শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
২৮ ভাদ্র ১৪৩৩

কাতার পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দোহা বিমানবন্দরে স্বাগত জানান কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলামসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: ফোকাস বাংলা
আপডেটেড
২২ মে, ২০২৩ ২১:৪৮
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২২ মে, ২০২৩ ২১:২৭

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২৩ মে থেকে ২৫ মে অনুষ্ঠেয় কাতার ইকোনমিক ফোরামে (কিউইএফ) যোগ দিতে তিন দিনের সরকারি সফরে সোমবার বিকেলে দোহায় পৌঁছেছেন।

শেখ হাসিনা ও তার সফরসঙ্গীদের নিয়ে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের বিশেষ ফ্লাইট স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩২ মিনিটে দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান কাতারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মো. নজরুল ইসলাম ও সেদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।

এর আগে ঢাকার সময় বিকেল ৩টা ১৩ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী ফ্লাইটটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, চিফ হুইপ নুর-ই-আলম চৌধুরী, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী মো. মাহবুব আলী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, সেনা, বিমান ও ভারপ্রাপ্ত নৌ বাহিনী প্রধান, মহাপুলিশ পরিদর্শক (আইজিপি) এবং কূটনৈতিক কোরের ডিন বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন, প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বিদ্যুৎ-জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী মো. শাহরিয়ার আলম।

সফরকালে প্রধানমন্ত্রী কাতারের আমির তামিম বিন হামাদ আল থানির আমন্ত্রণে ‘তৃতীয় কাতার অর্থনৈতিক ফোরাম : নতুন বৈশ্বিক প্রবৃদ্ধির গল্প’ শীর্ষক ফোরামে যোগ দেবেন।

কিউইএফ হলো মধ্যপ্রাচ্যের শীর্ষস্থানীয় প্লাটফর্ম, যা বিশ্বব্যাপী ব্যবসা এবং বিনিয়োগের জন্য নিবেদিত। এই ফোরামের মূল উদ্দেশ্য হলো, বিশ্বব্যাপী চলমান বহুমুখী চ্যালেঞ্জ ও সংকট এবং এর ফলে উদ্ভূত বিরূপ অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবেলায় আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সমাধান খুঁজে বের করা।

শেখ হাসিনা ২৩ মে তৃতীয় কিউইএফের উদ্বোধনী অধিবেশনে যোগ দেবেন। দোহায় কাতার বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে ভাষণ দেবেন এবং কাতারের জ্বালানি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী সাদ বিন শেরিদা আল কাবি এবং সৌদি আরবের বিনিয়োগ মন্ত্রী খালিদ এ. আল-ফালিহের সঙ্গেও পৃথক বৈঠক করবেন।

প্রধানমন্ত্রী ২৪ মে কিউইএফে যোগ দেবেন। কাতারের আমির শেখ তামিম বিন হামাদ আল সানির (আমিরি দিওয়ানে) সঙ্গে বৈঠক করবেন এবং আওসাজ একাডেমি (একটি বিশেষায়িত স্কুল) পরিদর্শন করবেন।

সফর শেষ করে প্রধানমন্ত্রী আগামী ২৫ মে সকালে দেশে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

সরকারের ৬ মাসে খাদ্য মজুত বেড়েছে দেড় লাখ মেট্রিক টন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে।

চলতি বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি দেশের সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২২ লাখ ১০ হাজার ৬৭০ মেট্রিক টন। গত ৯ সেপ্টেম্বরে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে। অর্থাৎ এ সময়ে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত বেড়েছে ১ লাখ ৪৮ হাজার ৪৮৪ মেট্রিক টন।

শুধু মজুত নয়, আগে দেশে খাদ্য মজুতের ধারণ ক্ষমতা (ক্যাপাসিটি) ছিল প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন। তবে বিএনপির বিশেষ উদ্যোগে আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার পরিকল্পনা নেয়া হয়েছে। ইতোমধ্যেই ধারণ ক্ষমতা ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

শুধু খাদ্য মজুত বা ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোই নয়, বিএনপি সরকার গঠনের পর নিরাপদ খাদ্য মজুত সীমা বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।

আগে ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন খাদ্য মজুত থাকলেই তা নিরাপদ সীমা বলে গণ্য করা হত। কিন্তু তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন সরকার তা বাড়িয়ে ১৬ লাখ মেট্রিক টনকে নিরাপদ সীমা বলে স্থির করেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ বলছেন, সরকারের খাদ্য বান্ধব নীতির কারণে দেশে বর্তমানে খাদ্য নিয়ে কোনোরকম দুশ্চিন্তা নেই।

খাদ্য মন্ত্রণালয় ও খাদ্য অধিদপ্তরের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে দেশে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত সন্তোষজনক পর্যায়ে রয়েছে। মোট মজুতের মধ্যে চাল ২০ লাখ ৩৬ হাজার ১০২ মেট্রিক টন, গম ২ লাখ ৩২ হাজার ১৮৩ মেট্রিক টন ও ধান ৩৪ হাজার ৭০ মেট্রিক টন।

ফ্লোটিং মজুতসহ সরকারি খাদ্যশস্যের মজুতের পরিমাণ ২৩ লাখ ৫৯ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টনে দাঁড়িয়েছে। এর মধ্যে ফ্লোটিং মজুত হিসেবে গম রয়েছে ৬৮ হাজার ৭২৩ মেট্রিক টন।

এর আগে, অন্তর্বর্তী সরকারের এক বছর পূর্তির সময়, ২০২৫ সালের ৪ আগস্ট দেশে চাল ও গম মিলিয়ে সরকারি খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ২১ লাখ ৩১ হাজার মেট্রিক টন। সে সময় সরকারি মজুতের মধ্যে চাল ছিল ১৯ লাখ ৫৪ হাজার টন ও গম ছিল ১ লাখ ৭৭ হাজার টন। সেই তুলনায় বর্তমানে সরকারি খাদ্যশস্যের মোট মজুদ বেড়েছে ২ লাখ ২৮ হাজার ১৫৪ মেট্রিক টন।

খাদ্যশস্যের মজুতের এই ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা আরও স্পষ্ট হয় আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ের সঙ্গে তুলনা করলে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের একই সময়ের তুলনামূলক পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালে দেশে খাদ্যশস্যের মজুত ছিল ১৬ লাখ ৮৪ হাজার ৩৩০ মেট্রিক টন।

অর্থাৎ ২০২৪ সালের তুলনায় বর্তমান সরকারি মজুত বেড়েছে প্রায় ৬ লাখ ৭৫ হাজার টন।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পর্যাপ্ত খাদ্য মজুত দেশের বাজারে সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা, মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও যে কোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

এদিকে চলতি বোরো সংগ্রহ কার্যক্রমেও উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের বোরো সংগ্রহে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত ধান ও চাল মিলিয়ে মোট ১৬ লাখ ৮৩ হাজার ১৯৫ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য সংগ্রহ করা হয়েছে।

