সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
৬ আশ্বিন ১৪৩৩

এই মুহূর্তে দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের ভাবনা নেই: ইসি আলমগীর

নির্বাচন কমিশনার মো. আলমগীর। ফাইল ছবি
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১১ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ২০:১৯

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কমিশন নতুন করে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠকের চিন্তা করছে না বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার (ইসি) মো. আলমগীর।

তিনি বলেছেন, ‘চলতি বছরের ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহ অথবা আগামী বছরের জানুয়ারির প্রথম সপ্তাহে জাতীয় নির্বাচনের ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে। সংসদ নির্বাচনের লক্ষ্যে রোডম্যাপ অনুযায়ী যখন যে প্রস্তুতি নেয়া দরকার, আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। তবে এই মুহূর্তে নিবন্ধিত রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে বৈঠক করার কোনো চিন্তা-ভাবনা নেই।’

সোমবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন তিনি।

নির্বাচন নিয়ে আগামী ১৩ সেপ্টেম্বর সুধীজনদের সঙ্গে বৈঠক করবে ইসি। ইসি আলমগীর বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে যারা চিন্তা-ভাবনা করেন অথবা বিভিন্ন সময় নির্বাচন করেছেন, তাদের কাছ থেকে আমরা ফিডব্যাক নেব। আমরা যে কাজ করলাম, এতে তাদের মতামত কী। যদি তাদের কোনো গুড সাজেশন থাকে, ভালো নির্বাচনের জন্য আরও কী করা যেতে পারে, এগুলোই শুনব।’

অন্যতম বিরোধী দল বিএনপি না এলে কী করবেন, এমন প্রশ্নে ইসির সাবেক এই সচিব বলেন, ‘এগুলো আমাদের বিষয় নয়। সংবিধানে যেভাবে বলা আছে, আমরা সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছি। বিষয়টা রাজনৈতিক, রাজনৈতিক দলগুলো বিষয়টা দেখবে, কিছু করার আছে কি না। সংবিধান তো ইসিকে এসব বিষয়ে পদক্ষেপ নেয়ার কোনো সুযোগ দেয়নি। সংবিধানের বাইরে তো কিছু করার এখতিয়ার নেই ইসির।’

সিসি ক্যামেরা না রাখলে ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা কীভাবে নিশ্চিত করা হবে- এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আইন অনুযায়ী সিসি ক্যামেরা রাখতে হবে এমন কোনো বিধিবিধান নেই। নির্বাচনে অনিয়ম হয়, এমন অভিযোগ দেখার জন্য আমরা সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করেছি। অভিযোগ এলেই সঠিক কি না, তা দেখার জন্য। কিন্তু এটাতো কোনো ভোটের প্রক্রিয়ার মধ্যে পড়ে না।’

জাতীয় নির্বাচনে ৩০০ আসনে সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা সম্ভব নয় উল্লেখ করে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘এত সিসি ক্যামেরা কে দেবে? এত সিসি ক্যামেরা দেয়ার জন্য তো কোনো প্রতিষ্ঠান নেই। কয়েকটা সংগঠন মিলেও এত সিসি ক্যামেরা দিতে পারবে না। প্রায় দুই, আড়াই লাখ সিসি ক্যামেরা কীভাবে দেবে? ইন্টারনেটের সংযোগ কীভাবে দেবে? কীভাবে এত ক্যামেরা পর্যবেক্ষণ করবেন? এটা তো সম্ভব নয়। ঝুঁকিপূর্ণ আসনেও সিসি ক্যামেরা ব্যবহার করা সম্ভব নয়। কারণ, অনেক কেন্দ্র থাকে। ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র ঠিক হয় নির্বাচনের আগে, ওই সময় বাজেট আনা অসম্ভব।’

অপর এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘গাইবান্ধা-৫ আসনের উপনির্বাচনে অনিয়মে জড়িতদের শাস্তি সিদ্ধান্ত অনেক বিভাগ বাস্তবায়ন করেছে। কারও কারও শাস্তির বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন আছে। যারা ক্ষমা করে দিয়েছেন, আমরা (তাদের) বলেছি, ক্ষমা করার কোনো বিধান নেই। শাস্তি কম হলেও দিতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘যারা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দায়িত্ব পালন করেন, তাদের প্রতি আস্থা না রাখার কোনো কারণ নেই। যত নির্বাচন করেছি, শাস্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন হয়েছে। কোথাও সামান্য ত্রুটি হলে আমরা আমলে নিয়ে ব্যবস্থা নিয়েছি। দায়িত্ব পালনে আমাদের শতভাগ আন্তরিকতা ছিল এবং আমরা মনে করি, জনগণ সেটা ভালোভাবে নিয়েছেন।’


নির্বাচিত

স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার স্বাস্থ্য খাতকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে জানিয়ে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বলেছেন, ‘বর্তমানে স্বাস্থ্য খাতকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার। দেশের নাগরিকদের জন্য সহজ সেবা নিশ্চিত করতে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে বিপুলসংখ্যক রোগী যেসব হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে আসেন, সেসব হাসপাতালে বরাদ্দ বাড়ানো হচ্ছে।’

গতকাল সোমবার ঢাকার মহাখালীতে জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের নবনির্মিত রেসপিরেটরি ক্রিটিক্যাল কেয়ার ও ইন্টারকনভেনশনাল পালমোলজি সেন্টারের উদ্বোধন অনুষ্ঠানের আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

এ সময় কিডনি ডায়ালাইসিস সেবা সম্প্রসারণের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আগামী দুই বছরের মধ্যে দেশের প্রতিটি উপজেলায় ১০টি করে কিডনি ডায়ালাইসিস মেশিন দেওয়ার পরিকল্পনা রয়েছে।’ একই সঙ্গে দেশের চিকিৎসকদের দক্ষতা বৃদ্ধিতে সরকার বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ করেছে বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী আরও বলেন, ‘জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালটি ২০০৫ সালে প্রয়াত প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উদ্বোধন করলেও দীর্ঘ ২১ বছর পর এখানে আইসিইউসেবা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। নতুন আইসিইউতে ৪০টি শয্যা যুক্ত হয়েছে।’

জাতীয় বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউট ও হাসপাতালের পরিচালক ডা. গোলাম সারওয়ার লিয়াকত হোসেন ভুঁইয়ার সভাপতিত্বে এতে বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ডা. এফ এম সিদ্দিকী, ডক্টরস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (ড্যাব)-এর সভাপতি অধ্যাপক ডা. হারুন অর রশীদ, ড্যাবের সাধারণ সম্পাদক ডা. মো. জহিরুল ইসলাম শাকিল এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. প্রভাত চন্দ্র বিশ্বাস প্রমুখ।


নির্বাচিত

মিরপুর ও লালবাগে নতুন দুই ডিসি

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২২:৫৪
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের (ডিএমপি) মিরপুর ও লালবাগ বিভাগে উপপুলিশ কমিশনার (ডিসি) পদে নতুন দুই কর্মকর্তাকে পদায়ন করা হয়েছে। সোমবার ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ উদ্দিন আহমদ স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ তথ্য জানানো হয়।

