রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
১ চৈত্র ১৪৩২

৮০ কি.মি. বেগে ঝড়ের আভাস, ৬ অঞ্চলের নদীবন্দরে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত

আপডেটেড
১৮ জুন, ২০২৩ ১৬:৩২
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৮ জুন, ২০২৩ ০৮:১১

দেশের ৬ অঞ্চলে ৬০-৮০ এবং অন্যান্য অঞ্চলে ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের আভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। ফলে ৬ অঞ্চলের নৌবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

রোববার ভোর সাড়ে ৫টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরের জন্য দেয়া পূর্বাভাসে এমনটি জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় এ সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, রাজশাহী, পাবনা, দিনাজপুর, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে পশ্চিম-উত্তরপশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০-৮০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। ফলে এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ২ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

এ ছাড়া দেশের অন্যান্য অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়াসহ অস্থায়ীভাবে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ হবে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। আজ রোববার জাতীয় সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রথমে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে একটি জটিলতা রয়েছে। আশা করছি, এটি কাটিয়ে শিগগিরই আমরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হব। এক্ষেত্রে কারিআনা পাশধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মকে প্রাধান্য নিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম চালু করেছিল। আমার কাছে এটাকে যুক্তিসংগত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য আমরা অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সকলের অভিমত নিয়ে ভর্তির বিষয় চিন্তা করব।’

এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘আমরা ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের আওতায় এনে দেশের নিয়মকানুন মেনে যুগোপযোগী করা যায় কি না সেই বিষয়ে কাজ করছি। ইবতেদায়ী ও কওমী শিক্ষাসহ সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার কাজ করছি। এটা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের করা এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’ তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বর্তমান সরকার এগুলোর মানোন্নয়নের বিষয়ে বদ্ধপরিকর। সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে আবেদন আহ্বান করবে সরকার। পুরাতন আবেদনগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।


বিরোধী দল অসাংবিধানিকভাবে সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবিঃ বিটিভি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী দল অসাংবিধানিকভাবে সংস্কার পরিষদ শপথ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে চলে না, আইন দিয়ে চলে।

রোববার (১৫ মার্চ) জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এ কথা বলেন।

‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ’ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।


সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

গত ২০ নভেম্বর ওই রায় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত।


সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বৈরাচার সরকারের আমলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রদত্ত ভাতা গ্রহণকারীদের তালিকায় সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। তিনি বলেছেন, ইতিমধ্যে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম দূর করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের ভাতা নিশ্চিতে কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অবৈধ ও মনগড়া কর্মসূচিগুলো সংশোধন করা হবে।

রবিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুক ও শাহাজাহান চৌধুরীর করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১১টায় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এ অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত সব স্বৈরাচারের বিদায় হয়ে একটি সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য সংসদ থেকে জনগণকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনার সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ফারজানা শারমিন বলেন, স্বৈরাচার সরকারের আমলে সমাজকল্যাণ বিভাগ যত অবৈধ এবং মনগড়া কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, সেগুলো অচিরেই সংশোধন করা দরকার। ওই সময়ে দেশে একটি অস্থির সময় বিরাজ করেছে। আমাদের হাতে বর্তমানে যে তালিকাগুলো আছে, সেগুলো আমরা রি-চেক (পুনরায় যাচাই) করছি। কারা সত্যিকার অর্থে এই উপকার পাওয়ার যোগ্য, আমরা তা দেখছি।

ফ্যামিলি কার্ডের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যুতে ১৪টি ইউনিটে আমরা কাজ শুরু করার পর সেখান থেকে ফিডব্যাক নিচ্ছি। ভাতার কার্ডগুলোতে যেসব অনিয়ম আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে আমরা সমাধানের দিকে যাচ্ছি। এ ছাড়া বিগত সময়ে যেসব আইন ও নীতিমালা করা হয়েছে, সেগুলো যাচাই করে একটি সুষ্ঠু নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

দেশে ভাতা কর্মসূচি চালুর কৃতিত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দিয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রগ্রাম প্রথম চালু করেন আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরবর্তী সময়ে অন্য সরকারগুলো এটি বাস্তবায়ন করে।

