মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৪

হাইকোর্টে হেরে গেলেন ড. ইউনূস

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ২২:০৮

নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনুসের গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টকে ৫০ কোটি টাকা জমা দিয়ে ২০১১ থেকে ১৩ করবর্ষের আয়কর আপিল ফাইল করার আদেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার তার আবেদন খারিজ করে বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি রাশেদ জাহাঙ্গীরের বেঞ্চ এ রায় ঘোষণা করেন।

এ বিষয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার তাহমিনা আক্তার বলেন, ২০২০ সালের নভেম্বরে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের কাছে ২৫০ কোটি টাকা আয়কর দাবি করে নোটিশ পাঠায় এনবিআর। ২০১১ থেকে ২০১৩ পর্যন্ত দুই অর্থবছরে গ্রামীণ টেলিকম ট্রাস্টের কাছে তাদের এই পাওনা বলে দাবি করে রাজস্ব বোর্ড। কিন্তু নোটিশ পাঠানোর পরই তা চ্যালেঞ্জ করে বসে গ্রামীণ টেলিকম। এনবিআরের নোটিশ বাতিল চেয়ে হাইকোর্টে রিট করা হয়। ওই নোটিশ কেন বেআইনি বলা হবে না এ নিয়ে রুলও জারি করে আদালত।

এরপর গত তিন বছরে বিভিন্ন আদালত ঘুরে মামলাটি আসে বিচারপতি মো. খুরশীদ আলম সরকার ও বিচারপতি রাশেদ জাহাঙ্গীরের হাইকোর্ট বেঞ্চে। এরপর শুনানি করে গ্রামীণ টেলিকমের রিট খারিজ করে দেওয়া হয়।

একই সঙ্গে নিয়ম অনুযায়ী এনবিআরের দাবি করা আয়করের ২৫ শতাংশ অর্থাৎ ৫০ কোটি টাকা আগে জমা দিয়ে তারপর আপিল দায়ের করতে গ্রামীণ টেলিকমকে বলা হয়।

এর আগে গত ২৮ জানুয়ারি বেলা ১১টায় আদালতে উপস্থিত হয়ে শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় শ্রম আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে আবেদন করেন ড. ইউনূস ও গ্রামীণ টেলিকমের অন্য তিন শীর্ষ কর্মকর্তা।

ওই দিন ড. ইউনূসের আইনজীবী আবদুল্লাহ-আল-মামুন জানান, নিম্ন আদালতের আদেশে এক মাসের জামিন দেওয়া হয়েছিল। সেটিও বাড়ানোর জন্য আবেদন করেছেন তারা। তার আগের দিন ২৭ জানুয়ারি তিনি জানান, রায়ের বিরুদ্ধে ২৫ থেকে ৩০টি পয়েন্টসহ একটি পিটিশন জমা দেবেন তারা।

গত ১ জানুয়ারি ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতের চেয়ারম্যান শেখ মেরিনা সুলতানা এক মামলায় গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. ইউনুস এবং এর পরিচালক আশরাফুল হাসান, নুরজাহান বেগম ও এম শাহজাহানকে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন।

একই সঙ্গে তাদের চারজনকেই ৩০ হাজার টাকা করে জরিমানা এবং অনাদায়ে আরও ২৫ দিন কারাদণ্ড দেন আদালত। আর রায়ের পরই পৃথক জামিন আবেদন করলে তাদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে চারজনকেই জামিন দেন আদালত।

এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর মামলাটিতে তাদের যুক্তিতর্ক উপস্থাপন শেষ করে রাষ্ট্রপক্ষ। তারও আগে গত বছরের ৬ জুন তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন হলে রাষ্ট্রপক্ষের চার সাক্ষীর জবানবন্দি রেকর্ড করা হয়।

প্রসঙ্গত, ২০২১ সালের ৯ সেপ্টেম্বর ঢাকার তৃতীয় শ্রম আদালতে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন বিভাগের শ্রম পরিদর্শক (সাধারণ) এস এম আরিফুজ্জামান। নথি অনুযায়ী, ২০২১ সালের ১৬ আগস্ট আইএফইডি কর্মকর্তারা রাজধানীর মিরপুরে গ্রামীণ টেলিকমের অফিস পরিদর্শন করে শ্রম আইনের সঙ্গে কিছু লঙ্ঘন দেখতে পান।


মির্জা ফখরুল-খসরুর জামিন: কারামুক্তিতে বাধা নেই

আপডেটেড ১৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৬:৩৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গত বছরের ২৮ অক্টোবর মহাসমাবেশ চলাকালে বিএনপির সঙ্গে সংঘর্ষের সময় প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও নাশকতার অভিযোগে রমনা থানার মামলায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও দলটির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক ফয়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালত এ শুনানি এ আদেশ দেন।

ফখরুল-খসরুর বিরুদ্ধে আর কোনো মামলা না থাকায় কারামুক্তিতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তাদের আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।

