রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
৬ বৈশাখ ১৪৩৩

মিয়ানমারে জাতিগত গণহত্যার বিচার দাবি

কক্সবাজার রোহিঙ্গা ক্যাম্প। ফাইল ছবি
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত
দৈনিক বাংলা ডেস্ক
প্রকাশিত : ২৪ আগস্ট, ২০২৩ ২০:০০

রোহিঙ্গা সংকটের ষষ্ঠ বছরে কক্সবাজার সিএসও এবং এনজিও ফোরাম (সিসিএনএফ) ইক্যুইটি অ্যান্ড জাস্টিস ওয়ার্কিং গ্রুপ বাংলাদেশ (ইক্যুইটিবিডি) রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর উপর বর্বর জাতিগত গণহত্যার কঠোর বিচারের দাবি জানিয়েছে। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিবৃতিতে এ দাবি জানায় তারা।

বিবৃতি বলা হয়, মিয়ানমারের সামরিক জান্তার গণহত্যা ও নৃশংস নির্যাতন থেকে বাঁচতে প্রায় ১০ লাখ রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠী বাংলাদেশে এসে আশ্রয় নেয়। রোহিঙ্গা সংকট মোকাবেলায় বিশ্ব সম্প্রদায়ের, বিশেষ করে ধনী দেশগুলোর দ্বিচারিতার তীব্র নিন্দাও জানানো হয় বিবৃতিতে।

বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়, ‘ছয় বছর হয়ে গেলেও সংকটের টেকসই সমাধান এখনো অধরা রয়ে গেছে। নিপীড়িত রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর জীবন বাঁচাতে সীমান্ত খুলে দিয়ে এবং তাদেরকে আশ্রয় দিয়ে বিশ্বজুড়ে মানবতার একটি বিরল দৃষ্টান্ত স্থাপন করে বাংলাদেশ। এই সংকটের সঙ্গে কোনভাবেই সম্পৃক্ত না হলেও প্রকারান্তরে সংকটটির দায়ভার এখন বাংলাদেশের উপর এসে বর্তেছে। সংকট মোকাবেলায় তেমন কোনো ভূমিকা পালন না করেও এবং এর জন্য দায়ী মিয়ানমার সরকারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হলেও অনেক দেশ এবং সংস্থা ক্রমাগত নানাভাবে বাংলাদেশের উপর চাপ প্রয়োগ করে যাচ্ছে। সিসিএনএফ এবং ইক্যুইটিবিডি এ ধরনের চাপ প্রয়োগের প্রবণতার তীব্র প্রতিবাদ জানায়।’

বিবৃতিটিতে আরও উল্লেখ করা হয় যে, ‘বেশ কিছু সদস্য রাষ্ট্রের নেতিবাচক ভূমিকার কারণে জাতিসংঘ মিয়ানমারের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা গ্রহণে ভীষণভাবে ব্যর্থ হচ্ছে। এই ধরনের ব্যর্থতা বিশ্ব শান্তি-শৃংখলা নিশ্চিত করার ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ভূমিকাকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে।’

বিবৃতিতে রোহিঙ্গা কর্মসূচিতে ক্রমাগতভাবে অর্থায়ন কমে যাওয়ার বিষয়েও উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়। ২০১৭ সালের ২৫ আগস্ট মিয়ানমারের সেনাবাহিনী উত্তর রাখাইন রাজ্যে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ধ্বংসাত্মক অভিযান শুরু করে পুরো গ্রাম জ্বালিয়ে দেয়, লাখ লাখ রোহিঙ্গা বাংলাদেশে পালিয়ে যেতে বাধ্য হয়। যা আন্তর্জাতিক আইনের অধীনে গুরুতর অপরাধ হিসেবে গণ্য হয়।

বিষয়:

গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার পরিদর্শন করলেন ঢাকা ওয়াসার এমডি

আগামী ডিসেম্বর নাগাদ পানি সরবরাহের আশাবাদ
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা ওয়াসার ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোঃ আমিনুল ইসলাম গত শনিবার মেঘনা নদী থেকে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার সরবরাহ সক্ষমতা সম্পন্ন নির্মাণাধীন নাঃগঞ্জ এর রূপগঞ্জস্থ গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগারটি পরিদর্শন করেন।

এ সময় ব্যবস্থপনা পরিচালক ও প্রকল্প সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ প্রথমে একই জেলার আড়াইহাজার উপজেলাস্থ বিষনন্দীতে

