বৃহস্পতিবার, ৫ নভেম্বর ২০২৬
২১ কার্তিক ১৪৩৩

নিজের গলফ ক্লাবে মায়ের জন্মদিন উদযাপন করলেন জয়

প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৩ ১০:৩২

আওয়ামী লীগের সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে আছেন। এর মধ্যেই গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল তার ৭৭তম জন্মদিন। নিজের গলফ ক্লাবে প্রধানমন্ত্রীর এই জন্মদিন উদযাপন করেছেন ছেলে সজীব ওয়াজেদ জয়। যুক্তরাষ্ট্রের ভার্জিনিয়ায় পরিবারের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উদযাপন করেন তিনি।

বাংলাদেশ সময় শুক্রবার ভোর ৫টা ৩৭ মিনিটে (যুক্তরাষ্ট্র সময় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৭টা ৩৭ মিনিট) নিজের অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে একটি ছবি পোস্ট করেন সজীব ওয়াজেদ জয়। ওই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ভার্জিনিয়াতে আমার গলফ ক্লাবে পরিবারের সঙ্গে মায়ের জন্মদিনের নৈশভোজ (Ma's birthday dinner with the family at my golf club in Virginia)।

জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে ১৭ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কের উদ্দেশে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। বর্তমানে তিনি ওয়াশিংটন ডিসিতে রয়েছেন।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিবের জ্যেষ্ঠ সন্তান শেখ হাসিনা ১৯৪৭ সালের এই দিনে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জন্মগ্রহণ করেন। ছাত্রজীবন থেকে প্রত্যক্ষ রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত শেখ হাসিনা বর্তমানে শুধু জাতীয় নেতাই নন, আজ তৃতীয় বিশ্বের একজন বিচক্ষণ বিশ্বনেতা হিসেবে সর্বমহলে স্বীকৃত।


নির্বাচিত

বিশ্ব যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না: বিদ্যুৎমন্ত্রী

নাটোরে একটি সভায় বক্তব্য দেন মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ২৩:০৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু বলেছেন, ‘যুদ্ধের কারণে জ্বালানি নিয়ে সারা বিশ্বেই টালমাটাল অবস্থা। যুদ্ধের কারণে জ্বালানির মূল্য নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হচ্ছে না। বিগত ছয় মাসে জ্বালানি খাতে ৪৩ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়েছে সরকার। এই কারণে দেশের স্বাভাবিক উন্নয়ন ও সামাজিক কর্মকাণ্ড পরিচালনা করা কঠিন হয়ে পড়ছে।’

বৃহস্পতিবার (০৫ নভেম্বর) বিকালে নাটোর জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলার আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি, উন্নয়নমূলক কার্যক্রমসহ সার্বিক সরকারি কার্যাবলি তদারকি ও সমন্বয় সংক্রান্ত সভা শেষে এসব কথা বলেন তিনি।

সোলার প্যানেলের জন্য আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি জানিয়ে বিদ্যুৎমন্ত্রী বলেন, ‘যেন কৃষি জমিতে সেচ দেওয়া যায়, যেখানে কৃষি জমি আছে সেখানে সোলার দিয়ে সেচ দেওয়ার জন্য উদ্বুদ্ধ করছি। আমরা চেষ্টা করছি, আগামী মৌসুমে কৃষি জমিতে সেচে যাতে অসুবিধা না হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ক্ষমতায় আসার পরে গ্যাস ফিল্ডগুলো খনন করছি। খনন করে পজিটিভ দুইটা রেজাল্ট এসেছে। এই গ্যাসগুলো যদি উত্তোলন করা হয় তাহলে নাটোরে অবশ্যই সুষমভাবে শিল্পক্ষেত্রে গ্যাস বিতরণ করা হবে।’

দেশে মাদকের বিস্তার ঘটেছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘মাদকের হাত থেকে আগামী প্রজন্মকে রক্ষা করতে হবে। এজন্য সামাজিক আন্দোলন গড়ে তুলতে হবে। সন্তানের জন্য অভিভাবকদের বাড়ি থেকেই কাজ করতে হবে। থানার ওসিদের এ ব্যাপারে সক্রিয় ভূমিকা পালন করতে হবে।’

জেলা প্রশাসক সুমনী আক্তারের সভাপতিত্বে সভায় অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাতীয় সংসদের হুইপ ও নাটোর-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট এম রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু এবং নাটোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) আসমা খাতুন, জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রহিম নেওয়াজ, সদস্যসচিব আসাদুজ্জামান আসাদ ও জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক মোস্তাফিজুর রহমান শাহীন।


নির্বাচিত

ডিসেম্বরেই ফ্রি অব কস্টে মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠানো শুরু: প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রী

সাংবাদিকদের ব্রিফ করছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী বিজয় দিবস ও জয়ের মাস ডিসেম্বর থেকেই সম্পূর্ণ বিনামূল্যে (ফ্রি অব কস্ট) কর্মী মালয়েশিয়ায় পাঠানো শুরু হবে বলে জানিয়েছেন প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর ইস্কাটনে প্রবাসী কল্যাণ ভবনে রিক্রুটিং এম্বাসি ও এজেন্সিদের সঙ্গে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় সাংবাদিকদের তিনি এই তথ্য জানান।

মন্ত্রী জানান, প্রথম কয়েকটি ফ্লাইটে নির্বাচিত কর্মীদের থেকে ‘নট এ সিঙ্গেল অ্যামাউন্ট’ অর্থাৎ কোনো ধরনের অর্থ নেওয়া হবে না। এমনকি সরকারি সার্ভিস চার্জও মওকুফ করা হয়েছে। এই প্রক্রিয়ায় কর্মীরা অনলাইনে আবেদন করবেন এবং স্বচ্ছ লটারির মাধ্যমে চূড়ান্ত তালিকা তৈরি করা হবে।

