রোববার, ২৯ মার্চ ২০২৬
১৫ চৈত্র ১৪৩২

বেইলি রোডের আগুনের ঘটনায় আরও তিনজন গ্রেপ্তার

ফাইল ছবি
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৪ এপ্রিল, ২০২৪ ২২:৪৪

রাজধানীর বেইলি রোডের বহুতল ভবন ‘গ্রিন কোজি কটেজে’ আগুনের ঘটনায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। তারা হলেন জেস্টি রেস্টুরেন্টের মালিক মোহর আলী ওরফে পলাশ, ফুকো রেস্টুরেন্টের মালিক আবদুল্লাহ আল মতিন ও ভবনের তত্ত্বাবধায়ক নজরুল ইসলাম খান। এই নিয়ে ওই আগুনের ঘটনায় ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

আজ বৃহস্পতিবার মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডির বিশেষ পুলিশ সুপার (ঢাকা মেট্রো দক্ষিণ) মো. আনিচুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, রাজধানীর বেইলি রোড ও শান্তিনগর এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

প্রসঙ্গত, গত ২৯ ফেব্রুয়ারি রাতে বেইলি রোডের ‘গ্রিন কোজি কটেজ’ নামের আটতলা ভবনে আগুন লাগে। এতে ৪৬ জন মারা যান। তাদের মধ্যে ১৮ জন নারী ও ৮ শিশু। ভবনের নিচ তলার খাবার দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত। এই ঘটনায় অবহেলার কারণে মৃত্যুর অভিযোগে পুলিশ মামলা করে। মামলাটি তদন্ত করছে সিআইডি।

এর আগে এই আগুনের ঘটনায় জড়িত অভিযোগে তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তারা হলেন ‘চুমুক’ নামের একটি রেস্টুরেন্টের মালিক আনোয়ারুল হক ও শফিকুর রহমান এবং ‘কাচ্চি ভাই’ নামের অন্য একটি খাবারের দোকানের ব্যবস্থাপক জয়নুদ্দিন জিসান।


অনিয়ম ও অনৈতিক কর্মকান্ডে জড়িত আইন কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: অ্যাটর্নি জেনারেল

সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে দোয়া মোনাজাতের মধ্য দিয়ে নিজ কার্যালয়ে কাজ শুরু করেন নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল
আপডেটেড ২৯ মার্চ, ২০২৬ ১৪:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, অ্যাটর্নি জেনারেল কার্যালয়ের কিছু আইন কর্মকর্তার অনিয়ম, নোট বাণিজ্য ও অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগ রয়েছে। তদন্ত সাপেক্ষে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আজ দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিজের কার্যালয়ে প্রথম কর্মদিবসে এসে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন তিনি।

এর আগে সকাল ১১টার দিকে সিনিয়র আইনজীবীদের সঙ্গে নিয়ে দোয়া মোনাজাতের মাধ্যমে কার্যক্রম শুরু করেন নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল। এসময় সিনিয়র আইনজীবীরা তাকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানান।

এ সময় সুপ্রিম কোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক মাহফুজুর রহমান মিলন, সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল ফিদা এম কামাল, সিনিয়র আইনজীবী ও সংসদ সদস্য ফজলুল রহমান, অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল আরশাদুর রউফ, মুহাম্মদ আবদুল জব্বার ভুঞা ও মোহাম্মদ অনীক আর হক প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।

গত বুধবার ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজলকে দেশের ১৮তম অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগ দেন রাষ্ট্রপতি।


এক এগারোর কুশীলব সাবেক এমপি মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী মানবপাচার মামলায় রিমান্ডে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এক-এগারোর সময়ের আলোচিত সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও ‎ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে মানবপাচার আইনের এক মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আমিনুল ইসলাম জুনাইদের আদালত এ আদেশ দিয়েছেন।

ঢাকার মহানগর দায়রা জজ আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে আলোচিত এ সাবেক সেনা কর্মকর্তাকে মানবপাচার মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। মঙ্গলবার (২৪ মার্চ) দুপুরে এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে এসব কথা জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা বিভাগের (ডিবি) প্রধান মো. শফিকুল ইসলাম।

রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে অনুষ্ঠিত এই ব্রিফ্রিংয়ে ডিবির প্রধান বলেন, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে পল্টন থানায় দায়ের করা মানবপাচার মামলায় লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরের মানবপাচার মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। আদালতে পাঠিয়ে তার পাঁচ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

এর আগে গত সোমবার (২৩ মার্চ) দিবাগত গভীর রাতে রাজধানীর বারিধারা ডিওএইচএসের ২ নম্বর লেনের ১৫৩ নম্বর নিজ বাসা থেকে ফেনী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও অবসরপ্রাপ্ত লেফটেন্যান্ট জেনারেল মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে গ্রেপ্তার করে ডিবি। তাকে গ্রেপ্তারের পর ডিবির প্রধান শফিকুল ইসলাম জানান, মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীর বিরুদ্ধে ‘পাঁচটির মতো’ মামলা রয়েছে।

২০০৭ সালে সেনাবাহিনীর নবম ডিভিশনের জিওসি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন মাসুদ উদ্দিন চৌধুরী। একই বছর এক-এগারোর রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর তিনি গুরুতর অপরাধ দমন-সংক্রান্ত জাতীয় সমন্বয় কমিটির সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করেন। জরুরি অবস্থার ওই সময়ে পেছন থেকে জেনারেল মাসুদই যৌথ বাহিনীর কার্যক্রম নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনা করতেন বলে ধারণা করা হয়।

সেনা কর্মকর্তাদের নেতৃত্বাধীন ওই বাহিনী শীর্ষ রাজনীতিক ও ব্যবসায়ীদের আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করত এবং পরে তাদের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে মামলা দেওয়া হতো। এরপর ২০০৮ সালের জুনে মাসুদ উদ্দিন চৌধুরীকে অস্ট্রেলিয়ায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পরও তিনি ২০১১ সালের জুন পর্যন্ত ওই দায়িত্বে বহাল ছিলেন।

২০১৮ সালে জাতীয় পার্টিতে যোগ দিয়ে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফেনী-৩ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন তিনি।


জামিন পেলেন ইনু, মেনন ও বিচারপতি মানিক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্যের অভিযোগে করা মানহানির মামলায় সাবেক সমাজকল্যাণ মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি এ এইচ এম শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ও সাবেক তথ্যমন্ত্রী হাসানুল হক ইনুর জামিন মঞ্জুর করেছেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রৌনক জাহান তাকির আদালত শুনানি শেষে এ আদেশ দেন। ডিএমপির প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পুলিশ কমিশনার (ডিসি) মিয়া মোহাম্মদ আশিস বিন হাছান এ তথ্য জানান।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, আসামি ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে আদালতে হাজির করা হয়।

অপর দুই আসামি মেনন ও মানিককে হাজিরার জন্য আদালতে আনা হয়। শুনানি শেষে ইনুকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরে তিন আসামির পক্ষে তাদের আইনজীবীরা জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

গত ২১ জানুয়ারি এই মামলায় মেনন ও মানিককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এর আগে ২০২৪ সালের ২২ আগস্ট আইনজীবী জিয়াউল হক বাদী হয়ে আদালতে মানহানির মামলাটি দায়ের করেন। আদালত মামলাটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দেন।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, বিচারপতি শামসুদ্দিন চৌধুরী মানিক ২০২২ সালের ৩ অক্টোবর একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টক শোতে অংশ নিয়ে জিয়াউর রহমানকে ‘রাজাকার ও যুদ্ধাপরাধী’ হিসেবে উল্লেখ করেন।

এর আগেও ২০২১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি একটি সেমিনারে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘জিয়াউর রহমান মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন না; তিনি মুক্তিযুদ্ধে অনুপ্রবেশকারী ছিলেন।’ ২০১৩ সালের ১৯ জুলাই ভিন্ন ভিন্ন অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে সাবেক মন্ত্রী হাসানুল হক ইনু ও রাশেদ খান মেনন জিয়াউর রহমানকে নিয়ে আপত্তিকর মন্তব্য করেন।