মেঘনা নদীর তীরে অবস্থিত ইনটেক পয়েন্ট পরিদর্শন করেন। তারপর রূপগঞ্জস্থ প্লান্ট এরিয়া পরিদর্শন করেন।

এ সময় প্রকল্প পরিচালক ওয়াহিদুল ইসলাম মুরাদ সহ নির্মাণকারী প্রতিষ্ঠানের উর্ধতন কর্মকর্তার উপস্থিত ছিলেন। তারা ব্যবস্থাপনা পরিচালককে প্লান্টের বিভিন্ন দিক ঘুরিয়ে দেখান ও এ বিষয়ে বিস্তারিত তুলে ধরেন।

প্রকল্প কাজ পরিদর্শন করে ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং সেই সাথে ঢাকার পূর্বাঞ্চলে আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আংশিক পানি সরবরাহের আশা প্রকাশ করেন।

প্রকল্পের অবশিষ্ট কাজ আলোচ্য সময়ের মধ্যে সম্পন্ন হবার আশাবাদ ব্যক্ত করেন এবং তিনি সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে সব ধরনের সহযোগিতার আশ্বাস ও প্রদান করেন।

তিনি আরও বলেন, এ প্রকল্প থেকে পানি সরবরাহ চালু হলে রাজধানী মহানগরীর পূর্বাঞ্চলের মানুষ সর্বাংশে উপকৃত হবে।

সেই সাথে ভূ-গর্ভস্থ পানির উপর নির্ভরতা কমিয়ে পরিবেশ-বান্ধব ও টেকসই পানি সরবরাহ ব্যবস্থা নিশ্চিত করার যে লক্ষ্য ঢাকা ওয়াসা নির্ধারণ করেছে তা অর্জন করা সম্ভব হবে।

কেননা এ শোধনাগার চালু হলে কয়েকশ গভীর নলকূপ বন্ধ বন্ধ হয়ে যাবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

উল্লেখ্য, আলোচ্য গন্ধর্বপুর পানি শোধনাগার এর প্রথম ফেজ থেকে দৈনিক ৫০ কোটি লিটার পানি রাজধানীতে সরবরাহ করা হবে এবং একই শোধনাগারের সেকেন্ড ফেজ থেকেও সমপরিমাণ পানি দৈনিক রাজধানীতে সরবরাহ করা হবে।


দূরপাল্লার বাসে প্রতি কিমিতে ভাড়া ৪ টাকা করার প্রস্তাব

আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৮:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মধ্যপ্রাচ্যে ইরান-ইসরায়েল-যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের ফলে বিশ্বজুড়ে জ্বালানির সরবরাহে দেখা দিয়েছে অস্থিরতা। বিশ্ববাজারে দফায় দফায় বাড়ছে জ্বালানি তেলের দাম। এ পরিস্থিতে গত শনিবার রাতে দেশের বাজারে সব ধরণের জ্বালানির দাম বাড়িয়েছে সরকার। জ্বালানির দাম বৃদ্ধিতে ভাড়া সমন্বয় করতে সরকারকে অনুরোধ করেছেন বাস-ট্রাক মালিক সমিতির নেতারা।

রোববার (১৯ এপ্রিল) মধ্যে সমিতির পক্ষ থেকে দূরপাল্লার বাসে কিলোমিটার প্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ৪ টাকা ৫ পয়সা করার প্রস্তাব দেওয়া হয়। দূরপাল্লার পরিবহনে বিশেষ করে ট্রাক-বাসগুলোতে জ্বালানি হিসেবে ডিজেল ব্যবহার করা হয়। যার মূল্য লিটারে ১৫ টাকা বাড়িয়েছে সরকার।

এ বিষয়ে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির মহাসচিব মো. সাইফুল আলম দুপুরে গণমাধ্যমকে বলেন, আশা করছিলাম যে সরকার তেলের দাম যদি বৃদ্ধি করে, তবে সেই সঙ্গে গেজেটে উল্লেখ করে দেবে যে তেলের কারণে এত পয়সা করে প্রতি কিলোমিটার ইনক্লুড হবে। কিন্তু সেটি হয়নি। আজ মালিকরা বেশি দামে তেল কিনছে কিন্তু ভাড়া নিচ্ছে আগের রেটে। এভাবে তো মালিকরা লস দিয়ে বাস চালাবে না। আমরা অলরেডি সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি যে, আজকের মধ্যে এটা নিরসন করে দিতে।

