শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

জাতির পিতার জন্মদিন ও শিশু দিবস আজ

শিশুদের সঙ্গে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান।
আপডেটেড
১৭ মার্চ, ২০২৩ ০০:১৪
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৭ মার্চ, ২০২৩ ০০:০৩

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ১০৩তম জন্মবার্ষিকী আজ। সারা দেশে দিনটি জাতীয় শিশু দিবস হিসেবে উদযাপিত হয়। স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি, বাঙালি জাতির অবিসংবাদিত এই নেতা ১৯২০ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন।

দিবসটি উদযাপন উপলক্ষে দেশের সব সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানসহ সব সরকারি ও বেসরকারি ভবন এবং বিদেশে বাংলাদেশ মিশনসমূহে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে।

বঙ্গবন্ধুর জন্মদিন এবং জাতীয় শিশু দিবস উপলক্ষে টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শ্রদ্ধা জানাবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ উপলক্ষে জাতীয় শিশু সমাবেশ ও তিন দিনব্যাপী বইমেলারও আয়োজন করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত এই জাতীয় শিশু সমাবেশে যোগ দেবেন। এ ছাড়া বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক সংগঠন দিবসটি উপলক্ষে বিস্তারিত কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। সরকারি-বেসরকারি টেলিভিশন ও বেতার এ উপলক্ষে বিশেষ অনুষ্ঠান প্রচার করবে।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৪০ সালে সর্বভারতীয় মুসলিম ছাত্র ফেডারেশনে যোগদানের মাধ্যমে তার রাজনৈতিক জীবন শুরু করেন। ১৯৪৬ সালে তিনি কলকাতা ইসলামিয়া কলেজ (বর্তমানে মওলানা আজাদ কলেজ) ছাত্র ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন।

তিনি ১৯৪৯ সালে তৎকালীন আওয়ামী মুসলিম লীগের পূর্ব পাকিস্তান শাখার যুগ্ম সম্পাদক নির্বাচিত হন। ১৯৫৩ সালে তিনি পার্টির সাধারণ সম্পাদক এবং ১৯৫৪ সালে যুক্তফ্রন্টের টিকিটে ইস্ট বেঙ্গল লেজিসলেটিভ অ্যাসেম্বলির সদস্য নির্বাচিত হন। ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান নেয়ায় বাঙালি জাতির অধিকার আদায়ের লক্ষ্যে আজীবন সোচ্চার এই অবিসংবাদিত নেতাকে রাজনৈতিক জীবনে বহুবার কারাবরণ করতে হয়।

১৯৭০ সালের সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের নিরঙ্কুশ বিজয় অর্জিত হলেও তৎকালীন পাকিস্তানের সামরিক জান্তা ক্ষমতা হস্তান্তর না করে বাঙালি জাতির ওপর নানা নির্যাতন শুরু করে। বঙ্গবন্ধু একাত্তরের ঐতিহাসিক ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের ডাক দেন; যা ইউনেসকোর ইন্টারন্যাশনাল মেমোরি অব দ্য ওয়ার্ল্ড রেজিস্ট্রারে অন্তর্ভুক্তির মাধ্যমে বিশ্বপ্রামাণ্য ঐতিহ্য হিসেবে স্বীকৃতি লাভ করেছে।

অন্যদিকে ২৬ মার্চ (২৫ মার্চ মধ্যরাতে) তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে বাংলাদেশের স্বাধীনতা ঘোষণা করেন এবং তার নেতৃত্বে ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ শুরু হয়। ৯ মাসের রক্তক্ষয়ী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে বাঙালির বহু আকাঙ্ক্ষিত বিজয় ও স্বাধীনতা অর্জিত হয়।

সাম্য, মৈত্রী, স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও বিশ্ব শান্তি প্রতিষ্ঠায় বিরামহীন সংগ্রামে অবদান রাখার জন্য তিনি বিশ্ব শান্তি পরিষদ প্রদত্ত জুলিও কুরি পদকে ভূষিত হন। বিবিসির এক জরিপে তিনি সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ বাঙালি নির্বাচিত হন। যুদ্ধবিধ্বস্ত স্বাধীন বাংলাদেশের জনগণের অর্থনৈতিক মুক্তি অর্জনের লক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু যখন বিভিন্নমুখী কার্যক্রম গ্রহণ করতে শুরু করেন, ঠিক সেই মুহূর্তে স্বাধীনতা যুদ্ধে পরাজিত শক্তি ও কায়েমি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে ঘৃণ্য ষড়যন্ত্র শুরু করে এবং ওই ষড়যন্ত্রেরই অংশ হিসেবে ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট তিনি ধানমন্ডির বাসভবনে কতিপয় বিপথগামী সেনা কর্মকর্তার হাতে পরিবারের অধিকাংশ সদস্যসহ নিহত হন।

