রোববার, ১৪ জুলাই ২০২৪

দুপুরের মধ্যে ৮ অঞ্চলে হতে পারে ঝড়

আপডেটেড
১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৮:১৫
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ১৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ০৮:১৫

দেশের ৮ অঞ্চলে দুপুরের মধ্যে ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড় হতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। বুধবার দুপুর ১টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেয়া পূর্বাভাসে এমনটি জানিয়েছে রাষ্ট্রীয় এ সংস্থাটি।

এতে বলা হয়, খুলনা, বরিশাল, পটুয়াখালী, নোয়াখালী, কুমিল্লা, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার ও সিলেট অঞ্চলের ওপর দিয়ে দক্ষিণ-দক্ষিণপূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫-৬০ কিলোমিটার বেগে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়াসহ বৃষ্টি বা বজ্রবৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নদীবন্দরগুলোকে ১ নম্বর সতর্ক সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।


৭ জেলায় ওপর দিয়ে ৬০ কিমি বেগে ঝড়ের আশঙ্কা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের ৭ জেলার ওপর দিয়ে সর্বোচ্চ ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়সহ বজ্রবৃষ্টি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছে আবহাওয়া অফিস। আজ রোববার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত দেশের অভ্যন্তরীণ নদীবন্দরগুলোর জন্য দেওয়া এক সতর্কবার্তায় এ কথা জানানো হয়েছে।

আবহাওয়াবিদ শাহানাজ সুলতানার স্বাক্ষর করা বিজ্ঞপিতে বলা হয়, ময়মনসিংহ, ফরিদপুর, কুমিল্লা, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার এবং সিলেট জেলার ওপর ওপর দিয়ে দক্ষিণ অথবা দক্ষিণ-পূর্ব দিক থেকে ঘণ্টায় ৪৫ থেকে ৬০ কিলোমিটার বেগে অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝড়ো হাওয়া বয়ে যেতে পারে। সেইসঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে।

আবহাওয়া অফিসের অপর এক বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, এ সময় রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের অনেক জায়গায়; রাজশাহী, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের কিছু কিছু জায়গায় এবং ঢাকা ও বরিশাল বিভাগের দুয়েক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা হাওয়াসহ হালকা থেকে মাঝারি ধরনের বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। সেইসঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের কোথাও কোথাও মাঝারি ধরনের ভারি থেকে ভারি বর্ষণ হতে পারে। বৃষ্টিপাতের প্রবণতা কয়েক দিন অব্যাহত থাকতে পারে।


নতুন করে ১৪ জনের করোনা শনাক্ত

প্রতীকী ছবি
আপডেটেড ১৪ জুলাই, ২০২৪ ০০:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি। তবে নতুন করে ১৪ জনের শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হয়েছে। এ নিয়ে মোট আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ৫১ হাজার ২২১ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের করোনাবিষয়ক নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে গতকাল শনিবার এসব তথ্য জানানো হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এখন পর্যন্ত ভাইরাসটিতে মৃত্যু হয়েছে ২৯ হাজার ৪৯৮ জনের।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গত ২৪ ঘণ্টায় ২৫৮ জনের নমুনা পরীক্ষা করা হয়েছে। এই সময় শনাক্তের হার ৫ দশমিক ৪৩ শতাংশ। মোট পরীক্ষায় এ পর্যন্ত শনাক্তের হার ১৩ দশমিক শূন্য ৫ শতাংশ এবং শনাক্ত বিবেচনায় মোট মৃত্যুর হার ১ দশমিক ৪৪ শতাংশ। এদিকে, গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সুস্থ হয়েছেন ১৪ জন। এ নিয়ে মোট সুস্থ ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২০ লাখ ১৮ হাজার ৬৮৭ জনে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনাভাইরাসের প্রথম রোগী শনাক্ত হয়। এর ১০ দিন পর ১৮ মার্চ করোনায় আক্রান্ত হয়ে প্রথম ১ জনের মৃত্যু হয়।


প্রধানমন্ত্রীর সংবাদ সম্মেলন আজ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৪ জুলাই, ২০২৪ ০০:০২
বিশেষ প্রতিনিধি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ রোববার সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখবেন। বিকেল ৪টায় প্রধানমন্ত্রীর সরকারি বাসভবন গণভবনে আয়োজিত এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি চীনে তার সাম্প্রতিক সফরের অভিজ্ঞতা তুলে ধরবেন।

শেখ হাসিনার প্রেস উইংয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের আমন্ত্রণে গত সোমবার সরকারি সফরে চীনে যান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি গত বৃহস্পতিবার দেশে ফেরেন।

