ঝিনাইদহ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আজীম আনার হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সম্পৃক্ততার অভিযোগে ঝিনাইদহ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সাইদুল করিম মিন্টুকে গ্রেপ্তার দেখিয়েছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। হত্যার উদ্দেশ্যে অপহরণের মামলায় তাকে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেছে পুলিশ।
আজ বৃহস্পতিবার মিন্টুকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হয়। এরপর মামলার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য তাকে ১০ দিনের রিমান্ডে নিতে আবেদন করেন ডিবি পুলিশের সিনিয়ার সহকারী কমিশনার মাহফুজুর রহমান।
গত মঙ্গলবার (১১ জুন) বিকেলে ধানমন্ডি থেকে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করে ডিবি। জিজ্ঞাসাবাদে তার সম্পৃক্ততা পাওয়ায় এ মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে।
গত ১২ মে চিকিৎসার জন্য ঝিনাইদহের কালীগঞ্জ থেকে চুয়াডাঙ্গার দর্শনার গেদে সীমান্ত দিয়ে ভারতে যান এমপি আনার। ওঠেন পশ্চিমবঙ্গে বরাহনগর থানার মণ্ডলপাড়া লেনে গোপাল বিশ্বাস নামে এক বন্ধুর বাড়িতে। পরদিন ডাক্তার দেখানোর কথা বলে বাড়ি থেকে বের হন। এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আনোয়ারুল আজীম।
বাড়ি থেকে বেরোনোর পাঁচদিন পরে গত ১৮ মে বরাহনগর থানায় আনোয়ারুল আজীম নিখোঁজের বিষয়ে একটি জিডি করেন বন্ধু গোপাল বিশ্বাস। এরপরও খোঁজ মেলে না তিনবারের এই সংসদ সদস্যের। বুধবার (২২ মে) হঠাৎ খবর ছড়ায়, কলকাতার পার্শ্ববর্তী নিউটাউন এলাকায় বহুতল সঞ্জীবা গার্ডেনস নামে একটি আবাসিক ভবনের বিইউ ৫৬ নম্বর রুমে আনোয়ারুল আজীম খুন হয়েছেন। ঘরের ভেতর পাওয়া গেছে রক্তের ছাপ।
এর আগে গত ২৩ মে সৈয়দ আমানুল্লাহ আমান ওরফে শিমুল ভূঁইয়া, ফয়সাল আলী সাজী ওরফে তানভীর ভূঁইয়া ও সিলিস্তি রহমানকে এ মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয়। দুই দফায় তাদের ১৩ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। তারা তিনজনই ঘটনার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দিয়েছেন। বর্তমানে তারা কারাগারে রয়েছেন।
ঢাকার উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় শিক্ষার্থীদের নিহতের ঘটনায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস, সাবেক আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল, সাবেক পরিবেশ উপদেষ্টা রিজওয়ানা হাসান, শিক্ষা উপদেষ্টা সি আর আবরার, প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলমসহ ১৬ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগ করে মামলার আবেদন করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালতে এই অভিযোগ দায়ের করেন নিহত শিক্ষার্থী উক্য ছাইং মার্মার বাবা উসাইমং মারমা।
বাদী পক্ষের আইনজীবী এ কে এম শারিফ উদ্দিন বিষয়টি জানান। তিনি আরও জানান, আদালত বাদীর জবানবন্দি গ্রহণ করেছেন। তবে পরে আদেশ দেবেন বলে আদালত জানিয়েছেন।
