রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আজ ফিলিস্তিনের জনগণ ও সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করেছেন।
ফিলিস্তিনিদের সাথে আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী পৃথক বাণীতে ফিলিস্তিনি জনগণের মর্যাদাপূর্ণ জীবন সার্বভৌম মাতৃভূমি নিশ্চিত করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবিক সংস্থাগুলোকে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন।
রাষ্ট্রপতি তাঁর বার্তায় বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সংহতি দিবসের গৌরবময় উপলক্ষ্যে আমি ফিলিস্তিনি জনগণ ও সরকারের প্রতি দৃঢ়ভাবে বাংলাদেশের অব্যাহত সমর্থন ও সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছি।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ একটি স্বাধীন দেশ হিসেবে সবসময় স্বাধীনতা, শান্তি এবং গণতন্ত্রে বিশ্বাস করে।
তিনি বলেন, ‘আমরা জাতিসংঘ শান্তিরক্ষা মিশনে সবচেয়ে বড় অবদানকারী দেশ।’
রাষ্ট্রপতি বলেন, যুদ্ধ শান্তি আনতে পারে না বরং যুদ্ধ ধ্বংস এবং মানবাধিকার লঙ্ঘন করে।
তিনি বলেন, একটি দ্বি-রাষ্ট্র সমাধানের ভিত্তিতে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্মনিয়ন্ত্রণ ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় তাদের অবিচ্ছেদ্য অধিকারের প্রতি বাংলাদেশের অটুট সমর্থন রয়েছে।
বাংলাদেশ কখনোই বিশ্বের কোথাও মানবাধিকার লঙ্ঘন সমর্থন করে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমাদের জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান নির্দেশিত এবং আমাদের সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত নীতি অনুযায়ী আমরা সবসময় ধর্মনিরপেক্ষতা ও শান্তির আদর্শ অনুসরণ করি।’
তিনি বলেন, ‘ফিলিস্তিনি ভাই-বোনেরা, যারা তাদের বৈধতা থেকে ছাপ্পান্ন বছরেরও বেশি সময় ধরে আত্মনিয়ন্ত্রণের অধিকার বঞ্চিত হয়েছে বাংলাদেশের জনগণ তাদের প্রতি সংহতির প্রকাশে নিবেদিত থাকবে।’
তিনি বলেন, বাংলাদেশ গাজায় আবাসিক এলাকা ও হাসপাতালগুলোতে অব্যাহত নৃশংস বোমা হামলার তীব্র নিন্দা জানায়, এতে নারী, শিশু এবং বৃদ্ধসহ হাজার হাজার ফিলিস্তিনি সাধারণ নাগরিক নিহত ও আহত হয়েছে। ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে এই নৃশংসতা মানবাধিকারের লংঘন।
তিনি বলেন, আমরা গাজা ও ফিলিস্তিনে সামগ্রিকভাবে অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির দাবি জানাচ্ছি।
তিনি বলেন ‘আমরা আলোচনার মাধ্যমে প্রতিটি সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধানে বিশ্বাস করি। বাংলাদেশ সর্বদা ফিলিস্তিনের জনগণ ও সরকারের পাশে আছে।’
রাষ্ট্রপতি মানবতা, ন্যায় ও ন্যায্যতার জন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায় এবং মানবিক সহায়তা সংস্থাগুলোর প্রতি আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, ‘আসুন, আমরা ফিলিস্তিনি জনগণের জন্য কাজ করি যাতে তাদের নিরাপদ, নির্ভীক এবং তাদের সার্বভৌম মাতৃভূমিতে মর্যাদাপূর্ণ জীবন পায়।’
ফিলিস্তিনি জনগণের প্রতি আন্তর্জাতিক সংহতি দিবস উপলক্ষে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তার বাণীতে বলেছেন, বাংলাদেশ আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের সাথে যোগ দিয়ে ১৯৬৭-এর পূর্ববর্তী সীমানা এবং পূর্ব জেরুজালেমকে রাজধানীসহ দ্বি-রাষ্ট্র সমাধান করার ভিত্তিতে ফিলিস্তিনি জনগণের আত্ম নিয়ন্ত্রণ অধিকার ও ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠা করার নিরঙ্কুশ অধিকারের প্রতি দ্ব্যর্থহীন সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে।
তিনি বলেন, বাংলাদেশ সবসময় সারা বিশ্বে সাম্রাজ্যবাদ, উপনিবেশবাদ বা বর্ণবাদের বিরুদ্ধে নিপীড়িতদের ন্যায়সঙ্গত সংগ্রামকে সমর্থন করেছে।
তিনি বলেন, আমাদের এ দৃঢ় অঙ্গীকার জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের দিকনির্দেশনায় পরিচালিত এবং এ নীতি আমাদের জাতীয় সংবিধানে নিহিত রয়েছে। বাংলাদেশের জনগণ তাদের ফিলিস্তিনি ভাই ও বোনদের প্রতি তাদের সংহতি প্রকাশে অবিচল থাকবে যারা ছাপ্পান্ন বছরেরও বেশি সময় ধরে তাদের আত্মনিয়ন্ত্রণের বৈধ অধিকার থেকে বঞ্চিত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বাংলাদেশ গাজায় নারী ও শিশুসহ নিরীহ বেসামরিক মানুষদের নির্মম হত্যাকা-ের এবং শরণার্থী শিবির, স্কুল, হাসপাতাল এবং ধর্মীয় স্থানসহ সুরক্ষিত স্থাপনার ওপর নির্বিচারে বোমা হামলা তীব্র নিন্দা জানিয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, “গাজায় বেসামরিক মানুষকে লক্ষ্য করে ইসরায়েল বর্তমানে যে যুদ্ধ চালিয়েছে তা হচ্ছে ফিলিস্তিনি জনগণের ওপর সম্মিলিত শাস্তির সমতুল্য এবং ইসরালে কর্তৃক মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইনের লঙ্ঘন।"
