রোববার, ১৬ আগস্ট ২০২৬
১ ভাদ্র ১৪৩৩

বর্শার আঘাতে মামাকে হত্যা: ২৯ বছর আত্মগোপনে, ভুয়া পরিচয়ে করেন বিয়েও

র‌্যাবের হাতে গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান ওরফে রফিক মাতুব্বর। ছবি: দৈনিক বাংলা
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১৮:৫৬

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় মামাকে হত্যার মামলায় যাবজ্জীবন সাজাপ্রাপ্ত আসামি আব্দুল মান্নান ওরফে রফিক মাতুব্বরকে (৫২) গ্রেপ্তার করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)। র‌্যাব বলছে, ঘটনার পর থেকে দীর্ঘ ২৯ বছর আত্মগোপনে ছিলেন তিনি।

গত মঙ্গলবার রাত পৌনে ৯টার দিকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব-১০। বুধবার দুপুরে র‌্যাব-১০ এর জ্যেষ্ঠ সহকারী পরিচালক (গণমাধ্যম) এম ফখরুল হাসান বিষয়টি দৈনিক বাংলাকে নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, ১৯৯৪ সালের ৭ জুন ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া মেটাতে গ্রেপ্তার আসামির মামা ওসমান খামারু তাদের বাড়িতে যান। একপর্যায়ে ভাগ্নে আব্দুল মান্নান তার মামাকে হত্যা করেন। পরে এ ঘটনায় মামলা হলে তিনি আত্মগোপন করেন। বিচার কার্য শেষে আদালত তাকে যাবজ্জীবন কারদণ্ড ও দুই হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ছয় মাসের কারাদণ্ড দেন। তিনি ঘটনার পর থেকে ২৯ বছর পালিয়ে ছিলেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার আব্দুল মান্নান ওই মামলায় যাবজ্জীবন সাজার প্রাপ্ত বলে স্বীকার করেছেন।

ফখরুল হাসান বলেন, প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায়, ১৯৯৪ সালের ৭ জুন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে গ্রেপ্তার আসামি আব্দুল মান্নান তার আপন ছোট ভাই মো. নান্নুর সঙ্গে পারিবারিক বিষয়ে ঝগড়া বিবাদে লিপ্ত হন। ওই দিন দুপুর দেড়টার দিকে আব্দুল মান্নানের আপন ছোট মামা ভুক্তভোগী মৃত ওসমান খামারু (২৫) ভাইয়ে ভাইয়ে ঝগড়া মেটানোর জন্য তাদের বাড়িতে আসেন। ভুক্তভোগী ওসমান খামরু বাড়িতে আসার সঙ্গে সঙ্গে আব্দুল মান্নান তার মামার দিকে ধারালো বর্শা ছুড়ে মারেন। এতে ওসমান খামরু ঘটনাস্থলেই মারা যান। পরে নিহতের পরিবার ভেড়ামারা থানায় আব্দুল মান্নানের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন।

মামলার পর থেকে আব্দুল মান্নান দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিচয় গোপন করে আত্মগোপন করেছিলেন। সর্বশেষ ফরিদপুরের ভাঙ্গা থানার বাবলাতল এলাকায় নিজের নাম ও পরিচয় গোপন করে ভুয়া পরিচয়ে বিয়ে করে স্থায়ীভাবে বসবাস করে আসছিলেন।

এ ঘটনায় গ্রেপ্তার আসামিকে সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে বলেও জানান এই র‌্যাব কর্মকর্তা।

বিষয়:

নির্বাচিত

ফল আমদানি সহজ করতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের বড় উদ্যোগ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ফল আমদানিতে ঋণপত্র (এলসি) খোলার ক্ষেত্রে মার্জিন সংরক্ষণের শর্ত তুলে দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এতদিন এ ধরনের পণ্যে এলসি খোলার ক্ষেত্রে শতভাগ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হতো। রোববার বাংলাদেশ ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ থেকে এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করা হয়েছে।

কেন্দ্রীয় ব্যাংক বলছে, বিলাসী পণ্যের অন্তর্ভুক্ত হওয়ায় এতদিন ফল আমদানির জন্য এলসি খুলতে ১০০ শতাংশ মার্জিন সংরক্ষণ করতে হতো। তবে জনসাধারণ বিশেষ করে শিশু, রোগী, বৃদ্ধ ও গর্ভবতী মায়ের নিত্যদিনের খাদ্য তালিকায় ফল অপরিহার্য খাদ্য উপাদান। তাই জনস্বাস্থ্য ও পুষ্টি চাহিদা পূরণের বিষয়টি বিবেচনা করে ফল আমদানিতে শতভাগ মার্জিন সংরক্ষণের শর্ত প্রত্যাহার করা হয়েছে।

শতভাগ মার্জিনের পরিবর্তে ব্যাংকগুলো ব্যাংকার গ্রাহক সম্পর্কের ভিত্তিতে এ হার নির্ধারণ করতে পারবে। খাত সংশ্লিষ্টরা বলছেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংকের এই নির্দেশনার ফলে বাজারে প্রতিযোগিতা বাড়বে। এতে পণ্যটির সরবরাহ বাড়লে কমবে দাম।


