মঙ্গলবার, ৫ মে ২০২৬
২২ বৈশাখ ১৪৩৩

আদিবাসী ভাষাগুলোকেও ডিজিটাল প্রযুক্তিতে আনা হবে: পলক

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৮:১৪
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত
প্রতিবেদক, দৈনিক বাংলা
প্রকাশিত : ২১ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১৭:৩৬

একুশে ফেব্রুয়ারি আমাদের জন্য একই সঙ্গে শোকের দিন, আবার গর্বের দিনও। বাংলাদেশের তরুণ শিক্ষার্থী ও বিজ্ঞানীরা একসঙ্গে কাজ করার মাধ্যমে স্মার্ট বাংলাদেশ গড়ে তুলতে পারবে এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক বাংলাদেশ গড়ে তোলার জন্য ভবিষ্যতে আদিবাসী ভাষাগুলোকেও ডিজিটাল প্রযুক্তির আওতায় আনা হবে বলে জানিয়েছেন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহ্‌মেদ পলক।

আজ বুধবার বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিল (বিসিসি) আগারগাঁওয়ের মিলনায়তনে ‘উচ্চারণ’, ‘কথা’ ও ‘বর্ণ’ সফটওয়্যারসহ ‘পূর্ণ’ নামের বাংলা ফন্ট উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্যকালে তিনি এসব কথা বলেন।

জুনাইদ আহমেদ পলক প্রযুক্তিতে বাংলা ভাষার প্রচলনকে বাংলা ও বাঙালি বিশেষ করে বিশ্বে ৩৫ কোটি বাংলাভাষী মানুষের জন্য এক ঐতিহাসিক ঘটনা উল্লেখ করে বলেন, `স্মার্ট প্রযুক্তিতে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রজ্ঞাবান নেতৃত্বে বাংলা ভাষার বিকাশে এক নতুন মাত্রা সংযুক্ত হলো।'

তিনি বলেন, `বাঙালির পরিচয়ের মূলভিত্তি তার ভাষিক পরিচয়। আর্থ-সামাজিক জীবনে বাংলা ভাষা যথাযথ গুরুত্ব না পেলে তার শক্তি ক্রমশ দুর্বল হয়ে যাবে।'

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে তিনটি বাংলা সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট আনে বিসিসি। অমর একুশের শহীদদের স্মরণে বাংলা ভাষায় নিজেদের তৈরি তিনটি সফটওয়্যার ও বাংলা ফন্ট উন্মুক্ত করেছে তারা।

অনুষ্ঠানে জানানো হয়, ‘উচ্চারণ’ নামের টেক্সট টু স্পিচ সফটওয়্যারটি ওয়েবসাইট বা যন্ত্রের পর্দায় থাকা সব তথ্য পড়ে শোনাতে পারে। ফলে সাধারণ মানুষের পাশাপাশি দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরাও সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই বিভিন্ন ফাইল বা ওয়েবসাইটের তথ্য জানতে পারবেন। এই ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে।

মুখের কথাকে লেখায় রূপান্তর করতে পারে ‘কথা’ সফটওয়্যারটি। ফলে গুরুত্বপূর্ণ বিভিন্ন বার্তা মুখে উচ্চারণ করে সহজেই লিখিত আকারে সংরক্ষণ করা যাবে। এই ওয়েবসাইট থেকে সফটওয়্যারটি ব্যবহার করা যাবে।

বর্ণ’ হলো বাংলা ওসিআর সফটওয়্যার। পিডিএফ বা ছবিতে থাকা বার্তা লেখায় রূপান্তরের সুযোগ থাকায় সফটওয়্যারটির মাধ্যমে সহজেই সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তির তথ্য লিখিত আকারে সংরক্ষণ করা যাবে। এই ওয়েবসাইট থেকে ব্যবহার করা যাবে সফটওয়্যারটি।

পূর্ণ’ ফন্টটি মূলত ইউনিকোডভিত্তিক ফন্ট। স্বরবর্ণ, ব্যঞ্জনবর্ণ, বিরাম চিহ্ন, ইংরেজি বর্ণ, গাণিতিক চিহ্নসহ প্রয়োজনীয় সব সুবিধা থাকায় প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবহারের পাশাপাশি মুদ্রণ কাজেও ব্যবহার করা যাবে ফন্টটিতে। এই ওয়েবসাইট থেকে ফন্টটি নামিয়ে ব্যবহার করা যাবে।

বাংলাদেশ কম্পিউটার কাউন্সিলের নির্বাহী পরিচালক রণজিৎ কুমারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামান, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব মো. সামসুল আরেফিন, বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশনের (বিটিআরসি) চেয়ারম্যান মো. মহিউদ্দিন আহমেদ এবং বাংলাদেশ স্যাটেলাইট কোম্পানি লিমিটেডের চেয়ারম্যান শাহজাহান মাহমুদ উপস্থিত ছিলেন।


নুসরাতকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জামায়াত জোটের প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী নুসরাত তাবাসসুমকে এমপি নির্বাচিত ঘোষণা করে গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)।

আজ মঙ্গলবার সকালে বিষয়টি জানান ইসির জনসংযোগ পরিচালক রুহুল আমিন মল্লিক। তিনি বলেন, সোমবার রাতে ইসির সচিব (রুটিন দায়িত্বে) কে এম আলী নেওয়াজ স্বাক্ষরিত গেজেটটি প্রকাশ করা হয়েছে।

সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনের রিটার্নিং কর্মকর্তা ও ইসির যুগ্ম সচিব মঈন উদ্দীন খান স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, নুসরাত তাবাসসুমকে বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়েছে।

