শনিবার, ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৪ আশ্বিন ১৪৩৩

বিআরটিএর হিসাবে মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় ৪১৫ মৃত্যু

একটি সড়ক দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত গাড়ি। ফাইল ছবি
আপডেটেড
১০ এপ্রিল, ২০২৩ ১৫:১০
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১০ এপ্রিল, ২০২৩ ১৫:০৬

মার্চ মাসে সারাদেশে ৩৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ৪১৫ জন। আহত হয়েছেন ৬৮৮ জন। সোমবার সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার শেখ ওয়ালিদ ফয়েজ স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) তার বিভাগীয় অফিসগুলোর মাধ্যমে সারাদেশ থেকে সড়ক দুর্ঘটনার তথ্য সংগ্রহ করে এই প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

বিআরটিএর তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের মার্চ মাসে দুর্ঘটনার কবলে পড়া যানবাহনের সংখ্যা ৫৩৬টি। এর মধ্যে মোটরকার ১০টি (১ দশমিক ৮৭ শতাংশ), বাস ৮৭টি (১৬ দশমিক ২৩ শতাংশ), পিকআপ ভ্যান ৩০টি (৫ দশমিক ৬০ শতাংশ), অটোরিকশা ৪৮টি (৮ দশমিক ৯৬ শতাংশ), ট্রাক ১০৩টি (১৯ দশমিক ২২ শতাংশ), মোটরসাইকেল ১০০টি (১৮ দশমিক ৬৬ শতাংশ), ব্যাটারিচালিত রিকশা ২টি (০ দশমিক ৩৭ শতাংশ), ইজিবাইক ৮টি (১ দশমিক ৪৯ শতাংশ), ট্রাক্টর ১১টি (২ দশমিক ০৫ শতাংশ), অ্যাম্বুলেন্স ৪টি (০ দশমিক ৭৫ শতাংশ), ভ্যান ১১টি (২ দশমিক ০৫ শতাংশ), মাইক্রোবাস ১২টি (২ দশমিক ২৪ শতাংশ) ও অন্যান্য যান ১১০টি (২০ দশমিক ৫২ শতাংশ)।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, গত মাসে ঢাকা বিভাগে ১১৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১৩৫ জন নিহত এবং ১৩২ জন আহত হয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১০৪ জন নিহত এবং ২২৯ জন আহত, রাজশাহী বিভাগে ৫২টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৫৪ জন নিহত এবং ৬৭ জন আহত, খুলনা বিভাগে ৩৭টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩৩ জন নিহত এবং ৬০ জন আহত, বরিশাল বিভাগে ১৮টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২২ জন নিহত এবং ৪২ জন আহত, সিলেট বিভাগে ১৯টি সড়ক দুর্ঘটনায় ১২ জন নিহত এবং ৭ জন আহত, রংপুর বিভাগে ৩৬টি সড়ক দুর্ঘটনায় ৩০ জন নিহত এবং ১১৫ জন আহত; এছাড়া ময়মনসিংহ বিভাগে ২১টি সড়ক দুর্ঘটনায় ২৫ জন নিহত এবং ৩৬ জন আহত হন।

মার্চে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ৪১৫ জনের মধ্যে মোটরকার দুর্ঘটনায় ৪ জন, বাস দুর্ঘটনায় ৮০ জন, পিকআপে ১৬ জন, অটোরিকশায় ৪৭ জন, ট্রাকে ৬৪ জন, মোটরসাইকেলে ৮৭ জন, ব্যাটারিচালিত রিকশায় ২ জন, ইজিবাইকে ১ জন, ট্রাক্টরে ৪ জন, অ্যাম্বুলেন্সে ১ জন, ভ্যানে ৬ জন, মাইক্রোবাসে ৭ জন এবং অন্যান্য যানবাহন দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান ৯৬ জন।

চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে সারাদেশে দুর্ঘটনার সংখ্যা ছিল ৩২২টি। এসব দুর্ঘটনায় ৩৩৩ জন প্রাণ হারান এবং আহত হন ৩৩৬ জন। ফেব্রুয়ারি মাসে ৩০৮টি দুর্ঘটনায় প্রাণহানি ঘটে ৩০৩ জনের এবং আহত হন ৪১৬ জন।


নির্বাচিত

২০২৯ সালের জুনে শেষ হবে ঢাকা- সিলেট মহাসড়কের ৬ লেনের কাজ: সেতুমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

২০২৯ সাল নাগাদ ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ছয় লেন উন্নীতকরণ কাজ শেষ হবে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। শনিবার দুপুরে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বিজয়নগর উপজেলার শশই এলাকায় মহাসড়কের নির্মাণ কাজের অগ্রগতি পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

সেতুমন্ত্রী জানান, ঢাকা-সিলেট মহাসড়কটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ সড়ক। ছয় লেন প্রকল্পটি অনেক আগে নেওয়া হয়েছে। কিন্তু সাড়ে ৪ বছর হয়ে গেলেও অগ্রগতি সন্তোষজনক ছিল না। বর্তমান সরকার ক্ষমতায় আসার পর এই প্রকল্পটি দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। গত ৬ মাসে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়ে ভূমি অধিগ্রহণ এখন প্রায় ৫৬ শতাংশের কাছাকাছি। আশা করছি দুই মাসের মধ্যে শতভাগ ভূমি অধিগ্রহণ হয়ে যাবে। ভৌত কাজের অগ্রগতিও প্রায় ২৭ শতাংশ।’

তিনি আরও জানান, ‘এ প্রকল্পের কাজে যেখানে বিচ্যুতি আছে, সেগুলো অতিক্রম করে আমরা এই সড়কটি বাস্তবায়ন করতে চাচ্ছি। সড়কের ১৩টি প্যাকেজের মধ্যে ৫টি প্যাকেজের কাজের অগ্রগতি অসন্তোষজনক। বাকি ৮টি প্যাকেজের কাজ সন্তোষজনক। আমরা ২০২৯ সালের জুনের মধ্যে মহাসড়কটি দরপত্র অনুসারে নির্মাণ কাজ শেষ করে জনগণের জন্য উন্মুক্ত করে দিতে চাই।’

শেখ রবিউল আলম জানান, ‘বর্তামানে কাজের অগ্রগতি সন্তোষজনক। তবে কিছুটা জনদুর্ভোগ হচ্ছে, যেহেতু ৪ বছর কাজের তেমন অগ্রগতি ছিল না। বিগত সরকার এবং অন্তর্বর্তী সরকার খুব বেশি মনযোগী ছিল না এই প্রকল্প নিয়ে। ভূমি অধিগ্রহণ বড় সমস্যা ছিল, সেটা থেকে উত্তরণ হতে চলেছি আমরা। ভৌত কাজ যেখানে সন্তোষজনক নয়, সেটা কীভাবে আরও জোরালো করা যায় সেই চেষ্টা করছি আমরা।’


