শুক্রবার, ৭ আগস্ট ২০২৬
২৩ শ্রাবণ ১৪৩৩
পদ্মা সেতুতে রেলের ট্রায়াল রান

ট্রেনে নিমিষেই পদ্মা পার

পদ্মা সেতুতে প্রথমবারের মতো পরীক্ষামূলক ট্রেন চলছে। গতকাল কমলাপুর স্টেশন থেকে ফরিদপুরের ভাঙ্গা স্টেশনে গিয়ে ফের ঢাকায় আসে ট্রেনটি। ছবি: সৈয়দ মাহামুদুর রহমান
আপডেটেড
৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১১:২৯
তৌফিকুল ইসলাম, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে ফিরে
প্রকাশিত
তৌফিকুল ইসলাম, ফরিদপুরের ভাঙ্গা থেকে ফিরে
প্রকাশিত : ৮ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১১:২৭

আরেক প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। ঢাকা থেকে মাওয়া হয়ে পদ্মা সেতু দিয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত প্রথম বারের মতো ট্রেন চলেছে। ট্রেনের এই যাত্রাকে বলা হয়েছে পরীক্ষামূলক চলাচল। তবে এই বিশেষ ট্রেনে যারা যাত্রী হয়েছিলেন, তারা বেশ আনন্দ ও উচ্ছ্বাস নিয়ে ট্রেনে চেপে পদ্মা সেতু পাড়ি দিয়েছেন। মাত্র ৮ মিনিটে ট্রেন পদ্মাসেতু অতিক্রম করে। আর ৮২ কিলোমিটার দীর্ঘ পথ পাড়ি দিতে ২ ঘণ্টা ১০ মিনিট সময় লেগেছে পরীক্ষামূলক ট্রেনটির।

আগামী ১০ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের একাংশ ট্রেন চলাচলের জন্য উদ্বোধন করবেন। তারপর ঢাকা থেকে ভাঙ্গা রুটে শুরু হবে বাণিজ্যিক ট্রেন চলাচল। ট্রেন চলাচল শুরু হলে কাজ বাকি থাকবে। ট্রেন চলাচল শুরুর আগে পরীক্ষামূলকভাবে ট্রেন চালিয়ে সবকিছু পরীক্ষা করে দেখছে কর্তৃপক্ষ।

সরেজমিনে ঘুরে দেখা যায়, পরীক্ষামূলক যাত্রার জন্য কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে গতকাল সকাল ১০টা ৭ মিনিটে ভাঙ্গার উদ্দেশ্যে সাত বগির বিশেষ একটি ট্রেন ছেড়ে যায়। এরপর ট্রেনটি গেণ্ডারিয়া, কেরানীগঞ্জ , নিমতলা, শ্রীনগর এবং মাওয়া স্টেশন হয়ে পদ্মা সেতুতে উঠে। মূল সেতুতে ট্রেনটি ১১টা ২৭ মিনিটে ওঠে। পদ্মার ওপর সেতু পেরিয়ে ১১টা ৩৪ মিনিটে ট্রেনটি সেতু থেকে নামে। এরপর ভাঙ্গা স্টেশনে পৌঁছায় বেলা ১২টা ১৭ মিনিটে। ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার রেললাইন । ফলে পুরো পথে ট্রেন যেতে সময় লেগেছে প্রায় ২ ঘন্টা ১০ মিনিট। এসময় ট্রেনের গড়ে গতি ছিলো ঘন্টায় ৬০ কিলোমিটার।

ট্রেনের গতির বিষয়ে জানতে চাইলে পরীক্ষামূলক যাত্রার ট্রেন চালক লোকা কোমাস্টার) এনামুল হক দৈনিক বাংলাকে বলেন, ‘ঢাকা থেকে গেন্ডরিয়া পর্যন্ত ট্রেনের গতি ছিলো ২০ কিলোমিটার। গেন্ডারিয়া থেকে কেরানীগঞ্জ পর্যন্ত গতি ছিল ৪০ কিলোমিটার। কেরানীগঞ্জ থেকে মাওয়া পর্যন্ত গতি ছিলো ৫০ কিলোমিটার। আর মাওয়া থেকে পদ্মা সেতু হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেনের গতি ছিল ৬০ কিলোমিটার। তবে নতুন লাইনে কোন সমস্যা ছিল না। আমাদের গতি যেভাবে নির্ধারণ করে দেয়া হয়েছে, সেভাবে চালানো হয়েছে’।

এদিকে ট্রেনের পরীক্ষামূলক যাত্রার ছিলেন মন্ত্রী, এমপি , রাজনৈতিক রেলপথ মন্ত্রণালয় সংক্রান্ত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য এবং রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। এছাড়া ছিলেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা। সাত বগির একটি বিশেষ ট্রেনে প্রায় ৬০০ জন যাত্রী ছিলেন বলে জানা গেছে।

পরীক্ষামূলক ট্রেন চলাচলকে কেন্দ্র করে ভাঙ্গা জংশনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে রেলপথ মন্ত্রী নূরুল ইসলাম সুজন বলেছেন, ‘ঢাকা থেকে ভাঙা আনুষ্ঠানিকভাবে ট্রায়াল রান করলাম। এটা প্রস্তুত হয়েছে দেখলাম। আগামী ১০ অক্টোবর ঢাকা-ভাঙ্গা রেল চলাচল উদ্বোধন হবে। এরপর খুব অল্প সময়ের মধ্যেই বাণিজ্যিকভাবে ট্রেন চলাচল করবে। আপাতত সব স্টেশন চালু হচ্ছে না। শুরুতে কমলাপুর থেকে ট্রেন ছেড়ে গেন্ডারিয়া, নিমতলী, পদ্মা, শিবচর হয়ে ভাঙ্গা পর্যন্ত ট্রেন চলবে। ভবিষতে পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের রেলপথ পায়রা বন্দর হয়ে কুয়াকাটা পর্যন্ত যাবে। খুলনায় যেসব ট্রেন চলছে সেগুলোকে এই রেল যোগাযোগের সঙ্গে যুক্ত হলে মোংলা পোর্টকে পরিপূর্ণভাবে ব্যবহার করা যাবে। দক্ষিণাঞ্চলের যে ব্যবসা-বাণিজ্য সেটি আরও বেশি প্রসারিত হবে। এই রেলপথকে কাজে লাগিয়ে ঢাকার সঙ্গে যোগাযোগের সময় ও খরচ কমবে। ঢাকা থেকে খুলনার দূরত্ব অর্ধেকে নেমে আসবে। এতে অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হবেন এই অঞ্চলের মানুষ’।

প্রকল্প সূত্র বলছে, রেললাইন উদ্বোধনের পর এক সপ্তাহ পর থেকে শুরুতে এক জোড়া ট্রেন চালানো হবে। একমাস পরে ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে এবং আরো কিছু স্টেশনও খুলে দেওয়া হবে।

