শনিবার, ১৩ জুলাই ২০২৪

দূষিত শহরের তালিকায় আজ শীর্ষে ঢাকা

ফাইল ছবি
আপডেটেড
১৯ মার্চ, ২০২৩ ১৫:৩৪
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৯ মার্চ, ২০২৩ ১০:৫৮

বিশ্বের ১০০টি শহরের মধ্যে বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে শীর্ষে উঠে এসেছে ঢাকা। সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে রোববার সকাল ৮টা ৩৮ মিনিটে ১৯৯ স্কোর নিয়ে রাজধানীর এ অবস্থানে উঠে আসে।

তালিকায় ওই সময় ১৮২ স্কোরে দ্বিতীয় অবস্থানে ছিল ভারতের দিল্লি। এ ছাড়া দক্ষিণ কোরিয়ার ইনচিওন তৃতীয়, মিয়ানমারের ইয়াঙ্গুন চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের করাচি।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো না কি, ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

উল্লিখিত সময়ে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৯৯। এর মানে হলো সে সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।


জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চান পরিবেশমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর চাহিদার প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনওর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল আমিনা জে মুহাম্মদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আহ্বান জানান।

আজ শনিবার ঢাকায় প্রাপ্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা অনুপ্রবেশ এবং হিমবাহ গলনের মতো বিষয়গুলো অস্তিত্বের সংকট। এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ডেপুটি সেক্রেটারি-জেনারেল বিশ্বব্যাপী লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা স্বীকার করেন বিশেষকরে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের ক্ষেত্রে এর দৃঢ় অগ্রগতি সতর্কতা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদাহরণ। দেশের দুর্যোগের প্রস্তুতি এবং সহিষ্ণুতা অন্যান্য জাতির জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করছে। বৈঠকে উপমহাসচিব এবং মন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বিধ্বংসী প্রভাব, চলমান সংঘাত এবং অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এই বাধা অতিক্রম করতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো মোকাবিলা করতে এবং তাদের সবুজ পরিবর্তনকে সমর্থন এবং আরও তহবিল সুরক্ষিত করার জন্য জলবায়ু আলোচনায়, বিশেষকরে কনফারেন্স অফ পার্টিগুলোতে কীভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বরকে প্রসারিত করা যায় তাও তারা আলোচনা করেন।

এর আগে সাবের হোসেন চৌধুরী জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এডমিনিস্ট্রেটর আচিম স্টেইনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন। স্টেইনার বাংলাদেশের নির্দিষ্ট চাহিদার ভিত্তিতে তার জলবায়ু প্রতিশ্রুতি পূরণে ইউএনডিপির অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন।

এ সময় সাবের হোসেন চৌধুরী টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের অফিসের (ইউএনওএসডি) প্রধান চুন কিও পার্কের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন এবং প্রাসঙ্গিক জাতীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসঅহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


শিশুশ্রম বন্ধে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ রয়েছে

ঢাকার তেজগাঁওয়ে আজ বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত শিশুশ্রম প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও শিশুশ্রম বন্ধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) অনুষ্ঠিত শিশুশ্রম প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করে চলেছে। শিশুশ্রম বন্ধে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ রয়েছে, যার মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বিভিন্ন কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিয়মিত পরিদর্শনের পাশাপাশি বিশেষ পরিদর্শন, আকস্মিক পরিদর্শন, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম পরিচালিত করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় এমনকি মাঠ পর্যায়েও সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, দপ্তর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন কমিটি শিশুশ্রম নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। এই তরুণ শিক্ষার্থীরাই আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দেবে, দেশের প্রশাসন চালাবে ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বাস্তবায়ন করতে পারবে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ শিশুশ্রম নির্মূলে অবিশ্বাস্য উন্নতি করেছে উল্লেখ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশে জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেক অভিভাবকই, শিশুদের শ্রমে বাধ্য করছে। বিদ্যালয়ের প্রতি অনীহা, সচেতনতা ও প্রচার প্রচারণার অভাব, অভিভাবকদের শিশুসন্তানের মাধ্যমে উপার্জনের মানসিকতাসহ নানা কারণে শিশুশ্রম নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।’ শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও এখনো শিশুশ্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবুও আমরা বলতে চাই সরকারের পাশাপাশি যার যার অবস্থান থেকে শিশুশ্রমকে না বলব ও শিশুশ্রম বন্ধে সবাই একযোগে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, তারুণ্যের জয়গানের পক্ষে দেশের সামাজিক সংকট নিরসনে এবং তার অগ্রগতিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে, যেভাবে আজকের এই অনুষ্ঠানে তারা সুন্দর জাতি গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তুলেছে।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও প্রতিযোগিতার আয়োজক সংগঠক ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব আলম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।


আপিল বিভাগের রায়ের পর কমিশন গঠনের সুযোগ নেই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আপিল বিভাগের রায়ের পর কোটা নিয়ে সরকারের কমিশন গঠনের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটার বিষয়ে সরকার যখন ইতিবাচক ভাবছে, তখন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বারবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। কোটা নিয়ে আদালতের প্রক্রিয়া শেষে, সরকার কী করে সে জন্য তাদের অপেক্ষা করা উচিত।

