বৃহস্পতিবার, ২০ জুন ২০২৪
এমপি আনার অপহরণ মামলা

৪ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২৩ মে, ২০২৪ ২১:০০

ঝিনাইদহ-৪ আসনের এমপি আনোয়ারুল আজিম আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় ৪ জুলাইয়ের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার এ মামলার এজাহার আদালতে আসে।

সেই এজাহার নিয়ে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মহবুবুল হক প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন। সিএমএম আদালতে শেরেবাংলা নগর থানার সাধারণ নিবন্ধন কর্মকর্তা পুলিশের এসআই জালাল উদ্দিন এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

এর আগে গত বুধবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগর থানায় খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের অভিযোগে মামলাটি করেন এমপি আনারের মেয়ে মুমতারিন ফেরদৌস ডরিন। মামলার অভিযোগে তিনি বলেন, ‘মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের বাসায় আমরা সপরিবারে থাকি। গত ৯ মে রাত ৮টার দিকে আমার বাবা আনোয়ারুল আজিম আনার গ্রামের বাড়ি ঝিনাইদহ যাওয়ার উদ্দেশে যাত্রা করেন। ১১ মে বিকেল পৌনে ৫টার দিকে বাবার সঙ্গে ভিডিওকলে কথা বললে বাবার কথাবার্তা কিছুটা অসংলগ্ন মনে হয়। এরপর বাবার মোবাইল নম্বরে একাধিকবার কল দিলেও বন্ধ পাই।’

অভিযোগে ডরিন বলেন, “১৩ মে বাবার ভারতীয় নম্বর থেকে উজির মামার হোয়াটসঅ্যাপে একটি খুদেবার্তা আসে। এতে লেখা ছিল, ‘আমি হঠাৎ করে দিল্লি যাচ্ছি, আমার সঙ্গে ভিআইপি রয়েছে। আমি অমিত সাহার কাজে নিউটাউন যাচ্ছি। আমাকে ফোন দেওয়ার দরকার নেই। আমি পরে ফোন দেব।’ এ ছাড়া আরও কয়েকটি বার্তা আসে। খুদেবার্তাগুলো আমার বাবার মোবাইল ফোন ব্যবহার করে অপহরণকারীরা করে থাকতে পারে।”

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন জায়গায় বাবার খোঁজ করতে থাকি। কোনো সন্ধান না পেয়ে বাবার বন্ধু গোপাল বিশ্বাস বাদী হয়ে ভারতীয় বরাহনগর পুলিশ স্টেশনে সাধারণ ডায়েরি করেন। এরপরও আমরা খোঁজাখুঁজি অব্যাহত রাখি। পরে বিভিন্ন গণমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানতে পারি, অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিরা পূর্ব পরিকল্পিতভাবে পরস্পর যোগসাজশে বাবাকে অপহরণ করেছে।’


এমপি আনার হত্যা: আ. লীগ নেতা বাবুর দায় স্বীকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় গ্রেপ্তার ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে ‘গ্যাস বাবু’ দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিয়েছেন।

আজ শুক্রবার সাত দিনের রিমান্ড চলাকালীন বাবুকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর বাবু ঘটনার দায় স্বীকার করে ফৌজদারি কার্যবিধি ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মত হন।

পরে জবানবন্দি রেকর্ড করার আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ জসিম তার জবানবন্দি রেকর্ড করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

এর আগে, গত ৬ জুন রাতে ঝিনাইদহ শহরের আদর্শপাড়া এলাকা থেকে বাবুকে আটক করে ঢাকার ডিবির একটি দল। পরে ৯ জুন বাবুকে আদালতে হাজির করে পুলিশ।

এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের জ্যেষ্ঠ সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান। শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেদী হাসানের আদালত তার সাত দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

গত মঙ্গলবার বিকেলে ধানমন্ডি থেকে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুজে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদে এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় বৃহস্পতিবার তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। এদিন তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়র সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেন তার আটদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

বিষয়:

‘চামড়া ব্যবসা নিয়ে সিন্ডিকেট বরদাস্ত করা হবে না’

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চামড়া ব্যবসা নিয়ে কোনো সিন্ডিকেটকে বরদাস্ত করা হবে না বলে জানিয়েছেন র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম।

আজ শুক্রবার দুপুরে রাজধানীর গাবতলী কোরবানির পশুর হাটের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, চামড়া মৌসুমি ব্যবসায়ীদের আমরা সতর্ক করতে চাই। চামড়া ব্যবসায় নিয়ে কোনো সিন্ডিকেটকে আমরা বরদাস্ত করব না। চামড়ার ব্যবসা নিয়ে যাতে কোনো এলাকার মধ্যে কোনো গোলমালের সৃষ্টি না হয়। সেই ব্যাপারে আমাদের গোয়েন্দা কার্যক্রম চলবে।

আরাফাত ইসলাম বলেন, র‍্যাবের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সার্বক্ষণিক হাটে উপস্থিত রয়েছেন। কোনো পশু অসুস্থ বা রোগাক্রান্ত, সেগুলো বিক্রি করা যাবে না। এ ছাড়া, এ ধরনের কার্যক্রম দেখা গেলে সঙ্গে সঙ্গে প্রাণিসম্পদ নিয়ন্ত্রণ আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। হাটে কোরবানির পশু কিনতে আসা ক্রেতাদের যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারে র‍্যাব সতর্ক আছে।

