মঙ্গলবার, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
১১ ফাল্গুন ১৪৩২

পুলিশ ও ছাত্রলীগের কাণ্ড!

বইমেলায় ফ্রি বরাদ্দ নিয়ে খাবারের দোকান ১৪ লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ
আপডেটেড
২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ১১:২৬
মনিরুল ইসলাম
প্রকাশিত
মনিরুল ইসলাম
প্রকাশিত : ২৫ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ০০:০৩

‘খরচপাতির’ কথা বলে বাংলা একাডেমি থেকে বিনা মূল্যে বইমেলায় তিনটি খাবারের দোকান বরাদ্দ নিয়ে সাড়ে তেরো লাখ টাকায় বিক্রির অভিযোগ উঠেছে শাহবাগ থানার পুলিশ ও ছাত্রলীগের বিরুদ্ধে। তবে পুলিশ ও ছাত্রলীগ বলছে, তারা খাবারের কোনো দোকান নেননি। আর বাংলা একাডেমি বলছে, খরচপাতির কথা বলে পুলিশ এবং ছাত্রলীগ বিনা মূল্যে তিনটি দোকান নিয়েছে।

হাত-খরচের কথা বলে ছাত্রলীগ একটি আর বইমেলায় স্থাপিত পুলিশ কন্ট্রোলরুম তৈরির খরচ এবং এখানে আসা পুলিশ কর্মকর্তাদের আপ্যায়ন খরচের কথা বলে শাহবাগ থানার পুলিশ দুটি খাবারের দোকান বিনা মূল্যে বরাদ্দ নিয়েছে।

বাংলা একাডেমি থেকে পাওয়া তথ্য বলছে, বইমেলায় আসা দর্শনার্থীদের খাবারের চাহিদা মেটাতে সোহরাওয়ার্দী উদ্যান অংশের শেষ প্রান্তে একজন ব্যক্তি ও ১৬টি প্রতিষ্ঠানকে ২১টি খাবারের দোকান বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ৪টি প্রতিষ্ঠানকে বিনা মূল্যে দেওয়া হয়েছে পাঁচটি দোকান।

প্রতিষ্ঠানগুলো হলো- ছাত্রলীগ, কালীমন্দির, ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) এবং শাহবাগ থানার পুলিশ। এর মধ্যে শাহবাগ থানার পুলিশ পেয়েছে দুটি দোকান বরাদ্দ।

ছাত্রলীগকে দেওয়া ৮ নম্বর দোকানটি বরাদ্দ হয়েছে মেহেদী হাসানের নামে, কালীমন্দিরকে দেওয়া ১৫ নম্বর দোকানটি বরাদ্দ হয়েছে কালীমন্দিরের নামেই, ডিএমপিকে দেওয়া ১৭ নম্বর দোকানটি বরাদ্দ হয়েছে মেট্রো মেকার্সের নামে আর শাহবাগ থানাকে দেওয়া হয়েছে ২০ এবং ২১ নম্বর দোকান দুটি।

সরেজমিনে দেখা যায়, ছাত্রলীগকে দেওয়া ৮ নম্বর দোকানটি বর্তমানে পরিচালনা করছে উজ্জল নামের একজন। তিনি কিনে নিয়েছেন আড়াই লাখ টাকায়। উজ্জল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১২-১৩ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী, থাকেন কবি জসিমউদ্‌দীন হলের ২১৯ নম্বর রুমে।

আর শাহবাগ থানা-পুলিশের নামে বরাদ্দ হওয়া দোকান দুটি পরিচালনা করছে বিল্লাল নামের এক ব্যবসায়ী। তিনি কিনে নিয়েছেন ১১ লাখ টাকায়। দোকানে থাকা ম্যানেজার শাহীন এবং সাব্বির টাকার অঙ্কের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, রাজধানীর বঙ্গবাজার মার্কেটে বিল্লালের ব্যবসা আছে। গত বছরও তিনি শাহবাগ থানার নামে বরাদ্দ হওয়া দোকান দুটি কিনে নিয়েছিলেন। এত টাকায় কিনে নেওয়ার কারণ হিসেবে জানা যায়, প্রতিবছর বাংলা একাডেমির খাবারের দোকানগুলোর দাম একটু বেশি থাকে। কিন্তু এ বছর সেটি কমানো হয়েছে। কিন্তু এর আগেই গত বছরের দামে শাহবাগ থানা-পুলিশের সঙ্গে চুক্তি করে ফেলে বিল্লাল। এ ছাড়া পুলিশের দোকান হলে একটু অতিরিক্ত সুবিধাও পাওয়া যায়। অন্য দোকানগুলোর নির্দিষ্ট জায়গা থাকলেও এই দুটি দোকানের থাকে না কোনো নির্দিষ্ট সীমানা। যতটুকু ইচ্ছা জায়গা নিজের করে নেওয়া যায়।

বিষয়টি স্বীকারও করেছেন বইমেলার খাবার-সংশ্লিষ্ট স্টল এবং মোবাইল ফোন টাওয়ারের স্থান বরাদ্দ ও তত্ত্বাবধান কমিটির আহ্বায়ক মো. হাসান কবীর।

