শনিবার, ২২ আগস্ট ২০২৬
৭ ভাদ্র ১৪৩৩

বায়ুদূষণে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকা

ফাইল ছবি
আপডেটেড
২৪ মার্চ, ২০২৩ ০৯:৫২
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৪ মার্চ, ২০২৩ ০৯:৪৫

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান আইকিউ এয়ার বলছে, ঢাকার বাতাস আজ গতকালের চেয়েও খারাপ হয়েছে। বিশ্বের ১০০টি শহরের মধ্যে বাতাসের নিম্নমানের দিক থেকে শুক্রবার সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে রাজধানীর অবস্থান ছিল ষষ্ঠ। আর এ সময় স্কোর ছিল ১৫৫। গতকাল ঢাকায় স্কোর ছিল ১৩৭। অবস্থান ছিল নবম।

এদিকে ওই সময় তালিকায় ২২৩ স্কোর নিয়ে বায়ুদূষণে শীর্ষে রয়েছে ভারতের দিল্লি। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে ইরাকের বাগদাদ, থাইল্যান্ডের চিয়াং মাই তৃতীয়, ভিয়েতনামের হ্যানয় চতুর্থ ও পঞ্চম অবস্থানে ছিল পাকিস্তানের লাহোর।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার। কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়। ৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়। ১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়। র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়। তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার। সকাল ৯টা ৩২ মিনিটে অস্বাস্থ্যকর বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয়েছে রাজধানীবাসীকে।

বিষয়:

নির্বাচিত

চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চাঁদাবাজদের নির্মূলে কঠোর পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি জানিয়েছেন, সারা দেশে চাঁদাবাজদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে এবং এই অপকর্মের সঙ্গে যদি কোনো পুলিশ সদস্যের সম্পৃক্ততা পাওয়া যায়, তবে তাদেরও পৃথক তালিকা তৈরি করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। আজ শনিবার বিকেলে সন্ত্রাসীদের হামলায় গুরুতর আহত অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে হাসপাতালে দেখতে গিয়ে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইএনটি বিভাগের প্রধান অধ্যাপক আসাদুর রহমানের ওপর হামলার ঘটনায় জড়িত সাতজন সন্ত্রাসীর মধ্যে ইতোমধ্যেই চারজনকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়েছে পুলিশ। এই দ্রুত পদক্ষেপের জন্য তিনি পুলিশের প্রশংসা করলেও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও তৎপর হওয়ার তাগিদ দেন। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, সন্ত্রাসীদের ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই এবং বাকিদেরও দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে।

আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ডিএমপি এবং দেশের সকল মেট্রোপলিটন এলাকায় চাঁদাবাজ ও মাদক ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি গ্রহণ করা হয়েছে। তিনি হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, অপরাধীদের বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে যদি কোনো আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য ব্যর্থ হন, তবে সেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধেও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

জনগণের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে আরও দায়বদ্ধ করার লক্ষে এই কঠোর নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি সাধারণ মানুষকে অপরাধীদের তথ্য দিয়ে পুলিশকে সহযোগিতা করার আহ্বান জানান। অপরাধমুক্ত সমাজ গড়তে সরকার বদ্ধপরিকর বলেও তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

তথ্যমন্ত্রীর পদ ছাড়লেন জহির উদ্দিন স্বপন, হলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা

জহির উদ্দিন স্বপন। ফাইল ছবি
আপডেটেড ২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৯:০৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন তাঁর পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছেন। তাঁকে নতুন করে মন্ত্রী পদমর্যাদায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ প্রদান করা হয়েছে। আজ শনিবার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে এই রদবদল সংক্রান্ত দুটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত পদত্যাগ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় যে, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনের পদত্যাগপত্র রাষ্ট্রপতি কর্তৃক গৃহীত হয়েছে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর হবে। এর পরপরই জারি করা অপর এক প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’ অনুযায়ী জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এই পদে থাকাকালীন তিনি একজন পূর্ণ মন্ত্রীর যাবতীয় পদমর্যাদা, বেতন-ভাতা এবং আনুষঙ্গিক অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ভোগ করবেন।

উল্লেখ্য, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বরিশাল-১ (গৌরনদী-আগৈলঝাড়া) আসন থেকে বিপুল ভোটে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন জহির উদ্দিন স্বপন। পরবর্তীতে চলতি বছরের ১৭ ফেব্রুয়ারি বিএনপি নেতৃত্বাধীন নতুন মন্ত্রিসভা গঠিত হলে তাঁকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল।

মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব ছেড়ে গুরুত্বপূর্ণ এই উপদেষ্টা পদে তাঁর নিযুক্তিকে সরকারের নীতিনির্ধারণী পর্যায়ে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ হিসেবে দেখছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা। নতুন এই দায়িত্ব পাওয়ায় বরিশালসহ তাঁর নির্বাচনী এলাকায় নেতা-কর্মীদের মধ্যে উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে। এখন থেকে তিনি সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের সমন্বয়ে বিশেষ ভূমিকা পালন করবেন।


নির্বাচিত

সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত হচ্ছে ভোলা, মহাসড়ক নির্মাণকাজ দ্রুত এগিয়ে নিতে নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দ্বীপ জেলা ভোলাকে দেশের মূল সড়ক নেটওয়ার্কের সাথে সংযুক্ত করতে রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটে একটি নতুন মহাসড়ক নির্মাণের সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোকে বিশেষ নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চ পর্যায়ের এক বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব হাসান শিপলু বৈঠকের বিষয়বস্তু নিশ্চিত করে জানান যে, ভোলার সাথে ঢাকা ও বরিশালের সরাসরি সড়ক যোগাযোগ স্থাপনের জন্য তিনটি পৃথক প্রস্তাব নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়। সবদিক বিবেচনা করে সড়ক ও জনপথ (সওজ) অধিদপ্তরের প্রস্তাবিত বরিশাল (রহমতপুর-হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা) রুটটিকেই চূড়ান্ত করা হয়েছে। এই রুটটি ব্যবহারের মাধ্যমে ভোলাবাসীকে দীর্ঘদিনের যাতায়াত বিড়ম্বনা থেকে মুক্ত করা সম্ভব হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, ভৌগোলিক প্রতিবন্ধকতা কাটিয়ে নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলা এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসার ঘটাতে একটি সমন্বিত সড়ক ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। ভোলাকে মূল সড়ক নেটওয়ার্কে যুক্ত করার মাধ্যমে এই দ্বীপ অঞ্চলের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে। প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, প্রস্তাবিত রুটে বিদ্যমান সড়ক প্রশস্ত করার পাশাপাশি নতুন রাস্তা নির্মাণ এবং তিনটি ছোট সেতু তৈরি করতে হবে। দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রকল্পের সম্ভাব্যতা যাচাই শেষ করে কাজ শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে।

বর্তমানে নদীবেষ্টিত ভোলার মানুষকে যাতায়াতের জন্য সম্পূর্ণভাবে নৌপথের ওপর নির্ভর করতে হয়। নতুন এই সড়ক সংযোগ তৈরি হলে নৌপথের ওপর নির্ভরতা কমবে এবং যাতায়াতের সময় ও খরচ উভয়ই উল্লেখযোগ্য হারে হ্রাস পাবে। হিজলা-মেহেন্দিগঞ্জ-ভোলা রুটের মাধ্যমে ঢাকা ও বরিশালের সাথে যোগাযোগ সবচেয়ে সাশ্রয়ী ও কার্যকর হবে বলে বিশেষজ্ঞরা বৈঠকে অভিমত ব্যক্ত করেন।

উক্ত সভায় সড়ক পরিবহন ও সেতু এবং রেলপথ ও নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ও সেতু বিভাগের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসানসহ বিভিন্ন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং উচ্চপদস্থ প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন। দ্বীপবাসীর দীর্ঘদিনের লালিত এই সড়ক সংযোগের স্বপ্ন এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।


নির্বাচিত

কাজের পরিধি ও গতি বাড়াতেই পররাষ্ট্রে দুই প্রতিমন্ত্রী : শামা ওবায়েদ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে শামা ওবায়েদ ইসলামের পাশাপাশি নতুন করে প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবিরকে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেওয়ায় রাজনৈতিক মহলে যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে, তার সুস্পষ্ট ব্যাখ্যা দিয়েছেন শামা ওবায়েদ নিজেই। আজ শনিবার রাজধানীর একটি হোটেলে সেন্টার ফর গভর্নেন্স স্টাডিজ (সিজিএস) আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এই বিষয়ে সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, বর্তমানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাজের পরিধি ও ব্যস্ততা বিগত যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি বৃদ্ধি পেয়েছে। এই বাড়তি কর্মযজ্ঞ সামলানো এবং কূটনৈতিক তৎপরতাকে আরও গতিশীল করার লক্ষ্যেই সরকার মন্ত্রণালয়ে দুজন প্রতিমন্ত্রী নিয়োগের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন যে, গত ছয় মাসে মন্ত্রণালয়ে যে পরিমাণ কাজ হয়েছে তা গত ১৭ বছরের মধ্যে নজিরবিহীন। মন্ত্রণালয়ের কাজের সুবিধার্থে টিমওয়ার্ক হিসেবে দায়িত্ব পালন করাটাই এখন মূল লক্ষ্য।

