রোববার, ১৫ মার্চ ২০২৬
১ চৈত্র ১৪৩২

পিলখানা হত্যাকাণ্ডের ১৫ বছর 

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৪
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২৪ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ২৩:০৯

২৫ ফেব্রুয়ারি দেশের ইতিহাসের এক কালো দিন। ১৫ বছর আগে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর পিলখানায় সাবেক বিডিআর ও বর্তমান বিজিবি সদর দপ্তরে ঘটে মর্মান্তিক ও নৃশংস এক হত্যাযজ্ঞ।

এদিন সকালে পিলখানা সদর দপ্তরের দরবার হলে সকাল ৯টা ২৭ মিনিটে একদল বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিক অস্ত্র হাতে ঢুকে পড়ে চলমান বার্ষিক দরবারে। বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিকরা তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদের বুকে অস্ত্র তাক করে। কিছু বুঝে উঠার আগেই শুরু হয় গোলাগুলি। ঘটে ইতিহাসের ঘৃণ্যতম নারকীয় হত্যাযজ্ঞ।

সেদিন বিদ্রোহী বিডিআর জওয়ানরা ৫৭ সেনা কর্মকর্তাসহ ৭৪ জনকে নির্মমভাবে হত্যা করে। প্রতিবছরের মতো এবারও বিডিআর বিদ্রোহের এই দিনে বিভিন্ন কর্মসূচির আয়োজন করা হয়েছে। বিজিবির (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) পক্ষ থেকে সকালে বিজিবি সদর দপ্তর, বিভিন্ন রিজিয়ন, সেক্টর ও ইউনিটগুলোতে বাদ ফজর পবিত্র কোরআন খতম, বিজিবির সব মসজিদ এবং বিওপিতে শহীদদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে দোয়া ও মিলাদের ব্যবস্থা করা হয়েছে।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) থেকে জানানো হয়, বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর ব্যবস্থাপনায় তৎকালীন বিডিআর (বর্তমানে বিজিবি) সদর দপ্তর, পিলখানায় সংঘটিত বর্বরোচিত হত্যাকাণ্ডে শহীদ সেনা সদস্যদের শাহাদাৎ বার্ষিকী উপলক্ষে রাজধানীর বনানীতে সামরিক কবরস্থানে শহীদদের কবরে পুস্পস্তবক অর্পণ হবে।

সেদিন পিলখানায় যা ঘটেছিল: প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা, মামলার তদন্ত ও বিচারের পর্যবেক্ষণে উঠে এসেছে ২০০৯ সালের ২৫ ফেব্রুয়ারি পিলখানার নৃশংস ঘটনাগুলো। সেদিন বিদ্রোহী জওয়ানরা ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকতাদের হত্যা করার পর জিম্মি করেছিল তাদের পরিবারের সদস্যদের। পুরো পিলখানাজুড়ে সৃষ্টি হয়েছিল ভীতিকর বীভৎস পরিস্থিতি। বিজিবি সদর দপ্তর পিলখানায় সেদিন বিদ্রোহী বিডিআর সৈনিকরা যে নারকীয় তাণ্ডব চালিয়েছিল, পৃথিবীর ইতিহাসে কোনো বিদ্রোহে এমন ঘটনা ঘটেনি। এমনকি বিশ্বযুদ্ধের সময়ও এক দিনে এত সেনা কর্মকতা নিহত হয়নি।

দেশ-বিদেশে আলোচিত এই পিলখানা হত্যাকাণ্ডের মামলার রায়ের পর্যবেক্ষণে উচ্চ আদালত বলেছেন, ওই ঘটনা ছিল রাষ্ট্রের স্থিতিশীলতা ও অর্থনৈতিক-সামাজিক নিরাপত্তায় বিঘ্ন সৃষ্টির লক্ষ্যে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের ষড়যন্ত্র। শুধু তাই নয়, ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে একটি দক্ষ, প্রশিক্ষিত বাহিনীকে ধ্বংসেরও চেষ্টা। বিডিআর জওয়ানরা দেশের অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড ভেঙে দেওয়াসহ স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের ওপর প্রত্যক্ষ হুমকির বহিঃপ্রকাশ ঘটিয়ে যে কলঙ্কজনক অধ্যায়ের সৃষ্টি করেছে, সেই কলঙ্কের চিহ্ন তাদের বহুকাল বহন করতে হবে।