বেইজিংয়ে অবস্থানকালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চীনের প্রেসিডেন্ট সি চিন পিংয়ের সঙ্গে বৈঠক করেন। তিনি গ্রেট হল অব দ্য পিপলে চীনের প্রধানমন্ত্রী লি কিয়াংয়ের সঙ্গেও দ্বিপক্ষীয় বৈঠকে অংশ নেন।

বুধবার সকালে প্রতিনিধি পর্যায়ের দ্বিপক্ষীয় বৈঠকের পর বাংলাদেশ ও চীন ২১টি সহযোগিতার নথিতে সই এবং নবায়ন করেছে। এসবের বেশির ভাগই সমঝোতা স্মারক। বৈঠকে এশিয়ার এই দুই দেশের মধ্যে শক্তিশালী উন্নয়ন এবং অর্থনৈতিক সহযোগিতার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

বাংলাদেশ ও চীন উভয়েই মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির (এফটিএ) বিষয়ে যৌথ সম্ভাব্যতা সমীক্ষার সমাপ্তিসহ সাতটি ঘোষণাপত্র সই করেছে।


পদ্মা সেতু আজ প্রতিবাদের ভাষা: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আব্দুর রহমান বলেছেন, স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ শুধু পদ্মা সেতুই নয়, এই স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ প্রতিবাদের ভাষা। এই স্বপ্নের পদ্মা সেতু আজ বাঙালি জাতির উন্নয়নের প্রতীক।

আজ শনিবার দুপুরে ফরিদপুর শহরের টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের (প্রথম সংশোধিত) ১৮০ কোটি টাকা ব্যয়ে কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আজ শনিবার একথা বলা হয়।

তিনি বলেন, নিজস্ব অর্থায়নে এই পদ্মা সেতু নির্মাণের মধ্য দিয়ে সারা পৃথিবীর মোড়লদেরকে শেখ হাসিনা প্রমাণ করে দিয়েছেন, বিশ্ব মোড়লের ধার এই বাঙালি জাতি কখনোই ধারেনা, কখনো ধারবেও না।

আব্দুর রহমান বলেন, ফরিদপুরবাসীর স্বপ্ন পূরণের রাস্তা সুগম হবে খুব শীঘ্রই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ২০০ কোটি টাকা ব্যয়ে টেপাখোলা লেক সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহণ করেছেন। এই টেপাখোলা লেককে কেন্দ্র করেই গড়ে উঠবে ফরিদপুরের নতুন উপশহর। এই ফরিদপুরবাসীর দীর্ঘদিনের স্বপ্ন খুব শীঘ্রই পূরণ হতে চলেছে। আমি এখনই তা প্রকাশ করতে চাইনা।

প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী উন্নয়নের মহাসড়কে আমরা দাঁড়িয়ে আছি উল্লেখ করে বলেন, ফরিদপুরের টেপাখোলা লেকের হারানো যৌবন ফিরিয়ে আনা হবে ও টেপাখোলা লেককে ঘিরে নতুন করে উপশহর গড়ে উঠবে।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেনের সভাপতিত্বে ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে ফরিদপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য আয়মন আকবর চৌধুরী লাবলু, ফরিদপুর-৩ আসনের সংসদ সদস্য এ কে আজাদ, ফরিদপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য মুজিবুর রহমান নিক্সন চৌধুরী, সংরক্ষিত নারী আসনের এমপি ঝর্ণা হাসান, ফরিদপুর এলজিইডির নির্বাহী প্রকৌশলী মো. শহিদুজ্জামান খান, টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক সাজ্জাদ আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শামীম হক, সাধারণ সম্পাদক ইশতিয়াক আরিফ, পৌর মেয়র অমিতাভ বোসসহ আওয়ামী লীগ ও অঙ্গসংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

টেপাখোলা লেক উন্নয়ন প্রকল্পের কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন শেষে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী ফরিদপুর এলজিইডি ভবনে পল্লী কর্ম সংস্থান ও সড়ক রক্ষণাবেক্ষণ কর্মসূচি-৩ প্রকল্পের আওতায় দুস্থ মহিলাদের মাঝে চেক বিতরণ করেন।

এছাড়া বিকেল সাড়ে ৩টায় নির্বাচনী এলাকার ফরিদপুর সদর ও বোয়ালমারী উপজেলার সংযোগস্থল কাদিরদী বাজারের কুমার নদে ৮০ মিটার ব্রিজ উদ্বোধন এবং বিকেল সাড়ে ৪টায় মধুখালী উপজেলার কামারখালী ভায়া জামালপুর আঞ্চলিক মহাসড়ক উদ্বোধন শেষে স্থানীয়দের আয়োজনে এক জনসভায় বক্তব্য দেন।


কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করবেন না: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
কূটনৈতিক প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ড. হাছান মাহমুদ বলেছেন, সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই কোটা বাতিল করেছিল, আদালত সেটি পুনর্বহাল করেছিল। সুতরাং কোটা সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে।

তিনি বলেন, এই বিষয়টি যারা বোঝেন না বা বুঝেও বুঝতে চান না বা যাদেরকে বিএনপিসহ অন্যরা ইন্ধন দিচ্ছেন তাদেরকে বলবো, কোমলমতি শিক্ষার্থীদেরকে বিভ্রান্ত করবেন না।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় বগুড়া শহরে পৌর এডওয়ার্ড পার্কের শহীদ টিটু মিলনায়তনে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের ৭৫তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী প্লাটিনাম রজতজয়ন্তী উদযাপন ও বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ নেতৃবৃন্দের সম্বর্ধনা ও প্রয়াতদের মরণোত্তর সম্মাননা প্রদান সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

সরকারি চাকুরিতে কোটাপদ্ধতি সংস্কার নিয়ে শিক্ষার্থীদের দাবির প্রসঙ্গে মন্ত্রী বিশদ ব্যাখ্যা করে বলেন, কোটা সরকার পুনর্বহাল করেনি। সরকার বরং শিক্ষার্থীদের দাবির প্রেক্ষিতে ২০১৮ সালে কোটা বাতিল করেছিল। বাতিলের পর কোটাহীনভাবে সরকারি ও অন্যান্য চাকুরিতে নিয়োগ হচ্ছে। হাইকোর্ট রায় দিয়েছে কোটা পুনর্বহালের জন্য। সুপ্রিম কোর্ট সেটি স্থগিত করেছে। বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন। আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গিয়ে বা বিচারাধীন বিষয়ে সরকার কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না। তাহলে আদালত অবমাননা হবে।

হাছান মাহমুদ বলেন, মনে রাখতে হবে, সরকার শিক্ষার্থীদের প্রতি সহানুভূতিশীল হয়েই কোটা বাতিল করেছিল, আদালত পুনর্বহাল করেছিল। সুতরাং কোটা সমাধান আদালতের মাধ্যমেই হতে হবে। সরকার আদালতকে উপেক্ষা করে কোনো সিদ্ধান্ত দিতে পারে না, যেহেতু বিষয়টি আদালতে বিচারাধীন।

এসব বুঝেও যারা জনভোগান্তি ঘটাচ্ছেন, জনগণের ভোগান্তি যাতে না ঘটে, সেজন্য বিরুদ্ধে সরকার যথাযথ ব্যবস্থা নিতে বদ্ধপরিকর এবং আশা করবো শিক্ষার্থীরা সুপ্রিম কোর্টের রায় পর্যন্ত অপেক্ষা করবেন, উল্লেখ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

বাংলাদেশ আওয়ামী লীগকে একটি পরিবার উল্লেখ করে হাছান মাহমুদ বলেন, আজকে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ পাঁচবার রাষ্ট্র ক্ষমতায়। এর প্রথম কারণ হচ্ছে জননেত্রী শেখ হাসিনা। দ্বিতীয় কারণ হচ্ছে এ দলের কর্মীরা। কর্মীরাই এ দলের প্রাণ। শেখ হাসিনার ওপরে যখন বারবার হামলা হয়েছে তখন কর্মীরাই মানববর্ম সৃষ্টি করে গ্রেনেড-গুলি থেকে শেখ হাসিনাকে রক্ষা করেছে। দলের দু:সময়ে অনেক নেতাই দলকে ছেড়ে চলে গেছে, বেসুরে কথা বলেছে, শেখ হাসিনার বিরুদ্ধাচারণ করেছে, দলের সঙ্গে শেখ হাসিনার সঙ্গে বেইমানি করেছে। কিন্তু কর্মীরা কখনোই শেখ হাসিনার সঙ্গে, দলের সঙ্গে বেইমানি করেনি।

আওয়ামী লীগ সভানেত্রী প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল উল্লেখ করে মন্ত্রী হাছান বলেন, বিএনপি স্বাধীনতাবিরোধী, সাম্প্রদায়িক অপশক্তির তোষণ না করলে আওয়ামী লীগের ৭৫ বছরের দীপ্ত পথচলায় দেশ আরও এগিয়ে যেতো। আওয়ামী লীগ ঐক্যবদ্ধ থেকে দেশের বিরুদ্ধে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করবে, প্রত্যয় ব্যক্ত করেন তিনি।

বগুড়া জেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মজিবর রহমান মজনু এমপির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক রাগেবুল আহসান রিপু এমপির সঞ্চালনায় দলের সাংগঠনিক সম্পাদক এস এম কামাল হোসেন এমপি, সাহাদারা মান্নান এমপি ও ডা. মোস্তফা আলম নান্নু এমপি বিশেষ অতিথির বক্তৃতা দেন।


