বুধবার, ১৭ জুন ২০২৬
৩ আষাঢ় ১৪৩৩

মেজর সিনহা হত্যার ডেথ রেফারেন্স ও আপিল শুনানি আগামীকাল

বাসস
প্রকাশিত
বাসস
প্রকাশিত : ২২ এপ্রিল, ২০২৫ ১৭:৪৯

সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খান হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের আপিল শুনানি আগামীকাল।

সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে দেখা যায় মামলাটি বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান ও বিচারপতি মো. সগীর হোসেনের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের একটি ডিভিশন বেঞ্চে বিষয়টি আগামীকাল বুধবার সকাল সাড়ে ১০টা থেকে মূলতবি/নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত শুনানির জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। এর আগে প্রধান বিচারপতি আলোচিত এই মামলাটি নিষ্পত্তির জন্য এই হাইকোর্ট বেঞ্চে পাঠান।

২০২০ সালের ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ মেরিন ড্রাইভ সড়কের শামলাপুর চেকপোস্টে পুলিশের গুলিতে নিহত হন মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এই ঘটনায় করা মামলার বিচার শেষে ২০২২ সালের ৩১ জানুয়ারি কক্সবাজার জেলা ও দায়রা জজ আদালত দুজনকে মৃত্যুদণ্ড, ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও সাতজনকে খালাস দিয়ে রায় দিয়েছিলেন। মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন- বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তৎকালীন পরিদর্শক বরখাস্ত লিয়াকত আলী ও টেকনাফ থানার বরখাস্তকৃত ওসি প্রদীপ কুমার দাশ।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন- বাহারছড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের বরখাস্ত উপ-পরিদর্শক (এসআই) নন্দ দুলাল রক্ষিত, সাগর দেব, রুবেল শর্মা, টেকনাফ থানায় পুলিশের করা মামলার সাক্ষী টেকনাফের বাহারছড়া ইউনিয়নের শামলাপুরের মারিশবুনিয়া গ্রামের নুরুল আমিন, মো. নেজামুদ্দিন ও আয়াজ উদ্দিন।

বিচারিক আদালতের রায়ের পরে নিয়ম অনুসারে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তদের দণ্ডাদেশ অনুমোদনের জন্য ডেথ রেফারেন্স হাইকোর্টে আসে। অন্যদিকে, দণ্ডিত আসামিরা আপিল ও জেল আপিল করেন।


নির্বাচিত

পদত্যাগ করলেন সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল আশিক রুবাইয়াৎ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ব্যক্তিগত কারণ দর্শিয়ে সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী আশিক রুবাইয়াৎ। মঙ্গলবার (১৬ জুন) তিনি অ্যাটর্নি জেনারেলের মাধ্যমে আইন ও বিচার বিভাগের সচিবের কাছে এই পদত্যাগপত্র দাখিল করেন।

পদত্যাগ পত্রে তিনি তার সিদ্ধান্তের সপক্ষে উল্লেখ করেন, 'আমাকে এ পদে কাজ করার সুযোগ দেয়ার জন্য আমি অশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। কিন্তু ব্যক্তিগত কারণে আমার পক্ষে এ পদে কাজ করা আর সম্ভব হচ্ছে না। এমতাবস্থায় আমি সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেলের পদ হতে আজ পদত্যাগ করছি।'

এই পদত্যাগের প্রেক্ষাপট সম্পর্কে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল জানান, 'তিনি নিয়মিত অফিস করেন না। এ বিষয়ে তার কাছে ব্যাখ্যা চাইলে তিনি তার সদুত্তর দিতে পারেননি। এমন প্রেক্ষাপটে তিনি তার পদত্যাগপত্র দিয়েছেন।' আইন ও বিচার বিভাগের কাছে পাঠানো এই আবেদনের মাধ্যমে তিনি রাষ্ট্রপক্ষের আইনি কর্মকর্তার পদ থেকে সরে দাঁড়ানোর আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিলেন। সংশ্লিষ্ট বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, দায়িত্ব পালনে অনিয়মিত থাকা এবং কর্তৃপক্ষের কাছে সন্তোষজনক ব্যাখ্যা দিতে ব্যর্থ হওয়ার পরই তিনি এই পদত্যাগপত্র জমা দেন।


