বৃহস্পতিবার, ২৭ আগস্ট ২০২৬
১২ ভাদ্র ১৪৩৩

তীব্র দাবদাহ আরও ৫-৬ দিন

তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুলে নেমে পড়েছেন কয়েকজন তরুণ। ছবিটি রোববারের। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৫ জুন, ২০২৩ ১৫:১৭
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৫ জুন, ২০২৩ ১৪:৪৯

দেশের কিছু জেলায় তীব্র দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। বাকি অংশের ওপর দিয়ে মৃদু ও মাঝারি দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন আবহাওয়ার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকবে। তীব্র গরমের কারণে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ৫ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। শিগগির বৃষ্টির কোনো লক্ষণ নেই। তীব্র দাবদাহের মধ্যে জনজীবন অসহনীয় করে তুলেছে লোডশেডিং। খোদ রাজধানীতে দিন-রাত মিলিয়ে ৬ থেকে ৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গ্রামপর্যায় এ পরিস্থিতি আরও অসহনীয়।

আগামী পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জুনের শুরুতে সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক ছিল। রোববার দেশের বাতাসে ক্ষুদ্রকণার পরিমাণও ছিল বেশি। এতে বাতাসে দূষণের মাত্রাও বেড়ে যায়। চলতি সপ্তাহে দেশে বড় ধরনের বা ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তেমন নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৩ হাজার কোটি টাকা বকেয়া ৬ মাস পার হলেও দিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ ব্যাংক। দফায় দফায় দেনদরবার করেও ডলার পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি ২ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ডলার পরিশোধ করেছে চীনা কয়লা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সিএমসিকে। কিন্তু তত দিনে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব মজুত কয়লা শেষের দিকে। এখন কয়লা আমদানি করলেও ২৫ জুনের আগে কেন্দ্রটি চালু হবে না। পায়রা কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ ঢাকায় সরবরাহ করত। এ কারণে ঢাকায় বেড়েছে লোডশেডিং।

দাবদাহে পুড়ছে দেশ
সোমবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যে গতকাল রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় রাত-দিন মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাগুলোর ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশসহ ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও বান্দরবান জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসমতে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গ্রীষ্মের এই গরমে মধ্যরাতেও বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। দিন-রাত মিলিয়ে বিদ্যুতের দেখা মিলছে কম। পাখা চলছে না। ভ্যাপসা গরমে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।

পরিস্থিতি উন্নতি হবে জুনের শেষ সপ্তাহে
জ্বালানির অভাবে ধুঁকে ধুঁকে বন্ধ হচ্ছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এতে প্রতিদিনই বাড়ছে লোডশেডিং। বর্তমানে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতি ইউনিট জ্বালানি ব্যয় ৫ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে ডিজেলভিত্তিক কেন্দ্রের ব্যয় ইউনিটপ্রতি ৩০ টাকার বেশি আর ফারনেসের উৎপাদন ব্যয় ১৪ টাকার কিছু বেশি। এ পরিস্থিতিতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বেশি চালালে সরকারকে প্রতিদিন অন্তত বাড়তি গুনতে হবে ১৫০ কোটি টাকা। কয়লা পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে না আসা পর্যন্ত দেশের বিদ্যুতের পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। কয়লা আসতে সময় নেবে ২৫ জুন পর্যন্ত। এ পর্যন্ত থাকবে লোডশেডিং।

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ এত বিপর্যয়ের বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গতকাল রোববার সচিবালয়ে লোডশেডিং সম্পর্কে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘লোডশেডিং পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে গেছে।’

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ লাগবে লোডশেডিং কমতে। বেশ কিছুদিন ধরে গ্রাহকরা দেখছেন যে লোডশেডিং বেড়ে গেছে। জ্বালানি হিসেবে গ্যাস, কয়লা ও জ্বালানি তেলের জোগান দিতে কষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে লোডশেডিং ধীরে ধীরে বেড়ে গেছে। লোডশেডিং পরিস্থিতিও অসহনীয় হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কত দ্রুত কয়লা নিয়ে আসা যায়, তার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রটিও অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে। জ্বালানি তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে। দ্রুত সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগ চেষ্টা করছে।’

তবে গত বছরের জুলাইয়ের মতো সূচি করে পরিকল্পিত লোডশেডিংয়ের চিন্তা আপাতত নেই বলে জানিয়েছেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘তাপপ্রবাহ চলছে, তাই বিদ্যুৎ চাহিদা বেড়ে গেছে। আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।’

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনের জন্য তৈরি আছে। দুই মাস আগে থেকেই চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু জ্বালানি আসার পেছনের বিষয় সব সময় তাদের হাতে থাকে না। অর্থনৈতিক বিষয়, জ্বালানি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার বিষয় থাকে; সব সমন্বয় করতে হয়। সমন্বয় কোথাও বাধাগ্রস্ত হলেই সমস্যা হয়। এবারও তাই হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, কয়লার অভাবে আজ রাত ১২টার পরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সব থেকে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রা। এর আগে ২৫ মে কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায় কয়লার অভাবে। নতুন করে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা ২৫ জুনের আগে আসবে না। এ সময় পর্যন্ত কেন্দ্রটি বন্ধ থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেরিতে বকেয়া পরিশোধ করায় পায়রা বন্ধ হলো
৬ মাসের বাকিতে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএমসি কয়লা দিত পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রকে। কয়লা দেয়ার ৬ মাস পর অর্থ পরিশোধ করত পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছয় মাসে সিএমসি বকেয়া কয়লা বাবদ প্রায় ৩০ কোটি ডলার বা ৩ হাজার কোটি টাকা বকেয়া হয়। এই অর্থ পরিশোধ করতে পারেনি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এরপর সিএমসি পায়রাকে আরও প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার কয়লা বাকিতে সরবরাহ করে। এর পরও অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় চীনের বৈদেশিক নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার পিটি বায়ান্স রিসোর্স টিবিকের কাছ থেকে কয়লা বাংলাদেশের পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করার বিষয়ে সিএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে কয়লা আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

গত ২৭ এপ্রিল বিসিপিসিএল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিদ্যুৎ সচিবকে চিঠি দিয়ে অবহিত করে। এরপর কয়েক দফা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৩ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে সরকার। এরপরই দুই মাসের কয়লা সরবরাহে রাজি হয়েছে সিএমসি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রেখে দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ঠিকই ডলারের সংস্থান করল। কিন্তু যখন তারা ডলার দিল তখন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। বাংলাদেশ দেশের লোডশেডিংয়ের পরিস্থিতি অবনমের পেছনে অন্যতমভাবে দায়ী।’

