শুক্রবার, ২১ জুন ২০২৪

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল: কার ঝুলিতে কত আসন

দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ৫ জুন, ২০২৪ ২১:৫৬

ভারতের লোকসভা নির্বাচনের চূড়ান্ত ফল ঘোষণা করা হয়েছে। সংসদের ৫৪৩টি আসনের মধ্যে ২৪০ আসনে জয় পেয়েছে ক্ষমতাসীন দল বিজেপি। আর প্রধান বিরোধী দল কংগ্রেস পেয়েছে ৯৯টি আসন। ভারতের নির্বাচন কমিশনের ওয়েবসাইটে গতকাল বুধবার এইফল প্রকাশ করা হয়েছে।

ওয়েবসাইটে প্রকাশিত ফলাফলে দেখা গেছে, অন্যান্য দলের মধ্যে সমাজবাদী পার্টি (এসপি) পেয়েছে ৩৭টি, তৃণমূল কংগ্রেস ২৯টি, ডিএমকে ২২টি, তেলেগু দেসম পার্টি (টিডিপি) ১৬টি, জনতা দল (জেডি-ইউ) ১২টি, শিবসেনা (উদ্ভব) ৯টি, ন্যাশনালিস্ট কংগ্রেস পার্টি (এনসিপিএসপি) ৮টি ও শিবসেনা (এসএইচএস) ৭টি আসন।

লোক জনশক্তি পার্টি (রাম বিলাস) পাঁচটি আসন পেয়েছে। চারটি করে আসনে জয় পেয়েছে ওয়াইএসআরসিপি, রাষ্ট্রীয় জনতা দল (আরজেডি) ও কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট)-সিপিআই (এম)। ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগ (আইইউএমএল), আম আদমি পার্টি (আপ) ও ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা (জেএমএম) তিনটি করে আসন পেয়েছে।

দুটি করে আসন পেয়েছে জনসেনা পার্টি (জেএনপি), কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (মার্ক্সিস্ট–লেনিনিস্ট) (লিবারেশন)-সিপিআই (এমএল) (এল), জনতা দল-জেডি (এস), ভিসিকে, কমিউনিস্ট পার্টি অব ইন্ডিয়া (সিপিআই), রাষ্ট্রীয় লোক দল (আরএলডি) ও জম্মু অ্যান্ড কাশ্মির ন্যাশনাল কনফারেন্স (জেকেএন)। এছাড়া বেশ কয়েকটি দল একটি করে আসনে জয় পেয়েছে। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে লোকসভার সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ৭ জন। চূড়ান্ত ফলে বিজেপি নেতৃত্বাধীন ন্যাশনাল ডেমোক্র্যাটিক অ্যালায়েন্স-এনডিএ জোট মোট আসন পেয়েছে ২৮৬টি। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন ইন্ডিয়া জোট পেয়েছে মোট ২০২টি আসন।

এর আগে, ২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনে এককভাবে ৩০৩টি আসনে জিতেছিল বিজেপি। তখন বিজেপি নেতৃত্বাধীন জোট এনডিএ পেয়েছিল ৩৫২টি আসন। একক দল হিসেবে এবার সবচেয়ে বেশি আসন পেয়েছে বিজেপি। তবে সরকার গঠনে প্রয়োজনীয় ২৭২টি আসনে জিততে পারেনি তারা। তাই সরকার গঠনে এনডিএ জোট মিত্রদের ওপর নির্ভর করতে হবে তাদের।

২০১৯ সালের নির্বাচনে কংগ্রেস এককভাবে ৫২টি আসন পেয়েছিল। আর কংগ্রেস নেতৃত্বাধীন তৎকালীন ইউপিএ জোট পেয়েছিল ৯৪টি আসন। লোকসভার ৫৪৩ আসনের মধ্যে সরকার গঠনে একটি দলকে ২৭২টি আসনে জয় পেতে হয়।


হজযাত্রীদের প্রাণহানির সংখ্যা ১ হাজার ছাড়াল

ছবি: এএফপি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে পবিত্র হজ পালনের সময় তীব্র প্রবাহ ও অসহনীয় গরমে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা এক হাজার ছাড়িয়েছে। এই হজযাত্রীদের অর্ধেকেরও বেশি অনিবন্ধিত ছিলেন। আজ বৃহস্পতিবার ফরাসি বার্তা সংস্থা এএফপির টালিতে সৌদি হজযাত্রীদের প্রাণহানির এই সংখ্যা জানানো হয়েছে।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যাগত ওই টালি করেছে বার্তা সংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ অবস্থা থেকে এই সংখ্যা নিশ্চিত করা হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, হজ পালনের সময় নিহতদের তালিকায় বৃহস্পতিবার নতুন করে মিসরের আরও ৫৮ হজযাত্রীর নাম যুক্ত হয়েছে। আরব উপসাগরীয় অঞ্চলের একজন কূটনীতিক এএফপিকে বলেছেন, হজ পালন করতে গিয়ে প্রাণ হারানো সহস্রাধিক হজযাত্রীর মধ্যে কেবল মিসরেরই নাগরিক আছেন ৬৫৮ জন।

তিনি বলেছেন, সৌদিতে মারা যাওয়া মিসরীয়দের প্রায় ৬৩০ জনই অবৈধভাবে হজ করতে গিয়েছিলেন। যে কারণে তারা প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব থেকেও বঞ্চিত হয়েছেন। অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই যাত্রীরা এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না।