তবে বিনা মূল্যে খাবারের স্টল নেওয়া এবং ১১ লাখ টাকায় বিক্রির বিষয়টি স্বীকার করেননি শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাজিরুর রহমান। তিনি বলেন, ‘আমরা একাডেমি থেকে খাবারের কোনো দোকান নেইনি। আর বিক্রির তো প্রশ্নই আসে না।’

ছাত্রলীগকে বিনা মূল্যে খাবারের দোকান বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে কথা হয় বাংলা একাডেমির হিসাবরক্ষণ ও বাজেট উপ-বিভাগের উপপরিচালক কামাল উদ্দীন আহমেদের সঙ্গে।

তিনি বলেন, ছাত্রলীগকে এই দোকান দেওয়ার বিষয়ে শয়ন (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ সভাপতি মাজহারুল কবির শয়ন) সাহেবের সঙ্গেও কথা হয়েছে। সাদ্দাম (কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন) সাহেবও জানে। এই স্টল নেওয়ার জন্য একটা পক্ষ এসেছিল। এরপর তাদের উপস্থিতিতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতিকে ফোন দেওয়া হয়েছিল, এ সময় সাদ্দাম সাহেবকেও ফোন দেওয়া হয়েছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখা নেওয়ার পর যদি কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগও আলাদা দোকান বরাদ্দ চায় তখন তো ঝামেলা হয়ে যাবে। এ জন্য দুজনের সঙ্গেই কথা বলে শুধু একটা দোকান দেওয়া হয়েছে।

ছাত্রলীগকে কেন বিনা মূল্যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে জানতে চাইলে ‘খাবার ও সংশ্লিষ্ট স্টল এবং মোবাইল ফোন টাওয়ারের স্থান বরাদ্দ ও তত্ত্বাবধান কমিটির’ আহ্বায়ক মো. হাসান কবীর বলেন, দেশ চালায় কারা? পুলিশ আর ছাত্রলীগই তো চালায়। তাদের সমীহ করতে হবে না। তাদের আমরা অনেক কিছু দেইনি। একটা স্টল দিয়েছি।’

হাসান কবীর বলেন, তারা (ছাত্রলীগ) আমাদের বলেছে, ‘আমরা ছাত্র মানুষ। আমরা জনগণের জন্য কাজ করতে চাই। আমাদের হাত খরচ লাগে। তখন আমরা বলেছি, তাহলে আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়, কেন্দ্র বা লোকাল যেই নামে আসেন না কেন আমরা শুধু একটা স্টলই দিতে পারব। তাদের এও বলেছি, আপনারা দায়িত্ব নেন, ছাত্রলীগের নামে যেন আর কেউ না আসে। তারা আমাদের আশ্বস্ত করে বলেছে, কেউই আসবে না। তারা এটি নিয়ন্ত্রণ করবে।’

খাবারের স্টল নেওয়ার বিষয়ে ছাত্রলীগ সভাপতি সাদ্দাম হোসেন বলেন, ‘এটি সম্পর্কে আমি অবগত নই। আর এটি করারও কোনো সুযোগ নেই। বাংলাদেশ ছাত্রলীগের একমাত্র স্টল মাতৃভূমি প্রকাশনা স্টল। এটিকে কেন্দ্র করেই যে আড্ডা বইমেলায় এটিই আমাদের একমাত্র কর্মসূচি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি মাজহারুল কবীর শয়ন বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার মন্তব্য হলো, আমার জানা নেই।’

ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক শেখ ওয়ালি আসিফ ইনান বলেন, বইমেলায় ছাত্রলীগের খাবারের স্টল থাকার প্রশ্নই আসে না। এগুলোর সঙ্গে কারও যুক্ত থাকার কোনো সুযোগ বা অবকাশও নেই। কেউ ব্যক্তিগতভাবে এগুলোর সঙ্গে জড়িত থাকলে সেটার দায় ছাত্রলীগ নেবে না।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক তানভীর হাসান সৈকত বলেন, ‘বাংলা একাডেমি থেকে আমি কোনো খাবারের স্টল নেইনি, এটা কনফার্ম। এগুলো আমার রাজনৈতিক শিক্ষার মধ্যে পড়ে না। তবে আমার প্রেসিডেন্ট (মাজহারুল কবীর শয়ন) নিয়েছে কি না, সেটা আমি বলতে পারব না।’

দোকান বরাদ্দ পেয়েছে পরিচালকের বউ এবং একাডেমির এক কর্মকর্তাও।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বইমেলায় দুটি খাবারের দোকান বরাদ্দ পেয়েছেন একাডেমির গ্রন্থাগার বিভাগের পরিচালক ড. মো. শাহাদাৎ হোসেনের স্ত্রী শারমিন সুলতানা শর্মী আর একটি পেয়েছেন একাডেমির হেড ইলেকট্রিশিয়ান আলী হোসেন। তবে টাকা দিয়েই এই স্টল তিনটি নিয়েছেন তারা। শর্মী নড়াইল পিঠাঘরের নামে দুটি দোকান পরিচালনা করছেন আর মোহাম্মদ আলী টিএফসি নামে দোকান পরিচালনা করছেন।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে বাংলা একাডেমির এক কর্মকর্তা বলেন, নিজের বউয়ের নামে স্টল বরাদ্দ নিতে শাহাদাৎ হোসেন ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন। আর মোহাম্মদ আলী তথ্য গোপন করে এই স্টলটি নিয়েছেন। বাইরের কাউকে দিলে ভালো দামে এই দোকান তিনটি বরাদ্দ দেওয়া যেত। কিন্তু তারা কম দামে নেওয়ায় বাংলা একাডেমিই লাভবান হওয়ার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হলো।