এর মধ্যে ধান সংগ্রহ হয়েছে ৫ লাখ ৭৮ হাজার ১৪০ মেট্রিক টন, সিদ্ধ চাল ১২ লাখ ১ হাজার ৫৬৮ মেট্রিক টন ও আতপ চাল ১ লাখ ৫ হাজার ৩১৩ মেট্রিক টন।
এছাড়া গম সংগ্রহ করা হয়েছে ৫২৩ মেট্রিক টন।

খাদ্যশস্যের ঘাটতি মোকাবিলা ও মজুত পরিস্থিতি শক্তিশালী রাখতে আমদানি কার্যক্রমও অব্যাহত রয়েছে।

চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের ১ জুলাই থেকে ৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬ পর্যন্ত সরকারি ও বেসরকারি পর্যায়ে মোট ৮ লাখ ২৭ হাজার ৭০০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি হয়েছে। এর মধ্যে সরকারি পর্যায়ে ৬৫ হাজার ৮৬০ মেট্রিক টন ও বেসরকারি পর্যায়ে ৭ লাখ ৬১ হাজার ৮৪০ মেট্রিক টন খাদ্যশস্য আমদানি করা হয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানান, জনগণের খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সরকার উৎপাদন, সংগ্রহ, আমদানি ও মজুত— সব ক্ষেত্রে সমন্বিত পরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। দেশের মানুষের জন্য পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ নিশ্চিত রাখতে নিয়মিতভাবে মজুত পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

বর্তমান মজুতের পরিমাণ দীর্ঘদিন ধরে প্রচলিত নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টনের চেয়ে প্রায় ১০ লাখ মেট্রিক টনের বেশি। ফলে দেশের খাদ্য নিরাপত্তা ব্যবস্থা বর্তমানে শক্তিশালী অবস্থানে রয়েছে। তবে দেশের জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও খাদ্য গ্রহণের পরিমাণকে বিবেচনায় নিয়ে নিরাপদ খাদ্য মজুত ১৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার।

একই সঙ্গে আগামী পাঁচ বছরে সরকারি গুদামগুলোর সামগ্রিক খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

খাদ্য মন্ত্রণালয় ইতোমধ্যেই এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে কার্যক্রম শুরু করেছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো জানিয়েছে, দেশের বাজারে খাদ্যশস্যের পর্যাপ্ত সরবরাহ নিশ্চিত, মূল্য স্থিতিশীল রাখা ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম নির্বিঘ্ন রাখতে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংগ্রহ কার্যক্রম নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সংগ্রহ শাখার যুগ্মসচিব মোহাম্মদ কামরুল ইসলাম চৌধুরী রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, চলতি মৌসুমে দেশের অভ্যন্তরীণ খাদ্যশস্য সংগ্রহ অভিযান সফল ও সন্তোষজনকভাবে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত কৃষকসহ সংশ্লিষ্ট সব অংশীজনকে তিনি ধন্যবাদ জানান।

তিনি আরও বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামগুলোতে বর্তমানে চাল ও গমের পর্যাপ্ত ও নিরাপদ মজুত রয়েছে। এ মজুত যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা এবং জাতীয় খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

কামরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, বাজারে চালের দাম স্থিতিশীল রাখা এবং সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির আওতায় খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম অব্যাহত রাখতে সরকার সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।

খাদ্য মন্ত্রণালয়ের খাদ্য পরিকল্পনা ও পরিধারণ ইউনিটের (এফপিএমইউ) মহাপরিচালক মো. মাহবুবুর রহমান রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, জাতীয় চাহিদা বৃদ্ধির সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে খাদ্যশস্যের মজুত ও সংরক্ষণ সক্ষমতা সমন্বয়ের লক্ষ্যে সরকার ধারাবাহিকভাবে কাজ করছে।

তিনি আরও বলেন, দেশে এবার পর্যাপ্ত বৃষ্টি হয়েছে। ফলে আমন চাষে কাঙ্ক্ষিত লক্ষ্য অর্জিত হবে বলে সরকার আশাবাদী। ফলে, বোরো মৌসুমের মত আমন সংগ্রহ লক্ষ্যমাত্রার চাইতে বেশি অর্জিত হবে বলে সরকার আশা করছে।

মাহবুবুর রহমান বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে গমের মূল্য পর্যায়ক্রমিকভাবে বাড়ছে, ফলে আমদানি ব্যয় বাড়তে পারে। তবে গমের বিপরীতে বিকল্প হিসেবে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচিতে সরকার চাল দেওয়ার মত বিকল্প পরিকল্পনা ভেবে রেখেছে। ফলে সরকারের এখন যে অবস্থা, তাতে কোনোভাবেই সংকট বা সমস্যার সম্ভাবনা নেই।

খাদ্য নিয়ে সরকারের কোনও দুশ্চিন্তা নেই বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

খাদ্য সংগ্রহ ও সরবরাহ ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে খাদ্য অধিদপ্তরের অতিরিক্ত মহাপরিচালক মো. জামাল হোসেন রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থাকে (বাসস) বলেন, দেশের বর্তমান খাদ্য নিরাপত্তা পরিস্থিতি অত্যন্ত সন্তোষজনক।

তিনি বলেন, সরকারি খাদ্যগুদামে পর্যাপ্ত খাদ্যশস্যের মজুত নিশ্চিত করার পাশাপাশি সঠিকভাবে সংরক্ষণ ও খাদ্যের গুণগত মান বজায় রাখার ওপর সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

তিনি জানান, প্রান্তিক কৃষকদের কাছ থেকে বোরো ধান ও চাল সংগ্রহ সারাদেশে স্বচ্ছ ও সুশৃঙ্খল প্রক্রিয়ায় পরিচালিত হচ্ছে। এর ফলে কৃষকরা তাদের উৎপাদিত ধান ও চালের ন্যায্য মূল্য পাচ্ছেন।

জামাল হোসেন বলেন, ওএমএস (ওপেন মার্কেট সেল) ও খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির মতো সরকারি খাদ্য বিতরণ কার্যক্রম সচল রাখতে খাদ্যগুদাম থেকে সরবরাহ ব্যবস্থা সক্রিয় রয়েছে।

তিনি বলেন, আগে আমাদের খাদ্যশস্য সংরক্ষণ সক্ষমতা প্রায় ২৪ লাখ মেট্রিক টন ছিল। বর্তমানে তা বেড়ে ২৭ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

আগামী পাঁচ বছরে সরকারি খাদ্যশস্যের সংরক্ষণ সক্ষমতা ৩৪ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার লক্ষ্যে কাজ চলছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এটি বর্তমান সরকারের নির্বাচনী ইশতেহারে ঘোষিত লক্ষ্যগুলোর অন্যতম।