তিনি আরও বলেন, বাংলাদেশ ইসরায়েলের বর্বরতা বন্ধের এবং সম্পূর্ণ যুদ্ধবিরতির দাবি জানাচ্ছে।
তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশ দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছে যে, ইসরায়েল অব্যাহতভাবে মানবাধিকার ও আন্তর্জাতিক মানবিক আইন উপেক্ষা ও লঙ্ঘন করা তা সত্ত্বেও দায়মুক্তি ভোগ করে চলেছে।
তিনি বলেন, "আমরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি যে, ফিলিস্তিনের জনগণ ন্যায়বিচার ও প্রতিকার পাওয়ার দাবি রাখে যা শুধুমাত্র অব্যাহত দখলদারিত্বের মধ্যে বসবাসরত ফিলিস্তিনের জনগণের আত্ম নিয়ন্ত্রণ অধিকার সহ একটি ন্যায্য সমাধান নিশ্চিত করার মাধ্যমে অর্জন করা যেতে পারে।
তিনি বলেন, "আমরা আরো বিশ্বাস করি যে, জাতিসংঘের প্রাসঙ্গিক অসংখ্য প্রস্তাবের বাস্তবায়ন, চার জাতি প্রস্তাবিত রোড ম্যাপ, মাদ্রিদ শান্তি সম্মেলনের শর্তাবলী, আরব পিস ইনিশিয়েটিভ এবং জাতিসংঘের বেশ কয়েকটি সদস্য রাষ্ট্রের প্রচেষ্টা মধ্যপ্রাচ্য শান্তি প্রক্রিয়া পুনরুজ্জীবিত করতে এবং ফিলিস্তিন সমস্যার একটি স্থায়ী শান্তিপূর্ণ ও ন্যায্য সমাধান লাভের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।
প্রধানমন্ত্রী একটি সার্বভৌম স্বদেশে, নিরাপত্তা, স্থিতিশীলতা ও মর্যাদার সঙ্গে বসবাসের জন্য ফিলিস্তিনি জনগণের আকাঙ্খা ও বৈধ অধিকার পুনরুদ্ধারের প্রচেষ্টা জোরদার এবং কার্যকর ও সিদ্ধান্তমূলক পদক্ষেপ গ্রহনের লক্ষ্যে একসঙ্গে কাজ করার জন্য আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান।
দেশে চলমান গ্যাস ও বিদ্যুৎ সংকটের কারণে সাধারণ মানুষের ভোগান্তিতে গভীর দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আগামী কয়েক দিনের মধ্যে বিদ্যুৎ ও গ্যাসের সমস্যার সমাধান হবে বলেও আশা প্রকাশ করেছেন তিনি।
শনিবার (১৫ আগস্ট) সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকীতে দুস্থদের সহায়তা অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী।
বিদ্যুৎ-গ্যাস নিয়ে বিরোধী দল হঠকারী আন্দোলন করছে উল্লেখ্য করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পেছনে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে, হাতে হারিকেন নিয়ে বসে বলছে— ‘গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে’; এগুলো হঠকারিতা। তাদের বন্ধুরাই ক্ষমতায় ছিল, অন্তর্বর্তী সরকার এলএনজি টার্মিনাল বসানো বন্ধ করে দিয়েছে। সরকার দেশে তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল বানানোর চেষ্টা করছে, এজন্য সময় লাগবে। সংকট সমাধানে সরকার চীন ও মালয়েশিয়ার সাথে কথা বলেছে।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, আগামী তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে যদি সংকট সমাধানের কোনো কার্যকর পরিকল্পনা থাকে, তবে তা সরকারের কাছে পেশ করা হোক, সরকার তা সাদরে গ্রহণ করবে। যদি না পারে, তাহলে বিভ্রান্তির রাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে তাদের। বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে সেই রকম পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে গণতন্ত্র থাকলে জবাবদিহি থাকবে, তখনই দেশের উন্নয়ন হবে। আগামী এক মাসের মধ্যে স্কুল শিক্ষার্থীদের মাঝে স্কুল ড্রেস দেওয়ার কাজ শুরু হবে। উপজেলার সব ৫০ শয্যার হাসপাতালকে ১০০ শয্যায় রূপান্তর করবে সরকার।’
বিদ্যুৎ-সংকট নিয়ে সরকারের সমালোচনাকারীদের উদ্দেশে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, ‘পেছনে ফ্যানের বাতাস খাচ্ছে, হাতে হারিকেন নিয়ে বসে বলছে—গ্যাস দে, বিদ্যুৎ দে; এগুলো হঠকারিতা।’
সাবেক প্রধানমন্ত্রী প্রয়াত খালেদা জিয়ার জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আজ শনিবার রাজধানীর মহাখালীর টিঅ্যান্ডটি মাঠে দোয়া-মোনাজাত ও দরিদ্রদের মাঝে অনুদান প্রদান অনুষ্ঠানে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এসব কথা জানান।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকার এলএনজি টার্মিনাল বসানোর কাজ বন্ধ করে দিয়েছিল। সরকার দেশে তৃতীয় এলএনজি টার্মিনাল নির্মাণের চেষ্টা করছে, এ জন্য সময় লাগবে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস-সংকট সমাধানে চীন ও মালয়েশিয়ার সঙ্গে সরকার আলোচনা করেছে বলেও জানান তিনি।