দিবসটি উপলক্ষে এক বাণীতে রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধু বাঙালি জাতির চিরন্তন প্রেরণার উৎস। রাজনীতিতে তিনি ছিলেন নীতি ও আদর্শের প্রতীক। বাংলাদেশকে জানতে হলে বাঙালির মুক্তিসংগ্রাম ও মুক্তিযুদ্ধ সম্পর্কে জানতে হবে, বঙ্গবন্ধুকে জানতে হবে। মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর জাতির পিতার আদর্শকে ধারণ করে জাতি এগিয়ে যাক ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ার পথে, নোঙর ফেলুক বঙ্গবন্ধুর ‘সোনার বাংলায়’।

বঙ্গবন্ধুকন্যা ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেন, ‘জাতীয় শিশু দিবসে জাতির পিতার প্রতি শ্রদ্ধা জানানোর পাশাপাশি মহান নেতার জীবন ও আদর্শ অনুসরণে এ দেশের শিশুদের যথাযোগ্য সুনাগরিক হিসেবে গড়ে তোলাই আমাদের সরকারের মুখ্য লক্ষ্য। আমাদের শিশুরাই হবে ২০৪১ সালের মধ্যে স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন পূরণের সারথি। শিশুদের মনে দেশপ্রেম জাগ্রত করে তাদের ব্যক্তিত্ব গঠন, সৃজনশীলতার বিকাশ এবং আত্মবিশ্বাসী করে গড়ে তুলতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।’

দিবসটি উপলক্ষে দুই দিনব্যাপী কর্মসূচি ঘোষণা করেছে আওয়ামী লীগ। দলের দপ্তর সম্পাদক ব্যারিস্টার বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, আজ সকাল সাড়ে ৬টায় বঙ্গবন্ধু ভবন, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয় এবং সারা দেশে সংগঠনের সব কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। সকাল ৭টায় ধানমন্ডি-৩২ নম্বরে ঐতিহাসিক বঙ্গবন্ধু ভবন প্রাঙ্গণে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধার্ঘ্য অর্পণ করবে আওয়ামী লীগ।

এদিকে ১৭ মার্চ সকাল ১০টায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে জাতীয় নেতারা জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করবেন। একই সঙ্গে মিলাদ ও দোয়া মাহফিল এবং শিশু সমাবেশে অংশগ্রহণ করবেন তারা। আগামী রোববার বিকেল ৪টায় রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়েছে। এতে সভাপতিত্ব করবেন দলের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।


নির্বাচিত

পানি বণ্টন চুক্তি পর্যালোচনায় কারিগরি দল গঠন, শিগগিরই দিল্লিকে জানাবে ঢাকা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অভিন্ন নদীর পানি বণ্টনসংক্রান্ত চুক্তি নিয়ে ভারতের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনার লক্ষ্যে একটি বিশেষায়িত কারিগরি দল গঠন করেছে সরকার। গঠিত এই কারিগরি দল অনতিবিলম্বে এ বিষয়ে ভারতকে আনুষ্ঠানিকভাবে অবহিত করবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। শুক্রবার রাতে রাজবাড়ী জেলার কলিমহড় গ্রামে নিজ বাসভবনে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ তথ্য জানান

দেশের সামগ্রিক কৃষি ও মৎস্য উৎপাদন সচল রাখতে নদীগুলোতে প্রয়োজনীয় পানির প্রবাহ নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা। তিনি উল্লেখ করেন, নির্বাচনি প্রতিশ্রুতির অংশ হিসেবে অভ্যন্তরীণ পানিসম্পদের যথাযথ ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটিতে (একনেক) বহুল প্রতীক্ষিত ‘পদ্মা ব্যারেজ প্রকল্প’ অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। এই ব্যারেজ নির্মাণের মাধ্যমে কেবল বিশাল পানির আধারই গড়ে তোলা হবে না, বরং সমান্তরালে বিদ্যুৎ উৎপাদনের স্থায়ী অবকাঠামোও সংযোজন করা হবে।

উজানের পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় এবং দীর্ঘমেয়াদি সমন্বিত পানি ব্যবস্থাপনার গুরুত্ব তুলে ধরে তিতুমীর জানান, বাংলাদেশের ভৌগোলিক কাঠামোর সঙ্গে ৫৪টি আন্তর্জাতিক নদীর আন্তঃসীমান্ত প্রবাহ জড়িত রয়েছে। এই ক্ষেত্রে সরকারের কূটনৈতিক অবস্থানের মূল ভিত্তি হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। আন্তর্জাতিক নদী আইনের পূর্ণ স্বীকৃতি ও বিশ্বজনীন রীতিনীতি অনুসরণের মাধ্যমে ভাটি অঞ্চলের স্বাভাবিক পানি প্রবাহ নিশ্চিত করে সম্পূর্ণ ন্যায়সংগতভাবে জাতীয় স্বার্থ সুরক্ষা করা হবে।


