সোমবার, ১৩ এপ্রিল ২০২৬
৩০ চৈত্র ১৪৩২
ভয়েস অব আমেরিকাকে শেখ হাসিনা

যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শে র‌্যাব সৃষ্টি, নিষেধাজ্ঞার কারণ বোধগম্য নয়

যুক্তরাষ্ট্র সফররত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগকে সাক্ষাৎকার দিয়েছেন। ছবি: ভিডিও থেকে নেয়া
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২ মে, ২০২৩ ২১:৪১

বিশ্বজুড়ে যখন জঙ্গিবাদ মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল, তখন যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই র‍্যাব সৃষ্টি করা হয়েছিল বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। কী কারণে দেশটি এই বাহিনীর ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে, তা প্রশ্নবিদ্ধ বলেও মত দিয়েছেন তিনি।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র সফররত শেখ হাসিনা ভয়েস অব আমেরিকার বাংলা বিভাগকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ‘হঠাৎ এই বাহিনীটির ওপর মার্কিন নিষেধাজ্ঞা বোধগম্য নয়।’ র‍্যাবের ওপর নিষেধাজ্ঞা দেয়ায় জঙ্গিরা এখন উৎসাহিত হয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

র‍্যাবের সংস্কারে বাংলাদেশ সরকার কী কী পদক্ষেপ নিয়েছে- এমন প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পরামর্শেই র‍্যাব সৃষ্টি। তাদের ট্রেনিংসহ সবকিছুই আমেরিকার করা। কিন্তু কেন র‍্যাবকে নিষেধাজ্ঞা দেয়া হলো, তা প্রশ্নবিদ্ধ। বাহিনীতে কেউ কোনো ধরনের অপরাধ করলে তাদের সঙ্গে সঙ্গে আইনের আওতায় নিয়ে আসা হয়, যা অন্য দেশে নেই। এমনকি আমেরিকাতেও নেই। তারপরও এ ধরনের ঘোষণা দুঃখজনক।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘আমাদের এক প্রতিমন্ত্রীর মেয়ের স্বামী, সে একটা অপরাধ করেছে, সঙ্গে সঙ্গে তাকে গ্রেপ্তার ও জেলে দেয়া হয়। সে শাস্তি পেয়েছে। আমরা কিন্তু এভাবেই দেখি।’ র‍্যাবের সংস্কার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সন্ত্রাস ও জঙ্গি দমনে র‍্যাবের ভালো ভূমিকা আছে। র‍্যাবের যেকোনো কর্মকর্তা অপরাধ করুক না কেন, শাস্তির আওতায় আনা হয়। আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় আমরা সব সময় সচেতন। বিশেষ করে আওয়ামী লীগ সরকার আসার পর থেকে আরও বেশি।’

বিএনপির সঙ্গে কথা বলার কিছু নেই
আগামী নির্বাচনের আগে বিএনপির সঙ্গে আলোচনার কোনো সম্ভবনা নেই বলে জানিয়েছেন শেখ হাসিনা। তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অধীনে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন হতে হবে, এই দাবি নিয়ে বিএনপির সঙ্গে আলোচনা হবে কি না, সেই প্রশ্নে শেখ হাসিনা বলেন, বিএনপির সঙ্গে আর আলোচনার টেবিলে বসতে ইচ্ছে করে না। বিএনপির সঙ্গে বসলে পোড়া মানুষের গন্ধ পাওয়া যায়।

‘আমরা কিন্তু বারবার বিএনপির সঙ্গে আলোচনা করেছি, ২০১৮ এর নির্বাচনেও। আসলে বিএনপি এমন একটা রাজনৈতিক দল, এই দলটা সৃষ্টি করেছে একজন মিলিটারি ডিক্টেটর, যে ১৯৭৫ সালে আমার বাবা-মা-ভাই-বোনদের হত্যা করে একজন রাষ্ট্রপতিকে হত্যা করে পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় এসেছে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘২০০৮ এর নির্বাচন নিয়ে কিন্তু কারও কোনো অভিযোগ নেই। তখন আমাদের ছিল ১৪-দলীয় জোট, আর বিএনপি নেতৃত্বে ছিল ২০-দলীয় জোট। তাদের জোট ৩০০ সিটের মধ্যে তারা পেয়েছিল ২৯টা, বাকি সিটগুলো কিন্তু আমরা পেলাম। সেটা থেকেই তো বিএনপির যে অবস্থানটা, জনগণের কাছে সেটা স্পষ্ট হয়ে যায়। যার ফলে তারা ২০১৪ সালে আর ইলেকশন করবে না, ইলেকশন ঠেকাবে। ইলেকশন ঠেকাতে গিয়ে শুরু করল অগ্নিসন্ত্রাস। এটা মনে হয় কোনো মানুষ ভাবতে পারবে না যে- জীবন্ত মানুষগুলো বাসে করে যাচ্ছে, সেখানে তারা আগুন দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে, ট্রাকে আগুন দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে, লঞ্চে আগুন দিয়ে মানুষ পোড়াচ্ছে, গাড়ি, সিএনজি…।’