নির্বাচিত

শেখ হাসিনাকে ফেরত পাঠানোর সিদ্ধান্ত হবে ভারতের আদালতে

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশে ফেরত পাঠানোর বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবে ভারতের আদালত। দেশটির শীর্ষস্থানীয় সংবাদমাধ্যম ‘ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস’-এর এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

ভারতের উচ্চপদস্থ সরকারি কর্মকর্তাদের বরাত দিয়ে প্রতিবেদনটিতে বলা হয়, এই প্রত্যর্পণের প্রক্রিয়াটি কোনো রাজনৈতিক বা কূটনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে সম্পন্ন হবে না। এটি পুরোপুরি আদালতের আইনি বিচারালয়ে নিষ্পত্তি হবে, যেখানে খতিয়ে দেখা হবে বাংলাদেশে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলো ভারতের আইনেও অপরাধ হিসেবে গণ্য কি না।

সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তাকে উদ্ধৃত করে বলা হয়, ‘আদালতের আইনি প্রক্রিয়ায় যা খতিয়ে দেখা হবে তা হলো যেসব অপরাধের অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো ভারতের প্রচলিত আইনি কাঠামোতেও অপরাধ হিসেবে শ্রেণিবদ্ধ কি না।’

অপরদিকে আরেক কর্মকর্তা সূত্রে জানা গেছে, শেখ হাসিনা নিজেও আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন।

গত ৫ আগস্ট দিল্লিতে ভার্চুয়াল এক সংবাদ সম্মেলনে অংশ নিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘ডিসেম্বর আমাদের বিজয়ের মাস, তাই আমি ডিসেম্বরেই ফিরে যেতে চাই।’

শেখ হাসিনাকে হস্তান্তরের বিষয়ে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আহ্বানের জবাবে ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল জানান, ‘আমরা আমাদের নির্ধারিত ও প্রতিষ্ঠিত পদ্ধতি অনুসরণ করে বিষয়টি পর্যালোচনা করছি। এ সংক্রান্ত নতুন কোনো তথ্য থাকলে পরবর্তীতে জানানো হবে।’

একই সঙ্গে ভারতীয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক কর্মকর্তা নিশ্চিত করেছেন যে, বাংলাদেশের পক্ষ থেকে পাঠানো প্রত্যর্পণ আবেদনের সঙ্গে ২০১৩ সালের দ্বিপক্ষীয় চুক্তির শর্তানুযায়ী প্রয়োজনীয় আইনি নথিপত্র যুক্ত রয়েছে।

প্রতিবেদনে আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্যদের বরাতে আরও উল্লেখ করা হয়, দিল্লিতে সুরক্ষিত স্থানে (সেফ হাউস) অবস্থান করে দলের নেতাকর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছেন শেখ হাসিনা। সরাসরি বৈঠকের পাশাপাশি তিনি নিজেকে ফিট রাখতে নিয়মিত টেবিল টেনিস খেলছেন।

তবে ভারতের আদালতে প্রত্যর্পণ প্রক্রিয়া শুরু হলে তা আইনিভাবে চ্যালেঞ্জ করার পরিকল্পনা করছেন আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিরা।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্ট আন্দোলনের মুখে শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নেন এবং পরবর্তীতে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল তাকে মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেন।

আওয়ামী লীগের প্রতিনিধিদের যুক্তি হতে পারে ওই রায়টি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের মেয়াদে দেওয়া হয়েছিল, যখন ড. মুহাম্মদ ইউনূস প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্বে ছিলেন।

আইনি বাধ্যবাধকতার ক্ষেত্রে ২০১৩ সালের ভারত-বাংলাদেশ প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী, আদালতের মাধ্যমে সাজাপ্রাপ্ত বা অভিযুক্ত ব্যক্তিকে হস্তান্তরের বিধান রয়েছে।

যদিও চুক্তির ৬ নম্বর অনুচ্ছেদ অনুযায়ী ‘রাজনৈতিক প্রকৃতির’ অপরাধ হস্তান্তরের আওতামুক্ত, তবে হত্যা, নরহত্যা ও আগ্নেয়াস্ত্র ব্যবহারের মতো ১২টি গুরুতর অপরাধ এর ব্যতিক্রম। পুরো বিষয়টি ভারতের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কনস্যুলার, পাসপোর্ট ও ভিসা (সিপিভি) বিভাগ এবং আদালতের নিয়োজিত ম্যাজিস্ট্রেট তদন্ত করে দেখবেন।


নির্বাচিত

পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে যেকোনো সময় ঘোষণা: প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি কর্মচারীদের নতুন পে-স্কেল চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে এবং যেকোনো মুহূর্তে তা ঘোষণা হতে পারে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার। রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এ বি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, পে-স্কেল বিবেচনাধীন আছে এবং সরকার এ ব্যাপারে প্রতিশ্রুতি দিয়েছে। এটা আমরা বাস্তবায়ন করব। এটি চূড়ান্ত পর্যায়ে আছে। যেকোনো মুহূর্তে পে-স্কেল ঘোষণা হতে পারে।

