সোমবার, ২৫ মে ২০২৬
১১ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩

স্বাধীনতা পুরস্কারের তালিকায় ১০ ব্যক্তি-প্রতিষ্ঠান

স্বাধীনতা পুরস্কার
আপডেটেড
৯ মার্চ, ২০২৩ ২০:৫০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৯ মার্চ, ২০২৩ ১৯:৫২

জাতীয় পর্যায়ে গৌরবোজ্জল ও কৃতিত্বপূর্ণ অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে এবার ৯ জন বিশিষ্ট ব্যক্তি এবং একটি প্রতিষ্ঠানকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেবে সরকার। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ বৃহস্পতিবার রাতে সর্বোচ্চ রাষ্ট্রীয় এই সম্মাননার জন্য চূড়ান্তভাবে মনোনীতদের এই তালিকা প্রকাশ করেছে।

এ বছর স্বাধীনতা ও মুক্তিযুদ্ধে অবদান রাখার জন্য বীর মুক্তিযোদ্ধা কর্নেল (অব.) সামসুল আলম, প্রয়াত লেফটেন্যান্ট এ জি মোহাম্মদ খুরশীদ, শহিদ খাজা নিজামউদ্দিন ভূইয়া ও মোফাজ্জল হোসেন চৌধুরী মায়া বীর বিক্রমকে স্বাধীনতা পুরস্কার দেয়া হবে।

অন্যদিকে সাহিত্যে অবদান রাখার জন্য স্বাধীনতা পুরস্কার পাচ্ছেন প্রয়াত ড. মুহাম্মদ মইনুদ্দিন আহমেদ (সেলিম আল দীন), সংস্কৃতিতে অবদানের জন্য পবিত্র মোহন দে, ক্রীড়ায় এ এস এম রকিবুল হাসান এবং গবেষণা ও প্রশিক্ষণে নাহিদা জাহান (সুরমা জাহিদ) ও ড. ফিরদৌসী কাদরী।

এ ছাড়া সমাজসেবা বা জনসেবায় অবদানের জন্য এ বছর সর্বোচ্চ এই রাষ্ট্রীয় সম্মাননা পাবে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স।

বাংলাদেশের স্বাধীনতা সংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধে গৌরবোজ্জ্বল ভূমিকা, অসামান্য আত্মত্যাগ ও অসাধারণ অবদানের জন্য যারা চিরস্মরণীয় হয়ে আছেন এবং শিক্ষা-সংস্কৃতি, শিল্প-সাহিত্য, বিজ্ঞান-প্রযুক্তি ও জনকল্যাণসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে যারা দেশ ও সমাজকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন, তাদের সম্মান জানাতে সরকার ১৯৭৭ সাল থেকে প্রতি বছর এ পুরস্কার দিয়ে আসছে।

পুরস্কারজয়ী প্রত্যেকে পাবেন ১৮ ক্যারেট মানের পঞ্চাশ গ্রাম ওজনের একটি স্বর্ণপদক, পাঁচ লাখ টাকার চেক ও একটি সম্মাননাপত্র।


ইতোমধ্যেই ২ কোটির বেশি শিশুকে হামের টিকার আওতায় আনা হয়েছে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কুমিল্লা প্রতিনিধি

স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন জানিয়েছেন যে, বাংলাদেশে ইতোমধ্যেই ২ কোটির অধিক শিশুকে প্রতিষেধকের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছে এবং হামের টিকাদান কার্যক্রমে সাফল্যের হার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ১২২ শতাংশে উন্নীত হয়েছে। আজ দুপুরে কুমিল্লা সদর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শনের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এই তথ্য তুলে ধরেন। মন্ত্রী বলেন, ‘প্রথম ধাপে দেশের ১৮টি উপজেলায় হামের টিকাদান ক্যাম্পেইন পরিচালিত হয়েছে।’ এর ফলে সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে রোগ সংক্রমণের প্রকোপ অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, ‘শিশুদের সুরক্ষায় সরকারের প্রধান লক্ষ্য হলো দ্রুত সময়ের মধ্যে শতভাগ টিকাদান নিশ্চিত করা।’

আসন্ন ঈদুল আযহা উপলক্ষে চিকিৎসাসেবার মান নিশ্চিত করতে এদিন সকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও সদর জেনারেল হাসপাতাল পরিদর্শন করেন। তিনি জরুরি সেবা প্রদান, রোগীদের ব্যবস্থাপনা এবং প্রয়োজনীয় ওষুধের পর্যাপ্ততা খতিয়ে দেখেন। এ সময় তিনি বিভিন্ন ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন রোগীদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নেওয়ার পাশাপাশি হাসপাতালের পথ্যের গুণগত মান পর্যবেক্ষণ করেন। মন্ত্রীর এই সফরের সময় কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান, কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক ডা. শাহ জাহান, সহকারী পরিচালক ডা. নিশাত সুলতানা এবং স্থানীয় প্রশাসনের উর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


ঈদুল আজহার প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়, অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী: ডিএসসিসি প্রশাসক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে পবিত্র ঈদুল আজহার প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে সকাল সাড়ে ৭টায়। এতে অংশ নেবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন এবং প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তবে আবহাওয়া প্রতিকূল হলে প্রধান জামাত সকাল ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদে।

সোমবার (২৫ মে) সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে এসব তথ্য জানান ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক মোহাম্মদ আব্দুস সালাম।

তিনি জানান, জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে একসঙ্গে প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারবেন। মুসল্লিদের প্রবেশের জন্য রাখা হবে ৪টি এবং বের হওয়ার জন্য ৭টি গেট।

এছাড়া কোরবানির বর্জ্য ৮ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণের পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, পশুর বর্জ্য ড্রেনে না ফেলে নির্ধারিত স্থানে ফেলতে হবে, যাতে নগর পরিচ্ছন্ন রাখা যায়।


