বুধবার, ৪ মার্চ ২০২৬
২০ ফাল্গুন ১৪৩২

জেঁকে বসবে শীত

ছবি: সংগৃহীত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ৯ ডিসেম্বর, ২০২৩ ২৩:৩৯

উত্তরাঞ্চলসহ দেশের বিভিন্ন জায়গায় আগামী কয়েক দিনের মধ্যে জেঁকে বসতে পারে শীত। ঢাকায় পুরোদমে শীতের অনুভূতি পেতে অপেক্ষা করতে হতে পারে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় পর্যন্ত। এমন আভাস দিয়েছেন আবহাওয়া অধিদপ্তরের আবহাওয়াবিদরা।

তারা বলছেন, আকাশ ক্রমে মেঘমুক্ত হচ্ছে। এতে এখন থেকে সামনের দিনগুলোতে তাপমাত্রা কমবে।

আবহাওয়াবিদ মো. ওমর ফারুক গণমাধ্যমকে বলেন, ‘ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের ফলে যে জলীয় বাষ্প ও মেঘ সৃষ্টি হয়েছিল, তা পুরোপুরি কেটে গেছে। এখন ঠাণ্ডা আর কুয়াশা বাড়বে। রাজধানীতে এখনো সেই অর্থে পুরোদমে শীত শুরু না হলেও রাতের বেলা উত্তরের বাতাস শীতের অনুভূতি আগের চেয়ে কিছুটা জোরালো হয়েছে।’

আবহাওয়াবিদ ওমর ফারুক বলেন, ‘ঢাকায় এমনিতেও শীত কিছুটা দেরিতে আসে।

এবার এখানে পুরোদমে শীত শুরু হতে ডিসেম্বরের মাঝামাঝি সময় লেগে যেতে পারে। তবে উত্তরাঞ্চলসহ দেশের অন্যান্য অঞ্চলে দু-এক দিনের মধ্যেই শীত জেঁকে বসতে পারে। আগামী দু-এক দিনের মধ্যেই দেশের কোথাও কোথাও সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ১০ ডিগ্রির নিচে চলে আসবে। সামনের দিনগুলোতে রাতের তাপমাত্রা ক্রমে কমবে।’

আবহাওয়া অফিস জানিয়েছে, আগামীকাল রোববার দিনের তাপমাত্রা প্রায় অপরিবর্তিত থাকলেও রাতের তাপমাত্রা কমতে পারে ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস।


পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে পল কাপুরের বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে বিদ্যমান কৌশলগত ও কূটনৈতিক সম্পর্ক আরও সুসংহত করার লক্ষ্য নিয়ে দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক মার্কিন সহকারী পররাষ্ট্রমন্ত্রী পল কাপুর আজ সকালে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে মিলিত হয়েছেন। নবনির্বাচিত সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের পর উচ্চপর্যায়ের কোনো মার্কিন প্রতিনিধির এই সফরকে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন কূটনৈতিক বিশ্লেষকরা। প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠকের পর তিনি পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গেও একান্ত আলোচনায় বসবেন বলে মন্ত্রণালয় সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

মঙ্গলবার রাতে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণের মধ্য দিয়ে পল কাপুরের তিন দিনের ঢাকা সফর শুরু হয়। এই সফরের মূল উদ্দেশ্য হলো নতুন রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের সঙ্গে মার্কিন প্রশাসনের অংশীদারিত্বকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া। বিশেষ করে দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে দুই দেশের অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার উপায়গুলো নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করাই তাঁর এই সফরের প্রধান লক্ষ্য।

নির্ধারিত সূচি অনুযায়ী, আজ দিনভর অত্যন্ত ব্যস্ত সময় পার করবেন পল কাপুর। পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আলোচনার পাশাপাশি তিনি জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এবং বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গেও পৃথক বৈঠকে বসবেন। এসব বৈঠকে দুই দেশের অর্থনৈতিক ও জ্বালানি খাতের সহযোগিতার বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সন্ধ্যায় তিনি আমেরিকান চেম্বার অব কমার্স ইন বাংলাদেশের (অ্যামচেম) আয়োজনে আয়োজিত এক নৈশভোজে অংশ নেবেন, যেখানে দেশের শীর্ষস্থানীয় ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে তাঁর মতবিনিময় করার কথা রয়েছে।