বাজার পরিস্থিতি প্রসঙ্গে তিনি বলেন, বাজারে কিছু সমস্যা আছে, এটাও আমরা চেষ্টা করছি। আপনারা লক্ষ করছেন, কিছু জ্বালানি এবং বিদ্যুতের কারণে হয়তো প্রোডাকশন চেইন একটু ডিস্টার্ব (ক্ষতিগ্রস্ত) হয়েছে। এটা ঠিক হয়ে যাবে ইনশাআল্লাহ।

স্বাধীনতা পরে বাংলাদেশে সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এখন পর্যন্ত মোট আটবার পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছে। সর্বশেষ পে স্কেল ঘোষণা করা হয়েছিল ২০১৫ সালে।


নির্বাচিত

১৭ বছরের সব হত্যার বিচার করা হবে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, গত ১৭ বছরে যতগুলো হত্যাকাণ্ড ঘটেছে সব হত্যার বিচার করা হবে। দেশে ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হবে। ১৭ বছরে বিএনপি করার অপরাধে ৬০ লাখের বেশি বিএনপি নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। এসব মামলায় এমন ব্যক্তিকেও আসামি করা হয়েছে, যিনি ২০ বছর আগেই মারা গেছেন।

রোববার বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির আধুনিক দশতলা ভবন নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর উদ্বোধন শেষে আইনজীবীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বলেন, ‘১/১১-এর সময় বেগম খালেদা জিয়াকে দেশ ছেড়ে চলে যাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। তাকে বলা হয়েছিল, দেশ ছেড়ে গেলে সব ধরনের সুযোগ-সুবিধা দেওয়া হবে এবং রাজনীতি করতে হবে না। এমনকি তার দুই সন্তানকে হত্যার হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া দেশ ছেড়ে যাননি। অন্যদিকে আরেক নেত্রী দেশের কথা না ভেবে সুযোগ-সুবিধা নিয়ে বিদেশে চলে গেছেন।’

আইনমন্ত্রী আরও বলেন, ‘বিএনপি সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর মাত্র ছয় মাসের মধ্যে জনগণের আস্থা অর্জন করতে সক্ষম হয়েছে। জনগণের দেওয়া প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে। পর্যায়ক্রমে দেশের সব নাগরিককে এসব কার্ডের আওতায় আনা হবে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘তারেক রহমান দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর জন্য ঢাকায় ২৮টি গাড়ির পরিবর্তে ৪টি গাড়ির ব্যবস্থা করা হয়েছে। ফলে একদিকে যেমন যানজট কমেছে, অন্যদিকে কমেছে সরকারি ব্যয়। প্রধানমন্ত্রী হয়েও তিনি ১০০ টাকার বেশি মূল্যের খাবার গ্রহণ করেন না- এমন উদাহরণ দিয়ে তিনি সরকারের ব্যয় সংযম ও সাধারণ মানুষের প্রতি দায়বদ্ধতার কথা তুলে ধরেন।’

তিনি বলেন, ‘গত ১৭ বছরে দেশের রাজনীতিকে ধ্বংস করা হয়েছে এবং আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় বিগত সরকার ব্যর্থ হয়েছে। একসময় ‘লাল টেলিফোনের’ মাধ্যমে বিচার কার্যক্রম পরিচালনার অভিযোগ ছিল। সেই সংস্কৃতি দূর করে বিচার বিভাগের স্বাধীনতা ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করতে হবে।’

মতবিনিময়কালে আইনজীবীদের বিভিন্ন সমস্যার কথা শুনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘জীবনানন্দ দাশের বরিশালে বেড়াতে এসে মনে হচ্ছে, কবি যেমন বলেছিলেন, মানুষের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি পৃথিবীর পথে এসে। তার সঙ্গে কণ্ঠ মিলিয়ে বলতে পারি, আইনজীবীদের ব্যথা আমি পেয়ে গেছি বরিশাল বারে এসে।’

ইরান যুদ্ধের প্রসঙ্গ টেনে আইনমন্ত্রী বলেন, ‘পুরো পৃথিবী যখন বিপর্যস্ত, তখন বিশ্বের সব দেশেই তেলের দাম বেড়েছে। আমরা চেষ্টা করেছি সবার শেষে তেলের দাম বাড়াতে।’

ফ্যামিলি কার্ড প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজকে যারা গুপ্ত-সুপ্ত আছে, তারা ফ্যামিলি কার্ডের বিপক্ষে ছিলেন। বিএনপি ক্ষমতায় এসে ফ্যামিলি কার্ড চালু করেছে। আগামী পাঁচ বছরে দেশের সব পরিবারের কাছে ফ্যামিলি কার্ড পৌঁছে যাবে।’

এর আগে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত মতবিনিময় সভায় প্রধান বক্তা হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান ও স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন। অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বরিশাল সদর আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ার।

এছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বরিশাল সিটি করপোরেশনের প্রশাসক অ্যাডভোকেট বিলকিস জাহান শিরীন, জেলা পরিষদ প্রশাসক আকন কুদ্দুসুর রহমান, জেলা ও দায়রা জজ সৈয়দ ফারুক হোসেন, বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আবুল কালাম আজাদ ইমন।