চলতি বছর হজ শুরু হয়েছে গত ১৪ জুন থেকে। সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। বুধবারও মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

মিসরের বাইরে জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে মক্কায় গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে সৌদি গেছেন। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তা ছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন বলে জানিয়েছে দেশটির প্রশাসন।

এ ছাড়া হজের বিভিন্ন আচার-অনুষ্ঠান পালন করতে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছেন বহুসংখ্যক হজযাত্রী। এই গরমে নিরাপদ আশ্রয়ের বাইরে থাকা এই হজযাত্রীদের সবাই বেঁচে আছেন— এমন নিশ্চয়তা নেই। তাই সামনের দিনগুলোতে মৃত হজযাত্রীদের সংখ্যা আরও বৃদ্ধির আশঙ্কা রয়েছে।

সৌদি আরবে পবিত্র হজের সময় পদদলন, তাঁবুতে অগ্নিকাণ্ড ও অন্যান্য দুর্ঘটনায় গত ৩০ বছরে শত শত মানুষের প্রাণহানি ঘটেছে। যে কারণে হজের আনুষ্ঠানিকতা নিরাপদে সম্পন্ন ও হজযাত্রীদের সুরক্ষা নিশ্চিতে নতুন অবকাঠামো তৈরি করতে বাধ্য হয়েছে সৌদি সরকার। তবে দেশটির কর্তৃপক্ষ বর্তমানে চরম তাপদাহ থেকে হজযাত্রীদের রক্ষা করতে গিয়ে নতুন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হয়েছে।

ট্রাভেল অ্যান্ড মেডিসিন জার্নালের চলতি বছরের এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ক্রমবর্ধমান বৈশ্বিক তাপমাত্রা তাপ প্রশমনের প্রচলিত কৌশলগুলোকে ব্যর্থ করে দিচ্ছে। আর জিওফিজিক্যাল রিসার্চ লেটার্সের ২০১৯ সালের এক গবেষণায় বলা হয়, জলবায়ু পরিবর্তনের কারণে সৌদি আরবে তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় হজযাত্রীরা ভবিষ্যতে ‌‌‘‘চরম বিপদের’’ সম্মুখীন হবেন।

সৌদির এক সমীক্ষায় বলা হয়েছে, দেশটিতে প্রত্যেক দশকে আঞ্চলিক তাপমাত্রা গড়ে শূন্য দশমিক ৪ সেন্টিগ্রেড হারে বাড়ছে এবং প্রশমন ব্যবস্থা নেওয়ার পরও তাপদাহ পরিস্থিতি ক্রমাগতভাবে খারাপ আকার ধারণ করছে।


তীব্র তাপপ্রবাহে সৌদিতে ৯২২ জন হজযাত্রীর মৃত্যু

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে চলমান তীব্র তাপপ্রবাহে এখন পর্যন্ত ৯২২ জন হজযাত্রীর মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। সেইসঙ্গে এখনও নিখোঁজ রয়েছেন অনেকে। নিখোঁজ হজযাত্রীদের পরিবার-পরিজন ও আত্মীয়রা ইতোমধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের ছবি আপলোড করে সহায়তা চাইছেন।

সৌদির সরকারি প্রশাসন, মক্কার বিভিন্ন হাসপাতাল এবং সৌদির বিভিন্ন দেশের দূতাবাসের কাছ থেকে প্রাপ্ত তথ্য সহায়তার ভিত্তিতে মৃত হজযাত্রীদের একটি সংখ্যাগত টালি করেছে আন্তর্জাতিক বার্তাসংস্থা এএফপি। সেই টালির সর্বশেষ তথ্য থেকে মৃত হজযাত্রীদের এই সংখ্যা নিশ্চিত হওয়া গেছে।

সৌদির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত এক সপ্তাহ ধরে মক্কার তাপমাত্রা ৫০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ওঠানামা করছে। সোমবার মক্কার তাপমাত্রা ছিল ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। জানা গেছে, মৃতদের অধিকাংশই মিসরের নাগরিক। মক্কার প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, হজের শুরু থেকে এ পর্যন্ত অন্তত ৬০০ মিসরীয় হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

মিসর ছাড়াও জর্ডান, ইন্দোনেশিয়া, ইরান, সেনেগাল, তিউনিসিয়া, বাংলাদেশ ও ভারতের নাগরিকরাও রয়েছেন মৃত হজযাত্রীদের তালিকায়। সৌদির সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এবার হজ করতে গিয়ে মারা গেছেন ২৭ জন বাংলাদেশি। আর হজ অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব) বলছে, সৌদিতে এখন পর্যন্ত ৩০ জন মারা গেছেন। এর মধ্যে ২৭ জনের তথ্য সৌদি সরকার অফিসিয়ালি ঘোষণা করেছে। বাকি তিনজন এখনো নিখোঁজ রয়েছে।

এএফপি’র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে প্রায় ১৮ লাখ হজযাত্রী এবার হজ করতে পা রাখেন সৌদি আরবে। বিদেশি হজযাত্রীদের অনেকেই মক্কার তীব্র গরমে অভ্যস্ত নন। তাছাড়া এই হজযাত্রীদের মধ্যে এমন হাজার হাজার যাত্রী রয়েছেন, যারা বিধি মেনে সৌদিতে আসেননি। ফলে প্রখর তাপপ্রবাহ থেকে সুরক্ষা নিশ্চিতে যাত্রীদের জন্য যেসব সুবিধা ও পরিষেবা বরাদ্দ করেছে সৌদির সরকার, সেসব তারা পাচ্ছেন না। এমনকি থাকা, খাওয়া এবং এয়ার কন্ডিশন সুবিধাও পাচ্ছেন না অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করা এই হজযাত্রীরা।