তিনি আরও জানান, দীর্ঘদিন ধরে দেশে নিরাপদ খাদ্য মজুতের মানদণ্ড ১৩ লাখ ৫০ হাজার মেট্রিক টন হিসেবে বিবেচিত হলেও জনসংখ্যা বৃদ্ধি ও সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচির পরিধি সম্প্রসারণের বিষয়টি বিবেচনায় নিয়ে বর্তমান সরকার নিরাপদ খাদ্য মজুতের লক্ষ্যমাত্রা ১৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

ডেঙ্গু প্রতিরোধে জনগণের সহযোগিতা চাইলেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মশাবাহিত ডেঙ্গু রোগ প্রতিরোধ এবং পরিবেশ সুরক্ষায় একটি পরিচ্ছন্ন দেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে সমগ্র দেশবাসীর সক্রিয় সহযোগিতা কামনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকালে জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিন মাসব্যাপী দেশব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও বিশেষ পরিচ্ছন্নতা অভিযানের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনকালে তিনি এ আহ্বান জানান।

উদ্বোধনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন, যেকোনো ইতিবাচক জাতীয় পরিবর্তনের জন্য সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই এবং সকলে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করলে দেশ গড়ার পথে কোনো বাধাই স্থায়ী হতে পারবে না। আগামী তিন মাস ডেঙ্গুর প্রকোপ মোকাবিলায় সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, রাতারাতি শতভাগ নির্মূল সম্ভব না হলেও সমন্বিত ও কার্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখা হবে। ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট যেভাবে ঐক্যবদ্ধ হয়ে পরিবর্তনের নজির তৈরি হয়েছিল, সেই চেতনাকে ধারণ করে সামগ্রিক রাষ্ট্র ও সমাজকে সুন্দরভাবে রূপান্তরের তাগিদ দেন তিনি।

ব্যক্তি ও সমাজের সুস্বাস্থ্য নিশ্চিতে সচেতনতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে প্রধানমন্ত্রী প্রত্যেক নাগরিককে প্রতি সপ্তাহে অন্তত এক ঘণ্টা সময় নিজ নিজ চারপাশ পরিচ্ছন্ন রাখার কাজে নিয়োজিত করার অনুরোধ জানান। তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, ব্যক্তিপর্যায়ের এই ছোট অভ্যাস সামগ্রিক পরিবেশে দৃশ্যমান ইতিবাচক পরিবর্তন আনবে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মূল পর্বে অংশ নেওয়ার আগে প্রধানমন্ত্রী সেখানে স্থাপিত বিভিন্ন তথ্য ও সচেতনতামূলক স্টল ঘুরে দেখেন এবং উপস্থিত সাধারণ মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উল্লেখ্য, ১২ সেপ্টেম্বর থেকে শুরু হওয়া এই বিশেষ ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি আগামী ১২ ডিসেম্বর পর্যন্ত অব্যাহত থাকবে।


নির্বাচিত

বিদ্যুৎ-জ্বালানি সমস্যা বৈশ্বিক, সমাধানের চেষ্টা করছে সরকার : প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজ নির্বাচনী আসন ঢাকা-১৭ এর বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে আর্থিক অনুদান দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। মসজিদ ও মাদ্রাসার পাশাপাশি আসন্ন শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে বিভিন্ন মন্দিরেও এই অনুদান দেওয়া হয়েছে।
গতকাল শুক্রবার বিকালে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের কার্যালয়ে ঢাকা-১৭ আসনের অন্তর্ভুক্ত মসজিদ ও মন্দির কর্তৃপক্ষের হাতে অনুদানের চেক তুলে দেন প্রধানমন্ত্রী। অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী জানান, চলতি বছরই ৪১ লাখ পরিবারকে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে।
এ সময় প্রধানমন্ত্রী দেশের চলমান বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সংকট নিয়ে কথা বলেন। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সমস্যা বৈশ্বিক, যার প্রভাব বাংলাদেশেও চলছে। সরকার চেষ্টা করছে এই সমস্যা সমাধানের। দেশের ১৩০টি গ্যাসকূপ অনুসন্ধানের চেষ্টা করছে সরকার বলেও জানান তিনি।
দেশবাসীর প্রতি ঐক্যের ডাক দিয়ে তারেক রহমান বলেন, তেল-বিদ্যুতের মতো গ্যাস নিয়ে কিছু অসাধু লোক অবৈধ কাজ করছে। দেশকে এগিয়ে নিতে হলে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। যারা অবৈধ কাজ করবে, অন্যায় করবে তাদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। রাষ্ট্রীয় সম্পদ অবৈধভাবে কাউকে নিয়ে যাওয়ার সুযোগ দেওয়া হবে না।
বিগত সময়ে রাষ্ট্রের সম্পদ ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছে উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রীয় সম্পদ কেউ যাতে ব্যক্তিস্বার্থে ব্যবহার করতে না পারে সে জন্য সর্বোচ্চ চেষ্টা করছে সরকার।
এদিন ঢাকা-১৭ আসন এলাকার ২৮টি মসজিদে ২ লাখ ৪৭ হাজার টাকা করে অনুদানের চেক দেওয়া হয়। পাশাপাশি শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১০টি মন্দিরকে ৩ লাখ টাকা করে মোট ৩০ লাখ টাকা আর্থিক অনুদান দেওয়া হয়।
ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর কার্যক্রমে সহযোগিতা এবং শারদীয় দুর্গাপূজার আয়োজন নির্বিঘ্ন করতে এ আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব মো. সুজাউদ্দৌলা (সুজন মাহমুদ)।


নির্বাচিত

শাহজালালে সোয়া কোটি টাকার স্বর্ণসহ গ্রেপ্তার ৩

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রায় ৮৬২ গ্রাম স্বর্ণালংকারসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে এয়ারপোর্ট আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)। শুক্রবার দুপুরে এ তথ্য জানিয়েছে এপিবিএন। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মো. নাসির মোল্লা (৪০), সোহাগ শেখ (২৪) ও মো. হাছান মিয়া (২৩)।

এপিবিএন জানায়, গত বৃহস্পতিবার রাতে বিমানবন্দরের গোলচত্বরের উত্তর পাশের ফুটপাতে সন্দেহজনকভাবে ঘোরাফেরা করছিলেন ওই তিনজন। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে তারা পালানোর চেষ্টা করলে এপিবিএনের সদস্যরা তাদের আটক করেন।

পরে তাদের শরীর তল্লাশি করে ৮৬১ দশমিক ৮ গ্রাম স্বর্ণালংকার জব্দ করা হয়। এসব স্বর্ণালংকারের আনুমানিক বাজারমূল্য ১ কোটি ৩৬ লাখ ৮৬ হাজার ১৬০ টাকা।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আটকরা জানান, বিভিন্ন দেশ থেকে অজ্ঞাতপরিচয়ে যাত্রীদের মাধ্যমে চোরাচালানের উদ্দেশে এসব স্বর্ণ বাংলাদেশে আনা হয়েছে। তারা দীর্ঘদিন ধরে বিমানবন্দরকেন্দ্রিক স্বর্ণ চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত।

