মঙ্গলবার, ১৮ আগস্ট ২০২৬
৩ ভাদ্র ১৪৩৩

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। ফাইল ছবি
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২৩ আগস্ট, ২০২৩ ২১:২৫

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে বিশ্বব্যাংক ১০০ মিলিয়ন ডলার দেবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক। তিনি বলেছেন, ‘বিশ্বব্যাংক স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে মশা নিয়ন্ত্রণে এই অর্থায়ন করবে।’ মন্ত্রী বলেন, ‘ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেবা দিচ্ছে, সেবা নিয়ে মানুষ সন্তুষ্ট, কোনো অভিযোগ নেই।’

বুধবার দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বিশ্বব্যাংকের উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ডেঙ্গু নিয়ন্ত্রণে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কী করছে? এমন প্রশ্নের উত্তরে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘সেবা যতটুকু দেয়া সম্ভব, আমরা দিচ্ছি। হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা অনেক। পাঁচ শ মানুষ মারা গেছেন, এক লাখের বেশি মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। অর্থাৎ মশা নিয়ন্ত্রণে আসেনি বিধায় এই পাঁচ শ লোক মৃত্যুবরণ করেছে। এক লাখ লোক আক্রান্ত হয়েছে। কাজেই এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আনা প্রয়োজন।’

তিনি বলেন, ‘এডিস মশা নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন জায়গায় স্প্রে করা প্রয়োজন। সেই স্প্রেটা আরও জোরদার করতে হবে। সিটি করপোরেশন ও পৌরসভায় এই কাজটি আরও জোরদার করতে হবে, তারা যেন সঠিক ওষুধ ব্যবহার করে। ভেজাল ওষুধ যাতে ব্যবহার না করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের দেশে ডেঙ্গু অনেক বেড়েছে, আশপাশের দেশে এত কিন্তু বাড়েনি। কাজেই স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় সেবা দেয়ার চেষ্টা করে যাচ্ছে, সেবা দিচ্ছে, সেবা নিয়ে মানুষ সন্তুষ্ট, কোনো কমপ্লেন নেই। কিন্তু মশা না কমলে ডেঙ্গুরোগী কমবে না এবং মৃত্যু কমবে না। এ জন্য যার যার দায়িত্ব, সে পালন করে কাজ করলে ভালো হবে।


নির্বাচিত

টেকসই উন্নয়নের জন্য সমতার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে: তথ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ২০:১৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), জার্মান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা জিআইজেড ও নরওয়ে সরকার ‘ইনফরমেশন ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ: পলিসি, প্ল্যাটফর্ম অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড কালেক্টিভ অ্যাকশন’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে।

মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর একটি হোটেলে আয়োজিত সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সমাজ ও রাষ্ট্রে সবার জন্য সমান সুযোগ নিশ্চিত করা না গেলে টেকসই উন্নয়ন সম্ভব নয়। বিজ্ঞান ও ইতিহাসের শিক্ষা থেকে আমরা দেখতে পাই, সমতার ভিত্তিতে এগিয়ে যাওয়ার পথই একটি সমাজকে দীর্ঘমেয়াদে অগ্রগতির দিকে নিয়ে যায়।

জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), জার্মান আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহায়তা সংস্থা জিআইজেড ও নরওয়ে সরকার ‘ইনফরমেশন ইন্টিগ্রিটি অ্যান্ড সোশ্যাল কোহেশন ইন বাংলাদেশ: পলিসি, প্ল্যাটফর্ম অ্যাকাউন্টেবিলিটি অ্যান্ড কালেক্টিভ অ্যাকশন’ শীর্ষক এই সংলাপের আয়োজন করে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে গণমাধ্যম ও তথ্যের জগৎ দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে। প্রযুক্তির অগ্রগতির সঙ্গে সঙ্গে তথ্যপ্রবাহের সুযোগ যেমন বেড়েছে, তেমনি তৈরি হয়েছে নতুন নতুন চ্যালেঞ্জ।

এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় রাষ্ট্র, গণমাধ্যম, নাগরিক সমাজ ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সহযোগীদের সমন্বিত উদ্যোগের উপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী বলেন, বর্তমান সময়ে তথ্যের অবাধ প্রবাহ নিশ্চিত করার পাশাপাশি তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও দায়িত্বশীলতা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। তথ্য প্রযুক্তি ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার দ্রুত বিকাশের ফলে তথ্যের পরিসর যেমন বিস্তৃত হচ্ছে, তেমনি ভুল তথ্য, অপতথ্য ও বিভ্রান্তিকর তথ্য মোকাবিলাও বড়ো চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

তিনি বলেন, এসব বিষয়ে কার্যকর সমাধান খুঁজে বের করতে আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা কাজে লাগাতে হবে। একই সঙ্গে বাংলাদেশের বাস্তবতা ও প্রয়োজনের আলোকে নিজস্ব সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।