আপিল বিভাগের রায়ের পর কোটা নিয়ে সরকারের কমিশন গঠনের কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, এবার তারা জাতীয় সংসদে কোটা সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। আদালতের বিষয় নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়; জেনেবুঝেও নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে কোটা সমস্যা সমাধানের দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। কোটা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণেই একেক সময় একেক দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটা পরিবর্তনের আন্দোলন নয়, তাদের অন্য কোনো দুরভিসন্ধি রয়েছে কি না সেটাই এখন প্রশ্ন। আন্দোলনকারীদের দাবির সঙ্গে সরকারের ইচ্ছে সংগতিপূর্ণ, তবে কিছু মানুষ এটিকে ভিন্ন পথে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, যে কোনো আন্দোলনে দেশবিরোধী একটি অপশক্তি প্রবেশ করে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে; এটি উদ্বেগের। সরকারি চাকরিতে কোটা কখনও বৈষম্য সৃষ্টি করে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটার মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে, এটি ঠিক নয়। মেধার মূল্যায়ন করতে হবে, এই দাবি সঠিক। কিন্তু মেধার মূল্যায়ন করার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও অবমূল্যায়ন, অবহেলা করা যাবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়েও তাচ্ছিল্যের সঙ্গে কথা বলা উচিত নয়।


রাস্তা অবরোধ না করে আদালতে এসে কথা বলুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

রাস্তা অবরোধ না করে প্রধান বিচারপতির আহ্বানে আদালতে এসে কথা বলতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আজ শনিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে ‘মুক্তিযুদ্ধ পুলিশ: ময়মনসিংহ জেলা গ্রন্থ’র মোড়ক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে এসে জেলা পুলিশের ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করেন এবং জেলা পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা উঠিয়ে দিয়েছিলেন। তারপর বিচার বিভাগ থেকে বার্তা আসছে কোটা আবার চালু হবে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়েছে আমাদের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি একটি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছে। শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে তারা যেন তাদের কথা উচ্চতর আদালতে বলে। তাহলে বিচারপতিদের বিচার করতে সুবিধা হবে। কাজেই আমি মনে করি তাদের অপেক্ষা করা উচিত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্দোলন থামানো উচিত। কারণ পৃথিবীর সব জায়গাতেই কোটা রয়েছে। যেমন আমাদের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কিছু কোটা রয়েছে এবং সংবিধানেও সেটি বলা আছে। এই নৃগোষ্ঠীদের কোটা যদি বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে এরা কোনোদিন মূল স্রোতের একত্রিত হতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, রাস্তাঘাট বন্ধ না করে তারা কোর্টে এসে তাদের কথা বলুক। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে লাভ কী হবে আমি জানি না। দুর্ভোগ বাড়বে জনগণের। আমি মনে করি আপনারা প্রধান বিচারপতির পরামর্শ মতো আদালতে এসে আপনাদের কথা বলুন।

ময়মনসিংহ পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ঢাকা মেট্রোপলিটনের পুলিশ সুপার মাহমুদা আফরোজ লাকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সুধী সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও ফুলপুর আসনের এমপি শরীফ আহমেদ, সদর আসনের এমপি মোহাম্মদ মোহিত উর রহমান শান্ত, গফরগাঁওয়ের এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, মুক্তাগাছার এমপি কৃষিবিদ ডা. নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, বীরমুক্তিযোদ্ধা ম. হামিদ ও আব্দুর রব প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাটের এমপি মাহমুদুল হক সায়েম, ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাহমুদুল হাসান সুমন, ত্রিশালের এমপি এবিএম আনিছুজ্জামান, ভালুকার এমপি মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ, ফুলবাড়িয়ার এমপি আব্দুল মালেক সরকার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আফজালুর রহমান বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।


কোটা আন্দোলনকারীদের কেউ ইন্ধন দিতে পারে: ডিএমপি ডিবিপ্রধান

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। পুরোনো ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে বলে ধারণা করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি ডিবিপ্রধান বলেন, কোটা শুধু বাংলাদেশে নয় অনেক দেশেই প্রচলন রয়েছে। কোটার বিরোধিতা করে কিছু লোক, কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি মনে করে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না; তাহলে আমাদের করার কি আছে? আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করব। কারণ, আন্দোলনরতরা যদি জান-মালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।

কিন্তু কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে না গিয়ে বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচল বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে,-যোগ করেন হরুন।

ইন্ধনের ব্যাপারে হারুন আরও বলেন, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কিনা, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কিনা এসব নিয়ে ডিবির টিম ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে। চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা, যানবাহনে গতিরোধ ও মারধরের ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় আসামি হিসেবে ‘অজ্ঞাতপরিচয় অনেককে’ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়:

বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক সারা বিশ্বে সমাদৃত: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ মন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুকন্যা জননেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অত্যন্ত প্রিয় জিনিস কমিউনিটি ক্লিনিক। বাংলাদেশের কমিউনিটি ক্লিনিক এখন সারা বিশ্বের মানুষের কাছে সমাদৃত।’

