সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
৭ বৈশাখ ১৪৩৩

তীব্র দাবদাহ আরও ৫-৬ দিন

তীব্র দাবদাহ থেকে বাঁচতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সুইমিংপুলে নেমে পড়েছেন কয়েকজন তরুণ। ছবিটি রোববারের। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড
৫ জুন, ২০২৩ ১৫:১৭
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
বিশেষ প্রতিনিধি, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৫ জুন, ২০২৩ ১৪:৪৯

দেশের কিছু জেলায় তীব্র দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। বাকি অংশের ওপর দিয়ে মৃদু ও মাঝারি দাবদাহ বয়ে যাচ্ছে। আগামী পাঁচ থেকে ছয় দিন আবহাওয়ার পরিস্থিতি অপরিবর্তিত থাকবে। তীব্র গরমের কারণে দেশের সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস ৫ থেকে ৮ জুন পর্যন্ত বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে। শিগগির বৃষ্টির কোনো লক্ষণ নেই। তীব্র দাবদাহের মধ্যে জনজীবন অসহনীয় করে তুলেছে লোডশেডিং। খোদ রাজধানীতে দিন-রাত মিলিয়ে ৬ থেকে ৮ বার বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। গ্রামপর্যায় এ পরিস্থিতি আরও অসহনীয়।

আগামী পাঁচ-ছয় দিনের মধ্যে বৃষ্টির কোনো সম্ভাবনা নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। জুনের শুরুতে সারা দেশের আবহাওয়া প্রধানত শুষ্ক ছিল। রোববার দেশের বাতাসে ক্ষুদ্রকণার পরিমাণও ছিল বেশি। এতে বাতাসে দূষণের মাত্রাও বেড়ে যায়। চলতি সপ্তাহে দেশে বড় ধরনের বা ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা তেমন নেই বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রটি ৩ হাজার কোটি টাকা বকেয়া ৬ মাস পার হলেও দিতে ব্যর্থ হয় বাংলাদেশ ব্যাংক। দফায় দফায় দেনদরবার করেও ডলার পাওয়া যায়নি। এর মধ্যে সম্প্রতি ২ হাজার কোটি টাকা মূল্যের ডলার পরিশোধ করেছে চীনা কয়লা রপ্তানিকারক প্রতিষ্ঠান সিএমসিকে। কিন্তু তত দিনে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের সব মজুত কয়লা শেষের দিকে। এখন কয়লা আমদানি করলেও ২৫ জুনের আগে কেন্দ্রটি চালু হবে না। পায়রা কেন্দ্রটির বিদ্যুৎ ঢাকায় সরবরাহ করত। এ কারণে ঢাকায় বেড়েছে লোডশেডিং।

দাবদাহে পুড়ছে দেশ
সোমবার আবহাওয়া অধিদপ্তরের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, দেশের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে। এর মধ্যে গতকাল রোববার দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল দিনাজপুরে ৪১ দশমিক ১ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এদিন উত্তরবঙ্গের বিভিন্ন জেলায় রাত-দিন মিলিয়ে ১০ থেকে ১২ বার বিদ্যুৎ চলে যায়। নীলফামারী ও দিনাজপুর জেলাগুলোর ওপর দিয়ে তীব্র তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। রংপুর বিভাগের অবশিষ্টাংশসহ ঢাকা, রাজশাহী, খুলনা ও বরিশাল বিভাগ এবং ময়মনসিংহ, মৌলভীবাজার, রাঙামাটি, কুমিল্লা, চাঁদপুর, নোয়াখালী ও বান্দরবান জেলাগুলোর ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকতে পারে।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পূর্বাভাসমতে, সারা দেশে দিন ও রাতের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকতে পারে।
গ্রীষ্মের এই গরমে মধ্যরাতেও বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। দিন-রাত মিলিয়ে বিদ্যুতের দেখা মিলছে কম। পাখা চলছে না। ভ্যাপসা গরমে মানুষ অতিষ্ঠ হয়ে যাচ্ছে।