দশম জাতীয় সংসদ নির্বাচনের আগে দেশের পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ‘৩৮০০ গাড়িতে তারা আগুন দিয়েছে। ২৯টা ট্রেনে তারা আগুন দিয়েছে। সিএনজি, প্রাইভেট কার- যাকে যেখানে পেত, গায়ে পেট্রল ঢেলে মানুষ আগুনে পুড়ে মারাই নাকি তাদের আন্দোলন।’

তারেককে ফেরানো নির্ভর করছে যুক্তরাজ্য সরকারের ওপর
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার আদালতের রায় বাস্তবায়নের জন্য বিএনপির দণ্ডপ্রাপ্ত ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে দেশে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে, তবে সবকিছু নির্ভর করছে যুক্তরাজ্য সরকারের ওপর। তিনি সেখানে (ইউকে) আছেন। অপরাধী যেই হোক, তাদের ফিরিয়ে এনে সাজা কার্যকর করতে হবে। এ ব্যাপারে আমরা আমাদের প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি। এখন এটা সম্পূর্ণ ব্রিটিশ সরকারের ওপর নির্ভর করছে। তারা কি তাকে সেখানে রাখবে নাকি শাস্তি কার্যকর হতে দেবে, এটা সম্পূর্ণভাবে তাদের ওপর নির্ভর করছে।’

তারেক রহমানকে দেশে ফেরাতে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বদা উদ্যোগ রয়েছে বলে জানান শেখ হাসিনা। তারেক রহমান যে মানিলন্ডারিং, অস্ত্র চোরাচালান, দুর্নীতি এবং ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলাসহ বেশ কয়েকটি মামলায় সাজাপ্রাপ্ত সেই বিষয়টিও তুলে ধরেন তিনি।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘তারেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে বন্ডে সই করে দেশ ত্যাগ করেন। তাই আমরা চাই এই মামলার রায় কার্যকর করতে যত দ্রুত সম্ভব তাকে দেশে ফিরিয়ে আনা হোক।’ তারেককে বাংলাদেশে ফেরাতে যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে কোনো আলোচনা হয়েছে কি না, জানতে চাইলে শেখ হাসিনা বলেন, ‘অবশ্যই। একপর্যায়ে আমরা বারবার যুক্তরাজ্য সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।’

ডিজিটাল আইনের অপপ্রয়োগ হয় না
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ইউরোপীয় দেশগুলো এবং এর বাইরেও অন্যান্য দেশে কীভাবে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করা হয় তা জানতে অনুরূপ আইনগুলো খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে শেখ হাসিনা জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘কেউ যদি সামাজিক অস্থিরতা সৃষ্টি করে বা জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত করে বা জঙ্গিবাদের প্রশিক্ষণ দেয় এবং অনলাইনে বোমা তৈরি করে তাহলে সে অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘সাংবাদিক হিসেবে পরিচিত কেউ যদি মন্ত্রণালয় থেকে ফাইল চুরি করার চেষ্টা করে, তাহলে তাকে কি পুরস্কৃত করা উচিত? কোনো সভ্য দেশে এটা করলে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে কী ব্যবস্থা নেয়া হয়? হাতেনাতে ধরা পড়া সত্ত্বেও, সেই সাংবাদিককে হিরো হিসেবে চিহ্নিত করে পুরস্কৃত করা হয়েছিল। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন শুধু বাংলাদেশে নেই; মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও যুক্তরাজ্যেও এমন আইন রয়েছে।’

‘বাংলাদেশের মানুষ আগের চেয়ে বেশি ইন্টারনেট ও মোবাইল ফোন ব্যবহার করছে। ১৭ কোটি মানুষের মধ্যে ১২-১৩ কোটির সিম কার্ড রয়েছে। বাংলাদেশ সরকার ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে যথেষ্ট সতর্ক রয়েছে। আমাদের দেশে আগে একটা আইন ছিল, যখন সামরিক স্বৈরশাসক ক্ষমতায় ছিল, যার অধীনে যেকোনো সাংবাদিককে বিনা সমনে গ্রেপ্তার করা যেত। আমি দায়িত্ব নেয়ার পর এটা বন্ধ করে দিয়েছি। সুতরাং এটি সাংবাদিকদের হয়রানির ঘটনা নয়। যদি কেউ অসামাজিক কার্যকলাপ বা জঙ্গিবাদের সঙ্গে জড়িত থাকে তবে সাধারণত তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়।’

পদ্মা সেতুর কথিত দুর্নীতি নিয়ে বিশ্বব্যাংকের অভিযোগের প্রেক্ষিতে বাংলাদেশ ও বিশ্বব্যাংকের মধ্যকার সম্পর্কের টানাপোড়েন ও তা অতিক্রম করে বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে ৫০ বছরের অংশীদারত্বের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়েও ভয়েস অব আমেরিকার সঙ্গে কথা বলেন শেখ হাসিনা।