আজ শনিবার সকালে নীলফামারীর সংগলশীতে সঞ্জিব-মালতী কমিউনিটি ক্লিনিক উদ্বোধন শেষে প্রধান অতিথির বক্তব্যে স্বাস্থ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।
তিনি বলেন, ‘আমরা সিজারিয়ান কমানোর জন্য চেষ্টা করছি, গর্ভবতী নারীদের কমিউনিটি ক্লিনিক থেকে চেকআপ শেষে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স কিংবা হাসপাতালে ডেলিভারি করা হলে তাহলে আর সিজারিয়ান করা লাগবে না। ক্লিনিকগুলোকে আরও সচল করার জন্য সরকার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’

নীলফামারী-৪ ( সৈয়দপুর-কিশোরগঞ্জ) আসনের সংসদ সদস্য সিদ্দিকুল আলম সিদ্দিক, স্বাস্থ্য সেবা বিভাগের সচিব জাহাঙ্গীর আলম, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. আবুল বাসার মোহাম্মদ খুরশীদ আলম, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ফারুক আল মাসুদ, পুলিশ সুপার মোকবুল হোসেন, জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি দেওয়ান কামাল আহমেদ, সংগলশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান টিকেন্দ্রজীৎ রায় এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

সংগলশী ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান টিকেন্দ্রজীৎ রায় স্বগীয় পিতা-মাতার নামে ক্লিনিকের নামকরণ করা হয়েছে। এর আগে স্বাস্থ্যমন্ত্রী সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পৌঁছালে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।


চীন সফর নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন কাল

পুরোনো ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর সম্প্রতি চীন সফর নিয়ে সংবাদ সম্মেলন আগামীকাল অনুষ্ঠিত হবে। আজ শনিবার প্রধানমন্ত্রীর প্রেস উইং থেকে জানানো হয়, কাল রোববার বিকেল ৪টায় গণভবনে এ সংবাদ সম্মেলনে চীন সফর নিয়ে কথা বলবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এর আগে গত সোমবার সন্ধ্যায় তিন দিনের দ্বিপক্ষীয় সফরে চীনের রাজধানী বেইজিং সফরে যান প্রধানমন্ত্রী। টানা চতুর্থ মেয়াদে সরকার গঠনের পর এটি ছিল তার প্রথম চীন সফর। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয় ও শেখ হাসিনার মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর তাদের উপস্থিতিতে ২১ সমঝোতা স্মারক ও চুক্তি সই করে বাংলাদেশ ও চীন। এছাড়া সাতটি ঘোষণাপত্র সই করে দুই দেশ।

এ সফরে দুই দেশের সম্পর্ক ‘কৌশলগত অংশীদারত্ব’ থেকে ‘বিস্তৃত কৌশলগত সহযোগিতামূলক অংশীদারত্বে’ উন্নীত হয়েছে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।

গত বুধবার (জুলাই ১০) রাতে দেশে ফেরেন প্রধানমন্ত্রী। তার পরদিন ১১ জুলাই তার ফেরার কথা থাকলেও পারিবারিক কারণে প্রধানমন্ত্রী একদিন আগেই দেশে ফিরে আসেন।


কোটা আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করল পুলিশ

পুরোনো ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঢাবি প্রতিনিধি

পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর, সদস্যদের ওপর হামলা ও মারধরের অভিযোগ এনে চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে মামলা করছে পুলিশ। গতকাল শুক্রবার রাতে রাজারবাগ পুলিশ লাইন্স পরিবহন বিভাগের গাড়িচালক খলিলুর রহমান বাদী হয়ে শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের আসামি করে মামলাটি করেন।

মামলার এজাহারে উল্লেখ করা হয়, গত ১১ জুলাই কোটা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত আন্দোলনের কর্মসূচি ছিল। সে অনুযায়ী ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জড়ো হয়ে বিভিন্ন হলের সামনে দিয়ে প্রদক্ষিণ করে বিকেল ৪টার সময় স্লোগান দিতে দিতে শাহবাগ মোড়ের দিকে অগ্রসর হতে থাকেন। একপর্যায়ে আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় অতিক্রম করে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করেন। তারা শাহবাগ মোড়ে পুলিশের ব্যারিকেড ভেঙে ফেলেন ও পুলিশের সঙ্গে ধাক্কাধাক্কি করেন। এসময় কর্তব্যরত পুলিশ সদস্যদের মারধর করে জখম করেন।

এজহারে আরও বলা হয়, তারা হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালের দিকে অগ্রসর হতে থাকলে পুলিশের সিনিয়র কর্মকর্তারা ছাত্রদের বুঝিয়ে শুনিয়ে পুনরায় শাহবাগ মোড়ে ফিরিয়ে আনতে যান। এ সময় বিএসএমএমইউয়ের পাশে নিরাপদ স্থানে রাখা এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যাননের চারদিকে ঘেরাও করেন আন্দোলনকারীরা। তারা গাড়ির ওপর উঠে উদ্দাম নৃত্য শুরু করেন। তারা ওয়াটার ক্যানন চালককে গাড়ি থেকে জোর করে বের করার চেষ্টা ও গতিরোধ করেন। এর ফলে এপিসি ২৫ এর সামনের দুইটি এসএস স্ট্যান্ড, বনাটের ওপরে বাম পাশে রেডিও অ্যান্টেনা এবং ডান পাশের পেছনের চাকার মাডগার্ড এবং ওয়াটার ক্যাননের বাম পাশের লুকিংগ্লাস ভেঙে আনুমানিক পাঁচ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি করেন। এ বিষয়ে শাহবাগ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়। ছাত্রদের অন্যান্য সিনিয়র স্যাররা বুঝিয়ে শুনিয়ে এপিসি-২৫ ও ওয়াটার ক্যানন থেকে নামিয়ে আনেন এবং পরিস্থিতি শান্ত করার চেষ্টা করেন। কিন্তু তারা আরও ক্ষিপ্ত হয়ে পুলিশকে লক্ষ্য করে পানির বোতল, টেপটেনিস বল ও ইটের টুকরা ছুড়ে মারেন। এতে অনেক পুলিশ সদস্য আঘাতপ্রাপ্ত হন।

