বৃহস্পতিবার, ১৩ জুন ২০২৪

বাবা হত্যার বিচার চাই: ডরিন

বুধবার রাজধানীর মিন্টো রোডে ডিবি কার্যলয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজিম আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
২২ মে, ২০২৪ ১৫:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৪ ১৪:৩৭

চিকিৎসার জন্য ভারতে গিয়ে ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনারের খুনের ঘটনার বিচার চেয়েছেন তার মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। কলকাতার নিউটাউন এলাকার সঞ্জিভা গার্ডেন থেকে বুধবার সকালে এমপি আনারের মরদেহ উদ্ধারের খবর জানায় বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম।

এর আগে গত রোববার আনারের নিখোঁজ হওয়ার খবরটি সংবাদমাধ্যমকে জানান তার ব্যক্তিগত সহকারী (পিএস) আবদুর রউফ।

বাবা হত্যার খবর পেয়ে আজ রাজধানীর মিন্টো রোড ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে যান তার মেয়ে ডরিন। সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আমি আমার বাবা হত্যার বিচার চাই। আশা করি এই বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী আমাকে সাহায্য করবেন।’

এমপি আনার হত্যায় জড়িত সন্দেহে তিনজনকে আটকের কথা জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল বুধবার সাংবাদিকদের বলেন, এ হত্যার কারণ খুঁজছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

বাবা নিহতের ঘটনায় স্থানীয় কাউকে সন্দেহ করছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে আনারকন্যা বলেন, ‘না, আমি এখনও এ ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না। আমি এতিম হয়ে গেছি। আপনারা সারা বাংলায় আলোড়ন সৃষ্টি করে দিন। আমি শুধু আমার বাবার হত্যার বিচার চাই। ‘আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ, আপনারা আমাকে সহযোগিতা করবেন। আমি (ডিএমপি ডিবির প্রধান) হারুন (হারুন অর রশিদ) স্যারকে বলেছি, আমিও তো আইন নিয়ে পড়ি। আমি শুধু দেখতে চাই আমার বাবার হত্যাকারীদের শাস্তি হয়েছে। ১৪ বছর আমার বাবা নানা মিথ্যা মামালায় হুমকির সম্মুখীন হয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমি নিজ চোখে দেখতে চাই কারা আমাকে এতিম করল।’

বিষয়:

অর্থ আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসের বিচার শুরু

ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ জুন, ২০২৪ ২২:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ঢাকার একটি আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৫ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এর আগে ২ জুন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। অপরদিকে ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের পক্ষে তাদের আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুন দিন ধার্য করেন।

অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ড. ইউনূসসহ অন্য অভিযুক্তরা এখন জামিনে আছেন এবং তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বিচার দাবি করেছেন।

২০২৩ সালের ৩০ মে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সংস্থাটির উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার। দুদকের মামলায় আসামি ছিলেন ১৩ জন। চার্জশিটে নতুন একজন আসামির নাম যুক্ত হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত বাকি ১৩ জন হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম, এস এম হুজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, আইনজীবী মো. ইউসুফ আলী ও জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান, ইউনিয়নের প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মো. কামরুল হাসান।

আসামিদের বিরুদ্ধে ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ চার্জশিট গ্রহণ করে মামলা বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এ বদলির আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। সদস্যদের উপস্থিতিতে ২০২২ সালের ৯ মে অনুষ্ঠিত ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় হিসাব খোলা হয়। ওই বছরের ২৭ এপ্রিল গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পাওনা লভ্যাংশ বিতরণের জন্য গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট চুক্তি হয়।