আদেশ অনুযায়ী, ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হাসান মোহাম্মদ নাছের রিকাবদারকে মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে। এর আগে তিনি ডিএমপির উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

অন্যদিকে মিরপুর বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার মো. মোস্তাক সরকারকে লালবাগ বিভাগের উপপুলিশ কমিশনার হিসেবে পদায়ন করা হয়েছে।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ পদায়ন করা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত এ আদেশ কার্যকর থাকবে এবং তা অবিলম্বে কার্যকর করা হয়েছে।


নির্বাচিত

সাইবার নিরাপত্তা ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সহযোগিতা বাড়াতে অঙ্গীকারবদ্ধ বাংলাদেশ-চীন

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সমঝোতা হয়। ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাইবার নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের ক্ষেত্রে দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা আরও জোরদার করতে সম্মত হয়েছে বাংলাদেশ ও চীন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বাংলাদেশ সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর কার্যালয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং বাংলাদেশে নিযুক্ত চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েনের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে এই সমঝোতা হয়।

বৈঠকে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে নিরাপত্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষা, সাইবার অপরাধ দমন, প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং প্রশিক্ষণ বিনিময়ের নানা দিক নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

বৈঠকের শুরুতে চীনের বিদায়ী রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন আগামী অক্টোবরের শুরুতে তার দায়িত্ব পালনের মেয়াদ শেষ করে বাংলাদেশ ত্যাগের বিষয়টি অবহিত করেন। একইসঙ্গে তিনি চীনের ‘মিনিস্টার অব পাবলিক সিকিউরিটি’র পক্ষ থেকে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে আন্তরিক শুভেচ্ছা জানান। রাষ্ট্রদূত চীনের পাবলিক সিকিউরিটিবিষয়ক ফোরামে বাংলাদেশ ও চীনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীদের পারস্পরিক বৈঠক এবং দ্বিপক্ষীয় সহযোগিতা বাড়াতে চীন সফরের জন্য চীনের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণ বার্তাটি পৌঁছে দেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ ও বিদায়ী রাষ্ট্রদূত উভয়ই আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বিশেষ করে প্রযুক্তিগত সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলার গুরুত্বের ওপর জোর দেন।

রাষ্ট্রদূত জানান, বিগত দুই বছরে চীন বাংলাদেশের শতাধিক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যকে সাইবার ক্রাইম, পাবলিক সিকিউরিটি ম্যানেজমেন্ট, ট্রাফিক ও ট্রান্সপোর্টেশন ম্যানেজমেন্ট, ইমিগ্রেশন এবং জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনের জন্য প্রশিক্ষণ দিয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এই সহযোগিতার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে জানান , বাংলাদেশ সরকার পুলিশ বাহিনীর জন্য একটি বিশেষায়িত ‘সাইবার সিকিউরিটি ইউনিট’ গঠন ও অবকাঠামো তৈরির উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

তিনি উল্লেখ করেন, থানা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায় থেকে শুরু করে কেন্দ্রীয় ইউনিট পর্যন্ত ডিজিটাল ফরেন্সিক ল্যাব এবং সাইবার ল্যাব প্রতিষ্ঠার পরিকল্পনা বাস্তবায়িত হচ্ছে।

বৈঠকে রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে চীনা বিশেষজ্ঞ ও ল্যাব পরিদর্শন এবং প্রযুক্তিগত অভিজ্ঞতা বিনিময়ের জন্য বাংলাদেশকে একটি বিশেষজ্ঞ দল পাঠানোর পরামর্শ দেন।

মন্ত্রী এ সময় সিআইডি’র নেতৃত্বে একজন অতিরিক্ত আইজিপি, একজন অতিরিক্ত ডিআইজি এবং সাইবার ও ডিজিটাল ফরেন্সিক বিশেষজ্ঞ পুলিশ কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে ৫ সদস্যের একটি উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধি দল চীনে পাঠানোর ঘোষণা দেন। দলটি চীনের সাইবার ল্যাব ও প্রযুক্তি পর্যবেক্ষণ করে দেশে ফরেন্সিক ল্যাব ও সরঞ্জাম প্রতিষ্ঠার বিষয়ে সুনির্দিষ্ট প্রস্তাব প্রস্তুত করবে।

রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন বলেন, চীন বর্তমানে বাংলাদেশের এক নম্বর উন্নয়ন সহযোগী ও শীর্ষ বিনিয়োগকারী দেশ। তিনি মন্ত্রীর কাছে বাংলাদেশে কর্মরত চীনা নাগরিক, ব্যবসায়ী ও বিনিয়োগকারীদের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার অনুরোধ জানান।

জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘চীন কেবল আমাদের শীর্ষ বিনিয়োগকারীই নয়, আমাদের অন্যতম প্রধান কৌশলগত উন্নয়ন অংশীদার’। তিনি বাংলাদেশে বসবাসরত সকল চীনা নাগরিক, ব্যবসায়ী ও উন্নয়ন প্রকল্পের কর্মীদের সর্বোচ্চ সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের দৃঢ় অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন।

বৈঠকে আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকির, অতিরিক্ত আইজিপি ও সিআইডি প্রধান ব্যারিস্টার মোহাম্মদ মোশাররফ হোছাইন, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের রাজনৈতিক ও বহিরাগমন অনুবিভাগের অতিরিক্ত সচিব ড. জিয়াউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

সেতু বিভাগে চুক্তিভিত্তিক সচিব, পাসপোর্টে নতুন মহাপরিচালক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

সেতু বিভাগের বর্তমান সচিব মোহাম্মদ আবদুর রউফকে একই পদে আরও এক বছরের জন্য চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। একই সঙ্গে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের (ডিআইপি) নতুন মহাপরিচালক (ডিজি) হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীন।

সোমবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় পৃথক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানিয়েছে।

প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, মোহাম্মদ আবদুর রউফকে অবসরোত্তর ছুটি (পিআরএল) বাতিলের শর্তে আগামী এক বছরের জন্য সেতু বিভাগের সচিব পদে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে তিনি বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বও পালন করবেন।

মোহাম্মদ আবদুর রউফ গত বছরের ২৫ ফেব্রুয়ারি সচিব পদে পদোন্নতি পান। পরদিন ২৬ ফেব্রুয়ারি তিনি সেতু বিভাগের সচিব হিসেবে যোগ দেন। একই সঙ্গে বাংলাদেশ সেতু কর্তৃপক্ষের নির্বাহী পরিচালকের দায়িত্বও পান।

অন্যদিকে, মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীনকে প্রেষণে নিয়োগ দিয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ন্যস্ত করা হয়েছে। পরে তাকে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক পদে দায়িত্ব দেওয়া হয়।