সরকারিভাবে বিনামূল্যে কর্মী পাঠানোর পাশাপাশি বেসরকারিভাবে কর্মী গমনের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অভিবাসন ব্যয় আড়াই থেকে তিন লাখ টাকার মধ্যে সীমাবদ্ধ রাখার পরিকল্পনা চলছে। এছাড়া বর্তমানে তালিকায় থাকা সীমিতসংখ্যক এজেন্সির বাইরে নিবন্ধিত সব বৈধ এজেন্সি যাতে সমানভাবে কর্মী পাঠানোর ব্যবসায় যুক্ত হতে পারে, সে বিষয়ে মালয়েশিয়া সরকারের সাথে আলোচনার চেষ্টা চলছে বলে জানান মন্ত্রী। আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে দুই দেশের মধ্যকার বিদ্যমান সমঝোতা স্মারকের (এমওইউ) মেয়াদ শেষ হওয়ায় নতুনভাবে সমঝোতা স্বাক্ষরিত হবে।

বিদেশে কর্মী প্রেরণে কোনো প্রতারণা বা ভোগান্তি যাতে না হয়, সেজন্য প্রতিটি ডিমান্ড লেটার সংশ্লিষ্ট দেশের বাংলাদেশ দূতাবাস এবং মালয়েশিয়ার হিউম্যান রিসোর্স মিনিস্ট্রি থেকে সত্যায়ন করার নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে।

এছাড়া মেডিকেল ফি সর্বোচ্চ ৮ হাজার টাকা ফিক্সড করা হয়েছে এবং দুর্নীতি বা অনিয়মে জড়িত হাসপাতালগুলোকে বাদ দেওয়ার কড়া বার্তা দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি গন্তব্য দেশে কর্মীদের কর্মসংস্থান ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ইন্ডিভিজুয়াল অঙ্গীকারনামা গ্রহণ এবং প্রবাসে বিশেষ সহায়ক সেল গঠনের পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন তিনি।


নির্বাচিত

পদন্নোতি পেয়ে এএসপি হলেন পুলিশের ৭৮ কর্মকর্তা

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ পুলিশের ৭৮ পুলিশ পরিদর্শককে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদে পদোন্নতি দিয়েছে সরকার। বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পুলিশ-১ শাখা থেকে এ-সংক্রান্ত তিনটি পৃথক প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব তৌছিফ আহমেদ প্রজ্ঞাপনগুলোতে সই করেন।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, পদোন্নতিপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিবের কাছে যোগদান করতে হবে। একইসঙ্গে আদেশটি অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

পদোন্নতিপ্রাপ্তদের মধ্যে নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক ৬৭ জন, শহর ও যানবাহন শাখার ১০ জন এবং সশস্ত্র শাখার এক কর্মকর্তা রয়েছেন। পদোন্নতির পর তাদের চাকরি পুলিশ অধিদফতরে ন্যস্ত করা হয়েছে।

নিরস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক থেকে পদোন্নতি পাওয়া কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন- মো. হাবিবুল্লাহ সরকার (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা), মো. আহসান হাবিব (ইন সার্ভিস ট্রেনিং সেন্টার, নীলফামারী), মো. জামাল উদ্দিন (সিআইডি), মো. সাজ্জাদ হোসেন (ডিএমপি, ঢাকা), মো. হাছানুজ্জামান (মাগুরা জেলা), মো. মোক্তার হোসেন (হবিগঞ্জ জেলা), মো. শহীদ উল্লাহ (ডিএমপি, ঢাকা), মো. সাইফুল ইসলাম খান (ডিএমপি, ঢাকা), মো. মাহফুজুর রহমান (লক্ষ্মীপুর জেলা) ও মো. গোলাম মোস্তফা (এসপিবিএন ও বিশেষায়িত ট্রেনিং সেন্টার, খাগড়াছড়ি)।

এ ছাড়া পদোন্নতি পেয়েছেন- মোহাম্মদ ইয়াছিন (এসবি, ঢাকা), মো. মজিবুর রহমান (পিবিআই), আবু হেনা মো. মোস্তফা কামাল (পিবিআই), মো. আমান উল্লাহ (রাজশাহী রেঞ্জ অফিস), মোহাম্মদ ওবায়দুল হক (সিএমপি, চট্টগ্রাম), মো. বদরুল মামুন (পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), মামুন খান (কেএমপি, খুলনা), মো. আব্দুর রহিম মন্ডল (রংপুর জেলা), মোহা. শহিদুল ইসলাম (দিনাজপুর জেলা) ও মো. নঈম উদ্দিন (এসবি, ঢাকা)।

তালিকায় আরও রয়েছেন- মো. নজরুল ইসলাম (জামালপুর জেলা), মো. আনোয়ারুল কবির (এসআরইউ), মো. মাসুদুর রহমান (এসবি, ঢাকা), এস এম জাহাঙ্গীর আলম (ডিএমপি, ঢাকা), মো. কামরুজ্জামান (পুলিশ স্টাফ কলেজ, ঢাকা), কে এম ইনাম আহমেদ (সিআইডি), মো. ইসমাইল হোসেন শাহীন (পিটিসি, টাঙ্গাইল), শেখ বশির আহমেদ (ডিএমপি, ঢাকা), মো. আতিকুর রহমান (কুষ্টিয়া জেলা), মো. ওমর আলী (হবিগঞ্জ জেলা), মো. লুৎফর রহমান (খুলনা জেলা), পি এস এম মোস্তাছিনুর রহমান (ময়মনসিংহ জেলা), মো. আবদুর রহিম (পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), মো. নূরুন নবী সরকার (পিবিআই), মো. আব্দুল লতিফ (সাতক্ষীরা জেলা), এস এম আতাউর রহমান (ইন্ডাস্ট্রিয়াল পুলিশ-৩), মো. জেহাদ হোসেন (ডিএমপি, ঢাকা), মো. দিদারুল আলম (এসবি, ঢাকা), মো. জয়নাল আবেদীন (পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), মো. আলমগীর হোসেন (ঢাকা জেলা) ও মো. জাহির হোসেন (এসবি, ঢাকা)। মো. সোহেল রেজা (এসবি, ঢাকা), মো. তরিকুল ইসলাম (সিআইডি থেকে প্রেষণে পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), মো. শামীম আক্তার খান (এসবি, ঢাকা), এ কে এম আলীনূর হোসেন (ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা), মোহাম্মদ নেছার উদ্দিন কাদরী (এসবি, ঢাকা), মো. মোবারক হোসেন (ডিএমপি, ঢাকা), খান মোহা. হাসান মোস্তফা (ময়মনসিংহ জেলা), মো. রেজাউল ইসলাম খান (জামালপুর জেলা), মো. সোহেল আহমেদ (নারায়ণগঞ্জ জেলা, প্রেষণে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল, ঢাকা), মো. আনিছুর রহমান সরদার (রাজশাহী জেলা), মোহাম্মদ আলী হায়দার (এসবি), খান মো. শাহরিয়ার (পঞ্চগড় জেলা), মো. শফিকুল ইসলাম (সিআইডি), মো. গোলাম ফারুক (সিআইডি), মো. মাহাবুব আলম (পিটিসি, রংপুর), মো. সিরাজুল ইসলাম খান (এসবি), মো. অছিকুর রহিম ছিদ্দিক (সিআইডি), মো. আবুল কালাম আজাদ (পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), শেখ ফারুকুজ্জামান (পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), মোহাম্মদ জাকের হোসাইন মাহমুদ (সিএমপি, চট্টগ্রাম), আরিফ ইফতেখার (চাঁদপুর জেলা), সরকার তোফায়েল আহমেদ (পুলিশ অধিদপ্তর, ঢাকা), মো. আক্তার হোসেন (ডিএমপি, ঢাকা), শাহানা বানু (এসবি), মোহতারেমা আশরাফী খানম (বিপিএ, সারদা, রাজশাহী) এবং মো. মনজুর কাদের মজুমদার (সিআইডি)।