বিরোধী দলের উদ্দেশে তারেক রহমান বলেন, ‘তিন থেকে ছয় মাসের মধ্যে গ্যাস-বিদ্যুতের সমাধান যদি বিরোধী দল দিতে পারে, সেগুলো সরকার গ্রহণ করবে। যদি না পারে, তাহলে বিভ্রান্তির রাজনীতির জন্য জনগণের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে।’ তিনি আরও বলেন, ‘বিভ্রান্তি, হঠকারী রাজনীতি বাদ দেন। জনগণের উপকার হবে—এমন পরিকল্পনা থাকলে উপস্থাপন করুন। রাস্তায় বসে ভাঙচুরের রাজনীতির দিন শেষ।’
জনগণের সরকার সবার সহযোগিতায় দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সংকট দূর করতে সক্ষম হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম।
তিনি বলেন, বিগত সরকারের সময় দেশের ৯৮ শতাংশ গ্যাসের নিয়ন্ত্রণ একটি বিশেষ দেশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছিল। স্বৈরাচারী সরকারের এমন আত্মঘাতী সিদ্ধান্ত ও জ্বালানি অব্যবস্থাপনার কারণেই বর্তমানে দেশে গ্যাস সংকট দেখা দিয়েছে।
চিফ হুইপ বলেন, গত সাড়ে পাঁচ মাসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের দিকনির্দেশনায় বর্তমান সরকার দেশের মানুষের দুর্ভোগ ও হাহাকার পূর্বের তুলনায় কমিয়ে এনেছে। সরকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে বিভিন্ন সংকট মোকাবিলায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।
আজ শনিবার বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের উদ্যোগে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের দুই বছর পূর্তি উপলক্ষে রাজধানীর জাতীয় প্রেস ক্লাবের আব্দুস সালাম হলে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে চিফ হুইপ এ সব কথা বলেন।
চিফ হুইপ বলেন, অতীতেও বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপি বিভিন্ন সংকট কাটিয়ে দেশকে স্থিতিশীল অবস্থায় এনেছে।
শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের শাসনামলের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, দেশ যখন দুর্ভিক্ষপীড়িত ছিল, তখন তিনি দায়িত্ব গ্রহণ করে মাত্র তিন বছরের মধ্যে দেশকে খাদ্য রপ্তানিকারক দেশে পরিণত করেছিলেন। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারও ভঙ্গুর অর্থনীতির দেশকে শক্তিশালী অর্থনৈতিক ভিত্তির ওপর দাঁড় করাতে সক্ষম হবে। তবে এ জন্য দেশকে সঠিকভাবে পরিচালনায় সবার সহযোগিতা প্রয়োজন।
চিফ হুইপ বলেন, বিগত শাসনামলে দেশ থেকে প্রায় ৩০ লাখ কোটি টাকা পাচার করা হয়েছে। পাচারকৃত এই বিপুল অর্থ দিয়ে দেশের বেশ কয়েকটি জাতীয় বাজেট দেওয়া সম্ভব ছিল। দীর্ঘদিন ধরে দেশের অর্থনীতি ও রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে পরিকল্পিতভাবে দুর্বল করার যে প্রক্রিয়া চলেছে, তা থেকে দেশকে বের করে আনতে জাতীয় ঐক্য প্রয়োজন।
তিনি বলেন, স্বৈরাচার শুধু মানুষের বাক্স্বাধীনতা কেড়ে নেয়নি, মানুষের আশা ও স্বপ্নকেও ধ্বংস করে দিয়েছে। মানুষের মনে ভবিষ্যৎ নিয়ে যে প্রত্যাশা এবং একটি সুন্দর আগামীর যে স্বপ্ন ছিল, তা সুপরিকল্পিতভাবে নষ্ট করে দেওয়া হয়েছিল।
নূরুল ইসলাম বলেন, স্বাধীনতার ৫৪ বছর পেরিয়ে গেলেও আমরা গণতন্ত্রকে এখনো সঠিক প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে পারিনি। গণতন্ত্রকে শক্তিশালী ও প্রাতিষ্ঠানিক করতে হলে জনগণের খাবারের অধিকার, মতপ্রকাশের স্বাধীনতা এবং রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোর জবাবদিহি নিশ্চিত করতে হবে।
জুলাই গণঅভ্যুত্থানের শহীদ ও আহতদের প্রসঙ্গে চিফ হুইপ বলেন, জুলাইয়ের শহীদদের পরিবারের জন্য সরকার সর্বাত্মক সহযোগিতা নিশ্চিত করবে। একই সঙ্গে আহতদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা এবং তাঁদের যোগ্যতা অনুযায়ী কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে।
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের সভাপতি হুমায়ুন কবির বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অভিনেতা বাবুল আহমেদসহ দলের নেতৃবৃন্দ বক্তব্য রাখেন। অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী সাংস্কৃতিক দলের নেতৃবৃন্দ, রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব, সাংস্কৃতিক অঙ্গনের বিশিষ্টজন, সাংবাদিক এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান আগামীকাল কিশোরগঞ্জের মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনসহ অন্যান্য উপাসনালয়ের সেবকদের মধ্যে চলতি অর্থবছরের সম্মানীর অর্থ বিতরণ করবেন।
বিকেল ৪ টায় জেলা সদরের পুরাতন স্টেডিয়ামে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে এ কার্যক্রমের পাশাপাশি ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ করবেন তিনি।