বানিজ্যিক পরিচলনের বিষয়ে প্রকল্প পরিচালক মো. আফজাল হোসেন দৈনিক বাংলাকে জানান, ‘তিন মাসের মধ্যেই সব স্টেশনের কাজ এবং সিগন্যালিং এর কাজও শেষ হয়ে যাবে। তখন ট্রেনের সংখ্যা বাড়ানো হবে। অর্থাৎ ঢাকা থেকে ভাঙ্গা রেললাইন উদ্বোধন হলেও পূর্ণোদ্যমে চলতে তিন মাস সময় লাগবে'।

ট্রেন যাত্রা দেখে খুশি এলাকাবাসী

৮২ কিলোমিটার পথে ট্রেন যেদিক দিয়ে গেছে রেললাইনের দুই পাশেই ছিল উৎসুক জনতার ভিড়। ট্রেন চলাচল দেখে খুশি এলাকাবাসী। তাদের অপেক্ষা কবে চড়বেন এই ট্রেনে ।

এসময় দেখা যায় হাত নেড়ে চিৎকার করে আনন্দ প্রকাশ করেছেন তারা। অনেকেই আবার মোবাইল দিয়ে ভিডিও করেছেন, তুলেছেন ছবি। কেউ রাস্তার ধারে দাঁড়িয়ে, কেউ বাড়ির ছাদে থেকে এই আনন্দ উপভোগ করেন।

একাংশ খুলছে কাজ এখনো বাকি

পদ্মা সেতু রেল সংযোগ প্রকল্পের কাজ তিন ভাগে ভাগ করে বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এর মধ্যে প্রথম ধাপে ঢাকা থেকে মাওয়া ৪০ কিলোমিটার, দ্বিতীয় ধাপে মাওয়া থেকে ফরিদপুরের ভাঙা পর্যন্ত ৪২ কিলোমিটার এবং তৃতীয় ধাপে ভাঙা থেকে যশোর পর্যন্ত ৮৭ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেললাইন নির্মাণ হচ্ছে। এরমধ্যে ঢাকা থেকে ভাঙা পর্যন্ত ৮২ কিলোমিটার পথে রেল লাইন প্রস্তুত ট্রেন চলার জন্য। এদিকে প্রকল্পের তৃতীয় অংশে ভাঙ্গা থেকে যশোর পর্যন্ত প্রায় ৮৭ কিলোমিটার রেল লাইন নির্মাণের কাজ শুরু হয়েছে গত জুন মাস থেকে। আগস্ট পর্যন্ত ভাঙ্গা থেকে যশোর অংশে ১৫ কিলোমিটার রেল লাইন বসে গেছে।

প্রকল্পের আগস্ট মাসের অগ্রগতির তথ্য বলছে, পুরো প্রকল্পের সার্বিক অগ্রগতি হয়েছে ৮২ শতাংশ। এর মধ্যে মাওয়া-ভাঙ্গা অংশের অগ্রগতি হয়েছে ৯৬. ৫০ শতাংশ। ঢাকা-মাওয়া অংশের অগ্রগতি হয়েছে ৮০.৫০ ভাগ। এদিকে ভাঙ্গা-যশোর অংশের কাজের অগ্রগতি হয়েছে ৭৮ ভাগ।

প্রকল্প সূত্র জানায়, প্রকল্পের আওতায় মেইন লাইন বসানো হচ্ছে ১৬৯ কিলোমিটার, লুপ ও সাইডিং লাইন আছে ৫৩.৯৭ কিলোমিটার এবং ঢাকা থেকে গেন্ডারিয়া ৩টি লাইন ৩.৯৭ কিলোমিটারসহ মোট ২২৬.৯৫ কিলোমিটার রেলওয়ে ট্র্যাক। ২৩ দশমিক ৩৭৭ কিলোমিটার ভায়াডাক্ট, ১দশমিক ৯৮ র‍্যাম্প, ৬০টি মেজর ব্রীজ, ২৭২টি মাইনর ব্রীজ (কালভার্ট আন্ডারপাস), ২৯টি লেভেল ক্রসিং নির্মাণ করা হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় ১৪টি নতুন স্টেশন নির্মাণ এবং ৬টি বিদ্যমান স্টেশনের উন্নয়ন ও অন্যান্য অবকাঠানো নির্মাণ করা হচ্ছে। এই ২০টি স্টেশনে টেলিযোগাযোগসহ (সিবিআই) সিস্টেম সিগন্যালিং ব্যবস্থা স্থাপন করা হবে। ১০০টি ব্রডগেজ যাত্রীবাহী কোচ সংগ্রহ করা হয়েছে এবং ২ হাজার ৪২৬ একর ভুমি অধিগ্রহণ করা হয়েছে।

ঢাকা থেকে পদ্মা সেতু হয়ে যশোর পর্যন্ত ১৬৯ কিলোমিটার রেললাইন বসানো এবং স্টেশন ও অন্য অবকাঠামো নির্মাণের জন্য আলাদা প্রকল্প নেয় রেলওয়ে ২০১৬ সালের জুনে। জি-টু-জি পদ্ধতিতে এ প্রকল্পে অর্থায়ন করছে চীন। প্রকল্পের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে চায়না রেলওয়ে গ্রুপ লিমিটেড (সিআরইসি)। পরামর্শক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করছে কনস্ট্রাকশন সুপারভিশন কনসালটেন্ট (সিএসসি) ও বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। পদ্মা সেতু রেল সংযোগের জন্য ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৯ হাজার ২৪৭ কোটি টাকা। প্রকল্পের মেয়াদ আছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত।

প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর পরিকল্পনা

এদিকে প্রকল্পের মেয়াদ বাড়ানোর প্রস্তাব করা হবে বলে প্রকল্প সূত্র জানিয়েছে। বর্তমানে এই প্রকল্পের মেয়াদ আছে ২০২৪ সালের জুন পর্যন্ত। কিন্তু প্রকল্পের ডিফেক্ট লাইবেলিটি পিরিয়ডের জন্য এক বছর এবং সব কাজ বুঝে নেওয়ার জন্য আরো ছয় মাস সহ মোট দেড় বছর সময় বাড়ানোর প্রস্তাব করা হবে। সেই হিসাবে আগামী ২০২৫ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত মেয়াদ বাড়ানো হতে পারে। মেয়াদ বাড়লেও প্রকল্পের ব্যয় বাড়বে না বলে জানিয়েছেন প্রকল্প সংশ্লিষ্টরা।


নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে ভোট ২০ আগস্ট

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৬ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদে ভোট গ্রহণ হবে। মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ১৩ আগস্ট, যাচাই-বাছাই ১৬ আগস্ট এবং ১৮ আগস্ট পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহার করা যাবে। ইসি সচিবালয়ের জ্যেষ্ঠ সচিব আখতার আহমেদ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে এ তফসিল ঘোষণা করেন।

এখন অপেক্ষা, আগামী ৫ বছরের জন্য বঙ্গভবনের নতুন বাসিন্দা দেখার। এটি ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচন। গত ২৪ জুলাই মো. সাহাবুদ্দিন পদত্যাগ করায় পদটি শূন্য হয়।

