বৃহস্পতিবার, ৮ অক্টোবর ২০২৬
২২ আশ্বিন ১৪৩৩

নির্বাচনের উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করতে পেরেছি: সংসদে প্রধানমন্ত্রী

সংসদে প্রধানমন্ত্রী। ফাইল ছবি
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৪ জুন, ২০২৩ ২০:৩৯

সরকার নির্বাচনের ক্ষেত্রে একটি উচ্চ মানদণ্ড স্থাপন করতে পেরেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, বিএনপির আমলে অনুষ্ঠিত ১৯৯৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মতো বিতর্কিত নির্বাচন কখনো আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে হয়নি এবং হবেও না।

বুধবার জাতীয় সংসদের প্রশ্নোত্তরে সরকারদলীয় সংসদ সদস্য কাজিম উদ্দিন আহম্মেদের লিখিত প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

স্পিকার শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে প্রশ্নোত্তর টেবিলে উত্থাপিত হয়। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারি সফরে সুইজারল্যান্ড অবস্থান করছেন। তার লিখিত উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়।

শেখ হাসিনা বলেন, আওয়ামী লীগ কখনো ক্ষমতা দখল করতে আসেনি, বরং জনগণকে তাদের অধিকার ফিরিয়ে দিতে এসেছে, যাতে জনগণ তাদের সরকার বেছে নিতে পারে।

আওয়ামী লীগ জনগণের ম্যান্ডেটের ওপর বিশ্বাসী জানিয়ে দলটির প্রধান বলেন, ‘জনগণ ঠিক করবে কে দেশ চালাবে। এটা জনগণের ক্ষমতা। আমাদের সরকার জনগণের ক্ষমতা নিশ্চিত করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।’ আওয়ামী লীগ সব সময়ই দেশে ওয়েস্ট মিনস্টার স্টাইল গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য লড়াই-সংগ্রাম করছে বলেও জানান তিনি।

জাতীয় নির্বাচনকে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করার ক্ষেত্রে বর্তমান সরকার বদ্ধপরিকর বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘আমরা দেশি-বিদেশি পর্যবেক্ষককে নির্বাচন পর্যবেক্ষণের জন্য আহ্বান জানাচ্ছি। যারাই পর্যবেক্ষক পাঠাতে চায়, তারা পাঠাতে পারবে।’

আওয়ামী লীগ যখনই সরকার গঠন করেছে, তখনই সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন কমিশন যাতে স্বাধীনভাবে দায়িত্ব পালন করতে পারে, সে জন্য সব ধরনের সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন স্বচ্ছ, অবাধ, ভীতিহীন, সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ এবং সর্বমহলে গ্রহণযোগ্য করার লক্ষ্যে বর্তমান সরকার নির্বাচন কমিশনকে পূর্ণ সহায়তা প্রদানসহ প্রয়োজনীয় সব ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশের জনগণ যাতে তাদের মূল্যবান ভোটাধিকার প্রয়োগ করে জনপ্রতিনিধি নির্বাচিত করতে পারে, সে লক্ষ্যে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান নির্বাচন কমিশন স্বাধীন কর্মকাণ্ডকে এগিয়ে নিতে আমাদের সরকার সদা প্রস্তুত রয়েছে। নির্বাচন কমিশন আইন, ২০২২-এর উদ্দেশ্য পূরণকল্পে রাষ্ট্রপতির নির্দেশক্রমে আমাদের সরকার যা যা আবশ্যক সেসব বিধি প্রণয়ন করবে।’

শেখ হাসিনা বলেন, নির্বাচন কমিশন সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করে যাবে এবং সুষ্ঠু নির্বাচনের প্রয়োজনে যা যা করার তার সবকিছু করবে।

সিরাজগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য মেরিনা জাহানের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘তিন যুগ ধরে সংসদে আমি গণতন্ত্র, আইনের শাসন, জনগণের ভোট ও ভাতের অধিকার প্রতিষ্ঠা এবং দুঃখী মানুষের মুখে হাসি ফোটানোর জন্য নিরলস কাজ করছি। বাংলাদেশের জনগণই আমার শক্তি, প্রেরণা। বাংলাদেশের মানুষের জীবনমান উন্নয়নে যেকোনো ত্যাগ স্বীকার করতে সদা প্রস্তুত আমি।’

বগুড়া-৫ আসনের সরকারদলীয় সংসদ সদস্য হাবিবুর রহমানের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী জানান, জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি ফেলোশিপের আওতায় ২০০৯-১০ অর্থবছর থেকে ২০২২-২৩ অর্থবছরে ২৫ হাজার ৭০১ গবেষককে ফেলোশিপ প্রদান করা হয়। এতে তাদের ১১৫ কোটি ৫০ লাখ ৫৯ হাজার ৫৫০ টাকা দেয়া হয়।

সরকারদলীয় সংসদ সদস্য শহীদুজ্জামান সরকারের প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী বিশ্বব্যাংকের আমন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্র সফরের কথা তুলে ধরেন। তিনি বলেন, ‘পদ্মা সেতু নির্মাণ প্রকল্পে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিশ্বব্যাংকের মিথ্যা অভিযোগের বিষয়ে আবারও অসন্তোষ প্রকাশ করি এবং দৃঢ় প্রত্যয়ের সঙ্গে সঙ্গে বাংলাদেশের জনগণের মর্যাদা হানিকর কোনো হীন উদ্দেশ্যকে আমি কখনোই প্রশ্রয় দেব না।’