নির্বাচিত

গুমের শিকার ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে শেখ হাসিনা জানতেন: স্পিকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে বলপূর্বক গুমের শিকার ব্যক্তিদের অবস্থান সম্পর্কে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পুরোপুরি অবগত ছিলেন বলে মন্তব্য করেছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ। শনিবার সকালে ভোলার লালমোহন উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে স্থানীয় নাগরিক সমাজ আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ দাবি করেন

স্পিকার উল্লেখ করেন, নিখোঁজ ব্যক্তিদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়ে পরিবারের সদস্যদের আশ্বাস দিলেও শেখ হাসিনা নিজেই জানতেন তাঁদের কোথায় আটকে রাখা হয়েছে এবং এ নিয়ে তিনি বিশ্বমানের অভিনয়ের আশ্রয় নিয়েছিলেন। বিগত সরকারের দীর্ঘ শাসনামলে রাজনৈতিক হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহ চিত্র তুলে ধরে তিনি বলেন, মা ও স্ত্রীর সামনে থেকে স্বামী ও সন্তানকে তুলে নিয়ে নির্মমভাবে হত্যার পর মরদেহ টুকরো টুকরো করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার মতো বর্বরোচিত ঘটনাও ঘটানো হয়েছে। বর্তমানে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে ভুক্তভোগী পরিবারগুলোর দেওয়া জবানবন্দিতে এসব লোমহর্ষক তথ্য প্রকাশ্যে আসছে। বহু স্বজন আজও নিখোঁজ সন্তানের ফিরে আসার প্রতীক্ষায় পথ চেয়ে বসে থাকলেও প্রকৃতপক্ষে তাঁদের অনেককেই আগেই হত্যা করা হয়েছে বলে তিনি জানান।

বিগত ১৭ বছরে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভূমিকার সমালোচনা করে হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সরকারকে সন্তুষ্ট রাখা এবং ব্যক্তিগত স্বার্থ চরিতার্থ করতে পুলিশের বিভিন্ন স্তরের সদস্যরা সাধারণ মানুষের ওপর অবর্ণনীয় নির্যাতন ও নিপীড়ন চালিয়েছেন। ২০২৪ সালের ঐতিহাসিক গণ-অভ্যুত্থানের স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার উত্তাল আন্দোলনের মুখে সাবেক সরকারপ্রধান দেশ ছেড়ে পালানোর পর প্রশাসন ও বিচার বিভাগের অনেক শীর্ষ পদধারীও পালিয়ে যেতে বাধ্য হন। ওই অস্থির সময়ে বিভিন্ন সেনানিবাসে ৬৮৭ জন পুলিশ কর্মকর্তা আশ্রয় গ্রহণ করেছিলেন বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

লালমোহন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. জাফর ইকবালের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই মতবিনিময় সভায় উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শফিকুল ইসলাম বাবুলসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ বক্তব্য রাখেন।


নির্বাচিত

পুলিশের ৫ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাকে বদলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ পুলিশের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও সহকারী পুলিশ সুপার পদমর্যাদার পাঁচ কর্মকর্তাকে নতুন কর্মস্থলে বদলি করা হয়েছে। শনিবার পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মো. আলী হোসেন ফকির স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই প্রশাসনিক পদায়নের আদেশ জারি করা হয়।

জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, অতিরিক্ত পুলিশ সুপারদের মধ্যে কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইশতিয়াক হাসান আমীনকে ঢাকায় পুলিশের বিশেষ শাখায় (এসবি), পাবনার বেড়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. লাবীব আবদুল্লাহকে ট্যুরিস্ট পুলিশে এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নবীনগর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পিয়াস বসাককে শিল্পাঞ্চল পুলিশে বদলি করা হয়েছে। পাশাপাশি সহকারী পুলিশ সুপারদের মধ্যে নওগাঁর সাপাহার সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার শ্যামলী রানী বর্মনকে শিল্পাঞ্চল পুলিশে এবং খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি কার্যালয়ের সহকারী পুলিশ সুপার মো. রাফিউর রহমানকে হবিগঞ্জের মাধবপুর সার্কেলের দায়িত্ব দিয়ে বদলি করা হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়, বদলিকৃত কর্মকর্তাদের আগামী ২২ সেপ্টেম্বরের মধ্যে তাঁদের বর্তমান কর্মস্থলের সার্বিক দায়িত্বভার হস্তান্তর করতে হবে। নির্ধারিত এই সময়সীমার মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তরে ব্যর্থ হলে আগামী ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা তাৎক্ষণিকভাবে স্ট্যান্ড রিলিজ হিসেবে গণ্য হবেন।