এ ছাড়া আসামিরা বিভিন্ন সময়ে জিয়া পরিবার সম্পর্কেও বিরূপ ও মানহানিকর বক্তব্য দিয়েছেন, যা মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়।


ময়মনসিংহ ৪ ও ৬ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে দুই প্রার্থী হাইকোর্টে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে দুটি আসনে ভোটের ফলাফল চ্যালেঞ্জ করে আরও দুই প্রার্থীর করা পৃথক নির্বাচনী আবেদন শুনানির জন্য গ্রহণ করা হয়েছে। বিচারপতি মোহাম্মদ আলীর একক হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল সোমবার এ আদেশ দিয়েছেন।

আবেদনকারী দুই প্রার্থী হলেন ময়মনসিংহ-৪ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান এবং ময়মনসিংহ-৬ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আখতারুল আলম।

আদালতে কামরুলের পক্ষে জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন ও আখতারুলের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মো. শামীম দরজী। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান।

হাইকোর্ট নির্বাচনী আবেদন দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেছেন বলে জানান ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মুহাম্মদ শফিকুর রহমান। তিনি বলেন, শুনানির জন্য আগামী ২২ জুন দিন নির্ধারণ করা হয়েছে।

ময়মনসিংহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী মো. আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ ১ লাখ ৭৭ হাজার ৮৯১ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামরুল আহসান ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫৮০ ভোট পান।

ময়মনসিংহ-৪ আসনে ভোটে কারচুপি ও অনিয়ম অভিযোগ নিয়ে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে মোহাম্মদ কামরুল আহসান নির্বাচনী আবেদনটি করেন বলে জানান তার আইনজীবী মুহাম্মদ বেলায়েত হোসেন। তিনি প্রথম বলেন, হাইকোর্ট ব্যালট পেপার, ব্যালট বক্স ও নির্বাচনীসামগ্রী হেফাজতে নিয়ে সংরক্ষণ করতে ইসিকে নির্দেশ দিয়েছেন।

ময়মনসিংহ-৬ আসনে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. কামরুল হাসান ৭৭ হাজার ৩২৫ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হন। এ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী আখতার সুলতানা ৫৩ হাজার ৩৩১ ভোট পান। আর বিএনপির মো. আখতারুল আলম পান ৪৯ হাজার ৪৭৬ ভোট পেয়ে চতুর্থ হন।

আসনটিতে ভোটে কারচুপি ও অনিয়মের অভিযোগে আখতারুল আলম নির্বাচনী আবেদনটি করেন বলে জানান তার আইনজীবী মো. শামীম দরজী।


মোহাম্মদপুরে ৯ হত্যা: নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ৮ এপ্রিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চব্বিশের জুলাই মাসে রাজধানীর মোহাম্মদপুরে ৯ জনকে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় ২৮ জন আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানির দিন নির্ধারণ করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আজ রবিবার এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেন এবং শুনানির জন্য আগামী ৮ এপ্রিল তারিখ ধার্য করেন।

এই মামলায় অভিযুক্ত আসামিদের তালিকায় বেশ কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তির নাম রয়েছে। তাঁদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের তৎকালীন মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, ঢাকা মহানগর পুলিশের তৎকালীন কমিশনার হাবিবুর রহমান, সাবেক অতিরিক্ত উপ-মহাপরিদর্শক প্রলয় কুমার জোয়ারদার এবং ঢাকা মহানগর পুলিশের সাবেক যুগ্ম কমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার। এ ছাড়াও স্থানীয় কাউন্সিলরসহ বর্তমানে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীদেরও এই মামলায় আসামি করা হয়েছে।

বর্তমানে এই মামলায় চারজন আসামি কারাগারে আটক রয়েছেন। তাঁরা হলেন নিষিদ্ধ ঘোষিত ছাত্রলীগের মোহাম্মদপুর থানা শাখার সভাপতি নাঈমুল হাসান রাসেল, সহ-সভাপতি সাজ্জাদ হোসেন, ওমর ফারুক ও ফজলে রাব্বি। আজ সকালে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে তাঁদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এর আগে গত ১৮ জানুয়ারি প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে দাখিল করা আনুষ্ঠানিক অভিযোগটি ট্রাইব্যুনাল আমলে নিয়েছিলেন। একই সঙ্গে অভিযুক্ত ২৮ জন আসামির বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল। সেই ধারাবাহিকতায় আজ অভিযোগ গঠনের শুনানির তারিখ চূড়ান্ত করা হলো।