তিনি আরও বলেন, গাবতলীসহ প্রতিটি হাটে আমার ক্রেতা-বিক্রেতাদের নিরাপত্তায় র‍্যাবের সদস্যরা কাজ করছে। র‍্যাবের কন্ট্রোল রুম থেকে প্যাট্রোলিংয়ের মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে। এ ছাড়া, কোনো ক্রেতা-বিক্রেতারা কোনো ধরনের ভোগান্তি বা সমস্যায় পড়লে আমাদের কন্ট্রোল রুমে অথবা র‍্যাব সদস্যদের সঙ্গে যোগাযোগ করবেন। আমরা আপনাদের সব ধরনের সহায়তা করব।

র‍্যাবের মুখপাত্র বলেন, রাজধানীর প্রতিটি মহল্লা ও রাস্তাঘাটে আমাদের টহল টিম এবং স্ট্রাইকিং টিম আছে। কোরবানির পশু নিয়ে অথবা পশু কিনতে হাটে যাওয়ার সময় রাস্তায় যাতে কোনো ধরনের সমস্যায় পড়তে না হয়, সে ব্যাপারেও সতর্ক আছি।

তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী গরুর হাট ইজারা দেওয়া হয়েছে। রাস্তার ওপরে বা হাটের সীমানার বাইরে গরু নিয়ে বসেছে কি না সেটি নিয়ে ইজারাদারদের সঙ্গে কথা বলব। যাতে ব্যাপারীরা কোনো অসুবিধায় না পড়েন।

কমান্ডার আরাফাত বলেন, এ বিষয়ে সিটি কর্পোরেশনের সঙ্গে আলোচনা করব। আমি জনপ্রতিনিধিদের আহ্বান করব, তারা তাদের দায়িত্ব পালন করবেন এবং এই বিষয়টি দেখবেন।

এক হাটের পশু অন্য হাটে নেওয়ার ব্যাপারে তিনি বলেন, কেউ যদি এরকম কার্যক্রম করে থাকে, যা আইনবিরোধী। তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সবাইকে সতর্ক করা হয়েছে কেউ এক হাটের পশু অন্য হাটে নিতে পারবে না। এ ব্যাপারে গরু বিক্রেতারা অভিযোগ জানালে আমার অবশ্যই যথাযথ পদক্ষেপ নেব।

বিষয়:

সাইবার নিরাপত্তা আইন মত প্রকাশের অন্তরায়: টিআইবি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ জুন, ২০২৪ ২১:২২
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা, ২০২৪ মতপ্রকাশ, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের হাতিয়ার উল্লেখ করে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি) নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেছেন, সাইবার নিরাপত্তায় তৈরি খসড়া বিধিমালায় অনেক অসংগতি রয়েছে। আইনে ফাঁক থাকলে বিধিমালা ভালো হতে পারে না। আইনটি মত প্রকাশের স্বাধীনতার অন্তরায় বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর ধানমন্ডিতে টিআইবি কার্যালয়ে প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা-২০২৪ পর্যালোচনা ও সুপারিশ প্রকাশ উপলক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা বলেন তিনি।

সংবাদ সম্মেলনে টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান ও আর্টিকেল নাইনটিনের আঞ্চলিক পরিচালক (বাংলাদেশ ও দক্ষিণ এশিয়া) শেখ মনজুর-ই-আলমসহ প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। এতে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন গবেষক কাজী মাফুজুল।

টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, আমরা মনে করি সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ নিবর্তনমূলক, অনেকাংশে অগণতান্ত্রিক এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার অন্তরায়। মূল আইনে এ ধরনের অসংগতি রেখে অধস্তন আইন প্রণয়নের উদ্দেশ্য অনেকটাই নিষ্ফল হয়ে যাবে। তাই সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা-২০২৪ চূড়ান্ত করার আগে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ ও সব অংশীজনের উদ্বেগ, মতামত ও পরামর্শ বিবেচনায় নিয়ে এবং অর্থপূর্ণ ও কার্যকর অংশগ্রহণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩ সংশোধন করতে হবে।

মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করে কাজী মাফুজুল বলেন, সাইবার নিরাপত্তা আইন-২০২৩ এবং প্রস্তাবিত সাইবার নিরাপত্তা বিধিমালা-২০২৪ আমাদের জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির কাঠামো সম্পর্কে যে ধারণা দিচ্ছে, তা অস্পষ্ট। প্রস্তাবিত জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি, এর পরিচালক, জাতীয় সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিমের দায়িত্ব ও কার্যাবলি সম্পর্কে বিক্ষিপ্তভাবে ধারণা দিলেও বৃহত্তর পরিসরে সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির সাংগঠনিক কাঠামো কী হবে সে বিষয়ে স্পষ্ট ধারণা দিতে ব্যর্থ।