নির্বাচিত

শিশু আয়াতকে কেটে ৬ টুকরো, আসামি আবিরের ফাঁসির রায়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৭ জুন, ২০২৬ ১৪:৫৭
চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

চট্টগ্রামে পাঁচ বছর বয়সী এক শিশুকে নির্মমভাবে হত্যার পর মরদেহ ছয় টুকরো করে সাগর পাড় ও খালের ধারে ফেলে দেওয়ার ঘটনায় দোষী সাব্যস্ত প্রতিবেশী আবির আলীকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। বুধবার (১৭ জুন) চট্টগ্রামের ষষ্ঠ অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ মুহাম্মদ আলী আক্কাস এই চাঞ্চল্যকর মামলার রায় ঘোষণা করেন।

মামলার বিবরণ অনুযায়ী, ২০২২ সালের ১৫ নভেম্বর চট্টগ্রাম নগরের ইপিজেড থানা এলাকা থেকে ওই শিশুটি নিখোঁজ হয়। শিশুর পরিবার থানায় সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করার পর পিবিআই (পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন) ছায়া তদন্ত শুরু করে। তদন্তে বেরিয়ে আসে যে, শিশুটির পরিবারের বাসার ভাড়াটে আবির আলীই এই অপহরণ ও হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা। ওই বছরের ২৫ নভেম্বর আবিরকে গ্রেপ্তার করা হয় এবং পরবর্তীতে তিনি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী অতিরিক্ত পিপি জালাল উদ্দিন জানান যে, এই নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচারে মোট ৩৩ জন সাক্ষী আদালতে সাক্ষ্য প্রদান করেন। পর্যাপ্ত তথ্য-প্রমাণ ও সাক্ষ্যের ভিত্তিতে অপরাধটি সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হওয়ায় আদালত আসামিকে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড প্রদান করেছেন। এই রায়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগী পরিবারটি দীর্ঘ প্রতীক্ষিত ন্যায়বিচার পেল বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।


নির্বাচিত

বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে দুদকের আবেদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক   

অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগে অভিযুক্ত সাবেক পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনতে আনুষ্ঠানিক আইনি প্রক্রিয়া শুরু করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)। তাকে সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ফিরিয়ে আনার আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠিয়েছে রাষ্ট্রীয় দুর্নীতিবিরোধী সংস্থাটি। মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে দুদক কার্যালয়ে এক সাংবাদিক সম্মেলনে এ তথ্য জানান সংস্থার জনসংযোগ কর্মকর্তা আকতারুল ইসলাম।

আকতারুল ইসলাম বলেন, সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদকে দেশে ফেরাতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রত্যর্পণ পত্র পাঠানো হয়েছে। এটি আজই স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় হয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে হস্তান্তর করা হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যেই এই আবেদনটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে সংযুক্ত আরব আমিরাত সরকারের কাছে পাঠানো হবে।

দুদক সূত্রে জানা গেছে, আন্তর্জাতিক আইনি জটিলতা এড়াতে এবং প্রক্রিয়াটি সহজ করতে প্রত্যর্পণ আবেদনপত্রটি ইংরেজি ও আরবি—এই দুটি ভাষায় অনুবাদ করে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে বেনজীর আহমেদকে দেশে ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়ায় গতি আনতে দুপুরে পুলিশ সদর দপ্তরের ন্যাশনাল সেন্ট্রাল ব্যুরো (এনসিবি)-এর দুই সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল দুদক কার্যালয়ে আসে। প্রতিনিধিদলটি সাবেক এই আইজিপির বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অনুসন্ধান ও মামলার অগ্রগতির বিষয়ে দুদকে গঠিত সংশ্লিষ্ট বিশেষ টিমের সঙ্গে বৈঠক করে এবং প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব নথিপত্র ও তথ্য সংগ্রহ করে নিয়ে যায়।

বিপুল পরিমাণ অবৈধ সম্পদ অর্জনের সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে সাবেক আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে অনুসন্ধান ও আইনি প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর তিনি দেশ ত্যাগ করেন। সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী তিনি সংযুক্ত আরব আমিরাতে গ্রেপ্তার আছেন। তাকে দেশে ফিরিয়ে এনে আইনের মুখোমুখি করতে ইন্টারপোলের সহযোগিতাসহ কূটনৈতিক ও আইনি চ্যানেলগুলো ব্যবহার করছে সরকার।