এ ঘটনায় শুক্রবার বিমানবন্দর থানায় মামলা করা হয়েছে। মামলায় বিশেষ ক্ষমতা আইন, ১৯৭৪-এর ২৫বি (১)(বি)/২৫-ডি ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

এ বিষয়ে এয়ারপোর্ট এপিবিএনের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ রেজাউল কবির বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় নিরাপত্তা ও অপরাধ দমনে এপিবিএন সক্রিয় রয়েছে। স্বর্ণ ও মাদক চোরাচালানসহ বিমানবন্দর ব্যবহার করে যেকোনো ধরনের অপরাধ প্রতিরোধে তাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।’


নির্বাচিত

ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন : তথ্যমন্ত্রী

রিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন আয়োজিত সেমিনারে বক্তব্য দেন তথ্যমন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী ব্যারিস্টার আন্দালিভ রহমান বলেছেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতিকে টেকসই করতে ভালো ও সৎ মানুষের রাজনীতিতে আসা প্রয়োজন।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি ভালো রাজনীতিবিদ তৈরি করতে না পারি, তাহলে আমরা যে স্বপ্নের কথাই বলি না কেন, তা টেকসই হবে না।’

আজ সংসদ ভবনের এলডি হলে বরিশাল ডিভিশনাল জার্নালিস্ট অ্যাসোসিয়েশন (বিডিজেএ) আয়োজিত ‘আগামীর বরিশাল বিভাগ : সম্ভাবনা ও করণীয়’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান আলোচকের বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘এখন আমরা এমন একটা জায়গায় চলে আসছি, কোয়ালিটি ডেভেলপমেন্ট যদি আনতে হয়, তাহলে ভালো মানুষদের নেতৃত্বে আসতে হবে।’

আন্দালিভ রহমান বলেন, গত ১৭ বছরে দেশে নেতৃত্বের বড় ধরনের সংকট তৈরি হয়েছে। ভালো ও মেধাবী তরুণরা রাজনীতি থেকে দূরে সরে গেছে। রাজনীতিবিদদের প্রতি মানুষের মধ্যে এক ধরনের অনাস্থা তৈরি হয়েছে। এমনকি অনেক রাজনীতিবিদের সন্তানও রাজনীতিতে আসতে চায় না।

তিনি বলেন, রাজনীতি করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ভালো উপাদান থাকলেও ভালো বাবুর্চি না থাকলে যেমন ভালো খাবার পাওয়া যায় না, তেমনি ভালো মানুষ নেতৃত্বে না এলে উন্নয়ন ও অগ্রগতির সুফল টেকসই করা সম্ভব নয়।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বরিশালের ঐতিহ্য অতুলনীয়। ফুটবল থেকে শুরু করে রাজনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বরিশাল এবং বরিশালের মানুষ বাংলাদেশকে নেতৃত্ব দিয়েছে। পাকিস্তান আমল থেকে বাংলাদেশের স্বাধীনতার পর পর্যন্ত এ অঞ্চল থেকে অনেক গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক নেতা উঠে এসেছেন এবং দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সফল ভূমিকা রেখেছেন।

তিনি বলেন, বরিশালকে সত্যিকার অর্থে স্বপ্নের নগরী ও স্বপ্নের শহরে পরিণত করতে হলে আগামী দিনে ভালো রাজনীতিবিদ তৈরি করতে হবে। এ বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রী বলেন, বরিশালের আশপাশের সব নির্বাচনী এলাকা ও জেলাগুলো থেকে মেধাবী ও ভালো ছেলেমেয়েদের রাজনীতিতে আসতে উৎসাহিত করতে হবে। এজন্য রাজনীতিতে আসার অনুকূল পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘আমরা যদি আগামী প্রজন্মের জন্য ভালো রাজনৈতিক নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারি, তাহলে কোনো ধরনের উন্নয়নই টেকসই হবে না। এটা শুধু বরিশালের সমস্যা নয়, সারা বাংলাদেশেই এই সংকট রয়েছে।’

আন্দালিভ রহমান বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন, গ্যাস সরবরাহ ও শিল্পায়ন এক ধরনের উন্নয়ন। কিন্তু এখন দেশের প্রয়োজন মানসম্মত ও টেকসই উন্নয়ন। আর সে জন্য ভালো মানুষকে নেতৃত্বে আসতে হবে।

তিনি বলেন, যারা বর্তমানে রাজনীতি করার সুযোগ পেয়েছেন, তাদের দায়িত্ব হলো পরবর্তী প্রজন্ম থেকে যোগ্য ও মেধাবীদের রাজনীতিতে নিয়ে আসার পথ তৈরি করা। তরুণদের রাজনীতিতে উৎসাহিত করার পাশাপাশি তাদের জন্য রাজনীতির পরিবেশ সহজ করতে হবে, যাতে তারা স্বাচ্ছন্দ্যে রাজনীতিতে আসতে পারে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা হয়তো অনেক কিছু তৈরি করে যেতে পারব, কিন্তু ভালো নেতৃত্ব তৈরি করতে না পারলে সেগুলো ধরে রাখা সম্ভব হবে না। তাই এ বিষয়গুলোতে আমাদের গুরুত্ব দিতে হবে।’

বরিশাল থেকে শেরেবাংলা এ কে ফজলুল হকসহ অনেক বড় নেতা উঠে এসেছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, ভবিষ্যতেও এ অঞ্চল থেকে যোগ্য ও ভালো নেতৃত্ব সামনে আসতে হবে।

তিনি বলেন, তরুণরা ডাক্তার, প্রকৌশলী, আইনজীবী, সফটওয়্যার প্রকৌশলী হওয়া কিংবা বিদেশে যাওয়ার পাশাপাশি দেশের সবচেয়ে মেধাবী ও শিক্ষিত তরুণদের কেউ যদি রাজনীতিতে এসে দেশ পরিবর্তনের প্রত্যয় ব্যক্ত করে, সেটিই হবে দেশের জন্য ইতিবাচক পরিবর্তনের সূচনা।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

দুর্ঘটনায় আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে সিএমএইচে প্রধানমন্ত্রী

ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে সেনাবাহিনীর ফিল্ড ফায়ারিং মহড়া চলাকালে ট্যাংক দুর্ঘটনার শিকার হয়ে গুরুতর আহত সেনা কর্মকর্তাকে দেখতে ঢাকার সম্মিলিত সামরিক হাসপাতালে (সিএমএইচ) গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। শুক্রবার দুপুরে তিনি হাসপাতালে উপস্থিত হয়ে চিকিৎসাধীন ওই কর্মকর্তার সর্বশেষ শারীরিক পরিস্থিতির সার্বিক খোঁজখবর নেন।