কৃষক কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করতে টাঙ্গাইলে যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচি উদ্বোধন করতে কাল পহেলা বৈশাখ (১৪ এপ্রিল) টাঙ্গাইল যাবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সফরসূচি অনুযায়ী সকাল ৮টায় সড়ক পথে রওনা হবেন তিনি। সকাল ১০টায় টাঙ্গাইলে পৌঁছে প্রথমে সন্তোষে মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীর মাজার জিয়ারত করবেন। এরপর সকাল সাড়ে ১০টায় টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে দেশব্যাপী প্রি-পাইলটিং হিসেবে ‘কৃষক কার্ড’ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন এবং কৃষক সমাবেশে বক্তব্য রাখবেন। পরে দুপুর সোয়া ১২টায় পৌর উদ্যানে কৃষি মেলার উদ্বোধন করবেন।

প্রধানমন্ত্রীর প্রটোকল অফিসার উজ্জ্বল হোসেনের সই করা সিডিউল থেকে এসব তথ্য জানা গেছে।

প্রধানমন্ত্রীর এ সফরকে কেন্দ্র করে টাঙ্গাইল জেলায় ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা বিরাজ করছে বলে জানা গেছে। এরই মধ্যে প্রস্তুতি পরিদর্শন করতে টাঙ্গাইলে গেছেন কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশীদ।


বাংলাদেশিদের জন্য আগামী সপ্তাহে ভিসা চালু করছে ভারত: হুমায়ুন কবির

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশিদের জন্য চিকিৎসা ভিসার সঙ্গে ব্যবসায়িক ভিসাও চালু করতে ভারত সম্মত হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, আগামী সপ্তাহে এই ভিসা চালু হবে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ শেষে তিনি এ তথ্য জানান। ভারতের সঙ্গে ফলপ্রসূ বৈঠক হয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা।

হুমায়ুন কবির বলেন, ‘ভালো মাইন্ডসেট থাকলে দুই দেশের সম্পর্ক ইতিবাচকভাবে অনেক দূর এগিয়ে যাবে। দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বেশ কিছু সমস্যা নিয়ে ইতিবাচক আলোচনা হয়েছে।’

এ সময় পাইপলাইনের ডিজেল দেওয়ার কারণে ভারতকে ধন্যবাদ জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

গত মঙ্গলবারপররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান ও উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির তিন দিনের সফরে দিল্লি যান।

এই সফরে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কের নানা বিষয় নিয়ে ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্করের সঙ্গে আলোচনা করেন তারা।


বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দিন দিন স্বাভাবিক হচ্ছে: ভারতীয় হাইকমিশনার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ-ভারত সম্পর্ক দিন দিন স্বাভাবিক হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সাথে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

ভারতীয় হাইকমিশনার বলেন, দুদেশের মধ্যে আবেগ এবং সংস্কৃতির যে সম্পর্ক, সেটা ধরে রাখতে কাজ করছি। দুদেশের মধ্যে পারস্পরিক বোঝাপড়া ও আস্থার সম্পর্ক শক্তিশালী। দুই দেশের মধ্যে এনার্জি, যোগাযোগ, সংস্কৃতিসহ নানা বিষয় ওতপ্রোতভাবে জড়িত।

একই সংস্কৃতি, ইতিহাস-ঐতিহ্য জনগণ ধারণ করে উল্লেখ করে ভারতীয় হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা বলেন, যেসব এলাকায় কাজ করলে দুই দেশের জনগণই লাভবান হবে সেসব এলাকায় পারস্পরিক সম্পর্কের ভিত্তিতে কাজ করবে বাংলাদেশ-ভারত। এছাড়া দুই দেশের সংসদীয় কার্যক্রম নিয়মিত আদান প্রদান অব্যাহত রাখার বিষয়ে আলাপ হয়েছে বলেও জানান ভারতীয় হাইকমিশনার।


কাল টাঙ্গাইলসহ সারাদেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন: কৃষিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
টাঙ্গাইল জেলা প্রতিনিধি

দেশের ভূমিহীন, প্রান্তিক ও ক্ষুদ্র কৃষকদের জন্য সরকার চালু করতে যাচ্ছে ‘কৃষি কার্ড’। তিন ধাপে পর্যায়ক্রমে সারাদেশের কৃষকদের হাতে এই কার্ড তুলে দেওয়া হবে। এর আওতায় কৃষকরা বছরে আড়াই হাজার টাকাসহ বিভিন্ন সুবিধা পাবেন।

আগামীকাল ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে টাঙ্গাইলের শহীদ মারুফ স্টেডিয়াম থেকে এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান। এ উপলক্ষে জেলাজুড়ে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) বেলা ১১টার দিকে টাঙ্গাইল শহীদ মারুফ স্টেডিয়ামে সমাবেশস্থল পরিদর্শন ও কাজের অগ্রগতি দেখতে যান কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, টাঙ্গাইল সদর আসনের সংসদ সদস্য ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

পরিদর্শন শেষে কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ সাংবাদিকদের বলেন, দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষ কৃষির সঙ্গে সম্পৃক্ত। কৃষকদের ভাগ্য পরিবর্তন হলেই দেশ ও দেশের সামগ্রিক অর্থনৈতিক উন্নয়ন সম্ভব। উৎপাদন থেকে বিপণন পর্যন্ত প্রতিটি ক্ষেত্রে কৃষক যেন ন্যায্যমূল্য ও অধিকার পান, এই লক্ষ্যেই প্রধানমন্ত্রী কৃষি কার্ড চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন।