বিগত কয়েক মাসে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অর্জনের কথা তুলে ধরে প্রতিমন্ত্রী জানান, অভিবাসন সংকট নিরসন ও অবৈধ অভিবাসন রোধে তিনটি নতুন উইং চালু করা হয়েছে। এছাড়া প্রবাসী কল্যাণ, সংস্কৃতি, শ্রম ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধির জন্য আন্তঃমন্ত্রণালয় ফোকাল পয়েন্ট কমিটি গঠন করা হয়েছে। তিনি আরও মনে করিয়ে দেন যে, বর্তমান পররাষ্ট্রমন্ত্রী জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের সভাপতি নির্বাচিত হওয়ায় আগামী এক বছর তিনি বিশ্ব রাজনীতিতে অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করবেন। ফলে মন্ত্রণালয়ের দৈনন্দিন কাজ ও গতি বেগবান রাখতে সরকারের এই সিদ্ধান্ত অত্যন্ত সময়োপযোগী।

মক্কা প্যাক্ট ও বিভিন্ন বহুপাক্ষিক জোটে বাংলাদেশের অন্তর্ভুক্তি নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ ইসলাম স্পষ্ট জানান যে, এ ধরনের যেকোনো সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে বাংলাদেশের জাতীয় স্বার্থ ও জনগণের আকাঙ্ক্ষাই হবে প্রধান ভিত্তি। তিনি জোর দিয়ে বলেন, কোনো জোটে যুক্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত সরকার স্বাধীনভাবে গ্রহণ করবে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো তথ্য দেশীয় গণমাধ্যমের মাধ্যমেই আগে প্রকাশিত হবে। বিদেশি সংবাদমাধ্যমের কোনো তথ্যে প্রভাবিত হওয়ার সুযোগ নেই বলে তিনি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন। মূলত কাজের দক্ষ বন্টন ও বৈশ্বিক কূটনীতিতে বাংলাদেশের অবস্থান সুদৃঢ় করতেই এই প্রশাসনিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান।


নির্বাচিত

জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন মাসের রিজার্ভ তৈরির পরিকল্পনা সরকারের: অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৫:৫৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী জানিয়েছেন, দেশের টেকসই অর্থনৈতিক উন্নয়নের প্রধান শর্ত হলো জ্বালানি নিরাপত্তা। আজ শনিবার রাজধানীর মতিঝিলে ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিআইআই) আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। অর্থমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে, সরকার প্রতিটি জ্বালানি খাতে অন্তত তিন মাসের মজুদ বা রিজার্ভ নিশ্চিত করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।

‘২০২৬ অর্থবছরের দ্বি-বার্ষিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি: প্রেক্ষিত রাজস্ব ও মুদ্রানীতি এবং বেসরকারিখাতের প্রত্যাশা’ শীর্ষক এই সেমিনারে আমির খসরু বলেন, উত্তরাধিকারসূত্রে সরকার যে নাজুক জ্বালানি পরিস্থিতি পেয়েছে, সেখান থেকে উত্তরণ ঘটানো রাতারাতি সম্ভব নয়। তিনি জানান, দায়িত্ব নেওয়ার সময় কোনো কোনো জ্বালানি খাতে মাত্র ১৫-১৭ দিনের মজুদ ছিল, যা বর্তমানে এক মাসে উন্নীত করা হয়েছে। এখন লক্ষ্য হচ্ছে এই মজুদকে তিন মাসে নিয়ে যাওয়া। গ্যাসের সংকট সমাধানে অনশোর গ্যাস উত্তোলন বৃদ্ধি এবং পাইপলাইন নির্মাণসহ দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণ করা হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বেসরকারি খাতের ভূমিকার প্রশংসা করে বলেন, বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধি মূলত বেসরকারি খাতনির্ভর এবং বিএনপির অর্থনৈতিক দর্শনও এই খাতের বিকাশকে কেন্দ্র করে আবর্তিত। তিনি বিনিয়োগ বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন, স্থানীয় বিনিয়োগ না বাড়লে বিদেশী বিনিয়োগকারীরা আস্থাশীল হবে না। ব্যবসার খরচ কমাতে কাস্টমস ও বন্দর কার্যক্রমকে আরও গতিশীল এবং সময়বদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে তিনি জানান। পাশাপাশি ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে এবং কোনো ধরনের জটিলতা দ্রুত নিরসনের লক্ষ্যে একটি ওয়েবসাইট চালুর কথাও তিনি ঘোষণা করেন।