যদিও মনোনয়নপত্র বাতিল নিয়ে ইসির সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে উচ্চআদালতে জামায়াত জোটের আরেক প্রার্থী ও এনসিপি নেত্রী মনিরা শারমিনের রিটের শুনানি হতে পারে আজ মঙ্গলবার। এতে ভিন্ন কোনো নির্দেশনা এলে ইসি কী করবে- জানতে চাইলে এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কোনো নির্দেশনা নেই। এর আগে নুসরাত তাবাসসুমের রিটের পরিপ্রেক্ষিতে তাঁর মনোনয়নপত্র গ্রহণ করতে বলা হয়েছিল। আমরা তা বাছাই করার পর তিনি বৈধ হয়েছেন। আইন অনুযায়ী, বাছাইয়ে বৈধতার পর এমন ক্ষেত্রে একদিন অপেক্ষা করা যায়। আমরা দু’দিন অপেক্ষা করেছি, কোনো আদেশ নেই। কাজেই যদি মঙ্গলবারের শুনানিতে অন্য কোনো নির্দেশনা আসে, সে অনুযায়ী কাজ করব।’

এর আগে সরকারি চাকরি থেকে থেকে পদত্যাগের তিন বছর অতিবাহিত না হওয়া সংক্রান্ত জটিলতায় গত ২৩ এপ্রিল মনিরা শারমিনের মনোনয়নপত্র বাতিল করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। এর বিরুদ্ধে ইসিতে আপিল করলে ২৮ এপ্রিল শুনানিতেও তার প্রার্থিতা বাতিলের সিদ্ধান্ত বহাল থাকে। গত বৃহস্পতিবার হাইকোর্টে রিট করেন মনিরা।

অন্যদিকে, মনিরার প্রার্থিতা বাতিল হতে পারে, এমন আলোচনার মধ্যেই ২১ এপ্রিল মনোনয়ন দাখিলের শেষ দিন নির্ধারিত সময় বিকেল ৪টার ১৯ মিনিট দেরিতে নুসরাত মনোনয়নপত্র দাখিল করেন। তবে নির্ধারিত সময়ের পর দাখিল করায় তা গ্রহণ করা থেকে বিরত থাকেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। নুসরাত হাইকোর্টে রিট করলে আদালত তার মনোনয়ন গ্রহণ করে পরবর্তী আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেয়। সে অনুযায়ী, গত শনিবার রিটার্নিং কর্মকর্তা বাছাই করে নুসরাতের মনোনয়ন বৈধ ঘোষণা এবং রোববার বৈধ প্রার্থী তালিকা প্রকাশ করেন রিটার্নিং কর্মকর্তা।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আসন সংখ্যার অনুপাতে নির্বাচন কমিশন বিএনপি জোটকে ৩৬টি, স্বতন্ত্র জোট একটি এবং জামায়াত জোটকে ১৩টি আসন বণ্টন করে দেয়। নুসরাত-মনিরার আসনটি ছাড়া বাকি ৪৯টিতে ৪৯ জন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। ইসির গেজেট প্রকাশের পর গত রোববার রাতে শপথ নিয়েছেন তারা।


ইউনূস সরকারের ব্যর্থতায় খালি হচ্ছে শত মায়ের কোল: একদিনেই হামে ১৭ মৃত্যু

* টিকা সংগ্রহে গাফিলতিতে হামের প্রাদুর্ভাব, ৫০ দিনে মৃত্যু ৩১১ * বিশেষজ্ঞরা বারবার সতর্ক করলেও আমলে নেয়নি    * ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা করে টিকা কেনায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহানের স্বেচ্ছাচারিতা  * কৃমিনাশক ট্যাবলেট বিতরণ ও ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন বন্ধ থাকায় হাম পরিস্থিতির অবনতি ঘটে
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বিশেষ প্রতিবেদক

সংক্রামক রোগ নিয়ন্ত্রণে ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তী সরকারের চরম অদক্ষতা ও উদাসীনতায় হামে ঝরছে কোমলমতি শিশুদের প্রাণ; খালি হচ্ছে শত মায়ের কোল। সবশেষ ২৪ ঘণ্টায় (একদিনে) মৃত্যু হয়েছে ১৭ শিশুর; যা ৫০ দিনের মধ্যে সর্বোচ্চ। এ নিয়ে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে মৃতের সংখ্যা দাঁড়াল ৩১১–এ। এদের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে ২৫৯ শিশু আর হামে ৫২ শিশুর মৃত্যুর বিষয়ে সোমবার (৪ মে) নিশ্চিত হয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সবশেষ প্রতিবেদন মতে, হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে যে ১৭ শিশুর মৃত্যু হয়েছে, তাদের মধ্যে ১২ শিশুই ঢাকা বিভাগের আর ৫টি শিশু চট্টগ্রাম বিভাগের। এছাড়া নতুন করে হামের উপসর্গ দেখা গেছে ১ হাজার ৩০২টি শিশুর মধ্যে। তাদের মধ্যে ৬১৮ শিশুই ঢাকা বিভাগের। এরপর আছে চট্টগ্রাম (১৯২), রাজশাহী (১৬৮) ও বরিশাল (১৩৩) বিভাগ। দেশের ৮ বিভাগে এই সময়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে ১ হাজার ২৬ জন। হামের উপসর্গ নিয়ে ৮ বিভাগে ভর্তি হওয়া ১ হাজার ৬১ জন হাসপাতাল থেকে ছুটি পেয়েছে।

