সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

ইউক্রেনের ড্রোন হামলা নস্যাৎ করার দাবি রাশিয়ার

আপডেটেড
৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৫২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৫২

রাশিয়া মঙ্গলবার সকালে দাবি করেছে- তাদের ইউক্রেন সীমান্তবর্তী পশ্চিম বেলগোরোদ অঞ্চলে রাতে কিয়েভের একটি ড্রোন হামলা ব্যর্থ করে দিয়েছে ।

প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় টেলিগ্রামে বলেছে, ‘আজ রাতে, রুশ ফেডারেশন অঞ্চলের লক্ষ্যবস্তুতে কিয়েভের সাতটি ইউএভি টাইপ ব্যবহার করে সন্ত্রাসী হামলা চালানোর একটি প্রচেষ্টা নস্যাৎ করা হয়েছে।’ খবর এএফপির।

মন্ত্রণালয় হামলার সঠিক স্থান বা এটি কোনো ক্ষতি বা আঘাত করেছে কিনা তা উল্লেখ না করে বলেছে, মনুষ্যবিহীন ইউক্রেনীয় সমস্ত আকাশযানকে বেলগোরোদ অঞ্চলে মোতায়েন বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা দ্বারা আটকানো হয়েছে।

বেলগোরোদ অঞ্চলের গভর্নর ভ্যাচেস্লাভ গ্ল্যাডকভ বলেন, গুবকিন নগরী ইউক্রেনের ড্রোন হামলার শিকার হয়েছে। গ্ল্যাডকভ টেলিগ্রামে বলেন, হামলায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি, তবে চারটি বাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। সেগুলির জানালা ভেঙে গেছে, ছাদ, সম্মুখভাগ ও বেড়া ধসে গেছে।

সম্প্রতি রাশিয়ান ভূখন্ডের বিরুদ্ধে বিশেষত সীমান্ত অঞ্চলগুলির পাশাপাশি রাজধানী মস্কো ও উত্তরাঞ্চলীয় নগরী সেন্ট পিটার্সবার্গ লক্ষ্য করে ইউক্রেন ড্রোন হামলা বাড়িয়েছে।

৩০ ডিসেম্বর আঞ্চলিক রাজধানী বেলগোরোদে এই ধরনের সবচেয়ে মারাত্মক হামলায় ২৫ জন নিহত এবং প্রায় এক’শ জন আহত হয়। ওই ঘটনায় আরও কয়েক শতাধিক লোককে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।


ইরান-যুক্তরাষ্ট্র শান্তি আলোচনা সঠিক পথেই এগোচ্ছে: বেইজিংয়ে শাহবাজ শরিফ

আপডেটেড ২৫ মে, ২০২৬ ১৮:৫৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে শান্তি চুক্তি বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চলমান কূটনৈতিক তৎপরতা একদম সঠিক পথেই এগিয়ে যাচ্ছে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ। চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে দেশটির শীর্ষ নেতাদের সাথে আয়োজিত এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে তিনি এই মন্তব্য করেন।

এই শান্তি প্রক্রিয়ার অন্যতম প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে পরিচিত পাকিস্তানের সেনাপ্রধান জেনারেল আসিম মুনিরও বর্তমানে প্রধানমন্ত্রীর সাথে চীন সফরে রয়েছেন।

বেইজিংয়ে চীনা নেতৃত্বের সাথে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই আলোচনার সময় সেনাপ্রধান আসিম মুনিরকে পাশে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতির ওপর আলোকপাত করেন।

এই বিষয়ে তিনি বলেন, বর্তমান সময়ে সমগ্র বিশ্ব একটি অত্যন্ত সংকটময়, সংবেদনশীল ও জটিল মুহূর্ত অতিক্রম করছে। তবে এমন প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যেও ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের সম্ভাব্য শান্তি চুক্তি নিয়ে তিনি ইতিবাচক ইঙ্গিত দেন এবং ইরান তাদের ইউরেনিয়াম স্থানান্তরে রাজি হয়েছে বলেও জানা যায়।

চলমান এই কূটনৈতিক উদ্যোগ নিয়ে আশার বাণী শুনিয়ে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বিশ্ব ও আঞ্চলিক শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে চলমান সমস্ত প্রক্রিয়া ও দ্বিপাক্ষিক বিষয়গুলো এখন সঠিক ট্র্যাকেই অগ্রসর হচ্ছে। বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যসহ এই অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার পাশাপাশি তা আরও সামনের দিকে এগিয়ে নেওয়ার জন্য চীন যেভাবে বরাবর সমর্থন ও সহযোগিতা দিয়ে যাচ্ছে, সেজন্য তিনি চীনা নেতৃত্বের প্রতি আন্তরিক ধন্যবাদ ও গভীর কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন।


পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা শুরু আজ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

আজ সোমবার ২৫ মে থেকে শুরু হয়েছে ২০২৬ সালের পবিত্র হজের মূল আনুষ্ঠানিকতা। সারা বিশ্ব থেকে আসা লাখ লাখ ধর্মপ্রাণ মুসলমান ইহরামের সাদা পোশাকে এখন মিনার তাঁবুর নগরীতে অবস্থান করছেন। গতকাল রবিবার রাত থেকেই হাজিরা ধাপে ধাপে মক্কার পবিত্র কাবা শরীফ থেকে মিনার উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। ‘লাব্বায়েক আল্লাহুম্মা লাব্বায়েক’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠেছে পুরো হজ এলাকা, যা বিশ্ব মুসলিমের এক অনন্য ও আবেগঘন মিলনমেলায় পরিণত হয়েছে।

ইসলামি শরিয়তের বিধান অনুযায়ী, ৮ জিলহজ অর্থাৎ আজ সারা দিন ও রাত হাজিরা মিনায় অবস্থান করবেন। সেখানে অবস্থানকালে তারা ফজর থেকে শুরু করে এশা পর্যন্ত পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায়ের পাশাপাশি মহান আল্লাহর ইবাদত-বন্দেগিতে মশগুল থাকবেন। আগামীকাল ৯ জিলহজ মঙ্গলবার ভোরে হাজিরা হজের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ রুকন পালনের জন্য মিনা থেকে আরাফাতের ময়দানের উদ্দেশে রওনা হবেন। মূলত আরাফাতের ময়দানে অবস্থান করাই হজের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে বিবেচিত।

এ বছর আরাফাতের ময়দানে হজের ঐতিহাসিক খুতবা প্রদান করবেন মসজিদে নববীর প্রধান ইমাম ও খতিব শায়েখ আলি বিন আবদুল রহমান আল-হুদাইফি। সূর্যাস্ত পর্যন্ত আরাফাতে দোয়া ও মোনাজাতে অবস্থানের পর হাজিরা মুজদালিফার দিকে যাবেন এবং সেখানে খোলা আকাশের নিচে রাতযাপন করবেন। পরদিন ১০ জিলহজ বড় জামরায় শয়তানের উদ্দেশে কঙ্কর নিক্ষেপ, পশু কোরবানি এবং মাথা মুণ্ডনের মাধ্যমে হজের প্রাথমিক কার্যাবলি সম্পন্ন করবেন হাজিরা। এরপর ১১ ও ১২ জিলহজ মিনায় অবস্থান শেষে পুনরায় মক্কায় ফেরার মাধ্যমে হজের সফর শেষ হবে।

সংশ্লিষ্টদের ধারণা অনুযায়ী, চলতি বছর বিশ্বজুড়ে প্রায় ১৬ থেকে ১৮ লাখ মুসলমান হজ পালন করছেন, যার মধ্যে বাংলাদেশ থেকে গিয়েছেন প্রায় সাড়ে ৭৮ হাজার হজযাত্রী। গত বছর অর্থাৎ ২০২৫ সালে হজ পালনকারীর সংখ্যা ছিল প্রায় ১৬ লাখ ৭৩ হাজার, তবে এবার সেই রেকর্ড ছাড়িয়ে যাওয়ার জোরালো সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। হাজিদের এই বিশাল সমাবেশ সামলাতে সৌদি আরব সরকার মিনায় শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত আধুনিক তাঁবু ও উন্নত স্যানিটেশনসহ হাজিদের জন্য সব ধরনের প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা নিশ্চিত করেছে।