সফরের শেষ দিনে পল কাপুর বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গেও সৌজন্য সাক্ষাৎ করবেন। মার্কিন এই শীর্ষ কূটনীতিকের আগমনে দুই দেশের মধ্যকার বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক যেমন নতুন মাত্রা পাবে, তেমনি আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নেও তা সহায়ক ভূমিকা রাখবে বলে আশা করছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। সব মিলিয়ে পল কাপুরের এই সফরটি ঢাকা ও ওয়াশিংটনের মধ্যকার ভবিষ্যৎ উন্নয়ন অংশীদারিত্বের এক নতুন রূপরেখা তৈরি করবে বলেই ধারণা করা হচ্ছে।


সিসা লাউঞ্জের আড়ালে মাদক ও অনৈতিক কাজ বন্ধে ব্যবস্থা নিতে হাইকোর্টের নির্দেশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

রাজধানীর গুলশান ও বনানীসহ বিভিন্ন অভিজাত এলাকায় পরিচালিত অনুমোদনহীন সিসা লাউঞ্জ ও সিসা বারগুলো অবিলম্বে বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। একইসঙ্গে সিসা সেবন বন্ধেও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিচারপতি রাজিক আল জলিল ও বিচারপতি আনোয়ারুল ইসলামের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ জনস্বার্থে দায়ের করা এক রিট আবেদনের প্রাথমিক শুনানি শেষে এই আদেশ দিয়েছেন। আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু।

হাইকোর্টের এই নির্দেশনা বাস্তবায়নের জন্য স্বরাষ্ট্র সচিব, পুলিশের আইজিপি, র‍্যাব মহাপরিচালক ও ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্ট বিবাদীদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

এর আগে, গত ১৮ জানুয়ারি রাজধানীর গুলশান-বনানীসহ অভিজাত এলাকায় অবৈধ সিসা বার বন্ধের নির্দেশনা চেয়ে হাইকোর্টে রিট দায়ের করেন ন্যাশনাল ল’ইয়ার্স কাউন্সিলের চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট এস এম জুলফিকার আলী জুনু। রিটে স্বরাষ্ট্র সচিব, আইজিপি ও ডিএমপি কমিশনারসহ সংশ্লিষ্টদের বিবাদী করা হয়।

এরও আগে, গত ৮ জানুয়ারি অবৈধ সিসা লাউঞ্জ বন্ধে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হয়েছিল। নোটিশে বিভিন্ন জাতীয় দৈনিকে প্রকাশিত প্রতিবেদন যুক্ত করা হয়, যেখানে সিসা বারের আড়ালে মাদক ব্যবসার ভয়াবহ চিত্র উঠে আসে।

সংবাদপত্রের প্রতিবেদন অনুযায়ী, গুলশান, বনানী, ধানমন্ডি ও উত্তরার মতো অভিজাত এলাকায় রাতের গভীরে ক্যাফে বা লাউঞ্জের আড়ালে সিসা বারের গোপন আড্ডা জমে ওঠে। প্রচলিত আইনে দেশে সিসা বার পরিচালনার কোনো বৈধ অনুমতি নেই। আইনত নিষিদ্ধ হলেও তদারকির অভাবে এই সংস্কৃতি আশঙ্কাজনকভাবে বেড়ে চলেছে।

প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, রাজধানীর প্রায় শতাধিক সিসা বার চালু রয়েছে, যার মধ্যে অন্তত ৫০টি তরুণ-তরুণীদের প্রধান আড্ডাস্থলে পরিণত হয়েছে। এসব জায়গায় তামাকজাত সিসার সঙ্গে ইয়াবা, গাঁজা, ফেনসিডিল এমনকি লিকুইড কোকেনের মতো ভয়াবহ মাদক মিশিয়ে সেবন করা হয়। উচ্চ শব্দে সংগীত ও অ্যালকোহলের গন্ধে সেখানে এক বিভীষিকাময় পরিবেশ তৈরি হয়।

শুধু মাদক নয়, এসব সিসা বারে তৈরি করা হয়েছে সাউন্ডপ্রুফ গোপন কেবিন, যেখানে নির্দিষ্ট গ্রাহকদের প্রবেশাধিকার থাকে। এসব কেবিনে মাদক সেবনের পাশাপাশি নানা ধরনের অনৈতিক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের স্পষ্ট নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও দীর্ঘদিন ধরে এই অবৈধ ব্যবসা চলে আসছিল, যা বন্ধে এবার কঠোর অবস্থান নিলেন উচ্চ আদালত।


নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করতে আগ্রহী যুক্তরাজ্য: সারাহ কুক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের নতুন সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বাংলা‌দে‌শে নিযুক্ত ব্রিটিশ হাইকমিশনার সারাহ কুক। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খ‌লিলুর রহমান ও পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবা‌য়েদ ইসলা‌মের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলেছেন তি‌নি।

ব্রিটিশ হাইক‌মিশনার বলেন, যুক্তরাজ্য-বাংলাদেশ অংশীদারিত্বের শক্তি ও গভীরতা পুনর্ব্যক্ত করে উভয় দেশ অভিন্ন অগ্রাধিকার বাস্তবায়নে সহযোগিতা আরও জোরদার করতে চায়। বৈঠকে দুই দেশের দীর্ঘদিনের অংশীদারিত্বের বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে উঠে এসেছে।

সারাহ কুক বলেন, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, অভিবাসন, নিরাপত্তা, জলবায়ু পরিবর্তন এবং রোহিঙ্গা ইস্যুসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সহযোগিতা বাড়ানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে।

তিনি বলেন, বাংলাদেশের সঙ্গে যুক্তরাজ্যের দীর্ঘদিনের সম্পর্ক রয়েছে। দেশের এই নতুন অধ্যায়ে আমরা একসঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ চালিয়ে যেতে আগ্রহী।


২ ডিআইজিসহ পুলিশের ৩ কর্মকর্তাকে বদলি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

বাংলাদেশ পুলিশের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) পদমর্যাদার ২ কর্মকর্তাকে বদলি করা হয়েছে। এ ছাড়াও অতিরিক্ত এক ডিআইজিকেও বদলি করা হয়েছে। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপন জারি করেছে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়।

বদলি করা কর্মকর্তারা হলেন ডিআইজি মো. মঞ্জুর মোর্শেদ আলম ও মোস্তাফিজুর রহমান এবং অতিরিক্ত ডিআইজি মোহাম্মদ হারুন-অর-রশিদ।

জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়েছে।


বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র কৌশলগত সম্পর্ক জোরদারে ঢাকায় পল কাপুর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ওয়াশিংটন–ঢাকা কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদারের লক্ষ্য নিয়ে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের দক্ষিণ ও মধ্য এশিয়া বিষয়ক ব্যুরোর সহকারী মন্ত্রী এস. পল কাপুর ঢাকায় এসেছেন। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাতে দুই দিনের সফরে তিনি ঢাকা পৌঁছান। বিএনপি সরকার গঠনের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রের শীর্ষ পর্যায়ের প্রথম কোনো দ্বিপক্ষীয় সফর।

পল কাপুরের সফর নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাসের মুখপাত্র পূর্ণিমা রায় জানান, পল কাপুরের সফরের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা। সফরকালে তিনি নতুন সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন। বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে (ভারত–প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল) অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।

সূত্র জানায়, পল কাপুরের সফরটি রাজনৈতিক হলেও যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশ যে বাণিজ্য চুক্তি সই করেছে, তা বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেবে ওয়াশিংটন। এ সফরে রাজনৈতিক বোঝাপড়া, দুই দেশের স্বার্থ-সংশ্লিষ্ট বিষয়, মিয়ানমার ও রোহিঙ্গা সমস্যা, আঞ্চলিক ইস্যু—বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উদ্ভূত পরিস্থিতি—আলোচনার টেবিলে থাকবে।

পল কাপুর আজ বুধবার পল কাপুর পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান, অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, জ্বালানি মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদিরের সঙ্গে বৈঠক করবেন। ওই দিন সন্ধ্যায় ব্যবসায়ী প্রতিনিধি দলের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তিনি।

সফরের শেষ দিন আগামীকাল বৃহস্পতিবার প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্র বিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবীরের সঙ্গে বৈঠক করবেন পল কাপুর।

এরপর রাজনৈতিক দলের নেতাদের সঙ্গে মতবিনিময় করার কথা রয়েছে পলের। সন্ধ্যায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় আয়োজিত ইফতার পার্টিতে অংশ নেবেন তিনি।