লোডশেডিং
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দেশে বিদ্যুতের চাহিদার কথা যখন বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। আর তখন সরবরাহ করা হচ্ছে ১২ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। ঘাটতি গড়ে প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) দুজন প্রকৌশলী পরিচয় গোপন রেখে দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘দেশে পিক আওয়ার সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রকৃত চাহিদা থাকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট। আর এ সময় ১৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করতে গিয়ে পিডিবির নাভিশ্বাস ওঠে যাচ্ছে। ঘাটতি থাকছে ৪ হাজার মেগাওয়াট। এটি মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০ ভাগ। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং বেড়েছে।’ ঢাকার চেয়ে গ্রামে এই পরিস্থিতি আরও অনেক খারাপ বলেও ওই দুই কর্মকর্তার মত।


নির্বাচিত

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আজ শুরু হচ্ছে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন আজ ২৭ আগস্ট বৃহস্পতিবার শুরু হচ্ছে।

বিকেল ৩টায় রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এ অধিবেশন শুরু হবে।

আজকের দিনের কার্যসূচিতে রয়েছে- সভাপতিমণ্ডলী মনোনয়ন, শোকপ্রস্তাব, প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর, জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১), বেসরকারি সদস্যদের সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব এবং আইন-প্রণয়ন কার্যাবলী।

জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি জানিয়েছেন, শুরু হতে যাওয়া তৃতীয় অধিবেশনটি ৫, ৭ বা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে এর মেয়াদ বাড়ানো হবে।

তিনি বলেন, এই অধিবেশনে সংসদীয় কমিটিগুলো গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো চূড়ান্ত করা হবে।

বুধবার সংসদ ভবনে সাংবাদিকদের তিনি এ তথ্য জানান।

চিফ হুইপ বলেন, তৃতীয় অধিবেশনে প্রায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হতে পারে। এর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর, গুম ও মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিল উল্লেখযোগ্য।

সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও তাঁরা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহারের অধিকার বজায় রাখবেন। এর মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পর বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অবহেলা রোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

মনি বলেন, জুলাই সনদের ধারাবাহিকতায় জনগণ নির্বাচনী ইশতেহার দেখেই ভোট দিয়েছেন এবং তাঁদের ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নতুন আইন প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি আরও বলেন, সংবিধানের একটি কমা, দাঁড়ি কিংবা সেমিকোলনের পরিবর্তনও সংবিধান সংস্কারের অংশ। জুলাই সনদে দক্ষিণ প্লাজায় সব রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে যে অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছে, তার প্রতিটি বিষয় যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।

সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে উল্লেখ করে চিফ হুইপ জানান, এতে বিএনপি থেকে ৭ জন এবং জামায়াত থেকে ৫ জন সদস্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যান্য ছোট দল থেকেও একজন করে সদস্য রাখার প্রস্তাব রয়েছে। বিরোধী দল তাদের সদস্যদের নাম দিলে তাঁদেরও কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংবিধান সংশোধন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের সংবিধান গত ৭৬ বছরে ১০৬ বার সংশোধনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

তিনি আরও বলেন, তৃতীয় অধিবেশনের মধ্য দিয়ে সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন, সংসদীয় কমিটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।


নির্বাচিত

নেপালে ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে সহায়তার জন্য প্রস্তুত বাংলাদেশ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতিতে গভীর শোক প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। একই সঙ্গে দুর্যোগ মোকাবিলায় ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে কাঠমান্ডুকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দেওয়ার প্রস্তুতির কথা জানিয়েছে ঢাকা।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেপালে আকস্মিক বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানি ও ব্যাপক ধ্বংসযজ্ঞের ঘটনায় বাংলাদেশের জনগণ গভীরভাবে শোকাহত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, নেপালের এই ভয়াবহ দুর্যোগ পরিস্থিতি নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। এতে শত শত মানুষ নিখোঁজ রয়েছেন এবং পর্যটকসহ আরও অনেকের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বাংলাদেশ সরকার ও জনগণ এই কঠিন সময়ে নেপাল সরকার ও দেশটির বন্ধুত্বপূর্ণ জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করছে।

বন্যা ও ভূমিধসে প্রাণহানির ঘটনায় গভীর সমবেদনা জানিয়ে বাংলাদেশ ক্ষতিগ্রস্তদের দ্রুত উদ্ধার, চিকিৎসা ও পুনরুদ্ধার কামনা করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘নিহতদের জন্য আমরা গভীর সমবেদনা জানাই। নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করি।’

নেপালের প্রতি বাংলাদেশের সংহতি পুনর্ব্যক্ত করে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, দুর্যোগের পরবর্তী পরিস্থিতি মোকাবিলায় কাঠমান্ডুকে সহায়তা দিতে ঢাকা প্রস্তুত রয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ত্রাণ ও উদ্ধার কার্যক্রমে নেপালকে সম্ভাব্য সব ধরনের সহায়তা দিতে বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে।’

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

তৃতীয় অধিবেশনে সংসদীয় কমিটি গঠন ও গুরুত্বপূর্ণ বিলকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে: চিফ হুইপ

ছবি: জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামীকাল থেকে শুরু হতে যাওয়া তৃতীয় অধিবেশনে সংসদীয় কমিটিগুলো গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেয়া হবে বলে জানিয়েছেন, জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি। বিরোধী দলের পক্ষ থেকে সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো চূড়ান্ত করা হবে। অধিবেশনটি ৫, ৭ বা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন হতে পারে; তবে প্রয়োজন হলে এর মেয়াদ বাড়ানো হবে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সংসদ ভবনে গণমাধ্যমকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সংসদীয় কমিটি, সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা, সংবিধান সংশোধন এবং আসন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিল নিয়ে কথা বলতে গিয়ে চিফ হুইপ এসব কথা বলেন।