নির্বাচিত

আসুন এবার রাষ্ট্রকে আমরা পুনর্গঠন করি : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান শনিবার জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের উন্নয়ন ও রাষ্ট্রের পুনর্গঠনে সকলের সহযোগিতা চেয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বিশেষ করে দেশের তরুণদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘একটা দেশের তরুণ সমাজ যদি দেশকে পরিবর্তন করতে চায় তাহলে করা সম্ভব। আমাদের তরুণ সমাজ যে পরিবর্তন করতে পারে, সেটি ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সারাবিশ্বকে দেখিয়ে দিয়েছে। পরিবর্তনের সূচনা সেখান থেকেই তরুণ সমাজ করেছে।’

তাই তাদের কাছে আমার আহ্বান, ‘আসুন এবার রাষ্ট্রকে, দেশকে আমরা পুনর্গঠন করি। আগামী তিন মাসে আমাদের ডেঙ্গুর সমস্যা আমরা সমাধান করার চেষ্টা করি। হয়তো আমরা শতভাগ পারবো না, কিন্তু অন্তত ৮০ শতাংশ আমরা পারবো।’

আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের উদ্বোধনকালে তিনি এসব কথা বলেন।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগকে সমন্বিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে চলমান থাকবে। ঢাকা কেন্দ্রিক উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও একযোগে এ সচেতনতামূলক ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে।

অনুষ্ঠান প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমি যতটুকু জানি বাংলাদেশের স্কাউটস’র সংখ্যা প্রায় ২৩ লাখ, বিএনসিসি’র সদস্য সংখ্যা ২২ হাজার। এছাড়া প্রাথমিক স্কুল, মাদ্রাসা ছাড়াও সারাদেশে হাই স্কুল, মাদ্রাসা, কলেজ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি। আর প্রাথমিক স্কুল ও এবতেদায়ি মাদ্রাসায় রয়েছে আড়াই কোটি শিক্ষার্থী।

তিনি বলেন, এছাড়া আজ অনলাইনে প্রায় সবগুলো জেলা এখানে কানেক্টেড আছে। গার্লস গাইড, বিএনসিসি স্কাউটস, ভলেন্টিয়ারসহ আপনাদের সবার কাছে আমি একটি সাহায্য চাই। সেটি হলো, এই দেশটাকে আমাদের গড়ে তুলতে হবে। আমরা সবাই আজকে এখানে একত্রিত হয়েছি। আমরা একটি লক্ষ্য নিয়ে একত্রিত হয়েছি। সেটি হলো দেশ গড়ার লক্ষ্য।

তারেক রহমান বলেন, আমরা জানি কিভাবে ডেঙ্গু হয়। ভাঙ্গারি, কাগজপত্র বিভিন্ন জায়গায় পড়ে থাকে, প্লাস্টিক ও মাটির বিভিন্ন জিনিস পড়ে থাকতে দেখা যায়। সেখানে পরি পানি জমে এই ডেঙ্গু বহনকারী এসিড মসার তৈরি হয়। কাজেই আমরা সকলে মিলে চেষ্টা করলে এ অবস্থার পরিবর্তন ঘটাতে পারব।

তিনি বলেন, ‘এই মাঠে আমরা যত মানুষ আজকে উপস্থিত আছি, প্রত্যেকে পানি খাই এবং প্রত্যেকে যদি একটা করে কিছু মাঠে ফেলে দেই এখনে হয়তো কেউ কিছু বলবে না। কিন্তু এই ময়লাগুলা আস্তে আস্তে জমা হয়ে আবর্জন হবে। সেখান থেকে রোগ জীবাণু তৈরি হবে। আপনি বা আপনার প্রিয়জন অসুস্থ হয়ে যাবে।

‘তাই আসুন আমরা নিজেকে সুস্থ রাখি। নিজের পরিবারকে সুস্থ রাখি। নিজের সমাজকে সুস্থ রাখি। নিজের দেশকে আমরা সুস্থ রাখার চেষ্টা করি। এই কাজটা কিন্তু খুব কঠিন না।’

তারেক রহমান বলেন, আজকে হয়তো আপনাদের একটু কষ্ট হবে। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে এক ঘণ্টা যদি আমরা নিজের বাসা, স্কুল, কলেজ বা প্রতিষ্ঠান পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য কাজ করি তাহলে অবশ্যই দ্রুত এই পরিবর্তন আনতে আমরা সক্ষম হবো।

তিনি বলেন, আমরা রাস্তাঘাট দিয়ে যখন যাই দেখি বহু মানুষ অসচেতনভাবে যেখানে সেখানে আবর্জনা ফেলছে। তাদের সচেতন করতে হবে। যারা ময়লা করবে, যারা আবর্জনা তৈরি করবে, আমাদের তাদেরকে নিরুৎসাহিত করতে হবে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ‘তাই কথা একটাই। কাজ, কাজ, আর কাজ। এবং পরিচ্ছন্ন, পরিচ্ছন্ন আর পরিচ্ছন্নতাই হতে হবে আমাদের আগামী দিনের মূল লক্ষ্য।’