তিনি আরও বলেন, সরকার প্রতি বছর বাজেটের আগে একটা ক্যালকুলেশন করে, কস্টিং বডি দেখে বর্তমানে পরিস্থিতি অনুযায়ী জানিয়ে দিতে পারে যে এই বছরের জন্য এই ভাড়া নির্ধারণ করা হলো। এই হিসাবটা যদি ঠিকভাবে করা হয়, তাহলে সেটাই পুরো বছর চলতে পারে। এর মাঝে যদি কোনো বড় পরিবর্তন হয়, যেমন ডলারের দাম হঠাৎ বাড়ে বা কমে, তখন সেগুলোর প্রভাব নিয়ে আলাদা করে আলোচনা করা যেতে পারে। না হলে সাধারণভাবে ওই নির্ধারিত ভাড়াই কার্যকর থাকতে পারে। আমরা এই প্রস্তাবটাই দিয়েছিলাম স্থায়ী সমাধানের জন্য, কিন্তু সেটা গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে না।


ভারতের হাইকমিশনার হয়ে ঢাকায় আসছেন দিনেশ ত্রিবেদী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

হাইকমিশনার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠানো হচ্ছে ভারতের সাবেক কেন্দ্রীয় মন্ত্রী ও বিজেপি নেতা দিনেশ ত্রিবেদীকে। দেশটির গণমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানিয়েছে, সব ঠিক থাকলে ত্রিবেদী প্রণয় ভার্মার স্থলাভিষিক্ত হবেন।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, দীর্ঘদিন পর প্রতিবেশী কোনো দেশে প্রথমবারের মতো একজন রাজনৈতিক ব্যক্তিকে এ পদে নিয়োগ দিচ্ছে ভারত।

দীনেশ ত্রিবেদী আগে তৃণমূল কংগ্রেসের সদস্য হিসেবে রেলমন্ত্রী এবং স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ছিলেন। তবে আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে বাংলাদেশ সরকোরের থেকে সম্মতি নেবে ভারত।

৭৫ বছর বয়সি একজন অভিজ্ঞ রাজনীতিককে বাংলাদেশে ভারতের দূত হিসেবে পাঠানোর এই সিদ্ধান্তটি পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কূটনীতিকদের জন্যও একটি বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ত্রিবেদী ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২১ সালে তৃণমূল কংগ্রেস থেকে পদত্যাগ করেন এবং ৬ মার্চ ২০২১ সালে বিজেপিতে যোগ দেন।

এই নিয়োগ এমন এক সময়ে করা হচ্ছে, যখন ভারত ও বাংলাদেশ তাদের সম্পর্ক পুনর্গঠনের চেষ্টা করছে। শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর দুই দেশের সম্পর্ক অবনতি ঘটে। এবার দীনেশ ত্রিবেদীকে ঢাকায় পাঠিয়ে সেই সম্পর্ক ভারত সরকার পুনরুদ্ধারের আশা করছে বলে হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে।


তেলের দাম বাড়লেও পাম্পে লম্বা লাইন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে দেশে ভোক্তা পর্যায়ে জ্বালানি তেলের দাম পুনর্নির্ধারণ করেছে সরকার। প্রতিটি জ্বালানি পণ্যের দাম একলাফে অনেকটা বাড়লেও রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে মানুষের দীর্ঘ অপেক্ষার চিরচেনা চিত্রটি বদলায়নি। আজ রোববার রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, বর্ধিত মূল্যে তেল কিনতে আসা মানুষের চাপে পাম্পগুলোতে তেলের জন্য দীর্ঘ প্রতীক্ষা আগের মতোই বিরাজ করছে। বিশেষ করে মিরপুর-১৪, মহাখালী, রমনা ও মতিঝিলের মতো ব্যস্ততম এলাকাগুলোতে যানবাহনের দীর্ঘ সারি সড়ক ছাপিয়ে মূল রাস্তায় চলে এসেছে, যা নগরীর স্বাভাবিক ট্রাফিক ব্যবস্থায়ও প্রভাব ফেলছে।

সরেজমিনে মিরপুর-১৪ নম্বর এলাকায় একটি ফিলিং স্টেশনের সামনে প্রায় এক কিলোমিটার দীর্ঘ সারি লক্ষ্য করা যায়। সেখানে মোটরসাইকেল ও প্রাইভেটকারের পাশাপাশি গণপরিবহনের ব্যাপক উপস্থিতি ছিল। অন্যদিকে রমনা এলাকার চিত্র ছিল কিছুটা ভিন্ন; সেখানে ব্যক্তিগত গাড়ির চাপ বেশি থাকলেও বাইকের উপস্থিতি অন্যান্য দিনের তুলনায় প্রায় অর্ধেক দেখা গেছে। তবে মতিঝিল এলাকায় ডিজিটাল পদ্ধতিতে শৃঙ্খলা ফেরাতে কড়াকড়ি আরোপ করা হয়েছে। সেখানে ‘করিম অ্যান্ড সন্স’ ফিলিং স্টেশনসহ বেশ কিছু পয়েন্টে ‘ফুয়েল পাশ’ ছাড়া কোনো বাইককে তেল দেওয়া হচ্ছে না, যা নতুন এই ব্যবস্থার সাথে অভ্যস্ত না হওয়া চালকদের জন্য বাড়তি বিড়ম্বনা তৈরি করেছে।