শেখ হাসিনা আরও বলেন, ‘বক্তব্যের পর আমি বিশ্বব্যাংকের প্রেসিডেন্টকে পদ্মা সেতুর বাঁধাই করা একটি চিত্রকর্ম উপহার প্রদান করি। বিশ্বব্যাংক আমাদের বিরুদ্ধে যে মিথ্যা অভিযোগ দিয়েছিল তারা তা বুঝতে পেরেছে। বিশ্বব্যাংকের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তিগুলো বাংলাদেশের প্রতি তাদের অব্যাহত আস্থা ও সহায়তার পরিচায়ক।’


পে-স্কেলের গেজেটের আলোকে ব্যবস্থা নিতে বিভিন্ন দপ্তরে অর্থ বিভাগের চিঠি

ফাইল ছবি
আপডেটেড ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২৩:৫৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় বেতন স্কেল ২০২৬-এর আওতায় স্ব-শাসিত ও রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠানগুলোর জন্য জারিকৃত গেজেট প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলোতে চিঠি পাঠিয়েছে অর্থ বিভাগ। বুধবার (৭ অক্টোবর) উপসচিব সারমিন সুলতানা স্বাক্ষরিত এক পত্রে এ তথ্য জানানো হয়। পত্রে বলা হয়েছে, সংযুক্তির বর্ণনা অনুযায়ী গেজেটের দুই কপি পাঠানো হয়েছে।

এছাড়াও অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখে জারি করা এস, আর, ও নং ৩৪৮-আইন/২০২৬-এর গেজেটের কপি পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য নির্দেশক্রমে পাঠানো হয়েছে।

এর আগে, গত ১৯ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপনটি সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের জন্য বহুল প্রতীক্ষিত নতুন বেতনকাঠামোর (পে-স্কেল) প্রজ্ঞাপন জারি করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। ‘চাকরি (বেতন ও ভাতাদি) আদেশ, ২০২৬’ শীর্ষক এই নতুন বেতনকাঠামো অনুযায়ী গ্রেডভেদে সরকারি কর্মচারীদের মূল বেতন ১০০ থেকে সর্বোচ্চ ১৪২ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়।

গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হওয়া এই নতুন কাঠামো তিন ধাপে পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা হবে এবং চাকরিজীবীরা তাদের বকেয়া বেতনও পাবেন।


রোহিঙ্গা সংকট মোকাবিলায় ১৮ মিলিয়ন ডলার প্রদানের চুক্তি করল অস্ট্রেলিয়া

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিবের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার কর্মকর্তাদের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গা ও তাদের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর সহায়তায় ব্র্যাকের সঙ্গে ১৮ মিলিয়ন অস্ট্রেলিয়ান ডলারের একটি নতুন বহুবর্ষী সহায়তা চুক্তি করেছে অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশি মুদ্রায় এর পরিমাণ প্রায় ১৫৫ কোটি টাকা।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকায় অস্ট্রেলিয়ার হাইকমিশনার সুসান রাইল ও ব্র্যাকের নির্বাহী পরিচালক আসিফ সালেহ এ চুক্তিতে স্বাক্ষর করেন। এ সময় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু উপস্থিত ছিলেন।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন জানান, চুক্তির আওতায় কক্সবাজার ও ভাসানচরে অবস্থানরত রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জন্য স্বাস্থ্যসেবা, পানি ও স্যানিটেশন, শিক্ষা, দুর্যোগ ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, দক্ষতা উন্নয়ন ও সুরক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

পাশাপাশি স্থানীয় ও জাতীয় পর্যায়ের অংশীদার সংগঠনগুলোর সক্ষমতা বাড়ানোর মাধ্যমে মানবিক সহায়তা কার্যক্রমের পরিধি সম্প্রসারণ করা হবে।

দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘রোহিঙ্গা সংকট শুধু বাংলাদেশের নয়, এটি একটি আন্তর্জাতিক মানবিক সংকট। বাংলাদেশ দীর্ঘদিন ধরে মানবিক দায়িত্ববোধ থেকে রোহিঙ্গাদের আশ্রয় দিয়ে আসছে। এ সংকটে অস্ট্রেলিয়ার অব্যাহত সহযোগিতা বাংলাদেশের মানবিক প্রচেষ্টাকে আরও শক্তিশালী করবে।’

চুক্তিস্বাক্ষর অনুষ্ঠানে দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ প্রতিমন্ত্রী এম. ইকবাল হোসেইনও উপস্থিত ছিলেন।


এয়ারবাস থেকে ১০ উড়োজাহাজ কিনতে চুক্তি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের বহরে যুক্ত হচ্ছে এয়ারবাসের ১০টি নতুন উড়োজাহাজ। এ লক্ষ্যে বুধবার (৭ অক্টোবর) রাতে রাজধানীর একটি হোটেলে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস ও ইউরোপীয় উড়োজাহাজ নির্মাতা এয়ারবাসের মধ্যে চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তির আওতায় দীর্ঘপাল্লার আন্তর্জাতিক রুটের জন্য চারটি এ৩৫০-৯০০ ওয়াইডবডি এবং আঞ্চলিক ও মাঝারি পাল্লার রুটের জন্য ছয়টি এ৩২১নিও সিঙ্গেল-আইল উড়োজাহাজ কেনা হবে।

বিমান জানিয়েছে, নতুন উড়োজাহাজগুলো জ্বালানি সাশ্রয়ী প্রযুক্তির হওয়ায় দীর্ঘপাল্লা ও আঞ্চলিক রুটে যাত্রী পরিবহনের সক্ষমতা বাড়বে। একই সঙ্গে নতুন রুট চালু, বিদ্যমান রুট নেটওয়ার্ক শক্তিশালী করা এবং আন্তর্জাতিক ও আঞ্চলিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা বাড়ানোর সুযোগ তৈরি হবে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়নেও এসব উড়োজাহাজ ভূমিকা রাখবে।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী এম. রশীদুজ্জামান মিয়াজ্জাত বলেন, এই উদ্যোগ শুধু উড়োজাহাজ কেনার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। বাংলাদেশকে আধুনিক এভিয়েশন হাবে রূপান্তরের বৃহত্তর লক্ষ্য বাস্তবায়নের অংশ হিসেবে বিমানের বহর, রুট নেটওয়ার্ক ও পরিচালন সক্ষমতা আরও শক্তিশালী করা হবে।