প্রসিকিউশনের পক্ষ থেকে আনা অভিযোগে বলা হয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ ও ১৯ জুলাই ছাত্র-জনতার আন্দোলন চলাকালীন তৎকালীন সরকারি দল ও তাদের সহযোগী সংগঠন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ব্যাপক নৃশংসতা চালায়। অভিযুক্ত আসামিদের উসকানি, প্ররোচনা এবং প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ উপস্থিতিতে নিরীহ মানুষের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়। এই বর্বরোচিত হামলায় মাহমুদুর রহমান সৈকত ও ফারহান ফাইয়াজসহ মোট ৯ জন প্রাণ হারান এবং আরও অসংখ্য মানুষ গুরুতর আহত হন। এই নৃশংসতাকে মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে গণ্য করে বিচারিক কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।


ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় নয়: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে অনৈতিক কর্মকাণ্ডের তথ্য উদঘাটনে গঠিত ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির দ্বিতীয় বৈঠকের আগে তিনি এ কথা বলেন।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ট্রাইব্যুনালের বিচারের স্বচ্ছতার স্বার্থে যা যা করণীয় এবং যে পদক্ষেপ প্রয়োজন, সবই নেওয়া হবে। বিতর্কের জন্ম দিতে পারে এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকার চেষ্টা করা হবে।

তিনি বলেন, প্রত্যেক মানুষের ক্ষেত্রে যেন ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা যায়, সে চেষ্টা করা হবে। কোনো নির্দোষ ব্যক্তি যেন হয়রানির শিকার না হন এবং কোনো অপরাধী যেন পার পেয়ে না যান- এই লক্ষ্য থেকেই ট্রাইব্যুনালের স্বচ্ছতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভাবমূর্তি রক্ষায় কোনো ছাড় দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটরের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন- প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রসিকিউটর মার্জিনা রহমান মদিনা, মোহাম্মদ জহিরুল আমিন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ল'রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহ।

প্রসিকিউশন টিমের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি যদি অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, সেই তথ্য উদঘাটন করবে এ কমিটি। তবে সম্প্রতি পদত্যাগ করা প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে জামিনের বিনিময়ে এক কোটি টাকা চাওয়ার অভিযোগের ঘটনা তদন্তে এ কমিটি গঠন করা হয়।


ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন সাঈদীর ছেলে শামীম সাঈদী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন পিরোজপুর-২ আসনের জামায়াতের প্রার্থী শামীম সাঈদী। তিনি প্রয়াত জামায়াত নেতা মাওলানা দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ছেলে।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে।

এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির আহমেদ সোহেল মনঞ্জুর।

এর আগে ৩০-এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।


নাহিদের আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপির কাইয়ুম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-১১ আসনের বিএনপির প্রার্থী এম এ কাইয়ুম।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে। এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

এর আগে ৩০-এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনী অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনী’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনী ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।


ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করেছেন গোলাম পরওয়ার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচনে ভোট কারচুপির অভিযোগ এনে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও খুলনা-৫ আসনের প্রার্থী মিয়া গোলাম পরওয়ার।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) হাইকোর্টের বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হবে। এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন বিএনপির মোহাম্মদ আলী আসগর। বুধবার (১১ মার্চ) আদালতে এ আবেদন করেন।

এর আগে ৩০-এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন। শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশের (আরপিও) ৪৯ ধারা অনুযায়ী, নির্বাচনে কোনো ধরনের অনিয়ম বা কারচুপির বিরুদ্ধে হাইকোর্ট বিভাগে ‘নির্বাচনি আবেদন’ করার বিধান রয়েছে। এসব আবেদনের শুনানির জন্য গঠিত বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের একক বেঞ্চে বর্তমানে নিয়মিতভাবে শুনানি চলছে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনাল এসব অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে সংশ্লিষ্ট আসনের ফলাফলের বিষয়ে পরবর্তী সিদ্ধান্ত প্রদান করবেন।