তবে বিগত সময়গুলোতে এসব তালিকায় ব্যাপক স্বজনপ্রীতি করা হয়েছিল। আমাদের মূল লক্ষ্য তালিকা নয়, বরং কারা প্রকৃত সুবিধাভোগী হওয়ার যোগ্য, তা চিহ্নিত করা।

মাঠ পর্যায়ে তালিকা সংশোধনের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এরই মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কমিটির মাধ্যমে তালিকাগুলো যাচাই-বাছাই করে সত্যিকার অর্থে যারা বেনিফিশিয়ারি (সুবিধাভোগী), তারাই যেন কার্ড ও সুযোগ-সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করা হবে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই যাদের প্রকৃত প্রয়োজন, তাদের কাছেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।


এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করেছে।

মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই তাকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলার এখনই কোনো সুযোগ নেই বলে সকালে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

এরআগে, মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল জানান, দুপুর ১২টার দিকে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। তাকে বহন করতে যাওয়া এয়ার এম্বুলেন্সটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, মির্জা আব্বাসের সঙ্গে যাবেন তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র মির্জা ইয়াসির আব্বাস।

গত বৃহস্পতিবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয়।


পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী পয়লা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ প্রমুখ।


সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান, সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবিধান অনুযায়ী সংসদ আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি। এখানে সংস্কার পরিষদ বলতে কিছু নেই। জুলাই সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদের বাস্তবায়নের কথা বলছে আগে সংশোধনী আনতে হবে।

রোববার (১৫ মার্চ) সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনে অংশ নেয়ার আগে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হওয়ার পর রাষ্ট্রপতির ভাষণ শেষে অধিবেশন রোববার পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছিলেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় সূত্রে জানা গেছে, দিনের কার্যসূচিতে প্রশ্নোত্তর পর্ব, জরুরি জন-গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে আলোচনা অন্তর্ভুক্ত রয়েছে। প্রশ্নোত্তর পর্বে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত প্রশ্নের উত্তর দেয়া হবে।

সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে সিদ্ধান্ত হয়েছে, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে। সরকারি ছুটির দিন ছাড়া প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন বসবে।

শনিবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের সময়সূচি ও কার্যক্রম নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনা বরাদ্দের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি এবং অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন জমা পড়েছে। বিধি-৭১ অনুযায়ী মনোযোগ আকর্ষণের ২৭টি নোটিশ এবং বিধি-১৩১ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত প্রস্তাবের ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।


জ্বালানি তেল নিয়ে বড় সুখবর, সব বিধিনিষেধ প্রত্যাহার

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

অবশেষে জ্বালানি তেল বিতরণের ওপর আরোপিত রেশনিংসহ সব ধরনের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। আজ রোববার (১৫ মার্চ) থেকে পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত দেশের সকল বিতরণ কেন্দ্রে চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সরবরাহ ও বিতরণ স্বাভাবিক থাকবে।

রোববার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের পক্ষ থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সম্প্রতি ইরান-ইসরায়েল যুদ্ধের কারণে আন্তর্জাতিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় সৃষ্ট সমস্যার পরিপ্রেক্ষিতে দেশে জ্বালানি সংকট মোকাবেলার জন্য সরকার কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছিল। সেই প্রেক্ষাপটে, জ্বালানি তেল বিতরণে সাময়িকভাবে রেশনিং পদ্ধতিসহ বিভিন্ন বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়।

তবে বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত প্রত্যাহার করা হলো। ইতোমধ্যে আমদানি করা জ্বালানি তেলবাহী বেশ কয়েকটি জাহাজ চট্টগ্রাম বন্দরে এসে পৌঁছেছে। পাশাপাশি, আসন্ন ঈদযাত্রাকে নির্বিঘ্ন করা এবং বোরো মৌসুমে কৃষকদের সেচকাজের জন্য প্রয়োজনীয় জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিত করার বিষয়টিও সরকার গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করেছে।

এই সিদ্ধান্তের ফলে এখন থেকে দেশের সব বিতরণ কেন্দ্র থেকে গ্রাহকরা তাদের চাহিদা অনুযায়ী জ্বালানি তেল সংগ্রহ করতে পারবেন, যা জনজীবনে স্বস্তি ফিরিয়ে আনবে বলে আশা করা হচ্ছে।


