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা ‘একটি স্থায়ী যুদ্ধবিরতি’র আহ্বান জানিয়ে একটি বিবৃতি দিতে সম্মত হয়েছেন।

ইইউ দেশগুলোও ইসরায়েলকে গাজার শহর রাফাহ আক্রমণ না করার জন্য তাদের আহ্বান পুনর্ব্যক্ত করেছে। যা ক্ষতিগ্রস্ত অঞ্চলের প্রধান আশ্রয়স্থল হয়ে উঠেছে।

হাঙ্গেরি ইসরায়েলের কট্টর সমর্থক এবং প্রায়শই দেশটির সমালোচনামূলক ইইউ বিবৃতিগুলোর বিরোধিতা করে।

অন্যান্য ইইউ দেশ যেমন জার্মানি এখন পর্যন্ত ইসরায়েলের কার্যক্রম ‘অবিলম্বে’ থামানোর আহ্বান জানাতে অনিচ্ছুক। ইসরায়েলের আত্মরক্ষার অধিকারকে সীমিত করতে পারে এমন কোনো পদক্ষেপ সমর্থন করতে দেখা যায়নি।

হামাস পরিচালিত ভূখন্ডের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় বলেছে, গাজায় ইসরায়েলের সামরিক অভিযানে ২৯,০০০ এরও বেশি মানুষ নিহত হয়েছে, যাদের বেশিরভাগই নারী ও শিশু।

ইসরায়েল হুঁশিয়ারি দিয়েছে, হামাস সমস্ত জিম্মিকে মুক্তি না দিলে তারা রাফাহ সহ মুসলিম পবিত্র রমজান মাসে তাদের আক্রমণ চালিয়ে যাবে।

বিষয়:

কিমকে গাড়ি উপহার দিলেন পুতিন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন উত্তর কোরীয় নেতা কিম জং উনকে মস্কোর তৈরি একটি গাড়ি উপহার দিয়েছেন। পিয়ংইয়ংয়ের রাষ্ট্রীয় সংবাদ মাধ্যম মঙ্গলবার এ কথা জানিয়েছে।

দু’দেশের মধ্যে পর্যটন থেকে প্রতিরক্ষা খাতে সম্পর্ক জোরদারের প্রেক্ষাপটে পুতিন কিমের ব্যক্তিগত ব্যবহারের জন্য গাড়িটি উপহার দিয়েছেন।

ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে আবদ্ধ উত্তর কোরিয়া ও রাশিয়ার মধ্যে সম্পর্ক আরও জোরালো হয়েছে। কিম ও পুতিন গত সেপ্টেম্বর মাসে সাক্ষাৎ করেছেন। এর পর থেকেই দু’দেশের সম্পর্ক আরো জোরদার হয়। দু’টি দেশই আন্তর্জাতিকভাবে একঘরে হয়ে আছে। ইউক্রেন যুদ্ধকে কেন্দ্র করে রাশিয়া এবং পরমাণু অস্ত্র কর্মসূচির জন্য উত্তর কোরিয়া একঘরে হয়ে আছে। উত্তর কোরিয়ার সরকারি সংবাদ সংস্থা কেসিএনএ বলছে, ১৮ ফেব্রুয়ারি রাশিয়ার তৈরি গাড়িটি কিমের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার কাছে পাঠানো হয়েছে। কেসিএনএর খবরে আরও বলা হয়েছে, কিমের বোন পুতিনকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, কিম ও পুতিনের মধ্যে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কের নিদর্শন এই গাড়ি।

উল্লেখ্য, কিমের বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ির সংগ্রহ রয়েছে। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের রপ্তানি নিষেধাজ্ঞা ভেঙে কিম কীভাবে বিলাসবহুল বিদেশি গাড়ি ব্যবহার করেন, তা নিয়ে অনেকের কৌতুহল রয়েছে। ধারণা করা হয়, কিমের সংগ্রহে থাকা গাড়িগুলো বেশির ভাগই বিদেশ থেকে পাচার করা।

এদিকে পুতিনের উপহার এই গাড়ির মডেল সম্পর্কে প্রতিবেদনে কিছু বলা হয়নি।


বিশ্বের বৃহত্তম যে জাহাজকে ডুবিয়ে দিয়েছিল সাদ্দামের বাহিনী

‘সি ওয়াইজ জায়ান্ট’ জাহাজ। ফাইল ছবি: সংগৃহীত  
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

৩০ বছরের সফরকালে ‘সি ওয়াইজ জায়ান্ট’-এর ছিল একাধিক নাম। ‘পৃথিবীর বৃহত্তম জাহাজ’, ‘সবচেয়ে বড় মানবসৃষ্ট জাহাজ’, ‘তেল বহনের সবচেয়ে বেশি ক্ষমতাসম্পন্ন জাহাজ’-এমন অনেক নামেই ডাকা হতো তাকে। এখানেই শেষ নয়, নামের তালিকায় ছিল ‘হ্যাপি জায়ান্ট’, ‘জাহরে ভাইকিং’, ‘নোক নোভিস’ এবং ‘মন্ট’ও। বিশ্বের এই বৃহত্তম জাহাজকে ডাকা হতো ‘সুপার ট্যাঙ্কার’ বলেও।