সৌদি প্রশাসন বলছে, যেসব হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছে, তাদের একটি বড় অংশই অবৈধভাবে সৌদিতে প্রবেশ করেছিলেন।

মক্কার বিভিন্ন হাসপাতালের বরাত দিয়ে এএফপি জানিয়েছে, গরমের কারণে শুধু রোববারই হিটস্ট্রোক ও বিভিন্ন তাপজনিত অসুস্থতায় আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ২ হাজার ৭০০ জনেরও বেশি হজযাত্রী।

গত ১৪ জুন থেকে শুরু হয় এবারের হজের আনুষ্ঠানিকতা। এর আগেই সৌদির হজ মন্ত্রণালয় এক বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করে জানায়, হজের সময় ৪৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস ছাড়াতে পারে সেখানকার তাপমাত্রা। সেইসঙ্গে তীব্র এ তাপপ্রবাহ থেকে হজযাত্রীদের নিরাপদ রাখতে বেশ কিছু পদক্ষেপও গ্রহণ করে কর্তৃপক্ষ। পাশাপাশি হজযাত্রী ও তাদের এজেন্সিগুলোর প্রতি জারি করে কিছু নির্দেশনাও।


ভারতে বিষাক্ত মদ পান করে ৩৪ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২০ জুন, ২০২৪ ১৪:৫৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের কাল্লাকুরচি জেলায় বিষাক্ত মদ্যপানে অন্তত ৩৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। এ ঘটনায় অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আরও শতাধিক ব্যক্তি। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। মৃতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

গতকাল বুধবার তামিলনাড়ুর কাল্লাকুরচি জেলায় মদ পানে অসুস্থ হয়ে পড়েন লোকজন। এ ঘটনায় অসুস্থ ব্যক্তিরা একের পর এক মারা যেতে থাকেন। এর জেরে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে তামিলনাড়ুর রাজ্য সরকার। এতো মৃত্যু ঠেকাতে ব্যর্থ হওয়ায় ও গাফিলতির অভিযোগে কাল্লাকুরচির জেলা প্রশাসককে বদলি করা হয়েছে। সাসপেন্ড করা হয়েছে জেলার পুলিশ সুপারকে। এছাড়াও একাধিক পুলিশ কর্মকর্তাও সাসপেন্ড হয়েছেন। পাশাপাশি অবৈধ মদের দোকানে অভিযান চালিয়ে এর মালিকসহ চারজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। কয়েকশো লিটার মদ জব্দ করা হয়েছে।

ঘটনার তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্টালিন সরকার। সামাজিক মাধ্যম এক্স-এ তিনি লিখেন, বিষাক্ত মদ খেয়ে মানুষের মৃত্যুর খবর শুনে তিনি মর্মাহত ও দুঃখিত। এ ঘটনায় জড়িতদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। এ ধরনের অপরাধ কোনোভাবেই মেনে নেওয়া হবে না; শক্ত হাতে তা দমন করা হবে।


এবার হজে গিয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ৫৭৭ জন

 বেশির ভাগেরই মৃত্যু প্রচণ্ড গরমে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সৌদি আরবে এবারের হজের সময় প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহের মুখোমুখি হয়েছেন হজযাত্রীরা। খোলা আকাশের নিচে তীব্র গরমে অসুস্থ হয়ে হজ পালনরত অবস্থায় মারা গেছেন অন্তত ৫৭৭ জন হজযাত্রী। বিভিন্ন দেশের পক্ষ থেকে জানানো তথ্য সমন্বয় করে বুধবার বার্তা সংস্থা এএফপি হাজিদের মৃত্যুর এই সংখ্যাটি জানিয়েছে।

দুই আরব কূটনীতিক জানিয়েছেন, মক্কার পার্শ্ববর্তী আল-মুয়াইসেম এলাকার মর্গে ৫৫০ জন হজযাত্রীর মরদেহ রাখা হয়েছে। এটি মক্কার সবচেয়ে বড় মর্গগুলোর অন্যতম। মৃতদের মধ্যে অন্তত ৩২৩ জন মিসরের নাগরিক। তাদের বেশির ভাগই প্রচণ্ড গরমে অসুস্থ হয়ে মারা গেছেন।

একজন কূটনীতিক জানান, মিসরের যেসব হজযাত্রী মারা গেছেন, তাদের প্রায় সবাই প্রচণ্ড গরমের কারণে অসুস্থ হয়েছিলেন। একজন সামান্য ভিড়ের মধ্যে পদদলিত হয়েছিলেন।

কূটনীতিকরা আরও জানান, মারা যাওয়া হজযাত্রীদের মধ্যে জর্ডানের অন্তত ৬০ জন নাগরিক আছেন। এর আগে মঙ্গলবার জর্ডান জানিয়েছিল, এবারের হজে তাদের ৪১ জন নাগরিকের মৃত্যু হয়েছে।

সৌদি আরবে এবারের হজের সময় প্রচণ্ড গরম ও দাবদাহের মুখোমুখি হয়েছেন হজযাত্রীরা। দেশটির আবহাওয়া দপ্তরের তথ্যানুযায়ী, সোমবার মক্কার গ্র্যান্ড মসজিদ এলাকার তাপমাত্রা ৫১ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াসে উঠেছিল।