সাবেক প্রধান বিচারপতি খায়রুল হকের জামিন, মুক্তিতে বাধা নেই

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আট মাস ধরে কারাবন্দি বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের মুক্তির পথ খুলল। দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মামলায় তাকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট। এখন সাবেক এই প্রধান বিচারপতির মুক্তিতে আর কোনো বাধা নেই বলে জানিয়েছেন তার আইনজীবী।

বিচারপতি খায়রুল হককে গত বছরের ২৪ জুলাই রাজধানীর ধানমন্ডির বাসা থেকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তারপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

দুদকের মামলায় তার জামিন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ গতকাল বুধবার রায় দেন।

এরপর তার আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন বলেন, ‘সাবেক এই প্রধান বিচারপতির বিরুদ্ধে মোট পাঁচটি মামলা রয়েছে। চার মামলায় হাইকোর্ট ৮ মার্চ জামিন দেন। দুদকের মামলায় জামিন প্রশ্নে রুল অ্যাসলিউট অর্থাৎ জামিন মঞ্জুর করে রায় দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার কারামুক্তিতে আইনগত বাধা নেই।’

এদিকে চারটি মামলায় জামিনের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ আপিল বিভাগে আবেদন করেছে। তবে তা এখনো শুনানির তালিকায় ওঠেনি বলে জানান আইনজীবী মোনায়েম নবী।

জুলাই আন্দোলনের সময় ঢাকার যাত্রাবাড়ীতে যুবদলকর্মী হত্যা ও তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা–সংক্রান্ত রায় জালিয়াতির অভিযোগে করা পৃথক চার মামলায় হাইকোর্টের অন্য একটি দ্বৈত বেঞ্চ ৮ মার্চ খায়রুল হককে জামিন দেন। এই পাঁচ মামলায় অধঃস্তন আদালতে বিফল হয়ে হাইকোর্টে জামিন চেয়ে পৃথক আবেদন করেছিলেন তিনি।

পাঁচ মামলায় আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে হাইকোর্ট গত বছরের ২৬ অক্টোবর খায়রুল হকের জামিন প্রশ্নে রুল দেন। মামলাগুলোয় কেন খায়রুল হককে জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চাওয়া হয়। এর মধ্যে হাইকোর্টে রুল শুনানির মধ্য দিয়ে চার মামলায় খায়রুল হকের পৃথক চারটি জামিন আবেদনের চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়। আর দুদকের করা মামলায় জামিন আবেদনের চূড়ান্ত শুনানি শেষে গতকাল বুধবার রুল অ্যাবসলিউট (রুল যথাযথ) বলে রায় ঘোষণা দেন আদালত।

আদালতে জামিন আবেদনকারীর পক্ষে ছিলেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী, মোস্তাফিজুর রহমান খান ও মোতাহার হোসেন সাজু এবং আইনজীবী মোনায়েম নবী শাহীন। দুদকের পক্ষে শুনানিতে ছিলেন আইনজীবী এম সারোয়ার হোসেন।

খায়রুল হক ২০১০ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে ২০১১ সালের ১৭ মে পর্যন্ত প্রধান বিচারপতির দায়িত্ব পালন করেন। তার নেতৃত্বাধীন আপিল বেঞ্চ ২০১১ সালের ১০ মে সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে রায় দেন। এই রায়ের মধ্য দিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারব্যবস্থা বিলুপ্ত হয়, যার পরিণতিতে দেশে রাজনৈতিক সংকট তৈরি হয়েছিল।


তদন্তে অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা: চিফ প্রসিকিউটর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক 

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম বলেছেন, ঘুষকাণ্ডে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সদ্য সাবেক প্রসিকিউটর সাইমুম রেজা তালুকদারের বিরুদ্ধে ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে। সব ধরনের অনিয়ম তদন্ত করা হবে। তদন্তে অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বুধবার (১১ মার্চ) দুপুরে নিজ কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে প্রেস ব্রিফিংয়ে এ কথা বলেন তিনি।