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ‘দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন কমিটি'র আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

আরও বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান পার্থ, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ সময় বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীসহ প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ অনলাইনে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যমের পাঠ্যক্রমে সামঞ্জস্য আনা হবে: গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করার লক্ষ্যে বাংলা ও ইংরেজি উভয় মাধ্যমের পাঠ্যক্রমে প্রয়োজনীয় সামঞ্জস্য বিধান করা হবে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী ববি হাজ্জাজ। শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে অক্সফোর্ড একিউএ ইন্টারন্যাশনাল কোয়ালিফিকেশনস আয়োজিত ‘স্কুল লিডারস কনফারেন্স ২০২৬’-এ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি উল্লেখ করেন, শিক্ষার্থীরা যে মাধ্যমেই পড়াশোনা করুক না কেন, তাদের প্রাথমিক জ্ঞান, দক্ষতা ও মেধা বিকাশের ক্ষেত্রে একটি অভিন্ন ও জাতীয় ন্যূনতম মানদণ্ড নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের অপরিহার্য দায়িত্ব।

শিক্ষা খাতের বৈশ্বিক আকাঙ্ক্ষা ব্যক্ত করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা শুধু বিশ্বের সেরা চর্চাগুলো অনুসরণ করতে চাই না, একদিন বাংলাদেশ থেকেই যেন বিশ্বের অন্য দেশগুলো শিক্ষা ব্যবস্থার সেরা চর্চা অনুসরণ করে, এটাই আমাদের স্বপ্ন।’ এই দূরদর্শী রূপকল্প বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন, সময় এবং শ্রম দিতে সরকার প্রস্তুত বলে তিনি জানান। প্রতিষ্ঠানভেদে অবকাঠামোগত কিছু পার্থক্য থাকলেও কারিকুলাম ও শিক্ষার গুণগত মানের ক্ষেত্রে কোনো বড় ধরনের বৈষম্য রাখা গ্রহণযোগ্য নয় বলেও তিনি মন্তব্য করেন।

প্রাথমিক শিক্ষার মৌলিক কাঠামোতে দ্রুত সংস্কার আনার ওপর জোর দিয়ে ববি হাজ্জাজ জানান, শ্রেণিকক্ষের আয়তন অনুযায়ী শিক্ষার্থীর সংখ্যা নির্ধারণ, উপযুক্ত অবকাঠামো নিশ্চিতকরণ, বিদ্যালয়ের কার্যকর পাঠদানের সময় এবং পর্যাপ্ত প্রশিক্ষণ ছাড়া কোনো শিক্ষককে শ্রেণিকক্ষে দায়িত্ব না দেওয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত মানদণ্ড নির্ধারণ করা হবে। আধুনিক শিক্ষাপদ্ধতির প্রসারে ভবিষ্যৎ পাঠ্যক্রমে বাস্তবমুখী কার্যক্রম ও খেলাধুলার মাধ্যমে শেখার ওপর অগ্রাধিকার দেওয়ার পাশাপাশি ইংরেজি মাধ্যম বিদ্যালয়গুলোর কার্যকর লার্নিং ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের (এলএমএস) অভিজ্ঞতা কাজে লাগানোর ইচ্ছা প্রকাশ করেন তিনি। শিক্ষাক্রম সংস্কারে সংশ্লিষ্টদের মতামত নেওয়ার গুরুত্ব তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নতুন কারিকুলাম প্রণয়নের সময় আমরা চাই না কেউ বলুক, তাদের সঙ্গে আলোচনা করা হয়নি। আপনাদের অভিজ্ঞতা ও মতামত নিয়েই আমরা সামনে এগোতে চাই।’

শিক্ষাক্রম, অবকাঠামোগত উন্নয়ন, পেশাগত শিক্ষক প্রশিক্ষণ এবং তথ্যপ্রযুক্তির সমন্বয়ের মাধ্যমে দেশের সরকারি-বেসরকারি সকল শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য সমান সুযোগ ও সমমানের পরিবেশ তৈরিতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। অক্সফোর্ড একিউএ’র বাংলাদেশ ও নেপালের কান্ট্রি ডিরেক্টর শাহীন রেজার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনে বিশেষ অতিথি ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সদস্য অধ্যাপক ড. আবদুল্লাহ আল মামুন। এ ছাড়া ব্রিটিশ হাইকমিশন ও ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রতিনিধি এবং রাজধানীর বিভিন্ন ইংরেজি মাধ্যমের অধ্যক্ষবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

কাঙ্ক্ষিত রাষ্ট্র গঠনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একটি সমৃদ্ধ ও কাঙ্ক্ষিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে দেশপ্রেমিক নাগরিক, ব্যবসায়ী, তরুণ উদ্যোক্তা, গবেষকসহ সমাজের সর্বস্তরের জনসাধারণকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন।

