শুক্রবার, ২০ মার্চ ২০২৬
৬ চৈত্র ১৪৩২

সংরক্ষিত ৫০ নারী এমপির গেজেট প্রকাশ

নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত
নিজস্ব প্রতিবেদক
প্রকাশিত : ২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪ ২১:৪১

দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনে বিজয়ীদের চূড়ান্ত তালিকার গেজেট প্রকাশ করেছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) নির্বাচন কমিশন বিজয়ীদের নাম ঘোষণার গেজেট প্রকাশ করে।

নির্বাচনে দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং কর্মকর্তা (যুগ্ম সচিব) মুনিরুজ্জামান তালুকদার জানান, দ্বাদশ জাতীয় সংসদের ৫০টি সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচন উপলক্ষে মনোনয়নপত্র দাখিলের নির্ধারিত সময়সূচি অনুযায়ী গত ১৮ ফেব্রুয়ারি বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ/জোটের মনোনীত ৪৮ জন এবং জাতীয় পার্টি মনোনীত দুইজন অর্থাৎ মোট ৫০ জন প্রার্থীর মনোনয়নপত্র দাখিল করেন।

তিনি আরও জানান, দাখিল করা মনোনয়নপত্রসমূহ পূর্ব ঘোষিত সময়সূচি অনুসারে বাছাইপূর্বক ৫০ প্রার্থীর মনোনয়নপত্রই বৈধ ঘোষণা করা হয়। ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী প্রার্থিতা প্রত্যাহারের নির্ধারিত সময় ২৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কোনো প্রার্থী প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেননি। ফলে জাতীয় সংসদ (সংরক্ষিত নারী আসন) নির্বাচন আইন, ২০০৪ এর ধারা ১২ এর উপধারা (১) অনুসারে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হলো।

সংরক্ষিত নারী আসনে আওয়ামী লীগের এমপিরা হলেন- ১. রেজিয়া ইসলাম (পঞ্চগড়), ২. দ্রৌপদী দেবি আগরওয়াল (ঠাকুরগাঁও), ৩. আশিকা সুলতানা (নীলফামারী) ৪. রোকেয়া সুলতানা (জয়পুরহাট), ৫. কোহেরী কুদ্দুস মুক্তি (নাটোর), ৬. জারা জেবিন মাহবুব (চাঁপাইনবাবগঞ্জ) ৭. রুনু রেজা (খুলনা) ৮. ফরিদা আক্তার বানু (বাগেরহাট) ৯. ফারজানা সুমি (বরগুনা) ১০. খালেদা বাহার বিউটি (ভোলা) ১১. ফরিদা ইয়াসমিন (নরসিংদী) ১২. উম্মে ফারজানা সাত্তার (ময়মনসিংহ) ১৩. নাদিরা বিনতে আমির (নেত্রকোনা) ১৪. মাহফুজা সুলতানা মলি (জয়পুরহাট) ১৫. পারভীন জামান কল্পনা (ঝিনাইদহ) ১৬. আরমা দত্ত (কুমিল্লা) ১৭. লায়লা পারভীন (সাতক্ষীরা) ১৮. মুন্নুজান সুফিয়ান (খুলনা) ১৯. বেদৌড়া আহমেদ সালাম (গোপালগঞ্জ) ২০. শবনম জাহান (ঢাকা) ২১. পারুল আক্তার (ঢাকা) ২২. সাবেরা বেগম (ঢাকা) ২৩. শাম্মী আহমেদ (বরিশাল) ২৪. নাহিদ ইজহার খান (ঢাকা) ২৫. ঝর্ণা আহসান (ফরিদপুর) ২৬. ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা (মুন্সীগঞ্জ) ২৭. সাহেদা তারেক দিপ্তী (ঢাকা) ২৮. অনিমা মুক্তি গোমেজ (ঢাকা) ২৯. শেখ আনার কলি পুতুল (ঢাকা) ৩০. মাসুদা সিদ্দিক রোজি (নরসিংদী) ৩১. তারানা হালিম (টাঙ্গাইল) ৩২. শামসুন নাহার (টাঙ্গাইল) ৩৩. মেহের আফরোজ চুমকি (গাজীপুর) ৩৪. অপরাজিতা হক (টাঙ্গাইল) ৩৫. হাসিনা বারী চৌধুরী (ঢাকা) ৩৬.নাজমা আক্তার (গোপালগঞ্জ) ৩৭. ফরিদুন্নাহার লাইলী (লক্ষ্মীপুর) ৩৮. আশরাফুন নেছা (লক্ষ্মীপুর) ৩৯. কানন আরা বেগম (নোয়াখালী) ৪০. শামীমা হারুন লুবনা (চট্টগ্রাম), ৪১. ফরিদা খানম (নোয়াখালী) ৪২. দিলারা ইউসুফ (চট্টগ্রাম) ৪৩. ডরথি তঞ্চঙ্গা (রাঙামাটি) ৪৪. সানজিদা খানম (ঢাকা) ৪৫. নাছিমা জামান ববি (রংপুর), ৪৬. নাজনীন নাহার রোশা (পটুয়াখালী) ৪৭. ওয়াসিকা আয়শা খান (চট্টগ্রাম) ৪৮. রুমা চক্রবর্তী (সিলেট)।