সরকারের সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় এবং ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় যৌথভাবে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।
সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসাইন (কায়কোবাদ), প্রধানমন্ত্রীর জনপ্রশাসন বিষয়ক উপদেষ্টা (মন্ত্রী পদমর্যাদা) মো. ইসমাইল জবিউল্লাহ, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যরা।
প্রধানমন্ত্রী বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষ্যে কিশোরগঞ্জের পাকুন্দিয়া উপজেলার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত ও বিতরণ এবং সুধীজনদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।
বেলা দুপুর ১২টায় তিনি কটিয়াদি কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স পরিদর্শন করবেন এবং উপজেলার আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউশন মাঠে জাতীয় মৎস্য পক্ষের উদ্বোধন ও পুরস্কার বিতরণ করবেন।
প্রধানমন্ত্রী দুপুর আড়াইটায় ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাহ ময়দানে সরকারের উন্নয়ন কার্যক্রমের উদ্বোধন করবেন এবং জেলা জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করবেন।
চলতি ২০২৬-২০২৭ অর্থবছরে ৮৬ হাজার ৭০৯টি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের দুই লাখ ৫৬ হাজার ৭৪ জন ধর্মীয় নেতা রাষ্ট্রীয় এ সুবিধা পাবেন।
চলতি অর্থবছরে মাসিক সম্মানী প্রদানের জন্য সারাদেশের ৮২ হাজার ৬৫৬টি মসজিদ, ৩ হাজার মন্দির, ৭৫২টি বৌদ্ধ বিহার ও ৩০১টি গির্জা নির্বাচন করা হয়েছে।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬ উপলক্ষে আগামীকাল ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জের কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়ায় আয়োজিত বিভিন্ন কর্মসূচির প্রস্তুতি পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ এবং কৃষিমন্ত্রী মোহাম্মদ আমিন উর রশিদ এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু, এমপি।
আজ শনিবার তাঁরা কটিয়াদীর আচমিতা জর্জ ইনস্টিটিউট মিনি স্টেডিয়ামে জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানস্থল, আচমিতা সরকারি কার্প হ্যাচারি কমপ্লেক্স এবং পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্তির স্থান পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রী অনুষ্ঠানস্থলের সার্বিক প্রস্তুতির খোঁজখবর নেন। তাঁরা মঞ্চ, অতিথিদের বসার ব্যবস্থা, নিরাপত্তা, প্রবেশ ও বের হওয়ার পথ, যানবাহন ব্যবস্থাপনা, অনুষ্ঠানস্থলের সজ্জা এবং পোনা অবমুক্তির স্থানসহ সংশ্লিষ্ট প্রস্তুতি সরেজমিনে দেখেন। এ সময় নির্ধারিত কর্মসূচি সুষ্ঠু ও যথাযথভাবে বাস্তবায়নে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেন।
আগামীকাল ১৬ আগস্ট কটিয়াদীতে জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হবে। একই দিনে পাকুন্দিয়ার মির্জাপুর চেয়ারম্যান বাড়ি ঘাট এলাকায় পুরাতন ব্রহ্মপুত্র নদে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হবে। কেন্দ্রীয় উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান উপস্থিত থাকবেন এবং মাছের পোনা অবমুক্ত করবেন।
জাতীয় মৎস্য পক্ষ-২০২৬-এর এবারের প্রতিপাদ্য ‘রূপালি মৎস্যে স্বনির্ভর দেশ, সবার আগে বাংলাদেশ’।
আগামীকালের আয়োজনে জাতীয় পর্যায়ে নির্বাচিত শ্রেষ্ঠ মৎস্য উদ্যোক্তা ও খামারিদের সম্মাননা দেওয়া হবে। পাশাপাশি দেশের মৎস্য খাতের উন্নয়ন, উৎপাদন বৃদ্ধি, মৎস্যসম্পদের টেকসই ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ মাছ উৎপাদন এবং মৎস্যচাষিদের উৎসাহিত করার বিভিন্ন বিষয় তুলে ধরা হবে।
প্রধানমন্ত্রীর কটিয়াদী ও পাকুন্দিয়া সফর এবং জাতীয় মৎস্য পক্ষের কেন্দ্রীয় আয়োজনকে সামনে রেখে স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য অধিদপ্তরসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলো সমন্বিতভাবে প্রস্তুতি নিয়েছে।