বিভাগভিত্তিক পরিসংখ্যানে দেখা যায়, হাম ও উপসর্গে ঢাকার পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ মৃত্যু হয়েছে রাজশাহী বিভাগে—৭৩ জনের। এর মধ্যে নিশ্চিত হামে তিনজন ও উপসর্গে ৭০ জন মারা গেছে। চট্টগ্রাম বিভাগে ৩০ জন (উপসর্গে ২৫), সিলেট বিভাগে ১৭ জন (উপসর্গে ১৪) ও বরিশাল বিভাগে ১৫ জনের (উপসর্গে ১০) মৃত্যু হয়েছে।

খুলনায় নিশ্চিত হামে কোনো মৃত্যু না থাকলেও উপসর্গে ১৩ জন মারা গেছে। ময়মনসিংহ বিভাগে নিশ্চিত হামে দুজনের মৃত্যু হয়েছে, তবে উপসর্গে কোনো মৃত্যু নেই। রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত হাম বা উপসর্গে কোনো মৃত্যুর তথ্য পাওয়া যায়নি।

বিশেষজ্ঞদের মতে, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বাধীন সরকারের ভুল সিদ্ধান্ত ও অব্যবস্থাপনার কারণেই এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। দরিদ্র দেশগুলোর জন্য একসময় উদাহরণ হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের টিকাদান কর্মসূচি সদ্য সাবেক এই সরকারের ১৮ মাসের আমলে কার্যত ভেঙে পড়ে। ফলে শুরু হয় হামের প্রাদুর্ভাব।

বিশেষজ্ঞরা টিকাদান কর্মসূচির আওতা কমে যাওয়ার বিষয়ে বারবার সতর্ক করলেও অন্তর্বর্তী সরকার তাদের পুরো মেয়াদে কোনো বিশেষ ক্যাম্পেইন পরিচালনা করেনি। ২০২৪ সালের মাঝামাঝি বা শেষ দিকে একটি বিশেষ হাম টিকাদান কর্মসূচি চালানোর কথা থাকলেও তা বাস্তবায়িত হয়নি।

২০২৪ থেকে ২০২৫ সালের মধ্যে হাম ও রুবেলা (এমআর-১ ও এমআর-২) টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়া, নিয়মিত টিকাদানে ঘাটতিকে সংকটের মূল কারণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও)।

নথিপত্রে দেখা যায়, ২০২৪ সালের জুলাই থেকে নভেম্বর পর্যন্ত পরিকল্পনা কমিশনে প্রকল্প মূল্যায়ন কমিটির ৬০টি বৈঠক হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয়, এটাই হবে এই কর্মসূচির শেষ ধাপ। একই সঙ্গে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে একটি ‘এক্সিট প্ল্যান’ তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু তার বদলে ২০২৫ সালের মার্চে পুরো এইচপিএনএসপি বাতিল করে দেয় মন্ত্রণালয়। সিদ্ধান্ত হয়, টিকাদানসহ সব ‘ওপি’র অধীন থাকা সেবাকে সরাসরি সরকারের নিয়মিত কার্যক্রমের আওতায় আনা হবে। কর্মকর্তাদের ভাষ্য, সমন্বয় বাড়ানো ও অবকাঠামো শক্তিশালী করার লক্ষ্যেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। একই সঙ্গে চতুর্থ ধাপের অসমাপ্ত কাজ শেষ করা এবং ওষুধ, টিকা ও অন্য জরুরি সরঞ্জাম সরবরাহ অব্যাহত রাখতে কয়েকটি ‘ব্রিজিং প্রকল্প’ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। তবে এসব প্রকল্প অনুমোদনে দীর্ঘ সময় লেগে যায়। ২০২৫ সালের নভেম্বর পর্যন্ত অনুমোদনই মেলেনি। পরে প্রকল্প পরিচালক নিয়োগ দিতেও কেটে যায় আরও কয়েক মাস। ফলে ক্রয়প্রক্রিয়া ব্যাহত হওয়ায় সেবা স্থবির হয়ে পড়ে।

শুধু টিকাই নয়, ওপি বাতিলের প্রভাবে দেশের ১৪ হাজারের বেশি কমিউনিটি ক্লিনিকে ওষুধ সরবরাহ কমে যায়। এতে ভোগান্তিতে পড়েন হাজারো মানুষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস রোগীদের বিনা মূল্যে ওষুধ দেওয়ার জন্য চালু ৪৫০টি এনসিডি কর্নারেও সরবরাহে ঘাটতি দেখা দেয়।

তহবিল সংকটে অনেক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অ্যাম্বুলেন্স কার্যক্রম বন্ধ হয়ে পড়ে। কারণ, জ্বালানি ও চালকদের বেতন ওই কর্মসূচির অর্থ থেকেই দেওয়া হতো। জাতীয় পর্যায়ের দুটি গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি—কৃমিনাশক ট্যাবলেট বিতরণ ও ভিটামিন এ প্লাস ক্যাম্পেইন—এক বছরের বেশি সময় ধরে বন্ধ ছিল। বিশেষজ্ঞদের মতে, এটি হাম পরিস্থিতিকে আরও অবনতির দিকে নিয়ে যায়।

বিশেষ করে তৎকালীন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম হামের টিকার চাহিদার বিষয়ে ইউনিসেফের সতর্কতা উপেক্ষা করে টিকা কেনায় স্বেচ্ছাচারিতার আশ্রয় নেন। এতে টিকা সংকট সৃষ্টি হয় এবং হামে শিশু মৃত্যুর হার বেড়ে যায়। যার জন্য তাকে দায়ী করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে।

ইউনিসেফের সতর্কবার্তা উপেক্ষা: অভিযোগ রয়েছে, টিকা কেনার প্রক্রিয়া পরিবর্তনের সময় ইউনিসেফের বাংলাদেশ প্রতিনিধি রাণা ফ্লাওয়ার্সের সতর্কবার্তা গ্রাহ্য করা হয়নি।

