শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
২৮ চৈত্র ১৪৩২

গৃহহীনমুক্ত হচ্ছে সাভার-কেরাণীগঞ্জ-দোহার

ভূমিহীন ও গৃহহীনদের এমনই ঘর বানিয়ে দিচ্ছে সরকার। ফাইল ছবি
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২১ মার্চ, ২০২৩ ২১:০৪

প্রধানমন্ত্রীর আশ্রয়ণ প্রকল্পের ঘর পেতে যাচ্ছে ঢাকা জেলার ৩৯০টি পরিবার। আগামী বুধবার সুবিধাভোগীদের ঘর বুঝিয়ে দেয়া হবে। এর মধ্য দিয়ে ঢাকার সাভার, কেরাণীগঞ্জ ও দোহার উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এ বিষয়ে ঢাকা জেলা প্রশাসন বলছে, ‘মুজিবশতবর্ষে একজন লোকও গৃহহীন থাকবে না’—প্রধানমন্ত্রীর এ নির্দেশনা বাস্তবায়নে তার কার্যালয়ের আশ্রয়ণ-২ প্রকল্প সারাদেশে ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে ঘর প্রদানের কার্যক্রম হাতে নেয়। ঢাকা জেলায় প্রথম পর্যায়ে এক হাজার ৪৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে ঘর দেয়া হয় ২৫৫টি পরিবারকে।

তৃতীয় পর্যায়ে গত বছরের ২৬ এপ্রিল প্রধানমন্ত্রীর ঈদ উপহার হিসেবে ঢাকা জেলায় ২৭১টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হয়। এরপর ২১ জুলাই আরও ৯৯টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে ঘর দেয়া হয়। ইতোপূর্বে ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলাকে প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেছেন।

জেলা প্রশাসন আরও জানিয়েছে, আগের সাফল্যের ধারাবাহিকতায় বুধবার ঢাকা জেলায় চতুর্থ পর্যায়ে ৩৯০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে দুই শতাংশ জমিসহ সম্পূর্ণ সরকারি অর্থায়নে নির্মিত ঘর দেয়া হবে। এর মাধ্যমে ঢাকার সাভার, কেরাণীগঞ্জ ও দোহার উপজেলাকে প্রধানমন্ত্রী ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করবেন।

প্রশাসনের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বলছেন, গৃহহীন ও ভূমিহীন মানুষকে বিনামূল্যে জমিসহ ঘর দেয়া উপলক্ষে ঢাকা জেলায় উপকারভোগীদের মাঝে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনার সৃষ্টি হয়েছে। একটি নিজস্ব ঠিকানা খুঁজে পাওয়ায় উপকারভোগীরা আন্তরিক ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীকে।


চাঁদাবাজদের ‘নিরপেক্ষ’ তালিকার কাজ শুরু: র‍্যাব

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারা‌দে‌শে চাঁদাবাজদের একটি ‘নিরপেক্ষ’ তালিকা তৈ‌রির কাজ শুরু করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)। তালিকা তৈ‌রির পর এতে অন্তর্ভুক্ত সব অপরাধীর বিরুদ্ধে দ্রুত আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা জানিয়েছে সংস্থাটি।

শনিবার (১১ এপ্রিল) রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী।

তিনি বলেন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে ‘আনবায়াসড’ বা পক্ষপাতহীন তালিকা তৈরির কাজ চলছে। র‍্যাবের ১৫টি ব্যাটালিয়ন ইতোমধ্যে মাঠ পর্যায়ে তৎপরতা শুরু করেছে এবং গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে। তালিকায় যারাই থাকবেন, তাদের কাউকেই ছাড় দেওয়া হবে না।

তা‌লিকায় রাজনৈতিক পরিচয়ের ব্যক্তিরা থাকলে কী হবে- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, তালিকা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ হবে এবং কোনও ধরনের পক্ষপাতিত্ব রাখা হবে না। অপরাধী যেই হোক, তার বিরুদ্ধেই ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

তিনি বলেন, যত দ্রুত সম্ভব কাজ শেষ করে মাঠে অভিযান শুরু করা হবে। প্রয়োজনে তা তাৎক্ষণিকভাবেও শুরু হতে পারে।

র‍্যাব জানায়, বিভিন্ন খাতে চাঁদাবাজি বিস্তৃত। বিশেষ করে পরিবহন খাতে মহাসড়কভিত্তিক চাঁদাবাজি, বাজারে ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে অর্থ আদায়, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে চাপ সৃষ্টি—সব ধরনের অপরাধকেই তালিকার আওতায় আনা হচ্ছে। ছোট থেকে বড় সব স্তরের অপরাধীদের অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