এদের মধ্যে কুমিল্লা থেকে নির্বাচিত আরমা দত্ত, ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরা, সানজিদা খানম, মেহের আফরোজ চুমকি, ফরিদুন্নাহার লাইলীসহ কয়েকজন আগের মেয়াদেও সংসদ সদস্য ছিলেন। এছাড়া মুন্নুজান সুফিয়ান খুলনা-৩ আসন থেকে টানা তিনবার সরাসরি ভোটে বিজয়ী হলেও এবং সরকারের গত মেয়াদে শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকলেও হাই কমান্ডের নির্দেশে এবার সরাসরি ভোটে অংশ নেননি। তার পুরস্কার হিসেবে এবার সংরক্ষিত আসনে সদস্য হয়েছেন তিনি। আর দুই মেয়াদ আগে সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করলেও গত দুটি সংসদে ছিলেন না আওয়ামী লীগের কার্যনির্বাহী সদস্য তারানা হালিম। এবার তিনি সংরক্ষিত আসনে ফিরেছেন।

এছাড়াও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে থেকে সংরক্ষিত আসনে জায়গা পাওয়া অন্যরা হলেন স্বাস্থ্য সম্পাদক রোকেয়া সুলতানা, আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটির কার্যনির্বাহী সদস্য পারভীন জামান কল্পনা, আন্তর্জাতিক সম্পাদক শাম্মী আহমেদ, দ্বৈত নাগরিকত্বের অভিযোগে তার মনোনয়নপত্র দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বাতিল হয় তবে দলের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের তাকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়ে গণমাধ্যমকে জানান ওই তফসিলের পর পরই বিদেশি নাগরিকত্ব প্রত্যাহারের কাগজ হাতে পেয়েছেন শাম্মী ), অর্থ সম্পাদক ওয়াসিকা আয়শা খান, শিক্ষা সম্পাদক শামসুন নাহার, কৃষি ও সমবায় বিষয়ক সম্পাদক ফরিদুন্নাহার লাইলী, কার্যনির্বাহী সদস্য সানজিদা খানম। দ্বাদশ জাতীয় নির্বাচনে সরাসরি ভোটে পরাজিত হন সানজিদা খানম। তারই মতো সরাসরি ভোটে পরাজিত হয়ে সংরক্ষিত আসনে এমপি হয়েছেন মেহের আফরোজ চুমকি। আর সদ্য সাবেক মহিলা ও শিশুবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী ফজিলাতুন নেছা ইন্দিরাকে মুন্সীগঞ্জ থেকে আবারও সংরক্ষিত আসনে সদস্য করা হয়েছে।

অন্যদিকে জাতীয় পার্টি থেকে নির্বাচিত হয়েছেন দুজন এমপি। এরমধ্যে একাদশ সংসদের সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য সালমা ইসলাম এবারও সংসদ সদস্য হয়েছেন। আর অপরজন জাতীয় পার্টির ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন নাহার।

প্রসঙ্গত,গত একাদশ ও দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সরাসরি ভোটে ঢাকার নবাবগঞ্জ-দোহার আসন থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন সালমা ইসলাম। তবে দুবারই আওয়ামী লীগের প্রার্থী ও বিশিষ্ট ব্যবসায়ী সালমান এফ রহমানের কাছে বিপুল ভোটের ব্যবধানে পরাজিত হন তিনি। তবে দলে অবদান থাকায় দুবারই তাকে সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য করে জাতীয় পার্টি। অপরজন নুরুন নাহার জাতীয় পার্টি থেকে ঠাকুরগাঁও এর একটি আসনে অংশ নিয়ে জামানত হারান। শুরুতে সংরক্ষিত এই আসনটিতে জাপা চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের স্ত্রী শেরিফা কাদেরের নাম শোনা গেলেও পরে দলের ভাইস চেয়ারম্যান নুরুন নাহারকেই প্রার্থী করে এমপি হিসেবে নির্বাচিত করে জাতীয় পার্টি।


ঈদের দিন সারা দেশে বৃষ্টির শঙ্কা

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

দীর্ঘ এক মাসের সিয়াম সাধনা শেষে শনিবার সারাদেশে মুসলিম উম্মাহর অন্যতম বৃহৎ ধর্মীয় উৎসব পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হতে যাচ্ছে, তবে উৎসবের এই দিনে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে প্রবল বৃষ্টির পূর্বাভাস দিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

শুক্রবার সকালে আবহাওয়াবিদ ড. মো. ওমর ফারুক এই আশঙ্কার কথা জানিয়ে বলেন, "ঈদের দিন সারাদেশে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। কোথাও হয়তো কম হবে আবার কোথায় বেশি তবে সারাদেশেই বৃষ্টির সম্ভবনা আছে। এছাড়াও এই বৃষ্টির সাধারণত ১ ঘণ্টার বেশি সময় স্থায়ী হবে না।" আবহাওয়ার পূর্বাভাস অনুযায়ী, ঈদের দিন সকালে ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর ও খুলনা বিভাগে বৃষ্টি হতে পারে এবং বেলা বাড়ার সাথে সাথে দেশের অন্যান্য অঞ্চলেও এর বিস্তার ঘটার সম্ভাবনা রয়েছে।