সংশ্লিষ্টরা জানান, সেদিন সকাল ৯টার পরপরই তৎকালীন বিডিআর সদর দপ্তরে গোলাগুলির শব্দ শোনা যেতে থাকে। সবাই ভেবেছিল এসব চলমান বিডিআর সপ্তাহের কোনো কর্মসূচির ঘটনা। কিছুক্ষণ পর জানা যায়, বিডিআর জওয়ানরা পিলখার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে। শুধু তাই নয়, বিদ্রোহী জওয়ানরা ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের হত্যা করছে। বিদ্রোহের প্রথম দিন দুপুরে রাজধানীর কামরাঙ্গীরচর বেড়িবাঁধের কাছে একটি ম্যানহোলের ‍মুখে দুই সেনা কর্মকর্তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ পওয়া যায়। বোঝা যায়, পিলখানার ভেতরে হত্যাকাণ্ড ঘটছে। এতে সারা দেশে শোরগোল পড়ে যায়। চায়ের দোকান থেকে সর্বত্র চলতে থাকে আলোচনা-সমালোচনা।

বিদ্রোহের এই ঘটনার পর সেনাবাহিনীসহ অন্যান্য বাহিনীর প্রধানরা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে বৈঠকে বসেন। এদিকে পিলখানার চারদিক ঘিরে ভারী অস্ত্র নিয়ে অবস্থান নেয় সেনাবাহিনী। এরই মধ্যে পিলখানার পর সারা দেশ থেকে আসতে থাকে বিভিন্ন জেলায় বিডিআর দপ্তরের বিদ্রোহের খবর। বিদ্রোহের মধ্যেই একপর্যায়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিদ্রোহীদের সঙ্গে আলোচনায় বসা হয়। এই আলোচনায় নেতৃত্ব দেন তৎকালীন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী জাহাঙ্গীর কবির নানক, হুইপ মীর্জা আজম ও সংসদ সদস্য ফজলে নূর তাপস। পরে ওইদিন বিকেলে বিদ্রোহীরা তাদের দাবি নিয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গেও আলোচনা করে। এরপর রাতে পিলখানার প্রধান ফটকের পাশে একটি রেস্তোরাঁয় আলোচনায় বসেন তৎকালীন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরীসহ সরকারের গুরুত্বপূর্ণ কয়েকজন। পরে গভীর রাতে তৎকালীন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সাহারা খাতুনসহ কয়েকজন পিলখানার ভেতরে প্রবেশ করেন। তার কাছে অস্ত্র সমর্পণ করে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা। পরে বিদ্রোহীদের হাতে জিম্মি হওয়া কয়েকজন সেনা কর্মকর্তা ও তাদের পরিবারের সদস্যদের নিয়ে বের হয়ে আসেন সাহারা খাতুন।

জানা যায়, বিদ্রোহীদের একটি অংশ আত্মসমর্পণ করলেও পরদিন পর্যন্ত আরেক অংশের হাতে পিলখানার নিয়ন্ত্রণ ছিল। একপর্যায়ে পরদিন সকাল থেকে পিলখানা থেকে বিদ্রোহী বিডিআর সদস্যরা পলিয়ে যাওয়া শুরু করে। পরে পুলিশ ও সেনাবাহিনী পিলখানার নিয়ন্ত্রণ নেয়। ৩০-৩৪ ঘণ্টার তাণ্ডবের পর বিদ্রোহ শেষ হলেও পিলখানায় তখন একের পর এক আবিষ্কার হতে থাকে গণকবর। এতে সৃষ্টি হয় এক হৃদয়বিদারক পরিস্থিতি।

বিদ্রোহী জওয়ানরা ঊর্ধ্বতন সেনা কর্মকর্তাদের নৃশংসভাবে হত্যা করে গণকবর দিয়ে রাখে। এই গণকবর থেকে উদ্ধার করা হয় তৎকালীন মহাপরিচালক মেজর জেনারেল শাকিল আহমেদ ও তার স্ত্রীসহ অর্ধশতাধিক সেনা কর্মকর্তার ক্ষতবিক্ষত মরদেহ। রক্তাক্ত সেই বিদ্রোহের পর দেশের সীমান্ত রক্ষাকারী এই বাহিনীর নাম পরিবর্তন করে বিজিবি (বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ) করা হয়। পরিবর্তন করা হয় তাদের পোশাকও।


নতুন ২ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পেলেন ডা. জাহেদ উর রহমান

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারের উপদেষ্টাদের দপ্তর পুনর্বণ্টনের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমানকে দুটি নতুন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। প্রতিমন্ত্রীর পদমর্যাদায় তিনি এখন থেকে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করবেন।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