সংস্থাটি আরও জানায়, অনেক ভুক্তভোগী ভয় বা নিরাপত্তাজনিত কারণে অভিযোগ করতে চান না। সেক্ষেত্রে গোয়েন্দা তথ্য, মাঠ পর্যায়ের অনুসন্ধান এবং বিভিন্ন উৎস থেকে পাওয়া তথ্য যাচাই-বাছাই করে তালিকা তৈ‌রি করা হচ্ছে।

কল্যাণপুরে একটি হাসপাতালের উদ্যোক্তার কাছ থেকে চাঁদা দাবির অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি প্রথমে পুলিশের কাছে গেছে এবং তদন্ত চলছে। পাশাপাশি র‍্যাবও ছায়া তদন্ত শুরু করেছে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

এছাড়া চট্টগ্রামে সাম্প্রতিক একটি বড় ইয়াবা চালান আটকের প্রসঙ্গে তিনি বলেন, মাঠ পর্যায়ে আটক ব্যক্তিরা সাধারণত নিম্নস্তরের সদস্য। তবে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মূল হোতা বা গডফাদারদের শনাক্ত ও গ্রেফতারের চেষ্টা চল‌ছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ওপর কোনও চাপ রয়েছে কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, র‍্যাব বর্তমানে স্বাধীনভাবেই কাজ করছে এবং কোনও ধরনের বেআইনি চাপ নেই। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কেউই আইনের ঊর্ধ্বে নয়; অপরাধী যেই হোক, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।


সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণ মুছে দেওয়া হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
সিলেট প্রতিনিধি

দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রণের প্রবণতা পুরোপুরি বন্ধ করার ঘোষণা দিয়েছেন বাণিজ্য, শিল্প, পাট ও বস্ত্রমন্ত্রী খন্দকার আবদুল মুক্তাদির।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে সিলেট নগরীর টিলাগড় এলাকায় জেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ‘কৃষকের হাট’ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

মন্ত্রী জানান, জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের তত্ত্বাবধানে নির্দিষ্ট স্থানে সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিনে এই হাট বসবে। এতে কৃষকেরা সরাসরি ভোক্তাদের কাছে পণ্য বিক্রি করতে পারবেন। প্রশাসনের নজরদারির কারণে কোনো ধরনের চাঁদাবাজি বা অপ্রত্যাশিত খরচের সুযোগ থাকবে না এখানে। সারা দেশে কৃষক যাতে তাঁর উৎপন্ন পণ্য সপ্তাহে এক দিন হলেও সরাসরি ক্রেতাদের কাছে বিক্রি করতে পারেন সে বিষয়ে প্রত্যেক জেলায় জেলা প্রশাসকেরা ব্যবস্থা নেবেন বলেও জানান বাণিজ্যমন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ‘দেশে সিন্ডিকেটের মাধ্যমে আর বাজার নিয়ন্ত্রিত হবে না। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে বাজার নিয়ন্ত্রিত হয়, এমন কথাই আমরা বাংলাদেশ থেকে মুছে দেব।’

মন্ত্রী আরও বলেন, বর্তমানে কৃষিপণ্য উৎপাদক থেকে ভোক্তার কাছে পৌঁছাতে কয়েক দফা হাতবদল হয়, যার ফলে দাম বেড়ে যায়। ‘কৃষকের হাট’ চালুর মাধ্যমে এই চক্র ভেঙে কৃষক ও ভোক্তা উভয়ের জন্য লাভজনক পরিস্থিতি তৈরি হবে।

এছাড়া বাজার ব্যবস্থাপনায় প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়ানোর কথাও জানান তিনি। তিনি বলেন, এ ছাড়া আমদানিনির্ভর পণ্যের দাম স্থিতিশীল রাখতে দেশের পুরো সাপ্লাই চেন এআই মডেলে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। এতে বাজার নজরদারি সহজ হবে এবং বাজার পরিস্থিতি স্থিতিশীল থাকবে।

সরকারি সংস্থা টিসিবির কার্যক্রম আরও বিস্তৃত করা বাড়ানো হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সরকার প্রতিবছর টিসিবির কাজের জন্য ৩২-৩৩ শ কোটি টাকা ভর্তুকি দেয়, এটা কমানো হবে। তবে টিসিবির কার্যক্রম বাড়ানো হবে।’


বুড়িগঙ্গার সঙ্গে জিয়া সরণি খালের সংযোগে ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ: স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার জলাবদ্ধতা নিরসন ও পানির স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে আনতে বুড়িগঙ্গা নদীর সঙ্গে জিয়া সরণি খালকে যুক্ত করার প্রকল্প হাতে নিয়েছে সরকার। এই কাজের জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ৩০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লি উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