ঋণ খেলাপিদের বিষয়ে অর্থমন্ত্রী জানান, আগামী ১ সেপ্টেম্বর থেকে ঋণ পুনঃতফসিল এবং ওয়ান-টাইম সেটেলমেন্টের বিশেষ প্যাকেজ কার্যকর হবে। যারা ব্যবসা চালিয়ে যেতে চান তাঁরা পুনঃতফসিল সুবিধা পাবেন এবং যারা বেরিয়ে যেতে চান তাঁরা ওয়ান-টাইম সেটেলমেন্টের মাধ্যমে দায়মুক্তি নিতে পারবেন। অর্থমন্ত্রী সাফ জানিয়ে দেন, আর্থিক খাতে কোনো ধরনের রাজনৈতিক নিয়োগ বা হস্তক্ষেপ বরদাশত করা হবে না। বাজার ব্যবস্থার প্রতি সম্মান প্রদর্শন করেই আর্থিক খাতের সংবেদনশীলতা রক্ষা করা হবে।

সেমিনারে অর্থমন্ত্রী আরও জানান, সরকার ‘ক্রিয়েটিভ ইকোনমি’ ও কুটির শিল্পকে মূলধারার অর্থনীতিতে যুক্ত করতে কাজ করছে। গ্রামীণ কারুশিল্পী ও ঐতিহ্যবাহী পণ্যের সাথে যুক্ত উদ্যোক্তাদের ঋণ এবং বিপণন সহায়তা প্রদান করা হবে। এছাড়া থিয়েটার, চলচ্চিত্র, সংগীত এবং ক্রীড়া খাতকেও জিডিপির অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবে মনিটাইজ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।

সেমিনারে ড. জাইদি সাত্তার, মাহবুবুর রহমান এবং ড. হোসেন জিল্লুর রহমান বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। প্যানেল আলোচনায় মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের এমডি সৈয়দ মাহবুবুর রহমান, ট্রান্সকম গ্রুপের সিইও সিমিন রহমান এবং বিআইডিএস-এর মহাপরিচালক ড. এ কে এনামুল হক অংশ নেন। সেমিনারের স্বাগত বক্তব্যে ডিসিসিআই সভাপতি তাসকিন আহমেদ বেসরকারি খাতের প্রত্যাশা ও চ্যালেঞ্জগুলো তুলে ধরেন।


নির্বাচিত

জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনিযুক্ত মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের শ্রদ্ধা নিবেদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৩৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর সন্তানদের স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেছেন সদ্য শপথ গ্রহণকারী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ। আজ শনিবার দুপুরে তাঁরা স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে এই শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন করেন।

এর আগে একই দিন সকালে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সাভারে পৌঁছে স্মৃতিসৌধের বেদিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে শহিদদের প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা জানান। শহিদদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীবৃন্দ সেখানে কিছুক্ষণ নিরবে দাঁড়িয়ে থাকেন এবং বীর সেনানীদের আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন।

উল্লেখ্য, গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে আয়োজিত এক রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে চারজন মন্ত্রী এবং দুইজন প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ গ্রহণের পরপরই তাঁদের মাঝে দাপ্তরিক দায়িত্ব বা দপ্তর বণ্টন করা হয়।

মন্ত্রিসভায় নতুন অন্তর্ভুক্ত হওয়া চারজন পূর্ণ মন্ত্রী হলেন—বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আবদুল মঈন খান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ, সাবেক বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত এবং বান্দরবানের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী। একই অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং গাইবান্ধা-৪ আসনের সংসদ সদস্য মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন। নবনিযুক্ত এই সদস্যরা দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো জাতীয় স্মৃতিসৌধে গিয়ে তাঁদের শ্রদ্ধা নিবেদন সম্পন্ন করলেন।


নির্বাচিত

মির্জা ফখরুল ইসলামকে মালদ্বীপের প্রেসিডেন্টের অভিনন্দন

বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে উষ্ণ অভিনন্দন জানিয়েছেন মালদ্বীপের প্রেসিডেন্ট মোহামেদ মুইজ্জু। আজ শনিবার (২২ আগস্ট) প্রেরিত এক বিশেষ বার্তায় তিনি এই অভিনন্দন জানান। প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু তাঁর বার্তায় উল্লেখ করেছেন যে, এই নির্বাচন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রায় একটি অনন্য মাইলফলক হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে।