তিনি আরও বলেন, পহেলা বৈশাখে এই কর্মসূচির উদ্বোধন হওয়ায় দিনটি দ্বিগুণ তাৎপর্যপূর্ণ। একদিকে বাংলা নববর্ষের প্রথম দিন, অন্যদিকে দেশের প্রথম কৃষক কার্ড কর্মসূচির যাত্রা, যা টাঙ্গাইলসহ সারা দেশের জন্য একটি ঐতিহাসিক দিন।

মন্ত্রী বলেন, প্রাথমিকভাবে টাঙ্গাইলসহ দেশের ১১টি স্থানে ‘প্রি-পাইলটিং’ হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে। পরে পাইলটিং ও পর্যায়ক্রমে সারাদেশে বিস্তৃত করা হবে। পুরো প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রায় চার বছর সময় লাগতে পারে।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু বলেন, আগামীকালের কর্মসূচিকে ঘিরে টাঙ্গাইলের জনগণ অত্যন্ত আনন্দিত ও গর্বিত। এই জেলাতেই প্রধানমন্ত্রী কৃষক কার্ড কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন, যা একটি ঐতিহাসিক ঘটনা।

টাঙ্গাইলবাসী অনেক ভাগ্যবান জানিয়ে তিনি বলেন, মজলুম জননেতা আবদুল হামিদ খান ভাসানী কৃষকদের দাবি আদায়ের জন্য জমিদার প্রথার বিরুদ্ধে আন্দোলন করেছেন। তার স্মৃতিবিজড়িত টাঙ্গাইলে কৃষক কার্ড উদ্বোধন হওয়া গর্বের বিষয়। আগামীকালের কর্মসূচিতে দল-মত, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সবাই অংশগ্রহণ করবেন। আশা করি এটি একটি স্মরণীয় অনুষ্ঠান হবে এবং সর্বোচ্চ উপস্থিতি থাকবে।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন টাঙ্গাইল-২ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক উপমন্ত্রী এবং বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম পিন্টু, কৃষি মন্ত্রণালয়ের সচিব রফিকুল ই মোহামেদ, জেলা প্রশাসক শরীফা হক, টাঙ্গাইল জেলা পরিষদের প্রশাসক অ্যাডভোকেট এসএম ওবায়দুল হক নাসির, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শামসুল আলম সরকারসহ স্থানীয় প্রশাসনের কর্মকর্তা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা।


জিডিপির প্রকৃত তথ্য প্রকাশ করা হবে: পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের অর্থনীতির টেকসই উন্নয়নের জন্য সঠিক ও নির্ভুল তথ্যের কোনো বিকল্প নেই বলে জানিয়েছেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী জোনায়েদ সাকি। তিনি জানান, দেশের প্রতিটি সেক্টরে সঠিক তথ্য নিশ্চিত করা গেলে তথ্যের ওভারল্যাপিং (দ্বৈততা) বন্ধ হবে এবং অপতথ্য কমে আসবে।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরো (বিবিএস) অডিটোরিয়ামে আয়োজিত এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। ন্যাশনাল অ্যাকাউন্টিং উইং কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন ‘ত্রৈমাসিক মোট দেশজ উৎপাদ (কিউজিডিপি) এবং জেলাভিত্তিক মোট দেশজ উৎপাদ (ডিজিডিপি) উন্নয়ন’ শীর্ষক প্রকল্পের আওতায় এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিমন্ত্রী তথ্য-উপাত্তের স্বচ্ছতার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে বলেন, বর্তমান সরকারের মূল অঙ্গীকার হলো তথ্য ও উপাত্তকে নির্ভরযোগ্যভাবে উপস্থাপন করা। এ ব্যাপারে প্রধানমন্ত্রীর কঠোর নির্দেশনায় তথ্য সঠিকভাবে উপস্থাপন করতে হবে। এখানে কোনো প্রকার ম্যানুপুলেশন বা কারচুপি সহ্য করা হবে না।

বিগত সরকারের সময় জিডিপির তথ্য যে বিতর্ক ও সমালোচনা ছিল, সে প্রসঙ্গে জোনায়েদ সাকি বলেন, আমরা অতীতে জিডিপি নিয়ে তথ্য বিভ্রাটের সমালোচনা করেছি। তাই আমাদের দায়িত্ব এখন সঠিক তথ্যটা জনগণের সামনে তুলে ধরা। তথ্যের নির্ভরযোগ্যতা বজায় রাখাই আমাদের প্রধান লক্ষ্য।

বিবিএসর মহাপরিচালক (অতিরিক্ত সচিব) মো. ফরহাদ সিদ্দিকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ সেমিনারে আরও বক্তব্য রাখেন, আলেয়া আক্তার, সচিব, পরিসংখ্যান ও তথ্য ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও মোহাম্মদ শফিকুল ইসলাম, প্রকল্প পরিচালক।

অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন বিবিএসর পরিচালক মুহাম্মদ আতিকুল কবীর। সেমিনারে বক্তারা জেলাভিত্তিক জিডিপি (ডিজিডিপি) এবং ত্রৈমাসিক জিডিপি (কিউজিডিপি) নির্ণয়ের পদ্ধতিগত উন্নয়ন ও এর গুরুত্ব নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন।