পরিস্থিতি উন্নতি হবে জুনের শেষ সপ্তাহে
জ্বালানির অভাবে ধুঁকে ধুঁকে বন্ধ হচ্ছে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এতে প্রতিদিনই বাড়ছে লোডশেডিং। বর্তমানে পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের প্রতি ইউনিট জ্বালানি ব্যয় ৫ টাকা ৫০ পয়সা। অন্যদিকে ডিজেলভিত্তিক কেন্দ্রের ব্যয় ইউনিটপ্রতি ৩০ টাকার বেশি আর ফারনেসের উৎপাদন ব্যয় ১৪ টাকার কিছু বেশি। এ পরিস্থিতিতে তেলভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্র বেশি চালালে সরকারকে প্রতিদিন অন্তত বাড়তি গুনতে হবে ১৫০ কোটি টাকা। কয়লা পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে না আসা পর্যন্ত দেশের বিদ্যুতের পরিস্থিতির উন্নতি হবে না। কয়লা আসতে সময় নেবে ২৫ জুন পর্যন্ত। এ পর্যন্ত থাকবে লোডশেডিং।

গ্রীষ্মে বিদ্যুৎ সরবরাহ এত বিপর্যয়ের বিষয়টি নিয়ে উদ্বিগ্ন খোদ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ। গতকাল রোববার সচিবালয়ে লোডশেডিং সম্পর্কে সাংবাদিকদের তিনি বলেছেন, ‘লোডশেডিং পরিস্থিতি অসহনীয় হয়ে গেছে।’

এ বিষয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেন, ‘কয়েক সপ্তাহ লাগবে লোডশেডিং কমতে। বেশ কিছুদিন ধরে গ্রাহকরা দেখছেন যে লোডশেডিং বেড়ে গেছে। জ্বালানি হিসেবে গ্যাস, কয়লা ও জ্বালানি তেলের জোগান দিতে কষ্ট হচ্ছিল। এ কারণে লোডশেডিং ধীরে ধীরে বেড়ে গেছে। লোডশেডিং পরিস্থিতিও অসহনীয় হয়ে গেছে।’

তিনি বলেন, ‘পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রের জন্য কত দ্রুত কয়লা নিয়ে আসা যায়, তার চেষ্টা করা হচ্ছে। বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রটি অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে। বড়পুকুরিয়া কয়লা বিদ্যুৎকেন্দ্রটিও অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে। জ্বালানি তেলচালিত বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোও অর্ধেক সক্ষমতায় চলছে। দ্রুত সমাধানে বিদ্যুৎ বিভাগ চেষ্টা করছে।’

তবে গত বছরের জুলাইয়ের মতো সূচি করে পরিকল্পিত লোডশেডিংয়ের চিন্তা আপাতত নেই বলে জানিয়েছেন নসরুল হামিদ। তিনি বলেন, ‘তাপপ্রবাহ চলছে, তাই বিদ্যুৎ চাহিদা বেড়ে গেছে। আড়াই হাজার মেগাওয়াট লোডশেডিং হচ্ছে। ধীরে ধীরে কমিয়ে আনার চেষ্টা করা হচ্ছে। আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্যে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে।’

বিদ্যুৎ উৎপাদন সক্ষমতার বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে বিদ্যুৎ প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘বিদ্যুৎকেন্দ্র উৎপাদনের জন্য তৈরি আছে। দুই মাস আগে থেকেই চেষ্টা করা হচ্ছিল। কিন্তু জ্বালানি আসার পেছনের বিষয় সব সময় তাদের হাতে থাকে না। অর্থনৈতিক বিষয়, জ্বালানি আমদানির জন্য ঋণপত্র খোলার বিষয় থাকে; সব সমন্বয় করতে হয়। সমন্বয় কোথাও বাধাগ্রস্ত হলেই সমস্যা হয়। এবারও তাই হয়েছে।’