নির্বাচিত

রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলা: হাইকোর্টে শুনানির জন্য প্রস্তুত পেপারবুক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর পল্লবীতে আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত করা হয়েছে। আসামিদের জেল আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করায় হাইকোর্টে যেকোনো দিন মামলাটির শুনানি শুরু হতে পারে।

মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল।

গত ১৯ মে পল্লবীতে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর গলাকেটে হত্যা করা হয়। চাঞ্চল্যকর এই হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় মাত্র ১৯ দিন পর রায় ঘোষণা করেন ঢাকা মহানগর শিশু সহিংসতা দমন ট্রাইব্যুনালের বিচারক মাসরুর সালেকীন। রায়ে আসামি সোহেল রানা ও স্বপ্না আক্তারকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। একই সঙ্গে সোহেল রানাকে ৫ লাখ টাকা এবং স্বপ্না আক্তারকে ২ লাখ টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করা হয়।

আদালত নির্দেশ দিয়েছেন, এই অর্থ ভিকটিম রামিসার উত্তরাধিকারীরা পাবেন। যদি আসামিরা জরিমানা দিতে ব্যর্থ হন, তবে তাদের স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি নিলামে বিক্রি করে সেই টাকা ভিকটিমের পরিবারকে বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

রায়ের পর্যবেক্ষণে আদালত উল্লেখ করেন, শিশু রামিসাকে হত্যার আগে ধর্ষণ ও শরীরে বিভিন্ন স্থানে জখমের ভয়াবহ প্রমাণ পাওয়া গেছে। প্রধান আসামি সোহেল রানা স্বেচ্ছায় অপরাধ স্বীকার করেছেন এবং তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তার স্বামীকে পালাতে সহযোগিতা করেছেন। অপরাধ সংঘটনে তাদের ভূমিকা এবং তা প্রতিরোধে কোনো পদক্ষেপ না নেওয়ার বিষয়টি আদালতের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে।

পরে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য বিচারিক আদালতের পূর্ণাঙ্গ রায় ও মামলার নথিপত্র গত ৯ জুন হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পাঠানো হয়। সেখানে মামলাটি ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়। এরপর ১১ জুন কারা কর্তৃপক্ষের মাধ্যমে দুই আসামি জেল আপিল করেন।

গত ১৪ জুন বিচারপতি মোহাম্মদ আলী ও বিচারপতি মো. সাইফুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ আপিল দুটি শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। পরে বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত বিশেষ বেঞ্চে বিষয়টি উপস্থাপন করা হয়।

এরই মধ্যে ডেথ রেফারেন্স ও আসামিদের জেল আপিলের শুনানি দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে পেপারবুক প্রস্তুত করেছে হাইকোর্ট।


নির্বাচিত

হত্যা মামলায় আবুল বারকাতের জামিন, মুক্তিতে নেই বাধা

অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ জুন, ২০২৬ ২২:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক  

জুলাই আন্দোলনে ঢাকার নীলক্ষেতের ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় জামিন পেয়েছেন অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাত। মঙ্গলবার (১৬ জুন) ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান পাঁচ হাজার টাকা মুচলেকায় তাকে জামিন দেন। অন্য কোনো মামলায় গ্রেপ্তার না থাকায় তার কারামুক্তিতে কোনো বাধা নেই।

আবুল বারকাতের আইনজীবী শাহিনুর ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, হত্যা মামলায় মঙ্গলবার (১৬ জুন) আবুল বারকাতের জামিন চেয়ে আবেদন করা হয় আদালতে। যে কোনো শর্তে চাওয়া হয় জামিন। বিরোধিতা করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন। দুই পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আবুল বারকাতকে জামিন দেন।

এর আগে গত ৭ জুন জালিয়াতির মাধ্যমে ঋণ নেওয়ার মামলায় জামিন পান তিনি। সেদিনই তাকে আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন তালুকদার।