গণপদযাত্রা ও রাষ্ট্রপতিকে স্মারকলিপি দেবেন শিক্ষার্থীরা

ছবি: দৈনিক বাংলা
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ঢাবি প্রতিনিধি

যৌক্তিক সমাধান না হওয়া পর্যন্ত সরকারি চাকরিতে কোটা প্রথা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলন চলমান থাকবে বলে জানিয়েছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন। এর অংশ হিসেবে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির পর এবার গণপদযাত্রা ও রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদানের কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।

আজ শনিবার সন্ধ্যায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় সেন্ট্রাল লাইব্রেরি চত্বরে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এ কর্মসূচির ঘোষণা দেন বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

আন্দোলনকারীরা আজ দাবির পক্ষে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ বিভিন্ন স্থানে অনলাইন-অফলাইন গণসংযোগ করেন।

এর আগে শুক্রবার পূর্বঘোষিত বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ শেষে আন্দোলনের সমম্বয়ক আবু বকর মজুমদার জানান, দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, কলেজ ও জেলার সমম্বয়কদের সঙ্গে আলোচনা করে সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।

গত ৫ জুন উচ্চ আদালত মুক্তিযোদ্ধা কোটা বাতিলে ২০১৮ সালের জারিকৃত পরিপত্রকে অবৈধ ঘোষণা করে রায় দিলে আন্দোলনে নামেন শিক্ষার্থীরা। শুরুতে ৪ দফা দাবি জানালেও ৭ জুলাই থেকে এক দফা দাবিতে আন্দোলন করছেন তারা। ৭ ও ৮ জুলাই ৫ ঘণ্টা রাজধানীসহ দেশের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক অবরোধের পর ১০ জুলাই সকাল-সন্ধ্যা ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালন করেন শিক্ষার্থীরা।


অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে দেশ: প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১৩ জুলাই, ২০২৪ ২৩:৩৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বাংলাদেশ অপ্রতিরোধ্য গতিতে এগিয়ে যাচ্ছে। আর এ ধারা অব্যাহত রাখতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

আজ শনিবার বিকালে বাংলাদেশ আর্মি স্টেডিয়ামে ‘শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্টের’ ফাইনাল শেষে সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে সরকারপ্রধান এ কথা বলেন।

শেখ হাসিনা আন্তঃব্যাংক ফুটবল টুর্নামেন্ট-২০২৪ এর ফাইনাল খেলা দেখতে আজ বিকেলে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা রাজধানীর আর্মি স্টেডিয়ামে এলে তাকে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ব্যাংকস (বিএবি) এর চেয়ারম্যান নজরুল ইসলাম মজুমদার। ছবি: সংগৃহীত।

তিনি বলেন, ফুটবল জনপ্রিয় খেলা। দেশের এই জনপ্রিয় খেলার উন্নতির লক্ষ্যে সব ধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রাখবে সরকার।

সরকারপ্রধান বলেন, সারা বিশ্বের মতো বাংলাদেশেও ফুটবল জনপ্রিয় খেলা। এই খেলা প্রসারের লক্ষ্যে সরকার সবধরনের সহযোগিতা অব্যাহত রেখেছে। অনেকে খেলাধুলার মাধ্যমে বাংলাদেশকে বিশ্ব দরবারে তুলে ধরেন। খেলাধুলার মাধ্যমে প্রতিযোগীতার চর্চা গড়ে ওঠে। এতে নিজেকে দেশের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলা যায়।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমার বাবা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমান ফুটবল খেলতেন, আমার ভাই শেখ কামাল ও শেখ জামালও ফুটবল খেলতেন। এখন আমাদের নাতি-নাতনীরাও ফুটবল খেলছে।


অযৌক্তিক কোটা যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা প্রয়োজন

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
মাদারীপুর প্রতিনিধি

গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী ও আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী বলেছেন, ‘কোটা পদ্ধতি নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ একটি রায় দিয়েছে। সেই রায়ে বলা হয়েছে যে, কোটা কম বা বাড়ানো এটা সরকার করতে পারবে। আমরা মনে করি যে কোটা সংরক্ষণ যেমন প্রয়োজন আছে, তেমনিভাবে অযৌক্তিকভাবে যেসব কোটা সংরক্ষণ করা আছে সেগুলোকে যৌক্তিক পর্যায়ে নিয়ে আসা প্রয়োজন। সেজন্য আমরা কাজ করছি, কাজ করব।’

মাদারীপুরের শিবচর পৌরশহরে আজ শনিবার দুপুরে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি। এ সময় জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূর-ই-আলম চৌধুরী তার সফরসঙ্গী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন।