অন্যদিকে, শহর ও যানবাহন শাখার পুলিশ পরিদর্শক থেকে এএসপি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন ১০ জন। তারা হলেন- এ এন এম মাসুদ (নাটোর জেলা), মো. মোফাক-খারুল ইসলাম (সিরাজগঞ্জ জেলা), মো. এনামুল হক (কক্সবাজার জেলা), এস এম শহিদুর রহমান (টিডিএস, ঢাকা), মো. মুনজুরুল করিম (আরএমপি, রাজশাহী), মো. আলী আকবর হাওলাদার (পটুয়াখালী জেলা, সংযুক্ত পুলিশ টেলিকম সংস্থা), কাজী আজম মাহমুদ (ডিএমপি, ঢাকা), মোহাম্মদ কামরুল আলম (এসআরবি সদর দপ্তর, ঢাকা), মুহাম্মদ সুমন জাহিদ লোভেল (খাগড়াছড়ি জেলা) ও মো. আতিকুর রহমান (ডিএমপি, ঢাকা)।

এছাড়া সশস্ত্র পুলিশ পরিদর্শক মোহাম্মদ আব্দুর রাজ্জাক হাওলাদার (ডিএমপি, ঢাকা) এএসপি পদে পদোন্নতি পেয়েছেন।


নির্বাচিত

আইসিএপিপির অধিবেশনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হলেন বিএনপির ইসমাইল জবিউল্লাহ

বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ আইসিএপিপির অধিবেশনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

এশিয়ার রাজনৈতিক দলগুলোর সর্ববৃহৎ আন্তর্জাতিক প্ল্যাটফর্ম ‘ইন্টারন্যাশনাল কনফারেন্স অব এশিয়ান পলিটিক্যাল পার্টিজ’ (আইসিএপিপি)-এর ১৩তম সাধারণ অধিবেশনে ভাইস চেয়ারম্যান নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটির সদস্য ও প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসনবিষয়ক উপদেষ্টা মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ।

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউলে ‘দ্য শিলা সিউল’ হোটেলে আয়োজিত এই সম্মেলনে ক্ষমতাসীন মিনজু পার্টি ও বিরোধী দল পিপল পাওয়ার পার্টির যৌথ পরিচালনায় অনুষ্ঠিত প্রথম প্ল্যানারি সেশনে বক্তব্য রাখেন তিনি। বক্তব্যে তিনি বিশ্বব্যাপী রাজনৈতিক অস্থিরতা, সংঘাত ও আস্থার সংকট মোকাবিলায় গণতন্ত্র, সুশাসন, আইনের শাসন এবং আন্তর্জাতিক সহযোগিতা জোরদারের আহ্বান জানান।

ইসমাইল জবিউল্লাহ বলেন, ‘গণতন্ত্র কেবল নির্বাচনী প্রক্রিয়া নয়, এটি জবাবদিহিতা ও মৌলিক অধিকারের প্রতি শ্রদ্ধাশীলতার সামাজিক চুক্তি।’ ফিলিস্তিনসহ মধ্যপ্রাচ্যের মানবিক বিপর্যয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে তিনি আন্তর্জাতিক নীতি কোনো বৈষম্য ছাড়াই সবার ক্ষেত্রে সমানভাবে প্রয়োগের দাবি জানান। এ ছাড়া তিনি কোনো দেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে বহিরাগত হস্তক্ষেপ বন্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) ঝুঁকি মোকাবিলায় অভিন্ন কৌশলগত নীতিপত্র প্রণয়ন, জলবায়ু অর্থায়নে ন্যায্যতা নিশ্চিত করা এবং তরুণদের মানসিক স্বাস্থ্য সুরক্ষায় আইসিএপিপিকে কার্যকর ভূমিকা রাখার আহ্বান জানান।

আজ শুক্রবার পর্যন্ত চলা এই সম্মেলনে বাংলাদেশের বিএনপি, জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি), জাতীয় পার্টি ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের প্রতিনিধিরা অংশ নিচ্ছেন।


নির্বাচিত

লংমার্চে গ্যাস-বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান হলে আমরাই করতাম: মীর শাহে আলম

ছবি: স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

লংমার্চ করে গ্যাস ও বিদ্যুতের সমস্যার সমাধান সম্ভব হলে সরকারই সবচেয়ে বড় লংমার্চের আয়োজন করত বলে মন্তব্য করেছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। তিনি বলেন, ‘লংমার্চ কিংবা ফাঁকা সিলিন্ডার দেখিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করা যাবে না। জনগণ সরকারকে পাঁচ বছর সময় দিয়েছে।’

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) দুপুরে রাজধানীর বসুন্ধরায় ১৪তম আন্তর্জাতিক কৃষি প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। মীর শাহে আলম বলেন, ‘হুমকি-ধমকি বা আন্দোলনের পথে না গিয়ে বিরোধীদের সংসদে এসে সরকারকে পরামর্শ দেওয়া উচিত।’ গবেষকদের যথাযথ মূল্যায়ন করা হচ্ছে না উল্লেখ করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘পৃথিবীর সবচেয়ে মেধাবী ব্যক্তিরা গবেষণার সঙ্গে যুক্ত হন। কিন্তু দেশে তাদের যথাযথ মূল্যায়ন হয় না। দেখা যায়, শ্রেণিকক্ষে তিন-চার নম্বর বেঞ্চে বসা ব্যক্তিরা একসময় মহাপরিচালক (ডিজি) হন। গবেষকদের বেতন-ভাতা বাড়ানোর বিষয়টি সরকার বিবেচনা করছে।’

চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের পর দেশের কৃষি অর্থনীতিকে আরও সমৃদ্ধ করার প্রয়োজনীয়তার কথা তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘মেলা ও বাজারব্যবস্থাপনা পণ্য উৎপাদক ও ক্রেতাদের মধ্যে সংযোগ তৈরি করে। আগের সরকারের সময়ে সঠিক জরিপ না হওয়ায় দেশের প্রকৃত জনসংখ্যা, পরিবারের সংখ্যা ও কৃষকের সংখ্যা সম্পর্কে নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।’ কৃষিতে আমদানিনির্ভরতা কমছে দাবি করে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘টমেটো, কাঁচামরিচ, চিনি ও সয়াবিন তেল ছাড়া তেমন কিছু আমদানি করতে হয় না। কৃষি উৎপাদন বাড়াতে পল্লী উন্নয়ন একাডেমির মতো প্রতিষ্ঠান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

বর্তমানে সার খাতে সরকারকে ২৭ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিতে হচ্ছে।’ দেশের গ্যাস অনুসন্ধান ও কূপ খনন প্রসঙ্গে মীর শাহে আলম বলেন, ‘গত ২০ বছরে কেন নতুন গ্যাসকূপ খনন করা হয়নি, তার জবাব দিতে হবে। ভোলা থেকে পাইপলাইনের মাধ্যমে গ্যাস সরবরাহের বিষয়টি আগেই কেন বিবেচনা করা হয়নি, সেই প্রশ্নও রয়েছে। বর্তমানে ভোলার সঙ্গে গ্যাস সংযোগ তৈরির কাজ চলছে। পাশাপাশি নতুন করে ৫২টি গ্যাসকূপ খননের পরিকল্পনা রয়েছে।’

নির্বাচন প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘রাতে ভোট করার কোনো ইচ্ছা সরকারের নেই। পেশিশক্তি ব্যবহার করে নির্বাচন করার ইচ্ছা তারেক রহমানেরও নেই। সফল হয়েই ২০৩১ সালের নির্বাচনে জনগণের কাছে যাবে সরকার।’ বগুড়া বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে রূপান্তরের মাধ্যমে উত্তরাঞ্চলকে অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুলতে সরকার কাজ করছে বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ চাল উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ উল্লেখ করে মীর শাহে আলম বলেন, ‘পুষ্টিগুণ বাড়াতে ফর্টিফাইড বা পুষ্টিসমৃদ্ধ আটা-ময়দা বাজারজাতের জন্য নীতিমালা করা হচ্ছে। ভোজ্যতেলে ভিটামিন এ যোগ করার মতো চাল ও আটাকেও পুষ্টিসমৃদ্ধ করার উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।’


নির্বাচিত

বাংলাদেশকে এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে: রাষ্ট্রপতি

রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ২২:২৯
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, বাংলাদেশকে শুধু কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ব্যবহারকারী হিসেবে নয় বরং এআই প্রয়োগ ও উদ্ভাবনে সক্ষম একটি দেশে পরিণত করতে হবে। তিনি বলেন, সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে, যে বাংলাদেশ এআই প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহারের পাশাপাশি এর উদ্ভাবনেও নেতৃত্ব দেবে।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ এআই বিজনেস সামিট ২০২৬-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে রাষ্ট্রপতি এ কথা বলেন। রাষ্ট্রপতি বলেন, প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের নিষক্রিয় অংশীদার নয় বরং সক্রিয় অংশীদার হওয়াই হবে আমাদের লক্ষ্য। এআইনির্ভর নয়, বরং এআই সক্ষম, উদ্ভাবনসমৃদ্ধ ও মানবকল্যাণমুখী বাংলাদেশ গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশ আজ এক মহাপরিবর্তনের দ্বারপ্রান্তে দাঁড়িয়ে আছে, যার অন্যতম প্রধান অনুষঙ্গ কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই। আগামী দশকে এ পরিবর্তন দেশের কৃষি, শিক্ষা, স্বাস্থ্যসেবা, শিল্প, বাণিজ্য, কর্মসংস্থান ও সামগ্রিক অর্থনীতিকে কোথায় নিয়ে যাবে এবং বিশ্বে বাংলাদেশের অবস্থান কী হবে, তা অনেকাংশেই নির্ধারণ করবে এআই। তিনি বলেন, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা শুধু ভবিষ্যৎ প্রজন্মের প্রযুক্তি নয় বরং বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ উন্নয়নের অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি হয়ে উঠতে পারে।

মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, শিল্পের আধুনিকায়ন, রপ্তানি সম্প্রসারণ, নতুন বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কোটি তরুণের জন্য মর্যাদাপূর্ণ কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে এআইকে কৌশলগতভাবে কাজে লাগাতে হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় শক্তি হচ্ছে বিশাল তরুণ জনগোষ্ঠী। তরুণদের প্রযুক্তিবান্ধব ও দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তুলতে পারলেই তারা চতুর্থ শিল্পবিপ্লবের প্রধান সৈনিকে পরিণত হবে।

তিনি আরও বলেন, আন্তর্জাতিক গবেষণায় আগামী কয়েক বছরে এআই বিশ্ব অর্থনীতিতে ট্রিুলিয়ন ডলারের মূল্য সংযোজন করবে বলে উল্লেখ করা হয়েছে। বাংলাদেশকেও এ সুযোগ কাজে লাগানোর আহ্বান জানান রাষ্ট্রপতি। এসময় রাষ্ট্রপতি ব্যবসায়ী সমাজকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাকে শুধু ব্যয় কমানোর হাতিয়ার হিসেবে না দেখে নতুন পণ্য ও সেবা সৃষ্টি, নতুন বাজারে প্রবেশ এবং নতুন কর্মসংস্থান তৈরির মাধ্যম হিসেবে বিবেচনা করার উপর গুরুত্বারোপ করেন।