পরে গত ১৪ জুন তাকে হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। পরদিন তার জামিন আবেদন নাকচ করেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, জুলাই আন্দোলন চলাকালে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকালে নিউমার্কেট থানার নীলক্ষেত এলাকায় গুলিতে নিহত হন ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ। এ ঘটনায় নিউমার্কেট থানায় মামলা করেন তার শ্যালক আব্দুর রব।

গত বছরের ১০ জুলাই রাতে ধানমন্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। জালিয়াতির মাধ্যমে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে জনতা ব্যাংক থেকে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় পরদিন তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

গত ৭ জুন এই মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আবুল বারকাত। নিজ পাসপোর্ট আদালতে জমা দেওয়ার শর্তে তাকে দেওয়া হয় জামিন।


নির্বাচিত

শাহজালালে বিপুল বৈদেশিক মুদ্রাসহ আটক ফরাসি নাগরিক রিমান্ডে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ঘোষণাবিহীন বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধারের মামলায় ডেভিড পিয়েরে আন্দ্রে ডেলন (৪৪) নামের এক ফরাসি নাগরিকের দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত। সোমবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. এহসানুল ইসলামের আদালত শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বিমানবন্দর থানার উপপরিদর্শক (নিরস্ত্র) মোস্তাফিজুল ইসলাম আসামিকে আদালতে হাজির করে সাত দিনের রিমান্ডের আবেদন জানান। রাষ্ট্রপক্ষ এই আবেদনের পক্ষে শুনানি করে। অন্যদিকে আসামিপক্ষ রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করে। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত জামিন নামঞ্জুর করে দুই দিনের রিমান্ডের আদেশ দেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, রবিবার (১৪ জুন) সকালে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর দিয়ে দেশত্যাগের সময় ডেভিড পিয়েরে নামের ওই ফরাসি নাগরিকের আচরণ সন্দেহজনক মনে হয়। বিমানবন্দরে দায়িত্বরত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাকে আটক করে শুল্ক কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করেন। পরে তার ব্যাগ ও লাগেজ তল্লাশি করে বিভিন্ন দেশের বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করা হয়।

জব্দকৃত মুদ্রার মধ্যে রয়েছে ২ লাখ ৯৮ হাজার ৫২০ ইউএই দিরহাম, ১০ হাজার ৬৬০ সোম, ২ হাজার ৮০০ ইউরো, ১ হাজার ৭০০ মার্কিন ডলার, ৪৭০ সৌদি রিয়াল এবং ২০০ মরক্কান দিরহাম।

পুলিশ জানিয়েছে, বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়ম অনুযায়ী নির্ধারিত সীমার অতিরিক্ত বৈদেশিক মুদ্রা বহনের ক্ষেত্রে ঘোষণা ও অনুমোদন নেওয়া বাধ্যতামূলক হলেও ওই বিদেশি নাগরিক তা করেননি। এই ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিমানবন্দর থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪ এবং বৈদেশিক মুদ্রা নিয়ন্ত্রণ আইন, ১৯৪৭-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় মামলা করা হয়েছে।

মামলার রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়, উদ্ধার হওয়া এই বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার প্রকৃত উৎস কী, এগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে এবং কোন উদ্দেশে পাচার করা হচ্ছিল—তা উদ্‌ঘাটনের জন্য আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের প্রয়োজন। এই মুদ্রা পাচারের পেছনে কোনো দেশি-বিদেশি সংঘবদ্ধ চক্র জড়িত রয়েছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।


নির্বাচিত

তিন মামলায় জামিন পেলেন সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর থানায় দায়ের করা সাগর হত্যা মামলাসহ ৩টি মামলায় জামিন পেয়েছেন সাবেক এমপি ও জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী মমতাজ বেগম। সোমবার হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। বিচারপতি মো. খায়রুল আলম ও বিচারপতি এবিএম রবিউল হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দিয়েছেন। এদিন আদালতে মমতাজ বেগমের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু, ব্যারিস্টার সারা হোসেন এবং অ্যাডভোকেট খায়রুন নেছা।