মুক্তিযোদ্ধাদের কোটার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘এখন আর মুক্তিযোদ্ধাদের নিজের জন্য কোটার প্রয়োজন নেই। তাদের সন্তানরাও কোটার বাইরে চলে গেছে। এখন অন্যদেরকে দেওয়া হবে কিনা, এ ব্যাপারে আদালত যে নির্দেশনা দিবে সেভাবে সরকার সিদ্ধান্ত নেবে।’

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে মন্ত্রী বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের আমরা বলব যে আপনারা একটু অপেক্ষা করেন, ধৈর্য ধরেন। আপনারা যেভাবে পড়াশোনা নষ্ট করে মাঠে আছেন আপনাদের প্রতি সহানুভূতি থাকা সত্ত্বেও মনে হয় আপনারা নিজেদের ক্ষতি করছেন। আপনারা মাঠ থেকে উঠে আসুন। পড়াশোনায় মনোনিবেশ করুন। সেই সঙ্গে আপনাদের দাবির ব্যাপারেও সোচ্চার থাকুন।’

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. নবীরুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো. হামিদুর রহমান জাতীয় গৃহায়ন কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মো. আব্দুল মতিন, মাদারীপুর জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মুনির চৌধুরী, জেলা প্রশাসক মারুফুর রশিদ খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ শফিউর রহমান, শিবচর উপজেলা চেয়ারম্যান ডা. মো. সেলিম প্রমুখ।


জলবায়ু সংকট মোকাবিলায় জাতিসংঘের সহায়তা চান পরিবেশমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বাসস

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তনমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী উন্নয়নশীল দেশগুলো বিশেষ করে সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ দেশগুলোর চাহিদার প্রতি আরও বেশি দায়িত্বশীল হওয়ার জন্য জাতিসংঘের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন। তিনি গত শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরে ইউএনওর ডেপুটি সেক্রেটারি জেনারেল আমিনা জে মুহাম্মদের সঙ্গে অনুষ্ঠিত দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে এই আহ্বান জানান।

আজ শনিবার ঢাকায় প্রাপ্ত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সাবের হোসেন চৌধুরী বলেন, বাংলাদেশের জন্য সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি, লবণাক্ততা অনুপ্রবেশ এবং হিমবাহ গলনের মতো বিষয়গুলো অস্তিত্বের সংকট। এই বিষয়ে পদক্ষেপ গ্রহণের সময় শেষ হয়ে যাচ্ছে।

ডেপুটি সেক্রেটারি-জেনারেল বিশ্বব্যাপী লক্ষ্য অর্জনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশের উল্লেখযোগ্য অগ্রগতির কথা স্বীকার করেন বিশেষকরে জলবায়ু পরিবর্তন অভিযোজনের ক্ষেত্রে এর দৃঢ় অগ্রগতি সতর্কতা ব্যবস্থা বাস্তবায়নের উদাহরণ। দেশের দুর্যোগের প্রস্তুতি এবং সহিষ্ণুতা অন্যান্য জাতির জন্য একটি মডেল হিসেবে কাজ করছে। বৈঠকে উপমহাসচিব এবং মন্ত্রী জলবায়ু পরিবর্তনের বিধ্বংসী প্রভাব, চলমান সংঘাত এবং অন্যান্য বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ নিয়ে আলোচনা করেন যা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) অর্জনে বাধা হয়ে দাঁড়াচ্ছে এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর জোর দেন। এই বাধা অতিক্রম করতে জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাবগুলো মোকাবিলা করতে এবং তাদের সবুজ পরিবর্তনকে সমর্থন এবং আরও তহবিল সুরক্ষিত করার জন্য জলবায়ু আলোচনায়, বিশেষকরে কনফারেন্স অফ পার্টিগুলোতে কীভাবে বৈশ্বিক দক্ষিণের কণ্ঠস্বরকে প্রসারিত করা যায় তাও তারা আলোচনা করেন।

এর আগে সাবের হোসেন চৌধুরী জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচির (ইউএনডিপি) এডমিনিস্ট্রেটর আচিম স্টেইনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন এবং পারস্পরিক সহযোগিতার ক্ষেত্র নিয়ে আলোচনা করেন। স্টেইনার বাংলাদেশের নির্দিষ্ট চাহিদার ভিত্তিতে তার জলবায়ু প্রতিশ্রুতি পূরণে ইউএনডিপির অব্যাহত সমর্থনের আশ্বাস দেন।

এ সময় সাবের হোসেন চৌধুরী টেকসই উন্নয়নের জন্য জাতিসংঘের অফিসের (ইউএনওএসডি) প্রধান চুন কিও পার্কের সঙ্গেও সাক্ষাত করেন এবং প্রাসঙ্গিক জাতীয় ও স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা বৃদ্ধিসহ বর্জ্য ব্যবস্থাপনার ক্ষেত্রে সম্ভাব্য সহযোগিতার বিষয়ে আলোচনা করেন। বৈঠকে জাতিসংঘে বাংলাদেশের স্থায়ী প্রতিনিধিসঅহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