চিফ হুইপ বলেন, তৃতীয় অধিবেশনে প্রায় ছয়টি গুরুত্বপূর্ণ বিল উত্থাপিত হতে পারে। এর মধ্যে সম্পত্তি হস্তান্তর, গুম ও মানবাধিকার সুরক্ষা-সংক্রান্ত বিল উল্লেখযোগ্য। সম্পত্তি হস্তান্তর-সংক্রান্ত প্রস্তাবিত আইনের বিষয়ে তিনি বলেন, বাবা-মা সন্তানকে সম্পত্তি লিখে দিলেও তাঁরা জীবিত থাকা পর্যন্ত ওই সম্পত্তির ভোগদখল ও ব্যবহারের অধিকার বজায় রাখবেন। এর মাধ্যমে সম্পত্তি হস্তান্তরের পর বাবা-মায়ের প্রতি সন্তানের অবহেলা রোধের উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

জুলাই সনদ ও সংবিধান সংশোধন প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, জুলাই সনদের ধারাবাহিকতায় জনগণ নির্বাচনী ইশতেহার দেখেই ভোট দিয়েছেন এবং তাঁদের ওপর আস্থা রেখেছেন। সেই আস্থার ভিত্তিতেই তারেক রহমান প্রধানমন্ত্রী হয়েছেন। দেশের স্বার্থে প্রয়োজন হলে নতুন আইন প্রণয়ন এবং বিদ্যমান আইনে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন আনা হবে।

তিনি বলেন, সংবিধানের একটি কমা, দাঁড়ি কিংবা সেমিকোলনের পরিবর্তনও সংবিধান সংস্কারের অংশ। জুলাই সনদে দক্ষিণ প্লাজায় সব রাজনৈতিক দল সম্মিলিতভাবে যে অঙ্গীকারে স্বাক্ষর করেছে, তার প্রতিটি বিষয় যথাযথভাবে বাস্তবায়নের লক্ষ্য রয়েছে।রাজনৈতিক আলোচনা

চিফ হুইপ জানান, সংবিধান সংশোধনের জন্য ১৭ সদস্যবিশিষ্ট একটি কমিটি গঠনের প্রস্তাব রয়েছে। এতে বিএনপি থেকে ৭ জন এবং জামায়াত থেকে ৫ জন সদস্য রাখার প্রস্তাব করা হয়েছে। অন্যান্য ছোট দল থেকেও একজন করে সদস্য রাখার প্রস্তাব রয়েছে। বিরোধী দল তাদের সদস্যদের নাম দিলে তাঁদেরও

কমিটিতে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। তিনি বলেন, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সংবিধান সংশোধন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। উদাহরণ হিসেবে তিনি ভারতের সংবিধান গত ৭৬ বছরে ১০৬ বার সংশোধনের বিষয়টি উল্লেখ করেন।

সংসদে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, সরকারের ভুলত্রুটি তুলে ধরা, জবাবদিহি নিশ্চিত করা এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনের দাবি জানানো বিরোধী দলের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি আশা প্রকাশ করেন, বিরোধী দল সংসদের বাইরে অস্থিরতা সৃষ্টি না করে জনগণের সমস্যা ও দেশের গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলো সংসদে তুলে ধরবে এবং আলোচনা ও বিতর্কের মাধ্যমে সমাধানের পথ বের করবে।

চিফ হুইপ বলেন, “সংসদের বাইরে আন্দোলন করে আবার স্বৈরাচারী ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে আনার সুযোগ তৈরি করে দেবে না আশা করি। ১৭ বছর ধরে জেল, গুম ও নির্যাতনের মধ্য দিয়ে যে অর্জন এসেছে, সেই অর্জন অন্য কারও হাতে তুলে দেওয়া হবে—এটা আমি বিশ্বাস করি না। আমরা চাই, বিরোধী দল সংসদে এসে জনগণের কথা বলবে, সরকারের ভুল ধরিয়ে দেবে এবং গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সমাধানের পথ বের করবে।”

তিনি বলেন, তৃতীয় অধিবেশনের মধ্য দিয়ে সংসদীয় কার্যক্রম আরও গতিশীল হবে। গুরুত্বপূর্ণ আইন প্রণয়ন, সংসদীয় কমিটির কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং সরকারের জবাবদিহি নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতীয় সংসদ আরও কার্যকর ভূমিকা পালন করবে।

চলমান সংকট মোকাবিলায় সময় প্রয়োজন—এ কথা উল্লেখ করে চিফ হুইপ বলেন, কোনো সরকারের পক্ষে মাত্র ছয় মাসে দীর্ঘদিনের সব সমস্যা সমাধান করা সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “আপনার গভর্নমেন্টের বয়স ছয় মাস। ইচ্ছা করলাম, আমি দারুণভাবে চেষ্টা করলাম—আমি ছয় মাসে একটা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট করতে পারব? সবকিছু অনুকূলে থাকলেও একটা বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট করতে দুই বছর লাগে মিনিমাম।”

তিনি বলেন, বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণসহ বড় অবকাঠামোগত সমস্যার সমাধানে সময় প্রয়োজন। তাই জনগণকে ধৈর্য ধরতে হবে এবং দেশের স্বার্থে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে সহযোগিতা করতে হবে। অস্থিরতা সৃষ্টি হলে এর ক্ষতি কোনো ব্যক্তি বা রাজনৈতিক দলের নয়, বরং দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের ওপর পড়তে পারে।

বিদ্যুৎ খাতের চুক্তি প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, বিগত সরকারের সময়ে বিদ্যুৎ খাতে করা বিভিন্ন চুক্তি দেশের ওপর দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক দায় সৃষ্টি করেছে। তিনি অভিযোগ করেন, দায়মুক্তির ব্যবস্থা রেখে এমন আইন করা হয়েছিল, যার ফলে এসব চুক্তির বিষয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ সীমিত হয়। বিদ্যুৎ উৎপাদন না করেও ক্যাপাসিটি চার্জ পরিশোধের কারণে জনগণের অর্থের ওপর বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে।

আদানির সঙ্গে করা বিদ্যুৎ চুক্তিকে ‘গর্হিত অপরাধ’ হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এ চুক্তির মাধ্যমে বাংলাদেশকে উচ্চমূল্যে বিদ্যুৎ কিনতে হচ্ছে। দেশের স্বার্থে এ ধরনের চুক্তির অর্থনৈতিক চাপ থেকে বেরিয়ে আসতে সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।