পরিচালকের বউকে দোকান বরাদ্দ দেওয়ার বিষয়ে হাসান কবীর বলেন, এই স্টলটা মূলত আমাদের এক পরিচালক তার এক আত্মীয়কে দিতে বলেছেন। তাই এটা তার আত্মীয়কে দেওয়া হয়েছে।

যাকে ‘আত্মীয়’ বলা হচ্ছে তিনি পরিচালকের ‘স্ত্রী’ জানালে তিনি বলেন, ‘এটা আমি মাত্রই শুনেছি। আত্মীয়ের কথা বলেই এটা নেওয়া হয়েছে।’

আলী হোসেনের দোকান নেওয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এটি হতেই পারে না। আমি খোঁজ নিচ্ছি।’


নির্বাচনের পর ইসিতে বড় রদবদল, বদলি ১১২ কর্মকর্তা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শেষ হতেই মাঠ প্রশাসনে ব্যাপক পরিবর্তন এনেছে নির্বাচন কমিশন। দেশের বিভিন্ন উপজেলা ও থানা পর্যায়ে কর্মরত ১১২ জন নির্বাচন কর্মকর্তাকে একযোগে বদলি করা হয়েছে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জনবল ব্যবস্থাপনা শাখার সহকারী সচিব মোহাম্মদ শহীদুর রহমান স্বাক্ষরিত এক অফিস আদেশে এ নির্দেশনা জারি হয়।

অফিস আদেশে বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়সহ বিভিন্ন উপজেলা ও থানায় কর্মরত কর্মকর্তাদের বর্তমান কর্মস্থল থেকে সরিয়ে নতুন দায়িত্বস্থলে পদায়ন করা হয়েছে। জনস্বার্থে জারি করা এ আদেশ তাৎক্ষণিকভাবে কার্যকর হবে।

বদলি হওয়া কর্মকর্তাদের আগামী ১ মার্চের মধ্যে বর্তমান কর্মস্থল থেকে অবমুক্ত হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দায়িত্ব হস্তান্তর না করলে ওইদিন অপরাহ্ণে তাদের সরাসরি অবমুক্ত হিসেবে গণ্য করা হবে বলে আদেশে উল্লেখ রয়েছে।

ইসি সূত্র জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন-পরবর্তী সময়ে এটিই সবচেয়ে বড় বদলির পদক্ষেপ। সামনে উপজেলা, পৌরসভা ও ইউনিয়ন পরিষদসহ স্থানীয় সরকার নির্বাচন থাকায় প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই রদবদল করা হয়েছে বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন।

এদিনই ইসি সচিবালয়ে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূত। আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন তিনি।


বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজে মাতৃভাষা দিবস পালন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
ক্যাম্পাস প্রতিনিধি

শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস-২০২৬ পালন করেছে রাজধানীর বনফুল আদিবাসী গ্রীনহার্ট কলেজ। এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানমালার মধ্যে ছিল প্রভাতফেরি, দেয়ালিকা উদ্বোধন, আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। অমর একুশের চেতনাকে সমুন্নত রাখতে কলেজ প্রাঙ্গণ সাজানো হয়েছিল বর্ণিল সাজে। একুশের প্রথম প্রহরে কলেজের শিক্ষক ও ছাত্রছাত্রীদের অংশগ্রহণে বের করা হয় এক বিশাল প্রভাতফেরি। ‘আমার ভাইয়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি, আমি কি ভুলিতে পারি’ এই কালজয়ী গানের সুরে সুরে নগ্ন পায়ে সবাই কলেজের শহীদ মিনারে উপস্থিত হন এবং পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানান।

দিবসটি যথাযথভাবে পালন উপলক্ষে কলেজ ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হয় বিশেষ আলোচনা সভার। কলেজের রেক্টর প্রফেসর তরুণ কান্তি বড়ুয়ার সভাপতিত্বে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কলেজ গভর্নিং বডির সভাপতি ভেন. প্রজ্ঞানন্দ মহাথেরো। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কলেজের অধ্যক্ষ ড. সঞ্জয় কুমার ধর এবং মাতৃভাষা আন্দোলনের ইতিহাস নিয়ে তথ্যবহুল বক্তব্য দেন শিক্ষক প্রতিনিধি মোস্তাকিয়া মাহমুদা পারভীন ও দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী মো. শাফাকাত চৌধুরী সায়াদ।

অনুষ্ঠানের শেষাংশে কলেজের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে একটি মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান পরিবেশিত হয়, যেখানে ছিল দেশাত্মবোধক গান ও কবিতা আবৃত্তি। অনুষ্ঠানের সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন কলেজে জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির আহ্বায়ক ও বাংলা বিভাগের সিনিয়র প্রভাষক রতন কুমার ধর এবং সঞ্চালনা করেন সহকারী শিক্ষক রানজুনি চাকমা। উল্লেখ্য যে, মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস ২০২৬ উদযাপন উপলক্ষে গত ১৭ ও ১৮ ফেব্রুয়ারি কলেজ প্রাঙ্গণে শিক্ষার্থীদের চিত্রাঙ্কন ও সুন্দর হাতের লেখা প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছিল।


নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হচ্ছেন ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী

ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরী। সংগৃহীত ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) সরকার গঠনের পর রাষ্ট্রের প্রধান আইন কর্মকর্তার পদ নিয়ে আলোচনা চলছে। এ বিষয়ে একাধিক নাম সামনে এসেছে। এর মধ্যে সুপ্রিম কোর্টের সিনিয়র আইনজীবী ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল এবং ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীর নাম উল্লেখযোগ্যভাবে আলোচিত হচ্ছে।

আইন মন্ত্রণালয় সূত্রের বরাতে জানা গেছে, ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীকে নতুন অ্যাটর্নি জেনারেল হিসেবে নিয়োগের বিষয়ে প্রজ্ঞাপন জারি হতে পারে। সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) এ সংক্রান্ত ঘোষণা আসতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে।

ব্যারিস্টার রাগিব রউফ চৌধুরীর বাবা ছিলেন ভাষা সৈনিক ও মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম সংগঠক প্রয়াত আব্দুর রউফ চৌধুরী।

শিক্ষাজীবনে তিনি কুষ্টিয়া জিলা স্কুল থেকে এসএসসি এবং ঢাকা নটরডেম কলেজ থেকে এইচএসসি সম্পন্ন করেন। পরে আলীগড় মুসলিম বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞানে অনার্স এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন। এরপর যুক্তরাজ্যের দুটি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে ডিগ্রি নিয়ে লন্ডনের লিংকনস ইন থেকে বার-অ্যাট-ল সম্পন্ন করেন। আইনের সঠিক প্রয়োগ ও সুশাসন প্রতিষ্ঠাকে তিনি তার প্রধান অঙ্গীকার হিসেবে উল্লেখ করেন বলে জানা গেছে।

এর আগে গত ২৭ ডিসেম্বর অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। পরে তিনি সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়ে আইনমন্ত্রীর দায়িত্ব গ্রহণ করেন। তখন থেকে অ্যাটর্নি জেনারেলের পদটি শূন্য রয়েছে।


১২ই মার্চ সংসদ অধিবেশন ডেকেছেন রাষ্ট্রপতি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
দৈনিক বাংলা ডেস্ক

আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেছেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন। ওই দিন বেলা ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে অধিবেশন শুরু হবে।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের (১) দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে এই অধিবেশন আহ্বান করেছেন।

প্রথা অনুযায়ী, নতুন সংসদের প্রথম অধিবেশনে রাষ্ট্রপতি সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরে ভাষণ দেন। এরপর রাষ্ট্রপতির ভাষণের ওপর আনা ধন্যবাদ প্রস্তাব নিয়ে সাধারণ আলোচনা অনুষ্ঠিত হয়।

এরই মধ্যে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিজয়ী ২৯৭ জন সংসদ সদস্য শপথ গ্রহণসহ প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করেছেন। আগামী ১২ মার্চ স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন শেষে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হবে।


ধর্মব্যবসায়ী ও জুলুমবাজদের রাষ্ট্রে কোনো স্থান নেই: ধর্মমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ইসলামের নাম ব্যবহার করে যারা ব্যক্তিগত স্বার্থ হাসিল বা ধর্ম নিয়ে ব্যবসা করতে চায়, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেছেন ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেইন (কায়কোবাদ)। আজ সোমবার বায়তুল মোকাররমের উত্তর গেটে ইসলামিক ফাউন্ডেশন ও ধর্ম বিষয়ক মন্ত্রণালয় আয়োজিত ‘ইসলামী বইমেলা-২০২৬’-এর শুভ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এই মন্তব্য করেন। মন্ত্রী স্পষ্টভাবে জানান, ধর্মকে পুঁজি করে যারা অস্থিতিশীলতা তৈরি করতে চায় কিংবা একে ব্যবসার মাধ্যম হিসেবে গ্রহণ করেছে, বর্তমান শাসনামলে তাদের কোনো প্রশ্রয় দেওয়া হবে না। ইসলামের প্রকৃত আদর্শ প্রচার ও প্রসারে সরকার আপসহীনভাবে কাজ করে যাবে।

অনুষ্ঠানে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখার মূল মন্ত্র হিসেবে মহান আল্লাহর নির্দেশ পালনের ওপর বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন ধর্মমন্ত্রী। তিনি মনে করেন, মহান আল্লাহর হুকুম পালন করা ছাড়া পৃথিবীতে প্রকৃত শান্তি আনা সম্ভব নয়। এসময় তিনি ইসলামিক ফাউন্ডেশনের সৃজনশীল কর্মকাণ্ডের প্রশংসা করে জানান, এই প্রতিষ্ঠান থেকে প্রকাশিত মানসম্মত ইসলামিক বইগুলো সাধারণ মানুষকে ইসলামের সঠিক ও নির্ভুল জ্ঞান অর্জনে সহায়তা করছে। জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠন এবং ইসলামের অপব্যাখ্যা রোধে এই ধরণের বইমেলা অত্যন্ত কার্যকর ভূমিকা পালন করবে বলে তিনি বিশ্বাস করেন।