এ বিষয়ে টিআইবির প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সির একটি কার্যকর ও অর্থপূর্ণ সাংগঠনিক কাঠামো করা, নতুন ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব প্রতিষ্ঠা না করে বর্তমান ফরেনসিক ল্যাবটিকে আধুনিক যন্ত্রপাতি, সফটওয়্যার এবং লোকবল দিয়ে সমৃদ্ধ করা, জাতীয় সাইবার নিরাপত্তা এজেন্সি, জাতীয় সাইবার ইনসিডেন্ট রেসপন্স টিম এবং ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাবের কার্যক্রমে যাতে নাগরিকদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ণ না হয় সে সংক্রান্ত মানবাধিকার সুরক্ষা বিধান প্রস্তাবিত বিধিমালায় অন্তর্ভুক্ত করা।

পরামর্শে আরও বলা হয়, সাইবার নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সংস্থার কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের ন্যূনতম ব্যক্তিগত, শিক্ষাগত এবং প্রযুক্তি যোগ্যতা বিধিমালা দিয়ে নির্দিষ্ট করে দেওয়া এবং দেশের ভেতর ও বাইরে থেকে ডিজিটাল সাক্ষ্য সংগ্রহের জন্য বিধিমালায় আইনি কার্যবিধি অন্তর্ভুক্ত করা।


৮ দিনের রিমান্ডে সাইদুল করিম মিন্টু

আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করা হয় ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনারকে খুনের উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে ৮ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে তাকে আদালতে হাজির করে ডিবি পুলিশ। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি পুলিশের ওয়ারী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

অপরদিকে রিমান্ড বাতিল ও জামিন চেয়ে শুনানি করেন আসামিপক্ষের আইনজীবীরা। শুনানি শেষে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট তোফাজ্জল হোসেনের আদালত এ আদেশ দেন।

গত মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে ধানমন্ডি থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পরে গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের।

বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ।

গত ২৩ মে সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও সিলিস্তি রহমানকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। দুই দফায় তাদের ১৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারা তিনজনই ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

বিষয়:

হাটে পশু কিনতে গিয়ে হয়রানি হলে পুলিশকে জানান: আইজিপি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হাটে পশু কিনতে গিয়ে হয়রানির শিকার হলে পুলিশকে জানাতে বলেছেন পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল-মামুন। পাশাপাশি অজ্ঞান পার্টি, মলম পার্টি, অতিরিক্ত হাসিল আদায়ের বিষয়েও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষ্যে আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে গাবতলীর কোরবানির পশুর হাট ও বাস টার্মিনাল পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এসব কথা বলেন।

আইজিপি বলেন, পশুর হাটে পরিবহন সেক্টরে কোনো ধরনের চাঁদাবাজকে ছাড় দেওয়া হবে না। প্রয়োজনে ৯৯৯-এ কল করে জানান, পুলিশ তড়িৎ ব্যবস্থা নেবে। বরাবরের মতো এবারও আমরা ঈদ উপলক্ষ্যে পশুর হাট, রেল, সড়ক ও নৌপথে ঈদযাত্রার নিরাপত্তা নিশ্চিতে সবকিছু মিলিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি।

তিনি যোগ করেন, রোজার ঈদে একমুখী চাপ থাকে। কিন্তু কোরবানির ঈদে সাধারণত যেটা ঘটে সেটা হচ্ছে, ঘরমুখো মানুষের চাপ সড়কে যেমন থাকে তেমনি, পশুবাহী ট্রাক-পিকআপও চলাচল করে। অর্থাৎ মানুষ বাড়ি যায়, গরু আসে। সড়কে দ্বিমুখী চাপ মোকাবিলা করতে হয়। পুরো বিষয় বিবেচনায় রেখে আমরা ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক ও সঠিক রাখার জন্য পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, এবারের ঈদযাত্রায় কোনোভাবেই মহাসড়কে ফিটনেসবিহীন গাড়ি চলাচল করবে না। চলবে না নছিমন করিমন ভটভটিও। যারা চালানোর চেষ্টা করবে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। নিয়ন্ত্রণহীন গতিতে চালানো যাবে না। কোরবানির পশুবাহী গাড়ি যাতে যথাযথভাবে নিরাপদে চলাচল করতে পারে, ঢাকাসহ সারা দেশে সে বিষয়ে ব্যবস্থা করা হয়েছে। সড়কে হাইওয়ে পুলিশ ব্যাপক নজরদারি করছে। ঘরমুখো মানুষের আরো চাপ আজ বিকেল থেকে শুরু হবে। ঈদের দু-একদিন আগ পর্যন্ত এই চাপ অব্যাহত থাকবে।