গ্রামীণ টেলিকমের বোর্ড সভার হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত ৯ মে হলেও হিসাব খোলা হয় একদিন আগে ৮ মে। সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টেও ৮ মে ব্যাংক হিসাব দেখানো আছে- যা বাস্তবে অসম্ভব। এ রকম ভুয়া সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টের শর্ত অনুযায়ী ও ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২২ সালের ১০ মে গ্রামীণ টেলিকমের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মিরপুর শাখা থেকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৪৩৭ কোটি ১ লাখ ১২ হাজার ৬২১ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২২ জুন অনুষ্ঠিত গ্রামীণ টেলিকমের ১০৯তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অ্যাডভোকেট ফি হিসেবে অতিরিক্ত ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৮৯ টাকা প্রদানের বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়। অন্যদিকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখার হিসাব থেকে এবং গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নামীয় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লোকাল অফিসের হিসাব থেকে তিন দফায় মোট ২৬ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু কর্মচারীদের লভ্যাংশ বিতরণের আগেই তাদের প্রাপ্য অর্থ তাদের না জানিয়ে অসৎ উদ্দেশে ২০২২ সালের মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে সিবিএ নেতা মো. কামরুজ্জামানের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মিরপুর শাখার হিসাবে মোট ৩ কোটি টাকা, সিবিএ নেতা মাইনুল ইসলামের হিসাবে ৩ কোটি ও সিবিএ নেতা ফিরোজ মাহমুদ হাসানের ডাচ-বাংলা ব্যাংক মিরপুর শাখার হিসাবে ৩ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়। একইভাবে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নামেও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা হস্থান্তর করা হয়।


মিন্টু সদুত্তর দিতে না পারলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: হারুন

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু (বাঁয়ে) ও ডিএমপি ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (ডানে)। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিবির হাতে আটক হওয়া ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু যদি কোনো সদুত্তর দিতে না পারেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

আজ বুধবার বিকেলে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান ডিএমপি ডিবিপ্রধান হারুন।

তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুর কাছে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণের পরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাইদুল করিম মিন্টুকে ডাকা হয়েছে। মিন্টুর কাছে তথ্যগুলো জানতে চাওয়া হবে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে যদি মিন্টু সদুত্তর দিতে পারেন তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর যদি কোনো প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারেন তবে তদন্তের ধারাবাহিকতায় যা করার তাই করা হবে।’

মিন্টুকে গ্রেপ্তার না দেখিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে কেন জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। সে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মিন্টু যদি কোনো সদুত্তর দিতে না পারেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা তখনই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে আমরা নিয়ে আসি। আমরা যখন কাউকে নিয়ে আসি অবশ্যই কিছু তথ্য-উপাত্ত থাকে। প্রমাণের ভিত্তিতেই তাকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করি। জিজ্ঞাসাবাদে গ্যাস বাবু অকপটে স্বীকার করেন যে, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া ঘাতক শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছিলেন। শিমুল ভূঁইয়া গ্যাস বাবুকে এমপি আনার হত্যার পর ছবি দেখিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, যারা নির্দেশ দিয়েছেন এবং এর সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এটাও বলে রাখতে চাই, কারও প্ররোচনায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিতে কোনো হয়রানি করা হবে না।’

তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে সব মামলার ঘটনা তদন্ত করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগ করে না। কারণ তারা জানে ডিবির সব চৌকস টিম মামলার তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধী দেশে কিংবা বিদেশে থাকলেও তাদেরকে খুঁজে বের করে আনে। কোনো নিরীহ লোককে হয়রানি করার প্রশ্নই আসে না।’

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, ‘খুনিরা ঠান্ডা মাথায় এমপি আনারকে খুন করার পর মরদেহ গুম করেন। আমরা বাংলাদেশ থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করি। এরমধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া জিজ্ঞাসাবাদে সবকিছু স্বীকার করেছেন। আনার হত্যার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম এবং সেখানে গ্রেপ্তার আসামির সঙ্গে কথা বলেছি।’

বিষয়:

বেনজীরের ফ্ল্যাট-জমি জব্দের আদেশ আদালতের

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১২ জুন, ২০২৪ ১৬:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে আরও সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহা্ম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। জব্দ হওয়া সম্পদ ও ফ্ল্যাটের মধ্যে রুপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় ৩ কাঠা, বাড্ডায় ৩৯. ৩০ জমির উপর ২ টি ফ্ল্যাট, বান্দরবান জেলায় ২৫ একর জমি, স্ত্রী জিসানের নামে আদাবর থানার পিসিকালচার ৬টি ফ্ল্যাট, গুলশানে বাবার কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মুলে সম্পত্তিতে ৬ তলা ভবন, সিটিজেন টিভির শেয়ার ও টাইগার এপারেলসের শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ৬২১ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক বেনজীরের স্ত্রী জীশান মীর্জা। তার নামে প্রায় ৫২১ বিঘা জমি খুঁজে পেয়েছে দুদক। বাকি ১০০ বিঘার মতো জমি রয়েছে বেনজীর, তার তিন মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর, তাহসিন রাইশা বিনতে বেনজীর ও জারা জেরিন বিনতে বেনজীর এবং স্বজন আবু সাঈদ মো. খালেদের নামে।