পল কাপুরের ঢাকা সফর নিয়ে ঢাকা মার্কিন দূতাবাস গত সোমবার এক বিবৃতিতে বলেছে, এই সফরের লক্ষ্য যুক্তরাষ্ট্র-বাংলাদেশ কৌশলগত সম্পর্ক আরও জোরদার করা। সফরকালে মার্কিন সহকারী মন্ত্রী কাপুর নতুন সরকারের বিভিন্ন কর্মকর্তা এবং ব্যবসায়ী নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।

বৈঠকে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, নিরাপত্তা সহযোগিতা বৃদ্ধি এবং ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে অভিন্ন স্বার্থ এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে।


চালের দাম বাড়ার খবর পেলেই ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের বাজারে মোটা চালের মূল্য বাড়ার খবর শুনেই সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়কে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন তিনি।

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লাগানো প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো ব্যানার, বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এ নির্দেশনা দেন বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মোটা চাল যেটা প্রান্তিক মানুষের খাদ্য সেই চাল খুচরা বাজারে বৃদ্ধির সংবাদ প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টিগোচর হলে দ্রুত ব্যবস্থার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বলেছেন। দেখা গেছে যে, তাৎক্ষণিক এর ইতিবাচক প্রভাব বাজারে দেখা গেছে।

এদিকে, রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে লাগানো প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানানো ব্যানার, বিলবোর্ড ও বিজ্ঞাপন দ্রুত সরানোর নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, আজ সকালে প্রধানমন্ত্রী গুলশান এলাকা থেকে বের হওয়ার সময় হাতিরঝিলের পুলিশ প্লাজার সামনে তার ছবিসংবলিত ব্যানার দেখতে পান। তখনই তা সরিয়ে ফেলতে নির্দেশ দেন এবং দ্রুত সেটি অপসারণ করা হয়।

এছাড়া রাজধানীর বিভিন্ন বিলবোর্ড ও এলইডি স্ক্রিনে প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে প্রদর্শিত বিজ্ঞাপনও দ্রুত সরানোর জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কয়েক দিন আগেও বিজয় সরণির সড়ক দিয়ে প্রধানমন্ত্রী যাওয়ার সময়ে একটি এলইডি স্ক্রিনে অভিনন্দন জানিয়ে তার ছবি প্রদর্শিত হচ্ছিল দেখে তিনি তখনই তা অপসারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, সচিবালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন কোস্ট গার্ডের মহাপরিচালক রিয়ার অ্যাডমিরাল জিয়াউল হক। এ সময় উপকূলীয় ও বঙ্গোপসাগর এলাকায় জলদস্যুতা, ডাকাতি, অবৈধ পাচার রোধ এবং মৎস্য সম্পদ রক্ষায় নিয়মিত টহল বাড়াতে ও জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কোস্ট গার্ডকে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

এদিকে রাজধানীর সড়কে ট্রাফিক সিগন্যাল মানার প্রবণতা বাড়ায় যানবাহনের গতি কিছুটা বেড়েছে বলে প্রধানমন্ত্রীর কাছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দেওয়া প্রতিবেদনে এ তথ্য উঠে এসেছে বলে জানিয়েছেন তার অতিরিক্ত প্রেস সচিব।

অতিরিক্ত প্রেস সচিব বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের কাছে রাজধানীর যানজট নিরসন এবং সড়কে যানবাহন চলাচলের গতি–প্রকৃতি কেমন এ–সংক্রান্ত একটি প্রতিবেদন আজ উপস্থাপন করা হয়েছে। সেই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রধানমন্ত্রীসহ রাষ্ট্রের অতি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিরা ভিভিআইপি প্রটোকল ছাড়া চলাচলের কারণেই যানবাহনের গতি এক কিলোমিটার বেড়েছে।’

আতিকুর রহমান বলেন, ‘রাজধানীতে আগে যানবাহনের স্বাভাবিক গতি ছিল ৪ দশমিক ৫ কিলোমিটার, যা হাঁটা গতির সমান। প্রধানমন্ত্রী হিসেবে তারেক রহমান দায়িত্বভার গ্রহণের পরে তিনি ভিভিআইপি প্রটোকল কমিয়ে ট্রাফিক সিগন্যাল মেনে চলাচল করছেন।’

