বুধবার, ২২ মে ২০২৪

গরমে আইনজীবীদের গাউন পরায় শিথিলতা

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড
২০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৮:২৯
বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ২০ এপ্রিল, ২০২৪ ১৭:৪৬

তীব্র তাপপ্রবাহের কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে মামলা শুনানিকালে আইনজীবীদের কালো গাউন পরিধানের বাধ্যবাধকতা শিথিল করেছে সুপ্রিমকোর্ট প্রশাসন। আগামীকাল ২১ এপ্রিল থেকে পরবর্তী নির্দেশনা না দেওয়া পর্যন্ত এ নির্দেশনা বহাল থাকবে।

আজ শনিবার প্রধান বিচারপতির নির্দেশে সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মো. গোলাম রব্বানী স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, দেশব্যাপী চলমান তাপপ্রবাহের কারণে প্রধান বিচারপতি সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ বিচারপতিদের সঙ্গে আলোচনাক্রমে এই সিদ্ধান্ত হয় যে- সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে মামলা শুনানিকালে আইনজীবীদের গাউন পরিধানের বাধ্যবাধকতা শিথিল করা হয়েছে।

ঈদুল ফিতরের সরকারি ছুটি ও সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ শেষে কাল রোববার থেকে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রমে ফিরছে দেশের সর্বোচ্চ আদালত সুপ্রিম কোর্ট। গত ২৪ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের অবকাশ, সরকারি ছুটি, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ছুটি ও সাপ্তাহিক ছুটির কারণে সুপ্রিম কোর্টের আপিল ও হাইকোর্ট বিভাগে নিয়মিত বিচারিক কার্যক্রম বন্ধ ছিল।

তবে এ সময় জরুরি মামলা সংক্রান্ত বিষয়াদি নিষ্পত্তির জন্য আপিল বিভাগে চেম্বার কোর্ট, হাইকোর্ট বিভাগে সুনির্দিষ্ট বিচারিক এখতিয়ার সম্পন্ন বেশকটি বেঞ্চে বিচারিক কার্যক্রম চলেছে।

বিষয়:

এমপি আনার হত্যা: বাদী হয়ে মেয়ের মামলা দায়ের

শেরেবাংলা নগর থানায় বাবা আনোয়ারুল আজীম আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় নিজে বাদী হয়ে মামলা করেন মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ মে, ২০২৪ ২০:৪৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভারতের কলকাতায় ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যার ঘটনায় বাদী হয়ে থানায় মামলা করেছেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন।

আজ বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুন করার উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি দায়ের করা হয়।

সন্ধ্যায় মামলাটি নথিভুক্ত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আহাদ আলী। তিনি বলেন, ‘অজ্ঞাতদের আসামি করে মামলা দায়ের করা হয়েছে। এখন তদন্ত করে আসামিদের আইনের আওতায় নিয়ে আসা হবে।’

তেজগাঁও বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) এইচ এম আজিমুল হকও মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এমপি আনার সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন। সেখান থেকে তিনি ভারতে গেছেন। তাই ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ প্রধান (ডিবি) হারুন-অর-রশিদের পরামর্শে শেরেবাংলা নগর থানায় মামলা দায়ের করেন আনারকন্যা ডরিন।

এর আগে, আজ বুধবার কলকাতার গণমাধ্যম সূত্রে প্রথম জানা যায়, বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম হত্যার শিকার হয়েছেন। এরপর এ ব্যাপারে গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। তিনি বলেন, ভারতে গিয়ে নিখোঁজ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছি। তবে, ইন্ডিয়ান বা কলকাতা পুলিশ আমাদের এখনো কিছু নিশ্চিত করেনি। তিনি জীবিত নাকি মৃত তা এখনো অফিসিয়ালি নিশ্চিত নই। আমরা যৌথভাবে কাজ করছি।’

প্রসঙ্গত, গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ভারতের পশ্চিবঙ্গে যান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলকাতায় তার পারিবারিক বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করতে যান। পরের দিন, ১৩ মে চিকিৎসক দেখাতে হবে জানিয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন আনার। সন্ধ্যায় ফিরবেন বলেও জানান তিনি। পরে বিধান পার্কের কাছে কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন তিনি।

চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় আজিম তার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি যাচ্ছেন এবং সেখানে পৌঁছে তাকে ফোন করবেন। পরে তার সঙ্গে ভিআইপিরা আছেন জানিয়ে বন্ধু গোপালকে ফোন না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছিলেন।

গত ১৫ মে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তায় এমপি আনার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন এবং ভিআইপিদের সঙ্গে আছেন। তাকে ফোন করার দরকার নেই। একই বার্তা পাঠান বাংলাদেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী রউফের কাছেও।

১৭ মে আনারের পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গোপালকে ফোন করেন। ওই সময় তারা গোপালকে জানান, তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিনই ঢাকায় থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে এমপি আনারের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