প্রজ্ঞাপনে তার নিয়োগের বিষয়টি জানিয়ে বলা হয়েছে, জনস্বার্থে এ নিয়োগ অবিলম্বে কার্যকর হবে।

এর আগে বহিরাগমন ও পাসপোর্ট অধিদপ্তরের মহাপরিচালক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন মেজর জেনারেল মো. নূরুল আনোয়ার। নতুন নিয়োগের মাধ্যমে তার স্থলাভিষিক্ত হলেন মেজর জেনারেল মো. আলীমুল আমীন।

সরকারের সাম্প্রতিক প্রশাসনিক পুনর্বিন্যাসের অংশ হিসেবে এই দুই নিয়োগের প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে।


নির্বাচিত

হামের উপসর্গে আরও ৬ মৃত্যু, আক্রান্ত ১,৩০৫

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২১:৪৭
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ছয়জনের মৃত্যু হয়েছে। এ নিয়ে চলতি বছরে নিশ্চিত হামে ১০১ জন এবং হামের উপসর্গ নিয়ে ৯৬২ জনের মৃত্যু হয়েছে। সব মিলিয়ে হাম ও এর উপসর্গে মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ হাজার ৬৩ জনে।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নিয়মিত হেলথ বুলেটিনে এ তথ্য জানানো হয়।

বুলেটিনে বলা হয়েছে, রোববার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে ঢাকা ও সিলেট বিভাগে দুজন করে এবং অন্য কয়েকটি বিভাগে আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হাম ও এর উপসর্গ নিয়ে নতুন করে ১ হাজার ৩০৫ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন।

এর মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৪৮৮ জন, রাজশাহীতে ৩১ জন, সিলেটে ১৩১ জন, চট্টগ্রামে ২৯১ জন, বরিশালে ১৪৫ জন, ময়মনসিংহে ৭৩ জন, খুলনায় ৯০ জন এবং রংপুরে ২৬ জন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে হামের উপসর্গ নিয়ে মোট ১ লাখ ৫৯ হাজার ৮০৪ জন রোগী ভর্তি হয়েছেন। তাদের মধ্যে চিকিৎসা নিয়ে হাসপাতাল ছেড়েছেন ১ লাখ ৫৩ হাজার ৪৮৮ জন।

এদিকে, একই সময় থেকে দেশে সন্দেহজনক হামের রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৮১ হাজার ৩৫ জনে। এর মধ্যে পরীক্ষায় ২০ হাজার ৬৪৬ জনের হামে আক্রান্ত হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।

হামের সংক্রমণ ও উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে রোগী ভর্তি এবং মৃত্যুর সংখ্যা বাড়তে থাকায় পরিস্থিতি মোকাবিলায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।


নির্বাচিত

অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে আসামিদের বিষয়ে নতুন তথ্য

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. নাহিদা বেগমের একমাত্র সন্তান ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম (১৩) হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার আসামিদের নিয়ে নতুন তথ্য সামনে এসেছে। গ্রেপ্তার মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ারের মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের দোকানে বিনা বেতনে কাজ নিয়েছিলেন বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. কামরুন নাহাত শীলা।

একই সঙ্গে নাহিদা বেগম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযানে কয়েকজন কিশোরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছিলেন বলেও জানান তিনি। এসব ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যার কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্ত করে দেখার দাবি জানিয়েছেন নিহতের মা।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুল কাইয়ুম চত্বরে শিক্ষক সমিতির আয়োজিত মানববন্ধনে এসব তথ্য তুলে ধরেন ড. কামরুন নাহাত শীলা।

মানববন্ধনে ড. কামরুন নাহাত শীলা বলেন, অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডে গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ ঘটনার প্রায় ১০ দিন আগে অপ্রতিমের বাবার দোকানে বিনা বেতনে কাজ নিয়েছিলেন।

তিনি জানান, অপ্রতিমের বাবা কে এম ফিরোজ শাহরিয়ার কুমিল্লা ক্যান্টনমেন্ট এলাকায় মোবাইল ফোনের যন্ত্রাংশের ব্যবসা করেন। ওই দোকানেই হত্যাকাণ্ডের প্রায় ১০ দিন আগে ফাহাদ কাজ শুরু করেন।

নাহিদা বেগমের সহকর্মী আরও জানান, নাহিদা যখন বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ছিলেন, তখন এলাকায় মাদকবিরোধী অভিযান চালানো হয়েছিল। সে সময় কয়েকজন কিশোরকে পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়। তাদের মধ্যে দুজন তুহিনের কিশোর গ্যাংয়ের সদস্য ছিল বলে দাবি করা হয়েছে।

তবে ওই পুরোনো ঘটনার সঙ্গে অপ্রতিম হত্যাকাণ্ডের সরাসরি কোনো সম্পর্ক রয়েছে কি না, তা এখনো প্রমাণিত নয়। নিহতের পরিবার তদন্তের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার করার দাবি জানিয়েছে।

মানববন্ধনে অপ্রতিমের মা ড. নাহিদা বেগমের পক্ষ থেকে গ্রেপ্তার আসামিদের বয়স নিয়েও প্রশ্ন তোলা হয়। যারা নিজেদের অপ্রাপ্তবয়স্ক হিসেবে পরিচয় দিচ্ছে, তারা প্রকৃতপক্ষে অপ্রাপ্তবয়স্ক কি না, তা ডিএনএ পরীক্ষার মাধ্যমে যাচাইয়ের অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এ ছাড়া হত্যাকাণ্ডে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত করতে প্রয়োজনে আইন সংশোধনের দাবিও জানিয়েছেন নাহিদা বেগম।

এর আগে রোববার কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান সংবাদ সম্মেলনে জানান, অপ্রতিমকে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্যে পরিকল্পিতভাবে লালমাই পাহাড়ের নির্জন এলাকায় নেওয়া হয়েছিল। সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পুলিশ প্রথমে সাইফুল ইসলাম তুহিনকে শনাক্ত করে। পরে তাকে জিজ্ঞাসাবাদের ভিত্তিতে ফাহাদ ও কামরুল হাসানের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া যায়।

পুলিশের ভাষ্য অনুযায়ী, অপ্রতিমের সঙ্গে থাকা আইফোনটি ছিনিয়ে নেওয়ার সময় বাধা দিলে তাকে মারধর করা হয়। পরে তার মৃত্যু হয়। এ ঘটনায় সাইফুল ইসলাম তুহিন, মোজাম্মেল হোসেন ফাহাদ, মো. কামরুল হাসান ও মো. সিয়ামকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

রোববার আদালতে চার আসামিকে হাজির করা হলে তুহিন, ফাহাদ ও কামরুল ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন বলে আদালত সূত্র জানিয়েছে। সিয়াম জবানবন্দি দেননি।

গ্রেপ্তার চারজনের মধ্যে ফাহাদ ও কামরুলকে কিশোর হিসেবে চিহ্নিত করে শিশু উন্নয়ন কেন্দ্রে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তুহিন ও সিয়ামকে কারাগারে রাখা হয়েছে।

