বৃহস্পতিবার, ২৫ জুন ২০২৬
১১ আষাঢ় ১৪৩৩

সুইজারল্যান্ডের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিমানবন্দরে বিদায় জানান মন্ত্রিপরিষদের সদস্যসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: ফোকাস বাংলা
আপডেটেড
১৩ জুন, ২০২৩ ১১:৫০
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
কূটনৈতিক প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৩ জুন, ২০২৩ ১০:৫৩

সুইজারল্যান্ডের জেনেভায় অনুষ্ঠেয় ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট: সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’ অনুষ্ঠানে যোগ দিতে সুইজারল্যান্ড যাচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ১৪ ও ১৫ জুন এই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধানমন্ত্রী ও তার সফরসঙ্গীদের বহনকারী বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট মঙ্গলবার সকাল ১০টা ১৪ মিনিটে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ত্যাগ করে।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক, সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মুখ্যসচিব, তিন বাহিনী প্রধান, মহাপুলিশ পরিদর্শক এবং ডিপ্লোম্যাটিক কোরের প্রধান বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে বিদায় জানান।

ফ্লাইটটি স্থানীয় সময় বিকেল সাড়ে ৫টায় জেনেভা আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করার কথা রয়েছে।

‘দ্য ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট ২০২৩: সোশ্যাল জাস্টিস ফর অল’ হলো সামাজিক ন্যায়বিচারের সমর্থনে বর্ধিত, সমন্বিত ও সুসংগত পদক্ষেপের প্রয়োজনীয়তা মোকাবিলার জন্য বিশ্বনেতাদের আলোচনার একটি উচ্চস্তরের ফোরাম।

এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের জন্য একটি গ্লোবাল কোয়ালিশন গঠনের প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা ও অবহিত করার সুযোগ দিবে। আন্তর্জাতিক শ্রম অফিসের ৩৪৭তম অধিবেশনে গভর্নিংবডি যেটি গঠন করে।

ফ্রান্সের সাবেক রাষ্ট্রপতি ফ্রাঁসোয়া ওলাঁদ, পানামার সাবেক রাষ্ট্রপতি জুয়ান কার্লোস ভারেলা এবং ২০১৪ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী কৈলাশ সত্যার্থী এবং বেশ কয়েকজন উচ্চপর্যায়ের অতিথি সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন।

দুই দিনের শীর্ষ সম্মেলন আরও টেকসই ও ন্যায়সংগত বিশ্ব তৈরিতে সামাজিক ন্যায়বিচারের মূল ভূমিকাকে তুলে ধরবে এবং সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে নীতির সুসংগততা নিশ্চিত করার বর্ধিত এবং যৌথ পদক্ষেপের কৌশল নিয়ে আলোচনা করবে।

এটি অংশগ্রহণকারীদের সামাজিক ন্যায়বিচার সম্পর্কে তাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং অগ্রাধিকারগুলো ভাগ করে নেয়ার জন্য তারা যে পদক্ষেপগুলো গ্রহণ করছে তা প্রদর্শন করার একটি ফোরাম তৈরি করবে। এ ছাড়া তারা সামাজিক ন্যায়বিচারকে এগিয়ে নিতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।

শীর্ষ সম্মেলনে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান, জাতিসংঘ মহাসচিব, আইএলও মহাপরিচালক এবং নিয়োগকর্তা ও শ্রমিক সংগঠনের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিরা ভাষণ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রীর সফরসূচি অনুযায়ী, বুধবার ইউএনএইচসিআর প্রধান ফ্লিপো গ্র্যান্ডি হোটেল প্রেসিডেন্ট উইলসনের একটি কক্ষে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। পরে প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ সুইস কনফেডারেশনের প্রেসিডেন্ট অ্যালেন বেরসেটের সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। বৈঠকের পরে বাংলাদেশ ও সুইজারল্যান্ডের মধ্যে জ্ঞান ও দক্ষতা বৃদ্ধির বিষয়ে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের সম্ভাবনা রয়েছে।

বিকেলে প্রধানমন্ত্রী প্যালাইস ডি নেশনস-এ ‘ওয়ার্ল্ড অব ওয়ার্ক সামিট ২০২৩’-এর প্লেনারিতে ভাষণ দেবেন। সেখানে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীকে অভ্যর্থনা জানাবেন এডিজি এবং আইএলওর আঞ্চলিক পরিচালক। এ ছাড়া গেট থেকে সভাস্থল পর্যন্ত লালগালিচা সংবর্ধনা ও গার্ড অব অনার থাকবে। মাল্টার প্রেসিডেন্ট ড. জর্জ ভেলার সঙ্গেও বৈঠক করবেন শেখ হাসিনা।

বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রী ডব্লিউইএফের অফিসে সংস্থাটির প্রতিষ্ঠাতা অধ্যাপক ক্লাউস শোয়াবের সঙ্গে এক বৈঠকের পর ‘এ টক অ্যাট দ্য ডব্লিউইএফ’-এ যোগ দেবেন। সেখানে শেখ হাসিনা ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম আয়োজিত ‘নিউ ইকোনমি অ্যান্ড সোসাইটি ইন স্মার্ট বাংলাদেশ’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখবেন।

এ দিন সন্ধ্যায় ডব্লিউটিও ডিজি ড. ওকোনজো-ইওয়ালা হোটেল প্রেসিডেন্ট উইলসনে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করবেন। এ ছাড়া সন্ধ্যায় একটি কমিউনিটি অনুষ্ঠানেও যোগ দেবেন শেখ হাসিনা।