পরে আজ বুধবার ভারতের বিভিন্ন গণমাধ্যমে সরব হয়, কলকাতার নিউটাউনের সঞ্জিভা গার্ডেন্সের একটি ফ্লাটে এমপি আনারকে খুন করা হয়েছে। এনডিটিভি বলছে, ১২ মে কলকাতায় আসার পর নিখোঁজ হওয়া এমপি আনারের খোঁজে তল্লাশি শুরুর পর বুধবার সকালে তার খুনের ব্যাপারে নিশ্চিত হয় পুলিশ। প্রাথমিকভাবে এনডিটিভির প্রতিবেদনে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের তথ্য জানিয়ে বলা হয়, সেখানে মরদেহের খণ্ডিত অংশ পাওয়া গেছে।

পরবর্তী সময়ে এনডিটিভির ওই প্রতিবেদন থেকে খণ্ডিত মরদেহ উদ্ধারের তথ্য সরিয়ে ফেলা হয়। এতে বলা হয়, বাংলাদেশি ওই এমপি খুন হয়েছেন বলে ধারণা করছে কলকাতা পুলিশ। তার মরদেহ কলকাতার নিউ টাউন এলাকায় বিভিন্ন স্থানে ফেলে রাখা হয়েছে। তল্লাশি অভিযানের সময় নিউটাউনের একটি ফ্লাটে রক্তের দাগ দেখতে পেয়েছে পুলিশ।

এদিকে, কলকাতা পুলিশের বরাত দিয়ে বিবিসি বাংলার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া একজন ক্যাবচালক জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হওয়া ঝিনাইদহের এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছে এবং মরদেহ খণ্ড-বিখণ্ডিত করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। যদিও পরে বিবিসি বাংলাও ক্যাবচালকের স্বীকারোক্তির তথ্য তাদের প্রতিবেদন থেকে সরিয়ে ফেলে।

পুলিশের কর্মকর্তারা বলেছেন, যে ফ্ল্যাটে তাকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে বলে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে; সেটি পুলিশ ঘিরে রেখেছে। সেখানে কাউকে এখন ঢুকতে দেওয়া হচ্ছে না। পুলিশের সূত্র বলেছে, ওই ফ্ল্যাটে তিনজনকে ঢুকতে সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে। তাদের মধ্যে একজন নারী। তবে ওই তিনজনকে সেখান থেকে বের হতে আর দেখা যায়নি।

এর আগে, ২০ মে এমপি আনারের খোঁজ করতে গিয়ে ভারতীয় কর্তৃপক্ষ তার মোবাইল লোকেশন ট্র্যাক করে। তারা জানতে পারে, কলকাতায় বন্ধুর বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর তার মোবাইলের লোকেশন একবার পাওয়া গিয়েছিল সেখানকার নিউমার্কেট এলাকায়। এরপর ১৭ মে তার ফোন কিছুক্ষণের জন্য সচল ছিল বিহারে।

বিষয়:

‘এমপি আনারকে হত্যা করেছে বাংলাদেশি অপরাধীরা’

ডিবি কার্যালয়ে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার নিহত হওয়ার বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

একজন সংসদ সদস্যকে বাংলাদেশি অপরাধীরা নৃশংসভাবে হত্যা করেছে। কয়েকজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। বাকি যারা আছেন তাদের প্রত্যেককে আমরা আইনের আওতায় আনব। বিচারের মুখোমুখি করব। তদন্তের স্বার্থে নাম প্রকাশ করতে চাচ্ছি না।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মিণ্টো রোডে ডিবি কার্যালয়ে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার ভারতের কলকাতায় নিহত হওয়ার ঘটনার বিষয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) অতিরিক্ত কমিশনার মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ।

তিনি বলেন, ‘এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার কারণ জানতে নিবিড়ভাবে তদন্ত চলছে। এ ঘটনায় নিহতের মেয়ে থানায় মামলা করবেন। আমাদের কর্মকর্তারা তাকে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করছেন।’

হারুন-অর-রশিদ বলেন, ‘নিহত এমপির মেয়ে ডরিন আমাদের কাছে এসেছেন। তার বাবা বাসা থেকে বের হয়ে গেলেন, এরপর আর পাওয়া যায়নি। সেখানে কী ঘটেছে সেটা শুনেছেন। এই ঘটনায় একটি মামলা দায়ের করার জন্য এসেছেন ডরিন। মামলা কীভাবে, কোথায় করবেন...। তার বাবা সংসদ ভবন এলাকায় থাকতেন। সেখান থেকে তিনি ভারতে গেছেন। আমরা তাকে বলেছি শেরে বাংলা নগর থানায় মামলা করতে। মামলা করতে আমাদের কর্মকর্তারা তাকে সহযোগিতা করছেন। মামলাটি আজকের মধ্যেই হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আনোয়ারুল আজীম আনার ঝিনাইদহ-কালিগঞ্জ এলাকার জনপ্রিয় এমপি ছিলেন। তিনি তিনবারের সংসদ সদস্য। তার এলাকার সাধারণ মানুষ এ ঘটনায় স্তম্ভিত। আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছি। এটি নিষ্ঠুর হত্যাকাণ্ড- এটা মনে করেই তদন্তকারী কর্মকর্তারা কাজ করছেন। নিবিড়ভাবে ভারতীয় পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি। কয়েকজন আমাদের কাছে আছে। তাদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাচ্ছি। তদন্তের স্বার্থে আমরা সবকিছু বলতে পারছি না।’