আইজিপি বলেন, নির্দিষ্ট অভিযোগ ছাড়া মহাসড়কে কোনো গরুর গাড়ি কেউ থামাতে পারবে না। এ ব্যাপারে হাইওয়ে পুলিশসহ পুলিশের সব ইউনিটকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে তারা সজাগ রয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করার জন্য এবং কোরবানির পশুর হাটে নিরাপত্তা নিশ্চিতে আমরা আন্তঃমন্ত্রণালয়সহ বিভিন্ন বিভাগে মিটিং করেছি। প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পুলিশ, পরিবহন, হাট মালিক কর্তৃপক্ষ ইজারাদার ও স্থানীয় নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছি। সবাই মিলে আমরা কাজ করছি। আশা করছি এই ঈদে নির্বিঘ্ন হবে সব কিছু। নৌপথে ও সড়ক পথে কোরবানির পশুবাহী গাড়ির সামনে ব্যানারে লেখা থাকতে হবে কোন হাটে যাবে। তাহলে পুলিশের পক্ষ থেকে ব্যবস্থা নিতে সুবিধা হবে। কেউ সমস্যায় পড়লে আর পুলিশকে দ্রুত জানালে আমরাও দ্রুত সহায়তা করতে পারব।

কোরবানির ঈদকে ঘিরে নগদ টাকার চেয়ে ব্যাংকে লেনদেন করার পরামর্শ দেন পুলিশ মহাপরিদর্শক।

তিনি বলেন, বড় অংকের আর্থিক লেনদেন করলে বা পরিবহন যদি করতে হয় তাহলে ব্যাংকে যান পুলিশের সহযোগিতা নিন। অনেক সময় অনেকে সমস্যায় পড়েন। অপরাধীরা অপরাধ করার সুযোগ পায়। এটা করবেন না, পুলিশের সহযোগিতা নিন। পুলিশ সেবা দিতে প্রস্তুত রয়েছে। হয়ত ১০-২০ মিনিট দেরি হতে পারে, কিন্তু এর জন্য আপনি ঝুঁকি নিতে যাবেন কেন?

জাল টাকা সম্পর্কে সবাইকে সতর্ক ও সজাগ থাকতে অনুরোধ জানিয়ে আইজিপি বলেন, জাল টাকার লেনদেন যাতে না হয় সেজন্য প্রত্যেকটি মার্কেটে জাল টাকা শনাক্তকরণ মেশিন স্থাপন করেছি। কেউ যদি জানতে পারেন বুঝতে পারেন পুলিশকে সহযোগিতা করেন পুলিশকে জানান পুলিশ ব্যবস্থা নেবে।


সাইদুল করিম মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখালো ডিবি

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।

আজ বৃহস্পতিবার মিন্টুকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান।

গত মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে ধানমন্ডি থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।

গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।

বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পরে গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ।

এর আগে গত ২৩ মে সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও সিলিস্তি রহমানকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। দুই দফায় তাদের ১৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারা তিনজনই ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।

বিষয়:

ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে স্টেশনে গোয়েন্দা নজরদারি বৃদ্ধি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

র‌্যাবের আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেছেন, ঈদযাত্রা নিরাপদ করতে প্রতিটি স্টেশনে নজরদারি-গোয়েন্দা বাড়িয়েছি। আমরা মোবাইল ট্র্যাকিং চালু রেখেছি। বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশনে আমাদের টিম কাজ করছে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালে কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে তিনি এসব কথা বলেন।

কমান্ডার আরাফাত ইসলাম বলেন, এ বছরের পর আর টিকিট কালোবাজারি থাকবে না। এ বছর দূরপাল্লার (আন্তঃনগর) ট্রেনের শতভাগ টিকিট অনলাইনে বিক্রি হয়েছে। এ ছাড়া যাত্রার দিন ২৫ ভাগ আসনবিহীন টিকিট বিক্রি চলছে। টিকিট কালোবাজারি চক্রের বিরুদ্ধে আমাদের গোয়েন্দা নজরদারি রয়েছে। এ বছরের পর এগুলো আর থাকবে না।

এই র‌্যাব কর্মকর্তা বলেন, আমাদের নজরদারি-গোয়েন্দা বাড়িয়েছি, বাস টার্মিনাল, লঞ্চ টার্মিনাল, রেলস্টেশনে আমাদের ওয়াচ টাওয়ার, কন্ট্রোল রুম রয়েছে, মোবাইল টিম রয়েছে। যেকোনো ধরনের অভিযোগ পেলে সঙ্গে সঙ্গেই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। যাত্রীদের অনুরোধ করবো আপনাদের যেকোনো অভিযোগ থাকলে জানান, র‌্যাব আপনার পাশেই আছে।

তিনি আরও বলেন, রেল কর্তৃপক্ষ আমাদের সঙ্গে আছেন। যাত্রীদের হয়রানি বিশেষ করে নারী হয়রানি যেন না হয় সে বিষয়ে র‌্যাব কাজ করে যাবে। বিভিন্ন অজ্ঞানপার্টি, মলম পার্টির বিরুদ্ধে আমাদের অভিযান চলমান।

আজ বৃহস্পতিবার (১৩ জুন) ঈদযাত্রায় দ্বিতীয় দিন। এদিন প্রথম দিনের তুলনায় যাত্রীর চাপ বেড়েছে কমলাপুরে। টিকিট দেখিয়ে কমলাপুরে প্রবেশের অনুমতি পাচ্ছেন যাত্রীরা। দিনের শুরু থেকেই সময়মতো কমলাপুর স্টেশন ছাড়ছে ট্রেনগুলো। এতে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন যাত্রীরা।