বিমান পরিচালনা পর্ষদের চেয়ারম্যান রুমী এ মাহমুদ বলেন, দেশের বড় জনগোষ্ঠী এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশে বসবাসরত প্রায় দেড় কোটি বাংলাদেশির সঙ্গে শক্তিশালী বৈশ্বিক যোগাযোগ প্রয়োজন। এ বাস্তবতায় বিমানের বহর সম্প্রসারণের পরিকল্পনা বাস্তবসম্মত উচ্চাকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন।

এয়ারবাসের নির্বাহী সহসভাপতি মনোয়া দ্য সাঁ-এক্সুপেরি বলেন, এ৩৫০ ও এ৩২১নিও-এর সমন্বয়ে বিমানের জন্য কার্যকর একটি বহর কৌশল তৈরি হবে। এর মাধ্যমে নতুন আন্তর্জাতিক গন্তব্যে সম্প্রসারণ এবং বাড়তে থাকা যাত্রী চাহিদা পূরণে এয়ারবাসের উড়োজাহাজগুলো সহায়তা করবে।

বাংলাদেশে নিযুক্ত ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধি দলের প্রধান মাইকেল মিলার বলেন, এয়ারবাস কেনার চুক্তি বাংলাদেশ ও ইউরোপের মধ্যে আরও শক্তিশালী বাণিজ্যিক ও বিনিয়োগ সম্পর্কের দিকে একটি কৌশলগত পদক্ষেপ। তার মতে, এতে আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতা, উদ্ভাবন ও নির্ভরযোগ্যতার পাশাপাশি অর্থনৈতিক আধুনিকায়ন, নিরাপত্তা এবং অর্থের যথাযথ মূল্য পাওয়ার বিষয়গুলো গুরুত্ব পেয়েছে।

চুক্তির মাধ্যমে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি উড়োজাহাজ সংগ্রহ পরিকল্পনা আরও বিস্তৃত হলো। এর আগে বোয়িংয়ের সঙ্গে ২৫টি উড়োজাহাজ সংগ্রহের পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এয়ারবাসের ১০টি যুক্ত হলে বিমানের দীর্ঘমেয়াদি সংগ্রহ পরিকল্পনায় মোট উড়োজাহাজের সংখ্যা দাঁড়াবে ৩৫। এর মধ্যে ১৯টি ওয়াইডবডি এবং ১৬টি ন্যারোবডি উড়োজাহাজ।

অনুষ্ঠানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির, ইনভেস্ট বাংলাদেশের নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী এবং এয়ারবাস ইন্ডিয়া ও দক্ষিণ এশিয়ার প্রেসিডেন্ট ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক জুর্গেন ওয়েস্টারমায়ারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটিতে সাবেক রাষ্ট্রদূত সুফিউর রহমান

ছবি: সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশের সাবেক রাষ্ট্রদূত মোহাম্মদ সুফিউর রহমান। বুধবার (৭ অক্টোবর) মানবাধিকার পরিষদের ৬৩তম অধিবেশনে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে বিশেষজ্ঞ সদস্য হিসেবে তাকে এই গুরুত্বপূর্ণ পদে নির্বাচিত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়।

জাতিসংঘ মানবাধিকার পরিষদের একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ বিশেষজ্ঞ সংস্থা হিসেবে কাজ করে এই উপদেষ্টা কমিটি। এটি মানবাধিকার সংক্রান্ত বিভিন্ন বিষয়ে গভীর গবেষণা ও নীতিগত পরামর্শ প্রদানের পাশাপাশি পরিষদের বিশেষ অনুরোধে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ইস্যুতে বিশেষজ্ঞ মতামত ও সুপারিশ উপস্থাপন করে থাকে।

বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিসের (বিসিএস) পররাষ্ট্র ক্যাডারের কর্মকর্তা মোহাম্মদ সুফিউর রহমান ১৯৯১ সালের জানুয়ারিতে পেশাগত জীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য কূটনৈতিক ক্যারিয়ারে ২০১২ সালে প্রথম রাষ্ট্রদূতের দায়িত্ব পান তিনি। সর্বশেষ ২০২২ সালের অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের মে পর্যন্ত সুইজারল্যান্ডে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এবং জেনেভায় জাতিসংঘ ও অন্যান্য আন্তর্জাতিক সংস্থায় বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি হিসেবে সফলতার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এর আগে ২০১৮ থেকে ২০২২ সাল পর্যন্ত অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, ফিজি ও দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশগুলোতে বাংলাদেশের হাইকমিশনার ছিলেন। এছাড়া ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত মিয়ানমারে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত থাকাকালে উদ্ভূত রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ সংকট মোকাবেলায় তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। কূটনৈতিক জীবনের শুরুতে ২০১২ থেকে ২০১৪ সাল পর্যন্ত তিনি শ্রীলঙ্কায় বাংলাদেশের হাইকমিশনার ছিলেন।

সরকারি চাকরি থেকে অবসরে যাওয়ার পর গত বছরের জুলাই থেকে তিনি দেশের স্বনামধন্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠান নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির সাউথ এশিয়ান ইনস্টিটিউট অব পলিসি অ্যান্ড গভর্নেন্সে (এসআইপিজি) সিনিয়র রিসার্চ ফেলো হিসেবে গবেষণামূলক কাজে নিয়োজিত আছেন।


মাদকবিরোধী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে তরুণদের আহ্বান রাষ্ট্রপতির