শনিবার (১১ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর জিয়া সরণি খাল, কোনাপাড়া খাল ও কুতুবখালী খাল পরিদর্শন শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের তিনি এসব তথ্য জানান।

পরিদর্শনকালে প্রতিমন্ত্রী বলেন, পূর্ববর্তী সরকারের অবহেলার কারণে গুরুত্বপূর্ণ এই খালটি দীর্ঘদিন সংস্কারহীন ছিল।

বর্তমানে সিটি করপোরেশনের অর্থায়নে খালটির অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদসহ প্রাথমিক সংস্কারকাজ চলছে।

তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, ‘সব খাল দখলমুক্ত করা হবে এবং অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে বিদ্যমান আইনানুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মীর শাহে আলম বলেন, বিএনপি সরকার জনগণের ভোটে নির্বাচিত। তাই জনস্বার্থে যেকোনো উন্নয়নমূলক কাজ সবার সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমেই সম্পন্ন করা হবে।

তিনি আরো যোগ করেন, কোনো রাজনৈতিক প্রতিহিংসা নয়, বরং জনকল্যাণই এই সরকারের মূল লক্ষ্য।

নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী, ‘দেশব্যাপী নদী-নালা-খাল, জলাধার খনন ও পুনঃখনন’ কর্মসূচি শুরু করেছে বিএনপি সরকার। গত ১৬ মার্চ দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুরের সাহাপাড়ায় খাল খননের মাধ্যমে একযোগে দেশের ৫৪টি খালের খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জানা গেছে, কৃষি সেচ, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষাসহ সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী আগামী পাঁচ বছরে দেশজুড়ে ২০ হাজার কিলোমিটার নদী-নালা-খাল ও জলাধার খনন ও পুনঃখনন করা হবে।

প্রথম পর্যায়ে ৫৪টি জেলায় চলবে এই কর্মসূচি।


ভর্তুকির বাইরেও জ্বালানি খাতে লাগছে ৩৬ হাজার কোটি টাকা

* ঘাটতি বাজেটে পড়বে বাড়তি চাপ * অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় মেটাতে চাপ সৃষ্টি হবে রিজার্ভের ওপর
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যের চলমান যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির মূল্য অস্বাভাবিকভাবে বেড়ে যাওয়ায় বাংলাদেশের ওপর ভর্তুকির চাপ ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। চলতি অর্থবছরের মার্চ থেকে জুন সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও এলএনজি খাতে নির্ধারিত ভর্তুকির বাইরে সরকারকে অতিরিক্ত প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা ব্যয় করতে হবে। আগামী ঘাটতি বাজেটে বাড়তি চাপ পড়বে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে ৩০০ বিধিতে অর্থমন্ত্রী তার বক্তব্যে দেশের সার্বিক অর্থনৈতিক চিত্র তুলে ধরে বলেছেন, আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেল ও এলএনজির মূল্য দ্বিগুণেরও বেশি বেড়ে যাওয়ায় এই অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রয়োজন হচ্ছে। এর ফলে একদিকে বাজেটে ঘাটতি বাড়বে, অন্যদিকে প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত আমদানি ব্যয় বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘আমরা দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ১০ দিনের মাথায় মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধ শুরু হয়েছে- যা বৈশ্বিক জ্বালানি বাজার, সরবরাহ শৃঙ্খল এবং আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি করেছে। জ্বালানি তেল ও এলএনজির মূল্য আন্তর্জাতিক বাজারে দ্বিগুণের বেশি বেড়ে গেছে। এর প্রভাবে সরকারকে চলতি অর্থবছরের মার্চ-জুন সময়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি, এলএনজিতে নির্ধারিত ভর্তুকির অতিরিক্ত আরও প্রায় ৩৬ হাজার কোটি টাকা দিতে হবে। এটি একদিকে যেমন সরকারের বাজেট ঘাটতি বাড়াবে অন্যদিকে সমপরিমাণ প্রায় ৩ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের আমদানি মূল্য পরিশোধে বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভেও প্রভাব ফেলবে।

আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ‘সরকার এ অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় জনগণকে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ ব্যবহারে সাশ্রয়ী হতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নিয়েছে। যার মধ্য উল্লেখযোগ্য—সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত অফিস-আদালত বিকেল ৫টার পরিবর্তে ৪টায় বন্ধ করা, ডেলাইট ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক লাইট ব্যবহার কমানো ও এসির তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ, মার্কেট-সুপারমল সন্ধ্যা ৭টার মধ্যে বন্ধ করা, বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সংগ্রহ করে জ্বালানির নিরাপত্তা মজুত নিশ্চিত করা, ভর্তুকির অর্থ যথাসময়ে ছাড়ের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে জ্বালানি ক্রয় ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা এবং বাজেটে অতিরিক্ত আর্থিক চাপ ও ব্যালেন্স অব পেমেন্টে বৈদেশিক মুদ্রার চাপ সহনীয় রাখতে উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে অতিরিক্ত বাজেট সাপোর্ট পেতে উদ্যোগ গ্রহণ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘একটি আমদানিনির্ভর অর্থনীতি হিসেবে বাংলাদেশ এই ভূরাজনৈতিক বাস্তবতার বাইরে নয়। বৈশ্বিক বাজারে জ্বালানির উচ্চমূল্যের কারণে সরকারের অতিরিক্ত ভর্তুকি প্রদানের প্রয়োজন হলেও জনগণের কষ্টের কথা মাথায় রেখে সরকার আপাতত মূল্য সমন্বয় না করে পূর্বের মূল্যই বহাল রেখেছে। এই প্রতিকূল বৈশ্বিক পরিবেশের মধ্যেই আমাদের অর্থনীতিকে সামনে এগিয়ে নিতে হবে এবং আমরা সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় প্রস্তুত।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা অর্থনীতির বিভিন্ন ক্ষেত্রে শৃঙ্খলা স্থাপন ও নানা চাপ মোকাবিলা করে ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেট প্রণয়নের কাজে হাত দিয়েছি। নবনির্বাচিত সরকারের প্রথম বাজেটের কাছে জনগণের যে বিপুল প্রত্যাশা সে বিষয়ে আমরা সম্পূর্ণ সচেতন। অন্যদিকে জনগণও উত্তরাধিকার হিসেবে পাওয়া বিভিন্ন সমস্যার কারণে আমাদের সীমাবদ্ধতা বিবেচনায় রাখবেন—এটাও আমরা আশা করি। আমাদের এবারের লক্ষ্য কেবল প্রবৃদ্ধি নয়, বরং একটি টেকসই, স্বচ্ছ ও অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনীতি গড়ে তোলা।’

আমির খসরু বলেন, ‘সেই ঐতিহ্য ও অভিজ্ঞতার উত্তরাধিকার ধারণ করে আমরা আজ আবার বাংলাদেশের অর্থনীতিকে একটি প্রাগ্রসর, অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং টেকসই পথে পরিচালিত করতে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। আমরা এটা করতে চাই স্বচ্ছতা, সততা ও জবাবদিহির ওপর নির্ভর করে।’

অর্থমন্ত্রী বলেন, ‘জনগণ আমাদের ওপর আস্থা রেখে আমাদের নির্বাচিত করেছেন। সেই আস্থার প্রতিদান দেওয়াই হবে এই সরকারের সবচেয়ে বড় দায়িত্ব।’


জাতীয় সংসদের ইতিহাসে নতুন মাইলফলক, ১৩ দিনে ৯১ বিল পাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের সংসদীয় গণতন্ত্রের ইতিহাসে এক নতুন মাইলফলক স্থাপিত হলো। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১৩ কার্যদিবসে সর্বোচ্চ ৯১টি বিল পাসের নজির সৃষ্টি হয়েছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’; ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’; ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’সহ মোট ২৪টি বিল শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে। এ নিয়ে গত ১৩ দিনে ৯১টি বিল পাস হলো। এর আগের দিন, অর্থাং বৃহস্পতিবার ৩১টি বিল পাস হয়েছিল।

পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু ‘বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন বিল, ২০২৬’; ‘বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিল, ২০২৬’; অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; ‘এক্সাইজেস অ্যান্ড সল্ট বিল, ২০২৬’; ‘মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘অর্থ ২০২৫-২৬ অর্থবছর বিল, ২০২৬’; শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল, ২০২৬’ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয়-সংক্রান্ত কিছু আইন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম ‘জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা বিল, ২০২৬’ ও ‘সাইবার সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং বিলগুলো সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করেন ও বিলটি সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এদিকে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী ‘ব্যাংক রেজল্যুশন বিল, ২০২৬’ সংসদে পাসের জন্য উত্থাপন করার প্রস্তাব করলে ঢাকা-১২ আসনের বিরোধী দলের সদস‌্য সাইফুল ইসলাম মিলন বিলটি উত্থাপনের বিরোধিতা করে জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব করেন। পরে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম বিষয়টি ভোটে দেন। পরে কণ্ঠভোটে জনমত যাচাই প্রস্তাবটি নাকচ হয় ও বিলটি পাস হয়।