সিএমএইচে পরিদর্শনকালে প্রধানমন্ত্রী উপস্থিত চিকিৎসকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আহত কর্মকর্তার উন্নত ও নিবিড় চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন। এ সময় তিনি আহত কর্মকর্তার দ্রুত ও পূর্ণাঙ্গ আরোগ্য কামনা করেন। হাসপাতালে অবস্থানকালে প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসাধীন কর্মকর্তা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলে গভীর সান্ত্বনা ও সহমর্মিতা জানান।

এর আগে গত বুধবার চট্টগ্রামের হাটহাজারীতে নিয়মিত সামরিক ফিল্ড ফায়ারিং অনুশীলনের অংশ হিসেবে ট্যাংক থেকে গোলাবর্ষণের সময় এক অনাকাঙ্ক্ষিত দুর্ঘটনার সৃষ্টি হয়। মর্মান্তিক এই ঘটনায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর দুই সদস্য নিহত হন এবং একজন কর্মকর্তা গুরুতর আহত হলে তাঁকে দ্রুত সিএমএইচে ভর্তি করা হয়। প্রধানমন্ত্রী দুর্ঘটনায় নিহত দুই সেনাসদস্যের আত্মত্যাগের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করে তাঁদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেছেন।


নির্বাচিত

ভারতের সঙ্গে করা ১০১ চুক্তি পর্যালোচনা করছে সরকার: চিফ হুইপ

সংবাদ সম্মেলনে কথা বলছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ১৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের আমলে ভারতের সঙ্গে সম্পাদিত শতাধিক সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) ও দ্বিপক্ষীয় চুক্তি সরকার পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে পর্যালোচনা করছে এবং এ সংক্রান্ত পর্যালোচনার চূড়ান্ত ফলাফল খুব দ্রুতই প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। শুক্রবার সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্তি-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। সংবাদ সম্মেলনে সরকারদলীয় অন্যান্য হুইপ উপস্থিত ছিলেন।

চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দর ব্যবহারের সুযোগসংক্রান্ত চুক্তি এবং প্রতিবেশী রাষ্ট্রের নৌযান চলাচলবিষয়ক চুক্তি বাতিলের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে চিফ হুইপ বলেন, ‘আমরা চুক্তিগুলো, মানে সব—১০১টা এমওইউ নিয়ে আলোচনা করছি এবং সেটার ফল অনতিবিলম্বে আপনারা পাবেন।’ এ ছাড়া ব্যাংক রেজোল্যুশন আইনে বিতর্কিত ১৮(ক) ধারা অন্তর্ভুক্তির পর তা বাদ দেওয়ার প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে তিনি জানান, দেশের আর্থিক কাঠামো মজবুত করার লক্ষ্যেই প্রাথমিক উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, তবে সংশ্লিষ্টদের আগ্রহ না থাকায় পরবর্তীতে তা প্রত্যাহার করে বিলটি পাস করা হয়।

নয় কার্যদিবসের এই অধিবেশনে মোট ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল পাস হওয়া ছাড়াও সংসদীয় বিধিতে ১ হাজার ৬৭৮টি প্রশ্নের জবাব দেওয়া হয়েছে, যার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী নিজে ১৫টি প্রশ্নের উত্তর দেন। সংসদীয় স্থায়ী কমিটিতে বিরোধী দলের অবস্থান তুলে ধরে নূরুল ইসলাম মনি জানান, সরকারি ব্যয়ের জবাবদিহি নিশ্চিত করতে বিরোধীদলীয় উপনেতা সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহেরকে সবচেয়ে সংবেদনশীল ও গুরুত্বপূর্ণ সরকারি হিসাব কমিটির সভাপতির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি মন্ত্রণালয়-সম্পর্কিত ৩৯টি স্থায়ী কমিটির মধ্যে ২৪টিতেই বিরোধী দলের আইনপ্রণেতাদের আনুপাতিক হারের চেয়েও বেশি প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা হয়েছে, যার মধ্যে ২২টি কমিটিতে তিনজন করে এবং বাকিগুলোতে দুজন করে সদস্য রাখা হয়েছে।

অধিবেশনে পাস হওয়া আইনগুলোর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর আইনের সংশোধনীকে অত্যন্ত মানবিক ও কার্যকর হিসেবে আখ্যায়িত করেন চিফ হুইপ। এই আইনের ফলে বৃদ্ধ পিতা-মাতারা সন্তানদের সম্পত্তি দান বা হস্তান্তর করার পরও আজীবন তা ভোগদখল করার আইনি অধিকার পাবেন, যা প্রবীণদের আশ্রয়হীন হওয়া রোধ করবে। এ ছাড়া বিভিন্ন অংশীজন, বিচারসংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, আইনজীবী, গণমাধ্যম প্রতিনিধি এবং ১৬ জন বিদেশি রাষ্ট্রদূতের পরামর্শের ভিত্তিতে গুম প্রতিরোধ ও প্রতিকার আইন প্রণয়ন করা হয়েছে, যেখানে অপরাধের গুরুত্ব বিবেচনায় সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে। অন্যদিকে ভারতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর যোগদানের প্রসঙ্গে তিনি স্পষ্ট করেন যে, এটি বিমসটেকের বর্তমান চেয়ারম্যান হিসেবে প্রাতিষ্ঠানিক আমন্ত্রণ, কোনো ব্যক্তিগত নিমন্ত্রণ নয়। তিনি উল্লেখ করেন, সমমর্যাদা ও জাতীয় স্বার্থকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়েই বাংলাদেশ সকল রাষ্ট্রের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক রক্ষা করবে।

সরকারের আর্থিক সক্ষমতা ও ব্যবস্থাপনার চিত্র তুলে ধরে চিফ হুইপ জানান, পূর্ববর্তী হাসিনা সরকারের রেখে যাওয়া বৈদেশিক দায়ের বিপরীতে গত পাঁচ মাসে জনগণের করের ২০৫ কোটি মার্কিন ডলার ঋণ পরিশোধ করা হয়েছে। রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় রোধে সরকারের কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বিগত আমলের বিদ্যুৎ খাতের দায়মুক্তি ও বিদ্যুৎ উৎপাদনহীন ক্যাপাসিটি চার্জের তীব্র সমালোচনা করেন। সবশেষে জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়নে সরকারের অবিচল অঙ্গীকার ব্যক্ত করে নূরুল ইসলাম মনি বলেন, জুলাই সনদের প্রতিটি বিষয় অক্ষরে অক্ষরে বাস্তবায়নে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সনদের মৌলিক সংস্কারগুলো কার্যকর করতে সংবিধান সংশোধনকে একমাত্র আইনি পথ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, রাষ্ট্রের বৃহত্তর স্বার্থে অতীতে যেভাবে সংবিধান সংশোধন করা হয়েছে, ঠিক সেভাবেই প্রয়োজনীয় সংস্কার নিশ্চিত করা হবে।