একদিকে যেমন এই জাহাজের লাখ লাখ লিটার তেল বহনের ক্ষমতা ছিল, তেমনই আকারে প্রকাণ্ড হওয়ার জন্য অনেক বন্দরে প্রবেশ করতে পারত না। এই বিশাল আয়তনের কারণে সুয়েজ খাল এবং পানামা খালের মতো অনেক গুরুত্বপূর্ণ সমুদ্র পথ এই জাহাজের পক্ষে অতিক্রম করা সম্ভব ছিল না।

ইরাকের তৎকালীন প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের বাহিনী আক্রমণ করে আগুন ধরিয়ে দেয় ওই জাহাজে। এর ফলে ডুবে যায় জাহাজটা। কিন্তু মহাসমুদ্রের অন্যান্য গল্পের মতো এই ধ্বংসলীলা সেই জাহাজের শেষ গল্প ছিল না।

শুরুর দিকে, এই সুপার ট্যাঙ্কারটা ১৯৭৯ সালে প্রাথমিকভাবে তৈরি হয়েছিল জাপানের ওপামার ‘সুমিতোমো হেভি ইন্ডাস্ট্রিজ শিপইয়ার্ডে’। বিভিন্ন সূত্র থেকে পাওয়া তথ্য থেকে জানা গেছে, এই জাহাজটি নির্মাণের নির্দেশ দিয়েছিলেন এক গ্রিক ব্যবসায়ী। কিন্তু তৈরি হওয়ার পর সেই জাহাজ তিনি কেনেননি। শেষপর্যন্ত ১৯৮১ সালে টিং চাও ইং নামে হংকংয়ের একজন ব্যবসায়ী এটা কেনেন। তিনি ছিলেন সামুদ্রিক শিপিং কোম্পানি ওরিয়েন্ট ওভারসিজ কন্টেইনার লাইনের মালিক।

হংকংয়ের মেরিটাইম মিউজিয়ামের তথ্যানুসারে, কেনার পর নতুন মালিক মনে করেছিলেন জাহাজের আয়তন হওয়া উচিত আরও বড়। তাই নতুন অংশ যোগ করে জাহাজের আয়তন আরও বাড়ানো হয়। এরপর এর তেল বহনের ক্ষমতা ১ লাখ ৪০ হাজার টন বেড়ে যায়। এই সুপার ট্যাঙ্কারের দৈর্ঘ্য ছিল রেকর্ড ৪৫৮.৪৫ মিটার। মালয়েশিয়ার ‘পেট্রোনাস টাওয়ার’ এবং নিউইয়র্কের অ্যাম্পায়ার এস্টেট বিল্ডিংয়ের উচ্চতার চেয়েও লম্বা ছিল ‘সি ওয়াইজ জায়ান্ট’।

প্রায় চার কোটি ব্যারেল তেল বহনের ক্ষমতা রাখত এই জাহাজ। একটি সাধারণ যানের ১০ বার সূর্য পর্যন্ত গিয়ে ফিরে আসার জন্য যথেষ্ট ওই ইন্ধন। বর্তমানের বৃহত্তম ক্রুজ ‘আইকন অফ দ্য সি’-এর থেকে প্রায় ১০০ মিটার বেশি দীর্ঘ ছিল ওই জাহাজ। শুধু তাই নয়, বিখ্যাত টাইটানিকের চেয়েও ২০০ মিটার বেশি দীর্ঘ সেটা।

পুরো ভরে গেলে জাহাজের ওজন দাঁড়াত ৬ লাখ ৫৭ হাজার টন। আর এত ভারী জাহাজ চালাতে দিনে প্রয়োজন হতো ২২০ টন জ্বালানির।

বিবিসি ১৯৯৮ সালে যখন এই জাহাজটি পরিদর্শন করে তখন জাহাজের ক্যাপ্টেন সুরেন্দ্র কুমার মোহন বলেছিলেন আনুমানিক ১৬ টন বা প্রায় ৩০ কিলোমিটার প্রতি ঘণ্টা গতিতে চলতে পারে জাহাজটা।

বিপুলায়তন এই জাহাজের চলাচলের বিষয়টি সহজ ছিল না। জাহাজের ক্যাপ্টেন জানিয়েছিলেন, যেকোনো জায়গায় থামাতে হলে অন্তত আট কিলোমিটার আগে ব্রেক কষতে হতো। উল্টোদিকে বাঁকানোও ছিল কঠিন কাজ। এর জন্য তিন কিলোমিটার জায়গার প্রয়োজন ছিল।