গতকাল শনিবার বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের জারি করা প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, তেলের দাম এক ধাক্কায় অনেকটা বাড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, প্রতি লিটার অকটেনের দাম ২০ টাকা বাড়িয়ে ১৪০ টাকা করা হয়েছে। পেট্রোলের দাম লিটারপ্রতি ১৯ টাকা বৃদ্ধি পেয়ে দাঁড়িয়েছে ১৩৫ টাকায়। এছাড়া ডিজেলের দাম ১৫ টাকা বেড়ে ১১৫ টাকা এবং কেরোসিনের দাম ১৮ টাকা বাড়িয়ে ১৩০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। উল্লেখ্য যে, চলতি বছরের ১ ফেব্রুয়ারিও জ্বালানি তেলের দাম উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি করা হয়েছিল, যার দুই মাস যেতে না যেতেই আবারও বড় ধরণের মূল্যবৃদ্ধির মুখে পড়লেন দেশের সাধারণ মানুষ।

পাম্পে অপেক্ষারত চালকদের বক্তব্যে চরম ক্ষোভ ও নিরুপায় অবস্থার চিত্র ফুটে উঠেছে। দীর্ঘ সময় লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা বাসচালক সেলিম জানান, পরিস্থিতির ভয়াবহতার কারণে তিনি এখন একদিন তেল সংগ্রহ করেন এবং অন্যদিন গাড়ি চালান। তাঁর মতে, দাম বাড়লেও যদি লাইনে দাঁড়ানোর ভোগান্তি কমত, তবে কিছুটা স্বস্তি পাওয়া যেত। তিনি বলেন, "দাম বেশি নিলে নিক, কিন্তু এই সাত-আট ঘণ্টার প্রতীক্ষা থেকে মুক্তি চাই।" আবার ফুড ডেলিভারি কর্মী মনিরের কণ্ঠে ছিল জীবন সংগ্রামের করুণ চিত্র। তিনি জানান, মোটরসাইকেল চালানোই তাঁর পরিবারের আয়ের একমাত্র উৎস। অকটেনের দাম যাই হোক না কেন, সেটি সংগ্রহ করা তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক। বাইক বন্ধ হয়ে গেলে তাঁর পরিবারের অন্নসংস্থানও বন্ধ হয়ে যাবে।

নীতিনির্ধারকরা বিশ্ববাজারের সাথে সমন্বয় এবং সরবরাহ সচল রাখার স্বার্থে এই মূল্যবৃদ্ধিকে অপরিহার্য বললেও সাধারণ মানুষের প্রাত্যহিক বাজেটে এটি এক বিশাল বোঝা হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশেষ করে পরিবহন ভাড়া ও নিত্যপণ্যের দামের ওপর এর সরাসরি প্রভাব পড়ার আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা। উচ্চমূল্য সত্ত্বেও পাম্পগুলোতে এই নজিরবিহীন ভিড় মূলত জ্বালানি তেলের তীব্র চাহিদা এবং আমদানিনির্ভর অর্থনীতির এক নাজুক পরিস্থিতিকেই নির্দেশ করছে। সরবরাহ ব্যবস্থা পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত এই ভোগান্তি সহসা কাটছে না বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহল।


সচিব পদমর্যদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেলেন সাবেক তিন আমলা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এনজিও বিষয়ক ব্যুরোর মহাপরিচালক পদে ড. মোহাম্মদ জকরিয়া, ভূমি আপিল বোর্ডের চেয়ারম্যান পদে মো. আব্দুল্লাহ আল বাকী এবং ওয়াক্ফ প্রশাসক পদে শফিক উদ্দিন আহমেদকে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) এ সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়। রবিবার (১৯ এপ্রিল) এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, সরকারি চাকরি আইন-২০১৮ এর ৪৯ তারা অনুযায়ী সব সরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত বা যেকোনও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে কর্ম সম্পর্ক পরিত্যাগের শর্তে এই তিন আমলাকে সচিব পদমর্যাদায় চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলেও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে বলা হয়।