হত্যার কারণ জানা গেছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘কারণটা জানতে আমাদের তদন্ত চলছে। এটা পারিবারিক নাকি আর্থিক, নাকি এলাকায় কোনো দুর্বৃত্ত দমন করার কারণে এমন ঘটনা ঘটেছে- সবকিছু আমরা তদন্তে আনব।’

বিষয়:

এমপি আনারকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুধবার ধানমন্ডির বাসভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে নিখোঁজ ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) ও কালীগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার একটি বাসায় পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি গত রোববার সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

তিনি ওই দিন বলেন, ‘সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার চিকিৎসার জন্য ১১ মে ভারতে যান। এরপর দুই দিন পরিবার ও দলীয় নেতা-কর্মীদের সঙ্গে তার যোগাযোগ ছিল। ১৪ মে থেকে তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে আমাদের।’

কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে আজ সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমাদের ঝিনাইদহের এক মাননীয় সংসদ সদস্য ১২ মে চিকিৎসার জন্য তিনি ভারতে গিয়েছিলেন। ভারতে যাওয়ার পরে আমরা দুই দিন পরে তার আর কোনো খোঁজখবর পাইনি। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে তার মেয়ে আমাদেরকে খোঁজখবর জানালে আমাদের পুলিশ এ ঘটনাটি (নিয়ে) ইন্ডিয়ান পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছিলেন।

‘আমরা আজকে সুনিশ্চিত হয়েছি সকালবেলায়, ভারতীয় পুলিশ জানিয়েছেন যে, তিনি খুন হয়েছেন। তো আমরা ইতোমধ্যেই তাদের যে তথ্য ভারতীয় পুলিশ আমাদেরকে দিয়েছিলেন, সেই তথ্য অনুযায়ী আমাদের পুলিশ, বাংলাদেশের পুলিশ, এদের তথ্য অনুযায়ী, যারা খুন করেছেন বা খুনের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন, আমরা যা সন্দেহ করছি এবং তাদের থেকে আমরা যে তথ্য পেয়েছিলাম, সে তথ্য অনুযায়ী তাদের মধ্য থেকে তিনজন অপরাধীকে আমাদের পুলিশ ধরেছেন এবং তাদের জিজ্ঞাসাবাদ চলছে, তদন্ত চলছে।’

তিনি বলেন, ‘আপনারা জানেন, ওই এলাকাটা একটা সন্ত্রাসপ্রবণ এলাকা, ওই ঝিনাইদহের এলাকাটা; ওই সীমান্ত এলাকা। আমাদের আনার সাহেব সেখানের মাননীয় সংসদ সদস্য হিসেবে এবারও নির্বাচিত হয়েছিলেন। চিকিৎসার জন্য তিনি যাওয়ার পরে এ ঘটনাটি ঘটে।

‘আমাদের পুলিশ এটা নিয়ে তদন্ত করছেন। আমরা শিঘ্রই খুনের মোটিভটা কী ছিল, আমরা আপনাদেরকে জানাতে পারব এবং ভারতীয় পুলিশ আমাদেরকে সর্ব ধরনের সহযোগিতা করছে।’

কলকাতার বাসায় আনারকে হত্যার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের কাছে যা ইনফরমেশন, আমরা আরও ইনফরমেশন যখন পাব, তখন আপনাদেরকে আরও তথ্য জানাতে পারব। তো আমরা এইটুকুই এখন জানাতে পারছি, আপনাকে জানাতে চাচ্ছি, সেটা হলো তিনি খুন হয়েছেন। কলকাতার এক বাসায় তাকে পরিকল্পিতভাবে খুন করা হয়েছে।’


বাবা হত্যার বিচার চাই: ডরিন

বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যলয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ মে, ২০২৪ ১৫:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের খুনের ঘটনার বিচার চেয়েছেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে বুধবার সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

এর আগে গত রোববার আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

বাবা হত্যার খবর পেয়ে আজ রাজধানীর মিন্টো রোড ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে যান তার মেয়ে ডরিন। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাবা হত্যার বিচার চাই। আশা করি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাকে সাহায্য করবেন।’

এমপি আনার হত্যায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটকের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, এ হত্যার কারণ খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বাবা নিহতের ঘটনায় স্থানীয় কাউকে সন্দেহ করছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আনারকন্যা বলেন, ‘না, আমি এখনও এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না। আমি এতিম হয়ে গেছি। আপনারা সারা বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টি করে দিন। আমি শুধু আমার বাবার হত্যার বিচার চাই। ‘আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন। আমি (ডিএমপি ডিবির প্রধান) হারুন (হারুন অর রশিদ) স্যারকে বলেছি, আমিও তো আইন নিয়ে পড়ি। আমি শুধু দেখতে চাই আমার বাবার হত্যাকারীদের শাস্তি হয়েছে। ১৪ বছর আমার বাবা নানা মিথ্যা মামালায় হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজ চোখে দেখতে চাই কারা আমাকে এতিম করল।’

বিষয়:

এমপি আনার হত্যার ঘটনায় তিন বাংলাদেশি আটক: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

বুধবার ধানমন্ডির বাসভবনে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চিকিৎসা নিতে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে গিয়ে নিহত হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীমকে হত্যার ঘটনায় তিনজন বাংলাদেশিকে আটক করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

