বুধবার, ১৩ মে ২০২৬
৩০ বৈশাখ ১৪৩৩

জাতীয় নির্বাচনে সিসি ক্যামেরার ব্যবহার চায় ইসি

নির্বাচন কমিশনার রাশেদা সুলতানা। ফাইল ছবি
আপডেটেড
৩০ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৫:৫৮
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৩০ জানুয়ারি, ২০২৩ ১৫:৩৭

আসন্ন দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ভোট কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরার ব্যবহারে নির্বাচন কমিশনের শতভাগ আগ্রহের কথা জানিয়েছেন কমিশনার (ইসি) রাশেদা সুলতানা। অবশ্য সিসি ক্যামেরা ব্যবহার হবে কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে নির্বাচন কমিশনার রাশেদা বলেন, ‘আমাদের হান্ড্রেড পার্সেন্ট (শতভাগ) ইচ্ছা আছে। কমিশন অবশ্যই সিসি ক্যামেরা চায়। যদিও অর্থনীতি এখানে বড় জিনিস। এ বিষয়ে সরকারে সংশ্লিষ্ট পর্যায়ে কোনো আলোচনা হয়নি।’

ইভিএম কেনা বা ব্যবহারের জন্য প্রকল্প পাস করার বিষয় থাকলেও সিসি ক্যামেরার জন্য এমন কিছু লাগে না বলে মনে করেন রাশেদা সুলতানা। এই ইসি বলেন, ‘ওই রকম বিষয় নয়, যদি প্রজেক্ট পাস করতে না হয়...। নির্বাচনী বাজেটের ব্যাপার। সিসি ক্যামেরা বাদ দিয়েছি এমনও সিদ্ধান্ত হয়নি। আমরা আনবোই আনবো, এমন সিদ্ধান্তও হয়নি।’

দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচন হতে আর বছরখানেক আছে উল্লেখ করে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘এই এক বছরের মধ্যে দেশের অর্থনীতির পরিস্থিতি কোনদিকে যায় সেটাও আমরা বুঝতে পারবো। সব মিলিয়ে এটা সিদ্ধান্তের প্রশ্ন।’

‘ভোটে সিসি ক্যামেরা হলে ভালো হয়। আমাদের জন্য ভালো হয়। আপনাদের জন্য ভালো হয়। ভোটারদের জন্য ভালো হয়। সব মিলিয়ে ভালো হয়। আমরা তো চাইবো ভালোটার দিকে, খারাপের দিকে যেতে চাইবো না। কমিশন চাইলে নিজে নিজে তো করতে পারবে না। সবকিছু মিলিয়ে পরিবেশ পরিস্থিতি যদি পারমিট করে আমরা অবশ্যই করবো। যদি না হয়, তাহলে সেটা তো সময় বলবে।’

ইসি রাশেদা বলেন, ‘সিসি ক্যামেরা দিয়ে ভোট করবো কি করবো না এ বিষয়ে আমাদের সিদ্ধান্ত হয়নি। আইনে কোথাও বলা নেই, সিসি ক্যামেরা করতেই হবে। আমরা পরীক্ষামূলকভাবে (ব্যবহার) করেছি। সিসি ক্যামেরার একটা ইফেক্টিভ রেজাল্ট (কার্যকর ফল) আছে। ব্যবহার করতে চাইলে একটা বড় বাজেট লাগবে। তিন শ আসন একটা ম্যানেজমেন্ট বা প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেতে হবে। সেটা কীভাবে করা যায়, আদৌ সম্ভব কি না, করলে কতটুকু করা যায়, এ বিষয় নিয়ে আমরা এক ধরনের আলোচনা করে আসছি।’

ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসনের উপনির্বাচনের স্বতন্ত্র প্রার্থী বিএনপির বহিষ্কৃত নেতা আবু আসিফ আহমেদ নিখোঁজের ঘটনা তদন্তে কমিশন তিন সদস্যের কমিটি করেছে জানিয়ে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘তদন্ত রিপোর্ট আসুক। তারপর কী হবে দেখা যাবে। জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, জেলা নির্বাচন অফিসার, এই তিনজনকে বলেছি তদন্ত করে রিপোর্ট দেবেন। এই ঘটনাটা আসলে কী? সত্যতা কতটুকু।’