বঙ্গভবনে রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ঠাকুরগাঁও জেলার তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আহবান’-এর একটি প্রতিনিধিদল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১১
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের তরুণ প্রজন্ম এবং সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলোকে মাদকের বিরুদ্ধে সচেতনতা সৃষ্টি এবং শক্তিশালী সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।

বঙ্গভবনে বুধবার (৭ অক্টোবর) ঠাকুরগাঁও জেলার তরুণ মেধাবী শিক্ষার্থী ও পেশাজীবীদের সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন ‘আহবান’-এর একটি প্রতিনিধিদল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে গেলে তিনি এ আহ্বান জানান। সংগঠনটির আহ্বায়ক লুকমান শারীফ এবং সদস্য সচিব ডা. তাহমিদ আহমেদের নেতৃত্বে ৩৮ সদস্যের প্রতিনিধিদলটি রাষ্ট্রপতির সঙ্গে সাক্ষাৎ করে।

সাক্ষাৎকালে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘মাদকের ভয়াবহতা থেকে তরুণ প্রজন্মকে রক্ষা করা না গেলে জাতির কাঙ্ক্ষিত অগ্রগতি বাধাগ্রস্ত হবে।’ মাদকের কারণে বহু তরুণের সম্ভাবনাময় জীবন নষ্ট হওয়ার পাশাপাশি পরিবার ও সমাজও ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে বলে উল্লেখ করেন তিনি। এ কারণে মাদক নির্মূলে সর্বস্তরের মানুষের অংশগ্রহণে একটি কার্যকর সামাজিক আন্দোলন গড়ে তোলার ওপর গুরুত্বারোপ করেন রাষ্ট্রপতি।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘একটি জনপদকে সমৃদ্ধ করতে হলে ওই অঞ্চলের মানুষকে জাগিয়ে তুলতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা, সংস্কৃতি, জ্ঞান-বিজ্ঞান ও মানবিক মূল্যবোধের বিকাশ ঘটাতে হবে।’ সমাজে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা এবং মানুষের কল্যাণে দেশের সামাজিক ও স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনগুলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।

এ সময় রাষ্ট্রপতি ‘আহবান’-এর বিভিন্ন সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও স্বেচ্ছাসেবামূলক কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করেন। সংগঠনটির উদ্যোগে আয়োজিত ঠাকুরগাঁও স্কুলভিত্তিক সায়েন্স ফেস্ট, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অংশগ্রহণে ফুটবল টুর্নামেন্ট, মেডিকেল ক্যাম্প, শীতবস্ত্র বিতরণ এবং জেন-জি কার্নিভালসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের কথা উল্লেখ করেন তিনি।

ঠাকুরগাঁও জেলার সার্বিক উন্নয়নে তরুণদের আরও সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়ে রাষ্ট্রপতি বলেন, ‘জেলার অর্থনীতি ও কৃষির উন্নয়ন, দরিদ্র ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর কল্যাণ এবং মেধাবী ও অসচ্ছল শিক্ষার্থীদের সহায়তায় তরুণ ও পেশাজীবীরা গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখতে পারেন।’ পাশাপাশি মাদকসহ বিভিন্ন সামাজিক সমস্যা নিরসন এবং জনগণের সরকারি সেবা পাওয়ার প্রক্রিয়া সহজ করতেও তারা ভূমিকা রাখতে পারেন বলে জানান তিনি।

রাষ্ট্রপতি তরুণ প্রজন্মকে তাদের ব্যক্তিগত, সামাজিক ও সাংগঠনিক জীবনে গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ এবং সুস্থ সাংস্কৃতিক চর্চা অব্যাহত রাখার আহ্বান জানান।

সাক্ষাৎকালে ‘আহবান’-এর সদস্যরা রাষ্ট্রপতিকে তরুণ প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হিসেবে উল্লেখ করেন। একই সঙ্গে ঠাকুরগাঁও জেলার উন্নয়ন ও জনকল্যাণে তার ভূমিকার জন্য তারা ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা জানান। একটি সুন্দর, মানবিক, আলোকিত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশ গড়ে তুলতে নিজ নিজ অবস্থান থেকে কাজ করে যাওয়ার অঙ্গীকারও ব্যক্ত করেন প্রতিনিধিদলের সদস্যরা।

এ সময় প্রতিনিধিদলের সদস্যরা সংগঠনের বিভিন্ন কার্যক্রমে রাষ্ট্রপতির দিকনির্দেশনা ও সহযোগিতা কামনা করেন। রাষ্ট্রপতি তাদের সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন এবং সকল সদস্যের সার্বিক মঙ্গল কামনা করেন।


ইন্দোনেশিয়ায় ওষুধ ও তৈরি পোশাকের বাজার সম্প্রসারণে জোর বাণিজ্যমন্ত্রীর

বুধবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তারের বৈঠক। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ইন্দোনেশিয়ার সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারে উন্নীত করতে চায় বাংলাদেশ। এজন্য বাণিজ্য ঘাটতি কমানো, তৈরি পোশাক, ওষুধ ও কৃষিপণ্যের বাজার সম্প্রসারণ এবং দীর্ঘদিন ধরে আটকে থাকা অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি (পিটিএ) নিয়ে আলোচনা এগিয়ে নেওয়ার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির। বুধবার (৭ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ে বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে ইন্দোনেশিয়ার উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী মোহাম্মদ আনিস মাত্তারের বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়।

বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেন, বাংলাদেশ ও ইন্দোনেশিয়ার মধ্যে বছরে প্রায় ৪ বিলিয়ন ডলারের বাণিজ্য হয়। এর মধ্যে ইন্দোনেশিয়া থেকে বাংলাদেশের আমদানি প্রায় ৩ দশমিক ৫ বিলিয়ন ডলার। বিপরীতে বাংলাদেশ দেশটিতে মাত্র প্রায় ৫৬ মিলিয়ন ডলারের পণ্য রপ্তানি করে। এই বাণিজ্য ঘাটতি কমাতে বাংলাদেশের রপ্তানি বাড়ানো প্রয়োজন।