গত বছর পবিত্র হজ মৌসুমে সৌদি আরবে অন্তত ২৪০ জন হজযাত্রীর মৃত্যু হয়েছিল। তাদের বেশির ভাগ ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক ছিলেন।

এ বছর হজে অংশ নেন প্রায় ১৮ লাখ ৩০ হাজার মানুষ। তাদের মধ্যে ১৬ লাখই সৌদি আরবের বাইরে থেকে এসেছিলেন। সৌদি কর্তৃপক্ষ এই তথ্য জানিয়েছে। মঙ্গলবার এক কূটনীতিক বার্তা সংস্থাটিকে জানায়, মিসর থেকে অসংখ্য অনিবন্ধিত হজযাত্রী এসেছিলেন। এ কারণে মৃতের সংখ্যা এত বেশি।

মিসরের হজ মিশনের দেখভাল করেন এমন এক কর্মকর্তা নাম না প্রকাশের শর্তে বলেন, ‘অনিয়মিত ও অনিবন্ধিত হজযাত্রীরা মিসরের হজ ক্যাম্পে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেন। তাদের কারণে সব সেবা মুখ থুবড়ে পড়ে।’

‘হজযাত্রীরা দীর্ঘসময় খাবার, পানি অথবা শীতাতপ নিয়ন্ত্রণব্যবস্থা ছাড়া থাকতে বাধ্য হন’, যোগ করেন তিনি।

কর্মকর্তা আরও জানান, বেশির ভাগ হজযাত্রী তাপের কারণে মৃত্যুবরণ করেন, কারণ তাদের ‘আশ্রয় নেওয়ার জায়গা ছিল না।’


রাখাইনে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর বিমান হামলা, নিহত ৬

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে জান্তা বাহিনীর বিমান হামলায় ছয়জন বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছেন। গত তিন দিনে টাংআপ শহরে চালানো হামলায় এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। থাইল্যান্ডভিত্তিক বার্মিজ সংবাদমাধ্যম ইরাবতির প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ইরাবতি জানায়, গত মঙ্গলবার পাণ্ডিন দ্বীপের কানসেইক গ্রামে বিমান হামলায় দুই কিশোর ও এক নারী নিহত হয়েছেন। এসময় আহত হন আরও কয়েকজন। বিমান হামলার পর ভয়ে গ্রাম ছেড়ে পালিয়ে যান বহু বাসিন্দা। গ্রামবাসীর অভিযোগ, এটি বেসামরিক নাগরিকদের ওপর সামরিক জান্তার ইচ্ছাকৃত আক্রমণ। এই হামলায় বেশ কিছু ঘরবাড়িও ধ্বংস হয়েছে। এর আগে আরাকান আর্মির সঙ্গে সংঘর্ষের পর গত শনিবার রাতে টাংআপ শহর থেকে প্রায় তিন কিলোমিটার দূরে থিন কি মেকিং গ্রামে বিমান হামলা চালায় মিয়ানমারের সামরিক বাহিনী। এতে দুই নারী নিহত হন।

একইদিন ইয়াওয়ার থিট কেল গ্রামে চালানো বিমান হামলায় আহত হন ১৭ বছর বয়সি এক কিশোর। পরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনিও। এ নিয়ে গত তিন দিনে রাখাইনে বিমান হামলায় নিহতের সংখ্যা ছয়ে পৌঁছাল। এর আগে গত ৮ ও ১১ জুন তাংআপের উপকণ্ঠে গোলাবর্ষণ এবং শনিবার সকালে বিমান হামলা চালিয়েছিল জান্তা বাহিনী। শহরটিতে দুপক্ষের মধ্যে ওটাই ছিল প্রথম লড়াই। বাসিন্দারা জানিয়েছেন, ওইদিন রাতে তাংআপ ইউনিভার্সিটির কাছে সামরিক জান্তা এবং আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ হয়। এর জেরে পরে ব্যাপক গোলাবর্ষণ এবং বিমান হামলা চালায় জান্তা বাহিনী।


দিল্লিতে তীব্র গরম, হিটস্ট্রোকে ৫ জনের মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তীব্র গরমে গত দুই দিনে ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে। তাছাড়া কমপক্ষে ১২ জন দিল্লির রাম মনোহর লোহিয়া হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে রয়েছেন। সেই সঙ্গে দিল্লির অন্যান্য হাসপাতালেও হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ভর্তি হচ্ছেন অনেকে।

ভারতের রাষ্ট্র-পরিচালিত হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডা. অজয় ​​শুক্লা বলেছেন, সোমবার ও মঙ্গলবার হিটস্ট্রোক করার পরে ২২ জনকে ভর্তি করা হয়েছিল। তাদের মধ্যে পাঁচজন রোগী মারা গেছেন ও ১২-১৩ জন রোগী ভেন্টিলেটর সাপোর্টে রয়েছেন।

গত বেশ কিছুদিন ধরে ভারতের নয়া দিল্লির ওপর দিয়ে ভয়াবহ তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। এমন পরিস্থিতিতে চিকিৎসকরা বারবার সতর্ক করে দিচ্ছেন যে হিটস্ট্রোকের ক্ষেত্রে মৃত্যুর হার বেশ বেশি, যা প্রায় ৬০-৭০ শতাংশ। রোগীকে হাসপাতালে দেরি করে আনা হলে, মৃত্যুর সম্ভাবনা বেড়ে যাবে। আর এই রোগীদের বেশির ভাগই হলেন বাইরে কাজ করা শ্রমিকরা।