বেনজীর আহমেদের স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে মাদারীপুরের সাতপাড় ডুমুরিয়া মৌজায় ২৭৬ বিঘা জমি পাওয়া গেছে। ২০২১ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন সময় ১১৩টি দলিলে এসব জমি কেনা হয়। দলিলমূল্য দেখানো হয় মোট ১০ কোটি ২২ লাখ টাকা। ৮৩টি দলিলে ৩৪৫ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। যার দলিলমূল্য দেখানো হয়েছিল ১৬ কোটি ১৫ টাকার কিছু বেশি।

এ ছাড়া বেনজীর আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে গুলশানে যে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। তার মধ্যে তিনটি তার স্ত্রীর নামে এবং একটি ছোট মেয়ের নামে। দুটি ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩৫৩ বর্গফুট, দাম ৫৬ লাখ টাকা করে। বাকি দুই ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ২৪৩ বর্গফুট করে, দাম সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা করে। চারটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে একই দিন একই ভবনে। ভবনটির নাম র‍্যানকন আইকন টাওয়ার।

বিষয়:

ঈদে মহাসড়কে মানতে হবে যেসব নিয়ম

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহায় ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে ও সড়কে দুর্ভোগ কমাতে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান আজ বুধবার এসব নির্দেশনার কথা গণমাধ্যমকে জানান।

তিনি বলেন, গরু বহন করা প্রতিটি গাড়ির সামনে ব্যানার লাগাতে হবে। যেখানে গাড়িটি কোন হাটে যাবে তা লেখা থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, বাজারের বাইরে কেউ গরু নিয়ে দাঁড়াতে পারবে না। মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালকরা বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। এতে যেমন দুর্ঘটনা ঘটে, তেমনি হতাহত হয়। বিশেষ করে ঈদের সময় দুর্ঘটনার হার অনেক বাড়ে। তাই মোটরসাইকেল চালকদের এবার নজরদারিতে রাখা হবে। বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা মহানগরী থেকে ছেড়ে যাওয়া কোনো দূরপাল্লার বাস রাস্তা থেকে যাত্রী তুলতে পারবে না। সিটির ভেতরে সার্ভিস দেয়া কোনো বাস দূরপাল্লার সড়কে চলাচল করতে পারবে না। বাড়তি ভাড়ার বিষয়টি তদারকির জন্য প্রতিটি টার্মিনালে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে বলেও জানান ডিএমপি ট্রাফিকের অতিরিক্ত কমিশনার।

এ ছাড়া, শেষ মুহূর্তে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চাপ কমাতে আলাদা আলাদা সময়ে ছুটে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই সকল নিয়মকানুন তদারকির জন্য প্রতিটি প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হবে বলেও জানান তিনি।

বিষয়:

‘বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইউনূস যা বলে বেড়ান, তা অসত্য’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রম অধিকার লঙ্ঘন করার কারণে দেশের অন্য নাগরিকদের মতোই তার বিচার হচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি যা বলে বেড়ান, সেটি অসত্য ও দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক।

ড. ইউনূসের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আজ বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নকে এসব কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ড. ইউনূসের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাদেরকে জানানো হয়েছে, ড. ইউনূস তার বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে যা বলে বেড়ান, সেটি অসত্য ও দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক। ইউনূস শ্রম অধিকার লঙ্ঘন করেছেন। দেশের নাগরিকদের যেভাবে বিচার হয়। ইউনূস এর বিচার প্রক্রিয়াও ঠিক সেভাবেই হচ্ছে।

এদিকে আজ বুধবার গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিযোগ গঠনের সময় ড. ইউনূসসহ অন্যরা নিজেদের নিরপরাধ দাবি করেন। তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচারের আশা করেন।