আজ বুধবার স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ধানমন্ডির বাসভবনে সাংবাদিকদের এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এ সময় তার সঙ্গে ছিলেন পুলিশ ও ডিএমপির ডিবিপ্রধান হারুন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘ভারতীয় পুলিশ আমাদের নিশ্চিত করেছে এমপি আনার খুন হয়েছেন। তবে তদন্ত শেষে সবকিছু জানাবে বলে জানিয়েছে। এমপি আনারের হত্যার ঘটনায় বাংলাদেশ থেকে তিনজনকে আটক করা হয়েছে। তারা তিনজনই বাংলাদেশি।’

তিনি আরও বলেন, ‘খুনের মোটিভ এখনো জানা যায়নি। তদন্তের স্বার্থে এখন বিস্তারিত কিছু বলতে পারছে না ভারতীয় পুলিশ।’

এর আগে, আজ বুধবার কলকাতা পুলিশের বরাত দিয়ে এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পুলিশের হাতে গ্রেপ্তার হওয়া একজন ক্যাবচালক জানিয়েছেন, এক সপ্তাহ আগে নিখোঁজ হওয়া বাংলাদেশের ঝিনাইদহের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিমকে হত্যা করা হয়েছে এবং মরদেহ দেহ খণ্ডবিখণ্ড করে ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে।


এমপি আনার জীবিত নাকি মৃত, এখনো নিশ্চিত নই: আইজিপি

আইজিপি চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আবদুল্লাহ আল-মামুন বলেছেন, ভারতে গিয়ে নিখোঁজ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর পেয়েছি গণমাধ্যম সূত্রে। তবে ইন্ডিয়ান বা কলকাতা পুলিশ আমাদের এখনো কিছু নিশ্চিত করেনি। তিনি জীবিত নাকি মৃত তা এখনো অফিসিয়ালি নিশ্চিত নই। আমরা যৌথভাবে কাজ করছি। তদন্তের স্বার্থে ইন্ডিয়ান পুলিশ আমাদের কাছে যে ধরনের সহযোগিতা চাইছে তা আমরা দিচ্ছি।

আজ বুধবার দুপুরে রাজধানীর মেরুল বাড্ডায় অবস্থিত আন্তর্জাতিক বৌদ্ধ বিহারে বৌদ্ধ সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব বুদ্ধ পূর্ণিমা উপলক্ষ্যে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত প্রেস ব্রিফিংকালে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এদিকে, আজ সকালে ভারতীয় কিছু গণমাধ্যম দাবি করে নিখোঁজ বাংলাদেশের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মরদেহ কোলকাতার নিউটাউন এলাকা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তবে বাংলাদেশকে এখনো এ বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানায়নি ভারতীয় পুলিশ।

আজ বুধবার সকালে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ভারতের এক ডিআইজির উদ্বৃতি দিয়ে আমাদের পুলিশও বলেছে আনোয়ারুল আজিমের মরদেহ পাওয়া গেছে কলকাতায়। বিষয়টি নিয়ে এখনও পুরোপুরি নিশ্চিত তথ্য নেই আমাদের কাছে। আমাদের আইজি ডিটেইলস খবর নিচ্ছে। সব নিশ্চিত হয়ে গণমাধ্যমকে জানাব আমি।’

আনোয়ারুল আজীমের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আব্দুর রউফ জানিয়েছেন, এমপি আনারকে হত্যা করা হয়েছে কি না সে বিষয়ে এখনও নিশ্চিত তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ঘটনায় দুজনকে আটক করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, গত ১৯ মে আনোয়ারুল আজীমের ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আব্দুর রউফ বলেছিলেন, ১১ মে সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনার চিকিৎসার জন্য ভারতে যান। কিন্তু এরপর ১৬ মে তার সঙ্গে শেষ কথা হয়েছে।

বিষয়:

জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারসহ ১১ জনের সাজা  

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মতিঝিল থানার নাশকতার মামলায় জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলামসহ ১১ জনকে দুই বছরের কারাদণ্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে প্রত্যেককে উভয় ধারায় ১ হাজার টাকা করে জরিমানা করা হয়েছে। মামলায় সাতজনকে বেকসুর খালাস দেন আদালত।

আজ মঙ্গলবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট রাজেশ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।

সাজাপ্রাপ্ত অন্য আসামিরা হলেন মোবারক হোসেন, হাসান আল মামুন, আবু তাহের মেজবাহ, মো. জাহাঙ্গীর, মো. ইব্রাহিম, সাইফুল ইসলাম, মো. জরিপ, আবুল কাশেম, আশরাফুজ্জামান ও মো. রেদুয়ান।

এ টি এম আজহারুল ইসলামের আইনজীবী আব্দুর রাজ্জাক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, দণ্ডবিধির পৃথক দুই ধারায় এ কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত। এক ধারায় দেড় বছর ও আরেক ধারায় ছয় মাসের কারাদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

আদালত সূত্র জানায়, রায় ঘোষণার সময় যুদ্ধাপরাধ মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত জামায়াত নেতা আজহারুলকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। রায় শেষে তাকে সাজা পরোয়ানাসহ কারাগারে ফেরত পাঠানো হয়। আর সাজাপ্রাপ্ত ১০ আসামি পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ২০১০ সালের নভেম্বর মাসে নাশকতার অভিযোগে মতিঝিল থানায় মামলাটি করা হয়।