ঢাকায় পৌঁছেছে এয়ার অ্যাম্বুলেন্স, দুপুরে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে মির্জা আব্বাসকে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে উন্নত চিকিৎসার জন্য আজ দুপুর ১২টায় সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। তাকে বহন করতে যাওয়া এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।

রোববার (১৫ মার্চ) মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, আজ সকাল ৯টা ১০ মিনিটে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি ঢাকায় অবতরণ করেছে। দুপুর ১২টায় এটি সিঙ্গাপুরের উদ্দেশ্যে ঢাকা ত্যাগ করবে।

জানা গেছে, মির্জা আব্বাসের সঙ্গে যাবেন তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র মির্জা ইয়াসির আব্বাস।

গত বৃহস্পতিবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়।

অস্ত্রোপচার পরবর্তী নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয় এবং চিকিৎসকরা জানিয়েছেন যে পরীক্ষার ফলাফল সন্তোষজনক। বর্তমানে সিঙ্গাপুরে উন্নত চিকিৎসার জন্য যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়েছে।


সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের মুলতবি অধিবেশন শুরু হয়েছে। দুই দিন বিরতির পর রোববার বেলা ১১টার পর এ অধিবেশন শুরু হয়।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার এই নতুন সংসদের যাত্রা শুরু হয়। ওই দিন রাষ্ট্রপতির ভাষণের পর সংসদ মুলতবি ঘোষণা করেছিলেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ।

জাতীয় সংসদ সচিবালয় থেকে পাওয়া দিনের কার্যসূচিতে রয়েছে—প্রশ্ন জিজ্ঞাসা এবং উত্তর (মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়)। জরুরি জন-গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে মনোযোগ আকর্ষণ (বিধি-৭১)-এর আওতায় প্রাপ্ত নোটিশসমূহ নিষ্পত্তি। রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে ধন্যবাদ প্রস্তাব এবং রাষ্ট্রপতির ভাষণ সম্পর্কে আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর আলোচনা।

এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত চলবে বলে জাতীয় সংসদের কার্য উপদেষ্টা কমিটির প্রথম বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। সরকারি ছুটির দিন ব্যতীত প্রতিদিন বিকাল ৩টায় অধিবেশন অনুষ্ঠিত হবে। শনিবার সংসদ ভবনের কেবিনেট কক্ষে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কমিটির সভাপতি জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের কার্যাদি নিষ্পন্নের জন্য সময় বরাদ্দকরণ ও অধিবেশনের স্থায়িত্বকাল নিয়ে আলোচনা হয়। রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর মোট ৫০ ঘণ্টা আলোচনার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

এ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর জন্য আটটি ও অন্যান্য মন্ত্রীর জন্য ৪৬০টি প্রশ্নসহ মোট ৪৬৮টি প্রশ্ন পাওয়া গেছে। বিধি-৭১ এ মনোযোগ আকর্ষণের নোটিশ পাওয়া গেছে ২৭টি এবং সিদ্ধান্ত-প্রস্তাব সংখ্যা (বিধি-১৩১) এ ৯৭টি নোটিশ পাওয়া গেছে।

এর আগে প্রথম অধিবেশনের শুরুতে ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেনের সভাপতিত্বে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান স্পিকার হিসেবে মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের নাম প্রস্তাব করলে তা কণ্ঠভোটে সমর্থিত হয়।

একইভাবে ডেপুটি স্পিকার হিসেবে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের নাম ঘোষণা করা হয়। নির্বাচনের পর রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন নবনির্বাচিত স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকারকে শপথবাক্য পাঠ করান।


খাল খনন কর্মসূচি উদ্বোধনে কাল দিনাজপুরে যাচ্ছেন তারেক রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দিনাজপুর জেলা প্রতিনিধি

খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করতে আগামীকাল সোমবার (১৬ মার্চ) প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান দিনাজপুর সফরে আসছেন।

রোববার (১৫ মার্চ) সকালে নীলফামারীর সৈয়দপুর রাজনৈতিক জেলা বিএনপির সভাপতি আব্দুর গফুর সরকার বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