সংবিধানের ১২৩(২) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী মৃত্যু, পদত্যাগ বা অপসারণের কারণে রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হয়। সেই সাংবিধানিক সময়সীমার মধ্যেই ভোটের দিন নির্ধারণ করেছে ইসি। বর্তমানে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করছেন।

বাংলাদেশে রাষ্ট্রপতি সরাসরি জনগণের ভোটে নির্বাচিত হন না। সংবিধানের ৪৮ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের সদস্যরা রাষ্ট্রপতি নির্বাচন করেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচন আইন, ১৯৯১ অনুসারে ভোট হয় সংসদ কক্ষে এবং নির্বাচন কমিশন পুরো প্রক্রিয়া পরিচালনা করে।

প্রত্যেক সংসদ সদস্যের একটি করে ভোট থাকে। একাধিক প্রার্থী থাকলে প্রকাশ্য ব্যালটে ভোট হয়; সর্বাধিক ভোট পাওয়া প্রার্থী নির্বাচিত হন। ভোট সমান হলে লটারির মাধ্যমে ফল নির্ধারণের বিধান রয়েছে।

রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থীকে অন্তত ৩৫ বছর বয়সী এবং সংসদ সদস্য নির্বাচিত হওয়ার যোগ্য হতে হবে। সংবিধান লঙ্ঘন বা গুরুতর অসদাচরণের অভিযোগে আগে অভিশংসনের মাধ্যমে অপসারিত কেউ এ পদে প্রার্থী হতে পারবেন না। একজন সংসদ সদস্য প্রস্তাবক এবং অন্য একজন সমর্থক হিসেবে মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করেন। একজন বৈধ প্রার্থী থাকলে ভোট ছাড়াই তাকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়।

রাষ্ট্রপতির মেয়াদ দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে পাঁচ বছর। কোনো ব্যক্তি সর্বোচ্চ দুই মেয়াদ রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করতে পারেন। রাষ্ট্রপ্রধান হিসেবে রাষ্ট্রপতি সাংবিধানিক দায়িত্ব পালন করলেও অধিকাংশ ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শ অনুযায়ী কাজ করেন। তবে প্রধানমন্ত্রী ও প্রধান বিচারপতি নিয়োগে তার নির্দিষ্ট সাংবিধানিক ভূমিকা রয়েছে।

এদিকে, দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হবেন- এ নিয়ে রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা চললেও এখন সেই সিদ্ধান্তের ভার এককভাবে বিএনপির চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের হাতে।

সরকার দলীয় সূত্রে জানা গেছে, পরবর্তী রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন, ইতোমধ্যে তা ঠিক করেছেন তারেক রহমান। এই নাম প্রধানমন্ত্রীর ফোল্ডারে সংরক্ষিত আছে। অতীতে রাষ্ট্রপতি মনোনয়নে আনুগত্য, দক্ষতা ও রাজনৈতিক বিচক্ষণতা নিয়ে মিশ্র অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হওয়া বিএনপি এবার ২৩তম রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অনেক বেশি সতর্ক।

দলটির শীর্ষ নেতৃত্বের মতে, রাষ্ট্রপতি শুধু আনুষ্ঠানিক পদ হলেও রাজনৈতিক সংকটের সময় এ পদটির গুরুত্ব বেড়ে যায়। বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে রাষ্ট্রপতি করে বিএনপিকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল। অন্যদিকে অদক্ষতার কারণে ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ ব্যর্থ হয়েছিলেন। তাই অতীতের তিক্ত অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার দলীয় আনুগত্যের পাশাপাশি দক্ষ, সাহসী, গ্রহণযোগ্য ও রাষ্ট্রনায়কসুলভ ব্যক্তিকেই রাষ্ট্রপতি হিসেবে বেছে নিতে চায় বিএনপি।

গত শনিবার রাতে রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপির সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠক হয়। দেশের সামগ্রিক রাজনৈতিক পরিস্থিতি, প্রশাসনের কার্যক্রম, সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং স্থানীয় সরকার নির্বাচন নিয়ে দীর্ঘ আলোচনা হয়েছে।

সবশেষে রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে আলোচনা করে স্থায়ী কমিটি সর্বসম্মতিক্রমে দলীয় প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব চেয়ারম্যানের ওপর অর্পণ করে। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে দলের প্রার্থী কে হবেন এবং নির্বাচনসংক্রান্ত প্রয়োজনীয় সিদ্ধান্ত কবে নেওয়া হবে, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

এ অবস্থায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সর্বসম্মত সিদ্ধান্তে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী মনোনয়নের দায়িত্ব সরাসরি দলের চেয়ারম্যানের হাতে তুলে দেওয়াকে দলটির অভ্যন্তরীণ আস্থার প্রতিফলন হিসেবে দেখছেন সংশ্লিষ্টরা।

একই সঙ্গে এটি ইঙ্গিত দিচ্ছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কেন্দ্র করে দলটি একক নেতৃত্বের অধীনেই কৌশলগত সিদ্ধান্ত নিতে চায়। এখন রাজনৈতিক অঙ্গনের নজর প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে। তিনি কাকে রাষ্ট্রপতি পদে মনোনয়ন দেন, সেটিই নির্ধারণ করবে দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপ্রধানের পরিচয়।

দলীয় সূত্রগুলো বলছে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রশ্নে অতীতের ভালো এবং তিক্ত-দুই ধরনের অভিজ্ঞতাই রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ক্ষেত্রে মূলত তিনটি বিষয় বিএনপি বিবেচনায় নেবে বলে দলটির মধ্যে আলোচনা হচ্ছে।

প্রথমত দেশ ও দলের প্রতি আস্থা বা বিশ্বাস; দ্বিতীয়ত, দক্ষতা ও প্রজ্ঞা এবং তৃতীয়ত, রাষ্ট্রপতি পদের নেতা বা ব্যক্তির মধ্যে কিছুটা সাহস থাকাও প্রয়োজন বলে মনে করে দলটি।

যেমন ১৯৯৬ সালের মে মাসে বিএনপি সরকারের রাষ্ট্রপতি থাকাকালে আবদুর রহমান বিশ্বাসের সাহসিকতায় তৎকালীন সেনাপ্রধান লে. জেনারেল আবু সালেহ মোহাম্মদ নাসিমের একটি অভ্যুত্থান প্রচেষ্টা ব্যর্থ হয়ে যায়।

অন্যদিকে ২০০৬ সালে বিএনপির ক্ষমতা ছাড়ার পর রাষ্ট্রপতির পাশাপাশি তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নিয়েছিলেন অধ্যাপক ড. ইয়াজউদ্দিন আহম্মেদ। কিন্তু বিএনপির প্রতি তার আনুগত্য থাকলেও অদক্ষতার কারণে উদ্ভূত রাজনৈতিক পরিস্থিতি সামাল দিতে তিনি ব্যর্থ হন বলে অনেকে মনে করেন।

ফলে দেশে এক-এগারোর জরুরি সরকার ক্ষমতায় আসে এবং প্রধান উপদেষ্টার পদ ছাড়তে তিনি বাধ্য হন। এরপর রাষ্ট্রপতি হিসেবেও তিনি সাহসী পদক্ষেপ নিতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ আছে।