অর্থ আত্মসাতের মামলায় ড. ইউনূসের বিচার শুরু

ঢাকার বিশেষ জজ আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূস। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ জুন, ২০২৪ ২২:১০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের অর্থ আত্মসাৎ ও পাচারের অভিযোগে করা মামলায় ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন ঢাকার একটি আদালত। অভিযোগ গঠনের ফলে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

বুধবার ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এর বিচারক সৈয়দ আরাফাত হোসেন আসামিদের অব্যাহতির আবেদন খারিজ করে তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। একই সঙ্গে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৫ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত।

এর আগে ২ জুন দুদকের পাবলিক প্রসিকিউটর মোশাররফ হোসেন কাজল আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করতে শুনানি করেন। অপরদিকে ড. ইউনূসসহ ১৪ জনের পক্ষে তাদের আইনজীবী অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত এ বিষয়ে আদেশের জন্য ১২ জুন দিন ধার্য করেন।

অভিযুক্তদের পক্ষের আইনজীবী ব্যারিস্টার আব্দুল্লাহ আল-মামুন বলেন, ড. ইউনূসসহ অন্য অভিযুক্তরা এখন জামিনে আছেন এবং তারা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বিচার দাবি করেছেন।

২০২৩ সালের ৩০ মে গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে নোবেলজয়ী ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা করে দুদক। সংস্থাটির উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার প্রধান বাদী হয়ে মামলাটি করেন।

২০২৪ সালের ১ ফেব্রুয়ারি ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতে ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা দুদকের উপ-পরিচালক গুলশান আনোয়ার। দুদকের মামলায় আসামি ছিলেন ১৩ জন। চার্জশিটে নতুন একজন আসামির নাম যুক্ত হয়েছে।

মামলায় অভিযুক্ত বাকি ১৩ জন হলেন- গ্রামীণ টেলিকমের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. নাজমুল ইসলাম, পরিচালক ও সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. আশরাফুল হাসান, পরিচালক পারভীন মাহমুদ, নাজনীন সুলতানা, মো. শাহজাহান, নূরজাহান বেগম, এস এম হুজ্জাতুল ইসলাম লতিফী, আইনজীবী মো. ইউসুফ আলী ও জাফরুল হাসান শরীফ, গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক-কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি মো. কামরুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক ফিরোজ মাহমুদ হাসান, ইউনিয়নের প্রতিনিধি মো. মাইনুল ইসলাম ও দপ্তর সম্পাদক মো. কামরুল হাসান।

আসামিদের বিরুদ্ধে ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১/১০৯ ধারা ও মানিলন্ডারিং প্রতিরোধ আইন, ২০১২ এর ৪(২) ও ৪(৩) ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে। গত ২ এপ্রিল ঢাকা মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক আস সামছ জগলুল হোসেনের আদালত এ চার্জশিট গ্রহণ করে মামলা বিচারের জন্য ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৪-এ বদলির আদেশ দেন।

মামলার এজাহারে বলা হয়েছে, আসামিরা ২৫ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা জালিয়াতির মাধ্যমে আত্মসাৎ করেছেন। সদস্যদের উপস্থিতিতে ২০২২ সালের ৯ মে অনুষ্ঠিত ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় হিসাব খোলা হয়। ওই বছরের ২৭ এপ্রিল গ্রামীণ টেলিকমের কর্মচারীদের পাওনা লভ্যাংশ বিতরণের জন্য গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন ও গ্রামীণ টেলিকমের সঙ্গে সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্ট চুক্তি হয়।

গ্রামীণ টেলিকমের বোর্ড সভার হিসাব খোলার সিদ্ধান্ত ৯ মে হলেও হিসাব খোলা হয় একদিন আগে ৮ মে। সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টেও ৮ মে ব্যাংক হিসাব দেখানো আছে- যা বাস্তবে অসম্ভব। এ রকম ভুয়া সেটেলমেন্ট অ্যাগ্রিমেন্টের শর্ত অনুযায়ী ও ১০৮তম বোর্ডের সিদ্ধান্ত মোতাবেক ২০২২ সালের ১০ মে গ্রামীণ টেলিকমের ইউনাইটেড কমার্শিয়াল ব্যাংকের মিরপুর শাখা থেকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখায় ৪৩৭ কোটি ১ লাখ ১২ হাজার ৬২১ টাকা স্থানান্তর করা হয়।