নির্বাচিত

নেপালে বন্যা ও ভূমিধসে নিহতদের প্রতি প্রধানমন্ত্রীর শোক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নেপালের আকস্মিক বন্যা ও ভয়াবহ ভূমিধসে বিপুলসংখ্যক প্রাণহানি এবং ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকার। একইসাথে, দেশটির এই বিপদ মুহূর্তে পাশে থেকে উদ্ধার, ত্রাণ কার্যক্রমসহ যেকোনো ধরনের প্রয়োজনীয় সহায়তায় বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলেও জানানো হয়েছে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) বাংলাদেশ সরকারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই শোক ও সংহতি প্রকাশ করেছে।

বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, নেপালের এই মর্মান্তিক দুর্যোগের খবর ও পরিস্থিতি নিয়মিতভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। দুর্ঘটনায় বহু মানুষ নিখোঁজ রয়েছে এবং পর্যটকসহ অনেকের মৃত্যুর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরকার এবং বাংলাদেশের জনগণ এই কঠিন সময়ে বন্ধুপ্রতীম দেশ নেপালের সরকার ও জনগণের প্রতি গভীর সমবেদনা ও পূর্ণ সংহতি প্রকাশ করছে।

বিজ্ঞপ্তিতে নিহতদের আত্মার প্রতি গভীর সমবেদনা জানানো হয়েছে, পাশাপাশি নিখোঁজদের দ্রুত উদ্ধার এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতার আশা প্রকাশ করা হয়েছে।

দুর্যোগকালীন এই সময়ে ত্রাণ বিতরণ ও উদ্ধার তৎপরতায় নেপালকে যেকোনোভাবে সম্ভাব্য সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রস্তুত রয়েছে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।


নির্বাচিত

দেশের বিভিন্ন এলাকায় ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বিভিন্ন এলাকায় বুধবার বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি থেকে ভারি বর্ষণ হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এছাড়া আগামীকাল বৃহস্পতিবারও (২৭ আগস্ট) দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টির ধারা অব্যাহত থাকতে পারে।

বুধবার (২৬ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার আবহাওয়ার পূর্বাভাসে এ তথ্য জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

অধিদপ্তর জানায়, বুধবার (২৬ আগস্ট)সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। দেশের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণও হতে পারে।

এ সময়ে সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সন্ধ্যা ৬টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায়ও রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায় এবং রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি বর্ষণের সম্ভাবনা রয়েছে। এদিনও সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় দেশের সর্বোচ্চ ৩৯ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে টেকনাফে। একই সময়ে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৬ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহী, শ্রীমঙ্গল, যশোর ও চুয়াডাঙ্গায়। আর সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল সিলেটে, ২৪ দশমিক ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।

আবহাওয়ার পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ঝাড়খন্ড ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থানরত লঘুচাপটি উত্তর-পশ্চিম দিকে অগ্রসর হয়ে বর্তমানে মধ্যপ্রদেশ ও তৎসংলগ্ন এলাকায় অবস্থান করছে।

এ ছাড়া মৌসুমি বায়ুর অক্ষের বর্ধিতাংশ রাজস্থান, পাঞ্জাব, হরিয়ানা, লঘুচাপের কেন্দ্রস্থল, গাঙ্গেয় পশ্চিমবঙ্গ ও বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চল হয়ে আসাম পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে। মৌসুমি বায়ু বাংলাদেশের ওপর মোটামুটি সক্রিয় এবং উত্তর বঙ্গোপসাগরে মাঝারি অবস্থায় রয়েছে।


নির্বাচিত

বৃহস্পতিবার বসছে সংসদের তৃতীয় অধিবেশন

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামীকাল বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) বেলা ৩টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের তৃতীয় অধিবেশন বসবে। সংসদের এই অধিবেশনটি রাজনৈতিক ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন ইস্যুতে আলোচনার জন্য তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবন ও আশপাশের এলাকায় জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা। একই সঙ্গে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় সব ধরনের সভা-সমাবেশ, মিছিল ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে প্রশাসন।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অধিবেশন চলাকালে সংসদ এলাকায় নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে নির্দেশনা মেনে চলার আহ্বান জানানো হয়েছে। একই সঙ্গে যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা বা আইন ভঙ্গের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।

আগামীকাল ২৭ আগস্ট থেকে শুরু হতে যাওয়া তৃতীয় অধিবেশনে সংসদীয় কমিটিগুলো গঠনকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনি।

তিনি বলেন, বিরোধীদলের পক্ষ থেকে সদস্যদের নাম পাওয়া মাত্রই সংশ্লিষ্ট কমিটিগুলো চূড়ান্ত করা হবে। তৃতীয় অধিবেশন ৫, ৭ বা ১০ দিনের সংক্ষিপ্ত অধিবেশন হতে পারে। তবে প্রয়োজন হলে এর মেয়াদ বাড়ানো হবে।


নির্বাচিত

গত ৬ মাসে দায়েরকৃত ফৌজদারি মামলার আসামিদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গত ছয় মাসে দায়ের হওয়া ফৌজদারি মামলাগুলোর প্রায় সব আসামিকেই গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

বুধবার (২৬ আগস্ট) পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে বিএনপির নয়াপল্টন কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আয়োজিত মিলাদ ও দোয়া মাহফিলে তিনি এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘বিএনপি সরকার ক্ষমতার ছয় মাস পূর্ণ করেছে। এই সময়ে এমন একটি ঘটনাও ঘটেনি, যার পর আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করতে ব্যর্থ হয়েছে।’

রংপুরে সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন বলেন, ঘটনার পর যৌক্তিক সময়ের মধ্যেই অভিযুক্তদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।


নির্বাচিত

সরকারের ছয় মাসে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে প্রায় ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন বিএনপি সরকারের নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রথম ছয় মাস অর্থাৎ ১৮০ দিনেই নেট মিটারিং সংযোগের মাধ্যমে ২০০ মেগাওয়াট সৌরবিদ্যুৎ নতুনভাবে জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হয়েছে।

নবায়নযোগ্য জ্বালানি সম্প্রসারণ ও বিদ্যুৎ খাতের টেকসই উন্নয়নে সরকারের নেওয়া বিভিন্ন কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে এই সৌরবিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে যুক্ত করা হয়। বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন অগ্রগতি সংক্রান্ত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে।

প্রতিবেদনে বলা হয়, বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মপরিকল্পনায় নবায়নযোগ্য জ্বালানি, নেট মিটারিং, এনার্জি স্টোরেজ, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা এবং জ্বালানি দক্ষতাকে সর্বোচ্চ প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।