প্রধানমন্ত্রী ১৬ জুন বেলা ১১টায় জেনেভা ত্যাগ করবেন এবং ১৭ জুন ভোরে ঢাকায় পৌঁছাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রী সঙ্গে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রীর সৌজন্য সাক্ষাৎ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের প্রভাবশালী মন্ত্রী লিউ হাইশিং। বৃহস্পতিবার স্থানীয় সময় সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে বেইজিংয়ের রাষ্ট্রীয় দিয়াওইউতাই অতিথি ভবনে এই বৈঠকটি অনুষ্ঠিত হয়। অত্যন্ত সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এবং রাজনৈতিক পর্যায়ের যোগাযোগ আরও সুদৃঢ় করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকের প্রারম্ভে লিউ হাইশিং বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় তারেক রহমানকে আন্তরিক অভিনন্দন জানান। আলোচনার এক পর্যায়ে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার নয়বার চীন সফরের স্মৃতিচারণ করেন। তিনি সগৌরবে জানান যে, ২০০১ সালে বেগম খালেদা জিয়ার ঐতিহাসিক চীন সফরের দুর্লভ স্থিরচিত্র তাঁর সম্মানে চীনের কমিউনিস্ট পার্টির জাদুঘরে সংরক্ষিত রাখা হয়েছে। মন্ত্রী বিএনপি ও সিপিসি-র মধ্যে স্বাক্ষরিত সমঝোতা স্মারকের গুরুত্ব উল্লেখ করে ভবিষ্যতে গণমাধ্যম, থিংক ট্যাংক এবং জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধির মাধ্যমে দ্বিপাক্ষিক সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচনের আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

লিউ হাইশিং দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন যে, চীন সর্বদা বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও টেকসই উন্নয়নের দৃঢ় সমর্থক। তিনি পারস্পরিক সম্মান ও গভীর বন্ধুত্বের ভিত্তিতে দুই দেশের সম্পর্ককে এক অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ওপর বিশেষ জোর দেন। প্রত্যুত্তরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশের চলমান বিভিন্ন মেগা প্রকল্প এবং বিশেষ করে চীন-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল নির্মাণে চীনের সক্রিয় কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা প্রত্যাশা করেন। তিনি আশা প্রকাশ করেন যে, দুই দেশের দীর্ঘদিনের যে বন্ধুত্বপূর্ণ ঐতিহ্য রয়েছে, তা আগামী দিনগুলোতে আরও বিকশিত হবে।

চীনের মন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর উন্নয়ন ভাবনার সঙ্গে একমত পোষণ করে বলেন যে, তারেক রহমানের সুদক্ষ নেতৃত্বে বাংলাদেশের জনগণ আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ জীবন লাভ করবে বলে তাঁরা বিশ্বাস করেন। এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন, পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদি আমিনসহ আরও বেশ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও উপদেষ্টা উপস্থিত ছিলেন। চীনের পক্ষ থেকেও সিপিসি-র আন্তর্জাতিক বিভাগের ভাইস মিনিস্টার সান হাইয়ান এবং ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূতসহ উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা অংশ নেন।


নির্বাচিত

চীনের সঙ্গে শিল্প অংশীদারিত্ব আরও গভীর করতে আগ্রহী বাংলাদেশ: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৫ জুন, ২০২৬ ১১:০৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বেইজিংয়ে আয়োজিত ‘বাংলাদেশ ইনভেস্টমেন্ট ফোরাম’ সম্মেলনে চীনা উদ্যোক্তাদের বাংলাদেশে বিনিয়োগের উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। বৃহস্পতিবার (২৫ জুন) স্থানীয় সময় সকালে দিয়াওইউতাই হোটেলে অনুষ্ঠিত এই বিশেষ সম্মেলনে তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা) আয়োজিত এই সভায় চীনের শীর্ষস্থানীয় ১২৫ জন ব্যবসায়ী ও শিল্পপতি অংশগ্রহণ করেন।

সম্মেলনের মূল বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দ্ব্যর্থহীন কণ্ঠে ঘোষণা করেন, “বাংলাদেশ ব্যবসার জন্য উন্মুক্ত, ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত এবং চীনের সঙ্গে আরও গভীর শিল্প অংশীদারিত্ব গড়ে তুলতে আগ্রহী।” তিনি চীনা কোম্পানিগুলোকে বাংলাদেশে তাদের ‘ভ্যালু চেইন’ সম্প্রসারণের অনুরোধ জানান। প্রধানমন্ত্রী আরও উল্লেখ করেন যে, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে এবং পুঁজি প্রবাহ সহজতর করতে তাঁর সরকার বর্তমানে ১৮০ দিনের একটি বিশেষ কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করছে। এর মাধ্যমে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা নিরসন, ডিজিটাল সেবা নিশ্চিতকরণ এবং একটি টেকসই বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বিনিয়োগের সুনির্দিষ্ট ক্ষেত্রগুলো তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বিশেষায়িত ‘চীনা অর্থনৈতিক ও শিল্পাঞ্চল’ এবং মোংলায় দ্বিতীয় অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তোলার কাজ দ্রুতগতিতে এগিয়ে চলছে। চীনা বিনিয়োগকারীদের সুবিধার্থে এবং দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যকে নতুন উচ্চতায় নিতে খুব শীঘ্রই চীনে বাংলাদেশের প্রথম ‘বিনিয়োগ কার্যালয়’ স্থাপনের ঘোষণাও দেন তিনি। সম্মেলনে বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী বাংলাদেশে বিনিয়োগের বহুমুখী সুযোগ-সুবিধা নিয়ে একটি বিশেষ উপস্থাপনা বা প্রেজেন্টেশন প্রদান করেন।

এই উচ্চপর্যায়ের বিনিয়োগ ফোরামে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পানিসম্পদমন্ত্রী শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীরসহ আরও কয়েকজন শীর্ষস্থানীয় উপদেষ্টা ও উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মহলের ধারণা, প্রধানমন্ত্রীর এই বলিষ্ঠ আহ্বানের ফলে বাংলাদেশের উৎপাদন ও সেবা খাতে চীনা বিনিয়োগের এক নতুন জোয়ার সৃষ্টি হবে।