নির্বাচিত

ভূমধ্যসাগরে ১১ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ২১:২০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লিবিয়া থেকে সাগর পথে অবৈধভাবে গ্রিসে যাওয়ার সময় ভূমধ্যসাগরে অন্তত ১১ বাংলাদেশি অভিবাসনপ্রত্যাশীর মৃত্যু হয়েছে। জীবিত উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্য অনুযায়ী, খাবার ও পানির সংকটে তাদের চোখের সামনেই কয়েকজনের মৃত্যু হয়। মরদেহগুলোতে পচন ধরে দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়ায় সেগুলো সাগরে ফেলে দিতে বাধ্য হন তারা।

গত ৩ আগস্ট রাতে ৪২ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে নিয়ে একটি ইঞ্জিনচালিত নৌকা গ্রিসের উদ্দেশে লিবিয়ার তাবারুক উপকূল থেকে যাত্রা শুরু করে। নৌকাটিতে থাকা ৪২ জনের মধ্যে ৩৮ জনই বাংলাদেশি বলে জানা গেছে।

যাত্রা শুরুর কিছুক্ষণ পরই ঝড়ের কবলে পড়ে নৌকায় থাকা খাবার ও পানির মজুত সাগরে ভেসে যায়। এরপর খাবার ও পানি ছাড়াই নৌকাটি নিয়ে বিপজ্জনক যাত্রা অব্যাহত রাখেন অভিবাসনপ্রত্যাশীরা। গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর হঠাৎ নৌকার ইঞ্জিন বিকল হয়ে যায়। এতে নৌকাটি সাগরে ভাসতে থাকে।

এভাবে টানা নয় দিন ভূমধ্যসাগরে ভেসে থাকার পর বাতাসের স্রোতে নৌকাটি মিসরের মারসা মাতরুহ উপকূলের কাছে পৌঁছে যায়। পরে মিশরের নিরাপত্তা বাহিনী তাদের উদ্ধার করে। উদ্ধার হওয়া বাংলাদেশিদের মধ্যে ১৮ জনকে মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হাসপাতালের চিকিৎসাধীন সুনামগঞ্জের শান্তিগঞ্জ থানার পাথারিয়া গ্রামের আব্দুল হেকিমের ছেলে আব্দুল করিম ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলেন, আমরা ৪২ জন গ্রিসের উদ্দেশে রওয়ানা হয়েছিলাম। গ্রিসের কাছাকাছি পৌঁছানোর পর আমাদের নৌকার ইঞ্জিন নষ্ট হয়ে যায়। ফলে আর সামনে এগোতে পারিনি। এ সময় আমাদের উদ্ধার করতে দালালের লোকজন কিংবা অন্য কোনো সংস্থা এগিয়ে আসেনি।

কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি আরও বলেন, আমাদের কাছে খাবার বা পানি কিছুই ছিল না। খাবার ও পানির অভাবে চোখের সামনেই নয়জন বাংলাদেশি মারা গেছেন। তাদের মরদেহ সাগরে ফেলে দিতে হয়েছে। পরে আরও দুজন মারা যান। দীর্ঘ সময় লবণাক্ত পানিতে থাকার কারণে আমাদের শরীরের বিভিন্ন স্থানে পচন ধরেছে এবং দুর্গন্ধ ছড়াচ্ছে।

তিনি বলেন, আমরা এখন মারসা মাতরুহ হাসপাতালে ভর্তি। এখানকার চিকিৎসকরা আমাদের চিকিৎসা দিচ্ছেন এবং ভালো খাবারেরও ব্যবস্থা করছেন। আমাদের বাঁচান। আমরা দেশে ফিরে যেতে চাই।

এ বিষয়ে মিসরে বাংলাদেশ দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা জানায়, আহত বাংলাদেশি নাগরিকদের বিষয়ে মারসা মাতরুহ জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক ডা. শরিফ এবং স্থানীয় পুলিশ স্টেশনের বাদরান নামের এক কর্মকর্তার সঙ্গে দূতাবাসের নিয়মিত যোগাযোগ রয়েছে।

স্থানীয় পুলিশ দূতাবাসকে জানিয়েছে, তারা মোট ৩০ জন অভিবাসনপ্রত্যাশীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে ভর্তি করেছে। এর মধ্যে ১৮ জনের শারীরিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় তাদের নিয়মিত চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। অন্যদের প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে পুলিশের হেফাজতে রাখা হয়েছে। তবে উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের জাতীয়তা সম্পর্কে পুলিশ এখনো নিশ্চিত হতে পারেনি।

দূতাবাস আরও জানায়, হাসপাতালে ভর্তি আহতদের চিকিৎসার অগ্রগতি এবং সার্বিক পরিস্থিতি সম্পর্কে নিয়মিত খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। আহত বাংলাদেশি নাগরিকরা সুস্থ হয়ে উঠলে মিশরের সংশ্লিষ্ট আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আটক বাংলাদেশিদের ট্রাভেল পারমিটের মাধ্যমে যত দ্রুত সম্ভব দেশে ফেরত পাঠানোর ব্যবস্থা করা হবে।