তথ্যমন্ত্রী ফ্রাঙ্কেনস্টাইনের উদাহরণ টেনে বলেন, প্রযুক্তি যদি শেষ পর্যন্ত মানুষের নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়, তাহলে ভবিষ্যতে এমন একটি দানবীয় জগৎ তৈরি হতে পারে, যা শেষ পর্যন্ত আমাদেরই ধ্বংস করে দিতে পারে।

গণমাধ্যম ও তথ্য ব্যবস্থাকে আধুনিকায়নে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা তুলে ধরে তথ্যমন্ত্রী বলেন, এ ক্ষেত্রে গবেষণা, নীতিনির্ধারণ, দক্ষতা উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতার সমন্বয় অত্যন্ত জরুরি।

তিনি নতুন প্রজন্মের প্রযুক্তি, বিশেষ করে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম এবং ডেটা-নির্ভর যোগাযোগ ব্যবস্থাকে ইতিবাচকভাবে কাজে লাগানোর আহ্বান জানান।

তিনি আরও বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, দায়িত্বশীলতা এবং জনগণের তথ্য পাওয়ার অধিকার— এই তিনটি বিষয়কে সমন্বিতভাবে বিবেচনা করতে হবে। একই সঙ্গে গণমাধ্যমকর্মীদের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং নতুন প্রযুক্তির সঙ্গে তাদের খাপ খাওয়ানোর সুযোগ সৃষ্টি করতে হবে।

মন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন, ইউএনডিপির এ ধরনের আয়োজন দেশের গণমাধ্যম খাতে নীতি প্রণয়ন এবং কার্যকর কর্মপরিকল্পনা গ্রহণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি কেউ, বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতি নির্বাচন

মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও কর্নেল (অব.) অলি আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময়সীমা পার হলেও দুই প্রতিদ্বন্দ্বীর কেউ তাঁদের মনোনয়ন প্রত্যাহার করে নেননি। এর ফলে দীর্ঘ প্রায় সাড়ে তিন দশক পর আগামী ২০ আগস্ট, বৃহস্পতিবার দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে।

আজ মঙ্গলবার বিকেল ৪টায় প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর নির্বাচন কমিশন (ইসি) ভবনে উপস্থিত গণমাধ্যম কর্মীদের এ বিষয়ে বিস্তারিত জানান ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ। তিনি এ সময় নির্বাচনের সামগ্রিক প্রস্তুতি ও ভোটদানের প্রক্রিয়া ব্যাখ্যা করেন।

এবারের নির্বাচনে রাষ্ট্রপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কর্নেল (অব.) অলি আহমদ।

ইসি সচিবের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত জাতীয় সংসদের অধিবেশন কক্ষে এই ভোটগ্রহণ চলবে। ভোট শুরুর প্রাক্কালে প্রধান নির্বাচন কমিশনার ও নির্বাচনী কর্তা এ এম এম নাসির উদ্দিন উপস্থিত সংসদ সদস্য তথা ভোটারদের ভোট দেওয়ার নিয়মাবলী সম্পর্কে অবহিত করবেন।

সচিব আরও জানান, আজই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ব্যালট পেপার মুদ্রণের কাজ সম্পন্ন হবে। প্রতিটি ব্যালট পেপারের দুটি অংশ থাকবে—মুড়ি অংশ এবং মূল ব্যালট পেপার। মুড়ি অংশে সংসদ সদস্যের নাম, ক্রমিক নম্বর ও বিভক্তি নম্বরসহ যাবতীয় তথ্য থাকবে। ভোটাররা নির্দিষ্ট স্থানে নিজেদের পূর্ণ নাম ও স্বাক্ষর দিয়ে ব্যালট পেপার সংগ্রহ করবেন।

ভোটের প্রক্রিয়া সম্পর্কে আখতার আহমেদ বলেন, "একটা স্পেসে সংসদ সদস্য পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ব্যালট নেবেন। ডান পাশের অংশে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের নাম বাংলা বর্ণমালার আদ্যক্ষর অনুযায়ী সাজানো হবে। সেই অনুযায়ী তাঁদের নাম প্রিন্ট করা থাকবে এবং প্রিন্টের পাশে ডান দিকে স্পেস থাকবে, যেখানে সংসদ সদস্যরা তাঁদের পূর্ণ নাম স্বাক্ষর করে ভোট দেবেন। এরপর নির্ধারিত ব্যালট বাক্সে তাঁরা ব্যালট পেপার জমা দেবেন। বিকেল ৫টা পর্যন্ত ব্যালট পেপার নেওয়া হবে। ৫টার পরে ব্যালট কাউন্ট করা হবে। ব্যালটের রংটা হচ্ছে সাদার ওপর কালো প্রিন্ট।"

উল্লেখ্য, জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সদস্য এই নির্বাচনে ভোটার হিসেবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। ভোটগ্রহণ সমাপ্ত হওয়ার পর সংসদকক্ষেই ব্যালট গণনা করা হবে। গণনা শেষে নির্বাচনী কর্তা তাৎক্ষণিকভাবে ফলাফল ঘোষণা করবেন এবং পরবর্তীতে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক গেজেট প্রকাশ করা হবে।


নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিত চেয়ে করা রিট খারিজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় সংসদে দলের বিপক্ষে ভোট প্রদান সংক্রান্ত সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদ এবং আসন্ন ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ঘোষিত তফসিলের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে দায়ের করা রিট আবেদনটি খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) বিচারপতি খিজির আহমেদ চৌধুরী ও বিচারপতি এ এফ এম সাইফুল করিমের সমন্বয়ে গঠিত দ্বৈত বেঞ্চ উভয় পক্ষের শুনানি শেষে এই আদেশ প্রদান করেন।

গত ১৩ আগস্ট জনস্বার্থে এই রিট আবেদনটি দায়ের করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের প্রবীণ আইনজীবী ইউনুছ আলী আকন্দ। তিনি নিজেই আদালতে আবেদনের পক্ষে সওয়াল করেন। রিট আবেদনে দাবি করা হয়েছিল যে, সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদটি সংবিধানের মৌলিক কাঠামোর পরিপন্থী এবং এটি সংসদ সদস্যদের বাকস্বাধীনতাকে খর্ব করে। একই সাথে আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল স্থগিতের আর্জিও জানানো হয়েছিল।

অন্যদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে অ্যাটর্নি জেনারেল মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এই রিটের বিরোধিতা করেন। শুনানিতে তাঁকে সহায়তা করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মামুন চৌধুরী ও আখতার হোসেন মো. আব্দুল ওয়াহাব। রাষ্ট্রপক্ষ যুক্তি দেখায় যে, সংবিধানের বিদ্যমান বিধান অনুযায়ীই সকল প্রক্রিয়া পরিচালিত হচ্ছে।

সংবিধানের ৭০ অনুচ্ছেদের বিধান অনুযায়ী, কোনো নির্বাচিত সংসদ সদস্য তাঁর নিজ দল থেকে পদত্যাগ করলে কিংবা সংসদে দলের সিদ্ধান্তের বিপক্ষে ভোট দিলে তাঁর সদস্যপদ বাতিল বলে গণ্য হবে এবং আসনটি শূন্য হয়ে যাবে। নির্বাচন কমিশন এই সাংবিধানিক বিধান অনুসরণ করেই রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সময়সূচি ঘোষণা করেছে। উল্লেখ্য যে, ইতিপূর্বেও ২০১৮ সালে একই আইনজীবী ৭০ অনুচ্ছেদের বিরুদ্ধে রিট করেছিলেন যা আদালত কর্তৃক গ্রাহ্য হয়নি। হাইকোর্টের আজকের এই আদেশের ফলে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের পথে আর কোনো আইনি বাধা থাকল না


নির্বাচিত

দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের যোগদান, আগামীকাল থেকে করবেন অফিস

বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) নতুন চেয়ারম্যান বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান এবং দুই কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যোগদান করেছেন। আগামীকাল বুধবার থেকে তাঁরা দুদকের প্রধান কার্যালয়ে নিয়মিত অফিস করে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।
আজ মঙ্গলবার দুদকের প্রধান কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান সংস্থাটির সচিব সাইদুর রহমান খান।
দুদক সচিব বলেন, দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান হয়েছে। গতকাল গেজেটের মাধ্যমে নতুন চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনার নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। আজ বেলা ২টার দিকে তাঁরা মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে যোগদান করেছেন। আগামীকাল থেকে তাঁরা দুদক কার্যালয়ে এসে দায়িত্ব পালন শুরু করবেন।
দুদক সচিব বলেন, ‘আগামীকাল থেকে নতুন যাত্রা শুরু হবে দুদকের। আপনারা যেরকম প্রত্যাশা করেন, সেটা প্রত্যাশা পূরণ হবে। আগামীকাল সকালে আমাদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে তাঁরা মতবিনিময় করবেন।’
গতকাল সোমবার সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামানকে দুদকের চেয়ারম্যান নিয়োগ দিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। একই প্রজ্ঞাপনে কমিশনার হিসেবে ড. জাহাঙ্গীর আলম খান ও ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়াকে নিয়োগ দেওয়া হয়। মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গনির সই করা প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।
বিচারপতি এ কে এম আসাদুজ্জামান ২০২৬ সালের ফেব্রুয়ারিতে আপিল বিভাগ থেকে অবসর নেন। এর আগে তিনি দীর্ঘদিন হাইকোর্ট বিভাগে বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ২০২৫ সালের ২৫ মার্চ সংবিধানের ৯৫(১) অনুচ্ছেদের ক্ষমতাবলে হাইকোর্ট বিভাগ থেকে আপিল বিভাগে নিয়োগ পেয়ে শপথ নেন তিনি।
নতুন কমিশনার ড. সাজ্জাদ হোসেন ভূঁইয়া জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সাবেক কর কমিশনার। অন্তর্বর্তী সরকারের সময়ে তিনি অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধিভুক্ত ফিন্যান্সিয়াল রিপোর্টিং কাউন্সিলের (এফআরসি) চেয়ারম্যানের দায়িত্বও পালন করেন। অপর কমিশনার ড. জাহাঙ্গীর আলম খান অবসরপ্রাপ্ত সচিব। তিনি ১৯৮৫ ব্যাচের কর্মকর্তা ছিলেন।