দুই সচিবের দপ্তর বদল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে। তাকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) হিসেবে বদলি করে রোববার (১২ এপ্রিল) প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

অন্যদিকে পরিকল্পনা কমিশনের সদস্য (সচিব) জাকারিয়াকে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এ জন্য পৃথক আরেকটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়।

গত বছরের ২ নভেম্বর জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. নূরুন্নাহার চৌধুরীকে পদোন্নতি দিয়ে নৌপরিবহণ মন্ত্রণালয়ের সচিব করা হয়। তিনি বিসিএস প্রশাসন ক্যাডারের ১৭তম ব্যাচের কর্মকর্তা। অন্যদিকে গত ২৫ মার্চ বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত সচিব) থাকার সময় জাকারিয়াকে সচিব পদে পদোন্নতি দিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগে পদায়ন করা হয়। পরে তাকে পাঠানো হয় পরিকল্পনা কমিশনে।


পহেলা বৈশাখে নিরাপত্তার কোনো হুমকি নেই: র‍্যাব ডিজি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পহেলা বৈশাখের অনুষ্ঠান ঘিরে নিরাপত্তা নিয়ে কোনো ধরনের হুমকি নেই বলে জানিয়েছেন র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়নের (র‍্যাব) মহাপরিচালক (অতিরিক্ত আইজিপি) মো. আহসান হাবীব পলাশ।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর রমনার বটমূলে র‍্যাবের নিরাপত্তাব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

র‌্যাব ডিজি বলেন, নববর্ষ উদযাপন উপলক্ষ্যে শাহবাগ, টিএসসি, হাতিরঝিল, মানিক মিয়া অ্যাভিনিউ ও রমনা বটমূলসহ রাজধানীর যেসব স্থানে বর্ষবরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে, সেসব স্থানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে যথাযথ ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে র‌্যাব। এ জন্য পরীক্ষণ চেকপোস্ট ও অবজারভেশন চেকপোস্ট স্থাপন করা হয়েছে।

র‌্যাবের বোম ডিসপোজাল ইউনিট ও ডগ স্কোয়াড কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছে। সারা দেশে নববর্ষ চলাকালীন সার্বিক নিরাপত্তায় কন্ট্রোলরুম, চেকপোস্ট ও সিসিটিভি মনিটরিং ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ইভটিজিং ও যৌন হয়রানি রোধে সতর্কাবস্থায় রয়েছে র‌্যাব। আশা করি, অন্য বছরের তুলনায় এ বছর আনন্দের সঙ্গে উদযাপন হবে নববর্ষ।


প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে টেলিনর গ্রুপের সিইও’র সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন নরওয়েভিত্তিক মোবাইল অপারেটর এবং টেলিকমিউনিকেশন কোম্পানি টেলিনর গ্রুপের প্রেসিডেন্ট ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) বেনেডিক্টে শিলব্রেড ফাসমার।

সোমবার (১৩ এপ্রিল) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর দফতরে এই সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন উপ-প্রেস সচিব মোস্তফা জুলফিকার হাসান (হাসান শিপলু)।

তিনি জানান, প্রতিনিধি দল সেখানে গেলে প্রধানমন্ত্রী তাদের অভ্যর্থনা জানান। এ সময় অত্যন্ত সৌহার্দপূর্ণ পরিবেশে কুশল বিনিময় করেন তারা।


সশস্ত্র বাহিনী কোনো ব্যক্তি বা দলের সম্পদ নয়, রাষ্ট্রের অমূল্য সম্পদ: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষণা করেছেন, সশস্ত্র বাহিনী কোনো নির্দিষ্ট ব্যক্তি, দল বা পরিবারের সম্পদ নয়, বরং এটি রাষ্ট্রের এক অমূল্য সম্পদ। গতকাল রোববার ঢাকা সেনানিবাসে সশস্ত্র বাহিনীর এক বিশেষ দরবারে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেছেন।

প্রধানমন্ত্রী তার বক্তব্যে বাহিনীর সদস্যদের পেশাদারিত্বের বিষয়ে কোনো ধরনের আপস না করার আহ্বান জানান এবং সশস্ত্র বাহিনীকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন।

সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় এবং ৫ আগস্ট পরবর্তী অস্থির সময়ে প্রশাসনিক অচলাবস্থা নিরসনে এই বাহিনী যে অসাধারণ ভূমিকা পালন করেছে, তা দেশপ্রেমিক জনগণকে আশান্বিত করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে সেনাবাহিনীকে দুর্বল করার একটি গভীর ষড়যন্ত্র করা হয়েছিল এবং সেই বিয়োগান্তক ঘটনার ন্যায়বিচার নিশ্চিতে তার সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। গত দেড় দশকের শাসন ও শোষণের সময় সশস্ত্র বাহিনীকে বিতর্কিত করার যে অপচেষ্টা চালানো হয়েছে, তার সমালোচনা করে তিনি বাহিনীকে জনআস্থার প্রতীক হিসেবে গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