মালদ্বীপ সরকার ও সে দেশের জনগণের পক্ষ থেকে জানানো এই শুভেচ্ছা বার্তায় প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বলেন, দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশে যে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ রাষ্ট্রপতি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে, তা দেশটির গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় একটি বড় অর্জন। তিনি মনে করেন, এই বিজয় মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের প্রতি বাংলাদেশের সাধারণ মানুষের সুগভীর আস্থারই বহিঃপ্রকাশ।

বার্তায় আরও উল্লেখ করা হয় যে, বাংলাদেশ ও মালদ্বীপের মধ্যে বিদ্যমান সম্পর্ক ঐতিহাসিক বন্ধন এবং আঞ্চলিক শান্তি ও উন্নয়নের অভিন্ন লক্ষ্যের ওপর প্রতিষ্ঠিত। নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির সুযোগ্য নেতৃত্বে দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা এবং বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আগামীতে আরও নতুন উচ্চতায় পৌঁছাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

প্রেসিডেন্ট মুইজ্জু বিশ্বাস করেন, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের কার্যকালে বাংলাদেশ স্থায়ী শান্তি, নিরবচ্ছিন্ন অগ্রগতি এবং সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। দুই দেশের জনগণের মধ্যে পারস্পরিক সৌহার্দ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে দক্ষিণ এশীয় অঞ্চলে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে তিনি একসাথে কাজ করার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন। এর আগে গতকাল বঙ্গভবনে দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।


নির্বাচিত

ঠাকুরগাঁও-১ আসন শূন্য ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের ঠাকুরগাঁও-১ আসন থেকে নির্বাচিত সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের নতুন রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করায় তাঁর সংসদীয় আসনটি শূন্য ঘোষণা করা হয়েছে। সাংবিধানিক নিয়ম অনুযায়ী আজ শনিবার (২২ আগস্ট) বাংলাদেশ জাতীয় সংসদ সচিবালয় এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে।

সংসদ সচিবালয়ের লেজিসলেটিভ সাপোর্ট উইংয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয় যে, মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতির কার্যভার গ্রহণ করেছেন। সংবিধানের ৫০(৪) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, কোনো সংসদ সদস্য রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করলে তাঁর সংসদীয় আসনটি স্বয়ংক্রিয়ভাবে শূন্য হয়ে যায়। ফলে মির্জা ফখরুলের কার্যভার গ্রহণের তারিখ থেকেই ঠাকুরগাঁও-১ আসনটি শূন্য বলে গণ্য হবে।

প্রজ্ঞাপনটি সরকারি গেজেটে প্রকাশের জন্য ইতোমধ্যেই সরকারি মুদ্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। একই সাথে শূন্য হওয়া এই আসনটিতে উপ-নির্বাচন অনুষ্ঠানের প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য নির্বাচন কমিশন সচিবালয়কে বিষয়টি অবহিত করা হয়েছে।

সংসদ সচিবালয়ের এই আদেশের অনুলিপি মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়, স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারের দপ্তর এবং বিরোধীদলীয় নেতার কার্যালয়সহ সংশ্লিষ্ট সকল গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা ও অবগতির জন্য প্রেরণ করা হয়েছে। এখন বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ঠাকুরগাঁও-১ আসনে উপ-নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করবে। এর মাধ্যমে মির্জা ফখরুলের দীর্ঘদিনের সংসদীয় এলাকার প্রতিনিধিত্বের আনুষ্ঠানিক অবসান ঘটল।


নির্বাচিত

মালয়েশিয়ায় কর্মী নিয়োগে ২৫ এজেন্সির তালিকা প্রকাশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