সার্বিকভাবে এর ফলাফল পুরোপুরি বিএনপির বিপক্ষে গেছে বলে আলোচনা আছে। অনেকের মতে, শুধু দলীয় আনুগত্য যে কাজে লাগে না, ইয়াজউদ্দিনের ঘটনায় তা প্রমাণিত।

অন্যদিকে সাহসের অভাব না থাকলেও বিএনপির নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি অধ্যাপক ডা. বদরুদ্দোজা চৌধুরী দলের প্রতি আনুগত্য দেখাতে ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ আছে। ২০০১ সালের নির্বাচনের পর অধ্যাপক বদরুদ্দোজা চৌধুরীকে প্রথমে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পরে রাষ্ট্রপতি করা হয়।

কিন্তু ওই পদে তাকে বেছে নেওয়ার ফলও শেষ বিচারে বিএনপির পক্ষে যায়নি। রাষ্ট্রপতি থাকাকালে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কবরে শ্রদ্ধা নিবেদন না করা, প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর বাণীতে জিয়াউর রহমানকে স্বাধীনতার ঘোষক উল্লেখ না করা এবং তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী শেখ হাসিনাকে মুন্সীগঞ্জে স্বাগত জানিয়ে ছেলে মাহী বি চৌধুরীর তোরণ নির্মাণসহ কয়েকটি ঘটনায় মাত্র সাত মাসের মধ্যে বিএনপির সঙ্গে তার দূরত্ব তৈরি হয়।

এসব ঘটনার সূত্র ধরে ২০০২ সালের ১৯ ও ২০ জুন বিএনপির সংসদীয় দলের সভায় রাষ্ট্রপতির পদ থেকে তাকে ‘ইমপিচ’ করার সিদ্ধান্ত হলে রাষ্ট্রপতির পদ থেকে তিনি পদত্যাগ করেন।


নির্বাচিত

মহেশখালী থেকে জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ হচ্ছে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কক্সবাজারের মহেশখালীতে অবস্থিত ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ-ফ্লোটিং স্টোরেজ এন্ড রিগ্যাসিফিকেশন ইউনিট) থেকে এখন ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট জাতীয় গ্যাস গ্রিডে সরবরাহ করা হচ্ছে। গত বুধবার (৫ আগস্ট) সন্ধ্যা থেকে বেড়েছে ২৩০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দেওয়া পেট্রোবাংলার প্রতিষ্ঠান রূপান্তরিত প্রাকৃতিক গ্যাস কোম্পানি লিমিটেডের (আরপিজিসিএল) চট্টগ্রামের উপমহাব্যবস্থাপক (এলএনজি) প্রকৌশলী মো. নাছির উদ্দীন।

তিনি বলেন, বর্তমানে ৮০০ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সঞ্চালন করা হচ্ছে। ক্ষতিগ্রস্ত এফএসআরইউ কয়েকদিনের মধ্যে পুরোপুরি মেরামত সম্পন্ন হলে পুরোদমে গ্যাস সঞ্চালন শুরু হবে।

এর আগে, গত ২১ জুলাই এক্সিলারেট এনার্জির এফএসআরইউতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় টার্মিনালটির পুরো অপারেশন বন্ধ হয়ে যায়। ফলে আমদানিকৃত এলএনজি থেকে জাতীয় গ্রিডে প্রাকৃতিক গ্যাস সবররাহ অর্ধেকে নেমে আসে। নিয়মিতভাবে ৯৫০ থেকে এক হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করে আরপিজিসিএল।


নির্বাচিত

বিমানবন্দরে ভিআইপি-সিআইপিসহ সবাইকে তল্লাশির নির্দেশ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৬ আগস্ট, ২০২৬ ২৩:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

ভিআইপি ও সিআইপি ব্যক্তিসহ সবার ক্ষেত্রে বিমান চলাচল নিরাপত্তা বিধি সমানভাবে প্রয়োগ করতে হবে। বিমানবন্দরের নিরাপত্তা তল্লাশি থেকে কাউকে অব্যাহতি দেওয়া যাবে না।

বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) বাংলাদেশ বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (ক্যাব) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএসসি) প্রথম সভায় সভাপতির বক্তব্যে এ কথা বলেন বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম।

মন্ত্রী বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তাবিষয়ক দেশের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ও সমন্বয়কারী সংস্থা এনসিএসসির ১৩তম সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলো দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেন।

বাংলাদেশের আসন্ন আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইসিএও) নিরাপত্তা নিরীক্ষার প্রসঙ্গ উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ নিরীক্ষার ফলাফলের সঙ্গে দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নিবিড়ভাবে সম্পৃক্ত।’ যেসব ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ আসতে পারে, সেসব বিষয়ে আইসিএও’র মানদণ্ড শতভাগ অনুসরণ নিশ্চিত করতে তিনি সংশ্লিষ্ট সব সংস্থাকে নির্দেশ দেন।

আফরোজা খানম আরও বলেন, ‘যাত্রীদের মানসম্মত সেবা নিশ্চিত করা সরকারের অগ্রাধিকার।’ বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশি যাত্রীদের সেবার মানোন্নয়নে সংশ্লিষ্ট সবাইকে একযোগে কাজ করার আহ্বান জানান মন্ত্রী।

সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন প্রতিরোধে সরকার অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপন করবে।’

তিনি বলেন, ‘প্রায় তিন বছর পর এনসিএসসির সভা হয়েছে। তাই এর সিদ্ধান্তগুলো কার্যকরভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে আন্তরিক হতে হবে।’

প্রতিমন্ত্রী আরও বলেন, ‘নিরবচ্ছিন্ন নিরাপত্তা কার্যক্রম নিশ্চিত করতে ন্যূনতম প্রয়োজনীয়তার চেয়ে বেশি সংখ্যায় স্ক্যানারসহ নিরাপত্তা সরঞ্জাম সংরক্ষণ করতে হবে।’ পাশাপাশি বিমান চলাচল নিরাপত্তা আইন লঙ্ঘনের ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

সভায় বাংলাদেশের বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও শক্তিশালী করতে বিভিন্ন পদক্ষেপ পর্যালোচনা করা হয়। এর মধ্যে ছিল বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে গোয়েন্দা তথ্য আদান-প্রদান জোরদার করা, জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কর্মসূচির কার্যকর বাস্তবায়ন, আইসিএও’র নিরাপত্তা মানদণ্ড অনুসরণ, আধুনিক নিরাপত্তা প্রযুক্তির ব্যবহার এবং ভবিষ্যৎ নিরাপত্তা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় কৌশলগত পরিকল্পনা গ্রহণ।

কমিটি হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা, আন্ডার ভেহিকল স্ক্যানিং সিস্টেম (ইউভিএসএস)-এর কার্যকারিতা বৃদ্ধি এবং দেশের সব বেসামরিক বিমানবন্দরে জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলা ও সংকট ব্যবস্থাপনা জোরদারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সঙ্গে সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরের ওপর গুরুত্বারোপ করে।