আরও যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে তারা হলেন— বাংলাদেশ বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন, সাবেক শিক্ষাসচিব সিদ্দিক জুবায়ের, বিমান বাহিনীর এয়ার ভাইস মার্শাল মোরশেদ মুহাম্মদ খায়ের উল আফসার, গ্রুপ ক্যাপ্টেন রিফাত আক্তার জিকু, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের গভর্নিং বডির উপদেষ্টা অবসরপ্রাপ্ত কর্নেল নুরনবী, অধ্যক্ষ মোহাম্মদ জিয়াউল আলম, প্রিন্সিপাল (প্রশাসন) মাসুদ আলম, স্কুল শাখার প্রিন্সিপাল রিফাত নবী এবং প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব, রাজউক চেয়ারম্যান ও রাজউকের ফিল্ড সুপার ভাইজার (উত্তরা)। এদের বিরুদ্ধে দায়িত্ব অবহেলাজনিত নরহত্যা ও প্রতারণার অভিযোগ আনা হয়েছে।
গত বছরের ২১ জুলাই দুপুরে বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসের একটি ভবনের মুখে বিধ্বস্ত হয়। দেশের ইতিহাসে সবচেয়ে বড় এই বিমান দুর্ঘটনায় ৩৬ জনের মৃত্যু হয়, যাদের বেশির ভাগই শিশু।
রাজধানীর শাহবাগ থানার সামনে ৭ মার্চের ভাষণ বাজানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গ্রেপ্তার হওয়া ‘স্লোগান ৭১’ এর সাবেক সাধারণ সম্পাদক শেখ তাসনিম আফরোজ ইমি দুই মাস পর কারামুক্ত হয়েছেন। হাইকোর্টের দেওয়া জামিনে বৃহস্পতিবার (৭ মে) দুপুরে তিনি মুক্তি পান।
গাজীপুরের কাশিমপুর মহিলা কেন্দ্রীয় কারাগারের জেলার শিরিন আক্তার জানান, বিকেল পৌনে ৩টার দিকে সব আইনি প্রক্রিয়া শেষে ইমিকে মুক্তি দেওয়া হয়।
ইমির বিরুদ্ধে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করা হয়েছিল। গত ৩০ এপ্রিল হাইকোর্ট তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন দেন। এর আগে একবার তার জামিন আবেদন নামঞ্জুর হয়েছিল।
জানা গেছে, চলতি বছরের ৭ মার্চ রাতে। সেদিন রাত সাড়ে ৯টার দিকে শাহবাগ থানার সামনে অবস্থান নিয়ে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ভাষণ বাজানোর কর্মসূচি ঘোষণা করেন ইমিসহ কয়েকজন। রিকশায় মাইক লাগিয়ে ভাষণ প্রচারের সময় এ বি জুবায়ের, মোসাদ্দেক আলী ইবনে মোহাম্মদ এবং জাতীয় ছাত্র শক্তির আহ্বায়ক তাহমিদ আল মোদাসসিরসহ একদল শিক্ষার্থী বাধা দেন।
পরে ইমি ও আবদুল্লাহ আল মামুনকে রিকশাসহ থানার ভেতরে নেওয়া হয়। এ সময় থানার ভেতরেই আবদুল্লাহ আল মামুনকে মারধরের অভিযোগ ওঠে। পরদিন পুলিশ বাদী হয়ে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে মামলা করে। ওই মামলায় ইমিসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়।
রাজধানীর মিরপুর মডেল থানায় সাগর হত্যা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য ও কণ্ঠশিল্পী মমতাজ বেগমের জামিন নাকচ করেছেন আদালত।
বুধবার (৬ মে) ঢাকার অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ-৭ এর বিচারক তাওহীদা আক্তার এই আদেশ দেন।
নথি থেকে জানা গেছে, গত ১৯ জুলাই রাজধানীর মিরপুর থানাধীন ১০ নম্বর গোলচত্বর এলাকায় ছাত্র-জনতার মিছিলে নির্বিচারে গুলি চালান পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা। এ সময় ঘটনাস্থলেই মারা যান মো. সাগর। এ ঘটনায় গত ২৭ নভেম্বর নিহতের মা বিউটি আক্তার মিরপুর থানায় শেখ হাসিনার নাম উল্লেখ করে ২৪২ জনের নামে হত্যা মামলায় দায়ের করেন। মমতাজ এই মামলায় ৪৯ নম্বর এজাহারভুক্ত আসামি।
২০২৫ সালের ১২ মে রাত পৌনে ১২টায় ধানমন্ডির স্টার কাবাবের পেছনের একটি বাসা থেকে মমতাজকে গ্রেফতার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ।
মমতাজ নবম সংসদ নির্বাচনের পর ২০০৯ সালে সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নে সংসদ সদস্য হন। পরে ২০১৪ সালে তাকে আওয়ামী লীগ মনোনয়ন দেয়। ২০১৮ সালেও নৌকা নিয়ে জয় পাওয়া মমতাজ ২০২৪ সালের জানুয়ারির নির্বাচনে দলের নেতা এক স্বতন্ত্র প্রার্থীর কাছে হেরে যান।