আব্দুর গফুর সরকার বলেন, আগামীকাল সকাল ৯টায় বিমান যোগে তিনি সৈয়দপুর বিমানবন্দরে পোঁছাবেন। সেখানে থেকে তাকে বহনকারী বিশেষ বুলেটপ্রুফ বাস যোগে তিনি সৈয়দপুর শহর হয়ে দিনাজপুরের দিকে রওনা হবেন।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমনমন্ত্রী তারেক রহমান দিনাজপুরের কাহারোল উপজেলার বলরামপুর সাহাপাড়া নামকস্থানে ১২ কিলোমিটার খাল পুনঃখনন কাজের মাধ্যমে একযোগে দেশব্যাপী খাল খনন কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন। একই সঙ্গে তিনি ভার্চুয়ালি দেশের ৫৩টি জেলার খাল খনন কর্মসূচিরও উদ্বোধন করবেন।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠান শেষে প্রধানমন্ত্রী দিনাজপুর শহরের ফরিদপুর গোরস্তানে যাবেন। সেখানে তিনি তার নানা মরহুম মো. ইস্কান্দার মজুমদার, নানি মরহুমা তৈয়বা মজুমদার এবং খালা খুরশীদ জাহান হকসহ (চকলেট) নিকট আত্মীয়দের কবর জিয়ারত করবেন।

অপরদিকে বিএনপির নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছে ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনা। ইতোমধ্যে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পূর্ণ করা হয়েছে।


সকল ধর্মের মানুষের জন্য শান্তিপূর্ণ দেশ গড়ব: প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জাতীয় নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া প্রতিশ্রুতি ভোটের কালি নখ থেকে মোচনের আগেই বাস্তবায়নের কাজ শুরু করেছি। প্রতিটি নাগরিকের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার মাধ্যমে আমরা আমাদের দেশকে এমন একটি শক্তিশালী ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত করতে চাই, যাতে করে আর কোনো ফ্যাসিবাদ কিংবা তাবেদার অপশক্তি মানুষের স্বাধীনতা কেড়ে নিতে না পারে। আমি বারবার একটি কথা বলি, নাগরিকদের দুর্বল রেখে রাষ্ট্র কখনো শক্তিশালী হতে পারে না। শনিবার (১৪ মার্চ) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং বিভিন্ন ধর্মের ধর্মীয় নেতাদের হাতে সরকারি সম্মানী তুলে দিয়ে এ কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এদিন তিনি প্রধান অতিথি হিসেবে ধর্মীয় নেতাদের সরকারি সম্মানী প্রদান কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া নারীদের জন্য আমরা ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করেছি। পর্যায়ক্রমিকভাবে এই কার্ড সারাদেশে সবাই পাবেন। আগামী ১৪ এপ্রিল তথা পয়লা বৈশাখ থেকে চালু হচ্ছে ‘ফারমার্স কার্ড’ বা ‘কৃষক কার্ড’। ১৬ মার্চ দিনাজপুর থেকে শুরু হচ্ছে খাল খনন কর্মসূচি। আজ থেকে চালু হলো খতিব-ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে প্রতিটি শ্রেণিপেশার মানুষ তথা প্রত্যেক নাগরিকের আর্থিক সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকার রাষ্ট্রীয় সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে চেষ্টা করবে। নাগরিক হিসেবে আমরা যদি যে যার অবস্থান থেকে রাষ্ট্র এবং সমাজের প্রতি যার যার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করি, তাহলে আগামী ১০ বছরের রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিকভাবে আমরা একটি স্বনির্ভর বাংলাদেশ দেখতে পারব ইনশা আল্লাহ।

তিনি বলেন, আমরা আজ সব ধর্মের মানুষ একসঙ্গে বসেছি। এক কাতারে রয়েছি। এটিই আমাদের আবহমানকালের ঐতিহ্যবাহী বাংলাদেশ। কেউ যেন আমাদের মধ্যে বিভেদ বিরোধ সৃষ্টি করতে না পারে। মুসলমান হিন্দু বৌদ্ধ কিংবা খ্রিষ্টান, বিশ্বাসী-অবিশ্বাসী কিংবা সংশয়বাদী আমরা সবাই মিলেই ভালো থাকব।