শুনানি শেষে আইনজীবী মোতাহার হোসেন সাজু জানান, মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে বর্তমানে মোট ৬টি মামলা রয়েছে। এর মধ্যে ৩টি মামলায় হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করেছেন। অবশিষ্ট ৩টি মামলার জামিন আবেদন শুনানির জন্য আগামী ১৮ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আইনগত প্রক্রিয়ার মাধ্যমে তার বিরুদ্ধে দায়ের করা সব মামলা মোকাবিলা করব।’

উল্লেখ্য, ২০২৫ সালের মে রাজধানীর ধানমন্ডি থেকে গ্রেপ্তার হন শিল্পী মমতাজ। পুলিশ জানিয়েছে, মমতাজ বেগমের বিরুদ্ধে হত্যাসহ একাধিক মামলা রয়েছে। পরে গত ১৭ মে চার দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে মমতাজ বেগমকে কারাগারে পাঠানো হয়। ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালত এ আদেশ দেন।

মমতাজ বেগম একাধারে দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী এবং সাবেক এমপি। তার বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভিন্ন মামলার কার্যক্রম বর্তমানে আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। এর আগে রাজধানীর মিরপুর থানায় করা সাগর হত্যা মামলায় সাবেক এমপি মমতাজ বেগমকে কোন জামিন দেওয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিলেন হাইকোর্ট।


নির্বাচিত

প্রতারণা মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখাল আদালত

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রতারণা ও বিশ্বাস ভঙ্গের অভিযোগে দায়ের করা একটি মামলায় জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটর তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। সোমবার (১৫ জুন) সকালে কারাগার থেকে তাকে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির করা হলে মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. হাসান শাহাদাত এই আদেশ প্রদান করেন। শুনানি শেষে আদালত তাকে পুনরায় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা রাজধানীর ওয়ারী থানায় দায়ের করা ওই মামলায় তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেছিলেন। মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে যে, ২০২৫ সালের ১৩ জানুয়ারি একটি অনলাইন প্রতারক চক্র চাকরির প্রলোভন দেখিয়ে ভুক্তভোগীর সাথে হোয়াটসঅ্যাপ ও টেলিগ্রামের মাধ্যমে যোগাযোগ করে। চক্রটি তাকে বিভিন্ন ধাপে টাকা বিনিয়োগ করতে প্ররোচিত করে এবং শুরুতে কিছু লভ্যাংশ দিয়ে আস্থা অর্জন করে। পরবর্তীতে মুনাফাসহ আসল টাকা ফেরতের আশ্বাস দিয়ে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে মোট ২ লাখ ৩৫ হাজার টাকা আত্মসাৎ করা হয়। এই ঘটনায় সৈয়দা আশফাহ তোয়াহা দ্যুতি বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামিদের বিরুদ্ধে ওয়ারী থানায় মামলাটি দায়ের করেছিলেন।

উল্লেখ্য, গত বছরের ২৪ আগস্ট রাতে বরিশাল থেকে তৌহিদ আফ্রিদিকে গ্রেপ্তার করেছিল পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। এরপর থেকেই তিনি বিভিন্ন মামলায় কারাগারে আটক রয়েছেন। বর্তমান মামলায় তার সংশ্লিষ্টতা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কর্মকর্তা তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন জানালে আদালত তা মঞ্জুর করেন।


নির্বাচিত

নারী ও শিশু নির্যাতন মামলা দ্রুত নিষ্পত্তিতে বিশেষ বেঞ্চের কার্যক্রম শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক
    *তালিকায় আছিয়া-নুসরাত হত্যা মামলা

নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনের আওতাধীন মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে প্রধান বিচারপতির গঠন করা বিশেষায়িত হাইকোর্ট বেঞ্চ রোববার থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যক্রম শুরু করেছে। বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কে এম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত এ বেঞ্চে প্রথম কার্যদিবসেই ২০টি ডেথ রেফারেন্স ও সংশ্লিষ্ট মামলা শুনানির জন্য কার্যতালিকাভুক্ত করা হয়েছে।

আদালত প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, ‘নারী ও শিশু নির্যাতনবিষয়ক মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর দ্রুত শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি বিশেষ এই বেঞ্চ গঠন করেছেন। প্রথম কার্যদিবসে তালিকাভুক্ত ২০টি মামলার মধ্যে ২০ নম্বরে রয়েছে আলোচিত মাগুরার আট বছর বয়সি শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলা।’