অপরদিকে, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের কর্মপরিকল্পনায় দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদন বৃদ্ধি, নতুন তেল-গ্যাস অনুসন্ধান, এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়ন, জ্বালানি দক্ষতা বৃদ্ধি এবং সাশ্রয়ী ও স্বচ্ছ ট্যারিফ ব্যবস্থা গড়ে তোলাকে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

প্রতিবেদনের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, সরকারের ১৮০ দিনের কর্মপরিকল্পনার আওতায় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি বিভাগের নেওয়া অধিকাংশ উদ্যোগ বাস্তবায়িত হয়েছে। এর মধ্যে বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মপরিকল্পনা শতভাগ বাস্তবায়িত হয়েছে। আর জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের অগ্রগতি হয়েছে ৯০ দশমিক ৫৫ শতাংশ। দুই বিভাগ মিলিয়ে সরকারের সামগ্রিক বাস্তবায়ন অগ্রগতি দাঁড়িয়েছে ৯৫ দশমিক ২৮ শতাংশে।

বিদ্যুৎ বিভাগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি

প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের প্রথম ১৮০ দিনে নবায়নযোগ্য জ্বালানি খাতের স্বল্প ও মধ্যমেয়াদি কর্মপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্র (২০২৬-২০৩০)’ প্রণয়ন করা হয়েছে। দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন পরিকল্পনার অংশ হিসেবে স্রেডার উদ্যোগে ‘জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি রোডম্যাপ ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চেন্ট পলিসির আওতায় চারটি মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্টের মধ্যে ১০ মেগাওয়াটের একটি সৌরবিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে। এছাড়া আরও একটি প্রকল্প অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে।

প্রতিবেদনে জাতীয় নবায়নযোগ্য জ্বালানি উন্নয়ন কৌশলপত্রে সৌরবিদ্যুৎ, বায়ুবিদ্যুৎ, জলবিদ্যুৎ, বায়োমাস ও বায়োগ্যাস, ক্লিন কুকিং, জ্বালানি সংরক্ষণ প্রযুক্তি, মার্চেন্ট পাওয়ার প্ল্যান্ট এবং সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্বের মাধ্যমে বিনিয়োগের ক্ষেত্র চিহ্নিত করা হয়েছে। বর্জ্য থেকে বিদ্যুৎ উৎপাদনের লক্ষ্যে বিদ্যুৎ বিভাগ, স্থানীয় সরকার বিভাগ এবং পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে একটি ব্যবসায়িক মডেল প্রণয়ন করা হয়েছে। একই সঙ্গে সুনীল অর্থনীতির সম্ভাবনা কাজে লাগাতে অফশোর উইন্ড পাওয়ার প্রকল্প উন্নয়ন গাইডলাইন প্রস্তুত করা হয়েছে।

অগ্রগতি প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় গ্রিডের ফ্রিকোয়েন্সি নিয়ন্ত্রণ ও স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ঈশ্বরদী ও ভুলতা গ্রিড উপকেন্দ্রে যথাক্রমে ১২০ মেগাওয়াট ও ৬০ মেগাওয়াট ক্ষমতার ব্যাটারি এনার্জি স্টোরেজ সিস্টেম (বিইএসএস) স্থাপনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া ভোলায় বার্জ মাউন্টেড বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই করে প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এর বাইরে জ্বালানি দক্ষতা ও সংরক্ষণে ২০২৬-২০৩০ মেয়াদের পাঁচ বছরের কর্মপরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে বলা হয়। পাশাপাশি ৩০টি ডেজিগনেটেড কনজুমারের স্থাপনায় জ্বালানি নিরীক্ষা করা হয়েছে।

জ্বালানি ও খনিজসম্পদ বিভাগের বাস্তবায়ন অগ্রগতি

প্রতিবেদনে বলা হয়, পরিকল্পনা অনুযায়ী সাতটি গ্যাসকূপ খনন ও চারটি কূপের ওয়ার্কওভার কার্যক্রমের ৯৫ শতাংশ কাজ শেষ হয়েছে। এর মধ্যে ৬টি কূপের (সিলেট-১০ ও ১১, শ্রীকাইল-৫, রশিদপুর-১১, তিতাস-২৮ এবং সুন্দলপুর-৪) খনন সম্পন্ন হয়েছে। এসব কূপ থেকে দৈনিক মোট ২১ দশমিক ৪২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে। অন্যদিকে, ওয়ার্কওভার সম্পন্ন শেষে চারটি কূপ থেকে দৈনিক আরও ১০ দশমিক ৬ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত হচ্ছে। ফলে নতুন করে মোট ৩২ দশমিক ০২ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে।

মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদন বলছে, দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধান বাড়াতে সারা দেশে ৫০টি কূপ খননের বৃহৎ কর্মসূচির আওতায় ২৮টি কূপ খনন ও ওয়ার্কওভার প্রকল্প বাস্তবায়নের জন্য ডিপিপি প্রণয়ন করা হয়েছে। তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ২ হাজার হর্স পাওয়ারের একটি রিগ কেনার দরপত্র মূল্যায়নের কাজ চলছে। একই সঙ্গে ১ হাজার ৫০০ হর্স পাওয়ার রিগ ক্রয়ের ডিপিপি পরিকল্পনা কমিশনে পাঠানোর কার্যক্রম এগিয়ে চলছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, সমুদ্রাঞ্চলে তেল-গ্যাস অনুসন্ধানে বাংলাদেশ অফশোর মডেল পিএসসির-২০২৬ আওতায় বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে। অন্যদিকে, স্থলভাগে অনুসন্ধানের জন্য বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসির -২০২৬ খসড়া অর্থনৈতিক বিষয়সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটির নীতিগত অনুমোদনের জন্য পাঠানো হয়েছে। তেল ও গ্যাস অনুসন্ধানে ২ডি সাইসমিক সার্ভের ৫০০ লাইন কিলোমিটারের কাজ শেষ হয়েছে। তবে বর্ষাকালের কারণে ৩ডি সাইসমিক সার্ভের ১০০ বর্গকিলোমিটার কাজ কিছুটা বাধাগ্রস্ত হচ্ছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