বিগত দিনের অনিয়ম ও দুর্নীতির বিষয়ে ইঙ্গিত করে কায়কোবাদ জানান, অতীতে যারা সাধারণ মানুষের ওপর অন্যায়, অবিচার ও জুলুম চালিয়েছে, তাদের অবশ্যই বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। তিনি পুনরায় সতর্ক করে বলেন, কোনো অত্যাচারকারী বা জুলুমবাজকে বর্তমান সরকার বিন্দুমাত্র ছাড় দেবে না। সমাজে ইনসাফ কায়েম করা এবং অপরাধীদের আইনি প্রক্রিয়ায় উপযুক্ত শাস্তি নিশ্চিত করাই নতুন সরকারের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য। ইসলামের মানবিক মূল্যবোধকে সমাজ ও রাষ্ট্রের প্রতিটি স্তরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য তিনি সকলের প্রতি আহ্বান জানান।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের আয়োজনে শুরু হওয়া এই মেলায় বিভিন্ন প্রকাশনী তাদের সংগৃহীত ও প্রকাশিত কালজয়ী সব ইসলামিক গ্রন্থ নিয়ে অংশ নিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ধর্ম মন্ত্রণালয়ের সচিব মো. কামাল উদ্দিন এবং ইসলামিক ফাউন্ডেশনের মহাপরিচালক ছালাম খানসহ প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। একুশের চেতনার রেশ ধরে ইসলামি সংস্কৃতির বিকাশে আয়োজিত এই মেলা সর্বস্তরের ধর্মপ্রাণ পাঠকদের মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা প্রকাশ করেন। মেলা উদ্বোধনের পর মন্ত্রী বিভিন্ন স্টল ঘুরে দেখেন এবং প্রকাশকদের উৎসাহিত করেন।


সততা ও দেশপ্রেমকে মূলমন্ত্র করে রাষ্ট্রের স্বার্থে কাজ করার আহ্বান সড়ক পরিবহনমন্ত্রীর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম দেশের নবীন কর্মকর্তাদের রাষ্ট্রের স্বার্থে নিজেকে উৎসর্গ করার এবং সততাকে জীবনের প্রধান আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করার উদাত্ত আহ্বান জানিয়েছেন। সোমবার সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সম্মেলন কক্ষে ৪৪তম বিসিএস (সড়ক ও জনপথ) ক্যাডারে নবযোগদানকৃত ৩২ জন প্রকৌশলীর সাত দিনব্যাপী ইনডাকশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। মন্ত্রী নবীন কর্মকর্তাদের অভিনন্দন জানিয়ে বলেন, রাষ্ট্র তাঁদের প্রকৌশলী হিসেবে গড়ে তুলেছে শুধুমাত্র দেশ ও জনগণের সেবা নিশ্চিত করার জন্য। এই গুরুত্বপূর্ণ উপলব্ধিটি প্রতিটি কর্মস্থলে হৃদয়ে ধারণ করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের উদ্দেশে শেখ রবিউল আলম বলেন, কর্মক্ষেত্রে দেশ ও রাষ্ট্রের স্বার্থে নিজেকে সর্বদা নিবেদিত রাখা অনেক সময় চ্যালেঞ্জিং হতে পারে। নানা ধরণের প্রতিকূলতা ও প্রতিবন্ধকতা সামনে আসবে, তবে তরুণ কর্মকর্তারা দৃঢ় সংকল্পবদ্ধ থাকলে সমাজ ও রাষ্ট্রের পরিকাঠামোতে ইতিবাচক পরিবর্তন আনা অবশ্যই সম্ভব। তিনি স্মরণ করিয়ে দেন যে, রাষ্ট্রের প্রতিটি পয়সা প্রকৃতপক্ষে সাধারণ জনগণের কষ্টার্জিত অর্থ। এই অর্থের প্রতিটি কণা যেন যথাযথভাবে এবং অত্যন্ত স্বচ্ছতার সঙ্গে ব্যবহার করা হয়, তা নিশ্চিত করা সরকারি কর্মকর্তাদের নৈতিক দায়িত্ব। যেকোনো ধরণের অনৈতিক চর্চা পরিহার করে এবং ব্যক্তিগত স্বার্থের ঊর্ধ্বে উঠে দেশের সামগ্রিক উন্নয়নকে প্রাধান্য দেওয়ার জন্য তিনি কর্মকর্তাদের কঠোর নির্দেশনা প্রদান করেন।

নির্মাণ কাজে অপচয় রোধের বিষয়ে মন্ত্রী বর্তমান সরকারের জিরো টলারেন্স নীতির কথা পুনর্ব্যক্ত করেন। তিনি জানান, দেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও রাষ্ট্রীয় অর্থের অপচয় বন্ধে বর্তমান সরকার দৃঢ়ভাবে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। এক্ষেত্রে নবীন প্রকৌশলীদের উদ্ভাবনী চিন্তা ও সৃজনশীলতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। প্রচলিত প্রথার বাইরে গিয়ে আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার এবং স্বচ্ছতা নিশ্চিত করার মাধ্যমে উন্নয়ন প্রকল্পগুলোর গুণগত মান বৃদ্ধির পরামর্শ দেন তিনি। সততা ও নৈতিকতার সঙ্গে অর্পিত দায়িত্ব পালনই একজন প্রকৃত দেশপ্রেমিক কর্মকর্তার প্রধান পরিচয় বলে তিনি মন্তব্য করেন। সরকারের উচ্চাশা ও জনগণের প্রত্যাশা পূরণে নবীন কর্মকর্তাদের নতুন উদ্যমে কাজ করার পরামর্শ দেন তিনি।