পবিত্র হজের কার্যক্রম নির্বিঘ্ন ও সুশৃঙ্খল করতে সৌদি আরব প্রশাসন ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। দেশটির বিশেষ নিরাপত্তা ও সুরক্ষা বাহিনীর কমান্ডার মেজর জেনারেল মনসুর বিন নাসের আল-ফায়েজ জানিয়েছেন, হাজিদের নিরাপত্তা এবং যাতায়াত ব্যবস্থা নিশ্চিতে সব বাহিনী পূর্ণ প্রস্তুতি নিয়ে কাজ করছে। বিভিন্ন নিরাপত্তা ও সেবামূলক সংস্থার মধ্যে চমৎকার সমন্বয়ের ফলে এবারের হজ আরও শান্তিপূর্ণ ও সুসংগঠিত হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মিনা থেকে আরাফাত পর্যন্ত পুরো পথজুড়ে নিরাপত্তা বাহিনীর কঠোর নজরদারি ও হাজিদের সহায়তায় স্বেচ্ছাসেবীরা কাজ করে যাচ্ছেন।


ভারতে ১০ দিনে চতুর্থবার বাড়ল জ্বালানির দাম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভারতে জ্বালানি তেলের দাম লাগামহীনভাবে বেড়েই চলেছে। গত দশ দিনে দেশটিতে চতুর্থবারের মতো বাড়ানো হয়েছে পেট্রোল ও ডিজেলের মূল্য। গতকাল শনিবার ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে খুচরা পর্যায়ে প্রতি লিটার পেট্রোলের দাম ২ দশমিক ৬১ রুপি এবং ডিজেলের দাম ২ দশমিক ৭১ রুপি বৃদ্ধি করা হয়েছে। এই দফায় দাম বাড়ার ফলে ইতিহাসে প্রথমবারের মতো নয়াদিল্লিতে পেট্রোলের দাম একশ রুপির গণ্ডি ছাড়িয়ে ১০২ দশমিক ১২ রুপিতে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে ডিজেলের দামও সেঞ্চুরির দোরগোড়ায় এসে দাঁড়িয়েছে, বর্তমানে যা প্রতি লিটার ৯৫ দশমিক ২০ রুপিতে বিক্রি হচ্ছে।

জ্বালানির এই মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব পড়েছে ভারতের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোতেও। পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় পেট্রোলের দাম লিটার প্রতি ২ দশমিক ৮৭ রুপি বেড়ে বর্তমানে ১১৩ দশমিক ৫১ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। একইভাবে ডিজেলের দাম ২ দশমিক ৮০ রুপি বাড়ায় কলকাতায় তা বিক্রি হচ্ছে ৯৯ দশমিক ৮২ রুপিতে। মুম্বাইতে প্রতি লিটার পেট্রোল এখন ১১১ দশমিক ২১ রুপি এবং ডিজেল ৯৭ দশমিক ৮৩ রুপিতে পাওয়া যাচ্ছে। চেন্নাইয়েও পেট্রোল ও ডিজেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়ে যথাক্রমে ১০৭ দশমিক ৭৭ এবং ৯৯ দশমিক ৫৫ রুপিতে দাঁড়িয়েছে। গত দশ দিনের ব্যবধানে দেশটিতে পেট্রোল ও ডিজেলের দাম মোটের ওপর সাত রুপিরও বেশি বেড়েছে।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের সরবরাহ নিয়ে তৈরি হওয়া চরম অনিশ্চয়তাই এই মূল্যবৃদ্ধির প্রধান কারণ বলে মনে করা হচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যকার তীব্র সংঘাতের ফলে পশ্চিম এশিয়ায় ভয়াবহ জ্বালানি সংকট দেখা দিয়েছে। বিশেষ করে হরমুজ প্রণালিতে পণ্যবাহী জাহাজ চলাচলে বিঘ্ন ঘটায় সরবরাহ ব্যবস্থা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়েছে। ভারতের শীর্ষস্থানীয় তেল সরবরাহকারী সংস্থা ইন্ডিয়ান অয়েল কর্পোরেশন ও ভারত পেট্রোলিয়ামের মতো প্রতিষ্ঠানগুলো জানিয়েছে, দীর্ঘদিন ধরে তারা আন্তর্জাতিক বাজার থেকে চড়া দামে তেল কিনেও অভ্যন্তরীণ বাজারে দাম স্থিতিশীল রেখেছিল। এর ফলে প্রতিদিন সংস্থাগুলোর প্রায় এক হাজার কোটি টাকা লোকসান হচ্ছিল, যা শেষ পর্যন্ত গ্রাহক পর্যায়ে দাম বাড়িয়ে সমন্বয় করা ছাড়া আর কোনো উপায় ছিল না।

জ্বালানি তেলের এই অস্বাভাবিক দাম বাড়ার ফলে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় বহুগুণ বেড়ে গেছে। পরিবহন খরচ বাড়ার সরাসরি প্রভাবে ইতিমধ্যে বাজারে দুধ, রুটিসহ বিভিন্ন নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বৃদ্ধি পেতে শুরু করেছে। এই সংকটময় পরিস্থিতিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি দেশবাসীকে জ্বালানি সাশ্রয়ের আহ্বান জানিয়েছেন। একই সঙ্গে দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ সুরক্ষিত রাখতে আগামী এক বছর সোনা কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে না এলে আগামী দিনগুলোতে ভারতের অর্থনীতি আরও বড় ধরনের চাপের মুখে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশেষজ্ঞরা।

উল্লেখ্য যে, ভারতে গত ১৫ মে থেকে ধারাবাহিকভাবে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ছে। ১৫ মে এক ধাক্কায় লিটার প্রতি ৩ রুপি বাড়ার পর ১৯ মে ও ২৩ মে আরও দুই দফায় দাম বাড়ানো হয়। আন্তর্জাতিক পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে তেলের এই ঊর্ধ্বগতি কবে নাগাদ স্থিতিশীল হবে, সে বিষয়ে নির্দিষ্ট কোনো পূর্বাভাস দিতে পারছে না তেল সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলো। ফলে সাধারণ জনগণের মধ্যে ক্ষোভ ও উদ্বেগ ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে।


ইরানের সঙ্গে সমঝোতা চুক্তি ‘আজই’ সম্পন্ন হতে পারে: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তেহরানের সাথে বিদ্যমান সংঘাত নিরসনে একটি সমঝোতা চুক্তি ‘আজই’ সম্পন্ন হতে পারে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। বর্তমানে ভারত সফরে থাকা রুবিও নয়াদিল্লিতে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘গত রাতে কিংবা আজ কোনো অগ্রগতির খবর আসতে পারে বলে আমরা ভেবেছিলাম। তবে এ নিয়ে এখনই বেশি কিছু বলা ঠিক হবে না।‘ একই সঙ্গে তিনি ইসরাইলের আত্মরক্ষার বিষয়টিকে সমর্থন জানিয়ে উল্লেখ করেন যে, ‘ইসরাইলের নিজের নিরাপত্তা রক্ষার অধিকার সবসময়ই আছে। যদি হিজবুল্লাহ ইসরাইলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে বা হামলা চালায়, তাহলে জবাব দেওয়ার অধিকার তেল আবিবের অবশ্যই রয়েছে।’