প্রসঙ্গত, কয়লার অভাবে আজ রাত ১২টার পরে বন্ধ হয়ে যেতে পারে দেশের সব থেকে বড় বিদ্যুৎকেন্দ্র পায়রা। এর আগে ২৫ মে কেন্দ্রটির ৬৬০ মেগাওয়াটের প্রথম ইউনিটটি বন্ধ হয়ে যায় কয়লার অভাবে। নতুন করে ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা ২৫ জুনের আগে আসবে না। এ সময় পর্যন্ত কেন্দ্রটি বন্ধ থাকবে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক দেরিতে বকেয়া পরিশোধ করায় পায়রা বন্ধ হলো
৬ মাসের বাকিতে চীনা প্রতিষ্ঠান সিএমসি কয়লা দিত পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রকে। কয়লা দেয়ার ৬ মাস পর অর্থ পরিশোধ করত পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। গত বছরের অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২৩ মার্চ পর্যন্ত ছয় মাসে সিএমসি বকেয়া কয়লা বাবদ প্রায় ৩০ কোটি ডলার বা ৩ হাজার কোটি টাকা বকেয়া হয়। এই অর্থ পরিশোধ করতে পারেনি পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্র। এরপর সিএমসি পায়রাকে আরও প্রায় ১ হাজার কোটি টাকার কয়লা বাকিতে সরবরাহ করে। এর পরও অর্থ পরিশোধ করতে না পারায় চীনের বৈদেশিক নিয়ন্ত্রক কর্তৃপক্ষ ইন্দোনেশিয়ার পিটি বায়ান্স রিসোর্স টিবিকের কাছ থেকে কয়লা বাংলাদেশের পায়রা বিদ্যুৎকেন্দ্রে সরবরাহ করার বিষয়ে সিএমসির ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে। এর ফলে কয়লা আমদানি পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়।

গত ২৭ এপ্রিল বিসিপিসিএল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি বিদ্যুৎ সচিবকে চিঠি দিয়ে অবহিত করে। এরপর কয়েক দফা বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে বৈঠক করে সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী ৩ হাজার কোটি টাকা বকেয়ার মধ্যে ২ হাজার কোটি টাকা পরিশোধ করেছে সরকার। এরপরই দুই মাসের কয়লা সরবরাহে রাজি হয়েছে সিএমসি।

বিদ্যুৎ বিভাগের এক কর্মকর্তা পরিচয় গোপন রেখে দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘বাংলাদেশ ব্যাংক ঠিকই ডলারের সংস্থান করল। কিন্তু যখন তারা ডলার দিল তখন বিদ্যুৎকেন্দ্রটি বন্ধ করা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। বাংলাদেশ দেশের লোডশেডিংয়ের পরিস্থিতি অবনমের পেছনে অন্যতমভাবে দায়ী।’

লোডশেডিং
বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের পক্ষ থেকে সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত দেশে বিদ্যুতের চাহিদার কথা যখন বলা হচ্ছে সর্বোচ্চ ১৫ হাজার ৫০০ মেগাওয়াট। আর তখন সরবরাহ করা হচ্ছে ১২ হাজার ৭০০ মেগাওয়াট। ঘাটতি গড়ে প্রায় আড়াই হাজার মেগাওয়াট।

বিদ্যুৎ সঞ্চালনের দায়িত্বে থাকা পাওয়ার গ্রিড কোম্পানি অব বাংলাদেশের (পিজিসিবি) দুজন প্রকৌশলী পরিচয় গোপন রেখে দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘দেশে পিক আওয়ার সন্ধ্যা ৭টা থেকে ১১টা পর্যন্ত প্রকৃত চাহিদা থাকে ১৭ হাজার মেগাওয়াট। আর এ সময় ১৩ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদন করতে গিয়ে পিডিবির নাভিশ্বাস ওঠে যাচ্ছে। ঘাটতি থাকছে ৪ হাজার মেগাওয়াট। এটি মোট উৎপাদনের প্রায় ৩০ ভাগ। এই বিপুল পরিমাণ ঘাটতির কারণে লোডশেডিং বেড়েছে।’ ঢাকার চেয়ে গ্রামে এই পরিস্থিতি আরও অনেক খারাপ বলেও ওই দুই কর্মকর্তার মত।


৭ জেলায় ই-বেইলবন্ড কার্যক্রম উদ্বোধন করলেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