শিশুশ্রম বন্ধে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ রয়েছে

ঢাকার তেজগাঁওয়ে আজ বিএফডিসিতে অনুষ্ঠিত শিশুশ্রম প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারীদের সঙ্গে শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শ্রম প্রতিমন্ত্রী মো. নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেছেন, শিশুর অধিকার প্রতিষ্ঠায় ও শিশুশ্রম বন্ধে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

আজ শনিবার ঢাকার তেজগাঁওয়ে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র উন্নয়ন করপোরেশনে (বিএফডিসি) অনুষ্ঠিত শিশুশ্রম প্রতিরোধে করণীয় নিয়ে ছায়া সংসদ বিতর্ক প্রতিযোগিতায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, সরকার অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য নিশ্চিত করে সব শ্রেণি-পেশার মানুষের সামাজিক সুরক্ষার ব্যবস্থা করে চলেছে। শিশুশ্রম বন্ধে সরকারের বহুমুখী পদক্ষেপ রয়েছে, যার মধ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের অধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তর বিভিন্ন কারখানা ও প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের নিয়মিত পরিদর্শনের পাশাপাশি বিশেষ পরিদর্শন, আকস্মিক পরিদর্শন, উদ্বুদ্ধকরণ সভা ও সচেতনতা বৃদ্ধি কার্যক্রম পরিচালিত করছে।

তিনি বলেন, জাতীয় পর্যায় থেকে শুরু করে জেলা পর্যায় এমনকি মাঠ পর্যায়েও সরকারি-বেসরকারি সংস্থা, দপ্তর এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধিদের সমন্বয়ে গঠিত বিভিন্ন কমিটি শিশুশ্রম নিরসনে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, আজকের শিশুরাই আগামী দিনের ভবিষ্যৎ কর্ণধার। এই তরুণ শিক্ষার্থীরাই আগামীতে দেশের নেতৃত্ব দেবে, দেশের প্রশাসন চালাবে ও স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় বাস্তবায়ন করতে পারবে। গত কয়েক দশকে বাংলাদেশ শিশুশ্রম নির্মূলে অবিশ্বাস্য উন্নতি করেছে উল্লেখ করে বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের দেশে জীবন-জীবিকার তাগিদে অনেক অভিভাবকই, শিশুদের শ্রমে বাধ্য করছে। বিদ্যালয়ের প্রতি অনীহা, সচেতনতা ও প্রচার প্রচারণার অভাব, অভিভাবকদের শিশুসন্তানের মাধ্যমে উপার্জনের মানসিকতাসহ নানা কারণে শিশুশ্রম নিয়ন্ত্রণ করতে সরকারকে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়তে হচ্ছে।’ শ্রম প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকারিভাবে নানা উদ্যোগ নেওয়া সত্ত্বেও এখনো শিশুশ্রম পুরোপুরি বন্ধ হয়নি। তবুও আমরা বলতে চাই সরকারের পাশাপাশি যার যার অবস্থান থেকে শিশুশ্রমকে না বলব ও শিশুশ্রম বন্ধে সবাই একযোগে কাজ করে যাব।

তিনি বলেন, তারুণ্যের জয়গানের পক্ষে দেশের সামাজিক সংকট নিরসনে এবং তার অগ্রগতিতে তরুণদের এগিয়ে আসতে হবে, যেভাবে আজকের এই অনুষ্ঠানে তারা সুন্দর জাতি গঠনে ঐক্যবদ্ধভাবে আওয়াজ তুলেছে।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব ও প্রতিযোগিতার আয়োজক সংগঠক ডিবেট ফর ডেমোক্রেসির চেয়ারম্যান হাসান আহমেদ চৌধুরী কিরণের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. মাহবুব আলম, কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আবদুর রহিম খান উপস্থিত ছিলেন।


আপিল বিভাগের রায়ের পর কমিশন গঠনের সুযোগ নেই

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আপিল বিভাগের রায়ের পর কোটা নিয়ে সরকারের কমিশন গঠনের কোনো সুযোগ নেই বলে জানিয়েছেন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।

আজ শনিবার তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে সমসাময়িক বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন তিনি।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটার বিষয়ে সরকার যখন ইতিবাচক ভাবছে, তখন কোটাবিরোধী আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা বারবার তাদের দাবি পরিবর্তন করে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। কোটা নিয়ে আদালতের প্রক্রিয়া শেষে, সরকার কী করে সে জন্য তাদের অপেক্ষা করা উচিত।