নির্বাচিত

ডেঙ্গুতে আরও তিনজনের মৃত্যু, হাসপাতালে ভর্তি ৮০৫

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশজুড়ে ডেঙ্গুজ্বরে আক্রান্ত হয়ে আরও ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। এতে চলতি বছর মশাবাহিত রোগটিতে মোট প্রাণহানি ৭০ জনে দাঁড়াল। অন্যদিকে গত একদিনে নতুন করে ৮০৫ জন ডেঙ্গু নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। রোববার স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ডেঙ্গুবিষয়ক নিয়মিত প্রতিবেদন থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর জানিয়েছে, গত একদিনে ডেঙ্গুতে মারা যাওয়া তিনজনই ঢাকা বিভাগের বাসিন্দা। পাশাপাশি এই সময়ে ঢাকা বিভাগেই সবচেয়ে বেশি (৪১৭ জন) ডেঙ্গুরোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এ ছাড়াও গত ২৪ ঘণ্টায় খুলনা বিভাগে ৯৭ জন ছাড়াও চট্টগ্রাম বিভাগে ৮২, বরিশাল বিভাগে ৮০, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬৫, রাজশাহী বিভাগে ৫৫, রংপুর বিভাগে ৭ এবং সিলেট বিভাগে ডেঙ্গু নিয়ে ২ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

সবমিলিয়ে চলতি বছর ১ জানুয়ারি থেকে রোববার পর্যন্ত ডেঙ্গুতে মোট ৭০ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে দুই সিটি করপোরেশনসহ শুধু ঢাকা বিভাগেই ডেঙ্গুতে ৩৩ জন মারা গেছেন। এ ছাড়া উল্লেখিত সময়ে খুলনা বিভাগে ১৫ জন ছাড়াও বরিশাল বিভাগে ৮, ময়মনসিংহ বিভাগে ৬, চট্টগ্রাম বিভাগে ৫ জন এবং রাজশাহী, রংপুর ও সিলেট বিভাগে ডেঙ্গুতে একজন করে মোট ৩ জনের মৃত্যু হয়েছে।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় (গত শনিবার সকাল আটটা থেকে রোববার সকাল আটটা পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এই সময়ে ৮০টি শিশু হামে আক্রান্ত হয়েছে এবং হামের উপসর্গজনিত রোগীর সংখ্যা ১ হাজার ২১।

রোববার বিকেলে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হামবিষয়ক হালনাগাদ প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৬ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। তবে নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো শিশুর মৃত্যু হয়নি। এ নিয়ে গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত সারা দেশে হামের উপসর্গ নিয়ে মৃত্যু হয়েছে মোট ৮০৯টি শিশুর। আর হামে আক্রান্ত হয়ে আরও ৯৯টি শিশু প্রাণ হারিয়েছে। অর্থাৎ হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে এই সময়ে মোট ৯০৮ শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া, ৯৬৩টি শিশু নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে, আর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছে ৮৫০টি শিশু।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য বলছে, ১৫ মার্চ থেকে আজ পর্যন্ত মোট সন্দেহজনক হাম রোগীর সংখ্যা ১ লাখ ৪২ হাজার ৭৯৭, আর নিশ্চিত হাম রোগীর সংখ্যা ১৭ হাজার ৮৮০। এর মধ্যে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে মোট ১ লাখ ২৪ হাজার ৪৫৭ রোগী, যাদের মধ্যে ১ লাখ ১৯ হাজার ৯৩৯ জন ছাড়পত্র পেয়ে ইতোমধ্যে বাড়ি ফিরেছে।


নির্বাচিত

গণপূর্ত অধিদপ্তরের আরও ৪০৯ প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপূর্ত অধিদপ্তরের বদলি প্রক্রিয়ায় স্বচ্ছতা ও শৃঙ্খলা বজায় রাখতে অভিনব এক পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে সরকার। লটারির মাধ্যমে অধিদপ্তরের আরও ৪০৯ জন প্রকৌশলীকে দেশের বিভিন্ন স্থানে বদলি করা হয়েছে। আজ রোববার (১৬ আগস্ট) রাজধানীর সেগুনবাগিচায় অবস্থিত পূর্ত ভবনের সম্মেলন কক্ষে এই লটারি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

বিবরণ অনুযায়ী, লটারির মাধ্যমে ১৫২ জন সহকারী প্রকৌশলী (সিভিল), ৬৭ জন সহকারী প্রকৌশলী (ই/এম), ১৩৫ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলী (সিভিল) এবং ৫৫ জন উপবিভাগীয় প্রকৌশলীকে (ই/এম) নতুন কর্মস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় ঢাকা বিভাগে সবচেয়ে বেশি সংখ্যক প্রকৌশলীকে বদলি করা হয়েছে, যার সংখ্যা সহকারী প্রকৌশলী পর্যায়ে ১০০ এবং উপবিভাগীয় প্রকৌশলী পর্যায়ে ৭৯ জন। এছাড়া চট্টগ্রাম, রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল, সিলেট, ময়মনসিংহ ও রংপুর বিভাগের বিভিন্ন কার্যালয়ে আনুপাতিক হারে প্রকৌশলীদের পদায়ন করা হয়েছে।