বিবিসি যে জাহাজ পরিদর্শন করেছে সেটি কিন্তু মেরামত এবং পুনর্নির্মাণ করা হয়েছে। যখন মধ্যপ্রাচ্য এবং পশ্চিমের মধ্যে তেলের ব্যবসা সর্বোচ্চ ছিল, সে সময়ে এই সুপার ট্যাঙ্কারটি গোটা বিশ্বে শুধু তেলই বহন করেনি বিশালাকায় ভাসমান গুদাম হিসাবেও কাজ করেছে।

এই জাহাজের শেষ সমুদ্রযাত্রা ছিল ১৯৮৮ সালে। ইরানের লার্ক দ্বীপে নোঙর ফেলেছিল ওই জাহাজ। সে সময় উপসাগরীয় অঞ্চলে ইরাক ও ইরানের মধ্যে যুদ্ধ চূড়ান্ত পর্যায়ে ছিল।

সাদ্দাম হোসেনের বাহিনী এই জাহাজ হঠাৎই আক্রমণ করে কোনোরকম সতর্কবার্তা ছাড়াই। ক্রমাগত বোমা হামলায় আগুন ধরে যায় ওই জাহাজে। ডুবে যায় বিশ্বের সবচেয়ে বড় জাহাজ। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পর নরওয়ের একটি সংস্থা ‘নরম্যান ইন্টারন্যাশনাল’ জাহাজটি বাঁচানোর বিষয়ে আগ্রহ দেখায়। এরপর ১৯৯১ সালে, ৩৭০০ টন ইস্পাত ব্যবহার করে মেরামত করা হয়েছিল। এমন অবস্থায় আনা হয়েছিল যাতে সেটি আবার ভাসতে পারে। কিন্তু এখন আর তার নাম ‘সি ওয়াইজ জায়ান্ট’ নয়। এখন এই জাহাজের নাম ‘হ্যাপি জায়ান্ট’।

মেরামতের পরে এই সুপার ট্যাঙ্কারটি আবার পরিষেবাযোগ্য হয়ে উঠলেও তা ব্যবসায়ী পরিবহন সংস্থা কেএসের সম্পত্তিতে পরিণত হয় এবং তার নাম পরিবর্তন করে রাখা হয় ‘জাহরে ভাইকিং’ করা হয়েছে। কিন্তু নব্বইয়ের দশকে শিপিং শিল্পে কম জ্বালানি খরচকারী ট্যাঙ্কারের ব্যবহার বাড়তে থাকে এবং তাই এই জাহাজটিকে ব্যবহারের প্রতি আগ্রহ কমে আসে।


হজে গিয়ে ভিক্ষা করলে ৭ বছরের জেল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পবিত্র হজ পালনের উদ্দেশে সৌদি আরবে গিয়ে কেউ অবৈধভাবে অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা বা ভিক্ষা করলে তাকে ৭ বছর কারাগারে থাকতে হবে। সৌদি আরবের পাবলিক প্রসিকিউশন এ সতর্ক বার্তা দিয়েছে। এ ছাড়া যথাযথ কর্তৃপক্ষের অনুমতি ছাড়া অর্থ সংগ্রহের চেষ্টা করলে দণ্ডের পাশাপাশি পাঁচ মিলিয়ন সৌদি রিয়াল জরিমানাও করা হবে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৫ কোটি টাকা।

মধ্যেপ্রাচ্যের প্রভাবশালী গণমাধ্যম দ্য গালফ এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক বার্তায় এ নির্দেশনা দিয়েছে সৌদির পাবলিক প্রসিকিউশন।

এ বিষয়ে সৌদি পাবলিক প্রসিকিউশন জানিয়েছে, অনুমতি ছাড়া নগদ অর্থ বা অন্য কোনো সাহায্য সংগ্রহ করা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ এবং এটি একটি গুরুতর অপরাধ। যারা অর্থ সংগ্রহের জন্য সাধারণ হাজিদের সঙ্গে প্রতারণা করবেন, তাদের বিরুদ্ধে অর্থ জালিয়াতির আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রতি বছর হজে গিয়ে সৌদি আরবে ভিক্ষাবৃত্তি করেন বহু দরিদ্র দেশের মুসলিমরা। হজের সময় পুরো বিশ্ব থেকে কোটি কোটি মুসলিম সমবেত হন মক্কা ও মদিনায়। সেই সুযোগে অনেকে হজে যাওয়ার নাম করে ভিসা আদায় করে সেখানে ভিক্ষাবৃত্তি করেন বলে অভিযোগ রয়েছে।

সৌদি প্রশাসনের পক্ষে জানানো হয়েছে, এভাবে বিনা অনুমতিতে হাজিদের কাছ থেকে অর্থ আদায় সম্পূর্ণ বেআইনি। তাই অর্থ তছরুপ আইনের ধারায় ভিক্ষাবৃত্তিতে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।


ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন ২৯ দেশের নাগরিক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য ও ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত (ইইউ) ২৭ দেশের নাগরিকরা ভিসা ছাড়াই ওমরাহ করতে পারবেন। ওমরাহ পালন করার জন্য তাদের আগে থেকে কোনো ভিসা নিতে হবে না।

আজ সোমবার সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয়ের বরাতে এসব তথ্য জানিয়েছে মধ্যপ্রাচ্যভিত্তিক সংবাদমাধ্যম গালফ নিউজ। এ ছাড়া এসব দেশের নাগরিকদের জন্য ভিসা অন-অ্যারাইভাল প্রক্রিয়া আরও সহজ করার সিদ্ধান্তও নিয়েছে সৌদি সরকার। এমনকি, তারা ভ্রমণের উদ্দেশে এসেছেন নাকি ওমরাহ পালনের জন্য এসেছেন, সে বিষয়টিও ধরা হবে না। এটি ভিসাধারীদের নিকটাত্মীয়দের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য হবে।

সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ওমরাহ প্রক্রিয়া সহজ, উন্নতমানের সেবাসহ সৌদির সাংস্কৃতিক ও ধর্মীয় অভিজ্ঞতা নিশ্চিত করার জন্য সৌদির ভিশন-২০৩০-এর অংশ হিসেবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, হজের জন্য যোগ্য ব্যক্তিরা সহজেই নুসুক অ্যাপের মাধ্যমে তাদের ওমরাহ পালনের পরিকল্পনা সাজাতে পারবেন। চাইলে এসব দেশের নাগরিকরা সৌদিতে পৌঁছেই ওমরাহ করতে পারবেন।

এ ছাড়া ট্রানজিট ভিসার মাধ্যমেও ওমরাহ পালন করা যাবে। তবে তাদের সৌদি এয়ারলাইন্সের বিমানে আসতে হবে। পুরো বিশ্বের মুসলিমদের জন্য ওমরাহ পালন সহজ করার অংশ হিসেবে এমন সুযোগ রেখেছে সৌদি আরব।

হজ ও ওমরাহর মধ্যে বড় পার্থক্য রয়েছে। হজ হলো ইসলামের পাঁচটি স্তম্ভের একটি। শারীরিক ও আর্থিকভাবে সক্ষম প্রত্যেক মুসলমি নারী-পুরুষের জন্য হজ পালন বাধ্যতামূলক। আরবি বর্ষপঞ্জিকার শেষ মাস জিলহজে হজ পালন করা হয়। অন্যদিকে, ওমরাহ হলো একটি ঐচ্ছিক বিষয়। বছরের যেকোনো সময় ওমরাহ পালন করা যায়। ওমরাহ করতে গিয়েও পবিত্র কাবা শরিফসহ অন্যান্য ঐতিহাসিক অবকাঠামো দেখার সুযোগ পান মুসল্লিরা।

এদিকে, বিদেশি হজযাত্রীদের জন্য ওমরাহ বিমার সামগ্রিক খরচ ৬৩ শতাংশ কমানোর ঘোষণা দিয়েছে সৌদি আরব সরকার। সৌদি আরবের হজ ও ওমরাহ মন্ত্রণালয় গত ১০ জানুয়ারি থেকে খরচ কমিয়ে ২৩৫ থেকে ৮৭ সৌদি রিয়াল করেছে। ওমরাহর জন্য বিমা হলো- বাংলাদেশসহ বিশ্বের মুসলিম দেশগুলোর হজ যাত্রীদের জন্য একটি সমন্বিত নীতি।

এই ভিসাপদ্ধতিতে চিকিৎসা, হাসপাতালে ভর্তি, গর্ভাবস্থা, জরুরি প্রসব, জরুরি ডেন্টাল সেবা, সড়ক দুর্ঘটনায় আহতদের চিকিৎসা, ডায়ালাইসিসসহ অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক চিকিৎসাসেবা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এ ছাড়া দুর্ঘটনার কারণে স্থায়ী অক্ষমতা, প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে মৃত্যু, মরদেহ দেশে ফেরত দেওয়া ও আদালতের রায়ে জারি করা ব্লাড মানি, ফ্লাইট বিলম্বের ক্ষতিপূরণ এবং ফ্লাইট বাতিলের ক্ষতিপূরণের মতো বিষয়গুলোও এর অন্তর্ভুক্ত।

সৌদি আরবে প্রবেশের দিন থেকে শুরু করে ৯০ দিন পর্যন্ত এ বিমা কাজ করবে এবং তা শুধু সৌদি আরবেই কার্যকর হবে। এই বিমার বিষয়ে সব তথ্যসামগ্রিক বিমা প্রোগ্রামের ওয়েবসাইট থেকে জানা যাবে।


আফগানিস্তানে ভূমিধস, নিহত ২৫

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আফগানিস্তানে ভূমিধসের ঘটনায় ২৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন আরও আটজন। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় নুরিস্তান প্রদেশে ভূমিধস আঘাত হেনেছে বলে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয় নিশ্চিত করেছে। খবর এএফপির।