পরবর্তী সময়ে ২২ জুন অনুষ্ঠিত গ্রামীণ টেলিকমের ১০৯তম বোর্ড সভায় সিদ্ধান্ত অনুযায়ী অ্যাডভোকেট ফি হিসেবে অতিরিক্ত ১ কোটি ৬৩ লাখ ৯১ হাজার ৩৮৯ টাকা প্রদানের বিষয়টি অনুমোদন দেওয়া হয়। অন্যদিকে ঢাকা ব্যাংকের গুলশান শাখার হিসাব থেকে এবং গ্রামীণ টেলিকম শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়ন নামীয় ডাচ-বাংলা ব্যাংকের লোকাল অফিসের হিসাব থেকে তিন দফায় মোট ২৬ কোটি ২২ লাখ ৬ হাজার ৭৮০ টাকা স্থানান্তর করা হয়। কিন্তু কর্মচারীদের লভ্যাংশ বিতরণের আগেই তাদের প্রাপ্য অর্থ তাদের না জানিয়ে অসৎ উদ্দেশে ২০২২ সালের মে ও জুন মাসের বিভিন্ন সময়ে সিবিএ নেতা মো. কামরুজ্জামানের ডাচ-বাংলা ব্যাংকের মিরপুর শাখার হিসাবে মোট ৩ কোটি টাকা, সিবিএ নেতা মাইনুল ইসলামের হিসাবে ৩ কোটি ও সিবিএ নেতা ফিরোজ মাহমুদ হাসানের ডাচ-বাংলা ব্যাংক মিরপুর শাখার হিসাবে ৩ কোটি টাকা স্থানান্তর করা হয়। একইভাবে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের নামেও বিভিন্ন ব্যাংক থেকে টাকা হস্থান্তর করা হয়।


মিন্টু সদুত্তর দিতে না পারলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে: হারুন

ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু (বাঁয়ে) ও ডিএমপি ডিবিপ্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ (ডানে)। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় ডিবির হাতে আটক হওয়া ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টু যদি কোনো সদুত্তর দিতে না পারেন তবে তার বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

আজ বুধবার বিকেলে মিন্টো রোডের নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান ডিএমপি ডিবিপ্রধান হারুন।

তিনি বলেন, ‘ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের ত্রাণ ও সমাজকল্যাণবিষয়ক সম্পাদক কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুর কাছে পাওয়া তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণের পরেই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাইদুল করিম মিন্টুকে ডাকা হয়েছে। মিন্টুর কাছে তথ্যগুলো জানতে চাওয়া হবে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে যদি মিন্টু সদুত্তর দিতে পারেন তবে তাকে ছেড়ে দেওয়া হবে। আর যদি কোনো প্রশ্নের সদুত্তর দিতে না পারেন তবে তদন্তের ধারাবাহিকতায় যা করার তাই করা হবে।’

মিন্টুকে গ্রেপ্তার না দেখিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে কেন জানতে চাইলে হারুন বলেন, ‘আমাদের তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত রয়েছে। সে তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে মিন্টু যদি কোনো সদুত্তর দিতে না পারেন, তদন্তকারী কর্মকর্তা তখনই আইনগত ব্যবস্থা নেবেন।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন তথ্য-উপাত্তের ভিত্তিতে কাজী কামাল আহমেদ বাবু ওরফে গ্যাস বাবুকে আমরা নিয়ে আসি। আমরা যখন কাউকে নিয়ে আসি অবশ্যই কিছু তথ্য-উপাত্ত থাকে। প্রমাণের ভিত্তিতেই তাকে এনে জিজ্ঞাসাবাদ করি। জিজ্ঞাসাবাদে গ্যাস বাবু অকপটে স্বীকার করেন যে, ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দেওয়া ঘাতক শিমুল ভূঁইয়ার সঙ্গে তিনি বৈঠক করেছিলেন। শিমুল ভূঁইয়া গ্যাস বাবুকে এমপি আনার হত্যার পর ছবি দেখিয়েছেন।’

তিনি আরও বলেন, এমপি আনার হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে যারা জড়িত, যারা নির্দেশ দিয়েছেন এবং এর সঙ্গে যে বা যারাই জড়িত তাদের কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। এটাও বলে রাখতে চাই, কারও প্ররোচনায় কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিতে কোনো হয়রানি করা হবে না।’

তদন্তকারী কর্মকর্তারা স্বাধীনভাবে সব মামলার ঘটনা তদন্ত করেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ আমাদের ওপর কোনো চাপ প্রয়োগ করে না। কারণ তারা জানে ডিবির সব চৌকস টিম মামলার তদন্ত করে প্রকৃত অপরাধী দেশে কিংবা বিদেশে থাকলেও তাদেরকে খুঁজে বের করে আনে। কোনো নিরীহ লোককে হয়রানি করার প্রশ্নই আসে না।’

হারুন অর রশীদ আরও বলেন, ‘খুনিরা ঠান্ডা মাথায় এমপি আনারকে খুন করার পর মরদেহ গুম করেন। আমরা বাংলাদেশ থেকে তিনজনকে গ্রেপ্তার করি। এরমধ্যে মূল ঘাতক আমানুল্লাহ ওরফে শিমুল ভূঁইয়া জিজ্ঞাসাবাদে সবকিছু স্বীকার করেছেন। আনার হত্যার ঘটনা ঘটেছে কলকাতায়। আমরা কলকাতায় গিয়েছিলাম এবং সেখানে গ্রেপ্তার আসামির সঙ্গে কথা বলেছি।’

বিষয়:

বেনজীরের ফ্ল্যাট-জমি জব্দের আদেশ আদালতের

সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১২ জুন, ২০২৪ ১৬:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে আরও সম্পত্তি ও ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।