ডা. শুক্লা বলেন, হিটস্ট্রোক সম্পর্কে ব্যাপক সচেতনতা ছড়ানো দরকার। হাসপাতালে ছুটে যাওয়ার পরিবর্তে, তাৎক্ষণিক কীভাবে হিটস্ট্রোক করা কোনো ব্যক্তির শরীর ঠাণ্ডা করানো যায়, তা শেখাতে হবে। রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার সময় পানি ও বরফ ব্যবহার করতে হবে। এ ছাড়া রোগীকে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অ্যাম্বুলেন্সে করে হাসপাতালে আনা হলেও বাঁচানো যেতে পারে।

প্রায় এক মাস ধরে অবিরাম তাপপ্রবাহে ভুগছেন দিল্লির বাসিন্দারা। শহরের সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসে দাঁড়িয়েছে, যা স্বাভাবিকের ‍তুলনায় কয়েক ডিগ্রি বেশি। অন্যদিকে, সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৪৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের কাছাকাছি। এমন পরিস্থিতিতে গভীর নলকূপের পানিও দিনভর গরম থাকছে। এমনকি, শীতাতপ নিয়ন্ত্রক (এসি) ব্যবহার করেও ঘর শীতল করা যাচ্ছে না।

আবহাওয়া অফিসের পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ ঘণ্টায় উত্তর ভারতের বেশির ভাগ অংশে তাপপ্রবাহের অবস্থা একই রকম থাকতে পারে। এই সময়ের পরে তাপমাত্রা হ্রাস পেতে পারে।

দিল্লিভিত্তিক থিঙ্কট্যাঙ্ক সেন্টার ফর সায়েন্স অ্যান্ড এনভায়রনমেন্টের (সিএসই) সাসটেইনেবল হ্যাবিট্যাট প্রোগ্রামের প্রকল্প পরিচালক রজনীশ সরিন বলেছেন, দিল্লির মতো বড় শহরগুলোতে নির্মাণ ও কংক্রিটকরণ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কংক্রিটের ভবনগুলো দিনে তাপ শোষণ করে ও রাতে ছেড়ে দেয়। এ কারণেই বড় শহরগুলোতে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা বাড়ছে।

‘এর আগে দিনের তাপমাত্রা বাড়লেও রাতে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত; কিন্তু আজকাল নির্মাণকাজ বাড়তে থাকা ও সবুজ এলাকা হ্রাস পাওয়ায় সেই স্বস্তিটুকুও মিলছে না। এমনকি, এসিও বিস্ফোরিত হচ্ছে। মনে রাখতে হবে, উঁচু ভবন নির্মাণও বায়ুর চলাচলে প্রভাব ফেলে। এমন পরিস্থিতিতে আমাদের উচিত, কংক্রিটের ব্যবহার হ্রাস করা।’ সূত্র: এনডিটিভি


হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন নোম চমস্কি

মার্কিন ভাষাবিদ ও অধিকারকর্মী নোম চমস্কি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছিলেন মার্কিন ভাষাবিদ ও অধিকারকর্মী নোম চমস্কি। সেখান থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। এখন থেকে তার চিকিৎসা বাড়িতে চলবে।

আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমগুলোর খবর বলছে, গতকাল মঙ্গলবার (১৯ জুন) ব্রাজিলের সাও পাওলোর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন তিনি। ২০২৩ সালের জুনে যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থানকালীন তিনি মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত রোগে আক্রান্ত হন। শারীরিক অবস্থার কিছুটা উন্নতি হলে তাকে অ্যাম্বুলেন্স জেটে (উড়োজাহাজ) করে ব্রাজিলে নেওয়া হয়।

চমস্কির স্ত্রী ভ্যালেরিয়ার জন্মভূমি ব্রাজিলে। যে কারণে তাকে দেখভালের জন্য ব্রাজিলে নিয়ে যাওয়া হয়।

সাও পাওলোর হাসপাতালে ভর্তি থাকা ৯৫ বছর বয়সী নোম চমস্কির মৃত্যুর গুজবও ছড়িয়েছিল। কিন্তু সেটি উড়িয়ে দেন ভ্যালেরিয়া চমস্কি। বার্তা সংস্থা এএফপিকে ই-মেইল করে জানান, চমস্কি ভালো আছেন। তার মৃত্যুর ব্যাপারে যে খবর ছড়িয়েছে সেটি মিথ্যা।

হাসপাতাল ভর্তি থাকা অবস্থায় গত সপ্তাহে ব্রাজিলের সংবাদপত্র ফোলহা দে এস পাওলো একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। যেখানে চমস্কির শারীরিক অবস্থার বর্ণনা করা হয়।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছিল, তিনি (চমস্কি) স্ট্রোকে আক্রান্ত হওয়ার পর তার শরীরের ডান পাশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়। একজন নিউরোলজিস্ট, স্পিচ থেরাপিস্ট ও ফুসফুস বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে তিনি চিকিৎসাধীন। পরে এ তথ্য নিশ্চিত করেন ভ্যালেরিয়া।