ঝিনাইদহ আ. লীগের আরও নেতা নজরদারিতে রয়েছেন: হারুন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের আরও নেতা নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি ডিবিপ্রধান বলেন, আমাদের ডিবি লালবাগ বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে। ভারতে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমাদের দুই দেশের উদ্দেশ্য অভিন্ন। মামলার তদন্তে আমরা আসামিদের সঙ্গে কথা বলেছি। ভারতে গ্রেপ্তার আসামির সঙ্গে কথা বলেছি, বাংলাদেশে গ্রেপ্তার মূল ঘাতক শিমুলসহ অন্যরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণ করে আমরা মনে করেছি, ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে এনেছি, রিমান্ডে তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডটি ভারতে যারা ঘটিয়েছেন, মোটা দাগে তারা সবাই বাংলাদেশি। হত্যাকাণ্ডের পর তারা সবাই বাংলাদেশে এসেছেন। এসে হত্যাকাণ্ডের ছবি বা বিভিন্ন বিষয়গুলো বিভিন্নজনের কাছে শেয়ার করেছেন কি-না তা তদন্ত করছি। ছবি বা তথ্য শেয়ার করে আর্থিকভাবে তারা লাভবান হয়েছেন কি-না এবং কাদের কাছ থেকে লাভবান হয়েছেন সবগুলো বিষয় আমরা তদন্ত করে বের করার চেষ্টা করছি।

হারুন বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী যিনি শাহীন, তিনি ঢাকা থেকে দিল্লি, কাঠমান্ডু-দুবাই হয়ে আমেরিকায় চলে গেছেন। তাকে ধরতে না পারলেও বাকি আসামিদের বিষয়ে আমরা তথ্য পেয়েছি, অনেককে গ্রেপ্তার করেছি। একজন ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন, একজন কাঠমান্ডুতে। কাঠমান্ডুতে গ্রেপ্তার সিয়াম বর্তমানে ভারতে আছেন। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড শাহীনের ব্যবহৃত দুটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার মূল পার্ট ভারতে তদন্ত হচ্ছে। সিয়াম যেহেতু আনারকে হত্যা করে পৈশাচিক কায়দায় গুম করার উদ্দেশ্যে ও আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ঠাণ্ডা মাথায় আনারের বিভিন্ন দেহাংশ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিয়েছেন। তাই তিনি ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড ছিলেন। ভারতীয় পুলিশ তাকে নিয়ে কাজ করছে। আমরা শুনেছি কিছু জায়গা থেকে দেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা যদি প্রয়োজন মনে করি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করবো।

বিষয়:

আনার হত্যায় আওয়ামী লীগ নেতা মিন্টু আটক

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে আটক করেছে গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।

জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আজ মঙ্গলবার তাকে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিবি কার্যালয়ে নেওয়া হয়েছে। একই দিন বিকেলে তাকে ধানমন্ডি থেকে আটক করা হয় বলে জানায় ডিবি।

জানা যায়, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী আক্তারুজ্জামান শাহীনের সঙ্গে সাইদুল করিম মিন্টুর যোগাযোগ ছিল। এ ছাড়া গ্রেপ্তার ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুর সঙ্গে যোগাযোগ ছিল তার। এসব বিষয়ে সাইদুল করিম মিন্টুকে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ডিবি।

এ বিষয়ে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. শফিকুল ইসলাম অপু বলেন, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে জেলা আওয়ামী লীগের একটি অনুষ্ঠান ছিল আজ। সেই অনুষ্ঠানে মিন্টুর উপস্থিত থাকার কথা ছিল। কিন্তু তিনি অনুষ্ঠানে আসেননি।

আটকের বিষয়ে তিনি বলেন, বাই দ্য বাই শুনতেছি আটক, তবে আমি এখনো নিশ্চিত না। কেন্দ্রীয় নেতাদের সঙ্গে কথা বলার পর নিশ্চিত হতে পারবো।

১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন চিকিৎসক দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন তিনি।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পর ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের।

২২ মে হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় সঞ্জীবা গার্ডেনস নামের একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া যায় রক্তের ছাপ।

বিষয়:

‘তর্কাতর্কিতে উত্তেজিত হয়ে গুলি ছোড়েন কনস্টেবল কাওসার’

রোববার ডিএমপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন ডিএমপির অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৯ জুন, ২০২৪ ১৭:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

তর্কাতর্কির জের ধরে রাজধানীর বারিধারায় ডিপ্লোমেটিক জোনে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে কনস্টেবল কাওসার সহকর্মী মনিরুলকে উদ্দেশ করে গুলি ছোড়েন বলে জানিয়েছেন অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) ড. খ. মহিদ উদ্দিন।