আগামী ৫ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার দেওয়ার প্রতিশ্রুতি এডিবি’র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বৈশ্বিক অর্থনৈতিক চাপ মোকাবিলায় আগামী পাঁচ বছরে বাংলাদেশকে ৫ বিলিয়ন ডলার অর্থ সহায়তা দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি)। সোমবার (২৫ মে) ঢাকায় সফররত এডিবি প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা আনুষ্ঠানিকভাবে এই বিশাল সহায়তার ঘোষণা দেন। এই অর্থ মূলত ‘ইন্টিগ্রেটেড গ্রোথ নেটওয়ার্ক ডেভেলপমেন্ট ইনিশিয়েটিভ’ কর্মসূচির আওতায় ব্যয় করা হবে, যার মূল লক্ষ্য দেশের যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন, নতুন বিনিয়োগ বৃদ্ধি এবং সারা দেশে একটি ভারসাম্যপূর্ণ আঞ্চলিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা।

সফরকালে এডিবি প্রেসিডেন্ট মাসাতো কান্দা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানসহ সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক করেন। এই বৈঠকে বাংলাদেশের বর্তমান উন্নয়ন অগ্রাধিকার, প্রয়োজনীয় অর্থনৈতিক সংস্কার এবং বৈদেশিক অর্থায়নের প্রয়োজনীয়তা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এই বিষয়ে মাসাতো কান্দা বলেন, বাংলাদেশ এখন একটি গুরুত্বপূর্ণ নতুন পর্যায়ে প্রবেশ করছে। এই পরিস্থিতিতে এডিবি দেশটিকে অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা রক্ষা, নতুন প্রবৃদ্ধির উৎস তৈরি এবং আরও বৈচিত্র্যময় ও সহনশীল অর্থনীতি গড়ে তুলতে সার্বিক সহায়তা প্রদান করবে। এই প্যাকেজের আওতায় প্রতি বছর প্রায় ১ বিলিয়ন ডলার করে অর্থ ছাড় করা হবে, যা বাংলাদেশের জন্য এডিবির সার্বভৌম অর্থায়ন কর্মসূচির অংশ হিসেবে যুক্ত হচ্ছে।

বিশ্বের বর্তমান ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি তুলে ধরে এডিবি জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র, ইসরায়েল ও ইরান সংঘাতের প্রভাবে জ্বালানি, তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি), সার ও পরিবহন ব্যয় মারাত্মকভাবে বেড়ে গেছে। এর ফলে আমদানিনির্ভর বাংলাদেশের অর্থনীতি বড় ধরনের চাপে পড়েছে। একই সঙ্গে দেশে মূল্যস্ফীতি উচ্চ পর্যায়ে রয়েছে এবং ব্যাংক খাতে তারল্য সংকটও অব্যাহত আছে। এই মধ্যপ্রাচ্য সংকট ও বৈশ্বিক পণ্যমূল্যের চাপ মোকাবিলায় অর্থায়ন ঘাটতি পূরণের জন্য এডিবি অতিরিক্ত ২৫০ মিলিয়ন ডলার সহায়তাও বাড়িয়ে দিয়েছে।

এডিবি প্রেসিডেন্টের এই সফরকালে ২০২৬ সালের প্রতিশ্রুতি কর্মসূচির আওতায় প্রায় ১ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারের একটি ঋণচুক্তি সই হয়েছে। এই চুক্তির অর্থ দেশের জ্বালানি, পরিবহন, জলবায়ু সহনশীলতা ও সামাজিক উন্নয়ন প্রকল্পে সরাসরি ব্যয় করা হবে।

এছাড়া বাংলাদেশে তাদের বার্ষিক সার্বভৌম অর্থায়নের পরিমাণ ২০ শতাংশ বাড়িয়ে প্রায় ২ বিলিয়ন ডলার থেকে ২ দশমিক ৪ বিলিয়ন ডলারে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সংস্থাটি। এই বাড়তি অর্থ বিনিয়োগনির্ভর প্রবৃদ্ধি, অর্থনৈতিক বৈচিত্র্য, সুশাসন সংস্কার এবং স্বল্পোন্নত দেশের (এলডিসি) তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণের প্রক্রিয়াকে আরও ত্বরান্বিত করবে। বেসরকারি বিনিয়োগ আকর্ষণে পুঁজিবাজার শক্তিশালী করা, নতুন প্রকল্প প্রস্তুত এবং যৌথ অর্থায়ন বাড়াতেও এডিবি সরকারকে নিরলসভাবে সহায়তা করছে।


পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনতে ৩ দেশের সঙ্গে চুক্তি সরকারের

আপডেটেড ২৫ মে, ২০২৬ ১৭:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদেশে পাচার হওয়া টাকা ফেরত আনতে তিনটি দেশের সঙ্গে চুক্তি সম্পন্ন করেছে সরকার। বিএনপি সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে সোমবার (২৫ মে) বিকালে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বক্তব্য দেন এবং অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর স্পিচ রাইটার এস এ এম মাহফুজুর রহমানসহ অন্যান্য উপ-প্রেস সচিবরা উপস্থিত ছিলেন।

সংবাদ সম্মেলনে সরকারের গত ১০০ দিনের বিভিন্ন উন্নয়নমূলক ও জনকল্যাণমুখী কর্মকাণ্ডের খতিয়ান তুলে ধরা হয়। মাহদী আমিন জানান, দেশের বাণিজ্য ও যোগাযোগ ব্যবস্থায় নতুন গতি আনতে টেকনাফ থেকে তেঁতুলিয়া পর্যন্ত ইকোনমিক করিডোর বাস্তবায়নের প্রস্তুতি শুরু হয়েছে।