আজ শনিবার সকালে রাজধানী ঢাকায় ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা কামনা করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশ পরিচালনায় সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। তাই আসুন আমরা সকলে মিলে এরকম একটি রাষ্ট্র গড়ে তুলতে কাজ করি, যাতে আমরা আমাদের কাঙ্ক্ষিত সেই রাষ্ট্র গড়ে তুলতে সক্ষম হই।’

অনুষ্ঠানে বক্তাদের দিক-নির্দেশনামূলক বক্তব্যের প্রশংসা করে তারেক রহমান বলেন, ‘পূর্ববর্তী বক্তাগণ এবং বিশেষ করে ডক্টর আনিসুজ্জামান ইনোভেশন নিয়ে তার উপস্থাপন ও বক্তব্যে যে বিষয়গুলো তুলে ধরেছেন, সেগুলোর মধ্য দিয়েই আমাদের আগামী দিনের কর্মপন্থা মোটামুটিভাবে নির্ধারিত হয়ে গেছে। আমরা যদি এসব কর্মপন্থা ধীরে ধীরে বাস্তবায়ন করতে পারি, তবেই আমরা আমাদের নির্ধারিত লক্ষ্যে পৌঁছাতে সক্ষম হব।’

দেশের সার্বিক অগ্রগতিতে উদ্ভাবক ও ব্যবসায়ীদের ভূমিকার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘রাষ্ট্র ও সরকারের বর্তমান প্রয়োজনে উদ্ভাবনী শক্তি নিয়ে সবাইকে এগিয়ে আসতে হবে। সরকার উদ্যোক্তা ও গবেষকদের সর্বাত্মক সহায়তায় সব সময় পাশে থাকবে।’

পরে, প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন ঘোষণা করেন।

অনুষ্ঠানে সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী, দেশি-বিদেশি উদ্ভাবক ও বিভিন্ন পর্যায়ের গবেষকগণ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশীয় উদ্ভাবনকে ল্যাবরেটরি থেকে বাণিজ্যিক উৎপাদনে রূপান্তর এবং সরাসরি বাজারের সঙ্গে যুক্ত করার আহ্বান জানিয়ে ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার ২০২৬’-এর উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সকালে রাজধানীর বিজয় সরণির নভোথিয়েটারে ‘ইনোভেট টু মার্কেট’ প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে তিন দিনব্যাপী এ মেলার উদ্বোধন করেন তিনি।

বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ মেলায় দেশীয় উদ্ভাবক ও উদ্ভাবনী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নীতিনির্ধারক, উদ্যোক্তা, বিনিয়োগকারী, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, আর্থিক প্রতিষ্ঠান ও উন্নয়ন সহযোগীদের একটি টেকসই অংশীদারিত্ব গড়ে তোলার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে।

মেলায় সরকারি-বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান, ৭৩টি পাবলিক ও প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়, স্বতন্ত্র গবেষক, শিক্ষার্থী, নতুন স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পপ্রতিষ্ঠান (এসএমই) এবং বৈশ্বিক বিনিয়োগকারীরা অংশ নিয়েছেন। আয়োজনে প্রযুক্তি, ব্যবসা, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও পরিবেশসহ বিভিন্ন খাতের এক হাজারের বেশি নতুন ও সম্ভাবনাময় উদ্ভাবন প্রদর্শিত হচ্ছে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, তৃণমূল পর্যায়ে বহু সম্ভাবনাময় প্রযুক্তি ও ধারণা তৈরি হলেও নীতি সহায়তা, প্রাথমিক তহবিল ও প্রাতিষ্ঠানিক সহযোগিতার অভাবে তা বাস্তবে রূপ পায় না। প্রশাসনিক ও আর্থিক এসব প্রতিবন্ধকতা দূর করে মেধাস্বত্ব সংরক্ষণ ও বাণিজ্যিক সম্প্রসারণ করাই এ প্রদর্শনীর প্রধান লক্ষ্য।

আগামীকাল মেলার দ্বিতীয় দিনে স্বাস্থ্যসেবা খাত নিয়ে ‘সবার জন্য স্বাস্থ্য উদ্ভাবন: সাশ্রয়ী ও অন্তর্ভুক্তিমূলক স্বাস্থ্যসেবার সুযোগ সম্প্রসারণ’ শীর্ষক এক বিশেষ আন্তর্জাতিক সেশন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রান্তিক জনগণের দোরগোড়ায় কম খরচে মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেয়ার প্রযুক্তি নিয়ে আলোচনা করা হবে। সেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