এ ছাড়া হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অননুমোদিত জনসমাগম, ভিক্ষাবৃত্তি এবং অবৈধ লাগেজ মোড়ানোর কার্যক্রম প্রতিরোধে ক্যাব, আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বাংলাদেশ পুলিশ, আনসার, বিমানবন্দর ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদারের সুপারিশ করা হয়।

যাত্রীসেবা উন্নত করা, শৃঙ্খলা বজায় রাখা এবং বিমানবন্দরের সামগ্রিক নিরাপত্তা আরও শক্তিশালী করতে প্রয়োজনে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ারও সুপারিশ করে কমিটি।


নির্বাচিত

বিটিভির মহাপরিচালক হলেন কাজী জেসিন

কাজী জেসিন।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) নতুন মহাপরিচালক (গ্রেড-১) পদে এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ পেয়েছেন কাজী জেসিন। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের চুক্তি ও বৈদেশিক নিয়োগ শাখা থেকে এই সংক্রান্ত একটি প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। জনস্বার্থে জারীকৃত এই আদেশটি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী তাঁর যোগদানের তারিখ থেকে পরবর্তী এক বছরের জন্য কার্যকর হবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ‘বাংলাদেশ টেলিভিশন কর্তৃপক্ষ আইন, ২০০১’-এর ১১(২) ধারা অনুসরণে কাজী জেসিনকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। তবে নতুন এই দায়িত্ব গ্রহণের পূর্বে শর্ত হিসেবে তাঁকে অন্য যেকোনো পেশা, ব্যবসা এবং সরকারি, আধা-সরকারি কিংবা বেসরকারি প্রতিষ্ঠান বা সংগঠনের সাথে বিদ্যমান সকল প্রকার কর্ম-সম্পর্ক আনুষ্ঠানিকভাবে ত্যাগ করতে হবে।

প্রজ্ঞাপনে আরও বলা হয়েছে যে, নিয়োগের আনুষঙ্গিক অন্যান্য শর্তাবলি অনুমোদিত চুক্তিপত্রের মাধ্যমে পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হবে। গণমাধ্যম ও উপস্থাপনা অঙ্গনে দীর্ঘ অভিজ্ঞতাসম্পন্ন কাজী জেসিনের নিয়োগ রাষ্ট্রীয় এই সম্প্রচারমাধ্যমের প্রশাসনিক ও বস্তুনিষ্ঠ সম্প্রচার কার্যক্রমে নতুন গতি আনবে বলে ধারণা করা হচ্ছে।


নির্বাচিত

সম্পর্ক কোন দিকে যাবে, সিদ্ধান্ত ভারতকেই নিতে হবে: প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নয়াদিল্লির অনুষ্ঠানে ক্ষমতাচ্যুত এবং মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে দণ্ডিত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রকাশ্যে অডিও বক্তব্য দেওয়ার পর ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্কের ভবিষ্যত নিয়ে ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ বলেছেন, দুই দেশের সম্পর্ক কোন দিকে যাবে সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত ভারতকেই নিতে হবে। গত বুধবার (৫ আগস্ট) দিল্লিতে শেখ হাসিনা সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) সন্ধ্যায় সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

শামা ওবায়েদ বলেন, ‘একজন সাজাপ্রাপ্ত আসামি ভারতের মাটিতে বসে বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বক্তব্য দিচ্ছেন এবং ভারত সরকার তা অনুমোদন করছে। এতে বাংলাদেশের জনগণের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হওয়াই স্বাভাবিক।’ তিনি অভিযোগ করেন, আওয়ামী লীগ অতীতেও বিভিন্ন ঘটনার পর ‘জঙ্গিবাদ’ ও ‘চরমপন্থার’ বয়ান সামনে এনে নিজেদের মানবাধিকার লঙ্ঘন, গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড আড়াল করার চেষ্টা করেছে। একই কৌশল এখন বিদেশের মাটিতেও অনুসরণ করা হচ্ছে।

ভারতের সঙ্গে সম্পর্কের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘দুই দেশের সরকার ও জনগণই সম্পর্কের উন্নয়ন চায়। তবে ভারতের মাটিতে বসে শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের নেতারা যদি বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক কর্মকাণ্ড চালিয়ে যেতে থাকেন এবং ভারত সরকার তা বন্ধ না করে, তাহলে তা দ্বিপক্ষীয় সম্পর্কে নেতিবাচক প্রভাব ফেলবে।’

ভারতের সঙ্গে বিদ্যমান সহযোগিতার প্রসঙ্গে এক প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, ‘একটি দেশের সঙ্গে আরেকটি দেশের সম্পর্ক বহুমাত্রিক। জ্বালানি, পানি, সীমান্তসহ বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা চলবে। তবে শেখ হাসিনাকে ঘিরে সাম্প্রতিক ঘটনাগুলো বাংলাদেশের জনগণ, বিশেষ করে জুলাই আন্দোলনের শহীদ ও আহতদের পরিবারের অনুভূতিতে আঘাত করেছে। তাই এ বিষয়ে ভারতকে সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’


নির্বাচিত

গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব মো. ওবায়দুর রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের নতুন সচিব হিসেবে দায়িত্ব প্রদান করা হয়েছে মো. ওবায়দুর রহমানকে। বৃহস্পতিবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব জেতী প্রু স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই নিয়োগের বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়। এর আগে তিনি জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত সচিব হিসেবে কর্মরত ছিলেন। পেশাগত জীবনে তিনি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের এপিডি অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিবের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিসিএস ১৫তম ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের এই কর্মকর্তা ২০২৫ সালের ২৪ ফেব্রুয়ারি শিল্প মন্ত্রণালয়ের সচিব পদে পদোন্নতি লাভ করেন এবং চলতি বছরের জুন পর্যন্ত উক্ত দায়িত্ব পালন করেন। মো. ওবায়দুর রহমান ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবস্থাপনা বিভাগ থেকে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি সম্পন্ন করেছেন। পটুয়াখালী জেলা প্রশাসনে সহকারী কমিশনার হিসেবে তাঁর বর্ণাঢ্য কর্মজীবন শুরু হয়েছিল। সর্বশেষ চলতি বছরের জুন মাসে তাঁকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে সংযুক্ত করা হয়, যেখান থেকে বর্তমান পদায়নের মাধ্যমে তিনি নতুন দায়িত্ব পেলেন।


নির্বাচিত

বিমানবন্দরের নিরাপত্তায় বসছে অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সকল বিমানবন্দরে ভিআইপি ও সিআইপিসহ প্রত্যেক যাত্রীর জন্য সমান নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণের কঠোর নির্দেশ দিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটনমন্ত্রী আফরোজা খানম। একই সঙ্গে বিমানবন্দর এলাকায় অননুমোদিত ড্রোন উড্ডয়ন প্রতিরোধে অত্যাধুনিক অ্যান্টি-ড্রোন সিস্টেম স্থাপনের ঘোষণা দিয়েছেন প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত। বৃহস্পতিবার রাজধানীর বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সদর দপ্তরে পুনর্গঠিত জাতীয় বেসামরিক বিমান চলাচল নিরাপত্তা কমিটির (এনসিএএসসি) প্রথম সভায় এসব যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হয়।