আজ সোমবার সামাজিক মাধ্যমে এক ভিডিও বার্তায় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সায়েক বলেন, ভূমিধসের কারণে ২৫ জনের মৃত্যু হয়েছে এবং আটজন আহত হয়েছে।

সায়েক জানিয়েছেন, নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। পাকিস্তান সীমান্তের কাছে অবস্থিত নুরিস্তান প্রদেশের বেশির ভাগই পাহাড়ী বন দ্বারা আচ্ছাদিত। এটি হিন্দুকুশ পর্বতশ্রেণির দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত। প্রাদেশিক কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বরফের কারণে উদ্ধার তৎপরতা ব্যাহত হচ্ছে।

প্রদেশের গণপূর্ত বিভাগের প্রধান মোহাম্মদ নবী আদেল বলেন, মেঘলা আকাশ এবং বৃষ্টির কারণে নুরিস্তান শহরে হেলিকপ্টারও অবতরণ করতে পারছে না। তিনি বলেন, প্রদেশের প্রধান সড়কটি বরফের কারণে ঢাকা পড়েছে। ফলে উদ্ধারকাজ কঠিন হয়ে পড়েছে।
প্রদেশের তথ্য ও সংস্কৃতিবিষয়ক প্রধান জামিউল্লাহ হাশিমি এএফপিকে বলেন, প্রায় ২০টি বাড়ি ধ্বংস হয়ে গেছে বা ব্যাপকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

তিনি বলেন, এখনো তুষারপাত হচ্ছে। এর মধ্যেই উদ্ধারকাজ চলছে। নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করেছেন তিনি। তবে আফগানিস্তানের বেশির ভাগ এলাকাতেই চলতি বছর তুষারপাত দেরিতে শুরু হয়েছে।

জাতিসংঘের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, জলবায়ু পরিবর্তনে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর মধ্যে একটি এখন আফগানিস্তান। ইতোমধ্যেই টানা তিন বছর ধরে দেশটি খরার কারণে প্রতিকূল অবস্থার সঙ্গে লড়াই করে যাচ্ছে।

কর্মকর্তারা বলছেন, গত বছরের তুলনায় চলতি বছর নুরিস্তান প্রদেশে তুলনামূলক কম তুষারপাত হয়েছে। মোহাম্মদ নবী আদেল বলেন, চলতি বছর আগের বছরগুলোর মতো তুষারপাত হয়নি এবং এটা বেশি দিন স্থায়ীও হচ্ছে না। কয়েক দশক ধরে চলা যুদ্ধের কারণে বিশ্বের অন্যতম দরিদ্র দেশে পরিণত হয়েছে আফগানিস্তান। দুর্যোগপ্রবণ আবহাওয়া এবং জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে দেশটি আরও ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে।


রাফাহতে রমজান পর্যন্ত সময়সীমা বেঁধে দিয়েছে ইসরাইল

আপডেটেড ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৫:৫১
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইসরাইলের মন্ত্রিসভার সদস্য বেনি গ্যান্টজ বলেছেন, ‘ফিলিস্তিনের হামাস যোদ্ধারা রমজানের শুরু নাগাদ গাজায় বন্দী বাকি জিম্মিদের মুক্তি না দিলে ইসরাইলি বাহিনী আগামী মাসে রাফাহ শহরে অভিযান শুরু করবে।’ খবর এএফপির।

রোববার জেরুজালেমে আমেরিকার ইহুদি নেতাদের সম্মেলনে অবসরপ্রাপ্ত সামরিক প্রধান গ্যান্টজ বলেন, ‘বিশ্ব এবং হামাস নেতাদের অবশ্যই জানানো দরকার যে রমজান নাগাদ আমাদের জিম্মিরা বাড়িতে না ফিরলে রাফাহ এলাকাসহ সর্বত্র যুদ্ধ চলবে।’

মুসলমানদের পবিত্র রমজান মাস আগামী ১০ মার্চ থেকে শুরু হবে।

ইসরাইল সরকার শহরটিতে তাদের পরিকল্পিত হামলার জন্য এর আগে কোনো নির্দিষ্ট সময়সীমা এভাবে বেধে দেয়নি। হামাস ও ইসরাইলের মধ্যে যুদ্ধে গৃহহীন হয়ে পড়া ১৭ লাখ ফিলিস্তিনের অধিকাংশ সেখানে আশ্রয় নিয়েছে।

এদিকে, ব্যাপক হতাহতের সম্ভাবনার আশঙ্কা থেকে বিদেশি সরকার এবং দাতা সংস্থাগুলো হামলা থেকে রাফাহ শহরকে রেহাই দেয়ার জন্য ইসরাইলের প্রতি বারবার আহ্বান জানিয়েছে। চারমাস যুদ্ধ চলাকালে স্থল সেনারা শহরটিতে কোন হামলা চালায়নি। এটি হচ্ছে গাজার একটি গুরুত্বপূর্ণ শহর।