প্রতিবেদনে গত ১৪ দিনের একটি পরিসংখ্যান দিয়ে বলা হয়েছে, ভিভিআইপি প্রটোকলে যান চলাচল বাধাগ্রস্ত না হওয়ায় যানবাহনের গতি ৫ দশমিক ৩ কিলোমিটারে উন্নীত হয়েছে। কারণ, প্রধানমন্ত্রীর পর রাষ্ট্রপতি, মন্ত্রী-প্রতিমন্ত্রীরা ট্রাফিক সিগন্যাল অনুসরণ করছেন।


দুদকের মোমেন কমিশনের পদত্যাগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং তার কমিশনের দুই সদস্য একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বিকেলে সেগুনবাগিচায় দুদক কার্যালয়ে ফিরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন সদ্য বিদায়ী চেয়ারম্যান। এসময় কমিশনের অপর দুই সদস্যও উপস্থিত ছিলেন।

মোমেন বলেন, আমরা তিনজন, এই কমিশনের তিন সদস্য আনুষ্ঠানিকভাবে পদত্যাগ করেছি। পদত্যাগপত্র মন্ত্রিপরিষদ সচিবের কাছে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে।

পদত্যাগের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমাদের পদত্যাগের বিশেষ কোনো কারণ নেই। একটি নতুন সরকার এসেছে, সেই সরকারেরও প্রত্যাশা রয়েছে। সরকার তার সেই প্রত্যাশা পূরণের জন্য নিশ্চয় আমাদের চেয়ে অধিকতর যোগ্য কমিশন গঠন করবেন।

এক প্রশ্নের উত্তরে মোমেন বলেন, আমাদের এতদিন নখদাঁত ছিল কি ছিল না, সেটার বিচার করার মালিক আপনারা। আমরা যে সময় দায়িত্বে ছিলাম, সে সময় দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি।

পদত্যাগে কোনো রাজনৈতিক বার্তা যাচ্ছে কি না–সেই প্রশ্নে তিনি বলেন, একটা নতুন সরকার এসেছে, তাদের ম্যানিফেস্টো আছে, প্রত্যাশা আছে। সরকার তাদের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী কাজ করবে। সেখানে ভিন্ন কিছু দেখছি না।

নিজেদের দায়িত্ব পালনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে আবদুল মোমেন বলেন, আমরা ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর দায়িত্ব নিই। কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ১১ ডিসেম্বর এবং কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল অবসরপ্রাপ্ত হাফিজ আহসান ফরিদ ১৫ ডিসেম্বর যোগ দেন। এই সময়টুকু আমরা আমাদের সাধ্যমত দায়িত্ব পালনের চেষ্টা করেছি। আমাদের কাজের বিচার আপনারাই করবেন।

মুহাম্মদ ইউনূসের অন্তর্বর্তী সরকার ২০২৪ সালের ১২ ডিসেম্বর মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে দুদকের চেয়ারম্যানের দায়িত্ব দেয়। তার আগ পর্যন্ত তিনি চুক্তিতে সিনিয়র সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন।

তার দুদিন আগে ১০ ডিসেম্বর অবসরপ্রাপ্ত জেলা জজ মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী এবং অবসরপ্রাপ্ত ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হাফিজ আহসান ফরিদকে কমিশনারের দায়িত্ব দেওয়া হয়। প্রায় ১৫ মাস দায়িত্ব পালনের পর নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব নেওয়ার ১৪তম দিনে তারা পদত্যাগ করলেন।


ট্রেন ও মেট্রো ভাড়ায় ২৫ শতাংশ ছাড় পাচ্ছেন প্রতিবন্ধী, প্রবীণ ও শিক্ষার্থী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

শারীরিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, ৬৫ বছরের বেশি বয়সি এবং শিক্ষার্থীদের জন্য আন্তনগর ট্রেন ও মেট্রোরেলে ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেল এবং নৌপরিবহনমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) দুপুরে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে অনুষ্ঠিত বৈঠক শেষে বেরিয়ে যাওয়ার সময় সাংবাদিকদের এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘ঈদ সামনে থাকায় সুবিধাটি ঈদের আগেই চালুর চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে সময় স্বল্পতার কারণে তা বাস্তবায়নের সম্ভাবনা কম। আগামী কোরবানির ঈদের আগেই এটি নিশ্চিতভাবে কার্যকর করা হবে।’