এ দায়িত্ব পালনে ডা. জাহেদ উর রহমান সবার দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করে নিজের ফেসবুক পোস্টে বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পলিসি অ্যান্ড স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি তথ্য ও সম্প্রচার এবং সংস্কৃতি বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বও তার ওপর ন্যস্ত হয়েছে।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি প্রথমবারের মতো ডা. জাহেদ উর রহমানকে প্রধানমন্ত্রীর পলিসি ও স্ট্র্যাটেজি বিষয়ক উপদেষ্টা হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়। প্রতিমন্ত্রীর মর্যাদায় দায়িত্ব পালনের মধ্যেই সম্প্রতি তাকে নতুন করে দুটি গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হলো।


৪২ জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

দেশের ৪২টি জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক নিয়োগ দিয়েছে সরকার। রোববার (১৫ মার্চ) তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়।

সরকারের এ সিদ্ধান্তের মাধ্যমে জেলা পরিষদগুলোর প্রশাসনিক কার্যক্রম আরও গতিশীল ও কার্যকর হবে বলে আশা করা হচ্ছে। স্থানীয় সরকার ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করা এবং উন্নয়ন কর্মকাণ্ডকে ত্বরান্বিত করার লক্ষ্যে এই নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

জেলা পরিষদে নতুন প্রশাসক হিসেবে নিয়োগপ্রাপ্তরা হলেন

পঞ্চগড়ে মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম, দিনাজপুরে মোফাজ্জল হোসেন দুলাল, রংপুরে মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, কুড়িগ্রামে মো. সোহেল হোসনাইন কায়কোবাদ, গাইবান্ধায় অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মইনুল হাসান সাদিক, জয়পুরহাটে মো. মাসুদ রানা প্রধান, বগুড়ায় এ.কে.এম. আহাসানুল তৈয়ব জাকির, চাঁপাইনবাবগঞ্জে মো. হারুনুর রশিদ, নওগাঁয় মো. আবু বক্কর সিদ্দিক, রাজশাহীতে মো. এরশাদ আলী, নাটোরে মো. রহিম নেওয়াজ, মেহেরপুরে মো. জাভেদ মাসুদ, কুষ্টিয়ায় সোহরাব উদ্দিন, ঝিনাইদহে মো. আবুল মজিদ, যশোরে দেলোয়ার হোসেন খান খোকন, মাগুরায় আলী আহমেদ, বাগেরহাটে শেখ মোহাম্মদ জাকির হোসেন।

খুলনায় এস এম মনিরুল হাসান (বাপ্পী), পটুয়াখালীতে স্নেহাংশু সরকার, ভোলায় গোলাম নবী আলমগীর, বরিশালে আকন কুদ্দুসর রহমান, ঝালকাঠিতে মো. শাহাদাৎ হোসেন, পিরোজপুরে আলমগীর হোসেন, টাঙ্গাইলে এস এম ওবায়দুল হক, শেরপুরে এ.বি.এম. মামুনুর রশিদ, ময়মনসিংহে সৈয়দ এমরান সালেহ, নেত্রকোনায় মো. নূরুজ্জামান (অ্যাড.), কিশোরগঞ্জে খালেদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান, মুন্সীগঞ্জে এ. কে. এম. ইরাদত, নারায়ণগঞ্জে মো. মামুন মাহমুদ, রাজবাড়ীতে আব্দুস সালাম মিয়া, গোপালগঞ্জে শরিফ রফিক উজ্জামান, মাদারীপুরে খোন্দকার মাশুকুর রহমান, শরীয়তপুরে সরদার এ. কে. এম. নাসির উদ্দিন, সুনামগঞ্জে মো. মিজানুর রহমান চৌধুরী, সিলেটে আবুল কাহের চৌধুরী, মৌলভীবাজারে মিজানুর রহমান, ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় সিরাজুল ইসলাম, কুমিল্লায় মো. মোশতাক মিয়া, নোয়াখালীতে মো. হারুনুর রশিদ আজাদ, লক্ষ্মীপুরে সাহাব উদ্দিন এবং কক্সবাজারে এ টি এম নুরুল বশর চৌধুরী।


নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করার পদক্ষেপ নেবে সরকার: জুবাইদা রহমান

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৭:২৫
নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকার নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করার পদক্ষেপ নেবে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী পত্নী ডাক্তার জুবাইদা রহমান।

নারী দিবস উপলক্ষে রোববার (১৫ মার্চ) দুপুরে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে মুক্তিযুদ্ধ যাদুঘরে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে এই মন্তব্য করেন তিনি।

জুবাইদা রহমান বলেন, ‘যে জাতির নারীরা এগিয়ে যায়, সেই জাতি এগিয়ে যায়। বর্তমান সরকার কন্যাশিশুর অধিকার বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর। নারীদের শিক্ষা অবৈতনিক করার পদক্ষেপও নেবে সরকার।’