এলএনজি অবকাঠামো উন্নয়নে উদ্যোগ

মন্ত্রণালয়ের অগ্রগতি প্রতিবেদন অনুযায়ী, দেশীয় জ্বালানি অবকাঠামো উন্নয়নে কক্সবাজারের মহেশখালীর কুতুুবজোম এলাকায় ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) স্থাপনের লক্ষ্যে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাব পর্যালোচনা করে বাস্তবায়ন মডেল নির্ধারণ করা হয়েছে। গত ২৮ জুলাই জি-টু-জি পদ্ধতিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়নের বিষয়ে অর্থনৈতিক বিষয়ক মন্ত্রিসভা কমিটি নীতিগত অনুমোদন দিয়েছে। এছাড়া ল্যান্ডবেজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের লক্ষ্যে পিপিপি পদ্ধতিতে ট্রানজ্যাকশন এডভাইজার নিয়োগের জন্য

ইওআই আহ্বান করা হয়েছে। ক্রুড অয়েল রিফাইনারি নির্মাণের লক্ষ্যে মডার্নাইজেশন অ্যান্ড এক্সপানশন অব ইআরএল প্রকল্পের কনসালট্যান্ট নিয়োগের জন্যও ইওআই আহ্বান করা হয়েছে।

কমেছে সিস্টেম লস

প্রতিবেদনে বলা হয়, জ্বালানি খাতে এ বছরের ফেব্রুয়ারি-জুন এই পাঁচ মাসে সিস্টেম লস ১ দশমিক ৩৫ শতাংশ কমিয়ে ৭ দশমিক ১৮ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। যা জানুয়ারিতে ছিল ৮ দশমিক ০৩ শতাংশ।

অগ্রগতি প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন আইন, ২০০৩ অনুযায়ী কমিশনের গণশুনানির মাধ্যমে প্রাকৃতিক গ্যাস, এলপিজি, ফার্নেস অয়েল ও জেট ফুয়েলের ট্যারিফ নির্ধারণের কার্যক্রমও গ্রহণ করা হয়েছে। শিল্প খাতে গ্যাস বিতরণ ব্যবস্থায় গ্যাস বরাদ্দ সংক্রান্ত খসড়া নীতিমালা প্রণয়ন করা হয়েছে। এছাড়া ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহের লক্ষ্যে নেওয়া কাজের প্রায় ৮০ শতাংশ শেষ হয়েছে।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটিতে শিক্ষাই হোক চালিকাশক্তি: মাহদী আমিন

প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন গুয়াংঝুতে অনুষ্ঠিত ‘চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন কো-অপারেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। ছবি : সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে পিপল-টু-পিপল কানেক্টিভিটির ক্ষেত্রে শিক্ষাকেই অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখপাত্র মাহদী আমিন।

চীন সরকারের আমন্ত্রণে সফররত মাহদী আমিন গুয়াংঝুতে অনুষ্ঠিত ‘চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন কো-অপারেশন’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের এক আলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে এ কথা বলেন।

মাহদী আমিন বলেন, ‘বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার ঐতিহাসিক ও গভীর বন্ধুত্বের সূচনা হয়েছিল শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের হাত ধরে। পরবর্তী সময়ে সাবেক প্রধানমন্ত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সময়ে এ সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় ও নতুন উচ্চতায় পৌঁছায়। বর্তমান সরকারও চীনের সাথে কূটনৈতিক ও বাণিজ্যিক সম্পর্ককে বিশেষ অগ্রাধিকার দিচ্ছে।’

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে গণতান্ত্রিক সরকারের মূল অঙ্গীকার হলো নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী শিক্ষা ব্যবস্থার আমূল সংস্কার করা। সে লক্ষ্যে সরকার কারিগরি ও বৃত্তিমূলক শিক্ষাকে অগ্রাধিকার দিয়ে বাধ্যতামূলক করার পাশাপাশি তরুণদের আন্তর্জাতিক কর্মবাজারে এগিয়ে রাখতে মান্দারিন (চীনা ভাষা) সহ তৃতীয় ভাষা শিক্ষা চালুর পরিকল্পনা গ্রহণ করেছে।

শিক্ষাকে সার্বজনীন ও সম্পূর্ণ কর্মমুখী করার কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা জানান, চীনের শীর্ষস্থানীয় পলিটেকনিক ও কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের জন্য স্কলারশিপ বৃদ্ধি, যৌথ গবেষণা প্রকল্প গ্রহণ এবং আধুনিক ল্যাব সুবিধা নিশ্চিত করতে চায় বাংলাদেশ।

চীনের বিশ্ববিদ্যালয় ও শিল্পপ্রতিষ্ঠানগুলোকে বাংলাদেশে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে মাহদী আমিন বলেন, ‘উভয় দেশের মধ্যে নিয়মিত শিক্ষক, গবেষক ও শিক্ষার্থী বিনিময় বাড়াতে হবে। একই সাথে চীনে বর্তমানে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের কল্যাণ নিশ্চিত করতে নিবিড় সহযোগিতা প্রয়োজন।’

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন।

এছাড়া অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে আরো উপস্থিত ছিলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব মোহাম্মদ দাউদ মিয়া, আনহুই নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়েথ স্থায়ী কমিটির সদস্য ও ভাইস-প্রেসিডেন্ট তিয়ান শিংইউ,জিয়াংশি সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজি নরমাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ঝেং পেংউ,থিয়েনচিন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশন ডিন লি চিয়াং, শেনিয়াং আরবান কনস্ট্রাকশন বিশ্ববিদ্যালয়ের স্কুল অব ইন্টারন্যাশনাল এডুকেশনের ডিন, শাও শিউজুয়ান, গুয়াংডং ভোকেশনাল কলেজ অব ফিন্যান্স অ্যান্ড ট্রেডের প্রেসিডেন্ট ঝাং শিয়াওইয়ান, শিয়েননিং ভোকেশনাল টেকনিক্যাল কলেজের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ফাং গাওয়েন, উহান অপটিকস ভ্যালি ইংছাই টেকনিক্যাল স্কুলের প্রিন্সিপাল ইয়ান গানটিং, গুয়াংডং পলিটেকনিক অব সাইন্স অ্যান্ড টেকনোলজির ভাইস-প্রেসিডেন্ট পান ছিহুয়া, চীন-বাংলাদেশ এডুকেশন অ্যান্ড কালচারাল এক্সচেঞ্জ অ্যাসোসিয়েশনের ভাইস-প্রেসিডেন্ট ইঞ্জিনিয়ার শেখ কোরবান আলীসহ চীনের শীর্ষস্থানীয় বিশ্ববিদ্যালয় ও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিবৃন্দ।