পাশাপাশি, আগামী ১৬ ডিসেম্বরের মধ্যে উদ্বোধনের লক্ষ্য নিয়ে দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের থার্ড টার্মিনালের কাজ। এছাড়া তরুণদের প্রযুক্তিনির্ভর সেবা দিতে বিমানবন্দর ও ট্রেনে হাই-স্পিড ফ্রি ওয়াই-ফাই চালু এবং বিদেশে উচ্চশিক্ষার জন্য ব্যাংক গ্যারান্টি সুবিধা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। তরুণদের ক্রীড়া প্রতিভা বিকাশে নতুন করে স্পোর্টস ও নতুন কুঁড়ি কার্যক্রমও শুরু করেছে সরকার।

স্বাস্থ্য ও সামাজিক নিরাপত্তা খাতেও সরকার বেশ কিছু দ্রুত ও মানবিক উদ্যোগ নিয়েছে। শতভাগ শিশুকে টিকাদানের আওতায় আনতে হামের নতুন টিকা আনা হয়েছে এবং মাতৃত্বকালীন ছুটি উন্নীত করা হয়েছে। সেই সঙ্গে স্বাস্থ্য খাতে পর্যায়ক্রমে জিডিপির ৫ শতাংশ বরাদ্দ নিশ্চিতের উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

এই মুখপাত্র আরও জানান, জনগণের ভোটে নির্বাচিত বর্তমান সরকারের মন্ত্রিসভা গত ১৭ ফেব্রুয়ারি থেকে ২৪ মে পর্যন্ত মোট ১০টি কেবিনেট সভা সম্পন্ন করেছে। এসব সভায় গৃহীত ৬০টি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের মধ্যে ইতিমধ্যে ৩৭টি সিদ্ধান্ত পুরোপুরি বাস্তবায়িত হয়েছে এবং অবশিষ্ট ২৩টি সিদ্ধান্ত বর্তমানে বাস্তবায়ন প্রক্রিয়ায় রয়েছে, যা সরকারের কার্যকারিতা ও আন্তরিকতার এক উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত।

গণমাধ্যমের স্বাধীনতার প্রসঙ্গে মাহদী আমিন উল্লেখ করেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং বিএনপি চেয়ারপারসন প্রয়াত বেগম খালেদা জিয়ার আমলের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বর্তমান সরকারও সাংবাদিকদের জন্য সর্বোচ্চ স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে কাজ করছে।

তিনি বলেন, এই নজিরবিহীন স্বাধীনতার সুযোগ নিয়ে একটি গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নৈরাজ্য ও অপপ্রচারে লিপ্ত রয়েছে। বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাউদ্দিন আহমদসহ রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা ও অশালীন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে সামাজিক অস্থিতিশীলতা তৈরির অপচেষ্টা চলছে, যা গণতান্ত্রিক পরিবেশ ও রাষ্ট্রীয় শৃঙ্খলার জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর।

তিনি আরও স্পষ্ট করে বলেন, বর্তমান সরকার একদিকে মানবাধিকার, বাকস্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় সম্পূর্ণ সহিষ্ণু ও আন্তরিক, যা গত ১০০ দিনের কর্মকাণ্ডে প্রমাণিত হয়েছে। অন্যদিকে, বাকস্বাধীনতার নামে অপপ্রচার, বিদ্বেষ বা বিষোদ্গারের যে রাজনীতি কিছু মানুষ অপকৌশল হিসেবে বেছে নিয়েছে, তা গণঅভ্যুত্থানের মূল আকাঙ্ক্ষার সাথে সম্পূর্ণ সাংঘর্ষিক।


সরকারের ১০০ দিন পূর্তিতে বিকেলে সংবাদ সম্মেলন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সরকারের ১০০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আজ শনিবার সংবাদ সম্মেলন করবে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং। বিকেল ৩টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘করবী’ হলে সংবাদ সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন। এছাড়াও উপস্থিত থাকবেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন ও প্রেস উইংয়ের সদস্যরা।


সায়েদাবাদে ঈদযাত্রায় উপচে পড়া ভিড় ও বাড়তি ভাড়ার অভিযোগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানী ছাড়তে শুরু করেছে ঘরমুখো মানুষ। আজ সোমবার সকাল থেকেই সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী বাস টার্মিনালে যাত্রী সাধারণের উপচে পড়া ভিড় লক্ষ্য করা গেছে। নাড়ির টানে বাড়ি ফেরার ব্যাকুলতা থাকলেও প্রতিবারের মতো এবারও যাত্রীদের পিছু ছাড়েনি নানা ভোগান্তি। বিশেষ করে যারা আগে থেকে অগ্রিম টিকিট সংগ্রহ করতে পারেননি, তাদের চরম বাসের সংকটের মুখে পড়তে হচ্ছে। যাত্রীদের অভিযোগ, এই সুযোগে প্রতিটি রুটের পরিবহনেই নিয়মিত ভাড়ার চেয়ে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা হচ্ছে।

সকাল থেকেই সায়েদাবাদ এলাকার বাস কাউন্টারগুলোর সামনে শত শত মানুষকে অপেক্ষা করতে দেখা গেছে। দীর্ঘ সময় দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে কাঙ্ক্ষিত বাসের দেখা পাচ্ছেন না। বিশেষ করে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলগামী দূরপাল্লার বাসে যাত্রীপ্রতি ২০০ থেকে ৩০০ টাকা পর্যন্ত বাড়তি ভাড়া আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। যাত্রীরা বলছেন, পরিবহনের টিকিট সংকটকে পুঁজি করে এক শ্রেণির অসাধু পরিবহন সংশ্লিষ্টরা এই বাড়তি মুনাফা লুটে নিচ্ছেন। নিয়মিত মূল্যে টিকিট না পেয়ে অনেককে শেষ পর্যন্ত অতিরিক্ত টাকা দিয়েই গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে হচ্ছে।