নির্বাচিত

চার মুঠোফোন কোম্পানির কাছে সরকারের পাওনা ১৩ হাজার কোটি টাকা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক 

দেশের শীর্ষ চার মুঠোফোন অপারেটর গ্রামীণফোন, টেলিটক, রবি ও বাংলালিংকের কাছে সরকারের প্রায় ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা পাওনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম। বুধবার (২৪ জুন) জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে কক্সবাজার-৩ আসনের সদস্য লুৎফুর রহমানের প্রশ্নের জবাবে তথ্যপ্রযুক্তিমন্ত্রী এ তথ্য জানান। স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপন করা হয়।

সংসদে মন্ত্রী বলেন, দেশে চারটি মোবাইল অপারেটরের কাছে সরকারের ১৩ হাজার ১৪৪ কোটি টাকা রাজস্ব পাওনা রয়েছে। তিনি জানান, টেলিটকের কাছে ৫ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা, গ্রামীণফোনের ৬ হাজার ১০২ কোটি টাকা, রবি আজিয়াটার ৬১৫ কোটি টাকা ও বাংলালিংক ডিজিটাল কমিউনিকেশনসের কাছে ৪৭৩ কোটি টাকা রাজস্ব বকেয়া রয়েছে।

ডাক ও টেলিযোগাযোগমন্ত্রী বলেন, টেলিটকের কাছে লাইসেন্স ফি, রেভিনিউ শেয়ারিং, স্পেকট্রাম ফি, প্রশাসনিক জরিমানা ও সামাজিক দায়বদ্ধতা তহবিল বাবদ ৫ হাজার ৯৫৪ কোটি টাকা বকেয়া আছে। টেলিটক কর্তৃক ৫ হাজার ৫৫৪ কোটি টাকা ইকুইটি কনভার্সনের আবেদন অর্থ মন্ত্রণালয়ের বিবেচনাধীন রয়েছে।

গ্রামীণফোনের বকেয়া সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, ইনফরমেশন সিস্টেম অডিট আপত্তি বাবদ বিটিআরসির মোট পাওনা ৮ হাজার ৪৯৪ কোটি ১ লাখ টাকা। আদালতের নির্দেশনার পরিপ্রেক্ষিতে দুই কিস্তিতে ২ হাজার ৩৯২ কোটি ১৯ লাখ টাকা পরিশোধ করেছে গ্রামীণফোন। বর্তমানে বকেয়া ৬ হাজার ১০১ কোটি ৮২ লাখ টাকা। এ বিষয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

রবির বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ইনফরমেশন সিস্টেম অডিট আপত্তি ও পরিশোধিত রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ওপর মূসক বাবদ বিটিআরসির মোট পাওনা ৬৭৮ কোটি টাকা। আদালতের নির্দেশে রবি আজিয়াটা পাঁচ কিস্তিতে ১৮৮ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। অবশিষ্ট টাকা নিয়ে উচ্চ আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।

বাংলালিংকের বিষয়ে মন্ত্রী জানান, ইনফরমেশন সিস্টেম অডিট আপত্তি ও পরিশোধিত রেভিনিউ শেয়ারিংয়ের ওপর মূসক বাবদ বিটিআরসির পাওনা ৪৭৩ কোটি টাকা। ৩৮১ কোটি টাকা পরিশোধ করেছে। অবশিষ্ট টাকা নিয়ে আদালতে মামলা চলমান রয়েছে।


নির্বাচিত

ব্যাংক খাত সংস্কারে ৪৫ কোটি ডলার দেবে বিশ্বব্যাংক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক       

বাংলাদেশের ব্যাংক খাতের ভিত শক্তিশালী করতে ৪৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার অর্থায়ন অনুমোদন করেছে বিশ্বব্যাংক। দেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি পুনরুদ্ধার এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির অন্যতম পূর্বশর্ত হিসেবে এই ঋণ সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

গত মঙ্গলবার (২৩ জুন) ওয়াশিংটনে বিশ্বব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক পর্ষদ এই অর্থায়ন অনুমোদন করে। ‘ফাইন্যান্সিয়াল সেক্টর সাপোর্ট প্রজেক্ট-২’ শীর্ষক এই প্রকল্পের মূল লক্ষ্য হলো ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা জোরদার করা এবং বাংলাদেশ ব্যাংকের তদারকি সক্ষমতা ও ব্যবস্থা বৃদ্ধি করা। এটি ব্যাংক রেজোলিউশন এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কারের ভিত্তি হিসেবে কাজ করবে।

প্রকল্পটি আমানত সুরক্ষা তহবিলের মূলধন বাড়িয়ে একে সহায়তা করবে এবং গুরুত্বপূর্ণ কিছু সংস্কার অগ্রাধিকার এগিয়ে নেবে। এর মধ্যে রয়েছে—আমানত সুরক্ষা ব্যবস্থা উন্নত করা, একটি কার্যকর ‘ইমার্জেন্সি লিকুইডিটি অ্যাসিস্ট্যান্স’ (জরুরি তারল্য সহায়তা) কাঠামো প্রতিষ্ঠা করা, ব্যাংক পুনর্গঠন কৌশল তৈরি করা এবং রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলোর সংস্কারে সহায়তা প্রদান।