এই মেলায় কৌশলগত অংশীদার হিসেবে যুক্ত রয়েছে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), পেটেন্ট, ডিজাইন ও ট্রেডমার্কস অধিদপ্তর (ডিপিডিটি), ফরেন চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ (এফআইসিসিআই) এবং কারিগরি অংশীদার হিসেবে রয়েছে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি)।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার’ এ যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর আগারগাঁওয়ের নভোথিয়েটারে আয়োজিত তিন দিনব্যাপী উদ্ভাবনী প্রদর্শনী ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’-এ যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শনিবার সকালে শুরু হওয়া এ আয়োজনে উপস্থিত হয়ে তিনি দেশের তরুণ উদ্ভাবক ও উদ্যোক্তাদের সঙ্গে যুক্ত হন।

মূলত দেশীয় উদ্ভাবনের সঙ্গে রাষ্ট্রীয় নীতি সহায়তা, আধুনিক শিল্পখাত, নতুন বিনিয়োগ এবং বাণিজ্যিক বাজারের কার্যকর সংযোগ স্থাপনের লক্ষ্য নিয়েই ‘বাংলাদেশ ইনোভেশন ফেয়ার-২০২৬’ আয়োজন করা হয়েছে। তিন দিনের এই মেলায় দেশের শতাধিক প্রতিভাবান উদ্ভাবক ও সম্ভাবনাময় স্টার্টআপ প্রতিষ্ঠাতা তাঁদের এক সহস্রাধিক উদ্ভাবন ও প্রযুক্তিগত ধারণা প্রদর্শন করছেন বলে প্রধানমন্ত্রীর ডেপুটি প্রেস সেক্রেটারি-১ জাহিদুল ইসলাম রনি এ তথ্য জানান।


নির্বাচিত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে ৩ মাসব্যাপী অভিযান উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১১:৩০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ডেঙ্গু পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা ও পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সারাদেশে ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় তিন মাসব্যাপী এই অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন তিনি।

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনসচেতনতা বৃদ্ধি, এডিস মশার প্রজননস্থল ধ্বংস, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম জোরদার এবং সরকারি, বেসরকারি ও সামাজিক উদ্যোগকে সমন্বিত করার লক্ষ্যে এই কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।

আজ ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত দেশজুড়ে চলমান থাকবে। ঢাকা কেন্দ্রিক উদ্যোগের পাশাপাশি দেশের সব জেলা ও উপজেলা পর্যায়েও একযোগে সচেতনতামূলক এ পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম চলবে।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন 'দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান বাস্তবায়ন কমিটি'র আহ্বায়ক এবং ঢাকা দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের (ডিএসসিসি) প্রশাসক বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবদুস সালাম।

এছাড়া আরো বক্তব্য দেন স্থানীয় সরকার পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ড. এম এ মুহিত, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

এ সময় প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সিটি কর্পোরেশনের কর্মকর্তা ও পরিচ্ছন্নতাকর্মী, শিক্ষার্থী, বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনের সদস্য এবং গণমাধ্যমকর্মীগণ উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া দেশের সব জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের কর্মকর্তাগণ অনলাইনে এ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যুক্ত ছিলেন।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে।

চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি দেশের সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ মেট্রিক টন। গত ৯ সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে। অর্থাৎ এ সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন।

শুধু মজুত নয়, আগে দেশে খাদ্য মজুতের ধারণ ক্ষমতা (ক্যাপাসিটি) ছিল প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন। তবে বিএনপির বিশেষ উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই ধারণ ক্ষমতা ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

শুধু খাদ্য মজুত বা ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোই নয়, বিএনপি সরকার গঠনের পর নিরাপদ খাদ্য মজুত সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আগে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকলেই তা নিরাপদ সীমা বলে গণ্য করা হত। কিন্তু তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার তা বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টনকে নিরাপদ সীমা বলে স্থির করেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বলছেন, সরকারের খাদ্য বান্ধব নীতির কারণে দেশে বর্তমানে খাদ্য নিয়ে কোনোরকম দুশ্চিন্তা নেই।

খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। মোট মজুতের মধ্যে চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ মেট্রিক টন ও ধান ৩৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন।

ফ্লোটিং মজুতসহ সরকারি খাদ্যশস্যের মজুতের পরিমাণ ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ফ্লোটিং মজুত হিসেবে গম রয়েছে ৬৮ হাজার ৭২৩ মেট্রিক টন।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তির সময়, ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট দেশে চাল ও গম মিলিয়ে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২১ লাখ ৩১ হাজার মেট্রিক টন। সে সময় সরকারি মজুতের মধ্যে চাল ছিল ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টন ও গম ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার টন। সেই তুলনায় বর্তমানে সরকারি খাদ্যশস্যের মোট মজুদ বেড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন।

খাদ্যশস্যের মজুতের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একই সময়ের তুলনামূলক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৩০ মেট্রিক টন।