অগ্রিম টিকিট না পাওয়া অনেক যাত্রীকে দেখা গেছে চরম ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যের উদ্দেশ্যে রওনা হতে। বড় বাসে সিট না পেয়ে অনেক যাত্রী লোকাল বাসে দাঁড়িয়ে কিংবা বাসের ইঞ্জিনের ওপর বসেই দীর্ঘ পথ পাড়ি দিচ্ছেন। বিশেষ করে বরিশাল ও খুলনাগামী রুটে এই চিত্র সবচেয়ে বেশি দেখা যাচ্ছে। বরিশালগামী যাত্রী জসিম জানান, নিয়মিত ৫০০ টাকার টিকিট এখন ৮০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে। বাড়তি ভাড়া দিয়ে টিকিট সংগ্রহের পরও দীর্ঘ সময় টার্মিনালে বাসের জন্য অপেক্ষা করতে হচ্ছে। যাত্রী পূর্ণ না হওয়া পর্যন্ত গাড়ি ছাড়া হচ্ছে না বলেও অভিযোগ করেন তিনি।

ভাড়ার নৈরাজ্য দেখা গেছে চট্টগ্রাম ও খুলনা রুটেও। যাত্রীদের দেওয়া তথ্যমতে, ঢাকা-চট্টগ্রাম রুটের নন-এসি বাসে নিয়মিত ভাড়া ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা হলেও বর্তমানে ৯০০ থেকে ১০০০ টাকা নেওয়া হচ্ছে। একইভাবে খুলনাগামী বাসে ৭০০ টাকার ভাড়া বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১০০০ টাকায়। নিয়মিত বাসের পাশাপাশি বিএমএফ-এর মতো লোকাল বাসগুলোতেও যাত্রী ঠাসাঠাসি করে নেওয়া হচ্ছে। আসন পূর্ণ হওয়ার পরও দাঁড়িয়ে এবং অতিরিক্ত ভাড়া দিয়ে সাধারণ মানুষকে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে গন্তব্যে পৌঁছাতে হচ্ছে।

সায়েদাবাদ ও যাত্রাবাড়ী এলাকার রাস্তাগুলোতে মানুষের প্রচণ্ড চাপের কারণে যানজটও তৈরি হয়েছে। যাত্রীদের অভিযোগ, প্রশাসনের পক্ষ থেকে নজরদারি থাকলেও ভাড়ার লাগাম টানা সম্ভব হচ্ছে না। নির্ধারিত সময়ে বাস না ছাড়া এবং টার্মিনালে দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষায় থাকার ফলে শিশু ও নারীদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। ঘরমুখো এই মানুষের ভিড় বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আরও বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। এমতাবস্থায় নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ ঈদযাত্রা নিশ্চিত করতে কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন সাধারণ যাত্রীরা।


বন্ধুত্বের নিদর্শন স্বরূপ কুয়েতে ২৪০ টন খাদ্য সহায়তা পাঠাচ্ছে বাংলাদেশ

আপডেটেড ২৫ মে, ২০২৬ ১২:১৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

পশ্চিম এশিয়ার চলমান অস্থিতিশীল আঞ্চলিক পরিস্থিতির মধ্যে বন্ধুত্ব ও সংহতির নিদর্শন স্বরূপ কুয়েতকে ২৪০ টন নিত্যপ্রয়োজনীয় খাদ্যসামগ্রী সহায়তা হিসেবে প্রদান করছে বাংলাদেশ সরকার। গত রবিবার (২৪ মে) কুয়েতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এক আনুষ্ঠানিক আয়োজনের মাধ্যমে এই খাদ্য চালানের প্রতীকী হস্তান্তর সম্পন্ন হয়।

আজ সোমবার (২৫ মে) থেকে পর্যায়ক্রমে বেশ কিছু ফ্লাইটের মাধ্যমে এই সাহায্য কুয়েতে পৌঁছানোর কথা রয়েছে। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির কুয়েতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শেখ জারাহ জাবের আল-আহমেদ আল-সাবাহর উপস্থিতিতে কুয়েতি আমিরের নিকট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের একটি বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পৌঁছে দেন। সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, হরমুজ প্রণালির অস্থিতিশীলতা ও সরবরাহ চেইনে বিঘ্ন ঘটায় কুয়েতের কৌশলগত খাদ্য মজুতকে সুসংহত করতে এই সহায়তা পাঠানো হচ্ছে। শুভেচ্ছা বার্তায় কুয়েতের জনগণের শান্তি ও সার্বিক কল্যাণের প্রত্যাশার পাশাপাশি দুই দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও উচ্চশিখরে নিয়ে যাওয়ার অঙ্গীকার করা হয়েছে। এছাড়া খাদ্য নিরাপত্তা, জনশক্তি, বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও বেসামরিক বিমান চলাচল খাতের উন্নয়নে দুই দেশের মধ্যে পারষ্পরিক সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।


মেট্রোরেলে বয়োজ্যেষ্ঠ ও বিশেষ চাহিদা সম্পন্নদের একক যাত্রায় বিশেষ ছাড়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মেট্রোরেলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে সিনিয়র সিটিজেন (বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক) এবং প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন যাত্রীদের জন্য একক যাত্রা টিকিটে ২৫ শতাংশ বিশেষ ছাড়ের ঘোষণা দিয়েছে ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল)।

সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম সোমবার (২৫ মে) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর ফার্মগেট মেট্রোস্টেশনে উপস্থিত থেকে মেট্রোরেলের বিশেষ ছাড় কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড (ডিএমটিসিএল) সিদ্ধান্ত নিয়েছে যে, এখন থেকে বয়োজ্যেষ্ঠ নাগরিক এবং প্রতিবন্ধী বা বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা মেট্রোরেলে যাতায়াতের ক্ষেত্রে একক যাত্রা টিকিটে ২৫ শতাংশ বিশেষ ছাড় পাবেন। জনকল্যাণমূলক এই উদ্যোগটি সরকারের সিদ্ধান্ত মোতাবেক গ্রহণ করা হয়েছে বলে গত রোববার এমআরটি লাইন-৬ এর উপ-প্রকল্পের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে নিশ্চিত করা হয়।