এর আগে এ মামলায় ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে তাদের জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়। ওই আদেশের বিরুদ্ধে মহানগর দায়রা জজ আদালতে গত ৬ ফেব্রুয়ারি জামিনের আবেদন করেন তাদের আইনজীবী। আদালত শুনানির জন্য ১৪ ফেব্রুয়ারি দিন ধার্য করেন।

গত ২৮ অক্টোবর মির্জা ফখরুলের গুলশানের নিজ বাসা থেকে তাকে আটক করে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। এরপর তাকে প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় আদালতে হাজির করা হলে আদালত তার জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিকে গত ২ নভেম্বর দিনগত রাত ১টার দিকে গুলশানের একটি বাসা থেকে আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীকে আটক করে ডিবি। পরদিন ৩ নভেম্বর সমাবেশ চলাকালীন সংঘর্ষে পুলিশ সদস্য নিহতের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। মামলায় তার ৬ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে ৯ নভেম্বর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গ্রেফতারের পর মির্জা ফখরুল বিরুদ্ধে ১১ মামলা ও আমির খসরুর বিরুদ্ধে দশ মামলা দায়ের করা হয়। এ মামলা ছাড়া তারা সব মামলাই জামিনে রয়েছেন।


বিচারক সোহেল রানার সাজা থেকে অব্যাহতি দিলেন আপিল বিভাগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

আদালত অবমাননার দায়ে কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সোহেল রানার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে আপিল পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ।

একইসঙ্গে তাকে সাজা থেকে অব্যাহতি দিয়েছে সব্বোর্চ আদালত।

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে ৫ বিচারপতির আপিল বিভাগ বেঞ্চ আজ এ রায় দেন।

সিনিয়র এডভোকেট শাহ মঞ্জুরুল হক রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালতে বিচারকের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী প্রবীর নিয়োগী, শাহ মঞ্জুরুল হক। সঙ্গে ছিলেন এডভোকেট রাফিউল ইসলাম ও ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ।

আদালত অবমাননার দায়ে কুমিল্লার সাবেক চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট (বর্তমানে আইন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত) মো. সোহেল রানার সাজার রায়ের বিরুদ্ধে গত ৬ ডিসেম্বর আপিলের শুনানি শেষ হয়। মো. সোহেল রানা আপিল বিভাগে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন।

ক্ষমার আবেদনে তিনি বলেছেন, ‘আমাকে ক্ষমা করে সাজা থেকে অব্যাহতি দিয়ে একজন ভালো বিচারক হওয়ার সুযোগ দিন।’

গত ১২ অক্টোবর মো. সোহেল রানার সাজার রায় ২০ নভেম্বর পর্যন্ত স্থগিত করেন আপিল বিভাগের চেম্বার কোর্ট। একইসঙ্গে বিষয়টি শুনানির জন্য আপিল বিভাগের নিয়মিত বেঞ্চে পাঠিয়ে দেন। সে অনুযায়ী বিষয়টি আপিল বিভাগে শুনানি হয়।

আদালত অবমাননার দায়ে বিচারক মো. সোহেল রানাকে এক মাসের বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেন বিচারপতি মো. বদরুজ্জামান ও বিচারপতি এস এম মাসুদ হোসেন দোলনের সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ। একই দিনে হাইকোর্টের একই বেঞ্চ তাকে জামিন দেন।

মামলার নথি থেকে জানা যায়, টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ আইনে মামুন চৌধুরী ও রিয়া আক্তার দম্পতির বিরুদ্ধে ২০১৭ সালের ২৭ মার্চ কুমিল্লার কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা হয়। মামলার কার্যক্রমের বৈধতা নিয়ে মামুন-রিয়া দম্পতির করা এক আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৮ সালের ৪ নভেম্বর হাইকোর্ট রুল দেন। একইসঙ্গে মামলার কার্যক্রম চার মাসের জন্য স্থগিত করেন হাইকোর্ট। ২০১৯ সালের ৬ মার্চ রুল নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেন হাইকোর্ট। এ স্থগিতাদেশ সত্ত্বেও কুমিল্লার তৎকালীন চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সোহেল রানা গত ১০ এপ্রিল সংশ্লিষ্ট মামলায় অভিযোগ গঠন করেন।

উচ্চ আদালতের আদেশ উপেক্ষা করে মামলার কার্যক্রম চালানো এবং অভিযোগ গঠন করায় বিচারক সোহেল রানার বিরুদ্ধে হাইকোর্টে অভিযোগ করেন আসামি মামুন চৌধুরী। গত ১৪ আগস্ট হাইকোর্ট এক আদেশে বিচারক সোহেল রানাকে তলব করেন। উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করার বিষয়ে অবস্থান ব্যাখ্যা করতে ২১ আগস্ট তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে বলা হয়। ধার্য তারিখে তিনি হাইকোর্টে হাজির হন। পরবর্তী সময়ে জবাব দাখিল করেন। তবে জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় গত ২৮ আগস্ট সোহেল রানার প্রতি আদালত অবমাননার স্বপ্রণোদিত রুল দেন হাইকোর্ট। পাশাপাশি ৯ অক্টোবর তাকে হাইকোর্টে হাজির হতে নির্দেশ দেওয়া হয়। আদালত অবমাননার রুলের পর গত ৩১ আগস্ট বিচারক সোহেল রানা কুমিল্লার সেই মামলার অভিযোগ গঠনের আদেশ প্রত্যাহার করেন। হাইকোর্টের ধার্য তারিখে হাজির না হয়ে তিনি সময়ের আবেদন জানান। হাইকোর্ট ১২ অক্টোবর পরবর্তী তারিখ ঠিক করেন। সে অনুযায়ী বিচারক সোহেল রানা হাইকোর্টে হাজির হন এবং আদালত অবমাননার বিষয়ে নিঃশর্ত ক্ষমা প্রার্থনা করেন। তার ক্ষমা প্রার্থনা গ্রহণ না করে হাইকোর্ট কারাদণ্ড দেন এবং জরিমানা করেন।