সাবেক চিফ হুইপ ও মাদারীপুর-১ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নূর-ই-আলম চৌধুরীর আয়কর নথি জব্দের নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
বুধবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ সাব্বির ফয়েজের আদালত দুদকের আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ দেয়।
সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রিয়াজ হোসেন এতথ্য নিশ্চিত করেছেন।
দুদকের পক্ষে সহকারী পরিচালক ও তদন্তকারী কর্মকর্তা এ কে এম মর্তুজা আলী সাগর সাবেক চিফ হুইপের আয়কর নথি জব্দের আবেদন করেন৷
আবেদনে বলা হয়, আসামি নূর-ই-আলম চৌধুরীর বিরুদ্ধে ৫৭ কোটি ৪৯ লাখ ৭ হাজার ৭৯৮ টাকার জ্ঞাত আয় বহির্ভূত সম্পদ অর্জন ও নিজ ভোগ দখলে রাখেন। আসামির ৮টি ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে ২৩২ কোটি ১১ লাখ ৮০ হাজার ২৪০ টাকা সন্দেহজনক লেনদেন করা এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করার অপরাধ করায় দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) মামলা দায়ের করেন। তিনি একজন আয়কর দাতা। মামলাটি সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে আসামির মূল আয়কর নথির শুরু হতে ২০২৪-২৫ করবর্ষ পর্যন্ত আয়কর নথির স্থায়ী অংশ ও বিবিধ অংশসহ সংশ্লিষ্ট যাবতীয় মূল রেকর্ডপত্র/তথ্যাদি জব্দ করা একান্ত প্রয়োজন।
বিতর্কিত দ্বাদশ জাতীয় সংসদে চিফ হুইপ নির্বাচিত হন নূর-ই আলম চৌধুরী লিটন। গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে হাসিনা সরকারের পতন হলে নূর-ই-আলম চৌধুরী ও তার ভাই নিক্সন চৌধুরী সপরিবারে আত্মগোপনে রয়েছেন।
উল্লেখ্য, নূর ই আলম চৌধুরী লিটন মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাতিজা।
রাজধানীর মতিঝিলের শাপলা চত্বরে ২০১৩ সালের ৫ মে হেফাজতে ইসলামের কর্মসূচিতে সংঘটিত হত্যাযজ্ঞের ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় এক চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশের সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল এই মামলায় রাজসাক্ষী হওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।
বুধবার আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-১ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি মো. গোলাম মর্তূজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেলে এই সংক্রান্ত শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় আবদুল জলিল মণ্ডলের জামিন প্রার্থনা করে আদালতে শুনানি করেন তাঁর আইনজীবী মোহাম্মদ আলী হায়দার।
শুনানি চলাকালে আইনজীবী উল্লেখ করেন যে, তাঁর মক্কেল এই আলোচিত মামলার রাজসাক্ষী হতে আগ্রহী। তবে ট্রাইব্যুনাল বিস্তারিত পর্যালোচনার পর সাবেক এই ডিআইজির জামিন আবেদনটি মঞ্জুর না করে তা নাকচ করে দেন। বর্তমানে তিনি এই মামলার আসামি হিসেবে আইনি প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যাচ্ছেন।
নাটোরের গুরুদাসপুরে ৭ বছর বয়সি এক শিশুর বয়স ২১ বছর দেখিয়ে হত্যাচেষ্টার মামলার অভিযোগে বাদীর বিরুদ্ধে মামলা করার নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক জেলা ও দায়রা জজ মুহাম্মদ রফিকুল ইসলাম এই নির্দেশ দেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ২৬ এপ্রিল ৭ বছরের এক শিশু আদালতে হাজির হয়ে গুরুদাসপুর থানার একটি হত্যাচেষ্টা মামলায় জামিনের আবেদন করেন। আদালত মামলার কাগজপত্র পর্যালোচনা করতে গিয়ে দেখতে পান, বাদী শাহানুর রহমান মামলার এজাহারে ওই আসামির বয়স ২১ বছর উল্লেখ করেছেন। অথচ জন্ম নিবন্ধন অনুসারে ঘটনার তারিখে তার বয়স সাত বছর ছিল। শিশুটি উপজেলার একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