এই সুবিধা পেতে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরিচয়পত্র, প্রবীণদের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্র এবং শারীরিক প্রতিবন্ধীদের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় থেকে দেওয়া পরিচয়পত্র দেখাতে হবে। এসব নথি প্রদর্শনের ভিত্তিতেই ভাড়া ছাড় পাওয়া যাবে।

মুক্তিযোদ্ধারা এই সুবিধার আওতায় থাকবেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে এখনো আলোচনা হয়নি। বয়স ও শারীরিক অবস্থার ভিত্তিতেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, শ্রেণিভিত্তিক কোনো বিবেচনা করা হয়নি।’

অনলাইনে টিকিট কাটার ক্ষেত্রে কীভাবে ছাড় পাওয়া যাবে জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘টিকিট বুকিংয়ের সময় নির্দিষ্ট অপশন থাকবে। সেখানে প্রয়োজনীয় আইডি বা কাগজপত্রের তথ্য দিলে ২৫ শতাংশ ভাড়া ছাড় প্রযোজ্য হবে।’


পাহাড় কেটে রিসোর্ট নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না: পার্বত্যমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
রাঙামাটি প্রতিনিধি

পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেছেন, পরিবেশ ধ্বংস করে বা পাহাড় কেটে কোনো ধরনের রিসোর্ট বা পর্যটন কেন্দ্র নির্মাণ বরদাস্ত করা হবে না। পাহাড়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্য নষ্ট করে পর্যটন শিল্পের বিকাশ সরকার সমর্থন করে না; বরং পাহাড়ের পরিবেশ রক্ষা করে পরিবেশবান্ধব বা ‘ইকো-ট্যুরিজ’ গড়ে তোলাই লক্ষ্য হওয়া উচিত।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) রাঙামাটি পার্বত্য জেলা পরিষদ কার্যালয়ের অডিটোরিয়ামে পরিষদের কর্মকর্তাদের সঙ্গে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী একথা বলেন।

মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান আরও বলেন, বর্তমানে আমাদের প্রধান অগ্রাধিকার হলো স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাত।

তিনি বলেন, অবকাঠামো উন্নয়ন যতটুকু প্রয়োজন তা ইতোমধ্যে হয়েছে, তবে যেখানে একান্ত জরুরি সেখানে কাজ চলবে।

তিনি সমন্বিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়ে বলেন, অনেক ক্ষেত্রে দপ্তরগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা যায় না, যা কাজের গতি কমিয়ে দেয়। তাই প্রতিটি উন্নয়ন কাজে পার্বত্য জেলা পরিষদের সঙ্গে সমন্বয় বজায় রাখা এবং নিয়মিত মনিটরিং করা আবশ্যক।

প্রকল্প বাস্তবায়নের বিষয়ে মন্ত্রী জনাব দীপেন দেওয়ান হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, উন্নয়নের নামে কেবল প্রজেক্ট তৈরি করে অর্থ অপচয় করার সুযোগ আর থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন নেই সেখানে প্রকল্প নেওয়া যাবে না। প্রতিটি কাজের যথাযথ তদারকি নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও যোগ করেন, জেলা পরিষদের কাজের মাধ্যমেই জেলার উন্নয়নের প্রতিচ্ছবি ফুটে ওঠে, তাই সেবার নামে কোনো প্রকার অনিয়ম মেনে নেওয়া হবে না।

সভায় উপস্থিত কর্মকর্তারা পাহাড়ি অঞ্চলের ভূ-প্রকৃতি ও দুর্গমতার বিষয়টি তুলে ধরেন। তারা জানান, সমতলের তুলনায় পাহাড়ে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ অনেক বেশি, তাই দরপত্রের (টেন্ডার) সিডিউল রেট সমতলের মতো হওয়া যৌক্তিক নয়। এ বিষয়ে সরকারের উচ্চপর্যায়ের হস্তক্ষেপ এবং কাপ্তাই লেকের মৎস্য সম্পদ উন্নয়নসহ ইকো-ট্যুরিজম, শিক্ষা ও যোগাযোগ খাতে মন্ত্রীর বিশেষ সহযোগিতা কামনা করা হয়।

জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান কৃষিবিদ কাজল তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যান্যের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব কংকন চাকমা, পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান শেখ ছালেহ্ আহাম্মদ, জেলা পরিষদের মুখ্য নির্বাহী কর্মকর্তা খোন্দকার মোহাম্মদ রিজাউল করিম, জেলা পরিষদের সদস্য প্রতুল চন্দ্র দেওয়ান, বরুন বিকাশ দেওয়ান, হাবিব আজম, মিনহাজ মুরশিদ, নাইউপ্রু মারমা, সাগরিকা রোয়াজা, বৈশালী চাকমা ও দয়াল দাশ প্রমুখ।