সভার সভাপতিত্বকালে মন্ত্রী আফরোজা খানম আন্তর্জাতিক বেসামরিক বিমান চলাচল সংস্থার (আইকাও) আসন্ন অডিট প্রসঙ্গে গুরুত্বারোপ করেন। তিনি উল্লেখ করেন যে, এই অডিটের ফলাফলের ওপর দেশের আন্তর্জাতিক ভাবমূর্তি নির্ভরশীল, তাই আইকাওর পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় সকল কমপ্লায়েন্স দ্রুত নিশ্চিত করতে হবে। নিরাপত্তা প্রসঙ্গে তিনি সুস্পষ্টভাবে বলেন, “ভিআইপি ও সিআইপিসহ সবার জন্য নিরাপত্তা প্রটোকল সমান। বিমানবন্দরের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সবাইকে একই নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ করতে হবে।” এছাড়া প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য নির্বিঘ্ন ও উন্নত যাত্রীসেবা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তিনি জানান।

অনুষ্ঠানে প্রতিমন্ত্রী এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত জানান যে, দীর্ঘ তিন বছর পর অনুষ্ঠিত এই কমিটির সভায় গৃহীত সিদ্ধান্তগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন নিশ্চিত করা হবে। তিনি বিমানবন্দরের নিরাপত্তা সরঞ্জাম ও স্ক্যানার বৃদ্ধির ওপর জোর দিয়ে বলেন, “নিরাপত্তা-সংশ্লিষ্ট সরঞ্জাম ও স্ক্যানারের সংখ্যা প্রয়োজনের তুলনায় বেশি থাকাই উত্তম।” পাশাপাশি তিনি আইন অমান্যকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে নির্দেশনা প্রদান করেন।

সভায় বেসামরিক বিমান চলাচলের নিরাপত্তা ব্যবস্থাকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করতে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর মধ্যে তথ্য বিনিময় ও সমন্বয় বৃদ্ধির বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবেশপথের নিরাপত্তা ও আন্ডার ভেহিকেল স্ক্যানিং সিস্টেমের কার্যকারিতা পর্যালোচনার পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বিভিন্ন সংস্থার মধ্যে সমঝোতা স্মারক সইয়ের প্রয়োজনীয়তা তুলে ধরা হয়। এছাড়া বিমানবন্দরের ল্যান্ডসাইড এলাকায় যানজট, অনাকাঙ্ক্ষিত জনসমাগম, ভিক্ষুকের উপদ্রব ও অবৈধ লাগেজ র‌্যাপিং নিয়ন্ত্রণে বেবিচক, পুলিশ, এপিবিএন ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্ট সকল সংস্থাকে সমন্বিতভাবে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। যাত্রীসেবার মানোন্নয়ন ও শৃঙ্খলা রক্ষায় এসব সমস্যা সমাধানে নিয়মিত আইনানুগ পদক্ষেপ গ্রহণের ওপর সভায় বিশেষ গুরুত্বারোপ করা হয়।


নির্বাচিত

ডিএমপির ৭ কর্মকর্তাকে বদলি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) সাত সহকারী কমিশনারকে (এসি) বিভিন্ন ইউনিটে বদলি ও পদায়ন করা হয়েছে। বৃহস্পতিবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদের সই করা এক আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশে বলা হয়, ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মোহাম্মদ সাইফুল ইসলামকে গুলশান বিভাগের পেট্রোল-ক্যান্টনমেন্ট শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ডিএমপির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. সাকিলুর রহমানকে গোয়েন্দা-সাইবার অ্যান্ড স্পেশাল ক্রাইম-উত্তর বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

পরিবহন বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মুশফিকুর রহমান তুষারকে লালবাগ বিভাগের চকবাজার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ট্রাফিক মিরপুর বিভাগের পল্লবী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) তানিয়া সুলতানাকে উইমেন সাপোর্ট অ্যান্ড ইনভেস্টিগেশন বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে।

লজিস্টিকস বিভাগের প্রকিউরমেন্ট শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) শেখ সুরাইয়া উর্মিকে পিওএম-পশ্চিম বিভাগের সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।

লালবাগ বিভাগের চকবাজার জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) মো. মাহফুজার রহমানকে প্রটেকশন বিভাগের বঙ্গভবন-নিরাপত্তা-১ শাখার সহকারী পুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

ওয়েলফেয়ার ও ফোর্স বিভাগের নারী পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসি) নুসরাত ইয়াছমিন তিসাকে ট্রাফিক-মিরপুর বিভাগের ট্রাফিক-পল্লবী জোনের সহকারী পুলিশ কমিশনার করা হয়েছে।

আদেশে বলা হয়েছে, বদলি করা কর্মকর্তাদের আগামী ৬ আগস্টের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থলের দায়িত্বভার অর্পণ করে নতুন কর্মস্থলে যোগদানের জন্য নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


নির্বাচিত

ভারতকে বলেছি পাইপলাইনে আরও বেশি ডিজেল দিতে: জ্বালানিমন্ত্রী

জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু | ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানিয়েছেন ভারতের কাছে আরও বেশি ডিজেল চেয়েছে বাংলাদেশ। বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।

এদিন ভারতীয় হাই কমিশনারের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠকে কী নিয়ে আলাপ হয়েছে জানতে চাইলে জ্বালানিমন্ত্রী বলেন, ‘এর আগে অনেক অ্যাম্বাসেডরের সঙ্গে মিটিং হয়েছে, সে রকম রুটিন মিটিং ভারতের অ্যাম্বাসেডরের সঙ্গে হয়েছে। যেহেতু আমাদের প্রতিবেশী দেশ, আমাদের অনেক স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট ব্যাপার আছে। সেগুলো নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘ভারতের সঙ্গে একটা পাইপলাইন আছে, সেখান থেকে ডিজেল আসে। তাদেরকে বলেছি, আরও বেশি (ডিজেল) দেওয়ার জন্য।’

জুলাই অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন প্রসঙ্গে বৈঠকে আলোচনা হয়েছে কি না জানতে চাইলে টুকু বলেন, ‘আমি শেখ হাসিনার সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না। উনি তো অনেক কিছুই করেন। দেশটাকে ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন।’

গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হতে আরও দুই থেকে তিন দিন সময় লাগতে পারে বলে জানান টুকু। তিনি আরও বলেন, ‘গ্যাস না থাকলে মানুষও পাবে না, আমার পাওয়ার সমস্যাও যাবে না।’

বিদ্যুতের অতিরিক্ত বিল প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যখন আমরা বলি বিলগুলো নিয়ে আসেন, তখন তো বিল নিয়ে কেউ আসে না।’

ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘জুন মাস থেকে বিদ্যুতের দাম বাড়িয়েছি আমরা। মার্চ মাসে যে গরম ছিল

জুন মাসে সে গরম ছিল না।’