আজ রোববার দুপুরে ডিএমপির সদর দপ্তরে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তবে কী নিয়ে তর্ক ও কী কারণে কনস্টেবল কাওসার উত্তেজিত ছিলেন সে বিষয়ে এখনও কিছুই জানাতে পারেনি ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)। তদন্ত করে সেটি বের করা হবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

ড. খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘দুই পুলিশ সদস্যের মধ্যে বিরোধ ছিল, এমন তথ্য আমাদের কাছে নেই। কাওসারের সঙ্গে আমরা কথা বলেছি, কিন্তু বিরোধের কোনও তথ্য তার কাছ থেকে পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি অভিযুক্ত কাওসারের গত এক-দুই মাসের ডিউটি রেকর্ড দেখেছি। রেকর্ডে কাওসার যথাযথভাবেই ডিউটি করেছে।’

ডিএমপির এই কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয়েছে অভিযুক্ত কনস্টেবল কাওসার আহমেদ মানসিকভাবে বিপর্যস্ত। গুলি করেই তিনি হতভম্ব। এ কারণে বারবার বলছিলেন, এটা কীভাবে হয়ে গেলো, আমি জানি না। অর্থাৎ এ ধরনের ঘটনা ঘটানোর পর মানসিকভাবে নার্ভাস থাকে। যে কারণে ঘটনার পরও অস্ত্র রেখে কনস্টেবল কাওসার সেখানে হাঁটাহাঁটি করছিলেন। কারণ, তিনি স্ট্রেসটা নিতে পারছিলেন না। ঘটনার পর তিনি বুঝতে পেরেছেন—হয়তো কত বড় অন্যায় ও অমানবিক কাজ করে ফেলেছে। হয়তো এক-দুদিন গেলে বোঝা যাবে গুলি করার কারণ।’

ড. খ. মহিদ আরও বলেন, ‘ডিউটির কারণে কোনও সমস্যা তৈরি হয়নি। আর এখন কোথাও ডিউটির অতিরিক্ত চাপ নেই। স্বাভাবিকভাবেই ডিউটি করছেন সবাই।’

সামগ্রিকভাবে পুলিশ সদস্যদের কাউন্সেলিংয়ের উদ্যোগ নেওয়া হবে কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘প্রাতিষ্ঠানিকভাবে আমাদের কাউন্সেলিংয়ের সিস্টেম নেই। তবে নিয়মিত ব্রিফিংগুলোতে কী করা যাবে, কী করা যাবে না; সে সম্পর্কে বলা হয়। এটাও এক ধরনের কাউন্সেলিং।’

উল্লেখ্য, গতকাল শনিবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর বারিধারায় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় দুই পুলিশ সদস্যই ফিলিস্তিন দূতাবাসের বাইরে অবস্থিত পুলিশ বক্সে দায়িত্ব পালন করছিলেন। এ ঘটনায় জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক সাজ্জাদ হোসেনসহ আরও একজন পথচারী আহত হয়েছেন। পরে তাদের গুলিবিদ্ধ অবস্থায় ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়।


এমপি আনার হত্যা: কলকাতায় খালে পাওয়া গেল কিছু হাড়গোড়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় অভিযান চালিয়ে কলকাতার কৃষ্ণমাটি সেতু সংলগ্ন এলাকার বাগজোলা খাল থেকে কিছু হাড় উদ্ধার করেছে কলকাতার সিআইডি।

আজ রোববার সকালে বাগজোলা খালে আসেন সিআইডি কর্মকর্তারা। যে স্থানে এমপি আনারের দেহাংশ ফেলা হয় সেই স্থানটি দেখিয়ে দেন সিয়াম হোসেন। তারপর সেখানে ভারতীয় নৌবাহিনীর তিন সদস্যের দল ও কলকাতা পুলিশের বিপর্যয় মোকাবিলা বাহিনীর সদস্যরা মিলে তল্লাশি অভিযান চালান। সঙ্গে ছিলেন পুলিশ ও নৌবাহিনীর ডিএমজি টিম।

তবে হাড়গুলো এমপি আনারের কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। হাড়গুলো উদ্ধার করে ফরেনসিক টেস্টে পাঠানোর ব্যবস্থা করছে সিআইডি। তবে সেই হাড়গুলো মানুষের না অন্য কিছুর তা জানা যাবে, ফরেনসিক পরীক্ষার পর।