১০ মার্চ কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ৩ মার্চ, ২০২৬ ১৭:৩১
নিজস্ব প্রতিবেদক

১০ মার্চ রাজধানীর কড়াইল বস্তিতে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের কর্মসূচি উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) বিকেলে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে এমন তথ্য জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. এ বি এম জাহিদ হোসেন।

এর আগে প্রধানমন্ত্রীর ১০ মার্চ বগুড়ায় ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বগুড়া-৬ (সদর) আসনের আসন্ন উপনির্বাচনের কারণে তার বগুড়া সফর স্থগিত করা হয়েছে।

বগুড়ার জেলা প্রশাসক তৌফিকুর রহমান জানান, ১০ মার্চের কর্মসূচিটি স্থগিত করা হয়েছে এবং পরে নতুন তারিখ ঘোষণা করা হবে। জেলা প্রশাসক সাংবাদিকদের বলেন, ‘বগুড়া-৬ আসনে উপনির্বাচন চলায় ভোটের আগে প্রধানমন্ত্রী কোনো কর্মসূচি রাখেননি।’


অভিনন্দনের বিলবোর্ড সরানোর নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর বিভিন্ন সড়কে বিলবোর্ডে অভিনন্দন জানিয়ে বিজ্ঞাপন এবং ব্যানার দ্রুত অপসারণের নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। আজ মঙ্গলবার তিনি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে এই নির্দেশনা দিয়েছেন বলে জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন।

প্রেসসচিব বলেন, ‘মঙ্গলবার সকালে প্রধানমন্ত্রী গুলশানের বাসা থেকে বেরিয়ে হাতিরঝিলে পুলিশ প্লাজার সামনে তাঁর ছবি সম্বলিত ব্যানার সরিয়ে ফেলার নির্দেশ দেন এবং সেটা তৎক্ষণাৎ সরানো হয়।’

রাজধানীতে বিলবোর্ডে বিভিন্ন কোম্পানির প্রধানমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে ছবিসহ বিজ্ঞাপন প্রদর্শিত হচ্ছে সেগুলো দ্রুত অপসারণ করতে প্রধানমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন বলে জানান রুমন। তিনি আরও বলেন, ‘কয়েকদিন আগে বিজয় সরণির সড়ক দিয়ে যাওয়ার সময় প্রধানমন্ত্রী একটি এলইডি বোর্ডে অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর ছবি প্রদর্শিত হচ্ছিল দেখে তখনই অপসারণের নির্দেশনা দিয়েছিলেন।’

আজ মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী সচিবালয়ে অফিস করেছেন। সকাল ৯টা ১০ মিনিটে অফিসে আসেন তিনি।


দুদক চেয়ারম্যান ও দুই কমিশনারের পদত্যাগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দুদক চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন এবং দুই কমিশনার মিঞা মুহাম্মদ আলি আকবার আজিজী ও ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) হাফিজ আহ্সান ফরিদ পদত্যাগ করেছেন।

মঙ্গলবার (৩ মার্চ) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।

পদত্যাগপত্র জমা দিয়ে বের হয়ে যাওয়ার সময় কমিশনার মিঞা মহাম্মদ আলী আকবর আজিজী সাংবাদিকদের বলেন, আমি পদত্যাগ করেছি। ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়েছি। কোন চাপের মুখে নয়, নিয়মতান্ত্রিকভাবেই পদত্যাগ করেছি। নতুন পর্ষদ গঠিত হবে। তাদের জন্য শুভ কামনা।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১০ ডিসেম্বর ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেনকে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। চেয়ারম্যানের পাশাপাশি দুদকের দুই কমিশনারও একই সময়ে নিয়োগ দেওয়া হয়।