এজাহারে আরও উল্লেখ করা হয়, ঘটনাস্থলে উপস্থিত সব সিনিয়র কর্মকর্তা ও পুলিশ সদস্যরা অত্যন্ত ধৈর্যের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে অজ্ঞাতপরিচয় ছাত্ররা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শাহবাগের আন্দোলনে যোগ দিয়ে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বারডেম হাসপাতালের গেটের ব্যারিকেড ভেঙে পুলিশ সদস্যদের আহত করেন। তারা পুলিশকে উদ্দেশ করে বিভিন্ন ধরনের কটূক্তি করেন। ছাত্ররা কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সহ অন্যান্য বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদের ওপর হামলা এবং শাহবাগ থানায় ছাত্রদের ধরে নিয়ে গেছে বলে গুজব ছড়িয়ে পরিস্থিতি উত্তপ্ত করার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশকে মারতে তেড়ে আসেন ও পুলিশকে বিভিন্ন ভয়ভীতি ও হুমকি দিয়ে শাহবাগ মোড় ত্যাগ করেন।

আসামিরা বেআইনিভাবে জড়ো হয়ে দাঙ্গা সৃষ্টি করে সরকারি কাজে বাধা দেন। তারা স্বেচ্ছায় আঘাত করেন, গতিরোধ, দাঙ্গা দমনকারী কর্তব্যরতদের প্রতি আক্রমণ ও বাধা দিয়ে ক্ষতিসাধন ও ভয়ভীতি দেখান বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।


পেনশন স্কিম নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি দূর হয়েছে: কাদের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পেনশন স্কিম ২০২৪ নাকি ২০২৫ এ নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল তা দূর হয়েছে বলে জানিয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আজ শনিবার দুপুরে ধানমন্ডিতে আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার রাজনৈতিক কার্যালয়ে পেনশন স্কিম নিয়ে আন্দোলনরত বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষকদের সঙ্গে বৈঠক করেন আওয়ামী লীগের নেতারা।

বৈঠকের পর দলটির সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের সাংবাদিকদের বলেন, পেনশন স্কিম ২০২৪ নাকি ২০২৫, এ নিয়ে একটা ভুল বোঝাবুঝি ছিল, তা দূর হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ জুলাই থেকে সবার জন্য সর্বজনীন পেনশন স্কিম। আলাপ আলোচনার মাধ্যমে অচিরেই সমাধান হবে।

কোটাবিরোধী ছাত্র আন্দোলন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, কোটাবিরোধী আন্দোলনকারীদের দাবি ও বক্তব্য সংবিধান ও রাষ্ট্র পরিচালনার মূলনীতির বিরোধী। কোটা নিয়ে আইন তার নিজস্ব গতিতে চলবে। দেশের বর্তমান প্রেক্ষাপটে কোটার প্রয়োজনীয়তা রয়েছে। একটা কুচক্রী মহল কোটাবিরোধী আন্দোলন থেকে ফায়দা নেওয়ার চেষ্টা করছে। গেল কয়েকটি বছরে কোটা না থাকায় নারীদের অংশগ্রহণ হতাশাজনক। পিছিয়ে পড়েছে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীও।

ওবায়দুল কাদের আরও বলেন, দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্য বাংলাদেশে কোটায় নিয়োগ সবচেয়ে কম। ভারতে ৬০ শতাংশ, পাকিস্তানে ৯২.৫ শতাংশ, নেপালে ৪৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৫০ শতাংশ চাকরিতে এবং বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তিতে ৬০ শতাংশ কোটা চালু রয়েছে।

বৈঠক শেষে শিক্ষক নেতারা বলেন, আলোচনা সন্তোষজনক হয়েছে। আমরা আমাদের দাবির কথা বলেছি। আমরা ফেডারেশনের সঙ্গে বৈঠক করে আমাদের অবস্থান জানাব।

বৈঠকে আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা ও সংস্কৃতি বিষয়ক উপদেষ্টা কবি কামাল আব্দুল নাসের চৌধুরী, আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মাহবুবউল আলম হানিফ, আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী শামসুন্নাহার চাপা, আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক বিএম মোজাম্মেল হক, মির্জা আজম, আফজাল হোসেন, সুজিত রায় নন্দী, দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া প্রমুখ।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি ফেডারেশনের সভাপতি আকতারুল ইসলাম ও সাধারণ সম্পাদক প্রফেসর নিজামুল হক ভূঁইয়ার নেতৃত্বে ১৩ জন শিক্ষক প্রতিনিধি আলোচনায় অংশগ্রহণ করেন।


জাতীয় রপ্তানি ট্রফি দেবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বৈদেশিক মুদ্রা আহরণ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে রপ্তানি খাতে অবদান রাখার জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফি দেওয়া হবে। আগামীকাল রোববার এ উপলক্ষে ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