সভায় যৌথ আন্তর্জাতিক সেবা কেন্দ্র ‘চীন-বাংলাদেশ শিল্প ও শিক্ষা একীকরণ আন্তর্জাতিক সেবা কেন্দ্র’-এর আনুষ্ঠানিক শুভ সূচনা করা হয়।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

বম্বে সুইটসের মসলা, বাঘাবাড়ী ঘিসহ ১০ পণ্য বাজার থেকে প্রত্যাহারের নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ল্যাবরেটরি পরীক্ষায় বাংলাদেশ মান বা বিডিএস অনুযায়ী নির্ধারিত গুণগত মান বজায় রাখতে ব্যর্থ হওয়ায় বম্বে সুইটসের বিভিন্ন ধরনের মসলা ও বাঘাবাড়ী ঘিসহ মোট ১০টি পণ্য বাজার থেকে সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশন (বিএসটিআই)। বুধবার এক বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পণ্যের মান প্রণয়ন ও নিয়ন্ত্রণকারী এই সংস্থাটি জানায়, মানহীন প্রমাণিত হওয়ায় এসব পণ্যের লাইসেন্স কেন বাতিল করা হবে না, সে বিষয়ে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলোকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বিএসটিআইয়ের পক্ষ থেকে সাধারণ ভোক্তাদের এই নিম্নমানের পণ্যগুলো কেনা থেকে বিরত থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

বিএসটিআইয়ের নিয়মিত বাজার তদারকির অংশ হিসেবে সংগৃহীত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের ঘি, বাটার অয়েল ও মসলা ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করা হলে এই ত্রুটিগুলো ধরা পড়ে। পরীক্ষায় দেখা গেছে, বাঘাবাড়ী ব্র্যান্ডের ‘ঘি’তে আসলে কোনো মিল্ক ফ্যাট বা দুগ্ধ চর্বির অস্তিত্ব নেই; বরং পাম অলিন ও বনস্পতি ব্যবহার করে তা ঘি নামে বাজারজাত করা হচ্ছিল। পাশাপাশি বম্বে সুইটসের উৎপাদিত বিভিন্ন মসলাও জাতীয় মানদণ্ডের বেশ কিছু প্যারামিটারে উত্তীর্ণ হতে পারেনি। এই বিষয়ে কঠোর অবস্থান ব্যক্ত করে বিএসটিআইয়ের মহাপরিচালক কাজী ইমদাদুল হক বলেন, “জাতীয় মান অনুসারে পণ্যের গুণগত মান বজায় রাখা প্রতিটি লাইসেন্সপ্রাপ্ত প্রতিষ্ঠানের আইনগত এবং নৈতিক দায়িত্ব। কোনো প্রতিষ্ঠান এ দায়িত্ব পালনে ব্যর্থ হলে বিএসটিআই প্রয়োজনীয় আইনি ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর।”

বিএসটিআইয়ের পরীক্ষার ফলাফল অনুযায়ী, বম্বে সুইটস অ্যান্ড কোং লিমিটেডের হাঁসের মাংসের মসলা, তেহারি মসলা, কালাভুনা মসলা, গরুর মাংসের মসলা ও মাছের মসলা মান পরীক্ষায় অনুত্তীর্ণ হয়েছে। এছাড়া নিম্নমানের তালিকায় রয়েছে বাঘাবাড়ী প্রিমিয়াম ঘি কোম্পানির ‘বাঘাবাড়ী’ ব্র্যান্ডের ঘি, কিশোরগঞ্জ ফুড প্রোডাক্টসের ‘অরুন বাঘাবাড়ী’ ঘি, মেসার্স মামুন ফুড প্রোডাক্টের ‘নিউ রাঁধুনী’ ও ‘সিটি’ ব্র্যান্ডের ঘি এবং এলডার্স ফুড প্রোডাক্টস অ্যান্ড প্যাকেজিং ইন্ডাস্ট্রিজের ‘এলডার্স’ ব্র্যান্ডের বাটার অয়েল। বিএসটিআই প্রধান জানান, পণ্যের মান নিশ্চিত করার পাশাপাশি নকল ও ভেজাল প্রতিরোধে তাদের কঠোর নজরদারি অব্যাহত রয়েছে। তিনি ক্রেতাসাধারণকে পণ্যের উপাদান, উৎপাদন ও মেয়াদের তারিখ এবং বিএসটিআইয়ের মানচিহ্ন যাচাই করে কেনাকাটার আহ্বান জানান এবং যেকোনো অনিয়মের অভিযোগ ১৬১১৯ নম্বরে বা ইমেইলে জানাতে অনুরোধ করেছেন।


নির্বাচিত

প্রত্যেক নাগরিকের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করবে সরকার : সমাজকল্যাণ মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের প্রতিটি নাগরিকের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর এবং আর্থিক সংকটের কারণে কেউ চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না বলে জানিয়েছেন মহিলা ও শিশু বিষয়ক এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন। বুধবার (২৬ আগস্ট) দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার বোয়ালদার ইউনিয়ন পরিষদ মাঠে স্থানীয় বিএনপি আয়োজিত এক কর্মী সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই প্রতিশ্রুতি দেন। ডা. জাহিদ হোসেন বলেন, “দেশের কোনো নাগরিক অর্থের অভাবে চিকিৎসা নিতে পারবে না—সরকার কখনই এটা হতে দেবে না। প্রত্যেক নাগরিকের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করতে সরকারি ভাবে আর্থিক সহায়তা দিয়ে নাগরিকের চিকিৎসাসেবা নিশ্চিত করা হবে।”

জনপ্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব পালনের সুযোগ দেয়ায় স্থানীয়দের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি বলেন, “আপনারা ধানের শীষ মার্কায় ভোট দিয়ে আমাকে জয়যুক্ত করে এমপি বানিয়ে মন্ত্রিত্ব হওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন। আমি আজ আপনাদের সব কথা শোনার জন্য আপনাদের কাছে এসেছি।” তৃণমূল পর্যায়ে সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা, দেশের তৃণমূল পর্যায়ে পাড়া-মহল্লা ও প্রত্যেকটি ওয়ার্ডে বিএনপির কর্মী সংখ্যা বাড়াতে হবে। যোগ্য লোকদের বিএনপির কর্মী হিসেবে দলে যুক্ত করতে হবে। বিএনপি একা চলার দল নয়। দল-মত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষকে বিএনপির পতাকাতলে নিয়ে আসার নাম হচ্ছে, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের গড়া দল বিএনপি।”