গত ১৮ সেপ্টেম্বর বিকেলে মায়ের আইফোন নিয়ে ছবি তুলতে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হয় অপ্রতিম। পরদিন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়সংলগ্ন লালমাই পাহাড়ের সানন্দা এলাকার একটি জঙ্গল থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।

পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে আইফোন ছিনিয়ে নেওয়াকে হত্যার উদ্দেশ্য হিসেবে সামনে আনা হলেও পরিবারের পক্ষ থেকে ফাহাদের আগে থেকেই অপ্রতিমের পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ এবং নাহিদা বেগমের আগের মাদকবিরোধী অভিযানের প্রসঙ্গ তুলে ধরা হয়েছে।

এসব ঘটনার মধ্যে কোনো যোগসূত্র রয়েছে কি না, তা তদন্তেই নিশ্চিত হবে। ফলে অপ্রতিম হত্যার পেছনে শুধু আইফোন ছিনিয়ে নেওয়ার উদ্দেশ্য ছিল, নাকি এর সঙ্গে অন্য কোনো কারণও যুক্ত ছিল—এখন সেই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছে তদন্তকারী সংস্থা।


নির্বাচিত

‘তেল দে, গ্যাস দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে’ স্লোগানে জামায়াতের বিক্ষোভ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রতিবাদে রাজধানীর মহাখালীতে বিক্ষোভ সমাবেশ ও মিছিল করেছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী ঢাকা মহানগর উত্তর। সোমবার বিকেলে মহাখালী রেলগেট এলাকায় আয়োজিত এ কর্মসূচি থেকে জ্বালানি তেলের দাম কমানো, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি জানানো হয়।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) বিকেল ৫টার দিকে মহাখালী কলেরা হাসপাতালের সামনে এ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়। পরে সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল বের হয়ে নাবিস্কো এলাকায় গিয়ে শেষ হয়।

সম্প্রতি সরকার ডিজেল, কেরোসিন, পেট্রোল ও অকটেনের দাম লিটারপ্রতি ২০ টাকা করে বাড়িয়েছে। নতুন দরে ডিজেল ১৩৫, কেরোসিন ১৫৫, পেট্রোল ১৬০ এবং অকটেন ১৬৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন দাম ২১ সেপ্টেম্বর থেকে কার্যকর হয়েছে।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ছয় মাসের মধ্যে তিনবার জ্বালানি তেলের দাম বাড়িয়েছে। তার দাবি, জ্বালানি সংকট ও মূল্যবৃদ্ধির কারণে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রায় চাপ তৈরি হয়েছে।

তিনি অভিযোগ করেন, একপর্যায়ে পেট্রলপাম্পগুলোতে দীর্ঘ লাইন দেখা গেলেও বিরোধী দল জাতীয় সংসদে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে চাওয়ার পর অল্প সময়ের মধ্যে সেই সংকটের অবসান ঘটে। এ ঘটনাকে তিনি ‘কৃত্রিম সংকট’ তৈরির সম্ভাবনা হিসেবে উল্লেখ করেন।

জুবায়ের বলেন, জ্বালানি সংকটের প্রভাব দ্রব্যমূল্য, কৃষি ও শিল্প খাতেও পড়ছে। গার্মেন্টসসহ বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হচ্ছে বলেও দাবি করেন তিনি।

তার ভাষ্য, জ্বালানি সংকট নিরসনে বিরোধী দলের পক্ষ থেকে বিশেষজ্ঞ কমিটির মাধ্যমে সহযোগিতার প্রস্তাব দেওয়া হলেও সরকার তাতে সাড়া দেয়নি।

জুবায়ের আরও অভিযোগ করেন, গভীর রাতে প্রজ্ঞাপন জারি করে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ানো হয়েছে। তার দাবি, এই মূল্যবৃদ্ধির ফলে সাধারণ মানুষের ওপর অতিরিক্ত চাপ তৈরি হবে।

সমাবেশ থেকে জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির সিদ্ধান্ত প্রত্যাহারের দাবি জানান তিনি।

জামায়াতের কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও ঢাকা মহানগর উত্তরের সেক্রেটারি ড. মুহাম্মদ রেজাউল করিম বলেন, গত ছয় মাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি, দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, দুর্নীতি, লুটপাট ও অরাজকতার চিত্র দেখা যাচ্ছে বলে তারা মনে করছেন।

তিনি সাম্প্রতিক কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের প্রসঙ্গ তুলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর পদে থাকার নৈতিকতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন।

রেজাউল করিম আরও বলেন, তাদের দাবি পরিষ্কার—সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ তার সহযোগীদের দেশে ফিরিয়ে এনে ডিসেম্বরের মধ্যে বিচারের রায় কার্যকর করতে হবে।

জ্বালানি তেল, গ্যাস, সারসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম দ্রুত নিয়ন্ত্রণের দাবি জানিয়ে তিনি বলেন, দ্রব্যমূল্যের বর্তমান পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান করতে হবে। তা না হলে সরকারকে পদত্যাগ করতে হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।

সমাবেশে বিক্ষোভকারীরা ‘তেল দে, গ্যাস দে, নয়তো গদি ছেড়ে দে’সহ বিভিন্ন স্লোগান দেন।

কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর সহকারী সেক্রেটারি ডা. ফখরুদ্দিন মানিকের সঞ্চালনায় কর্মসূচিতে আরও বক্তব্য দেন কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও মহানগর সহকারী সেক্রেটারি নাজিম উদ্দীন মোল্লা এবং ইয়াসিন আরাফাত।

এ ছাড়া কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য আতাউর রহমান সরকার, জামাল উদ্দিন, মুহিবুল্লাহ ও নাসির উদ্দীনসহ দলটির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে জামায়াত নেতারা জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি প্রত্যাহার, দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়নের দাবি পুনর্ব্যক্ত করেন।


নির্বাচিত

পুলিশের ৬ কর্মকর্তার বরখাস্তের নেপথ্যে যেসব কারণ

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ছাড়ার পর আর দায়িত্বে ফেরেননি কেউ, আবার কেউ কোনো অনুমতি ছাড়াই দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। বিভাগীয় তদন্তে কারও বিরুদ্ধে অসদাচরণ, পলায়ন, সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য ও বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগ প্রমাণিত হয়েছে। এসব অভিযোগে পুলিশের ছয় কর্মকর্তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করেছে সরকার। তাদের মধ্যে ঢাকা জেলার সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) মো. আসাদুজ্জামান এবং সিরাজগঞ্জের সাবেক এসপি আরিফুর রহমান মণ্ডলও রয়েছেন।

সোমবার স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরীর সই করা পৃথক প্রজ্ঞাপনে তাদের বরখাস্তের আদেশ জানানো হয়। সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী বিভাগীয় ব্যবস্থা শেষে তাদের বিরুদ্ধে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