বিষয়টি জানতে পেরে আদালত তাৎক্ষণিকভাবে শিশুটির জামিন মঞ্জুর করেন। একই সঙ্গে শিশুটির প্রকৃত বয়স কেন উল্লেখ করা হয়নি, এ ব্যাপারে মামলার বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তার কাছে কৈফিয়ত তলব করেন।
সেই মোতাবেক মঙ্গলবার (৫ মে) দুপুরে বাদী ও তদন্তকারী কর্মকর্তা আদালতে হাজির হন। পরে আদালত তদন্তকারী কর্মকর্তাকে সাত দিনের মধ্যে শিশুটিকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেন। সেই সাথে মামলার বাদীর বিরুদ্ধে মিথ্যা তথ্য সরবরাহের অভিযোগে মামলা করার নির্দেশ দেন।
ইনকিলাব মঞ্চের মুখপাত্র শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলার অধিকতর তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৭ মে দিন ধার্য করেছেন আদালত।
মঙ্গলবার ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের দিন ধার্য ছিল। তবে, তদন্ত সংস্থা পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) প্রতিবেদন জমা না দেওয়ায় ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য নতুন এই তারিখ ধার্য করেছেন।
গত বছরের ১২ ডিসেম্বর জুমার নামাজ শেষে ফেরার পথে আনুমানিক দুপুর ২টা ২০ মিনিটে পল্টন থানার বক্স কালভার্ট গুলিবিদ্ধ হয়। আহত ওসমান হাদিকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে নেওয়া হলেও ১৮ ডিসেম্বর চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।
ওই ঘটনায় ১৪ ডিসেম্বর ইনকিলাব মঞ্চের সদস্য সচিব আব্দুল্লাহ আল জাবের বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলা দায়ের করেন।
পরে গত ২০ ডিসেম্বর মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে মামলায় দণ্ডবিধির ৩০২ ধারা (হত্যা) সংযোজনের আদেশ দেন ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সিদ্দিক আজাদ।
এর আগে, গত ৬ জানুয়ারি ১৭ জনের বিরুদ্ধে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ফয়সাল আহমেদ।
তবে ডিবির দেওয়া চার্জশিটে অসন্তোষ প্রকাশ করে গত ১৫ জানুয়ারি আদালতে নারাজি আবেদন দাখিল করেন মামলার বাদী। আদালত সেই আবেদন গ্রহণ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য সিআইডিকে নির্দেশ দেন।
ডিবির দাখিল করা চার্জশিটে মোট ১৭ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন বর্তমানে কারাগারে এবং বাকি ৬ জন পলাতক রয়েছেন।
ইসলামী বক্তা ড. মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ডিপফেক’ ভিডিও তৈরি এবং যৌন উত্তেজক পণ্য বিক্রির মাধ্যমে প্রতারণার অভিযোগে দুজনকে দুই দিনের রিমান্ডে নেওয়ার আদেশ দিয়েছেন আদালত। এছাড়া আট আসামিকে কারাগারে পাঠানো হয়েছে।
আজ মঙ্গলবার (৫ মে) ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আওলাদ হোসাইন মুহাম্মদ জুনাইদেন এই আদেশ দেন। ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) সামিম হোসেন ১০ আসামিকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১০ দিন রিমান্ডে চেয়ে আবেদন করেন।
রিমান্ডে যাওয়া আসামিরা হলেন- মো. সারাফাত হোসেন (২৪), মো. শাফায়েত হোসেন শুভ (২১)।