নির্বাচিত

ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে এবার আমাদের ঘুরে দাঁড়ানোর পালা: প্রধানমন্ত্রী

রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬-এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: পিএমও
আপডেটেড ১৮ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

একটি ভঙ্গুর অর্থনীতির মধ্য দিয়ে দায়িত্ব গ্রহণ করলেও বর্তমানে ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে নতুন করে ঘুরে দাঁড়ানোর সময় এসেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি উল্লেখ করেন যে, সরকারের উন্নয়ন পরিকল্পনা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের সার্বিক সফলতা বহুলাংশে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) কার্যক্রমের ওপর নির্ভরশীল। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬’-এর উদ্বোধনকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী রাজস্ব কর্মকর্তাদের উদ্দেশে বলেন, এনবিআরকে জনগণের কাছে একটি নির্ভরযোগ্য ও বিশ্বস্ত প্রতিষ্ঠান হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করাই বর্তমান সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। তিনি জানান, দক্ষ ও টেকসই রাজস্ব ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই জনআস্থা অর্জন করা সম্ভব। দীর্ঘ দেড় দশকের স্বৈরাচারী শাসনামলে এনবিআরে যে দলীয়করণ, স্বেচ্ছাচারিতা ও দুর্নীতির কলঙ্ক লেপন করা হয়েছিল, তা থেকে বের হয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘নীতি নিয়ম উপেক্ষা করে ব্যক্তি কিংবা দলীয় স্বার্থে কাউকে পৃষ্ঠপোষকতা করার সংস্কৃতি এখন অতীত। ফ্যাসিবাদমুক্ত দেশে এখন আমাদের সাহসের সাথে ঘুরে দাঁড়াতে হবে।’

পরিবর্তিত বিশ্ব অর্থনীতির সাথে তাল মেলাতে রাজস্ব কর্মকর্তাদের বহুমাত্রিক দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি ডিজিটাল ইকোনমি, ই-কমার্স, মানি লন্ডারিং এবং আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্সের মতো আধুনিক প্রযুক্তির সাথে রাজস্ব ব্যবস্থাকে খাপ খাইয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। তাঁর মতে, ‘শুধুমাত্র কর আদায় বাড়ানোই আধুনিক কর প্রশাসনের উদ্দেশ্য নয়, বরং বেশি সংখ্যক মানুষকে স্বেচ্ছায় কর প্রদানে উদ্বুদ্ধ করাই মূল সার্থকতা।’ তিনি কর ব্যবস্থা সহজ ও হয়রানিমুক্ত করার মাধ্যমে করদাতা ও প্রশাসনের মধ্যে একটি আস্থার সম্পর্ক তৈরির প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরেন।

ভ্যাট ব্যবস্থাপনার সফলতার ওপর আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, ভ্যাট প্রশাসনের জটিলতা যাতে কোনোভাবেই ব্যবসা-বাণিজ্যের গতিকে বাধাগ্রস্ত না করে, সেদিকে সজাগ থাকতে হবে। তিনি রাজস্ব কর্মকর্তাদের নির্ভয়ে ও স্বস্তি নিয়ে দেশ গড়ার কাজে মনোনিবেশ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘ব্যক্তি স্বার্থের চেয়ে সবার আগে দেশের স্বার্থ রক্ষা করা প্রয়োজন। প্রত্যেকটি মানুষের অবদানকে বর্তমান সরকার সম্মানের চোখে দেখে।’ গত কয়েক মাসের ইতিবাচক রাজস্ব আহরণের চিত্র উল্লেখ করে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, দেশপ্রেম ও আন্তরিকতা থাকলে একটি সমৃদ্ধ ও শক্তিশালী রাজস্ব ব্যবস্থা গড়ে তোলা অবশ্যই সম্ভব হবে।

এর আগে জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে সম্মেলনের শুরু হয়। এর পর চলে রাজস্ব আদায় নিয়ে মুক্ত আলোচনা। অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এবং প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর। বক্তব্যের পর প্রধানমন্ত্রী এনবিআরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সাথে এক বিশেষ ফটোসেশনে অংশ নেন এবং ডিজিটাল স্ক্রিনে প্রদর্শিত বিভিন্ন বিভাগের তথ্যমূলক উপস্থাপনা ঘুরে দেখেন।