রাজনীতি ভালো লাগে না ওবামা কন্যাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাবা যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট, মায়ের সঙ্গেও রয়েছে রাজনৈতিক যোগসূত্র। কিন্তু তারপরও, কখনোই রাজনীতির ময়দানে দেখা যাবে না বারাক ওবামার দুই মেয়েকে। এই কথা নিজেই জানিয়েছেন সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট। সম্প্রতি লস অ্যাঞ্জেলসে জো বাইডেনের নির্বাচনী তহবিল সংগ্রহের অনুষ্ঠানে অংশ নিয়েছিলেন বারাক ওবামা। সেখানে তিনি এক আলোচনা প্যানেলেও যোগ দেন।

আলাপকালে ৬২ বছর বয়সি এ ডেমোক্র্যাট নেতা জানান, তার দুই মেয়ে কখনোই বাবার পদচিহ্ন অনুসরণ করে রাজনীতিতে যোগ দেবে না।

তিনি বলেন, এটি এমন এক প্রশ্ন, যা আমার উত্তর দেওয়ার দরকার নেই। কারণ, মিশেল (ওবামা) অনেক আগেই ওদের রাজনীতিতে প্রবেশের বিষয়ে সতর্ক করে দিয়েছে। এটি কখনোই ঘটবে না।

কী করছেন ওবামার দুই মেয়ে

বারাক ওবামার দুই মেয়ের নাম মালিয়া এবং সাশা। তাদের একজনের বয়স ২৫, অন্যজনের ২২। আপাতদৃষ্টিতে দেখা যায়, দুই মেয়েই মায়ের আদেশ মেনে রাজনীতির বাইরে নিজেদের ক্যারিয়ার গড়ায় মন দিয়েছেন।

সম্প্রতি ২০২৪ সানড্যান্স ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে রেড কার্পেটে অভিষেক হয়েছে মালিয়ার। সেখানে তিনি তার শর্ট ফিল্ম ‘দ্য হার্ট’র প্রিমিয়ারে অংশ নিয়েছিলেন। ১৮ মিনিটের শর্ট ফিল্মটি লেখা এবং পরিচালনা করেছেন মালিয়া।

উল্লেখযোগ্য বিষয় হচ্ছে, শর্ট ফিল্মের ক্রেডিটে তিনি নিজের নামের ‘ওবামা’ অংশটি বাদ দিয়ে নিজেকে মালিয়া অ্যান হিসেবে উল্লেখ করেন।

২০২১ সালে হার্ভার্ড ইউনিভার্সিটি থেকে স্নাতক সম্পন্ন করেন মালিয়া। তিনি ডোনাল্ড গ্লোভার নির্মিত প্রাইম ভিডিও সিরিজ সোয়ার্মের লেখক হিসেবে কাজ করছেন। এইচবিও সিরিজ গার্লসে ইন্টার্ন এবং হ্যালি বেরি অভিনীত টিভি সিরিজ এক্সট্যান্টে প্রোডাকশন সহকারী হিসেবেও কাজ করছেন ওবামার বড় মেয়ে।

ছোট মেয়ে সাশাও রয়েছেন রাজনীতি থেকে অনেক দূরে। সম্প্রতি ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সমাজবিজ্ঞানে স্নাতক ডিগ্রি নিয়েছেন তিনি। সূত্র: দ্য ইন্ডিপেনডেন্ট


ভূমধ্যসাগরে দুটি নৌকাডুবিতে ১১ জনের মৃত্যু, নিখোঁজ ৬৪

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ইউএনবি

ইতালির দক্ষিণ উপকূলে ভূমধ্যসাগরে দুটি নৌকাডুবিতে ৬৪ জন নিখোঁজ এবং বেশ কয়েকজনকে উদ্ধার করা হয়েছে বলে এক বিবৃতিতে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো। এসময় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

গতকাল সোমবার দুটি পৃথক নৌকাডুবিতে এসব হতাহতের ঘটনা ঘটে।

জার্মান ত্রাণ সংস্থা রেসকিউশিপ সোমবার সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্স-এ লিখেছে, পৃথক একটি নৌকার ধ্বংসাবশেষের মধ্যে উদ্ধারকর্মীরা কয়েক ডজন সন্দেহভাজন অভিবাসীকে উদ্ধার করেছে এবং ইতালির ছোট্ট ল্যাম্পেদুসা দ্বীপের কাছে একটি কাঠের নৌকার ডেকের নিচে আটকেপড়া ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করেছে।

বেঁচে যাওয়া ব্যক্তিদের বরাত দিয়ে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো জানিয়েছে, ক্যালাব্রিয়া থেকে প্রায় ২০০ কিলোমিটার দূরে ডুবে যাওয়া নৌকাটি আট দিন আগে তুরস্ক থেকে যাত্রা করেছিল। কিন্তু নৌকাটিতে আগুন ধরে সেটি উল্টে গিয়েছিল।

ইতালির কোস্টগার্ড এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, ফ্রান্সের একটি নৌকার সহায়তার আহ্বানে সাড়া দিয়ে তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান শুরু হয়। নৌকাটি এমন একটি সীমান্ত এলাকায় যাচ্ছিল, যেখানে গ্রিস ও ইতালি তল্লাশি ও উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছিল। জীবিতরা এবং সাগরে এখনও নিখোঁজ ব্যক্তিরা ইরান, সিরিয়া ও ইরাকের নাগরিক বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের সংস্থাগুলো।