নির্বাচিত

বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোড থেকে ৪ কেজি স্বর্ণের পেস্ট জব্দ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোডের ট্যাংকের ভেতর ৪ কেজি ২০৪ গ্রাম স্বর্ণসদৃশ পেস্ট মিলেছে। মালিকবিহীন অবস্থায় উদ্ধার করা পলিথিন মোড়ানো আটটি ডিমসদৃশ প্যাকেটে থেকে পাওয়া স্বর্ণের বাজারমূল্য প্রায় সাড়ে ৭ কোটি টাকা।

শনিবার সন্ধ্যায় বিমানবন্দরের কাস্টমস হলের ১ নম্বর বেল্টসংলগ্ন ওয়াশরুমে অভিযান চালিয়ে এসব পেস্ট উদ্ধার করে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।

কাস্টমস গোয়েন্দা এক বিবৃতিতে জানায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওয়াশরুমের একটি হাই কমোডের ট্যাংকে তল্লাশি চালানো হয়। এ সময় সেখানে পলিথিনে মোড়ানো আটটি ডিমসদৃশ প্যাকেট দেখতে পাওয়া যায়। প্যাকেটগুলো ছিল মালিকবিহীন। পরে বিমানবন্দরে কর্মরত বিভিন্ন গোয়েন্দা ও সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে প্যাকেটগুলো উদ্ধার করে কাস্টমস হলের ইনভেন্ট্রি টেবিলে খোলা হয়। প্যাকেট খুলে প্রাথমিকভাবে ৪ দশমিক ২০৪ কেজি স্বর্ণসদৃশ পেস্ট পাওয়া যায়।

কাস্টমস গোয়েন্দা জানায়, উদ্ধার করা পেস্টের প্রকৃত স্বর্ণের পরিমাণ ও বিশুদ্ধতা এখনো নিশ্চিত করা যায়নি। এজন্য রেজিস্টার্ড স্বর্ণকারের মাধ্যমে পেস্ট থেকে স্বর্ণ পৃথক করার কার্যক্রম চলছে। পৃথকীকরণ শেষে স্বর্ণের প্রকৃত ওজন ও বিশুদ্ধতা নির্ধারণ করা হবে। প্রাথমিক হিসাবে উদ্ধারকৃত স্বর্ণেরবাজারমূল্য প্রায় ৭ কোটি ৫০ লাখ টাকা হতে পারে।

মালিকবিহীন অবস্থায় বিমানবন্দরের ওয়াশরুমের কমোডের ট্যাংকের ভেতরে এত বিপুল পরিমাণ স্বর্ণসদৃশ পেস্টের সঙ্গে জড়িতদের বিষয়ে খতিয়ে দেখা হবে বলে জানিয়েছে কাস্টমস গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদপ্তর।


নির্বাচিত

৪ হাজার টাকায় স্মার্টফোন, উৎপাদন হবে দেশেই : অর্থমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশে সাশ্রয়ী মূল্যে স্মার্টফোন উৎপাদন শুরু হয়েছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, এখন থেকে চার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যেই স্মার্টফোন পাওয়া যাবে। এর ফলে কৃষকসহ সাধারণ মানুষের প্রযুক্তি ব্যবহারের সুযোগ আরও সহজ হবে।

শনিবার রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে বেসরকারি গবেষণা সংস্থা পাওয়ার অ্যান্ড পার্টিসিপেশন রিসার্চ সেন্টার (পিপিআরসি) আয়োজিত ‘ফাইন্যান্সিয়াল ইনক্লুশন ২.০’ শীর্ষক গ্রুপ ডায়ালগে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অর্থমন্ত্রী বলেন, কম দামে স্মার্টফোন পাওয়ার ফলে কৃষক ও সাধারণ মানুষ সহজেই প্রযুক্তির সুবিধা নিতে পারবেন। তারা মোবাইলের মাধ্যমে আবহাওয়া, সারের প্রয়োজনীয় মাত্রা ও কৃষিপণ্যের বাজারদর সম্পর্কে তথ্য জানতে পারবেন।

তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ড, ফার্মার কার্ড এবং ইমাম-পুরোহিতদের ভাতা ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে চালু করায় স্বয়ংক্রিয়ভাবেই আর্থিক অন্তর্ভুক্তির সুযোগ তৈরি হচ্ছে। প্রান্তিক জনগোষ্ঠীকে অর্থনৈতিক মূলধারায় আনতে শক্তিশালী ইন্টারনেট, ‘এক নাগরিক এক ওয়ালেট’ এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে ডিজিটাল ব্যবস্থার আওতায় আনার ওপর গুরুত্ব দেন তিনি।

আমির খসরু বলেন, ডিজিটাল ও আর্থিক অন্তর্ভুক্তি পরস্পরের পরিপূরক। ডিজিটাল অর্থনীতির গতি বাড়াতে নিরবচ্ছিন্ন ও উচ্চগতির ইন্টারনেট অপরিহার্য। শক্তিশালী ডিজিটাল অবকাঠামো ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার কার্যকর ব্যবহার টেকসই উন্নয়নে ভূমিকা রাখবে।

‘ওয়ান ভিলেজ, ওয়ান প্রোডাক্ট’ কর্মসূচির মাধ্যমে প্রান্তিক উৎপাদক ও কারিগরদের চিহ্নিত করে তাদের ডিজিটাল পেমেন্ট ও ব্যাংকিং ব্যবস্থার আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি।

প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে উদ্ভাবনের গতি ধরে রাখতে সাইবার নিরাপত্তা ও নীতিগত নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রয়োজনীয়তার কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

পিপিআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. হোসেন জিল্লুর রহমানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিভিন্ন ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

বেসরকারি খাত অর্থনৈতিক উন্নয়ন ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখছে: গভর্নর

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর মো. মোস্তাকুর রহমান বলেছেন, দেশের অর্থনৈতিক উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বেসরকারি খাত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি বলেন, ‘সম্ভাবনাময় স্থানীয় উদ্যোক্তা ও পণ্যকে কাজে লাগিয়ে গ্রামীণ অর্থনীতিকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণাটি বাস্তবায়নে ব্যাংক, উদ্যোক্তা, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান এবং সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করতে হবে।’

বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের বিষয়ে শনিবার রংপুরে বাংলাদেশ ব্যাংক কার্যালয়ে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বেসরকারি খাতের উন্নয়ন ত্বরান্বিত করা, উদ্যোক্তা সৃষ্টি, কর্মসংস্থান বৃদ্ধি এবং স্থানীয় অর্থনীতিকে পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে রংপুর অঞ্চলের অংশীজনদের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

সভায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ ব্যাংকের রংপুর কার্যালয়ের নির্বাহী পরিচালক মো. সালাহ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে রংপুর বিভাগের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ব্যাংকার, সুশীল সমাজের প্রতিনিধি, উদ্যোক্তা, ব্যবসায়ী, কৃষক প্রতিনিধি, বিভিন্ন সরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধান, অন্যান্য অংশীজন এবং সাংবাদিকরা অংশগ্রহণ করেন।