কারাগারে যাওয়া আসামিরা হলেন- শাহাদাত তৌফিক (২১), মো. ইমাম হোসেন বিজয় (২১), মো. রফিকুল হাসান (২১), মিনহাজুর রহমান শাহেদ (১৯), তৌকি তাজওয়ার ইলহাম (২১), অমিদ হাসান (২১), মো. আব্দুল্লাহ ফাহিম (২১) ও মো. ইমরান (২৪)।
গত ২৩ এপ্রিল বিলাল হোসেন নামে এক ব্যক্তি বাদী হয়ে রাজধানীর পল্টন মডেল থানায় সাইবার নিরাপত্তা আইনে মামলাটি দায়ের করেন।
এজাহার থেকে জানা গেছে- গ্রেপ্তার হওয়া চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে অত্যন্ত সুপরিকল্পিতভাবে ডিজিটাল জালিয়াতি চালিয়ে আসছিল। তারা জনপ্রিয় ইসলামী বক্তা শায়খ ড. মিজানুর রহমান আজহারীর ছবি ও কণ্ঠ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে সংগ্রহ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা ‘আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স’ (এআই) ও ‘ডিপফেক’ প্রযুক্তির সাহায্যে তার চেহারা ও কণ্ঠ হুবহু নকল করত। সেই ভুয়া ভিডিওতে ড. আজহারীর কণ্ঠ ব্যবহার করে ‘ইউরোসিন’ নামক একটি যৌন উত্তেজক ওষুধের প্রচারণা চালানো হতো।
বাদী এজাহারে আরও উল্লেখ করেন, সাধারণ মানুষ আজহারীর কথায় বিশ্বাস করে এসব পণ্যকে সত্য মনে করে অর্ডার দিতেন। আসামিরা ‘আজহারী শপ’, ‘ডক্টর সেবা’, ‘হালাল শপসহ প্রায় ২৪টিরও বেশি ভুয়া ফেসবুক পেজ ও ওয়েবসাইটের মাধ্যমে এসব ভিডিও বুস্ট করে প্রচারণা চালাত। এরপর ‘পাঠাও’ ও ‘স্টিডফাস্ট’ কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে ক্যাশ অন ডেলিভারিতে পণ্য পাঠিয়ে সাধারণ গ্রাহকদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়েছে।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরে হেফাজতে ইসলামের সমাবেশকে কেন্দ্র করে দেশের বিভিন্ন স্থানে ৫৮ জন নিহত হওয়ার মামলায় ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে প্রধান আসামি করা হবে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকউটর আমিনুল ইসলাম।
মঙ্গলবার (৫ মে) নিজ কার্যালয়ে তিনি সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন।
চিফ প্রসিকিউটর বলেন, শাপলা চত্ত্বরে নিহতদের মধ্যে কয়েকজনের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হয়েছে। অনেকের পোস্টমর্টেম রিপোর্ট হয়নি। কিন্তু তদন্তের সময় তাদের কবর পরিদর্শন এবং পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে তদন্ত সংস্থার লোকজন কথা বলেছেন।
আসামিদের নাম তদন্তের স্বার্থে এখনই প্রকাশ করা সম্ভব হচ্ছে না। তবে আসামির সংখ্যা ৩০ এর নিচে হবে না। আর ইতোমধ্যে কয়েকজন আসামি গ্রেপ্তার আছেন, যোগ করেন তিনি।
তিনি বলেন, সাবেক সরকারপ্রধান থেকে শুরু করে তৎকালীন পুলিশ প্রধান, পুলিশ কমিশনারসহ আওয়ামী লীগের অনেকেই ওই ঘটনায় জড়িত। তদন্তের কাজ প্রায় ৯০ ভাগ সমাপ্ত হয়ে গেছে। আশা করছি আগামী ৭ জুনের মধ্যে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করতে পারব।
শাপলা চত্বরে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিষয়ে জানতে চাইলে আমিনুল ইসলাম বলেন, তিনি ঘটনায় জড়িত ছিলেন উপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় তার সম্পৃক্ততা রয়েছে।
এই মামলায় ছয় আসামি গ্রেপ্তার হয়েছেন। তারা হলেন সাবেক স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামসুল হক টুকু, মেজর জেনারেল (অব.) জিয়াউল আহসান, পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) এ কে এম শহীদুল হক, পুলিশের সাবেক উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) মোল্যা নজরুল ইসলাম, একাত্তরের ঘাতক-দালাল নির্মূল কমিটির উপদেষ্টা মণ্ডলীর সভাপতি শাহরিয়ার কবির এবং সাবেক ডিআইজি আবদুল জলিল মণ্ডল।