বিশ্ববাজারে তেলের দাম দ্বিগুণ হলেও সরকার বাড়িয়েছে সামান্য: জ্বালানি মন্ত্রী

আপডেটেড ১৯ এপ্রিল, ২০২৬ ১৪:০৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক বাজারে অস্থিতিশীল পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি তেল আমদানিতে সরকার দুই বিলিয়ন ডলার বেশি খরচ করেছে উল্লেখ করে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম দ্বিগুণ হওয়ার পরেও সরকার জনগণের কষ্টের কথা বিবেচনা করে দেশে তেলের দাম খুব সামান্য বাড়িয়েছে।

আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এ কথা বলেন তিনি।

জ্বালানি মন্ত্রী বলেন, যুদ্ধ শুরুর আগে বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের যা দাম ছিল, বর্তমান বাজারে তা প্রায় দ্বিগুণ। এই বিপুল দাম বৃদ্ধির ফলে সরকারের ওপর ব্যাপক অর্থনৈতিক চাপ তৈরি হয়েছে।

তবু, আমরা জনগণের স্বস্তির কথা চিন্তা করে সেই অনুপাতে দাম বাড়াইনি।

ইকবাল হাসান আরো বলেন, সরকার ভর্তুকি দিয়ে হলেও বাজার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করছে। জনগণের ভোগান্তি কমাতে এবং অর্থনীতিতে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতেই সরকার এই বাড়তি ব্যয়ের বোঝা নিজে বহন করছে এবং অত্যন্ত সীমিত পরিসরে দাম সমন্বয় করেছে।

উল্লেখ, আজ রবিবার (১৯ এপ্রিল) থেকে দেশব্যাপী নতুন দামে বিক্রি হচ্ছে জ্বালানি তেল।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, পেট্রলের দাম লিটার প্রতি ১৯ টাকা ও অকটেনের দাম লিটার প্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে সরকার। সেইসঙ্গে ডিজেলের দাম বেড়েছে প্রতি লিটারে ১৫ টাকা। এর ফলে, বর্তমানে প্রতি লিটার অকটেনের দাম দাঁড়িয়েছে ১৪০ টাকা, পেট্রলের দাম হয়েছে ১৩৫ টাকা এবং ডিজেলের দাম হয়ে গেছে ১১৫ টাকা। নতুন সিদ্ধান্তে দাম বাড়ানো হয়েছে কেরোসিনেরও।

ভোক্তা পর্যায়ে প্রতি লিটার কেরোসিন এখন বিক্রি হচ্ছে ১৩০ টাকায়।


১০৭ বছরের পুরোনো মাঠ দখলমুক্ত করার ঘোষণা ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর মিরপুর মাজার রোড সংলগ্ন ঐতিহাসিক গাবতলী খেলার মাঠের অবৈধ দখল উচ্ছেদ করে তা পুনরায় খেলার উপযোগী করার ঘোষণা দিয়েছেন যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

রোববার (১৯ এপ্রিল) ১০৭ বছরের পুরোনো এই ঐতিহ্যবাহী মাঠটি পরিদর্শনে গিয়ে তিনি এ অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

মাঠ পরিদর্শন শেষে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক বলেন, এই মাঠে কাজী সালাউদ্দীন থেকে শুরু করে আমি নিজেও ফুটবল খেলেছি। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সারা দেশের গ্রামীণ জনপদসহ ঢাকা মহানগরের যেখানেই খেলার মাঠ দখলদারদের কবলে আছে, তা উদ্ধার করার কার্যক্রম শনিবার থেকে শুরু হয়েছে। আমাদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য প্রতিটি মাঠকে খেলার উপযোগী করে গড়ে তোলা হবে।

গাবতলী মাঠের আইনি জটিলতা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, এখানে আদালতের একটি রায় রয়েছে। আমরা আদালতের প্রতি সম্মান রেখেই আইনি প্রক্রিয়া মোকাবিলা করে মাঠের বৃহৎ অংশটি দখলমুক্ত করব। এখানে কোনোভাবেই অবৈধ স্থাপনা থাকতে দেওয়া হবে না। এটি এলাকাবাসী ও স্কুলের শিশুদের খেলার জন্য উন্মুক্ত থাকবে।