অংশগ্রহণকারীরা বেসরকারি খাতের উন্নয়ন, উদ্যোক্তাদের অর্থায়ন, স্থানীয় উৎপাদন ও বাণিজ্য সম্প্রসারণ এবং বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের বিষয়ে তাদের মতামত ও অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন এবং বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করেন।

সভায় ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়। এতে সম্ভাবনাময় স্থানীয় পণ্য ও উদ্যোক্তা চিহ্নিতকরণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, বাজার সম্প্রসারণ এবং প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত করার বিষয়গুলোর ওপর আলোকপাত করা হয়।

এছাড়া, ব্যাপকভাবে অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাজারে পৌঁছানোর মতো উচ্চ সম্ভাবনাময় স্থানীয় পণ্যগুলোর ব্র্যান্ডিং ও বিপণন এবং সংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তাদের ব্যাংকিং সেবার আওতায় আনার বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

বিবি গভর্নর বেসরকারি খাতের উন্নয়নের জন্য ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের কার্যকর বাস্তবায়নের পাশাপাশি ‘এক গ্রাম, এক পণ্য’ ধারণাটি বাস্তবায়নে সব অংশীজনকে সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান।

তিনি গ্রাহক ও বাংলাদেশ ব্যাংকের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের জন্য ১৬২৩৬ হটলাইন নম্বরটি ব্যবহারের পরামর্শও দেন।

বাংলাদেশ ব্যাংক ঘোষিত প্রণোদনা প্যাকেজের সুবিধা যাতে প্রকৃত ও যোগ্য উদ্যোক্তাদের কাছে পৌঁছায়, তা নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট ব্যাংকগুলোকে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানান।

একই সঙ্গে, তিনি উদ্যোক্তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার সম্প্রসারণ, অর্থায়নের সুযোগ সহজতর করা এবং স্থানীয় অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডকে আরও গতিশীল করার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

মতবিনিময় সভায় রংপুর অঞ্চলে হিমাগার স্থাপন, নবায়নযোগ্য শক্তির উন্নয়ন, রপ্তানিমুখী কৃষি ও শিল্পপণ্যের প্রসার এবং মানবসম্পদ উন্নয়নের মতো উদ্যোগগুলোকে এগিয়ে নিতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত প্রচেষ্টার প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেওয়া হয়।


নির্বাচিত

তিতাসের ২৮ নম্বর কূপের উদ্বোধন, দৈনিক মিলবে ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপটির খনন ও আনুষঙ্গিক উন্নয়নকাজ সফলভাবে শেষ হয়েছে। নতুন এই কূপ থেকে প্রতিদিন গড়ে ১১ থেকে ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট প্রাকৃতিক গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হবে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেড (বিজিএফসিএল)। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) আনুষ্ঠানিকভাবে কূপটি উদ্বোধন করা হয়।

বিজিএফসিএল এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জাতীয় গ্রিডে জ্বালানির প্রাপ্যতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে ‘তিতাস ও কামতা ফিল্ডে ৫টি মূল্যায়ন-কাম-উন্নয়ন কূপ খনন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় তিতাস-২৮ নম্বর কূপটি খনন করা হয়েছে। চীনের প্রতিষ্ঠান সিএনপিসি চুয়ানকিং ড্রিলিং ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানি লিমিটেডের (সিসিডিসি) সঙ্গে চুক্তির আওতায় ২০২৫ সালের ১৫ ডিসেম্বর এর খননকাজ শুরু হয়েছিল। প্রায় ছয় মাসের ধারাবাহিক কর্মযজ্ঞের পর ২০২৬ সালের ১১ জুন খনন কার্যক্রম সমাপ্ত হয়।

প্রায় ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত তিতাস-২৮ নম্বর কূপটির গভীরতা ৩ হাজার ৬০১ মিটার (এমডি) বা ৩ হাজার ৪৭১ মিটার (টিভিডি)। খনন পরবর্তী কমপ্লিশন কাজের পর ডিএসটি (ড্রিল স্টেম টেস্ট) এবং প্রোডাকশন টেস্টিং সম্পন্ন করে দৈনিক সর্বোচ্চ ১৬ মিলিয়ন ঘনফুট পর্যন্ত গ্যাস উৎপাদনের সক্ষমতা নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজিএফসিএলের মতে, নতুন এ কূপটি থেকে উত্তোলিত গ্যাস যুক্ত হলে দেশে চলমান জ্বালানি ঘাটতি কিছুটা লাঘব হবে, যা বিশেষ করে শিল্প কারখানা ও বিদ্যুৎ উৎপাদন খাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। এছাড়া রাষ্ট্রীয় মহাপরিকল্পনার আওতায় ২০৩০ সালের মধ্যে আরও ১১টি কূপ খনন করে দৈনিক প্রায় ২০৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন লাইনে যুক্ত করার লক্ষ্য নিয়ে কাজ চলছে।


নির্বাচিত

অভিন্ন ও মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা চালু হলে শ্রমবাজারে তরুণদের গ্রহণযোগ্যতা বাড়বে : প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্ব করেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে সমন্বিত কাঠামোর আওতায় এনে অভিন্ন সিলেবাসে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তুলতে এ উদ্যোগ জরুরি বলে মনে করেন তিনি।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অভিন্ন ও আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন প্রশিক্ষণ এবং সনদায়ন ব্যবস্থা চালু করা গেলে দেশের তরুণদের দক্ষতা উন্নয়নের পাশাপাশি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে তাদের গ্রহণযোগ্যতা ও স্বীকৃতি বাড়বে।

আজ শনিবার রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (এনএসডিএ) গভর্নিং বডির তৃতীয় সভায় সভাপতিত্বকালে প্রধানমন্ত্রী এ নির্দেশনা দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক এ কথা জানিয়েছেন।

সভায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদার ভিত্তিতে দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলার ক্ষেত্রে এনএসডিএ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারে বাংলাদেশের দক্ষ জনশক্তির চাহিদা বৃদ্ধির ক্ষেত্রেও এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ প্ল্যাটফর্ম।

তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজের দক্ষতা উন্নয়ন অত্যন্ত জরুরি। এ লক্ষ্যে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের অধীনে অনেক প্রশিক্ষণ কার্যক্রম পরিচালিত হলেও যথাযথ সমন্বয়ের অভাবে এসব প্রশিক্ষণ ও সনদ অনেক ক্ষেত্রে কার্যকর ভূমিকা রাখতে পারছে না। ফলে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে এসব সনদের বিপরীতে আমাদের তরুণ প্রজন্ম কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাচ্ছে না।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, এনএসডিএ’র গভর্নিং বডিকে অল্প সময়ের মধ্যে একটি ছোট কমিটির মাধ্যমে প্রয়োজনীয় নীতিমালা প্রণয়ন করে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের দক্ষতা উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ কার্যক্রমকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনতে হবে।