আবহাওয়া পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে গিয়ে ড. ওমর ফারুক আরও বলেন, "দেশের ঢাকা, রাজশাহী, রংপুর, খুলনা বিভাগের জেলাগুলোতে সকালে বৃষ্টির সম্ভবনা রয়েছে। তবে একটু বেলা বাড়ার সাথে সাথে চট্টগ্রাম, বরিশাল এবং সিলেটের দিকে বৃষ্টি হবে।" বৃষ্টির পাশাপাশি দেশের দু-এক জায়গায় অস্থায়ীভাবে দমকা অথবা ঝোড়ো হাওয়া ও বজ্রপাতসহ বিক্ষিপ্তভাবে শিলাবৃষ্টির সম্ভাবনাও রয়েছে।

এছাড়া পরবর্তী ৫ দিনের পূর্বাভাসে ২১ মার্চ দেশের আটটি বিভাগের বিভিন্ন স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনার কথা উল্লেখ করে উপকূলীয় ও উত্তরাঞ্চলের জেলাগুলোতে বিশেষ সতর্কবার্তা প্রদান করা হয়েছে।


ঈদের দিন বঙ্গভবনে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন/ফাইল ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
অনলাইন ডেস্ক

ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিন ও তার স্ত্রী রেবেকা সুলতানা। মুসলমানদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব ঈদুল ফিতর আগামীকাল শনিবার অনুষ্ঠিত হবে।

বঙ্গভবনের একজন জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে রাজধানীর হাইকোর্ট প্রাঙ্গণে জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন। তিনি বেলা ১১টা থেকে ১১টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত বঙ্গভবনে সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনের ক্রেডেনশিয়াল হলে গণমাধ্যমের মাধ্যমে দেশবাসীর প্রতি ঈদের শুভেচ্ছা জানাবেন।’

রাষ্ট্রপ্রধান বিশিষ্ট ব্যক্তিবর্গ, জ্যেষ্ঠ রাজনীতিবিদ, বিচারক, কবি, সাহিত্যিক, লেখক, সাংবাদিক, শিক্ষক, বুদ্ধিজীবী, বেসামরিক ও সামরিক কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।

এই আয়োজনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট এক কর্মকর্তা জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বঙ্গভবনে প্রায় ৮ হাজার ব্যক্তিকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। আগত অতিথিদের ঐতিহ্যবাহী বিভিন্ন খাবার পরিবেশন করে আপ্যায়ন করা হবে।

অনুষ্ঠান শেষে রাষ্ট্রপতি বঙ্গভবনে পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সময় কাটাবেন।

সূত্র: বাসস


নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠা বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত

সংগৃহীত ছবি
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নৌপরিবহন প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান জানিয়েছেন, নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠা সম্পূর্ণ বন্ধে কঠোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে এবং প্রয়োজনে নীতিমালায় পরিবর্তন আনা হবে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) বিকেলে রাজধানীর সদরঘাট এলাকায় যাত্রী নিরাপত্তা, সেবা ও সার্বিক পরিস্থিতি তদারকি শেষে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে এসব বিষয়ে কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, লঞ্চে অতিরিক্ত যাত্রী ওঠা রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে। বিশেষ করে নৌকা থেকে লঞ্চে যাত্রী ওঠার বিষয়টি সম্পূর্ণভাবে বন্ধ করা হবে।

লঞ্চে নৌকা থেকে কোনো যাত্রী উঠতে দেওয়া হবে না। এই সিদ্ধান্তে আমরা খুবই কঠোর।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, এ বিষয়ে আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর মাধ্যমে কঠোর নজরদারি করা হবে। সাধারণ মানুষকে অনুরোধ করব, আপনারা নিয়ম মেনে চলুন এবং নিজেদের জীবনের নিরাপত্তার প্রতি যত্ন নিন।

তিনি আরো বলেন, ভবিষ্যতে পারাপারের ব্যবস্থায় পরিবর্তন এনে ঘাট থেকে দূরে একটি স্থায়ী ব্যবস্থা গড়ে তোলার পরিকল্পনাও রয়েছে, যাতে অনিয়ন্ত্রিতভাবে নৌকা-লঞ্চ চলাচল বন্ধ করা যায়।

অতিরিক্ত ভাড়া নেওয়ার অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রতিমন্ত্রী বলেন, এখন পর্যন্ত এ ধরনের কোনো অভিযোগ আসেনি। একজন যাত্রীও আমাদের কাছে অভিযোগ করেনি যে তার কাছ থেকে বেশি ভাড়া নেওয়া হয়েছে।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে সরকার এরই মধ্যে ভাড়া ১০ শতাংশ কমিয়ে নির্ধারণ করেছে এবং তা কার্যকর রয়েছে।