নির্বাচিত

পর্যায়ক্রমে সব মহাসড়কে 'অটো ফাইন সিস্টেম' চালুর ঘোষণা স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের লাইফলাইন হিসেবে পরিচিত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে যান চলাচলকে অধিকতর সুশৃঙ্খল, নিরাপদ ও গতিশীল করতে এক বৈপ্লবিক উদ্যোগের শুভ সূচনা হয়েছে। ট্রাফিক আইন লঙ্ঘনকারীদের বিরুদ্ধে দ্রুত ও স্বচ্ছ ব্যবস্থা নেওয়ার লক্ষে এই মহাসড়কে আনুষ্ঠানিকভাবে চালু করা হয়েছে আধুনিক কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই প্রযুক্তিনির্ভর ‘অটো ফাইন সিস্টেম’। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁওয়ের মেঘনাঘাটে অবস্থিত হাইওয়ে পুলিশের কমান্ড, কন্ট্রোল অ্যান্ড মনিটরিং সেন্টারে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই ডিজিটাল ব্যবস্থার উদ্বোধন করেন।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী বলেন, ‘মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফেরাতে হাইওয়ে পুলিশ একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ বাস্তবায়ন করছে। এর ফলে সামগ্রিক ট্রাফিক ব্যবস্থাপনায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এই প্রযুক্তির কার্যকারিতা ও অভিজ্ঞতা মূল্যায়ন করে পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রধান মহাসড়ককে এই স্বয়ংক্রিয় এআই সিস্টেমের আওতায় আনা হবে।

মহাসড়কে যেকোনো প্রকার চাঁদাবাজি বন্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘মহাসড়কে চাঁদাবাজির ঘটনা মালিক পক্ষ, শ্রমিক ফেডারেশন কিংবা পুলিশের যে কারও পক্ষ থেকে ঘটলেও তা সিসিটিভি ও এআই ক্যামেরায় রেকর্ড হবে।’ প্রযুক্তির এই নজরদারির ফলে অপরাধের প্রবণতা বহুলাংশে হ্রাস পাবে এবং সাধারণ মানুষের সহযোগিতায় মহাসড়ককে পুরোপুরি চাঁদাবাজিমুক্ত করা সম্ভব হবে বলে তিনি দৃঢ় আশাবাদ ব্যক্ত করেন। মহাসড়কে অবৈধ থ্রি-হুইলার ও লাইসেন্সবিহীন যানবাহন চলাচল প্রসঙ্গে তিনি জানান যে, আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশ তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে। তবে স্থানীয় প্রয়োজনে ফিডার রোড ব্যবহার ও জ্বালানি সংগ্রহের বিষয়টি শৃঙ্খলার সাথে সমন্বয় করতে তিনি হাইওয়ে পুলিশ প্রধানকে বিশেষ নির্দেশনা দেন।

প্রকল্পের কারিগরি দিক সম্পর্কে জানানো হয় যে, ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের ৪৯০টি পিলারে ইতোমধ্যে উচ্চক্ষমতাসম্পন্ন এআই ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। এসব ক্যামেরা নির্ধারিত গতিসীমা লঙ্ঘন, বিপজ্জনক ওভারটেকিং, ট্রাফিক সিগন্যাল অমান্য এবং অবৈধ পার্কিংয়ের মতো আইন ভঙ্গের ঘটনা স্বয়ংক্রিয়ভাবে শনাক্ত ও রেকর্ড করতে সক্ষম। আইন অমান্যকারী কোনো যানবাহন শনাক্ত হওয়া মাত্রই তার তথ্য বিআরটিএ-র ডেটাবেজের মাধ্যমে যাচাই করে নিবন্ধিত মালিকের মোবাইল ফোনে ক্ষুদে বার্তার মাধ্যমে জরিমানার খবর পৌঁছে দেওয়া হবে। পরবর্তীতে মালিকরা মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসের (এমএফএস) মাধ্যমে ঘরে বসেই সেই জরিমানা পরিশোধ করতে পারবেন। একই যানবাহনের বারবার আইন লঙ্ঘনের ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন বাতিলসহ কঠোর আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার বিধান রাখা হয়েছে।

হাইওয়ে পুলিশের প্রধান ও অ্যাডিশনাল আইজি ফারুক আহমেদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন শ্রমিক ফেডারেশনের সভাপতি ও সংসদ সদস্য শামছুর রহমান শিমুল বিশ্বাস, সংসদ সদস্য আজহারুল ইসলাম মান্নান এবং পুলিশের মহাপরিদর্শক (আইজিপি) মোঃ আলী হোসেন ফকির। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই আধুনিক ব্যবস্থা মামলা পরিচালনায় সময় সাশ্রয় করার পাশাপাশি সড়ক দুর্ঘটনা কমাতে এবং জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সুদূরপ্রসারী ভূমিকা রাখবে।


নির্বাচিত

পদত্যাগ করছেন পিএসসি চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেম শারীরিক অসুস্থতার কারণে পদত্যাগের কথা ভাবছেন। দীর্ঘদিন ধরেই তিনি শারীরিকভাবে অসুস্থ। অসুস্থতার কারণে দায়িত্ব চালিয়ে যেতে তিনি আগ্রহী নন বলে জানিয়েছেন পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা এস এম মতিউর রহমান।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস এম মতিউর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরেই চেয়ারম্যান শারীরিকভাবে অসুস্থ। অসুস্থতার কারণে তিনি দায়িত্ব চালিয়ে যেতে আগ্রহী নন। এ কারণে তিনি পদত্যাগের কথা ভাবছেন।