বিশ্বব্যাংক জানায়, বাংলাদেশের ব্যাংক খাত বর্তমানে দুর্বল করপোরেট গভর্ন্যান্স, রেগুলেটরি ক্যাপচার এবং সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর মধ্যে ঋণ প্রদানের মতো বড় চ্যালেঞ্জের মুখে রয়েছে। ২০২৬ সালের মার্চ শেষে দেশে খেলাপি ঋণের হার দাঁড়িয়েছে ৩২.৬ শতাংশ, যা দক্ষিণ এশীয় ব্যাংকগুলোর গড় ৭.৯ শতাংশের চেয়ে অনেক বেশি। এছাড়া ২০২৫ সালের ডিসেম্বর শেষে পুরো ব্যবস্থার ঝুঁকি-ভিত্তিক সম্পদের বিপরীতে মূলধন অনুপাত ছিল ঋণাত্মক ২.৬ শতাংশ।

বাংলাদেশ ও ভুটানের জন্য বিশ্বব্যাংকের বিভাগীয় পরিচালক জঁ পেম বলেন, ‘এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি অর্জনে বাংলাদেশের লক্ষ্যমাত্রার জন্য একটি স্থিতিশীল এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক আর্থিক খাত প্রয়োজন। কিন্তু ব্যাংক খাত—যা মোট আর্থিক খাতের সম্পদের প্রায় ৯০ শতাংশের যোগান দেয়—বর্তমানে ক্রমবর্ধমান চাপের সম্মুখীন। এই প্রকল্পটি বাংলাদেশকে ক্ষুদ্র আমানতকারীদের সুরক্ষা ও আস্থা ফেরাতে প্রয়োজনীয় সরঞ্জাম, পদ্ধতি এবং সুরক্ষা ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে সহায়তা করবে। এর ফলে ব্যাংক খাতে স্থিতিশীলতা ফিরবে, যা অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে সহায়ক হবে।’

প্রকল্পটির আওতায় বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) অবকাঠামো আধুনিকায়ন ও উন্নত করা হবে। এটি ক্রমবর্ধমান সাইবার নিরাপত্তা ঝুঁকি মোকাবিলা এবং খাতভিত্তিক ডেটা ও অ্যানালিটিক্স-এর ঘাটতিগুলো পূরণ করতে সাহায্য করবে। এর ফলে বাংলাদেশ ব্যাংকের ঝুঁকি পর্যবেক্ষণের সক্ষমতা বাড়বে এবং তথ্যনির্ভর ও ঝুঁকিভিত্তিক তদারকির মাধ্যমে আর্থিক খাতের স্থিতিস্থাপকতা উন্নত হবে।

বিশ্বব্যাংকের জ্যেষ্ঠ আর্থিক খাত বিশেষজ্ঞ এবং প্রকল্পের টাস্ক টিম লিডার তোশিয়াকি ওনো বলেন, ‘আইএমএফ এবং এশীয় উন্নয়ন ব্যাংকসহ (এডিবি) উন্নয়ন সহযোগীদের একটি সমন্বিত পদ্ধতির অংশ হিসেবে এই প্রকল্পটি সংকট মোকাবিলায় প্রস্তুতি এবং ব্যাংক খাতের চাপ ব্যবস্থাপনায় কর্তৃপক্ষের সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে।’


নির্বাচিত

পে স্কেলের রূপরেখা চূড়ান্ত, বৈষম্য কমছে বেতন কাঠামোয়

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক 

পে-স্কেল বাস্তবায়নের পথে আরো একধাপ এগিয়েছে সরকার। জনপ্রশাসন সংক্রান্ত পে কমিশনের সুপারিশ পর্যালোচনা করে নবম পে স্কেলের নীতিগত সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা হয়েছে। আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন বেতন কাঠামো কার্যকরের জন্য কারিগরি, আর্থিক ও আইনি প্রস্তুতি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক করেছে পুনর্গঠিত সচিব কমিটি। বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সভাপতিত্বে পুনর্গঠিত সচিব কমিটির বৈঠকটি হয়।

বৈঠকে মূল্যস্ফীতির চাপ মোকাবিলা, নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের জন্য বাড়তি সুবিধা এবং দীর্ঘদিনের বেতন বৈষম্য কমানোর বিষয়গুলো বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে।

জানা গেছে, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করা হবে। এ লক্ষ্যে বেতন কাঠামোর আর্থিক প্রভাব, আইনি প্রক্রিয়া এবং বাস্তবায়ন পদ্ধতি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

তিন ধাপ নয়, দুই ধাপে বাস্তবায়নের ভাবনা: প্রাথমিক পরিকল্পনায় নতুন পে-স্কেল তিন ধাপে বাস্তবায়নের কথা থাকলেও কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দাবির মুখে সরকার সেই অবস্থান পুনর্বিবেচনা করছে।

বৈঠকে দ্রুত বেতন কাঠামো কার্যকর করতে তিন ধাপের পরিবর্তে দুই ধাপে বাস্তবায়নের প্রস্তাব গুরুত্বের সঙ্গে আলোচিত হয়েছে।

নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের জন্য বাড়তি সুবিধা: উচ্চ মূল্যস্ফীতির কারণে নিম্ন আয়ের কর্মচারীদের ওপর চাপ বিবেচনায় এনে প্রথম ধাপেই তাদের জন্য তুলনামূলক বেশি বেতন বৃদ্ধির বিষয়টি পর্যালোচনা করা হয়েছে।

আলোচনায় উঠে এসেছে, ১ম থেকে ৯ম গ্রেডের কর্মকর্তাদের ক্ষেত্রে প্রস্তাবিত বেতন বৃদ্ধির ৪০ শতাংশ প্রথম ধাপে কার্যকর করা হতে পারে।

অন্যদিকে ১০ম থেকে ২০তম গ্রেডভুক্ত কর্মচারীদের জন্য প্রথম ধাপেই বেতন বৃদ্ধির ৬০ শতাংশ দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক মতামত পাওয়া গেছে।

বেতন বৈষম্য কমাতে বিশেষ নজর: সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের অন্যতম দাবি ছিল গ্রেডভিত্তিক বেতন বৈষম্য দূর করা।