যমুনায় নয়, গুলশান অ্যাভিনিউয়ের নিজ বাসায় থাকবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:৩৭
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় না উঠে রাজধানীর গুলশান অ্যাভিনিউয়ের ১৯৬ নম্বর বাড়িতে নিজের বাসায় থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বৃহস্পতিবার সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান গুলশানে নিজের বাসায় থাকবেন। সরকারি বাসভবন যমুনায় উঠছেন না। তারেক রহমান গুলশানের নিজের যে ছোট বাসাটি, তাতে থাকতে স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করেন। সে জন্য তিনি দেশে ফেরার পর এই বাসায় উঠেছেন। সেভাবেই বাসাটি সাজানো-গোছানো হয়েছে।

রুমন আরও জানান, পবিত্র ঈদের দিন সকাল আটটায় জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে আসবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। সেখানে তিনি সর্বস্তরের মানুষের সঙ্গে ঈদের প্রধান জামাতে অংশ নিয়ে নামাজ আদায় করবেন।

নামাজ শেষে সকাল ১০টা থেকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় দেশের বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে তিনি পবিত্র ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় করবেন।


ঈদকে ঘিরে নিরাপত্তা জোরদার, মাঠে র‍্যাবের কঠোর নজরদারি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ দেশের সব ঈদগাহ, বাস টার্মিনাল, রেলস্টেশন ও লঞ্চঘাটে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। জনসমাগম হয় এমন প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে সাদা পোশাকে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারিও বাড়ানো হয়েছে বলে জানিয়েছেন র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক কর্নেল ইফতেখার আহমেদ।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দানের নিরাপত্তা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

ইফতেখার আহমেদ বলেন, আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিতে র‍্যাবের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে আমাদের অতিরিক্ত র‍্যাব সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে। বিশেষ করে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ সব ঈদগাহ ময়দান, বাস টার্মিনাল, রেল স্টেশন, লঞ্চঘাটসহ যেসব জায়গায় জনসমাগম হয় এসব জায়গায় র‍্যাবের নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে।

তিনি বলেন, আমাদের মোবাইল পেট্রোলিং এবং ফুট স্টার্টিং টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম বৃদ্ধি করা হয়েছে। ডগ স্কোয়াড, বোম ডিস্পোজাল ইউনিট এবং সাদা পোশাকে র‍্যাবের গোয়েন্দা নজরদারি চলমান আছে এবং এই কার্যক্রমটা এবার অনেক জোরদার করা হয়েছে। পাশাপাশি আমাদের যে সন্ত্রাস ও মাদকবিরোধীসহ অন্যান্য যে কোনো অপরাধের বিষয়ে অভিযান আমাদের অব্যাহত আছে।

র‌্যাবের ভারপ্রাপ্ত মহাপরিচালক আরও বলেন, আমাদের সাইবার ক্রাইম গুজব ও উসকানি প্রতিরোধের জন্য যত ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া যায় সাইবার মনিটরিং টিম সার্বক্ষণিক মনিটর করছে। যে কোনো অভিযোগ পেলে আমরা তাৎক্ষণিকভাবে ব্যবস্থা গ্রহণ করছি। এবারের ঈদ অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ও উৎসবমুখর পরিবেশে হবে বলে আমি আপনাদের আশ্বস্ত করছি।


চাঁদ দেখা যায়নি, শনিবার সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে

ফাইল ছবি
আপডেটেড ১৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

বাংলাদেশের আকাশে পবিত্র শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় আগামী শনিবার (২১ মার্চ) সারা দেশে পবিত্র ঈদুল ফিতর উদযাপিত হবে। বৃহস্পতিবার ১৯ মার্চ সন্ধ্যায় জাতীয় চাঁদ দেখা কমিটির বৈঠক শেষে ধর্মমন্ত্রী কাজী শাহ মোফাজ্জাল হোসেন কায়কোবাদ এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

ইসলামিক ফাউন্ডেশনের বায়তুল মোকাররম সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে প্রাপ্ত তথ্য পর্যালোচনা করে কমিটি এই সিদ্ধান্তে উপনীত হয় যে কোথাও শাওয়ালের চাঁদ দেখা যায়নি। ফলে রমজান মাস ৩০ দিন পূর্ণ হওয়ার পর শনিবার (২১ মার্চ) পবিত্র ঈদের নামাজ আদায় করা হবে।

ধর্ম মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছে, দেশের সকল ঈদগাহ ও মসজিদে ঈদের জামাত আয়োজনের প্রস্তুতি ইতোমধ্যে সম্পন্ন হয়েছে। মুসল্লিরা যেন যথাযথ স্বাস্থ্যবিধি ও শৃঙ্খলা মেনে ঈদের নামাজ আদায় করতে পারেন সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।

শাওয়াল মাসের চাঁদ দেখা না যাওয়ায় সারা দেশের ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা আরও একদিন রোজা পালন করে শনিবার (২১ মার্চ) আনন্দঘন পরিবেশে ঈদুল ফিতর উদযাপন করবেন বলে ধর্মমন্ত্রী আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন।