২০১৩ সালের ৫ মে শাপলা চত্বরের এ হত্যাকাণ্ড নিয়ে ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর বরাবর অভিযোগ করেন হেফাজতে ইসলামের নেতা আজিজুল হক। হেফাজত নেতা জুনায়েদ আল হাবিব ও মাওলানা মামুনুল হকের পক্ষে তিনি এ অভিযোগ করেন। এ ঘটনায় ২১ জনকে আসামি করা হয়।
মামলার আসামিদের মধ্যে রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র শেখ ফজলে নূর তাপস, সাবেক মন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক সংসদ সদস্য হাজী সেলিম, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, নারায়ণগঞ্জের সাবেক সংসদ সদস্য শামীম ওসমান, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিকী, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদ, ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ডিবি) হারুন অর রশীদ, ডিএমপির সাবেক উপকমিশনার বিপ্লব কুমার সরকার, অধ্যাপক মুনতাসীর মামুন, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের সাবেক প্রসিকিউটর তুরিন আফরোজ, গণজাগরণ মঞ্চের আহ্বায়ক ইমরান এইচ সরকার, একাত্তর টিভির সাবেক সিইও মোজাম্মেল হক বাবু, সময় টিভির সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও আহমেদ জোবায়ের, এবিনিউজ২৪ ডটকমের সম্পাদক সুভাষ সিংহ রায়, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব নাইমুল ইসলাম খান, সাবেক সেনাপ্রধান আজিজ আহমেদ এবং এনএসআইয়ের মো. মনজুর আহমেদ।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলাসহ তিন মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজনকে জামিন দিয়েছেন হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলাসহ তিন মামলায় হাইকোর্টে জামিন আবেদন করেন সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন।
২০২৪ সালের ২৮ সেপ্টেম্বর বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় রাজধানীর যাত্রাবাড়ী এলাকায় রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক রেলমন্ত্রী অ্যাডভোকেট নুরুল ইসলাম সুজনকে কারাগারে পাঠানো হয়। ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মেহেরা মাহবুব কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
২০২৪ সালের ২২ সেপ্টেম্বর এই মামলায় তাকে পাঁচদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়। ওই বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর নুরুল ইসলাম সুজনকে যাত্রাবাড়ী থানার গোপী বাঘের রাইয়ান কম্পিউটার ট্রেনিং সেন্টারের মালিক রফিকুল ইসলামকে হত্যার মামলায় মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।
২৮ আগস্ট রফিকুল ইসলামের স্ত্রী নাজিয়া আক্তার বাদী হয়ে এই মামলা দায়ের করেন। মামলায় শেখ হাসিনাসহ ১৯৫ জনকে আসামি করা হয়।
২০২৪ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানী শ্যামলীর বাংলাদেশ বিশেষায়িত হাসপাতাল থেকে সুজনকে আটক করে পুলিশ। পরে ১৭ সেপ্টেম্বর যাত্রাবাড়ী থানায় ইমরান হোসেন নামে এক তরুণের মৃত্যুর ঘটনায় দায়ের করা হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করা হয়।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বাড্ডা থানায় দায়ের করা এক হত্যা মামলায় একাত্তর টিভির সাবেক প্রধান সম্পাদক মোজাম্মেল হক বাবুকে জামিন দেননি হাইকোর্ট।