সংস্কৃতিমন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব করলে মাদারীপুর-৩ আসনের সরকারি দলের সদস‌্য আনিছুর রহমান এই বিলের ওপর তিনটি সংশোধন প্রস্তাব করেন। পরে স্পিকার তার সংশোধনীগুলো গ্রহণ করেন। পরে বিলটি সংসদে স্থিরকৃত আকারে পাস হয়। তবে বিলে গৃহীত সংশোধনীর ওপর আপত্তি জানায় বিরোধী জোট। এ বিষয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের মধ্যে বেশ কিছুক্ষণ বিতর্ক অনুষ্ঠিত হয়। একপর্যায়ে বিরোধী দল সংসদ থেকে ওয়াকআউট করে।

অধিবেশনে সর্বশেষ স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন ‘ধূমপান ও তামাকজাত দ্রব্য ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ (সংশোধন) বিল, ২০২৬’ পাসের প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়।


স্টুডেন্ট ভিসায় ধাক্কা, অর্ধেকের বেশি প্রত্যাখ্যান বাংলাদেশি আবেদন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ভিসা পাওয়া পরিস্থিতি দিন দিন কঠিন হয়ে উঠছে। দেশটিতে স্টুডেন্ট ভিসা পাওয়ার হার নেমেছে অনেক। সেই সঙ্গে বেড়েছে প্রত্যাখ্যানের হারও।

দেশটির ডিপার্টমেন্ট অব হোম অ্যাফেয়ার্সের সাম্প্রতিক তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে বিদেশ থেকে করা উচ্চশিক্ষার ভিসা আবেদনগুলোর মাত্র ৬৭ দশমিক ৬ শতাংশ অনুমোদন পেয়েছে। গত অন্তত ২১ বছরের মধ্যে এটিই সবচেয়ে কম হার।

সবচেয়ে বেশি সমস্যায় পড়ছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থীরা। ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ থেকে যারা আবেদন করেছেন, তাদের ৫১ শতাংশই ভিসা পাননি। অর্থাৎ অর্ধেকেরও বেশি আবেদনকারী প্রত্যাখ্যাত হয়েছেন। তথ্যটি প্রকাশ করেছে টাইমস হায়ার এডুকেশন।

এতে দেখা যায়, দক্ষিণ এশিয়ার আরও কয়েকটি দেশেও ভিসা প্রত্যাখ্যান বেড়েছে। যেমন ভারতে ৪০ শতাংশ, নেপালে ৬৫ শতাংশ, শ্রীলঙ্কায় ৩৮ শতাংশ এবং ভুটানে ৩৬ শতাংশ আবেদন বাতিল হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, অস্ট্রেলিয়ার কর্তৃপক্ষ এখন যাচাই-বাছাই আরও কঠোর করেছে। আবেদনকারী সত্যিই পড়াশোনার জন্য যাচ্ছে কিনা, সেটি বেশি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। ফলে অনেক আবেদন বাতিল হয়ে যাচ্ছে।

এদিকে দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলো থেকে আবেদনও বেড়েছে। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে আবেদন বেড়েছে ৫১ শতাংশ। ভারতের ক্ষেত্রে এই হার ৩৬ শতাংশ আর নেপালে ৯১ শতাংশ। তবে চীন থেকে আবেদন কমেছে।

এ পরিস্থিতির প্রভাব পড়ছে অস্ট্রেলিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও। ভিসা না পাওয়ার হার বাড়লে কোনো প্রতিষ্ঠানের ‘ঝুঁকি’ বাড়ে। ফলে ভবিষ্যতে সেখানকার আবেদন আরও কঠোরভাবে যাচাই করা হতে পারে।

এ নিয়ে উদ্বেগ জানিয়েছে ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন অ্যাসোসিয়েশন অব অস্ট্রেলিয়া। সংগঠনটি বলছে, ভিসা প্রত্যাখ্যানের হার যেভাবে বাড়ছে, তা নিয়ে এখনই পদক্ষেপ নেওয়া দরকার।

সব মিলিয়ে, অস্ট্রেলিয়ায় উচ্চশিক্ষার পরিকল্পনা করা বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য সময়টা সহজ নয়। তাই আবেদন করার আগে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও প্রস্তুতি আরও ভালোভাবে যাচাই করার পরামর্শ দিচ্ছেন সংশ্লিষ্টরা।