গত শুক্রবার (৭ জুন) এমপি আনার হত্যাকাণ্ডে জড়িত সিয়ামকে বাংলাদেশ সীমান্তবর্তী পশ্চিমবঙ্গের উত্তর ২৪ পরগনার বনগাঁ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের গোয়েন্দা বিভাগ (সিআইডি)। পরদিন শনিবার তাকে ১৪ দিনের জন্য সিআইডি হেফাজতের নির্দেশ দেন বারাসাত জেলা ও দায়রা আদালত।

শনিবার সারা রাত ধরে সিয়াম হোসেনকে দফায় দফায় জিজ্ঞাসাবাদ চালান সিআইডির কর্মকর্তারা। জিজ্ঞাসাবাদে সিয়াম হোসেন সিআইডিকে বেশ কিছু তথ্য জানান।

সিয়ামের বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৩৬৪ (হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণ), ৩০২ (অপরাধমূলক নরহত্যা।), ২০১ (তথ্যপ্রমাণ লোপাট) এবং ৩৪ (সংঘবদ্ধভাবে অপরাধমূলক কাজ সংঘটিত করা)- এই চার জামিন অযোগ্য ধারায় মামলা দেওয়া হয়েছে।

এমপি আনোয়ারুল আজীম আনারকে কলকাতার সঞ্জীবা গার্ডেনসের যে ফ্ল্যাটে হত্যা করা হয় সেই ফ্ল্যাটের সেপটিক ট্যাংক থেকে গত ২৮ মে মরদেহের খণ্ডাংশ উদ্ধার করে কলকাতা পুলিশ। তবে সেগুলো এমপি আনারের মরদেহের খণ্ডাংশ কি না সেটা এখনো নিশ্চিত করেনি পুলিশ।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।

বিষয়:

‘অর্থঋণ মামলা দ্রুত নিষ্পত্তির উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে’

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক বলেছেন, অর্থঋণ আদালতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে প্রয়োজনে আদালত বাড়ানো হবে।

আজ রোববার বিচার প্রশাসন প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটে বিচারকদের এক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বক্তৃতায় তিনি একথা জানান।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘অর্থঋণ আদালতের মামলা দ্রুত নিষ্পত্তি করতে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। প্রয়োজনে আদালত বাড়ানো হবে।’

দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) স্বাধীনভাবে কাজ করছে জানিয়ে অনিসুল হক বলেন, সরকারি চাকরিতে ঢোকার সময় সম্পদের হিসাব দেওয়ার নিয়ম আছে। সরকারি চাকরিজীবী কেউ দুর্নীতি করলে ছাড় পাবে না। তিনি বলেন, বিএনপি-জামায়াত বাংলাদেশের উন্নয়ন সহ্য করতে পারছে না।

দেশের উন্নয়ন নিয়ে যারা মিথ্যাচার করছে, বিচারের সময় সেদিকে খেয়াল রাখতে বিচারকদের আহ্বান জানান মন্ত্রী।

বিষয়:

সহকর্মীকে গুলি করে হত্যার তদন্ত চলছে: আইজিপি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, রাজধানীর বারিধারা ডিপ্লোমেটিক জোনে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে সহকর্মী কনস্টেবল কাউসার আলীর গুলিতে কনস্টেবল মনিরুল ইসলাম নিহত হওয়ার কারণ জানতে তদন্ত চলছে।

গতকাল শনিবার রাত আড়াইটার দিকে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে তিনি জনান, রাত ১১টা ৪৫ মিনিটের দিকে ফিলিস্তিন দূতাবাসের সামনে আমাদের দুজন কনস্টেবল ডিউটিরত ছিলেন। এদের মধ্যে কনস্টেবল কাউসারের গুলিতে কনস্টেবল মনিরুল ঘটনাস্থলে মারা যান। এ ঘটনায় জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক সাজ্জাদ হোসেন গুলিবিদ্ধ হয়ে আহত হন। তিনি এখন ইউনাইটেড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। সাজ্জাদের শরীরে তিন রাউন্ড গুলি লাগে। আক্রমণকারী কনস্টেবলকে থানায় নেওয়া হয়েছে। তাকে নিরস্ত্র করা হয়েছে। আমরা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করছি।

আইজিপি বলেন, ‘মনিরুলের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ঘটনাস্থল থেকে আমরা কিছু গুলির খোসা ও ২০ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করেছি। এ ঘটনায় তদন্ত করছি।’