তিনি জানান, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে প্রতিটি মামলার শুনানির জন্য অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে এবং কোনো মামলায় রাষ্ট্রপক্ষ থেকে মুলতবি চাওয়া হবে না। আছিয়া হত্যা মামলার অগ্রাধিকারভিত্তিক শুনানির বিষয়ে আদালতের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বিচারকরা জানান, কার্যতালিকার শুরুতে থাকা ২০১৯ সালের মামলাগুলোর আসামিরা দীর্ঘদিন ধরে মৃত্যুদণ্ড নিয়ে কারাগারে রয়েছেন। সে কারণে সেসব মামলার শুনানিও গুরুত্বপূর্ণ। তবে সুযোগ থাকলে আছিয়ার মামলাটি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে শুনানির বিষয়টি বিবেচনা করা হবে।

রোববারের কার্যতালিকায় থাকা ২০টি মামলার মধ্যে মাগুরার আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পাশাপাশি ফেনীর বহুল আলোচিত মাদ্রাসাছাত্রী নুসরাত হত্যা মামলাও অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

এর আগে গত ১০ জুন অ্যাটর্নি জেনারেল ও সংশ্লিষ্ট আইনজীবীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি নারী ও শিশু নির্যাতনবিষয়ক মামলাগুলোর দ্রুত নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পৃথক এই বিশেষ বেঞ্চ গঠন করেন। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এ বেঞ্চে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ডেথ রেফারেন্সসহ সংশ্লিষ্ট মামলাগুলোর শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

এদিকে বিশেষ বেঞ্চ গঠনের পর আলোচিত রামিসা হত্যা মামলার শুনানির জন্যও অ্যাটর্নি জেনারেল অফিস একটি বিশেষ টিম গঠন করেছে। স্বয়ং অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজলের নেতৃত্বে গঠিত এ টিম বিরতিহীনভাবে মামলাটির শুনানি পরিচালনা করবে, যাতে নারী ও শিশু নির্যাতনসংক্রান্ত মৃত্যুদণ্ডের মামলাগুলোর ডেথ রেফারেন্স দ্রুত নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয়।


নির্বাচিত

হত্যা মামলায় নতুন করে গ্রেপ্তার ড. আবুল বারকাত, আটকে গেল কারামুক্তি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর নীলক্ষেত এলাকায় ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় অর্থনীতিবিদ অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। এর ফলে তার কারামুক্তি আটকে গেছে।

পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মনিরুল ইসলাম তাকে এই গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মাজহারুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, গত ১০ জুলাই রাতে ধানমণ্ডির ৩ নম্বর সড়কের বাসা থেকে অধ্যাপক আবুল বারকাতকে গ্রেপ্তার করে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশ। পরে জালিয়াতির মাধ্যমে জনতা ব্যাংক থেকে অ্যাননটেক্স গ্রুপের নামে ২৯৭ কোটি টাকা ঋণ নিয়ে আত্মসাতের মামলায় কারাগারে পাঠানো হয়।

পরবর্তীতে গত ৭ জুন দুদকের মামলায় আপিল বিভাগ থেকে জামিন পান আবুল বারকাত। জামিন পেলেও কারাগার থেকে মুক্তি পাননি তিনি।

ওইদিন আব্দুল ওয়াদুদ হত্যা মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের ইন্সপেক্টর আমজাদ হোসেন তালুকদার। আদালত আসামির উপস্থিতিতে শুনানির আজ রোববার দিন নির্ধারণ করেছিলেন। শুনানিকালে তাকে আদালতে হাজির করা হয়।

আবুল বারকাতের পক্ষে তার আইনজীবী শাহীনুর ইসলাম তাকে গ্রেপ্তার না দেখাতে আবেদন করেন। শুনানি নিয়ে আদালত তাকে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আদেশ দেন।

আবুল বারকাতের আরেক আইনজীবী বাবুল মিয়া বলেন, ‘কারামুক্ত হতে আবুল বারকাতকে এ মামলায় জামিন পেতে হবে। আমরা তার জামিন আবেদন করেছি। আজ সোমবার জামিন শুনানি হবে।’