বিশেষ করে ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীদের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্যের বিষয়টি বৈঠকে আলাদাভাবে পর্যালোচনা করা হয়েছে।

সংশ্লিষ্টদের মতে, নতুন পে-স্কেলে নিম্ন গ্রেডের কর্মচারীদের আর্থিক অবস্থার উন্নয়নকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

ভাতা ও অন্য সুবিধা বৃদ্ধির আলোচনা: শুধু মূল বেতন নয়, বাড়িভাড়া ভাতা, চিকিৎসা ভাতা এবং অন্যান্য আর্থিক সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়েও আলোচনা হয়েছে।

বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় পে-কমিশনের সুপারিশের কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব, তা নিয়েও বিস্তারিত পর্যালোচনা করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

আইনি ও প্রযুক্তিগত প্রস্তুতিও এগিয়ে: নতুন পে-স্কেল বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে সম্ভাব্য আইনি ও কারিগরি জটিলতা দূর করার বিষয়েও গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

বিধিমালা সংশোধন, আইনি ভেটিং সম্পন্ন করা এবং ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মের মাধ্যমে দ্রুত বেতন নির্ধারণ ও হিসাব-নিকাশের পরিকল্পনা বৈঠকে উপস্থাপন করা হয়।

বর্ধিত বেতন পেতে লাগতে পারে আরও কয়েক মাস: বৈঠক শেষে মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনি জানান, নতুন বেতন কাঠামো নিয়ে ফলপ্রসূ আলোচনা হয়েছে।

সরকারের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের মতে, আগামী ১ জুলাই থেকে নতুন পে-স্কেল আনুষ্ঠানিকভাবে কার্যকর হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। তবে প্রয়োজনীয় আইনি ও প্রযুক্তিগত প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের হাতে বর্ধিত বেতন পৌঁছাতে আরও দুই থেকে তিন মাস সময় লাগতে পারে।


নির্বাচিত

রোহিঙ্গাদের জন্য ১৩৭ কোটি টাকা দিচ্ছে অস্ট্রেলীয় সরকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক     

রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে ১৩৭ কোটি টাকা দিচ্ছে অস্ট্রেলীয় সরকার। এ লক্ষ্যে বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘ শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) মধ্যে ১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (১৩৭ কোটি টাকা) চুক্তিতে সই হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে এ চুক্তিতে সই করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স।

এসময় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফের মধ্যে চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।

মন্ত্রী এ সহযোগিতার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জ্ঞাপন করেন। তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, অস্ট্রেলিয়ান হাইকমিশন এবং ইউনিসেফ বাংলাদেশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

উল্লেখ্য, চুক্তিটি মিয়ানমার এবং বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য অস্ট্রেলিয়ার ২০২৬-২০২৮ মেয়াদের ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের মানবিক সহায়তা প্যাকেজের অংশ। উল্লেখ্য, ২০১৭ সাল থেকে অস্ট্রেলিয়া এই আঞ্চলিক সংকট মোকাবিলায় এ নিয়ে মোট ১.২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে।

অস্ট্রেলিয়া প্রদত্ত ১৬ মিলিয়ন ডলারের এ তহবিল ইউনিসেফ রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা এবং নিরাপদ পানি, স্যানিটেশন ও হাইজিন খাতে ব্যয় করবে।


নির্বাচিত

অনলাইন জুয়া ও ডিজিটাল হুন্ডিতে জড়িত ৫৫ হাজার অ্যাকাউন্ট ফ্রিজ: সংসদে অর্থমন্ত্রী

অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অনলাইন জুয়া এবং ডিজিটাল হুন্ডির সঙ্গে সংশ্লিষ্টতা থাকার কারণে বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) প্রায় ৫৫ হাজার মোবাইল ফিনান্সিয়াল সার্ভিস (এমএফএস) অ্যাকাউন্টের লেনদেন স্থগিত বা ফ্রিজ করেছে বলে জানিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী।

বুধবার (২৪ জুন) বিকালে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের দ্বিতীয় ও প্রথম বাজেট অধিবেশনের ১৪তম দিনে এক প্রশ্নোত্তর পর্বে তিনি এই তথ্য জানান।

নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য আব্দুল্লাহ আল আমিনের এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে অর্থমন্ত্রী বলেন, অনলাইন জুয়ার মাধ্যমে টাকা পাচার ও বিপুল পরিমাণ অর্থ লেনদেন বন্ধে সরকার সাইবার সিকিউরিটি আইন, ২০২৬ জারি করেছে, যার ২০ ধারায় অনলাইন জুয়া পরিচালনা, অংশগ্রহণ বা এতে সহায়তার বিপরীতে অনধিক দুই বছর কারাদণ্ড বা অনধিক ১ কোটি টাকা অর্থদণ্ড অথবা উভয়দণ্ডের বিধান রাখা হয়েছে।

মন্ত্রী আরও জানান, এই আইন জারির পর বিএফআইইউ কর্তৃক একটি গোয়েন্দা প্রতিবেদন তৈরি করে গত মে মাসে সিআইডিকে সরবরাহ করা হয়েছে, যার প্রেক্ষিতে ইতোমধ্যে মামলা দায়ের ও তদন্ত কার্যক্রম চলমান রয়েছে।

এ ছাড়া অনলাইন জুয়ার ক্ষতিকর প্রভাব নিয়ে গ্রাহকদের সচেতন করার পাশাপাশি কোনো মার্চেন্ট বা সাধারণ গ্রাহক এতে জড়িত থাকলে তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা নিয়ে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে অবহিত করার জন্য গত ২৮ মে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে সব এমএফএস প্রোভাইডারকে কঠোর নির্দেশনা দিয়ে একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।