সমাপনী এই অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, প্রতিমন্ত্রী মো. রাজিব আহসান, সড়ক ও জনপথ অধিদপ্তরের প্রধান প্রকৌশলী সৈয়দ মঈনুল হাসান এবং ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফারুক আহমেদসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাবৃন্দ। সাত দিনব্যাপী এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে নবীন কর্মকর্তাদের প্রশাসনিক কাঠামো পরিচালনা, দক্ষ প্রকল্প ব্যবস্থাপনা, সড়ক নিরাপত্তার কলাকৌশল এবং আর্থিক শৃঙ্খলা ও পেশাদারিত্বের বিষয়ে বিস্তারিত দিকনির্দেশনা প্রদান করা হয়। প্রশিক্ষণের সফল সমাপ্তির মাধ্যমে এই ৩২ জন কর্মকর্তা এখন দেশের যোগাযোগ অবকাঠামো উন্নয়নে মাঠ পর্যায়ে দায়িত্ব পালনের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে প্রস্তুত হলেন।


১২ মার্চ শুরু হচ্ছে ত্রয়োদশ সংসদের প্রথম অধিবেশন

আপডেটেড ২৩ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬ ১৬:৫৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন আগামী ১২ মার্চ বৃহস্পতিবার বেলা ১১টায় অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকার শেরে বাংলা নগরে অবস্থিত জাতীয় সংসদ ভবনের সংসদ কক্ষে এই অধিবেশন আয়োজনের সমস্ত প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন সংবিধানের ৭২ অনুচ্ছেদের ১ দফায় প্রদত্ত ক্ষমতাবলে ২০২৬ খ্রিষ্টাব্দের এই প্রথম অধিবেশন আহ্বান করেন। সোমবার জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের গণসংযোগ অধিশাখা থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই বিশেষ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। সংসদ সচিবালয়ের পরিচালক (গণসংযোগ) মো. এমাদুল হক স্বাক্ষরিত এক আদেশে রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্তের কথা জনসম্মুখে জানানো হয়।

সংসদীয় প্রথা ও আইন অনুযায়ী নতুন সংসদের প্রথম দিনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই নির্বাচনের পরপরই নতুন স্পিকারের সভাপতিত্বে ত্রয়োদশ সংসদের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রমের শুভ সূচনা হবে। অধিবেশনের শুরুতেই রাষ্ট্রপতি বর্তমান সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকাণ্ড এবং আগামী দিনের প্রশাসনিক ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনার ওপর ভিত্তি করে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ ভাষণ দেবেন। রাষ্ট্রপতির এই ভাষণের পর সংসদ সদস্যরা আনীত ধন্যবাদ প্রস্তাবের ওপর দীর্ঘ সাধারণ আলোচনায় অংশ নেওয়ার সুযোগ পাবেন। গত ১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত সাধারণ নির্বাচনের পর এরই মধ্যে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্যদের শপথ গ্রহণসহ অন্যান্য প্রাথমিক প্রশাসনিক আনুষ্ঠানিকতা সফলভাবে সম্পন্ন করা হয়েছে। সংসদীয় গণতন্ত্রের ধারাবাহিকতায় ১২ মার্চের এই অধিবেশনটি দেশের নীতি নির্ধারণী পর্যায়ে বিশেষ গুরুত্ব বহন করবে বলে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছে।


এসপি-ওসি নিয়োগ যোগ্যতার ভিত্তিতে, লটারিতে নয়: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশের এসপি ও ওসিদের নিয়োগ আর লটারির মাধ্যমে হবে না বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেছেন, ভবিষ্যতে যোগ্যতা ও দক্ষতার ভিত্তিতেই এসব গুরুত্বপূর্ণ পদে পদায়ন করা হবে।

আজ সোমবার ( ২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে সচিবালয়ে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের অধিদপ্তরগুলোর প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘নির্বাচনের আগে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় এসপি ও ওসিদের লটারির মাধ্যমে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু এভাবে গুরুত্বপূর্ণ পদে নিয়োগ দিলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা প্রত্যাশিত সেবা দিতে পারেন না। বড় জেলা ও ছোট জেলার কাজের ধরন আলাদা- সেখানে অভিজ্ঞতা, দক্ষতা ও উপযুক্ততা বিবেচনা করা জরুরি। কিন্তু তা যথাযথভাবে অনুসরণ করা হয়নি। এমনকি লটারির প্রক্রিয়াটিও স্বচ্ছ ছিল না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সরকারি নিয়োগ এভাবে হওয়া উচিত নয়। সংশ্লিষ্ট বিভাগ যাদের দক্ষ ও উপযুক্ত মনে করবে, তাদেরই নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী পদায়ন করা হবে—এমন নির্দেশনা বৈঠকে দেওয়া হয়েছে।’