বাংলাদেশ থেকে কর্মী নিয়োগের লক্ষ্যে মালয়েশিয়ার বিদেশি কর্মী নিয়োগ সংক্রান্ত প্ল্যাটফর্ম ‘এফডব্লিউসিএমএস’ ২৫টি রিক্রুটিং এজেন্সির একটি তালিকা প্রকাশ করেছে। শুক্রবার সংস্থাটি তাদের নিজস্ব ওয়েবসাইটে এই তালিকাভুক্তি চূড়ান্ত করে প্রকাশ করে। তবে জনশক্তি রপ্তানিকারকদের সংগঠন বায়রার একটি বড় অংশ বাংলাদেশের সকল লাইসেন্সধারী এজেন্সির জন্য বাজারটি উন্মুক্ত রাখার দাবি জানিয়ে আসলেও আপাতত এই ২৫টি এজেন্সিকেই নিয়োগ প্রক্রিয়ার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এফডব্লিউসিএমএস-এর তালিকায় স্থান পাওয়া এজেন্সিগুলো হলো: বাংলাদেশ ওয়ান ওভারসিজ লিমিটেড, বেঙ্গল হিউম্যান রিসোর্সেস ডেভেলপমেন্ট, জেনারেল ট্রেডিং কোম্পানি, মেসার্স ইউনাইটেড গালফ সার্ভিসেস, অ্যানেসা এয়ার ইন্টারন্যাশনাল, আত-তাকওয়া ওভারসিজ লিমিটেড, আর্থ-স্মার্ট বাংলাদেশ লিমিটেড, খান জাহান আলী ওভারসিজ, মেসার্স আল-শোতুপ ওভারসিজ, মাদারল্যান্ড ওভারসিজ লিমিটেড, রিফা ইন্টারন্যাশনাল, ভেলি ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল, এ-প্লাস ইন্টারন্যাশনাল, আল-হায়াত ওভারসিজ, ভালুকা ওভারসিজ, ব্রাদার্স ট্রেডিং অ্যান্ড কন্ট্রাক্টিং লিমিটেড, চাঁদপুর ইন্টারন্যাশনাল, কান্ট্রি এমপ্লয়মেন্ট এজেন্সি, গুডনেস সার্ভিসেস লিমিটেড, জুয়েল রিঙ্কু এন্টারপ্রাইজ, মেসার্স সাতক্ষীরা ইন্টারন্যাশনাল, ম্যানগ্রোভ ক্যারিয়ার লিঙ্ক, নেবারস অ্যাসোসিয়েটস লিমিটেড, তানিয়া ট্রেড ইন্টারন্যাশনাল এবং অ্যাঙ্কর কেয়ার গ্লোবাল মাইগ্রেশন।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ৩১ মে থেকে বাংলাদেশিদের জন্য মালয়েশিয়ার শ্রমবাজারটি বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল। এর ফলে হাজার হাজার কর্মী টিকিট থাকা সত্ত্বেও যাত্রা করতে পারেননি এবং অনেকে বিমানবন্দরে গিয়ে ফিরে আসতে বাধ্য হন। পরবর্তীতে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে দফায় দফায় চেষ্টা করা হলেও দীর্ঘ সময় বাজারটি বন্ধ ছিল। সরকারের পটপরিবর্তনের পর এবং বর্তমানে তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথম বিদেশ সফরে মালয়েশিয়া যান। এই সফরের পরপরই দীর্ঘ প্রতীক্ষিত শ্রমবাজারটি পুনরায় খোলার বিষয়ে আশার আলো সঞ্চার হয়।

তবে এই ২৫টি এজেন্সি ঠিক কোন মানদণ্ডে নির্বাচিত হলো এবং কর্মী প্রেরণের চূড়ান্ত প্রক্রিয়া ও সময়সূচি কী হবে—সে বিষয়ে এখন পর্যন্ত বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি।


নির্বাচিত

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা জানালেন নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি

জাতীয় স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন নতুন রাষ্ট্রপতি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাভারের জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে মহান মুক্তিযুদ্ধের বীর শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেছেন দেশের নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। আজ শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে তিনি জাতীয় স্মৃতিসৌধের মূল বেদিতে এই শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করেন।

পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে রাষ্ট্রপতি বীর শহীদদের স্মৃতির প্রতি সম্মান জানিয়ে সেখানে কিছুক্ষণ নীরবে দাঁড়িয়ে থাকেন। এই সময় বাংলাদেশ সেনা, নৌ ও বিমান বাহিনীর সমন্বয়ে গঠিত একটি চৌকস দল তাঁকে রাষ্ট্রীয় কায়দায় অভিবাদন বা ‘গার্ড অব অনার’ প্রদান করে। তখন চারদিকে বিউগলের করুণ সুর ধ্বনিত হয়।

প্রসঙ্গত, গত বৃহস্পতিবার দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিপুল ভোটে নির্বাচিত হওয়ার পর শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শপথ নেওয়ার আগে ওই দিন দুপুরেই তিনি রাজধানীর শেরে বাংলা নগরে গিয়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান এবং সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন ও দোয়া করেন। দায়িত্বভার গ্রহণের পর আজ সকালে তিনি বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে সাভারে যান।


নির্বাচিত

তথ্যমন্ত্রী হলেন ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ

ছবি: ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ
আপডেটেড ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০৪:০৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