ড. ইউনূসকে অহেতুক কারাগারে পাঠানোর পরিকল্পনা নেই: আইনমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ ড. মুহাম্মদ ইউনূসকে অহেতুক গ্রেপ্তার বা কারাগারে পাঠানোর কোনো পরিকল্পনা সরকারের নেই বলে জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

রোববার সহকারী জজ ও সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের বুনিয়াদি ও প্রশিক্ষণ কোর্স অনুষ্ঠানের উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

তবে আদালত ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে যে রায় দেবেন তা বাস্তবায়ন করার দায়িত্ব সরকারের সংশ্লিষ্টদের বলেও জানান আইনমন্ত্রী।

রাজধানীর বিচার, প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে আয়োজিত সহকারী জজ/সমপর্যায়ের বিচার বিভাগীয় কর্মকর্তাদের ৪৯তম বুনিয়াদি ও প্রশিক্ষণ কোর্স শুরু হয়েছে ৩ ফেব্রুয়ারিতে, যা চলবে ১ জুন পর্যন্ত।

প্রশিক্ষণ কোর্সের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিচার, প্রশাসন ও প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ও আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি নাজমুন আরা সুলতানা। বিশেষ অতিথি ছিলেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. গোলাম সারোয়ার।

এদিকে ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বিরুদ্ধে শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ৬ মাসের সাজা শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থগিতের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে। একই সঙ্গে আদালতের অনুমতি ছাড়া যেন তিনি বিদেশে যেতে না পারেন, সে আবেদনও করা হয়েছে। রোববার হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষে অ্যাডভোকেট মো. খুরশীদ আলম খান এ আবেদন করেন। পরে তিনি সাংবাদিকদের জানান, বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বাধীন হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

গত ২৮ জানুয়ারি শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে জামিন চেয়েছিলেন ড. ইউনূস। সেই সঙ্গে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার রায়ে ৬ মাসের সাজার বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চেয়ে আপিলও করেছিলেন তিনি। ওই দিন সকালে শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে হাজির হয়ে আপিল করেন ড. ইউনূস।


ড. ইউনূসের সাজা স্থগিতের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

শ্রম আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দায়ের করা মামলায় ছয় মাসের সাজা শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনালে স্থগিতের বিরুদ্ধে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়েছে।

হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান অধিদপ্তরের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান এ আবেদন দায়ের করেছেন।

বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদারের নেতৃত্বে গঠিত হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে। আদালতের অনুমতি ছাড়া ড. ইউনূস যেন বিদেশ যেতে না পারেন, সে আবেদনও করা হয়েছে।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের দায়ে দন্ডিত ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চারজনকে গত ২৮ জানুয়ারি জামিন দেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়। সেদিন শ্রম আদালতের দেয়া সাজা স্থগিত করেন শ্রম আপিল ট্রাইব্যুনাল।

এর আগে শ্রম আইন লঙ্ঘন মামলার রায়ে ছয় মাসের সাজার বিরুদ্ধে ২৫টি যুক্তি দেখিয়ে খালাস চেয়ে আপিল করেন আসামিগণ।

শ্রম আইন লঙ্ঘনের মামলায় গত ১ জানুয়ারি ৬ মাসের সাজা হয় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ চার আসামির। রায় প্রদানকারী বিচারক শেখ মেরিনা সুলতানার স্বাক্ষরের পর ৮৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়।

পূর্ণাঙ্গ রায়ে বলা হয়েছে, আসামিরা শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৪(৭) (৮), ১১৭, ২৩৪ এর বিধান লঙ্ঘন করে আইনের ৩০৩(৫) ও ৩০৭ ধারায় শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছেন। তা প্রমাণিত হওয়ায় রাষ্ট্রপক্ষ আসামিদের বিরুদ্ধে অপরাধ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছেন। এ অবস্থায় আসামি গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আশরাফুল হাসান, পরিচালক নূরজাহান বেগম ও মো. শাহজাহানের বিরুদ্ধে বাংলাদেশ শ্রম আইন ২০০৬ এর ধারা ৪(৭) (৮), ১১৭, ২৩৪ ও বিধি ১০৭ লঙ্ঘনের জন্য ৩০৩(৩) ও ৩০৭ ধারার অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় তাদের ওই আইনের ৩০৩ (৩) ধারার অপরাধে ছয় মাসের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদন্ড অনাদায়ে দশ দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড ও ৩০৭ ধারার অপরাধে পঁচিশ হাজার টাকা অর্থদন্ড ও অনাদায়ে অতিরিক্ত পনেরো দিনের বিনাশ্রম কারাদন্ড দেয়া হয়।