ছাড় পাওয়ার প্রক্রিয়া সম্পর্কে জানানো হয়েছে যে, ৬৫ বছর বা তদূর্ধ্ব বয়সি সিনিয়র সিটিজেনরা টিকিট কাউন্টারে জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) প্রদর্শন করে বয়স যাচাইয়ের মাধ্যমে এই সুবিধা গ্রহণ করতে পারবেন। একইভাবে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ইস্যু করা ‘সুবর্ণ’ পরিচয়পত্র প্রদর্শন সাপেক্ষে বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন ব্যক্তিরা একক যাত্রা টিকিটের ক্ষেত্রে ২৫ শতাংশ ছাড়ের সুযোগ পাবেন।


ঈদযাত্রায় সরকারের বাড়তি সতর্কতা

 * এবার বাড়ি ফিরবে এক কোটির বেশি কর্মজীবী  * থাকছে বিআরটিএর ১৯ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট 
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঈদুল আজহা উদযাপনে ঘরমুখী মানুষের চিরচেনা স্রোত শুরু হয়েছে। তবে ঈদযাত্রার আসল ধকল ও মূল চাপটি শুরু হবে সোমবার (২৫ মে) থেকে বুধবার পর্যন্ত—এই তিন দিন। এবার এক কোটির বেশি কর্মজীবী মানুষ ঢাকা ছাড়বে। সেই হিসেবে দিনে ঢাকা ছাড়বে ৩৫ লাখ মানুষ। এই আনন্দযাত্রা নির্বিঘ্ন ও নিরাপদ করতে বাড়তি সতর্কতামূলক পদক্ষেপ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে সড়ক, রেল ও নৌপথে রয়েছে বহুমুখী ব্যবস্থা। এগুলো মধ্যে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা, কেন্দ্রীয় নিয়ন্ত্রণ কক্ষ ২৪ ঘণ্টা চালু রাখা, ৬৬টি কুইক রেসপন্স টিম গঠন এবং ঈদের আগে-পরে নৌযানে মালামাল পরিবহন নিষিদ্ধ করা। এছাড়া মহাসড়কগুলোতে অতিরিক্ত পুলিশ ও বিজিবি মোতায়েন, পশুবাহী ট্রাক নিয়ন্ত্রণ, এবং ভাড়া ও চাঁদাবাজি রোধে বিশেষ নজরদারি রাখা হচ্ছে।

ইতোমধ্যে পরিবহন মালিক, শ্রমিক ও যাত্রীদের জন্য একগুচ্ছ বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি)।

এতে বলা হয়েছে, বাসযাত্রার নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী টার্মিনাল থেকে বাস ছাড়তে হবে। যাত্রীদের কাছ থেকে নির্ধারিত ভাড়ার অতিরিক্ত অর্থ আদায় করা যাবে না। যাত্রীদের সঙ্গে দুর্ব্যবহার বা হয়রানি করা যাবে না। একই আসন একাধিক যাত্রীর কাছে বিক্রি করা যাবে না। সিটের অতিরিক্ত যাত্রী বা বাসের ছাদে যাত্রী বহন করা যাবে না।

নির্দেশনায় পণ্য ও পশুবাহী যানবাহনে, বিশেষ করে ফেরার পথে যাত্রী পরিবহন নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

বলা হয়েছে, চালকদের গতিসীমা মেনে গাড়ি চালাতে হবে এবং বেপরোয়া বা অতিরিক্ত গতিতে গাড়ি চালানো যাবে না। ওভারটেকিং নিষিদ্ধ এলাকা, রাস্তার বাঁক ও সরু সেতুতে ওভারটেকিং করা যাবে না। নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবন করে, ঘুমঘুম ভাব নিয়ে কিংবা শারীরিক অসুস্থ অবস্থায় গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ। মালিকপক্ষ কোনো চালককে একটানা ৫ ঘণ্টা এবং দিনে ৮ ঘণ্টার বেশি গাড়ি চালাতে বাধ্য করতে পারবে না।

বৈধ ড্রাইভিং লাইসেন্স ও হালনাগাদ কাগজপত্র ছাড়া গাড়ি চালানো যাবে না। চালক নিয়োগের আগে তার ড্রাইভিং লাইসেন্সের বৈধতা যাচাই করতে হবে। গাড়ি চালানোর সময় মোবাইল ফোন বা ইয়ারফোন ব্যবহার করা যাবে না এবং উচ্চস্বরে গান বাজানোও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। উল্টোপথে গাড়ি চালানো যাবে না।

নির্দেশনায় আরো বলা হয়েছে, সড়কের যত্রতত্র দাঁড়িয়ে বাসে না উঠে নির্দিষ্ট টার্মিনাল বা কাউন্টার থেকে বাসে উঠতে হবে। নিজেদের মালামাল নিজ দায়িত্বে রাখতে হবে এবং বাস ছাড়ার নির্ধারিত সময়ের আগেই কাউন্টার বা টার্মিনালে উপস্থিত হতে হবে। এছাড়া চলন্ত গাড়িতে ওঠানামা করা এবং পণ্যবাহী বা পশুবাহী যানবাহনে যাত্রী হিসেবে ভ্রমণ না করারও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। অপরিচিত কারও দেওয়া খাবার বা পানীয় গ্রহণ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

জরুরি প্রয়োজনে টার্মিনালের পুলিশ কন্ট্রোল রুম বা জাতীয় জরুরি সেবা নম্বর ৯৯৯-এ যোগাযোগ করতে সবার প্রতি আহ্বান জানিয়েছে ডিএমপি।