এ সময় ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক শফিকুল ইসলাম খান মিল্টন কড়া হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন, আমরা সরেজমিনে দেখেছি, মাঠের চার ভাগের দুই ভাগের বেশি অংশে অবৈধ স্থাপনা ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা হয়েছে। আইন ও আদালত জনগণের কল্যাণের জন্য। সিটি কর্পোরেশনের আওতায় যত অবৈধ স্থাপনা আছে, তার সব উচ্ছেদ করা হবে। আমরা স্থানীয় সুধীজনদের সঙ্গে কথা বলে একটি নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেব, এর মধ্যে দখল না ছাড়লে কঠোর আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এই মাঠ শুধু খেলাধুলা নয়, এলাকার সামাজিক কর্মকাণ্ড ও সমাবেশের জন্যও উন্মুক্ত রাখা হবে।

স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, আজ থেকে ১০৭ বছর আগে মরহুম মুন্সি লাল মিয়া মিরপুর সিদ্ধান্ত হাই স্কুলের নামে ১.৭ একর আয়তনের এই মাঠটি ওয়াক্ফ করে গিয়েছিলেন। এটি ঢাকা-১৪ আসনের ১০ নম্বর ওয়ার্ডের একমাত্র খেলার মাঠ।

অভিযোগ রয়েছে, বিগত সরকারের আমলে রাজনৈতিক মদদে মাঠের তত্ত্বাবধায়ক বাবলা নামের এক ব্যক্তি করোনা মহামারির সময় রাতের আঁধারে মাঠের জায়গা দখল করে অবৈধ ভবন ও দোকানপাট নির্মাণ করেন।


প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতা বাস্তবায়নে কাজ করছে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাংবাদিকদের জীবনমান উন্নয়নে নতুন উদ্যোগের কথা জানিয়ে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের বাইরেও প্রবীণ সাংবাদিকদের অবসর ভাতার আওতায় আনার কাজে হাত দিয়েছি। ইতোমধ্যে কাজ অনেকটা অগ্রগতি হয়েছে। আশা করছি আমরা একটি সন্তোষজনক ফলাফল দিতে পারব।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বিএমইউ) চিকিৎসাধীন অসুস্থ সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবানকে দেখতে গিয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এ সময় তিনি সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের পক্ষ থেকে অসুস্থ সাংবাদিকের হাতে এক লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক তুলে দেন।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, একটি আধুনিক গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে গণমাধ্যম হলো চতুর্থ স্তম্ভ। রাষ্ট্রের নির্বাহী, আইন ও বিচার বিভাগ যেভাবে সুরক্ষা পায়, গণমাধ্যমকেও সেই আদলে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মাধ্যমে সুরক্ষা দিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে নীতিমালা তৈরির কাজ করছে সরকার।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যম কোনো প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর মধ্যে না থাকায় রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সুরক্ষা বা পৃষ্ঠপোষকতায় কিছু ঘাটতি থাকে। আমরা বিশ্বাস করি, গণমাধ্যমকে যদি স্বাধীন ও দায়িত্বশীলভাবে কাজ করতে দেওয়া হয়, তবে তা শেষ পর্যন্ত জনগণ ও রাষ্ট্রের কল্যাণেই কাজে লাগে। সেই লক্ষ্যেই আমরা কাজ করছি।

তিনি বলেন, সাংবাদিকতার মতো অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও সম্মানজনক পেশায় যারা জীবন দিয়ে কাজ করেন, তাদের জন্য একটি মর্যাদাপূর্ণ কাজের পরিবেশ নিশ্চিত করতে আমরা চেষ্টা করছি।

সিনিয়র সাংবাদিকদের বর্তমান দুরবস্থা নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি বলেন, অনেক মেধাবী সাংবাদিক ব্যক্তিগত জীবনে দুর্দশার মধ্যে আছেন। অথচ তারা অন্য পেশায় থাকলে হয়তো অনেক ভালো করতে পারতেন। গুণী বা রত্নদের সব সময় রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা করা উচিত। প্রতিভা যেখানে থাকবে, রাষ্ট্রের দায়িত্ব সেখানে তাদের পাশে দাঁড়ানো।

চেক হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সাংবাদিক কল্যাণ ট্রাস্টের ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাছির জামাল এবং ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য ও সিনিয়র সাংবাদিক খোন্দকার কাওছার হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী এ সময় চিকিৎসাধীন সাংবাদিক ইসমাইল হোসেন নেগাবানের চিকিৎসার সার্বিক খোঁজখবর নেন এবং তার দ্রুত আরোগ্য কামনা করেন।