ঢাকা সেনানিবাসের এই অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী পৌঁছালে তাকে স্বাগত জানান তার প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল ড. একেএম শামছুল ইসলাম, সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান, নৌবাহিনী প্রধান অ্যাডমিরাল এম নাজমুল হাসান এবং বিমান বাহিনী প্রধান এয়ার চিফ মার্শাল হাসান মাহমুদ খাঁন।

দরবারে প্রধানমন্ত্রী গত আগস্ট পরবর্তী সময় থেকে দেশের সার্বিক আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ এবং ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অত্যন্ত সুষ্ঠু ও সুনিপুণভাবে সম্পন্ন করার জন্য সশস্ত্র বাহিনীর ভূয়সী প্রশংসা করেন। তিনি মনে করেন, আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও শান্তি রক্ষায় এই বাহিনীর অবদান বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করেছে।

পরিশেষে প্রধানমন্ত্রী সশস্ত্র বাহিনীর সকল সদস্যকে দল-মতের ঊর্ধ্বে থেকে দেশপ্রেমকে ধারণ করার এবং দেশের সার্বভৌমত্ব ও সংবিধানের মর্যাদা সমুন্নত রাখার নির্দেশনা প্রদান করেন। তিনি সততা, নিষ্ঠা ও ত্যাগের মাধ্যমে জনগণের আস্থা অটুট রেখে কাজ করার জন্য সকলকে প্রতিজ্ঞাবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।

এই বিশেষ দরবারে ঢাকা সেনানিবাসের সামরিক ও অসামরিক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং ঢাকার বাইরের বিভিন্ন সেনানিবাসের সদস্যরা ভিডিও টেলিকনফারেন্সের মাধ্যমে অংশগ্রহণ করেন।


গণতন্ত্র আস্থার জায়গা, প্রতিষ্ঠায় অপরকে বিশ্বাস করতে হবে: চিফ হুইপ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, গণতন্ত্র হলো একটি আস্থার জায়গা, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠায় সঠিক দায়িত্ব পালন ও একে অপরকে বিশ্বাস করতে হবে। গতকাল রোববার জাতীয় সংসদ ভবনে নবনির্বাচিত দুই সংসদ সদস্যের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের ব্রিফিংকালে তিনি এসব বলেছেন।

চিফ হুইপ বলেন, গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য যে দায়িত্ব পালন করা দরকার, তা আপনাদের সংসদ এবং সংসদের বাইরে পালন করতে হবে। কল্যাণমুখী ও মানবিক রাষ্ট্র গড়তে সবাই জনগণের কল্যাণে কাজ করবে। কোনো সমস্যা হলে প্রশাসনের দ্বারস্থ হবে, তবে কেউ আইন হাতে তুলে নেবেন না।

জ্বালানি সংকট নিরসন প্রসঙ্গে নূরুল ইসলাম জানান, প্রধানমন্ত্রী জ্বালানি সমস্যা সমাধানে ভর্তুকির ওপর আরও ৩৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিগত স্বৈরাচারী সরকার দেশ থেকে ২৭ লাখ কোটি টাকা পাচার করেছে। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী চান টাকা পাচার না হয়ে মানুষের কল্যাণে কাজে লাগুক।

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করে চিফ হুইপ বলেন, সংসদ চলাকালীন শেরপুরে একজন জামায়াত কর্মী নিহতের ভুয়া তথ্য দিয়ে বিরোধী দলের এক সদস্যের দেওয়া বক্তব্য দুঃখজনক। এটি এক্সপাঞ্জ করার প্রস্তাব করবো আগামী অধিবেশনে।

সংসদীয় কার্যক্রমের সাফল্য তুলে ধরে তিনি বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে এই প্রথম মাত্র ৫ দিনে ১১৭টি বিল পাস করার নজিরবিহীন রেকর্ড গড়া হয়েছে। আমরা সরকারি ও বিরোধী দলের সমন্বয়ে গঠিত কমিটির মাধ্যমে ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই করেছি। এর মধ্যে ১৬টি অধ্যাদেশ সংশোধনের জন্য রাখা হয়েছে এবং ১১৭টি পাস হয়েছে। এর জন্য সংসদ সচিবালয় ও বিজি প্রেসের কর্মীরা নির্ঘুম রাত কাটিয়েছেন।

এত পরিশ্রমের পরও বিরোধী দলের সদস্যদের ওয়াকআউট নিয়ে হতাশা ব্যক্ত করে চিফ হুইপ বলেন, ছোট দুটি সংশোধনী নিয়ে তাদের ওয়াকআউট করাটা ছিল ঠুনকো বিষয়। তবে ওয়াকআউট গণতন্ত্রের অংশ, এটা তাদের অধিকার।

জুলাই অভ্যুত্থান স্মরণে ‘জুলাই জাদুঘর’ নির্মাণের পরিকল্পনা সম্পর্কে তিনি বলেন, ১৯৭১ সাল থেকে শুরু করে ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থান পর্যন্ত সব ইতিহাসকে আমরা এই জাদুঘরে জীবন্ত করে রাখতে চাই। এখানে মন্ত্রীর সম্পৃক্ততা থাকলে কাজের গতি বাড়বে।