তিনি আরও বলেন, ‘দেশের প্রতিটি শিশুর উজ্জ্বল ভবিষ্যত আমাদের প্রয়াস। এমন বাংলাদেশ গড়ে তুলব যেখানে নারী নেতৃত্বে গড়ে উঠবে ভবিষ্যত বাংলাদেশ।’

সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এজেডএম জাহিদ হোসেন বলেন, ‘বাংলাদেশে প্রথম নারী বিষয়ক অধিদফতর প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জিয়াউর রহমান। আনসার ভিডিপিতেও প্রথম নারীদের অন্তর্ভুক্ত করেন তিনি। নারীদের প্রথম কোটা দিয়েছিলেন ২০ শতাংশ। এর ফলেই আজকে মেডিকেল কলেজে শিক্ষার্থীদের ৬২ শতাংশ নারী।’

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্নাতকোত্তর পর্যায়ে অবৈতনিক পড়াশোনা ও স্বাস্থ্য নিয়ে কাজ করছেন জানিয়ে তিনি বলেন, ‘অধিকার সবার। গণতন্ত্রের লেবাসেও স্বৈরাচার হয়। যা আমরা বিগত সরকারের আমলে দেখেছি। আমরা এতদিন অধিকার হারা হয়েছিলাম। তাই এখনও কথা বলতে হয় নারী অধিকার নিয়ে।’নরসিংদীর ধর্ষণের মতো ঘটনা নিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা যদি অন্যান্য দেশের দিকে তাকাই, সভ্য সমাজের কালো দিকটা আমরা দেখি না।

গণমাধ্যমের কারণে সেগুলো আমাদের সামনে আসে। আমরা এমন একটি দেশ চাই যেখানে নারীর অধিকার নিয়ে আলাদা করে কথা বলতে হবে না।’


বগুড়া ও শেরপুরের নির্বাচনে তিনদিন আগেই সচল হবে সিসিটিভি ক্যামেরা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী ৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে বগুড়া-৬ ও শেরপুর-৩ আসনের জাতীয় সংসদের নির্বাচন। এই নির্বাচনকে সামনে রেখে বিশেষ সতর্কতা অবলম্বন করছে নির্বাচন কমিশন। সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোট নিশ্চিত করার লক্ষ্যে দুই আসনের প্রতিটি ভোটকেন্দ্রে স্থাপিত সিসি ক্যামেরাগুলো নির্বাচনের তিনদিন আগে থেকেই সচল রাখার কঠোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

নির্বাচন কমিশনের উপসচিব মোহাম্মদ মনির হোসেন এই বিশেষ নির্দেশনার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, ভোটগ্রহণের অন্তত তিনদিন আগে থেকে প্রতিটি কেন্দ্রের সিসি ক্যামেরা সচল রাখতে হবে। বিশেষ করে যে কক্ষে সিসি ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে, ভোট গণনা কার্যক্রমও সেই কক্ষেই সম্পন্ন করার জন্য বলা হয়েছে। এ ছাড়াও নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পর নজরদারি ক্যামেরার সমস্ত তথ্য বা ভিডিও ফুটেজ পরবর্তী ব্যবহারের জন্য সঠিকভাবে সংরক্ষণ করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে।

শেরপুর-৩ আসনের নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে জানা গেছে, সেখানে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের প্রার্থী আবুল তালেব মো. সাইফুদ্দিন নিজের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করে নিয়েছেন। বর্তমানে এই আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. মাসুদুর রহমান, স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. আমিনুল ইসলাম, বিএনপির মো. মাহমুদুল হক রুবেল এবং বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের (মার্কসবাদী) মো. মিজানুর রহমান। উল্লেখ্য যে, গত ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় এই আসনের একজন বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হওয়ায় ভোটগ্রহণ স্থগিত করা হয়েছিল। পরবর্তীতে নতুন তফসিল ঘোষণার মাধ্যমে বর্তমানে এই নির্বাচনের আয়োজন করা হচ্ছে।

অন্যদিকে বগুড়া-৬ আসনের উপনির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর মো. আবিদুর রহমান, বিএনপির মো. রেজাউল করিম বাদশা এবং বাংলাদেশ ডেভেলপমেন্ট পার্টির মো. আল আলিম তালুকদার। গত ১২ ফেব্রুয়ারির সাধারণ নির্বাচনে এই আসন থেকে জয়লাভ করেছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তবে দেশের আইন অনুযায়ী একই সঙ্গে সংসদ সদস্য হিসেবে দুটি আসন ধরে রাখার সুযোগ না থাকায় তিনি ঢাকা-১৭ আসনটি নিজের অনুকূলে রেখে বগুড়া-৬ আসনটি ছেড়ে দেন। ফলে আসনটি শূন্য হয়ে পড়ায় নতুন করে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