দীর্ঘদিন ধরে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র জোটসঙ্গী হিসেবে আন্দোলন-সংগ্রামে রাজপথে থাকা এবং একাধিকবার কারাবরণ করে নিজের রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রমাণ দেওয়া বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ পা রাখলেন এক নতুন দিগন্তে। বিএনপি নেতৃত্বাধীন সরকারের মন্ত্রিসভায় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন তিনি।
​মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে 'রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬'-এর বিধি ৩(৪) অনুযায়ী শুক্রবার দিবাগত মধ্যরাতে এ সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। পুনর্বন্টিত দপ্তর ও নতুন দায়িত্ব সংবলিত এই নির্দেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

​বঙ্গভবনে শপথ ও মন্ত্রিসভার নতুন মুখসমূহ:

​এর আগে শুক্রবার সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতি হিসেবে শপথ গ্রহণ করেন মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এরপর তিনি চারজন পূর্ণমন্ত্রী ও দুজন প্রতিমন্ত্রীকে শপথ বাক্য পাঠ করান।
​নতুন চার পূর্ণমন্ত্রী:
​আবদুল মঈন খান – স্থায়ী কমিটির সদস্য, বিএনপি
​আন্দালিব রহমান পার্থ – চেয়ারম্যান, বাংলাদেশ জাতীয় পার্টি (বিজেপি)
​রশিদুজ্জামান মিল্লাত – সাবেক প্রতিমন্ত্রী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়
​সাচিং প্রু জেরী – সংসদ সদস্য, বান্দরবান

​নতুন দুই প্রতিমন্ত্রী:
​হুমায়ুন কবির – প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা
​মোহাম্মদ শামীম কায়সার লিংকন – সংসদ সদস্য, গাইবান্ধা-৪

আন্দালিব রহমান পার্থ'র​ পারিবারিক ঐতিহ্য ও শিক্ষাজীবন:

​১৯৭৪ সালের ২০ এপ্রিল এক সম্ভ্রান্ত ও রাজনৈতিক পরিবারে আন্দালিব রহমান পার্থের জন্ম।
​পারিবারিক পরিচিতি: তার বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর ছিলেন প্রখ্যাত রাজনীতিবিদ, বীর মুক্তিযোদ্ধা, সাবেক মন্ত্রী, ঢাকা সিটি করপোরেশনের প্রথম নির্বাচিত মেয়র এবং বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান। তার মা শেখ রেবা রহমান। পারিবারিকভাবেই রাজনীতি ও রাষ্ট্রীয় পরিমণ্ডলে বেড়ে ওঠার সুযোগ পান তিনি।
​শিক্ষাজীবন ও আইন পেশা: ঢাকার ঐতিহ্যবাহী সেন্ট যোসেফ উচ্চবিদ্যালয় থেকে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক শিক্ষা শেষ করে তিনি উচ্চশিক্ষার উদ্দেশ্যে যুক্তরাজ্যে যান। ১৯৯৭ সালে মর্যাদাপূর্ণ লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করে দেশে ফিরে আইন পেশায় আত্মনিয়োগ করেন। পরবর্তীতে ঢাকার ‘ব্রিটিশ স্কুল অব ল’-এর অধ্যক্ষ হিসেবেও সুনামের সাথে দায়িত্ব পালন করেন।

​রাজনৈতিক জীবন ও সাফল্যের মাইলফলক
​রাজনীতিতে অভিষেক:

২০০০ সাল থেকে তিনি বাবা নাজিউর রহমান মঞ্জুর হাত ধরে সক্রিয় রাজনীতি শুরু করেন। ২০০৮ সালের এপ্রিলে বাবার প্রয়াণের পর তিনি সর্বসম্মতিক্রমে বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
​প্রথমবার সংসদে (২০০৮): নবম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে চারদলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী প্রার্থী ইউসুফ হোসেন হুমায়ুনকে পরাজিত করেন এবং প্রথমবারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০০৯ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি সংস্থাপন মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য হিসেবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন।
​ভোট বর্জন ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা: জোটগত সিদ্ধান্তের অংশ হিসেবে ২০১৪ সালের নির্বাচন বর্জন করে তার দল। পরবর্তীতে ২০১৮ সালের একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে তিনি ঢাকা-১৭ আসন থেকে ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের প্রার্থী হয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
​দ্বিতীয়বার এমপি ও মন্ত্রী পদে আসীন: পরবর্তীতে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোলা-১ আসন থেকে দ্বিতীয়বারের মতো সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন ব্যারিস্টার পার্থ। নির্বাচনে এই অসাধারণ বিজয়ের পরই তিনি তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করলেন।