বরখাস্ত হওয়া অন্য কর্মকর্তারা হলেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেন, অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম এবং ডিএমপির অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রাজীব দাস।

আসাদুজ্জামান

ঢাকা জেলার সাবেক এসপি মো. আসাদুজ্জামান ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ পুলিশ একাডেমি, সারদায় যোগ দেন। এরপর ১৭ থেকে ২১ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ছুটি নিয়ে কর্মস্থল ত্যাগ করেন। তবে ছুটি শেষ হওয়ার পরও তিনি আর কর্মস্থলে যোগ দেননি।

দীর্ঘদিন অনুপস্থিত থাকার ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়। তদন্তে তার বিরুদ্ধে পলায়নের অভিযোগ আনা হয়। পরে ২০২৪ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়।

পলাশ রঞ্জন দে

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার পলাশ রঞ্জন দে ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা হয়।

বিভাগীয় তদন্তে তার বিরুদ্ধে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। তাকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হলেও তিনি কোনো জবাব দেননি। পরে ২০২৫ সালের ১২ আগস্ট থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।

ছানোয়ার হোসেন

পুলিশের অ্যান্টি-টেররিজম ইউনিটের সাবেক এসপি মোহাম্মদ ছানোয়ার হোসেনও অনুমতি ছাড়া দীর্ঘদিন কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। তিনি ২০২৫ সালের ১ জানুয়ারি থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন।

তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় তদন্তে অসদাচরণ ও পলায়নের অভিযোগ প্রমাণিত হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে তাকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

জায়েদুল আলম

অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ জায়েদুল আলম ২০২৪ সালের ১২ অক্টোবর চিকিৎসার জন্য ছুটি নিয়ে থাইল্যান্ড যান। ছুটি শেষে কর্মস্থলে ফেরার কথা থাকলেও তিনি আর দায়িত্বে যোগ দেননি।

বিভাগীয় নথি অনুযায়ী, ৪ নভেম্বর থেকে তার অননুমোদিত অনুপস্থিতি ধরা হয়। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়। পরে ২০২৪ সালের ৪ নভেম্বর থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করা হয়েছে।

রাজীব দাস

ডিএমপির সচিবালয় নিরাপত্তা বিভাগের অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রাজীব দাস ২০২৪ সালের ২ নভেম্বর থেকে কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। ছুটি শেষ হওয়ার পরও দায়িত্বে যোগ না দেওয়ায় তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় মামলা করা হয়।

পরে ২০২৪ সালের ২ নভেম্বর থেকে তার বরখাস্ত কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়।

আরিফুর রহমান মণ্ডল

সিরাজগঞ্জের সাবেক পুলিশ সুপার আরিফুর রহমান মণ্ডল ২০২৫ সালের ১৯ ফেব্রুয়ারি থেকে অনুমতি ছাড়া কর্মস্থলে অনুপস্থিত ছিলেন। এ ঘটনায় তার বিরুদ্ধেও বিভাগীয় মামলা করা হয় এবং কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়।

সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তার বিরুদ্ধে চাকরি থেকে বরখাস্তের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে সরকারি দায়িত্ব পালনে অবহেলা, কর্তৃপক্ষের আদেশ অমান্য এবং বিভাগীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে সরকারি কর্মচারী (শৃঙ্খলা ও আপিল) বিধিমালা, ২০১৮ অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তাদের বরখাস্তের আদেশ কার্যকর হয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের অননুমোদিত অনুপস্থিতি বা অভিযোগের কার্যকর তারিখ থেকে।


নির্বাচিত

বাসে কিলোমিটারে ২০ পয়সা ভাড়া বৃদ্ধির প্রস্তাব

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধির প্রেক্ষাপটে সিটি সার্ভিস ও দূরপাল্লার বাস উভয় ক্ষেত্রে কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর সুপারিশ করেছে বাংলাদেশ রোড ট্রান্সপোর্ট অথরিটি (বিআরটিএ)। সোমবার দুপুরে রাজধানীর বনানীতে বিআরটিএর প্রধান কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত ভাড়া সমন্বয় কমিটির বৈঠকে এ সংক্রান্ত খসড়া প্রস্তাব চূড়ান্ত করা হয়। তবে যাত্রীদের স্বস্তির কথা বিবেচনা করে বাসে সর্বনিম্ন ভাড়া ১০ টাকা এবং মিনিবাসে ৮ টাকা অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। বৈঠক শেষে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন মালিক সমিতির অতিরিক্ত মহাসচিব এএসএম আহমেদ খোকন জানান, প্রস্তাব অনুযায়ী দূরপাল্লার বাসের ভাড়া বর্তমান প্রতি কিলোমিটার ২ টাকা ২৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৪৩ পয়সা এবং মহানগরীর সিটি সার্ভিসের ভাড়া ২ টাকা ৫৩ পয়সা থেকে বেড়ে ২ টাকা ৭৩ পয়সা হবে। এই সুপারিশ অনুমোদনের জন্য সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হচ্ছে এবং মঙ্গলবারের মধ্যেই এ বিষয়ে চূড়ান্ত সরকারি প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে।

বৈঠক সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, জ্বালানি তেলের মূল্য এক লাফে অনেকটা বেড়ে যাওয়ার কারণে পরিবহন পরিচালন ব্যয় বহুগুণ বেড়েছে দাবি করে পরিবহন মালিকেরা কিলোমিটারপ্রতি অন্তত ৪০ পয়সা ভাড়া বাড়ানোর জোরালো প্রস্তাব তুলেছিলেন। তবে সামগ্রিক জনস্বার্থ ও যাত্রীদের আর্থিক সক্ষমতা বিবেচনায় নিয়ে দীর্ঘ আলোচনার পর কমিটি মালিকদের দাবির চেয়ে কম হারে, অর্থাৎ কিলোমিটারপ্রতি ২০ পয়সা বৃদ্ধির সিদ্ধান্তে পৌঁছায়। বৈঠকে কেবল জ্বালানি তেলের দাম নয়, এর পাশাপাশি গাড়ির টায়ার, যন্ত্রাংশ এবং রক্ষণাবেক্ষণসহ সামগ্রিক পরিচালন ব্যয়ের প্রভাবও হিসাবের আওতায় আনা হয়।

এর আগে গত রোববার রাতে সরকার চার ধরনের জ্বালানি তেলের দাম লিটারপ্রতি এক ধাক্কায় ২০ টাকা করে বাড়ানোর ঘোষণা দেয়, যা সোমবার থেকেই কার্যকর হয়েছে। নতুন দর অনুযায়ী ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১১৫ টাকা থেকে বেড়ে ১৩৫ টাকা, কেরোসিন ১৩৫ থেকে ১৫৫ টাকা, অকটেন ১৪৫ থেকে ১৬৫ টাকা এবং পেট্রল ১৪০ থেকে বাড়িয়ে ১৬০ টাকা নির্ধারণ করা হয়। যেহেতু দেশের গণপরিবহনের সিংহভাগই ডিজেলচালিত, তাই ডিজেলের এই আকস্মিক মূল্যবৃদ্ধির সরাসরি প্রভাব পড়েছে পরিবহন খাতে, যার ফলেই তাৎক্ষণিকভাবে ভাড়া সমন্বয়ের এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