সদরঘাটে লঞ্চ দুর্ঘটনা তদন্তে ৬ সদস্যের কমিটি গঠন

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

রাজধানীর সদরঘাটে দুই লঞ্চের সংঘর্ষে হতাহতের ঘটনার কারণ অনুসন্ধানে নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় ছয় সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। গঠিত এই কমিটিকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে দুর্ঘটনার প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় সুপারিশসহ প্রতিবেদন জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

গত ১৮ মার্চ সদরঘাটের ১৪ নম্বর পন্টুনের কাছে ঢাকা-ইলিশা রুটের আসা-যাওয়া-৫ এবং ঢাকা-দৌলতদিয়া-যশোরহাট রুটের এমভি জাকের স্মার্ট-৩ লঞ্চের মধ্যে সংঘর্ষের ফলে এই দুর্ঘটনা ঘটে। এই ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের জন্য নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আবুল ইসলামকে কমিটির আহ্বায়ক করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন ঢাকা অঞ্চলের নৌ পুলিশের পুলিশ সুপার আব্দুল্লাহ আল-মামুন, বিআইডব্লিউটিএর পরিচালক এস এম শাহেদ রেজা, নৌপরিবহন অধিদফতরের ইঞ্জিনিয়ার অ্যান্ড শিপ সার্ভেয়ার মোহাম্মদ এহতেছানুল হক ফকির এবং ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক এ কে এম শামসুজ্জোহা।

এছাড়া নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের সহকারী সচিব মো. মেহেদী হাসান এই কমিটিতে সদস্যসচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।


রাজধানীতে ঈদ জামাতের সর্বোচ্চ নিরাপত্তায় প্রস্তুত ডিএমপি

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, ঈদকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের নিরাপত্তা শঙ্কা নেই। তবে গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহের নিরাপত্তা ব্যবস্থা পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

রাজধানী ঢাকায় আসন্ন ঈদুল ফিতর উপলক্ষে ১২১টি ঈদগাহ ও ১৫৯৯টি মসজিদে মোট ১৭২০টি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

মো. সরওয়ার বলেন, বরাবরের মতো এবারও জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদের প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৮টায় অনুষ্ঠিত হবে। যেখানে ৩৫ হাজারেরও বেশি মুসল্লি নামাজ আদায় করবেন। আর জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে মোট পাঁচটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। তার মধ্যে প্রথম জামাত শুরু হবে সকাল সাতটায়। এছাড়া আগারগাঁওয়ে পুরাতন বাণিজ্য মেলার মাঠে উত্তর সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হবে। সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে আগের দিন ঢাকায় তিনটি ঈদ জামাত এবং শিয়া সম্প্রদায়ের আটটি ঈদ জামাত অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে।

তিনি বলেন, জাতীয় ঈদগাহ, বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদ এবং ঢাকার অন্যান্য সব স্থানে অনুষ্ঠিতব্য ঈদ জামাতের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ডিএমপি সমন্বিত ও সুবিন্যস্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে।

ঈদে নিরাপত্তার বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, নিরাপত্তার শঙ্কা নেই, তারপরেও আমাদের বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থা মনিটরিং করছে। যদি কিছু হয় আমাদেরকে জানাবে। সেই অনুযায়ী আমাদের যথেষ্ট প্রস্তুতি আছে নিরাপত্তা ব্যবস্থা অটুট রাখার জন্য।

জাতীয় ঈদগাহে কয়েক স্তরের নিরাপত্তা ব্যবস্থা রয়েছে জানিয়ে ডিএমপির ভারপ্রাপ্ত কমিশনার বলেন, প্রবেশ গেটে তল্লাশির জন্য আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টর থাকবে। পুরো জাতীয় ঈদগাহ ময়দানসহ আশেপাশের এলাকায় সিসি ক্যামেরা দিয়ে মনিটরিং করা হবে। ঈদগাহ ময়দানে আসার প্রধান তিনটি সড়কের প্রবেশ মুখ মৎস্যভবন, প্রেস ক্লাব এবং শিক্ষাভবনে ব্যারিকেড থাকবে, যাতে অন্যান্য গাড়ি এই ঈদগাহ ময়দানের আশেপাশের রাস্তায় না আসে। সেখানেও আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টর থাকবে।

তিনি বলেন, ঈদ জামাতের চারদিকে পুলিশের পেট্রোলিং ব্যবস্থা থাকবে। মূল গেট হয়ে সব মুসল্লিদের প্রবেশ করতে হবে। নারী বা মহিলাদের জন্য পৃথক প্রবেশ গেট এবং পৃথক নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। ঈদগাহ ময়দান এবং আশেপাশের এলাকায় সিটিটিসির ডগ স্কোয়াড সুইপিং এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের সুইপিং টিম সুইপিং করবে। আমাদের ডিএমপির বোম্ব ডিসপোজাল টিম স্ট্যান্ডবাই থাকবে। পুরা এলাকা ঘিরে অন্য একটা বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা বলয় তৈরি করতে সোয়াট, সাদা পোশাকে ডিবি এবং সিটিটিসির সদস্যরা ঈদগাহে দায়িত্ব পালন করবেন।