বিষয়:

ফিলিপাইনে জঙ্গিদের সাথে সংঘর্ষে ৭ জন নিহত

আপডেটেড ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৩:১৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ফিলিপাইনের দক্ষিণাঞ্চলে ইসলামি উগ্রবাদী জঙ্গিদের সাথে সৈন্যদের সংঘর্ষে সাতজন নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে ছয় সৈন্য এবং এক জঙ্গি রয়েছে। গত ডিসেম্বরে ক্যাথলিক জনগোষ্ঠী লক্ষ্য করে চালানো বোমা হামলায় জড়িত জঙ্গিদের গ্রেফতারে অভিযান চালানোর সময় তাদের মধ্যে এ সংঘর্ষ হয়। সোমবার সেনা মুখপাত্র এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপির।

পিলিপাইন সেনাবাহিনীর মুখপাত্র কর্নেল লুই মেদা-আলা এএফপি’কে বলেন, মিন্দানাও দ্বীপের মুনাই শহরের পার্শ্ববর্তী একটি জঙ্গলে রোববার এ সংঘর্ষ হয়।

তিনি বলেন, ‘এটি হচ্ছে দাওলাহ ইসলামিয়ার জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযানের অংশ। এ অভিযানে দুর্ভাগ্যবশত আমরা হতাহতের শিকার হয়েছি।’

তিনি বলেন, এ সময় নিহতের পাশাপাশি ফিলিপাইনের চার সৈন্য আহত হয়েছে।

দাওলাহ গ্রুপ হলো ইসলামিক স্টেটের প্রতি আনুগত্যের অঙ্গীকার করা কয়েকটি ছোট সশস্ত্র মুসলিম দলগুলোর অন্যতম। এ গ্রুপ ২০২৩ সালের ৩ ডিসেম্বর মারাউইতে ক্যাথলিক জনগোষ্ঠীর ওপর চালানো হামলার দায় স্বীকার করে। ওই হামলায় কমপক্ষে চারজন নিহত এবং কয়েক ডজন আহত হয়েছিল।

সামরিক বাহিনী বলেছে, গত মাসে চালানো এক সেনা অভিযানে ১০ জন দাওলাহ সদস্য নিহত হয়। তাদের মধ্যে জঙ্গিদের কথিত নেতা খাদাফি মিমবেসাও রয়েছে।


মহাকাশে আবহাওয়াবিষয়ক স্যাটেলাইট পাঠাল ভারত

মহাকাশে আবহাওয়াবিষয়ক স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে ভারত। ছবি: এনডিটিভি
আপডেটেড ১৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১১:৪৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মহাকাশে আবহাওয়াবিষয়ক স্যাটেলাইট পাঠিয়েছে ভারত। শনিবার দেশটির হরিকোটা স্পেস স্টেশন থেকে সফল উৎক্ষেপণ করা হয় ইনস্যাট থ্রিডিএ।

এনডিটিভির খবরে বলা হয়েছে, স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টা নাগাদ, জিএসএসএলভি রকেটে চেপে রওনা দেয় এটি। এরই মধ্যে নির্দিষ্ট কক্ষপথে পৌঁছেছে বলে জানিয়েছে ভারতের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা ইসরো। অবস্থান নিয়েছে নিজস্ব মহাকাশ স্টেশনে।

ইসরো জানিয়েছে, পৃথিবী ও সমুদ্রপৃষ্ঠের ওপর নজরদারি চালাবে উপগ্রহটি। এ ছাড়া উপগ্রহটি দিতে পারবে আবহাওয়ার নির্ভুল পূর্বাভাস। প্রাকৃতিক দুর্যোগ নিয়ে দিতে পারবে আগাম তথ্য।

এর আগে একবার ব্যর্থ হয়েছিল ইনস্যাট থ্রিডিএ উৎক্ষেপনের চেষ্টা। তখন এই স্যাটেলাইটের নাম দেওয়া হয়েছিল ‘দুষ্টু ছেলে’। এর আসল নাম অবশ্য জিওসিঙ্ক্রোনাস স্যাটেলাইট লঞ্চ ভেহিকেল। এই ডাক নাম দিয়েছেন ইসরোর সাবেক চেয়ারম্যান। রকেটটির মতিগতি বুঝতে রীতিমতো হিমশিম খেয়েছেন ইসরোর বিজ্ঞানীরা।