দিল্লি ত্যাগের প্রাক্কালে তিনি এই অভিমত ব্যক্ত করেন বলে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা এএফপি জানিয়েছে। অন্যদিকে, ইরানের সাথে নতুন কোনো চুক্তির বিষয়ে মার্কিন প্রশাসন কোনো প্রকার তাড়াহুড়ো করবে না বলে জানিয়েছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। গত রোববার (২৪ মে) নিজের সামাজিক মাধ্যম ট্রুথ স্যোশালে দেওয়া এক বার্তায় ট্রাম্প পরিষ্কার করেন যে, সংশ্লিষ্ট চুক্তিটি চূড়ান্তভাবে স্বাক্ষরিত ও প্রত্যয়িত না হওয়া পর্যন্ত ইরানের ওপর মার্কিন নৌ অবরোধ সম্পূর্ণ বলবৎ থাকবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, শনিবারের তুলনায় ট্রাম্পের বর্তমান অবস্থান কিছুটা সংহত, যদিও তিনি ইতিপূর্বে দাবি করেছিলেন যে চুক্তিটি প্রায় চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছেছে।


পাকিস্তানে সন্ত্রাসী হামলায় নিহত ২৪

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পাকিস্তানের বেলুচিস্তান প্রদেশে সেনাসদস্য বহনকারী একটি ট্রেনে হামলার ঘটনায় অন্তত ২৪ জন নিহত হয়েছেন। রোববার (২৪ মে) সকালে ট্রেনটি লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয় বলে পাকিস্তানের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন। হামলার দায় স্বীকারে বিবৃতি দিয়েছে সশস্ত্র গোষ্ঠী বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ)।

ওই কর্মকর্তা ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপিকে জানান, প্রাদেশিক রাজধানী কোয়েটায় সংঘটিত এ হামলায় নিহতদের মধ্যে সেনাবাহিনীর সদস্যরাও রয়েছেন। আহত হয়েছেন আরও অর্ধশতাধিক।

ঘটনার পর প্রকাশিত ছবিতে একটি ট্রেনের বগিকে দুমড়েমুচড়ে পাশে পড়ে থাকতে দেখা যায়। লোকজনকে ধ্বংসস্তূপের ওপর উঠে প্রিয়জনদের খুঁজতে দেখা গেছে। রক্তাক্ত আহতদের স্ট্রেচারে করে লাইনচ্যুত বগি থেকে সরিয়ে নিতে দেখা যায়। এ সময় সশস্ত্র নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে পাহারায় ছিলেন।

পরিচয় প্রকাশ না করে আরেক কর্মকর্তার বরাতে এএফপি জানায়, সেনাসদস্য ও তাদের পরিবারের সদস্যদের বহনকারী ট্রেনটি কোয়েটা থেকে পাকিস্তানের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলীয় শহর পেশোয়ারে যাচ্ছিল। কোয়েটার চামান পাটাক এলাকায় একটি সিগন্যাল অতিক্রম করার সময় বিস্ফোরকবোঝাই একটি গাড়ি ট্রেনের একটি বগিতে আঘাত হানে। এতে বড় ধরনের বিস্ফোরণ ঘটে।

ওই কর্মকতা বলেন, বিস্ফোরণে ট্রেনের জানালার কাচ উড়ে যায় ও আশপাশের কয়েকটি যানবাহন ধ্বংস হয়। সেনাসদস্যরা আসন্ন ঈদ উদযাপনের জন্য ভ্রমণ করছিলেন।

আগামী মঙ্গলবার (২৬ মে) থেকে দেশটিতে ঈদের ছুটি শুরু হওয়ার কথা রয়েছে। হামলার দায় স্বীকার করে দেওয়া বিবৃতিতে বেলুচ লিবারেশন আর্মি (বিএলএ) এটিকে আত্মঘাতী বিস্ফোরণ বলেছে।

বিএলএ বলেছে, সকালে বেলুচ লিবারেশন আর্মির ফিদায়ী (আত্মত্যাগী) ইউনিট মজিদ ব্রিগেড একটি অত্যন্ত সুসংগঠিত ফিদায়ী হামলায় কোয়েটা ক্যান্টনমেন্ট থেকে দখলদার বাহিনীর সদস্যদের বহনকারী একটি ট্রেনকে লক্ষ্যবস্তু করেছে। এই অভিযানের সম্পূর্ণ দায় স্বীকার করছে বেলুচ লিবারেশন আর্মি।

বেলুচিস্তান পাকিস্তানের সবচেয়ে দরিদ্র ও আয়তনের দিক থেকে বৃহত্তম প্রদেশ। শিক্ষা, কর্মসংস্থান ও অর্থনৈতিক উন্নয়নসহ প্রায় সব সূচকেই এটি দেশের অন্য অংশগুলোর তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। গোষ্ঠীটির অভিযোগ, স্থানীয় জনগণকে উপকৃত না করে পাকিস্তান সরকার প্রদেশটির প্রাকৃতিক গ্যাস ও বিপুল খনিজ সম্পদ ব্যবহার করছে।


ভোটের ২০ দিন পর মুখ খুললেন মমতা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা ভোটের ফল প্রকাশের ২০ দিন পর মুখ খুললেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রধান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফেসবুক লাইভে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি। সংবাদমাধ্যমের বিরুদ্ধেও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী।

গত ৪ মে বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশ হয়েছে। আরও একটি আসনে জিতছে বিজেপি। এদিনই ফেসবুক লাইভে মুখ খুললেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। একটি সাংবাদিক সম্মেলন বাদে, ফল প্রকাশের পর আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি মমতাকে। এবার বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ তুলে ধরেছেন মমতা। তার দাবি, ২২০ থেকে ২৩০টা আসন পাওয়ার কথা ছিল তৃণমূলের, কিন্তু পাশা উল্টে দেওয়া হয়েছে। খবর টিভি নাইন বাংলার।

ফেসবুক লাইভে এসে তিনি নির্বাচনের ফলাফল, দলীয় পরিস্থিতি এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন।

লাইভে মমতা বলেন, এটা কি সত্যি নির্বাচন হয়েছে? নাকি প্রহসন হয়েছে? জাতীয় নির্বাচন কমিশন ডেটা হ্যাকিং করেছে। আমাদের কাছে খবর আছে। আমাকে, আমার এজেন্টকে বের করে দেওয়া হয়েছে। জেতার জায়গা হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। এই পাশাটা উল্টে দেওয়া হয়েছে অন্তত ১৫০ সিটে। আমরা ২২০ থেকে ২৩০টা আসন পেতাম। মানুষের কোনও দোষ নেই। এইভাবে কোনও রাজ্য চলতে পারে না। অনেকে ভয় পাচ্ছেন। কেউ ভাবছেন আমার চাকরিটা কী হবে, কেউ ভাবছেন আমার ব্যবসাটা কী হবে!

যুবভারতীর মূর্তি প্রসঙ্গে মমতা বলেন, ছোট ছোট শিশুরা ওখানে সেলফি তুলত। ফিফা অ্যাপ্রিসিয়েট করেছিল। সেটা ভেঙে দিলেন।

তিনি আরও বলেন, আপনারা আজান চান না। শব্দের মাত্রা বেঁধে দিন। সবার জন্য একই নিয়ম করুন। কারও অধিকার আপনি কাড়তে পারেন না। যে সুদীপ পোল্লে, পহেলগাঁও-এর ঘটনায় মৃতের পরিবারের দেখাশোনা করেন, তাকে গ্রেপ্তার করলেন। আপনারা ভোট লুট করেছেন। আমাদের দুই থেকে আড়াই হাজার কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছেন, হকারদের জীবন-জীবিকা কেড়ে নিয়েছেন। পার্টি অফিস ভেঙে দিয়েছেন।

মমতা বলেন, ইভিএম মেশিনের রিপোর্ট চাই আমাদের। উপরওয়ালা দেখছে। আপনি বাংলাকে লুট করেছেন। আপনার দিল্লি চলে যাবে। আইন সবার জন্য এক। আপনারা সত্যি জিতলে অত্যাচার করতেন না। আমার অস্ত্র আমার ফেসবুক। আমি এখন কোনও মিডিয়ায় কথা বলব না। আগামী দিনে কিছু বলার থাকলে ফেসবুক লাইভেই বলব।