তবে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমের পদত্যাগের বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি এবং এ বিষয়ে কোনো প্রজ্ঞাপনও জারি হয়নি বলে জানান পিএসসির জনসংযোগ কর্মকর্তা।

অন্তর্বর্তী সরকারের সময় ২০২৪ সালের অক্টোবরে অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে সরকারি কর্ম কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক।

২০২৪ সালে গণ–অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেয়ার পর তৎকালীন পিএসসির চেয়ারম্যান মো. সোহরাব হোসাইনসহ পিএসসির ১২ জন সদস্য পদত্যাগ করেন। এরপর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোক প্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক মোবাশ্বের মোনেমকে পিএসসির চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেয় সরকার।


নির্বাচিত

দুই দিনের সরকারি সফরে কাতারের উদ্দেশে ঢাকা ছাড়লেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুই দিনের এক গুরুত্বপূর্ণ সরকারি সফরে কাতারের রাজধানী দোহার উদ্দেশে ঢাকা ত্যাগ করেছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। আজ মঙ্গলবার ভোরে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে একটি বিশেষ ফ্লাইটে তিনি কাতারের উদ্দেশে রওনা হন। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সূত্রে এই সফরের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে।

পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এই সফরে তাঁর সঙ্গী হিসেবে একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদল রয়েছে। প্রতিনিধিদলে অন্তর্ভুক্ত রয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা বিষয়ক উপদেষ্টা, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা এবং বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী। কূটনৈতিক সূত্রগুলো মনে করছে, এই সফরের মাধ্যমে কাতার ও বাংলাদেশের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ এবং বিশেষ করে জ্বালানি খাতে সহযোগিতার নতুন ক্ষেত্র তৈরি হবে।

আগামীকাল ১৯ আগস্ট রাতে পররাষ্ট্রমন্ত্রীসহ প্রতিনিধিদলের সদস্যদের দেশে ফিরে আসার কথা রয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যের অন্যতম প্রভাবশালী এই দেশটির সাথে দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরও সুদৃঢ় করার লক্ষ্যেই এই সফরটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।


নির্বাচিত

রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই চ্যালেঞ্জ: প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজস্ব আহরণের পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় ব্যয়ে সাশ্রয়ী হওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্ব প্রদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। তিনি স্পষ্ট করেছেন যে দেশের অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর জন্য সরকার নিরলসভাবে কাজ করছে, তবে উন্নয়ন ও জনস্বার্থ সংশ্লিষ্ট অপরিহার্য খাতগুলোতে অর্থ বরাদ্দে কোনো ঘাটতি রাখা হবে না। আজ মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অভ্যন্তরীণ সম্পদ বিভাগ ও জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

সম্মেলনে এক প্রশ্নের উত্তরে প্রধানমন্ত্রী সরকারের অবস্থান পরিষ্কার করে বলেন, ‘অপ্রয়োজনীয় খাতে ব্যয় কমানোর চেষ্টা করছে সরকার। তবে প্রয়োজনীয় খাতে অবশ্যই ব্যয় করা হবে।’ তিনি মনে করেন, সমাজের প্রতিটি স্তরে যার যার নির্দিষ্ট দায়িত্ব সঠিকভাবে পালিত হলে দেশ এক ইতিবাচক পরিবর্তনের পথে এগিয়ে যাবে। এ প্রসঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, ‘যার যা কাজ সেটি ঠিকভাবে করলেই দেশে ইতিবাচক পরিবর্তন আসবে।’

রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিদ্যমান ধারণা ও স্বচ্ছতা প্রসঙ্গে তারেক রহমান মন্তব্য করেন, ‘রাজস্ব নিয়ে জনগণের বিভ্রান্তি দূর করাই চ্যালেঞ্জ।’ দেশের সামগ্রিক অগ্রযাত্রা প্রসঙ্গে তিনি আরও বলেন, ‘সরকারের লক্ষ্য সামনে এগিয়ে যাওয়া, অতীতে ফিরে যাওয়া নয়। সেজন্যই আমরা সকলকে নিয়ে সামনে বাড়তে চাই। আমাদেরকে যদি সামনে এগোতে হয় তাহলে আমাদেরকে সকলকে একত্রিত কাজ করতে হবে, একত্রে যেতে হবে।’

উচ্চপর্যায়ের এই সম্মেলনে জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ও কমিশনারসহ বিভিন্ন স্তরের কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। দুই দিনব্যাপী এই আয়োজনে মূলত রাজস্ব সংগ্রহের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ, কর ব্যবস্থাপনার আধুনিকায়ন এবং জাতীয় অর্থনীতির শক্তিশালী ভিত্তি গড়তে প্রয়োজনীয় রাজস্ব সংস্থান নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে।


নির্বাচিত

লিবিয়ার বন্দিশালা থেকে ফিরলেন আরো ১৭৪ বাংলাদেশি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