জুলাই যোদ্ধাদের পুনর্বাসন ও জুলাই স্মৃতি জাদুঘর বিল সংসদে পাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ-২০২৬ জাতীয় সংসদে সর্বসম্মতিতে পাস হয়েছে। শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসনসহ গণঅভ্যুত্থানের মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে প্রতিষ্ঠিত করার লক্ষ্যে এবং এ সংক্রান্ত ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে বিলটি উত্থাপন করা হয়। অন্যদিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) জাতীয় সংসদে বিলটি উত্থাপন করেছেন মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আযম খান। এরপর অধিবেশন পরিচালনার দায়িত্বে থাকা ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বিলটি ভোটে দেন। তখন সংসদ সদস্যরা ‘হ্যাঁ’ বলে বিলের পক্ষে সম্মতি দেন।

স্পিকার বিলটি পাসের ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই পুরো সংসদ কক্ষ দীর্ঘস্থায়ী করতালিতে মুখরিত হয়ে ওঠে। সংসদ সদস্যরা দাঁড়িয়ে এবং টেবিল চাপড়িয়ে এই পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। মাইক ছাড়াই অনেকে এটিকে ‘বিপ্লবের আইনি স্বীকৃতি’ হিসেবে অভিহিত করেন। সরকারের দলের পক্ষ থেকে বিরোধী দলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা হয়।

বিলের উদ্দেশ্য ও বিষয়বস্তু অনুযায়ী, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদদের পরিবার এবং আহত যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন নিশ্চিত করার পাশাপাশি এই অভ্যুত্থানের প্রকৃত মর্ম ও আদর্শকে রাষ্ট্রীয় ও জাতীয় জীবনে সুপ্রতিষ্ঠিত করা এবং সঠিক ইতিহাস সংরক্ষণের উদ্দেশ্যে এই আইনটি প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রসঙ্গত, মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৫ সালের ১৭ জুন এ-সংক্রান্ত একটি অধ্যাদেশ জারি করে গেজেট প্রকাশ করেছিল। ইতোমধ্যে কার্যকর হওয়া সেই অধ্যাদেশটি জাতীয় সংসদে বিলটি পাসের মাধ্যমে স্থায়ী আইনে পরিণত হলো।

অপরদিকে জুলাই আন্দোলনের ইতিহাস, নিদর্শন ও দলিলাদি সংরক্ষণ, গবেষণা ও প্রদর্শনের জন্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর প্রতিষ্ঠা ও পরিচালনার উদ্দেশে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান স্মৃতি জাদুঘর বিল, ২০২৬’ জাতীয় সংসদে পাস হয়েছে।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী সংসদ অধিবেশনে বিলটি পাসের প্রস্তাব উত্থাপন করলে তা কণ্ঠভোটে পাস হয়। বিলটি পাসের বিষয়ে বিরোধীদলীয় সদস্যরা আপত্তি জানালেও বিধিসম্মত না হওয়ায় তা গ্রহণ করেননি স্পিকার।


এমপিদের সমস্যা মনোযোগ দিয়ে শুনুন, নোট নিন: ডেপুটি স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের অধিবেশনে সংসদ সদস্যদের (এমপি) উত্থাপিত জনগুরুত্বপূর্ণ সমস্যাগুলো মনোযোগ দিয়ে শোনার এবং প্রয়োজনে তা লেখে রাখার জন্য মন্ত্রীদের প্রতি বিশেষ অনুরোধ জানিয়েছেন ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সংসদ অধিবেশনে সভাপতিত্ব করার সময় সরকারি ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যদের বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে এ মন্তব্য করেছেন তিনি।

ডেপুটি স্পিকার বলেন, ‘অনেক সময় দেখা যায় সংসদ সদস্যরা নিজ নিজ এলাকার সমস্যা তুলে ধরেন। তখন সংশ্লিষ্ট অনেক মন্ত্রীই তা মনোযোগ দিয়ে শোনছেন না বা নোট নিচ্ছেন না। এতে এমপিদের মধ্যে হতাশা তৈরি করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সংসদীয় গণতন্ত্রকে শক্তিশালী করতে হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা জরুরি। ট্রেজারি বেঞ্চ হোক কিংবা বিরোধী দল–নির্বিশেষে সবার কথা শোনার মাধ্যমেই জনগণের সমস্যার সঠিক সমাধান সম্ভব।’

মন্ত্রীদের এই ছোট উদ্যোগগুলো মাঠপর্যায়ে সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড ত্বরান্বিত করতে বড় ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