আগামী ৯ এপ্রিল নির্ধারিত দিনে সকাল সাড়ে ৭টা থেকে শুরু হয়ে বিকাল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত বিরতিহীনভাবে এই দুই আসনের ভোটগ্রহণ চলবে। নির্বাচন কমিশন এই দুই আসনের ভোটগ্রহণ অবাধ ও শান্তিপূর্ণ করতে যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন করছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নজরদারি ক্যামেরা ব্যবহারের মাধ্যমে পুরো নির্বাচনী পরিবেশ নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।


২৯ মার্চ পর্যন্ত সংসদ অধিবেশন মুলতবি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশন আগামী ২৯ মার্চ পর্যন্ত মুলতবি ঘোষণা করেছেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।

বরিবার (১৫ মার্চ) ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শেষে এ মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার।

মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ বলেন, সংসদের বৈঠক আগামী ২৯ মার্চ বিকাল ৩টা পর্যন্ত মুলতবি করা হলো। সহযোগিতা করার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ।

এর আগে এদিন বেলা ১১টায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় দিনের কার্যক্রম শুরু হয়। অধিবেশন শুরু হয় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্যদিয়ে। বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদ (বীর বিক্রম)।

অধিবেশনে উপস্থিত ছিলেন সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। অধিবেশনে বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানও উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন প্রথম অধিবেশন শুরু হয়েছিল বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ)।


অন্তর্বর্তী সরকারের ১৩৩টি অধ্যাদেশ বিশেষ কমিটিতে

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৫:৪৪
নিজস্ব প্রতিবেদক

অন্তর্বর্তী সরকারের ১৮ মাসের শাসনামলে জারি করা মোট ১৩৩টি অধ্যাদেশ যাচাই-বাছাইয়ের জন্য বিশেষ কমিটিতে পাঠানো হয়েছে।

রোববার স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরুর পর আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান সংসদে উত্থাপিত অধ্যাদেশগুলো বিশেষ কমিটিতে পাঠানোর প্রস্তাব করেন। পরে তা কণ্ঠ ভোটে পাস হয়।

সংসদ কার্যকর না থাকায় সংবিধানের ৯৩ (১) অনুচ্ছেদের অধীনে এই অধ্যাদেশগুলো জারি করা হয়েছিল।

সংবিধান অনুযায়ী, যে কোনো অধ্যাদেশ নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে উত্থাপন করতে হয় এবং অধিবেশন শুরুর ৩০ দিনের মধ্যে সেগুলো পাস হতে হয়। আর তা না হলে সেগুলোর আইনি বৈধতা থাকে না।

সে কারণে গত ১৩ মার্চ ত্রয়োদশ সংসদের অধিবেশন শুরুর দিনই অধ্যাদেশগুলো অনুমোদনের জন্য জাতীয় সংসদে উত্থাপন করেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।

সংসদে অধ্যাদেশগুলো বিল আকারে উত্থাপনের পর চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি সেদিন বরিশাল-৩ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবেদিনের নেতৃত্বে ১৪ সদস্যের একটি বিশেষ কমিটি গঠনের প্রস্তাব করেন। কমিটি এই বিলগুলো পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে যাচাই-বাছাই করবে।


‘গ্লোবাল ফ্রড সামিট’-এ যোগ দিতে ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিশ্বব্যাপী প্রতারণা মোকাবিলায় করণীয় নিয়ে আলোচনা করতে অস্ট্রিয়ার রাজধানী ভিয়েনায় অনুষ্ঠিতব্য গ্লোবাল ফ্রড সামিটে অংশ নিতে আজ রোববার ভিয়েনা যাচ্ছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ।

মাদক ও অপরাধবিষয়ক জাতিসংঘ দপ্তর এবং আন্তর্জাতিক অপরাধ পুলিশ সংস্থার যৌথ আয়োজনে ১৬ ও ১৭ মার্চ ভিয়েনা আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এই দুই দিনব্যাপী সামিট অনুষ্ঠিত হবে। এতে পাঁচ সদস্যের বাংলাদেশ প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

সামিটের উদ্বোধনী ও পূর্ণাঙ্গ অধিবেশন ছাড়াও ‘গ্লোবাল ফ্রড রেসপন্স মেকানিজম’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের গোলটেবিল বৈঠক এবং ‘প্রতারণা দমনে জাতীয় অঙ্গীকার’ শীর্ষক বিশেষ অধিবেশনে প্যানেল বক্তা হিসেবে অংশ নেবেন তিনি।