তিনি অভিন্ন সিলেবাসের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ও সনদ প্রদানের ব্যবস্থা করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

সভায় এনএসডিএ’র প্রশাসনিক কাঠামো, জনবল ও কার্যাবলি সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়।

এছাড়া জাতীয় দক্ষতা উন্নয়নসংক্রান্ত নীতি ও কৌশলপত্র, জাতীয় ও আন্তর্জাতিক শ্রমবাজারের চাহিদা অনুযায়ী দক্ষ মানবসম্পদ তৈরি, খাতভিত্তিক দক্ষতার চাহিদা বিশ্লেষণ এবং স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা হয়।

এ সময় প্রশিক্ষণের মানোন্নয়ন, সনদায়ন এবং সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতির বিষয়েও আলোচনা করা হয়।

সভায় অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, শিল্পমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী এবং শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন উপস্থিত ছিলেন।

সভায় আরও ছিলেন, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী মো. আমিনুল হক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এবিএম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুণ, এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস এম আব্দুল আওয়াল, এনএসডিএ’র নির্বাহী চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব ও অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর সংস্কার অপরিহার্য : ড. তিতুমীর

প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত ‘লিডিং এসডিজি অ্যাকশন’ শীর্ষক লিডার্স ডায়ালগে বক্তব্য দেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য সাশ্রয়ী, ন্যায্য ও ঝুঁকি-সংবেদনশীল অর্থায়ন নিশ্চিত করতে বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামোর ব্যাপক সংস্কারের আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর।

নিউইয়র্কের স্থানীয় সময় শুক্রবার জাতিসংঘ সদরদপ্তরে আয়োজিত ‘লিডিং এসডিজি অ্যাকশন’— শীর্ষক লিডার্স ডায়ালগে তিনি এ আহ্বান জানান।

এ সময় ড. তিতুমীর বলেন, ‘আমাদের সামগ্রিক দৃষ্টিভঙ্গি হতে হবে সম্মিলিত ও ভবিষ্যৎমুখী। আমাদের এমন একটি বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো গড়ে তুলতে হবে, যা শুধু উন্নয়নে অর্থায়নই করবে না, বরং উন্নয়নকে টেকসই করার জন্য প্রয়োজনীয় পরিবেশও সৃষ্টি করবে।’

বহুপাক্ষিক উন্নয়ন ব্যাংকসহ আন্তর্জাতিক আর্থিক কাঠামোকে আরও কার্যকর ও অন্তর্ভুক্তিমূলক করতে পাঁচটি অগ্রাধিকার তুলে ধরেন তিনি।

অগ্রাধিকারগুলো হলো — সংকট মোকাবিলায় প্রতিক্রিয়াশীল পদ্ধতির পরিবর্তে ঝুঁকি আগাম শনাক্ত ও প্রশমনে সক্ষম আর্থিক ব্যবস্থা গড়ে তোলা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোর নীতি ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকিপ্রবণ দেশগুলোর কণ্ঠস্বর জোরদার করা, দীর্ঘমেয়াদি, স্বল্পব্যয়ী ও ন্যায্য অর্থায়ন নিশ্চিত করা, জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অর্থায়নের সমন্বয় বাড়ানো এবং স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উত্তরণের ক্ষেত্রে নমনীয় সহায়তা ও অগ্রাধিকারমূলক সুবিধা অব্যাহত রাখা।

তৃণমূল পর্যায়ে এসডিজি বাস্তবায়নের উদাহরণ হিসেবে বাংলাদেশের ‘এসডিজি ভিলেজ’ উদ্যোগ তুলে ধরেন ড. তিতুমীর।

তিনি বলেন, স্থানীয় জনগোষ্ঠীর চাহিদা ও অগ্রাধিকারকে কেন্দ্র করে এ উদ্যোগের আওতায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন, জীবিকার সুযোগ সৃষ্টি, নারীর ক্ষমতায়ন, ডিজিটাল সেবা ও জলবায়ু সহনশীলতাকে সমন্বিতভাবে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।

সংলাপে আরও অংশ নেন— ইউরোপীয় কমিশনের নির্বাহী ভাইস-প্রেসিডেন্ট তেরেসা রিবেরা, বেনিনের অর্থমন্ত্রী আরিস্তিদ মেদেনু ও পানামার সামাজিক উন্নয়নমন্ত্রী বিয়াত্রিস কার্লেস দে আরাঙ্গো।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন সাউথ আফ্রিকান ব্রডকাস্টিং করপোরেশনের শেরউইন ব্রাইস-পিস। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি, জুলাই থেকেই বাড়তি বেতন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতন ও ভাতার আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করেছে সরকার। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে প্রকাশিত এই নির্দেশনাকে ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে।

জারিকৃত প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মকর্তারা নতুন বেতনকাঠামোর বর্ধিত মূল বেতনের ৪০ শতাংশ এবং দশম থেকে বিংশতম গ্রেডের চাকরিজীবীরা ৫০ শতাংশ হারে সুবিধা পাবেন, যা গত ৩০ জুন আহরিত বেতনের সঙ্গে যুক্ত হবে। পরবর্তী ধাপে, ২০২৭ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত নবম ও তদূর্ধ্ব গ্রেডে ৭০ শতাংশ এবং দশম থেকে বিংশ গ্রেডে ৭৫ শতাংশ হারে বর্ধিত মূল বেতন দেওয়া হবে। এরপর ২০২৭ সালের ১ জুলাই থেকে নতুন বেতনবৃদ্ধির শতভাগ কার্যকর হবে। চলতি বছরের ১ জুলাই থেকে কাঠামোটি কার্যকর ধরা হওয়ায় চাকরিজীবীরা তাদের বকেয়া পাওনাও বুঝে পাবেন।

প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, ২০২৮ সালের ১ জানুয়ারি থেকে নতুন বেতনকাঠামোর আওতায় অন্যান্য আনুষঙ্গিক ভাতা পাওয়া শুরু করবেন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা। একই প্রক্রিয়ায় পেনশনভোগীরাও নতুন বেতনকাঠামোর যাবতীয় সুবিধার আওতায় আসবেন।

নতুন এই কাঠামোতে প্রথম থেকে দশম গ্রেডের কর্মকর্তাদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১০০ শতাংশ পর্যন্ত এবং একাদশ থেকে বিংশ গ্রেডের কর্মচারীদের মূল বেতন সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে। এর সঙ্গে আনুপাতিক হারে অন্যান্য ভাতাও সমন্বয় করা হবে।