গণভোট নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার সুযোগ নেই

রোববার সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী দলের আন্দোলনের হুমকির প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ বলেছেন, গণভোট নিয়ে কোনো ধরনের বিভ্রান্তি সৃষ্টি করার সুযোগ নেই। ইতোমধ্যে অনুষ্ঠিত গণভোটের বৈধতা নিয়ে আদালতে বিষয়টি বিচারাধীন রয়েছে এবং আদালতের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হবে। এটা তো ফ্যাক্টাম ভ্যালেট, এটা ঘটনাক্রমে সিদ্ধ। অধ্যাদেশ জারি হয়েছে গণভোট অধ্যাদেশ। গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে এবং সেটার বৈধতা আছে।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে করা ১৩৩টি অধ্যাদেশ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদে উত্থাপন পরবর্তী বিষয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে গণভোট নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ এ কথা বলেছেন।

রোববার বিকেলে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে ওই সংবাদ সম্মেলনে আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলামও বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, এটার বিষয়ে নতুন করে আইন করে— আগামীতে তো এর ওপরে কোনো গণভোট হবে না। ভবিষ্যতে যদি কোনো গণভোট করতেই হয়, আইদার (দুটির মধ্যে যে কোনো একটি) সাংবিধানিক গণভোট হবে আর্টিকেল ১৪২ অনুসারে, অথবা যদি সংবিধানের বাইরে, যেহেতু সংবিধানে এমন কিছু বলা নাই যে, আর কোনো গণভোট কোনো বিষয়ে করতে পারবে না সরকার চাইলে। সুতরাং সেটা যদি করতে চায় অন্য কোনো বিষয়ে, সেটা আলাদা একটা আইন করতে হবে...সুতরাং এটা হুমকি দেওয়ার কোনো বিষয় নাই। এটার বৈধতা তো আছেই। অবৈধ তো বলছি না।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সংবিধানের চতুর্থ তফসিলে যখন বিগত গভর্নমেন্টের (অন্তর্বর্তী সরকার) সকল কর্মকাণ্ডকে, দুই-একটা বাদে বৈধতা দেওয়া হবে তখন সেটা লেজিটিমেট (বৈধ) হয়ে যাবে।’

সরকার গণভোটসহ গুরুত্বপূর্ণ সাংবিধানিক বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রেখে এগোচ্ছে এবং ভবিষ্যতে এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় আইনি কাঠামো তৈরি করা হবে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, সংবিধানের গুরুত্বপূর্ণ অনুচ্ছেদ—বিশেষ করে রাষ্ট্রপতি, নির্বাহী ক্ষমতা ও সংশোধন-সংক্রান্ত বিধান পরিবর্তনের ক্ষেত্রে গণভোটের ব্যবস্থা রাখা যেতে পারে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে প্রস্তাব উত্থাপন করা হয়েছিল এবং রাজনৈতিক দলগুলোর মতামত নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়।

এর আগেও একটি গণভোট অধ্যাদেশ জারি এবং সেই অনুযায়ী গণভোট অনুষ্ঠিত হয় এবং তার আইনি বৈধতা ও সাংবিধানিক ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন উঠে বলে সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এ কারণে ভবিষ্যতে গণভোট আয়োজন করতে হলে তা সংবিধানের কাঠামোর মধ্যেই করতে হবে। সংবিধানের বাইরে কোনো গণভোট হলে তা আইনি জটিলতায় পড়তে পারে।

সংবিধানের ১৪২ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী সংশোধনের ক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির অনুমোদনের আগে গণভোটের বিধান যুক্ত করার বিষয়টি বিবেচনায় আনা হচ্ছে উল্লেখ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ভবিষ্যতে যদি গণভোট আয়োজন করতে হয়, তাহলে তা হয় সংবিধানসম্মতভাবে, নয়তো আলাদা আইন প্রণয়নের মাধ্যমে করতে হবে।


নববর্ষে জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই, রয়েছে জোর প্রস্তুতি

রাজধানীর রমনা পার্কে ডিএমপির অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমে সংবাদ সম্মেলনে কথা বলেন ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার/ ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১২ এপ্রিল, ২০২৬ ২২:১৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলা নববর্ষ উদযাপন ঘিরে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই বলে জানিয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার বলেছেন, বাংলা নববর্ষ উদযাপনে কোনো ধরনের জঙ্গি হামলার শঙ্কা নেই। আমাদের জোর প্রস্তুতি রয়েছে যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য।

রোববার রমনা বটমূলের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ডিএমপির অস্থায়ী কন্ট্রোল রুমে এক সংবাদ সম্মেলনে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেছেন।

এর আগে নববর্ষের সার্বিক নিরাপত্তা পরিকল্পনা তুলে ধরে ডিএমপি কমিশনার বলেন, ১৪ এপ্রিল পহেলা বৈশাখ উপলক্ষে রাজধানীর বিভিন্ন স্থানে বিপুল মানুষের সমাগম হবে। যাতে সকল শ্রেণিপেশার মানুষ নির্বিঘ্নে উৎসব উপভোগ করতে পারে, সেজন্য ডিএমপি ব্যাপক নিরাপত্তা পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