উল্লেখ্য, দেশে জ্বালানি তেলের মূল্যের ওঠানামার সঙ্গে তাল মিলিয়ে এর আগেও একাধিকবার বাসভাড়া সমন্বয় করা হয়েছিল। চলতি বছরের এপ্রিলে ডিজেলের দাম লিটারপ্রতি ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা নির্ধারণের পর ২৩ এপ্রিল প্রজ্ঞাপন দিয়ে দূরপাল্লার বাসের ভাড়া কিলোমিটারপ্রতি ২ টাকা ১২ পয়সা থেকে বাড়িয়ে ২ টাকা ২৩ পয়সা, ঢাকা ও চট্টগ্রাম মহানগরে ২ টাকা ৪২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৫৩ পয়সা এবং ডিটিসিএ আওতাধীন মিনিবাসে ২ টাকা ৩২ পয়সা থেকে ২ টাকা ৪৩ পয়সা করা হয়। এর আগে ২০২২ সালের আগস্টে ডিজেলের দাম ৮০ টাকা থেকে একলাফে ১১৪ টাকা হলে দূরপাল্লায় ৪০ পয়সা এবং মহানগরে ৩৫ পয়সা ভাড়া বেড়েছিল; পরবর্তীতে তেলের দাম ৫ টাকা কমলে ৩১ আগস্ট দূরপাল্লার ভাড়া কমিয়ে ২ টাকা ১৫ পয়সা এবং মহানগরের ভাড়া ২ টাকা ৪৫ পয়সা করা হয়। এ ছাড়া ২০২৪ সালের এপ্রিলে ডিজেলের দাম ৩ টাকা কমানো হলে বিআরটিএ কিলোমিটারপ্রতি বাসের ভাড়া ৩ পয়সা কমানোর সুপারিশ করেছিল।


নির্বাচিত

আশুলিয়া অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের পাশে সরকার: পরিদর্শনে হাসপাতালে এলজিআরডি মন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকার আশুলিয়ার জামগড়া চৌরাস্তা এলাকায় প্রীতি কম্পোজিট টেক্সটাইল লিমিটেড চত্ত্বরে গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে হতাহতদের খোঁজখবর নিতে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল ও শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান। এসময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী উপস্থিত ছিলেন।

সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) তিনি হাসপাতাল দুটিতে চিকিৎসাধীন আহতদের খোঁজখবর নেন এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন। এ সময় অগ্নিকাণ্ডে নিহত নজরুল ইসলামের পরিবারের হাতে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা আর্থিক সহায়তা তুলে দেন তিনি।

স্থানীয় সরকার মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনা অনুযায়ী জরুরি ভিত্তিতে অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের খোঁজখবর নিতে আমরা হাসপাতালে এসেছি। প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘের ৮১তম অধিবেশনে অংশগ্রহণের উদ্যেশ্যে যাত্রার প্রাক্কালে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে তাৎক্ষণিক আমাকে নির্দেশনা প্রদান করেন। প্রধানমন্ত্রী সার্বক্ষণিকভাবে আপনাদের বিষয়ে খোঁজখবর নিচ্ছেন এবং আপনাদের পাশে থাকার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেছেন।

তিনি আরো উল্লেখ করেন যে, জনগনের ভোটে নির্বাচিত আমাদের প্রিয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এদেশের জনগণের বিপদে সবসময় পাশে রয়েছেন এবং ভবিষ্যতেও তাদের পাশে থাকবেন।

তিনি বলেন, সরকার এই কঠিন সময়ে নিহত ও আহতদের পরিবারের পাশে রয়েছে। আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোকে সরকারের পক্ষ থেকে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হচ্ছে।

ড. আবদুল মঈন খান আরও বলেন, দুর্ঘটনায় যারা স্বজন হারিয়েছেন, তাদের প্রতি আমরা গভীর সমবেদনা জানাই। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি। এ ধরনের দুর্ঘটনা প্রতিরোধে সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও সতর্ক ও দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে।

এ সময় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী বলেন, আশুলিয়ার অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের পাশে সরকার রয়েছে। আহতদের সুচিকিৎসা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। নিহত ও আহতদের পরিবারকে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ৫০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দুর্ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করতে ইতোমধ্যেই তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। তদন্ত কমিটির প্রতিবেদন পাওয়ার সাথে সাথেই প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্টদের আরও সতর্কতার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন তিনি।

পরিদর্শনকালে শ্রম ও কর্মসংস্থান সচিব মোঃ আব্দুর রহমান তরফদারসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নির্বাচিত

রাশিয়ার নির্বাচনে পুতিনের জয়

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাশিয়ার পার্লামেন্ট নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিনের ক্ষমতাসীন দল ইউনাইটেড রাশিয়া রেকর্ডসংখ্যক আসনে জয় পেয়েছে। তিন দিনব্যাপী নির্বাচনের প্রাথমিক ফলাফলে ৪৫০ আসনের স্টেট দুমার মধ্যে দলটি ৩৫৫টি আসন পেতে যাচ্ছে বলে জানিয়েছে দেশটির কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন। এর মধ্য দিয়ে পার্লামেন্টে দলটির সংখ্যাগরিষ্ঠতা আরও বেড়েছে এবং ২০১৬ সালের ৩৪৩ আসনের আগের রেকর্ডও ছাড়িয়ে গেছে।

সোমবার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশনের প্রধান এলা পামফিলোভা প্রায় সব ভোট গণনার পর প্রাথমিক ফলাফল প্রকাশ করেন। কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, দলীয় তালিকার ভোটে ইউনাইটেড রাশিয়া পেয়েছে ৫৭ দশমিক ৮৩ শতাংশ ভোট। ভোটার উপস্থিতি ছিল ৫৯ দশমিক ৩২ শতাংশ।

৩৫৫টি আসন পেলে ইউনাইটেড রাশিয়া স্টেট দুমায় দুই-তৃতীয়াংশের বেশি সংখ্যাগরিষ্ঠতা ধরে রাখবে। রুশ সংবিধান অনুযায়ী, এ ধরনের সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকলে অন্য দলের সমর্থন ছাড়াই সংবিধান সংশোধনের উদ্যোগ নেওয়া সম্ভব। এর ফলে আইন প্রণয়ন ও সাংবিধানিক পরিবর্তনের ক্ষেত্রে পুতিনের দলের সংসদীয় নিয়ন্ত্রণ আরও শক্তিশালী হলো।