টিকা সংকট: সরকার ইউনিসেফের মাধ্যমে টিকা কেনা থেকে সরে এসে উন্মুক্ত টেন্ডার পদ্ধতি চালু করে, তখন টিকা সরবরাহ বিঘ্নিত হয় এবং রুটিন টিকাদান কার্যক্রম স্থবির হয়ে পড়ে।

শিশুমৃত্যু ও দায়: দেশজুড়ে হামে শিশুদের মৃত্যুর জন্য সাবেক স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম ও ড. ইউনূসকে দায়ী করে তাদের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন হয়েছে।

জনরোষ: হামে শিশু মৃত্যুর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে তাকে জবাবদিহিতার আওতায় আনার জোর দাবি উঠেছে।

স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ ও স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাবেক রোগনিয়ন্ত্রণ পরিচালক অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, বহু পরীক্ষিত এই কর্মসূচি খামখেয়ালিভাবে বন্ধ করা উচিত হয়নি। দুর্নীতির অভিযোগ থাকলেও সরকার চাইলে সেগুলো সমাধান করতে পারত। কিন্তু পুরো কর্মসূচি হঠাৎ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।

এমআর নির্মূলবিষয়ক জাতীয় যাচাই কমিটির চেয়ারম্যান ও এপিডেমিওলজিস্ট অধ্যাপক মাহমুদুর রহমান বলেন, অপারেশন প্ল্যান স্থগিত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে লাইন ডিরেক্টর ও প্রকল্প ব্যবস্থাপকদের কার্যক্রমও থেমে যায়। এতে জনবলের বড় শূন্যতা তৈরি হয়। একপর্যায়ে সদর দপ্তরে মাত্র তিনজন কর্মকর্তা ছিলেন। এটাই ছিল সমস্যার বড় কারণগুলোর একটি।

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার স্বাস্থ্যবিষয়ক বিশেষ সহকারী অধ্যাপক সায়েদুর রহমান বলেন, দীর্ঘদিন ধরে পুরো খাতটি অপারেশন প্ল্যাননির্ভর থাকায় নতুন ব্যবস্থায় যেতে আন্তবিভাগীয় ব্যাপক সমন্বয়ের প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। কিন্তু তাতে যে এত সময় লাগবে, তা অন্তর্বর্তী সরকার আগে বুঝতে পারেনি। কর্মকর্তারা নতুন ব্যবস্থার সঙ্গে অভ্যস্ত না হওয়া এবং নতুন উদ্যোগ নিয়ে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার কারণেই মূলত বিলম্ব হয়েছে।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অপর এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশের শর্তে বলেন, আগের ব্যবস্থায় অর্থ মন্ত্রণালয়ের এক অনুমোদনেই লাইন ডিরেক্টর ইউনিসেফকে টিকার অর্ডার দিতে পারতেন। কিন্তু রাজস্ব বাজেটের অর্থে টিকা কিনতে গেলে অন্য জটিলতার পাশাপাশি দুটি মন্ত্রিসভা কমিটির অনুমোদন লাগে, যা পেতে দুই থেকে তিন মাস সময় লেগে যায়। অন্যদিকে উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকা কেনার অভিজ্ঞতাও বর্তমান কর্মকর্তাদের কম। প্রতিটি টিকার জন্য আলাদা দরপত্র করতে হয়, ফলে সময় আরও বেড়ে যায়।

তার ভাষ্য, সংকটের খবর আসতে শুরু করলে ২০২৫ সালের শেষ দিকে ইউনিসেফের কাছ থেকে প্রায় ২০০ কোটি টাকার টিকা বাকিতে কেনে অন্তর্বর্তী সরকার। কিন্তু তা যথেষ্ট ছিল না। মার্চের মধ্যে সদর দপ্তরে হামসহ ছয় ধরনের টিকার মজুত শেষ হয়ে যায়। অথচ আগের কর্মসূচিতে অন্তত তিন মাসের অতিরিক্ত মজুত থাকত।

অধ্যাপক বে-নজির আহমেদ বলেন, বাস্তবতা হলো—টিকা সংগ্রহে বিলম্বের কারণে টিকাদানের আওতা ঠিকভাবে বজায় রাখা যায়নি, যার ফলেই এই প্রাদুর্ভাব। দায় যদি কাউকে নিতে হয়, তাহলে তা অন্তর্বর্তী সরকারের। তারা যথাযথ টিকাদান নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হয়েছে। ফলে হার্ড ইমিউনিটি বা সমষ্টিগত সুরক্ষা তৈরি হয়নি।


চিফ হুইপের সাথে ইউএনডিপি প্রতিনিধিদলের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণির সঙ্গে তার কার্যালয়ে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউনাইটেড ন্যাশন্স ডেভেলপমেন্ট প্রোগ্রাম (ইউএনডিপি)-এর একটি প্রতিনিধিদল।

সাক্ষাৎকালে ইউএনডিপি-এর সহকারী আবাসিক প্রতিনিধি আনোয়ারুল হক, সহকারী প্রোগ্রাম উপদেষ্টা (গভর্ন্যান্স) ড্রাগন পপভিচ এবং প্রকল্প ব্যবস্থাপক মাহমুদুল হাসান উপস্থিত ছিলেন। আলোচনায় স্ট্রেংদেনিং পার্লামেন্ট, ই-গভর্ন্যান্স, ই-পার্লামেন্ট, দারিদ্র্য দূরীকরণ, পরিবেশ উন্নয়ন, বাক স্বাধীনতা, জাতীয় সংসদের অধিবেশন ও কার্যপ্রণালি বিধি প্রভৃতি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে আসে।