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘আমাদের সামনে একটি অভিযোগ এসেছে। অভিযোগটি আমরা হালকাভাবে দেখছি না। এ নিয়ে আমার নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটি করেছি। আমাদের এই কমিটির মূল বিষয়বস্তু হচ্ছে প্রসিকিউশন টিমের কোনো সদস্য বা সংশ্লিষ্ট কোনো ব্যক্তি যদি কোনো অনৈতিক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িত থাকেন, তাহলে সেই তথ্য আমরা উদঘাটন করব। যদি তাদের বিরুদ্ধে প্রমাণভিত্তিক অভিযোগ পাওয়া যায়, তাহলে যথাযথ আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

চিফ প্রসিকিউটর বলেন, ‘ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে যদি প্রসিকিউশন কিংবা সংশ্লিষ্ট কারও বিরুদ্ধে কোনো অনিয়মের অভিযোগ আসে, তবে সেই বিষয়ে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

তিনি জানান, এই কমিটি সব ধরনের অনিয়ম তদন্ত করবে। তদন্তে অনিয়ম পাওয়া গেলে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এদিন সকাল থেকেই ফ্যাক্টস ফাইন্ডিং কমিটির কার্যক্রম শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন চিফ প্রসিকিউটর আমিনুল ইসলাম।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন— প্রসিকিউটর আবদুস সোবহান তরফদার, নতুন নিয়োগ পাওয়া প্রসিকিউটর মার্জিনা রহমান মদিনা, মোহাম্মদ জহিরুল আমিন ও আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের ল রিসার্চ অফিসার সিফাতুল্লাহ।


মেনন-কামরুলের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের আদেশ ৩০ মার্চ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানে মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় কার্যক্রম ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি রাশেদ খান মেনন এবং নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য কামরুল ইসলামের বিরুদ্ধে অভিযোগ (চার্জ) গঠন বিষয়ে আদেশের দিন ধার্য হয়েছে ৩০ মার্চ। অভিযোগ গঠন বিষয়ে উভয় পক্ষের শুনানি শেষে বুধবার (১১ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ আদেশের এই দিন ধার্য করেন।

ট্রাইব্যুনালে প্রসিকিউসন পক্ষে শুনানি করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। অন্যদিকে, আসামিপক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী।

এর আগে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধের এই মামলায় দুই আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১।


ঢাকা-৫ আসনের ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করলেন বিএনপি প্রার্থী নবী উল্লা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটের ফল চ্যালেঞ্জ করে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন ঢাকা-৫ আসনের বিএনপির প্রার্থী মো. নবী উল্লা।

বুধবার (১১ মার্চ) বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বাধীন একক হাইকোর্ট বেঞ্চে এ আবেদনের ওপর শুনানি হতে পারে।

এ আসনে জয়ী হয়েছিলেন জামায়াতের প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন।

এর আগে ২৫ এর বেশি প্রার্থী হাইকোর্টে আবেদন করেছিলেন।

শুনানির জন্য আবেদনগুলো গ্রহণ করে ওইসব আসনের ব্যালটসহ প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি সংরক্ষণের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট।

গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ ৪৯ ধারা অনুযায়ী নির্বাচনি অনিয়মের বিরুদ্ধে ‘নির্বাচনি’ আবেদনপত্র শুনানির জন্য হাইকোর্টে নির্বাচনি ট্রাইব্যুনালে গঠন করা হয়। বিচারপতি মো. জাকির হোসেনের নেতৃত্বে একক বেঞ্চ এসব আবেদনের ওপর শুনানি গ্রহণ করছেন।

হাইকোর্ট বিভাগের কার্যতালিকায় এই বেঞ্চে অন্যান্য দেওয়ানি এখতিয়ারের সঙ্গে দেখা যায়, ‘২০০১ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব (সংশোধন) অধ্যাদেশ দ্বারা সংশোধিত ১৯৭২ সালের গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ মোতাবেক নির্বাচনি আবেদনপত্র; যেসব বিষয় এই বেঞ্চে স্থানান্তরিত হবে এবং উপরোল্লিখিত বিষয়াদি সংক্রান্ত রুল, আবেদনপত্র গ্রহণ ও শুনানি করবেন।


banner close