আজ শনিবার টিসিবি অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানানো হয়।

আরও জানা যায়, রপ্তানি ট্রফি অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন বাণিজ্য প্রতিমন্ত্রী আহসানুল ইসলাম টিটু, বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি টিপু মুনশি এবং সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন এফবিসিসিআইয়ের সভাপতি মাহবুবুল আলম।

২০২১-২২ অর্থবছরের জন্য জাতীয় রপ্তানি ট্রফি পাবে ৭৭টি প্রতিষ্ঠান। এছাড়া সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি পাবে একটি প্রতিষ্ঠান। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রদান করবেন এই ট্রফি।

জাতীয় রপ্তানি ট্রফি নীতিমালা-২০১৩ অনুসরণে প্রাথমিক ও চূড়ান্ত বাছাই কমিটির মাধ্যমে মোট ৩২টি খাতের রপ্তানিকারকদের মধ্য থেকে ২০২১-২০২২ অর্থবছরের জন্য রপ্তানি আয়, আয়গত প্রবৃদ্ধি, নতুন পণ্যের সংযোজন, নতুন বাজারে প্রবেশ, কমপ্লায়েন্স প্রতিপালন ইত্যাদি মূল্যায়নপূর্বক ট্রফি বিজয়ী প্রতিষ্ঠান নির্বাচন করেছে। প্রতিটি খাতের জন্য কৃতি রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠানকে স্বর্ণ, রোপ্য ও ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদান করা হবে। এছাড়া সব খাতের মধ্যে হতে সর্বোচ্চ রপ্তানি আয় অর্জনকারী প্রতিষ্ঠানকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব রপ্তানি ট্রফি শিরোনামে ১টি বিশেষ ট্রফিসহ (স্বর্ণ) মোট ২৯টি স্বর্ণ, ২৭টি রৌপ্য এবং ২১টি ব্রোঞ্জ ট্রফি প্রদানের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে।

যারা ট্রফি পাবে

গত ফেব্রুয়ারিতে এ ট্রফির জন্য গেজেট প্রকাশ করা হয়। যেখানে মনোনীত প্রতিষ্ঠানের তালিকা প্রকাশ করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের জারি করা ওই গেজেটে বলা হয়, দেশের সেরা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান হিসেবে বঙ্গবন্ধু রপ্তানি ট্রফি (স্বর্ণ) পাচ্ছে রিফাত গার্মেন্টস।

এছাড়া স্বর্ণ, রৌপ্য ও ব্রোঞ্জ এ তিন ক্যাটাগরিতে জাতীয় রপ্তানি ট্রফির জন্য নির্বাচিত প্রতিষ্ঠানগুলো হলো তৈরি পোশাক খাতে (ওভেন) উইন্ডি অ্যাপারেলস স্বর্ণ, অ্যাপারেল গ্যালারি রৌপ্য এবং চিটাগাং এশিয়ান অ্যাপারেলস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। তৈরি পোশাক খাতে (নিটওয়্যার) লিবার্টি নিটওয়্যার স্বর্ণ, ডিভাইন ইন্টিমেটস রৌপ্য, ফ্লামিংগো ফ্যাশনস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

সব ধরনের সুতা খাতে বাদশা টেক্সটাইলস স্বর্ণ, স্কয়ার টেক্সটাইলস রৌপ্য এবং কামাল ইয়ার্ন ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। টেক্সটাইল ফেব্রিকস খাতে নাইস ডেনিম মিলস স্বর্ণ, হা-মীম ডেনিম রৌপ্য এবং ফোর এইচ ডায়িং অ্যান্ড প্রিন্টিং ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

হোম ও স্পেশালাইজড টেক্সটাইল খাতে জাবের অ্যান্ড জোবায়ের ফেব্রিকস স্বর্ণ, মমটেক্স এক্সপো রৌপ্য এবং এসিএস টেক্সটাইলস (বাংলাদেশ) ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। টেরিটাওয়েল খাতে নোমান টেরিটাওয়েল মিলস স্বর্ণ এবং এসিএস টাওয়েল রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। হিমায়িত খাদ্য খাতে ছবি ফিশ প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রিজ স্বর্ণ, প্রিয়াম ফিশ এক্সপোর্ট রৌপ্য এবং এমইউসি ফুডস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। কাঁচা পাট খাতে পপুলার জুট এক্সচেঞ্জ স্বর্ণ, তাসফিয়া জুট ট্রেডিং রৌপ্য এবং ইন্টারন্যাশনাল জুট ট্রেডার্স ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

পাটজাত দ্রব্য খাতে জনতা জুট মিলস স্বর্ণ এবং আকিজ জুট মিলস রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। চামড়াজাত পণ্য খাতে পিকার্ড বাংলাদেশ স্বর্ণ এবং এবিসি ফুটওয়্যার ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে।

ফুটওয়্যার খাতে বে-ফুটওয়্যার স্বর্ণ, এডিসন ফুটওয়্যার রৌপ্য এবং এফবি ফুটওয়্যার ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। কৃষিজ পণ্য খাতে (তামাক ব্যতীত) ইনডিগো করপোরেশন স্বর্ণ, মনসুর জেনারেল ট্রেডিং কোং রৌপ্য এবং সিএসএস ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