সংসদীয় অভিজ্ঞতা, আইন পেশায় দক্ষতা এবং চমৎকার বাগ্মিতার কারণে তরুণের মধ্যে বেশ জনপ্রিয় ব্যারিস্টার পার্থ। দীর্ঘ রাজনৈতিক পথচলা ও অভিজ্ঞতা নিয়ে এবার তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের পূর্ণমন্ত্রী হিসেবে দেশ সেবায় তাঁর নতুন পথচলা শুরু হলো।


নির্বাচিত

জহির উদ্দিন স্বপন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা, বিমান থেকে খাদ্যমন্ত্রণালয়ে আফরোজা খানম

ছবি: জহির উদ্দিন স্বপন ও আফরোজা খানম।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার গঠনের ছয় মাস পর বাড়ল মন্ত্রিসভার আকার । নতুন করে পাঁচজন মন্ত্রিসভায় যুক্ত হলেন। আর একজন প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হয়েছেন। সব মিলিয়ে চারজন নতুন মন্ত্রী এবং দুজন প্রতিমন্ত্রী শপথ নিয়েছেন। শুক্রবার রাতেই মন্ত্রিসভার কয়েকজন সদস্যের দপ্তর বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করা হয়েছে।

এর মধ্যে তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপনকে প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা করা হয়েছে। আর বিএনপির জোটসঙ্গী বাংলাদেশ জাতীয় পার্টির (বিজেপি) চেয়ারম্যান আন্দালিভ রহমান পার্থ তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন। অন্যদিকে প্রতিমন্ত্রী থেকে মন্ত্রী হওয়া রশিদুজ্জামান মিল্লাত বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন (আগে এই মন্ত্রণালয়েরই প্রতিমন্ত্রী ছিলেন)। আর এই মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আফরোজা খানমকে (রিতা) খাদ্য মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। বর্তমানে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি খাদ্য মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করছেন মো. আব্দুল বারী।
শুক্রবার(২১ আগস্ট-২০২৬) সন্ধ্যায় বঙ্গভবনে নতুন মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীদের শপথ পড়ান নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। এর কিছুক্ষণ আগে রাষ্ট্রপতি পদে শপথ নেন মির্জা ফখরুল ইসলাম। শপথের পর রাতে চার মন্ত্রী ও দুই প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব বণ্টন করা হয়।

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হওয়ায় স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেয়েছেন মঈন খান। নতুন মন্ত্রী সাচিং প্রু জেরীকে পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী করা হয়েছে। মন্ত্রিসভা গঠনের তিন মাসের মাথায় দীপেন দেওয়ান পদত্যাগ করায় এই মন্ত্রীর পদটি শূন্য হয়েছিল।

অন্যদিকে নতুন দুই প্রতিমন্ত্রীর মধ্যে শামীম কায়সার (লিংকন) পেয়েছেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব। আর হুমায়ুন কবির পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পেয়েছেন। এই মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে শামা ওবায়েদ ইসলামও বহাল আছেন। অর্থাৎ, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে এখন দুজন প্রতিমন্ত্রী।


নির্বাচিত

মন্ত্রিসভায় নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীদের দপ্তর বণ্টন ও রদবদল করে প্রজ্ঞাপন জারি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২২ আগস্ট, ২০২৬ ০২:০১
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের নতুন ৪ মন্ত্রী ও ২ প্রতিমন্ত্রীর দপ্তর বণ্টন এবং ১ মন্ত্রীর দপ্তর পুনর্বণ্টন করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ।

শুক্রবার (২১ আগস্ট) রাতে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬-এর ৩(৪) বিধি অনুযায়ী প্রধানমন্ত্রী মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের মধ্যে দপ্তরের দায়িত্ব বণ্টন ও পুনর্বণ্টন করেছেন।

গেজেট অনুযায়ী, দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রীরা হলেন-

ড. আবদুল মঈন খান : স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়।

এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত : বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়।

সাচিং প্রু জেরি : পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

আন্দালিব রহমান : তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

আফরোজা খানম : খাদ্য মন্ত্রণালয় (পূর্বে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে ছিলেন)।

প্রতিমন্ত্রীরা হলেন-

হুমায়ুন কবির : পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

মোহাম্মদ শামীম কায়সার : ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়, গত ১৭ ফেব্রুয়ারি, ৪ মার্চ, ১২ মার্চ ও ২৫ মার্চ জারি করা প্রজ্ঞাপনসমূহের অন্যান্য বিষয়াবলি অপরিবর্তিত থাকবে।

এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close