রাশিয়ার জন্য এটি ইউক্রেনে ২০২২ সালে পূর্ণমাত্রার যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম পার্লামেন্ট নির্বাচন। নির্বাচনের আগে ও ভোটগ্রহণের সময় দেশটির রাজনৈতিক পরিবেশ নিয়ে আন্তর্জাতিক পর্যায়ে নানা সমালোচনা ছিল। পুতিনবিরোধী ও যুদ্ধবিরোধী শক্তির বড় অংশ নির্বাচনে কার্যকরভাবে অংশ নিতে পারেনি।

প্রাথমিক ফলাফলে কমিউনিস্ট পার্টি ৪০টি, জাতীয়তাবাদী এলডিপিআর ২৫টি এবং নিউ পিপল পার্টি ২০টি আসন পেয়েছে। ‘এ জাস্ট রাশিয়া’ চারটি আসন পাওয়ার পথে রয়েছে।

এদিকে, যুদ্ধবিরোধী ইয়াবলোকো পার্টি জাতীয় পার্লামেন্টে কোনো আসন পায়নি। দলটির কিছু প্রার্থী নির্বাচনে অংশ নেওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়েছেন বলে বিভিন্ন প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। দলটি অবশ্য একটি আঞ্চলিক আইনসভায় সীমিত সাফল্য পেয়েছে।

নির্বাচনের ফলাফলকে পুতিনের নীতি ও নেতৃত্বের প্রতি জনসমর্থনের প্রতিফলন হিসেবে তুলে ধরেছে ক্রেমলিন। ক্রেমলিনের মুখপাত্র দিমিত্রি পেশকভের বক্তব্য অনুযায়ী, ইউক্রেন যুদ্ধ শুরুর পর প্রথম এই পার্লামেন্ট নির্বাচনের ফলাফল দেশটির জনগণের ঐক্য ও পুতিনের নেতৃত্বের প্রতি সমর্থন দেখাচ্ছে।

তবে বিরোধী পক্ষ ও আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকদের একটি অংশ নির্বাচনের পরিবেশ নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে। রাশিয়ায় বিরোধী মতের ওপর কঠোর নিয়ন্ত্রণ, প্রার্থিতা সীমিত করা এবং নির্বাচনী প্রক্রিয়ায় পর্যবেক্ষকদের অংশগ্রহণ নিয়ে অভিযোগ রয়েছে। রাশিয়ার কর্তৃপক্ষ অবশ্য নির্বাচনকে বৈধ ও সুষ্ঠু প্রক্রিয়া হিসেবে উপস্থাপন করেছে।

ভোটগ্রহণের শেষ দিনে রাশিয়ার বিভিন্ন এলাকায় ইউক্রেনীয় ড্রোন হামলার খবর পাওয়া যায়। মস্কো ও আশপাশের এলাকাতেও বড় ধরনের ড্রোন হামলার কথা জানিয়েছে বিভিন্ন সূত্র। নিরাপত্তা জোরদারের মধ্যেই ভোটগ্রহণ শেষ হয়।

চেচনিয়ায় আঞ্চলিক নেতা রমজান কাদিরভও বিপুল ভোটে পুনর্নির্বাচিত হয়েছেন। প্রাথমিক ফলাফলে তার ভোটের হার ৯৯ দশমিক ৮৫ শতাংশ দেখানো হয়েছে। এই অস্বাভাবিক উচ্চ ভোটহার নিয়েও সমালোচনা রয়েছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়ন রাশিয়ার নির্বাচনকে কঠোরভাবে সমালোচনা করেছে। ইইউর পররাষ্ট্রনীতি বিষয়ক প্রধান কায়া কালাস নির্বাচনী প্রক্রিয়াকে গণতন্ত্রের ‘আবরণ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন এবং ইউক্রেনের দখলকৃত অঞ্চলগুলোতে ভোট আয়োজনের বিরোধিতা করেছেন। ইইউ জানিয়েছে, ওই অঞ্চলগুলোতে অনুষ্ঠিত তথাকথিত নির্বাচনের ফল তারা স্বীকৃতি দেবে না।

তবে রাশিয়ার কেন্দ্রীয় নির্বাচন কমিশন নির্বাচনী ফলাফলকে বৈধ হিসেবে ঘোষণা করেছে। প্রাথমিক ফল অনুযায়ী, ইউনাইটেড রাশিয়ার ৩৫৫ আসনের জয় দেশটির স্টেট দুমায় পুতিনের রাজনৈতিক নিয়ন্ত্রণকে আরও সুসংহত করেছে।


নির্বাচিত

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহারের দাবি যাত্রী কল্যাণ সমিতির

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ২১ সেপ্টেম্বর, ২০২৬ ২০:২৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে আগের মূল্য বহাল রাখার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ যাত্রী কল্যাণ সমিতি। সোমবার সকালে গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে সংগঠনের মহাসচিব মো. মোজাম্মেল হক চৌধুরী এ দাবি জানান।

বিবৃতিতে বলা হয়, বিশ্ববাজারে জ্বালানি তেলের দাম বর্তমানে নিম্নমুখী। এর মধ্যে দেশে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, মূল্যস্ফীতি এবং জ্বালানি সংকটের কারণে বিভিন্ন কলকারখানা বন্ধ হয়ে বেকারত্ব বাড়ছে। এতে সামগ্রিকভাবে দেশে অস্থির পরিস্থিতি বিরাজ করছে।

সংগঠনটির দাবি, এমন পরিস্থিতিতে নতুন সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের সাত মাসের মধ্যে দুই দফা জ্বালানির দাম বাড়ানোর ফলে যাতায়াত, যোগাযোগ, পণ্য ও যাত্রী পরিবহন এবং শিল্প উৎপাদনের খরচ বাড়বে। এর প্রভাব ভাড়া ও পণ্যের দামের ওপর পড়বে বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।

মোজাম্মেল হক চৌধুরী বলেন, ‘জ্বালানি তেলের বর্ধিত মূল্য প্রত্যাহার করে জরুরি ভিত্তিতে আগের মূল্য বহাল করা প্রয়োজন।’

বিবৃতিতে আরও বলা হয়, জনস্বার্থে সরকারের কোথাও ব্যবসা করা এবং কোথাও ভর্তুকি দেওয়া স্বাভাবিক বিষয়। দেশের আর্থিক সংকটের সময়ে জ্বালানি খাতে ভর্তুকি দিয়ে অর্থনীতির কার্যক্রম সচল রাখা এবং মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সংকটাপন্ন মানুষের পাশে থাকা সরকারের দায়িত্ব।


নির্বাচিত

ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের পথে প্রধানমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (ইউএনজিএ) ৮১তম অধিবেশনে যোগ দিতে তুরস্কের ইস্তাম্বুলে যাত্রাবিরতি শেষে নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব কে এম নাজমুল হক বাসস’কে জানান, ‘প্রধানমন্ত্রী, তাঁর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান ও অন্যান্য সফরসঙ্গীদের নিয়ে তুর্কি এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট তুরস্কের স্থানীয় সময় দুপুর ২টা ১০ মিনিটে ইস্তাম্বুল বিমানবন্দর ত্যাগ করেছে।’