এর আগে গত নভেম্বরের শেষ দিকে অন্তর্বর্তী সরকার লটারির মাধ্যমে এসপি-ওসিদের পদায়ন শুরু করে। ২৪ নভেম্বর প্রধান উপদেষ্টার বাসভবন যমুনায় লটারির মাধ্যমে দেশের ৬৪ জেলার পুলিশ সুপার চূড়ান্ত করা হয়। পরে ডিসেম্বরের শুরুতে একই প্রক্রিয়ায় ৫২৭ থানায় নতুন ওসি পদায়ন করা হয়।


অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চায় না বাংলাদেশ: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশ সব দেশের সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ ও পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ তার স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবে এবং অভ্যন্তরীণ বিষয়ে অন্য দেশের হস্তক্ষেপ চাইবে না।’

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে বিভিন্ন দেশের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে বৈঠকের পরে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এমন মন্তব্য করেন তিনি।

ড. খলিলুর রহমান বলেন, ‘গতকাল থেকে আমাদের দেশের বিদেশে নিযুক্ত রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে আমরা বৈঠক শুরু করেছি।

আমরা তাদের কাছে আমাদের সরকারের বৈদেশিক নীতির আউটলাইন তুলে ধরেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রতিটি দেশের সঙ্গে পারস্পরিক লাভজনক সম্পর্ক গড়ে তুলতে চাই। এখন পর্যন্ত সৌদি আরব, চীন, ভারত, পাকিস্তান, যুক্তরাষ্ট্র এবং ইউরোপীয় ইউনিয়নের রাষ্ট্রদূতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছি। আমি লক্ষ করেছি যে তারা আমাদের সরকারের প্রতি গভীর আস্থা এবং আমাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠভাবে কাজ করার প্রবল ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন।’

পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের মোটো হচ্ছে বাংলাদেশ ফার্স্ট। সবার ওপরে থাকবে বাংলাদেশ। আমরা স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষা করবো, পরস্পরের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করব না এবং আমাদের নীতিমালা হবে পারস্পরিক স্বার্থ, ন্যাশনাল ডিগনিটি ও জাতীয় মর্যাদার ওপর ভিত্তি করে।’


নির্বাচিত সরকার এলে পছন্দের লোক বসানোই স্বাভাবিক: বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিদায়ী চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম নবনির্বাচিত সরকারের প্রশাসনিক রদবদলকে একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া হিসেবে অভিহিত করেন। সোমবার ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনি জানান, একটি নতুন নির্বাচিত সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলোতে নিজেদের পছন্দের ব্যক্তিদের নিয়োগ দেওয়াটা খুবই সাধারণ ঘটনা। বিচার প্রক্রিয়ার ধারাবাহিকতা রক্ষা এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার ওপর তিনি বিশেষ গুরুত্বারোপ করেন।

নিজের দায়িত্বকাল সম্পর্কে তিনি উল্লেখ করেন, অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে তাঁকে এই পদে নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে নির্বাচিত সরকার নিজস্ব পরিকল্পনা অনুযায়ী নতুন নেতৃত্ব নিয়ে এসেছে এবং একে তিনি ইতিবাচকভাবেই দেখছেন। নতুন দায়িত্বপ্রাপ্তদের প্রতি শুভকামনা জানিয়ে তিনি প্রয়োজনে আইনি পরামর্শ ও সহযোগিতা প্রদানের প্রতিশ্রুতি ব্যক্ত করেন। সাধারণ নাগরিক হিসেবে তাঁর একমাত্র চাওয়া হলো জুলাই অভ্যুত্থানে ভুক্তভোগী মানুষের বিচারের দাবি যেন কোনোভাবেই থমকে না যায়।

পদত্যাগের বিষয়ে ওঠা গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে তাজুল ইসলাম জানান, দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রক্রিয়াটি প্রশাসনিক পরামর্শ মেনেই সম্পন্ন হয়েছে। শুরুতে তাঁকে বর্তমান ধারা বজায় রাখার কথা বলা হলেও পরবর্তীতে নতুন নিয়োগের বিষয়টি সামনে আসে। সেই সময়ে তিনি পদত্যাগের ইচ্ছা প্রকাশ করলেও সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তাঁকে সরাসরি পদত্যাগ না করার পরামর্শ দেওয়া হয়। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ তাঁকে আশ্বস্ত করেছিল নতুন কেউ দায়িত্ব গ্রহণ করলে তিনি স্বয়ংক্রিয়ভাবে স্থলাভিষিক্ত হবেন। জনসাধারণের কাছে কোনো ভুল বার্তা যাওয়ার আশঙ্কা থেকেই তিনি নিজে থেকে পদত্যাগপত্র জমা দেননি।

এ পর্যন্ত সংগৃহীত তথ্য-প্রমাণাদি সম্পর্কে তিনি অত্যন্ত আত্মবিশ্বাসী মন্তব্য করেন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, ট্রাইব্যুনাল এখন পর্যন্ত যে পরিমাণ অকাট্য প্রমাণাদি হাজির করেছে, তা পৃথিবীর যেকোনো প্রান্তের আদালতে উপস্থাপন করা হলে আসামিদের সর্বোচ্চ সাজা হওয়া সময়ের ব্যাপার মাত্র। পুরো প্রসিকিউশন টিম কোনো অভ্যন্তরীণ গ্রুপিং ছাড়াই অত্যন্ত সুসংগঠিতভাবে কাজ করেছে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব পালন শেষে তিনি পুনরায় সুপ্রিম কোর্টের নিয়মিত আইন পেশায় ফিরে যাওয়ার ঘোষণা দেন।