একজন গণমাধ্যমকর্মীর অভিযোগ খতিয়ে দেখা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, তার বিল আসতো সাড়ে তিন হাজার টাকা। এখন আসছে সাত হাজার টাকা।

‘আমার লোক পরীক্ষা করে দেখে এসেছে, উনি দুই টনের দুটি এয়ার কন্ডিশনার চালান। উনার ফ্রিজ আছে, ব্লেন্ডার চালান। এত কিছু চালানোর পরেও সাত হাজার টাকা যদি বেশি বিল হয়...আমার মনে হয় না পৃথিবীর কোথাও সাত হাজার টাকা দিয়ে এত কিছু চালানো যায়,’ যোগ করেন তিনি।


নির্বাচিত

মেয়েকে নিয়ে বাবার কবর জিয়ারত করলেন জোবায়দা রহমান

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক যোগাযোগ ও কৃষিমন্ত্রী এবং নৌবাহিনীর প্রাক্তন প্রধান রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) মাহবুব আলী খানের ৪২তম মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষে তাঁর স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন ও বিশেষ দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে। বৃহস্পতিবার মধ্যাহ্নে বনানী সামরিক কবরস্থানে মরহুমের সমাধিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন তাঁর কন্যা ও তারেক রহমানের সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান এবং নাতনি ব্যারিস্টার জাইমা রহমান। শ্রদ্ধা নিবেদন শেষে সেখানে বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।

পরিবারের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেস বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে যে, মরহুম মাহবুব আলী খানের প্রয়াণ দিবস স্মরণে দেশ ও বিদেশের বিভিন্ন স্থানে কবর জিয়ারত, মিলাদ মাহফিল ও আলোচনা সভাসহ নানা কর্মসূচি পালন করা হচ্ছে। কর্মসূচির অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার মাগরিবের নামাজের পর রাজধানীর ধানমন্ডিতে তাঁর নিজস্ব বাসভবন ‘মাহবুব ভবনে’ বিশেষ দোয়া ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, রিয়ার অ্যাডমিরাল মাহবুব আলী খান ১৯৭৯ সালে বাংলাদেশের নৌবাহিনী প্রধান হিসেবে দায়িত্বভার গ্রহণ করেন এবং পরবর্তী সময়ে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের মন্ত্রিসভায় গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৮৪ সালের ৬ আগস্ট তিনি মৃত্যুবরণ করেন। তিনি বিএনপি চেয়ারপারসন ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের শ্বশুর এবং তাঁর সহধর্মিণী সৈয়দা ইকবাল মন্দ বানু। তাদের দুই কন্যাসন্তান হলেন শাহিনা খান জামান ও ডা. জুবাইদা রহমান।


নির্বাচিত

তিন দিনের মধ্যে গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক হবে: জ্বালানিমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

যান্ত্রিক গোলযোগ কাটিয়ে ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল (এফএসআরইউ) আজ বৃহস্পতিবার বিকেল থেকেই পুনরায় গ্যাস সরবরাহ শুরু করতে যাচ্ছে। বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ সচিবালয়ে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, এর ফলে আগামী দুই থেকে তিন দিনের মধ্যে দেশের গ্যাস পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়ে আসবে।

সচিবালয়ে গণমাধ্যমকর্মীদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, গ্যাস সঞ্চালন পুনরায় শুরু হলে লাইনে চাপের যে ঘাটতি তৈরি হয়েছিল, তা ধীরে ধীরে উন্নতি হবে এবং বিদ্যমান সংকট কাটিয়ে ওঠা সম্ভব হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে ঠিক কত সময় লাগবে, এমন প্রশ্নের উত্তরে তিনি মন্তব্য করেন, “স্বাভাবিক হতে দুই-তিন দিন তো লাগবে। মিনিমাম দুই-তিন দিন লাগবে। এটা (এফএসআরইউ) বন্ধ হওয়ার আগে যেমন ছিল, তেমনই হবে।” গ্যাস স্বল্পতার কারণে সৃষ্ট লোডশেডিং প্রসঙ্গে তিনি ব্যাখ্যা দেন যে, গ্যাস সরবরাহ না থাকলে বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো চালানো সম্ভব হয় না। তবে এখন বন্ধ হয়ে যাওয়া বিদ্যুৎ কেন্দ্রগুলো পুনরায় চালু করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

গ্যাস ও বিদ্যুৎ নিয়ে জনমনে তৈরি হওয়া সমালোচনা এবং যান্ত্রিক ত্রুটি প্রসঙ্গে ইকবাল হাসান মাহমুদ পাল্টা প্রশ্ন ছুড়ে দিয়ে বলেন, “যেটা হয়েছে, সেটা কি মানুষের হাতের মধ্যে আছে?” এদিকে বিদ্যুতের অস্বাভাবিক বা ‘ভূতুড়ে বিল’ সংক্রান্ত অভিযোগ নিয়ে মন্ত্রী বলেন, “বিদ্যুৎ ভূতুড়ে বিল, এটা যখন আমরা বলি, বিলগুলো নিয়ে আসেন, তখন তো বিল নিয়ে আসে না কেউ আমাদের কাছে।” তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, জুন মাস থেকে বিদ্যুতের দাম বৃদ্ধি এবং অতিরিক্ত গরমের কারণে যন্ত্রপাতির ব্যবহার বেড়ে যাওয়ায় বিল বেশি আসতে পারে। এক সাংবাদিকের ফেসবুক পোস্টের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, দুটি এসি ও ফ্রিজ চালানোর পর সাত হাজার টাকা বিল খুব একটা বেশি নয়। মন্ত্রীর ভাষায়, “আমার মনে হয় না পৃথিবীর কোথাও ৭ হাজার টাকা দিয়ে এরকম এত কিছু চালানো যায়?”

ভারতীয় হাইকমিশনারের সাথে বৈঠক প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান, এটি একটি রুটিন আলোচনা ছিল যেখানে দুই দেশের স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিষয়গুলো স্থান পেয়েছে। ভারত থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে ডিজেল আমদানির পরিমাণ আরও বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়েছে বলে তিনি জানান। সবশেষে শেখ হাসিনার সংবাদ সম্মেলন ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে এক প্রশ্নের উত্তরে ক্ষোভ প্রকাশ করে মন্ত্রী বলেন, “আমি শেখ হাসিনা সম্পর্কে কিছু বলতে চাই না, উনি তো অনেক কিছুই করেন। দেশটা ধ্বংস করে দিয়ে গেছেন উনি। দেশটাকে শেষ করে দিয়েছেন।”


নির্বাচিত

রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করল ইসি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের পরবর্তী রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের আনুষ্ঠানিক তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। তফসিল অনুযায়ী, আগামী ২০ আগস্ট জাতীয় সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে এই গুরুত্বপূর্ণ পদের জন্য ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। বৃহস্পতিবার দুপুরে নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ গণমাধ্যমকে এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের সকল আইনি ও প্রশাসনিক প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে বলে কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