তিনি আরও বলেন, নির্বাচনের ফলাফল ‘জনগণের রায়’ হিসেবে মেনে নিচ্ছি, তবে কিছু জায়গায় অনিয়ম হয়েছে। তিনি দাবি করেন, বিরোধীরা প্রশাসনিক প্রভাব ও বিভ্রান্তি ছড়িয়ে ভোটের ফলকে প্রভাবিত করেছে।

দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তিনি হতাশ না হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, সংগঠনকে নতুন করে শক্তিশালী করতে হবে। মানুষের পাশে থাকলেই আবার ঘুরে দাঁড়ানো সম্ভব। একই সঙ্গে তিনি দলীয় স্তরে কিছু পরিবর্তনের আভাস দেন।

মমতা আরও জানান, আগামী দিনে রাজ্যের উন্নয়নমূলক কাজ অব্যাহত থাকবে এবং জনগণের সমস্যা সমাধানে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ থাকবে। তিনি কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধেও বিভিন্ন নীতিগত সমালোচনা তুলে ধরেন।

রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ফেসবুক লাইভ ছিল তৃণমূল নেতৃত্বের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বার্তা— দল পুনর্গঠনের ইঙ্গিত এবং কর্মীদের মনোবল বাড়ানোর চেষ্টা। তবে বিরোধী শিবির মমতার এই বক্তব্যকে ‘পরাজয় ঢাকার চেষ্টা’ বলে মন্তব্য করেছে। তাদের দাবি, জনগণ পরিবর্তনের পক্ষেই রায় দিয়েছে।


কানাডা থেকে স্বাধীন হয়ে যেতে চায় আলবার্টা প্রদেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

কানাডার পশ্চিমাঞ্চলীয় প্রদেশ আলবার্টার স্বাধীন হওয়ার ইচ্ছা আছে কি না, সে বিষয়ে নাগরিকদের মতো জানতে আগামী অক্টোবর মাসে একটি গণভোট হতে যাচ্ছে। এটি শুধু আলবার্টার ভবিষ্যৎই নয়, বরং পুরো কানাডার ঐক্যের জন্যও গত কয়েক দশকের মধ্যে সবচেয়ে বড় একটি পরীক্ষা হিসেবে দেখা হচ্ছে।

এই ভোটাভুটিতে ঠিক হবে প্রদেশটি কানাডার অংশ হিসেবেই থাকতে চায় নাকি স্বাধীনতা লাভের জন্য একটি চূড়ান্ত আইনি গণভোটের প্রক্রিয়া শুরু করতে চায়। গত ২১ মে এক টেলিভিশন ভাষণে আলবার্টার নেতা প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ এই ভোট আয়োজনের ঘোষণা দেন। তবে তিনি ব্যক্তিগতভাবে অবিভক্ত কানাডাকে সমর্থন করেন বলে জানিয়েছেন।

কানাডার তেলসমৃদ্ধ প্রদেশটিতে বেশ কয়েক বছর ধরেই বিচ্ছিন্নতাবাদী আবেগ প্রবল হচ্ছে। স্বাধীনতা নিয়ে একটি গণভোট আয়োজনের দাবিতে অন্তত ৩ লাখ মানুষ একটি পিটিশন সই করার পরই ভোটাভুটির এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

গণভোটের প্রশ্নটা কী হবে?

ভোটারদের জন্য প্রশ্নটা শুধু সাধারণ কোনো ‘থাকবেন’ নাকি ‘যাবেন’ গোছের হবে না। এর বদলে তাদের কাছে জানতে চাওয়া হবে: ‘আলবার্টা কি কানাডার একটি প্রদেশ হিসেবেই থাকবে, নাকি আলবার্টা সরকারের উচিত কানাডার সংবিধান অনুযায়ী একটি চূড়ান্ত প্রাদেশিক গণভোট আয়োজনের আইনি প্রক্রিয়া শুরু করা—যাতে ঠিক করা যায় যে আলবার্টা কানাডা থেকে বিচ্ছিন্ন হবে কি না?’

প্রিমিয়ারের দপ্তর থেকে বিবিসিকে স্পষ্ট করা হয়েছে যে ভোটাররা মূলত দুটি বিকল্প পাবেন—‘ক’ বিকল্প হলো কানাডার অংশ হিসেবে থাকা, আর ‘খ’ বিকল্প হলো একটি আইনি গণভোট আয়োজনের প্রক্রিয়া শুরু করা।

কেন এই পরিস্থিতি?

এই ভোটাভুটির সূত্রপাত মূলত কিছু আলবার্টাবাসীর দীর্ঘদিনের আন্দোলনের ফসল। তারা দীর্ঘদিন ধরে দাবি করে আসছেন যে, কানাডা থেকে আলবার্টার পুরোপুরি স্বাধীন হয়ে যাওয়া উচিত।

গত এক বছর ধরে তারা পুরো প্রদেশজুড়ে সাধারণ মানুষের মতামত বোঝার জন্য অনেক জনসভার আয়োজন করেছিলেন। এরপর, গত বছরের শুরুতে আলাদা হওয়ার দাবিতে সাধারণ মানুষের সই করা একটি পিটিশন তৈরি করেন তারা। সেখানে তিন লাখেরও বেশি মানুষ সই করেছিলেন।

তবে চলতি মাসের শুরুর দিকে আলবার্টার একটি আদালত ওই পিটিশনটি আটকে দিয়েছিল। আদালতের রায় ছিল—নাগরিক পিটিশন আইনের অধীনে স্বাধীনতা ভোটের জন্য মানুষের সই জোগাড় করতে সরকার যে অনুমতি দিয়েছিল, তাতে কিছু আদিবাসীদের (ফার্স্ট নেশন্সের) সঙ্গে কোনো কথা বলা হয়নি। যদি আলবার্টা সত্যি সত্যি একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে গড়ে ওঠে, তাহলে আদিবাসীদের জায়গাজমি ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।

এদিকে, আলবার্টার সাবেক উপপ্রধানমন্ত্রী টমাস লুকাজুকের নেতৃত্বে আরও একটি গ্রুপ ‘ফরেভার কানাডিয়ান’ নামে আলাদা না হওয়ার পক্ষে একটি পিটিশন খুলেছিল। সেখানে প্রদেশটির প্রায় ৪ লক্ষেরও বেশি মানুষ সই করেছিলেন।

আলবার্টার বর্তমান জনসংখ্যা মাত্র ৫০ লক্ষের সামান্য বেশি। প্রিমিয়ার ড্যানিয়েল স্মিথ জানিয়েছিলেন যে তিনি ওই আদালতের রায় নিয়ে ‘খুবই চিন্তিত’ এবং কোনো একজন বিচারককে ‘আলবার্টার লাখ লাখ মানুষের কণ্ঠকে থামিয়ে দিতে’ দেবেন না।

তার সরকার এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করেছে বলেও তিনি জানান। তবে তিনি এও বলেছিলেন যে, ‘এই ইস্যু নিয়ে কোনো সিদ্ধান্ত নিতে দেরি করা মানেই এই অত্যন্ত আবেগময় এবং গুরুত্বপূর্ণ বিতর্কটিকে দীর্ঘায়িত করা।’

তাই কোনো আইনি সিদ্ধান্তের পরোয়া না করে স্বাধীনতাকামীদের প্রবল চাপের মুখেই তিনি গণভোট আয়োজনের ঘোষণা দিয়েছেন।

এই স্বাধীনতাকামী কারা এবং তারা আসলে কী চান?