কারাবন্দি সাংবাদিকদের অবিলম্বে মুক্তি দিতে নতুন সরকারের প্রতি সিজেএ-র আহ্বান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশে গত এক বছরেরও বেশি সময় ধরে কারাবন্দি ডজনখানেক সাংবাদিককে অবিলম্বে মুক্তি দেওয়ার জন্য প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ও নবনির্বাচিত বিএনপি সরকারের প্রতি জোরালো আহ্বান জানিয়েছে কমনওয়েলথ জার্নালিস্টস অ্যাসোসিয়েশন (সিজেএ)। মঙ্গলবার (৩ মার্চ) এক বিশেষ বিবৃতিতে সংগঠনটি জানিয়েছে, মৌলিক অধিকার লঙ্ঘন করে হত্যাসহ বিভিন্ন ভুয়া ও ভিত্তিহীন অভিযোগে এসব সাংবাদিকদের দীর্ঘ সময় ধরে কারাগারে আটকে রাখা হয়েছে। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত নতুন সরকারকে স্বাগত জানিয়ে সিজেএ আশা প্রকাশ করেছে যে, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান দেশে আইনের শাসন ফেরাতে যে প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন, সাংবাদিকদের মুক্তি দেওয়ার মাধ্যমেই তার প্রতিফলন ঘটবে।

বিবৃতিতে সিজেএ বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটির সহ-সভাপতি ও ‘ভোরের কাগজ’-এর দীর্ঘদিনের সম্পাদক শ্যামল দত্তের কথা। ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বরে একটি ভিত্তিহীন হত্যা মামলায় গ্রেপ্তারের পর থেকে তিনি এবং আরও অনেক গণমাধ্যমকর্মী অত্যন্ত নাজুক পরিস্থিতিতে কারাবন্দি রয়েছেন। সিজেএ-র অভিযোগ, আটক সাংবাদিকদের যথাযথ আইনি সহায়তা ও জামিন প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে। সংগঠনটি আরও স্মরণ করিয়ে দেয় যে, ২০২৫ সালে অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকার মিথ্যা মামলার শিকার ব্যক্তিদের ভোগান্তি কমাতে ১৬ হাজার ৪২৯টি ভিত্তিহীন মামলা প্রত্যাহারের যে প্রক্রিয়া শুরু করেছিল, বর্তমান সরকারের উচিত সেই প্রক্রিয়ার আওতায় গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি হওয়া অবিচারের প্রতিকার করা।

সংগঠনটি তাদের বিবৃতিতে ২০২৪ সালের জুলাই থেকে বাংলাদেশের গণমাধ্যমকর্মীদের ওপর নেমে আসা ভয়াবহ পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরেছে। সিজেএ জানায়, এই সময়ের মধ্যে শত শত সাংবাদিক শারীরিক হামলার শিকার হয়েছেন এবং বেশ কয়েকজন প্রাণ হারিয়েছেন। এছাড়াও রাজনৈতিক প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে অনেককে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে এবং কেড়ে নেওয়া হয়েছে তাঁদের প্রেস অ্যাক্রেডিটেশন কার্ড। ২০২৪ সালের অক্টোবরে সামোয়ায় অনুষ্ঠিত কমনওয়েলথ সরকারপ্রধানদের বৈঠকের নীতিমালা উল্লেখ করে সিজেএ মনে করিয়ে দেয় যে, ৫৬টি দেশ সুশাসন ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার স্বার্থে সাংবাদিকদের সুরক্ষার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল। বাংলাদেশও সেই প্রতিশ্রুতির বাইরে নয়।

বিবৃতিতে জাতিসংঘের মতপ্রকাশের স্বাধীনতা বিষয়ক বিশেষ প্রতিনিধি আইরিন খানের একটি মন্তব্য উদ্ধৃত করে বলা হয়েছে, কারাবন্দি সাংবাদিকদের মামলাগুলো বর্তমান বাংলাদেশের আদালত কীভাবে পরিচালনা করে, তার ওপরই নির্ভর করছে নতুন সরকারের দেওয়া প্রতিশ্রুতির প্রকৃত পরীক্ষা। সিজেএ সরকারের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে যাতে সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে অপরাধের ক্ষেত্রে দায়মুক্তির সংস্কৃতির অবসান ঘটানো হয় এবং ভবিষ্যতে তাঁরা যেন আইনের পূর্ণ সুরক্ষায় নির্ভয়ে পেশাগত দায়িত্ব পালন করতে পারেন। গণমাধ্যমকর্মীদের নিরাপত্তা ও ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা নতুন বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক যাত্রার একটি অপরিহার্য অংশ হওয়া উচিত বলেও বিবৃতিতে উল্লেখ করা হয়।


banner close