‘কমিশন ওখানকার আইন-শৃঙখলা বাহিনীকে নির্দেশ দিয়েছে, অতিদ্রুত যখনই পারো ওনাকে উদ্ধার করো। এটা আমরা নির্দেশ দিয়ে দিয়েছি। ওনাকে তারা উদ্ধার করতে পারবে না, এটা আমরা বিশ্বাস করি না। নির্বাচনের আগেই যদি (উদ্ধার) হয় তাহলে ভালো হয়। কমিশন নিজে গিয়ে তো তাকে ধরে আনতে পারবো না।’

আগামী বুধবার অনুষ্ঠেয় ৬ আসনের উপনির্বাচন প্রসঙ্গে রাশেদা সুলতানা বলেন, ‘নির্বাচনী প্রচার-প্রচারণা প্রার্থীরা তাদের মতো করে গেছেন। ভোটের সব প্রস্তুতি শেষ। ক্যামেরা নেই এবার, আপনারা জানেন। ব্যালটে নয়, ইভিএমে ভোট হবে, মেশিন প্রস্তুত। মেশিন যা দরকার তার চেয়ে দেড়গুণ বেশি দেয়া হয়েছে। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি যতটুকু সম্ভব রক্ষা করার জন্য নির্দেশনা দেয়া আছে। ভোটাররা যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে সে ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

নির্বাচনের ব্যাপারে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোর সঙ্গে কমিশন সমন্বয় করছে বলেও জানান রাশেদা সুলতানা।


হাম সংকটে দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থার হুঁশিয়ারি স্বাস্থ্যমন্ত্রীর

আপডেটেড ১৩ মে, ২০২৬ ১৩:০৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে হামের ভয়াবহ সংক্রমণ পরিস্থিতিকে একটি প্রাকৃতিক দুর্যোগের সঙ্গে তুলনা করে এর পেছনে দায়ী ব্যক্তিদের শনাক্ত ও শাস্তির আওতায় আনার ঘোষণা দিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মোহাম্মদ সাখাওয়াত হোসেন। বুধবার সকালে সচিবালয়ে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন। চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে পোলিও ভ্যাকসিন গ্রহণ উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, হাম পরিস্থিতি অত্যন্ত জটিল হলেও সরকার তা নিয়ন্ত্রণে নিবিড়ভাবে কাজ করছে। তিনি বলেন, “হাম সংক্রমণ পরিস্থিতি প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো হলেও, সরকার এই সংকট অনেকটাই কাটিয়ে উঠতে সক্ষম হয়েছে। বেশির ভাগ জেলাতেই টিকাদান শেষ হয়েছে। বাকি শিশুদেরও টিকার আওতায় আনা হবে।” মন্ত্রী আরও জানান যে, শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে আগামী জুন মাসের মধ্যেই দেশব্যাপী ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল বিতরণ কার্যক্রম শুরু হবে।

বর্তমানে দেশে হামের প্রাদুর্ভাব মারাত্মক আকার ধারণ করেছে এবং সরকারি তথ্য অনুযায়ী মৃত্যুর সংখ্যা ৪০০ ছাড়িয়ে গেছে। এক সময় যে রোগটি প্রায় নির্মূলের পথে ছিল, সেখানে কেন এত প্রাণহানি ঘটছে—এমন প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন যে দুর্যোগ পরবর্তী তদন্তের মাধ্যমে সংকটের প্রকৃত কারণ ও অবহেলার সাথে জড়িতদের খুঁজে বের করা হবে। তাঁর মতে, “হামের এই ভয়াবহ দুর্যোগ কাটিয়ে ওঠার পর, এমন সংকটময় পরিস্থিতির পেছনে কারা দায়ী, তদন্ত করে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার” বিষয়ে সরকার আপসহীন থাকবে।