একদিনে দেশে আসল ৩৪ প্রবাসীর মরদেহ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বুকভরা স্বপ্ন নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমানো ৩৪ প্রবাসীর নিথরদেহ দেশে ফিরেছে। শনিবার (১৮ এপ্রিল) ভিন্ন ভিন্ন ফ্লাইটে করে কুয়েত, মালয়েশিয়া ও লিবিয়া থেকে এসব মরদেহ হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে পৌঁছায়। বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্ক এসব তথ্য গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছে।

প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, কুয়েত থেকে এসেছে ৩০ জন প্রবাসীর মরদেহ। গতকাল সন্ধ্যায় কুয়েত এয়ারলাইন্সের একটি চার্টার্ড ফ্লাইটে মরদেহগুলো আসে। আর লিবিয়া ও মালয়েশিয়া থেকে আসে দুটি করে মরদেহ।

প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের কর্মকর্তারা জানান, মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে বেশ কয়েকবার কুয়েতের ফ্লাইট বাতিল হয়েছে। এসব প্রবাসীর মরদেহ ওইসব ফ্লাইটে দেশে আসার কথা ছিল। পরবর্তীতে চার্টার্ড ফ্লাইটে এসব প্রবাসীর মরদেহ দেশের আনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।


৯ হাজার ধর্মীয় ও বিভিন্ন শূন্য পদে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ৯ হাজার ধর্মী এবং শূন্য পদসমূহে বিভিন্ন পর্যায়ের শিক্ষক নিয়োগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে সরকার।

শনিবার (১৮ এপ্রিল) তেজগাঁও প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের কবরী হলে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা ড. মাহদী আমীন। বর্তমান সরকারের দুই মাস পূর্ণ হওয়ায় সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রীর ৬০টি উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ তুলে ধরা হয়।

প্রধানমন্ত্রী কার্যালয়ের মুখপাত্র বলেন, ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের মাঠ শিশু-কিশোরদের জন্য উন্মুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে; উপজেলা পর্যায়ে ৬টি খেলায় ৩ জন করে মোট ১৮ জন ক্রীড়া শিক্ষক নিয়োগ শুরু হয়েছে। মহানগর পর্যায়ে উন্মুক্ত খেলার মাঠের সংস্থান করা হচ্ছে। আগামী শিক্ষাবর্ষ থেকে চতুর্থ শ্রেণি থেকে শিক্ষার্থীদের জন্য খেলাধুলা বাধ্যতামূলক করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, আবারও শুরু হয়েছে শিশু কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণের প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি’, প্রথমবারের মতো সংযুক্ত হচ্ছে ক্রীড়া ও কোরআন তিলাওয়াত। জাতীয় সংসদের গ্যালারিতে শিক্ষার্থীদের জন্য ১৫০ আসন বরাদ্দ এবং দেশব্যাপী বইপড়াকে উৎসাহিত করার জন্য বেসরকারি খাতের সাথে যৌথ উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

ড. মাহদী আমীন বলেন, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ২ লাখ শিশুর মাঝে বিনা মূল্যে স্কুল ড্রেস, জুতা ও পাটের তৈরি ব্যাগ বিতরণের লক্ষ্যে কার্যক্রম চলমান রয়েছে। এ ছাড়া বিভিন্ন স্কুলে পর্যায়ক্রমে ‘ওয়ান টিচার, ওয়ান ট্যাব’ পরিকল্পনা বাস্তবায়নের পাইলট কার্যক্রম শুরু হয়েছে। প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ে লার্নিং উইথ হ্যাপীনেস, কারিগরি শিক্ষা, ক্রীড়া, সংস্কৃতি যুক্ত করে শিক্ষাক্রমকে সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, মাদরাসা শিক্ষাকে যুগোপযোগী করতে স্মার্ট ক্লাসরুম স্থাপন, শিক্ষকদের প্রশিক্ষণ এবং কারিগরি কোর্স অন্তর্ভুক্তির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এছাড়া স্পোর্টস কার্ড ও স্পোর্টস অ্যালাউন্স কর্মসূচি চালু করা হয়েছে, যার মাধ্যমে ইতোমধ্যে শতাধিক ক্রীড়াবিদকে ভাতা দেওয়া হচ্ছে।


হামে আরও ৪ শিশুর মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৯৪২

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

হামের উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৪ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার সকাল ৮টা থেকে শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টার মধ্যে এসব শিশুর মৃত্যু হয়। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, একই সময়ে হামের উপসর্গ নিয়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৪২ জন রোগী। এর মধ্যে হাম শনাক্ত হয়েছে ৮৬ জনের।