এ সময় চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মণি বলেছেন, বাংলাদেশে পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক বিভিন্ন চ্যালেঞ্জ বিদ্যমান। এসব মোকাবিলায় বর্তমান সরকার ফ্যামিলি কার্ড, কৃষক কার্ডসহ বিভিন্ন সামাজিক নিরাপত্তা ও অর্থনৈতিক সহায়তা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। পাশাপাশি পরিবেশ সংরক্ষণে বৃক্ষরোপণ ও খাল খননের মতো কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, গণতন্ত্রকে প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দিতে হলে সংসদকে আরও শক্তিশালী করা জরুরি। সরকার ও বিরোধী দলের মধ্যে ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হলে জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনেক সমস্যার সমাধান সহজ হয়। জ্বালানি খাতে বিশেষ কমিটি গঠনের মাধ্যমে ইতোমধ্যে ইতিবাচক ফল পাওয়া গেছে। চিফ হুইপ বলেন, পারস্পরিক বিশ্বাস ও আস্থার ভিত্তিতেই একটি দেশ এগিয়ে যেতে পারে। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় গণতন্ত্র অপরিহার্য।

ড্রাগন পপভিচ বলেন, ইউএনডিপি বাংলাদেশে সংসদ সদস্য ও জনগণের মধ্যে সেতুবন্ধন গড়ে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে আগ্রহী। জাতীয় সংসদকে আরও কার্যকর ও গতিশীল করতে ইউএনডিপি ও সংসদ একসাথে কাজ করতে আগ্রহী। সাক্ষাৎকালে জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।


পর্যটন খাত উন্নয়নে মাস্টারপ্ল্যান হচ্ছে: বিমানমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের পর্যটন খাতকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করতে একটি পূর্ণাঙ্গ মাস্টারপ্ল্যান প্রণয়ন করা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন মন্ত্রী আফরোজা খানম রিতা। তিনি বলেন, ‘জনগণের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বিএনপি সরকার নির্বাচনী ইশতেহার দ্রুততম সময়ে বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। সারা বাংলাদেশে বর্তমানে ১ হাজার ৭৪২টি পর্যটন স্পট শনাক্ত করা হয়েছে, যার অর্থ দেশের প্রতিটি জেলাতেই পর্যটনের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।

সোমবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে অনুষ্ঠিত ‘জেলা প্রশাসক সম্মেলন ২০২৬’-এর প্রথম অধিবেশনে বিশেষ অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বেসামরিক বিমান পরিবহন ও পর্যটন প্রতিমন্ত্রী এম রশিদুজ্জামান মিল্লাত বলেন, ‘প্রতিটি জেলা প্রশাসক নিজ নিজ এলাকায় পরিবর্তনের অগ্রদূত হতে পারেন। একটি নতুন পর্যটন স্পট বা একটি সৃজনশীল উদ্যোগ জেলার অর্থনীতি বদলে দিতে পারে। বাংলাদেশকে বিশ্বের পর্যটন মানচিত্রে উজ্জ্বলভাবে তুলে ধরার মূল দায়িত্ব আপনাদের কাঁধেই।’

মন্ত্রিপরিষদ সচিব নাসিমুল গণির সভাপতিত্বে এই অধিবেশনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংস্কৃতি মন্ত্রী নিতাই রায় চৌধুরী। অধিবেশনে অন্যদের মধ্যে আরও উপস্থিত ছিলেন: সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়াম, প্রধানমন্ত্রীর সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান এবং সরকারের বিভিন্ন পর্যায়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।


এমপিওভুক্তির দাবিতে শিক্ষকদের ১২ দিনের আলটিমেটাম

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের সব বেসরকারি (নন-এমপিও) শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করার দাবিতে ১২ দিনের সময়সীমা বেঁধে (আল্টিমেটাম) দিয়েছেন শিক্ষকেরা। এর মধ্যে দাবি পূরণ না হলে ১৭ মে থেকে লাগাতার কর্মসূচি ও রাজপথে নামার হুঁশিয়ারি দেন সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের পক্ষে সংগঠনটির প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ সেলিম মিঞা।

সোমবার সকালে রাজধানীর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে ‘সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদ’ আয়োজিত শিক্ষক সমাবেশ থেকে এসব ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। এ সময় দাবি আদায়ের জন্য প্রয়োজনে ঈদের পর সর্বাত্মক আন্দোলন গড়ে তুলতে ‘ডু অর ডাই’ কর্মসূচিতে যাওয়ার পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে বলে শিক্ষক সমাবেশ থেকে জানানো হয়।

সম্মিলিত নন-এমপিওভুক্ত ঐক্য পরিষদের প্রধান সমন্বয়ক অধ্যক্ষ সেলিম মিঞা সন্ধ্যায় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘আগামী ১৬ মে পর্যন্ত আমরা সময় নির্ধারণ (আল্টিমেটাম) করে দিয়েছি। এর মধ্যে যদি আমাদের দাবি না মানা হয়, ১৭ মে থেকে লাগাতার বিক্ষোভ কর্মসূচি পালনের মধ্য দিয়ে শিক্ষক সমাজ নিয়ে রাজপথে নামতে বাধ্য হব। আমরা চাই শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের মধ্য দিয়ে সরকার নির্বাহী আদেশ দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলো এমপিওভুক্ত করুক।’

সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মনিমুল হক বলেন, ‘সরকার প্রাথমিকভাবে সচল প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্তি করবে বলে আমরা আশাবাদী।’