তফসিলের বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে সচিব জানান, আগ্রহী প্রার্থীরা আগামী ১৩ আগস্ট সকাল ১০টা থেকে বিকেল ৪টার মধ্যে প্রধান নির্বাচন কমিশনার বা সংশ্লিষ্ট নির্বাচন কর্মকর্তার কার্যালয়ে স্বশরীরে উপস্থিত হয়ে মনোনয়নপত্র জমা দিতে পারবেন। সংগৃহীত মনোনয়নপত্রগুলো ১৬ আগস্ট সকাল ১০টায় যাচাই-বাছাই করা হবে। এছাড়া, কোনো প্রার্থী যদি তাঁর প্রার্থিতা প্রত্যাহার করতে চান, তবে ১৮ আগস্ট বিকেল ৪টার মধ্যে তা নিশ্চিত করতে হবে। নির্বাচনের মূল পর্ব অর্থাৎ ভোটগ্রহণ ২০ আগস্ট দুপুর ২টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত সংসদ ভবনের অধিবেশন কক্ষে বিরতিহীনভাবে চলবে।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ আরও জানান যে, রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রয়োজনীয় ভোটার তালিকা ইতোমধ্যে চূড়ান্ত করা হয়েছে। তফসিল ঘোষণার পর থেকে একটি সুষ্ঠু, অবাধ ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সকল প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। বাংলাদেশের সংবিধান অনুযায়ী সংসদ সদস্যদের প্রত্যক্ষ ভোটের মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হন। বর্তমান রাষ্ট্রপতির মেয়াদ শেষ হওয়ার পূর্বেই এই নির্বাচন সম্পন্ন করার আইনি বাধ্যবাধকতা রয়েছে।


নির্বাচিত

শিকলমুক্ত গণতান্ত্রিক দেশ গড়তে প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করতে চায় সরকার : তথ্যমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৬ আগস্ট, ২০২৬ ১৪:৫৯
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন বলেছেন, দেশে বারবার জনগণের অধিকার ও সৃষ্টিশীল ক্ষমতাকে শিকলবদ্ধ করার অপচেষ্টা রোধে একটি স্থায়ী প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো তৈরি করতে চায় সরকার, যাতে ভবিষ্যতে আর কেউ কোনোদিন জাতিকে শিকল পরাতে না পারে।

আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উপলক্ষে ‘শিকল ভাঙার জুলাই’ প্রকাশনার মোড়ক উন্মোচন অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন।

তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন তথ্য অধিদফতর (পিআইডি) এই প্রকাশনা প্রকাশ করে।

তথ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের দেশের বয়স ৫৫ বছরের বেশি হয়ে গেলেও বারবার জনগণের কণ্ঠ ও অধিকারকে শিকলে বাঁধা হয়েছে। এই প্রতিবন্ধকতার শিকল ভাঙতে বারবার আমাদের রক্ত দিতে হয়েছে, প্রাণ বিসর্জন দিতে হয়েছে এবং দেশের স্বাভাবিক সমৃদ্ধির প্রক্রিয়া ব্যাহত হয়েছে। পৃথিবীর যে দেশগুলো ধারাবাহিক সমৃদ্ধি বজায় রাখতে পেরেছে, তারাই আজ বিশ্বে অন্যতম প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়েছে।’

অতীতের আন্দোলনগুলোর সঙ্গে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের গুণগত পার্থক্যের কথা তুলে ধরে জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, ‘অতীতে বিভিন্ন আন্দোলন কেবল অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিক্রিয়া ও গণঅভ্যুত্থানেই শেষ হতো, পরে লক্ষ্যহীনভাবে হারিয়ে গিয়ে আবার নতুন কোনো ফ্যাসিবাদের পথ সুগম হতো। কিন্তু এবার আমরা যখন ফ্যাসিবাদের শিকল ভাঙার গান গেয়েছি, তখনই দেশ গড়ার পরিকল্পনা করেছি।’

তিনি আরও বলেন, ‘রক্ত ও প্রাণের বিনিময়ে অর্জিত এই অর্জনকে জনগণের দোরগোড়ায় পৌঁছাতে পুরোনো ব্যবস্থা দিয়ে সম্ভব নয়, সে কারণেই আমরা রাষ্ট্র কাঠামো ও রাজনীতি মেরামতের কথা বলেছি।’

তথ্যমন্ত্রী বলেন, অতীতের কোনো রাজনৈতিক আন্দোলনে লড়াইয়ের আগেই সুনির্দিষ্ট রূপরেখা ছিল না। এমনকি ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের সময়েও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তহীনতার একপর্যায়ে পাকিস্তান সামরিক বাহিনীর বাঙালি অফিসার মেজর জিয়াউর রহমানকে এসে ঐতিহাসিক স্বাধীনতার ঘোষণা দিতে হয়েছিল। কিন্তু ২০২৪ সালের গণঅভ্যুত্থানের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো— শিকল ভাঙার পর আমরা কী করব, তা আমাদের নেতা তারেক রহমান ৩১ দফার মাধ্যমে আগেই নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন এবং সরকার সেই লক্ষ্যেই এগিয়ে চলছে।

ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে দীর্ঘ ১৭ বছরের লড়াইয়ের কথা স্মরণ করে অনুষ্ঠানে তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ইয়াসের খান চৌধুরী বলেন, ‘বিগত দেড় দশকের স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলন এবং জুলাই যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের বিনিময়েই দেশ আজ গণতান্ত্রিক ধারায় ফিরেছে, অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে জনগণের ভোটে নির্বাচিত এই সরকার রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করতে পেরেছে। আমাদের নেতা প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দূরদর্শী নেতৃত্বের কারণেই এই গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা সম্ভব হয়েছে।’

তিনি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের বীর শহীদদের আত্মার মাগফিরাত এবং আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন।

মন্ত্রণালয়ের ভারপ্রাপ্ত সচিব মো. শাহ আলম বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বর্ষপূর্তির প্রাক্কালে সেই স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই স্মারকগ্রন্থ প্রকাশ করা হয়েছে। এতে ফ্যাসিবাদের সময় জেল-জুলুম, অত্যাচার ও আয়নাঘরের ভয় উপেক্ষা করে যারা রাজপথে ছিলেন, তাদের বাস্তব অভিজ্ঞতা তুলে ধরা হয়েছে। ফলে এই সংকলনটি সময়ের একটি স্বচ্ছ আয়না হিসেবে দীর্ঘকাল পাঠক ও গবেষকদের পথ দেখাবে।’

তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমদ জানান, বিগত ১৭ বছর ধরে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারের সংগ্রামে যারা সক্রিয়ভাবে যুক্ত ছিলেন, একাধিক মামলা ও কারাবরণ করেছেন, মূলত তাদের প্রত্যক্ষ অভিজ্ঞতা ও স্মৃতি নিয়েই এই বিশেষ বইটি প্রকাশ করা হয়েছে। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে আন্দোলনকারী ও দায়িত্বশীলদের অবদানকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতেই তথ্য অধিদফতরের এই ক্ষুদ্র প্রয়াস।

সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

banner close