অ্যাগ্রো প্রসেসিং পণ্য খাতে (তামাকজাত পণ্য ব্যতীত) হবিগঞ্জ অ্যাগ্রো স্বর্ণ, প্রাণ অ্যাগ্রো রৌপ্য এবং প্রাণ ফুডস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। হস্তশিল্পজাত পণ্য খাতে কারুপণ্য রংপুর স্বর্ণ, বিডি ক্রিয়েশন রৌপ্য এবং ক্লাসিক্যাল হ্যান্ডমেড প্রোডাক্টস বিডি ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। মেলামাইন খাতে ডিউরেবল প্লাস্টিক স্বর্ণ ট্রফি পেয়েছে। প্লাস্টিক পণ্য খাতে অলপ্লাস্ট বাংলাদেশ স্বর্ণ, আকিজ বায়াক্স ফিল্মস রৌপ্য এবং বঙ্গ প্লাস্টিক ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। সিরামিক সামগ্রী খাতে শাইনপুকুর সিরামিকস স্বর্ণ, আর্টিসান সিরামিকস রৌপ্য এবং প্রতীক সিরামিকস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

লাইট ইঞ্জিনিয়ারিং খাতে এমঅ্যান্ডইউ সাইকেলস স্বর্ণ, মেঘনা বাংলাদেশ রৌপ্য এবং রংপুর মেটাল ইন্ডাস্ট্রিজ ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। ইলেকট্রিক ও ইলেকট্রনিকস পণ্য খাতে ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি স্বর্ণ এবং বিআরবি কেবল ইন্ডাস্ট্রিজ রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে।

অন্যান্য শিল্পজাত পণ্য খাতে মেরিন সেফটি সিস্টেম স্বর্ণ, এশিয়া মেটাল মেরিন সার্ভিস রৌপ্য এবং তাসনিম কেমিক্যাল কমপ্লেক্স ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে বেক্সিমকো ফার্মাসিউটিক্যালস স্বর্ণ, ইনসেপটা ফার্মাসিউটিক্যালস রৌপ্য এবং স্কয়ার ফার্মাসিউটিক্যালস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

কম্পিউটার সফটওয়্যার খাতে সার্ভিস ইঞ্জিন স্বর্ণ এবং গোল্ডেন হারভেস্ট ইনফোটেক রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে। ইপিজেডভুক্ত শতভাগ বাংলাদেশি মালিকানাধীন (সি ক্যাটেগরি) তৈরি পোশাক শিল্প খাতে (নিট ও ওভেন) ইউনিভারসেল জিন্স স্বর্ণ, প্যাসিফিক জিন্স রৌপ্য এবং শাশা ডেনিমস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

প্যাকেজিং ও অ্যাকসেরিজ পণ্য খাতে স্বর্ণ, মনট্রিমস রৌপ্য এবং ইউনিগ্লোরি পেপার অ্যান্ড প্যাকেজিং ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।

অন্যান্য প্রাথমিক পণ্য খাতে হেয়ার স্টাইল ফ্যাক্টরি স্বর্ণ ট্রফি, রায় ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল রৌপ্য ও ইকো ফ্রেশ ইন্টারন্যাশনাল ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে। অন্যান্য সেবা খাতে এক্সপো ফ্রেইট স্বর্ণ ট্রফি এবং মীর টেলিকম রৌপ্য ট্রফি পেয়েছে।

এছাড়া নারী উদ্যোক্তা বা রপ্তানিকারকদের জন্য সংরক্ষিত খাতে পাইওনিয়ার নিটওয়্যার্স (বিডি) স্বর্ণ ট্রফি, বিকন নিটওয়্যার রৌপ্য ট্রফি এবং ইব্রাহিম নিট গার্মেন্টস ব্রোঞ্জ ট্রফি পেয়েছে।


২০৭১ সালে দেশের জনসংখ্যা হতে পারে সাড়ে ২৭ কোটি!

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১৩ জুলাই, ২০২৪ ০০:০১
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

উষ্মমণ্ডলীয় দেশ হওয়ায় বাংলাদেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার এমনিতেই বেশি। এ কারণে দক্ষিণ এশিয়ার স্বল্পায়তন এ ভূখণ্ডে বর্তমান বাস করছে ১৭ কোটি ৩৪ লাখ মানুষ। জন্ম নিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির ব্যাপক সহজলভ্যতা ও প্রয়োগের পরও এ দেশে জনসংখ্যা বৃদ্ধির গড় হার পৃথিবীর বেশির ভাগ দেশের চেয়ে বেশি।

জাতিসংঘ বলছে, জনমিতির তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জনসংখ্যা বৃদ্ধির এ হার থাকতে পারে আরও ৪৭ বছর। আর বাংলাদেশিদের প্রজনন উর্বরতার হার স্বাভাবিক থাকলে স্বাধীনতার ১০০ বছর পর্যন্ত জনসংখ্যা বাড়তে থাকবে। তারপর আস্তে আস্তে কমতে থাকবে এ দেশের জনসংখ্যা। রোগ-প্রতিরোধে সাফল্য ও পুষ্টিকর খাদ্যাভ্যাস বাড়ায় দেশে মৃত্যুহার কমানোতে সাফল্য এসেছে। এ ধারা ভবিষ্যতে অব্যাহত থাকবে। আর তাতেই ধারণা করা হচ্ছে, বাংলাদেশিদের প্রজনন উর্বরতার হার স্বাভাবিক থাকলে ২০৭১ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ২২ কোটি ৬১ লাখ ২৯ হাজার ৮৮৯ জন। এ সময় দেশের জনসংখ্যা ঘনত্ব হবে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ১৭৩৭ জনের বেশি। আর যদি প্রজনন উর্বরতার হার আরও উচ্চ হয় তাহলে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াতে পারে ২৭ কোটি ২৬ লাখ ৪১ হাজারে।