তিনি বলেন, বাজারে প্রবেশের বাধা দূর করা গেলে দুই দেশের বাণিজ্য ১০ বিলিয়ন ডলারের বেশি করা সম্ভব।

বৈঠকে পিটিএ, সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি (সিইপিএ), জ্বালানি সহযোগিতা, হালাল সনদের পারস্পরিক স্বীকৃতি এবং বাংলাদেশি আলু, ওষুধ ও ভ্যাকসিনের ইন্দোনেশিয়ার বাজারে প্রবেশের বিষয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক মানের ওষুধ ও ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য উৎপাদিত হচ্ছে এবং এসব পণ্য বিশ্বের ১০০টির বেশি দেশে রপ্তানি করা হয় বলে জানান বাণিজ্যমন্ত্রী। ইন্দোনেশিয়ার বাজারে এসব পণ্যের রপ্তানি বাড়াতে ওষুধ নিবন্ধনসহ প্রক্রিয়াগত জটিলতা কমানোর জন্য দেশটির সহযোগিতা চান তিনি।

এ সময় জাকার্তায় বাংলাদেশের ফার্মাসিউটিক্যালস পণ্য নিয়ে একটি ‘সোলো এক্সিবিশন’ আয়োজনের প্রস্তাবকে স্বাগত জানান ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী। প্রদর্শনী আয়োজনে সহযোগিতারও আশ্বাস দেন তিনি।

দুই দেশের মধ্যে পিটিএ নিয়ে চার দফা আলোচনা হলেও তৈরি পোশাকের শুল্কমুক্ত বাজারসুবিধা নিয়ে মতপার্থক্যের কারণে ২০২৩ সাল থেকে আলোচনা থমকে আছে। ইন্দোনেশিয়ার উপ-পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, দুই দেশের টেক্সটাইল ও পোশাকশিল্পে প্রতিযোগিতা থাকলেও সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন।

আগামী ১৪ থেকে ১৮ অক্টোবর ইন্দোনেশিয়ায় অনুষ্ঠেয় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য প্রদর্শনীর সময় দুই দেশের মন্ত্রী পর্যায়ে বৈঠকের প্রস্তাব দেন তিনি। বাংলাদেশের বাণিজ্যমন্ত্রী ও একটি প্রতিনিধিদলকে ওই প্রদর্শনীতে অংশ নেওয়ার আমন্ত্রণও জানান তিনি।

বৈঠকে ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রীয় তেল ও গ্যাস কোম্পানি পারতামিনাকে বাংলাদেশের সিঙ্গেল পয়েন্ট মুরিং (এসপিএম) টার্মিনাল পরিচালনার প্রস্তাব অনুমোদনের বিষয়টি তুলে ধরা হয়। এছাড়া বাংলাদেশের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি বাড়ানোর সম্ভাবনা নিয়েও আলোচনা হয়।

বাংলাদেশি আলু রপ্তানির ক্ষেত্রে পরীক্ষাগার ও নিবন্ধনসংক্রান্ত জটিলতা দূর করতে দুই দেশের পরীক্ষার ফলাফলের পারস্পরিক স্বীকৃতির প্রস্তাব দেন বাণিজ্যমন্ত্রী। ২০১৫ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত আলু রপ্তানির উদ্যোগ নেওয়া হলেও এসব জটিলতার কারণে তা এগোয়নি।

বৈঠকে হালাল পণ্যের বাণিজ্য বাড়াতে হালাল সনদ ও মানের পারস্পরিক স্বীকৃতি নিয়েও আলোচনা হয়। এ বিষয়ে দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মধ্যে সরকার-টু-সরকার সহযোগিতা প্রতিষ্ঠার সম্ভাবনা নিয়েও কথা হয়। বৈঠকে দুই পক্ষ বাণিজ্য ও বিনিয়োগ বাড়িয়ে বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরও জোরদার করার আগ্রহ প্রকাশ করে।

এ সময় বাংলাদেশে নিযুক্ত ইন্দোনেশিয়ার রাষ্ট্রদূত লিস্টিওয়াতিসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


প্রবাসীদের এনআইডি সংশোধনে নতুন শর্ত, লাগবে ভিসার কপি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সংশোধনের ক্ষেত্রে প্রবাসীদের ভিসার কপি ও বিদেশে বসবাসের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে। একই সঙ্গে প্রবাসী নাগরিকদের আবেদন শুরুতেই শনাক্ত করতে পৃথক আবেদন ফরম চালুর উদ্যোগ নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

বুধবার (৭ অক্টোবর) ইসির এনআইডি শাখার কর্মকর্তারা এ তথ্য জানান।

ইসি সূত্র জানায়, বর্তমানে দেশে বসবাসরত ও প্রবাসী নাগরিকরা একই ব্যবস্থায় এনআইডি সংশোধনের আবেদন করেন। এতে প্রবাসীদের আবেদন আলাদাভাবে শনাক্ত করতে সময় লাগে। এ কারণে আবেদনের শুরুতেই প্রবাসীদের শনাক্ত করার জন্য পৃথক ফরম চালুর উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

প্রস্তাবিত ফরমের প্রথম অংশে আবেদনকারীর নাম, কোন দেশে বসবাস করছেন, কোনো প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন কি না, পেশা, জন্মতারিখ, পাসপোর্ট নম্বর এবং বিদেশে বসবাসের ঠিকানাসহ বিভিন্ন তথ্য দিতে হবে।