আলবার্টার এই স্বাধীনতাকামী আন্দোলনের সামনে রয়েছেন মূলত দুজন ব্যক্তি—বনিভিল শহরের একটি অস্ত্রের দোকানের মালিক মিচ সিলভেস্টার এবং ক্যালগেরির একজন আইনজীবী জেফরি রাথ। আন্দোলনের পথ ধরে আরও অনেকেই তাদের সঙ্গে যোগ দিয়েছেন।

তারা দুজনেই ‘আলবার্টা প্রোসপারিটি প্রজেক্ট’ বা ‘আলবার্টা সমৃদ্ধি প্রকল্প’ নামের একটি গ্রুপের সাথে যুক্ত। তাদের বিশ্বাস, লিবারেল পার্টির (কানাডার সরকার) দীর্ঘদিন ক্ষমতায় থাকার কারণে আলবার্টার অর্থনীতি খুব বেশি সামনে এগোতে পারেনি।

তাদের রাগের মূল কারণ হলো পরিবেশ সংক্রান্ত সরকারি নানা কড়াকড়ি নীতি বা নিয়মকানুন। তাদের মতে, এসব নিয়মের কারণে তেলসমৃদ্ধ আলবার্তায়, যেখানে মানুষ একটু বেশি রক্ষণশীল বা কনজারভেটিভ ভাবাপন্ন, সেখানে পাইপলাইন বানানো এবং নিজেদের তেলের বড়সড় সম্পদ ব্যবহারের সুযোগ বাধাগ্রস্ত হয়েছে।


ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে ভারতে রুবিও

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও শনিবার ভারতে পৌঁছেছেন। এই সফরকে যুক্তরাষ্ট্র ও ভারতের মধ্যে ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে যুক্তরাষ্ট্রের চেষ্টা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ভারতের ওপর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের শুল্ক আরোপে দিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের টানাপড়েন শুরু হয়। এ ছাড়া পাকিস্তান ও চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র নতুন করে সুসম্পর্ক গড়ার কারণে দিল্লির মুখ ভার। এই ক্ষতিগ্রস্ত অংশীদারিত্বকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই রুবিওর এই সফর। রয়টার্সের প্রতিবেদনে এসব কথা বলা হয়।

বিবিসি লিখেছে, রুবিওর সফরটি এমন এক সময়ে হচ্ছে, যখন সম্প্রতি চীনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কূটনৈতিক তৎপরতা জোরদার হয়েছে। ট্রাম্পের চীন সফরের মাত্র এক সপ্তাহের মাথায় রুবিও ভারত সফরে এলেন। দক্ষিণ এশিয়ার এই দেশে এটিই তার প্রথম সফর।

শনিবার পশ্চিমবঙ্গের কলকাতায় অবতরণ করেন রুবিও। এখানে তিনি মাদার তেরেসা প্রতিষ্ঠিত মানবিক সংস্থার সদরদফতর পরিদর্শন করেন। রুবিও নিজেই রোমান ক্যাথলিক ধর্মাবলম্বী। দূতাবাসের বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যোগ দেওয়ার আগে নয়াদিল্লিতে তিনি ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বৈঠকে মোদি বলেন, বৈশ্বিক কল্যাণের জন্য যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত একসঙ্গে কাজ করবে।

টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, রুবিও শনিবার নয়াদিল্লিতে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে প্রতিরক্ষা, বাণিজ্য, প্রযুক্তি এবং ইন্দো-প্যাসিফিকজুড়ে ভারত-মার্কিন কৌশলগত সম্পর্ক আরও গভীর করার জন্য আলোচনা করেছেন।

বৈঠকের বিবরণ জানিয়ে ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর লিখেছেন, ‘নিরাপত্তা, বাণিজ্য এবং প্রযুক্তির ক্ষেত্রে যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সহযোগিতা আরও গভীর করার উপায় নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে। এই ক্ষেত্রগুলো আমাদের উভয় দেশকে শক্তিশালী এবং একটি উন্মুক্ত ইন্দো-প্যাসিফিককে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’

ক্ষতিগ্রস্ত সম্পর্ক পুনরুদ্ধারে রুবিওর প্রচেষ্টা

শুল্ক নিয়ে টানাপড়েন সৃষ্টির পর যুক্তরাষ্ট্র ও ভারত বাণিজ্য বিষয়ে এখনো একটি পূর্ণাঙ্গ চুক্তি চূড়ান্ত করতে পারেনি। দিল্লি সফর করতে ট্রাম্পকে চাপ দিয়ে আসছিল মোদি সরকার। কিন্তু দিল্লির সঙ্গে ওয়াশিংটনের শুল্ক নিয়ে টানাপড়েনের কারণে ট্রাম্পের আর ভারত সফরে আসা হয়নি।

বিশ্লেষকদের মতে, বাণিজ্য উত্তেজনা ও ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র-ইসরায়েল যুদ্ধসহ অন্যান্য কারণে ট্রাম্পের সফরটি ভেস্তে যায়। অন্যদিকে ভারতের প্রতিদ্বন্দ্বী পাকিস্তানের সঙ্গে আরও ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলেছে যুক্তরাষ্ট্র। বিশেষ করে ইরান যুদ্ধ শেষ করার চেষ্টায় ইসলামাবাদ একটি প্রধান মধ্যস্থতাকারী হিসেবে আবির্ভূত হয়েছে, যা যুক্তরাষ্ট্র-ভারত সম্পর্কের জন্য একটি নতুন অস্বস্তির কারণ। এ ছাড়া যুদ্ধের কারণে সৃষ্ট জ্বালানি সংকট ভারতকে রাশিয়ার তেলের ওপর থেকে নির্ভরশীলতা কমাতে যুক্তরাষ্ট্রের প্রচেষ্টাকেও বাধাগ্রস্ত করছে।

রুবিও বলেন, ‘ভারতের জ্বালানি সরবরাহে নিজেদের অংশ বাড়ানোর জন্য যুক্তরাষ্ট্র ইতোমধ্যে আলোচনা করছে। ভারত যতটা কিনবে, আমরা ততটাই বিক্রি করতে চাই।’

পরামর্শক সংস্থা দ্য এশিয়া গ্রুপের সাবেক দক্ষিণ এশিয়া নীতি বিশেষজ্ঞ বসন্ত সাঙ্ঘেরা মনে করেন, ‘ট্রাম্পের বেইজিং সফর যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে ভারতের উদ্বেগ বাড়িয়ে দিয়েছে।’ সেন্টার ফর স্ট্র্যাটেজিক অ্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল স্টাডিজ থিঙ্কট্যাঙ্কের রিচার্ড রসো আশা করেন, ‘দুদেশের সম্পর্কের বর্তমান নিম্নমুখী গতিপথ পরিবর্তনে রুবিও খুব বেশি প্রভাব ফেলতে পারবেন।’


ভেনিজুয়েলার পরবর্তী নির্বাচনে অংশ নেবেন মাচাদো

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ভেনিজুয়েলার বিরোধী নেতা মারিয়া কোরিনা মাচাদো পরবর্তী নির্বাচনে প্রার্থী হবেন। গত শনিবার পানামা সফরের সময় তিনি এ ঘোষণা দেন। সেখানে তিনি ভেনিজুয়েলার প্রবাসী সম্প্রদায়ের সদস্যদের সাথে বৈঠক করেছেন। বার্তা সংস্থা এএফপি এ খবর জানিয়েছে।

মাচাদো বলেন, ‘আমি প্রার্থী হবো।’ যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ভেনিজুয়েলা-সংক্রান্ত পরিকল্পনার বিষয়ে তিনি আত্মবিশ্বাসী। তার বিশ্বাস, এসব উদ্যোগ শেষ পর্যন্ত নির্বাচনের পথ তৈরি করবে।

মাচাদো বলেন, এখানে একটি লক্ষ্যই রয়েছে। আর তা হলো- আমাদের দেশকে মুক্ত করা এবং স্বাধীন ও সুষ্ঠু প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের মাধ্যমে গণতান্ত্রিক রূপান্তর নিশ্চিত করা, যেখানে সব ভেনেজুয়েলাবাসী ভোট দিতে পারবেন।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা যুক্তরাষ্ট্র সরকার, প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প ও পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিওর ওপর বিশ্বাস রাখি, আস্থা রাখি ও অর্জিত অগ্রগতির জন্য তাদেরকে ধন্যবাদ জানাই।’