মন্ত্রণালয় জানিয়েছে যে, কোনো প্রকার রাজনৈতিক বা ব্যক্তিক প্রভাবমুক্ত থেকে নিরপেক্ষভাবে পদায়ন নিশ্চিত করতেই এই লটারি পদ্ধতির প্রয়োগ করা হচ্ছে। লটারি কার্যক্রম চলাকালে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. সারোয়ার আলমসহ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন প্রকৌশলীরা উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য যে, এর আগেও জুলাই ও আগস্ট মাসের শুরুর দিকে একইভাবে কয়েক দফায় সহস্রাধিক উপ-সহকারী প্রকৌশলীকে লটারির মাধ্যমে বদলি করা হয়েছিল।


নির্বাচিত

বিগত ১৭ বছরের সকল হত্যাকাণ্ডের বিচার হবে: আইনমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বরিশাল ব্যুরো

আইন, বিচার ও সংসদবিষয়কমন্ত্রী অ্যাডভোকেট মো. আসাদুজ্জামান বলেছেন, বিগত ১৭ বছরে দেশে যতগুলো হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, তার প্রত্যেকটির সুষ্ঠু বিচার নিশ্চিত করা হবে। বর্তমান সরকার দেশে প্রকৃত ন্যায়বিচার ও আইনের শাসন প্রতিষ্ঠায় অঙ্গীকারবদ্ধ। আজ রোববার বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির আধুনিক দশতলা ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

আইনমন্ত্রী বিগত সরকারের সমালোচনা করে বলেন, গত ১৭ বছরে কেবল বিএনপি করার অপরাধে ৬০ লাখের বেশি নেতাকর্মীর বিরুদ্ধে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত মামলা দেওয়া হয়েছে। এমনকি অনেক মামলায় মৃত ব্যক্তিদেরও আসামি করা হয়েছে। তিনি ১/১১-এর প্রেক্ষাপট তুলে ধরে বলেন, “বেগম খালেদা জিয়াকে দেশ ছাড়ার প্রস্তাব দিয়ে নানা সুযোগ-সুবিধার প্রলোভন এবং তাঁর সন্তানদের হত্যার হুমকি দেওয়া হলেও তিনি আপস করেননি। অন্যদিকে আরেকজন নেত্রী ব্যক্তিগত সুবিধা নিয়ে বিদেশে পাড়ি জমিয়েছেন।”

সরকারের বর্তমান কার্যক্রমের ওপর আলোকপাত করে মন্ত্রী জানান, বিএনপি সরকার দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র ছয় মাসের মধ্যেই জনগণের আস্থা অর্জনে সফল হয়েছে। ইতোমধ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড বিতরণ কার্যক্রম শুরু হয়েছে এবং পর্যায়ক্রমে দেশের প্রতিটি নাগরিককে এই সেবার আওতায় আনা হবে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের মিতব্যয়িতা ও সাধারণ জীবনযাপনের উদাহরণ দিয়ে তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত ২৮টি গাড়ির পরিবর্তে এখন মাত্র ৪টি গাড়ি ব্যবহৃত হচ্ছে, যা একদিকে ব্যয় সংকোচন করছে এবং অন্যদিকে যানজট কমাতে সহায়ক হচ্ছে।”

বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে আসাদুজ্জামান বলেন, অতীতে ‘লাল টেলিফোনের’ মাধ্যমে বিচার প্রক্রিয়া প্রভাবিত করার যে সংস্কৃতি ছিল, তা চিরতরে নির্মূল করা হবে। তিনি আইনজীবীদের সমস্যার কথা শুনে কবি জীবনানন্দ দাশের কবিতার চরণে তাঁদের প্রতি সহমর্মিতা প্রকাশ করেন। এছাড়া বৈশ্বিক সংকটের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রভাবে বিশ্বজুড়ে তেলের দাম বাড়লেও বাংলাদেশ সরকার অত্যন্ত ধৈর্য ও কৌশলের সাথে সবচেয়ে দেরিতে দাম বাড়ানোর চেষ্টা করেছে।

ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। বরিশাল জেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি আবুল কালাম আজাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা ছিলেন বাংলাদেশ বার কাউন্সিলের ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদিন। বিশেষ অতিথি হিসেবে সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. মজিবর রহমান সরোয়ারসহ স্থানীয় প্রশাসন ও আইনজীবী সমিতির শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অলি আহমদের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে নির্বাচনী কার্যক্রম শুরু করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এই প্রক্রিয়ার অংশ হিসেবে আজ রবিবার বেলা ১১টার দিকে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে অবস্থিত নির্বাচন ভবনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সম্মেলন কক্ষে ১১ দলীয় জোটের মনোনীত প্রার্থী অলি আহমদের মনোনয়নপত্রটি যাচাই-বাছাই শেষে বৈধ বলে ঘোষণা করা হয়েছে। এই সময় নির্বাচন কমিশনে সংশ্লিষ্ট জোটের শীর্ষ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