হামে আরও ৪ জনের মৃত্যু হাসপাতালে ভর্তি ১১৭৭ জন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশে হামে গত ২৪ ঘণ্টায় (গতকাল শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত) হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে নতুন করে ১ হাজার ১৭৭ জন রোগী দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামে মোট ১৬৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ইতোমধ্যে দেশের ৩০ জেলায় জরুরি হাম-রুবেলা (এমআর) টিকাদান কর্মসূচি শুরু করেছে সরকার। আগামী ২০ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এই কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, গত এক দিনে নতুন করে ১৬৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ১৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত দেশে নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২,৪০৯ জনে। এ ছাড়া সন্দেহজনক রোগীর সংখ্যা ৮ হাজার ৯১০ জন। একই সময়ে চিকিৎসা নিয়েছেন মোট ১৩ হাজার ৪৯৭ জন এবং সুস্থ হয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ৬ হাজার ৬০৯ জন।

এদিকে পূর্বে পাঠানো তথ্যে ভুল থাকায় তা সংশোধন করা হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। সংশোধিত তথ্যে বলা হয়, রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে দুটি এবং ঢাকার ইউনিভার্সাল মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একটি সন্দেহজনক মৃত্যুর তথ্য ভুলভাবে যুক্ত হয়েছিল। এ কারণে মোট সন্দেহজনক মৃত্যুর সংখ্যা তিনটি কমানো হয়েছে।


জাতীয় সংসদে আরও ২০ বিল পাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের জারি করা অধ্যাদেশগুলোকে আইনে রূপান্তরের লক্ষ্যে জাতীয় সংসদে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) আরও ২০টি বিল পাস হয়েছে। এরমধ্যে সকালের অধিবেশনে ১০টি বিল পাস হয়েছে।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (৯ এপ্রিল) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের ১১তম কার্যদিবসে কণ্ঠভোটে ৩১টি বিল পাস হয়। এর মধ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা অধ্যাদেশ থেকে কোনো পরিবর্তন ছাড়াই ২৮টি বিল পাস করা হয় এবং অধ্যাদেশ রহিত করে আরও তিনটি বিল অনুমোদন দেওয়া হয়।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের শুক্রবার (১০ এপ্রিল) ১৩তম দিনের সকালের অধিবেশনে উত্থাপিত বিলগুলোর ওপর দফাওয়ারী কোনো সংশোধনী প্রস্তাব না থাকায় সংসদে এ বিষয়ে আলোচনা হয়নি। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীরা বিলগুলো উত্থাপন করলে সর্বসম্মতিক্রমে সেগুলো পাস হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ, বীরবিক্রম।

অন্তর্বর্তীকালীন সময়ে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সংসদের বিশেষ কমিটি ৯৮টি অপরিবর্তিতভাবে এবং ১৫টি সংশোধনসহ পাশের সুপারিশ করে। বাকি ২০টির মধ্যে ৪টি বাতিল এবং ১৬টি আরও শক্তিশালী করে নতুন বিল আকারে আনার সুপারিশ করা হয়।

পাস হওয়া বিলগুলোর মধ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রী জাকারিয়া তাহের উত্থাপন করেন- ‘নারায়ণগঞ্জ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘বরিশাল উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘ময়মনসিংহ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘কুমিল্লা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; ‘রংপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’; সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী উত্থাপন করেন- ‘বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু উত্থাপন করেন- ‘বাংলাদেশ বনশিল্প উন্নয়ন করপোরেশন বিল, ২০২৬’; ‘বন্য প্রাণী সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা বিল, ২০২৬’; অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী উত্থাপন করেন- ‘আমানত সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; ‘এক্সাইজেস অ্যান্ড সল্ট বিল, ২০২৬’; মূল্য সংযোজন কর ও সম্পূরক শুল্ক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ‘গ্রামীণ ব্যাংক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; বাংলাদেশ ব্যাংক (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; শিক্ষা মন্ত্রী আনম এহছানুল হক মিলন উত্থাপন করেন- ‘ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটি বিল, ২০২৬’ ও ‘বিশ্ববিদ্যালয় সংক্রান্ত কতিপয় আইন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম উত্থাপন করেন- ‘জাতীয় উপাত্ত ব্যবস্থাপনা বিল, ২০২৬’ ও ‘সাইবার সুরক্ষা বিল, ২০২৬’; মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী এ জেড এম জাহিদ হোসেন উত্থাপন করেন- ‘নারী ও শিশু নির্যাতন দমন (সংশোধন) বিল, ২০২৬’; মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আহমেদ আজম খান ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহীদ পরিবার এবং জুলাই যোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন বিল, ২০২৬’ পাশের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং বিলগুলো সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।