বিষয়:

মিল্টনের আশ্রম থেকে কন্যাকে ফেরত পেতে আদালতে বাবা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মিল্টন সমাদ্দারের চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ার থেকে শিশুকন্যা তাইবাকে (৮) নিজের হেফাজতে নিতে আদালতের শরণাপন্ন হয়েছেন বাবা তোফাজ্জল হোসেন। প্রতিষ্ঠানটির চেয়ারম্যান মিল্টন সমাদ্দার এবং সাধারণ সম্পাদক মিতু হালদারকে বিবাদী করে গত ২৪ মার্চ এ মামলা করেন তিনি। বর্তমানে ঢাকার দ্বিতীয় অতিরিক্ত সহকারী জজ ও পারিবারিক আদালতে মামলাটি বিচারাধীন আছে।

বাদী পক্ষের আইনজীবী হাসান আল জাবির তালুকদার সনি আজ মঙ্গলবার বলেন, ‘মামলার পর আদালত বাবা এবং সন্তান তাইবার ডিএনএ পরীক্ষার অনুমতি দিয়েছিলেন। একই সঙ্গে বিবাদীদের শিশু তাইবাকে নিয়ে আজ আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন। কিন্তু মিল্টন সমাদ্দার জেলে থাকায় বর্তমানে শামসুল হক ফাউন্ডেশন চাইল্ড অ্যান্ড ওল্ড এইজ কেয়ারের দায়িত্বে থাকায় ডিএনএ পরীক্ষা হয়নি। আর এ কারণে শিশু তাইবাকেও আদালতে হাজির করা হয়নি। এ জন্য আমরা তাইবাকে হাজির করতে শামসুল হক ফাউন্ডেশনকে আদেশ দেওয়ার জন্য আদালতে আবেদন করেছি।’

মামলার এজাহারে বলা হয়, বাদী ২০১২ সালের ১৬ নভেম্বর মোসা. সুরমা আক্তারকে বিয়ে করেন। ২০১৫ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর কন্যা তাইবার জন্ম হয়। স্ত্রীর অসুস্থ অবস্থায় ২০১৯ সালের ১১ নভেম্বর তাইবা হারিয়ে যায়। এরপর খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে পত্রিকায় বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেন। ২০২০ সালের ২ ফেব্রুয়ারি স্ত্রী মৃত্যুবরণ করেন। পরবর্তীতে বাদী চাইল্ড অ্যান্ড এইজ কেয়ার নামীয় প্রতিষ্ঠানের ফেজবুক পেজে দেওয়া একটি পোস্টে নিজের মেয়েকে দেখতে পান।

এরপর ২০২৩ সালের ৪ মে বিবাদীর কাছে গিয়ে নিজের কন্যাসন্তানকে চিহ্নিত করেন। ২০২৩ সালের ১৮ আগস্ট বিবাদীরা বাদীর কন্যাকে দেবেন না বলে জানিয়ে দেয়। ২০২৩ সালের ৪ সেপ্টেম্বর তিন দিনের মধ্যে নিজের কন্যাকে ফেরত দেওয়ার জন্য লিগ্যাল নোটিশ দেন তোফাজ্জল হোসেন। কিন্তু তাতেও কোনো কাজ হয়নি।

উল্লেখ্য, গত ১ মে রাতে রাজধানীর মিরপুর এলাকায় অভিযান চালিয়ে মিল্টন সমাদ্দারকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। তার বিরুদ্ধে জাল মৃত্যু সনদ তৈরি, টর্চার সেলে নির্যাতন ও মানবপাচারের অভিযোগে তিনটি মামলা করা হয়। এসব মামলায় বর্তমানে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

বিষয়:

ভিকারুননিসার ১৬৯ শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল

অনিয়ম তদন্তের নির্দেশ
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রথম শ্রেণির ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তিতে দুর্নীতি ও অনিয়মের অভিযোগ তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একই সঙ্গে ওই ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তি বাতিল থাকবে এবং অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে শিক্ষার্থী ভর্তি করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।

ভর্তির সময় হওয়া দুর্নীতি ও অনিয়ম তদন্তের জন্য শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিবের নেতৃত্বে একটি কমিটি গঠন করে দিয়েছেন উচ্চ আদালত। কমিটিতে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানের একজন প্রতিনিধি এবং বুয়েটের একজন আইটি এক্সপার্টকে রাখতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে আজ মঙ্গলবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি রাজিক আল জলিলের হাইকোর্ট বেঞ্চ রায় দেন। রায়ে আদালত বলেছেন, ১৬৯ শিশুর ভর্তি নিয়ে যে পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে তাতে অভিভাবকরা দায় এড়াতে পারেন না।

আদালতে রিট আবেদনকারীদের পক্ষে ছিলেন ব্যারিস্টার মোস্তাফিজুর রহমান খান, ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমন ও আইনজীবী শামীম সরদার। ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী মোহাম্মদ রাফিউল ইসলাম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