নির্বাচিত

জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে: প্রবাসীকল্যাণমন্ত্রী

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক 

প্রবাসীকল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থানমন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী জানিয়েছেন, আগামী মাস (জুলাই) থেকে প্রধানমন্ত্রীর মালয়েশিয়া সফরের ফলাফল দৃশ্যমান হবে। জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার শ্রমবাজার নিয়ে সুখবর আসতে পারে।

বুধবার (২৪ জুন) সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয় কর্তৃক চলমান বিভিন্ন কার্যক্রম পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

মালয়েশিয়া সফর প্রসঙ্গে মন্ত্রী আরও বলেন, ‘সফরটি অত্যন্ত সফল ও ফলপ্রসূ হয়েছে। মালয়েশিয়া সরকার ও জনগণের আন্তরিক সহযোগিতা এবং দুই দেশের শীর্ষ পর্যায়ের আলোচনার ফলে শ্রমবাজার ও জনশক্তি রপ্তানিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে।’

তিনি আশা প্রকাশ করেন, আগামী জুলাইয়ের মধ্যে মালয়েশিয়ার মানবসম্পদমন্ত্রী ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বাংলাদেশ সফর করবেন এবং চলমান বিভিন্ন বিষয়ে দৃশ্যমান অগ্রগতি জনগণ দেখতে পাবেন।

সিলেট ওসমানী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের চলমান কার্যক্রম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘প্রবাসীদের সেবার মান উন্নয়নে বিমানবন্দরে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বয়োজ্যেষ্ঠ, অসুস্থ এবং বিশেষ সহায়তাপ্রার্থী যাত্রীদের জন্য লাগেজ ব্যবস্থাপনা, সহায়ক সেবা এবং প্রাথমিক চিকিৎসা সুবিধা নিশ্চিত করার বিষয়ে কাজ চলছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রবাসীরা যেন বিমানবন্দরে কোনো ধরনের হয়রানি বা অসুবিধার সম্মুখীন না হন, সে লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।’

আরিফুল হক চৌধুরী আরও বলেন, ‘ওসমানী বিমানবন্দর ব্যবহারকারী বিপুলসংখ্যক প্রবাসীর সুবিধা বিবেচনায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার, রাতের ফ্লাইটে যাত্রীদের নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিতকরণ এবং বিমানবন্দরে শিশুদের জন্য ‘‘কিডস জোন’’ স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। বেসামরিক বিমান ও পর্যটন মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে এসব উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হবে।’

কাতারে নিহত বাংলাদেশিদের বিষয়ে সরকার প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘নিহতদের মরদেহ দেশে আনা, ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রক্ষা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি অগ্রাধিকার ভিত্তিতে বিবেচনা করা হচ্ছে।’

পরিদর্শনকালে বিভাগীয় কমিশনার মো. মশিউর রহমান, প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব দেবজিৎ সিংহ, শ্রম মন্ত্রণালয়ের উপসচিব শামসুল ইসলাম, সিলেটের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক পিংকি সাহা, ওসমানী বিমানবন্দরের পরিচালক হাফিজ আহমদসহ সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা ও গণমাধ্যমকর্মী উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

বেইজিংয়ে প্রধানমন্ত্রীকে লালগালিচা সংবর্ধনা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চীনের দালিয়ান থেকে হাই-স্পিড বুলেট ট্রেনযোগে রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার স্থানীয় সময় বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে বেইজিংয়ের চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে পৌঁছালে তাঁকে উষ্ণ ও বর্ণাঢ্য অভ্যর্থনা জানানো হয়। রাষ্ট্রীয় এই সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সাথে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

স্টেশনে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান চীনের ‘জেনারেল অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব কাস্টমস’ (জিএসিসি)-এর মন্ত্রী এবং চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) কমিটির সেক্রেটারি সুন মেইজুন। এ সময় স্থানীয় শিশু-কিশোরেরা প্রধানমন্ত্রী ও তাঁর সহধর্মিণীর হাতে ফুলের তোড়া তুলে দিয়ে শুভেচ্ছা বিনিময় করে। চাউমিং রেলওয়ে স্টেশনে বাংলাদেশের সরকার প্রধানকে সম্মান জানিয়ে লাল গালিচা সংবর্ধনা এবং গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। আনুষ্ঠানিকতা শেষে বিশেষ মোটর শোভাযাত্রার মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রীকে চীনের ঐতিহ্যবাহী দিয়াওইউতাই রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবনে নিয়ে যাওয়া হয়। বেইজিং সফরকালীন তিনি ও তাঁর সফরসঙ্গীরা এই গেস্ট হাউসেই অবস্থান করবেন।

এর আগে বেলা ১টা ৫৮ মিনিটে দালিয়ান উত্তর রেলওয়ে স্টেশন থেকে প্রধানমন্ত্রী বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা শুরু করেন। তাঁর এই সফরে উচ্চপর্যায়ের এক প্রতিনিধি দল সাথে রয়েছেন, যার মধ্যে রয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, বৈদেশিক কর্মসংস্থান বিষয়ক উপদেষ্টা মাহদী আমিন এবং প্রতিরক্ষা বিষয়ক উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) ড. এ কে এম শামছুল ইসলাম। এছাড়া প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও এই সফরে সঙ্গী হিসেবে রয়েছেন।

উল্লেখ্য যে, বেইজিং পৌঁছানোর আগে সকালে দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ বার্ষিক সভায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এর আগে গত সোমবার মালয়েশিয়ায় দুই দিনের সফল রাষ্ট্রীয় সফর শেষ করে তিনি চীনে পৌঁছান। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে নিরঙ্কুশ সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জনের পর গত ১৭ ফেব্রুয়ারি দায়িত্ব গ্রহণ করে এটিই প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রথম বিদেশ সফর। এই সফরের মাধ্যমে দুই দেশের কূটনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করা হয়েছে।