বিশ্ব জনসংখ্যা দিবস উপলক্ষে জাতিসংঘের অর্থনৈতিক ও সামাজিক বিভাগের জনসংখ্যা বিভাগ (ইউএনডিইএসএ) এই প্রকাশিত এক প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে। যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রতিবেদনটি প্রকাশিত হয়।

ওই প্রতিবেদন অনুসারে, সরকারের নানা ব্যবস্থা গ্রহণ, জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে প্রচারণা এবং নিকট ভবিষ্যৎ থেকেই বৈশ্বিক গতিময় জীবনযাত্রার সম্ভাবনা থাকলেও বাংলাদেশে জনসংখ্যার গড় হার বৃদ্ধি মোটামুটি স্বাভাবিকই থাকতে পারে। প্রজনন উর্বরতার এ হার এই শতাব্দীজুড়েই বহমান থাকবে। তবে যদি কোনো কারণে বাংলাদেশে প্রজনন হার স্বাভাবিকের চেয়ে কমেও যায় তবুও জনসংখ্যা বাড়বে ২০৭১ সাল পর্যন্ত। সে ক্ষেত্রে ২০৭১ সালে এ দেশে জনসংখ্যা হবে ১৮ কোটি ৬০ লাখ ৫২ হাজারের বেশি। এ সময় দেশের জনসংখ্যার ঘনত্ব থাকবে প্রতি বর্গ কিলোমিটারে ২০৭৪ জনের বেশি।

এ ছাড়া চলতি শতক তথা ২১ শতকের শেষ বছর অর্থাৎ ২০৯৯ সালে বাংলাদেশিদের স্বাভাবিক প্রজনন উর্বরতা বজায় থাকলে জনসংখ্যা হবে ২০ কোটি ৯৬ লাখ ৪২ হাজারের বেশি। প্রজনন উর্বরতা বৃদ্ধি পেলে জনসংখ্যা হবে ৩০ কোটি ৮ লাখের বেশি এবং প্রজনন উর্বরতা কমে একই বছরে বাংলাদেশের জনসংখ্যা থাকতে পারে ১৩ কোটি ৭৪ লাখের কিছু বেশি।

তবে বর্তমানে বাংলাদেশের প্রজনন হার যদি বজায় থাকে তবে ২০৩৭ সালেই বাংলাদেশের জনসংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২০ কোটিতে। একই হারে ২০৭১ সাল নাগাদ অর্থাৎ স্বাধীনতার ১০০ বছর পর বাংলাদেশের জনসংখ্যা হবে ২৫ কোটি ৩৬ লাখ ৮৪ হাজারের বেশি এবং এই শতকের শেষ নাগাদ বাংলাদেশের জনসংখ্যা গিয়ে দাঁড়াবে ২৭ কোটি ৪২ লাখে।

জনসংখ্যাসংক্রান্ত কোনো শর্ত যেমন- জন্ম ও মৃত্যুহার, অভিবাসন, প্রজনন উর্বরতা ইত্যাদি বিষয়ে কোনো পরিবর্তন না হয় তবে বাংলাদেশের জনসংখ্যা প্রথম ২০ কোটির মার্জিন পার করবে ২০৩৮ সালে। ২০৭১ সালে এ সংখ্যা বেড়ে দাঁড়াবে ২৩ কোটি ৩২ লাখে এবং চলতি শতকের শেষ বছর অর্থাৎ ২০৯৯ সালে দেশের জনসংখ্যা হবে ২৩ কোটি ২০ লাখে।


ফেসবুকে প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিবের ছবি ব্যবহার করে প্রতারণা

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েস। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১২ জুলাই, ২০২৪ ২১:২৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব এম এম ইমরুল কায়েসের ছবি ব্যবহার দিয়ে ফেসবুকে অ্যাকাউন্ট খুলে চাকরিতে নিয়োগ পরীক্ষায় প্রশ্ন সরবরাহের প্রলোভন দেওয়া হচ্ছে।

আজ শুক্রবার সকালে বিষয়টি নজরে আসার পর এ বিষয়ে সবাইকে সতর্ক করে ফেসবুকে নিজের ভেরিফাইড অ্যাকাউন্টে বার্তা দিয়েছেন ইমরুল কায়েস। তিনি লিখেছেন, ‘আমার ছবি ব্যবহার করে ফেক আইডি খোলা হয়েছে; সবাইকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করছি।’

‘Engr Nazmul Sarkar’ নামে খোলা ওই ভুয়া অ্যাকাউন্টের স্ক্রিনশটও ফেসবুকে দিয়েছেন তিনি। ওই ভুয়া অ্যাকাউন্টের একটি পোস্টে লেখা হয়েছে, ‘১৩ জুলাই অনুষ্ঠিত ১৮তম শিক্ষক নিবন্ধনের কলেজ পর্যায়ের সব বিষয়ের লিখিত পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস হয়েছে। ফাঁসকৃত প্রশ্ন পরীক্ষায় ১০০% হুবহু কমন আসবে। প্রশ্ন সমাধানসহ দেওয়া হচ্ছে। যাদের প্রশ্ন লাগবে তারা দ্রুত আমাকে মেসেজ দিন।’