সোমবার পানামায় অবস্থানকালে মাচাদো দেশটির প্রেসিডেন্ট হোসে রাউল মুলিনো এবং জাতীয় পরিষদে সফর করবেন। ট্রাম্প এর আগে ইঙ্গিত দিয়েছিলেন, ৩ জানুয়ারি মার্কিন বাহিনী মাদুরোকে আটক করার পর নতুন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তবে এখনো কোনো নির্বাচনের তারিখ ঘোষণা করা হয়নি।

যুক্তরাষ্ট্র গত জানুয়ারিতে পরিকল্পিত অভিযান চালিয়ে ভেনিজুয়েলার প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরোকে গ্রেপ্তার করে নিয়ে যায়। তবে এ অভিযানের কয়েক মাস আগে থেকেই কাতারের মধ্যস্থতায় যুক্তরাষ্ট্র ও ভেনিজুয়েলার মধ্যে গোপন আলোচনা চলছিল।

সিএনএনকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে একটি সূত্র জানায়, মাদুরো ক্ষমতা ছাড়লে ভেনিজুয়েলার রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ কেমন হবে, এসব ছিল মূল আলোচনার বিষয়। তবে ওই আলোচনায় বিরোধী নেত্রী মাচাদোর নাম একবারের জন্যও আসেনি। মাদুরো-পরবর্তী ক্ষমতা হস্তান্তরের কোনো পরিকল্পনাতেই তাকে বিবেচনা করা হয়নি।

অথচ মাচাদো দীর্ঘদিন ধরে মাদুরো সরকারের কঠোর সমালোচক এবং যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপের পক্ষে সরব অবস্থান নিয়েছিলেন। মাদুরোকে আটকের পর মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প সাংবাদিকদের সামনে স্পষ্ট বলেছিলেন, মাচাদোর নেতৃত্ব দেওয়ার মতো যথেষ্ট জনসমর্থন নেই।

কয়েক সপ্তাহ পর মাচাদো হোয়াইট হাউসে ট্রাম্পের সঙ্গে দেখা করতে যান এবং নিজের নোবেল শান্তি পুরস্কারের পদকটি তাকে উপহার দেন। কিন্তু হোয়াইট হাউসের মুখপাত্র ক্যারোলাইন লেভিট জানান, এতে ট্রাম্পের অবস্থান বদলায়নি।


ইরান পরমাণু অস্ত্র চায় না: পেজেশকিয়ান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, তেহরান কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা করছে না। যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে ইরানের চলমান পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে আলোচনা অব্যাহত থাকার মধ্যেই তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেসিডেন্ট পেজেশকিয়ান বলেন, আমরা বিশ্বকে আশ্বস্ত করতে প্রস্তুত যে, আমরা পরমাণু অস্ত্রের সন্ধান করছি না। তবে একই সঙ্গে তিনি স্পষ্ট করে দেন, আলোচনায় অংশ নেওয়া ইরানি প্রতিনিধিদল দেশের সম্মান ও মর্যাদার প্রশ্নে কোনো ধরনের আপস করবে না।

‘ইরানের সর্বোচ্চ নেতার অনুমতি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নয়’

ইরানের প্রেসিডেন্ট মাসুদ পেজেশকিয়ান বলেছেন, দেশের সর্বোচ্চ নেতা মোজতবা খামেনির অনুমতি ছাড়া কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে না, বিশেষ করে সম্ভাব্য যুক্তরাষ্ট্র-ইরান চুক্তি বিষয়ে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সিকে উদ্ধৃত করে তিনি বলেন, ‘যেকোনো বক্তব্য, বিশ্লেষণ বা অবস্থান যা সমাজে বিভাজন সৃষ্টি করে, তা কার্যত শত্রুর ক্ষতিকে শক্তিশালী করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশে কোনো সিদ্ধান্ত সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামোর বাইরে এবং সর্বোচ্চ নেতার অনুমতি ছাড়া নেওয়া হবে না। দেশের প্রশাসন একটি একক সিদ্ধান্ত এবং সম্মিলিত আনুগত্যের মাধ্যমে পরিচালিত হয়।’

বিশ্লেষকদের মতে, এ মন্তব্য ইরানের নীতিনির্ধারণে সর্বোচ্চ নেতার চূড়ান্ত নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি আবারও স্পষ্ট করে, বিশেষ করে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্ভাব্য কূটনৈতিক আলোচনার প্রেক্ষাপটে।

‘ইউরেনিয়াম নিয়ে কোনো চুক্তি নয়’

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান উভয় দেশ জানিয়েছে, তারা যুদ্ধ বন্ধে একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি চলে এসেছে। তবে এই চুক্তির বাইরে থাকছে ইরানের ইউরেনিয়াম ইস্যু। রোববার ইরানের একটি জ্যেষ্ঠ সূত্র রয়টার্সকে এ তথ্য জানিয়েছে।

ওই সূত্র রয়টার্সকে জানায়, তেহরান তাদের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত হস্তান্তরে সম্মত হয়নি। সূত্রটি আরও জানায়, ইরানের পারমাণবিক ইস্যু বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে হওয়া প্রাথমিক সমঝোতার অংশ নয়।

সূত্রটি বলেছে, ‘পারমাণবিক বিষয়টি চূড়ান্ত চুক্তির জন্য ভবিষ্যৎ আলোচনায় বিবেচনা করা হবে। তাই এটি বর্তমান চুক্তির অংশ নয়। ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত দেশের বাইরে পাঠানো নিয়েও কোনো সমঝোতা হয়নি।’

এই মন্তব্য এমন সময় এলো, যখন ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে যুদ্ধবিরতি ও বৃহত্তর সমঝোতা নিয়ে আলোচনা চলছে।


চুক্তির খুব কাছাকাছি ইরান-যুক্তরাষ্ট্র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

চুক্তি সইয়ের খুব কাছাকাছি পৌঁছেছে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্র। এই চুক্তিতে ৬০ দিনের যুদ্ধবিরতি বাড়ানোর বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। এই সময়ের মধ্যে হরমুজ প্রণালী পুনরায় খুলে দেওয়া হবে, ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারবে এবং ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি সীমিত করার বিষয়ে আলোচনা অনুষ্ঠিত হবে বলে এক মার্কিন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।

এই চুক্তি যুদ্ধের আরও বিস্তার ঠেকাবে এবং বৈশ্বিক তেল সরবরাহের ওপর চাপ কমাবে। তবে, এটি প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের পারমাণবিক দাবিগুলোকে পূরণ করে এমন একটি স্থায়ী শান্তি চুক্তির দিকে নিয়ে যাবে কিনা তা এখনো অস্পষ্ট। ট্রাম্প এবং মধ্যস্থতাকারীরা উভয়েই ইঙ্গিত দিয়েছেন যে চুক্তিটি শিগগিরই ঘোষণা করা হতে পারে। তবে এটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি এবং শেষ মুহূর্তে ভেস্তেও যেতে পারে।

মার্কিন ওই কর্মকর্তা বর্তমানে খসড়া চুক্তিতে যা রয়েছে তার একটি বিস্তারিত রূপরেখা তুলে ধরেছেন, যার অনেকটাই আলোচনার সঙ্গে ঘনিষ্ঠ অন্যান্য সূত্র নিশ্চিত করেছে। এই বিষয়গুলো এখনো ইরানের পক্ষ থেকে নিশ্চিত করা হয়নি। তবে তেহরানও ইঙ্গিত দিয়েছে যে তারা একটি চুক্তির খুব কাছাকাছি রয়েছে।