বিচারপ্রার্থীদের দুর্ভোগ কমাতে এবং বিচার ব্যবস্থায় ডিজিটাল বিপ্লব ত্বরান্বিত করতে দেশের সাতটি জেলায় আনুষ্ঠানিকভাবে ই-বেইলবন্ড কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেগুলো হলো– বগুড়া, নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা, চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা ও সিলেট।

এর আগে তারেক রহমান বগুড়া জেলা অ্যাডভোকেটস্ বার সমিতির নবনির্মিত ভবনের নামফলক উন্মোচন করেন।

সড়কপথে সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটের দিকে বগুড়া সার্কিট হাউসে পৌঁছায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বহনকারী গাড়িবহর। এ সময় প্রধানমন্ত্রীকে ফুল দিয়ে স্বাগত জানান জেলা প্রশাসক মো. তৌফিকুর রহমান।

এর আগে সকাল ৬টা ১০ মিনিটে প্রধানমন্ত্রীকে বহনকারী বাস গুলশানের বাসভবন ছেড়ে আসে। প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসেবে তার সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান সঙ্গে রয়েছেন। বগুড়ায় ডা. জোবাইদা রহমানকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক সালমা আক্তার।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এ কথা জানিয়ে বলেন, প্রধানমন্ত্রী সকাল ৯টা ৫৮ মিনিটে বগুড়ায় পৌঁছেছেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব আরও জানান, বগুড়ায় প্রধানমন্ত্রী ব্যস্ত সময় কাটাবেন। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, হামের টিকাদান ক্যাম্পেইনসহ বিভিন্ন কর্মসূচি রয়েছে। যাবেন নিজের পৈতৃক বাড়িতেও। বিকালে রয়েছে বিএনপি আয়োজিত জনসভা। ওইসব কর্মসূচি শেষ করে রাতে সড়ক পথে ঢাকায় ফিরবেন প্রধানমন্ত্রী।


পররাষ্ট্র সচিবের স‌ঙ্গে মার্কিন বিশেষ দূতের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস’ বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে হার্ডার পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন।

গতকাল পররাষ্ট্র মন্ত্রণাল‌য়ে পররাষ্ট্রস‌চি‌বের দপ্ত‌রে এই সাক্ষাৎ অনু‌ষ্ঠিত হয়।

আজ (সোমবার) ঢাকার মা‌র্কিন দূতাবাস জানায়, বিশেষ দূত হার্ডার ও রাষ্ট্রদূত ক্রিস্টেনসেন পররাষ্ট্রসচিব আসাদ আলম সিয়ামের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন, যাতে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতা আরও জোরদার করা যায় এবং উভয় দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কল্যাণে অংশীদারিত্বমূলক উদ্যোগে একসঙ্গে কাজ করা যায়।

মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘বেস্ট ফিউচার জেনারেশনস’ বিষয়ক বিশেষ দূত চার্লস জে হার্ডার ১৮ এপ্রিল তিন দিনের সফরে ঢাকায় এসেছেন।


বগুড়ায় পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া জেলা প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রথমবারের মতো নিজ জন্মভূমি ও জেলা বগুড়ায় সফরে এসেছেন বিএনপির চেয়ারম্যান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একাধিক উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে সোমবার (২০ এপ্রিল) তিনি সড়কপথে ঢাকার বাসভবন থেকে রওনা হয়ে সকাল ৯টা ৫৫ মিনিটে বগুড়া শহরের সার্কিট হাউজে পৌঁছান।

সফরসূচি সূত্রে জানা যায়, বেলা ১১টায় বগুড়া জজ আদালতে ই-বেইল বন্ড সেবার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন তিনি। এরপর বগুড়া সিটি করপোরেশনের ফলক উন্মোচন এবং সিটি করপোরেশনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের ঘোষণা দেওয়ার কথা রয়েছে।

দিনের দ্বিতীয়ার্ধে গাবতলী উপজেলার বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর মধ্যে রয়েছে খাল খনন কর্মসূচি, ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ এবং হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন।