ড. আবুল বারকাত ঘটনার দিন সময় অনুমান ১১-১২টার দিকে ঢাকা ইউনিভার্সিটি এলাকায় স্থানীয় আওয়ামীলীগ, ছাত্রলীগ, যুবলীগ স্বেচ্ছাসেবকলীগ ও আওয়ামী লীগ সমর্থক নেতৃবৃন্দকে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের জন্য আর্থিক সহায়তা ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে বলে আটক রাখার আবেদনে উল্লেখ করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে ২০২৪ সালের ১৯ জুলাই বিকেলে নিউমার্কেটের নীলক্ষেত এলাকায় আন্দোলন চলাকালে গুলিতে ব্যবসায়ী আব্দুল ওয়াদুদ নিহত হন। এ ঘটনায় আব্দুল ওয়াদুদের শ্যালক আব্দুর রব নিউ মার্কেট থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলায় শেখ হাসিনা ও ওবায়দুল কাদেরসহ ১৩০ জনকে আসামি করা হয়।


নির্বাচিত

দুদকের মামলায় জামিন পেলেন বেরোবির সাবেক উপচার্য কলিমুল্লাহ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) দায়ের করা মামলায় কারাগারে থাকা রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহর জামিন মঞ্জুর করেছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমান ও বিচারপতি বিশ্বজিৎ দেবনাথের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ সংশ্লিষ্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে এই আদেশ প্রদান করেন। তবে জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে আদালত অধ্যাপক কলিমুল্লাহর পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্তারোপ করেছেন।

উচ্চ আদালতে কলিমুল্লাহর পক্ষে শুনানিতে অংশ নেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মো. ফজলুর রহমান, ব্যারিস্টার এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন, সৈয়দ মামুন মাহবুব ও আইনজীবী কাজী আহসান হাবিব। দুদকের পক্ষে উপস্থিত ছিলেন আইনজীবী খান মো. মইনুল হাসান লিপন এবং রাষ্ট্রপক্ষের প্রতিনিধিত্ব করেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

অধ্যাপক কলিমুল্লাহর আইনজীবী সৈয়দ মামুন মাহবুব বলেন, ‘হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে জামিন দিয়েছেন। তবে পাসপোর্ট জমা দেওয়ার শর্ত দেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানান যে, কলিমুল্লাহর বিরুদ্ধে অন্য কোনো মামলা না থাকায় তার কারামুক্তিতে এখন আর কোনো আইনি বাধা নেই।

বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের বিশেষ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় বিভিন্ন স্থাপনা নির্মাণে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে সাবেক উপাচার্য নাজমুল আহসান কলিমুল্লাহ ও এ কে এম নূর-উন-নবীসহ পাঁচজনের বিরুদ্ধে এই মামলাটি দায়ের করেছিল দুদক। মামলার এজাহারে শেখ হাসিনা ছাত্রী হল ও ড. ওয়াজেদ মিয়া রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং ইনস্টিটিউট ভবন নির্মাণ প্রক্রিয়ায় প্রায় চার কোটি টাকার অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ আনা হয়। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়া শেষে উচ্চ আদালত থেকে শর্তসাপেক্ষে জামিন পেলেন সাবেক এই উপাচার্য।


নির্বাচিত

সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলায় গ্রেফতার দেখানো হলো আর এস ফাহিমকে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর রমনা থানায় দায়ের করা সন্ত্রাস বিরোধী আইনের একটি মামলায় আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর আর এস ফাহিম চৌধুরীকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত। রোববার (১৪ জুন) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালত তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এই আদেশ মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ডিবি-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম (দক্ষিণ)-এর উপপরিদর্শক আমির হামজা গত ৯ জুন ফাহিমকে এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করেন। তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে যে, আর এস ফাহিম চৌধুরী একটি নিষিদ্ধ সংগঠনের সাবেক নেতা এবং এই অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের অন্যতম অর্থ যোগানদাতা। তদন্তে পাওয়া প্রাথমিক তথ্য প্রমাণ অনুযায়ী, ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারি রমনা পার্কের পাশে হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টাল সংলগ্ন এলাকায় আসামিরা রাষ্ট্রের সার্বভৌমত্ব বিপন্ন করা এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টির উদ্দেশ্যে এক গোপন ষড়যন্ত্রমূলক মিটিংয়ে মিলিত হয়েছিলেন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে আসামিরা পালিয়ে গেলেও পরবর্তীতে তদন্তে ফাহিমের সংশ্লিষ্টতা বেরিয়ে আসে।