এ ছাড়া সামিটের ফাঁকে মাদক ও অপরাধবিষয়ক জাতিসংঘ দপ্তরের নির্বাহী পরিচালক জন ব্র্যান্ডোলিনো এবং যুক্তরাজ্যের স্বরাষ্ট্র দপ্তরের প্রতিমন্ত্রী লর্ড হ্যানসনের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় বৈঠক করার কথা রয়েছে তার।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আজ বিকেল ৪টা ৫০ মিনিটে ইথিওপিয়ান এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকার হযরত শাহজালাল (র.) আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে ভিয়েনার উদ্দেশে রওনা হবেন। সামিট শেষে তিনি আগামী ২০ মার্চ ভোর ৫টা ৩৫ মিনিটে তুর্কিশ এয়ারলাইনসের একটি ফ্লাইটে ঢাকায় ফিরবেন।


৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগ হবে: সংসদে শিক্ষামন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে ৯ হাজার ধর্মীয় শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসানুল হক মিলন। আজ রোববার জাতীয় সংসদে বিএনপি দলীয় সংসদ সদস্য মনিরুল হক চৌধুরীর সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী।

স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদের বৈঠক শুরু হলে প্রথমে প্রশ্নোত্তর অনুষ্ঠিত হয়।

শিক্ষামন্ত্রী আরও বলেন, ‘নিয়োগের যোগ্যতা ও সনদ নিয়ে একটি জটিলতা রয়েছে। আশা করছি, এটি কাটিয়ে শিগগিরই আমরা এই নিয়োগ প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে সক্ষম হব। এক্ষেত্রে কারিআনা পাশধারীদের নিয়োগের ব্যবস্থা করা হবে। ইসলাম ধর্মের পাশাপাশি অন্যান্য ধর্মকে প্রাধান্য নিয়ে আমরা কাজ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি।’

এনসিপির হাসনাত আবদুল্লাহর প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বিগত সরকার শিক্ষার্থীদের ভর্তির ক্ষেত্রে লটারি সিস্টেম চালু করেছিল। আমার কাছে এটাকে যুক্তিসংগত মনে হয়নি। আগামী শিক্ষাবর্ষে ভর্তির পদ্ধতি নির্ধারণের জন্য আমরা অংশীজনের সঙ্গে আলোচনা করে সকলের অভিমত নিয়ে ভর্তির বিষয় চিন্তা করব।’

এহসানুল হক মিলন আরও বলেন, ‘আমরা ইংরেজি মাধ্যমের স্কুলগুলোকে সরকারের আওতায় এনে দেশের নিয়মকানুন মেনে যুগোপযোগী করা যায় কি না সেই বিষয়ে কাজ করছি। ইবতেদায়ী ও কওমী শিক্ষাসহ সব শিক্ষা ব্যবস্থাকে সমন্বিত শিক্ষা পদ্ধতির আওতায় আনার কাজ করছি। এটা পর্যায়ক্রমে বাস্তবায়ন করা হবে।’

সংসদ সদস্য এস এম জাহাঙ্গীর হোসেনের করা এক প্রশ্নের লিখিত উত্তরে এহসানুল হক মিলন বলেন, ‘সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে সিদ্ধান্ত নেবে।’ তিনি আরও বলেন, বর্তমানে বাংলাদেশে ৫৭টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। বর্তমান সরকার এগুলোর মানোন্নয়নের বিষয়ে বদ্ধপরিকর। সরকার নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের বিষয়ে প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত গ্রহণ করবে।

আরেক প্রশ্নের জবাবে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির জন্য নতুন করে আবেদন আহ্বান করবে সরকার। পুরাতন আবেদনগুলো পুনরায় যাচাই-বাছাই করা হবে।


বিরোধী দল অসাংবিধানিকভাবে সংস্কার পরিষদের শপথ নিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

ছবিঃ বিটিভি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বিরোধী দল অসাংবিধানিকভাবে সংস্কার পরিষদ শপথ নিয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ও বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, রাষ্ট্র আবেগ দিয়ে চলে না, আইন দিয়ে চলে।

রোববার (১৫ মার্চ) জুলাই সনদ নিয়ে বিরোধী দলের নেতা জামায়াত আমির ডা. শফিকুর রহমানের বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ সংসদে এ কথা বলেন।

‘জুলাই সনদ বাস্তবায়নে সরকার অঙ্গীকারবদ্ধ’ উল্লেখ করে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, জুলাই সনদ আমরা অক্ষরে অক্ষরে পালন করব। তবে সেটা আইন-কানুন, বিধি-বিধান ও সংবিধানের মধ্য দিয়ে।