পরিদর্শনের সময় বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী মো: শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-২ (কটিয়াদী-পাকুন্দিয়া) আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট মো: জালাল উদ্দীন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. দেলোয়ার হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ড. মো: খালেদ কনক-সহ মন্ত্রণালয়, মৎস্য অধিদপ্তর, জেলা প্রশাসন, উপজেলা প্রশাসন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সুনির্দিষ্ট নির্দেশনায় দেশের ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষক-কর্মচারীকে অবসর সুবিধা ও কল্যাণ ভাতা প্রদানের জন্য ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এই তথ্য নিশ্চিত করেন। দেশের ৬৪ জেলায় একযোগে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট ও অবসর সুবিধা বোর্ডের অর্থ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন উপলক্ষে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আজকের দিনটি জাতির ইতিহাসে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে থাকবে। এই দিন আমাদের দেশমাতা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জন্মগ্রহণ করেছিলেন। আর এই দিনে আমরা প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে শিক্ষকদের অশ্রু মুছতে যাচ্ছি। এই দিনটি এমন একটি দিন, যেদিন হাজারো কোটি টাকা খরচ করে দিনটি উদযাপন করা হতো। আর আজকে এই দিনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের ২ হাজার ১০০ কোটি টাকা দিয়েছেন।’
ভাতা প্রাপ্তির পরিসংখ্যান তুলে ধরে তিনি জানান, আজ সারা দেশে ৭০ হাজার ১৯ জন শিক্ষককে তাঁদের অংশভাতা এবং ৫৩ হাজার শিক্ষককে কল্যাণ ভাতা প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমান সরকারের ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মসূচির অগ্রগতির কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, সময়ের স্বল্পতার কারণে ‘প্রাইম মিনিস্টার গোল্ড কাপ’ এবং কারিগরি শিক্ষা মেলার মতো কিছু কাজ এখনও বাকি রয়ে গেছে, যা দ্রুত সম্পন্ন করা হবে।
পূর্ববর্তী সরকারের সমালোচনা করে ড. মিলন অভিযোগ করেন, ‘ইতিমধ্যে বিগত সরকার এই খাত থেকে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ করেছে। ইতিমধ্যে তারা ৫৮ কোটি ৭৯ লাখ টাকা আটটি দুর্বল ব্যাংকে জমা রেখেছে, যেখান থেকে টাকা পাওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম। তবে সরকারি ব্যাংকে আমাদের কিছু টাকা রয়েছে, সেগুলো আমরা পেতে যাচ্ছি।’
ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যে বন্ড কেনার টাকা দিয়েছেন, সেগুলো নিয়ে বর্তমানে আমাদের মোট ৮৮ হাজার কোটি টাকার বন্ডের সম্পদ রয়েছে। এই আয় থেকে আজকে যে যাত্রা আমরা শুরু করলাম, ১ লাখ ২৩ হাজার সুবিধা কল্যাণ ট্রাস্ট অ্যান্ড অবসর ভাতা প্রদানের মাধ্যমে, আগামী বছরে আমরা ক্রমান্বয়ে আপনাদের বাকি সকল টাকা পরিশোধ করব ইনশাআল্লাহ।’
শিক্ষকদের কল্যাণে গৃহীত বিভিন্ন ঐতিহাসিক পদক্ষেপের কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘আমাদের স্মরণ রাখতে হবে, সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া উপলব্ধি করেছিলেন, শিক্ষকদের শুধু একটি ছাতা বা লাঠি দিয়ে বিদায় দেওয়া যায় না। এ কারণেই প্রধানমন্ত্রী প্রথম কল্যাণ ট্রাস্টে ১৪ কোটি টাকা এবং পরবর্তীতে ৮৯ কোটি টাকা দিয়ে এই যাত্রা শুরু করেছিলেন।’ তিনি আরও যোগ করেন, ‘আমরা স্মরণ করব শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে, যিনি এই বেসরকারি শিক্ষকদের শতকরা ৫০ ভাগ বেতন দিয়ে এই সিস্টেম চালু করেছিলেন।’
পরিশেষে শিক্ষামন্ত্রী দৃঢ় অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন যে, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনায় শিক্ষা মন্ত্রণালয় শিক্ষকদের সম্মাননা প্রদান ও শিক্ষা ব্যবস্থার আধুনিকায়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাবে।
বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের পুঞ্জীভূত ভোগান্তি নিরসনে যুগান্তকারী পদক্ষেপের ঘোষণা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, অবসরের টাকা পাওয়ার জন্য শিক্ষকদের আর কোনো দপ্তরে বা মধ্যস্বত্বভোগীদের দ্বারে দ্বারে ঘুরতে হবে না। জমানো এই অর্থ এখন থেকে সম্পূর্ণ ডিজিটাল পদ্ধতিতে সরাসরি শিক্ষকদের নিজস্ব ব্যাংক অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়া হবে। শিক্ষকদের নিজেদের ন্যায্য পাওনা পেতে ঘুষ দেওয়ার বাধ্যবাধকতাকে তিনি ‘জাতি হিসেবে আমাদের দীনতা-হীনতার প্রকাশ’ বলে অভিহিত করেন।
প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, নীতি ও নৈতিকতার শিক্ষা দানকারী শিক্ষকদের হয়রানি মুক্ত রাখা রাষ্ট্রের অন্যতম প্রধান দায়িত্ব। তিনি জানান, আজকের এই অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দেশের বেসরকারি স্কুল, কলেজ ও মাদ্রাসার অবসরপ্রাপ্ত ৭০ হাজার ১১৯ জন শিক্ষক-শিক্ষিকা দীর্ঘ চার বছর পর তাঁদের জমানো টাকার একটি উল্লেখযোগ্য অংশ ফেরত পেয়েছেন। এই অর্থপ্রাপ্তির ফলে হাজার হাজার প্রবীণ শিক্ষকের জীবন থেকে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ কেটে যাবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