ফরমের দ্বিতীয় অংশে বাবা-মা, সব ভাই-বোন এবং নিজের পরিবারের সদস্যদের তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি আবেদনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট দেশের ভিসার কপি এবং বিদেশে বসবাসের প্রমাণপত্র জমা দিতে হবে।

এনআইডি অনুবিভাগের পরিচালক মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, এনআইডি সংশোধন সহজ করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে, যাতে আবেদনগুলো দ্রুত ও সহজে নিষ্পত্তি করা যায়।

ইসি সূত্র আরও জানায়, বর্তমানে দেশে বসবাসরত ও প্রবাসী নাগরিকদের মিলিয়ে প্রায় ১ লাখ ৩৫ হাজার এনআইডি সংশোধনের আবেদন নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে। নতুন পৃথক ফরম চালু হলে প্রবাসীদের আবেদন দ্রুত শনাক্ত ও নিষ্পত্তিতে সহায়তা করবে বলে মনে করছে ইসি।


মৌলভীবাজারে এনসিপির ৬ নেতা বহিষ্কার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৭ অক্টোবর, ২০২৬ ২১:১৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, সাংগঠনিক শৃঙ্খলাবিরোধী আচরণ ও সংগঠনের নীতিবিরোধী কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে মৌলভীবাজারে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) ছয় নেতাকে প্রাথমিক সদস্যসহ দলের সব পদ ও দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বুধবার (৭ অক্টোবর) দলটির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার স্বাক্ষরিত পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ সিদ্ধান্ত জানানো হয়। মঙ্গলবার রাতে এনসিপির অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিগুলো প্রকাশ করা হয়।

বহিষ্কৃত নেতারা হলেন—মৌলভীবাজার জেলা আহ্বায়ক কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়া, সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী তামিম আহমেদ, জাতীয় যুবশক্তির সাবেক কেন্দ্রীয় যুগ্ম আহ্বায়ক মারুফ আল হামিদ, জাতীয় ছাত্রশক্তির কেন্দ্রীয় সদস্য জাবেদ রহমান, জাতীয় ছাত্রশক্তির মৌলভীবাজার জেলা কমিটির ভারপ্রাপ্ত সদস্য সচিব শাফকাত হোসেন সাদেক এবং মুখ্য সংগঠক মামুন রহমান রাজু।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, জেলা কমিটির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক এহসান জাকারিয়ার বিরুদ্ধে গুরুতর সাংগঠনিক শৃঙ্খলা পরিপন্থী কর্মকাণ্ড এবং সংগঠনের নীতিবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার ‘সুস্পষ্ট ও সুনির্দিষ্ট অভিযোগ’ প্রমাণিত হয়েছে। এনসিপির কেন্দ্রীয় আহ্বায়ক মো. নাহিদ ইসলাম ও সদস্য সচিব আখতার হোসেনের নির্দেশে এবং দলের গঠনতন্ত্র ও শৃঙ্খলাবিধি অনুযায়ী তাকে প্রাথমিক সদস্য পদসহ সব পর্যায়ের পদ ও দায়িত্ব থেকে বহিষ্কার করা হয়।

অন্য একটি বিজ্ঞপ্তিতে জেলা সমন্বয় কমিটির সাবেক যুগ্ম সমন্বয়কারী তামিম আহমেদের বিরুদ্ধে সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ভঙ্গের গুরুতর অভিযোগ ওঠার কথা জানানো হয়। অভিযোগের গুরুত্ব এবং সংগঠনের শৃঙ্খলা ও সাংগঠনিক স্বার্থ বিবেচনায় তাকে দলীয় কার্যক্রম থেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। একই সঙ্গে তাকে দলের সব কার্যক্রম থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত অবিলম্বে কার্যকর হওয়ার কথা জানানো হয়। এসব বিজ্ঞপ্তিতে জাতীয় যুবশক্তির দপ্তর উপকমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার শাকিল আহমদ ইকবাল এবং জাতীয় ছাত্রশক্তির দপ্তর সম্পাদক সরদার নাদিম মাহমুদ শুভ স্বাক্ষর করেন।

এনসিপি মৌলভীবাজার জেলা কমিটির আহ্বায়ক খালেদ আহমদ ছয় নেতাকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পদ থেকে বহিষ্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।


রোহিঙ্গারা অধিকার চায়, দান নয়: প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

ছবি: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রোহিঙ্গারা তাদের মাতৃভূমি মিয়ানমারকে প্রত্যাখ্যান করছে না, বরং যে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি তাদের দেশ ছাড়তে বাধ্য করেছিল, সেখানে তারা সেভাবেই ফিরে যেতে রাজি নয় বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। বুধবার (৭ অক্টোবর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট ভবনে ক্রিমিনোলজি বিভাগ ও ক্রিমিনোলজি রিসার্চ ফোরামের যৌথ আয়োজনে অনুষ্ঠিত ‘অনিশ্চিত প্রত্যাবর্তন: রোহিঙ্গা কণ্ঠস্বর প্রত্যাবাসন’ শীর্ষক জাতীয় নীতি প্রচার কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ মন্তব্য করেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করে জানান, প্রত্যাবাসন একটি বিশ্বাসের বিষয় এবং রোহিঙ্গারা তাদের মৌলিক অধিকার চাইছে, কোনো প্রকার দান নয়। তিনি রোহিঙ্গাদের নিজস্ব পরিচয় ও স্বীকৃতি, জমি ও সম্পত্তির মালিকানা, নিরাপত্তা এবং সুনির্দিষ্ট নিশ্চয়তাকে টেকসই প্রত্যাবাসন রোডম্যাপের প্রধান স্তম্ভ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