ভিকারুননিসায় ভর্তি নিয়ে বয়সের নিয়ম না মানার অভিযোগ এনে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তিচ্ছু দুই শিক্ষার্থীর মা গত ১৪ জানুয়ারি হাইকোর্টে রিট করেন। প্রাথমিক শুনানি নিয়ে ২৩ জানুয়ারি হাইকোর্ট রুলসহ আদেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ২৮ ফেব্রুয়ারি মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) এ বিষয়ে একটি স্মারক হাইকোর্টে উপস্থাপন করে।

মাউশির ওই স্মারক মতে, ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজ কর্তৃপক্ষ ২০২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম শ্রেণিতে ভর্তির ক্ষেত্রে বয়সের ঊর্ধ্বসীমা অনুসরণ করেনি। ১ জানুয়ারি ২০১৭ সালের আগে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ভর্তি করার প্রক্রিয়া ছিল বিধিবহির্ভূত। এভাবে ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের মধ্যে ২০১৬ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১৫৯ জন এবং ২০১৫ সালে জন্মগ্রহণকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১০ জন। মোট ১৬৯ জন। এসব শিক্ষার্থীর ভর্তি বাতিল করে মাউশিকে অবহিত করার অনুরোধ করা হয়।

মাউশির নির্দেশে স্কুল কর্তৃপক্ষ ১৬৯ জনের ভর্তি বাতিল করে। এরপর গত ৬ মার্চ হাইকোর্ট আদেশ দেন অপেক্ষমাণ তালিকা থেকে এক সপ্তাহের মধ্যে শূন্য আসনে ভর্তি নেওয়া হোক।

ওই আদেশের বিরুদ্ধে ভর্তি বাতিল হওয়া শিক্ষার্থীর অভিভাবকরা আপিল বিভাগে আবেদন করেন। আপিল বিভাগ গত ২০ মার্চ হাইকোর্টের জারি করা রুলটি ২ মাসের মধ্যে নিষ্পত্তির নির্দেশ দেন এবং ১৬৯ ছাত্রীর ভর্তির ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন।

রুল নিষ্পত্তি করে রায় দেওয়ার মাধ্যমে আজ ওই স্থিতাবস্থা কেটে গেল। এখন হাইকোর্টের রায় বাস্তবায়ন করবে স্কুল কর্তৃপক্ষ।


নিষেধাজ্ঞা নিয়ে যা বললেন জেনারেল আজিজ

সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ মে, ২০২৪ ১৭:১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনিয়ম ও দুর্নীতিতে সম্পৃক্ত থাকার অভিযোগে বাংলাদেশের সাবেক সেনাপ্রধান জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ওপর মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর। গতকাল সোমবার দিবাগত রাতে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে প্রকাশিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে আজিজ জানান, শাস্তি পাওয়ার মতো কোনো কাজ তিনি করেননি। তার বিরুদ্ধে যে অভিযোগের কথা বলা হচ্ছে তা অসত্য এবং সঠিক নয়। মার্কিন নিষেধাজ্ঞা সম্পূর্ণভাবে তার জন্য প্রযোজ্য নয় বলেও মনে করেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘সেনাপ্রধান হিসেবে এবং বর্ডার গার্ড বাংলাদেশের (বিজিবি) মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ভাই বা আত্মীয়দের কন্ট্রাক্ট দিয়েছি- কেউ সেটা প্রমাণ করতে পারলে যে কোনো কনসিকোয়েন্স বা পরিণতি আমি মেনে নিতে প্রস্তুত।’

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিষেধাজ্ঞা নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে জানতে চাইলে আজিজ আহমেদ বলেন, ‘আমি অবাক হয়েছি। আমি এখানে দেখতে পাচ্ছি, “অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন” অনুষ্ঠানে যে অভিযোগ দুটি আনা হয়েছিল, সেটির সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। যদিও এখানে এত কিছু বিস্তারিত বলা হয়নি, কিন্তু একই জিনিস।’

তিনি বলেন, ‘প্রথম অভিযোগ হলো- আমি আমার ভাইকে বাংলাদেশের প্রচলিত যে আইন আছে, তার অপরাধ কর্মকাণ্ড থেকে সে যেন এড়িয়ে চলতে পারে সেজন্য আমি আমার পদ-পদবি ব্যবহার করে তাকে সহযোগিতা করে দুর্নীতি করেছি। দ্বিতীয়ত হলো- আমি সেনাপ্রধান হিসেবে আমার ভাইকে সামরিক কন্ট্রাক্ট দিয়ে ঘুস নিয়েছি; আমি আরেকটি দুর্নীতি করেছি।’

‘প্রথম অভিযোগের বিষয়ে বলবো আমার সেই ভাই, যদিও এখানে নাম উল্লেখ করা হয়নি, আমি জেনারেল হওয়ার অনেক আগে থেকে বিদেশে এবং নিশ্চয়ই সে বৈধ পাসপোর্ট নিয়েই বিদেশে গিয়েছে। সেখানে দেশ থেকে চলে যাওয়ার বা দেশের প্রচলিত আইন ফাঁকি দেওয়ার ক্ষেত্রে আমি আমার পদ-পদবি ব্যবহার করেছি এই অভিযোগ আমি মেনে নিচ্ছি না। মেনে নিতে পারি না, এটি সঠিক না।’