নির্বাচিত

ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী ও সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের অধিকার রক্ষায় সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেবে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২৪ জুন, ২০২৬ ১৭:৩৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু, নৃ-গোষ্ঠী ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং তাদের সাংবিধানিক অধিকার সুরক্ষায় সরকার সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে কাজ করবে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, ধর্ম-বর্ণ-জাতিগত পরিচয় নির্বিশেষে সকল নাগরিকের সম-অধিকার নিশ্চিত করাই সরকারের অন্যতম অঙ্গীকার এবং এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

বুধবার সচিবালয়ে নিজ কার্যালয়ে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎ ও মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী এবং বাংলাদেশ হিন্দু, বৌদ্ধ, খ্রিষ্টান কল্যাণ ফ্রন্টের চেয়ারম্যান বিজন কান্তি সরকার উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতির ধারায় সব সম্প্রদায়ের মানুষের সমান অংশগ্রহণ নিশ্চিত করতে সরকার বদ্ধপরিকর। তিনি উল্লেখ করেন, একটি গোষ্ঠী দীর্ঘদিন ধরে বিএনপিকে সংখ্যালঘু ও ভিন্ন ধর্মাবলম্বী মানুষের বিরুদ্ধে অবস্থানকারী রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে চিত্রিত করার অপচেষ্টা চালিয়ে আসছে। তবে বাস্তবতা সম্পূর্ণ ভিন্ন। ঐতিহাসিকভাবে বিএনপি সব ধর্ম ও সম্প্রদায়ের মানুষের অধিকার, নিরাপত্তা এবং মর্যাদা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করেছে।

তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির দেশ। এ দেশের মানুষ যুগ যুগ ধরে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সহনশীলতা ও সৌহার্দ্যের মাধ্যমে একসঙ্গে বসবাস করে আসছে। সরকারের দায়িত্ব হলো সব ধর্মাবলম্বী নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সাংবিধানিক অধিকার নিশ্চিত করা। আমরা সেই দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে চাই।

বৈঠকে সীতাকুণ্ড স্রাইন কমিটির নেতৃবৃন্দ চট্টগ্রামের ঐতিহ্যবাহী পুণ্যতীর্থ চন্দ্রনাথ ধামে আগত ভক্তদের নানা সমস্যার কথা মন্ত্রীর কাছে তুলে ধরেন। তারা জানান, প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন অঞ্চলসহ বিদেশ থেকেও হাজারো ধর্মপ্রাণ মানুষ চন্দ্রনাথ ধামে পূজা-অর্চনা ও তীর্থযাত্রার উদ্দেশ্যে আসেন। কিন্তু পর্যাপ্ত অবকাঠামো ও যোগাযোগ সুবিধার অভাবে তাদের নানা ধরনের ভোগান্তির শিকার হতে হয়।

তাদের বক্তব্য মনোযোগ দিয়ে শোনার পর স্থানীয় সরকার মন্ত্রী সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দেন। তিনি চন্দ্রনাথ ধামের সিঁড়ি নির্মাণ ও সংস্কার, মন্দিরের উন্নয়ন এবং পার্শ্ববর্তী এলাকার অবকাঠামোগত সুবিধা বৃদ্ধির বিষয়ে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের নির্দেশনা প্রদান করেন।

মন্ত্রী বলেন, দেশের বিভিন্ন ধর্মীয় ও ঐতিহাসিক স্থানের উন্নয়ন কেবল ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেই নয়, পর্যটন, স্থানীয় অর্থনীতি এবং সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ। তাই জনগণের চাহিদা ও বাস্তব প্রয়োজন বিবেচনায় সরকার এসব স্থানের উন্নয়নে ইতিবাচক ভূমিকা পালন করবে।

বৈঠকে স্থানীয় সরকার বিভাগের সচিব মোঃ শহীদুল হাসান, মেজর জেনারেল (অব.) জীবন কানাইসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

বেইজিং পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চীনের দালিয়ানে অনুষ্ঠিত ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরামের উচ্চপর্যায়ের সম্মেলন শেষে রাজধানী বেইজিংয়ে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর ২টায় লিয়াওনিং প্রদেশের দালিয়ান থেকে হাই-স্পিড বা বুলেট ট্রেনে করে তিনি বেইজিংয়ের উদ্দেশে যাত্রা করেন। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টার যাত্রা শেষে বিকেল ৫টা ৩৫ মিনিটে তিনি বেইজিং স্টেশনে এসে পৌঁছান। এ রাষ্ট্রীয় সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে তাঁর সাথে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

বেইজিং যাত্রার প্রাক্কালে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন। এই মর্যাদাপূর্ণ সম্মেলনে বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ থেকে আগত ১ হাজার ৭০০ জনেরও অধিক প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে রাজনৈতিক ও ব্যবসায়িক নেতা, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যম প্রতিনিধিদের বিশাল মিলনমেলা ঘটে। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী ছাড়াও গিনি, কাজাখস্তান, দক্ষিণ কোরিয়া, মঙ্গোলিয়া ও মন্টিনিগ্রোর সরকারপ্রধানরা এই অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন।

সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, গ্রীষ্মকালীন এই দাভোস সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর সশরীরে অংশগ্রহণ বাংলাদেশের অর্থনীতিতে নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের বিশাল সুযোগ তৈরি করবে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বিশ্বের সেরা অভিজ্ঞতাগুলো গ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জাতীয় সক্ষমতাকে আরও উন্নত ও সমৃদ্ধ করার ক্ষেত্রে এই সফর বিশেষ ভূমিকা রাখবে বলে আশা করা হচ্ছে। গত সোমবার মালয়েশিয়া সফর শেষ করে তিনি সরাসরি চীনের দালিয়ানে পৌঁছেছিলেন। বেইজিংয়ে তাঁর পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ দ্বিপাক্ষিক বৈঠকগুলো অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।