ইসি সূত্রে জানা গেছে, এবারের নির্বাচনে শীর্ষ পদের জন্য মোট তিনটি মনোনয়নপত্র জমা পড়েছে। এর মধ্যে ক্ষমতাসীন দল বিএনপি একটি এবং জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের পক্ষ থেকে দুটি আবেদন জমা দেওয়া হয়। অলি আহমদের মনোনয়নপত্রটি বৈধ হওয়ার পর দুপুর ১২টার দিকে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের দাখিলকৃত নথিপত্র যাচাই-বাছাইয়ের কাজ শুরু করার কথা রয়েছে।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, সকল প্রার্থীর নথিপত্র পরীক্ষা শেষে কমিশন আনুষ্ঠানিকভাবে বৈধ প্রার্থীদের চূড়ান্ত নাম প্রকাশ করবে। এরপর কোনো প্রার্থী যদি প্রতিদ্বন্দ্বিতা থেকে সরে আসতে চান, তবে আগামী ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তাঁদের প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ থাকবে।


নির্বাচিত

প্রধানমন্ত্রীর ভারত সফরের আগে অনুকূল পরিবেশ চায় বাংলাদেশ: পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আসন্ন ভারত সফরের পূর্বে একটি ইতিবাচক ও সহায়ক পরিবেশ তৈরির লক্ষ্যে নয়াদিল্লির প্রতি বিশেষ আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার। আজ রবিবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিশেষ ব্রিফিংয়ে অতিরিক্ত পররাষ্ট্র সচিব ও জনকূটনীতি অনুবিভাগের মুখপাত্র একেএম শহীদুল করিম এই কূটনৈতিক অবস্থানের কথা পরিষ্কার করেন। তিনি জানান, বর্তমানে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রত্যর্পণ এবং শরীফ ওসমান হাদি হত্যা মামলায় অভিযুক্ত পলাতক আসামিদের ফিরিয়ে দেওয়ার বিষয়টি এই সফরের সফলতার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র সাংবাদিকদের জানান যে, গত কয়েক সপ্তাহ ধরে দুই দেশের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা প্রধানমন্ত্রীর দ্বিপক্ষীয় সফরের প্রস্তুতি নিয়ে আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন। তবে গত ৫ আগস্ট নয়াদিল্লিতে শেখ হাসিনার প্রকাশ্য মতবিনিময়ের ফলে এই সফরের স্বাভাবিক প্রক্রিয়াটি কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। এ বিষয়ে বাংলাদেশের কঠোর ও স্বচ্ছ অবস্থান ভারতকে ইতোমধ্যেই জানিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। শহীদুল করিম বলেন, “আমরা মনে করি যে এই সফরের জন্য একটি অনুকূল পরিবেশ তৈরি করা প্রয়োজন।”

তিনি আরও যোগ করেন যে, দ্বিপক্ষীয় প্রত্যর্পণ চুক্তি অনুযায়ী শেখ হাসিনা এবং অন্যান্য অপরাধীদের দ্রুত বাংলাদেশের কাছে হস্তান্তর করার অনুরোধ জানানো হয়েছে এবং ঢাকা এখন নয়াদিল্লির আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়ার জন্য অপেক্ষা করছে। বিশেষ করে শহীদ শরীফ উসমান হাদির হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের প্রত্যর্পণ ইস্যুতে বাংলাদেশ কোনো ধরণের আপস করতে রাজি নয়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে পুনর্ব্যক্ত করা হয়েছে যে, বর্তমান সরকার ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি অনুসরণ করে সার্বভৌম সমতা ও পারস্পরিক মর্যাদার ভিত্তিতে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক বজায় রাখতে আগ্রহী। তবে অন্য দেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ না করা এবং জাতীয় মর্যাদা রক্ষার স্বার্থে বিচারিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে পলাতক আসামিদের ফেরত পাওয়া অপরিহার্য।


নির্বাচিত

বাংলাদেশকে জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তুলতে চাই: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৩:৪৯
রাকিবুল হাসান রোকেল, কিশোরগঞ্জ প্রতিনিধি

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় এক বিশেষ মৎস্য পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশকে একটি জনকল্যাণমুখী রাষ্ট্র হিসেবে গড়ে তোলার স্বপ্ন ব্যক্ত করেছেন। আজ রবিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে জেলার মির্জাপুর এলাকার ব্রহ্মপুত্র নদে এই কার্যক্রম সম্পন্ন করার সময় তিনি দেশের সাধারণ মানুষের ভাগ্য পরিবর্তনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে বলেন, ‘আজকে এখানে যে মাছ অবমুক্ত করা হলো, এই মাছগুলো যখন বড় হবে, ডিম পাড়বে, বিভিন্ন খালে-বিলে ঢুকবে, তখন উপকার কাদের হবে? লন্ডনের মানুষের উপকার হবে নাকি জাপানের মানুষের উপকার হবে? উপকার হবে বাংলাদেশের মানুষের।’