তিনি জানান, নববর্ষের অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে পুরো ঢাকা মহানগরীকে ৯টি সেক্টর ও ১৪টি সাব-সেক্টরে ভাগ করা হয়েছে। প্রতিটি এলাকায় ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে বিপুলসংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন থাকবে। গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলোতে ডগ স্কোয়াড ও বোম্ব ডিসপোজাল টিম দিয়ে ‘সুইপিং’ করা হবে।

নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে কমিশনার আরও বলেন, রমনা পার্ক, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় ১৪টি পয়েন্টে ব্যারিকেড বসানো হবে। প্রতিটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে ও হ্যান্ড মেটাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে তল্লাশি করা হবে। সিসিটিভি, ভিডিও ক্যামেরা, স্টিল ক্যামেরা ও ড্রোনের মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি থাকবে। পাশাপাশি পর্যবেক্ষণ টাওয়ার ও রুফটপে বিশেষ ফোর্স মোতায়েন থাকবে। ইভটিজিং ও অপরাধ দমনে বিশেষ টিম সাদা পোশাকে কাজ করবে। এছাড়া হকারদের অনিয়ন্ত্রিত প্রবেশ ঠেকাতেও থাকবে আলাদা নজরদারি। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার বা গুজব ঠেকাতে সাইবার পেট্রোলিং জোরদার করা হয়েছে।

ছায়ানট ও বৈশাখী শোভাযাত্রার বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা সম্পর্কে তিনি জানান, রমনা বটমূলে ছায়ানটের বর্ষবরণ অনুষ্ঠান সকাল ৬টা ১৫ মিনিট থেকে ৮টা ২৫ মিনিট পর্যন্ত চলবে। নির্ধারিত গেট দিয়ে প্রবেশ ও বের হওয়ার ব্যবস্থা থাকবে এবং নারী-পুরুষ ও শিল্পীদের জন্য আলাদা প্রবেশপথের ব্যবস্থা করা হয়েছে। অন্যদিকে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলার উদ্যোগে সকাল ৯টায় শুরু হবে ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী শোভাযাত্রা। চারুকলা থেকে শুরু হয়ে শাহবাগ, টিএসসি ও দোয়েল চত্বর হয়ে পুনরায় চারুকলায় এসে শেষ হওয়া পর্যন্ত পুরো রাস্তা কঠোর নিরাপত্তার আওতায় থাকবে। অনুষ্ঠানমালা সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে শেষ করার নির্দেশনাও দেন তিনি। বিকাল ৫টার পর রমনা পার্কের সব গেট শুধু বের হওয়ার জন্য ব্যবহৃত হবে, নতুন করে কাউকে প্রবেশ করতে দেওয়া হবে না।

ট্রাফিক ডাইভারশন প্রসঙ্গে তিনি জানান, পহেলা বৈশাখ ভোর ৫টা থেকে শাহবাগ ও আশপাশ এলাকায় যান চলাচলে ডাইভারশন দেওয়া হবে। বাংলামোটর, কাকরাইল, হাইকোর্ট, নীলক্ষেতসহ ১৪টি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে ব্যারিকেড থাকবে। এই সময়ে যাত্রীদের বিকল্প সড়ক ব্যবহারের অনুরোধ জানানো হয়েছে। এছাড়া নির্ধারিত স্থানে গাড়ি পার্কিং, ফায়ার সার্ভিস, অ্যাম্বুলেন্স, মেডিকেল টিম এবং নৌপুলিশের ডুবুরি দল সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।

নগরবাসীর প্রতি আহ্বান জানিয়ে ডিএমপি কমিশনার বলেন, নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সহযোগিতা করুন। কোনো সন্দেহজনক কিছু দেখলে জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯ বা ডিএমপি কন্ট্রোল রুমে জানান।


রহিত অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাই করে নতুন আইন করবে সরকার

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা ও আরও যাচাই-বাছাইয়ের জন্য অন্তর্বর্তী সরকারের জারি করা সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয়, সুপ্রিম কোর্টের বিচারক নিয়োগ, মানবাধিকার কমিশনসহ কয়েকটি অধ্যাদেশ বাতিল করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা করে এসব আইন নতুন করে করা হবে বলে জানিয়েছেন তিনি। রোববার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান আইনমন্ত্রী। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ ও চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন।

আইনমন্ত্রী জানান, আগামী ১৫ মের পরে মানবাধিকার কমিশন আইন নিয়ে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি বলেন, ‘স্বচ্ছভাবে বিলগুলো আনতে চাই। ১২ এপ্রিলের মধ্যে বিলগুলো পাস হলে আলোচনার সুযোগ থাকত না। আমরা বিলগুলো আনব, অপব্যবহারের কোনো সুযোগ নেই।’

আইনমন্ত্রী জানান, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের সময় জারি করা ১৩৩টি অধ্যাদেশের মধ্যে সংসদের চলমান প্রথম অধিবেশনে ৯১টি বিলের মাধ্যমে ১১০টি অধ্যাদেশ বিল করে উপস্থাপন করা হয়েছে। ৯৭টি অধ্যাদেশ হুবহু, ১৩টি সংশোধিত আকারে এবং সাতটি অধ্যাদেশ রহিত করা হয়েছে। ১৬টি অধ্যাদেশ সংসদে উপস্থাপন করা হয়নি।


banner close