এর আগে গত ৩১ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে নতুন বেতনকাঠামোটির চূড়ান্ত অনুমোদন দেওয়া হয়। এই বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের রূপরেখা ও সুপারিশ চূড়ান্ত করতে গত ২১ এপ্রিল মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের কমিটি গঠন করা হয়েছিল।

উল্লেখ্য, অষ্টম জাতীয় বেতন স্কেল ঘোষণার প্রায় এক যুগ পর ২০২৫ সালের ২৭ জুলাই সাবেক অর্থসচিব জাকির আহমেদ খানকে প্রধান করে ২৩ সদস্যের নবম জাতীয় বেতন কমিশন গঠন করেছিল তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার। সেই কমিশন চলতি বছরের ২১ জানুয়ারি তৎকালীন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছে তাদের আনুষ্ঠানিক প্রতিবেদন দাখিল করে।


নির্বাচিত

'সবার আগে বাংলাদেশ গড়তে মানসম্মত শিক্ষার বাংলাদেশ হতে হবে'

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশকে অগ্রগতির পথে এগিয়ে নিতে, শ্রমজীবী শ্রেণির অধিকার নিশ্চিত করতে এবং ইনসাফভিত্তিক নতুন বন্দোবস্ত প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে সবার আগে মানসম্মত প্রাথমিক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দেওয়ার তাগিদ দিয়েছেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ও নাগরিক প্ল্যাটফর্মের আহ্বায়ক ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর একটি হোটেলে সিপিডি ও এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম, বাংলাদেশের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এক সংলাপে তিনি এ পর্যবেক্ষণ তুলে ধরেন। ‘সরকার কি প্রতিশ্রুতি পূরণ করছে? প্রাথমিক শিক্ষার ওপর আলোকপাত’ শীর্ষক এই অনুষ্ঠানে দেশের প্রাথমিক শিক্ষা ব্যবস্থার সামগ্রিক চিত্র, সমসাময়িক সংকট এবং সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নের অগ্রগতি সম্পর্কিত গবেষণা প্রতিবেদন উপস্থাপন করেন সিপিডির অতিরিক্ত গবেষণা পরিচালক তৌফিকুল ইসলাম।

দেশের শিক্ষা খাতের গভীর সংকট তুলে ধরে ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, "বর্তমানের এমন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, যেখানে ছাত্ররা পরীক্ষা দিচ্ছে, কিন্তু পাস করতে পারছে, অন্যদিকে দেশে অনেক প্রতিষ্ঠান গড়ে উঠেছে, সেখানে ছাত্র খুঁজে পাচ্ছে না। আবার সবচেয়ে মেধাবীরা শিক্ষক হতে চাচ্ছেন না। এই তিনটি বড় বড় সমস্যা আমাদের পীড়িত করছে। এটার সমাধান দরকার।"

তিনি আরও বলেন, "সবার আগে যদি বাংলাদেশ বলি, তাহলে সবার আগে মানসম্মত শিক্ষার বাংলাদেশ হতে হবে। যারা বলেন শ্রমজীবী মানুষের উত্থান চাই, সেই উত্থান হতে হবে তাদের সন্তানদের প্রকৃত শিক্ষা দেওয়ার মাধ্যমে। শ্রমজীবী মানুষের সন্তানদের, পিছিয়ে পড়া মানুষের সন্তানদের শিক্ষা দিতে হবে। উপযুক্ত শিক্ষার জায়গা দিতে হবে। যারা বলেন একটা নতুন বন্দোবস্ত করবেন, সেই নতুন বন্দোবস্ত হতে হবে শিক্ষার অধিকারকে কার্যকরভাবে বাস্তবায়ন করার মাধ্যমে। আর যারা বলেন ইনসাফ চাই, শিক্ষা থেকে বঞ্চনার চেয়ে বড় বেইনসাফি আর কিছু হতে পারে না।"

অনুষ্ঠানে সিপিডির নবনিযুক্ত নির্বাহী পরিচালক ড. নাজনীন আহমেদ শিক্ষাক্ষেত্রে বিরাজমান বৈষম্য ও দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তনের ওপর আলোকপাত করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, জেন্ডার ইনডেক্স অনুযায়ী দেশে শিক্ষার সুযোগ বাড়লেও সামাজিক ও অর্থনৈতিক ক্ষেত্রে নারীদের ক্ষমতায়ন এখনো প্রত্যাশিত মাত্রায় পৌঁছায়নি। প্রাথমিকে ছেলে-মেয়ের সংখ্যার সমতা এলেও ধনী ও দরিদ্র পরিবারের সন্তানদের মানসম্মত শিক্ষা লাভের সুযোগে এখনও বড় ধরনের ফারাক রয়ে গেছে। তিনি শিক্ষার্থীদের কেবল শ্রেণিকক্ষে আবদ্ধ না রেখে বিতর্ক ও খেলাধুলার মতো বাস্তবমুখী জীবনদক্ষতা অর্জনে জোর দেওয়ার আহ্বান জানান। একই সাথে জিপিএ-৫ কোনো শিক্ষার্থীর প্রকৃত মেধার সামগ্রিক প্রতিফলন নয় উল্লেখ করে অভিভাবকদের এই ফলাফলকেন্দ্রিক মানসিকতা থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দেন।

মূল গবেষণা প্রতিবেদনে দেশের প্রাথমিক শিক্ষার ঐতিহাসিক প্রেক্ষাপট ও চলমান সংকটগুলো তুলে ধরা হয়। সেখানে উল্লেখ করা হয়, সহস্রাব্দ উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জনের সময় প্রাথমিকে শিক্ষার্থী ভর্তি ও লিঙ্গসমতায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হলেও সাম্প্রতিক বছরগুলোতে সেই ধারাবাহিকতা স্থবির হয়ে পড়েছে। কোভিড অতিমারি কিংবা বন্যার মতো দুর্যোগে আমাদের শিক্ষা কাঠামোর দুর্বলতা স্পষ্ট হয়েছে। এছাড়া শিক্ষা ব্যবস্থার বিভিন্ন ধারার মধ্যে মানের অসমতা শিখনফল ও সুযোগের ক্ষেত্রে তীব্র বৈষম্য তৈরি করছে।

সরকারের ক্ষমতা গ্রহণের ২০০ দিন অতিক্রান্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে তাদের নির্বাচনী ইশতেহারের অঙ্গীকার বাস্তবায়ন, ইশতেহারবহির্ভূত পদক্ষেপ এবং জাতীয় বাজেটে এসব প্রতিশ্রুতির আর্থিক প্রতিফলন খতিয়ে দেখেছে গবেষকদল। সিপিডি মনে করে, কেবল আনুষ্ঠানিক ঘোষণা বা রুটিনমাফিক বাজেট বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষার সামগ্রিক রূপান্তর সম্ভব নয়। এজন্য শিক্ষা খাতে কাঠামোগত বৈষম্য দূর করতে হবে, আর্থিক বরাদ্দের সঠিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে এবং ঘোষিত নীতিগুলোকে আইনি কাঠামোর আওতায় এনে মাঠপর্যায়ে দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে।