চুক্তিতে কী রয়েছে

উভয় পক্ষ একটি সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করবে, যা ৬০ দিন কার্যকর থাকবে এবং পারস্পরিক সম্মতিতে এর মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। এই ৬০ দিনের সময়ে হরমুজ প্রণালী খোলা থাকবে এবং সেখানে কোনো ধরনের শুল্ক নেওয়া হবে না। পাশাপাশি ইরান প্রণালিতে স্থাপন করা মাইন সরিয়ে ফেলতে সম্মত হবে, যাতে জাহাজগুলো অবাধে চলাচল করতে পারে।

এর বিনিময়ে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোর ওপর আরোপিত অবরোধ তুলে নেবে এবং কিছু নিষেধাজ্ঞা শিথিল করবে, যাতে ইরান অবাধে তেল বিক্রি করতে পারে। মার্কিন কর্মকর্তা স্বীকার করেছেন, এটি ইরানের অর্থনীতির জন্য বড় সুবিধা হবে। তবে তিনি বলেন, এতে বৈশ্বিক তেলের বাজারও উল্লেখযোগ্য স্বস্তি পাবে।

মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ইরান যত দ্রুত মাইন সরিয়ে জাহাজ চলাচল স্বাভাবিক করবে, তত দ্রুত অবরোধ তুলে নেওয়া হবে। তিনি বলেন, এই চুক্তিতে ট্রাম্পের মূল নীতি হলো—‘কাজের বিনিময়ে স্বস্তি’।

ইরান চেয়েছিল অবিলম্বে জব্দ অর্থ ছাড় এবং স্থায়ী নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার। কিন্তু মার্কিন পক্ষ জানিয়েছে, বাস্তব ছাড় না দেওয়া পর্যন্ত তা সম্ভব হবে না।

পারমাণবিক ইস্যু নিয়ে এখনো আলোচনা বাকি

খসড়া সমঝোতা স্মারকে ইরানের পক্ষ থেকে কখনো পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের চেষ্টা না করার অঙ্গীকার অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। একই সঙ্গে ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচি স্থগিত করা এবং উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুত সরিয়ে নেওয়ার বিষয়ে আলোচনায় বসার কথাও রয়েছে বলে মার্কিন কর্মকর্তা জানান।

বিষয়টি সম্পর্কে অবগত দুটি সূত্র জানিয়েছে, ইরান মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রকে মৌখিকভাবে জানিয়েছে যে তারা ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ স্থগিত করা এবং পারমাণবিক উপাদান ত্যাগের বিষয়ে কতটা ছাড় দিতে প্রস্তুত।

যুক্তরাষ্ট্র ৬০ দিনের সময়কালে নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার এবং ইরানের জব্দ অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আলোচনা করতে রাজি হবে। তবে এসব পদক্ষেপ কেবল একটি চূড়ান্ত চুক্তি বাস্তবায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর কার্যকর হবে।

সাম্প্রতিক মাসগুলোতে মোতায়েন করা মার্কিন বাহিনী ৬০ দিনের এই সময়জুড়ে অঞ্চলে অবস্থান করবে এবং কেবল চূড়ান্ত চুক্তি হলে সেগুলো প্রত্যাহার করা হবে। চমকপ্রদ বিষয় হলো, খসড়া সমঝোতা স্মারকে স্পষ্টভাবে উল্লেখ রয়েছে যে লেবাননে ইসরায়েল ও হিজবুল্লাহর মধ্যকার যুদ্ধ শেষ হবে।

শনিবার ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনালাপে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এই শর্ত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বলে এক ইসরায়েলি কর্মকর্তা জানিয়েছেন। তিনি চুক্তির আরও কিছু বিষয় নিয়েও উদ্বেগ জানিয়েছেন। তবে এক মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, তিনি অত্যন্ত সম্মানজনক ও সংযতভাবে নিজের বক্তব্য তুলে ধরেছেন।

মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, এটি কোনো ‘একতরফা যুদ্ধবিরতি’ হবে না। যদি হিজবুল্লাহ পুনরায় অস্ত্র সংগ্রহ বা হামলার চেষ্টা করে, তাহলে ইসরায়েলকে তা প্রতিরোধে ব্যবস্থা নেওয়ার অনুমতি দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘হিজবুল্লাহ শান্ত থাকলে ইসরায়েলও শান্ত থাকবে।’

নেতানিয়াহুকে তার ডাকনাম ধরে উল্লেখ করে মার্কিন কর্মকর্তা বলেন, ‘বিবির নিজস্ব অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয় রয়েছে। কিন্তু ট্রাম্পকে যুক্তরাষ্ট্র ও বৈশ্বিক অর্থনীতির স্বার্থও বিবেচনা করতে হয়।’

কীভাবে এই অগ্রগতি হলো

শনিবার প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কয়েকজন আরব ও মুসলিম নেতার সঙ্গে ফোনালাপে এই চুক্তির বিষয়ে মতামত নেন এবং সবাই এতে সমর্থন জানিয়েছেন বলে কলটির বিষয়ে অবগত তিনটি সূত্র জানিয়েছে।

মার্কিন কর্মকর্তার মতে, এতে সংযুক্ত আরব আমিরাতের কড়া অবস্থানের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ বিন জায়েদও ছিলেন। এছাড়া সৌদি আরব, কাতার, মিসর, তুরস্ক ও পাকিস্তানের নেতারাও ওই আলোচনায় অংশ নেন। এই দেশগুলো মধ্যস্থতার প্রচেষ্টায় জড়িত রয়েছে।

পাকিস্তানিরাই প্রধান মধ্যস্থতাকারীর ভূমিকা পালন করছে। এ প্রচেষ্টার নেতৃত্ব দিচ্ছেন ফিল্ড মার্শাল আসিম মুনির, যিনি শুক্রবার ও শনিবার তেহরানে ছিলেন চুক্তিটি সম্পন্ন করার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে।

সাম্প্রতিক দিনগুলোতে ট্রাম্প একদিকে চুক্তি এগিয়ে নেওয়া এবং অন্যদিকে ইরানের বিরুদ্ধে বড় ধরনের হামলা চালানোর মধ্যে দোদুল্যমান অবস্থায় ছিলেন। তবে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত তিনি কূটনৈতিক সমাধানের দিকেই বেশি ঝুঁকেছিলেন।


ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক হামলা রাশিয়ার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
আন্তর্জাতিক ডেস্ক

ইউক্রেনজুড়ে ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা চালিয়েছে রাশিয়া। দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কি জানিয়েছেন, রাজধানী কিয়েভ ছিল হামলার প্রধান লক্ষ্য। এতে অন্তত চারজন নিহত এবং ৮৩ জন আহত হয়েছেন।

রোববার ভোররাত থেকে কিয়েভ ও আশপাশের এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। বিভিন্ন আবাসিক ভবন, স্কুল ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় ক্ষয়ক্ষতির খবর পাওয়া গেছে।

রাশিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় দাবি করেছে, ইউক্রেনের বেসামরিক অবকাঠামোয় হামলার জবাবে তারা এই অভিযান চালিয়েছে। মস্কো আরও জানায়, হামলায় তারা ‘ওরেশনিক’ নামের হাইপারসনিক ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করেছে।

এর আগে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন অভিযোগ করেন, ইউক্রেন শুক্রবার স্টারোবিলস্ক শহরের একটি ছাত্রাবাসে হামলা চালিয়েছে, যাতে ২১ জন নিহত হয়। তবে ইউক্রেনের সেনাবাহিনী বলেছে, তারা রুশ সামরিক ইউনিট লক্ষ্য করে হামলা চালিয়েছিল।

ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট জেলেনস্কি সতর্ক করেছিলেন যে রাশিয়া বড় ধরনের হামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে এবং ‘ওরেশনিক’ ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করতে পারে। এই ক্ষেপণাস্ত্র শব্দের গতির ১০ গুণেরও বেশি বেগে চলতে সক্ষম এবং এটি পরমাণু ও প্রচলিত—দুই ধরনের ওয়ারহেড বহন করতে পারে বলে জানা গেছে।