তবে আপিল করার শর্তে ড. ইউনূসসহ আসামিদের রায়ের পরপরই এক মাসের জামিন দেয়া হয়।


ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুদক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী প্রফেসর ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দিয়েছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

সোমবার দুদকের ঢাকার সমন্বিত জেলা কার্যালয় ১-এ চার্জশিট দাখিল করেন দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান। সেখান থেকে আদালতে চার্জশিট দাখিল করবেন দুদক কর্মকর্তারা।

অভিযোগপত্রে ড. ইউনূসের বিরুদ্ধে ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের কথা বলা হয়েছে।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, আসামিরা ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাৎ করেছেন। এ ছাড়াও অবৈধভাবে রূপান্তর-স্থানান্তর করায় মানি লন্ডারিং ধারাও দেখানো হয়েছে অভিযোগপত্রে। মামলায় দুদক ১৩ জনকে আসামি করলেও অভিযোগপত্রে আরও একজনের নাম যুক্ত করা হয়।

ড. ইউনূস ছাড়াও আসামিরা হলেন গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলাম, সাবেক এমডি আশরাফুল হাসান, ৫ পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, শাহজাহান, নূরজাহান বেগম ও এস এম হাজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, আইনজীবী ইউসুফ আলী ও জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান এবং গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের প্রতিনিধি মাইনুল ইসলাম। অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলী, অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান ও প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলামকেও আসামি করা হয়েছে।

দুদক সচিব মো. মাহবুব হোসেন গতকাল বিকেলে এক ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের জানান, ‘তদন্ত শেষে দণ্ডবিধি ও মানি লন্ডারিং আইনে ২৬ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের উদ্দেশ্যে স্থানান্তর ও হস্তান্তরের অভিযোগে গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে এই চার্জশিট বা অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে।’

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, গ্রামীণ টেলিকমের চেয়ারম্যান ড. মুহাম্মদ ইউনূস, ব্যবস্থাপনা পরিচালক নাজমুল ইসলামসহ বোর্ডের সদস্যদের উপস্থিতিতে ২০২২ সালের ৯ মে অনুষ্ঠিত ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় হিসাব খোলা হয়। গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পাওনা লভ্যাংশ বিতরণের জন্য গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন এবং গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট চুক্তি হয় ওই বছরের ২৭ এপ্রিল।

গ্রামীণ টেলিকমের বোর্ড সভার হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত ৯ মে হলেও হিসাব খোলা হয় এক দিন আগে ৮ মে। সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টেও ৮ মে ব্যাংক হিসাব দেখানো আছে, যা বাস্তবে অসম্ভব। এ রকম ভুয়া সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টের শর্ত অনুযায়ী ও ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২২ সালের ১০ মে গ্রামীণ টেলিকমের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মিরপুর শাখা থেকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৪৩৭ কোটি ১ লাখ ১২ হাজার ৬২১ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২২ জুন অনুষ্ঠিত গ্রামীণ টেলিকমের ১০৯তম বোর্ড সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অ্যাডভোকেট ফি হিসেবে অতিরিক্ত ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৮৯ টাকা প্রদানের বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়। অন্যদিকে, ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখার হিসাব থেকে গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়ন নামীয় ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের লোকাল অফিসের হিসাব থেকে তিন দফায় মোট ২৬ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

কিন্তু কর্মচারীদের লভ্যাংশ বিতরণের আগেই তাদের প্রাপ্য অর্থ তাদের না জানিয়ে অসৎ উদ্দেশ্যে ২০২২ সালের মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে সিবিএ নেতা মো. কামরুজ্জামানের ডাচ্-বাংলা ব্যাংকের মিরপুর শাখার হিসাবে মোট ৩ কোটি টাকা, সিবিএ নেতা মাইনুল ইসলামের হিসাবে ৩ কোটি ও সিবিএ নেতা ফিরোজ মাহমুদ হাসানের ডাচ্-বাংলা ব্যাংক মিরপুর শাখার হিসাবে ৩ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়।

একইভাবে অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলীর কমার্শিয়াল ব্যাংক অব সিলনের ধানমন্ডি শাখার হিসাবে ৪ কোটি টাকা ও দ্য সিটি ব্যাংকের গুলশান শাখার হিসাবে ৫ কোটি টাকা এবং অ্যাডভোকেট জাফরুল হাসান শরীফ ও অ্যাডভোকেট মো. ইউসুফ আলীর স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংকের গুলশান নর্থ শাখায় যৌথ হিসেবে ৬ কোটি স্থানান্তর করা হয়, যা তাদের প্রাপ্য ছিল না।