বছর বছর জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে ভারতে বেড়েই চলেছে ভয়ংকর ঘূর্ণিঝড়, জলোচ্ছ্বাস, প্রবল তুষারপাত, বন্যা। ভয়ংকর দাবানলের গ্রাসে ছাই হয়ে যাচ্ছে সবুজ বনভূমি। এমন আবহাওয়ার খামখেয়ালি ও দৌরাত্ম্য মোকাবিলায় ইসরোর ‘দূত’ ইনস্যাট-৩ডিএস যাচ্ছে মহাকাশে। পৃথিবীর নিম্নকক্ষে বসে জলবায়ুর গতিপ্রকৃতির দিকে নজর রাখবে ইনস্যাট। লক্ষ্য করবে সাগর-মহাসাগরকে। দুর্যোগ আসবে কি না তার আগাম বার্তা পাঠাবে এটি।


গাজায় রমজানের আগে যুদ্ধবিরতি হতে পারে

ইসরায়েলি হামলায় ধ্বংসস্তূপ গাজা। ছবি: আল জাজিরা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রমজানের আগে ফিলিস্তিনের গাজা উপত্যকায় যুদ্ধবিরতি হতে পারে। এক প্রতিবেদনে এমনটাই জানিয়েছে মার্কিন সংবাদমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। এদিকে গাজা উপত্যকার রাফাহ শহরের বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপদ রাখার কোনো পরিকল্পনা ছাড়াই সেখানে অভিযান শুরুর পাঁয়তারা করছে ইসরায়েল। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আবারও টেলিফোন করে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে সতর্ক করেছেন।

মার্কিন সংবাদমাধ্যম দ্য ওয়াশিংটন পোস্ট এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, ইসরায়েলের প্রধান মিত্র যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ফিলিস্তিনিদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শান্তির জন্য একটি ব্যাপক পরিকল্পনা নিয়ে বেশ কয়েকটি আরব দেশের সঙ্গে কাজ করছে।

সংবাদমাধ্যমটি জানিয়েছে, এই পরিকল্পনায় একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য দৃঢ় সময়সীমা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এদিকে হোয়াইট হাউজের এক বিবৃতিতে বলা হয়, ‘রাফাহ শহরের বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তা এবং সহায়তা নিশ্চিত করার জন্য একটি বিশ্বাসযোগ্য এবং কার্যকরী পরিকল্পনা ছাড়া সেখানে কোনো সামরিক অভিযান চালানো উচিত নয় বলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট তার দৃষ্টিভঙ্গি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।’

ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু বৃহস্পতিবার গভীর রাতে জানিয়েছেন, তিনি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির পরিকল্পনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। তার দাবি, এই ধরনের উদ্যোগ ‘সন্ত্রাসবাদের জন্য একটি বিশাল পুরস্কার প্রদান করবে।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে এক পোস্টে নেতানিয়াহু বলেছেন, ‘ইসরায়েল একটি ফিলিস্তিন রাষ্ট্রের একতরফা স্বীকৃতির বিরোধিতা অব্যাহত রাখবে।’

তার দাবি, ‘এ ধরনের স্বীকৃতি ৭ অক্টোবরের হামলার পরিপ্রেক্ষিতে নজিরবিহীন সন্ত্রাসবাদের জন্য একটি বিশাল পুরস্কার প্রদান করবে এবং ভবিষ্যতের শান্তি চুক্তিতে বাধা দেবে।’

ওয়াশিংটন পোস্ট জানিয়েছে, অন্তত ছয় সপ্তাহের যুদ্ধবিরতি দিয়ে পরিকল্পনাটি নিয়ে আলোচনা শুরু হবে বলে আশা করা হচ্ছে। কর্মকর্তারা আশা করছেন, ১০ মার্চ পবিত্র রমজান মাস শুরু হওয়ার আগে যুদ্ধবিরতির একটি চুক্তিতে পৌঁছানো যেতে পারে। চুক্তিতে যুদ্ধবিরতি ৭ অক্টোবরের হামলার পর থেকে গাজায় হামাসের হাতে জিম্মিদের মুক্তি এবং ফিলিস্তিনি রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য একটি সময়সূচি অন্তর্ভুক্ত থাকবে।

প্রসঙ্গত, ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজায় নির্বিচারে হামলা চালিয়ে ২৮ হাজার ৭৭৫ জনকে হত্যা করেছে ইসরায়েল। শুক্রবার গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ২৪ ঘণ্টায় ইসরায়েলি হামলায় নিহত হয়েছে ১১২ জন। এদিকে জাতিসংঘ প্রধান বলেছেন যে, বৈশ্বিক ব্যবস্থা এখন আর কাজ করছে না।

আনাদুলু এজেন্সির খবরে বলা হয়েছে, ৭ অক্টোবর থেকে গাজায় হামলায় নিহত হয়েছেন ২৮ হাজার ৭৭৫ জন। আহত হয়েছেন ৬৮ হাজার ৫৫২ জন।

গাজার স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘অনেক মানুষ এখনও ধ্বংসস্তূপের নিচে ও রাস্তায় আটকে আছে এবং উদ্ধারকারীরা তাদের কাছে পৌঁছাতে পারছে না। খবরে বলা হয়েছে, খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি এবং ওষুধের তীব্র সংকটের মধ্যে অভ্যন্তরীণ বাস্তুচ্যুতির শিকার হয়েছেন গাজার ৮৫ শতাংশ বাসিন্দা। ছিটমহলের বেশির ভাগ অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়ে গেছে।