তিনি বলেন, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, এখানে ‘সংস্কার পরিষদ’ নামে কোনো কিছুর অস্তিত্ব নেই। জুলাই জাতীয় সনদ অনুযায়ী সংবিধান সংস্কার পরিষদ বাস্তবায়ন করতে হলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, রাষ্ট্রপতি জাতীয় সংসদের অধিবেশন আহ্বান করেছেন, কোনো ‘সংস্কার পরিষদের’ অধিবেশন আহ্বান করেননি। আমরা এখন সাংবিধানিকভাবে জাতীয় সংসদের অধিবেশনে অংশ নিচ্ছি।

তিনি আরও বলেন, জুলাই জাতীয় সনদের আওতায় যে পরিষদের কথা বলা হচ্ছে, তার সাংবিধানিক বৈধতা নিয়ে ইতোমধ্যে আদালতে চ্যালেঞ্জ হয়েছে এবং এ বিষয়ে রুল জারি রয়েছে। বিষয়টি এখন বিচার বিভাগের বিবেচনায়।

সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সংবিধান অনুযায়ী বর্তমানে এমন কোনো পরিষদের অস্তিত্ব নেই। যদি গণভোটের রায়ের ভিত্তিতে এ ধরনের পরিষদ গঠন করতে হয়, তাহলে আগে সংবিধানে সংশোধনী আনতে হবে। সংসদে আলোচনা শেষে সংবিধান সংশোধন হলে তবেই সেটি সংবিধানে অন্তর্ভুক্ত হবে এবং পরে প্রয়োজন হলে পরিষদ গঠন ও শপথ গ্রহণের বিষয়টি আসতে পারে।


সংবিধানে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহালের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১৩:৪০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সংবিধানে বহুল আলোচিত নির্বাচনকালীন তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বহাল করে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ রায় প্রকাশ করা হয়েছে।

রোববার (১৫ মার্চ) সুপ্রিম কোর্টের ওয়েবসাইটে ৭৪ পৃষ্ঠার এ রায় প্রকাশ করা হয়। রায়টি লিখেছেন তৎকালীন প্রধান বিচারপতি ড. সৈয়দ রেফাত আহমেদ।

গত ২০ নভেম্বর ওই রায় দিয়েছিলেন সর্বোচ্চ আদালত।


সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের ভাতার তালিকা সংশোধন করা হবে: প্রতিমন্ত্রী ফারজানা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

স্বৈরাচার সরকারের আমলে সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে প্রদত্ত ভাতা গ্রহণকারীদের তালিকায় সংশোধন করা হবে বলে জানিয়েছেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমিন। তিনি বলেছেন, ইতিমধ্যে স্বজনপ্রীতি ও অনিয়ম দূর করে প্রকৃত সুবিধাভোগীদের ভাতা নিশ্চিতে কাজ শুরু হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের অবৈধ ও মনগড়া কর্মসূচিগুলো সংশোধন করা হবে।

রবিবার (১৫ মার্চ) জাতীয় সংসদে প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য জয়নাল আবেদীন ফারুক ও শাহাজাহান চৌধুরীর করা প্রশ্নের উত্তরে তিনি এসব কথা বলেন।

এর আগে সকাল ১১টায় সংসদের স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে সংসদ অধিবেশন শুরু হয়। এ অধিবেশন চলবে আগামী ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত।

প্রশ্নোত্তর পর্বের শুরুতে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমে বাংলাদেশে প্রতিষ্ঠিত সব স্বৈরাচারের বিদায় হয়ে একটি সার্বভৌম সংসদ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। এই সুষ্ঠু নির্বাচনে অংশগ্রহণ করার জন্য সংসদ থেকে জনগণকে আমরা আন্তরিক ধন্যবাদ জানাচ্ছি।

শেখ হাসিনার সরকারের আমলের বিভিন্ন অনিয়ম তুলে ধরে ফারজানা শারমিন বলেন, স্বৈরাচার সরকারের আমলে সমাজকল্যাণ বিভাগ যত অবৈধ এবং মনগড়া কর্মসূচি হাতে নিয়েছে, সেগুলো অচিরেই সংশোধন করা দরকার। ওই সময়ে দেশে একটি অস্থির সময় বিরাজ করেছে। আমাদের হাতে বর্তমানে যে তালিকাগুলো আছে, সেগুলো আমরা রি-চেক (পুনরায় যাচাই) করছি। কারা সত্যিকার অর্থে এই উপকার পাওয়ার যোগ্য, আমরা তা দেখছি।