নন-এমপিও ডিগ্রি শিক্ষক কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক মেজবাহ ফারুক বলেন, ‘আমরা আর কত দিন এভাবে রাজপথে থাকব? আমাদের থাকার কথা পাঠদান কক্ষে। আমরা এ সমস্যার সমাধান চাই। না হলে শিক্ষক সমাজ আবারও রাজপথে নামতে বাধ্য হবে।’

সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন ‘সম্মিলিত নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের’ মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মো. দবিরুল ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যক্ষ নাজমুছ সাহাদাত আজাদী, সাংগঠনিক সমন্বয়ক অধ্যক্ষ মনিমুল হক প্রমুখ।


দালাল নির্মূলে ঢামেকে অভিযানে আটক ৪৯

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে দালাল নির্মূল করতে যৌথ অভিযান চালিয়েছে এনএসআই ও শাহবাগ থানা পুলিশ। অভিযানে নতুন ভবন থেকে ৪৯ জনকে আটক করা হয়েছে। সোমবার সকাল থেকে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ (পরিদর্শক) মো. ফারুক জানান, আটকের পর তাদের শাহবাগ থানায় নেওয়া হয়েছে।

হাসপাতালের একটি সূত্র জানিয়েছেন, আটকদের মধ্যে বহিরাগত বিভিন্ন প্যাথলজি ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের প্রতিনিধি, ব্লাড বিক্রি, বাইরের ক্লিনিকে রোগী ভাগিয়ে নিয়ে যাওয়া, আইসিইউর জন্য প্রাইভেট হাসপাতালে নেওয়া ও বিভিন্ন ওষুধ কম্পানির প্রতিনিধি রয়েছে।

সূত্র আরো জানান, এসব দালালদের কারণে রোগীদের অতিরিক্ত টাকা গুনতে হয়। অনেকে তাদের খপ্পরে পরে নিঃস্ব হচ্ছেন।

হাসপাতালে শুধু বহিরাগত দালাল নয়, তাদের অবৈধভাবে টাকা উপার্জনে হাসপাতালে কতিপয় স্টাফ, আনসার সদস্যরা জড়িত রয়েছেন বলে সূত্র জানিয়েছে।


পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের কর্মকর্তাদের সঙ্গে জ্বালানিমন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীর মতবিনিময় সভা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড এ বোর্ডের সদর দপ্তর ও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদেরর এবং ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি (পবিস)-এর সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার, জেনারেল ম্যানেজারদেরর সঙ্গে সোমবার এক গুরুত্বপূর্ণ মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এমপি এবং বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি। সভায় সভাপতিত্ব করেন বোর্ডের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল এস এম জিয়া-উল-আজিম।

মতবিনিময় সভার উপস্থাপনায় পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড কর্তৃক পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থার চলমান কার্যক্রমের সার্বিক অবস্থা মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করা হয়। সভায় সদর দপ্তরের কর্মকর্তা, মাঠপর্যায়ের তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলীরা ও ৮০টি পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জেনারেল ম্যানেজার পল্লী বিদ্যুৎ বিতরণ ব্যবস্থাকে যুগোপযোগী করার জন্য তাদের বস্তুনিষ্ঠ মতামত প্রকাশ করেন। তারা আনুপাতিক লোডশেডিং, সিস্টেম লস হ্রাসকরণ, বকেয়া আদায়, বিতরণ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন ও অন্যান্য সংস্থার সাথে সমন্বয় এসব বিষয়াদি মতবিনিময় সভায় তুলে ধরেন।

এ সময় মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ এমপি বলেন, ‘আরইবি প্রতিষ্ঠা একটি যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত কারণ এর সাথে জড়িত কৃষি বিপ্লব, খাল খনন কর্মসূচিসহ গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন।’ তিনি আরও বলেন, ‘পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ডের পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম যে মডেলে চলছে প্রচলিত মডেলের মধ্যে এটি একটি উৎকৃষ্ঠ হিসেবে প্রমাণিত মডেল তাই তার পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার কোনো সুযোগ নেই।’ তিনি গ্রাহকদের সাথে সুসম্পর্ক বৃদ্ধি করার জন্য পবিসের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার জেনারেল ম্যানেজারদের নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এমপি বলেন, ‘লাইফ লাইন গ্রাহকের সন্তুষ্টি নিশ্চিত করতে হবে। জনগণের ভোটে আসা সরকারের কাছে জনগণের সন্তুষ্টিই অগ্রাধিকার।’ গ্রাহকের সাথে নিবিড় সম্পর্ক রেখে গ্রাহকসেবা বৃদ্ধি করা এবং লোডশেডিং অন্যান্য বৈদ্যুতিক সমস্যার প্রকৃত কারণ সম্মানিত গ্রাহকদের অবহিত করার জন্য তিনি নির্দেশনা প্রদান করেন।

প্রসঙ্গত, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ১৯৭৭ সালে দেশের নগর ও গ্রামাঞ্চলের জীবনযাত্রার মানের বৈষম্য দূরিকরণের লক্ষ্যে গ্রামাঞ্চলে বিদ্যুতায়ন কার্যক্রম পরিচালনার জন্য পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড (আরইবি) অধ্যাদেশ জারি করে পল্লী বিদ্যুতায়ন বোর্ড গঠন করেন।


সরকার সুষম উন্নয়ন ও জলবায়ু সহনশীলতায় কাজ করে যাচ্ছে: দীপেন দেওয়ান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে সরকার সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান।