শিক্ষা বিস্তারে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার অবদানের কথা স্মরণ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, তাঁর চালু করা ‘শিক্ষা উপবৃত্তি ও নারী শিক্ষা’ কর্মসূচি আজ বিশ্বজুড়ে একটি মডেল হিসেবে স্বীকৃত। তিনি আক্ষেপ করে বলেন, বিগত সরকারের আমলে লুটপাটের কারণে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শিক্ষক-কর্মচারী কল্যাণ ট্রাস্ট’ এবং ‘অবসর সুবিধা বোর্ড’—এই দুটি গুরুত্বপূর্ণ তহবিল পঙ্গু হয়ে গিয়েছিল। বর্তমানে বিশেষ ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ফান্ডে অর্থ বরাদ্দ দিয়ে শিক্ষকদের এই বকেয়া পাওনা পরিশোধের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী শিক্ষকদের আশ্বস্ত করে বলেন, “শিক্ষকদের অবসরের টাকা পেতে আর অফিসে অফিসে ঘুরতে হবে না। কোনো ভোগান্তি থাকবে না। মধ্যস্বত্বভোগীর দ্বারস্থ হতে হবে না।” তিনি আরও বলেন, আগে টাকা পেতে ঘুষ দেওয়ার যে অঘোষিত নিয়ম চালু হয়েছিল, বর্তমান সরকার তা কঠোরভাবে দমন করেছে। এখন অনলাইনের মাধ্যমে স্বচ্ছতার সাথে লেনদেন সম্পন্ন হচ্ছে। অবসর গ্রহণের পরেও শিক্ষকদের ভূমিকা সমাজে চিরকালীন এবং সর্বজনগ্রাহ্য বলে তিনি তাঁর ভাষণে উল্লেখ করেন।
অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং শক্তিশালী অংশীদারত্বের ওপর ভিত্তি করেই বাংলাদেশ ও ভারতের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক এগিয়ে যাচ্ছে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদী। তিনি উল্লেখ করেন যে, দুই প্রতিবেশী দেশের দীর্ঘস্থায়ী বন্ধুত্বের মূল চালিকাশক্তি হলো জনগণের সাথে জনগণের নিবিড় যোগাযোগ। আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) ভারতের ৮০তম স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
ঢাকায় ভারতীয় হাইকমিশনে আয়োজিত এই পতাকা উত্তোলন অনুষ্ঠানে দীনেশ ত্রিবেদী বলেন, “অভিন্ন ইতিহাস, পারস্পরিক শ্রদ্ধা ও অংশীদারত্বের ওপর প্রতিষ্ঠিত বাংলাদেশ ও ভারতের সম্পর্ক।” তিনি আরও যোগ করেন যে, সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে বাণিজ্য, যোগাযোগ ব্যবস্থা, নিরাপত্তা এবং জনস্বাস্থ্যের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতগুলোতে দুই দেশের মধ্যকার সহযোগিতা উত্তরোত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে। একটি সমৃদ্ধ অঞ্চল গড়ে তোলার লক্ষ্যে তিনি দুই দেশকে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার উদাত্ত আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে হাইকমিশনার ভারতের রাষ্ট্রপতির পাঠানো বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা উপস্থিত সবার উদ্দেশ্যে পাঠ করে শোনান। যথাযথ মর্যাদায় ভারতের জাতীয় সংগীত পরিবেশনের মাধ্যমে তিনি দেশটির জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। স্বাধীনতা দিবসের এই বর্ণাঢ্য আয়োজনে ভারতীয় হাইকমিশনের সকল স্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, বাংলাদেশে অবস্থানরত ভারতীয় নাগরিকবৃন্দ এবং বিভিন্ন ক্ষেত্রে প্রতিষ্ঠিত বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ অংশগ্রহণ করেন।
একটি কল্যাণমুখী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, সরকার দেশে এমন একটি কার্যকর স্বাস্থ্যব্যবস্থা গড়ে তুলতে বদ্ধপরিকর যেখানে কোনো নাগরিককে চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে হবে না এবং কেউ অর্থের অভাবে স্বাস্থ্যসেবা থেকে বঞ্চিত হবে না। আজ শনিবার (১৫ আগস্ট) রাজধানীর ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালের ৫০০ শয্যার নবনির্মিত সম্প্রসারিত ভবন উদ্বোধন শেষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
স্বাস্থ্য খাতের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী জানান, আগামী অক্টোবর মাসে দেশের ৫টি অঞ্চল—খুলনা, বরিশাল, রংপুর, রাজশাহী ও কুমিল্লায় একযোগে ২০০ শয্যাবিশিষ্ট বিশেষায়িত শিশু হাসপাতাল চালু করা হবে। এছাড়া দেশের প্রতিটি উপজেলা হাসপাতালকে পর্যায়ক্রমে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা এবং প্রতিটি ইউনিয়নে পূর্ণাঙ্গ ‘প্রাইমারি হেলথ কেয়ার ইউনিট’ প্রতিষ্ঠার কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। তিনি উল্লেখ করেন, বর্তমান সরকার স্বাস্থ্য খাতে এযাবৎকালের সর্বোচ্চ বাজেট বরাদ্দ দিয়ে প্রমাণ করেছে যে তাঁরা একটি সুস্থ ও সবল বাংলাদেশ গড়তে দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।