এদিন ইপিআই কার্যক্রমকে আরও বেগবান করতে সরকারকে ৩ লাখ ৮০ হাজার ডোজ পোলিও ভ্যাকসিন উপহার দেয় চীনা প্রতিষ্ঠান সিনোভ্যাক ফাউন্ডেশন। চিকিৎসকদের মতে, সময়মতো টিকা প্রদানের ঘাটতিই হামের এই মহামারির মূল কারণ। যদিও বর্তমানে ৯৮ শতাংশ শিশুকে টিকার আওতায় আনা হয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে, তবুও পরিস্থিতির দৃশ্যমান উন্নতি না হওয়ায় জনমনে উদ্বেগ বাড়ছে।


প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে চলছে একনেক বৈঠক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে চলছে একনেক সভা। ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভা চলছে।

বুধবার (১৩ মে) সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জনপ্রশাসন সভাকক্ষে এ সভা শুরু হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি সুজন মাহমুদ। তিনি জানান, বৈঠকে বেশ কয়েকটি প্রকল্প নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে।


নির্বিঘ্ন ঈদযাত্রায় ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু

ছবি: সগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে নাড়ির টানে বাড়ি ফেরা মানুষের যাত্রা সহজ করতে ট্রেনের অগ্রিম টিকিট বিক্রি শুরু করেছে বাংলাদেশ রেলওয়ে। আজ বুধবার সকাল ৮টা থেকে পশ্চিমাঞ্চলের ট্রেনগুলোর টিকিট সংগ্রহের সুযোগ পাচ্ছেন যাত্রীরা এবং দুপুর ২টা থেকে শুরু হবে পূর্বাঞ্চলের ট্রেনের টিকিট বিক্রি। টিকিট কালোবাজারি ঠেকাতে এবারও সমস্ত আসনের টিকিট শুধুমাত্র অনলাইনের মাধ্যমে বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রীরা তাদের নির্ধারিত ওয়েবসাইট এবং ‘রেল সেবা’ অ্যাপ ব্যবহার করে ২৩ মে’র টিকিট সংগ্রহ করতে পারছেন। রেলওয়ের ঈদ কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী, পরবর্তী দিনগুলোর টিকিট বিক্রির সূচিও নির্ধারণ করা হয়েছে। সে অনুযায়ী, ২৪ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৪ মে, ২৫ মে’র টিকিট ১৫ মে, ২৬ মে’র টিকিট ১৬ মে এবং ২৭ মে’র টিকিট পাওয়া যাবে ১৭ মে। তবে ২৮ থেকে ৩০ মে’র টিকিট বিক্রির বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে চাঁদ দেখার ওপর নির্ভর করছে।

টিকিট ক্রয়ের ক্ষেত্রে কিছু সুনির্দিষ্ট নিয়মাবলী আরোপ করা হয়েছে। একজন যাত্রী সর্বোচ্চ একবারের প্রচেষ্টায় চারটি টিকিট কিনতে পারবেন। অগ্রিম যাত্রার এসব টিকিট কোনোভাবেই ফেরত বা রিফান্ডযোগ্য হবে না। এদিকে যারা অনলাইন টিকিট পাবেন না, তাঁদের সুবিধার্থে যাত্রার দিন স্টেশন কাউন্টার থেকে মোট আসনের ২৫ শতাংশ স্ট্যান্ডিং টিকিট (উচ্চ শ্রেণি ব্যতীত) বিক্রির ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।


ঢাকায় বজ্রবৃষ্টির আভাস, কমতে পারে দিনের তাপমাত্রা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

রাজধানী ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী অঞ্চলের আবহাওয়ায় আজ মেঘলা ভাব বিরাজ করতে পারে। সেই সাথে বজ্রসহ বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার সকাল ৭টা থেকে পরবর্তী ৬ ঘণ্টার জন্য প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত পূর্বাভাসে জানানো হয়েছে যে, আকাশ আংশিক মেঘলা থেকে অস্থায়ীভাবে পুরোপুরি মেঘাচ্ছন্ন থাকতে পারে। এ সময় দক্ষিণ বা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ১০ থেকে ১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যার ফলে দিনের তাপমাত্রা কিছুটা হ্রাস পেতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের ঝড় সতর্কীকরণ কেন্দ্রের তথ্য অনুযায়ী, আজ ভোরে ঢাকায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল ২৬ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সকাল ৬টায় তা রেকর্ড করা হয়েছে ২৬ দশমিক ৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এ সময় বাতাসে আর্দ্রতার পরিমাণ ছিল ৮৬ শতাংশ। উল্লেখ্য যে, গতকাল রাজধানীতে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৪ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো বৃষ্টিপাত হয়নি। আজ সূর্যাস্ত হবে সন্ধ্যা ৬টা ৩৩ মিনিটে এবং আগামীকাল সূর্যোদয় হবে ভোর ৫টা ১৭ মিনিটে।