নির্বাচিত

রোহিঙ্গা ও স্থানীয়দের জীবনমান উন্নয়নে ১৩৭ কোটি টাকার সহায়তা চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদের উপস্থিতিতে রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়নে অস্ট্রেলীয় সরকারের মানবিক সহায়তা সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়েছে। বুধবার (২৪ জুন) সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সম্মেলনকক্ষে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও জাতিসংঘ শিশু তহবিল বা ইউনিসেফ-এর মধ্যে এই চুক্তিটি সম্পাদিত হয়। ১৬ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১৩৭ কোটি টাকার এই তহবিলের মাধ্যমে নতুন এক মানবিক উদ্যোগের সূচনা হলো।

বাংলাদেশে নিযুক্ত অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল এবং বাংলাদেশে ইউনিসেফের প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে এই চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এই বিশেষ অনুদান মূলত রোহিঙ্গা শরণার্থী এবং তাদের আশ্রয় দেওয়া স্থানীয় জনগোষ্ঠীর শিক্ষা, পুষ্টি, শিশু সুরক্ষা, নিরাপদ পানি ও স্বাস্থ্যসম্মত স্যানিটেশন ব্যবস্থার উন্নয়নে ব্যয় করা হবে। অনুষ্ঠানটিতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সন্তোষ প্রকাশ করে বলেন, “রোহিঙ্গা ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অস্ট্রেলিয়া সরকার ও ইউনিসেফের মধ্যে অনুষ্ঠিত চুক্তি স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকতে পেরে আমি অত্যন্ত আনন্দিত।” মন্ত্রী এই বিশাল সহযোগিতার জন্য অস্ট্রেলিয়া সরকারকে আন্তরিক ধন্যবাদ জানান। রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিয়ে তিনি বলেন, তিনি রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে স্বেচ্ছায়, নিরাপদ, মর্যাদাপূর্ণ ও টেকসই প্রত্যাবাসনের আগ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়াসহ বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের এ ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

এই ১৬ মিলিয়ন ডলারের তহবিলটি মূলত ২০২৬-২০২৮ মেয়াদে মিয়ানমার ও বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের জন্য অস্ট্রেলিয়ার ঘোষিত ৩৭০ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের (৩,১৬২ কোটি টাকা) বৃহৎ মানবিক সহায়তা প্যাকেজের একটি অংশ। উল্লেখ্য যে, ২০১৭ সালে রোহিঙ্গা সংকট শুরু হওয়ার পর থেকে এ পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া সরকার এই আঞ্চলিক সমস্যা মোকাবিলায় মোট ১.২৬ বিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলার বা ১০,৭৭০ কোটি টাকার মানবিক সহায়তা প্রদান করেছে। মানবিক এই উদ্যোগটি বাংলাদেশে অবস্থানরত বিশাল শরণার্থী জনগোষ্ঠীর মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

হাই স্পিড ট্রেনে সস্ত্রীক বেইজিংয়ের পথে প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

চীনের দালিয়ানে ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলন সম্পন্ন করে রাজধানী বেইজিংয়ের উদ্দেশে রওনা হয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বুধবার (২৪ জুন) স্থানীয় সময় দুপুর দেড়টায় তিনি হাই স্পিড ট্রেনে করে বেইজিংয়ের পথে যাত্রা শুরু করেন। তাঁর এই গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় সফরে সফরসঙ্গী হিসেবে রয়েছেন সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান।

সফরসূচি অনুযায়ী, বেইজিং যাত্রার প্রাক্কালে বুধবার সকালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ওয়ার্ল্ড ইকোনমিক ফোরাম (ডব্লিউইএফ) আয়োজিত ‘১৭তম অ্যানুয়াল মিটিং অব দ্য নিউ চ্যাম্পিয়নস’ বা ‘গ্রীষ্মকালীন দাভোস’ সম্মেলনে অংশ নেন। দালিয়ান আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত এই মর্যাদাপূর্ণ সভায় বিশ্বের ৯০টিরও বেশি দেশ ও অঞ্চলের প্রায় ১ হাজার ৭০০ প্রতিনিধি অংশগ্রহণ করেন। সম্মেলনে রাজনৈতিক নেতা, ব্যবসায়িক ব্যক্তিত্ব, শিক্ষাবিদ এবং গণমাধ্যমকর্মীদের এক বিশাল সমাবেশ ঘটে।

এই অধিবেশনে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর পাশাপাশি গিনির প্রধানমন্ত্রী আমাদু উরি বাহ, কাজাখস্তানের প্রধানমন্ত্রী ওলঝাস বেকতেনভ, দক্ষিণ কোরিয়ার প্রধানমন্ত্রী কিম মিন-সেওক, মঙ্গোলিয়ার প্রধানমন্ত্রী নিয়াম-ওসর উচরাল এবং মন্টিনিগ্রোর প্রধানমন্ত্রী মিলোইকো স্পাইজিচ উপস্থিত ছিলেন। সংশ্লিষ্ট মহলের মতে, এই সম্মেলনে অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের জন্য নতুন বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে। পাশাপাশি বিভিন্ন দেশের ‘বেস্ট প্র্যাকটিস’ বা সর্বোত্তম অভিজ্ঞতাগুলো গ্রহণের মাধ্যমে জাতীয় সক্ষমতা আরও সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী করার পথ প্রশস্ত হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য যে, গত সোমবার মালয়েশিয়া সফর শেষ করে সরাসরি চীনের দালিয়ানে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখান থেকে উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলন শেষে তিনি এখন রাজধানী বেইজিংয়ের পথে রয়েছেন।


নির্বাচিত

banner close