মুন্সিগঞ্জের ১৫ ‘জুলাইযোদ্ধা―র গেজেট বাতিল

আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

মুন্সিগঞ্জের ১৫ জন জুলাইযোদ্ধার গেজেট বাতিল করেছে সরকার। সম্প্রতি মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এ সংক্রান্ত তিনটি প্রজ্ঞাপন জারি করেছে। প্রজ্ঞাপনগুলোতে বলা হয়েছে, ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’–এর সিডিউল-১ অনুযায়ী এবং ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থানে শহিদ পরিবার ও জুলাইযোদ্ধাদের কল্যাণ ও পুনর্বাসন অধ্যাদেশ, ২০২৫’―এর ১১ (৪) ধারা অনুসারে দেওয়া ক্ষমতাবলে এসব গেজেট বাতিল করা হয়েছে।

২০২৪ সালে আওয়ামী লীগ সরকারের পতন আন্দোলনে অংশ নিয়ে নিহত ব্যক্তিদের ‘জুলাই শহীদ’ এবং আহত ব্যক্তিদের ‘জুলাইযোদ্ধা’―র মর্যাদা দিয়েছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার। আহতদের ক্যাটাগরি অনুযায়ী সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে সরকার।

বাতিল হওয়া তালিকায় শ্রেণি ‘ক’ (অতি গুরুতর) থেকে ১ জন, শ্রেণি ‘খ’ (গুরুতর আহত) থেকে ১ জন এবং শ্রেণি ‘গ’ (আহত) থেকে ১৩ জন রয়েছেন।

শ্রেণি ‘ক’–তে সাদ্দাম হোসেন মৃধা এবং শ্রেণি ‘খ’–তে মো. রাব্বি হোসেনের গেজেট বাতিল করা হয়েছে। এছাড়া 'গ'-শ্রেণির বাতিল করা ‘জুলাইযোদ্ধা’দের মধ্যে রয়েছেন মো. মহসীন, মো. সোহেল, মো. আসিফ, মোসা. মানছুরা, মো. শাকিল বেপারী, রোমেল, মো. বাদল বেপারী, রমজান হোসেন, এহসানুল হক সোহাগ, রুনা আক্তার ছোঁয়া, আল আমিন, মো. মামুন হোসেন এবং রনক বেপারী।


ঈদ উপলক্ষে তারেক রহমানকে মোদীর শুভেচ্ছা বার্তা

আপডেটেড ১৯ মার্চ, ২০২৬ ২২:৫৮
নিজস্ব প্রতিবেদক

পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে বিশেষ শুভেচ্ছা বার্তা পাঠিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী। শুভেচ্ছা বার্তায় তিনি ভারত সরকার ও জনগণের পক্ষ থেকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী এবং ভ্রাতৃপ্রতিম জনগণকে এই আনন্দময় উৎসবের আন্তরিক অভিনন্দন জানান।

শুভেচ্ছা বার্তায় মোদী উল্লেখ করেন, বিগত এক মাস ধরে ভারতসহ বিশ্বজুড়ে মুসলমানরা পবিত্র রমজান মাস পালন করেছেন এবং রোজা ও প্রার্থনার মাধ্যমে পুণ্যময় সময় অতিবাহিত করেছেন।

নরেন্দ্র মোদী তার বার্তায় আরও বলেন, ঈদুল ফিতরের এই উদযাপন আমাদের সহানুভূতি, ভ্রাতৃত্ব ও একতার মতো চিরন্তন মূল্যবোধের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। তিনি বিশ্বজুড়ে মানুষের শান্তি, সম্প্রীতি, সুস্বাস্থ্য এবং সুখের জন্য প্রার্থনা করেন। সেই সঙ্গে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান বন্ধুত্ব ও সৌহার্দ্যের বন্ধন ভবিষ্যতে আরও সুদৃঢ় হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন। পরিশেষে তিনি বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর প্রতি তার সর্বোচ্চ সম্মানের আশ্বাস পুনর্ব্যক্ত করেন।


যাত্রী কল্যাণ সমিতির প্রতিবেদন সঠিক নয়: প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ

প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেছে বলে মন্তব্য করেছেন রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেছেন, সেই কারণে আমাদের কিছু ট্রেনের সময় বিপর্যয় ঘটেছে। সবগুলো না, দুটি ট্রেন। একতা এবং নীলসাগর। এতে পরিবেশ কিছুটা নষ্ট হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে দেশের প্রধান রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন করতে এসে তিনি এ কথা বলেন। হাবিবুর রশীদ হাবিব বলেন, ওই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সেখানে স্টেশন মাস্টার ও ট্রেনের দুই লোকোমাস্টারকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। আপাতত আমাদের ট্রেন ব্যবস্থা স্বাভাবিক রয়েছে। রেলের মাঠ পর্যায় থেকে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নিয়মিত দায়িত্ব পালন করছেন। সবাই মাঠের সক্রিয় আছেন।