এদিকে, উত্তরবঙ্গের প্রবেশদ্বার যমুনা সেতু পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কেও বাড়তে শুরু করেছে যানবাহনের চাপ। তবে এই মহাসড়কে যানবাহনের চাপ বাড়লেও কোথাও যানজট দেখা যায়নি। ফাঁকা সড়কে ভোগান্তি ছাড়াই ঘরে ফিরছে মানুষ। রোববার (২৪ মে) বিকাল ৪টা থেকে বিকাল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত কড্ডার মোড়, নলকা, হাটিকুমরুল গোল-চত্বরসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে মহাসড়ক ফাঁকা দেখা যায়।

সরেজমিনে দেখা যায়, যমুনা সেতুর পশ্চিমপাড় সিরাজগঞ্জের মহাসড়কে গত কয়েকদিনের চেয়ে রোববার (২৪ মে) যানবাহনের চাপ কিছুটা বেড়েছে। তবে যানবাহনের চাপ বাড়লেও যানজট বা ধীরগতি না থাকায় স্বাভাবিক গতিতেই চলাচল করছে যানবাহনগুলো। এতে এবার ভোগান্তি ছাড়াই স্বস্তিতে বাড়ি ফিরছেন মানুষ।

হাটিকুমরুল গোলচত্বর এলাকায় বাসচালক সাইদুল ইসলাম বলেন, ‘এই মহাসড়কে যানজট নেই। অতিরিক্ত পুলিশকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। যমুনা সেতু পশ্চিমপাড়ে রাস্তা ফোর লেন চালু হয়েছে। যাত্রীরা ভালো সেবা পাচ্ছে। এখন পর্যন্ত কোনও সমস্যা নেই। আশা করা যাচ্ছে এবার ঈদে সমস্যা হবে না। সমস্যা হলে টাঙ্গাইলের এলেঙ্গায় কিছুটা হবে। সিরাজগঞ্জ অংশে যানজট নেই। সড়ক ফাঁকা।’

হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ওসি মো. ইসমাইল হোসেন বলেন, মহাসড়কে যানবাহনের তেমন একটা চাপ নেই। তবে গত কয়েকদিনের চেয়ে রোববার (২৪ মে) বিকাল ৪টার পর থেকে গাড়ির সংখ্যা কিছুটা বেড়েছে। তবে এখন পর্যন্ত সিরাজগঞ্জ মহাসড়কের কোথাও যানজট বা ধীরগতি সৃষ্টি হয়নি। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে মহাসড়কে যানবাহনের চাপ আরও বাড়বে আশা করা যায়।

তবে স্বস্তির খবর নেই দক্ষিণাঞ্চলে। এবার মৃত্যুফাঁদের মহাসড়ক ধরে ঈদে বাড়ি ফিরছে এ অঞ্চলের মানুষ। এতে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে বাড়ছে দুর্ঘটনা আর হতাহতের সংখ্যা। গত শুক্রবারও (২২ মে) এই সড়কে ট্রাকের ধাক্কায় নিহত হয়েছেন ৩৫ বছরের এক যুবক। দেড় মাসে এভাবে দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা ৬১। পদ্মা সেতু চালুর পর যানবাহনের চাপ শতগুণ বাড়লেও প্রশস্ত হয়নি মহাসড়ক। উপরন্তু বিপদ বাড়াচ্ছে সড়কে থাকা ৩৮টি বিপজ্জনক বাঁক। যেসব বাঁকে প্রায়ই দুর্ঘটনাকবলিত হচ্ছে যানবাহন। সব মিলিয়ে যেন লাশের মিছিল রাজধানীসহ সারাদেশের সঙ্গে দক্ষিণাঞ্চলের যোগাযোগ রক্ষা করা গুরুত্বপূর্ণ এই সড়কে।

নৌপথ বনাম সড়কপথ: রাজধানীসহ সারাদেশের সঙ্গে যোগাযোগ প্রশ্নে লঞ্চই ছিল একসময় বরিশাল অঞ্চলের প্রধান ভরসা। বিভাগের ৬ জেলা আর ৪২ উপজেলা থেকে লঞ্চে ঢাকায় যেত মানুষ। সড়কপথে যোগাযোগ থাকলেও পদ্মা নদীর কারণে বরিশাল থেকে ঢাকায় যেতে লাগত ৮/১০ ঘণ্টা। পদ্মা সেতু চালুর পর সেই সময় নেমে আসে ৩/৪ ঘণ্টায়। অন্যান্য জেলা-উপজেলা থেকেও এখন সড়কপথে কম সময়ে যাওয়া যাচ্ছে ঢাকায়। এতে এই মহাসড়কে বেড়েছে যানবাহন।

যানবাহনের উপচে পড়া চাপ: রোড সেফটি মুভমেন্ট নামে একটি বেসরকারি সংস্থার হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে দৈনিক প্রায় আড়াই লাখ মানুষ যাতায়াত করে ঢাকা-বরিশাল-কুয়াকাটা মহাসড়কে, যা আগের তুলনায় প্রায় দেড়শগুণ। সড়কপথে চলাচলে সময় কম লাগায় নৌপথের তুলনায় পণ্য পরিবহণও বেড়েছে আলোচ্য এই মহাসড়কে। বেড়েছে ট্রাকসহ পণ্য পরিবহনকারী যানবাহনের সংখ্যা।

প্রশস্ততার তীব্র অভাব: মাত্র কয়েক বছরের ব্যবধানে যানবাহন চলাচলের সংখ্যা এভাবে শতগুণ বাড়লেও সেই তুলনায় প্রশস্ত হয়নি মহাসড়ক। ঢাকা থেকে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৬ লেন এক্সপ্রেসওয়ে হলেও ভাঙ্গা-বরিশাল-কুয়াকাটা সড়কটির অধিকাংশ জায়গা এখনো রয়ে গেছে আগের প্রস্থে। কোথাও ১৮ আবার কোথাও বা ২৪ ফুটের বেশি প্রশস্ত নয় সড়ক। পরিস্থিতি এমন যে, নামমাত্র এই মহাসড়কের কিছু কিছু জায়গায় দুটি বাস পাশাপাশি একে অপরকে অতিক্রম করাও হয়ে পড়ে বিপজ্জনক।