লিবিয়ার বিভিন্ন ডিটেনশন সেন্টারে দীর্ঘ দিন মানবেতর জীবন কাটানোর পর আরও ১৭৪ জন বাংলাদেশি নাগরিক আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ভোরে নিরাপদে দেশে ফিরেছেন। লিবিয়ায় অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসের ঐকান্তিক প্রচেষ্টা এবং আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় বেনগাজীর গ্যানফুদা ডিটেনশন সেন্টার থেকে তাঁদের মানবিক ভিত্তিতে প্রত্যাবাসন করা হয়। ভোর ৬টায় লিবিয়ার বুরাক এয়ারের একটি বিশেষ ফ্লাইটে তাঁরা হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করেন।

প্রত্যাবাসনকৃতদের মধ্যে ৩ জন নারী, ১ জন শিশু এবং ১৫ জন শারীরিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি রয়েছেন। সংশ্লিষ্ট সূত্রমতে, এই বাংলাদেশিরা দালালের প্রলোভনে পড়ে উন্নত জীবনের আশায় অনিয়মিত পথে ভূমধ্যসাগর পাড়ি দিয়ে ইউরোপে যাওয়ার চেষ্টা করেছিলেন। তবে সমুদ্রপথে কোস্ট গার্ডের অভিযানে তাঁরা আটক হন এবং পরবর্তীতে লিবিয়ার বিভিন্ন ক্যাম্পে বন্দি অবস্থায় ছিলেন।

বাংলাদেশ দূতাবাস থেকে জানানো হয়েছে যে, লিবিয়ার প্রশাসন ও আইওএম-এর সাথে নিবিড় সমন্বয়ের মাধ্যমে বন্দি বাংলাদেশিদের পরিচয় যাচাই ও দেশে ফেরানোর কাজ নিয়মিতভাবে চলছে। বর্তমানে বেনগাজীর গ্যানফুদা ছাড়াও ত্রিপলীর তাজুরা ডিটেনশন সেন্টারে থাকা অবশিষ্ট বাংলাদেশিদের ফিরিয়ে আনার প্রক্রিয়াও অব্যাহত রয়েছে। উল্লেখ্য যে, এই মাসের শুরুর দিকে গত ৭ আগস্ট আরও ৩৪০ জন বাংলাদেশি একইভাবে লিবিয়া থেকে ফিরে এসেছিলেন। ফলে চলতি আগস্ট মাসেই এখন পর্যন্ত মোট ৫১৪ জন বন্দি নাগরিককে স্বদেশে ফিরিয়ে আনা সম্ভব হলো।

এই ঘটনার প্রেক্ষাপটে দূতাবাস পুনরায় সকলকে সতর্ক করে জানিয়েছে যে, মানবপাচারকারী বা দালালদের খপ্পরে পড়ে মৃত্যুঝুঁকি নিয়ে বিদেশ যাত্রা কোনোভাবেই সমীচীন নয়। বরং বৈধ পথে এবং সরকারি অনুমোদিত পন্থায় কর্মসংস্থানের জন্য বিদেশ যাওয়ার ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। ফিরে আসা এই নাগরিকদের প্রয়োজনীয় স্বাস্থ্য পরীক্ষা শেষে নিজ নিজ এলাকায় পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়েছে।


নির্বাচিত

জাতীয় রাজস্ব সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী 

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) আয়োজিত ‘রাজস্ব সম্মেলন ২০২৬’-এ প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে এই উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনটি অনুষ্ঠিত হচ্ছে। ২০১৩ সালের পর এটি এনবিআরের দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত বৃহৎ পরিসরের রাজস্ব সম্মেলন।

এবারের সম্মেলনে এনবিআরের সকল ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, সদস্য, কমিশনার, মহাপরিচালকসহ কাস্টমস ও ভ্যাট বিভাগের মাঠ পর্যায়ের শীর্ষ কর্মকর্তারা অংশ নিয়েছেন। সম্মেলনের কার্যক্রম নিশ্ছিদ্র করতে এবং সুশৃঙ্খলভাবে পরিচালনার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সকাল সাড়ে ৮টার মধ্যেই সম্মেলনস্থলে উপস্থিত থাকার জন্য আগের দিনই এক বিশেষ অফিস আদেশ জারি করা হয়েছিল। এনবিআরের প্রথম সচিব (কাস্টমস ও ভ্যাট প্রশাসন) এএম নুরুল হক স্বাক্ষরিত এই আদেশ অনুযায়ী সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করা হয়।