অর্থাৎ ২০২৪ সালের তুলনায় বর্তমান সরকারি মজুত বেড়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে চলতি বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো সংগ্রহে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে মোট ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এর মধ্যে ধান সংগ্রহ হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ মেট্রিক টন ও আতপ চাল ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৩ মেট্রিক টন।
এছাড়া গম সংগ্রহ করা হয়েছে ৫২৩ মেট্রিক টন।

খাদ্যশস্যের ঘাটতি মোকাবিলা ও মজুত পরিস্থিতি শক্তিশালী রাখতে আমদানি কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন ও বেসরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার উৎপাদন, সংগ্রহ, আমদানি ও মজুত— সব ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে নিয়মিতভাবে মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বর্তমান মজুতের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের চেয়ে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তবে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও খাদ্য গ্রহণের পরিমাণকে বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ খাদ্য মজুত ১৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে সরকারি গুদামগুলোর সামগ্রিক খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু করেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো জানিয়েছে, দেশের বাজারে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত, মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, চলতি মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান সফল ও সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে চাল ও গমের পর্যাপ্ত ও নিরাপদ মজুত রয়েছে। এ মজুত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, জাতীয় চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংরক্ষণ সক্ষমতা সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমন চাষে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে সরকার আশাবাদী। ফলে, বোরো মৌসুমের মত আমন সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার চাইতে বেশি অর্জিত হবে বলে সরকার আশা করছে।

মাহবুবুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গমের মূল্য পর্যায়ক্রমিকভাবে বাড়ছে, ফলে আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে। তবে গমের বিপরীতে বিকল্প হিসেবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সরকার চাল দেওয়ার মত বিকল্প পরিকল্পনা ভেবে রেখেছে। ফলে সরকারের এখন যে অবস্থা, তাতে কোনোভাবেই সংকট বা সমস্যার সম্ভাবনা নেই।

খাদ্য নিয়ে সরকারের কোনও দুশ্চিন্তা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, দেশের বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক।

তিনি বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্যের মজুত নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ সারাদেশে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান ও চালের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন।

জামাল হোসেন বলেন, ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মতো সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সচল রাখতে খাদ্যগুদাম থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।

তিনি বলেন, আগে আমাদের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন ছিল। বর্তমানে তা বেড়ে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

আগামী পাঁচ বছরে সরকারি খাদ্যশস্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর অন্যতম।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশে নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন হিসেবে বিবেচিত হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্য মজুতের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় একটি পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমগ্র দেশবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিন মাসব্যাপী দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যেকোনো ইতিবাচক জাতীয় পরিবর্তনের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে দেশ গড়ার পথে কোনো বাধাই স্থায়ী হতে পারবে না। আগামী তিন মাস ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, রাতারাতি শতভাগ নির্মূল সম্ভব না হলেও সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিবর্তনের নজির তৈরি হয়েছিল, সেই চেতনাকে ধারণ করে সামগ্রিক রাষ্ট্র ও সমাজকে সুন্দরভাবে রূপান্তরের তাগিদ দেন তিনি।

ব্যক্তি ও সমাজের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক নাগরিককে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা সময় নিজ নিজ চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে নিয়োজিত করার অনুরোধ জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ব্যক্তিপর্যায়ের এই ছোট অভ্যাস সামগ্রিক পরিবেশে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্বে অংশ নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী সেখানে স্থাপিত বিভিন্ন তথ্য ও সচেতনতামূলক স্টল ঘুরে দেখেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উল্লেখ্য, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সমস্যা বৈশ্বিক, সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজ নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৭ এর বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মসজিদ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন মন্দিরেও এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা বৈশ্বিক, যার প্রভাব বাংলাদেশেও চলছে। সরকার চেষ্টা করছে এই সমস্যা সমাধানের। দেশের ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে সরকার বলেও জানান তিনি।
দেশবাসীর প্রতি ঐক্যের ডাক দিয়ে তারেক রহমান বলেন, তেল-বিদ্যুতের মতো গ্যাস নিয়ে কিছু অসাধু লোক অবৈধ কাজ করছে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যারা অবৈধ কাজ করবে, অন্যায় করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে কাউকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
বিগত সময়ে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার।
এদিন ঢাকা-১৭ আসন এলাকার ২৮টি মসজিদে ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০টি মন্দিরকে ৩ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে সহযোগিতা এবং শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ)।


নির্বাচিত

শাহজালালে সোয়া কোটি টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৮৬২ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছে এপিবিএন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. নাসির মোল্লা (৪০), সোহাগ শেখ (২৪) ও মো. হাছান মিয়া (২৩)।

এপিবিএন জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশের ফুটপাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন ওই তিনজন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে ৮৬১ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৬০ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ে যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি (১)(বি)/২৫-ডি ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে এপিবিএন সক্রিয় রয়েছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


নির্বাচিত

banner close