দরিদ্র ও সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের শিক্ষা নিশ্চিতের বিষয়ে নেতাকর্মীদের নির্দেশনা দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “গ্রাম-গঞ্জের যেসব দরিদ্র পরিবারের শিশুরা অর্থের অভাবে পড়াশোনা করতে পারছে না বা স্কুলে যাচ্ছে না, আপনারা তাদের চিহ্নিত করুন এবং তাদের পাশে গিয়ে দাঁড়ান। সরকার তাদের আর্থিক সহায়তা দিয়ে পড়াশোনা করিয়ে দেশের যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তুলতে সহযোগিতা করবে।” তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন যে, “অসুস্থ রোগীকে চিকিৎসাসেবার জন্য সহযোগিতা করবে সরকার।” হাকিমপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি ফিরদৌস রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত উক্ত সম্মেলনে জেলা বিএনপির শীর্ষ নেতৃবৃন্দসহ বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

ফ্যাসিবাদ ঠেকাতে কার্যকর রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান আইনমন্ত্রীর

আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে যাতে আর কখনো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসতে না পারে এবং কেউ যেন নতুন করে ফ্যাসিস্ট হয়ে না ওঠে, সেজন্য একটি কার্যকর রোডম্যাপ তৈরির আহ্বান জানিয়েছেন আইন, বিচার ও সংসদবিষয়ক মন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। তিনি স্পষ্টভাবে বলেন, শুধুমাত্র বিরোধিতার খাতিরে বিরোধিতা না করে দেশ গড়ার কাজে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। আজ বুধবার বনানীর হোটেল শেরাটনে পবিত্র ঈদে মিলাদুন্নবী (সা.) উপলক্ষে আয়োজিত দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের এক প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

ইনস্টিটিউট অব হযরত মোহাম্মদ (সা.) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে আইনমন্ত্রী বলেন, জুলাই বিপ্লবের সময় প্রায় ১ হাজার ৪০০ মানুষকে নৃশংসভাবে হত্যা করা হয়েছে এবং অসংখ্য মানুষ পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, যাদের চোখের আলো আছে, তাদের অনেকেই এই চরম অবিচার ও হত্যাকাণ্ড দেখেও না দেখার ভান করছেন। তিনি এই তথাকথিত বুদ্ধিজীবী ও ব্যক্তিদের উদ্দেশে বলেন, "আপনারা আল্লাহ প্রদত্ত চোখ খুলুন, আর তা না পারলে অন্তরের চোখ খুলুন। অন্ধকে আলো দেওয়ার মতো মহৎ কাজের চেয়ে বড় আর কিছু হতে পারে না।"

অনুষ্ঠানে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও তৃতীয় লিঙ্গের ব্যক্তিদের প্রতি সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় মনোযোগ বৃদ্ধির ওপর জোর দেন আইনমন্ত্রী। তিনি বলেন, "যাঁদের চোখের আলো নিভে গেছে, তাঁদের প্রতি রাষ্ট্রীয় গুরুত্ব আরও বাড়ানো প্রয়োজন। আমরা সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে তাঁদের প্রতিভা বিকাশে আরও কী কী করা যায়, সে বিষয়ে ব্যক্তিগতভাবে সমাজকল্যাণমন্ত্রীর সাথে কথা বলব।" তিনি এই অবহেলিত জনগোষ্ঠীকে স্বাবলম্বী করার উদ্যোগ নেওয়ায় আয়োজক প্রতিষ্ঠানের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

২০২৪ সালের জুলাই আন্দোলনের রক্তক্ষয়ী অধ্যায়ের কথা স্মরণ করে আসাদুজ্জামান বলেন, ক্রসফায়ারের নামে রাতের অন্ধকারে অসংখ্য মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, অনেকের স্বজন আজও নিখোঁজ। অথচ একদল মানুষ এখনও বলছেন কিছুই হয়নি। এই মানসিকতাকে তিনি আত্মকেন্দ্রিকতা ও নৈতিক অবক্ষয় হিসেবে অভিহিত করেন। তিনি বলেন, "সংবিধানের ২১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী অপরাধের বিরুদ্ধে কথা বলা প্রতিটি নাগরিকের নৈতিক দায়িত্ব। আমরা ভুল করলে আমাদের চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিন।"

মন্ত্রী তাঁর বক্তব্যের শেষে স্বাধীনতা, গণতন্ত্র ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় একটি বাসযোগ্য বাংলাদেশ গড়ার শপথ নেওয়ার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, জননী ও জন্মভূমির প্রতি দায়বদ্ধতা থেকে আমাদের এমন এক পথে হাঁটতে হবে যেখানে ফ্যাসিবাদের কোনো স্থান থাকবে না। অনুষ্ঠানে সুপ্রিম কোর্টের বিচারপতি ফয়েজ আহমেদ, লেফটেন্যান্ট জেনারেল (অব.) এম নুরউদ্দিন খানসহ বিভিন্ন দেশি-বিদেশি কূটনীতিক ও ব্যাংক কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। প্রতিযোগিতায় কোরআন তেলাওয়াত, হামদ-নাত ও রচনা প্রতিযোগিতার বিজয়ীদের হাতে পুরস্কার তুলে দেন মন্ত্রী।


নির্বাচিত

দুদকের মহাপরিচালক ও পরিচালক পদে রদবদল

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) শীর্ষ পর্যায়ের তিন কর্মকর্তাকে বদলি ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সংস্থাটির প্রশাসন ও মানবসম্পদ বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ নাজমুল হাসানের সই করা এক কার্যালয় আদেশে এ তথ্য জানা গেছে।

আদেশে মহাপরিচালক মো. মোজাম্মেল হককে মহাপরিচালক (মানিলন্ডারিং) থেকে প্রতিরোধ বিভাগের মহাপরিচালক পদে বদলি করা হয়েছে।

অন্যদিকে মহাপরিচালক মীর মো. জয়নুল আবেদীন শিবলীকে মহাপরিচালক (বিশেষ তদন্ত) দায়িত্বপালনের পাশাপাশি তাকে অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে মানিলন্ডারিংয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পরিচালক দাউদ হোসেন চৌধুরীকে পরিচালক (অর্থ ও হিসাব) পদ থেকে পরিবর্তন করে তাকে পরিচালক দৈনিক ও সাম্প্রতিক অভিযোগ সেলে বদলি করা হয়েছে।

জনস্বার্থে এটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে আদেশে উল্লেখ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

banner close