এসময় তিনি বিশ্ববিদ্যালয় এবং তরুণ প্রজন্ম একসঙ্গে কাজ করে বাংলাদেশকে স্বল্পোন্নত দেশ থেকে উত্তরণের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে ২০৩৪ সালের মধ্যে ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার আহ্বান জানান। তিনি বলেন, এআইয়ের সুফল পেতে দেশের তরুণ সমাজকে প্রযুক্তিতে দক্ষ ও সুশিক্ষিত করে গড়ে তোলা প্রয়োজন। রাষ্ট্রপতি বলেন, বাংলাদেশের তৈরি পোশাকশিল্প বিশ্বে দেশকে একটি পরিচিতি দিয়েছে। একইভাবে দেশের তরুণরা যদি যথাযথ সক্ষমতা নিয়ে এআই প্রযুক্তি গ্রহণ করতে পারে, তাহলে তারাই বিশ্বে বাংলাদেশকে নতুন পরিচয়ে পরিচিত করার সম্ভাবনা রাখে।

এআই-এর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে মূল্যবোধকেন্দ্রিক জাতীয় এআই নীতিমালা তৈরির কাজ শুরু করেছে। এতে নৈতিকতা, মানবাধিকার, ঝুঁকিভিত্তিক নিয়ন্ত্রণ ও দায়িত্বশীল ব্যবহারের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বাংলা ভাষাভিত্তিক জাতীয় এআই সক্ষমতা গড়ে তোলার কাজও শুরু হয়েছে। তবে এ ক্ষেত্রে ব্যবসায়ী, গবেষক, বিশ্ববিদ্যালয় এবং তরুণ উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন বলে তিনি উল্লেখ করেন। দেশে এআই-এর ব্যবহার এবং সম্প্রসারনের বিষয়টি উল্লেখ করে রাষ্ট্রপতি বলেন, দেশের বিশাল জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশ যখন শিক্ষিত বেকার, তখন এআই নতুন করে বেকারত্ব সৃষ্টি করবে কি না সেটিও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করতে হবে। তিনি বলেন, এআই ব্যবহারের ক্ষেত্রে বড় ধরনের সম্ভাবনার পাশাপাশি ঝুঁকি ও আশঙ্কাও রয়েছে। এ প্রযুক্তি যেন কোনোভাবেই সবকিছুর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণের ভূমিকায় অবতীর্ণ না হয় সে বিষয়ে প্রতিটি পর্যায়ে সতর্ক থাকতে হবে। তিনি বলেন, এআইয়ের নিরাপদ ব্যবহার ও কার্যকর নিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করা জরুরি। অন্যথায় মানবসভ্যতা অস্তিত্বের সংকটেও পড়তে পারে। তিনি বলেন, কোনো প্রযুক্তি গ্রহণের আগে সেটি কতটা টেকসই এবং দেশের জন্য কতটা উপযোগী, তা গুরুত্বের সঙ্গে বিচার করতে হবে। যে প্রযুক্তি মানুষের কল্যাণের পরিবর্তে ক্ষতির কারণ হবে তা গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রযুক্তি তখনই প্রকৃত অর্থে উপযোগী হয়, যখন তা মানুষের কল্যাণে এবং সভ্যতার অগ্রগতিতে কাজে লাগে। এসময় তিনি বাংলাদেশের রাজনৈতিক, অর্থনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এআই-এর ব্যবহার নিশ্চিতের আহ্বান জানান।

এর আগে রাষ্ট্রপতিকে সম্মাননা স্বারক প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী ফকির মাহবুব আনাম, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় বিষয়ক সংসদীয় স্থায়ী কমিটির চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের সদস্য রুহুল কুদ্দুস তালুকদার দুলু, আন্তর্জাতিক বাণিজ্য চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (আইসিসি), বাংলাদেশ-এর সভাপতি মাহবুবুর রহমান। এতে মূল বক্তব্য প্রদান করেন রেডিনেস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্ট সিস্টেমস লিমিটেড-যুক্তরাজ্য-এর সিইও ও সাবেক অধ্যাপক আলমগীর হোসেন। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয় এবং ঢাকা চেম্বার অফ কমার্সের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন ঢাকা চেম্বার অফ কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রি সভাপতি তাসকিন আহমেদ। এছাড়াও বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি মন্ত্রণালয়ের সচিব জনাব মো. আনোয়ার হোসেন বক্তব্য রাখেন।


নির্বাচিত

রাজধানীর যেসকল এলাকায় সভা-সমাবেশ নিষিদ্ধ

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী সোমবার (৯ নভেম্বর) বসছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন। এই অধিবেশনকে কেন্দ্র করে জাতীয় সংসদ ভবনসহ আশপাশের এলাকায় সভা-সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি)।

আগামী রবিবার (৮ নভেম্বর) রাত ১২টা থেকে এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হয়ে অধিবেশন শেষ না হওয়া পর্যন্ত এ আদেশ বলবৎ থাকবে বলে জানিয়েছে ডিএমপি।

সোমবার (৫ নভেম্বর) ডিএমপি কমিশনার মোসলেহ্ উদ্দিন আহমদের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়।

গণবিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ৯ নভেম্বর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের চতুর্থ অধিবেশন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। অধিবেশন নির্বিঘ্নে চলা নিশ্চিত করতে জাতীয় সংসদ ভবন ও পার্শ্ববর্তী এলাকার শান্তিশৃঙ্খলা রক্ষায় ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ অর্ডিন্যান্সের ২৮ ও ২৯ ধারায় অর্পিত ক্ষমতাবলে এ নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে।

নিষেধাজ্ঞার আওতাভুক্ত এলাকাগুলো হলো— ময়মনসিংহ রোডের মহাখালী ক্রসিং থেকে পুরোনো বিমানবন্দর হয়ে বাংলামোটর ক্রসিং পর্যন্ত; বাংলামোটর লিংক রোডের পশ্চিম প্রান্ত থেকে হোটেল সোনারগাঁও রোডের সার্ক ফোয়ারা পর্যন্ত; পান্থপথের পূর্ব প্রান্ত থেকে গ্রিন রোডের সংযোগস্থল হয়ে ফার্মগেট পর্যন্ত।