ঈগল পরিবহনের বাসচালক সাত্তার মিয়া বলেন, ভাঙ্গা পার হওয়ার পর টেকেরহাট পর্যন্ত মোটামুটি সোজা এই মহাসড়ক। তারপর শুরু একের পর এক বিপজ্জনক বাঁক। কিছু বাঁক আছে উলটো দিক থেকে আসা যানবাহন চোখেই পড়ে না। বিশেষ করে মাদারীপুর থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত এলাকা।

বরিশাল জেলা বাস মালিক গ্রুপের সভাপতি মোশাররফ হোসেন বলেন, ৬ লেন না হলে এই মহাসড়কে যেমন গতি বাড়বে না, তেমনই বন্ধ হবে না মৃত্যুর মিছিল।

সড়ক ও জনপথ বিভাগের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী মাসুদুর রহমান বলেন, ফরিদপুর থেকে বরিশাল হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত ২৩২ কিলোমিটার দীর্ঘ এই মহাসড়কটি ৬ লেনে উন্নীত করার কাজ চলছে। মাদারীপুর অংশের জমি অধিগ্রহণের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বরিশাল থেকে লেবুখালী পায়রা ব্রিজ পর্যন্ত যে অধিগ্রহণ, তাও ১/২ মাসের মধ্যে শেষ হবে। এরপর বাকি থাকে ফরিদপুর অংশ। যতদূর জানি, সেখানকার জমি অধিগ্রহণ শেষ হতে ৩/৪ মাস লাগবে। এগুলো হয়ে গেলেই শুরু হবে মূল প্রকল্পের কাজ। এ প্রকল্প বাস্তবায়নে সরকারের অর্থনৈতিক সম্পর্ক বিভাগে ৩৫ হাজার কোটি টাকার একটি প্রাথমিক উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাব দাখিল করেছি। অর্থ সহায়তা দিতে দাতা সংস্থারও আগ্রহ রয়েছে।

স্বস্তি ফেরাতে প্রশাসনের সার্বিক প্রস্তুতি: বিআরটিএ ও ট্রাফিক পুলিশ: বিআরটিএ-এর ১৯ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও তদারকি দল টার্মিনালগুলোতে সক্রিয় রয়েছে। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে ঢাকা জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক (প্রশাসন) রুহুল আমিন সোহেল জানান, নিয়মিত ফোর্সের পাশাপাশি অতিরিক্ত আরও ৬৫০ জন পুলিশ সদস্য মোতায়েন করা হচ্ছে।

বিজিবি মোতায়েন: পাশাপাশি আইনশৃঙ্খলা রক্ষা ও যানজট নিয়ন্ত্রণে এবার ঈদের ৭ দিন আগে থেকে এবং ঈদের ৩ দিন পর পর্যন্ত সারাদেশে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) মোতায়েন করা হয়েছে। তারা মহাসড়ক, টোল প্লাজা ও ভ্রাম্যমাণ আদালতকে সহায়তা করবে।

ডিজিটাল টোল ব্যবস্থা: এছাড়া ডিজিটাল পেমেন্ট উৎসাহিত করতে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর এবং সেতু বিভাগ ১২টি গুরুত্বপূর্ণ সেতুতে ভিসা ও মাস্টারকার্ডের মাধ্যমে ‘কন্ট্যাক্টলেস’ টোল আদায়ের ব্যবস্থা চালু করেছে।


ঈদুল আজহার ছুটি শুরু  

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ঈদুল আজহা উপলক্ষে সোমবার (২৫ মে) থেকে টানা সাত দিনের ছুটি শুরু হচ্ছে। ফলে, রোববার (২৪ মে) অফিস শেষ করেই ঈদের ছুটিতে গ্রামের বাড়ির উদ্দেশে রওনা হন লাখো চাকরিজীবী। আগামী ২৮ মে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদ উদযাপিত হবে।

ঈদযাত্রা যেন সাধারণ মানুষের জন্য নির্বিঘ্ন ও স্বস্তিদায়ক হয়, সেজন্য আগেভাগেই ছুটির বিষয়টি ঢেলে সাজিয়েছে সরকার। পূর্ব নির্ধারিত ছুটির সঙ্গে মন্ত্রিসভার বিশেষ সিদ্ধান্তে আরও একদিন যুক্ত করায় এবার মোট সাত দিনের লম্বা ছুটি পাচ্ছেন চাকরিজীবীরা।

জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, সোমবার (২৫ মে) থেকে আগামী রোববার (৩১ মে) পর্যন্ত দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে। মূলত ২৮ মে ঈদের মূল ছুটির সঙ্গে আগের ও পরের নির্বাহী আদেশের ছুটি মিলিয়ে এই দীর্ঘ ছুটির তালিকা চূড়ান্ত করা হয়েছে।

এর আগে, ঈদযাত্রা সহজ করতে গত ৭ মে মন্ত্রিসভার বৈঠকে ২৫ মে সাধারণ ছুটি ঘোষণা এবং ২৩ ও ২৪ মে অফিস খোলা রাখার প্রস্তাব অনুমোদন দেওয়া হয়।

তবে ঈদের ছুটিতেও দেশের সব হাসপাতাল ও জরুরি সেবা কার্যক্রম চালু থাকবে। ফলে, এ সেবায় যুক্ত কর্মী, চিকিৎসা সেবায় নিয়োজিত চিকিৎসক ও কর্মীদের সবাই ছুটির সুযোগ পাবেন না।

এছাড়াও এই দীর্ঘ ছুটির মধ্যেও জনগণের ভোগান্তি কমাতে জরুরি সেবা খাতগুলোকে সচল রাখা হচ্ছে।