নির্বাচিত

দেশীয় গ্যাসে বড় জোগান

#আজ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে ১২.৫ মিলিয়ন ঘনফুট # চার মাসে বাড়তে পারে ৬৭.৫ মিলিয়ন ঘনফুট # তিতাসের পাঁচ কূপে উৎপাদন বৃদ্ধির সম্ভাবনা # বাড়ছে নতুন মজুতের আশা
ফাইল ফটো
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

দেশীয় গ্যাস উৎপাদন বাড়ানোর ধারাবাহিক উদ্যোগে জাতীয় গ্রিডে নতুন করে গ্যাস সরবরাহের পথ খুলছে। বাংলাদেশ গ্যাস ফিল্ডস কোম্পানি লিমিটেডের (বিজিএফসিএল) তিতাস গ্যাসক্ষেত্রের ২৮ নম্বর কূপ থেকে আজ শনিবার জাতীয় গ্রিডে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস যুক্ত হচ্ছে। এর পরবর্তী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে তিতাস ও বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের আরও চারটি কূপ উৎপাদনে এলে মোট প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট অতিরিক্ত গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে।
দেশীয় উৎস থেকে গ্যাসের সরবরাহ বাড়ানোর এই উদ্যোগকে জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য গুরুত্বপূর্ণ অগ্রগতি হিসেবে দেখা হচ্ছে। নতুন কূপ থেকে গ্যাস উৎপাদন বাড়লে বিদ্যুৎ উৎপাদন, শিল্প, সার ও অন্যান্য খাতে সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি সক্ষমতা তৈরি হতে পারে। একই সঙ্গে আমদানিকৃত তরলীকৃত প্রাকৃতিক গ্যাসের (এলএনজি) ওপর নির্ভরতার চাপও কিছুটা কমানোর সুযোগ তৈরি হবে।
বিজিএফসিএলের কর্মকর্তারা জানান, তিতাস-২৮ নম্বর কূপের খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রায় ১৩ হাজার ফুট গভীর এই কূপটি শনিবার (আজ) উদ্বোধনের পরপরই জাতীয় গ্রিডের সঙ্গে সংযুক্ত করা হবে। কূপটি থেকে দৈনিক সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের লক্ষ্যমাত্রা রয়েছে।
বিজিএফসিএলের মহাব্যবস্থাপক (অপারেশন) প্রকৌশলী মো. আশরাফুল আলম জানান, কূপটি উৎপাদনে যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় গ্রিডে নতুন গ্যাস যুক্ত হবে। দেশীয় উৎস থেকে সরবরাহ বাড়ানোর ফলে গ্যাসের সামগ্রিক ব্যবস্থাপনায় এর ইতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশা করা হচ্ছে।
একে একে আসছে আরও তিন কূপ: শুধু তিতাস-২৮ নয়, গ্যাস সরবরাহ বাড়াতে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে আরও কয়েকটি কূপের কাজ এগিয়ে চলছে। প্রায় ৮০০ কোটি টাকা ব্যয়ে তিতাস-২৮, ২৯, ৩০ ও কামতা-২ নম্বর কূপ খননের কার্যক্রম নেওয়া হয়েছে।
এর মধ্যে তিতাস-২৯ নম্বর কূপের মূল খননকাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। বর্তমানে লগিংসহ আনুষঙ্গিক কার্যক্রম চলছে। এসব কাজ শেষ করে আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে কূপটি উৎপাদনে নেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটি থেকে দৈনিক প্রায় ১০-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে।
তিতাস-৩০ নম্বর কূপের কাজও এগিয়ে চলছে। আগামী তিন থেকে চার মাসের মধ্যে এর কার্যক্রম শেষ করার পরিকল্পনা রয়েছে। এই কূপ থেকেও দৈনিক প্রায় ১০-১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়ার প্রত্যাশা করছে বিজিএফসিএল।
অনুসন্ধান কূপ তিতাস-৩১ ঘিরে বড় প্রত্যাশা: গ্যাস উৎপাদন বৃদ্ধির পাশাপাশি নতুন মজুত অনুসন্ধানের দিক থেকেও তিতাস-৩১ নম্বর কূপটি গুরুত্বপূর্ণ। চলতি বছরের ১৯ এপ্রিল কূপটির খননকাজ শুরু হয়। ইতোমধ্যে প্রায় ৪ হাজার ৯২০ মিটার গভীরতায় পৌঁছেছে খননকাজ। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা ৫ হাজার ৬০০ মিটার, যা প্রায় ১০০ মিটার কমবেশি হতে পারে।
ভূতাত্ত্বিক কোনো জটিলতা না হলে আগামী দুই থেকে তিন মাসের মধ্যে তিতাস-৩১ এর কাজ শেষ করার আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। কূপটি সফল হলে দৈনিক প্রায় ১৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা সম্ভব হতে পারে। তবে তিতাস-৩১ এর গুরুত্ব শুধু সম্ভাব্য উৎপাদনেই সীমাবদ্ধ নয়। এটি একটি অনুসন্ধানমূলক কূপ হওয়ায় নতুন গ্যাস মজুত আবিষ্কারের সম্ভাবনাও রয়েছে। সংশ্লিষ্টদের প্রাথমিক ধারণা, কূপটির মাধ্যমে প্রায় ২ ট্রিলিয়ন ঘনফুট নতুন গ্যাস মজুতের সন্ধান মিলতে পারে। তবে এই পরিমাণ এখনো অনুমাননির্ভর। কূপের খনন শেষ হওয়ার পর বিভিন্ন স্তরে পরীক্ষা-নিরীক্ষার ফলের ভিত্তিতেই মজুতের প্রকৃত পরিমাণ নির্ধারণ করা যাবে।
এরপর বাখরাবাদ-১১: তিতাস-৩১ এর কাজ শেষ হলে বাখরাবাদ গ্যাসক্ষেত্রের ১১ নম্বর গভীর কূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে। কূপটির লক্ষ্যমাত্রা গভীরতা প্রায় ৪ হাজার ৫০০ মিটার। সফলভাবে খনন ও পরীক্ষা সম্পন্ন হলে বাখরাবাদ-১১ থেকে দৈনিক প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের সম্ভাবনা রয়েছে।
হিসাব অনুযায়ী, তিতাস-২৯, ৩০ ও ৩১ নম্বর কূপ থেকে সর্বোচ্চ প্রায় ৪৫ মিলিয়ন ঘনফুট এবং বাখরাবাদ-১১ থেকে প্রায় ১০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস পাওয়া যেতে পারে। এর সঙ্গে তিতাস-২৮ এর সাড়ে ১২ মিলিয়ন ঘনফুট যোগ হলে পাঁচটি কূপ থেকে মোট সম্ভাব্য সরবরাহ দাঁড়াবে প্রায় ৬৭ দশমিক ৫ মিলিয়ন ঘনফুট।
জ্বালানি নিরাপত্তায় বাড়ছে দেশীয় উৎসের গুরুত্ব: বাংলাদেশের শিল্প, বিদ্যুৎ ও অন্যান্য উৎপাদনশীল খাতে গ্যাসের চাহিদা দীর্ঘদিন ধরেই গুরুত্বপূর্ণ। এই চাহিদা পূরণে দেশীয় উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি আমদানিকৃত এলএনজিও ব্যবহার করা হচ্ছে। ফলে নতুন দেশীয় কূপ থেকে অতিরিক্ত গ্যাস উৎপাদন হলে সরবরাহ ব্যবস্থায় বাড়তি সক্ষমতা তৈরি হবে।
সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের হিসাবে তিতাস গ্যাসক্ষেত্রে বর্তমানে আনুমানিক দেড় ট্রিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস মজুত রয়েছে। তিতাস-৩১ এর অনুসন্ধান সফল হলে সেখানে নতুন মজুত যুক্ত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
সব মিলিয়ে তিতাস ও বাখরাবাদের নতুন কূপগুলো বাংলাদেশের গ্যাস সরবরাহ ব্যবস্থায় একটি নতুন সংযোজন হতে যাচ্ছে। আজ শনিবার তিতাস-২৮ থেকে যে সরবরাহ শুরু হবে, তা আগামী কয়েক মাসে আরও কয়েকটি কূপের উৎপাদনের মাধ্যমে ধীরে ধীরে বাড়তে পারে। ফলে দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন ও অনুসন্ধান—দুই ক্ষেত্রেই নতুন সম্ভাবনার দুয়ার খুলছে।