গত ২৯ মার্চ বিকেলে রাজধানীর মিরপুর চিড়িয়াখানা এলাকা থেকে সাধারণ জনতা ও একদল শিক্ষার্থী ফাহিমকে আটক করে শাহ আলী থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করে। পরবর্তীতে তাকে গুলশান থানায় হস্তান্তর করা হয় এবং ৩০ মার্চ জুলাই আন্দোলন সংশ্লিষ্ট একটি হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে কারাগারে পাঠানো হয়েছিল। বর্তমান সন্ত্রাস বিরোধী আইনের মামলাটি অত্যন্ত স্পর্শকাতর ও চাঞ্চল্যকর হওয়ায় সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তাকে পুনরায় গ্রেপ্তার দেখানো জরুরি বলে আদালতকে জানিয়েছেন তদন্ত কর্মকর্তা।


নির্বাচিত

আবু সাঈদ হত্যা মামলার ৮০৯ পৃষ্ঠার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের প্রথম শহীদ আবু সাঈদ হত্যার ঘটনায় দায়ের করা মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলার পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশিত হয়েছে। রোববার (১৪ জুন) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এই ৮০৯ পৃষ্ঠার বিশদ রায় প্রকাশ করেন। এই রায়ে রংপুর বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের (বেরোবি) সাবেক ভিসি হাসিবুর রশীদসহ ৩০ জন আসামির সাজার সপক্ষে ট্রাইব্যুনালের পর্যবেক্ষণ, আইনি যুক্তি এবং দণ্ড নির্ধারণের বিস্তারিত বর্ণনা তুলে ধরা হয়েছে।

এর আগে গত ৯ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল এই ঐতিহাসিক রায় ঘোষণা করেছিলেন। রায়ে রংপুর মেট্রোপলিটন পুলিশের সাবেক এএসআই আমির হোসেন ও কনস্টেবল সুজন চন্দ্র রায়কে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়। এছাড়া সাবেক সহকারী পুলিশ কমিশনার আরিফুজ্জামান, তাজহাট থানার সাবেক ওসি রবিউল ইসলাম এবং বেরোবির সাবেক ক্যাম্প ইনচার্জ বিভূতি ভূষণ রায়কে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড প্রদান করা হয়েছে।

রায়ে ১০ বছরের সশ্রম কারাদণ্ডপ্রাপ্ত পাঁচজনের মধ্যে রয়েছেন বেরোবির সাবেক ভিসি ড. হাসিবুর রশিদ, সাবেক পুলিশ কমিশনার মনিরুজ্জামান, শিক্ষক মশিউর রহমান ও আসাদুজ্জামান মণ্ডল এবং বেরোবি ছাত্রলীগের সভাপতি পোমেল বড়ুয়া। উল্লেখ্য, এই পাঁচজনই বর্তমানে পলাতক রয়েছেন। ৫ বছরের সাজাপ্রাপ্ত আটজন আসামির মধ্যে রয়েছেন সাবেক অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার শাহ নূর আলম পাটোয়ারী, সাবেক প্রক্টর শরিফুল ইসলাম এবং ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতা।

এছাড়া মামলার অন্য ১১ জন আসামিকে ৩ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে, যাদের মধ্যে বেরোবির কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং ছাত্রলীগের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা রয়েছেন। ট্রাইব্যুনাল বেরোবির প্রক্টর অফিসের চুক্তিভিত্তিক কর্মচারী আনোয়ার পারভেজের হাজতবাসকেই তার সাজার পূর্ণ মেয়াদ হিসেবে গণ্য করেছেন। প্রকাশিত এই পূর্ণাঙ্গ রায়ে আবু সাঈদ হত্যার নৃশংসতা এবং এর নেপথ্যে থাকা প্রশাসনিক ও রাজনৈতিক যোগসাজশের বিষয়গুলো স্পষ্টভাবে ফুটে উঠেছে।


নির্বাচিত

banner close