প্রধানমন্ত্রী চিকিৎসক ও স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের ভূমিকার ওপর গুরুত্বারোপ করে বলেন, সরকার যতই অবকাঠামো ও অর্থ বরাদ্দ দিক না কেন, স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক সাফল্য নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট সবার পেশাদারিত্ব ও সেবামূলক মানসিকতার ওপর। তিনি আরও যোগ করেন, “সরকার দেশে একটি কার্যকর ব্যবস্থা গড়ে তুলতে চায় যাতে মানুষ দেশের ভেতরেই সব রকমের স্বাস্থ্য সেবা পায়।” দেশের সাধারণ মানুষের দোরগোড়ায় আধুনিক ও মানসম্মত চিকিৎসা পৌঁছে দেওয়াই তাঁর সরকারের মূল লক্ষ্য।
স্নায়ুরোগে আক্রান্ত মানুষের উন্নত চিকিৎসাসেবা আরও সহজলভ্য ও বিস্তৃত করতে রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে অবস্থিত ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস ও হাসপাতালে ৫০০ শয্যার একটি সুসজ্জিত নতুন ভবন উদ্বোধন করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ শনিবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী আনুষ্ঠানিকভাবে এই নবনির্মিত ১৫ তলা ভবনটির ফলক উন্মোচন করেন। এর মাধ্যমে দক্ষিণ এশিয়ার বৃহত্তম নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল হিসেবে নিজের অবস্থান আরও সুদৃঢ় করল এই প্রতিষ্ঠানটি।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের শুরুতে প্রধানমন্ত্রী হাসপাতাল প্রাঙ্গণে একটি গাছের চারা রোপণ করেন এবং পরবর্তীতে বিশেষ মোনাজাতে অংশ নেন। এরপর তিনি বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে আধুনিক এই চিকিৎসাকেন্দ্রের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করেন। এ সময় তাঁর সাথে ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর সহধর্মিণী ডা. জুবাইদা রহমান, স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন এবং সমাজকল্যাণ মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেনসহ সরকারের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা ও চিকিৎসকবৃন্দ।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ২০১২ সালে প্রথমে ৩০০ শয্যা নিয়ে এই বিশেষায়িত হাসপাতালটি যাত্রা শুরু করেছিল। ক্রমবর্ধমান রোগীর চাপ সামলাতে পরবর্তীতে শয্যা সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০০ করা হয়েছিল। আজ নতুন ১৫ তলা ভবনটির উদ্বোধনের ফলে হাসপাতালের মোট শয্যা সংখ্যা ১ হাজারে উন্নীত হলো। আধুনিক সব চিকিৎসা সরঞ্জাম ও বিশ্বমানের সুযোগ-সুবিধা সম্বলিত এই হাসপাতালটি এখন থেকে আরও বেশি রোগীকে মানসম্মত সেবা প্রদানে সক্ষম হবে।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের দাবি অনুযায়ী, দক্ষিণ এশিয়ার কোনো দেশেই বর্তমানে এত বড় এবং বিশেষায়িত নিউরোসায়েন্সেস হাসপাতাল নেই। এই নতুন ভবন স্নায়ুরোগীদের উন্নত চিকিৎসা ও গবেষণার ক্ষেত্রে এক বৈপ্লবিক পরিবর্তন আনবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
আধুনিক ও স্মার্ট কৃষিব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে সারাদেশের কৃষকদের নিকট যথাসময়ে সুষম সার সরবরাহের লক্ষ্যে সরকার বদ্ধপরিকর।
এরই ধারাবাহিকতায় নন-ইউরিয়া সারের নিরাপদ মজুত কার্যকরভাবে গড়ে তোলার লক্ষ্যে রাষ্ট্রীয় চুক্তির আওতায় কানাডা থেকে এমওপি সার আমদানির ক্ষেত্রে বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন (বিএডিসি) এবং কানাডিয়ান কমার্শিয়াল করপোরেশন (সিসিসি)-এর মধ্যে বিদ্যমান চুক্তি গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নবায়ন করা হয়।
কৃষি মন্ত্রণালয়ের তত্ত্বাবধানে সম্পাদিত রাজধানীর একটি হোটেলে এই দ্বিপাক্ষিক নবায়ন চুক্তি অনুযায়ী ২০২৬-২৭ অর্থবছরে কানাডা থেকে ৬.০০ লক্ষ মে.টন (নিশ্চিত ৪.৮০ লক্ষ মে.টন+ ঐচ্ছিক ১.২০ লক্ষ মে.টন) এমওপি সার আমদানি করা হবে।
চুক্তিতে বিএডিসির পক্ষে স্বাক্ষর করেন বিএডিসির চেয়ারম্যান মো. আজিজুল ইসলাম। এ সময় কৃষি সচিব মো. সেলিম খানসহ দুই দেশের সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