তিনি বলেন, দুইটা ট্রেনের সময় বিলম্বিত হওয়ায় যাত্রীসেবা কিছুটা বিঘ্নিত হয়েছে। আমি সেটা পরিদর্শন করতে এখানে এসেছি। আমি আসার এক ঘণ্টা আগেও আপনার নিশ্চয় জানতেন না আমি এখানে আসব।

এবারের স্বস্তিদায়ক ঈদযাত্রায় ভাড়া আদায়ের এই নৈরাজ্য গত ২০ বছরের রেকর্ড ভঙ্গ করতে চলেছে বলে দাবি করেছে যাত্রী কল্যাণ সমিতি। তাদের প্রতিবেদন অনুযায়ী, ঈদে বাসে ও মিনিবাসে শুধুমাত্র অতিরিক্ত ভাড়া হিসেবেই যাত্রীদের পকেট থেকে প্রায় ১৪৮ কোটি টাকা বাড়তি হাতিয়ে নেওয়া হবে।

তবে যাত্রী কল্যাণ সমিতির এই প্রতিবেদন সঠিক নয় বলে দাবি করেছেন সড়ক পরিবহন ও রেলপথ প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ হাবিব। তিনি বলেন, ‘এখন পর্যন্ত ভাড়া-সংক্রান্ত কোনো সুনির্দিষ্ট অভিযোগ পাওয়া যায়নি।

বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) সকালে রাজধানীর কমলাপুর রেলওয়ে স্টেশন পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের এ কথা জানান প্রতিমন্ত্রী। এসময় তিনি স্টেশনে উপস্থিত যাত্রীদের সঙ্গে কথা বলেন এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন।

তিনি বলেন, ‘বর্তমানে দুটি ট্রেন ছাড়া বাকি ট্রেনগুলোর চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঈদযাত্রার সামগ্রিক অবস্থা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং ঈদের পর পুরো ব্যবস্থার মূল্যায়ন করা হবে।

যাত্রী কল্যাণ সমিতির পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, এবারের ঈদে ঢাকা ও দেশের বিভিন্ন জেলা থেকে দূরপাল্লার বাস-মিনিবাসে প্রায় ৪০ লাখ ট্রিপ এবং সিটি সার্ভিসে আরো প্রায় ৬০ লাখ ট্রিপ যাত্রী যাতায়াত করতে পারে। গত ১৪ মার্চ থেকে ১৮ মার্চ পর্যন্ত মাঠ পর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণ করে দেখা গেছে, ৮৭ শতাংশ বাস ও মিনিবাসেই সরকারি চার্ট অমান্য করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।


জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন রাষ্ট্রপতি-প্রধানমন্ত্রী

ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
নিজস্ব প্রতিবেদক

জাতীয় ঈদগাহে পবিত্র ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায় করবেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। বৃহস্পতিবার (১৯ মার্চ) জাতীয় ঈদগাহ ময়দান পরিদর্শন শেষে গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ তথ্য জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।

তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী জাতীয় ঈদগাহে ঈদুল ফিতরের নামাজ আদায়ের বিষয়ে সম্মতি দিয়েছেন। রাষ্ট্রপতিও বরাবরের মতো এখানে ঈদের নামাজ আদায় করবেন। ফলে এবার একসঙ্গে দুই ভিভিআইপিকে নামাজ আদায় করতে দেখা যাবে।

প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, জাতীয় ঈদগাহে নারী-পুরুষ মিলিয়ে প্রায় ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। ঈদগাহের সার্বিক প্রস্তুতি প্রায় সম্পন্ন হয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

তিনি জানান, জাতীয় এই ময়দানে নারীসহ প্রায় ৪০ হাজার মুসল্লির নামাজ আদায়ের ব্যবস্থা করা হয়েছে। জামাত শেষে সাধারণ মুসল্লিরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সরাসরি ঈদ শুভেচ্ছা বিনিময়ের সুযোগ পাবেন। তবে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে যদি ঈদগাহ ময়দান নামাজ আদায়ের অনুপযোগী হয়ে পড়ে, সেক্ষেত্রে বিকল্প হিসেবে জাতীয় মসজিদ বায়তুল মোকাররমে প্রধান জামাত অনুষ্ঠিত হবে।

প্রধান ঈদ জামাতকে কেন্দ্র করে ঢাকা মহানগর পুলিশ (ডিএমপি) রাজধানীজুড়ে নিশ্ছিদ্র ও বহুমুখী নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে। ডিএমপি কমিশনার মো. সরওয়ার জানিয়েছেন, জাতীয় ঈদগাহ ও বায়তুল মোকাররমসহ প্রধান জামাতগুলোতে একাধিক স্তরের নিরাপত্তা বলয় নিশ্চিত করা হবে।