তেল আবিব এখন গাজার দক্ষিণের শহর রাফাহতে একটি স্থল আক্রমণের পরিকল্পনা করছে, যেখানে ১৪ লাখ মানুষ আশ্রয় নিয়েছে।


পারিবারিক বিরোধ: ১২ আত্মীয়কে গুলি করে হত্যা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে এক ব্যক্তি তার ১২ জন আত্মীয়কে গুলি করে হত্যা করেছে। দেশটিতে এটি একটি বিরল ঘটনা। শনিবার রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম এ কথা জানিয়েছে। খবর এএফপি’র।

ইরানের কেরমান প্রদেশের প্রধান বিচারপতি ইব্রাহিম হামিদির বরাত দিয়ে সরকারি বার্তা সংস্থা আইআরএনএ জানায়, ৩০ বছর বয়সী এক ব্যক্তি পারিবারিক বিরোধের জের ধরে প্রদেশটির ফারিয়াব শহরের কাছে একটি বাড়িতে করে পিতা ও ভাইসহ তার পরিবারের ১২ সদস্যকে গুলি করে হত্যা করে। সে এ হত্যাকান্ডে কালাশনিকভ বন্দুক ব্যবহার করে।

বার্তা সংস্থাটি আরও জানায়, সেখান থেকে তাকে গ্রেফতারের চেষ্টা করার সময় নিরাপত্তা বাহিনীর সাথে বন্দুকযুদ্ধে ওই ব্যক্তি নিহত হয়।

ইরানে এ ধরনের ভয়াবহ বন্দুক হামলার ঘটনা একেবারেই বিরল। দেশটির জনগণ কেবলমাত্র শিকারের কাজে ব্যবহারের জন্য বন্দুক রাখার সুযোগ পেয়ে থাকে।

জানুয়ারিতে একই প্রদেশে একটি সামরিক ঘাঁটির ভেতরে সেনাবাহিনীর এক কর্মী গুলি চালিয়ে পালিয়ে যাওয়ার আগে কমপক্ষে পাঁচজন সৈন্যকে হত্যা করেছিল। গুলি করে পালিয়ে চাওয়া ওই ব্যক্তিকে সেনাবাহিনীতে যোগ দিতে বাধ্য করা হয়েছিল।


বাড়ি ফিরেছেন সাবেক থাই প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

থাইল্যান্ডের সাবেক প্রধানমন্ত্রী থাকসিন সিনাওয়াত্রা পুলিশ হাসপাতাল থেকে ব্যাংককে তার নিজ বাড়িতে ফিরেছেন।

থাকসিন ১৫ বছরের স্বেচ্ছানির্বাচন শেষে দেশে ফেরার ঠিক ছয় মাস পর রোববার দুই মেয়ে পেতংটার্ন এবং পিন্টংটাকে সাথে নিয়ে পুলিশ হাসপাতাল থেকে ব্যাংককের বাড়িতে ফেরেন।

থাকসিনকে এই পুলিশ হাসপাতালে ছয় মাস থাকতে হয়েছে। এদিকে হাসপাতালের সামনে মুষ্টিমেয় লোককে থাকসিনের মুক্তির প্রতিবাদ করতে দেখা গেছে।

দু’দুবারের নির্বাচিত প্রধানমন্ত্রী থাকসিন ২০০৬ সালে সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত হন। আগস্টে ফেরার পর দুর্নীতি ও ক্ষমতার অপব্যবহারের অভিযোগে তার আট বছরের কারাদন্ড হয়।

কিন্তু রাজা মহা ভাজিরালংকর্ন তার প্রত্যাবর্তনের কয়েকদিনের মধ্যে তার সাজা এক বছর কমিয়ে দেন। এদিকে গত সপ্তাহে সরকার বয়স ও স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে ৭৪ বছর বয়সী থাকসিনকে মুক্তির ঘোষণা দেয়।

উল্লেখ্য, আধুনিক থাই ইতিহাসের সবচেয়ে প্রভাবশালী ও বিভাজনকারী ব্যক্তিত্ব সাবেক এই টেলিকম টাইকন। গ্রামাঞ্চলের লাখ লাখ লোক থাকসিনকে ভালোবাসত প্রবলভাবে। কিন্তু তিনি রাজকীয় ও সেনা সমর্থিত অভিজাত শ্রেনীর ছিলেন চক্ষুশূল।

তার বোন ইয়াংলাক সিনাওয়াত্রা ২০১১ সালে থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাকেও ২০১৪ সালে সেনা অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়।

বর্তমানে তার কন্যা পেতংটার্ন সিনাওয়াত্রা পিউ থাই দলের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।


banner close