ইতালিয়ান মেরিটাইম রেসকিউ কোঅর্ডিনেশন সেন্টার তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধারস্থলের কাছাকাছি থাকা দুটি বাণিজ্যিক জাহাজকে সরিয়ে নেয়। ইউরোপীয় সীমান্ত এবং কোস্টগার্ড এজেন্সি ফ্রন্টেক্সের সম্পদও সহায়তা করেছে।

বেঁচে যাওয়াদের রোকেলা জোনিকার ক্যালাব্রিয়ান বন্দরে নিয়ে আসা হয়েছে। যেখানে তাদের নামিয়ে দিয়ে চিকিৎসা কর্মীদের সেবার জন্য হস্তান্তর করা হয়। উদ্ধার হওয়া ১১ অভিবাসীর মধ্যে একজন অল্প কিছুক্ষণের মধ্যেই মারা যান বলে জানিয়েছে কোস্টগার্ড।

দ্বিতীয় নৌকাডুবিতে, রেস্কশিপের নৌকা নাদিরে থাকা ক্রুরা কাঠের নৌকায় ৬১ জনকে দেখতে পান। যারা পানিতে ডুবছিল।

তারা বলেছে,‘আমাদের ক্রুরা ৫১ জনকে বের করে আনতে সক্ষম হয়েছে, যাদের মধ্যে দুজন অচেতন ছিলেন।’ ‘নিহত ১০ জন নৌকার নিচের ডেকে আটকে পড়েছিলেন।’


ইরানে হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৯ জনের প্রাণহানি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ইরানের উত্তরাঞ্চলীয় শহর রাশতের একটি হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৯ জন রোগীর প্রাণহানি ঘটেছে।আজ মঙ্গলবার হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডে প্রাণহানির এই ঘটনা ঘটেছে বলে দেশটির রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যমের খবরে জানানো হয়েছে।

ইরানের সরকারি সম্প্রচারমাধ্যম আইআরআইবি বলেছে, স্থানীয় সময় সোমবার রাত দেড়টার দিকে রাশত শহরের ঘায়েম হাসপাতালে আগুন ছড়িয়ে পড়ে। পরে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন।

হাসপাতালে অগ্নিকাণ্ডের কারণ শনাক্ত করতে তদন্তকারী কর্মকর্তারা কাজ শুরু করেছেন বলে জানিয়েছে আইআরআইবি।

রাশতের গিলান ইউনিভার্সিটি অব মেডিক্যাল সায়েন্সের প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ তাগি আশোবি বলেছেন, ‘দুর্ভাগ্যজনকভাবে এই অগ্নি দুর্ঘটনায় ৯ জন প্রাণ হারিয়েছেন।’

রাষ্ট্রীয় টেলিভিশনকে তিনি বলেছেন, অগ্নিকাণ্ডে মারা যাওয়া রোগীদের বেশিরভাগই হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে (আইসিইউ) ভর্তি ছিলেন।

দেশটির স্থানীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, রাশতের ওই হাসপাতালে রোগীদের জন্য ২৫০ শয্যা রয়েছে। অগ্নিকাণ্ডের সময় সেখানে ১৪২ জন রোগী ছিলেন।


যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা ভেঙে দিলেন নেতানিয়াহু

নেতানিয়াহু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অবশেষে ভেঙে দেওয়া হয়েছে ইসরায়েলের যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা। দেশটির প্রধানমন্ত্রী নেতানিয়াহু এ মন্ত্রিসভা ভেঙে দেন। গতকাল রোববার মন্ত্রিসভার সঙ্গে এক বৈঠক করেন নেতানিয়াহু। বৈঠক শেষে আজ সোমবার এ ঘোষণা দেন তিনি।

আন্তর্জাতিক সংবাদ মাধ্যম আল জাজিরার এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নেতানিয়াহুর অতি ডানপন্থি জোটের অংশীদাররা নতুন যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা গঠনের চাপ দিচ্ছেন। বেনি গ্যান্টজ যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভা থেকে পদত্যাদের পর এ আবেদন আরও জোড়ালো হচ্ছে।

জাতীয়তাবাদী ধর্মীয় অর্থমন্ত্রী বেজালেল স্মোট্রিচ এবং জাতীয় নিরাপত্তা মন্ত্রী ইতামার বেন গাভির যুক্তরাষ্ট্রসহ মিত্র দেশের চাপ সত্ত্বেও গাজায় আরও অধিকা হামলা চালানোর দাবি জানিয়ে আসছে। এ ছাড়া তারা যুদ্ধকালীন নতুন মন্ত্রিসভা গঠনেরও আহ্বান জানিয়েছে। তবে নেতানিয়াহু তাদের আবেদন প্রত্যাখ্যান করে বলেছেন যুদ্ধকালীন মন্ত্রিসভার প্রয়োজন নেই। জেরুজালেম পোস্টের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য বলা হয়েছে।

নেতানিয়াহু এখন গাজা যুদ্ধ নিয়ে মন্ত্রিদের একটি ছোট দলের সঙ্গে আলোচনা চালিয়ে যাবেন। যাদের মধ্যে রয়েছে প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ট এবং কৌশলগত পররাষ্ট্রমন্ত্রী রন দারমার।

বিষয়:

পশ্চিমবঙ্গে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহত বেড়ে দাঁড়ালো ১৫ জনে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ জুন, ২০২৪ ১৬:৪৩
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের জলপাইগুড়িতে ট্রেন দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে ১৫ জন হয়েছে। আজ সোমবার সকাল ৮টা ৫০ মিনিটের দিকে ফাঁসিদেওয়া রাঙ্গাপানি স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনাটি ঘটে।

পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ট্রেনটিতে ধাক্কা দেওয়া মালগাড়ি চালক ও কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের গার্ডসহ ১৫ জন নিহত হয়েছেন। এ ছাড়া আহত হয়েছেন ৩০ থেকে ৪০ জন। আহতদের উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কয়েক দিন ধরেই উত্তরবঙ্গে মুষলধারে বৃষ্টি চলছে। এই বৃষ্টির মধ্যেই নিউ জলপাইগুড়ি স্টেশন থেকে সোমবার সকালে নির্ধারিত সময়ে রওয়ানা দিয়েছিল কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস। নীচবাড়ি ও রাঙামাটি স্টেশনের মাঝে ঢুকতেই একটি মালগাড়ি পিছন দিক থেকে ট্রেনটিকে ধাক্কা মারে। আর তাতেই এই হতাহতের ঘটনা ঘটে। এতে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পেছন দিক থেকে পরপর দুটি কামরা লাইনচ্যুত হয়ে ছিটকে পড়ে উলটে যায়। দুমড়েমুচড়ে গেছে অসংরক্ষিত কামরা। সেখানে আটকে পড়েছেন অসংখ্য যাত্রী।

এখনো কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের ট্রেনটির একটি কামরা মাল গাড়ির ইঞ্জিনের উপর বিপদজনকভাবে ঝুলে আছে। সেটি দ্রুততার সঙ্গে সরানোর কাজ চলছে। তাই বিপদ এড়াতে ওই এলাকা থেকে যাত্রী ও স্থানীয়দের সরে যাওয়ার জন্য মাইকিং করা হয়েছে। সেই সঙ্গে শিয়ালদহ স্টেশনে হেল্পলাইন চালু করা হয়েছে।

জানা গেছে, ভারতীয় রেলওয়ে কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে ক্ষতিপূরণের ঘোষণা করা হয়েছে। নিহত সবার পরিবারকে ১০ লাখ রুপি ও আহতদের আড়াই লাখ রুপি ও স্বল্প আহতদের ৫০ হাজার রুপি ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রীর রিলিফ ফান্ড থেকেও হতাহতদের ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এই ফান্ড থেকে নিহতদের পরিবারকে ২ লাখ রুপি ও আহতদের ৫০ হাজার রুপি করে ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে।

এদিকে, এ দুর্ঘটনায় গভীর শোক জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। স্বজনহারা পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়ে তিনি লিখেছেন, ‘রেল দুর্ঘটনায় যারা নিজেদের ভালোবাসার মানুষ হারিয়েছেন, সেই পরিবারের প্রতি সমবেদনা রইলো। আমি প্রার্থনা করছি, আহতদের শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হোক। উদ্ধার কার্য চলছে। রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব ঘটনা স্থলে যাচ্ছেন।’


ভারতের দার্জিলিংয়ে ট্রেন দুর্ঘটনা, নিহত ৮

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের দার্জিলিংয়ে যাত্রীবাহী ট্রেন ও মালগাড়ির মধ্যে সংঘর্ষে আট জনের মৃত্যু হয়েছে। সেই সঙ্গে আহত হয়েছেন ৬০ জনেরও বেশি। হতাহতের সংখ্যা আরও বাড়বে বলে জানা গেছে। নিহত আটজনের মধ্যে মধ্যে পাঁচ জন যাত্রী ও ৩ জন রেল কর্মচারী বলে নিশ্চিত করেছে স্থানীয় পুলিশ ও প্রশাসন।

আজ সোমবার (১৭ জুন) দার্জিলিং থেকে শিয়ালদহের দিকে যাওয়ার পথে ফাঁসি দেওয়া রাঙাপানি স্টেশনের কাছে দুর্ঘটনার কবলে পড়ে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস নামের ট্রেনটি। একটি মালবাহী ট্রেনের ধাক্কায় কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসের পেছন দিকের দুটি বগি লাইনচ্যুত হয়ে এ হতাহতের ঘটনা ঘটে।

এ ঘটনায় কলকাতা থেকে শিলিগুড়ির রেল যোগাযোগ সাময়িক বন্ধ রাখা হয়েছে।

দার্জিলিং পুলিশের অ্যাডিশনার এসপি অভিষেক রায়ের বরাত দিয়ে ভারতীয় বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের খবরে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এদিকে ট্রেন দুর্ঘটনা নিয়ে এক্স হ্যান্ডলে উদ্বেগ প্রকাশ করে বার্তা দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি লিখেছেন, এই মাত্র দার্জিলিংয়ের ফাঁসি দেওয়া এলাকায় ট্রেন দুর্ঘটনার খবর পেলাম। বিস্তারিত এখনও জানতে পারিনি। কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেসে মালগাড়ি ধাক্কা দিয়েছে শুনেছি। জেলা প্রশাসক, এসপি, চিকিৎসক এবং অ্যাম্বুলেন্স ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে। তৎপরতায় উদ্ধার কাজ শুরু হয়েছে।

রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণব জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থলে রেলওয়ে ও এনডিআরএফ (ন্যাশনাল ডিজাস্টার রেসপন্স ফোর্স) উদ্ধার অভিযান চালাচ্ছে। আহতদের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।


banner close