আজ বুধবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ মোহা্ম্মদ আসসামছ জগলুল হোসেন এ আদেশ দেন। জব্দ হওয়া সম্পদ ও ফ্ল্যাটের মধ্যে রুপগঞ্জে ২৪ কাঠা জমি, উত্তরায় ৩ কাঠা, বাড্ডায় ৩৯. ৩০ জমির উপর ২ টি ফ্ল্যাট, বান্দরবান জেলায় ২৫ একর জমি, স্ত্রী জিসানের নামে আদাবর থানার পিসিকালচার ৬টি ফ্ল্যাট, গুলশানে বাবার কাছ থেকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি মুলে সম্পত্তিতে ৬ তলা ভবন, সিটিজেন টিভির শেয়ার ও টাইগার এপারেলসের শেয়ার রয়েছে।

এর আগে গত ২৩ ও ২৬ মে দুই দফায় বেনজীর আহমেদ ও তার পরিবারের সদস্যদের ৬২১ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি জমির মালিক বেনজীরের স্ত্রী জীশান মীর্জা। তার নামে প্রায় ৫২১ বিঘা জমি খুঁজে পেয়েছে দুদক। বাকি ১০০ বিঘার মতো জমি রয়েছে বেনজীর, তার তিন মেয়ে ফারহিন রিশতা বিনতে বেনজীর, তাহসিন রাইশা বিনতে বেনজীর ও জারা জেরিন বিনতে বেনজীর এবং স্বজন আবু সাঈদ মো. খালেদের নামে।

বেনজীর আহমেদের স্ত্রী জীশান মীর্জার নামে মাদারীপুরের সাতপাড় ডুমুরিয়া মৌজায় ২৭৬ বিঘা জমি পাওয়া গেছে। ২০২১ ও ২০২২ সালের বিভিন্ন সময় ১১৩টি দলিলে এসব জমি কেনা হয়। দলিলমূল্য দেখানো হয় মোট ১০ কোটি ২২ লাখ টাকা। ৮৩টি দলিলে ৩৪৫ বিঘা জমি জব্দের আদেশ দেন আদালত। যার দলিলমূল্য দেখানো হয়েছিল ১৬ কোটি ১৫ টাকার কিছু বেশি।

এ ছাড়া বেনজীর আহমেদের পরিবারের সদস্যদের নামে গুলশানে যে চারটি ফ্ল্যাট জব্দের আদেশ দেন আদালত। তার মধ্যে তিনটি তার স্ত্রীর নামে এবং একটি ছোট মেয়ের নামে। দুটি ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ৩৫৩ বর্গফুট, দাম ৫৬ লাখ টাকা করে। বাকি দুই ফ্ল্যাটের আয়তন ২ হাজার ২৪৩ বর্গফুট করে, দাম সাড়ে ৫৩ লাখ টাকা করে। চারটি ফ্ল্যাট কেনা হয়েছে একই দিন একই ভবনে। ভবনটির নাম র‍্যানকন আইকন টাওয়ার।

বিষয়:

ঈদে মহাসড়কে মানতে হবে যেসব নিয়ম

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহায় ঈদযাত্রা স্বাভাবিক রাখতে ও সড়কে দুর্ভোগ কমাতে বেশ কিছু নির্দেশনা দিয়েছে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগ।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ডিএমপির ট্রাফিক বিভাগের অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার (ট্রাফিক) মো. মুনিবুর রহমান আজ বুধবার এসব নির্দেশনার কথা গণমাধ্যমকে জানান।

তিনি বলেন, গরু বহন করা প্রতিটি গাড়ির সামনে ব্যানার লাগাতে হবে। যেখানে গাড়িটি কোন হাটে যাবে তা লেখা থাকতে হবে। শুধু তাই নয়, বাজারের বাইরে কেউ গরু নিয়ে দাঁড়াতে পারবে না। মহাসড়কে মোটরসাইকেল চালকরা বেপরোয়াভাবে চলাচল করে। এতে যেমন দুর্ঘটনা ঘটে, তেমনি হতাহত হয়। বিশেষ করে ঈদের সময় দুর্ঘটনার হার অনেক বাড়ে। তাই মোটরসাইকেল চালকদের এবার নজরদারিতে রাখা হবে। বেপরোয়া চালকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, ঢাকা মহানগরী থেকে ছেড়ে যাওয়া কোনো দূরপাল্লার বাস রাস্তা থেকে যাত্রী তুলতে পারবে না। সিটির ভেতরে সার্ভিস দেয়া কোনো বাস দূরপাল্লার সড়কে চলাচল করতে পারবে না। বাড়তি ভাড়ার বিষয়টি তদারকির জন্য প্রতিটি টার্মিনালে ম্যাজিস্ট্রেট থাকবে বলেও জানান ডিএমপি ট্রাফিকের অতিরিক্ত কমিশনার।

এ ছাড়া, শেষ মুহূর্তে গার্মেন্টস শ্রমিকদের চাপ কমাতে আলাদা আলাদা সময়ে ছুটে দেওয়ার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এই সকল নিয়মকানুন তদারকির জন্য প্রতিটি প্রবেশপথে চেকপোস্ট বসানো হবে বলেও জানান তিনি।

বিষয়:

‘বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে ইউনূস যা বলে বেড়ান, তা অসত্য’