নির্বাচিত

বিদেশের কারাগারে ১০ হাজারের বেশি বাংলাদেশি বন্দি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বের বিভিন্ন দেশের কারাগারে বর্তমানে প্রায় ১০ হাজার ৬৬ জন বাংলাদেশি নাগরিক বন্দি রয়েছেন বলে জাতীয় সংসদে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। বৃহস্পতিবার সংসদ অধিবেশনে যশোর-৫ আসনের বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্য কাজী এনামুল হকের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ তথ্য প্রকাশ করেন।

পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ভিনদেশে আটক নাগরিকরা স্থানীয় আইনের আওতায় থাকায় সংশ্লিষ্ট দেশের বিচারিক নিয়মনীতির প্রতি পূর্ণ শ্রদ্ধা বজায় রেখেই তাদের মুক্তির জন্য কূটনৈতিক তৎপরতা চালাতে হয়। বিদেশে কোনো বাংলাদেশির বন্দি থাকার সংবাদ মিললে কূটনৈতিক মিশনের প্রতিনিধিরা সংশ্লিষ্ট কারাগার বা বন্দিশিবির পরিদর্শন করে সরাসরি বন্দির খোঁজখবর নেন। পরবর্তী সময়ে আটক ব্যক্তির প্রয়োজনীয় তথ্য যাচাই-বাছাই করে আইনি পরামর্শ ও সুরক্ষার বন্দোবস্ত করা হয়। কোনো বন্দির নিজস্ব আইনজীবী নিয়োগের আর্থিক সামর্থ্য না থাকলে আদালতের মাধ্যমে সরকারি আইনজীবী নিয়োগের ব্যবস্থা করা হয় এবং পরিবার নিজে আইনজীবী নিয়োগে ইচ্ছুক হলে প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান করা হয়।

কারামুক্তির জন্য জরিমানা পরিশোধ এবং দেশে ফেরার উড়োজাহাজের টিকিটের বিষয়ে বন্দিদের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা করা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী জানান, পরিবার ব্যয় বহনে অপারগ হলে সরকারি অর্থায়নে প্রত্যাবাসনের ব্যবস্থা করা হয়ে থাকে। সাজা ভোগের মেয়াদ শেষ হওয়ামাত্রই তাদের দ্রুত দেশে পাঠাতে জরুরি ট্রাভেল পাস প্রদানসহ বিমানবন্দরে প্রটোকল সহায়তা দেওয়া হয়। এসব মানবিক ও আইনি সেবা নিশ্চিত করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় এবং ওয়েজ আর্নার্স কল্যাণ বোর্ডের মধ্যে সার্বক্ষণিক প্রাতিষ্ঠানিক সমন্বয় বজায় রাখা হয়।

এ ছাড়া পরিস্থিতি বিবেচনায় সংশ্লিষ্ট দেশের সরকারের কাছে বন্দিদের জন্য সাধারণ ক্ষমার আনুষ্ঠানিক কূটনৈতিক আবেদন জানানো হয়। এই কূটনৈতিক প্রচেষ্টার ফলে সম্প্রতি মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশে আটক প্রবাসীদের পাশাপাশি মিয়ানমারে বন্দি থাকা তিন বাংলাদেশি জেলেকে মুক্ত করে দেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হয়েছে। পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন, প্রবাসে আটক নাগরিকদের দেশে ফিরিয়ে আনার সামগ্রিক প্রক্রিয়া আরও গতিশীল ও কার্যকর করতে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় শিগগিরই একটি বিশেষায়িত অনলাইন পোর্টাল চালু করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।


নির্বাচিত

২৪ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত চলবে ২০২৭ সালের হজ নিবন্ধন কার্যক্রম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

২০২৭ সালের পবিত্র হজের নিবন্ধন কার্যক্রম চলছে। সৌদি সরকারের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে হজযাত্রীদের নিবন্ধন সম্পন্ন করতে হবে।

নির্ধারিত সময়ের পর নিবন্ধনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়। ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজ-২ শাখা থেকে গত ৯ সেপ্টেম্বর এ সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২৭ সালের হজে বাংলাদেশের জন্য নির্ধারিত কোটা ৭৮ হাজার ৫০০ জন। এর মধ্যে সরকারি ব্যবস্থাপনায় ১ হাজার ৬৫ জন এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ২ হাজার ৬৭৬ জনের নিবন্ধনের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

গত ২৭ জুলাই থেকে হজের নিবন্ধন কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে এ কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন হওয়ার পর বাংলাদেশের চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যা সৌদি কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।

এরপর চূড়ান্ত হজযাত্রীর সংখ্যার ভিত্তিতে সৌদি পর্বের অর্থ প্রেরণ, স্বাস্থ্য পরীক্ষা, ভিসার আবেদন, টিকাদান, হজ প্রশিক্ষণসহ প্রয়োজনীয় অন্যান্য কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

হজে গমনেচ্ছু ব্যক্তি, হজ এজেন্সি, হজ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত ব্যাংক এবং সংশ্লিষ্ট সবাইকে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিবন্ধন সম্পন্ন করার জন্য অনুরোধ জানিয়েছে ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়।

নিবন্ধন ও হজসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের হজবিষয়ক ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

সারাদেশে ৩ মাসব্যাপী ডেঙ্গু প্রতিরোধ অভিযান শুরু কাল, উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ডেঙ্গুর প্রাদুর্ভাব বৃদ্ধি পাওয়ায় আগামীকাল শনিবার থেকে সারাদেশে শুরু হচ্ছে তিন মাসব্যাপী ‘ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান-২০২৬’।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল সকাল ৯টায় জাতীয় সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় দেশব্যাপী এই কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন। তথ্য অধিদপ্তরের (পিআইডি) প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়েছে।

জনস্বার্থে প্রধানমন্ত্রীর এই উদ্বোধনী অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশ টেলিভিশন, বাংলাদেশ বেতার এবং দেশের সকল বেসরকারি টিভি চ্যানেলে সরাসরি সম্প্রচারের জন্য বিজ্ঞপ্তিতে সংশ্লিষ্টদের প্রতি বিনীত অনুরোধ জানানো হয়েছে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বিদ্যুৎ খাতে দায়মুক্তি বাতিল ও জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে: চিফ হুইপ

জাতীয় সংসদের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন-পরবর্তী সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের আমলে জ্বালানি ও বিদ্যুৎ খাতে প্রচলিত দায়মুক্তির সুযোগ বাতিল করে এ খাতের যাবতীয় সিদ্ধান্ত ও চুক্তিকে পূর্ণাঙ্গ আইনি জবাবদিহিতার আওতায় আনা হয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। শুক্রবার বেলা ১১টায় সংসদ ভবনের মিডিয়া সেন্টারে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন সমাপ্তি-পরবর্তী এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ তথ্য জানান। তিনি উল্লেখ করেন, পূর্বে নিয়ন্ত্রক সংস্থার ক্ষমতা সংকুচিত করে সরাসরি নির্বাহী আদেশে গ্যাস ও বিদ্যুতের মূল্যবৃদ্ধির যে অপচর্চা ছিল, বর্তমান সরকার সেই ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করেছে।