সারা দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে আবহাওয়া অফিসের নিয়মিত পূর্বাভাসে বলা হয়েছে যে, আজ সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহ বিভাগের অধিকাংশ স্থানে বৃষ্টি অথবা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এছাড়া ঢাকা ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু এলাকায় অস্থায়ী দমকা বা ঝড়ো হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টিপাত হতে পারে। বিশেষ করে রংপুর, রাজশাহী ও ময়মনসিংহের কিছু স্থানে মাঝারি ধরণের ভারী থেকে ভারী বর্ষণের সতর্কতা জারি করা হয়েছে। তবে বৃষ্টিহীন এলাকায় দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় স্থিতিশীল থাকবে।


রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসির সমর্থন চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রোহিঙ্গা সমস্যার স্থায়ী ও টেকসই সমাধানে ইসলামি সহযোগিতা সংস্থা—ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর জোরালো সমর্থন ও সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুরে বাংলাদেশ সচিবালয়ে ঢাকায় নিযুক্ত ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনারদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে এ আহ্বান জানিয়েছেন সরকারপ্রধান।

সাক্ষাৎকালে ওআইসি সদস্যভুক্ত দেশগুলোর পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে অভিনন্দন জানানো হয়।

সদস্য রাষ্ট্রগুলো বাংলাদেশের সঙ্গে বিনিয়োগ, বাণিজ্য, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, টেক্সটাইল ও ওষুধশিল্পসহ বিভিন্ন খাতে সম্পর্ক জোরদারের পাশাপাশি বাংলাদেশের পাশে থাকার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করে।

প্রধানমন্ত্রী তাদের বক্তব্যকে স্বাগত জানিয়ে ওআইসি সদস্য দেশগুলোকে তাদের সমর্থনের জন্য সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ জানান। তিনি শহিদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময়ে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সঙ্গে বাংলাদেশের গড়ে ওঠা ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের কথা স্মরণ করে ভবিষ্যতে তা আরও জোরদারের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

পাশাপাশি জনগণের সঙ্গে জনগণের যোগাযোগ বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। পাশাপাশি রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে ওআইসিভুক্ত দেশগুলোর সমর্থনও প্রত্যাশা করেন তিনি।

এ সময় সৌদি আরব, তুরস্ক, ফিলিস্তিন, আলজেরিয়া, ব্রুনাই, মিসর, ইন্দোনেশিয়া, কুয়েত, মালয়েশিয়া, মালদ্বীপ, মরক্কো, ওমান, পাকিস্তান, কাতার ও সংযুক্ত আরব আমিরাতের রাষ্ট্রদূত ও হাইকমিশনার এবং ইরান, ইরাক ও লিবিয়ার মিশনপ্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, পররাষ্ট্রসচিব মু. ফরহাদুল ইসলাম এবং প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান সেখানে রুমন উপস্থিত ছিলেন।


আন্দোলনকারীদের হত্যার পর হাসিনার কান্নার নাটক ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায়: স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দীন আহমদ বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে আন্দোলনকারীদের হত্যার পর হাসিনার কান্নার নাটক ইতিহাসে কলঙ্কিত অধ্যায় হিসেবে লিখিত থাকবে।

মঙ্গলবার (১২ মে) বেলা ১২টার দিকে জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরের কাজ পরিদর্শনকালে স্পিকার এ মন্তব্য করেন।

স্পিকার হাফিজ উদ্দীন আহমদ বলেন, স্বাধীনতাযুদ্ধ, জুলাই অভ্যুত্থানসহ গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির দীর্ঘদিনের সংগ্রামের ইতিহাস জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘরে স্থান পেয়েছে। আগামী ৫ আগস্টের মধ্যে এ জাদুঘর খুলে দেওয়া হবে বলেও জানিয়েছেন স্পিকার।