পরে তিনি নিজ পৈতৃক বাড়ি যাবেন এবং বিকেলে পুনরায় শহরে ফিরবেন। বিকেল ৪টায় জেলা বিএনপির আয়োজিত সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেওয়ার কথা রয়েছে তার।

তার এই সফরকে ঘিরে বগুড়া শহর ও আশপাশে উৎসবমুখর পরিবেশ বিরাজ করছে। সকাল থেকেই শহরের বিভিন্ন প্রবেশমুখে নেতাকর্মীরা ব্যানার ফেস্টুন নিয়ে ভিড় করেন, তাকে এক নজর দেখার জন্য।


১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বেড়ে ১,৯৪০ টাকা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভোক্তাপর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম ফের বাড়ানো হয়েছে। সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ২১২ টাকা বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার নতুন এই দাম ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। নতুন নির্ধারিত এই দাম সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিইআরসির ঘোষণা অনুযায়ী, এবার প্রতি কেজি এলপিজিতে দাম বেড়েছে ১৭ টাকা ৬২ পয়সা। এর আগে চলতি মাসের শুরুতেই প্রতি কেজিতে দাম বাড়ানো হয়েছিল ৩২ টাকা ৩০ পয়সা। সেই হিসেবে এক মাসের মধ্যেই দ্বিতীয় দফায় দাম বাড়ল এলপিজির।

নতুন দাম অনুযায়ী, ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ১ হাজার ৭২৮ টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ হাজার ৯৪০ টাকা করা হয়েছে। অর্থাৎ প্রতি সিলিন্ডারে গ্রাহককে অতিরিক্ত ২১২ টাকা গুনতে হবে।

বিইআরসি জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে স্থানীয় বাজারে এই দাম সমন্বয় করা হয়েছে, যা আজ সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

প্রসঙ্গত, এর আগে চলতি মাসের (এপ্রিল) শুরুতে প্রতি কেজিতে ৩২ টাকা ৩০ পয়সা বাড়ানো হয়েছিল। এক মাসের মধ্যে দুই দফায় এই মূল্যবৃদ্ধি সাধারণ ভোক্তাদের ওপর বাড়তি চাপ তৈরি করেছে।


জ্বালানি-বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে সপ্তাহে দুই দিন ভার্চ্যুয়ালি চলবে হাইকোর্ট

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সপ্তাহে দুই দিন বুধ ও বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চ্যুয়ালি বিচারকাজ চলবে।

রোববার হাইকোর্ট বিভাগের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ নূরুল আমীন বিপ্লব স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমান বৈশ্বিক অর্থনৈতিক পরস্থিতি বিবেচনায় এবং জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ‘আদালত কর্তৃক তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবহার আইন, ২০২০ : (২০২০ সনের ১১ নং আইন) এবং অত্র কোর্ট কর্তৃক জারিকৃত প্রাকটিস ডাইরেকশন অনুসরণ করত’ তথ্য প্রযুক্তি ব্যবহার করে প্রতি সপ্তাহে ২ (দুই) দিন বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্ট হাইকোর্ট বিভাগে ভার্চুয়াল কোর্ট পরিচালনার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।


হজ যাত্রায় সৌদি আরবে পৌঁছেছেন ৪ হাজার ৪৫৭ জন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হজ যাত্রায় প্রথম দিনে এখন পর্যন্ত ১১ ফ্লাইটে ৪ হাজার ৪৫৭ জন বাংলাদেশি হজ প্রত্যাশি সৌদি আরবে পৌঁছেছেন। এর মধ্যে সরকারি মাধ্যমে গিয়েছেন ১ হাজার ২৪৬ জন, আর বেসরকারি মাধ্যমে ৩ হাজার ২১১ জন।

হজ অফিস জানিয়েছে, হজ যাত্রার দ্বিতীয় দিনে রোববার ১৪টি ফ্লাইটে ঢাকা ছাড়বেন ৫ হাজার ৭৫৬ জন। এ উপলক্ষে সকাল থেকেই আসকোনা হজ ক্যাম্প মুসল্লিদের আনাগোনায় মুখর হয়ে উঠেছে। অন্যান্য বছরের মতো এবারও দুই দেশের ইমিগ্রেশন আশকোনা হজ ক্যাম্পে হচ্ছে।