বগুড়ার বায়তুল রহমান সেন্ট্রাল মসজিদের ইমাম হোসাইন আহমেদ আবদুল্লাহর হাতে সম্মানীর চেক হস্তান্তরের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করা হয়। পরে আইবাস সিস্টেমে ‘সেন্ট বাটন’ প্রেস করে সম্মানীর টাকা নির্ধারিত ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হয়।

অনুষ্ঠানে ধর্ম সচিব মুন্সী আলাউদ্দিন আল আজাদ, ধানমন্ডির তাকওয়া মসজিদের খতিব মুফতি সাইফুল ইসলাম, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের পেশ ইমাম মুফতি মহিবুল্লাহি বাকি, শায়েখে চরমোনাই ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি সৈয়দ ফয়জুল করীম বক্তব্য দেন।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, আজ থেকে চালু হলো খতিব, ইমাম, মুয়াজ্জিন এবং অন্য ধর্মের ধর্মীয় গুরুদের জন্য আর্থিক সহায়তা কর্মসূচি। যাদের প্রয়োজন সারাদেশে তাদের প্রত্যেককে পর্যায়ক্রমিকভাবে এই সহায়তা দেওয়া হবে। এই কর্মসূচির অধীনে প্রথম পর্যায়ে পাইলটিং স্কিমের আওতায় ৪ হাজার ৯০৮ মসজিদ, ৯৯০ মন্দির এবং ১৪৪ বৌদ্ধ বিহারের ১৬ হাজার ৯৯২ জন মাসিক সম্মানী পাচ্ছেন। পর্যায়ক্রমে সবাইকে এই কর্মসূচির আওতায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষের জন্য সরকারের এসব কর্মসূচি উদ্যোগের মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে নাগরিকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করা।

শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো'ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করা হয় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশে প্রায় সাড়ে তিন লক্ষ মসজিদ রয়েছে। আমরা সারাদেশের এই মসজিদগুলোকে ধর্মীয় সামাজিক এবং নৈতিক শিক্ষা কার্যক্রমের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত করতে পারি। স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের সরকারের সময় দেশে প্রথমবারের মতো ‘ইমাম প্রশিক্ষণ একাডেমি’ চালু করা হয়েছিল।

তিনি বলেন, ১৯৯৩ সালে বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের সময় দেশে মসজিদভিত্তিক শিশু ও গণশিক্ষা' কার্যক্রম চালু হয়েছিল। বর্তমান সরকারও ইমাম-মুয়াজ্জিনদের একটি নির্দিষ্ট হারে সম্মানী ভাতা প্রদানের পাশাপাশি আপনাদের যোগ্যতাকে আরো কিভাবে রাষ্ট্রীয় উন্নয়নে কাজে লাগানো যায় সেই পরিকল্পনা গ্রহণ করছে।

ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়ার আহ্বান জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, অর্থনৈতিকভাবে সমৃদ্ধ রাষ্ট্র মানুষের জীবনে হয়তো আর্থিক স্বাচ্ছন্দ্য নিশ্চিত করে কিন্তু ধৈর্য, সততা, কৃতজ্ঞতাবোধ, শ্রদ্ধা, আনুগত্য, সংহতি, সহনশীলতা, উদারতা, বন্ধুত্ব, বিনয়, দায় কিংবা দয়া, এই সকল বৈশিষ্টগুলো অর্জন ছাড়া একজন ব্যক্তি মানবিক গুণাবলি সম্পন্ন হয়ে উঠতে পারে না। এ ধরনের মানবিক বৈশিষ্টগুলো অর্জনের জন্য ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে উজ্জীবিত হওয়া জরুরি।

‘যার আমানতদারি নেই, যার কাছে নিরাপত্তা নেই, সে প্রকৃত ইমানদার নয়। যার ওয়াদা ঠিক নেই, তার কোনো ধর্মই নেই’ পবিত্র হাদিসের এই উক্তি টেনে প্রধানমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্র ও সমাজ এবং পরিবেশ ও প্রতিবেশ থেকে অর্জিত আচরণ থেকেই মানুষ তার শুদ্ধ জীবন এবং সুস্থ চিন্তার মানসিক নির্দেশনা পায়।