সরকারপ্রধান তাঁর বক্তৃতায় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দলের (বিএনপি) রাজনৈতিক দর্শনের কথা স্মরণ করিয়ে দিয়ে উল্লেখ করেন যে, গ্রামীণ জনপদ ও সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নই তাঁর দলের মূল চালিকাশক্তি। তাঁর মতে, ‘বিএনপির রাজনীতির মূল লক্ষ্য হচ্ছে দেশের মানুষ ও গ্রামের মানুষের কল্যাণ।’ বিগত নির্বাচনে বিপুল জনসমর্থন নিয়ে বিজয়ী হওয়ার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘বিএনপির রাজনীতিটাই হচ্ছে এমন একটি রাজনীতি, যেই রাজনীতি বাস্তবায়ন করলে দেশের মানুষ উপকৃত হবে, গ্রামের মানুষ উপকৃত হবে।’ এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের মাধ্যমেই তিনি বাংলাদেশকে একটি পূর্ণাঙ্গ কল্যাণমুখী রাষ্ট্রে রূপান্তর করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন।

কৃষি ও মৎস্য খাতের সমন্বিত উন্নয়নের ওপর জোর দিয়ে প্রধানমন্ত্রী তাঁর সরকারের গৃহীত ‘খাল খনন’ কর্মসূচির ব্যাপক অগ্রগতির কথা তুলে ধরেন। তিনি জানান যে, নির্বাচনের আগে দেওয়া প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী ইতোমধ্যে সারা দেশে এই কার্যক্রম জোরালোভাবে শুরু হয়েছে, যার সুফল কৃষকরা পেতে শুরু করেছেন। খাল খননের পর এর পানি যেন বহুমুখী কাজে ব্যবহার করা যায়, সেদিকে নজর দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, কৃষি সেচের পাশাপাশি মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিতেও এসব জলাশয় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। তিনি আরও জানান, ব্রহ্মপুত্র নদের মতো পর্যায়ক্রমে দেশের সকল প্রধান নদী ও বড় বড় খালে মৎস্য পোনা অবমুক্ত করার পরিকল্পনা সরকারের রয়েছে।

দেশের নারী সমাজকে উন্নয়নের মূল স্রোতে অন্তর্ভুক্ত করার বিষয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনসংখ্যার অর্ধেক অংশকে পিছিয়ে রেখে একটি রাষ্ট্রের প্রকৃত উন্নতি সম্ভব নয়। এক্ষেত্রে তিনি সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার গৃহীত দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত নারী শিক্ষা অবৈতনিক করার যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা কৃতজ্ঞচিত্তে স্মরণ করেন। তিনি মনে করেন, নারীদের শিক্ষিত ও দক্ষ করে গড়ে তোলার মাধ্যমেই তাঁদের দেশের উন্নয়ন ও অগ্রযাত্রার প্রকৃত অংশীদার করা সম্ভব। নারী-পুরুষের সম-অংশগ্রহণ নিশ্চিত করেই একটি সমৃদ্ধ ও জনকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ার চূড়ান্ত লক্ষ্য স্থির করেছে তাঁর সরকার।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত হাজারো মানুষ প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে করতালি ও হর্ষধ্বনির মাধ্যমে স্বাগত জানান, যার ফলে পুরো পাকুন্দিয়া এলাকায় এক উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়। অনুষ্ঠানে কৃষি, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, কিশোরগঞ্জ জেলা বিএনপির সভাপতি ও বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো. শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দিন, কিশোরগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট ফজলুর রহমানসহ স্থানীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করলেন প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়ায় পৌঁছে পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ রোববার বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা থেকে সড়কপথে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলায় পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। এরপর তিনি উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন।

পাকুন্দিয়ার কর্মসূচি শেষ করে প্রধানমন্ত্রী কটিয়াদীর আচমিতা এলাকায় কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শনে যান। সেখান থেকে তিনি দুপুরে আচমিতা জর্জ ইন্সটিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন এবং জাতীয় মৎস্যপদক বিতরণ করবেন।

মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে যাবেন। সেখানে মাঠের উন্নয়ন প্রকল্প উদ্বোধনের পাশাপাশি ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের নিয়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতেও অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাঁর।

পরে সার্কিট হাউসে মধ্যাহ্নভোজ ও কিছুক্ষণ বিশ্রাম শেষে বিকেল ৪টার দিকে জেলা শহরের পুরোনো স্টেডিয়ামে যাবেন প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ, বিভিন্ন অনুদান এবং মসজিদের ইমাম, মুয়াজ্জিন, খাদেমসহ বিভিন্ন ধর্মীয় উপাসনালয়ে কর্মরত ব্যক্তিদের সম্মানী প্রদান অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

এর আগে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে প্রধানমন্ত্রীর গাড়িবহর কিশোরগঞ্জের উদ্দেশে রওনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন বলেন, ‘ঢাকা থেকে কিশোরগঞ্জের পথে পথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে দেখতে সড়কের দুই পাশে দলীয় নেতাকর্মী, শিশু-কিশোর ও নারীরাসহ শত শত মানুষ জড়ো হন। তারা প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রী হাসিমুখে হাত নেড়ে তাদের জবাব দিয়েছেন।’


নির্বাচিত

banner close