মঙ্গলবার (৫ মে) বিচারপতি কে এম জাহিদ সারওয়ার ও বিচারপতি শেখ আবু তাহেরের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।
এর আগে কারাগারে থাকা সাংবাদিক মোজাম্মেল বাবুকে কেন জামিন দেওয়া হবে না- তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্টের বিচারপতি এ এস এম আবদুল মোবিন ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বেঞ্চ। তার পক্ষে করা জামিন আবেদনের শুনানি নিয়ে গত ২৭ এপ্রিল এই রুল জারি করা হয়।
২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকার পতনের পরদিন ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া হয়ে সপরিবারে ভারতে যাওয়ার সময় শ্যামল দত্তকে আটকে দিয়েছিল ইমিগ্রেশন পুলিশ। মোজাম্মেল বাবু সরকার পতনের পর থেকেই আত্মগোপনে ছিলেন।
ওই বছরের ১৬ সেপ্টেম্বর ময়মনসিংহের সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া উপজেলার সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে পালানোর সময় শ্যামল দত্ত এবং মোজাম্মেল বাবুকে আটক করা হয়। এরপর থেকে তারা কারাগারে। বিভিন্ন মামলায় তাদের গ্রেপ্তার দেখিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডেও নেওয়া হয়।
সব সাবরেজিস্ট্রার অফিসে হাই ডেফিনেশন (এইচডি) সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট। এই সংক্রান্ত রিটের পরিপ্রেক্ষিতে সোমবার (৪ মে) বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি আবদুর রহমানের বেঞ্চ এ রুল জারি করেছেন।
আইনসচিব ও নিবন্ধন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শককে (আইজিআর) রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে।
এর আগে সব সাবরেজিস্ট্রার অফিসে পাবলিক ডিসপ্লে মনিটরসহ এইচডি সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের নির্দেশনা চেয়ে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. আল মামুন সারওয়ার রিট করেছিলেন। রিটের পক্ষে তিনি নিজেই শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানিতে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল সৈয়দ ইজাজ কবির।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ অন্যান্য আসামিদের দেশে ফিরিয়ে আনতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়গুলো কাজ করছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
সোমবার (৪ মে) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ কথা জানান। এসময় তিনি বলেন, প্রসিকিউশনের বিরুদ্ধে অনিয়মের যে অভিযোগ এসেছে তার বিষয়ে পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
বিচারপতিদের অবসরের বয়স ৬৭ থেকে কমিয়ে ৬৫ বছরে নামিয়ে আনার বিষয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরে আইনমন্ত্রী বলেছেন, তিনি ব্যক্তিগতভাবে এ প্রস্তাবের পক্ষে নন। তবে এ নিয়ে কোনো উদ্যোগ এলে তা গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করা হবে।
এছাড়া, আপিল বিভাগে সাংবাদিকদের প্রবেশ সংক্রান্ত বিষয়ে প্রধান বিচারপতি সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করবেন বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এ সময় আগামী ১৭ মে মানবাধিকার কমিশন আইন ও গুম আইন নিয়ে পরামর্শ সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে জানান তিনি।