পুলিশ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন পর্যায় থেকে শুরু করে তৃণমূল পর্যায়ের ৫৬ জন কর্মকর্তাকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠিয়েছে সরকার। এর মধ্যে সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) পদমর্যাদার ৭ জন এবং বিভিন্ন থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাসহ (ওসি) ৪৯ জন পুলিশ পরিদর্শক রয়েছেন। গত বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের পৃথক দুটি প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে এই সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে। রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে এই প্রজ্ঞাপনগুলোতে স্বাক্ষর করেছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী।
মন্ত্রণালয়ের প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘সরকারি চাকরি আইন, ২০১৮’-এর ৪৫ ধারার বিশেষ বিধান অনুযায়ী জনস্বার্থে এই কর্মকর্তাদের অবসরে পাঠানো হয়েছে। এএসপি পদমর্যাদার কর্মকর্তাদের মধ্যে রয়েছেন র্যাব সদর দপ্তরের নূরে আলম সিদ্দিকী, ডিএমপির তেজগাঁও বিভাগের সহকারী কমিশনার মো. নুরুল মোত্তাকিন, খাগড়াছড়ির কাজী ওয়াজেদ আলী, পটুয়াখালীর মো. সৈয়দুজ্জামান, র্যাব-২-এর মো. গোলাম কিবরীয়া, ঢাকার আরআরএফের মোহাম্মদ মিজানুর রহমান এবং সিরাজগঞ্জের মো. রবিউল ইসলাম।
অন্যদিকে, ৪৯ জন পুলিশ পরিদর্শকের ক্ষেত্রে জানানো হয়েছে যে, তাঁদের চাকরির মেয়াদ ২৫ বছর পূর্ণ হওয়ায় একই আইনের ক্ষমতাবলে তাঁদের অবসরে দেওয়া হলো। এই আদেশ অবিলম্বে কার্যকর করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তবে বাধ্যতামূলক অবসরে গেলেও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা বিধিমোতাবেক তাঁদের সকল অবসরকালীন ও আর্থিক সুবিধা প্রাপ্য হবেন। প্রশাসনের গতিশীলতা আনয়ন এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই জনস্বার্থে এই গণহারে অবসরের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে ধারণা করছেন সংশ্লিষ্টরা
বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ মো. নূরুল ইসলাম বলেছেন, গণতন্ত্রের সৌন্দর্য হলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা। আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন কোনো নিয়ম রক্ষার নির্বাচন নয়। বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) নির্বাচন কমিশনে বিএনপি ও দলীয় জোটের পক্ষ থেকে আসন্ন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের মনোনয়নপত্র দাখিলের পর গণমাধ্যমকে ব্রিফিংকালে তিনি এসব কথা বলেন। এ সময় বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) এর সিনিয়র নেতৃবৃন্দ, সরকারের মন্ত্রী, জাতীয় সংসদের হুইপবৃন্দ এবং সংসদ সদস্যগণ উপস্তিত ছিলেন।
চিফ হুইপ জানান, আগামী ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিতব্য রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে বিএনপির পক্ষ থেকে দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে এবং আজ তার মনোনয়নপত্র দাখিল করা হয়েছে। মনোনয়নপত্রে প্রস্তাবক ছিলেন দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. আব্দুল মঈন খান এবং সমর্থক হিসেবে গয়েশ্বর চন্দ্র রায় স্বাক্ষর করেছেন। রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে জাতীয় সংসদের ৩৪৯ জন সংসদ সদস্য তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারবেন।
চিফ হুইপ বলেন, ‘গণতন্ত্রের বিউটি বা সৌন্দর্য হলো প্রতিদ্বন্দ্বিতা। বিরোধী দলীয় জোট থেকে প্রার্থীর মনোনয়নপত্র জমা দেয়া হয়েছে। আমরা একে স্বাগত জানাই।’
তিনি বলেন, এটি কোনো ‘নিয়ম রক্ষার নির্বাচন’ নয়। সংবিধান এবং আরপিও অনুযায়ী একটি নির্বাচন যেভাবে হওয়ার কথা, ঠিক সেভাবেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। দীর্ঘ ১৭ বছরের আন্দোলনের পর একটি নিরপেক্ষ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সংসদ দেশের মানুষের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
সংবিধান সংস্কারের বিষয়ে চিফ হুইপ বলেন, সরকার ‘জুলাই সনদের’ প্রতিটি অক্ষর, দাড়ি, কমা ও সেমিকোলন বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সংবিধান নতুন করে লেখার প্রয়োজন নেই; প্রয়োজনীয় সংশোধনের মাধ্যমেই সংবিধান সংস্কার করা হবে।
তিনি বলেন, ‘আমরা একটি কমাও যদি পরিবর্তন করি, সেটাই হবে সংস্কার। আগামী প্রজন্মের জন্য একটি দীর্ঘস্থায়ী সংবিধান নিশ্চিত করতে আমরা সকলের মতামত নিয়েই কাজ করতে চাই।’
চিফ হুইপ বলেন, সংবিধান সংস্কার কোনো ব্যক্তি বা দলের স্বার্থে নয়; বরং আগামী প্রজন্মের জন্য একটি কার্যকর, টেকসই ও দীর্ঘস্থায়ী সাংবিধানিক কাঠামো নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য।