২২ বছরেও শেষ হয়নি মডেল তিন্নি হত্যার বিচার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সৈয়দা তানিয়া মাহবুব। সবার কাছে পরিচিত ছিলেন ডাকনাম তিন্নি নামে। ৯০-এর দশকের নামকরা মডেল ছিলেন তিন্নি। ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর তাকে হত্যা করা হয়। এ ঘটনার ২২ বছর পার হয়ে গেলেও এখনো সম্পন্ন হয়নি তিন্নি হত্যার বিচার। আসামিরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়ালেও গুমরে কেঁদে বেড়ান তিন্নির বাবা।

তিন্নি তার প্রথম টিভি বিজ্ঞাপন হেনোলাক্স ক্রিম দিয়ে পরিচিতি পেয়েছিলেন। পরবর্তীতে তিনি স্টারশিপ কনডেন্সড মিল্ক, লিজান মেহেদী, গন্ধরাজ তেল, এলিট পেইন্ট, কোয়ালিটি আইসক্রিম, বম্বে উপটান ও রিচি জুসের বিজ্ঞাপন করে জনপ্রিয়তা পান।

ঢাকার কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদী থেকে ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে আলোচিত মডেল তিন্নির লাশ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনার পরদিন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন।

২২ বছর পার হয়ে এখনো বিচার শেষ না হলেও আশা দিয়েই চলেছে রাষ্ট্রপক্ষ। তারা বলছে, খুব শিগগিরই মামলাটির বিচারকার্য শেষ হবে এবং ভিকটিম ন্যায়বিচার পাবেন।

বর্তমানে মামলাটি ঢাকার সপ্তম অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ কেশব রায় চৌধুরীর আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি যুক্তিতর্কের জন্য তারিখ ধার্য রয়েছে।

নিহত মডেল তিন্নির বাবা সৈয়দ মাহবুব করিম। তিনি সাংবাদিকদের বলেন, মামলাটি একবার রায়ের পর্যায়ে চলে এসেছিল। কিন্তু এ মামলায় আমার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়নি। ওই সময় বিষয়টি আদালতের নজরে আনা হলে আবারও সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে চলে আসে। এখন শুনেছি যুক্তিতর্কে এসেছে।

তিন্নির কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, আমার দুই মেয়ের মধ্যে একটা তো মারা গেছে, অন্যটা কাছে নেই। এই ঘটনার পর থেকে সবাই আমার কাছ থেকে দূরে সরে গেছে। আমি এখন খুব একা, বড়ই একা। আমার বেঁচে থেকে আর কী লাভ! আমি জানি আমার মেয়ে হত্যার বিচার হবে না। আল্লাহর কাছে বিচার ছেড়ে দিয়েছি, তিনি এর সঠিক বিচার করবেন। আসামি অনেক প্রভাবশালী। তাকে দেশের বাইরে পাঠাতে রাষ্ট্রও সহায়তা করেছে। এখনো মাঝেমধ্যে দেশে আসে, আবার চলেও যায়। অনেকে দেখেই না দেখার ভান করে। সবাই মুখ খুলতে ভয় পায়, অদৃশ্য এক অপশক্তির ভয়ে।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ মামলার আসামির সাজা হলেও লাভ কী? তাকে তো আর কেউ ধরবে না। সাজাও কার্যকর হবে না। মেয়ে হারানোর কষ্ট, আমার কষ্ট হয়েই থেকে যাবে। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে হয়তো এই পৃথিবীতে আসামির বিচার হবে না, তবে ঠিকই আল্লাহর কাঠগড়ায় একদিন তার বিচার হবে।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর মিজানুর রহমান সজল বলেন, ঠিকমতো সাক্ষী আদালতে না আসায় মামলাটির বিচারকার্য শেষ হতে কিছুটা বিলম্বিত হয়েছে। এ ছাড়া রায়ের পর্যায়ে এসেও নতুন করে সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আরও বিলম্বিত হয়। সব মিলিয়ে মামলাটি প্রায় শেষের দিকে চলে এসেছে। আশা করি খুব শিগগিরই এই মামলার রায় ঘোষণা হবে।

তিনি আরও বলেন, এই মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছে। আসামির সর্বোচ্চ সাজাও দাবি করেন এই পাবলিক প্রসিকিউটর।

সংশ্লিষ্ট আদালতের সহকারী পাবলিক প্রসিকিউটর ভোলা নাথ দত্ত বলেন, আলোচিত মডেল তিন্নি হত্যা মামলায় রায় ঘোষণার জন্য ২০২১ সালের ১৫ নভেম্বর তারিখ ঠিক ছিল। কিন্তু সেদিন মামলার গুরুত্বপূর্ণ দুই সাক্ষী তিন্নির বাবা ও চাচা সাক্ষ্য দিতে চাইলে আদালত রায় মুলতবি করে সাক্ষ্যগ্রহণে চলে যান। তিন্নির বাবা ও চাচাসহ অন্য সাক্ষীদের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে মামলাটি এখন যুক্তিতর্ক পর্যায়ে চলে এসেছে। আশা করি, এই মামলায় খুব শিগগিরই যুক্তিতর্ক শেষে রায় ঘোষণা করবেন আদালত।