স্পিকার জানান, গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির আত্মত্যাগ বিশ্বের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে থাকবে। তারা হাসিমুখে গণতন্ত্রের জন্য জীবন দেয়া বীরদের উদাহরণ।

স্পিকার আরও জানান, জুলাই জাদুঘরে স্থান পেয়েছে গণভবন দখলের চিত্র, শহিদদের পকেটে রাখা চিঠি এবং হাসিনার খুনের নির্দেশের কল রেকর্ডসহ গণতন্ত্রের জন্য বাঙালির দীর্ঘ আন্দোলনের নানা চিত্র।


প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও এভাবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে এসেছিলেন: পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে হেঁটেই অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনে গিয়েছিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। কোনো প্রধানমন্ত্রীর ক্যাম্পাসে নির্বিঘ্নে এভাবে হেঁটে আসার নজিরও এই প্রথম। এ বিষয়ে পানিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন আজাদ গণমাধ্যমকে বলেছেন, শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানও এভাবেই ঢাবি ক্যাম্পাসে এসেছিলেন।

মঙ্গলবার (১২ মে) দুপুর ১২টার কিছু আগে প্রধানমন্ত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবন থেকে বের হয়ে সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনের উদ্দেশে হাঁটতে শুরু করেন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে আমিও ছিলাম। এটা বাংলাদেশের ইতিহাসে তো বটেই, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে এই প্রথম কোনো সরকার প্রধান বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নির্বিঘ্নে হেঁটে অনুষ্ঠানে এসেছেন। এটা বিরল ঘটনা।

অতীতে আমরা দেখেছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে কোনো সরকার প্রধান এলে, কোনো প্রধানমন্ত্রী এলে—প্রতিবাদ হয়েছে, পক্ষে-বিপক্ষে স্লোগান হয়েছে, সংঘর্ষের ঘটনারও দৃষ্টান্ত রয়েছে। কিন্তু আজ সেরকম কোনো দৃশ্য নেই। হাজারো শিক্ষার্থী প্রধানমন্ত্রীকে দেখে হুমড়ি খেয়ে পড়ার মতো অবস্থা হয়েছে। স্লোগান হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানিয়েছে। কেউ কেউ দূর থেকে হাত নেড়ে স্বাগত জানিয়েছেন।

শিক্ষার্থীরা এভাবে প্রধানমন্ত্রীকে হেঁটে যেতে দেখে করতালি দেয়, অনেকে স্লোগানও দেয়।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সমাজিক বিজ্ঞান অনুষদ ভবনে অধ্যাপক মুজাফফর আহমদ চৌধুরী মিলনায়তনের দেড়শ শিক্ষার্থীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। অডিটোরিয়ামে স্থান না পেয়ে অনেক শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের বিভিন্ন স্থানে মোবাইলে লাইভে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে মতবিনিময় অবলোকন করেছে।


গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতাভিত্তিক শিক্ষায় জোর দিতে হবে: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১২ মে, ২০২৬ ২২:৫৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের উচ্চশিক্ষায় গবেষণা, উদ্ভাবন ও দক্ষতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে বিশ্বমানের পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, শুধু পুঁথিগত শিক্ষার মাধ্যমে বর্তমান বিশ্বের প্রতিযোগিতায় টিকে থাকা সম্ভব নয়। শিক্ষাব্যবস্থা বাস্তবমুখী, কর্মমুখী ও প্রযুক্তিনির্ভর করতে না পারলে ভবিষ্যতের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা কঠিন হয়ে পড়বে।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে’ ট্রান্সফর্মিং হাইয়ার এডুকেশন ইন বাংলাদেশ: রোডম্যাপ টু সাসটেইনেবল এক্সিলেন্সি’ শীর্ষক কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেছেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একবিংশ শতাব্দীতে শিক্ষা, গবেষণা ও জ্ঞানের উৎকর্ষ অর্জনের ক্ষেত্রে বিশ্বসেরা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর তালিকায় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবস্থান এখনো প্রত্যাশিত পর্যায়ে পৌঁছাতে পারেনি। আন্তর্জাতিক মূল্যায়নে গবেষণা প্রকাশনা, জ্ঞানচর্চা, উদ্ভাবন ও গবেষণার উদ্ধৃতিকে বিশেষ গুরুত্ব দেয়া হয়। সে কারণে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সক্ষমতা আরো বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, শুধু সনদনির্ভর শিক্ষা দিয়ে চলবে না। গবেষণা ও উদ্ভাবনকে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার মূলধারায় নিয়ে আসতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় পিছিয়ে পড়ার ঝুঁকি থাকবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণা ও উদ্ভাবন কার্যক্রমে সরকারি সহায়তার পাশাপাশি সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততার ওপরও গুরুত্ব দেন প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থীরা গবেষণা ও উদ্ভাবনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছেন। দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সাবেক শিক্ষার্থীদেরও শিক্ষা ও গবেষণার উন্নয়নে এগিয়ে আসতে হবে।