হত্যাকাণ্ডের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার কারণ জানতে আমরা কনস্টেবল কাউসারকে জিজ্ঞাসাবাদ করবো। জিজ্ঞাসাবাদে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী আমরা ব্যবস্থা নেব।’

কাউসারকে কীভাবে আটক করা হয়- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘ঘটনার পর কাউসার তার অস্ত্রটা রেখে ঘটনাস্থলের আশপাশে ঘোরাফেরা করছিলেন। তখন তাকে আটক করা হয়।’

জাপান দূতাবাসের গাড়িচালক কীভাবে গুলিবিদ্ধ হয়েছেন- জানতে চাইলে পুলিশপ্রধান বলেন, তিনি পথচারী হিসেবে যাওয়ার সময় গুলিবিদ্ধ হন।

এর আগে গতকাল দিবাগত রাত আনুমানিক ১২টার দিকে গুলশানে ফিলিস্তিনি দূতাবাসের সামনে এ ঘটনাটি ঘটে।


নেপালে আটক সিয়াম কলকাতা সিআইডির হেফাজতে

এমপি আনার হত্যা মামলায় আটক আসামি সিয়াম (বাঁয়ে) ও ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার (ডানে)। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কলকাতায় খুন হওয়া ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য (এমপি) আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যা মামলায় নেপালে আটক আসামি সিয়ামকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছে কলকাতা সিআইডি।

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডের ডিএমপি মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

তিনি জানান, কলকাতা সিআইডি এই হত্যা মামলাটি তদন্ত করছে। তাদের কাছে দুইজন আসামি আছেন। একজনকে তারা নেপাল থেকে নিয়েছে। আরেকজনকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে।

ডিএমপি কমিশনার জানান, আনার হত্যাকাণ্ডে অভিযুক্ত একজন নেপালে পালিয়ে ছিলেন। পরে তাকে নেপাল পুলিশ আটক করে। কলকাতার সিআইডি তাকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে। অবশ্য এই আসামির নাম উল্লেখ করেননি ডিএমপি কমিশনার। তবে, দেশের গোয়েন্দা সূত্র বলছে, এই আসামি হলেন নেপালে পালিয়ে থাকা সিয়াম।

আনার হত্যার বিচার বিষয়ে হাবিবুর রহমান বলেন, সেখানে ঘটনা তদন্ত সংঘটিত হয়, সেখানেই তদন্ত হয়। এটি একটি সেট রুল। কিন্তু আমাদের বাংলাদেশের আইনেও বলা আছে, বিদেশে যদি কেউ অপরাধ করে থাকে, সেক্ষেত্রে সেই অপরাধীকে আমরা বাংলাদেশে এনে বিচার করতে পারি...। আমরাও তদন্ত করছি, তারাও (কলকাতা) তদন্ত করছে। একপর্যায়ে আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে যেকোনো জায়গায় এই বিচারটি হতে পারে।

এমপি আনার হত্যা মামলায় সিয়াম ছাড়াও আরও পাঁচজন আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। এর মধ্যে বাংলাদেশে গ্রেপ্তাররা হলেন, আমানুল্লা সাঈদ ওরফে শিমুল ভুঁইয়া ওরফে শিহাব ওরফে ফজল মোহাম্মদ ভুঁইয়া, তানভীর ভুঁইয়া ও সেলেস্টি রহমান। ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন জিহাদ ও আরেকজন।

উল্লেখ্য, গত ১২ মে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে যান এমপি আনোয়ারুল আজীম আনার। সেদিন সন্ধ্যা ৭টার দিকে কলকাতায় তার পারিবারিক বন্ধু গোপাল বিশ্বাসের সঙ্গে দেখা করতে যান। পরদিন ১৩ মে চিকিৎসক দেখাতে হবে জানিয়ে দুপুর ১টা ৪১ মিনিটে গোপালের বাড়ি থেকে বের হন আনার। সন্ধ্যায় ফিরবেন বলে জানান তিনি। বিধান পার্কের কাছে কলকাতা পাবলিক স্কুলের সামনে থেকে ট্যাক্সিতে উঠেছিলেন তিনি।

চলে যাওয়ার পর সন্ধ্যায় আনার তার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি যাচ্ছেন এবং সেখানে পৌঁছে তাকে ফোন করবেন। পরে তার সঙ্গে ভিআইপিরা আছেন জানিয়ে বন্ধু গোপালকে ফোন না দেওয়ার জন্য সতর্ক করেছিলেন।