জরুরি ভিত্তিতে পুলিশের ২ হাজার ৭০১ কনস্টেবল নিয়োগের নির্দেশ

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। ছবি : সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পুলিশ বাহিনীতে জনবল বাড়াতে দ্রুত ২ হাজার ৭০১ জন কনস্টেবল নিয়োগের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন সালাহউদ্দিন আহমদ। তিনি বলেন, এ নিয়োগ কার্যক্রম জরুরি ভিত্তিতে শুরু হবে।

আজ সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে বিভিন্ন দপ্তরের প্রধানদের সঙ্গে মতবিনিময় সভা শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের প্রধান লক্ষ্য হলো জনগণের প্রত্যাশা অনুযায়ী আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিচালনা করা।’

তিনি জানান, বিগত ফ্যাসিবাদী সরকারের সময় যেসব আগ্নেয়াস্ত্রের লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো পুনরায় যাচাই করা হবে। লাইসেন্স যথাযথ নিয়মে দেওয়া হয়েছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হবে।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘আশা করছি এই কাজ দ্রুত সম্পন্ন করা যাবে। যারা লাইসেন্স পেয়েছেন, তারা কি তা পাওয়ার যোগ্য ছিলেন, তা যাচাই করা হবে। রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে যে লাইসেন্স দেওয়া হয়েছে, সেগুলো বাতিল করা হবে। এছাড়া এই লাইসেন্সের অধীনে থাকা অস্ত্রগুলোও বাতিল হবে।’

তিনি আরও জানান, তার জানা অনুযায়ী ১০ হাজারের বেশি অস্ত্র এখনও উদ্ধার হয়নি। এসব অস্ত্র বর্তমানে অবৈধ হিসেবে গণ্য। এগুলো নিয়ে মামলা হতে পারে এবং আইনি প্রক্রিয়ায় উদ্ধার কার্যক্রম চালানো হবে।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন মার্কিন রাষ্ট্রদূতের

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করায় ড. খলিলুর রহমানকে অভিনন্দনও জানিয়েছেন ঢাকায় নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন। এ সময় তিনি বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রকে আরো নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে যৌথভাবে কাজ চালিয়ে যাওয়ার আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে প্রথম সৌজন্য বৈঠক শেষে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ (সাবেক টুইটার) দেওয়া এক পোস্টে এ আশাবাদ ব্যক্ত করেন মার্কিন রাষ্ট্রদূত।

পোস্টে ব্রেন্ট টি. ক্রিস্টেনসেন বলেন, পররাষ্ট্রমন্ত্রী হিসেবে নতুন দায়িত্ব গ্রহণের জন্য খলিলুর রহমানকে অভিনন্দন।

আমাদের দুই দেশকে আরও নিরাপদ, শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ করতে একসঙ্গে কাজ চালিয়ে যেতে পেরে আমি আনন্দিত।

কূটনৈতিক সূত্র জানায়, বৈঠকে বাংলাদেশ-যুক্তরাষ্ট্র দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক, পারস্পরিক স্বার্থসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় এবং আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক ইস্যুতে সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

সোমবার সকালে মার্কিন রাষ্ট্রদূত পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে আসেন। শুরুতে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদের সঙ্গে ও পরে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমানের সঙ্গে বৈঠক করেন তিনি।


সশস্ত্র বাহিনীর আধুনিকায়নে সরকার বদ্ধপরিকর: প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

সশস্ত্র বাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের প্রতিরক্ষা উপদেষ্টা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) শামসুল ইসলাম।

সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর শের-ই-বাংলা নগরে অবস্থিত প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় পরিদর্শন শেষে এ কথা বলেন তিনি।

মন্ত্রণালয় পরিদর্শনে এলে প্রতিরক্ষা সচিব মোহাম্মদ আশরাফ উদ্দিন তাকে স্বাগত জানান। এ সময় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ে কর্মরত সকল কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।

উপদেষ্টাকে প্রতিরক্ষা সচিব প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের কর্মকাণ্ড, উল্লেখযোগ্য সাফল্য এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা সম্পর্কে অবহিত করেন। পরে উপদেষ্টা উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য প্রদান করেন।

পরে উপদেষ্টা উপস্থিত সকলের উদ্দেশ্যে দিক নির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন।

উপদেষ্টা বলেন, সশস্ত্র বাহিনীর সম্প্রসারণ ও আধুনিকায়নের কার্যক্রমসমূহ বাস্তবায়নে সরকার বদ্ধপরিকর। বর্তমান সরকার দেশের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সুদৃঢ় করণের জন্য কাজ করবে।

এসময় তিনি সরকারের নির্বাচনী ওয়াদা পূরণকল্পে মন্ত্রণালয়ের সকলে আন্তরিকভাবে কাজ করবেন বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

একইসঙ্গে প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন সামরিক ও বেসামরিক প্রতিষ্ঠানসমূহের সক্ষমতা বৃদ্ধি, স্বাধীন-সার্বভৌম, আধুনিক ও উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার প্রচেষ্টায় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় নিরলসভাবে কাজ করে যাবে বলেও তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।


banner close