সরকার গঠনের পর এনবিআরের বিশাল কর্মীবাহিনীর সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর এটিই প্রথম আনুষ্ঠানিক সরাসরি মতবিনিময়। রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই সম্মেলন থেকে দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় রাজস্ব আদায়ের নতুন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ, করের আওতা গ্রাম পর্যায় পর্যন্ত সম্প্রসারণ এবং ডিজিটাল পদ্ধতিতে কর ফাঁকি রোধের মতো জনগুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী কঠোর ও স্পষ্ট দিকনির্দেশনা প্রদান করতে পারেন। জাতীয় অর্থনীতির চালিকাশক্তি এই প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার বিষয়ে এই সম্মেলনটি একটি মাইলফলক হয়ে থাকবে বলে আশা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ দিন আজ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) প্রার্থিতা প্রত্যাহারের শেষ সময় নির্ধারিত রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আজ বিকেল ৪টার মধ্যে বৈধ প্রার্থীরা চাইলে তাঁদের মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করে নিতে পারবেন। নির্ধারিত সময়সীমা পেরিয়ে যাওয়ার পর কমিশন রাষ্ট্রপতি পদের জন্য চূড়ান্ত প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করবে।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, যদি একাধিক প্রার্থী নির্বাচনী লড়াইয়ে বহাল থাকেন, তবে আগামী ২০ আগস্ট (বৃহস্পতিবার) জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ জানিয়েছেন, ভোটগ্রহণের দিন দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ সদস্যরা তাঁদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। মোট ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য ব্যালটে স্বাক্ষর করে নির্ধারিত বাক্সে ভোট দেবেন। ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর তাৎক্ষণিকভাবে গণনা শুরু হবে এবং প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) বিজয়ীর নাম ঘোষণা করবেন।

এবারের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে মূলত দুই হেভিওয়েট প্রার্থীর মধ্যে প্রতিদ্বন্দ্বিতা হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। ক্ষমতাসীন দল বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনীত করা হয়েছে। অন্যদিকে, জামায়াতে ইসলামীর নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে লিবারেল ডেমোক্রেটিক পার্টির (এলডিপি) চেয়ারম্যান কর্নেল (অব.) অলি আহমদকে প্রার্থী করা হয়েছে। গত ১৬ আগস্ট যাচাই-বাছাই শেষে কমিশন উভয়ের মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করেছে।

উল্লেখ্য, গত ২৪ জুলাই সাবেক রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করার পর এই শীর্ষ সাংবিধানিক পদটি শূন্য হয়। নতুন রাষ্ট্রপতি কে হতে যাচ্ছেন, তা নিয়ে বর্তমানে রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক কৌতূহল বিরাজ করছে। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণার পর সচিবালয় থেকে সরকারি গেজেট প্রকাশের মাধ্যমে এই প্রক্রিয়া চূড়ান্ত করা হবে।


নির্বাচিত

স্বৈরাচারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর দেশে ১৮০ দিন পার করাই বড় অর্জন: আতিকুর রহমান রুমন

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিগত সরকারের রেখে যাওয়া ভঙ্গুর অর্থনীতি ও বিশৃঙ্খলার মাঝে বর্তমান সরকারের ছয় মাস (১৮০ দিন) পূর্ণ করে দেশ পরিচালনা করতে পারাই একটি বড় সফলতা বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

সোমবার (১৭ আগস্ট) বেলা ১২টায় প্রধানমন্ত্রীর তেজগাঁও কার্যালয়ের ‘শাপলা’ হলে সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের ছয় মাস বা ১৮০ দিন পূর্তি উপলক্ষে আয়োজিত এক বিশেষ মতবিনিময় সভায় স্বাগত বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, আজকে বর্তমান সরকারের ১৮০ দিন পূর্ণ হলো। বিগত সরকার যে জঞ্জাল ও ভঙ্গুর অবস্থায় দেশকে রেখে গিয়েছিল, সেই পরিস্থিতির মধ্যেও বর্তমান সরকার যে স্বাভাবিকভাবে দেশ পরিচালনা করতে পারছে- এটাই আমাদের কাছে অনেক বড় প্রাপ্তি।

প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব সালেহ শিবলীর সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক উপদেষ্টা নজরুল ইসলাম খান ও রুহুল কবির রিজভী, তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বক্তব্য রাখেন। সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন মন্ত্রী ও উপদেষ্টারা।

অনুষ্ঠানে স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী শাহে আলম, তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী, পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির, তথ্য ও সম্প্রচার বিষয়ক উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান, প্রধাননমন্ত্রীর স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী এস এম জিয়াউদ্দিন হায়দার, প্রধানমন্ত্রীর পরিবেশ, বন ও জলবায়ু বিষয়ক বিশেষ সহকারী সাইমুম পারভেজ, প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক এসএম আব্দুল আউয়াল উপস্থিত ছিলেন।

এছাড়া আরো উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক বিশেষ সহকারী রাশেদ খান, তথ্য ও সম্প্রচার সচিব মাহবুবা ফারজানা, প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদ, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়নের মহাসচিব কাদের গণি চৌধুরী, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক খুরশীদ আলম, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাষ্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল, প্রধানমন্ত্রীর স্ক্রিপট রাইটার মাহফুজুর রহমান, প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি, মো. সুজাউদ্দৌলা, শাহাদাৎ স্বাধীন,সহকারি প্রেস সচিব কেএম নাজমুল হক, আবদুল্লাহ আল মাহমুদ শাহরিয়ার ও আশরোফা ইমদাদ।


নির্বাচিত

banner close