গত ১৫ মে হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তায় এমপি আনার বন্ধু গোপালকে জানান, তিনি দিল্লি পৌঁছেছেন এবং ভিআইপিদের সঙ্গে আছেন। তাকে ফোন করার দরকার নেই। একই বার্তা পাঠান বাংলাদেশে তার ব্যক্তিগত সহকারী রউফের কাছেও।

১৭ মে আনারের পরিবার তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গোপালকে ফোন করেন। ওই সময় তারা গোপালকে জানান, তার (আনার) সঙ্গে যোগাযোগ করতে পারছেন না তারা। পরিবারের পক্ষ থেকে ওই দিন ঢাকায় থানায় অভিযোগ করা হয়। এরপর থেকে এমপি আনারের খোঁজ পাওয়া যায়নি।

বিষয়:

অনুমতি ছাড়া পশুর হাট বসালে ব্যবস্থা নেবে পুলিশ

ডিএমপি কমিশনার হাবিবুর রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনুমতি ছাড়া কোরবানির পশুর হাট বসালে পশুসহ মালিককে ধরে আনা হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) কমিশনার হাবিবুর রহমান।

আজ শুক্রবার রাজধানীর একটি কোরবানির পশুর হাটে ডিএমপির নেওয়া নিরাপত্তাবিষয়ক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এমন হুঁশিয়ারি দেন।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, রাজধানীতে দুটি স্থায়ীসহ মোট ১৯টি কোরবানির পশুর হাটের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত জায়গার বাইরে আশপাশের এলাকা বা সড়কে কোনো পশু রাখলে সংশ্লিষ্ট ইজারাদার প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, ঢাকার ভেতরে পশুর হাটে যারা (স্বেচ্ছাসেবীসহ হাট ইজারাদার, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী) কাজ করবেন তাদের সমন্বয় থাকবে। পশুর হাটে অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির ব্যাপারে ডিবির টিম সজাগ থাকবে। হাট ও হাটের আশপাশে অজ্ঞান পার্টি ও মলম পার্টির ব্যক্তি দেখলেই সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় আনা হবে। পাশাপাশি জাল টাকার বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে আমাদের কথা হয়েছে। তারা তাদের জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন পশুর হাটগুলোতে রাখবেন বলে জানিয়েছেন।

হাবিবুর রহমান বলেন, যারা গরু কেনা-বেচা করবেন তাদের নিরাপত্তার জন্য গোয়েন্দা পুলিশ থাকবে। পাশাপাশি যারা ঢাকার বাইরে থেকে ট্রাকে গরু আনবেন তাদের হাইওয়ে পুলিশ, নৌ পথে যারা গরু আনবেন তাদের জন্য নৌ-পুলিশ নিরাপত্তা দেবে। এ ছাড়াও পশুর হাটগুলোতে ড্রোন পেট্রলিং থাকবে।

তিনি আরও বলেন, পশুর হাটগুলোতে ইজারাদাররা যেন নির্ধারিত টাকার পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত হাসিল আদায় না করেন। রাজধানীতে কোরবানির পশুর হাটগুলোতে ২৪ ঘণ্টা পুলিশ থাকবে।

ডিএমপি কমিশনার বলেন, যদি কেউ কোরবানির পশু এক হাটের অন্য হাটে নেওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে পুলিশ এ বিষয়ে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। ব্যবসায়ীরা ঢাকার বাইরে থেকে যে গাড়িতে কোরবানির পশু আনবেন, তারা গাড়ির সামনে নির্দিষ্ট হাটের নাম লিখে ব্যানার টানাবেন।

হাবিবুর রহমান বলেন, কোরবানির পশুর হাটকে কেন্দ্র করে ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বড় চ্যালেঞ্জ হয় ঢাকাবাসীর জন্য। পশুর হাটকে কেন্দ্র করে যেন যানজট সৃষ্টি না হয় সেদিকে সবাইকে খেয়াল রাখতে হবে। ঘরমুখো মানুষ যারা যাতায়াত করবেন তারা যেন নির্বিঘ্নে চলাচল করতে পারেন।

এ ছাড়াও কোরবানির পশুর হাটে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুতের জন্য বিদ্যুৎ বিভাগকে অনুরোধ করা হয়েছে বলে জানান ডিএমপি কমিশনার।

বিষয়:

banner close