বক্তব্যে তিনি ৮১তম জাতিসংঘ সাধারণ অধিবেশনে (ইউএনজিএ) প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দেওয়া ভাষণের ৫টি জরুরি অগ্রাধিকারের বিষয়টি স্মরণে আনেন এবং রোহিঙ্গাদের নিরাপদ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রত্যাবাসন নিশ্চিতে একটি জাতীয় কৌশল প্রণয়ন কমিটি গঠনের কথা উল্লেখ করেন।

এই সংকটের স্থায়ী সমাধান যে মিয়ানমারের হাতেই রয়েছে তা মনে করিয়ে দিয়ে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ কখনোই অনির্দিষ্টকালের জন্য এই বোঝা বা সংকট বজায় রাখতে পারবে না। তিনি আন্তর্জাতিক সমাজকে শুধু সহায়তার আশ্বাসবাণীতে সীমাবদ্ধ না থেকে বাস্তবসম্মত ও কার্যকরী পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানান।

একইসঙ্গে কক্সবাজারের আশ্রয়দাতা স্থানীয় জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা বিঘ্নিত হওয়া ও অপরাধ বৃদ্ধির বিষয়টিকে 'নতুন স্বাভাবিকতা' বা সাধারণ ঘটনা হিসেবে মেনে নেওয়া যাবে না বলেও হুঁশিয়ারি দেন। সমাপনী পর্বে প্রতিমন্ত্রী ক্রিমিনোলজি বিভাগ আয়োজিত রচনা প্রতিযোগিতায় বিজয়ী শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করেন।


কৃত্রিম সংকট নিরসনে নতুন সার ডিলার নীতিমালা প্রণয়ন: অ্যাটর্নি জেনারেল

অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

একই পরিবারের একাধিক সদস্য সারের ডিলারশিপ গ্রহণ করতে পারবেন না—সরকারের প্রণীত এমন বিধানের কার্যকারিতা বহাল রেখেছেন সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালত। হাইকোর্টের দেওয়া স্থিতাবস্থার আদেশ স্থগিত করে বুধবার আপিল বিভাগের চেম্বার বিচারপতি মো. রেজাউল হকের আদালত এই আদেশ দেন। এর ফলে ‘সার ডিলার নিয়োগ ও সার বিতরণ সংক্রান্ত সমন্বিত নীতিমালা-২০২৬’ কার্যকর করে সরকারি ব্যবস্থাপনায় সার সরবরাহে কোনো প্রকার আইনি বাধা রইল না বলে নিশ্চিত করেছেন অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল।

কৃষি খাতে সারের কৃত্রিম সংকট দূরীকরণ, ডিলার নিয়োগের ক্ষেত্রে স্বজনপ্রীতি প্রতিরোধ এবং নির্দিষ্ট পরিবারের একচেটিয়া প্রভাব বন্ধ করার লক্ষ্যে গত ২৭ আগস্ট নতুন এই সমন্বিত নীতিমালা প্রণয়ন করেছিল সরকার। পরবর্তীতে এই নীতিমালার বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে কয়েকজন ডিলার হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে আদালত নীতিমালার ওপর স্থিতাবস্থা জারি করেন।

হাইকোর্টের ওই আদেশ চ্যালেঞ্জ করে রাষ্ট্রপক্ষ সুপ্রিম কোর্টের চেম্বার আদালতে আপিল আবেদন জানায়। চেম্বার আদালতের এই নতুন আদেশের মাধ্যমে সরকারের প্রণীত নীতিমালার আইনি ভিত্তি সুদৃঢ় হলো এবং নীতিমালা অনুযায়ী দ্রুততম সময়ে মাঠ পর্যায়ে সার বণ্টন ও সুষ্ঠু ডিলার ব্যবস্থাপনা কার্যকর করার পথ সুগম হলো।


একনেকে ১৬ হাজার ২০৭ কোটি টাকার ১৩ প্রকল্প অনুমোদন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় অর্থনৈতিক পরিষদের নির্বাহী কমিটির (একনেক) সভায় ১৬ হাজার ২০৭ কোটি ৫৫ লাখ টাকা প্রাক্কলিত ব্যয়ে মোট ১৩টি উন্নয়ন প্রকল্পের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। মোট ব্যয়ের মধ্যে সরকারি তহবিল থেকে ১০ হাজার ৬০০ কোটি ৮০ লাখ টাকা, প্রকল্প ঋণ ও বৈদেশিক সহায়তা থেকে ৪ হাজার ৮১ কোটি ৮৫ লাখ টাকা এবং বাস্তবায়নকারী সংস্থাগুলোর নিজস্ব তহবিল থেকে ১ হাজার ৫২৪ কোটি ৯১ লাখ টাকার সংস্থান করা হবে। বুধবার সচিবালয়ের মন্ত্রিসভা কক্ষে প্রধানমন্ত্রী ও একনেক চেয়ারপারসন তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত বৈঠকে এসব প্রকল্প ছাড়পত্র পায়।

অনুমোদিত প্রকল্পগুলোর মধ্যে ১০টি সম্পূর্ণ নতুন, দুটি সংশোধিত এবং একটি প্রকল্পের মেয়াদ বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর মধ্যে স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সর্বোচ্চ সাতটি প্রকল্প রয়েছে। এগুলোর মধ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নতুন পাঁচটি অঞ্চলের ১৮টি ওয়ার্ডের সড়ক অবকাঠামো ও ড্রেনেজ ব্যবস্থার উন্নয়ন, রংপুর সিটি করপোরেশনের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও ক্ষতিগ্রস্ত রাস্তা পুনর্বাসন, গাজীপুর সিটির ১ থেকে ৮ নম্বর জোনের সড়ক, নর্দমা ও ফুটপাত নির্মাণ, সিরাজগঞ্জ, বগুড়া ও নওগাঁর গ্রামীণ অবকাঠামো উন্নয়ন, গুরুত্বপূর্ণ নগর অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের দ্বিতীয় পর্যায় (দ্বিতীয় সংশোধন) এবং সমবায়ের মাধ্যমে নারীদের দক্ষতা উন্নয়ন ও উদ্যোক্তা তৈরির প্রকল্প অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।