এদিকে পলাতক আসামির (অভীর) পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবীর সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা গেছে, কেরানীগঞ্জের বুড়িগঙ্গা নদীর ১ নম্বর চীন মৈত্রী সেতুর ১১ নম্বর পিলারের পাশে ২০০২ সালের ১০ নভেম্বর রাতে মডেল তিন্নির লাশ পাওয়া যায়। পরদিন অজ্ঞাতনামা আসামির বিরুদ্ধে মামলা করেন কেরানীগঞ্জ থানার তৎকালীন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) মো. সফি উদ্দিন। পরে ২০০২ সালের ২৪ নভেম্বর তদন্তভার সিআইডিতে ন্যস্ত হয়।

এরপর মামলাটির তদন্তের দায়িত্ব পান সিআইডির পরিদর্শক সুজাউল হক, সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) গোলাম মোস্তফা, এএসপি আরমান আলী, এএসপি কমল কৃষ্ণ ভরদ্বাজ এবং এএসপি মোজাম্মেল হক। সর্বশেষ তদন্ত কর্মকর্তা মোজাম্মেল হকই ২০০৮ সালের ৮ নভেম্বর সাবেক ছাত্রনেতা ও সংসদ সদস্য গোলাম ফারুক অভীকে একমাত্র আসামি করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে মামলার আসামি শুরু থেকে পলাতক রয়েছে।

২০১০ সালের ১৪ জুলাই অভীর বিরুদ্ধে চার্জগঠন করেন আদালত। চার্জশিটভুক্ত ৪১ জন সাক্ষীর মধ্যে ২৩ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করেন আদালত।


খালেদা জিয়ার গ্যাটকো দুর্নীতি মামলার শুনানি পিছিয়ে ১৫ ফেব্রুয়ারি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গ্যাটকো দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াসহ ১৫ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আদালত।

আজ বুধবার কেরানীগঞ্জ কেন্দ্রীয় কারাগারে অবস্থিত ঢাকার ৩ নম্বর বিশেষ আদালতের বিচারক মুহাম্মদ আলী হোসেন খালেদা জিয়ার পক্ষে আংশিক শুনানি শেষে এই আদেশ দেন বলে জানান তার আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ।

এর আগে, আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ জানান, খালেদা জিয়াকে মামলার অভিযোগ থেকে অব্যাহতি দেওয়ার পক্ষে যুক্তি উপস্থাপনকারী সিনিয়র আইনজীবী মাসুদ আহমেদ তালুকদার বিদেশে চলে যাওয়ায় আজকের শুনানিতে অংশ নিতে পারেননি। তাই শুনানি স্থগিত করা উচিত। তবে বিচারক আবেদনটি খারিজ করে দেন এবং মামলায় খালেদা জিয়ার পক্ষে অভিযোগ গঠনের বিষয়ে আইনজীবীকে শুনানি শুরু করতে বলেন।

খালেদা জিয়া এখন অসুস্থ এবং সরকারের একটি নির্বাহী আদেশে কারাগার থেকে বের হওয়ার পর তার গুলশানের বাসায় চিকিৎসা নিচ্ছেন বলে জানান তার আইনজীবী।

আইনজীবী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন মেজবাহ আজ খালেদার অনুপস্থিতিতে আদালতে প্রতিনিধিত্ব করেন, কেননা তাকে আগে ব্যক্তিগত উপস্থিতি থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

গ্লোবাল অ্যাগ্রো ট্রেড (প্রাইভেট) কোম্পানি লিমিটেডের (গ্যাটকো) সঙ্গে লেনদেনের সময় প্রায় ১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে ২০০৭ সালের ২ সেপ্টেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) তেজগাঁও থানায় খালেদাসহ আরও কয়েকজনের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করে। খালেদা জিয়ার ছোট ছেলে আরাফাত রহমান কোকোসহ ৯ আসামির আগেই মৃত্যু হওয়ায় মামলা থেকে তাদের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। বর্তমানে খালেদা জিয়ার বিরুদ্ধে নাইকো ও বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি দুর্নীতি মামলাসহ আরও ৩৩টি মামলা দেশের বিভিন্ন আদালতে বিচারাধীন।


আমীর খসরুর ৯ মামলায় জামিন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

গত বছরের ২৮ অক্টোবর ঢাকায় বিএনপির সমাবেশকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক সহিংসতার অভিযোগে পল্টন মডেল থানায় দায়ের করা আরও একটি মামলায় জামিন পেয়েছেন বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

এনিয়ে তিনি নয়টি মামলায় জামিন পেলেও ২৮ অক্টোবর প্রধান বিচারপতির বাসভবনে হামলার ঘটনায় রমনা মডেল থানায় দায়ের করা মামলায় তার জামিনের আবেদন নাকচ করে দিয়েছেন ম্যাজিস্ট্রেট। এ জন্য আমীর খসরু কারাগার থেকে বের হতে পারবেন না বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী মো. আসাদুজ্জামান।