তিনি বলেন, উচ্চশিক্ষাকে আরও বাস্তবমুখী করতে সরকার শিক্ষানবিশ কার্যক্রম, ইন্টার্নশিপ এবং শিল্পপ্রতিষ্ঠান ও বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সমন্বয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। বিভাগীয় শহরের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সঙ্গে স্থানীয় শিল্প ও ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সংযোগ গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে। এর ফলে শিক্ষার্থীরা তাত্ত্বিক জ্ঞানের পাশাপাশি হাতে-কলমে অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয় পর্যায়ে নতুন ব্যবসায়িক ধারণাকে উৎসাহিত করতে প্রতিযোগিতার মাধ্যমে প্রাথমিক অর্থায়ন ও উদ্ভাবনী অনুদান দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হচ্ছে। এর লক্ষ্য ক্যাম্পাস থেকেই উদ্যোক্তা তৈরি করা এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করা।

তিনি আরো জানান, উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোতে উদ্ভাবন ও উদ্যোক্তা উন্নয়ন ইনস্টিটিউট এবং বিজ্ঞান পার্ক গড়ে তোলার পরিকল্পনা রয়েছে। পাশাপাশি দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানের সহযোগিতায় বিজ্ঞান মেলা, উদ্ভাবনী মেলা ও পণ্য প্রদর্শনীর মতো আয়োজন উৎসাহিত করা হবে।

বক্তব্যে চতুর্থ শিল্প বিপ্লবের বিষয়টিও গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, রোবট প্রযুক্তি, স্বয়ংক্রিয় প্রযুক্তি, জিন প্রকৌশল, জীবপ্রযুক্তি, সাইবার নিরাপত্তা, কোয়ান্টাম কম্পিউটিং ও বৃহৎ তথ্যভান্ডারভিত্তিক প্রযুক্তি বিশ্বব্যবস্থা ও কর্মসংস্থানের ধরন দ্রুত বদলে দিচ্ছে।

তিনি বলেন, শিক্ষা এখন আর শুধু স্কুল, কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডিতে সীমাবদ্ধ নেই। বিভিন্ন বিষয়ের সমন্বয়ে নতুন জ্ঞানের ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে। তাই পরিবর্তিত বাস্তবতার সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলতে হবে।

তারেক রহমান বলেন, সীমিত সম্পদ থাকা সত্ত্বেও বাংলাদেশের তরুণরা অত্যন্ত মেধাবী। সঠিক সুযোগ ও পরিবেশ নিশ্চিত করা গেলে তাদের পক্ষেও বিশ্বমানের সাফল্য অর্জন সম্ভব।


বিএনপি-জামায়াতের মত নিয়েই বাণিজ্যচুক্তি হয়: সাবেক উপদেষ্টা ফরিদা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপি–জামায়াতসহ রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নিয়েই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি হয়েছিল বলে জানিয়েছেন ওই সরকারের মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। মঙ্গলবার দুপুরে রাজধানীতে জাতীয় প্রেসক্লাবে নয়াকৃষি আন্দোলন ও উবিনীগের (উন্নয়ন বিকল্পের নীতিনির্ধারণী গবেষণা) আয়োজনে হাওরে বোরো ধান বিপর্যয় ও জলবায়ু পরিবর্তনে করণীয় নির্ধারণ বিষয়ে আলোচনায় এ কথা জানিয়েছেন তিনি।