এর আগে ঢাকা থেকে প্রায় ৮ ঘণ্টা ৪৫ মিনিটের ফ্লাইট শেষে তুরস্কের স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটে বিমানটি ইস্তাম্বুল বিমানবন্দরে অবতরণ করে।

ইস্তাম্বুলে দুই ঘণ্টা ৩৫ মিনিট যাত্রাবিরতি করেন প্রধানমন্ত্রী। বিমানটি নিউইয়র্ক সময় বিকেল ৫টা ৫৫ মিনিটে জন এফ কেনেডি (জেএফকে) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণ করবে।

বিমানবন্দরে প্রধানমন্ত্রীকে স্বাগত জানাবেন জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধি আইরিন খান এবং যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত তারেক মো. আরিফুল ইসলাম।

বিমানবন্দর থেকে মোটর শোভাযাত্রা সহকারে প্রধানমন্ত্রীকে ‘হায়াত গ্র্যান্ড সেন্ট্রাল নিউইয়র্ক’ হোটেলে নিয়ে যাওয়া হবে। সফরকালে তিনি সেখানেই অবস্থান করবেন।

এর আগে ঢাকায় রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম জানান, নিউইয়র্কে পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী ২২ সেপ্টেম্বর থেকে তাঁর আনুষ্ঠানিক কর্মসূচি শুরু করবেন। সকালে তিনি রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধানদের জন্যে জাতিসংঘ মহাসচিবের আয়োজনে স্বাগত প্রাতঃরাশে যোগ দেবেন। এরপর তিনি এবারের অধিবেশনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে অন্যান্য বিশ্বনেতার সঙ্গে অংশগ্রহণ করবেন। সন্ধ্যায় তিনি মার্কিন প্রেসিডেন্ট আয়োজিত রাষ্ট্র ও সরকারপ্রধান এবং তাঁদের সহধর্মিণীদের সম্মানে অভ্যর্থনা অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন।

প্রধানমন্ত্রী ২৩ সেপ্টেম্বর বিভিন্ন আন্তর্জাতিক দাতব্য ও মানবিক সংস্থার প্রতিনিধির সঙ্গে প্রাতঃরাশ বৈঠকে মতবিনিময় করবেন। এরপর তিনি ব্রাজিল, দক্ষিণ আফ্রিকা, নরওয়ে এবং স্পেন কর্তৃক আয়োজিত বৈশ্বিক বৈষম্য সংকট মোকাবিলা বিষয়ক একটি সভায় বক্তব্য রাখবেন। বিকেলে তিনি জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে আয়োজিত ‘ক্লাইমেট অ্যাকশন অ্যান্ড দ্য জাস্ট ট্রানজিশন’ শীর্ষক উচ্চ পর্যায়ের সভায় যোগ দেবেন।

তিনি ২৪ সেপ্টেম্বর এবারের অধিবেশনের সভাপতি ও বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর আমন্ত্রণে সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধির কারণে সৃষ্ট অস্তিত্বগত হুমকি মোকাবিলা বিষয়ক উচ্চ পর্যায়ের সভায় উদ্বোধনী বক্তব্য দেবেন। এ সভায় তিনি জলবায়ু ঝুঁকিপূর্ণ দেশ হিসেবে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে জলবায়ু অর্থায়ন, অভিযোজন, প্রযুক্তি হস্তান্তর, লস অ্যান্ড ড্যামেজ এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের পক্ষে বাংলাদেশের জোরালো অবস্থান তুলে ধরবেন।

প্রধানমন্ত্রী একইদিন বিকেলে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ বিতর্ক পর্বে ভাষণ দেবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

এছাড়া, প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের আয়োজনে দুটি গুরুত্বপূর্ণ সাইড ইভেন্টে অংশ নেবেন। তিনি ২৩ সেপ্টেম্বরে রোহিঙ্গা সংকট বিষয়ক সাইড ইভেন্টে রোহিঙ্গাদের দ্রুততম সময়ে মিয়ানমারে ফেরত পাঠানোর জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কার্যকর সহযোগিতা চাইবেন।

তিনি ২৪ সেপ্টেম্বরে মাতৃ ও নবজাতকের স্বাস্থ্য এবং মিডওয়াইফারি বিষয়ক আরেকটি সাইড ইভেন্টে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন। এসময় তিনি মা ও শিশুর স্বাস্থ্য সুরক্ষায় নতুন সরকারের উদ্যোগ ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরবেন এবং স্বাস্থ্যসেবায় দক্ষ ও প্রশিক্ষিত ধাত্রীসেবার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করবেন।

সম্মেলনে অংশগ্রহণের পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী কয়েকটি দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতাদের সঙ্গে দ্বিপাক্ষিক বৈঠক করবেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো কুয়েতের ক্রাউন প্রিন্স, ক্রোয়েশিয়া, ভুটান, থাইল্যান্ড, পাকিস্তান ও হাইতির প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক। এসব বৈঠকে রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক সম্পর্ক, বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, উন্নয়ন সহযোগিতা ও রোহিঙ্গা সংকটসহ পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা হবে বলে আশা করা যাচ্ছে।

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রীর জাতিসংঘ মহাসচিব, ইউরোপীয় কাউন্সিলের প্রেসিডেন্ট, বিশ্বব্যাংক গ্রুপের প্রেসিডেন্ট, জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমার বিষয়ক বিশেষ দূত, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার, জাতিসংঘের মানবাধিকার বিষয়ক হাইকমিশনার এবং ইন্টারন্যাশনাল পিস ইনস্টিটিউটের প্রেসিডেন্টের সঙ্গে সাক্ষাৎ করার কথা রয়েছে ।

এছাড়া, অর্থনৈতিক কূটনীতির অংশ হিসেবে তিনি ওয়াল স্ট্রিট ও মেটাসহ আরো কিছু ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের শীর্ষ প্রতিনিধিদের সঙ্গেও বৈঠক করবেন। এসব আলোচনায় বাংলাদেশের অনুকূল বিনিয়োগ পরিবেশ, উৎপাদন, অবকাঠামো ও প্রযুক্তি খাতের সম্ভাবনা, দক্ষতা ও মানবসম্পদ উন্নয়ন এবং তরুণদের জন্য মানসম্পন্ন কর্মসংস্থান সৃষ্টির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হবে।

প্রধানমন্ত্রীর আগামী ২৫ সেপ্টেম্বর নিউইয়র্ক সময় রাত ১১ টায় এমিরেটস এয়ারলাইন্সের একটি ফ্লাইট যোগে জেএফকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ঢাকার উদ্দেশে রওনা হওয়ার কথা রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের জন্য জাতিসংঘের সর্বোচ্চ বৈশ্বিক মঞ্চে এটিই প্রথম অংশগ্রহণ। এর মধ্য দিয়ে বিশ্ববাসীর সামনে নতুন সরকারের রাজনৈতিক অঙ্গীকার এবং ভবিষ্যৎ বাংলাদেশের রূপরেখা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে।


নির্বাচিত

banner close