নির্বাচিত

চীনের অর্থায়নে ট্রাঙ্ক হাইওয়ে নেটওয়ার্কের মহাপরিকল্পনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

দেশের বাড়তে থাকা পরিবহন চাহিদা এবং ভবিষ্যৎ অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির কথা বিবেচনায় নিয়ে প্রধান মহাসড়ক বা ট্রাঙ্ক হাইওয়ে নেটওয়ার্কের নতুন মহাপরিকল্পনা তৈরি করছে সরকার। চীনের অনুদানে এই পরিকল্পনা প্রণয়নের উদ্যোগ নিয়েছে সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তর (সওজ)।

প্রস্তাবিত মহাপরিকল্পনায় দেশের প্রধান অর্থনৈতিক কেন্দ্র, শিল্পাঞ্চল, বন্দর ও গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলোর মধ্যে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন যোগাযোগ নিশ্চিত করতে জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে। পাশাপাশি বড় নদী পারাপারের সেতুগুলোকে একটি সমন্বিত যোগাযোগ নেটওয়ার্কের অংশ হিসেবে পরিকল্পনায় যুক্ত করা হবে।

এ লক্ষ্যে ১২ কোটি ৩৫ লাখ টাকা ব্যয়ে ‘প্রিপারেশন অব বাংলাদেশ ট্রাঙ্ক হাইওয়ে নেটওয়ার্ক প্ল্যান ফোকাসিং অন দ্য এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক অ্যান্ড মেজর রিভার ক্রসিং ব্রিজেস’ শীর্ষক কারিগরি সহায়তা প্রকল্প নেওয়া হচ্ছে। প্রকল্পের পুরো অর্থ চীন সরকার অনুদান হিসেবে দেবে। প্রস্তাবটি অনুমোদনের জন্য সম্প্রতি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানো হয়েছে।

পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী বছরের অক্টোবরের মধ্যে মহাপরিকল্পনা তৈরির কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে।

অর্থনৈতিক করিডোরে জোর: সওজ কর্মকর্তারা জানান, নতুন পরিকল্পনার অন্যতম প্রধান লক্ষ্য হবে দেশের কৌশলগত অর্থনৈতিক করিডোরগুলোকে শক্তিশালী করা। বন্দর, শিল্পাঞ্চল, বড় শহর ও আঞ্চলিক প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রগুলোর মধ্যে উন্নত সড়ক যোগাযোগ গড়ে তোলার মাধ্যমে পণ্য পরিবহন ও যাতায়াতের সক্ষমতা বাড়ানো হবে।

জাতীয় এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্কের সম্ভাব্য রুট ও কাঠামো নির্ধারণের পাশাপাশি কোন কোন বড় নদীতে সেতু প্রয়োজন, সেগুলোও চিহ্নিত করা হবে। জাতীয় ও আঞ্চলিক যোগাযোগ ব্যবস্থার প্রয়োজন বিবেচনায় নিয়ে এসব সেতুর পরিকল্পনা করা হবে। একই সঙ্গে সড়ক ও সেতু উন্নয়ন প্রকল্পের অগ্রাধিকার নির্ধারণ এবং ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের একটি রূপরেখা তৈরি করা হবে। এতে স্বল্প, মধ্য ও দীর্ঘমেয়াদি সময়ে কোন প্রকল্প আগে নেওয়া প্রয়োজন, তা নির্ধারণ করা সম্ভব হবে।

আগের মাস্টারপ্ল্যান থেকে ভিন্নতা: সওজ এর আগেও জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্ক নিয়ে একটি মাস্টারপ্ল্যান বাস্তবায়ন করেছে। এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকের (এডিবি) আর্থিক সহায়তায় তৈরি ওই পরিকল্পনায় জাতীয় সড়ক নেটওয়ার্কের সার্বিক উন্নয়ন, বিভিন্ন শ্রেণির সড়কের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং অবকাঠামো উন্নয়নের বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছিল।

নতুন ট্রাঙ্ক হাইওয়ে নেটওয়ার্ক পরিকল্পনার লক্ষ্য তুলনামূলকভাবে আরও কৌশলগত। এতে দেশের প্রধান অর্থনৈতিক করিডোর, বন্দর, শিল্পাঞ্চল ও প্রবৃদ্ধির কেন্দ্রগুলোর মধ্যে দ্রুত যোগাযোগ ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

বিশেষ গুরুত্ব পাবে নিয়ন্ত্রিত প্রবেশাধিকারসম্পন্ন এক্সপ্রেসওয়ে নেটওয়ার্ক। এর মাধ্যমে দীর্ঘ দূরত্বে দ্রুত ও নিরবচ্ছিন্ন সড়ক যোগাযোগ নিশ্চিত করার কাঠামো নির্ধারণ করা হবে।

বড় নদী পারাপারের সেতুগুলোকেও এবার বিচ্ছিন্ন প্রকল্প হিসেবে নয়, বরং জাতীয় ট্রাঙ্ক হাইওয়ে নেটওয়ার্কের সমন্বিত অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হবে।