এ ছাড়া মিরপুর রোডের শ্যামলী মোড় থেকে ধানমন্ডি-১৬ (পুরোনো ২৭) নম্বর সড়কের সংযোগস্থল, রোকেয়া সরণির সংযোগস্থল থেকে পুরোনো নবম ডিভিশন (উড়োজাহাজ) ক্রসিং হয়ে বিজয় সরণি পর্যটন ক্রসিং, ইন্দিরা রোডের পূর্ব প্রান্ত থেকে মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ের পশ্চিম প্রান্ত, জাতীয় সংসদ ভবনের সংরক্ষিত এলাকা এবং এসব সীমানার মধ্যে অবস্থিত সব রাস্তা ও গলিপথ এ নিষেধাজ্ঞার আওতায় থাকবে।

এ সময় এসব এলাকায় সব ধরনের অস্ত্রশস্ত্র, বিস্ফোরক দ্রব্য, অন্যান্য ক্ষতিকারক ও দূষণীয় দ্রব্য বহন এবং যেকোনো ধরনের সমাবেশ, মিছিল, শোভাযাত্রা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন নিষিদ্ধ থাকবে বলেও জানানো হয়েছে গণবিজ্ঞপ্তিতে।


নির্বাচিত

দেশে ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে মৃত্যু আরও ৭ জনের

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সারাদেশে গত ২৪ ঘণ্টায় ডেঙ্গুতে আক্রান্ত হয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। বুধবার সকাল ৮টা থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ৮ পর্যন্ত সময়ের মধ্যে তাদের মৃত্যু হয়। এছাড়া এ সময়ের মধ্যে ডেঙ্গুতে আক্রন্ত হয়ে নতুন করে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ৫৯৬ জন।

বৃহস্পতিবার (৫ নভেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদফতরের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বুধবার সকাল ৮টা থেকে পরবর্তী ২৪ ঘণ্টায় নতুন ভর্তি হওয়া রোগীদের মধ্যে ঢাকা বিভাগে ৫৫০ জন, ময়মনসিংহ বিভাগে ৮৩ জন, চট্টগ্রাম বিভাগে ২৯৫ জন, খুলনা বিভাগে ২২১ জন, রাজশাহী বিভাগে ১৪৮ জন, রংপুর বিভাগে ৬৭ জন, বরিশাল বিভাগের ২১৩ জন এবং সিলেট বিভাগে ১৯ জন আক্রান্ত হয়েছেন।

আরও জানানো হয়, চলতি বছরের শুরু থেকে আজকে পর্যন্ত সারা দেশে মোট ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ লাখ ৪৪ হাজার ৩৭১ জন। এদের মধ্যে ১ লাখ ৩৮ হাজার ৮০ জন ডেঙ্গু রোগী হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন। আর বর্তমানে হাসপাতালে ৫ হাজার ৮৩৯ জন চিকিৎসাধীন আছেন। এছাড়া এই সময়ের মধ্যে মারা গিয়েছে ৪৫২ জন।


নির্বাচিত

শেখ হাসিনাকে ট্রাভেল পাস দেওয়া হবে না: হুমায়ুন কবির

প্রত্যর্পণ চুক্তির আওতায় শেখ হাসিনাকে ফিরিয়ে আনা হবে
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আদালতের রায়ে মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামি হিসেবে ভারতে অবস্থানরত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে দেশে ফেরাতে কোনো সাধারণ পাসপোর্ট কিংবা ট্রাভেল পাস ইস্যু করার সুযোগ নেই বলে স্পষ্ট করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী হুমায়ুন কবির। তিনি জানান, ঢাকা ও দিল্লির মধ্যে বিদ্যমান দ্বিপক্ষীয় বন্দি প্রত্যর্পণ চুক্তির আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমেই তাঁকে দেশে ফিরিয়ে আনা হবে। বৃহস্পতিবার ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে সফররত চীনের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিসি) আন্তর্জাতিক বিভাগের মন্ত্রী লিউ হাইশিংয়ের নেতৃত্বাধীন প্রতিনিধিদলকে বিদায় জানানোর পর সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী স্পষ্ট করেন, শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ দণ্ডপ্রাপ্ত একজন পলাতক আসামি হওয়ায় তাঁর জন্য কোনো প্রকার প্রচলিত ভ্রমণ ছাড়পত্র প্রযোজ্য হবে না। দুই দেশের মধ্যকার বন্দি বিনিময় চুক্তির আইনি বাধ্যবাধকতার আলোকে দিল্লি থেকে তাঁকে সরাসরি ফিরিয়ে এনে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

বাংলাদেশ, চীন ও মিয়ানমারকে অন্তর্ভুক্ত করে প্রস্তাবিত ত্রিপক্ষীয় করিডোর সংক্রান্ত বিষয়ে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জানান, এ ধরনের বৃহৎ অবকাঠামোগত সংযোগ নিয়ে বাংলাদেশের কোনো ভূরাজনৈতিক দ্বিধা বা শঙ্কা নেই। বরং এই পথ বাস্তবায়িত হলে পুরো ভূখণ্ড আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের এক নতুন প্রাণকেন্দ্রে রূপ নেবে এবং এ আঞ্চলিক প্রক্রিয়ায় যুক্ত হতে ঢাকার পূর্ণ আগ্রহ রয়েছে। তবে এ করিডোরের সফল বাস্তবায়নের পূর্বশর্ত হিসেবে রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই ও স্থায়ী রাজনৈতিক সমাধান নিশ্চিত করতে হবে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

এদিকে চীনা উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের ঢাকা সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে আখ্যায়িত করে হুমায়ুন কবির আশা প্রকাশ করেন, লিউ হাইশিংয়ের এ সফরের মধ্য দিয়ে আগামী দিনগুলোতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় ও কৌশলগত সম্পর্ক আরও বেগবান এবং বহুমাত্রিক রূপ লাভ করবে।

বিষয়:

নির্বাচিত

মোংলা বন্দর হবে সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাব: প্রধানমন্ত্রী

সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আজ মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে কথা বলেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন ও সুযোগ-সুবিধা সম্প্রসারণ করা হলে এটি দেশের দক্ষিণ-পশ্চিম ও উত্তর-পশ্চিমাঞ্চলের জন্য একটি সম্ভাবনাময় নতুন অর্থনৈতিক হাবে পরিণত হবে।