‘দ্বিতীয় অভিযোগের ক্ষেত্রে বলবো, আমি চার বছর বিজিবি প্রধান এবং তিন বছর সেনাপ্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে কেউ যদি একটা প্রমাণ দিতে পারে আমি আমার ভাই বা আত্মীয়কে বিজিবি বা সেনাবাহিনীতে কোনো কন্ট্রাক্ট দিয়েছি, আমি যে কোনো কনসিকোয়েন্স মেনে নিতে প্রস্তুত আছি। আমি আমার কোনো আত্মীয়-স্বজন বা ভাইকে কোনো কন্ট্রাক্ট দেইনি।’

গণমাধ্যমকর্মীদের খোঁজ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমার ভাইদের কারও বিজিবি বা সেনাবাহিনীতে ঠিকাদারি করার জন্য কন্ট্রাক্ট নেওয়ার কোনো ধরনের লাইসেন্স আছে কি না খোঁজ নিলেই পেয়ে যাবেন।

আরোপিত নিষেধাজ্ঞার বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রকে আজিজ আহমেদ কোনো প্রতিক্রিয়া জানাবেন কি না- জানতে চাইলে সাবেক এ সেনাপ্রধান বলেন, ‘আমার জানানোর কোনো প্রয়োজন নেই।’

তিনি যুক্তরাষ্ট্রে যাবেন কি না জানতে চাইলে বলেন, ‘আমি দুটি প্রশ্নের জবাব দিয়েছি। আমার মনে হয়, আর কোনো বিষয় নিয়ে আলোচনা করার কিছু নেই।’

গতকাল সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলারের বিবৃতিতে বলা হয়, ‘উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে সম্পৃক্ততার কারণে সাবেক জেনারেল (অব.) আজিজ আহমেদকে আগে বাংলাদেশের সেনাবাহিনী প্রধান, ডিপার্টমেন্ট অব স্টেট, ফরেন অপারেশন অ্যান্ড রিলেটেড প্রোগ্রামস অ্যাপ্রোপ্রিয়েশনস অ্যাক্টের ৭০৩১ (সি) ধারার আওতায় অন্তর্ভুক্ত করার ঘোষণা দিয়েছে পররাষ্ট্র দপ্তর। ফলে আজিজ আহমেদ এবং তার পরিবারের সদস্যরা যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের জন্য অযোগ্য হবেন।’

বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আজিজ আহমেদের কর্মকাণ্ডে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানসমূহের অবমূল্যায়ন এবং সরকারি প্রতিষ্ঠান ও প্রক্রিয়ার ওপর জনগণের আস্থা কমেছে।’

যুক্তরাষ্ট্রের পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, আজিজ আহমেদ তার ভাইকে বাংলাদেশে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের জন্য জবাবদিহি এড়াতে সহযোগিতা করেন। এটি করতে গিয়ে তিনি নিয়মতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় হস্তক্ষেপের মাধ্যমে উল্লেখযোগ্য দুর্নীতিতে জড়িয়েছেন। এ ছাড়া অন্যায্যভাবে সামরিক খাতে কন্ট্রাক্ট পাওয়া নিশ্চিত করতে তিনি তার ভাইয়ের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করেছেন। তিনি নিজের স্বার্থের জন্য সরকারি নিয়োগের বিনিময়ে ঘুস নিয়েছেন।

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, আজিজ আহমেদের বিরুদ্ধে এ ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান ও আইনের শাসন শক্তিশালী করতে যুক্তরাষ্ট্রের অঙ্গীকার পুনরায় নিশ্চিত করা হলো।


গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে হামলা

হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত গোলাম মাওলা রনির গাড়ি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ মে, ২০২৪ ১৬:০৩
ঢাবি প্রতিনিধি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) তিন নেতার মাজার এলাকায় পটুয়াখালী-৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে দুর্বৃত্তরা হামলা করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ সময় গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে হামলা করে পালিয়ে যান তারা। তবে এ ঘটনায় কেউ আহত না হলেও তার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

আজ মঙ্গলবার দুপুর ১২টার দিকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতার মাজার এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। গোলাম মাওলা রনি নিজে বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

গোলাম মাওলা রনি নিজ বাসা থেকে অফিসের উদ্দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেতর দিয়ে যাওয়ার সময় তার গাড়ি বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতার মাজার এলাকায় পৌঁছালে সেখানে অবস্থান করা কয়েকজন এসে গাড়িতে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এতে তিনি বা চালক আঘাত না পেলেও তার গাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়।

হামলা প্রসঙ্গে গোলাম মাওলা বলেন, ‘আমি বেলা ১১টার দিকে বাসা থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি-দোয়েল চত্বর হয়ে অফিসে যাচ্ছিলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন নেতার মাজার এলাকার পুষ্টি ইন্সটিটিউটের উল্টো পাশের ইউটার্নের কাছে গাড়ি পৌঁছালে সেখানে দাঁড়ানো তিন থেকে চারজন ছেলে হঠাৎ আমার গাড়িতে হামলা করে। তাদের সবার হাতে হাতুড়ি ছিল। তারা আমার গাড়ির উইন্ড স্ক্রিন ভেঙে ফেলে। পরে হামলাকারীরা পেছন দিকে হাতুড়ি দিয়ে আঘাত করা শুরু করলে ড্রাইভার গাড়ি চালিয়ে সেই জায়গা দ্রুত ত্যাগ করে। আমরা গাড়িতে অবস্থান করায় আমাদের কেউ আহত হইনি।’