ফ্যামিলি কার্ডের উদাহরণ টেনে তিনি বলেন, ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যুতে ১৪টি ইউনিটে আমরা কাজ শুরু করার পর সেখান থেকে ফিডব্যাক নিচ্ছি। ভাতার কার্ডগুলোতে যেসব অনিয়ম আছে, সেগুলো চিহ্নিত করে আমরা সমাধানের দিকে যাচ্ছি। এ ছাড়া বিগত সময়ে যেসব আইন ও নীতিমালা করা হয়েছে, সেগুলো যাচাই করে একটি সুষ্ঠু নীতিমালার আওতায় আনা হবে।

দেশে ভাতা কর্মসূচি চালুর কৃতিত্ব সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়াকে দিয়ে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রগ্রাম প্রথম চালু করেন আমাদের সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া। পরবর্তী সময়ে অন্য সরকারগুলো এটি বাস্তবায়ন করে।

তবে বিগত সময়গুলোতে এসব তালিকায় ব্যাপক স্বজনপ্রীতি করা হয়েছিল। আমাদের মূল লক্ষ্য তালিকা নয়, বরং কারা প্রকৃত সুবিধাভোগী হওয়ার যোগ্য, তা চিহ্নিত করা।

মাঠ পর্যায়ে তালিকা সংশোধনের উদ্যোগ সম্পর্কে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা এরই মধ্যে উপজেলা পর্যায়ে কমিটি গঠনের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। এই কমিটির মাধ্যমে তালিকাগুলো যাচাই-বাছাই করে সত্যিকার অর্থে যারা বেনিফিশিয়ারি (সুবিধাভোগী), তারাই যেন কার্ড ও সুযোগ-সুবিধা পান, তা নিশ্চিত করা হবে। সাধারণ মানুষের জীবনমান উন্নয়নের লক্ষ্যেই যাদের প্রকৃত প্রয়োজন, তাদের কাছেই সরকারি সহায়তা পৌঁছে দিতে সরকার সচেষ্ট রয়েছে বলেও সংসদে উল্লেখ করেন প্রতিমন্ত্রী।


এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে সিঙ্গাপুরের পথে মির্জা আব্বাস

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

উন্নত চিকিৎসার জন্য বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে করে সিঙ্গাপুর নেওয়া হচ্ছে। তাকে বহনকারী এয়ার অ্যাম্বুলেন্সটি রোববার (১৫ মার্চ) সকাল ১১টা ২০ মিনিটে উড্ডয়ন করেছে।

মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শেই তাকে বিদেশে নেওয়া হচ্ছে। তার শারীরিক অবস্থা আশঙ্কামুক্ত বলার এখনই কোনো সুযোগ নেই বলে সকালে জানিয়েছেন বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম।

এরআগে, মির্জা আব্বাসের ব্যক্তিগত সচিব মিজানুর রহমান সোহেল জানান, দুপুর ১২টার দিকে মির্জা আব্বাসকে সিঙ্গাপুর নেওয়া হবে। তাকে বহন করতে যাওয়া এয়ার এম্বুলেন্সটি সকাল ৯টা ১০ মিনিটে ঢাকায় এসে পৌঁছেছে।

জানা গেছে, মির্জা আব্বাসের সঙ্গে যাবেন তার সহধর্মিণী আফরোজা আব্বাস এবং জ্যেষ্ঠ পুত্র মির্জা ইয়াসির আব্বাস।

গত বৃহস্পতিবার ইফতারের সময় হঠাৎ অসুস্থ হয়ে পড়লে মির্জা আব্বাসকে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানে সিটি স্ক্যান রিপোর্টে জটিলতা ধরা পড়লে মেডিকেল বোর্ডের সিদ্ধান্তে শুক্রবার তার মস্তিষ্কে অস্ত্রোপচার করা হয়। অস্ত্রোপচার পরবর্তী নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকা অবস্থায় শনিবার সকালে তার পুনরায় সিটি স্ক্যান করা হয়।


পয়লা বৈশাখে কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী

আপডেটেড ১৫ মার্চ, ২০২৬ ১২:৩৩
নিজস্ব প্রতিবেদক

আগামী পয়লা বৈশাখে (১৪ এপ্রিল) কৃষক কার্ড বিতরণ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

রোববার (১৫ মার্চ) বেলা ১১টায় বাংলাদেশ সংসদ সচিবালয়ে কৃষক কার্ড বিষয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সভাপতিত্ব করেন।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন— কৃষিমন্ত্রী আমিন উর রশিদ ও প্রতিমন্ত্রী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু। এছাড়া আরও উপস্থিত ছিলেন প্রধানমন্ত্রীর অর্থ ও পরিকল্পনা উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তি বিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ এবং স্থানীয় সরকার, সমবায় ও পল্লী উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলমসহ প্রমুখ।


banner close