তিনি বলেন, মোংলা বন্দরকে কেন্দ্র করে খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও যশোরসহ এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে। একই সঙ্গে পঞ্চগড় থেকে বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত সড়ক যোগাযোগ, বন্দরের সরবরাহব্যবস্থা ও পণ্য পরিবহন সুবিধা সম্প্রসারণে সরকার উদ্যোগ নিতে চায়।

আজ মোংলায় ‘মোংলা বন্দর সুবিধা সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়ন প্রকল্পের’ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

আজ সকাল ১১টা ১৫ মিনিটে প্রধানমন্ত্রী ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়ন প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

এ সময়ে বন্দরপ্রাঙ্গণে তিনি একটি গাছের চারাও রোপণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নের মাধ্যমে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সঙ্গে বাণিজ্যিক যোগাযোগ জোরদার ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণ সম্ভব হবে।

একই সঙ্গে খানজাহান আলী বিমানবন্দরের উন্নয়ন কার্যক্রম চালু করাও সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার বলে তিনি উল্লেখ করেন।

তারেক রহমান বলেন, বর্তমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। মোংলা বন্দর জ্বালানি, সার, খাদ্যশস্য ও শিল্পের কাঁচামাল আমদানি এবং দেশীয় পণ্য রপ্তানিতে একটি পরিপূরক বন্দর হিসেবে জাতীয় অর্থনৈতিক নিরাপত্তা আরও সমৃদ্ধ করতে পারে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, মোংলা বন্দর আধুনিকায়ন প্রকল্পের আওতায় আধুনিক কনটেইনার টার্মিনাল, ইয়ার্ড ও কার্গো হ্যান্ডলিং সুবিধাসহ প্রয়োজনীয় অবকাঠামো গড়ে তোলা হচ্ছে। নির্ধারিত সময়ে এসব কাজ সম্পন্ন হলে এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন ঘটবে এবং সারা দেশের জন্য অর্থনৈতিক সম্ভাবনার নতুন দ্বার উন্মোচিত হবে।

তিনি বলেন, প্রকল্পটির বাস্তবায়ন শুধু নির্মাণকাজ শেষ হওয়ার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বন্দরসেবার মান কতটা উন্নত হলো, পণ্য পরিবহনে সময় ও ব্যয় কতটা কমল, বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান কতটা বাড়ল এবং পরিবেশ কতটা সুরক্ষিত থাকল, তার ওপরই প্রকৃত সাফল্য নির্ভর করবে।

প্রধানমন্ত্রী পরিবেশবান্ধব সেবা ব্যবস্থাপনা, দূষণ নিয়ন্ত্রণ এবং জাহাজের নিরাপদ বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক পরিবেশ ও নিরাপত্তার মানদণ্ড অনুসরণ, জলবায়ু সহনশীল অবকাঠামো নির্মাণ এবং নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে।পাশাপাশি বিপজ্জনক কার্যক্রম ব্যবস্থাপনায় অগ্নিনিরাপত্তা, প্রশিক্ষিত জনবল ও জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলার সক্ষমতা গড়ে তুলতে হবে।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন, রপ্তানি বহুমুখীকরণ, জ্বালানি ও খাদ্যনিরাপত্তা এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নকে সর্বাধিক গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

প্রধানমন্ত্রী দেশের স্বনির্ভরতা অর্জনের লক্ষ্যে বিনিয়োগে আন্তর্জাতিক অংশীজন, উন্নয়ন সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং বিশেষ করে প্রবাসী বাংলাদেশিদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।

তিনি বলেন, বিনিয়োগের অনুকূল পরিবেশ, সহজ সেবা প্রক্রিয়া, নির্ভরযোগ্য অবকাঠামো এবং নীতির ধারাবাহিকতা নিশ্চিত করতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মোংলা বন্দরের আধুনিকায়ন বাংলাদেশকে এক ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতিতে রূপান্তরের পরিকল্পনার একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বন্দরের নাব্যতা, নৌ চ্যানেলের নির্ভরযোগ্যতা, জাহাজের নিরাপদ চলাচল এবং প্রতিযোগিতামূলক বন্দরসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। আন্তর্জাতিক শিপিং কোম্পানিগুলোর কাছে মোংলা বন্দরকে আকর্ষণীয় করে তুলতে হবে। একইসঙ্গে উপযুক্ত বাণিজ্যিক ও পরিচালনাগত শর্তে এটিকে ফার্স্ট কলিং পোর্ট হিসেবে গড়ে তুলতে হবে।

তিনি আরও বলেন, মোংলা ও আশপাশের শিল্পাঞ্চলে নতুন শিল্পকারখানা স্থাপনে দ্রুত গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ইতোমধ্যে কাজ শুরু হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, একসময় খুলনা ও আশপাশের এলাকায় অনেক মিল-কারখানা ছিল। সরকার এ অঞ্চলের হারিয়ে যাওয়া শিল্পঐতিহ্য আবার ফিরিয়ে আনতে চায়।

তিনি বলেন, আজকের এ উদ্যোগ দেশের শিল্প-বাণিজ্য ও অর্থনৈতিক নিরাপত্তাকে আরও শক্তিশালী করবে।বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের কর্মসংস্থান, উদ্যোক্তাদের বিনিয়োগে আস্থা এবং আঞ্চলিক সুষম উন্নয়নে টেকসই আর্থসামাজিক মূল্য সংযোজন করবে।

বাংলাদেশের অবকাঠামো ও উন্নয়নে চীনের অব্যাহত সহযোগিতার জন্য প্রধানমন্ত্রী চীন সরকারকে ধন্যবাদ জানান।

প্রকল্পটি বাস্তবায়িত হলে ঢাকার কমলাপুর আইসিডি থেকে কনটেইনারবাহী ট্রেন সরাসরি মোংলা বন্দরে চলাচল করতে পারবে।এতে বন্দরের পণ্য পরিবহন সক্ষমতা বাড়বে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম সম্প্রসারিত হবে।

অনুষ্ঠানে যোগাযোগমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম, নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান, পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম, মোংলা বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান রিয়ার অ্যাডমিরাল আরিফ আহমেদ মোস্তফা এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান দাই হেগেন বক্তব্য রাখেন।

এ সময় বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

মোংলা থেকে উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে : প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘মোংলা থেকে দেশের উত্তরাঞ্চল পর্যন্ত জ্বালানি অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। এ অঞ্চলের অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড গতিশীল করতে পর্যাপ্ত বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।’