চলতি বছর দেশে এ পর্যন্ত হামে ৩৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আর হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ১৭৮ শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্যমতে, গত ১৫ মার্চ থেকে ১৮ এপ্রিল পর্যন্ত হাম শনাক্ত হয়েছে মোট ৩ হাজার ২৭৮ জনের।

সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় সারাদেশে ২২ হাজার ৪০৯ শিশুর মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা যায়। এসবের মধ্যে ১১ হাজার ৭৫১ জনকে চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।


২ জুলাই থেকে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা আগামী ২ জুলাই থেকে শুরু হতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহসানুল হক মিলন। শনিবার (১৮ এপ্রিল) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অংশীজনদের সঙ্গে এক সমন্বয় সভায় এই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।

শিক্ষামন্ত্রী আসন্ন এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষা সুষ্ঠুভাবে গ্রহণের নিমিত্ত অংশীজনদের সাথে মতবিনিময় করেন। মতবিনিময় সভায় মন্ত্রণালয়, বোর্ড, জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, অভিভাবক ও শিক্ষার্থীরা সরাসরি ও জুম মিটিংয়ে অংশগ্রহণ করেন।

বৈঠক শেষে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, দেশের সার্বিক পরিস্থিতি এবং শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি বিবেচনায় রেখে জুলাইয়ের প্রথম সপ্তাহ থেকেই পরীক্ষা শুরুর তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে।

সাত বছর পরে এবার পূর্ণ সিলেবাসে পরীক্ষা হচ্ছে। এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের ক্লাস শুরু হয়েছে ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে। সে হিসেবে দুই বছর পূর্ণ হতে এ বছর সেপ্টেম্বর পর্যন্ত সময় চান শিক্ষার্থীরা। তবে বিস্তারিত আলোচনা করে ২ জুলাই পরীক্ষার তারিখ নির্ধারণ করা হয়।


হরমুজের থেকেও বড় বাধা অন্তর্বর্তী সরকারের মার্কিন চুক্তি: ড. দেবপ্রিয়

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে মার্কিন বাণিজ্যিক চুক্তি জ্বালানি আমদানিতে হরমুজ প্রণালির চাইতেও বড় বাধা বলে মন্তব্য করে সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) সম্মানীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শেষ মুহূর্তে যে ‘অসম’ চুক্তি করেছে, তা জ্বালানি নিরাপত্তা ও সার্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি। শনিবার (১৮ এপ্রিল) এফডিসিতে প্রাক-বাজেট ছায়া সংসদে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেছেন। অনুষ্ঠানটি আয়োজন করেছে ডিবেট ফর ডেমোক্র্যাসি।

ড. দেবপ্রিয় বলেন, আমলা, ব্যবসায়ী ও রাজনীতিবিদদের অসাধু যোগসাজশে জ্বালানি খাতে তোষণমূলক নীতি অনুসরণ করা হয়েছিল। উৎপাদনমুখী বিনিয়োগের পরিবর্তে কায়েমী স্বার্থে আমদানিমুখী জ্বালানি নির্ভরতাকে প্রাধান্য দিয়ে এলএনজি নিয়ে আসা হয়েছে। বাপেক্সের মতো প্রতিষ্ঠানকে ঠুটো জগন্নাথ করা হয়। জ্বালানি আমদানিতে হরমুজ প্রণালি বড় বাধা নয়। অন্তর্বর্তী সরকার যুক্তরাষ্ট্রের সাথে শেষ মুহূর্তে যে ‘অসম’ চুক্তি করেছে, তা জ্বালানি নিরাপত্তা ও সর্বভৌমত্বের জন্য বড় ঝুঁকি। তবে যুক্তরাষ্ট্র রাশিয়া থেকে তেল আমদানির শর্ত এক মাস রহিত করার সুযোগ বাংলাদেশকে নেওয়া উচিত। জ্বালানি নিরাপত্তা ইস্যুতে সরকার যে কেবিনেট সাব কমিটি করেছে, সে কমিটি কি করছে স্বচ্ছতার মাধ্যমে তা জনগণকে অবহিত করে জাতীয় সংসদে আলোচনার দাবি রাখে।

তিনি বলেন, নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী সংস্কারের লক্ষ্যে সরকার রিফর্ম কমিশন গঠনের কথা বললেও তা এখনো দৃশ্যমান হয়নি। সরকারি অর্থ ব্যবস্থাপনা, রাজস্ব আয় ও প্রণোদনার ক্ষেত্রে সরকার কী ধরনের সংস্কার করতে চায় তা জনসম্মুখে প্রকাশ করা উচিত।


banner close