সাবেক অন্তর্বর্তী সরকারের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেন, নির্বাচনের ৩ দিন আগে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের বাণিজ্যচুক্তি করা হলেও বিএনপি–জামায়াতসহ বিরোধী দলগুলোর মতামত নিয়েই তা করা হয়েছিল। এ কারণে তারা কেউ এখন এ চুক্তির বিরুদ্ধে কিছু বলছে না। চুক্তি অনুযায়ী চাইলে চুক্তিটি বাতিল ও সংশোধন করা যাবে।

তিনি বলেন, তবে সবার দাবি তোলা উচিত, এ চুক্তি নিয়ে যেন সংসদে আলোচনা করা হয়। দাবি করা উচিত, চুক্তিটি অবশ্যই সংসদে উত্থাপন করতে হবে। সেখানে আলোচনা করে জনগণের সম্মতি নিয়ে যেন এটা করা হয়।

গত ৯ ফেব্রুয়ারি সংসদ নির্বাচনের তিনদিন আগে বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে পারস্পরিক বাণিজ্যচুক্তি (অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড—এআরটি) সই হয় গত ৯ ফেব্রুয়ারি। এ নিয়ে বেশকিছু দিন ধরে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।


বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই: শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নতুন কারিকুলাম ও আউট লার্নি নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন বলেছেন, আগে বিদেশ থেকে শিক্ষকরা এসে পড়াতেন, শিক্ষার্থীরা আসতেন। এখন কিন্তু সে পর্যায়ে নেই। এখন দেশে ১১৬টি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়। ওপেন ইউনিভার্সিটি রয়েছে। তবে এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার মান সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা নেই। তাই শিক্ষাব্যবস্থা আবারও ঢেলে সাজাতে হবে।

মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে আয়োজিত ‘বাংলাদেশে উচ্চ শিক্ষা রূপান্তর: টেকসই উৎকর্ষতার রোডম্যাপ’ শীর্ষক জাতীয় কর্মশালায় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেছেন।

পাবলিক ইউনিভার্সিটি বেড়ে ৫৭টিতে দাঁড়িয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা কোয়ান্টিটিতে অনেক এগিয়ে গেছি। কোয়ালিটিতে কতটুকু পেরেছি, আমরা জানি না। তাই নীড বেসিস এডুকেশন নিয়ে ভাবতে হবে।


৩৬৯ কোটি টাকায় ২ কোটি লিটার পাম অয়েল কিনবে সরকার

আপডেটেড ১২ মে, ২০২৬ ২২:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

ট্রেডিং করপোরেশন অব বাংলাদেশের (টিসিবি) কার্ডধারী স্বল্প-আয়ের মানুষের জন্য ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অয়েল কেনার প্রস্তাবে অনুমোদন দিয়েছে সরকারি ক্রয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি। এতে ব্যয় হবে ৩৬৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা। স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র (জাতীয়) পদ্ধতিতে এই তেল কেনা হবে।

মঙ্গলবার সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সম্মেলন কক্ষে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় কমিটির সদস্য ও উর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সভা সূত্রে জানা গেছে, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীন টিসিবির কার্ডধারী নিম্ন আয়ের ১ কোটি পরিবারের কাছে ভর্তুকি মূল্যে বিক্রির লক্ষ্যে ২ কোটি লিটার পরিশোধিত পাম অলিন (২ লিটার পেট বোতলে) ক্রয়ের জন্য স্থানীয়ভাবে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতিতে দরপত্র আহ্বান করা হলে ২টি দরপ্রস্তাব জমা পড়ে। সবগুলো প্রস্তাবই টিইসি কর্তৃক গ্রহণযোগ্য বিবেচিত হয়।