তিনি বলেন, ‘আমাদের প্রকৃতি ও জীববৈচিত্র্যকে রক্ষা করে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে বাংলাদেশ সরকার সুষম উন্নয়ন, জলবায়ু সহনশীলতা এবং স্থানীয় জনগোষ্ঠীর ক্ষমতায়নে কাজ করে যাচ্ছে। প্রধানমন্ত্রীর সুচিন্তিত দিকনির্দেশনায় পার্বত্য চট্টগ্রামে বৈষম্যহীন সমাজ প্রতিষ্ঠা ও অধিকতর সমৃদ্ধি অর্জন সম্ভব হবে।

সোমবার রাজধানীর একটি অভিজাত হোটেলে কানাডা সরকারের অর্থায়নে ‘গ্লোবাল অ্যাফেয়ার্স কানাডা’ (জিএসি)-এর মাধ্যমে বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলায় গৃহীত ‘হিন্দু-কুশ হিমালয় অঞ্চলে সমন্বিত জলবায়ু অভিযোজন সমাধান’ (হাই-কাস) প্রকল্পের উদ্বোধনী কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

দীপেন দেওয়ান বলেন, ‘জলবায়ু পরিবর্তনজনিত বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় হিমালয় অঞ্চলের জনগোষ্ঠী ও দুর্দশাগ্রস্ত জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়ানো জরুরি।’

সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি বেসরকারি সংস্থা ও উন্নয়ন সহযোগীদেরও এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বান্দরবানের সুয়ালক ও খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গায় এই পাইলট প্রকল্পের সাফল্য পর্যায়ক্রমে পুরো পার্বত্য চট্টগ্রামে সম্প্রসারণ করা হবে।’

অনুষ্ঠানে ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকার পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবন-জীবিকা ও জনস্বাস্থ্যের উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। সরকার জলবায়ু সহিষ্ণু কৃষি উৎপাদন ও পরিবেশ রক্ষায় নিরলসভাবে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী একটি ‘রেইনবো নেশন’ বা অন্তর্ভুক্তিমূলক ও ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ গড়তে চান, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে কেউ বৈষম্যের শিকার হবে না।

জনকল্যাণে গৃহীত সকল প্রকল্পে সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ সহযোগিতা থাকবে বলে আশ্বস্ত করে প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল বলেন, ‘প্রকৃতির পরিবর্তনের সাথে খাপ খাইয়ে নিতে নবায়নযোগ্য জ্বালানি ও কৃষি জীববৈচিত্র্যের ওপর জোর দেওয়া একটি সময়োপযোগী পদক্ষেপ।’

কর্মশালায় পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. মনিরুল ইসলাম, মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা এবং আরণ্যক ফাউন্ডেশন ও ইসিমোডের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।


পুলিশের বিদ্যমান পোশাক নিয়ে অসন্তোষ রয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ৪ মে, ২০২৬ ১৭:৫৬
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের নতুন পোশাক মানানসই নয়। তাই আগের পোশাকেই ফিরছে পুলিশ সদস্যরা বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, শার্ট আগের মতোই থাকবে—মেট্রোপলিটন এলাকায় সবুজ এবং সারা দেশে নীল। প্যান্ট থাকবে খাকি রঙের।

সোমবার (৪ মে) সচিবালয়ে ‘বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিকদের সমন্বয়, ব্যবস্থাপনা ও আইনশৃঙ্খলা সম্পর্কিত জাতীয় কমিটি’র প্রথম সভা শেষে ব্রিফিংয়ে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সদস্যদের মতামত বিবেচনায় নিয়ে ঐতিহ্যবাহী ড্রেসের একটি অংশ ফিরিয়ে আনার বিষয়ে সরকার ভাবছে।

মন্ত্রী বলেন, এবারের সংসদ অধিবেশন ছিল ইতিহাসের অন্যতম সফল। এটি কোনো বিতর্ক ছাড়াই সৌহার্দ্যপূর্ণ পরিবেশে অনুষ্ঠিত হয়েছে।

সরকারি ও বিরোধী দলের মধ্যে মতপার্থক্য থাকলেও তা গঠনমূলকভাবে উপস্থাপন করা হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।

রোহিঙ্গা পরিস্থিতি নিয়ে তিনি জানান, ক্যাম্পের ভেতরে ও বাইরে আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে আনা, যৌথ অভিযান পরিচালনার পদ্ধতি এবং সার্বিক ব্যবস্থাপনা নিয়ে সভায় বিস্তারিত আলোচনা হয়েছে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রোহিঙ্গা ক্যাম্প ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার এবং সমন্বিত পদক্ষেপ গ্রহণের মাধ্যমে পরিস্থিতি আরো নিয়ন্ত্রণে আনার বিষয়ে সরকার গুরুত্ব দিচ্ছে।


শহীদ জিয়াউর রহমান ও খালেদা জিয়ার সমাধিতে সংরক্ষিত নারী এমপিদের শ্রদ্ধা

আপডেটেড ৪ মে, ২০২৬ ১৭:৩৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

সাবেক রাষ্ট্রপতি শহীদ জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানিয়েছেন সংরক্ষিত নারী আসনে বিএনপির নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যরা।

আজ সোমবার দুপুরে রাজধানীর শেরেবাংলানগরের জিয়া উদ্যানে গিয়ে তারা ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।

এ সময় স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর নতুন সদস্যদের সঙ্গে নিয়ে মাজার প্রাঙ্গণে যান এবং সংক্ষিপ্ত দোয়া-মোনাজাতে অংশ নেন। এ সময় সংসদের চীফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনিসহ সংরক্ষিত আসনে দলের নারী সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপির সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যদের উদ্দেশে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘সংসদ সদস্য হিসেবে যারা নির্বাচিত হয়ে এসেছেন, তারা দেশ বিনির্মাণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে, এটাই প্রত্যাশা।’