সমন্বিত পরিকল্পনায় গুরুত্ব: প্রকল্প প্রস্তাবে বলা হয়েছে, দেশে একটি সমন্বিত পরিবহন তথ্যভাণ্ডার ও দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার ঘাটতির কারণে বিভিন্ন সময়ে মহাসড়ক উন্নয়ন হয়েছে অনেকটা বিচ্ছিন্নভাবে। এর ফলে কোথাও কোথাও সড়কের প্রযুক্তিগত মান ও সক্ষমতার মধ্যেও পার্থক্য তৈরি হয়েছে।

অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, নগরায়ন ও যানবাহনের সংখ্যা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে সওজ ইতোমধ্যে বিভিন্ন সড়ক সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করছে। তবে জাতীয় পর্যায়ে প্রধান সড়ক নেটওয়ার্কের জন্য একটি সমন্বিত ও তথ্যভিত্তিক কৌশল প্রয়োজন বলে প্রকল্প প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

নতুন মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে এক্সপ্রেসওয়ে, বড় নদীর সেতু এবং কৌশলগত অর্থনৈতিক করিডোরকে একটি সমন্বিত কাঠামোর আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। এর ফলে ভবিষ্যতের সড়ক অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগের অগ্রাধিকার নির্ধারণ আরও সুসংগঠিত হবে।

চীনের কারিগরি সহায়তা: পরিকল্পনাটি তৈরিতে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞ সহায়তা দেবে চীন। প্রকল্প প্রস্তাব অনুযায়ী, ২০১৯ সালের নভেম্বর ও ২০২১ সালের জুনে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাক্ষরিত চুক্তির ধারাবাহিকতায় এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পরে ২০২৫ সালের ২৬ জুন ট্রাঙ্ক হাইওয়ে নেটওয়ার্ক পরিকল্পনায় চীনের সহায়তার বিষয়টি আনুষ্ঠানিকভাবে পুনর্ব্যক্ত করা হয়।

সওজ কর্মকর্তাদের মতে, দীর্ঘমেয়াদি ও সমন্বিত এই পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হলে দেশের সড়ক যোগাযোগ কাঠামো আরও কার্যকর হবে। একই সঙ্গে পণ্য পরিবহনের সময় ও ব্যয় কমানো, বন্দর ও শিল্পাঞ্চলের সঙ্গে যোগাযোগ বাড়ানো এবং আঞ্চলিক বাণিজ্যিক সংযোগ শক্তিশালী করার সুযোগ তৈরি হবে।


নির্বাচিত

চীনের সঙ্গে স্বাস্থ্য সহযোগিতা আরও জোরদারে গুরুত্ব দিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে সহযোগিতা আরো জোরদারে চিকিৎসক প্রশিক্ষণ, স্বাস্থ্যকর্মী বিনিময়, যৌথ গবেষণা এবং উন্নত স্বাস্থ্য প্রযুক্তি হস্তান্তরের ওপর গুরুত্ব আরোপ করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে জনস্বাস্থ্য ও চিকিৎসাসেবা ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে। এ সম্পর্ককে আরো কার্যকর ও ফলপ্রসূ করতে দুই দেশের স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে বাস্তবভিত্তিক সহযোগিতা বাড়াতে হবে।

আজ চীনের হাইনান প্রদেশের হাইকো সিটিতে হাইনান জেনারেল পিপলস হাসপাতাল পরিদর্শন শেষে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় আলোচনায় এসব প্রস্তাব তুলে ধরেন মন্ত্রী।

এ সময় স্বাস্থ্যমন্ত্রী চীনের চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান ও বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশে বিনিয়োগ এবং আধুনিক ও মানসম্মত হাসপাতাল নির্মাণে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার চীনা বিনিয়োগকারী ও স্বাস্থ্য খাতের যৌথ প্রকল্পে প্রয়োজনীয় নীতিগত সহায়তা ও নিরাপত্তা নিশ্চয়তা দেবে।

বাংলাদেশি রোগীদের চিকিৎসাসেবা সহজ করতে হাইনান জেনারেল পিপলস হাসপাতালে বিশেষ চিকিৎসাসুবিধা ও ছাড় দেওয়ারও অনুরোধ জানান স্বাস্থ্যমন্ত্রী। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বাংলাদেশি রোগীদের জন্য বিশেষ গ্রিন মেডিক্যাল চ্যানেল এবং চিকিৎসায় বিশেষ ছাড় চালুর বিষয়ে সম্মতি জানায়।

হাসপাতালের প্রেসিডেন্ট ঝাং জুন বাংলাদেশি পক্ষের প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়ে জনবল প্রশিক্ষণ, প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন, হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা ও স্বাস্থ্যশিল্পের উন্নয়নে বাংলাদেশের সঙ্গে সহযোগিতা আরো জোরদারের আগ্রহ প্রকাশ করেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

সার্ককে সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দক্ষিণ এশীয় আঞ্চলিক সহযোগিতা সংস্থাকে (সার্ক) আবার সক্রিয় করতে ভুটানের সহযোগিতা চেয়েছে বাংলাদেশ।

আজ ভুটানের প্রধানমন্ত্রী দাশো শেরিং তোবগের হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বল্প সময়ের যাত্রাবিরতিকালে এ অঞ্চল ও এর জনগণের যৌথ কল্যাণে সার্ককে পুনরুজ্জীবিত করতে দেশটির সমর্থন চেয়েছে বাংলাদেশ।

ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এই সংক্ষিপ্ত যাত্রাবিরতিকালে বিমানবন্দরে তাকে স্বাগত জানান স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুুল মঈন খান এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির।

এ সময় মন্ত্রীদ্বয় একটি সমৃদ্ধ দক্ষিণ এশিয়ার জন্য শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরেন।

সংক্ষিপ্ত আলাপকালে বাংলাদেশের মন্ত্রীদ্বয় ভুটানের প্রধানমন্ত্রীকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে উষ্ণ শুভেচ্ছা জানান।

মন্ত্রীদ্বয় ভুটানের ‘গেলেফু মাইন্ডফুলনেস সিটি’ (জিএমসি) উন্নয়নে বিশেষ করে পেশাজীবী এবং দক্ষ ও আধা-দক্ষ জনশক্তি জোগান দিয়ে অবদান রাখার বিষয়ে বাংলাদেশের আগ্রহ প্রকাশ করেন।

তারা পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট দ্বিপক্ষীয় বিষয় নিয়েও আলোচনা করেন। ১৯৭১ সালে বাংলাদেশকে প্রথম দেশ হিসেবে ভুটান স্বীকৃতি দেওয়ার পর থেকে গড়ে ওঠা দুদেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বের সম্পর্কের ভূয়সী প্রশংসাও করেন তাঁরা।

বৈঠকে বাংলাদেশে নিযুক্ত ভুটানের রাষ্ট্রদূত এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে জার্মানির উদ্দেশে রওনা হওয়ার আগে ভিভিআইপি লাউঞ্জে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

banner close