জেলেনস্কি দাবি করেন, কিয়েভ অঞ্চলের বিল্যা তসেরকভা শহরে এই ক্ষেপণাস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে। যদিও পরে ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট কার্যালয় জানায়, ঠিক কোন ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে তা এখনো নিশ্চিত করা হয়নি।

ইউক্রেনের বিমান বাহিনীর তথ্যমতে, শনিবার সন্ধ্যা থেকে রাশিয়া ৯০টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৬০০ ড্রোন ছুড়েছে। এর মধ্যে ৫৫টি ক্ষেপণাস্ত্র ও ৫৪৯টি ড্রোন ভূপাতিত বা প্রতিহত করা হয়েছে। হামলায় কিয়েভের ৫০টির বেশি স্থানে ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে ইউক্রেনের জাতীয় পুলিশ। আবাসিক ভবন, শপিং সেন্টার এবং জরুরি সেবা সংস্থার ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

কিয়েভের সামরিক প্রশাসক তৈমুর তাকাচেঙ্কো টেলিগ্রামে দেওয়া বার্তায় বলেন, রাজধানী ব্যাপক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মধ্যে রয়েছে। তিনি সাধারণ মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়ে যাওয়ার আহ্বান জানান। কিয়েভের মেয়র ভিতালি ক্লিচকো জানান, শহরের বিভিন্ন এলাকায় ক্ষেপণাস্ত্র আঘাত হেনেছে এবং সেখানে ক্ষয়ক্ষতি ও হতাহতের খবর পাওয়া যাচ্ছে।

রাশিয়ার পক্ষ থেকে এই হামলাকে ইউক্রেনের সাম্প্রতিক সামরিক অভিযানের জবাব হিসেবে দেখা হচ্ছে। এর আগে রাশিয়া অধিকৃত লুহানস্ক অঞ্চলের স্টারোব্লিসক শহরের একটি কলেজে ড্রোন হামলা চালায় ইউক্রেনীয় বাহিনী। রুশ রাষ্ট্রীয় বার্তাসংস্থা তাস জানিয়েছে, ওই হামলায় ১৮ জন শিশু নিহত হয়েছে বলে দাবি করা হয়েছে এবং আরও কয়েকজন ধ্বংসস্তূপের নিচে আটকে থাকতে পারে।

তবে ইউক্রেনীয় সেনাবাহিনী কলেজে হামলার অভিযোগ অস্বীকার করে জানিয়েছে, তারা কেবল সামরিক লক্ষ্যবস্তুতে আঘাত হানে। তাদের দাবি, ওই এলাকায় একটি রুশ ড্রোন ইউনিটের অবস্থান লক্ষ্য করে হামলা চালানো হয়েছিল।

এদিকে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোতে ইউক্রেন দূরপাল্লার হামলা জোরদার করেছে বলে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সূত্রে বলা হচ্ছে। চলমান সংঘাতে উভয় পক্ষই একে অপরের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে হামলা অব্যাহত রেখেছে।


অস্ট্রেলিয়ার ফের হাঙরের হামলায় একজনের মৃত্যু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অস্ট্রেলিয়ার উত্তরাঞ্চলীয় কুইন্সল্যান্ড অঙ্গরাজ্যে রোববার হাঙরের হামলায় এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। চলতি বছরে দেশটিতে এটি তৃতীয় প্রাণঘাতী হাঙর হামলার ঘটনা।

পুলিশের এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ৩৯ বছর বয়সী ওই ব্যক্তি কেনেডি শোল নামের একটি অফশোর প্রবালপ্রাচীর এলাকায় পানিতে নামার পর হাঙরের হামলার শিকার হন। পরে তাকে পানি থেকে উদ্ধার করে বোট র‍্যাম্পে আনা হলেও গুরুতর আহত অবস্থায় তার মৃত্যু হয়।

স্থানীয় সময় দুপুরের ঠিক আগে হাল রিভার হেডস বোট র‍্যাম্পে জরুরি সেবাকর্মীদের ডাকা হয় বলে জানায় পুলিশ। পুলিশের বিবৃতিতে বলা হয়, ব্যক্তিটিকে পানি থেকে উদ্ধার করা হয় এবং পরে তার মৃত্যু হয়।

কুইন্সল্যান্ড অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস জানিয়েছে, বোট র‍্যাম্পেই তার মৃত্যু হয়। ঘটনাস্থলটি জনপ্রিয় পর্যটন শহর কেয়ার্নস থেকে প্রায় ১৬০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত।

পুলিশ নিহত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেনি। স্থানীয় কয়েকজন চার্টার বোট পরিচালনাকারী এএফপিকে জানিয়েছেন, তিনি সেখানে স্পিয়ার ফিশিং করছিলেন। কেনেডি শোল গভীর পানির একটি পরিচিত মাছ ধরার এলাকা।

‘হুকড আপ ফিশিং’-এর জেরার্ড পাইক বলেন, রোববার তার নৌকাটি কেনেডি শোল থেকে প্রায় ছয় মাইল দূরে ছিল এবং সেখানে তিনি বড় আকারের হিংস্র বুল শার্কের উপস্থিতি দেখেছেন।

তিনি বলেন, আমরা স্প্যানিশ ম্যাকারেল ধরছিলাম। তখন ছয়টি হাঙরের একটি দল নৌকার একেবারে চার মিটার দূরে এসে একটি মাছ খেয়ে ফেলে।’

তিনি আরও বলেন, আমরা পানিতে পা পর্যন্ত নামাতে চাইনি। পাইক জানান, তিনি নৌকার রেডিওতে জরুরি সেবাকর্মীদের বার্তা শুনেছিলেন।

আরেকটি চার্টার বোট পরিচালনাকারী প্রতিষ্ঠান ‘মিশন বিচ ডাইভ’-এর রব পারসোনেজ বলেন, এলাকায় হাঙরের হামলা খুবই বিরল, যদিও সেখানে বুল শার্ক ও টাইগার শার্ক দেখা যায়।

তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা খুব একটা ঘটে না। এটি দুর্ভাগ্যজনক একটি ঘটনা। তিনি আরও বলেন, হাঙরগুলো জেলেদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করছে।

গত সপ্তাহে পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ায় স্পিয়ার ফিশিং করার সময় আরেক ব্যক্তি হাঙরের হামলায় নিহত হওয়ার পর এটি চলতি বছরের তৃতীয় প্রাণঘাতী হামলা।

কুইন্সল্যান্ডের বন্ড ইউনিভার্সিটির হাঙর বিশেষজ্ঞ ড্যারিল ম্যাকফি বলেন, উত্তর কুইন্সল্যান্ডে প্রাণঘাতী হাঙর হামলা খুবই বিরল।তিনি বলেন, ২০২০ সালের পর থেকে কুইন্সল্যান্ডে এ পর্যন্ত ছয়টি প্রাণঘাতী হাঙরের কামড়ের ঘটনা ঘটেছে।

তিনি জানান, টাউনসভিল ও কেয়ার্নসের মধ্যবর্তী উপকূলীয় এলাকায় সর্বশেষ প্রাণঘাতী হামলা হয়েছিল ১৯৯০ সালে।

ম্যাকফি বলেন, বর্তমানে নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি কোন প্রজাতির হাঙর হামলা চালিয়েছে। সম্ভাব্য প্রজাতি হতে পারে বুল শার্ক বা টাইগার শার্ক। তিনি আরও বলেন, স্পিয়ার ফিশিংয়ের ঝুঁকি অন্যান্য জলক্রীড়ার তুলনায় আলাদা এবং এর জন্য ভিন্ন ধরনের নিরাপত্তা ব্যবস্থা প্রয়োজন।


banner close