গত ২১ জানুয়ারি একই আদালত পল্টন ও রমনা থানায় দায়ের করা দুটি মামলায় তাকে জামিন দেন এবং গত বছরের অক্টোবরে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনায় পল্টন ও রমনা থানায় দায়ের করা আরও চারটি মামলায় ১৮ জানুয়ারি একই আদালত তাকে জামিন দেন।

১৭ জানুয়ারি আমীর খসরুকে পুলিশ কনস্টেবল হত্যা মামলাসহ আরও দুটি মামলায় জামিন দেওয়া হয়।

তার আইনজীবী এ বিষয়ে আটটি পৃথক আবেদন দাখিল করার পর ওই মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আবেদন গ্রহণে অস্বীকৃতির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে একটি রিট পিটিশন দায়ের করা হলে, ৮ জানুয়ারি, হাইকোর্ট ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতকে মামলার বিষয়ে খসরুর জামিন আবেদন গ্রহণ, শুনানি ও নিষ্পত্তি করার নির্দেশ দেন।

আসামিপক্ষের আইনজীবী ১৪ ডিসেম্বর নেতার জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেন।

পুলিশ কনস্টেবলকে হত্যা, অবৈধভাবে রাস্তায় জড়ো হওয়া, যানবাহন ভাঙচুর, দাঙ্গা, পুলিশের অস্ত্র ছিনতাই, সম্পত্তির ক্ষতি, পুলিশ সদস্যদের লাঞ্ছিত করা এবং দায়িত্ব পালনে বাধা দেওয়ার অভিযোগে এসব মামলা করা হয়।

গত ৩ নভেম্বর রাজধানীর গুলশান থেকে আমীর খসরুকে আটক করে গোয়েন্দা পুলিশ। গত ২৮ অক্টোবর দলের মহাসমাবেশে সংঘর্ষে পুলিশ কনস্টেবলের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা মামলায় তাকে ছয় দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়।


ঝুঁকিপূর্ণ গুলশান শপিং সেন্টার গুড়িয়ে দেয়ার আদেশ আপিলে বহাল

গুলশান শপিং সেন্টার। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর গুলশান-১-এ অবস্থিত গুলশান শপিং সেন্টার ৩০ দিনের মধ্যে গুড়িয়ে দিতে হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছেন সুপ্রিমকোর্টের আপিল বিভাগ। প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসানের নেতৃত্বে আপিল বিভাগ আজ এ আদেশ দেন।

গত ১৩ ডিসেম্বর গুলশান-১-এ অবস্থিত ‘গুলশান শপিং সেন্টার’ ৩০ দিনের মধ্যে গুড়িয়ে দিতে নির্দেশ দেন হাইকোর্ট। ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি), রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষসহ (রাজউক) সংশ্লিষ্টদের এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

এ বিষয়ে জারি করা রুলের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছিল।

রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত ‘গুলশান শপিং সেন্টার’ ভেঙে ফেলার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্ট রিট করেন বানী চিত্র ও চলচ্চিত্র নামে দুটি কোম্পানি। রিটের শুনানি নিয়ে আদালত রুল জারি করেন। রুলের শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গুলশান শপিং সেন্টার ৩০ দিনের মধ্যে গুড়িয়ে দিতে নির্দেশ দেন।

গত ২৩ জুলাই রাজধানীর গুলশান-১ এ অবস্থিত ‘গুলশান শপিং সেন্টার’টি ঝুঁকিপূর্ণ হওয়ায় সিলগালা করে দেয় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশন (ডিএনসিসি)।

গুলশান শপিং সেন্টার এর জরাজীর্ণ ভবন ও অগ্নিনির্বাপক ব্যবস্থা না থাকার কারণে ২০২১ সালে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তর মার্কেটটিকে ঝুঁকিপূর্ণ ও পরিত্যক্ত ঘোষণা করে ডিএনসিসিকে জরুরি ভিত্তিতে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য চিঠি দেয়।


শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন বৃহস্পতিবার দাখিলের নির্দেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

রাজধানীর বাড্ডার সাতারকুলের ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সুন্নতে খতনার জন্য অজ্ঞান করা শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন আগামী বৃহস্পতিবার দাখিল করার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আতাবুল্লাহর সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্ট ডিভিশন বেঞ্চ আজ এ আদেশ দেন। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি এটর্নি জেনারেল তুষার কান্তি রায়।

গত ১৫ জানুয়ারি শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে ৫ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ কেন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনা সাত দিনের মধ্যে তদন্ত করে প্রতিবেদন আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। পাশাপাশি দেশের সব সরকার অনুমোদিত ও অননুমোদিত হাসপাতাল-ক্লিনিকের তালিকা এক মাসের মধ্যে আদালতে দাখিল করতে বলা হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালককে এ নির্দেশ বাস্তবায়ন করতে বলা হয়।