প্রতিটি প্রবেশপথে আর্চওয়ে এবং মেটাল ডিটেক্টর বসানো হবে এবং পুরো এলাকা সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক মনিটরিং করা হবে। নিরাপত্তার স্বার্থে মৎস্য ভবন, প্রেসক্লাব এবং শিক্ষা ভবন এলাকাকে এন্ট্রি পয়েন্ট হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে এবং ঈদগাহের আশপাশের রাস্তায় সব ধরনের যানবাহন প্রবেশ ও পার্কিং নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের বিশেষায়িত শাখা সিটিটিসি, ডগ স্কোয়াড এবং স্পেশাল ব্রাঞ্চের সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করবেন। ডিএমপি কমিশনার আরও জানান, যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি মোকাবিলায় বোম্ব ডিসপোজাল ইউনিট, ওয়াচ টাওয়ার, ফায়ার সার্ভিস এবং মেডিকেল টিম প্রস্তুত রাখা হয়েছে।

নারীদের জন্য ঈদগাহে প্রবেশের পৃথক গেট ও বিশেষ নিরাপত্তা ব্যবস্থা থাকবে। রাজধানীর অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ঈদগাহ ও জামাতগুলোতেও পর্যাপ্ত পুলিশ মোতায়েন করা হবে যাতে ধর্মপ্রাণ মানুষ নির্বিঘ্নে উৎসব পালন করতে পারেন।

নামাজে অংশগ্রহণকারী মুসল্লিদের জন্য ডিএমপির পক্ষ থেকে কিছু নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। জামাতে আসার সময় মুসল্লিরা কেবল জায়নামাজ, মোবাইল ফোন এবং প্রয়োজনীয় ক্ষেত্রে ছাতা বহন করতে পারবেন। তবে দেশলাই, লাইটার বা যেকোনো ধরনের দাহ্য বস্তু সঙ্গে রাখা কঠোরভাবে নিষিদ্ধ করা হয়েছে।

ঈদ উপলক্ষে রাজধানীর আইনশৃঙ্খলার সার্বিক সুরক্ষায় পুলিশের টহল জোরদার করা হবে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে পুলিশ লাইনের বিশেষ পাহারা থাকবে। ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে এবারের ঈদ উদযাপনে সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছে প্রশাসন।


নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত: ২২ ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক

দুর্ঘটনাকবলিত ট্রেন। ছবি: সংগৃহীত
আপডেটেড ১ জানুয়ারি, ১৯৭০ ০৬:০০
বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ার সান্তাহার বাগবাড়ী এলাকায় চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস লাইনচ্যুত হওয়ার ২২ ঘণ্টা পর উদ্ধার অভিযান শেষে ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে নেওয়ার পর বৃহস্পতিবার বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনা গামী যাত্রীবাহী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেন চলাচল শুরুর মধ্য দিয়ে এই রুটে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়।

এর আগে গতকাল বুধবার দুপুর ২টার দিকে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসো চিলাহাটি অভিমুখী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনটি বগুড়ার সান্তাহারের বাগবাড়ী এলাকায় লাইনচ্যুত হয়।

রেলওয়ে পশ্চিম অঞ্চলের প্রধান প্রকৌশলী আহমদ হোসেন মাসুম জানান, গতকাল দুর্ঘটনা হওয়ার পর থেকে রেলওয়ের কর্মকর্তাদের নির্দেশে আমরা এখানে এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করি। সন্ধ্যায় ঈশ্বরদী থেকে একটি রিলিফ ট্রেন এবং পার্বতীপুর থেকে আরেকটি রিলিফ ট্রেন এসে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। সারারাত ব্যাপী উদ্ধার অভিযান চালিয়ে বগি গুলোকে লাইন থেকে অপসারণ করা হয়েছে এবং রেললাইন মেরামত কাজ চলমান রয়েছে। আমরা এই অবস্থাতে ট্রেন চালাতে পারবো। চিলাহাটি থেকে ছেড়ে আসা খুলনাগামী সীমান্ত এক্সপ্রেস ট্রেনটি বেলা ১১ টা ২০ মিনিটে যাত্রীসহ প্রথমে যাবে। লাইন নির্মাণ কাজ মোটামুটি স্বাভাবিক। এই স্থানটিতে ট্রেনগুলো ধীর গতিতে চলাচল করবে। সেই সাথে আমাদের নির্মাণ কাজ চলমান থাকবে। ঈদের আগ মুহূর্তে এমন দুর্ঘটনার জন্য দেশবাসীর কাছে দুঃখ প্রকাশ করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ঈদযাত্রায় ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা চিলাহাটিগামী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেন বুধবার দুপুর ২টায় বগুড়ার সান্তাহার রেলওয়ে জংশন ছেড়ে যাওয়ার কিছুক্ষণ পর বাগবাড়ী নামক এলাকায় দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। এতে ট্রেনের ৯টি কোচ লাইনচ্যুত হয়। সন্ধ্যা পৌনে ৭টায় উদ্ধারকারী (রিলিফ) ট্রেন ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। ঘটনার পর দায়িত্ব অবহেলার কারণে সান্তাহারের সহকারী স্টেশন মাস্টার শহিদুল ইসলাম রঞ্জুকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে। একই সাথে চার সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছে রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।


banner close