চিফ হুইপ জোর দিয়ে বলেন, বিদ্যুৎ সরবরাহ বা সংকট নিয়ে প্রশাসনকে কোনো জবাবদিহি করতে হবে না—এমন অগণতান্ত্রিক বিধিব্যবস্থা বহাল থাকা উচিত নয়। অতীতের বিদ্যুৎ ব্যবস্থাপনার অসংগতি তুলে ধরে তিনি অভিযোগ করেন, বিশেষ আইনের ছত্রচ্ছায়ায় বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের নামে বিপুল অর্থ ব্যয় করা হয়েছিল এবং উৎপাদন ছাড়াই বছরের পর বছর ক্যাপাসিটি চার্জ দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো প্রতিষ্ঠান থেকে এক ইউনিট বিদ্যুৎ না পাওয়া সত্ত্বেও প্রতি মাসে কোটি কোটি টাকা পরিশোধের কারণে রাষ্ট্রীয় কোষাগারের বিপুল অর্থের অপচয় ঘটেছে। অথচ এই অর্থ দেশের শিল্পকারখানার প্রসার ও উৎপাদনশীল খাতে প্রণোদনা হিসেবে ব্যবহার করা সম্ভব হতো।

বিদ্যুৎ পরিস্থিতি উত্তরণের বাস্তব প্রেক্ষাপট ব্যাখ্যা করে নূরুল ইসলাম মনি জানান, একটি সাধারণ পাঁচতলা ভবন নির্মাণেও যেখানে দীর্ঘ সময় প্রয়োজন, সেখানে নতুন একটি ৫০০ মেগাওয়াটের বিদ্যুৎকেন্দ্র পুরোপুরি প্রস্তুত করতে কমপক্ষে দুই থেকে আড়াই বছর সময় লেগে যায়। প্রয়োজনীয় অবকাঠামো তৈরি, নিরবচ্ছিন্ন জ্বালানির সংস্থান এবং প্ল্যান্ট নির্মাণ একটি দীর্ঘমেয়াদি প্রক্রিয়া হওয়ায় সরকার গঠনের পরপরই রাতারাতি উৎপাদন বাড়ানো সম্ভব নয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন ও সরবরাহ কাঠামোর পুঞ্জীভূত ঘাটতি ও অনিয়ম দূর করে টেকসই সমাধান অর্জনে বর্তমান সরকারকে প্রয়োজনীয় সময় দেওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।


নির্বাচিত

স্থানীয় নির্বাচনে আ. লীগের অংশগ্রহণের সুযোগ নেই: এলজিআরডি প্রতিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজনৈতিক কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকা কোনো দলের পক্ষে স্থানীয় সরকার নির্বাচনে অংশ নেওয়ার আইনি সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। শুক্রবার বেলা ১১টায় বগুড়ার শিবগঞ্জ উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী উল্লেখ করেন, রাষ্ট্র কর্তৃক যে দলের সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত বা নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তাদের পক্ষে দলীয় পরিচয়ে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার প্রশ্নই ওঠে না। দলটির ওপর আরোপিত নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার না হওয়া পর্যন্ত কোনো স্তরের নির্বাচনেই তারা অংশগ্রহণ করতে পারবে না। আওয়ামী লীগকে ঘিরে যেকোনো জিজ্ঞাসাকে তিনি অনাকাঙ্ক্ষিত ও বিব্রতকর বলেও আখ্যা দেন।

আসন্ন স্থানীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম জানান, স্থানীয় সরকারের নির্বাচনগুলো সম্পূর্ণ নিরপেক্ষ ও প্রভাবমুক্ত পরিবেশে অনুষ্ঠিত হবে এবং সেখানে দলীয় প্রতীক বা প্রাতিষ্ঠানিক মনোনয়ন বরাদ্দের কোনো অবকাশ নেই। তবে রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপি প্রতিটি পদের নির্বাচনে একজন করে একক প্রার্থীকে সমর্থন জোগাবে।

জনগণের ভোটাধিকার সুরক্ষিত রাখাকে প্রশাসনের মূল অঙ্গীকার উল্লেখ করে তিনি বলেন, কোনো বিশেষ দল বা মহলের অভিপ্রায়ে নয়, বরং সাধারণ মানুষের প্রত্যক্ষ রায়ের মাধ্যমেই ভবিষ্যৎ জনপ্রতিনিধি নির্ধারিত হবেন। অনুষ্ঠান চলাকালে শিবগঞ্জ উপজেলা প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি এবং রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ সেখানে উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রপ্তানিতে আশার আলো, আড়ালে বড় সংকট

# যুদ্ধের মধ্যেও পোশাক খাতে প্রবৃদ্ধি # চামড়া খাতেও বেড়েছে রপ্তানি আয় # বাজার বহুমুখীকরণ সময়ের দাবি
ছবি: চট্টগ্রাম বন্দর।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