দরপ্রস্তাবগুলো যাচাই-বাছাই করে সব প্রক্রিয়া শেষে টিইসি কর্তৃক সুপারিশকৃত সর্বনিম্ন দরদাতা প্রতিষ্ঠান সোনারগাঁও সীডস ক্রাশিং মিলস লি. ঢাকাকে এই পাম অলিন তেল সরবরাহের কাজটি দেওয়া হয়।

টিসিবির গুদাম পর্যন্ত পরিবহন খরচসহ প্রতি লিটার পাম অলিনের দাম পড়বে ১৮৪ টাকা ৪৫ পয়সা।

২০২৫-২৬ অর্থবছরে ভোজ্যতেল ক্রয়ের লক্ষ্যমাত্রা ২৩ কোটি লিটার। এ পর্যন্ত ক্রয় চুক্তি হয়েছে ৬ কোটি ৬০ লাখ ৫৩ হাজার ৭৭৮ লিটার।


বিজয় দিবসে চালু হচ্ছে থার্ড টার্মিনাল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ১৬ ডিসেম্বর হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনাল চালুর পরিকল্পনা করছে সরকার। বর্তমানে টার্মিনাল চালুর প্রস্তুতি শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা।

মঙ্গলবার (১২ মে) সচিবালয়ে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এভিয়েশন ট্যুরিজম জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (বাটজা)-এর নেতাদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি এ কথা জানান।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, নতুন টার্মিনাল চালু হলে যাত্রীসেবার মান বাড়বে, পাশাপাশি ইমিগ্রেশন, লাগেজ হ্যান্ডলিং ও বোর্ডিং প্রক্রিয়ায় গতি আসবে। এতে আন্তর্জাতিক যাত্রী পরিবহন সক্ষমতাও উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি পাবে।

মন্ত্রী জানান, যাত্রীচাহিদা বৃদ্ধি ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের বিষয় বিবেচনায় রেখেই বহর বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। নতুন উড়োজাহাজ যুক্ত হলে ফ্লাইট পরিচালনায় সক্ষমতা বাড়বে এবং সেবার মানও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

আফরোজা খানম রিতা বলেন, ‘আমরা মিক্সড ফ্লিটের কথা ভাবছি। চলতি বছরের মধ্যেই অন্তত পাঁচটি উড়োজাহাজ লিজ নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরো বলেন, দেশের বিমান ও পর্যটন খাতকে আরো আধুনিক, নিরাপদ ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন করে গড়ে তুলতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ বাস্তবায়ন করছে। এ খাতের ইতিবাচক দিকগুলো দেশ-বিদেশে তুলে ধরতে সাংবাদিকদের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।


নিজেদের জ্বালানি থাকতে বিদেশ থেকে আমদানি নয়: বিদ্যুৎমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর প্রতিনিধি

ফ্যাসিস্ট সরকার দীর্ঘ ১৭ বছর দেশীয় সম্পদকে অবহেলা করে জ্বালানি আমদানি নির্ভরতার ব্যবস্থা করেছিল বলে মন্তব্য করেছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, ‘জনগণের যে সম্পদ আছে সেই সম্পদ আহরণ করতে চাই এবং দেশের উন্নতির জন্য সবচেয়ে আগে দরকার জ্বালানি। আমাদের নিজেদের জ্বালানি থাকতে আমরা বিদেশ থেকে কেন আমদানি করব?

গতকাল মঙ্গলবার দুপুরে দিনাজপুর বড়পুকুরিয়া কয়লাখনি মিলনায়তনে স্থানীয় সংসদ সদস্য, কয়লা খনি, তাপ বিদ্যুৎকেন্দ্র এবং মধ্যপাড়া পাথর খনির কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রে ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমরা আলোচনা করেছি, একটি সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন, জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, হুইপ আক্তারুজ্জামান মিয়া, দিনাজপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য এ জেড এম রেজওয়ানুল হক, দিনাজপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম ও জেলা প্রশাসক রফিকুল ইসলাম প্রমুখ।

সফরসূচির অংশ হিসেবে মন্ত্রী মধ্যপাড়া গ্রানাইট মাইনিং কম্পানি পরিদর্শন শেষে বিকেল ৩টায় বড়পুকুরিয়া খনি শ্রমিকদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা করার কথা রয়েছে।


banner close