একইসাথে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাংলাদেশে চীনা বিনিয়োগ বাড়ানো এবং দুই দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

বাংলাদেশ ও চীন একসাথে কাজ করতে চায় উল্লেখ করে মোংলাকে কেন্দ্র করে শিল্পায়ন ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড সম্প্রসারণে চীনা বিনিয়োগকারীদের এগিয়ে আসার আহ্বান জানান প্রধানমন্ত্রী।

আজ বৃহস্পতিবার বাগেরহাটের মোংলায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের উপস্থিতিতে ইনভেস্ট বাংলাদেশ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতাবিষয়ক সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরিত হয়।

এ উপলক্ষে সিআরসিসির চেয়ারম্যান দাই হেগেনের নেতৃত্বে আসা উচ্চপর্যায়ের চীনা প্রতিনিধিদলের সাথে মতবিনিময়কালে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান এ আহ্বান জানান।

প্রধানমন্ত্রীর উপ প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এসব কথা জানিয়েছেন।

এ সময় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলাদেশ ও চীনের পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমে বিনিয়োগ, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো উন্নয়নে নতুন সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।

মধ্যপ্রাচ্যে চীনা প্রতিষ্ঠানগুলোতে বাংলাদেশি জনবল নিয়োগের ক্ষেত্রে সহযোগিতার জন্য চীনা প্রতিনিধিদলকে বিশেষ ধন্যবাদ জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি দিনটিকে বাংলাদেশের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ও আনন্দের উল্লেখ করে দেশের শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তি গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় এগিয়ে আসায় চীনা বিনিয়োগকারীদের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

মোংলা বন্দরের আধুনিকায়নে ৪,০৬৮ কোটি টাকার প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী

মোংলা বন্দরে দুটি কনটেইনার জেটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করলেন প্রধানমন্ত্রী
ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি ও আধুনিকায়নে দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণ এবং আনুষঙ্গিক অবকাঠামো উন্নয়নে ৪ হাজার ৬৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নেওয়া একটি প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

আজ বেলা ১১টা ১৫ মিনিটে বাগেরহাটের মোংলায় এক অনুষ্ঠানে তিনি এ ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

প্রধানমন্ত্রীর উপ-প্রেস সচিব জাহিদুল ইসলাম রনি এ কথা জানান।

প্রকল্পটির আওতায় দুটি কনটেইনার জেটি নির্মাণের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট অবকাঠামো উন্নয়ন করা হবে। এর লক্ষ্য মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো এবং বন্দরসেবার আধুনিকায়ন।

এর আগে সকালে একদিনের সরকারি সফরে খুলনা ও বাগেরহাটের বিভিন্ন কর্মসূচিতে যোগ দিতে হেলিকপ্টারে করে সকাল ৯টা ৫০ মিনিটে মোংলায় এসে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী।

মোংলায় পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রী ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষ ও চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত প্রতিষ্ঠান চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যে অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত সহযোগিতা বিষয়ক একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

ইনভেস্ট বাংলাদেশ কর্তৃপক্ষের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোনস বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনা পক্ষে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং সমঝোতা স্মারকে স্বাক্ষর করেন।

এমওইউ অনুযায়ী, দুই পক্ষ জ্বালানি, শিল্প অবকাঠামো, পরিবেশবান্ধব অবকাঠামো, পরিবহন, লজিস্টিকস এবং মানবসম্পদ উন্নয়নসহ গুরুত্বপূর্ণ খাতে বিনিয়োগের সুযোগ সম্প্রসারণ করবে। সূত্র: বাসস


নির্বাচিত

ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতির লক্ষ্যে কাজ করছে সরকার: প্রধানমন্ত্রী

১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে মোংলায় শিল্পায়নের ঘোষণা প্রধানমন্ত্রীর
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ৫ নভেম্বর, ২০২৬ ১২:৩৫
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিকে শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোর রূপরেখা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘২০৩০ সালের মধ্যে ১ ট্রিলিয়ন ডলারের অর্থনীতি গড়তে মোংলায় আরো শিল্পকারখানা গড়ে তোলা হবে।’ বৃহস্পতিবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বাগেরহাটের মোংলায় ইনভেস্ট বাংলাদেশ এবং চায়না রেলওয়ে কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের (সিআরসিসি) মধ্যকার সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যকালে তিনি এ কথা বলেন।

সরকারপ্রধান উল্লেখ করেন, দেশীয় উদ্যোক্তাদের পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বিনিয়োগকারীদের আস্থা অর্জন এবং দেশে ব্যাপক বিদেশি পুঁজির প্রবাহ নিশ্চিত করার স্বার্থে একটি স্থিতিশীল ও ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ বজায় রাখতে বর্তমান সরকার সম্পূর্ণ প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বন্দরকেন্দ্রিক এই অঞ্চলকে আধুনিক শিল্পনগরী হিসেবে গড়ে তুলে জাতীয় প্রবৃদ্ধিতে এর ভূমিকা আরও বাড়ানোর ওপর তিনি জোর দেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সরাসরি উপস্থিতিতে বাংলাদেশ ও চীনের মধ্যে অবকাঠামোগত ও অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ সমঝোতা স্মারক সম্পন্ন হয়। এতে ইনভেস্ট বাংলাদেশের পক্ষে সংস্থাটির ইন্ডাস্ট্রিয়াল জোন বিভাগের সদস্য সালেহ আহমেদ এবং চীনের পক্ষ থেকে চায়না সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং কনস্ট্রাকশন করপোরেশনের চেয়ারম্যান লি চংইয়াং আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাক্ষর করেন।

স্বাক্ষরিত এই চুক্তির ফলে বাংলাদেশে আধুনিক পরিবহন ব্যবস্থা, বৃহৎ লজিস্টিকস নেটওয়ার্ক, বিশেষায়িত শিল্প পরিকাঠামো, টেকসই জ্বালানি ব্যবস্থাপনা, পরিবেশ সংরক্ষণ এবং দক্ষ জনশক্তি বিনির্মাণসহ বিভিন্ন কৌশলগত ক্ষেত্রে নতুন বিনিয়োগের অপার সম্ভাবনার দ্বার উন্মোচিত হবে।


নির্বাচিত

banner close