বিশ্বজুড়ে যুদ্ধ, ভূরাজনৈতিক উত্তেজনা, দুর্বল চাহিদা ও বাণিজ্যিক অনিশ্চয়তার মধ্যেও বাংলাদেশের রপ্তানি খাতে প্রবৃদ্ধির ধারা অব্যাহত রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দুই মাসে তৈরি পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৫ দশমিক ১২ শতাংশ। একই সময়ে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বেড়েছে ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ। যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজারে পোশাক রপ্তানির নতুন সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে। তবু এই সাফল্যের আড়ালে রয়েছে বড় কিছু দুর্বলতা। ইউরোপের প্রধান বাজারে প্রবৃদ্ধি মন্থর, চামড়া খাত আটকে আছে আন্তর্জাতিক সনদের সংকটে, আর সামগ্রিক বৈদেশিক বাণিজ্যে বাড়ছে ঘাটতি।
অর্থনীতিবিদদের মতে, সাময়িক প্রবৃদ্ধিকে টেকসই করতে হলে শুধু তৈরি পোশাকের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নতুন পণ্য ও নতুন বাজার তৈরি করতে হবে। একই সঙ্গে অবকাঠামোগত দুর্বলতা, উৎপাদন ব্যয় ও নীতিগত অনিশ্চয়তা দূর করতে হবে। অন্যথায় বৈশ্বিক বাজারে তৈরি হওয়া নতুন সুযোগ দীর্ঘমেয়াদি রপ্তানি প্রবৃদ্ধিতে রূপ নাও নিতে পারে।
যুদ্ধের মধ্যেও পোশাকে প্রবৃদ্ধি: ইরান-যুক্তরাষ্ট্র সংঘাত এবং রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের প্রভাবে বৈশ্বিক অর্থনীতিতে চাপ থাকলেও বাংলাদেশের তৈরি পোশাক খাত ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি ধরে রেখেছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরোর তথ্য অনুযায়ী, জুলাই-আগস্টে পোশাক রপ্তানি থেকে আয় হয়েছে ৭ হাজার ৪৯৫ দশমিক ৬১ মিলিয়ন ডলার। গত অর্থবছরের একই সময়ে এ আয় ছিল ৭ হাজার ১৩০ দশমিক ৬৭ মিলিয়ন ডলার। তবে এই প্রবৃদ্ধি খাতসংশ্লিষ্টদের নির্ধারিত ১৫ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় অনেক কম। ফলে প্রবৃদ্ধি হলেও কাঙ্ক্ষিত গতি অর্জিত হয়নি।
খাতভিত্তিক হিসাবে নিটওয়্যার রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ১৭ শতাংশ। আয় হয়েছে ৪ হাজার ১৯৩ দশমিক ৭৬ মিলিয়ন ডলার। ওভেন পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ৩ দশমিক ৮১ শতাংশ, আয় হয়েছে ৩ হাজার ৩০১ দশমিক ৮৫ মিলিয়ন ডলার।
বাজারভিত্তিক হিসাবে সবচেয়ে ভালো করেছে যুক্তরাষ্ট্র। জুলাই-আগস্টে দেশটিতে পোশাক রপ্তানি বেড়েছে ১১ দশমিক ৪২ শতাংশ। অন্যদিকে অপ্রচলিত বাজারে রপ্তানি বেড়েছে ৬ দশমিক ৪৮ শতাংশ। তুরস্কে রপ্তানি বেড়েছে ৯৪ দশমিক ৬৮ শতাংশ। ব্রাজিল ও সংযুক্ত আরব আমিরাতেও উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে। কিন্তু বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় বাজার ইউরোপীয় ইউনিয়নে প্রবৃদ্ধি মাত্র ২ দশমিক ৪৬ শতাংশ। জার্মানিতে প্রবৃদ্ধি হয়েছে মাত্র শূন্য দশমিক ৮৮ শতাংশ। ফ্রান্স ও পর্তুগালে রপ্তানি কমেছে। একইভাবে রাশিয়া, চীন ও ভারতেও পোশাক রপ্তানি কমেছে। এতে স্পষ্ট, বাংলাদেশের রপ্তানি প্রবৃদ্ধির নতুন চালিকাশক্তি হয়ে উঠছে যুক্তরাষ্ট্র ও অপ্রচলিত বাজার। বিপরীতে ঐতিহ্যগত বড় বাজারগুলোতে চাহিদা ধরে রাখা কঠিন হয়ে উঠছে।
চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে: পোশাকের বাইরে চামড়া খাতেও রপ্তানি আয় বাড়ছে। চলতি অর্থবছরের জুলাই-আগস্টে চামড়া খাত থেকে রপ্তানি আয় হয়েছে ২৫৭ দশমিক ৫৩ মিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবৃদ্ধি ১২ দশমিক ৫৮ শতাংশ।
চামড়া খাতের মোট রপ্তানির অর্ধেকেরও বেশি এসেছে চামড়ার পাদুকা থেকে। অর্থাৎ কাঁচামালকে উচ্চমূল্যের পণ্যে রূপান্তরের সক্ষমতা বাংলাদেশের রয়েছে। এখন প্রয়োজন পরিবেশগত মান নিশ্চিত করে আন্তর্জাতিক সনদের বাধা দূর করা।
এ বিষয়ে বিশ্বব্যাংকের ঢাকা কার্যালয়ের সাবেক প্রধান অর্থনীতিবিদ ড. জাহিদ হোসেন বলেছেন, অর্থনীতির জন্য স্বস্তির জায়গা তৈরি করেছে প্রবাসী আয়। জুলাইয়ে প্রবাসীরা ২ দশমিক ৮৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন। আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় যা ১৫ দশমিক ৪ শতাংশ বেশি।
ড. জাহিদ হোসেনের মতে, রেমিট্যান্সের শক্তিশালী প্রবাহের কারণেই বড় বাণিজ্য ঘাটতির মধ্যেও দেশের চলতি হিসাব উদ্বৃত্ত রয়েছে। অর্থাৎ রেমিট্যান্স বর্তমানে বৈদেশিক লেনদেনের ভারসাম্য রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।
বাংলাদেশের রপ্তানির বড় দুর্বলতা হলো পণ্য ও বাজার—দুই ক্ষেত্রেই অতিরিক্ত নির্ভরতা। তৈরি পোশাক একাই রপ্তানি আয়ের বড় অংশ জোগান দেয়। ফলে পোশাকের কোনো বড় বাজারে চাহিদা কমলে সামগ্রিক রপ্তানিতে তার প্রভাব পড়ে।
সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানও সেই বাস্তবতা দেখাচ্ছে। যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি ভালো করলেও ইউরোপের বড় বাজারগুলোতে প্রবৃদ্ধি ধীর। এ অবস্থায় অপ্রচলিত বাজার সম্প্রসারণের পাশাপাশি পোশাকের বাইরে অন্যান্য পণ্যের রপ্তানি বাড়ানো জরুরি হয়ে পড়েছে।
হংকংয়ের সঙ্গে বাংলাদেশের বাণিজ্য সম্পর্কও এ ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ উদাহরণ। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে দুই দেশের দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ছিল ৪১৫ মিলিয়ন ডলার। বাংলাদেশ সেখানে ৩০৭ মিলিয়ন ডলারের পণ্য আমদানি করলেও রপ্তানি করেছে মাত্র ১০৮ মিলিয়ন ডলারের। পরের অর্থবছরে রপ্তানি বেড়ে ১০৯ দশমিক ৫১ মিলিয়ন ডলার হলেও ঘাটতি উল্লেখযোগ্যভাবে কমেনি।

এই ঘাটতি কমাতে আম, কাঁঠাল ও লেবুসহ প্রিমিয়াম ফল, পাট ও পাটজাত পণ্য, চামড়াজাত পণ্য এবং অন্যান্য উচ্চমূল্যের পণ্য হংকংয়ের বাজারে প্রবেশ করানোর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।
রপ্তানি খাতের উদ্যোক্তারা বলছেন, বৈশ্বিক বাজারে প্রতিযোগিতা এখন আগের চেয়ে কঠিন। শুধু কম শ্রম ব্যয় দিয়ে বাজার ধরে রাখা সম্ভব হবে না। উৎপাদন ব্যয়, জ্বালানি, কর, পরিবেশগত অনুবর্তিতা, বন্দরসেবা এবং দ্রুত পণ্য সরবরাহ—সব ক্ষেত্রেই সক্ষমতা বাড়াতে হবে।


নির্বাচিত

banner close