প্রজ্ঞাপনে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, হাসপাতাল, চিকিৎসাসেবা, ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস, ইন্টারনেট ও ডাক সেবার মতো জরুরি বিষয়গুলো ছুটির আওতামুক্ত থাকবে। একই সঙ্গে জরুরি সেবা সংশ্লিষ্ট যানবাহন ও কর্মীরা ছুটির দিনগুলোতেও নিয়মিত দায়িত্ব পালন করবেন।


নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে সরকার: চিফ হুইপ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, বিদ্যুতে সাবলম্বী হতে সরকার নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে। রোববার (২৪ মে) সংসদে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবস্থাপনা নিয়ে বৈঠক শেষে তিনি এ কথা জানিয়েছেন।

চিফ হুইপ বলেন, বিদ্যুতে সাবলম্বী হতে নবায়নযোগ্য জ্বালানির দিকে ঝুঁকছে সরকার। এরই পদক্ষেপ হিসেবে সংসদ ভবনে সোলার প্যানেল স্থাপন করা হয়েছে। ধীরে ধীরে জেলা-উপজেলা পর্যায়ের সব সরকারি ভবনেও সোলার প্যানেল বসানো হবে।

মো. নূরুল ইসলাম জানান, বিদ্যুতের সমস্যা সমাধানে আগামী অধিবেশনে আলোচনা হবে। সংবিধান সংশোধন কমিটিতে শেষ পর্যন্ত বিরোধী দলও আসবে বলে আশা করি।

তিনি জানান, প্রথম অধিবেশনের ১৬টি বাতিল অধ্যাদেশ পরবর্তী অধিবেশনে আলোচনার বিষয়ে নিশ্চিত নয়। সংসদ চলাকালে যেকোনো অধিবেশনে আইন পাস হতে পারে। বাজেট অধিবেশনে বাজেট আলোচনা প্রাধান্য থাকবে।


মাঠ পর্যায়ের নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যবণ্টন ইসি’র

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নির্বাচন কমিশন (ইসি) সচিবালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা ও সহকারী উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তাদের কার্যবণ্টন করা হয়েছে।

রোববার ইসি সচিবালয়ের উপসচিব (সংস্থাপন) মো. শাহ আলম স্বাক্ষরিত অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের আওতাধীন মাঠ পর্যায়ের অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সহকারী উপজেলা/থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যবণ্টন সংযুক্ত তালিকা অনুযায়ী নির্ধারণ করা হলো।

অতিরিক্ত আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা, অতিরিক্ত জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা, নির্বাচন কর্মকর্তা এবং সহকারী উপজেলা বা থানা নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যবণ্টন তালিকায় রয়েছে- প্রশাসনিক কার্যাবলি, আর্থিক কার্যাবলি, ভোটার তালিকা প্রণয়ন ও হালনাগাদকরণসংক্রান্ত, নির্বাচনসংক্রান্ত কার্যাবলি, জাতীয় পরিচয়পত্রসংক্রান্ত, লজিস্টিক সংগ্রহ, বিতরণ ও সংরক্ষণ এবং অন্যান্য।


পশুবাহী গাড়ি জোর করে নির্দিষ্ট হাটে নেওয়া ঠেকাতে নজরদারিতে র‍্যাব: মহাপরিচালক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

র‌্যাব মহাপরিচালক (ডিজি) অতিরিক্ত আইজিপি মো. আহসান হাবীব পলাশ বলেছেন, ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে কোরবানির পশুবাহী যানবাহন যেন জোরপূর্বক কোনো নির্দিষ্ট হাটে নিতে বাধ্য করা না হয়, সে বিষয়ে র‍্যাব বিশেষ নজরদারি করছে র‌্যাব। রোববার বেলা সোয়া ১১টার দিকে গাবতলী পশুর হাট পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে তিনি এ কথা বলেছেন।

র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, ঈদকে কেন্দ্র করে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে রাজধানীসহ সারা দেশে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। অন্যান্য আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পাশাপাশি র‍্যাবও রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় চেকপোস্ট স্থাপন করেছে। একই সঙ্গে পশুর হাটগুলোতে কন্ট্রোল রুম চালু করা হয়েছে।

তিনি জানান, গবাদি পশু নিরাপদে হাটে পৌঁছানো নিশ্চিত করতে র‍্যাবের ব্যাটালিয়নগুলো নিজ নিজ দায়িত্বপূর্ণ এলাকায় জোরদার টহল পরিচালনা করছে। পাশাপাশি ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে চেকপোস্ট পরিচালনা করা হচ্ছে।

র‍্যাব প্রধান বলেন, ঈদ উপলক্ষে রাজধানীসহ বিভিন্ন শহরে জনসমাগম তুলনামূলক কমে যাওয়ায় পশু ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে বিক্রির টাকা ছিনতাইয়ের ঝুঁকি বাড়ে। এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় র‍্যাবের নিরাপত্তা চৌকি ও টহলের সংখ্যা বাড়ানো হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতাদের ভোগান্তি কমাতে কন্ট্রোল রুম ও ওয়াচ টাওয়ারের মাধ্যমে বিশেষ নজরদারি রাখা হয়েছে। একই সঙ্গে নগদ লেনদেন পরিহার করে ক্যাশলেস বা কার্ডের মাধ্যমে মূল্য পরিশোধে উৎসাহিত করা হচ্ছে। জাল টাকা প্রতিরোধ ও শনাক্তে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম প্রস্তুত রাখার পাশাপাশি জাল টাকা উৎপাদনকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে বলেও জানান তিনি।

র‍্যাব মহাপরিচালক বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঈদ ও কোরবানিকে কেন্দ্র করে গুজব বা বিভ্রান্তিকর পোস্ট প্রচারকারীদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি আরও বলেন, দেশের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে যেকোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড ও অন্যান্য অপরাধ দমনে র‍্যাবের নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা নজরদারি ও অভিযান অব্যাহত থাকবে। এর আগে তিনি গাবতলী পশুর হাট ঘুরে দেখেন এবং ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলেন।


banner close