তিনি বলেন, ‘প্রতিহিংসা এবং সহিংসতা; মুক্ত একটি নিরাপদ সমাজ বিনির্মাণের ক্ষেত্রে ধর্মের এই উদারনৈতিক শিক্ষণীয় বক্তব্যগুলো অতুলনীয়। আমার বিশ্বাস, একটি নৈতিকতা সমৃদ্ধ মানব সমাজের গঠনের জন্য প্রতিটি ধর্মেই এ ধরণের ইতিবাচক বার্তা রয়েছে। সুতরাং, একটি ধর্মীয়, সামাজিক ও নৈতিক মূল্যবোধে সমৃদ্ধ মানসিকতা তৈরীর ক্ষেত্রে আপনাদের মতো ধর্মীয় জ্ঞান সম্পন্ন মা ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দুনিয়ার কল্যাণের পাশাপাশি আখেরাতের কল্যাণের জন্য প্রার্থনার কথা পবিত্র কোরআনে কারীমে রয়েছে। ইহকালীন পরকালীন কল্যাণ বিষয়ক নির্দেশনা নিঃসন্দেহে অন্য ধর্মাবলম্বীদের ধর্মীয় বিধিবিধান অনুযায়ীও নির্দেশিত রয়েছে। সুতরাং, ধর্মীয় বিধিবিধানের আলোকেই আপনারা আপনাদের শিক্ষা-দীক্ষা, যোগ্যতা ও অভিজ্ঞতাকে কিভাবে আরো বেশি করে দেশ এবং জনগণের কল্যাণে কাজে লাগাতে পারেন সেই চিন্তা এবং চেষ্টা অব্যাহত রাখাও জরুরি।


শুধু অন্যায় নয়, আমার ওপর জুলুম করা হয়েছে

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জামিনে মুক্তি পেয়েছেন সাংবাদিক আনিস আলমগীর। শনিবার (১৪ মার্চ) কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কেন্দ্রীয় কারাগার-২ থেকে তিনি কারামুক্ত হয়েছেন।

জামিনে মুক্তি পাওয়া সাংবাদিক আনিস আলমগীর গণমাধ্যমকে বলেছেন, ‘শুধু অন্যায় নয়, আমার সঙ্গে জুলুম করা হয়েছে। আপনি আমাকে বলতেছেন যে আমার সমালোচনা করেন, তারপর সমালোচনা করার ফলে আমাকে জেলে দিয়ে দিলেন। এটা তো বড় বাটপারি। এর থেকে তো বড় বাটপারি গত এক হাজার বছরে কেউ দেখেনি। সমালোচনা করলে সন্ত্রাসবিরোধী আইনে জেলে দিচ্ছেন। সমালোচনা কী কখনো সন্ত্রাস হতে পারে। আমি কি কোনো সন্ত্রাসী কার্যক্রমে জড়িত আছি?’

কারাগারটির সিনিয়র জেল সুপার আল মামুন বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন, আনিস আলমগীরের জামিন সংক্রান্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এক দিন আগেই কারাগারে পৌঁছায়। সেগুলো যাচাই-বাছাই শেষে তাকে আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তি দেওয়া হয়।

এর আগে গত বুধবার দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) দায়ের করা একটি মামলায় আদালত আনিস আলমগীরকে জামিন দেন। এর ফলে তার বিরুদ্ধে থাকা দুটি মামলাতেই তিনি জামিন পান। তার আইনজীবী তাসলিমা জাহান জানান, উভয় মামলায় জামিন পাওয়ায় তার মুক্তিতে আর কোনো আইনগত বাধা ছিল না।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর রাতে রাজধানীর ধানমন্ডি এলাকার একটি ব্যায়ামাগার থেকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তাকে নিয়ে যায় ঢাকা মহানগর পুলিশর গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। পরদিন ১৫ ডিসেম্বর তাকে উত্তরা পশ্চিম থানায় দায়ের করা সন্ত্রাসবিরোধী আইনের একটি মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

পরে ওই মামলায় তাকে পাঁচ দিনের রিমান্ডে নেওয়া হয়। রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। তবে সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় গত ৫ মার্চ উচ্চ আদালত তাকে জামিন দেন।


banner close