থানায় অভিযোগ করা হয়েছে কি না জানতে রনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত আমি লিখিত অভিযোগ করিনি। তবে প্রস্তুতি চলছে। দ্রুতই থানায় লিখিত অভিযোগ করব।’

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান বলেন, ‘দুপুরের দিকে গোলাম মাওলা রনির গাড়িতে হামলার বিষয়টি আমরা জানতে পেরেছি। উনি লিখিত অভিযোগ করেননি তবে, তিনি আমাদের ফোনে বিস্তারিত জানিয়েছেন। কে বা কারা এই হামলায় জড়িত আমরা বিস্তারিত তদন্ত করছি।’


অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন করতে হবে: প্রধান বিচারপতি

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান বলেছেন, সমাজে অপরাধের ধরন পাল্টেছে। তাই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন করতে হবে।

আজ মঙ্গলবার রাজধানী সুত্রাপুরের আলোচিত আশিকুর রহমান অপু হত্যা মামলার আপিল শুনানির এক পর্যায়ে প্রধান বিচারপতি এসব কথা বলেন।

এ সময় বেঞ্চের অপর তিন বিচারপতি এম ইনায়েতুর রহিম, বিচারপতি মো. আবু জাফর সিদ্দিকী, বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সমাজে অপরাধের ধরন পাল্টেছে। এখন আগের সেই সামাজিক অবস্থা নেই। তাই অপরাধ নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির উন্নয়ন (ক্রাইম কন্ট্রোল ম্যাকানিজম ডেভেলপ) করতে হবে।’

এ সময় কিশোর-গ্যাং প্রসঙ্গ টেনে প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘সমাজে বেপরোয়া ‘কিশোর গ্যাং’ নিয়ে খবর হয়েছে। এক্ষেত্রে শিশুকে শিশু বললেই হবে না। একসময় এরাই অপরাধে জড়ায়।’

আদালতে আসামিদের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সারোয়ার আহমেদ। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সারওয়ার হোসেন বাপ্পী।


অপুর অভিযোগে তিন কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে সতর্ক করল সিটিটিসি

আপডেটেড ২০ মে, ২০২৪ ২০:৩৮
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস সম্প্রতি অরুচিকর, মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অভিযোগে রাজধানীর ভাটারা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেন। যেখানে ব্যক্তি, ব্লগার ও ফেসুবক-ইউটিউব চ্যানেলসহ ৩৪টি নামে অভিযোগ দেন তিনি।

অপু বিশ্বাসের সেই অভিযোগের তদন্তে নামে সাইবার ক্রাইম ইনভেস্টিগেশন ডিভিশন সিটিটিসি। এরই মধ্যে একজন পুরুষ ও দুজন নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে ডেকে সর্তক করেছে সিটিটিসি।

সিটিটিসি’র ফেসবুক পেজ থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

পেজ থেকে অপু বিশ্বাসের অভিযোগের কথা উল্লেখ করে লেখা হয় - সামাজিক যোগাযোগেরমাধ্যমগুলোতে এখন নানা ধরনের বিড়ম্বনার শিকার হচ্ছেন নেটিজেনরা। ফেসবুক, ম্যাসেঞ্জার, টুইটার, ভাইবার, ইমো, হোয়াটসঅ্যাপ ইত্যাদির মাধ্যমে তারা সাইবার অপরাধীদের শিকারে পরিণত হচ্ছেন। সাম্প্রতিক সময়ে সিটিটিসি প্রাপ্ত অভিযোগগুলো বিশ্লেষণ করে দেখা যাচ্ছে যে, কিছু ব্যক্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে রোস্টিং এর নামে সংস্কৃতিকর্মীদের টার্গেট করে অনবরত বুলিং করছেন এবং কুৎসা রটনা করে চলেছেন।

সম্প্রতি অভিনয় শিল্পী অপু বিশ্বাসও এ ধরনের অপরাধের শিকার হন, তার জিডি ও অভিযোগের ভিত্তিতে একজন পুরুষ ও দুইজন নারী কন্টেন্ট ক্রিয়েটরকে অপপ্রচার বিষয়ে নিউট্রালাইজ করা হয়েছে এবং অনলাইনে ঘৃণা ছড়ানো বন্ধ করতে বলা হয়েছে।

সাইবার স্পেসে হেয় করা হলে এ ধরনের অপরাধীদের আইনের আওতায় আনা হবে উল্লেখ করে লেখা হয়- একটা সুস্থ ও রিজিলিয়েন্ট সাইবার স্পেস আমাদের সবার কাম্য। আমরা বিশ্বাস করি সবাই আইন মানবে ও সাইবার ইথিক্সগুলো মেনে চলে নিরাপদ সাইবার ভুবন গড়তে সহায়তা করবে। সাইবার স্পেসে যে কাউকে হেয় করা অপরাধ ও তাদের আইনের আওতায় আনা হবে। সংস্কৃতিকর্মী বা সাধারণ ভিক্টিম সবার জন্য আমাদের সাইবার সেবা উম্মুক্ত থাকবে।


banner close