আপিল বিভাগের রায়ের পর কোটা নিয়ে সরকারের কমিশন গঠনের কোনো সুযোগ নেই জানিয়ে মোহাম্মদ আরাফাত বলেন, এবার তারা জাতীয় সংসদে কোটা সমস্যার সমাধানের দাবি জানিয়েছেন। আদালতের বিষয় নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে সমাধান করা সম্ভব নয়; জেনেবুঝেও নির্বাহী বিভাগের মাধ্যমে কোটা সমস্যা সমাধানের দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। কোটা সম্পর্কে অজ্ঞতার কারণেই একেক সময় একেক দাবি করছেন আন্দোলনকারীরা। প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটা পরিবর্তনের আন্দোলন নয়, তাদের অন্য কোনো দুরভিসন্ধি রয়েছে কি না সেটাই এখন প্রশ্ন। আন্দোলনকারীদের দাবির সঙ্গে সরকারের ইচ্ছে সংগতিপূর্ণ, তবে কিছু মানুষ এটিকে ভিন্ন পথে নিচ্ছে।

তিনি বলেন, যে কোনো আন্দোলনে দেশবিরোধী একটি অপশক্তি প্রবেশ করে, সাধারণ শিক্ষার্থীদের আন্দোলনকে ভিন্ন দিকে প্রবাহিত করে; এটি উদ্বেগের। সরকারি চাকরিতে কোটা কখনও বৈষম্য সৃষ্টি করে না জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, কোটার মাধ্যমে মেধার অবমূল্যায়ন হচ্ছে, এটি ঠিক নয়। মেধার মূল্যায়ন করতে হবে, এই দাবি সঠিক। কিন্তু মেধার মূল্যায়ন করার পাশাপাশি পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীকেও অবমূল্যায়ন, অবহেলা করা যাবে না। মুক্তিযোদ্ধাদের বিষয়েও তাচ্ছিল্যের সঙ্গে কথা বলা উচিত নয়।


রাস্তা অবরোধ না করে আদালতে এসে কথা বলুন: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০

রাস্তা অবরোধ না করে প্রধান বিচারপতির আহ্বানে আদালতে এসে কথা বলতে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের পরামর্শ দিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বীর মুক্তিযোদ্ধা আসাদুজ্জামান খাঁন কামাল।

আজ শনিবার বিকাল সোয়া ৪টার দিকে ‘মুক্তিযুদ্ধ পুলিশ: ময়মনসিংহ জেলা গ্রন্থ’র মোড়ক উন্মোচন ও সুধী সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ময়মনসিংহ পুলিশ লাইন্সে এসে জেলা পুলিশের ১১ প্রকল্প উদ্বোধন করেন এবং জেলা পুলিশের মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর উদ্বোধন করেন।

তিনি বলেন, ২০১৮ সালে প্রধানমন্ত্রী কোটা উঠিয়ে দিয়েছিলেন। তারপর বিচার বিভাগ থেকে বার্তা আসছে কোটা আবার চালু হবে। এতে সংক্ষুব্ধ হয়েছে আমাদের শিক্ষার্থীরা। তাদের দাবির প্রেক্ষিতে প্রধান বিচারপতি একটি স্পষ্ট নির্দেশনা দিয়েছেন, হাইকোর্টের রায় স্থগিত করেছে। শিক্ষার্থীদের বলা হয়েছে তারা যেন তাদের কথা উচ্চতর আদালতে বলে। তাহলে বিচারপতিদের বিচার করতে সুবিধা হবে। কাজেই আমি মনে করি তাদের অপেক্ষা করা উচিত।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, আন্দোলন থামানো উচিত। কারণ পৃথিবীর সব জায়গাতেই কোটা রয়েছে। যেমন আমাদের ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর জন্য কিছু কোটা রয়েছে এবং সংবিধানেও সেটি বলা আছে। এই নৃগোষ্ঠীদের কোটা যদি বন্ধ করে দেওয়া হয় তাহলে এরা কোনোদিন মূল স্রোতের একত্রিত হতে পারবে না।

তিনি আরও বলেন, রাস্তাঘাট বন্ধ না করে তারা কোর্টে এসে তাদের কথা বলুক। রাস্তাঘাট বন্ধ করলে লাভ কী হবে আমি জানি না। দুর্ভোগ বাড়বে জনগণের। আমি মনে করি আপনারা প্রধান বিচারপতির পরামর্শ মতো আদালতে এসে আপনাদের কথা বলুন।

ময়মনসিংহ পুলিশের রেঞ্জ ডিআইজি শাহ আবিদ হোসেনের সভাপতিত্বে ঢাকা মেট্রোপলিটনের পুলিশ সুপার মাহমুদা আফরোজ লাকীর সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত এই সুধী সমাবেশে স্বাগত বক্তব্য দেন ময়মনসিংহের পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভুঞা।

অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন সাবেক প্রতিমন্ত্রী ও ফুলপুর আসনের এমপি শরীফ আহমেদ, সদর আসনের এমপি মোহাম্মদ মোহিত উর রহমান শান্ত, গফরগাঁওয়ের এমপি ফাহমী গোলন্দাজ বাবেল, মুক্তাগাছার এমপি কৃষিবিদ ডা. নজরুল ইসলাম, ময়মনসিংহ সিটি করপোরেশনের মেয়র ইকরামুল হক টিটু, বিভাগীয় কমিশনার উম্মে সালমা তানজিয়া, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এহতেশামুল আলম, বীরমুক্তিযোদ্ধা ম. হামিদ ও আব্দুর রব প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন হালুয়াঘাটের এমপি মাহমুদুল হক সায়েম, ঈশ্বরগঞ্জের এমপি মাহমুদুল হাসান সুমন, ত্রিশালের এমপি এবিএম আনিছুজ্জামান, ভালুকার এমপি মোহাম্মদ আব্দুল ওয়াহেদ, ফুলবাড়িয়ার এমপি আব্দুল মালেক সরকার, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি প্রফেসর ড. এমদাদুল হক চৌধুরী, জেলা প্রশাসক দিদারে আলম মোহাম্মদ মাকসুদ চৌধুরী, পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মদ ভূঞা, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ইউসুফ খান পাঠান, কেন্দ্রীয় স্বেচ্ছাসেবক লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আফজালুর রহমান বাবু, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মোয়াজ্জেম হোসেন বাবুলসহ প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তারা।


কোটা আন্দোলনকারীদের কেউ ইন্ধন দিতে পারে: ডিএমপি ডিবিপ্রধান

ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। পুরোনো ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অন্য কেউ ইন্ধন দিতে পারে বলে ধারণা করছেন ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের প্রধান (ডিবি) মোহাম্মদ হারুন অর রশীদ। আজ শনিবার দুপুরে রাজধানীর মিন্টো রোডে নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

ডিএমপি ডিবিপ্রধান বলেন, কোটা শুধু বাংলাদেশে নয় অনেক দেশেই প্রচলন রয়েছে। কোটার বিরোধিতা করে কিছু লোক, কিছু শিক্ষার্থী রাস্তায় আন্দোলন করছে। ইতোমধ্যে সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি নিয়ে হাইকোর্টের দেওয়া রায়ের ওপর এক মাসের স্থিতাবস্থা দিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগ। সুপ্রিম কোর্ট সবার ভরসাস্থল। আদালতের নির্দেশনা সবার মেনে চলা উচিত।

তিনি আরও বলেন, কেউ যদি মনে করে আদালত মানবে না, পুলিশের কথা মানবে না; তাহলে আমাদের করার কি আছে? আমাদের আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে ক্ষমতা আমরা সেটাই করব। কারণ, আন্দোলনরতরা যদি জান-মালের ক্ষতি করে, সড়ক অবরোধ করে এবং মানুষের স্বাভাবিক চলাচল বিঘ্ন সৃষ্টি করে তবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর যে যৌক্তিক কাজ সেটাই করা হবে।

কিন্তু কয়েকদিন ধরে শিক্ষার্থীরা তাদের ক্লাসে না গিয়ে বিভিন্ন সড়কে বসে সাধারণ মানুষের চলাচল বিঘ্ন ঘটাচ্ছে। অনেক জায়গায় গাড়িতে তারা হাত দিচ্ছে এবং একটি মামলাও রুজু হয়েছে,-যোগ করেন হরুন।

ইন্ধনের ব্যাপারে হারুন আরও বলেন, আন্দোলনে অনুপ্রবেশকারী ঢুকেছে কিনা, ঘটনাটি অন্যদিকে ধাবিত করার চেষ্টা চলছে কিনা এসব নিয়ে ডিবির টিম ও থানা পুলিশ কাজ করছে। কেউ যদি হাইকোর্টের নির্দেশনা না মেনে আন্দোলনের নামে সড়কে নেমে অবরোধ করে গাড়িতে হামলা ও ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে তবে আমরা ধরে নিতে পারি অনুপ্রবেশকারীরাই এসব কাজ করছে। চলমান কোটাবিরোধী আন্দোলনে পুলিশ সদস্যদের ওপর হামলা, যানবাহনে গতিরোধ ও মারধরের ঘটনায় শাহবাগ থানায় মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। মামলায় আসামি হিসেবে ‘অজ্ঞাতপরিচয় অনেককে’ উল্লেখ করা হয়েছে।

বিষয়:

banner close