এরই মধ্যে শতভাগ হজযাত্রী ভিসা সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছে হজ অফিস।

হজ ক্যাম্পের সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে অধিকাংশ হজযাত্রী সন্তুষ্টি প্রকাশ করেছেন। তবে ক্যাম্পের ভেতরে কিছু অব্যবস্থাপনা নিয়ে ক্ষোভও জানিয়েছেন অনেকে। বিশেষ করে খাবারের মান নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন কয়েকজন হজযাত্রী।

এ ছাড়া ডরমিটরিতে মশার উপদ্রব এবং বিছানায় ছারপোকার কারণে রাত কাটাতে ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন তারা। হজযাত্রীদের দাবি, পবিত্র সফরের শুরুতেই যেন এ ধরনের ছোটখাটো সমস্যাগুলো দ্রুত সমাধান করা হয়।

হজ অফিস বলছে, ভোগান্তি কমাতে গুরুত্বের সঙ্গে কাজ করছে তারা।


গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার পরিদর্শন করলেন ঢাকা ওয়াসার এমডি

আগামী ডিসেম্বর নাগাদ পানি সরবরাহের আশাবাদ
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম গত শনিবার মেঘনা নদী থেকে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার সরবরাহ সক্ষমতা সম্পন্ন নির্মাণাধীন নাঃগঞ্জ এর রূপগঞ্জস্থ গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগারটি পরিদর্শন করেন।

এ সময় ব্যবস্থপনা পরিচালক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ প্রথমে একই জেলার আড়াইহাজার উপজেলাস্থ বিষনন্দীতে

মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত ইনটেক পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। তারপর রূপগঞ্জস্থ প্লান্ট এরিয়া পরিদর্শন করেন।

এ সময় প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদ সহ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন। তারা ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্লান্টের বিভিন্ন দিক ঘুরিয়ে দেখান ও এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সেই সাথে ঢাকার পূর্বাঞ্চলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আংশিক পানি সরবরাহের আশা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ আলোচ্য সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস ও প্রদান করেন।

তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ চালু হলে রাজধানী মহানগরীর পূর্বাঞ্চলের মানুষ সর্বাংশে উপকৃত হবে।

সেই সাথে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য ঢাকা ওয়াসা নির্ধারণ করেছে তা অর্জন করা সম্ভব হবে।

কেননা এ শোধনাগার চালু হলে কয়েকশ গভীর নলকূপ বন্ধ বন্ধ হয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, আলোচ্য গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার এর প্রথম ফেজ থেকে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি রাজধানীতে সরবরাহ করা হবে এবং একই শোধনাগারের সেকেন্ড ফেজ থেকেও সমপরিমাণ পানি দৈনিক রাজধানীতে সরবরাহ করা হবে।


দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিমিতে ভাড়া ৪ টাকা করার প্রস্তাব

আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। বিশ্ববাজারে দফায় দফায় বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এ পরিস্থিতে গত শনিবার রাতে দেশের বাজারে সব ধরণের জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে সরকার। জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে ভাড়া সমন্বয় করতে সরকারকে অনুরোধ করেছেন বাস-ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা।

রোববার (১৯ এপ্রিল) মধ্যে সমিতির পক্ষ থেকে দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। দূরপাল্লার পরিবহনে বিশেষ করে ট্রাক-বাসগুলোতে জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। যার মূল্য লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেন, আশা করছিলাম যে সরকার তেলের দাম যদি বৃদ্ধি করে, তবে সেই সঙ্গে গেজেটে উল্লেখ করে দেবে যে তেলের কারণে এত পয়সা করে প্রতি কিলোমিটার ইনক্লুড হবে। কিন্তু সেটি হয়নি। আজ মালিকরা বেশি দামে তেল কিনছে কিন্তু ভাড়া নিচ্ছে আগের রেটে। এভাবে তো মালিকরা লস দিয়ে বাস চালাবে না। আমরা অলরেডি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি যে, আজকের মধ্যে এটা নিরসন করে দিতে।

তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতি বছর বাজেটের আগে একটা ক্যালকুলেশন করে, কস্টিং বডি দেখে বর্তমানে পরিস্থিতি অনুযায়ী জানিয়ে দিতে পারে যে এই বছরের জন্য এই ভাড়া নির্ধারণ করা হলো। এই হিসাবটা যদি ঠিকভাবে করা হয়, তাহলে সেটাই পুরো বছর চলতে পারে। এর মাঝে যদি কোনো বড় পরিবর্তন হয়, যেমন ডলারের দাম হঠাৎ বাড়ে বা কমে, তখন সেগুলোর প্রভাব নিয়ে আলাদা করে আলোচনা করা যেতে পারে। না হলে সাধারণভাবে ওই নির্ধারিত ভাড়াই কার্যকর থাকতে পারে। আমরা এই প্রস্তাবটাই দিয়েছিলাম স্থায়ী সমাধানের জন্য, কিন্তু সেটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে না।


ভারতের হাইকমিশনার হয়ে ঢাকায় আসছেন দিনেশ ত্রিবেদী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে ত্রিবেদী প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন পর প্রতিবেশী কোনো দেশে প্রথমবারের মতো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এ পদে নিয়োগ দিচ্ছে ভারত।

দীনেশ ত্রিবেদী আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাংলাদেশ সরকোরের থেকে সম্মতি নেবে ভারত।

৭৫ বছর বয়সি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিককে বাংলাদেশে ভারতের দূত হিসেবে পাঠানোর এই সিদ্ধান্তটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ত্রিবেদী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন এবং ৬ মার্চ ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন।

এই নিয়োগ এমন এক সময়ে করা হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ তাদের সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্ক অবনতি ঘটে। এবার দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠিয়ে সেই সম্পর্ক ভারত সরকার পুনরুদ্ধারের আশা করছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে লম্বা লাইন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রতিটি জ্বালানি পণ্যের দাম একলাফে অনেকটা বাড়লেও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষার চিরচেনা চিত্রটি বদলায়নি। আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বর্ধিত মূল্যে তেল কিনতে আসা মানুষের চাপে পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষা আগের মতোই বিরাজ করছে। বিশেষ করে মিরপুর-১৪, মহাখালী, রমনা ও মতিঝিলের মতো ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সড়ক ছাপিয়ে মূল রাস্তায় চলে এসেছে, যা নগরীর স্বাভাবিক ট্রাফিক ব্যবস্থায়ও প্রভাব ফেলছে।

সরেজমিনে মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়। সেখানে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের পাশাপাশি গণপরিবহনের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। অন্যদিকে রমনা এলাকার চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন; সেখানে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি থাকলেও বাইকের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক দেখা গেছে। তবে মতিঝিল এলাকায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেখানে ‘করিম অ্যান্ড সন্স’ ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কিছু পয়েন্টে ‘ফুয়েল পাশ’ ছাড়া কোনো বাইককে তেল দেওয়া হচ্ছে না, যা নতুন এই ব্যবস্থার সাথে অভ্যস্ত না হওয়া চালকদের জন্য বাড়তি বিড়ম্বনা তৈরি করেছে।

গতকাল শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ১৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকায়। এছাড়া ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারিও জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছিল, যার দুই মাস যেতে না যেতেই আবারও বড় ধরণের মূল্যবৃদ্ধির মুখে পড়লেন দেশের সাধারণ মানুষ।

পাম্পে অপেক্ষারত চালকদের বক্তব্যে চরম ক্ষোভ ও নিরুপায় অবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসচালক সেলিম জানান, পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারণে তিনি এখন একদিন তেল সংগ্রহ করেন এবং অন্যদিন গাড়ি চালান। তাঁর মতে, দাম বাড়লেও যদি লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি কমত, তবে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত। তিনি বলেন, "দাম বেশি নিলে নিক, কিন্তু এই সাত-আট ঘণ্টার প্রতীক্ষা থেকে মুক্তি চাই।" আবার ফুড ডেলিভারি কর্মী মনিরের কণ্ঠে ছিল জীবন সংগ্রামের করুণ চিত্র। তিনি জানান, মোটরসাইকেল চালানোই তাঁর পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। অকটেনের দাম যাই হোক না কেন, সেটি সংগ্রহ করা তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক। বাইক বন্ধ হয়ে গেলে তাঁর পরিবারের অন্নসংস্থানও বন্ধ হয়ে যাবে।