শিশু আয়ানের মৃত্যুর ঘটনায় তার পরিবারকে এক কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ দেয়ার নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করা হয়। রিটে শিশু আয়ানের চিকিৎসার দায়িত্বে থাকা চিকিৎসকদের সনদ বাতিল ও ইউনাইটেড হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশনা চাওয়া হয়। সুপ্রিমকোটের আইনজীবী এ বি এম শাহজাহান আকন্দ মাসুম জনস্বার্থে এ রিট দায়ের করেন। পরে শিশু আয়ানের বাবা রিটে পক্ষভুক্ত হন। নতুন করে রিটে পাঁচ কোটি টাকা ক্ষতিপূরণ চাওয়া হয়। স্বাস্থ্য সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালকসহ সংশ্লিষ্টদের রিটে বিবাদী (রেসপনডেন্ট) করা হয়।

শিশু আয়ান আহমেদের মৃত্যুর ঘটনায় চিকিৎসকদের গাফিলতির অভিযোগ তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করেছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

গত ৮ জানুয়ারি রাতে রাজধানীর ইউনাইটেড হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে থাকা অবস্থায় শিশু আয়ান মারা যায়। টানা সাত দিন লাইফ সাপোর্টে ছিল আয়ান। এর আগে ৩০ ডিসেম্বর বাড্ডার ইউনাইটেড মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আয়ানকে সুন্নাতে খতনা করা হয়। তখন তাকে অ্যানেসথেসিয়া দিয়ে অজ্ঞান করা হয়। এরপর মৃত্যু পর্যন্ত তার আর জ্ঞান ফেরেনি। ভুল চিকিৎসা এবং অবহেলার কারণে আয়ানের মৃত্যু হয়েছে বলে অভিযোগ করেছে পরিবার। এ ঘটনায় বাড্ডা থানায় মামলা দায়ের করেছেন আয়ানের বাবা শামীম আহমেদ।


সাংবাদিক ইলিয়াসের বিচার শুরু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৮ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৫:৩৯
বাসস

পিবিআই প্রধান বনজ কুমারের করা মামলায় সাংবাদিক ইলিয়াস হোসেনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ট্রাইব্যুনাল। অভিযোগ গঠনের ফলে মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

বৃহস্পতিবার ঢাকার সাইবার ট্রাইব্যুনালের বিচারক এ এম জুলফিকার হায়াত এ অভিযোগ গঠন করেন। শুনানি শেষে এ মামলা থেকে বাবুলের ভাই মো. হাবিবুর রহমান লাবুকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এদিন আসামি লাবুর পক্ষে তার আইনজীবী মো. মুজাহিদুল ইসলাম অব্যাহতি চেয়ে আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষে মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শামীম অভিযোগ গঠনের পক্ষে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত আসামি লাবুকে মামলা থেকে অব্যাহতি দেন ও ইলিয়াসের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একইসঙ্গে এ মামলার সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২৮ এপ্রিল দিন ধার্য করেন আদালত।

মামলার অভিযোগ থেকে জানা যায়, ২০২২ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ধানমন্ডি থানায় পিবিআই প্রধান বনজ কুমার মজুমদার বাদি হয়ে এ মামলা করেন। ওই বছরের ১০ নভেম্বর বাবুল আক্তারকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এরপর তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য একদিনের রিমান্ডে নেয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। এ মামলায় বাবুল আক্তারের ভাই লাবু ও বাবা ওয়াদুদ জামিনে রয়েছেন। তবে সাংবাদিক ইলিয়াস পলাতক। তদন্ত শেষে গত ৯ এপ্রিল মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ও ধানমন্ডি মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক মো. রবিউল ইসলাম ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের মামলায় চারজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন। তবে বিশেষ ক্ষমতা আইনের অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ইলিয়াস ছাড়া অপর আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করা হয়। এরআগে বাবুল অক্তার ও তার পিতাকে এ মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।


চাঁপাইনবাবগঞ্জে পিস্তলসহ আটক ১

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১১ জানুয়ারি, ২০২৪ ১৭:১৫
চাঁপাইনবাবগঞ্জ প্রতিনিধি

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নে অভিযান চালিয়ে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ২১ রাউন্ড গুলিসহ এনামুল হক (৫৬) নামে একজনকে আটক করেছে র‌্যাব।

এনামুল শাহবাজপুর ইউনিয়নের উপর চকপাড়া গ্রামের বাসিন্দা।

বৃহস্পতিবার বিকাল ৩টার দিকে র‌্যাব-৫ চাঁপাইনবাবগঞ্জ ক্যাম্পের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে অভিযানের এ তথ্য জানানো হয়।

র‌্যাব জানায়, গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এনামুল হকের বাড়িতে বুধবার রাতে অভিযান চালানো হয়। এ সময় তার বাড়ি থেকে ১টি বিদেশি পিস্তল, ১টি ম্যাগজিন ও ২১ রাউন্ড গুলি পাওয়া যায়।

শিবগঞ্জ থানায় মামলা দায়েরের পর এনামুল হককে থানা পুলিশের কাছে হস্তাক্ষর করেছে র‌্যাব।

বিষয়:

banner close