এ ছাড়া প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পক্ষে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ‘মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ বিল, ২০২৬’ পাশের প্রস্তাব উত্থাপন করেন এবং বিলগুলো সর্বসম্মতিক্রমে পাস হয়।


যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরলেন সেনাপ্রধান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

যুক্তরাষ্ট্র সফর শেষে দেশে ফিরেছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যে বিভিন্ন কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে শুক্রবার (১০ এপ্রিল) দেশে ফেরেন তিনি।

সফরকালে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে বাংলাদেশি শান্তিরক্ষীদের প্রশংসনীয় অবদানের স্বীকৃতিস্বরূপ জর্জিয়া অঙ্গরাজ্যের পক্ষ থেকে সেনাপ্রধানকে একটি বিশেষ রেজ্যুলেশন দেওয়া হয়।

এ ছাড়া গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হয়।


সংসদ গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য বরাদ্দ হলো আরও ১০০ আসন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আনম এহছানুল হক মিলনের আবেদনের প্রেক্ষিতে জাতীয় সংসদের দর্শক গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ১০০টি আসন বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর ফলে সংসদ অধিবেশনে শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত মোট আসন সংখ্যা ৫০ থেকে বৃদ্ধি পেয়ে ১৫০টিতে উন্নীত হলো।

শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে, এর আগে সংসদ গ্যালারিতে অনূর্ধ্ব ১২ বছর বয়সী শিক্ষার্থীদের জন্য মাত্র ৫০টি আসন সংরক্ষিত ছিল। আসন সংখ্যা বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা অনুভব করে মন্ত্রী স্পিকারের কাছে একটি আনুষ্ঠানিক পত্রের মাধ্যমে আরও ১০০টি আসন বরাদ্দের আবেদন জানান। স্পিকার সেই আবেদন অনুমোদন করেছেন।

নতুন এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে পূর্বের তুলনায় আরও বেশি সংখ্যক শিক্ষার্থী সরাসরি সংসদের কার্যক্রম দেখার সুযোগ পাবে। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম সংসদীয় রীতিনীতি ও গণতান্ত্রিক চর্চার সঙ্গে নিবিড়ভাবে পরিচিত হওয়ার সুযোগ লাভ করবে।

এ বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শিক্ষার্থীদের রাষ্ট্র সম্পর্কে ধারণা দিতে বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। সেই ধারাবাহিকতায় বর্তমান প্রজন্মকে রাষ্ট্র ও রাজনীতি সম্পর্কে সচেতন করতে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, এই বিষয়ে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব মো. গোলাম সারওয়ার ভূঁইয়ার সঙ্গে তার বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে। সচিব এই উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেছেন, শিক্ষার্থীরা সংসদে এলে অধিবেশন শুরু হওয়ার আগে তাদেরকে সংসদের কার্যপ্রণালী, স্থাপত্যশৈলী, ইতিহাস ও ঐতিহ্য সম্পর্কে বিস্তারিত অবহিত করা হবে।


'দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার', হাসনাতকে স্পিকার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিনিধি

কুমিল্লা-৪ আসনের সংসদ সদস্য হাসনাত আবদুল্লাহকে সংসদ অধিবেশনে অসহিষ্ণু না হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, এটা শাহবাগ মোড় নয়, এটা সংসদ।

শুক্রবার (১০ এপ্রিল) সন্ধ্যার পর অধিবেশন চলাকালে তিনি এ কথা বলেন।

সংসদ সদস্যকে উদ্দেশ্য করে স্পিকার বলেন, ‘এত অসহিষ্ণু হলে চলবে না মি. আবদুল্লাহ। দিস ইজ নট শাহবাগ স্কয়ার, দিস ইজ পার্লামেন্ট। এখানে ধৈর্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে, শুনতে হবে। আর মৌখিক কথাবার্তার স্কোপ এখানে খুবই কম। নোটিশ দেবেন।’

তিনি বলেন, ‘আইনমন্ত্রীর কথা পূর্ণ বিবেচনা করা যেতে পারে। প্রয়োজনে নিজেদের মধ্যে আলাপ-আলোচনা করে পরবর্তী অধিবেশনে একটি সংশোধনী বিল আনেন। সেটি নিশ্চয়ই সরকারি দল বিবেচনা করবে।’

সংসদের পরিবেশ ভালো রাখার আহ্বান জানিয়ে স্পিকার বলেন, ‘এত বড় জুলাই অভ্যুত্থানের পর এই সংসদ হয়েছে। ইলেকশনের মাধ্যমে আমরা সবাই এখানে এসেছি। এত বড় বিরোধীদল খুব কমই এসেছে সংসদে।’


banner close