নীতিনির্ধারকরা বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় এবং সরবরাহ সচল রাখার স্বার্থে এই মূল্যবৃদ্ধিকে অপরিহার্য বললেও সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক বাজেটে এটি এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পরিবহন ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দামের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও পাম্পগুলোতে এই নজিরবিহীন ভিড় মূলত জ্বালানি তেলের তীব্র চাহিদা এবং আমদানিনির্ভর অর্থনীতির এক নাজুক পরিস্থিতিকেই নির্দেশ করছে। সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগান্তি সহসা কাটছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।


সচিব পদমর্যদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পদে ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী এবং ওয়াক্ফ প্রশাসক পদে শফিক উদ্দিন আহমেদকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রবিবার (১৯ এপ্রিল) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪৯ তারা অনুযায়ী সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা যেকোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই তিন আমলাকে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।


বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও সরকার বাড়িয়েছে সামান্য: জ্বালানি মন্ত্রী

আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার দুই বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করেছে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে।

আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।

তবু, আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

ইকবাল হাসান আরো বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

উল্লেখ, আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে দেশব্যাপী নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। সেইসঙ্গে ডিজেলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা। এর ফলে, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেনের দাম দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রলের দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম হয়ে গেছে ১১৫ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে দাম বাড়ানো হয়েছে কেরোসিনেরও।

ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার কেরোসিন এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।


১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড সংলগ্ন ঐতিহাসিক গাবতলী খেলার মাঠের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে তা পুনরায় খেলার উপযোগী করার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ১০৭ বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী মাঠটি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মাঠ পরিদর্শন শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, এই মাঠে কাজী সালাউদ্দীন থেকে শুরু করে আমি নিজেও ফুটবল খেলেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারা দেশের গ্রামীণ জনপদসহ ঢাকা মহানগরের যেখানেই খেলার মাঠ দখলদারদের কবলে আছে, তা উদ্ধার করার কার্যক্রম শনিবার থেকে শুরু হয়েছে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রতিটি মাঠকে খেলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

গাবতলী মাঠের আইনি জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে আদালতের একটি রায় রয়েছে। আমরা আদালতের প্রতি সম্মান রেখেই আইনি প্রক্রিয়া মোকাবিলা করে মাঠের বৃহৎ অংশটি দখলমুক্ত করব। এখানে কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। এটি এলাকাবাসী ও স্কুলের শিশুদের খেলার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমরা সরেজমিনে দেখেছি, মাঠের চার ভাগের দুই ভাগের বেশি অংশে অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। আইন ও আদালত জনগণের কল্যাণের জন্য। সিটি কর্পোরেশনের আওতায় যত অবৈধ স্থাপনা আছে, তার সব উচ্ছেদ করা হবে। আমরা স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে কথা বলে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেব, এর মধ্যে দখল না ছাড়লে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মাঠ শুধু খেলাধুলা নয়, এলাকার সামাজিক কর্মকাণ্ড ও সমাবেশের জন্যও উন্মুক্ত রাখা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজ থেকে ১০৭ বছর আগে মরহুম মুন্সি লাল মিয়া মিরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুলের নামে ১.৭ একর আয়তনের এই মাঠটি ওয়াক্ফ করে গিয়েছিলেন। এটি ঢাকা-১৪ আসনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের একমাত্র খেলার মাঠ।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক মদদে মাঠের তত্ত্বাবধায়ক বাবলা নামের এক ব্যক্তি করোনা মহামারির সময় রাতের আঁধারে মাঠের জায়গা দখল করে অবৈধ ভবন ও দোকানপাট নির্মাণ করেন।


banner close