আইনমন্ত্রী আনিসুল হক। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস শ্রম অধিকার লঙ্ঘন করার কারণে দেশের অন্য নাগরিকদের মতোই তার বিচার হচ্ছে। বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে তিনি যা বলে বেড়ান, সেটি অসত্য ও দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক।

ড. ইউনূসের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে আজ বুধবার ইউরোপীয় ইউনিয়নকে এসব কথা জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, ড. ইউনূসের বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানতে চেয়েছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। তাদেরকে জানানো হয়েছে, ড. ইউনূস তার বিচার প্রক্রিয়া সম্পর্কে যা বলে বেড়ান, সেটি অসত্য ও দেশের মানুষের জন্য অপমানজনক। ইউনূস শ্রম অধিকার লঙ্ঘন করেছেন। দেশের নাগরিকদের যেভাবে বিচার হয়। ইউনূস এর বিচার প্রক্রিয়াও ঠিক সেভাবেই হচ্ছে।

এদিকে আজ বুধবার গ্রামীণ টেলিকমের শ্রমিক-কর্মচারীদের কল্যাণ তহবিলের ২৫ কোটি ২২ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে দুদকের করা মামলায় নোবেলজয়ী অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূসসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

অভিযোগ গঠনের সময় ড. ইউনূসসহ অন্যরা নিজেদের নিরপরাধ দাবি করেন। তারা আদালতের কাছে ন্যায়বিচারের আশা করেন।


ঝিনাইদহ আ. লীগের আরও নেতা নজরদারিতে রয়েছেন: হারুন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যার ঘটনায় ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের আরও নেতা নজরদারিতে রয়েছেন বলে জানিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।

ডিএমপি ডিবিপ্রধান বলেন, আমাদের ডিবি লালবাগ বিভাগ মামলাটির তদন্ত করছে। ভারতে একটি হত্যা মামলা হয়েছে। আমাদের দুই দেশের উদ্দেশ্য অভিন্ন। মামলার তদন্তে আমরা আসামিদের সঙ্গে কথা বলেছি। ভারতে গ্রেপ্তার আসামির সঙ্গে কথা বলেছি, বাংলাদেশে গ্রেপ্তার মূল ঘাতক শিমুলসহ অন্যরা ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন।

তথ্য-উপাত্ত বিচার বিশ্লেষণ করে আমরা মনে করেছি, ঝিনাইদহ আওয়ামী লীগের সমাজকল্যাণ সম্পাদক বাবুকে জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন। সে পরিপ্রেক্ষিতে আমরা তাকে গ্রেপ্তার করে রিমান্ডে এনেছি, রিমান্ডে তার জিজ্ঞাসাবাদ চলছে।

তিনি বলেন, এ হত্যাকাণ্ডটি ভারতে যারা ঘটিয়েছেন, মোটা দাগে তারা সবাই বাংলাদেশি। হত্যাকাণ্ডের পর তারা সবাই বাংলাদেশে এসেছেন। এসে হত্যাকাণ্ডের ছবি বা বিভিন্ন বিষয়গুলো বিভিন্নজনের কাছে শেয়ার করেছেন কি-না তা তদন্ত করছি। ছবি বা তথ্য শেয়ার করে আর্থিকভাবে তারা লাভবান হয়েছেন কি-না এবং কাদের কাছ থেকে লাভবান হয়েছেন সবগুলো বিষয় আমরা তদন্ত করে বের করার চেষ্টা করছি।

হারুন বলেন, হত্যাকাণ্ডের মূল পরিকল্পনাকারী যিনি শাহীন, তিনি ঢাকা থেকে দিল্লি, কাঠমান্ডু-দুবাই হয়ে আমেরিকায় চলে গেছেন। তাকে ধরতে না পারলেও বাকি আসামিদের বিষয়ে আমরা তথ্য পেয়েছি, অনেককে গ্রেপ্তার করেছি। একজন ভারতে গ্রেপ্তার হয়েছেন, একজন কাঠমান্ডুতে। কাঠমান্ডুতে গ্রেপ্তার সিয়াম বর্তমানে ভারতে আছেন। বাংলাদেশে গ্রেপ্তার তিনজন আদালতে ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিয়েছেন। এ হত্যাকাণ্ডের মাস্টারমাইন্ড শাহীনের ব্যবহৃত দুটি গাড়ি জব্দ করা হয়েছে।

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, মামলার মূল পার্ট ভারতে তদন্ত হচ্ছে। সিয়াম যেহেতু আনারকে হত্যা করে পৈশাচিক কায়দায় গুম করার উদ্দেশ্যে ও আলামত নষ্ট করার উদ্দেশ্যে ঠাণ্ডা মাথায় আনারের বিভিন্ন দেহাংশ বিভিন্ন জায়গায় ফেলে দিয়েছেন। তাই তিনি ভারতের মোস্ট ওয়ান্টেড ছিলেন। ভারতীয় পুলিশ তাকে নিয়ে কাজ করছে। আমরা শুনেছি কিছু জায়গা থেকে দেহের অংশবিশেষ উদ্ধার করা হয়েছে। আমরা যদি প্রয়োজন মনে করি, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নির্দেশক্রমে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করবো।

বিষয়:

banner close