সংসদে গিয়ে কার্যকর ভূমিকা রাখবেন বলে জানান সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্যরা। তারা নারী, শিশুসহ পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কাজ করার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

এর আগে গতকাল রবিবার রাতে জাতীয় সংসদ ভবনের শপথকক্ষে সংরক্ষিত নারী আসনের ৪৯ জন সদস্য শপথ গ্রহণ করেন।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ তাদের শপথ পাঠ করান।


বিনিয়োগ টানতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ প্রধানমন্ত্রীর

আপডেটেড ৪ মে, ২০২৬ ১৬:০২
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ করার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। একই সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানাগুলোতে যারা আন্তরিকভাবে বিনিয়োগ করতে চান, তাদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা দেওয়ার আশ্বাসও দিয়েছেন তিনি।

সোমবার (৪ মে) বাংলাদেশ সচিবালয়ে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে তিনি এসব নির্দেশনা দেন। বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা ও করণীয় নিয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় এবং দপ্তরের কর্মকর্তাদের সঙ্গে এ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।

বৈঠকে উপস্থিত একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা জানান, প্রকল্পের চূড়ান্ত অনুমোদন পেতে দীর্ঘ সময় লাগে, যা দেশি-বিদেশি বিনিয়োগকারীদের আগ্রহ কমিয়ে দেয়। পাশাপাশি বিভিন্ন দপ্তর থেকে অনুমতি নেওয়ার জটিলতাও বড় বাধা হিসেবে কাজ করছে।

এ প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী প্রকল্প অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজ ও সময়োপযোগী করার নির্দেশ দেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেসব মন্ত্রণালয় বা দপ্তরের অনুমোদন অপরিহার্য নয়, সেগুলো অনুমোদন প্রক্রিয়া থেকে বাদ দিতে হবে। সরকার একটি বিনিয়োগবান্ধব পরিবেশ গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এ লক্ষ্য অর্জনে বিনিয়োগ প্রক্রিয়ায় বিদ্যমান জটিলতা দূর করা জরুরি।

বন্ধ থাকা সরকারি কল-কারখানায় বেসরকারি বিনিয়োগ বাড়াতে ঋণপ্রাপ্তি সহজ করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীদের দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দেন তিনি।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য, শিল্প, বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির চৌধুরী, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প উপদেষ্টা রুহুল কবির রিজভী, অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা ড. রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, বস্ত্র ও পাট প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তার, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান আশিক চৌধুরী, বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস করপোরেশনের (বিটিএমসি) চেয়ারম্যান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এস এম জাহিদ হাসান এবং বাংলাদেশ জুট মিলস করপোরেশনের (বিজেএমসি) চেয়ারম্যান কবির উদ্দিন সিকদারসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।


বন্ধ বস্ত্র ও পাট কারখানা পুনরুজ্জীবনে প্রধানমন্ত্রীর বৈঠক

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বন্ধ হয়ে থাকা বস্ত্র ও পাট খাতের কারখানাগুলোর বর্তমান অবস্থা এবং সেগুলো পুনরায় চালুর সম্ভাবনা নিয়ে সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

সোমবার (৪ মে) সকালে সচিবালয়ের মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রধানমন্ত্রীর দপ্তরে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে খাতটির বিদ্যমান সমস্যা, আর্থিক চ্যালেঞ্জ এবং পুনরুজ্জীবনের উপায় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের উপ-প্রেস সচিব সুজাউদ্দৌলা সুজন মাহমুদ জানান, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বন্ধ কল-কারখানার বিষয়ে মন্ত্রণালয় ও সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

তিনি জানান, বৈঠকে বাণিজ্য এবং বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির, প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক ও শিল্প বিষয়ক উপদেষ্টা রুহুল কবীর রিজভী, বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী শরীফুল আলম, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুনসহ সংশ্লিষ্টরা উপস্থিত ছিলেন।

সূত্র জানায়, দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ থাকা কারখানাগুলো পুনরায় চালুর জন্য বিনিয়োগ আকর্ষণ, অবকাঠামোগত উন্নয়ন এবং ব্যবস্থাপনা সংস্কারের ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়েছে। একইসঙ্গে বন্ধ কারখানা চালু করে বেকারদের কর্মসংস্থান বাড়ানোর বিষয়েও আলোচনা হয়।


পররাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে ভারতীয় হাইকমিশনারের সাক্ষাৎ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমানের সঙ্গে বিদায়ী সাক্ষাৎ করেছেন ভারতের হাইকমিশনার প্রণয় ভার্মা। আজ সোমবার (৪ মে) সকালে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।

দুই দেশের সম্পর্ক এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে ধারাবাহিক সহযোগিতার জন্য ভারতীয় হাইকমিশনার বাংলাদেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়কে ধন্যবাদ জানান।

তারা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের চলমান অগ্রগতি নিয়েও পর্যালোচনা করেন এবং উভয় দেশের নতুন সক্ষমতা ও নতুন আকাঙ্ক্ষার দ্বারা চালিত এই সম্পর্কের ভবিষ্যৎ গতিপথ নিয়ে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনার উভয় দেশের নিজ নিজ জাতীয় উন্নয়ন অগ্রাধিকারের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এবং পারস্পরিক স্বার্থ ও সুবিধার ভিত্তিতে সকল ক্ষেত্রে জনকেন্দ্রিক সহযোগিতা জোরদার করতে বাংলাদেশের জনগণ ও সরকারের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার ভারতের অভিপ্রায় পুনর্ব্যক্ত করেন।

হাইকমিশনারের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং তার নতুন দায়িত্বে সাফল্য কামনা করেন।


banner close