এ প্রসঙ্গে ইমরুল কায়েস গণমাধ্যমকে বলেন, ‘সকালে বিষয়টি আমার নজরে আসে। আমি সবাইকে সতর্ক থাকার অনুরোধ জানাচ্ছি।’ বিষয়টি সাইবার অপরাধ দমনে কাজ করা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর বিশেষায়িত ইউনিটকে জানানো হয়েছে বলেও জানান তিনি।


বিদ্রোহের সুরে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন বঙ্গবন্ধু: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

বিদ্রোহী গানের সুরে নজরুল যেমন মুক্তির পথ দেখাতেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তেমনি করে একই বিদ্রোহের সুরে স্বাধীনতা এনে দিয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মো. আব্দুর রহমান।

আজ শুক্রবার কুমিল্লা জেলার মুরাদনগর উপজেলার ৬ নং পূর্ব বাঙ্গঁরা ইউনিয়ন পরিষদ আয়োজিত বিশ্ব বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি সম্মেলনের বাংলাদেশ সম্মেলন ২০২৪ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে একথা বলা হয়।

৬ নং পূর্ব বাঙ্গঁরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. শেখ জাকির হোসেন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে উদ্বোধক ছিলেন কুমিল্লা-৩ আসনের সংসদ সদস্য জাহাঙ্গীর আলম সরকার। এছাড়া মুরাদনগরের উপজেলা চেয়ারম্যান ড. আহসানুল আলম সরকার কিশোর, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সিফাত উদ্দিন ও বিশ্ব বঙ্গ সাহিত্য ও সংস্কৃতি কেন্দ্রীয় সম্পাদক রাধাকান্ত সরকার উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, নজরুলের বিদ্রোহের সুরে আন্দোলিত হয়ে হাজার হাজার মানুষ স্বাধীনভাবে বাঁচবার সংগ্রামে সেদিন ঝাঁপিয়ে পড়েছিল। তার কবিতায় মানুষ নিয়ে তার ভাবনা ছিল। বিদ্রোহী গানের সুরে নজরুল যেমন মুক্তির পথ দেখাতেন ঠিক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানও তেমন করে একই বিদ্রোহের সুরে ৭ই মার্চের ভাষণে বলেছিলেন, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম। আমি প্রধানমন্ত্রীত্ব চাই না, আমি এদেশের মানুষের অধিকার চাই।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, নজরুল এক বিশাল সমুদ্র। নজরুল আমাদের বিদ্রোহের, আমাদের সাম্যের ও গণমানুষের কবি। নজরুলের সাম্যের গানের সুর মিলিয়ে দিয়েছিল সারা মানব জাতিকে। স্বাধীন চেতনায় মানুষ হয়ে বাঁচবার উৎসাহ দিয়েছিল বাঙালি জাতিকে। ব্রিটিশ শাসনের জিঞ্জির ভেঙে মুক্ত আলোয় আলোকিত হওয়ার স্বপ্ন দেখেই তিনি সেদিন বিদ্রোহী কবিতা রচনা করেছিলেন। তিনি শিকল ভাঙার যে প্রচেষ্টা কবিতার মাধ্যমে নিয়েছিলেন তার ফলেই তিনি আমাদের জাতীয় মহাকবি। এ জাতিকে মাথা তুলে দাঁড়াবার উদাহরণ হিসেবেই তিনি সারাজীবন আমাদের মাঝে বেঁচে থাকবেন।

মন্ত্রী আরও বলেন, কবি নজরুলের পথ ধরে বঙ্গবন্ধু আমাদের দিয়ে গেলেন স্বাধীন সত্তায় বেঁচে থাকার অধিকার, স্বাধীনভাবে স্বপ্ন দেখার অধিকার। বঙ্গবন্ধু কবি নজরুলকে নিজের হৃদয়ে এমনভাবে ধারণ করেছিলেন যে, স্বাধীনতার পরে অবহেলায় পড়ে থাকা নজরুলকে খুঁজে বের করে স্বাধীন দেশে ফিরিয়ে আনলেন এবং জাতীয় কবির মর্যাদা দিলেন।

মন্ত্রী বলেন, নজরুলের যথার্থ মূল্যায়ন তখনই সম্ভব হবে যখন আমরা আপাদমস্তক নজরুলকে চিনব, আমরা নজরুলকে চর্চা করব, আমাদের মননে, আমাদের সাধনায়, আমাদের মানসিকতায়, আমাদের কর্মপ্রেরণায় আমরা নজরুলকে ধারণ করব। তাহলেই তাঁর মূল্যায়ন আমরা সঠিকভাবে করতে পারব। তিনি নজরুল-নার্গিসের স্মৃতি বিজড়িত মুরাদনগরের এই স্থানকে ধরে রাখার উদ্দেশ্যে নজরুল নার্গিস গবেষণা কেন্দ্র গঠনের প্রয়াস নেয়ার আহ্বান জানান এবং এ বিষয়ে সহযোগিতার প্রয়োজন হলে তা প্রদানের আশ্বাস প্রদান করেন।


banner close