যোগাযোগ ও অবকাঠামো খাতে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের ‘বিআইডব্লিউটিসির জন্য ৩৫টি বাণিজ্যিক ও ৮টি সহায়ক জলযান সংগ্রহ এবং দু’টি নতুন স্লিপওয়ে নির্মাণ’ শীর্ষক প্রকল্পের তৃতীয় সংশোধন এবং রেলপথ মন্ত্রণালয়ের ‘রেলওয়ের সক্ষমতা সম্প্রসারণ প্রকল্প-বাংলাদেশ রেলওয়ের জন্য ৩০টি মিটারগেজ ডিজেল ইলেকট্রিক লোকোমোটিভ সংগ্রহ’ প্রকল্পটি অনুমোদন পেয়েছে। সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ের অধীনে পঞ্চগড়ের ভজনপুর-আমতলী-মিরগড় সড়কের ১৫তম কিলোমিটারে দ্বিতীয় করতোয়া সেতু নির্মাণ এবং থানচি-রিমাকরি-মদক-লিকরি সড়ক নির্মাণ প্রকল্পের দ্বিতীয় সংশোধন অনুমোদন করা হয়। এছাড়া বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের ‘রামপাল ৪৪২ মেগাওয়াট পিক সৌর বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ’ এবং পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধীনে ‘ফ্রান্সের প্যারিসে ক্রয়কৃত চ্যান্সারি ভবন ব্যবহারোপযোগী করার জন্য সংস্কার ও আধুনিকায়ন’ প্রকল্পটি ছাড়পত্র লাভ করেছে। একই সাথে পরিকল্পনা মন্ত্রী কর্তৃক ইতোমধ্যে অনুমোদিত ৫০ কোটি টাকার কম ব্যয়সংবলিত জয়পুরহাটের নদী ও খাল পুনঃখনন প্রকল্পের বিষয়ে সভাকে অবহিত করা হয়।

উক্ত সভায় অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্থানীয় সরকার মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ, মহিলা ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন, ভূমি মন্ত্রী মো. মিজানুর রহমান মিনু, শিল্প, বস্ত্র ও বাণিজ্য মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, পানি সম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদউদ্দীন চৌধুরী এ্যানি, বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত, স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন, সড়ক ও রেলপথ মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী মো. জোনায়েদ আব্দুর রহিম সাকি এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির উপস্থিত ছিলেন।


৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’-এ সাধারণ ছুটি ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষ্যে সারা দেশে নিয়মিত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করেছে সরকার। জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের বিধি-৬ শাখা থেকে বুধবার এ সংক্রান্ত একটি আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয়ের উপসচিব ওয়ালীউল দামান স্বাক্ষরিত ওই প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়, গত ৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকের সিদ্ধান্তের পরিপ্রেক্ষিতে প্রতিবছর ৭ নভেম্বর ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ উপলক্ষে সাধারণ ছুটি ঘোষণা করা হলো।

এর আগে অনুষ্ঠিত মন্ত্রিসভার বৈঠকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রে সংশোধন এনে দিনটিকে ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে তালিকাভুক্ত করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়। ফলে দিনটি এখন থেকে যথাযথ রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় ‘জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস’ হিসেবে উদযাপিত হবে এবং সরকারি ছুটি কার্যকর থাকবে।


ডিসেম্বরে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের ‘অপতৎপরতা’ দমন করা হবে: ডিবিপ্রধান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ডিসেম্বর মাসকে কেন্দ্র করে কার্যক্রম নিষিদ্ধ ঘোষিত রাজনৈতিক দলের যেকোনো ধরনের নাশকতা ও অপতৎপরতা কঠোর হস্তে দমন করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) প্রধান ও অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার মো. শফিকুল ইসলাম। বুধবার ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে তিনি এই অবস্থানের কথা জানান।

ডিসেম্বর মাসে শেখ হাসিনার দেশে প্রত্যাবর্তনের গুঞ্জন এবং এ উপলক্ষে দলটির কোনো কর্মসূচি বা অস্থিতিশীলতা সৃষ্টির আশঙ্কা রয়েছে কি না—এমন প্রশ্নের উত্তরে ডিবিপ্রধান স্পষ্ট করেন যে, আইনের মাধ্যমে নিষিদ্ধ করা হয়েছে এমন কোনো সংগঠনের অপতৎপরতা দেশে বরদাশত করা হবে না। এই ধরনের অপচেষ্টা রুখে দিতে গোয়েন্দা পুলিশ সর্বোচ্চ কঠোর ও সক্রিয় অবস্থানে রয়েছে।

নগরবাসীর সুরক্ষার বিষয়ে জোর দিয়ে শফিকুল ইসলাম বলেন, দেশের সাধারণ মানুষ, বিশেষ করে রাজধানী ঢাকার বাসিন্দাদের জানমালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই পুলিশ বাহিনীর অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। এই দায়িত্ব পালনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সর্বদা সজাগ ও প্রস্তুত রয়েছে এবং যেকোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা তাৎক্ষণিকভাবে প্রতিহত করা হবে।

ডিবিপ্রধান আরও জানান, নিষিদ্ধ দলের যেকোনো তৎপরতা নস্যাৎ করতে আইনানুগ কঠোর পদক্ষেপ অব্যাহত থাকবে এবং এ ধরনের অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের সঙ্গে জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে নিয়মিত গ্রেপ্তার অভিযান পরিচালিত হবে।


banner close